PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল
বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল
PrepBank · পাতা ৪ / ৪ · ৩০১–৩১৫ / ৩১৬
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি যুক্তরাজ্যের বিদেশি অঞ্চল।
- যার মোট আয়তন: ১২,১৭৩ বর্গকিলোমিটার।
- এর মুলত দুটি বড় দ্বীপ: ইস্ট ফকল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ফকল্যান্ড।
- এবং কয়েক শত ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মাঝে বিরোধ রয়েছে।
- ১৯৮২ সালের ২ এপ্রিল আর্জেন্টিনার সামরিক সরকার ফকল্যান্ড আক্রমণ করে।
- এরই প্রেক্ষিতে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১০ সপ্তাহ পর স্ট্যানলিতে ব্রিটিশ সৈন্যদের কাছে আর্জেন্টাইন বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই যুদ্ধ শেষ হয়।
- ব্রিটিশ সৈন্যরা জোরপূর্বক দ্বীপগুলো পুনরায় দখল করে নেয়।
উৎস: ব্রিটনিকা, World Atlas.
ব্যাখ্যা
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান সংক্রান্ত বিরোধ জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণসংক্রান্ত CLCS (Commission on the Limits of the Continental Shelf) এ বিচারাধীন রয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে CLCS এ নিজেদের মহীসোপান সীমা দাবী করে আবেদন জমা দেয়।
- সম্প্রতি ভারত সরকার বাংলাদেশের দাবীর প্রেক্ষিতে CLCS এ আপত্তিপত্র জমা দেয়।
অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।
তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে আলোচিত ও দুঃখজনক ঘটনা হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত।
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল:
- পরস্পর বিরোধী দুই মতাদর্শের বিকাশ।
- জার্মানির বিভক্তি।
- বিশ্বরাজনীতিতে বৃহৎ শক্তির হিসাবে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পতন।
- বৃহৎ শক্তি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের আবির্ভাব।
- স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা।
সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ বিবিসি নিউজ।
ব্যাখ্যা
• নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাজি বাহিনী ইউরোপে ‘অপরাধ' করেছিল।
- তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধ সংঘটিত করা ও বিঘ্নিত করা।
- ১৯৪৫ সালে গঠিত International Military Tribunal (Nurenburg)-এ তাদের বিচারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
- তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হয়েছিল । বিচার তাদেরও হয়েছিল, যারা দূরপ্রাচ্যে (Far East) অপরাধ সংঘটিত করেছিল।
- ১৯৪৬ সালে গঠিত হয়েছিল International Military Tribunal for Far East (Japan)।
- জাপানি যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচার হয়েছিল।
সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
ব্যাখ্যা
- বিংশ শতাব্দীর সত্তর-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র টেবিল টেনিস দলের চীন সফরকে চিহ্নিত করা হয়েছে পিংপং কূটনীতি হিসেবে।
- ১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেবিল টেনিস দল জাপারে নাগোয়াতে ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল।
- তখন তাদের চীন সফরে আমন্ত্রণ জানান হয়।
- তারা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল টানে যান।
- ১৯৪৯ সালের পর প্রথম একটি যুক্তরাষ্ট্রের টিম চীন সফর করেছিল।
- এর মধ্যে দিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয় এবং প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের ক্ষেত্র তৈরি হয়।
সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক-ইরান যুদ্ধ হয়েছিল।
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
উল্লেখ্য,
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।
সূত্র: Britannica.
ব্যাখ্যা
ইয়েলো লাইন (Yellow Line)
- ইয়েলো লাইন হলো গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দ্বারা চিহ্নিত একটি সীমারেখা।
• হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
- যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে উপত্যকাটিতে নির্দিষ্ট সীমারেখা বরাবর সেনা সদস্যের সরিয়ে নেয় ইসরায়েল। ওই সীমারেখাকে বলা হয় ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’।
- একটি খসড়া মানচিত্রে দেখা গেছে, হলুদ রেখা টেনে দেওয়ার মধ্য দিয়ে গাজার প্রায় ৫৮ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
- এই লাইন অতিক্রম করলে বা কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলে ফিলিস্তিনিদের গুলি করে ও ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করা হচ্ছে।
- এই হলুদ রেখাই গাজা ও ইসরায়েলের ‘নতুন সীমান্ত’ হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর প্রধান ইয়াল জামির।
অন্যদিকে,
- লেবানন ও ইসরায়েলের সীমারেখা: ব্লু লাইন।
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমারেখা: Line of Control (LoC)।
- আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমারেখা: ডুরান্ড লাইন।
উৎস: i) The Guardian.
ii) প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বেলজিয়ামের ওয়াটার লু নামক স্থানে সংঘটিত যুদ্ধের নাম 'ওয়াটারলু' যুদ্ধ।
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই যুদ্ধে দুটি সম্মিলিত শক্তি- ডিউক অব ওয়েলিংটনের অধীন ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এবং গাবার্ড ভন বুচারের অধীন পার্শিয়ান সেনাবাহিনীর নিকট পরাজিত হন।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে অস্ত্রসজ্জিত সীমান্ত।
- সিয়াচেন (ভারতের দখলে) কাশ্মীর অবস্থিত বিশ্বের উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র।
- আকসাই চীন (চীনের দখলে) ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমানা।
- ভারত-নেপালের মধ্যে অমিমাংসিত ভু-খন্ড।
সূত্র:- ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
ষাটের দশকের শুরুতে দুই পরাশক্তির মধ্যে সামরিক উত্তেজনা অত্যন্ত বেশি মাত্রায় প্রসারিত হয়েছিল। বিশেষ করে ১৯৬১ সালের এপ্রিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক কিউবার সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রবিরোধী অভিযানে সহায়তা প্রদান, একই বছর পূর্ব জার্মানিতে সোভিয়েত সমর্থনে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনকে বিভক্তকারী প্রাচীর (Berlin Wall) নির্মাণ, ১৯৬২ সালে সংঘটিত কিউবান মিসাইল সংকট (Cuban Missile Crisis)—এই উত্তেজনা বৃদ্ধির পশ্চাতে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। কিউবান মিসাইল সংকট ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ ও উত্তেজনাপূর্ণ অধ্যায়। এ সংকটকে কেন্দ্র করে উভয় পরাশক্তির মধ্যে নতুন সম্পর্কের উদ্ভব হয়। তারা বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা থেকে যুক্ত করতে ও উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন করতে সম্মত হয়। মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি টেলিফোন যোগাযোগ (Hotline) প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতিহাসে উভয় পরাশক্তির মধ্যে এ উত্তেজনা প্রশমন অবস্থাকে দাঁতাত (Detente) বলা হয়।
সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
ব্যাখ্যা
Loss and Damage Fund:
- 'Loss and Damage Fund' চালু প্রস্তাব গৃহীত হয় ২৭তম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27)।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যে ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতি হয়, তার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- আর এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
- Loss and Damage Fund-এর লক্ষ্য: উন্নয়নশীল ও দুর্বল দেশগুলোকে জলবায়ু বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- গোলান মালভূমি সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
⇒ ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত গোলান মালভূমি সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় গোলান মালভূমিজুড়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায় সিরিয়া। কিন্তু ইসরায়েল পাল্টা প্রতিরোধ নেয় এবং গোলানের ১২০০ বর্গকিলোমিটার (৪৬০ বর্গমাইল) এলাকা দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কিপুর যুদ্ধ নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে। চুক্তির শর্ত মেনে দুই পক্ষকেই মালভূমির ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি লম্বালম্বি এলাকা ছেড়ে নিজ নিজ বাহিনীকে সরিয়ে নিতে হয়। এই এলাকাটি পরিচিত 'এরিয়া অব সেপারেশন' নামে। এরপর সেখানে জাতিসংঘ নিয়োজিত 'ডিজএনগেজমেন্ট অবজারভার ফোর্স' মোতায়েন করা হয় অস্ত্রবিরতির বিষয়টিতে নজর রাখার জন্য।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।
⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।
এছাড়াও,
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।
অন্যদিকে -
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (ইজিপ্ট, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
২০০২ সালে আরব লীগের ১৪তম সাধারণ সেশনে এই প্রস্তাবনা গৃহিত হয়।
এতে ইসরাইল কর্তৃক ১৯৬৭ সালের পূর্বের সীমানা ও পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে মেনে নেওয়ার বিনিময়ে আরব দেশগুলোর সাথে ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কথা বলা হয়।
(সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান)