বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার প্রোগ্রাম, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ও পারঙ্গমতা

মোট প্রশ্ন১,৭৯৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার প্রোগ্রাম, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ও পারঙ্গমতা

PrepBank · পাতা / ১৮ · ৪০১৫০০ / ১,৭৯৭

৪০১.
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে কী বলে?
  1. ভোলাটাইল মেমরি
  2. নন-ভোলাটাইল মেমরি
  3. অস্থায়ী মেমরি
  4. সেকেন্ডারি মেমরি
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- ব্যবহারকারীর প্রোগ্রাম ও তথ্য দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করে রাখার জন্য অধিক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন, কম গতিবিশিষ্ট ও কম দামের বিশেষ ধরনের মেমােরিকে সহায়ক মেমােরি বা সেকেন্ডারি মেমােরি বলা হয়। যেমন: হার্ডডিস্ক, ফ্ল্যাশডিস্ক ইত্যাদি।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০২.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. পান্ডা
  2. ট্রোজান হর্স
  3. ভিয়েনা
  4. সিআইএইচ
ব্যাখ্যা

• পান্ডা (Panda) হলো একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের নাম, যা কম্পিউটারকে ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে।
- অন্যদিকে, ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ভিয়েনা (Vienna) এবং সিআইএইচ (CIH) হলো ক্ষতিকারক কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের ফাইল ও সিস্টেমের ক্ষতিসাধন করে।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
​উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৪০৩.
নিচের কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার?
  1. উইন্ডোজ
  2. ম্যাক ওএস
  3. ওরাকল
  4. এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপটিমাইজ বা কম্পিউটার এর সাথে সমন্বয় রাখার জন্য যে সফটওয়্যার ডিজাইন করা হয়েছে তাকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলে।
- নিন্মোক্ত ধরনের সফটওয়্যারসমুহ ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
◊ এন্টিভাইরাস,
◊  অনুবাদক সফটওয়্যার, 
◊  ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার,
◊  ব্যাক আপ/ ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যার,
◊  ক্লিপবোর্ড ম্যানেজ সফটওয়্যার,
◊  ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন,
◊  সর্ট মার্জ প্রোগ্রাম,
◊  লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools -এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৪.
কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে কী বলে?
  1. বাগ
  2. ডিবাগ
  3. চেঞ্জ
  4. GIGO
ব্যাখ্যা
Bug and Debug:
Bug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি কে বাগ বলে।

Debug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে ডিবাগ বলে।

কম্পিউটারের ভুলের প্রক্রিয়াটিকে Garbage In Garbage Out (GIGO) বলা হয়।
কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
৪০৫.
দুটি সিপিইউ-এর আর্কিটেকচার একই, কিন্তু CPU A এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B এর গতি ২.৫ GHz. সাধারণ পরিস্থিতিতে কোনটি দ্রুত?
  1. CPU A
  2. CPU B
  3. উভয়ই সমানভাবে দ্রুত
  4. RAM এর ওপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• CPU-এর গতি বা ক্লক স্পিড (GHz-এ মাপা হয়) নির্দেশ করে CPU কত দ্রুত নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। প্রশ্নে বলা হয়েছে দুটি CPU-এর আর্কিটেকচার একই, তাই নির্দেশনা প্রতি চক্রের সংখ্যা (Instructions Per Cycle, IPC) সমান। CPU A-এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B-এর গতি ২.৫ GHz। যেহেতু CPU A প্রতি সেকেন্ডে বেশি চক্র সম্পন্ন করতে পারে, তাই একই আর্কিটেকচারের ভিত্তিতে CPU A সাধারণ পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজ করবে। যদিও RAM-এর গতি কিছু ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে, সাধারণ প্রসেসিং পারফরম্যান্স নির্ভর মূলত CPU-এর ক্লক স্পিডের উপর। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) CPU A.

• ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel Website.

৪০৬.
Oracle সফটওয়্যার প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. ডাটাবেজে ডেটা ম্যানেজ করার জন্য 
  2. ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য
  3. সঙ্গীত প্লে করার জন্য
  4. ছবি এডিট করার জন্য
ব্যাখ্যা
• Oracle সফটওয়্যার প্রধানত ডাটাবেজে ডেটা ম্যানেজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) যা বড় পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান এবং পরিচালনার কাজ সহজ করে তোলে। Oracle সফটওয়্যার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, সরকারী সংস্থা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ডেটা নিরাপদ ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটার স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং দ্রুত অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে। অন্যদিকে, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, সঙ্গীত প্লে করা বা ছবি এডিট করার জন্য Oracle সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় না। তাই Oracle এর মূল কাজ হলো ডাটাবেজ পরিচালনা।

• ডাটাবেস:
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ডাটা (Data),
২. রেকর্ড (Record),
৩. ফিল্ড (Field) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- ওরাকল,
- ফক্সপ্রো,
- ডিবেজ,
- ফক্সবেইজ,
- প্যারাডক্স,
- ফোর্থ ডাইমেনশন,
- MySQL, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৭.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. Spreadsheets
  2. Language Translators
  3. Word Processor
  4. Database Management System
ব্যাখ্যা
- সফটওয়‍্যারকে দুটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে, সিস্টেম সফটওয়‍্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যারটি ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার সিস্টেম চালাতে সহায়তা করে এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারটি ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী কম্পিউটারের ক্ষমতাগুলিকে সরাসরি কোনও কাজের জন্য নিযুক্ত করে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার আমাদের একটি পরিবেশ তৈরি করে দেয় যেখানে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারকে চালানো যেতে পারে।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৮.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ওয়ার্ম
  2. ভিয়েনা
  3. এভিরা
  4. স্টোন
ব্যাখ্যা
এভিরা একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।
 
অন্যদিকে,
ওয়ার্ম, ভিয়েনা, স্টোন, হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৯.
Which of the following is not malware?
  1. Trojan
  2. Rootkit
  3. Firewall
  4. Spyware 
ব্যাখ্যা

Firewall is not malware. 
ফায়ারওয়াল (Firewall) হলো এক ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা একটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত বা ক্ষতিকারক ডেটা প্রবাহ থেকে রক্ষা করে। 

• ম্যালওয়্যার 
- ম্যালওয়্যার হলো এক ধরনের সফটওয়্যার প্রোগ্রাম, যা সাইবার আক্রমণে ব্যবহার করা হয়।
- এটি সাধারণত ভুক্তভোগীর ডিভাইসে ইনস্টল হয়, যখন তারা কোনো ঝুঁকিপূর্ণ লিঙ্ক বা ইমেইলের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

• ম্যালওয়্যারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:

- ভাইরাস, 
- ওয়ার্ম, 
- ট্রোজান, 
- রুটকিট, 
- স্পাইওয়্যার, এবং 
- অ্যাডওয়্যার।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৪১০.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. এভিরা
  3. সিআইএইচ
  4. ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা
• এভিরা হলো একটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১১.
কম্পিউটারে ফাইল সিজ করে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. Trojan Horse
  2. Spyware
  3. Adware
  4. Ransomware
ব্যাখ্যা
- আর্থিক প্রতারণা ও অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেল মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেমনঃ র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)।

- র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।

- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম(worms) প্রভৃতি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
৪১২.
নিচের কোনটি একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ক) Photoshop
  2. খ) Flash
  3. গ) Norton
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
McAfee, AGV, Norton Antivirus, AVIRA, Kaspersky Antivirus, Symantec, ESET NOD32, PANDA, AVAST, Cobra Antivirus, PC Tools Antivirus ইত্যাদি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪১৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Chrome
  2. Bitdefender
  3. Kaspersky
  4. AVG
ব্যাখ্যা
• Chrome এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Chrome হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা Google দ্বারা তৈরি। এটি ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে সাহায্য করে। তবে এটি কোনো ভাইরাস শনাক্ত বা দূর করতে পারে না। অন্যদিকে, Bitdefender, Kaspersky এবং AVG — এই তিনটি হলো জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যেগুলো কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। তাই, তালিকাভুক্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Chrome এন্টিভাইরাস নয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৪.
১৯৮৩ সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস প্রকাশ্যে আনেন কে?
  1. রবার্ট মোরিস
  2. ফ্রেড কোহেন
  3. স্টিভ জবস
  4. জন ফন ন্যুম্যান
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির ছাত্র ফ্রেড কোহেন পেনসিলভেনিয়ার লেহিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তাবিষয়ক এক সেমিনারে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস দেখান।
- ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর কম্পিউটার ভাইরাস এর জন্ম হয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো "Vital Information Resources Under Seize." যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে।

উৎস:
১. শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৫.
নিচের কোনটি চলমান গ্রাফিক্স?
  1. সিনেমা
  2. শব্দ বা অডিও
  3. এনিমেশন
  4. রেডিও
ব্যাখ্যা
অ্যানিমেশন
অ্যানিমেশন হল একটি ভিজ্যুয়াল কৌশল যা স্থির চিত্র, ফ্রেম বা বস্তুর দ্রুত ক্রম দ্বারা গতি বা পরিবর্তনের বিভ্রম তৈরি করে। এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, ভিডিও গেমস, ওয়েব ডিজাইন, বিজ্ঞাপন এবং আরও অনেক কিছু সহ বিভিন্ন ধরনের মিডিয়াতে ব্যবহৃত হয়। অ্যানিমেশন শিল্পী এবং নির্মাতাদের একটি গতিশীল এবং আকর্ষক উপায়ে গল্প, ধারণা এবং তথ্য জানাতে দেয়। এখানে অ্যানিমেশনের কিছু মূল দিক রয়েছে:

ফ্রেম:
অ্যানিমেশন সাধারণত ফ্রেমগুলির একটি সিরিজ সাজিয়ে তৈরি করা হয়, যা পৃথক ছবি বা অঙ্কন। গতির বিভ্রম তৈরি করতে এই ফ্রেমগুলিকে দ্রুত ধারাবাহিকভাবে দেখানো হয়।

ঐতিহ্যগত অ্যানিমেশন:
ঐতিহ্যগত অ্যানিমেশন, যা হাতে আঁকা বা 2D অ্যানিমেশন নামেও পরিচিত, প্রতিটি ফ্রেম হাতে তৈরি করা জড়িত। ক্লাসিক উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে ওয়াল্ট ডিজনির প্রাথমিক অ্যানিমেশন যেমন "স্নো হোয়াইট" এবং "সিন্ডারেলা।"

কম্পিউটার অ্যানিমেশন:
কম্পিউটারের আবির্ভাবের সাথে, ডিজিটাল অ্যানিমেশন আদর্শ হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে Adobe Animate-এর মতো সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তৈরি 2D অ্যানিমেশন এবং Autodesk বা ব্লেন্ডারের মতো সফ্টওয়্যার দিয়ে তৈরি 3D অ্যানিমেশন।

3D অ্যানিমেশন:
3D অ্যানিমেশন একটি 3D স্পেসে চলমান ত্রিমাত্রিক বস্তুর বিভ্রম তৈরি করে। এটি সাধারণত অ্যানিমেটেড সিনেমা, ভিডিও গেম এবং লাইভ-অ্যাকশন ফিল্মে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪১৬.
কোনটি ফার্মওয়্যার হিসেবে ধরা যায়?
  1. মাদারবোর্ডের BIOS
  2. পিসির অপারেটিং সিস্টেম
  3. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  4. অ্যাডোবি ফটোশপ
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যারের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং হার্ডওয়্যারের মৌলিক কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। এর মূল উদাহরণ হলো মাদারবোর্ডের BIOS, যা কম্পিউটার চালু হলে হার্ডওয়্যার শনাক্ত এবং ইনিশিয়ালাইজ করে, এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রাথমিক পরিবেশ তৈরি করে। অন্যদিকে, পিসির অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অ্যাডোবি ফটোশপ সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য হয়, যা হার্ডওয়্যারের উপরে চলে এবং ব্যবহারকারীর জন্য নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে। তাই, শুধুমাত্র মাদারবোর্ডের BIOS-কে ফার্মওয়্যার হিসেবে ধরা যায়।

উত্তর: ক) মাদারবোর্ডের BIOS.

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

৪১৭.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Symantec
  2. খ) McAfee
  3. গ) Adobe
  4. ঘ) AGV
ব্যাখ্যা
McAfee, AGV, Norton Antivirus, AVIRA, Kaspersky Antivirus, Symantec, ESET NOD32, PANDA, AVAST, Cobra Antivirus, PC Tools Antivirus ইত্যাদি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪১৮.
কম্পাইলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ কোনটি?
  1. প্রোগ্রামে ত্রুটি শনাক্ত করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া
  4. প্রিন্টিং নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার সোর্স প্রোগ্রাম বিশ্লেষণ করে সিনট্যাক্স ও অন্যান্য ত্রুটি শনাক্ত করে।

• কম্পাইলার(Compiler):
- কম্পাইলার হলো একটি অনুবাদক প্রোগ্রাম, যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে।
- কম্পাইলার অনুবাদের মাধ্যমে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম(Object Program) তৈরি করে।
- অনুবাদ শেষে এটি একটি এক্সিকিউশন ফাইল(.exe) তৈরি করে।
- এই এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম।
 
• কম্পাইলারের বৈশিষ্ট্য:
- কম্পাইলার ব্যবহারের ফলে প্রোগ্রাম দ্রুত নির্বাহ করা যায়।
- প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে অনুবাদ করার প্রয়োজন হয় না।
- ভিন্ন ভিন্ন উচ্চস্তরের ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।
- একটি নির্দিষ্ট কম্পাইলার শুধু একটি উচ্চস্তরের ভাষার প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে।
- উদাহরণস্বরূপ, COBOL কম্পাইলার দিয়ে BASIC প্রোগ্রাম কম্পাইল করা যায় না।
 
• কম্পাইলারের অতিরিক্ত ভূমিকা:
- সোর্স প্রোগ্রামের গুণাগুণ ও গঠন বিশ্লেষণ করতে পারে।
- প্রোগ্রামে থাকা ত্রুটি শনাক্ত ও প্রদর্শন করতে সক্ষম।
 
• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- সোর্স প্রোগ্রাম অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- প্রোগ্রামের সাথে প্রয়োজনীয় রুটিন(Routine) সংযুক্ত করা।
- প্রোগ্রামে বিদ্যমান ভুল বা ত্রুটি শনাক্ত করা।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সংশোধনের তথ্য প্রদান করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১৯.
Firmware কী ধরনের প্রোগ্রাম?
  1. RAM ভিত্তিক প্রোগ্রাম
  2. ROM ভিত্তিক প্রোগ্রাম
  3. Hard drive ভিত্তিক প্রোগ্রাম
  4. mRAM ভিত্তিক প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
ROM - Read only memory.
রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
৪২০.
ক্রিপ্টোলকার ম্যালওয়্যারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. কম্পিউটারকে ধীর করে দেওয়া
  2. পাসওয়ার্ড চুরি করা
  3. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা
  4. ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়া
ব্যাখ্যা

ক্রিপ্টোলকার (Cryptolocker) হলো এক ধরনের রানসমওয়্যার (Ransomware) ম্যালওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ফাইলগুলিকে এনক্রিপ্ট করে এবং সেই ফাইলগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- এটি সাধারণত ক্রিপ্টোগ্রাফিক পদ্ধতি ব্যবহার করে ফাইলগুলিকে লক করে এবং ব্যবহারকারীকে অর্থ প্রদানের জন্য চাপ দেয়।

• ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Avast ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৪২১.
ভিডিও কার্যত এক ধরনের-
  1. ক) বর্ণ
  2. খ) টেক্সট
  3. গ) অডিও
  4. ঘ) গ্রাফিক্স
ব্যাখ্যা
মাল্টিমিডিয়ার প্রয়োগ:
• বর্ণ বা টেক্সট-
- সারা বিশ্বে টেক্সটের যাবতীয় কাজ এখন কম্পিউটারে হয়ে থাকে।
- টাইপরাইটার ও ফটোটাইপ সেটার দিয়ে যেসব কাজ করা হত, বর্তমানে অফিস আদালত থেকে পেশাদারি মুদ্রণ পর্যন্ত সবখানেই এখন কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে।

• চিত্র বা গ্রাফিক্স-
- গ্রাফিক্স ডিজাইন, ড্রয়িং বা কমার্শিয়াল কাজে গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়।
- বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড, স্থাপত্য সকল ক্ষেত্রেই গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হচ্ছে।

• ভিডিও বা টিভি-
- ভিডিও কার্যত ভিডিও এক ধরনের গ্রাফিক্স। একে চলমান গ্রাফিক্সও বলা যায়।
- টিভি, হোম ভিডিও, মাল্টিমিডিয়া সফ্টওয়্যার, ওয়েব ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই ভিডিওর ব্যবহার ব্যাপক বেড়েছে।

• এনিমেশন-
- এনিমেশন এখন এক ধরনের গ্রাফিক্স।
- এটি চলমান বা স্থির হতে পারে আবার দ্বিমাত্রিক, ত্রিমাত্রিক হতে পারে।
- এনিমেশন কখনই কেবল একক মিডিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর সাথে অডিও, ভিডিও, টেক্সট, গ্রাফিক্স ইত্যাদির সম্পর্ক রয়েছে।

• শব্দ বা অডিও-
- শব্দ বা অডিও রেকর্ড, সম্পাদনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে এখন কম্পিউটারের উপর নির্ভর করে।
- সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ এনালগ পদ্ধতি এখন কার্যত সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে।
- যে কেউ ইচ্ছে করলেই একটি ভালো কম্পিউটার দিয়ে উন্নতমানের সাউন্ড রেকর্ডিং করতে পারে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২২.
নিচের কোনটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস নয়?
  1. ক) নরটন
  2. খ) হপার.আর
  3. গ) কোবরা
  4. ঘ) এভিজি
ব্যাখ্যা
কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
- AVG,
- AVIRA,
- AVAST,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus,
- PC Tools Antivirus ইত্যাদি।

অন্যদিকে, এক্স ৯৭এম/হপার.আর হলো একটি ভাইরাস।
৪২৩.
কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো-
  1. ক) BIOS
  2. খ) DVD
  3. গ) ROM
  4. ঘ) RAM
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো BIOS (Basic Input Output System)
- ফার্মওয়ার হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়ার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৪২৪.
একটি বারকোড রিডার থেকে কি নির্গত হয় ?
  1. ক) সাউন্ড
  2. খ) কমান্ড
  3. গ) ম্যাগনেটিক ফিল্ড
  4. ঘ) আলো
ব্যাখ্যা

বারকোড হল তথ্য সংগ্রহের একটি ভিজুয়াল পদ্ধতি যা মেশিনযোগে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এটি সাধারণত এর ধারণকারী জিনিস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে ।
- নরম্যান জোসেফ ও বারনার্ড সিলভার বারকোড আবিষ্কার করেন। এটি ১৯৫১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট করা হয়।
- বারকোড রিডার এক ধরনের আলো নির্গমন করে যা বস্তুর পৃষ্ঠের বিশেষ সংকেত পড়তে পারে ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)

৪২৫.
সিস্টেম সফটওয়্যার হলো-
  1. ক) বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনের প্রোগ্রাম
  2. খ) সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ প্রোগ্রাম
  3. গ) কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
- DOS, Windows XP, Linux, Unix, Mac OS ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
- আবার Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত। 

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম এর কার্যকারিতা পরিচালনা, কম্পিউটার কনফিগার অপটিমাইজ (optimize) এবং বিভিন্ন রকম সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে অপারেটিং সিস্টেমকে সাহায্য করে। 
- উদাহরণ: Antivirus Programs, Disk Defragmenter, File Manage ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২৬.
VIRUS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Virtual Information Resource Utilized Safely
  2. Vital Information Resource Under Siege
  3. Very Important Resource for Universal Security
  4. Variable Integrated Resource for Unifying Security
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- VIRUS -এর পূর্ণরূপ Vital Information Resources Under Seize.
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল Vital Information Resources Under Seize.
- যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২৭.
কোন ধরনের প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. ক) লেজার প্রিন্টার
  2. খ) ডট প্রিন্টার
  3. গ) ইংকজেট প্রিন্টার
  4. ঘ) ইমপেক্ট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
লেজার প্রিন্টার
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার। এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়। 
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৪২৮.
কোন উপায়ে ট্রোজান হর্স সাধারণত একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হয়?
  1. ইউজার পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের মাধ্যমে
  2. সফটওয়্যার আপডেট করে
  3. স্বয়ংক্রিয় প্রতিলিপি তৈরির মাধ্যমে
  4. ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ছড়ায়।
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) বা ট্রোজান ভাইরাস নিজে নিজে ছড়াতে পারে না (যা ওয়ার্ম পারে)। হ্যাকাররা সাধারণত লোভনীয় কোনো অফার বা জরুরি ফাইলের ছদ্মবেশে এটি ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে পাঠায়। ব্যবহারকারী সেই ফাইলটি ডাউনলোড বা ওপেন করলেই ট্রোজানটি সক্রিয় হয়ে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২৯.
কোন সফটওয়্যারটি ব্রাউজিং সম্পর্কিত নয়?
  1. Mozilla Firefox
  2. Safari
  3. Microsoft Excel
  4. Brave
ব্যাখ্যা
• Microsoft Excel - একটি স্প্র্যাডশীট সফটওয়্যার।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।

কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো -
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Safari,
- Opera,
- Microsoft Edge,
- Maxthon,
- Brave,
- UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৩০.
ফার্মওয়্যার সম্পর্কে কোন বিবৃতি সঠিক?
  1. এটি কম্পিউটার ব্যবহারের সময় প্রায়ই পরিবর্তিত হয়
  2. এটি বিদ্যুৎ বন্ধ হলে মুছে যায়
  3. এটি শুধুমাত্র মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত হয়
  4. এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং হার্ডওয়্যারকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।

- সঠিক উত্তর:  এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। 

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

৪৩১.
নিম্নের কোনটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস?
  1. ক) Malwarebytes
  2. খ) Companion
  3. গ) Command Purpose
  4. ঘ) Perrin
ব্যাখ্যা
Malwarebytes হচ্ছে একটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস। 

- অ্যান্টিভাইরাস হচ্ছে একধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা আমাদের কম্পিউটার সিস্টেমের ভাইরাস রোধ করতে সাহায্য করে থাকে। 

আরও কিছু জনপ্রিয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসের নামসমূহ-
- বিটডিফেন্ডার(Bitdefender)
- নর্টন(Norton Antivirus)
- এভিরা ফ্রি এন্টিভাইরাস (Avira Free Antivirus)
- এভিজি এন্টিভাইরাস ফ্রি(AVG Free Antivirus)
-এভাস্ট ফ্রি এন্টিভাইরাস (Avast Free Antivirus)
- ম্যাকফি(McAfee)
- ক্যাসপারাস্কি (Kaspersky)
- থ্রি সিক্সটি সিকিউরিটি (360 Security)  

সূত্র- Malwarebytes Website [লিঙ্ক]

৪৩২.
কোন কী-বোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করা যায়?
  1. Ctrl + Shift + Del
  2. Ctrl + Alt + Tab
  3. Ctrl + C
  4. Ctrl + X
ব্যাখ্যা
- Ctrl + Shift + Del: ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করতে ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl + Alt + Del: কম্পিউটার সিস্টেম রিবুট করতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl + Alt + Tab: কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- Ctrl + Alt + Shift এর মাধ্যমে অনেকগুলো কমান্ড দেয়া হয়। যেমন:
C - Copy relative path,
N - Go to symbol,
H - Pop up Hector,
V - paste simple,
L - Format file,
X - Cut selected text or files from a document or folder, 
I - Run inspection by name.

উৎস: Microsoft.
৪৩৩.
NTFS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Non Transferable File System
  2. খ) New Technology File System
  3. গ) New Technology Folder System
  4. ঘ) New Technology File Storage
ব্যাখ্যা
NTFS
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- DOS কোনোভাবেই NTFS পার্টিশনকে সমর্থন করে না।
- NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪৩৪.
নিচের কোনটি ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়?
  1. BIOS
  2. Blaster
  3. ILoveYou
  4. Melissa
ব্যাখ্যা

• BIOS কোনো ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়। BIOS (Basic Input Output System) হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে Blaster, ILoveYou, এবং Melissa সবই বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার বা কম্পিউটার ভাইরাস, যেগুলো সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, ডেটা নষ্ট করতে পারে বা ব্যবহারকারীর অজান্তে কাজ সম্পাদন করে। তাই স্পষ্টভাবে বলা যায়, BIOS হলো সিস্টেম সফটওয়্যার, ভাইরাস নয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।
যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।  

• কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

৪৩৫.
কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) এভিরা
  2. খ) ভিয়েনা
  3. গ) ম্যাকফি
  4. ঘ) সিমেন্টেক
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার  ভাইরাস
• স্টোন
ভিয়েনা
• সিআইএইচ ইত্যাদি।

- কম্পিউটার অ্যান্টি-ভাইরাস
• অভিজি
এভিরা
• এভাস্ট
McAfee
• Norton Antivirus
• Kaspersky Antivirus
Symantec
• ESET NOD32
• PANDA
• Cobra Antivirus ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. Mydoom
  2. Conficker
  3. Code Red
  4. Bitdefender
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm, Mydoom, Conficker ইত্যাদি। 

• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast, Bitdefender ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৭.
সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত বাণিজ্যিক সফটওয়্যারকে বলে-
  1. ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. খ) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. গ) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
  4. ঘ) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট কাজের সম্পাদনের প্রয়োজনে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়। অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়্যার তৈরী করে তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলে।
৪৩৮.
Maximum number of rows in an excel sheet are
  1. 65536
  2. 65535
  3. 256
  4. 65532
ব্যাখ্যা
- 'MS Excel' শিটে সর্বোচ্চ ৬৫,৫৩৬ টি সারি থাকতে পারে।
- মোট কলামের সংখ্যা ২৫৬ টি।
- আর মোট সেলের সংখ্যা ১,৬৭,৭৭,২১৬টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
৪৩৯.
কোনটি বাংলাদেশের সার্চ ইঞ্জিন নামে পরিচিত?
  1. ক) Bijoy
  2. খ) Pipra
  3. গ) Avro
  4. ঘ) Pipilika
ব্যাখ্যা
পিপীলিকা বাংলাদেশের একটি সার্চ ইঞ্জিন। 

- সার্চ ইন্জিন হলো এমন একটি সফটওয়ার সিস্টেম যা ডিজাইন করা হয়েছে  World Wide Web থেকে সকল ধরনের information খোজার কাজে ব্যবহার করা হয়। 
- পিপীলিকা বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র সার্চ ইঞ্জিন যা বাংলা ও ইংরেজী দুই ভাষাতেই কাজ করতে সক্ষম।
- এই উন্মুক্ত ওয়েব সার্ভিসটি সারা দেশের সাম্প্রতিক গ্রহণসাধ্য তথ্য অনুসন্ধান করতে সহায়তা করে।
- এটি দেশের প্রধান বাংলা ও ইংরেজী পত্রিকার সংবাদ, বাংলা ব্লগ, বাংলা উইকিপিডিয়া ও সরকারি তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৪৪০.
Who is commonly credited as the inventor of the C programming language?
  1. Ken Thompson
  2. Alan Turing
  3. Dennis Ritchie
  4. John McCarthy
ব্যাখ্যা
• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
- ‘সি’ এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে ‘বি’ নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো ‘সি’ ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে ‘সি’ সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে ‘সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

বেল ল্যাবরেটরি:
→ সদর দপ্তর: নিউ জার্সি, আমেরিকা।
→ প্রতিষ্ঠাকাল: জানুয়ারি, ১৯২৫।
→ প্রতিষ্ঠাতা: আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) bell-labs.com
৪৪১.
CIH- ভাইরাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) ফ্রেড কোহেন।
  2. খ) চেন ইং হাও।
  3. গ) ড. সলেমন।
  4. ঘ) চার্লি।
ব্যাখ্যা

CIH ভাইরাসের রচয়িতা হলেন চেন ইং হাও।

- ১৯৯৯ সালের ২৬শে এপ্রিল, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার CIH ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরন করেন।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৪৪২.
কম্পিউটার সচল হলে সবার আগে কোন প্রোগ্রামটি সচল হয়?
  1. ক) BIOS
  2. খ) ICON
  3. গ) PDA
  4. ঘ) Booting
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সচল হলে সবার আগে ROM এ রক্ষিত ফার্মওয়ার BIOS (Basic Input Output System) সচল হয় যেটা দ্বারা কম্পিউটার সচল এবং বন্ধ হয়।
Source: Britannica
৪৪৩.
নিচের কোনটি ফায়ারওয়্যাল সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Norton Internet Security
  2. খ) Kaspersky Internet Security
  3. গ) Macafee Internet Security
  4. ঘ) Windows 98
ব্যাখ্যা
Windows 98 একটি অপারেটিং সিস্টেম।
৪৪৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) AVG
  2. খ) Kaspersky
  3. গ) REVE
  4. ঘ) PUBG
ব্যাখ্যা
AVG, Kaspersky, REVE সবগুলো এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
৪৪৫.
Which one of the following is Utility Software?
  1. McAfee
  2. MS-Word
  3. Windows Xp
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• McAfee is a Utility Software.
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার: সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভূক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৬.
পেগাসাস কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. ভাইরাস
  2. ট্রোজান
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা
ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান এনএসও‘র তৈরি করেছে পেগাসাস নামক একটি শক্তিশালী স্পাইওয়্যার। পেগাসাসের সাহায্যে আপনার ফোনে যা কিছু আছে তার সবই চলে যায় হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে। ফোনে আপনি যা কিছু দেখতে পান, হ্যাকাররাও সেটা দেখতে পায়, আপনি যা করতে পারেন হ্যাকাররাও সেটা করতে পারে।

আপনার ফোনে হোয়্যাটসঅ্যাপ, সিগন্যাল, টেলিগ্রাম, ফেসবুক মেসেঞ্জার ইত্যাদি অ্যাপের সাহায্যে যেসব টেক্সট মেসেজ আদান প্রদান করা হবে তার সবই হ্যাকাররা দেখতে ও পড়তে পারে।
৪৪৭.
ক্লিপবোর্ডের প্রেক্ষিতে “কাট” এবং “কপি”-র পার্থক্য কী?
  1. কপি মূল ফাইল মুছে ফেলে, কাট মুছে না
  2. দুটোই মূল ফাইল মুছে ফেলে
  3. কাট মূল ফাইল মুছে ফেলে, কপি মুছে না
  4. দুটোই নতুন ফাইল তৈরি করে
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে যখন আমরা কোনো ফাইল বা টেক্সট কপি করি, এটি ক্লিপবোর্ডে তার একটি অনুলিপি রাখে, কিন্তু মূল ফাইল বা টেক্সট অপরিবর্তিত থাকে। অন্যদিকে, কাট ব্যবহার করলে ফাইল বা টেক্সট ক্লিপবোর্ডে নেওয়া হয় এবং মূল অবস্থান থেকে এটি মুছে যায়। অর্থাৎ, কপি মূলটি ধরে রাখে, কাঁটলে মূলটি সরানো হয়। কপি সাধারণত ডুপ্লিকেট তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়, আর কাট স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারকারীরা এগুলো নির্বাচন করে, যাতে তথ্য সংরক্ষণ বা স্থানান্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: গ) কাট মূল ফাইল মুছে ফেলে, কপি মুছে না। 

• ক্লিপবোর্ড কমান্ড:
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে।
- ক্লিপবোর্ড র‌্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেটা ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।

উৎস: Microsoft Support. [link]

৪৪৮.
Python is a -
  1. ক) High level language
  2. খ) Machine language
  3. গ) Low-level language
  4. ঘ) Assembly language
ব্যাখ্যা
- পাইথন হল একটি উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।
- পাইথনের ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং বিগ ডেটার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- ১৯৮০ সালে Guido van Rossum, এই উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা আবিষ্কার করেন।

সূত্র: Python Website
৪৪৯.
নিচের কোনটি ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর?
  1. ৮০৩৮৬
  2. ৮০৮৬
  3. ৮০৮০
  4. ৮০৪৮৬
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

১৯৭৮ সালে তৈরিকৃত ইন্টেল ৮০৮৬ মাইক্রোপ্রসেসর টি ১৬ বিটের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
৪৫০.
কম্পিউটার ভাইরাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ওভার রাইটিং ভাইরাস
  2. খ) ম্যাক্রো ভাইরাস
  3. গ) বুট সেক্টর ভাইরাস
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
•কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
•ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল “Vital Information Resources Under Siege.” যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা। ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বাকম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে ।
•১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।  ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য

আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলো:
১. এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
২. এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৩. অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৪. নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ইত্যাদি।
৪৫১.
নিচের কোনটি হাই লেভেলের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. FORTRAN
  2. C++
  3. JAVA
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
উচ্চ স্তরের ভাষা: 
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- এটি ইংরেজি ভাষার মতোই। 
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে-
• BASIC, 
• COBOL, 
FORTRAN, 
• PASCAL, 
C++, 
JAVA,
• PROLOG ইত্যাদি। 
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়। ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫২.
কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়?
  1. বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার কাজে
  2. একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার কাজে
  3. এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- অন্যদিকে, গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৪৫৩.
কম্পিউটার সফটওয়‍্যারের মধ্যে কোন ভুলের কারণে সেটি সঠিকভাবে কাজ করে না?
  1. Bug
  2. Virus
  3. Malware
  4. Worm
ব্যাখ্যা
- প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ বলে।
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।
- ভাইরাস হলো কম্পিউটারের একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- Malware এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়‍্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
• অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
• স্পাইওয়্যার (Spyware),
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
• র‍্যানসমওয়‍্যার (Ransomware)
• Rootkits
• ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]
২. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৫৪.
কোনটি ফায়ারওয়ালের ধরন নয়?
  1. NAT firewall
  2. Stateful inspection firewall
  3. BIOS firewall
  4. Proxy firewall
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ রোধ করে। এটি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন: NAT firewall, যা প্রাইভেট ও পাবলিক IP-র মধ্যে অনুবাদ করে; Stateful inspection firewall, যা প্রতিটি কানেকশন ট্র্যাক করে; এবং Proxy firewall, যা অনুরোধকে অন্য সার্ভারের মাধ্যমে পরিচালনা করে।
- তবে BIOS firewall আসলে কোনো প্রচলিত ফায়ারওয়াল নয়। BIOS হলো কম্পিউটারের বুটিং সিস্টেমের একটি অংশ, এটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির জন্য তৈরি নয়। তাই BIOS firewall ফায়ারওয়ালের একটি ধরন নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) BIOS firewall.

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৫.
RAM কী?
  1. ক) Random Access Memory
  2. খ) Read Only Memory
  3. গ) Reliable Memory
  4. ঘ) Random Adaptive Memory
ব্যাখ্যা

RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Random Access Memory.
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
- RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি।
- সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে।
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪৫৬.
Which of the following translates source code into machine code line by line?
  1. Compiler
  2. Interpreter
  3. Assembler
  4. Debugger
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:

১. কম্পাইলার (Compiler):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- যেমন: সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে। 

২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে। 
- যেমন: জাভা, পাইথন।

৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- যেমন: GAS, GNU Assembler.

অন্যদিকে,
Debugger: কম্পিউটারে প্রোগ্রাম লেখার সময় কোনো ভুল হলে তাকে bug বলে। এই ভুল গুলো সংশোধন করাকে debug বলে আর যে tool- এর দ্বারা debug করা হয়, তাকে Debugger বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৫৭.
কম্পাইলারের কাজ নয়-
  1. ক) উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা
  2. খ) প্রোগ্রামের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা
  3. গ) প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো
  4. ঘ) প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা
ব্যাখ্যা
কম্পাইলার (Compiler): কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার  COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে
সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।
কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
১. উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
২. প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।
৪.  প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৮.
কোনো নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা দক্ষ প্রোগ্রামার দিয়ে বিশেষভাবে তৈরি করা সফটওয়্যারকে কী বলা হয়?
  1. প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  2. কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- যে সকল সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
- MS WORD, MS EXCEL, ORACLE ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম। 
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম।
 
• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়‍্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়‍্যার পাওয়া যায় তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়।
- যেমন- এমএসওয়ার্ড প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেল প্রোগ্রামের সাহায্যে হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করা যায় ইত্যাদি।
- মূলত কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্যে প্রাত্যহিক সমস্যার সমাধান করে থাকেন।
- এমএস অফিস, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, নেটস্কেপ নেভিগেটর, নেটস্কেপ কমিউনিকেটর, ইলেকট্রনিক মেইল, পেজ মেকার, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি হচ্ছে উল্লেখযোগ্য সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

• অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম। সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।
- যেমন: ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়‍্যার, ইলেকট্রনিস কমার্স, পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫৯.
কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. File Compression Tool
  2. Antivirus Program
  3. Word Processor
  4. Disk Cleanup
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার মূলত কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা এবং ব্যবস্থাপনার জন্য ডিজাইন করা হয়। এগুলো সিস্টেম অপারেটিং এবং মেইনটেন্যান্সে সাহায্য করে। File Compression Tool, Antivirus Program, এবং Disk Cleanup সবই ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত কারণ এগুলো ফাইল সংরক্ষণ, ভাইরাস থেকে সুরক্ষা এবং ডিস্কের অব্যবহৃত ফাইল পরিষ্কার করার কাজ করে। তবে Word Processor ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি মূলত ডকুমেন্ট তৈরি এবং সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা প্রোডাক্টিভিটি সফটওয়্যারের অংশ।
- তাই, Word Processor ইউটিলিটি সফটওয়্যার নয়, বরং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।


• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).

- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).

- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬০.
ন্যানোসেকেন্ড বলতে কোন সময়কে বুঝায়?
  1. এক সেকেন্ডের দুইশত কোটি ভাগের এক ভাগ
  2. এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
  3. এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
  4. এক মিনিটের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬১.
যে ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে তাকে কী বলে?
  1. Worm
  2. Spyware
  3. Adware
  4. Navigator
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ওয়ার্ম:
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাস, যা চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত, এর রচয়িতা হলেন চেন ইং-হাও (Chen Ing-hau), যিনি তাইওয়ানের টাটুং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।
এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে তার নামের আদ্যাক্ষর "CIH" থেকে।
- CIH ভাইরাস বা চেরনোবিল ভাইরাস ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।
এই ভাইরাসকে "Chernobyl" বা "Spacefiller" নামেও ডাকা হয়।
- সত্তর দশকে, ইন্টারনেটের প্রাথমিক রূপ ARPANET-এ "Creeper" নামক প্রথম ভাইরাস চিহ্নিত হয়েছিল।
- Creeper ভাইরাসের মোকাবেলায় "Reaper" নামে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছিল, যা ভাইরাসটি মুছে ফেলতে সক্ষম ছিল। তবে তখন ভাইরাসটি সাধারণত শুধুমাত্র তার উৎপত্তিস্থলে সীমাবদ্ধ থাকত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬২.
মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লেখার জন্য কোন পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইংরেজি শব্দ ও বাক্য
  2. গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস
  3. গাণিতিক সূত্র
  4. বাইনারি সংখ্যা বা হেক্সাডেসিম্যাল
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) বাইনারি সংখ্যা বা হেক্সাডেসিম্যাল।

• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।

• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
- এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬৩.
UNIVAC কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার: 
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো। 
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন। 
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না। 
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো। 
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. বায়ুশূন্য টিউবের ব্যবহার। 
২. আকারে অনেক বড়। 
৩. সীমিত তথ্য ধারণক্ষমতা। 
৪. মেশিন ভাষার (0/1) মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান ৷ 
৫. ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার জন্য পাঞ্চ কার্ডের ব্যবহার। 
৬. সহজে স্থানান্তর যোগ্য ছিল না। 
৭. অত্যধিক বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন। 
৮. অনুন্নত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা, ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৪.
সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করতে পারে কোনটি? 
  1. অ্যাসেম্বলার
  2. কম্পাইলার
  3. ইন্টারপ্রেটর
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
অনুবাদক প্রোগ্রাম: 
- উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার। 
- কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বোঝে। 
- সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার। 
যথা- 
১। কম্পাইলার, 
২। ইন্টারপ্রেটার এবং 
৩। অ্যাসেম্বলার। 

১) কম্পাইলার: 
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য। 

২) ইন্টারপ্রেটর: 
- লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুরু হয়। 

৩) অ্যাসেম্বলার: 
- শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪৬৫.
The extension of a file 'pdf' stands for:
  1. Public document file
  2. Portable document file
  3. public distribution file
  4. public distribution folder
ব্যাখ্যা
PDF:
- PDF এর পূর্ণরূপ Portable Document Format.
- একটি পিডিএফ-ভিউয়ার প্রোগ্রামের সাহায্যে যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে পিডিএফ দেখা যায়।
- পিডিএফ হল Camelot Project এর ফলাফল, Adobe Inc, দ্বারা শুরু করা একটি উদ্যোগ।
- Cofounder: John Warnock,
- PDF এর মাধ্যমে বিভিন্ন টেক্সট ডকুমেন্ট, ইমেজ সহ অন্যান্য কনটেন্ট সহজেই কমপ্রেস করে একই জায়গায় সংরক্ষিত রাখা যায়।
- PDF ডকুমেন্ট গুলা বর্তমানে পাসওয়ার্ড-প্রটেক্টেড করে অতিরিক্ত সিকিউরিটি দেওয়া যায়।
- 15 জুন, 1993 সালে ক্যামেলট প্রোডাকশন টিম আনুষ্ঠানিকভাবে পিডিএফ এবং এর সংশ্লিষ্ট স্যুট অফ প্রোগ্রাম প্রকাশ করে, যা সম্মিলিতভাবে অ্যাডোব অ্যাক্রোব্যাট নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৬৬.
দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিষ্কৃত বাংলা প্রথম সফটওয়্যারের নাম কি?
  1. ক) আই লিপ
  2. খ) আই সাইট
  3. গ) আই ডট
  4. ঘ) আই লাইট
ব্যাখ্যা

বাংলা বিজয় কী-বোর্ডের উদ্ভাবক হলেন- মোস্তফা জব্বার।
দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিষ্কৃত বাংলা প্রথম সফটওয়্যার হল- আই সাইট।
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর 

৪৬৭.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কিসের ওপর নির্ভরশীল?
  1. সিপিইউ
  2. মাদারবোর্ড
  3. হার্ডডিস্ক
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার:
- ব্যবহারকারী দ্বারা সর্বাধিক ব্যবহৃত সফটওয়‍্যার হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- এটি কম্পিউটার সিস্টেম পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয় না।
- এটি শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট কাজগুলি সম্পাদন করতে ব্যবহৃত হয়।
- যে কোনও ব্যবহারকারী শুধুমাত্র কম্পিউটার সিস্টেমের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারই ব্যবহার করে থাকেন।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, সিস্টেম সফটওয়‍্যারের (অপারেটিং সিস্টেম)ওপর নির্ভরশীল।
- একটি সিস্টেম সফটওয়্যার একজন ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারের মধ্যে একটি ইন্টারফেস হিসাবে কাজ করে।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট করা কাজগুলি সম্পাদন করে।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সিস্টেম সফটওয়‍্যার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৮.
প্রোগ্রামে কয় ধরনের ভুল হতে পারে?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামের ভুল:
- প্রোগ্রামের ভুলকে বলে বাগ (Bug)।
- প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা-
১। সিনট্যাক্স ভুল,
২। লজিক ভুল ও
৩। রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল।


- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল। 
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল। 
- কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরমেট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরোর ছাপায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 
৪৬৯.
কম্পিউটার ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা দেন কে?
  1. জন ভন নিউম্যান
  2. অ্যালান টুরিং
  3. ফ্রেড কোহেন
  4. জন ম্যাক্যাফি
ব্যাখ্যা

◉ 1980 সালে, ফ্রেড কোহেন তার গবেষণায় কম্পিউটার ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা প্রদান করেন। তিনি ভাইরাসকে এমন একটি প্রোগ্রাম হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন যা অন্যান্য প্রোগ্রামকে সংক্রমিত করে এবং নিজেকে অনুলিপি করতে পারে। তিনি প্রথমবারের মতো একটি ভাইরাস তৈরি করে প্রদর্শন করেন এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে কীভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে তা দেখান।

ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।

• কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন:
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- ট্রোজান হর্স ভাইরাস,
- ফাইল সংক্রামক ভাইরাস,
- ম্যাক্রো ভাইরাস,
- ওভার রাইটিং ভাইরাস,
- মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস ,
- মিউটেটিং ভাইরাস,
- স্টোন ভাইরাস,
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭০.
নিচের কোনটি Spyware এর উদাহরণ?
  1. Key loggers 
  2. Avast
  3. Norton
  4. Kasparasky
ব্যাখ্যা
Malware (ম্যালওয়ার): 
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software. 
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে- 
• অ্যাডওয়্যার (Adware),
• স্পাইওয়্যার (Spyware),
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
• র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), 
• Rootkits এবং 
• ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি। 

- Key loggers হচ্ছে এক ধরনের স্পাইওয়্যার (Spyware), যেটা সাধারণত keystroke logger নামেও পরিচিত। এটি কম্পিউটারের কীবোর্ডে টাইপিং ডাটা ট্র্যাক এবং রেকর্ড করে। 
- র‍্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। 
- বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware)। 

উৎস: 
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
৪৭১.
নিম্নলিখিত কোনটি এন্টিভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Informix
  2. AVG
  3. AVAST
  4. Norton
ব্যাখ্যা

• চারটি সফটওয়্যার থেকে “Informix” এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Norton, AVAST এবং AVG তিনটি সফটওয়্যারই কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - 
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

৪৭২.
নিচের কোনটি সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে?
  1. ক) ইন্টারপ্রেটার
  2. খ) ইমুলেটর
  3. গ) কম্পাইলার
  4. ঘ) অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা
অনুবাদক সফটওয়্যার
উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয় তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার। কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বুঝে। সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

> অনুবাদক সফটওয়্যার তিন প্রকার। যথা- কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার এবং অ্যাসেম্বলার।

• কম্পাইলার - পুরো প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে।
• ইন্টারপ্রেটার - প্রোগ্রামের লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে এবং ফলাফল দেখায়।
• অ্যাসেম্বলার - অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগ্রাম অনুবাদ করতে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, শাহ্ শাজাহান সজীব।
৪৭৩.
নিচের কোনটি উচ্চ স্তরের পোগ্রামিং ভাষা নয়?
  1. PROLOG
  2. Oracle
  3. JAVA
  4. BASIC
ব্যাখ্যা
• Oracle উচ্চ স্তরের ভাষা নয়।

• উচ্চ স্তরের ভাষা:

- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- মেশিন বা অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রধান অসুবিধা হলো, এক ধরনের কম্পিউটারের জন্য প্রোগ্রাম অন্য ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না।
- তাছাড়া মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা অনেক কষ্টকর ও শ্রমসাধ্য ব্যাপার।
- এছাড়া মানুষের পক্ষে লো-লেভেল ভাষা বোঝা সহজসাধ্য নয়।
- এই অসুবিধা দুর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে:
- BASIC,
- COBOL,
- FORTRAN,
- PASCAL,
- C++,
- JAVA,
- PROLOG ইত্যাদি।

• উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- এ ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
- প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন অপেক্ষাকৃত সহজ।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় অসংখ্য লাইব্রেরি ফাংশনের সুবিধা আছে।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণার প্রয়োজন নেই।

• অপশন আলোচনা:
- Oracle হলো ডাটাবেজ মেনেজমেন্ট সিস্টেম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৭৪.
যদি একটি CPU-র ক্লক স্পিড ৩ GHz হয়, এটি প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন করে?
  1. ৩০০ বিলিয়ন
  2. ৩ লাখ
  3. ৩ বিলিয়ন
  4. ৩ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা

• একটি CPU-র ক্লক স্পিড বলতে বোঝায়, প্রতি সেকেন্ডে প্রসেসর কতবার সিগন্যাল বা সাইকেল সম্পন্ন করে। যদি একটি CPU-র ক্লক স্পিড ৩ GHz হয়, তবে এখানে "GHz" মানে হলো "গিগাহার্টজ"। ১ হার্টজ মানে প্রতি সেকেন্ডে ১ সাইকেল। ১ GHz সমান ১ বিলিয়ন (১০) সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে। সুতরাং, ৩ GHz মানে ৩ × ১০ সাইকেল, অর্থাৎ ৩ বিলিয়ন সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ বিলিয়ন, যা CPU-র গতির মানকে নির্দেশ করে।

- প্রসেসরের স্পিড (Clock Speed - GHz): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করতে পারে।
- কোর সংখ্যা (Cores): একাধিক কোর থাকলে প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে (যেমন: Dual-core, Quad-core, Octa-core)।
- ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): দ্রুত ডাটা অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।

সূত্র: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Intel [link]

৪৭৫.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) কম্পাইলার
  3. গ) ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
  4. ঘ) স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার
Operating system, Compiler, Utilities - এই তিনটিই সিস্টেম সফটওয়্যার। 
- Operating system হলো সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার। 
- Utilities হলো সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার। 
- Compiler হলো সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার। 
 
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।

সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম নিম্মলিখিত ইউনিটগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
২) ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট (Database Management) সিস্টেম ও
৩) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট (Network Management) প্রােগ্রাম।

সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রােগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রােগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে। সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম নিম্নলিখিত প্রােগ্রামগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
২) সিস্টেম পারফরমেন্স (Performance) মনিটর প্রােগ্রাম ও
৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম।

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
   - অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস

______________________________
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

উৎস: নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৪৭৬.
নিচের কোন কম্পিউটার এন্টিভাইরাসটি বাংলাদেশী?
  1. কোবরা
  2. পান্ডা
  3. এভিরা
  4. এভিজি
ব্যাখ্যা
- Cobra Antivirus টি বাংলাদেশী।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 

- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস, কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
৪৭৭.
এইচটিএমএল (HTML) মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা
  2. ওয়েব পেজের স্টাইল তৈরি করা 
  3. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং করা 
  4. ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• HTML-এর মূল ব্যবহার ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা। এটি একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয় কোন উপাদান কীভাবে প্রদর্শন করতে হবে। HTML দিয়ে আমরা প্যারাগ্রাফ, হেডিং, তালিকা, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি উপাদান তৈরি করতে পারি। এটি ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং শুধুমাত্র কনটেন্টের কাঠামো নির্ধারণ করে; স্টাইলিং বা ফাংশনালিটি যোগ করতে CSS এবং JavaScript ব্যবহার করা হয়। তাই HTML-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজে তথ্য এবং উপাদানগুলোর সঠিক কাঠামো গঠন করা, যা ব্যবহারকারীরা সহজে দেখতে এবং পড়তে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা।

• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

উৎস: w3.org

৪৭৮.
মাইক্রোকম্পিউটারের গতি নির্ধারণ করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. র‍্যাম
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. ক্লক স্পিড
ব্যাখ্যা

• CPU-এর ক্লক স্পিডই কম্পিউটারের কাজ করার গতি নির্ধারণ করে।

• সিপিইউ / মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:


- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি নির্ধারণ করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse বা Tick) সম্পন্ন হয় তার উপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজ (Hz) এককে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার ক্ষমতাকে ১ মেগাহার্টজ (MHz) হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন— কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ নির্দেশনা আদান–প্রদান করতে পারবে।
এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ (kHz), মেগাহার্টজ (MHz) বা গিগাহার্টজ (GHz)-এর তা বোঝায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭৯.
নিচের কোনটি ফার্মওয়্যার?
  1. ক) Application Software
  2. খ) Utility Software
  3. গ) Operating System
  4. ঘ) ROM BIOS
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে। 
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC.
- যেমন, PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ৷
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।
৪৮০.
CSS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Computer Style Sheets
  2. Creative Style Sheets
  3. Cascading Style Sheets
  4. Colorful Style Sheets
ব্যাখ্যা
• CSS:
- CSS এর পূর্ণরূপ হলো Cascading Style Sheets.
- CSS, HTML এর ডকুমেন্টের স্টাইল বর্ণনা করে।
- কীভাবে HTML উপাদানগুলি স্ক্রিন, বা অন্য মিডিয়ায় প্রদর্শিত হবে তা CSS দ্বারা নির্ধারণ করা যায়।

• CSS এর মূল কাজ নিম্নলিখিত:
- ওয়েব পেজটিকে আকর্ষিত করা বা ডিজাইন বা Layout তৈরি করাই হল CSS এর কাজ।
- একটি সুন্দর ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হলে CSS-এর প্রয়োজন।
- CSS এর সাহায্যে HTML পেজ এর টেক্সট গুলিকে নতুন নতুন রং দেয়া যায়।
- এছাড়াও, CSS এর সাহায্যে কোনো টেক্সট এর ব্যাকগ্রাউন্ড কালার চেঞ্জ করা বা পুরো ওয়েবপেজ এর কালার চেঞ্জ করা যায়।
- টেক্সট সাইজ বড় ছোট করা ও আকার বদলানো যায় CSS এর দ্বারা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
৪৮১.
কম্পিউটারের ভাইরাসকে কী বলে?
  1. র‍্যাম
  2. ইউন্ডোজ
  3. বাগ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮২.
কোনটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. Ms-Word
  2. Quarter Pro
  3. Informix
  4. Word Star
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quarter Pro ইত্যাদি।
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
- এমএস অফিস,
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- নেটস্কেপ নেভিগেটর,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল,
- পেজ মেকার,
- ফটোশপ,
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
• উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো:
- ব্যাংকিং সফটওয়্যার,
- ইলেকট্রনিস কমার্স,
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৩.
কোন প্রোগ্রাম লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায় ?
  1. অ্যাসেম্বলার
  2. কম্পাইলার
  3. ইন্টারপ্রেটর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বোঝে।
- সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার। 
যথা- 
১। কম্পাইলার, 
২। ইন্টারপ্রেটার এবং 
৩। অ্যাসেম্বলার। 

১) কম্পাইলার: সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।

২) ইন্টারপ্রেটর: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুরু হয়।

৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৮৪.
কম্পিউটারের ডাটা প্রসেসিং স্পিডের সাথে কোন ফ্যাক্টর সম্পর্কিত নয়?
  1. প্রসেসর স্পিড
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. RAM
  4. মনিটর সাইজ
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের ডাটা প্রসেসিং স্পিড নির্ভর করে মূলত- 
প্রসেসর স্পিড (ক): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
ক্যাশ মেমরি (খ): প্রসেসরের কাছে থাকা এই মেমরি দ্রুত তথ্য আহরণে সহায়তা করে।
RAM (গ): তথ্য অস্থায়ীভাবে ধারণ করে ও দ্রুত অ্যাকসেসে সাহায্য করে।
কোর সংখ্যা: বেশি কোর মানে একসাথে বেশি কাজ (মাল্টিটাস্কিং)।

সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।

সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। এইচপি ওয়েবসাইট। [লিংক]

৪৮৫.
কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  2. ফাইল কম্প্রেশন টুল
  3. অ্যান্টিভাইরাস
  4. ব্যাকআপ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

• উক্ত অপশন গুলোর মধ্যে, ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে গণ্য হয় না। ইউটিলিটি প্রোগ্রামগুলি মূলত কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা, নিরাপত্তা ও ডেটা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়। যেমন, ফাইল কম্প্রেশন টুল ফাইলের আকার ছোট করতে সাহায্য করে, অ্যান্টিভাইরাস ভাইরাস সনাক্ত ও দূর করতে কাজ করে, এবং ব্যাকআপ সফটওয়্যার গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সংরক্ষণে সহায়তা করে। অন্যদিকে, DBMS হলো একটি পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, সংগঠন এবং পুনরুদ্ধারে ব্যবহৃত হয় এবং এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করে। তাই DBMSকে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয় না।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).

- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).

- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮৬.
২ নিবল = কত বিট?
  1. ২ বিট
  2. ১২ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৮ বিট
ব্যাখ্যা

• নিবল (Nibble) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানে একটি তথ্যের একক যা ৪টি বিট নিয়ে গঠিত। এক বিট হলো দুটি মানের মধ্যে একটি মান ধারণ করতে সক্ষম (০ বা ১), তাই ৪টি বিট একত্রিত হলে মোট ১৬টি ভিন্ন মান প্রকাশ করা যায়। যেহেতু একটি নিবল = ৪ বিট, তাই ২ নিবল = ৪ × ২ = ৮ বিট।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৮ বিট, যা দুইটি নিবলকে বিটে রূপান্তরিত করার সঠিক মান।


• বিট ও বাইট:

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ নিবল = ৪ বিট। 
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪৮৭.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ভাষা নয়?
  1. Python
  2. Java
  3. Ruby
  4. Excel
ব্যাখ্যা

• সঠিক  উত্তর হলো Excel। Python, Java এবং Ruby হলো জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা যেগুলো দিয়ে সফটওয়্যার, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং বিভিন্ন সিস্টেম ডেভেলপ করা যায়। এদের নিজস্ব সিনট্যাক্স, নিয়ম এবং লজিক আছে যা প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে নির্দেশ দেয়। অপরদিকে, Excel মূলত একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও গণনার কাজে ব্যবহৃত হয়। যদিও Excel-এ কিছু ফর্মুলা ও ফাংশন ব্যবহার করা যায়, সেটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। তাই সঠিক উত্তর হবে ঘ) Excel.

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৪৮৮.
HTML প্রধানত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটাবেস ডিজাইন
  2. ওয়েব পেজ স্ট্রাকচার তৈরি
  3. গেম তৈরি
  4. সার্ভার ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

• HTML প্রধানত ওয়েব পেজের স্ট্রাকচার তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব পেজে টেক্সট, ছবি, লিংক, তালিকা, টেবিল এবং অন্যান্য উপাদানগুলো সঠিকভাবে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়। HTML-এর মাধ্যমে ব্রাউজার জানে কোন অংশ শিরোনাম, অনুচ্ছেদ, ছবি বা বাটন হিসেবে দেখাতে হবে। এটি ডেটাবেস ডিজাইন, গেম তৈরি বা সার্ভার ম্যানেজমেন্টের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, তবে ওয়েব ডেভেলপমেন্টে অন্যান্য প্রযুক্তির সাথে মিলিয়ে HTML প্রয়োজনীয় ভিত্তি প্রদান করে। তাই HTML-এর মূল কাজ হলো ওয়েব পেজের স্ট্রাকচার তৈরি করা এবং কনটেন্ট সঠিকভাবে উপস্থাপন করা। সঠিক উত্তর হলো: খ) ওয়েব পেজ স্ট্রাকচার তৈরি।
 
• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

উৎস: w3.org

৪৮৯.
ভাগের জন্য কোন অপারেশন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ADD
  2. খ) SUB
  3. গ) DIV
  4. ঘ) JMU
ব্যাখ্যা
অপারেশন কোড:
অপারেশন কোডে নির্দেশ নেমোনিক থাকে। এই নেমোনিকগুলো বিভিন্ন কম্পিউটারে বিভিন্ন হতে পারে, তবে
সাধারণত নিচের মত হয়।

LDA(লোড) : প্রধান মেমরির কোন নির্দিষ্ট অবস্থানের (অপারেন্ডে দেওয়া) সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরে রাখে (Load Accumulator) !
STA(স্টোর) : STore Accumulator (মেশিনভাষার অনুরূপ)।
CLR(ক্লিয়ার) : CLeaR accumulator
ADD(যোগ) : ADD, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যার সঙ্গে যোগ করে যোগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ ।
SUB(বিয়োগ) : SUBtract, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা থেকে বিয়োগ করে বিয়োগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
MUL(গুণ): MULtiple
DIV (ভাগ) : DIVide, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা দিয়ে অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যাকে ভাগ করে ভাগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
JMU(নিশর্ত জাম্প) : পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে (লেবেলে) যাও ।
JAZ(জাম্প) : অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ০ হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে
যাও নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হও।
JAL(জাম্প) : অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ঋণাত্মক হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে যাও নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হও।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৪৯০.
নিচের কোনটি বাংলা লেখার সফটওয়্যার?
  1. অভ্র
  2. বিজয়
  3. সুতনী
  4. (ক) ও (খ) উভয়ই
ব্যাখ্যা
- বিজয় ও অভ্র হচ্ছে বাংলা টাইপ ও কম্পোজ সফটওয়্যার। 

বিজয়: 
- বাংলা সফটওয়্যার বাংলাদেশে কম্পিউটার ব্যবহারের সূচনা হয় আশির দশকের গোঁড়ার দিকে।
- এই প্রযুক্তিতে বাংলা ব্যবহারের চেষ্টা শুরু হয় তার কয়েক বছর পর।
- কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্যে দুটি উপাদান দরকার- তার একটি হলো বাংলা ফন্ট, আর অপরটি হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার। 

অভ্র: 
- উচ্চারণভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার হলো অভ্র।
- এটি ২০০৭ সালে বাজারে আসে এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- অভ্র ইউনিকোডভিত্তিক সফটওয়্যার।
- বাংলা কী বোর্ডের লে আউট ১৯৬৫ সালে প্রথম মুনীর চৌধূরী তৈরি করেন। 
- পরবর্তী সময়ে আসে বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত বিজয় সফটওয়্যার। 

অন্যদিকে, 
- বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ফন্টগুলাের মধ্যে রয়েছে আদর্শলিপি, সুলেখা, সারদা, আনন্দ, সুশ্রী, মেঘনা, চন্দ্রবর্তী, সুতনী, যমুনা ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৪৯১.
যে সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. মিডলওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) হলো এমন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা বা কাজ পূরণের জন্য ডিজাইন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, MS Word (ডকুমেন্ট তৈরি), Photoshop (ইমেজ এডিটিং), এবং Google Chrome (ওয়েব ব্রাউজিং) হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software): এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার পরিচালনা করে। উদাহরণ: অপারেটিং সিস্টেম (Windows, Linux)।
ইউটিলিটি সফটওয়্যার (Utility Software): এটি কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ এবং অপ্টিমাইজেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: Antivirus, Disk Cleanup।
মিডলওয়্যার (Middleware): এটি বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। উদাহরণ: Database Middleware, Web Servers.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯২.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Cache Memory
  2. ROM
  3. RAM
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি।
- যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়।
- এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে ক্যাশ মেমরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। অভ্যন্তরীণ ক্যাশ বা লেভেল-১ ক্যাশ (LI / Internal Cache) ও
২। বহিঃস্থ ক্যাশ বা লেভেল-২ ক্যাশ (L2 / External Cache)।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অভ্যন্তরে যে ক্যাশ স্মৃতি কাজ করে সেটিকে অভ্যন্তরীণ ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
- যে স্মৃতি কম্পিউটারের প্রধান বোর্ড বা মাদারবোর্ডের ওপর অবস্থান করে তাকে বহিঃস্থ ক্যাশ স্মৃতি বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় তাকে ক্যাশ হিট বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় না তাকে ক্যাশ মিস বলে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৩.
এমন একটি ফায়ারওয়াল নীতি যা সমস্ত ট্রাফিককে অনুমোদন করে, শুধু যে ট্রাফিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা বাদ দিয়ে, তাকে বলা হয়:
  1. Explicit allow rule
  2. Implicit deny rule
  3. Deny-all rule
  4. Permit-all rule
ব্যাখ্যা

• এমন একটি ফায়ারওয়াল নীতি যেখানে ডিফল্টভাবে সব ধরনের নেটওয়ার্ক ট্রাফিক অনুমোদিত থাকে এবং কেবল নির্দিষ্টভাবে যেসব ট্রাফিককে নিষিদ্ধ (deny) করা হয়েছে, সেগুলোই ব্লক করা হয়- তাকে Permit-all rule বলা হয়। এই নীতিতে ফায়ারওয়াল প্রথমে ধরে নেয় যে সব ট্রাফিক নিরাপদ, যতক্ষণ না কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা দেওয়া থাকে। ফলে আলাদা করে প্রতিটি অনুমোদনের নিয়ম লিখতে হয় না, বরং শুধু ঝুঁকিপূর্ণ বা অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিকের জন্য deny rule প্রয়োগ করা হয়। এই পদ্ধতি ব্যবহারে নেটওয়ার্ক সহজে প্রবেশযোগ্য হলেও নিরাপত্তার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। সঠিক উত্তর হলো ঘ) Permit-all rule.
 
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

• অপশন আলোচনা:
- Explicit allow rule:
-  নির্দিষ্ট ট্রাফিককে অনুমোদন দেওয়া হয়।
- এটি পুরো নেটওয়ার্ককে অনুমোদন দেয় না, বরং কেবল নির্দিষ্ট ট্রাফিকের জন্য।

- Implicit deny rule:

- যা স্পষ্টভাবে অনুমোদিত নয়, তা অটোমেটিকভাবে ব্লক করা হয়।
- এটি সাধারণত "ডিফল্ট deny" নীতি, যা ট্রাফিকের অনুমোদন সীমিত করে।

- Deny-all rule:

- সমস্ত ট্রাফিককে ব্লক করে।
- এটি পূর্বনির্ধারিত ব্লক পলিসি।

- Permit-all rule:

- সমস্ত ট্রাফিককে অনুমোদন দেয়, শুধুমাত্র যে ট্রাফিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা বাদ দিয়ে।
- এটি পুরোপুরি মিলে যায় আপনার প্রশ্নের বর্ণনার সাথে।
-  সঠিক উত্তর: Permit-all rule.

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- Microsoft. [link]

৪৯৪.
সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম কোন অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. Unix
  2. Linux
  3. Windows
  4. MS-DOS
ব্যাখ্যা

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়েছিল। ডেনিস রিচি এবং কেন থমসন বেল ল্যাবস-এ Unix অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়নের সময় C ভাষার বিকাশ করেন। তখনকার সময় Unix মূলত অ্যাসেম্বলি ভাষায় তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সিস্টেমের কার্যকারিতা এবং পোর্টেবিলিটি বাড়ানোর জন্য C ভাষা উদ্ভাবন করা হয়। C-এর মাধ্যমে Unix অপারেটিং সিস্টেমকে হাই-লেভেল ভাষায় পুনঃলিখন করা সম্ভব হয়, যা সিস্টেমকে বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে সহজেই চালানোর সুযোগ দেয়। এই কারণে C ভাষা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য একটি ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

- উত্তর: ক) Unix.

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
- 'সি' এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে 'বি' নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো 'সি' ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে 'সি' সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে 'সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৯৫.
কোন ধরনের সফটওয়্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বলা হয়? 
  1. ম্যালওয়্যার
  2. লিগ্যাল সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ক্ষতিকারক সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে কোনো কাজ করতে হলে সেটি প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়, সাধারণভাবে কম্পিউটারে দুই ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামগুচ্ছ থাকে। 
যেমন- সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারসমূহকে যথাযথভাবে ব্যবহারের পরিবেশ নিশ্চিত রাখে, অন্যদিকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কোনো বিশেষ কাজ সম্পন্ন করে। 
- যখনই কোনো সফটওয়‍্যার কাজ করে, তখনই এর কিছু অংশ কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে অবস্থান নেয় এবং বাকি অংশগুলো অপারেটিং সিস্টেমের সহায়তায় অন্য কার্যাবলি সম্পন্ন করে।
- আবার কিছু প্রোগ্রামিং কোড বা প্রোগ্রামসমূহ কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর, এ ধরনের সফটওয়‍্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা মেলিসিয়াস (malicious) সফটওয়্যার বলা হয়। আর এ ম্যালিসিয়াস সফটওয়‍্যারকে সংক্ষেপে ম্যালওয়‍্যার (malware) বলা হয়ে থাকে। 
- কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যারের সাধারণ নামই হলো ম্যালওয়‍্যার। 
যেমন- কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, বুটকিটস, কিলগার, ডায়ালার, স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার প্রভৃতি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত। 
- ইন্টারনেটের বিকাশের আগে ম্যালওয়‍্যারের সংখ্যা খুবই কম ছিল। যখন থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ম্যালওয়‍্যারকে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, তখন থেকেই ম্যালওয়্যারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- প্রচলিত ও শনাক্তকৃত ম্যালওয়্যারসমূহের মধ্যে নিম্নোক্ত তিন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়- 
ক. কম্পিউটার ভাইরাস, 
খ. কম্পিউটার ওয়ার্ম এবং 
গ. ট্রোজান হর্স । 

- কম্পিউটার ভাইরাস ও ওয়ার্মের মধ্যে আচরণগত পার্থক্যের চেয়ে সংক্রমণের পার্থক্যকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন ধরনের ম্যালওয়্যার, যা কোনো কার্যকরী ফাইলের (executable file) সঙ্গে যুক্ত হয়।
- যখন ওই প্রোগ্রামটি (এক্সিকিউটিবল ফাইল) চালানো হয়, তখন ভাইরাসটি অন্যান্য কার্যকরী ফাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংক্রমিত হয়।

- কম্পিউটার ওয়ার্ম সেই প্রোগ্রাম, যা কোনো নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য কম্পিউটারকেও সংক্রমিত করে। অর্থাৎ কম্পিউটার ভাইরাস ব্যবহারকারীর হস্তক্ষেপ ছাড়া (অজান্তে হলেও) ছড়িয়ে পড়তে পারে না।
যেমন- কোনো পেনড্রাইভে কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত কোন ফাইল থাকলেই তা ছড়িয়ে পড়তে পারে না। যদি কোনো কম্পিউটারে সেই পেনড্রাইভ যুক্ত করে ব্যবহার করা হয় তাহলেই কেবল পেনড্রাইভের ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, ওয়ার্ম নিজে থেকেই নেটওয়ার্ক থেকে নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটওয়ার্কের কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।

- ক্ষতিকর সফটওয়্যারের উদ্দেশ্য তখনই সফল হয়, যখন কিনা সেটিকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। এজন্য অনেক ক্ষতিকারক সফটওয়‍্যার ভালো সফটওয়‍্যারের ছদ্মাবরণে নিজেকে আড়াল করে রাখে। ব্যবহারকারী সরল বিশ্বাসে সেটিকে ব্যবহার করে। এটি হলো ট্রোজান হর্স বা ট্রোজানের কার্যপদ্ধতি।
- যখনই ছদ্মবেশী সফটওয়্যারটি চালু হয় তখনই ট্রোজানটি কার্যকর হয়ে ব্যবহারকারীর ফাইল ধ্বংস করে বা নতুন নতুন ট্রোজান আমদানি করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৪৯৬.
সাধারণত '.JPG' এক্সটেনশনযুক্ত একটি ফাইল কোন ধরনের কনটেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Executable program
  2. Document
  3. Spreadsheet
  4. Image
ব্যাখ্যা
• '.JPG' ফাইল এক্সটেনশন:
- '.JPG' ফাইল এক্সটেনশনটি মূলত ছবি বা ইমেজ ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- JPG (বা JPEG) হলো একটি জনপ্রিয় ইমেজ ফরম্যাট যা উচ্চ গুণগত মানের ছবি কম আকারে সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে।
- এটি ফটোগ্রাফ, ডিজিটাল ছবি বা গ্রাফিক্স ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত, আপনি যখন ছবি অথবা ছবি সম্পর্কিত কোনো কনটেন্ট দেখতে পান, তখন তার এক্সটেনশন '.JPG' হতে পারে।

অপশন আলোচনা:
• Executable program:
- এক্সিকিউটেবল প্রোগ্রাম ফাইলের জন্য সাধারণত '.EXE', '.APP', '.BAT' ইত্যাদি এক্সটেনশন ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের ফাইলগুলি একটি প্রোগ্রাম চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যা কম্পিউটার বা ডিভাইসে সরাসরি কার্যকর হয়।

• Spreadsheet:
- স্প্রেডশিট ফাইলের জন্য সাধারণত '.XLS', '.XLSX' বা '.ODS' এক্সটেনশন ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের ফাইলগুলোর মধ্যে টেবিল, সেল, সূত্র, গ্রাফ ইত্যাদি থাকে, যা ডেটা বিশ্লেষণ বা হিসাব-নিকাশের কাজে ব্যবহৃত হয়।

• Document:
- ডকুমেন্ট ফাইলের জন্য সাধারণত '.DOC', '.DOCX', '.PDF' ইত্যাদি এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয়।
- এসব ফাইল মূলত লেখা, তথ্য, এবং অন্যান্য টেক্সট কনটেন্ট ধারণ করে থাকে।

সূত্র- Computer Hope Website.
৪৯৭.
র‌্যামে নিম্নোক্ত কোন প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে?
  1. Operating system
  2. Application
  3. Graphical User Interface (GUI)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত।
- র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- র‌্যামে সংরক্ষিত প্রোগ্রামসমূহের উদাহরণ:
  - The operating system
  - Applications
  - The graphical user interface (GUI)
 
উৎস: bbc.co.uk
৪৯৮.
What is the method of data transmission between the keyboard and the CPU?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Duplex
  3. গ) Half duplex
  4. ঘ) Triplex
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৪৯৯.
অনুবাদক প্রোগ্রাম কয় ধরনের?
  1. তিন
  2. পাঁচ
  3. দুই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:

১. কম্পাইলার (Compiler):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।

২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- যেমন: জাভা, পাইথন।

৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- যেমন: GAS, GNU Assembler.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫০০.
প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট একে একে মেশিন কোডে রূপান্তর করে কোন অনুবাদক প্রোগ্রাম?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টারপ্রেটার
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ডিবাগিং
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট একে একে মেশিন কোডে রূপান্তর করে ইন্টারপ্রেটার।

• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে।
- অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ।
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে।

অন্যান্য অপশন:
• কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে এর ভাষার নিয়মকানুন (যাকে ইংরেজিতে বলে সিনট্যাক্স Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি
কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়। সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল।
তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।

• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম।
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে।
এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে।
প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।
- প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা: ডেটা ভুল, যুক্তিগত ভুল এবং সিনট্যাক্স ভুল।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।