বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার প্রোগ্রাম, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ও পারঙ্গমতা

মোট প্রশ্ন১,৭৯৭এই পাতা৯২প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার প্রোগ্রাম, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ও পারঙ্গমতা

PrepBank · পাতা ১৮ / ১৮ · ১,৭০১১,৭৯২ / ১,৭৯৭

১,৭০১.
CPU-এর গতি কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. বাইট
  2. হার্টজ
  3. ভোল্ট
  4. ওয়াট
ব্যাখ্যা

◉ CPU-এর গতি নির্দেশ করে এটি প্রতি সেকেন্ডে কতগুলি নির্দেশ (instructions) প্রক্রিয়া করতে পারে। এই গতি হার্টজ (Hz) এককে পরিমাপ করা হয়।
১ হার্টজ মানে প্রতি সেকেন্ডে ১টি সাইকেল (cycle) সম্পন্ন করা। আধুনিক CPU-এর গতি সাধারণত গিগাহার্টজ (GHz) এককে পরিমাপ করা হয়, যেখানে ১ GHz = ১০ হার্টজ।

সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৭০২.
কোনো বিষয় দর্শকদের সামনে উপস্থাপনের জন্য ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) MS word
  2. খ) Excel
  3. গ) Power Point
  4. ঘ) Outlook
ব্যাখ্যা
• কোনো বিষয় দর্শকদের সামনে উপস্থাপনের জন্য ব্যবহার করা হয় Power Point.
- জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষক, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং পেশাজীবীদের মধ্যে তথ্য বিনিময় বা তথ্য আদান-প্রদানের প্রয়োজনীয়তা সর্বাধিক গুরুত্ব লাভ করছে। সকল প্রকার তথ্যের ভান্ডার সকলের জন্য সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে প্রতিনিয়ত সভা, সেমিনার, কর্মশালা ইত্যাদিতে কম্পিউটারের মাধ্যমে কার্যকর তথ্য উপস্থাপন করার জন্য প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 
- পাওয়ার পয়েন্ট হচ্ছে মাইক্রোসফট অফিসের অন্তর্ভুক্ত একটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার। এ সফটওয়্যারটিকে প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারও বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৭০৩.
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে “Disk Defragmentation” এর কাজ কী?
  1. ভাইরাস অপসারণ
  2. ফাইল গুছিয়ে রাখা ও সিস্টেম দ্রুত করা
  3. ডিস্ক মুছে ফেলা
  4. নতুন OS ইনস্টল করা
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার যখন হার্ড ড্রাইভে (HDD) ফাইল সংরক্ষণ করে, তখন সেটি ডেটাকে ব্লক আকারে সংরক্ষণ করে।
- সময়ের সাথে সাথে যখন আপনি কোনো ফাইল সংরক্ষণ, সম্পাদনা বা মুছে ফেলা হয়, তখন নতুন ডেটা আগের জায়গায় না বসে বিভিন্ন খালি স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এই অবস্থাকে বলা হয় Fragmentation (ডিস্কের খণ্ডিত অবস্থা)।

- Disk Defragmentation হলো এমন একটি সফটওয়্যার-ভিত্তিক রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া, যা হার্ড ডিস্কের ফাইল ও ডেটাগুলোকে পুনর্গঠন করে ধারাবাহিকভাবে  সাজায়।

এতে ফাইলের সব অংশ কাছাকাছি অবস্থানে চলে আসে, ফলে- 

- কম্পিউটার দ্রুত ফাইল পড়তে ও লোড করতে পারে।
- সিস্টেমের সামগ্রিক গতি বৃদ্ধি পায়।
- হার্ড ডিস্কের উপর চাপ কমে এবং আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায়।
- বুট টাইম বা প্রোগ্রাম চালুর সময় কমে যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৭০৪.
Portrait ও Landscape কোন কাজে লাগে?
  1. Page setup করতে
  2. জমি মাপতে
  3. ছবি আঁকতে
  4. স্কিপিং করতে
ব্যাখ্যা
- "পোর্ট্রেট" এবং "ল্যান্ডস্কেপ" হল দুটি সাধারণ অরিয়েন্টেশন যা চিত্র, ফটোগ্রাফ, পেইন্টিং এবং নথির মতো চাক্ষুষ উপাদানগুলির আকৃতির অনুপাত এবং অবস্থান বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রায়শই ছবি আঁকতে, গ্রাফিক ডিজাইন এবং নথি বিন্যাসে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,৭০৫.
'MOV A, B' বা 'ADD AX, BX' এর মতো নেমোনিক কোডগুলোকে মেশিন ভাষায় রূপান্তরে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. অ্যাসেম্বলার
  3. কম্পাইলার
  4. প্রি-প্রসেসর
ব্যাখ্যা

• অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language) হলো একটি নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যেখানে নেমোনিক কোড (যেমন: MOV, ADD, SUB) ব্যবহার করা হয়। এই কোডগুলোকে কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে না, তাই এগুলোকে যান্ত্রিক ভাষায় (Machine Language/Binary) রূপান্তর করার জন্য অ্যাসেম্বলার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম: 
- উৎস (Source) প্রোগ্রামকে বস্তু (Object) প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফট্ওয়্যারের প্রয়োজন তাকে বলে অনুবাদক।
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষা বুঝতে পারে বলে অন্য ভাষায় লেখা উৎস প্রোগ্রামকে মেশিনভাষায় অনুবাদ না করে নিলে কম্পিউটার তা কার্যকরী করতে পারে না।
- অনুবাদক সফট্ওয়্যার তিন ধরনের। যথা
১। কম্পাইলার,
২। ইন্টারপ্রেটার ও
৩। অ্যাসেম্বলার।

• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিন ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।
- এ ভাষার প্রত্যেকটি নির্দেশকে অ্যাসেম্বলার মেশিন ভাষার একটি নির্দেশে পরিণত করে।
- ভুল সংশোধনের পর এ ভাষা পুনরায় প্রথম নির্দেশ থেকে অনুবাদের কাজ শুরু করে।
- অবজেক্ট ফাইলে অবজেক্ট কোড থাকে, যা একটি অ্যাসেম্বলারের আউটপুট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. University of California.

১,৭০৬.
কোনটি OOP-এর মৌলিক বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. এনক্যাপসুলেশন
  2. অবজেক্ট
  3. পলিমারফিজম
  4. লিনিয়ার প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, Simula ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট,
২. ক্লাস,
৩. মেসেজ,
৪. পলিমারফিজম,
৫. ইনহেরিটেন্স এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭০৭.
প্রোগ্রামিং এ শূন্য দ্বারা ভাগ করলে কোন ধরণের ভুল হবে?
  1. রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল
  2. লজিক ভুল
  3. সিনট্যাক্স ভুল
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামের ভুল (Program Bugs):
প্রোগ্রাম তৈরির সময় প্রোগ্রামে কিছু না কিছু ভুল থেকে যায়। প্রোগ্রামের ভুলকে বলে বাগ (Bugs)। প্রোগ্রামের ভুলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
১। সিনট্যাক্স ভুল,
২। লজিক ভুল ও
৩। রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল।

সিনট্যাক্স ভুল (Syntax Error):
সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল। যেমন বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); কমা, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলের মান না জানানো প্রভৃতি। এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের বেলা কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে অমুক ভুল আছে।

লজিক ভুল (Logical Error):
প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল। সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে AB বা P = A + B এর স্থানে P = A- B লিখলে লজিক ভুল হয়। সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল । কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল (Run time & Execution time Error):
কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরমেট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরোর ছাপায়। যে সব গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পাদন করা যায় না (অন্তত বাস্তব রাশির ক্ষেত্রে) তা করতে গেলেও রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল হয়। যেমন শূন্য দিয়ে ভাগ করা কিংবা ঋণ সংখ্যার বর্গমূল বা লগারিদম বের করা। এসব ক্ষেত্রেও ভুলের বার্তা ছাপা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৭০৮.
মৌলিক ডেটা টাইপ কয় ধরণের?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
১। মৌলিক বা প্রাথমিক বা বিল্ট ইন ডেটা টাইপঃ মৌলিক ডেটা টাইপ আবার ৩ ধরণের।
যথাঃ ক্যারেক্টার , পূর্ণসংখ্যা, ভগ্নাংশযুক্ত সংখ্যা 
২। ব্যবহার কর্তৃক সংজ্ঞায়িত বা ইউজার ডিফাইন্ড ডেটা টাইপ
৩। ডিরাইভড ডেটা টাইপ
৪। ফাঁকা বা এম্পটি ডেটা সেট 

* সি ভাষা ৪  ধরণের ডেটা টাইপ সমর্থন করে
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদ্বশ- দ্বাদশ শ্রেণি
১,৭০৯.
পাইথন কোন ধরণের প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. নিম্নস্তরের
  2. মেশিন ভাষা
  3. উচ্চস্তরের
  4. অ্যাসেম্বলি
ব্যাখ্যা
• পাইথন একটি উচ্চস্তরের (গ) প্রোগ্রামিং ভাষা। এই ভাষা মানুষের বোধগম্য শব্দ ও সিনট্যাক্স ব্যবহার করে, যা প্রোগ্রাম লেখাকে সহজ ও বোধগম্য করে তোলে। উচ্চস্তরের ভাষা হিসেবে পাইথন হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত জটিলতা থেকে প্রোগ্রামারকে মুক্ত রাখে এবং লজিক বা সমস্যার সমাধানে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে। পাইথনের ব্যবহারিক দিক যেমন: ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে দেখা যায়। এটি ইন্টারপ্রেটেড ও অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড ভাষা, যার কোড সহজে পড়া ও লেখা যায়। এ কারণে পাইথন নতুন শিক্ষার্থীদের কাছেও খুব জনপ্রিয়।

• পাইথন (Python):
- পাইথন একটি অবজেক্ট অরিয়েন্টেড উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে গুইডো ভ্যান রোসাম এটি প্রথম প্রকাশ করেন।
- পাইথন নির্মাণ করার সময় প্রোগ্রামকে পঠনযোগ্যতার ওপর বেশি জোর দেয়া হয়েছে।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স ও সেমান্টিক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- পাইথন একটি বহু-প্যারাডাইম এবং পুরোপুরি চলমান প্রোগ্রামিং ভাষা যার স্বনিয়ন্ত্রিত মেমরি ব্যবস্থাপনা রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১০.
নিচের কোনটি এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়?
  1. Windows NT
  2. MS Excel
  3. Photoshop
  4. Paint
ব্যাখ্যা
• Windows NT এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়।
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ- MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১১.
উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা নয় কোনটি?
  1. ক) C
  2. খ) C++
  3. গ) JAVA
  4. ঘ) COBOL
ব্যাখ্যা
নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা: মেশিন ভাষা ও অ্যাসেম্বলি ভাষা।
মধ্যমস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা: C।
উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা: BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
১,৭১২.
নিচের কোনটি IP অ্যাড্রসের সঠিক উদাহরণ নয়?
  1. 2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334
  2. 192.168.1.1
  3. 127.0.0.1
  4. 550.62.10.250
ব্যাখ্যা

550.62.10.250 ঠিকানাটি ভুল, কারণ এর প্রথম ভাগ '550' সংখ্যাটি 255 এর চেয়ে বড়। তাই এটি একটি সঠিক IP অ্যাড্রেসের উদাহরণ নয়।
- একটি সঠিক IPv4 (ইন্টারনেট প্রোটোকল সংস্করণ 4) অ্যাড্রেস চারটি ভাগে বিভক্ত থাকে, যেখানে প্রতিটি ভাগকে 'অক্টেট' বলা হয়।
- প্রতিটি অক্টেটে 0 থেকে 255 এর মধ্যে যেকোনো সংখ্যা থাকতে পারে।

আইপি (IP) এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

IPv4 (Internet Protocol Version 4):
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
-  সাধারণত "ডট-ডেসিমেল" ফরম্যাটে প্রকাশ করা হয়, যেমন: (192.168.1.1)।
- অ্যাড্রেসটি চারটি সংখ্যার সেট নিয়ে গঠিত, যাকে বলা হয় অক্টেট (octet), এবং এগুলি ডট দ্বারা বিভক্ত থাকে। প্রতিটি অক্টেটে 0 থেকে 255 পর্যন্ত যেকোনো সংখ্যা থাকতে পারে।

IPv6:
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- এটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা ব্যবহার করে, যা আটটি গ্রুপে বিভক্ত থাকে এবং কোলন দ্বারা পৃথক করা হয়, যেমন: (2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334)।

অন্যান্য অপশন:
- 2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334: এটি একটি সঠিক IPv6 অ্যাড্রসের উদাহরণ।
- 192.168.1.1 - এটি একটি সঠিক IPv4 অ্যাড্রেস যা সাধারণত স্থানীয় নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।
- 127.0.0.1 - এটি একটি সঠিক IPv4 অ্যাড্রেস যা 'লোকালহোস্ট' বা 'লুপব্যাক' অ্যাড্রেস হিসেবে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৭১৩.
Trojan Horse- কি?
  1. ডিভাইস
  2. পেন
  3. ল্যান
  4. ভাইরাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং- হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে Chen Ing-hau (CIH)। চেরনোবিল (Chernobyl) ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৪.
ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ কোনটি?
  1. কাজের গতি বেড়ে যাওয়া
  2. খুব অল্প সময়ে প্রোগ্রাম লোড হওয়া
  3. হার্ডডিস্কের পার্টিশন নষ্ট করে ফেলা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ:
- কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের লক্ষণ বিভিন্নভাবে প্রকাশ পায়।
- নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে বোঝা যাবে কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে:
১। কম্পিউটার চালু হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে।
২। কম্পিউটারের কাজের গতি কমে যায়
৩। প্রোগ্রাম লোড হতে বেশি সময় লাগে।
৪। হার্ডডিস্কের পার্টিশন নষ্ট করে ফেলে ফলে সকল ডেটা হারিয়ে যায়।
৫। Disk-এর Volume-এর নাম পরিবর্তন হয়ে গেলে।
৬। ফাইলের আকার পরিবর্তন হয়ে গেলে।
৭। তারিখ ও সময় অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেলে।
৮। অপ্রত্যাশিত কিছু Message কাজের সময় প্রদর্শিত হলে।
৯। কাজের সময় অপ্রত্যাশিত শব্দ হলে।
১০। কম্পিউটারের Free memory-এর পরিমাণ কমে গেলে।
১১। অনেক সময় কম্পিউটারের বায়োসের ডাটা মুছে ফেলে কম্পিউটারকে অচল করে ফেলে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৫.
ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে কী বলা হয়?
  1. ডিবাগিং
  2. ফাইন্ডিং
  3. সর্টিং
  4. সার্চিং
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে সর্টিং বলা হয়। 

ডেটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়। ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৬.
What is the main difference between a system software and an application software?
  1. ক) System software is only used by professional, while application software is used by everyone.
  2. খ) System software is developed by commercial companies, while application software is developed by individuals or small teams.
  3. গ) System software is more complex than application software.
  4. ঘ) System software controls the overall functioning of the computer, while application software performs specific tasks.
ব্যাখ্যা
System software is a type of software that controls the overall functioning of the computer, such as the operating system, device drivers, and utilities. Application software, on the other hand, is a type of software that performs specific tasks, such as word processing, spreadsheets, and games.

Reference: Old Dominion University website
১,৭১৭.
240 বাইট = কত?
  1. 1 মেগাবাইট
  2. 1 গিগাবাইট
  3. 1 টেরাবাইট
  4. 1 পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
• মেমোরির ধারণক্ষমতা:
- কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- মেমোরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।

৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
210 বাইট বা 1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭১৮.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস নয়?
  1. ক) Central Point
  2. খ) VX2000
  3. গ) Norton
  4. ঘ) Irina
ব্যাখ্যা

Irina - একটি কম্পিউটার ভাইরাস। 
কম্পিউটার ভাইরাস হল এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই নিজে নিজেই কপি হতে পারে বা নিজের প্রতিরূপ সৃষ্টি করতে পারে। মেটামর্ফিক ভাইরাসের মত তারা প্রকৃত ভাইরাসটি কপিগুলোকে পরিবর্তিত করতে পারে অথবা কপিগুলো নিজেরাই পরিবর্তিত হতে পারে।

অ্যান্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরন, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।
অপরদিকে, Central Point, VX2000 এবং Norton এগুলো কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস।


সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও ভোকেশনাল। 

১,৭১৯.
কে কম্পিউটার VIRUS এর নামকরণ করেন?
  1. ক) ভিনটন গ্রে সার্ফ
  2. খ) টিম বার্নার্স লি
  3. গ) ড. স্যামুয়েল হার্স্ট
  4. ঘ) ফ্রেডেরিক বি কোহেন
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালে জন ভন নিউম্যান প্রথম স্ব-পুনরুৎপাদিত প্রোগ্রাম সম্পর্কে ধারণা দেন। তার এই ধারণা থেকেই ভাইরাস প্রোগ্রামের আবির্ভাব ঘটে। পুনরুৎপাদনশীলতার জন্যে এই ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে প্রথম ভাইরাস হিসেবে সম্বোধন করেন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক বি কোহেন।
(সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : অষ্টম শ্রেণী)
১,৭২০.
কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়?
  1. ক) কম্পাইলার
  2. খ) ইন্টারপ্রেটার
  3. গ) এসেম্বলার
  4. ঘ) ওরাকল
ব্যাখ্যা

উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয় তাকে বলে অনুবাদক সফটওয়্যার।
অনুবাদক সফটওয়্যার তিন প্রকার।
যথা- কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার এবং অ্যাসেম্বলার।
এসেম্বলার ও কম্পাইলার উভয়েই গৌণ মেমোরিতে থাকে৷ প্রয়োজনের সময় তাদেরকে র‍্যামে আনা হয়৷
কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে
ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে পড়ে এবং অনুবাদ করে।
অ্যাসেম্বলার অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার বস্তু প্রোগ্রামে অনুবাদ করতে ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

১,৭২১.
'ওয়েব্যাক মেশিন' হলো একটি -
  1. ক) সার্চ ইঞ্জিন
  2. খ) রোবট
  3. গ) মিনি কম্পিউটার
  4. ঘ) ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা
আজকাল কোনাে কিছু সার্চ করতে গেলেই সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে হয়। যে সার্চ ইঞ্জিন যত দ্রুত ও যত ধরনে ব্যবহারকারীদের কাছে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হাজির করতে পারে সে সার্চ ইঞ্জিনটি তত বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এ দিক থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিযােগিতায় এগিয়ে রয়েছে গুগল। নিচে উল্লেখযােগ্য কিছু সার্চ ইঞ্জিনের নাম দেওয়া হলাে :

১. গুগল (https://www.google.com/)
২. বিং (https://www.bing.com/)
৩. ইয়াহু (https://www.yahoo.com/)
৪. আসক ডট কম (http://www.ask.com/)
৫. এওএল ডট কম (www.aol.com)
৬. ব্লেকো ডট কম (http://blekko.com/)
৭. উলফ্রাম আলফা(http://www.wolframalpha.com/)
৮. ডাকডাকগো (https://duckduckgo.com/)
৯. ওয়েব্যাক মেশিন (www.waybackmachine.org) [archive.org]
১০. চাচা ডট কম (http://www.chacha.com/)
১১. পিপীলিকা ডট কম [বাংলা সার্চ ইঞ্জিন] (www.pipilika.com/)

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,৭২২.
Which of the following is a type of malware that locks a victim's files and demands payment to unlock them?
  1. Spyware
  2. Trojan
  3. Ransomware
  4. Adware
ব্যাখ্যা

Ransomware হলো এক ধরণের ম্যালওয়্যার যা ভুক্তভোগীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে লক করে দেয় এবং ফাইলগুলো পুনরুদ্ধার করার জন্য একটি মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণে সাধারণত ডেটা লক করে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হয়।
- এটি এমন একটি ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত সিস্টেমে প্রবেশ করতে দেয় না।
- "র‍্যানসমওয়্যার" নাম থেকেই বোঝা যায় যে এটি কম্পিউটারের ফাইল জিম্মি রেখে মুক্তিপণের বিনিময়ে অর্থ আদায়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আক্রমণটি কম্পিউটারের সমস্ত ফাইল এনক্রিপ্ট করে এবং ব্যবহারকারীকে একটি বার্তা প্রদর্শন করে।
- বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ফাইলগুলো পুনরুদ্ধার করতে চাইলে নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত ফাইল এনক্রিপ্ট করতে একটি বিশেষ এনক্রিপশন কী বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করা হয়।
- এই চাবির তথ্য শুধুমাত্র আক্রমণকারীর কাছে সংরক্ষিত থাকে।
যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয়, তবে আক্রমণকারী ফাইলগুলো পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১,৭২৩.
'AVG' হলো একটি -
  1. Computer Antivirus
  2. Computer Virus
  3. Spreadsheet program
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- Kaspersky,
- Norton Antivirus,
- McAfee,
- Bitdefender,

- Avast,
- AVG Antivirus,
- ESET NOD32,
- Trend Micro,

- Sophos,
- Windows Defender (Microsoft Defender),
- F-Secure,
- Panda Security,

- Comodo Antivirus,
- Malwarebytes,
- ZoneAlarm,
- Avira,

- Adaware Antivirus,
- BullGuard,
- Emsisoft Anti-Malware,
- IObit Malware Fighter, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৭২৪.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার?
  1. ক) MS Powerpoint
  2. খ) Symphony
  3. গ) QuarkXpress
  4. ঘ) Impress
ব্যাখ্যা
Lotus, Sorcim, Symphony ইত্যাদি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার। MS Powerpoint প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার। QuarkXpress একটি পেজ লেআউট প্রোগ্রাম। Impress প্রিন্টিং সফটওয়্যার।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ এবং ব্রিটানিকা]
১,৭২৫.
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Microsoft Word
  2. Google Docs
  3. Notepad
  4. Microsoft Excel
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়। যেমন:

- Microsoft Word,
- Latex,
- Notepad,
- Google Docs,
- Apache OpenOffice Writer,
- Apple Pages,
- WPS Office Writer,
- Apache OpenOffice Writer ইত্যাদি।

স্প্রেডশিট সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে ।
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের উদাহরণ:

- Microsoft Excel,
- Google Sheets,
- iWork Numbers,
- LibreOffice Calc,
- Apache OpenOffice Calc,
- WPS Office Spreadsheets,
- Smartsheet,
- Calc (Calligra) ইত্যাদি।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট
১,৭২৬.
কোনটির মাধ্যমে ফায়ারওয়াল প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে
  2. সফটওয়্যারের মাধ্যমে
  3. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে
  4. কোনোটি প্রযোজ্য নয়
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল প্রয়োগ করা যেতে পারে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে, তাই সঠিক উত্তর হলো গ) হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে। হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল সাধারণত নেটওয়ার্কের প্রবেশদ্বারে স্থাপন করা হয় এবং এটি সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ককে বাইরের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। অন্যদিকে সফটওয়্যার ফায়ারওয়াল কম্পিউটার বা সার্ভারে ইনস্টল করা হয় এবং নির্দিষ্ট ডিভাইসকে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে। উভয় ধরনের ফায়ারওয়াল একসাথে ব্যবহৃত হলে নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয় এবং ডেটা সুরক্ষার মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
 
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১,৭২৭.
প্রোগ্রামিং ভাষা অনুবাদের জন্য ব্যবহৃত Compiler বা Interpreter কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. প্যাকেজ সফটওয়্যার
  4. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

• সফটওয়‍্যার:
সফটওয়‍্যারের ওপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও কাজের গতি অনেকাংশে নির্ভর করে। তবে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়‍্যার ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। সিস্টেম সফটওয়‍্যার (System Software) ও
২। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার

• সিস্টেম সফটওয়‍্যার:
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার ছাড়া কম্পিউটার অচল। তাই কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়‍্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- DOS, Windows Xp, Linux, Unix, Mac OS, Solaries ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়‍্যারের উদাহরণ। আবার Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়‍্যারের অন্তর্গত।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- যে সকল সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
- MS WORD, MS EXCEL, ORACLE ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ।

• প্যাকেজ সফটওয়্যার:
- প্যাকেজ সফটওয়্যার হলো বাণিজ্যিকভাবে তৈরি এমন রেডিমেড বা তৈরি-সফটওয়্যার, যা নির্দিষ্ট কিছু সাধারণ কাজ সম্পাদন করতে ব্যবহারকারীদের জন্য বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা হয়। এগুলো পূর্বেই প্রস্তুত থাকে এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। 
- উদাহরণ: Microsoft Office, Adobe Photoshop, এবং বিভিন্ন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

• ডেটাবেজ সফটওয়্যার:
- ডেটাবেজ সফটওয়্যার বা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন একটি কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন যা সুশৃঙ্খলভাবে ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, আপডেট এবং পুনরুদ্ধারের (Retrieve) কাজ করে।
- এটি ব্যবহারকারী এবং ডেটাবেজের মধ্যে মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যা ডেটার নিরাপত্তা ও তথ্যের অসামঞ্জস্যতা দূর করে।
- জনপ্রিয় উদাহরণ হলো MS Access, MySQL, Oracle, SQL Server ইত্যাদি।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Solarwinds [Link]

১,৭২৮.
'Quick Heal' হলো একটি-
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. কম্পিউটার অ্যান্টি ভাইরাস
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. কুইক অ্যাক্সেস টুলবার
ব্যাখ্যা
• অ্যান্টি ভাইরাস:
- অ্যান্টি-ভাইরাস হলো কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে ইনস্টল করা একটি সুরক্ষা প্রোগ্রাম যেটি ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার থেকে রক্ষা করে।
- যদি একটি কম্পিউটার ম্যালওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হয়ে পড়ে তবে একটি সাইবার আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর সমস্ত কী-স্ট্রোক ক্যাপচার করতে পারে, নথিপত্র চুরি করতে পারে বা অন্যকে আক্রমণ করার জন্য তার কম্পিউটারটি ব্যবহার করতে পারে।
- এক্ষেত্রে যেকোনও অপারেটিং সিস্টেম সংক্রামিত হতে পারে।
- এর প্রতিকার হিসাবে অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিদিন ম্যালওয়‍্যারের অনেকগুলি নতুন সংস্করণ প্রকাশিত হচ্ছে যা কোনও অ্যান্টি ভাইরাস প্রোগ্রাম তাদের সকলকে সনাক্ত করতে এবং সুরক্ষা দিতে পারে না।
- অ্যান্টি-ভাইরাসগুলি আমাদের কম্পিউটারকে সুরক্ষিত করতে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু এটি সমস্ত ধরনের ম্যালওয়্যার সনাক্ত বা বন্ধ করতে পারে না।
- উদাহরণ: নরটন অ্যান্টিভাইরাস (Norton Antivirus), ম্যাকআফি অ্যান্টি ভাইরাস (McAfee Antivirus), বিটফাইন্ডার অ্যান্টিভাইরাস (Bitdefender), কুইক হিল অ্যান্টিভাইরাস (Quick Heal), এভিজি অ্যান্টিভাইরাস (AVG)।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭২৯.
ফ্লোচার্ট কয় ধরণের হয়ে থাকে -
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
ফ্লোচার্ট ২ ধরণের হয়ে থাকে। যথা
i) সিস্টেম ফ্লোচার্ট
ii) প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট

• সিস্টেম ফ্লোচার্ট: যে ফ্লোচার্টে ডাটা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির বিভিন্ন অংশের  মধ্যে  প্রক্রিয়াকরণের মধ্যে প্রবাহ দেখানো হয়।  এখানে ডাটা গ্রহণ, সংরক্ষণ , প্রক্রিয়াকরণ ও ফলাফল প্রদর্শনের চিত্র দেখানো হয়। কোনো সিস্টেমের কার্যপ্রণালী বুঝতে কতগুলো সিস্টেমের মাধ্যমে ফ্লোচার্ট তৈরী হয়।

• প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট: কম্পিউটার প্রোগ্রাম লেখার জন্য এই ফ্লোচার্ট ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণের ধাপসমূহ বিস্তরভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। মূলত সিস্টেম ফ্লোচার্টের চেয়ে প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট ই বেশী ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৭৩০.
নিচের কোন মাধ্যমটির তথ্য ধারন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ফ্লপি ডিস্ক
  2. খ) কমপ্যাক্ট ডিস্ক
  3. গ) ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক
  4. ঘ) মডেম
ব্যাখ্যা
ডিভিডি যা ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (Digital Versatile Disc) নামেও পরিচিত, এক ধরনের অপটিকাল ডিস্ক-ভিত্তিক উপাত্ত সংরক্ষণের ফরম্যাট। আধুনিক ডিজিটাল যুগের অনেক বেশি তথ্য রাখার চাহিদা থেকে এর সৃষ্টি।
১,৭৩১.
নিচার কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষার প্রাথমিক ধারণার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Polymorphism
  2. Inheritance
  3. Recursion
  4. Encapsulation
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়।

যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

• Recursion একটি প্রোগ্রামিং কৌশল যেখানে একটি ফাংশন নিজেই নিজেকে কল করে। 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩২.
নিচের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ?
  1. ক) Fortran
  2. খ) Python
  3. গ) SQL
  4. ঘ) C
ব্যাখ্যা
কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Query Language)
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
- ডেটা ম্যানিপুলেশনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ তৈরি হয়েছে।
- তবে নিম্ন লিখিত ৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে -
(ক) QUEL - QUEery Language
(খ) QBE - Query By Example
(গ) SQL - Structured Query Language

---------------------------
- Fortran, Python, C পোগ্রামিং ভাষা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১,৭৩৩.
What is the size of an IPv6 address?
  1. 32 bits
  2. 48 bits
  3. 128 bits
  4. 256 bits
ব্যাখ্যা

• IPv6 অ্যাড্রেসের আকার হলো 128 বিট।

• আইপি এড্রেস:

- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- 'IP' এর পূর্ণরূপ হলো 'Internet Protocol'.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস ।
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস 128 বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে 128 বিটের সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাটে লিখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৭৩৪.
নিচের কোনটি Anti-virus সফটওয়্যার?
  1. Informix
  2. Kaspersky
  3. FoxPro
  4. MySQL
ব্যাখ্যা
Kaspersky একটি Anti-virus সফটওয়্যার।

• Anti-virus সফটওয়্যার:

- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।

• Anti-virus সফটওয়্যার:
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tools Anti-Virus etc.

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Informix, FoxPro, MySQL হলো ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৭৩৫.
ডেটাবেজ এ কোনগুলো একই অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. এনটিটি সেট ও টেবিল
  2. এনটিটি ও টেবিল
  3. এট্রিবিউট ও ফিল্ড
  4. টেবিল ও কলাম
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ এ এট্রিবিউট ও ফিল্ড একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৭৩৬.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে কিসের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়?
  1. মাইক্রো স্ট্যাট
  2. মাইক্রো ফাইবার
  3. মাইক্রো অপারেটর
  4. মাইক্রো কন্টোলার
ব্যাখ্যা
এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্‌, ATM প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
১,৭৩৭.
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও কোন মেমরির তথ্য মুছে যায় না?
  1. RAM
  2. SRAM
  3. ROM
  4. DRAM
ব্যাখ্যা
রম (ROM):
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমরি (Non-Volatile Memory)। 
অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

অন্যদিকে,
- RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- DRAM (Dynamic RAM) এবং SRAM (Static RAM) এর তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এরা ভোলাটাইল মেমোরি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩৮.
কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে কোনটিকে?
  1. C
  2. Python
  3. BASIC
  4. ALGOL
ব্যাখ্যা
'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা:
- সি একটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি অন্যান্য উচ্চ স্তর ল্যাংগুয়েজগুলোর মধ্যে অনেক সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় ভাষা।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে এ ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- ভাষাটির নাম 'C' রাখা হয়েছে কারণ, B নামের অপর একটি ভাষা আগেই তৈরি হয়েছে।
- C যাতে তার গুণাগুণ না হারায় সেজন্য ১৯৮৩ সালে কম্পাইলার এবং সফ্টওয়্যার প্রস্তুতকারকদের একটি গ্রুপ আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI)-কে C এর জন্য একটি নীতি নির্ধারণের আবেদন জানান।
- ১৯৮৯ সালের শেষের দিকে নির্ধারিত কমিটি C এর জন্য ANSI নীতি নির্ধারণ করে।
- সিস্টেম প্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে এ ভাষা অধিক হারে ব্যবহৃত হয়।
- উপাত্ত সঞ্চালনের বর্ণনার জন্য এ ভাষার সুবিধা অনেক বেশি বলে ভাষাটি অন্যান্য ভাষার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়।
- C ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে।
- এ ভাষারও অনেক সংস্করণ রয়েছে। যেমন- C, ANSI C, Visual C, Turbo C প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩৯.
Which of the following is a high-level programming language commonly used for general-purpose programming and data science?
  1. Python
  2. Assembly Language
  3. Machine Code
  4. Binary Code 
ব্যাখ্যা

Python হলো একটি হাই-লেভেল এবং ইন্টারপ্রেটেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এর সিনট্যাক্স বা কোড লেখার নিয়ম ইংরেজি ভাষার মতো সহজ হওয়ায় এটি মানুষের জন্য বুঝতে এবং শিখতে খুব সহজ। বহুমুখী ব্যবহার এবং এর লাইব্রেরিগুলোর (যেমন: NumPy, Pandas) কারণে এটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং বিশেষ করে ডেটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষা।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
২। অ্যামাজন ওয়েবসাইট। [link]

১,৭৪০.
MIPS-এর "lw" কমান্ডের কাজ কী?
  1. দুটি রেজিস্টারের মান যোগ করা
  2. মেমোরি থেকে একটি বাইট রেজিস্টারে নেওয়া
  3. মেমোরি থেকে একটি ওয়ার্ড রেজিস্টারে নেওয়া
  4. রেজিস্টার থেকে একটি ওয়ার্ড মেমোরিতে রাখা
ব্যাখ্যা

• MIPS (Microprocessor without Interlocked Pipeline Stages) আর্কিটেকচারে “lw” (load word) কমান্ড মূলত মেমোরি থেকে একটি পূর্ণ ওয়ার্ড (৪ বাইট) রেজিস্টারে লোড করার কাজ করে। এটি সাধারণত একটি বেস রেজিস্টার এবং একটি অফসেট ব্যবহার করে মেমোরির ঠিকানা নির্ধারণ করে। কমান্ডটি নির্দিষ্ট ঠিকানার মেমোরি কন্টেন্টকে রেজিস্টারে স্থানান্তরিত করে, ফলে প্রোগ্রাম রেজিস্টারের মাধ্যমে ডেটা ব্যবহার করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি lw $t0, 0($t1) লেখা থাকে, তাহলে $t1-এ থাকা ঠিকানার মেমোরি মান $t0 রেজিস্টারে লোড হবে। সুতরাং, এখানে সঠিক উত্তর হলো: গ) মেমোরি থেকে একটি ওয়ার্ড রেজিস্টারে নেওয়া।

MIPS: 
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা প্রতি সেকেন্ডে সম্পাদিত মিলিয়ন সংখ্যক নির্দেশনার সংখ্যা বোঝায়।
- এটি সাধারণত CPU পারফরম্যান্স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসরগুলোর ক্ষেত্রে।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

১,৭৪১.
কম্পিউটিং-এ ক্লিপবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. ফাইল স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. সিস্টেম সেটিংস প্রদর্শন করা
  4. ইন্টারনেটে সংযোগ করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটিং-এ ক্লিপবোর্ড মূলত অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন আমরা কোনো টেক্সট, ছবি বা ফাইল কপি করি, তখন তা সরাসরি হার্ড ড্রাইভে নয়, ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত হয়। এরপর ব্যবহারকারী চাইলে সেই তথ্য পেস্ট করতে পারে অন্য কোনো স্থানে। ক্লিপবোর্ড কম্পিউটারের মেমরির অংশ হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর কাজকে দ্রুত ও সহজ করে। এটি তথ্য স্থানান্তরের একটি মধ্যবর্তী ধাপ, যা ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে না। তাই ক্লিপবোর্ডের প্রধান কাজ হলো অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা, যাতে ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করতে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা।
 
• Clipboard:
- প্রোগাম থেকে কপি করা ডাটা Clipboard এ থাকে।
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা কম্পিউটার চালু করার সময় হার্ডডিস্ক থেকে অস্থায়ী মেমোরি র‌্যামে জমা হয় এবং কম্পিউটার বন্ধ করলে তা মুছে যায়। 
- অন্যদিকে ক্লিপবোর্ড হলো কোনো নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের একটি সুবিধা যাতে ডেটা সংরক্ষিত থাকে শুধু ঐ সফটওয়্যারে তৎক্ষণাৎ ব্যবহার করার জন্য।
- ক্লিপবোর্ড RAM এর একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোন স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি। যথা- cut, copy, paste।
- সাধারণত প্রোগ্রাম RAM এ লোড হয় কিন্তু প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা ক্লিপবোর্ডে জমা থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১,৭৪২.
PNG কোন ধরণের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) flash
  2. খ) audio
  3. গ) video
  4. ঘ) image
ব্যাখ্যা
PNG হচ্ছে Image এর ফাইল এক্সটেনশন। 

- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে এক প্রকার ফাইলের ফরমেট নির্দেশকারী একটি সূচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে। 
- কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামে বিভিন্ন ধরণের ফাইল এক্সটেনশন থাকে। 
যেমন- doc, xls, mkv, txt ইত্যাদি।  

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
১,৭৪৩.
যে ভাষায় শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  2. মেশিন ভাষা
  3. মধ্যম স্তরের ভাষা
  4. উচ্চস্তরের ভাষা
ব্যাখ্যা

• যে প্রোগ্রামিং ভাষায় শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে নির্দেশ লেখা হয় তাকে মেশিন ভাষা বলা হয়।

• মেশিন ভাষা (Machine Language):
- মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা, যা কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে ও কার্যকর করতে পারে।
- এই ভাষায় নির্দেশগুলো বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়।
- বাইনারি সংখ্যা বলতে ০ এবং ১ এর সমন্বয়কে বোঝায়।
- মেশিন ভাষা ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা তুলনামূলকভাবে কঠিন, কারণ এতে শুধুমাত্র সংখ্যার মাধ্যমে নির্দেশ প্রকাশ করতে হয়।
- কম্পিউটারের প্রসেসর মেশিন ভাষার নির্দেশ সরাসরি কার্যকর করতে পারে।

• প্রোগ্রামিং ভাষার স্তর:
- প্রোগ্রামিং ভাষাকে সাধারণত নিম্নস্তরের ভাষা ও উচ্চস্তরের ভাষায় ভাগ করা হয়।
- মেশিন ভাষা এবং অ্যাসেম্বলি ভাষা নিম্নস্তরের ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
- উচ্চস্তরের ভাষা মানুষের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজবোধ্য।

• মেশিন ভাষার বৈশিষ্ট্য:
- এতে ০ এবং ১ ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে।
- দ্রুত কার্যকর হয়।
- মানুষের জন্য বোঝা কঠিন।

• অন্যান্য অপশন:
- অ্যাসেম্বলি ভাষা → নিম্নস্তরের ভাষা যেখানে নেমোনিক কোড ব্যবহার করা হয়।
- উচ্চস্তরের ভাষা → মানুষের জন্য সহজবোধ্য প্রোগ্রামিং ভাষা, যেমন Java, Python।
- মধ্যম স্তরের ভাষা → নিম্নস্তর ও উচ্চস্তরের ভাষার মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ভাষা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

১,৭৪৪.
A program that translates the entire source code into machine code at once is known as a/an _______
  1. Interpreter
  2. Assembler
  3. Compiler
  4. Loader
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক প্রোগ্রাম যা হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে (Source Code) একবারে পড়ে অবজেক্ট কোড বা মেশিন কোডে রূপান্তর করে। এটি পুরো প্রোগ্রামের ভুলগুলো (Errors) একসাথে রিপোর্ট করে। সি (C) বা সি++ (C++) এর মতো ল্যাঙ্গুয়েজে কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।

• কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে পুরোপুরি মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

• কম্পাইলারের কাজ:
- সোর্স (উৎস) প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট(বস্তু) প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।
- প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা।

• কম্পাইলারের বৈশিষ্ট্য:
- পুরো প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহের গতি তুলনামূলক দ্রুত।
- ডিবাগিং বা প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে।

অন্যান্য অপশন:
- Interpreter: এটি সোর্স কোডকে একবারে অনুবাদ না করে লাইন বাই লাইন অনুবাদ এবং এক্সিকিউট করে।
- Assembler: শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- Loader: এটি কোনো অনুবাদক নয়, বরং এক্সিকিউটেবল ফাইলকে মেমরিতে লোড করে রান করার ব্যবস্থা করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৪৫.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Panda
  2. খ) COBOL
  3. গ) Cobra
  4. ঘ) Symantec
ব্যাখ্যা
কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tool Anti-Virus ইত্যাদি।
 
অন্যদিকে, COBOL এর পূর্ণরূপ Common Business Oriented Language. অর্থাৎ  COBOL হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। 

[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) এবং কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট]
১,৭৪৬.
A computer program that instructs other programs to perform a particular type of operation is-
  1. ক) System software
  2. খ) Application program
  3. গ) Compiler
  4. ঘ) Interpreter
ব্যাখ্যা
System software is computer software designed to provide a platform to other software. Examples of system software include operating systems like macOS and Windows.
Source: techterms.com
১,৭৪৭.
“Syntax error” কী?
  1. ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি
  2. প্রোগ্রামের লজিকে ত্রুটি
  3. প্রোগ্রামের আউটপুটে ত্রুটি
  4. রানটাইমের সময় ত্রুটি
ব্যাখ্যা
• “Syntax error” হলো প্রোগ্রামে ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম ভঙ্গ করার কারণে ঘটে যাওয়া ত্রুটি। অর্থাৎ, যখন কোড লেখার সময় প্রোগ্রামিং ভাষার নির্ধারিত গ্রামার বা কাঠামোর নিয়ম মেনে চলা হয় না, তখন এই ত্রুটি দেখা দেয়। যেমন, বন্ধনী না দেওয়া, ভুলভাবে কমা ব্যবহার, বা কীবোর্ডের ভুল কমান্ড ব্যবহার ইত্যাদি। এটি মূলত কোড কম্পাইল বা ইন্টারপ্রেট করার সময় ধরা পড়ে এবং প্রোগ্রাম চলতে দেয় না যতক্ষণ না এই ত্রুটি ঠিক করা হয়। “Syntax error” লজিক বা রানটাইম ত্রুটির থেকে আলাদা, কারণ এটি শুধুমাত্র ভাষার নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি নির্দেশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বোঝে।
- সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার। 
যথা- 
১। কম্পাইলার, 
২। ইন্টারপ্রেটার এবং 
৩। অ্যাসেম্বলার। 

১) কম্পাইলার: সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।

২) ইন্টারপ্রেটর: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুরু হয়।

৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৭৪৮.
প্রোগ্রামের বাগ শনাক্তকরণ এবং সমাধানের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Installation
  2. Compiling
  3. Debugging
  4. Programming
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামের বাগ শনাক্তকরণ এবং সমাধানের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়। যখন কোনো সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম লেখা হয়, তখন তাতে অনেক সময় ত্রুটি বা “বাগ” থাকতে পারে। এই বাগগুলো প্রোগ্রামের সঠিক কাজকে বাধাগ্রস্ত করে। ডিবাগিং হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্রোগ্রামের কোড বিশ্লেষণ করে বাগগুলো খুঁজে বের করা এবং সেগুলো ঠিক করা হয়। ডিবাগিং প্রোগ্রামারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে প্রোগ্রামকে নির্ভরযোগ্য এবং সঠিকভাবে কাজ করার মতো তৈরি করা যায়। এটি প্রোগ্রামিং-এর একটি অপরিহার্য ধাপ। সঠিক উত্তর: গ) Debugging.

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে, প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

• প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা:
- ডেটা ভুল,
- যুক্তিগত ভুল এবং
- সিনট্যাক্স ভুল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৭৪৯.
যেসব সফটওয়্যারে পেরিফেরাল ডিভাইস চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্দেশনা থাকে, তাদের কী বলা হয়?
  1. অপারেটিং সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
  4. ডিভাইস ড্রাইভার
ব্যাখ্যা

◉ ডিভাইস ড্রাইভার হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটার এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটি ডিভাইসকে সঠিকভাবে চালাতে সহায়তা করে।

ডিভাইস ড্রাইভার (Device Driver):
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৫০.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে কে পরিচিত?
  1. James Gosling
  2. Dennis Ritchie
  3. Guido Van Rossum
  4. Brendan Eich
ব্যাখ্যা

• পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে Guido van Rossum পরিচিত। তিনি ১৯৮০-এর দশকে নেদারল্যান্ডসের সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট ফর ম্যাথমেটিকাল রিসার্চ-এ কাজ করার সময় পাইথন তৈরি করেন। পাইথনের উদ্দেশ্য ছিল একটি সহজ, পাঠযোগ্য এবং শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করা, যা নতুন শিক্ষার্থী থেকে পেশাদার ডেভেলপার সবাই ব্যবহার করতে পারে। এটি কোডিংয়ে সরলতা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। অন্য উল্লেখিত নামগুলোও গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামার বা ভাষার স্রষ্টা, যেমন James Gosling জাভা প্রবর্তক, Dennis Ritchie C ভাষার স্রষ্টা, এবং Brendan Eich জাভাস্ক্রিপ্টের জনক। তাই পাইথনের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) Guido Van Rossum.

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- James Gosling: Java প্রোগ্রামিং ভাষার প্রধান উদ্ভাবক।
- Brendan Eich: JavaScript প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১,৭৫১.
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্মগুলো (Generations) কে কতভাগে ভাগ করা হয়?
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্ম (Generations of Programming Languages) মূলত ৫টি ভাগে বিভক্ত করা হয়।

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)।
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)।
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)।
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)।
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)।

প্রথম প্রজন্ম: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ, বাইনারি কোড (0s এবং 1s) ব্যবহার করে (Machine Code)।
দ্বিতীয় প্রজন্ম: অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ, Mnemonics ব্যবহার করে (Assembly Language)। 
তৃতীয় প্রজন্ম: উচ্চ-স্তরের ভাষা (High-Level Language), সহজবোধ্য সিনট্যাক্স (C, C++, Java, Python)। 
চতুর্থ প্রজন্ম:  ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট ও স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ, কম কোড (SQL, MATLAB, PHP)।
পঞ্চম প্রজন্ম:  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভাষা, মেশিন লার্নিং ও লজিক্যাল প্রোগ্রামিং (Prolog, Lisp, Mercury)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,৭৫২.
নিচের কোনটি ১০২৪ টেরাবাইটের সমতুল্য?
  1. ১ এক্সাবাইট
  2. ১ গিগাবাইট
  3. ১ পেটাবাইট
  4. ১ ইয়োট্রাবাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
১,৭৫৩.
Which translator program translates and executes a program line by line?
  1. Compiler
  2. Interpreter
  3. Assembler
  4. Encoder
ব্যাখ্যা
ইন্টারপ্রেটার একটি প্রোগ্রামকে লাইন বাই লাইন অনুবাদ ও সম্পাদন (execute) করে।

ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- একটি লাইন নির্বাহ শেষ হলে ইন্টারপ্রেটার একইভাবে সোর্স প্রোগ্রামের পরবর্তী লাইনে গিয়ে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে তা নির্বাহ করে।
- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রাম নির্বাহ (রান) করার সময় প্রোগ্রামের ভুল দেখা ও সংশোধন করার সুযোগ দেয়। একটি একটি লাইন করে অনুবাদ করে বিধায় এতে তুলনামূলকভাবে সময় বেশি লাগে।
- ইন্টারপ্রেটার ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- যেমন-জাভা, পাইথন।

তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে।যথা-
১. কম্পাইলার (Compiler),
২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter),
৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler)।

• কম্পাইলার (Compiler)
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলা হয়।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- কম্পাইলার যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে, তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে একসাথে তা জানিয়ে দেয়।
- সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল। তবে কম্পাইল করার পর প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- ভিন্ন ভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার থাকে।
- যেমন- সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

• অ্যাসেম্বলার (Assembler)
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- এটি সব ডেটা ও নির্দেশ প্রধান মেমোরিতে রাখে এবং প্রোগ্রামের কোথাও কোনো ভুল থাকলে এরর মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেয়।
- উদাহরণ: GAS, GNU assemblers.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১,৭৫৪.
Which language is a very high-level programming language?
  1. COBOL
  2. SQL
  3. C
  4. Java
ব্যাখ্যা
SQL is a very high-level programming language.

• প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যে ভাষার সাহায্যে একটি যন্ত্রকে নির্দেশনা দিয়ে কোন সমস্যা সমাধান করা যায় তাকে প্রোগ্রামিং ভাষা বলে।
- সহজে বলা যায়, প্রোগ্রাম লিখতে বা নির্দেশাবলী সেট করতে যেসকল ভাষা ব্যবহৃত হয় তাদের "প্রোগ্রামিং ভাষা" বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই সকল ভাষাকে পাঁচটি স্তরে বা প্রজন্মে ভাগ করা যেতে পারে। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (1945): মেশিন ভাষা (Machine Language)
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (1950): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (1960): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (1970): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (1980): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)

- মেশিন ভাষা ও অ্যাসেম্বলি ভাষাকে লো-লেভেল ভাষা বলা হয়।
- কারণ এগুলো কম্পিউটারের ভাষার (০ বা 1) কাছাকাছি।
- অন্যদিকে হাই-লেভেল বা উচ্চতর ভাষা মানুষের ভাষার কাছাকাছি।

• চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বা অতি উচ্চতর ভাষা
- 4GL মানে 4th Generation Language বা চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা।
- এটি বিভিন্ন ধরনের ভাষার সমন্বয়ে গঠিত, যা এখনও পূর্ণাঙ্গ রূপ ধারণে সক্ষম হয়নি। 
- QBE, SQL, ADF, CSP প্রভৃতি 4GL ভাষা।
- 4GL বা অতি উচ্চতর ভাষার সুবিধা উচ্চতর ভাষার তুলনায় এ ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা খুব সহজ এবং অতি সংক্ষিপ্ত।
- এ ভাষার সাহায্যে সহজেই বিভিন্ন ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।
- কথোপকথন রীতিতে প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে ব্যবহারকারী ডাটাবেজের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
১,৭৫৫.
নিচের কোনটি এপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. ক) Mac OS
  2. খ) Google Crome
  3. গ) Linux OS
  4. ঘ) Android
ব্যাখ্যা
কাজের প্রকৃতি বা ফাংশন অনুযায়ী কম্পিউটার সফটওয়্যারকে দুই প্রকারে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software)
২) ব্যবহারিক সফটওয়্যার (Application Software)

• সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software): সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের এমন একটি মূল প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারী এর মধ্যে একটি ইন্টারফেস গঠন করে। Windows OS, Mac OS, Linux OS, Android ইত্যাদি।

• ব্যবহারিক সফটওয়্যার (Application Software): এপ্লিকেশন সফটওয়্যার এমন এক ধরনের সফটওয়্যার প্রোগ্রাম যা ব্যবহার করে বিভিন্ন রকম চাহিদা পূরণ করে থাকি। এপ্লিকেশন সফটওয়্যারকে সংক্ষেপে অ্যাপ বলে । এই সফটওয়্যার মূলত ব্যবহারকারীর জন্য নির্দিষ্ট কাজ করে থাকে। Spreadsheet Software, Google sheet, Microsoft Excel, Google Chrome, Firefox ইত্যাদি।

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৫৬.
স্প্রেডশিট সফটওয়্যার কোনটি?
  1. Microsoft Word
  2. Microsoft Excel
  3. Microsoft PowerPoint
  4. Adobe Photoshop
ব্যাখ্যা

◉ Microsoft Excel একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার, যা টেবুলার ফরম্যাটে ডাটা এন্ট্রি, গণনা, বিশ্লেষণ এবং ভিজ্যুয়ালাইজেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে সেল, রো, কলাম, ফাংশন, ফর্মুলা, চার্ট ইত্যাদি ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।

স্প্রেডশিট সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে।

স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- Microsoft Excel,
- Google Sheets,
- iWork Numbers,
- LibreOffice Calc,
- Apache OpenOffice Calc,
- WPS Office Spreadsheets,
- Smartsheet,
- Calc (Calligra) ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) Microsoft Word – এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা মূলত টেক্সট ডকুমেন্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
গ) Microsoft PowerPoint – এটি প্রেজেন্টেশন তৈরির সফটওয়্যার, যা স্লাইড-ভিত্তিক কনটেন্ট ডিজাইনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
ঘ) Adobe Photoshop – এটি একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ফটো এডিটিং সফটওয়্যার, যা ইমেজ মডিফিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৭৫৭.
অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ কোন প্রজন্মের ভাষা? 
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা: 
১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০): Machine Language বা যান্ত্রিক ভাষা। 
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০): Assembly language বা অ্যাসেম্বলি ভাষা। 
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০): High level language বা উচ্চস্তরের ভাষা। C++, BASIC, PASCAL, FORTRAN, Java, C, Ruby, Perl. 
৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০): Very high level language বা অতি উচ্চস্তরের ভাষা। SQL, NOMAD, FOCUS. 
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান): Natural language বা স্বাভাবিক ভাষা। Prolog, OPSS, Mercury. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৭৫৮.
কোনটি মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম?
  1. ক) Windows XP
  2. খ) Windows 98
  3. গ) Windows 7
  4. ঘ) MS-DOS
ব্যাখ্যা
MS DOS পূর্ণরূপ হলো Microsoft Disk Operating System.
- এটি হলো মাইক্রোসফটের প্রথম অপারেটিং সিস্টেম যা ১৯৮১ সালে রিলিজ করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা : এসএসসি প্রোগ্রাম – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১,৭৫৯.
নিম্নের কোনটি System Software-এর উদাহরণ?
  1. MS Word
  2. Linux
  3. FoxPro
  4. Lotus 1-2-3
ব্যাখ্যা

• Linux — এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও নিয়ন্ত্রণ করে।

• সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝায়।
- এটি হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম করে এবং ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Video Player, Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।

• হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সম্পর্ক:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য অংশ।
- সফটওয়্যার হলো নির্দেশাবলির সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে।
- সফটওয়্যার ছাড়া হার্ডওয়্যার অর্থহীন এবং হার্ডওয়্যার ছাড়া সফটওয়্যার কার্যকর নয়।
- উভয়ই পরস্পরের পরিপূরক।

• সফটওয়্যারের শ্রেণিবিভাগ:
- সফটওয়্যার প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত।
১. সিস্টেম সফটওয়্যার।
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- এটি হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে সংযোগ স্থাপন ও রক্ষণ করে।
- ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সমন্বয় সাধন করে।
- কম্পিউটার সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।
- DOS, Windows XP, Linux, Unix, Mac OS, Solaris ইত্যাদি সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
- Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রামও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত।

• সিস্টেম সফটওয়্যারের উপবিভাগ:
১. সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট বা নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম।
২. সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম।
৩. সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি সফটওয়্যারকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলা হয়।
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, MS Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, MS Excel, Qrater Pro.
- Database Package Program: dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

• অন্যান্য অপশন:
- MS Word → একটি Word Processing Package Program, যা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- FoxPro → একটি Database Package Program, যা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- Lotus 1-2-3 → একটি Spreadsheet Package Program, যা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৬০.
র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের
  1. ক) ম্যালওয়্যার
  2. খ) ফায়ারওয়াল
  3. গ) ফার্মওয়্যার
  4. ঘ) ফ্রিওয়্যার
ব্যাখ্যা

র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।

১,৭৬১.
দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-
  1. Assembly Language
  2. Machine Language
  3. High-Level Language
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৭৬২.
কোনটি কম্পিউটারের জন্য অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে পরিচিত?
  1. স্টোন
  2. ঢাকা
  3. মাইক্রো
  4. পান্ডা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের জন্য অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে পরিচিত পান্ডা। এটি একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম সনাক্ত ও দূর করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করলে ডিভাইসের ডেটা নিরাপদ থাকে এবং সিস্টেমের কর্মক্ষমতা ঠিক থাকে। বাজারে বিভিন্ন অ্যান্টিভাইরাস পাওয়া যায়, তবে পান্ডা বিশেষভাবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাইরাস স্ক্যান ও আপডেট করতে সক্ষম, যা কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) পান্ডা।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
- মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।

১,৭৬৩.
'MS Word' কী ধরণের সফটওয়্যার?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন:
1. Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, MS Word, Word Note.
2. Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3. Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

• সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম:
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। কম্পিউটারের আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তন্মধ্যে DOS, Windows, Xenix/Unix বহুলবাবে ব্যবহৃত। Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রাম সমূহ সিস্টেম সফট্ওয়্যারের অন্তর্গত।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৬৪.
নিচের কোনটি "অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার"?
  1. Linux
  2. MAC OS
  3. MS Excel
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়‍্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
- অর্থাৎ সফটওয়‍্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়‍্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।

• কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা:
১. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার ও
২. সিস্টেম সফটওয়্যার।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার:
- ব্যবহারকারীদের দ্বারা সর্বাধিক ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- এটি কম্পিউটার সিস্টেম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয় না, বরং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- ব্যবহারকারীরা সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারই ব্যবহার করে থাকেন।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সিস্টেম সফটওয়্যার (যেমন, অপারেটিং সিস্টেম)-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিস্টেম সফটওয়্যার (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহারকারী ও কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারের মধ্যে একটি ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। 

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের উদাহরণ:
- MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।

• সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- MS DOS, LINUX, UNIX, MS WINDOWS 98, MS WINDOWS, MAC OS, SYMBIAN, ANDROID, PC DOS, XENIX, AIX, ইত্যাদি। 

উৎস:
১. Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৬৫.
নিচের কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি জেমস গসলিং উদ্ভাবন করেন?
  1. জাভা
  2. পাইথন
  3. সি
  4. রুবি
ব্যাখ্যা
• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৯০ সালে ইউকিহিরো ম্যাটসুমোটো নামক একজন জাপানি প্রোগ্রামার রুবি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরি করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৭৬৬.
ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Oracle
  2. MS Excel
  3. Photoshop
  4. MS Word
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনা:
- Oracle
- এটি একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
- যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বড় আকারের প্রতিষ্ঠানগুলো এটি ব্যবহার করে ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য।
- কয়েকটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটয়্যার: Oracle, MySQL, Microsoft Access.

• MS Excel:
- এটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার,
- যেটি সাধারণত ছোট পরিসরে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়,
- কিন্তু এটি ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার জন্য উপযুক্ত নয়।

• Photoshop:

- এটি একটি ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, যা গ্রাফিক ডিজাইনের কাজে ব্যবহৃত হয়।

• MS Word:
- এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা মূলত ডকুমেন্ট লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৭৬৭.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. AVG
  2. Norton
  3. CodeRed
  4. McAfee
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

• CodeRed হলো একটি সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক লার্নিং প্ল্যাটফর্ম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৬৮.
প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক কে?
  1. Guido van Rossum
  2. James Gosling
  3. Ada Lovelace
  4. Dennis Ritchie
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক ছিলেন Ada Lovelace. তিনি বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত। ১৯শ শতকে চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম তৈরি করেন। Ada Lovelace এর কাজ আধুনিক প্রোগ্রামিং ও কম্পিউটার বিজ্ঞান ভিত্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
- অন্যদের মধ্যে Guido van Rossum পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার নির্মাতা, James Gosling জাভা ভাষার জনক, আর Dennis Ritchie C ভাষার নির্মাতা। তবে প্রোগ্রামিং ধারণার সূচনা ও প্রবর্তক হিসেবে Ada Lovelace কে সবচেয়ে বেশি সম্মান দেওয়া হয়।
- সঠিক উত্তর: গ) Ada Lovelace.

• অ্যাডা লাভলেস:
- গণনার কাজ কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় সেটি নিয়ে ভেবেছিলেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace) (১৮১৫-১৮৫২)।
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন।
- এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়।
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন।
- সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন।
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৭৬৯.
CSS-এর পূর্ণ আকার কী?
  1. Computed Style Sheets
  2. Compound Style Sheets
  3. Cascading Style Sheets
  4. Collaborative Style Sheets
ব্যাখ্যা

• CSS-এর পূর্ণ আকার হলো Cascading Style Sheets. CSS হলো ওয়েব পেজের লেআউট, রঙ, ফন্ট, মার্জিন, প্যাডিং এবং অন্যান্য ভিজ্যুয়াল উপাদান নিয়ন্ত্রণ করার একটি ভাষা। এটি HTML-এর সঙ্গে ব্যবহার করা হয় যাতে পেজের কনটেন্টের প্রদর্শন আরও সুন্দর ও প্রফেশনাল দেখাতে সাহায্য করে। “Cascading” শব্দটি নির্দেশ করে যে, একাধিক CSS নিয়ম যদি একই উপাদানের উপর প্রযোজ্য হয়, তাহলে কোন নিয়মটি শেষ হবে তা নির্ধারণ করার একটি নির্দিষ্ট ক্রম আছে। CSS ব্যবহার করে ডিজাইনাররা ওয়েব পেজকে রেসপন্সিভ, আকর্ষণীয় এবং ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক করতে পারে। তাই CSS ওয়েব ডিজাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

- সঠিক উত্তর: গ) Cascading Style Sheets.

CSS:
- CSS এর পূর্ণরূপ হলো Cascading Style Sheets.
- CSS, HTML এর ডকুমেন্টের স্টাইল বর্ণনা করে।
- কীভাবে HTML উপাদানগুলি স্ক্রিন, বা অন্য মিডিয়ায় প্রদর্শিত হবে তা CSS দ্বারা নির্ধারণ করা যায়।

HTML:
- HTMLএর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hypertext Markup Language.
- HTML ওয়েবসাইট এবং ওয়েবপেজ তৈরি করার জন্য ব্যবহার হয়।
- এর মাধ্যমে আমরা টেক্সট, ইমেজ, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি কনটেন্ট সুন্দরভাবে বিন্যাস করতে পারি।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৭৭০.
ফার্মওয়্যার বলতে কী বুঝায়?
  1. কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা
  2. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  3. উচ্চগতির প্রসেসর
  4. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা কোনো হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মেমোরিতে (সাধারণত ROM-এ) স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- এটি হার্ডওয়্যারকে সচল করতে এবং অন্যান্য সফটওয়্যারের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস তৈরির সময়ই এটি মেমোরিতে সেট করে দেওয়া হয়।
- সুতরাং, ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা। 

• ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরির সময় তাকে পরিচালনা করার জন্য স্থায়ীভাবে রাখা দরকার এমন সব নির্দেশ কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্থায়ীভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে দেয় যাকে ফার্মওয়‍্যার বলে।
- এটি একটি স্থায়ী সফটওয়্যার।
- ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রামসমূহ ব্যবহার করা যায় তবে মুছে ফেলা যায় না বা কোন রকম পরিবর্তন করা যায় না।
- কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সংযাগ দেয়ার পর ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রাম সর্বাগ্রে সক্রিয় হয়ে অন্যান্য সফটওয়্যারকে কার্যপোযোগী করার জন্য প্রধান মেমোরিতে লোড করে।
যেমন: ROM, BIOS একটি ফার্মওয়‍্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৭১.
কোনটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম?
  1. ক) Avast
  2. খ) Avg
  3. গ) Notepad
  4. ঘ) Spyware
ব্যাখ্যা
কম্পিটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রামসমূহ নিম্নরূপ : 
- Malware
- Spyware
- Ransomware
- Worms
- Trojan Horse
- Adware
- Spam
১,৭৭২.
সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স কোন এককে প্রকাশ করা হয়? 
  1. Kilograms
  2. Megapixels
  3. Gigahertz
  4. Gigabytes
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ এর পারফরম্যান্স সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৭৩.
১ গিগাবিট = ?
  1. ১০২৪ কিলোবিট
  2. ১০০০ কিলোবিট
  3. ১০০০ মেগাবিট
  4. ১০২৪ মেগাবিট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) ১০০০ মেগাবিট 

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৭৭৪.
বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট ভিত্তিক নিউজ এজেন্সি-
  1. ক) বিডি-২৪ নিউজ
  2. খ) বিডি এজেন্সি
  3. গ) ক্যাম্পাস নিউজ
  4. ঘ) বিডি নিউজ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট ভিত্তিক নিউজ এজেন্সি বিডিনিউজ।
১,৭৭৫.
নিম্নলিখিত কোন নামে CIH ভাইরাস পরিচিত?
  1. WannaCry
  2. Melissa
  3. Chernobyl
  4. Stuxnet
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা বাইরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে। এটি মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে এবং মূল্যবান প্রোগ্রাম ও তথ্য নষ্ট করার পাশাপাশি অনেক সময় কম্পিউটারকে সম্পূর্ণ অচল করে দিতে পারে।
- CIH ভাইরাস-এর রচয়িতা হলেন Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও), যিনি তাইওয়ানের Tatung University-এর ছাত্র ছিলেন। তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে Chen Ing-hau (CIH)।
- এই ভাইরাসটি চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত। এটিকে Chernobyl বা Spacefiller নামেও ডাকা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল, CIH বা চেরনোবিল ভাইরাসের আক্রমণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৭৬.
ওরাকল কোন ধরনের প্রোগ্রাম?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  2. ডেটাবেজ
  3. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

ওরাকল মূলত একটি রিলেশনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)।

ডাটাবেস:
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো- ১. ডাটা (Data) ২. রেকর্ড (Record) ৩. ফিল্ড (Field) ও ৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস
- ওরাকল
- ফক্সপ্রো
- ডিবেজ
- ফক্সবেইজ
- প্যারাডক্স
- ফোর্থ ডাইমেনশন
- MySQL ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৭৭.
কম্পিউটার পারফরমেন্স পরিমাপের ক্ষেত্রে MIPS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Million Instructions Per Second
  2. Microprocessor Integrated Program System
  3. Manipulation of Information Per Session
  4. Multiple Instruction Processing System
ব্যাখ্যা

◉ MIPS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে— Million Instructions Per Second. 

MIPS: 
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা প্রতি সেকেন্ডে সম্পাদিত মিলিয়ন সংখ্যক নির্দেশনার সংখ্যা বোঝায়।
- এটি সাধারণত CPU পারফরম্যান্স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসরগুলোর ক্ষেত্রে।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

১,৭৭৮.
কোনটি ব্যতীত কম্পিউটার চালু করা যায় না?
  1. ক) প্যাকেজ সফটওয়্যার
  2. খ) কাস্টমাইজ সফটওয়্যার
  3. গ) সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. ঘ) ইউটিলিটি সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- কম্পিউটারের আভ্যন্তরীন কাজগুলাে পরিচালনা করে সিস্টেম সফটওয়্যার।
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তন্মধ্যে DOS, Windows, Xenix/Unix বহুলৰাবে ব্যবহৃত।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
১,৭৭৯.
কম্পিউটার প্রোগ্রাম রচনার ধারাবাহিক বিন্যাসের সরল ভাষায় প্রকাশই হলো-
  1. ক) অ্যালগরিদম
  2. খ) ফ্লোচার্ট
  3. গ) সুডো কোড
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুডো (Pseudo) অর্থ হলো অবাস্তব, অর্থাৎ যা সত্য নয়। প্রোগ্রাম রচনার ধারাবাহিক বিন্যাসকে সাধারণ কথায় লেখাই হলো সুডো কোড। এটি অনেক প্রোগ্রাম লেখার মতোই। সুডো কোডকে অনেকে অ্যালগরিদমের বিকল্প বলে থাকেন।

Pseudocode is an artificial and informal language that helps programmers develop algorithms. Pseudocode is a "text-based" detail (algorithmic) design tool.
The rules of Pseudocode are reasonably straightforward. All statements showing "dependency" are to be indented. These include while, do, for, if, switch. The examples below will illustrate this notion.

Example:
If a student's grade is greater than or equal to 60
Print "passed"
else
Print "failed"

Source: University of Florida (You'll find plenty of reliable resources on this on the internet.)

১,৭৮০.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. IDE
  2. Scratch
  3. C
  4. R
ব্যাখ্যা

• “IDE” প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়। IDE-এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Development Environment, যা মূলত একটি সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম, যেখানে প্রোগ্রামাররা কোড লিখতে, ডিবাগ করতে এবং এক্সিকিউট করতে পারে। এটি একটি টুল যা প্রোগ্রামিংকে সহজ এবং কার্যকর করে তোলে। অন্যদিকে, Scratch, C এবং R সবই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। Scratch হলো ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা শিক্ষার্থীদের জন্য সহজভাবে কোড শেখার উপযোগী। C হলো একটি শক্তিশালী সাধারণ উদ্দেশ্যের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। R হলো ডেটা বিশ্লেষণ ও পরিসংখ্যানিক কাজের জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। তাই IDE প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৭৮১.
সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল তৈরি করে কোনটি?
  1. Assembler
  2. Compiler
  3. Interpreter
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:
১. কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।

২. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।
- এ ভাষার প্রত্যেকটি নির্দেশকে অ্যাসেম্বলার মেশিন ভাষার একটি নির্দেশে পরিণত করে।

৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
- ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৮২.
JSON প্রধানত কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়?
  1. ইমেজ তৈরি করা
  2. প্রোগ্রামিং অ্যালগরিদম লেখা
  3. ওয়েবসাইট সাজানো
  4. ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়।

JSON (JavaScript Object Notation) একটি হালকা ও সহজবোধ্য ফরম্যাট যা ডেটা সংরক্ষণ এবং বিনিময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত মানুষের পঠনযোগ্য এবং যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষা সহজে বুঝতে পারে। JSON-এর মাধ্যমে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, সার্ভার এবং ক্লায়েন্টের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। যেমন, একটি ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারীর তথ্য, সেটিংস বা অন্যান্য ডেটা সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টে পাঠানোর জন্য JSON ব্যবহার করা হয়। এর সরল গঠন এবং সাধারণ সিনট্যাক্সের কারণে এটি XML-এর বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছে। JSON-এর ডেটা সাধারণত কী-মান (key-value) জোড়া আকারে থাকে।

• JSON:
- JSON (JavaScript Object Notation) হলো একটি হালকা-ওজনের ডাটা বিনিময় ফরম্যাট যা মানুষ ও মেশিন দ্বারা সহজে পড়া এবং লেখা যায়।
- এটি সাধারণত ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং সার্ভারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• JSON এর বৈশিষ্ট্য:
- সহজ পাঠযোগ্য: JSON ফরম্যাটটি সহজে পাঠযোগ্য এবং লেখার জন্য মানুষের পক্ষে সহজ।
- টেক্সট বেসড: JSON কাঁচা টেক্সট হিসেবে থাকে, যা যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষায় ব্যবহার করা যায়।
- ডাটা স্ট্রাকচার: JSON ডাটা স্ট্রাকচার সাধারণত কী: মান এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।

JSON এর সাধারণ উদাহরণ:
    {
       "নাম": "আলম",
       "বয়স": ২৫,
       "শখ": ["গান শোনা", "ভ্রমণ"]
    }
  
এখানে, "নাম", "বয়স", এবং "শখ" হল কী, এবং তাদের মান (value) হলো যথাক্রমে "আলম", ২৫ এবং একটি অ্যারে ["গান শোনা", "ভ্রমণ"]।
এভাবে, JSON বিভিন্ন ধরনের ডাটা একত্রিত করতে এবং ওয়েব সার্ভিসের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৭৮৩.
Intel - 80186 __________ বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর।
  1. ৮ বিট
  2. ১৬ বিট
  3. ৩২ বিট
  4. ৬৪ বিট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।

- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।

- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:  
৪০০৪,
৪০৪০।

• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০০৮,
৮০৮০।

• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০৮৬,
৮০৮৮,
৮০১৮৬।

• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
Intel Core i3,
Core i5,
Core i7,
Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৮৪.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবন “Write once, run anywhere” ধারণাকে সম্ভব করেছে?
  1. Java
  2. Swift
  3. Python
  4. C++
ব্যাখ্যা

• “Write once, run anywhere” ধারণাটি Java প্রোগ্রামিং ভাষার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। Java ১৯৯৫ সালে Sun Microsystems দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল। এর মূল শক্তি হলো Java Virtual Machine (JVM), যা কোডকে প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষভাবে চালাতে সক্ষম করে। অর্থাৎ, একবার প্রোগ্রাম লেখা হলে তা যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে পুনরায় কম্পাইল না করেও চলতে পারে। Java এর এই বৈশিষ্ট্য সফটওয়্যার ডেভেলপারদের জন্য সময় এবং শ্রম বাঁচায়, কারণ আলাদা-আলাদা প্ল্যাটফর্মের জন্য আলাদা কোড লিখতে হয় না। এর কারণে Java ওয়েব, মোবাইল এবং এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে খুব জনপ্রিয়। তাই “Write once, run anywhere” ধারণার উদ্ভাবক হলো Java।

- উত্তর: ক) Java.

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

• Ruby:
- Ruby একটি ডাইনামিক এবং ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৭৮৫.
সিস্টেম সফটওয়্যার প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার
সিস্টেম সফটওয়্যার হচ্ছে এমন ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলোকে ব্যবহারকারীর ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে সহায়তা করে। এই সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ও ব্যবহারিক প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য কম্পিউটারের সামর্থ্যকে সার্থকভাবে নিয়োজিত রাখে। কম্পিউটারের কাজের প্রকৃতির উপযোগী করে সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। তাই বিভিন্ন প্রকারের কাজের জন্য সিস্টেম সফটওয়্যার বিভিন্ন রকমের হয়। এক ধরনের কম্পিউটারের উপযোগী করে তৈরি সফটওয়্যার পরিবর্তন করে না নিলে অন্য এক ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না৷

সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায় । যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৭৮৬.
ভাইরাসের নামকরণ করেন-
  1. অ্যালান টুরিং
  2. রবার্ট মরিস
  3. ফ্রেড কোহেন
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো 'Vital Information Resources Under Seize'.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন: বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস , মিউটেটিং ভাইরাস, স্টোন ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৮৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ক) Trojan Horse
  2. খ) Vigillant
  3. গ) Stealth
  4. ঘ) Macro
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাসের তালিকা
1. Boot Sector Virus2.
2. F1 Key Virus
3. Multipurpose Virus
4. Macro Virus
5. Companion Virus
6. Overwriting Virus
8. Trojan Horse Virus
7. Partition Virus
9. Command Purpose Virus
10. Stealth Virus
11. Memory Resident Virus
12. A.I.D.S Virus
13. De-My Valentine
14. BUDDY LST.ZIP
15. FLFBOWL.EXE
16. Perrin.Exe
17. FULFNBX. Exe
18. Irina Virus 

Vigillant হলো Anti- Virus .

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২ , ভোকেশনাল
১,৭৮৮.
মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদমে কোন প্রোগ্রামিং ভাষা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. C #
  2. Python
  3. ALGOL
  4. XML
ব্যাখ্যা
• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
• মেশিন লার্নিং (ML) অ্যালগরিদমে পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৮৯.
সার্ভারে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. ক) জাভা
  2. খ) পাইথন
  3. গ) পিএইচপি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- সার্ভারে যে সফটওয়্যার চলে, সেটা সাধারণত একটি প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে লেখা হয়।
- এসব কাজের জন্য জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা হচ্ছে পিএইচপি, পাইথন, জাভা, রুবি ইত্যাদি।
- ব্রাউজার যেই ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় এইচটিএমএল (HTML) ও সিএসএস (CSS)।
- HTML-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে হাইপার টেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ ( Hyper Text Markup Language) ।
- এটি কোন প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়।
- এর কাজ হচ্ছে কোনো তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযোগী করা।

সূত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান  
১,৭৯০.
বুট সেক্টর ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি কী ক্ষতি হতে পারে?
  1. ব্রাউজারের কুকিজ চুরি করা
  2. মজার বার্তা দেখানো
  3. ইন্টারনেটের গতি কমানো
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা
ব্যাখ্যা

• বুট সেক্টর ভাইরাস হলো এমন একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের বুট সেক্টর বা স্টার্টআপ অংশে সংক্রমণ ঘটায়। এটি মূলত কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় সক্রিয় হয় এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে নিয়ন্ত্রণ নেয়। তাই বুট সেক্টর ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করতে পারে অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করার মাধ্যমে, যার ফলে কম্পিউটার পুরোপুরি ব্যবহার অযোগ্য হয়ে যায়। অন্যান্য ক্ষতি যেমন ব্রাউজারের কুকিজ চুরি, মজার বার্তা দেখানো বা ইন্টারনেটের গতি কমানো তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই ভাইরাসের মূল লক্ষ্য হলো সিস্টেমকে বুট প্রক্রিয়ায় আঘাত করা।
- সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
 -প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা

১,৭৯১.
Prolog প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Website Devlopment
  2. খ) Data Analysis
  3. গ) Artificial Intelligence
  4. ঘ) UX/UI Design
ব্যাখ্যা
• Prolog প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ Artificial Intelligence-এ ব্যবহৃত হয়।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৭৯২.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  2. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
•অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।