ব্যাখ্যা
১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই - প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৭ / ১৮ · ১,৬০১–১,৭০০ / ১,৭৯৭
◉ "McAfee" হচ্ছে একটি সাইবার নিরাপত্তা সফটওয়্যার বা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
◉ Worm হলো এক ধরনের Self-Replicating Malware, যা ব্যবহারকারীর কোনো কাজ ছাড়াই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি ভাইরাসের মতো ফাইলের সাথে যুক্ত হয়ে ছড়ায় না।
ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।
বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
র্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
সুডােকোড:
প্রােগ্রামের ধরন ও কার্যাবলী তুলে ধরার জন্য কিছু সংখ্যক নির্দেশ বা স্টেটমেন্টের সমাহারকেই সুডােকোড বলা হয়। Pseudo অর্থ ছদ্ম। সুডোকোড অর্থ ছদ্ম-প্রােগ্রাম।
বেসিক কমান্ড:
বেসিক প্রােগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, যেমন- PRINT, LET, GOTo ইত্যাদি।
বেসিক সংরক্ষিত শব্দ:
এসব শব্দ বেসিক চলক হিসাবে ব্যবহার করা নিষেধ। যেমন- LIST, PRINT, READ ইত্যাদি।
এ্যালগরিদম:
সমস্যা সমাধানের যৌক্তিক ক্রমানুসারী বর্ণনা। এই বর্ণনার ভিত্তিতে ফ্লোচার্ট অঙ্কন করা হয়।
প্রবাহচিত্র:
এটি এ্যালগরিদমের চিত্ররূপ। এই চিত্রে প্রােগ্রামের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা দেয়া হল। ফ্লোচার্ট অনুসরন করে প্রকৃত প্রােগ্রাম রচনা করা হয়।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Firewall হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Hardware/Software) যা নেটওয়ার্কে আসা-যাওয়া করা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি মূলত একটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেম যা অননুমোদিত অ্যাক্সেস এবং সাইবার হুমকি থেকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে রক্ষা
ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্যাকেজ প্রােগ্রাম: ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানাের জন্য বেশ কিছু প্রােগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রােগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রােগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রােগ্রামকে প্যাকেজ প্রােগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রােগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলাে। যেমন
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার।
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার।
৭। ইউটিলিটিস সফটওয়্যার।
৮। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।
যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।
কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস:
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার।
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও
• FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো একটি মাপকাঠি যা কম্পিউটার বা প্রসেসরের ভগ্নাংশ সংখ্যার উপর ভিত্তি করে গণনা করতে পারার ক্ষমতা পরিমাপ করে। এটি মূলত কম্পিউটার প্রসেসরের (Processor) কার্যক্ষমতা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রসেসর যত বেশি FLOPS করতে সক্ষম, তত দ্রুত এবং জটিল গণনা করতে পারে, যেমন বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা গ্রাফিক্স প্রসেসিং। অন্যদিকে স্টোরেজ ডিভাইস তথ্য সংরক্ষণে, নেটওয়ার্ক রাউটার ডেটা স্থানান্তরে এবং অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ হলেও এগুলো FLOPS দ্বারা কার্যক্ষমতা পরিমাপের জন্য প্রযোজ্য নয়। সুতরাং, FLOPS মূলত কম্পিউটার প্রসেসরের সক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- উত্তর: খ) কম্পিউটার প্রসেসর।
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।
উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট।
• Python মূলত অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (Object-Oriented Programming, OOP) প্যাটার্ন অনুসরণ করে, যদিও এটি স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ও সমর্থন করে। Python-এ সবকিছুই অবজেক্ট হিসেবে বিবেচিত হয়, যেমন সংখ্যা, স্ট্রিং, ফাংশন বা ক্লাস। OOP-এর মূল ধারণা হলো ক্লাস ও অবজেক্ট ব্যবহার করে প্রোগ্রামকে মডুলার, পুনঃব্যবহারযোগ্য এবং সহজে রক্ষণাবেক্ষণযোগ্য করা। Python-এ আপনি ক্লাস তৈরি করে ডেটা এবং ফাংশন একত্রিত করতে পারেন, ইনহেরিটেন্স, পলিমরফিজম এবং এনক্যাপসুলেশন ব্যবহার করতে পারেন। এর পাশাপাশি, Python স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং প্যাটার্নও ব্যবহার করতে দেয় যেখানে কোডকে ফাংশন এবং লজিকাল ব্লকে ভাগ করা হয়। তাই Python মূলত OOP ভিত্তিক, কিন্তু নমনীয়তার কারণে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ধরণ সমর্থন করে।
- উত্তর: গ) অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং।
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডেটাও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, একে বলা হয় অবজেক্ট।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ ট্রোজান হর্স একটি ধরনের ম্যালওয়্যার, যা ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে নিজেকে একটি নিরীহ বা উপকারী প্রোগ্রাম হিসেবে উপস্থাপন করে। ট্রোজান হর্সের নামকরণ করা হয়েছে গ্রিক পুরাণের ট্রোজান যুদ্ধের কাহিনী থেকে, যেখানে একটি কাঠের ঘোড়ার ভিতরে সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল।
ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা। এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.
তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
অ্যাপ্লিকেশন সফটোয়ারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
Spread Sheet: শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা। গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্প্রেডশিট বলা হয়।
উল্লেখযোগ্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রামসমূহ হলো - মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রো প্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপার ক্যাল্ক ইত্যাদি।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধনের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং(Debugging) বলা হয়।
• প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন(Program Implementation):
- পরিকল্পনা অনুযায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের সকল কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন ধাপ শুরু হয়।
- এই ধাপে প্রোগ্রাম কোডিং করার পর প্রোগ্রাম রান করা হয়।
- প্রোগ্রাম রান করার মাধ্যমে ভুল বা ত্রুটি আছে কি না তা যাচাই করা হয়।
- এই পর্যায়ে মূলত প্রোগ্রাম টেস্টিং ও ডিবাগিং করা হয়।
• প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ:
- প্রোগ্রাম টেস্টিং(Program Testing)
- প্রোগ্রাম ডিবাগিং(Program Debugging)
• বাগ ও ডিবাগিং:
- প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটিকে বাগ(Bug) বলা হয়।
- প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধনের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং(Debugging) বলা হয়।
• লজিক্যাল ভুল(Logical Error):
- যুক্তিগত বা লজিক্যাল ভুল সংশোধন করা তুলনামূলকভাবে কঠিন।
- কারণ লজিক্যাল ভুল হলে কম্পিউটার সাধারণত কোনো ত্রুটি বার্তা প্রদর্শন করে না।
- লজিক্যাল ভুল নির্ণয়ের জন্য প্রথমে কিছু নির্দিষ্ট ইনপুট ডেটা নিয়ে হাতে-কলমে ফলাফল বের করা হয়।
- এরপর একই ডেটা প্রোগ্রামে ইনপুট দিয়ে আউটপুট মিলিয়ে দেখা হয়।
- এ পদ্ধতিকে প্রোগ্রাম টেস্টিং বলা হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- Coding: প্রোগ্রামের নির্দেশনা লেখার প্রক্রিয়া।
- Testing: প্রোগ্রামে ভুল আছে কি না তা যাচাই করার প্রক্রিয়া।
- Compiling: সোর্স প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করার প্রক্রিয়া।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• সঠিক উত্তর হলো — গ) মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট।
- মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো এমন সফটওয়্যার যা টেক্সট, ছবি, অডিও, ভিডিও এবং অ্যানিমেশন একসাথে ব্যবহার করে তথ্য উপস্থাপন করতে পারে।
- মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট মূলত প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, যেখানে ব্যবহারকারী ছবি, ভিডিও, অডিও, অ্যানিমেশন যুক্ত করে মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপন তৈরি করতে পারেন।
অন্যদিকে,
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড: ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, মূলত টেক্সটের জন্য।
- মাইক্রোসফট এক্সেল: স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, ডেটা বিশ্লেষণ ও হিসাবের জন্য।
- মাইক্রোসফট এক্সেস: ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
- তাই মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট (গ)।
• মাল্টিমিডিয়া:
- মাল্টিমিডিয়া হচ্ছে একটি যোগাযোগ এর মাধ্যম। যেখানে বিভিন্ন প্রকার বিষয় বস্তু গুলো যেমন- টেক্সট, অডিও, ইমেজ, অ্যানিমেশন কিংবা ভিডিও ইত্যাদি গুলোকে একত্রিত করে বা একসাথে করে একক ইন্টারেক্টিভ প্রেজেন্টেশন তৈরি করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- স্প্রেডশীট প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভার্চুয়াল বাস্তবতা তৈরি করা সম্ভব নয়; এটি ডেটা সম্পাদনা, স্বয়ংক্রিয় হিসাব এবং প্রতিবেদন তৈরির মতো কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম:
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়।
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন- অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে।
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে।
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
এম এস ওয়ার্ড - ওয়ার্ড প্রসেসসিং সফটওয়্যার
উইন্ডোজ - অপারেটিং সিস্টেম
এম এস এক্সেল - স্প্রেডশিট
অটোক্যাড - নকশা ও ডিজাইন তৈরির সফটওয়্যার
• Worm হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা নিজে থেকে অনুকরণ করতে এবং সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। এটি কোনো হোস্ট প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত না থেকেও স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারে। Worm সাধারণত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত বিস্তার লাভ করে এবং কম্পিউটারের ফাইল বা সিস্টেমকে ক্ষতি করতে পারে। Browser বা Antivirus নিজে থেকে ম্যালওয়্যার নয়; Browser হলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সফটওয়্যার, আর Antivirus হলো সিস্টেমকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার প্রোগ্রাম। Firewall হলো সিস্টেমের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। তাই নিজে থেকে অনুকরণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার হলো Worm.
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Python হলো সেই প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত ইন্টারপ্রেটার ব্যবহার করে এক্সিকিউট করা হয়।
- Fortran, C, এবং Assembly: এই ভাষাগুলো প্রধানত কম্পাইল্ড ভাষা (Compiled Languages)।
- এই ভাষাগুলোতে কোড চালানোর আগে সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একবারেই মেশিন কোডে রূপান্তর করার জন্য একটি কম্পাইলার (বা অ্যাসেম্বলির ক্ষেত্রে অ্যাসেম্বলার) ব্যবহার করা হয়।
• অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস (সোর্স) প্রোগ্রামকে বস্তু (অবজেক্ট) প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-
১. কম্পাইলার (Compiler),
২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter),
৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler)।
১। কম্পাইলার (Compiler):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলা হয়।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- কম্পাইলার যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে, তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে একসাথে তা জানিয়ে দেয়।
- সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল। তবে কম্পাইল করার পর প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- ভিন্ন ভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার থাকে।
- যেমন- সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++, Erlang, Haskell, Rust, Go ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।
২। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- একটি লাইন নির্বাহ শেষ হলে ইন্টারপ্রেটার একইভাবে সোর্স প্রোগ্রামের পরবর্তী লাইনে গিয়ে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে তা নির্বাহ করে।
- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রাম নির্বাহ (রান) করার সময় প্রোগ্রামের ভুল দেখা ও সংশোধন করার সুযোগ দেয়।
- একটি একটি লাইন করে অনুবাদ করে বিধায় এতে তুলনামূলকভাবে সময় বেশি লাগে।
ইন্টারপ্রেটার ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- PHP, Ruby, Python, and JavaScript.
৩। অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
-এটি সব ডেটা ও নির্দেশ প্রধান মেমোরিতে রাখে এবং প্রোগ্রামের কোথাও কোনো ভুল থাকলে এরর মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেয়।
- উদাহরণ: GAS, GNU assemblers.
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। freeCodeCamp website (link).
• ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটারের এমন একটি প্রোগ্রাম যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে এবং সেটিকে চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে। এটি সাধারণত স্থায়ীভাবে (ROM বা Flash memory-তে) সংরক্ষিত থাকে এবং ব্যবহারকারী সাধারণভাবে পরিবর্তন করতে পারে না। ফার্মওয়্যার হার্ডওয়্যারের কার্যকারিতা ঠিকমতো সম্পন্ন করতে সাহায্য করে, যেমন প্রিন্টার, রাউটার বা মোবাইল ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ। এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম বা ড্রাইভের মতো সফটওয়্যার নয়, বরং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যবর্তী সংযোগের ভূমিকা পালন করে। সুতরাং, ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা।
ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরির সময় তাকে পরিচালনা করার জন্য স্থায়ীভাবে রাখা দরকার এমন সব নির্দেশ কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্থায়ীভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে দেয় যাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এটি একটি স্থায়ী সফটওয়্যার।
- ফার্মওয়্যার প্রোগ্রামসমূহ ব্যবহার করা যায় তবে মুছে ফেলা যায় না বা কোন রকম পরিবর্তন করা যায় না।
- কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সংযাগ দেয়ার পর ফার্মওয়্যার প্রোগ্রাম সর্বাগ্রে সক্রিয় হয়ে অন্যান্য সফটওয়্যারকে কার্যপোযোগী করার জন্য প্রধান মেমোরিতে লোড করে।
যেমন: ROM, BIOS একটি ফার্মওয়্যার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• কম্পিউটার কেবলমাত্র মেশিন ভাষার বাইনারি নির্দেশনাই সরাসরি বুঝে ও কার্যনির্বাহ করতে পারে।
- C একটি উচ্চস্তরের ভাষা; কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে না।
- জাভা ভার্চুয়াল মেশিন ও অনুবাদকের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তরিত হয়।
- পাইথন ইন্টারপ্রেটেড উচ্চস্তরের ভাষা; সরাসরি মেশিন ভাষা নয়।
• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্নস্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকেই মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের মৌলিক ও প্রাথমিক ভাষা।
• লেখার পদ্ধতি:
- মেশিন ভাষায় সকল নির্দেশনা বাইনারি সংখ্যা (০, ১), অথবা কখনো হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি, ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয়।
• বোঝার সক্ষমতা:
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই সরাসরি বুঝতে পারে।
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হলে, কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদক (Translator), এর মাধ্যমে সেটিকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করা হয়।
• অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহ:
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া–প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিন ভাষার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
• জটিলতা ও বৈশিষ্ট্য:
- শুধুমাত্র ০ ও ১ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত জটিল ও শ্রমসাধ্য, হওয়ায় এই ভাষাকে লো-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ (Low-level Language) বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো সেই প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান ও অন্যান্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। এখানে প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে Trend Micro, Windows Defender এবং Norton সবই এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। এগুলো ডিভাইসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু WinRAR হলো একটি ফাইল আর্কাইভিং সফটওয়্যার, যা ফাইল কমপ্রেস ও এক্সট্র্যাক্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ধরনের ভাইরাস সনাক্তকরণ বা সুরক্ষা প্রদান করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) WinRAR।
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
• একটি সমস্যা সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ অনুসরণের পদ্ধতিকে অ্যালগরিদম বলা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা ধারা, যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা সমস্যার সমাধান করার জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেয়। অ্যালগরিদম শুধু প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে নয়, দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার সমাধানেও ব্যবহার করা যায়। যেমন, রেসিপি অনুযায়ী খাবার বানানো বা কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য ধাপগুলো অনুসরণ করা—এগুলোও অ্যালগরিদমের উদাহরণ। অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি সুনির্দিষ্ট, সীমিত এবং কার্যকর হওয়া। সুতরাং, সমস্যার সমাধানে ধাপে ধাপে পরিকল্পিত এবং সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি হলো অ্যালগরিদম।
- সঠিক উত্তর: গ) অ্যালগরিদম।
• অ্যালগরিদম:
- কোন একটি সমস্যা সমাধানের জন্য কতকগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হয়।
- অ্যালগরিদম অর্থ ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধান।
- যে পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে কোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান করা হয় তাকে অ্যালগরিদম বলা হয়।
- অ্যালগরিদম হচ্ছে একটি প্রোগ্রামের পরিকল্পনা ও যৌক্তিক বিন্যাসের লিখিত বর্ণনা।
• অ্যালগরিদমের বৈশিষ্ট্য:
১. অ্যালগরিদমে শূন্য, এক বা একাধিক ইনপুট থাকে।
২. কমপক্ষে একটি আউটপুট থাকে।
৩. প্রত্যেকটি ধাপ স্পষ্ট থাকে।
৪. অ্যালগরিদম সহজবোধ্য।
৫. নির্দিষ্ট সংখ্যক ধাপে সমস্যার সমাধান হয়।
৬. একে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
PYTHON একটি বস্তু-সংশ্লিষ্ট উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। ১৯৯১ সালে গিডো ভান রসম এটি প্রথম প্রকাশ করেন।
HTML: Html একটি মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ। এইচটিএমএল এর মার্ক আপ ট্যাগ সমূহ ব্যবহার করে ওয়েবপেজ এর বেসিক কাঠামো তৈরি করা হয়।
প্রকৃত অর্থে এটি কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয় বরং একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা একসারি মার্কআপ ট্যাগ এর সমন্বয় গঠিত।
COBOL: এটি একটি তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা এবং আজও প্রচলিত প্রাচীনতম প্রোগ্রামিং ভাষাগুলির একটি।
- এটির ইংরেজি নামটি Common Business-Oriented Language-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ।
PROLOG: প্রোলোগ হ'ল লজিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং গণ্য ভাষাতত্ত্বের সাথে যুক্ত. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রয়োগ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
যেমন: PROLOG, LISP, CLISP, Java, C/C++ ইত্যাদি।
উচ্চ: মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)
• Python:
- পাইথন একটি জনপ্রিয় হাই-লেভেল, অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস, মেশিন লার্নিং, এবং বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী গিডো ভ্যান রসাম (Guido van Rossum) এই ভাষাটি তৈরি করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সহজ ও সংক্ষিপ্ত, তবে এর সমৃদ্ধ স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি রয়েছে যা প্রোগ্রামিংকে আরও সহজ করে তোলে।
- দ্রুত সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য পাইথন বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
- গুগল, নাসা, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রামসহ বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলো পাইথন ব্যবহার করে।
- পাইথন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমানভাবে কার্যকর, যেমন ক্লাউড-ভিত্তিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা সায়েন্স, অটোমেশন, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)।
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ:
- C++,
- Java,
- C#,
- Python ইত্যাদি।
• ডেটা টাইপ:
- int (ইন্টিজার): পূর্ণসংখ্যা বোঝায়, যেমন 5। এটি কোনো দশমিক বা ভগ্নাংশ ছাড়া সংখ্যা ধারণ করে।
- float (ফ্লোট): দশমিক সংখ্যা বোঝায়, যেমন 5.0।
- str (স্ট্রিং): টেক্সট বা অক্ষরের মান ধারণ করে, যেমন '5' বা "Hello"।
- bool (বুলিয়ান): সত্য (True) বা মিথ্যা (False) মান প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য-
- Fortran: এটি একটি procedural programming ভাষা, OOP-নির্ভর নয়।
- C: এটি structure-based procedural ভাষা, object-oriented নয়।
- COBOL: এটি procedural business-oriented ভাষা, OOP বৈশিষ্ট্য নেই।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
◉ কোনো সফটওয়্যার তৈরি, ডিবাগ, নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য প্রোগ্রামিং সফটওয়ার ব্যবহার হয়।
প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার:
- প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার হলো একধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম অথবা এ্যাপ্লিকেশন যা সফটওয়্যার উন্নয়নকারীগণ ব্যবহার করে থাকেন।
- কোনো সফটওয়্যার তৈরি, ডিবাগ, নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ অথবা অন্য প্রোগ্রাম বা এ্যাপ্লিকেশনগুলোকে সহযোগিতা করতে এ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণ অর্থে এটি বোঝায় সাধারণ প্রোগ্রাম যা একত্র করা হয়েছে প্রদত্ত একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনার জন্য, যেমন: একজন ব্যক্তি একটি যন্ত্র দিয়ে একাধিক যন্ত্রাংশ ঠিক করতে পারে।
→ অন্যান্য অপশন সম্পর্কে আলোচনা:
• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হার্ডওয়্যারগুলোকে চালাতে সহায়তা করে, এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালানোর জন্য প্ল্যাটফর্ম গঠন করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যারের মধ্যে আছে অপারেটিং সিস্টেম, হার্ডওয়্যার ড্রাইভার ইত্যাদি। কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রোগ্রাম এবং হার্ডওয়ার এর মাঝে সমন্বয় সাধন করে।
- ব্যবহারকারীর দেয়া বিভিন্ন নির্দেশনা অনুযায়ী হার্ডওয়ারকে পরিচালনা করে।
• এপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার এ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা ব্যবহারকারীকে দৈনন্দিন কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- একে এ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ (app) নামে ডাকা হয়।
• ইউটিলিটি সফটওয়ার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপটিমাইজ বা কম্পিউটার এর সাথে সমন্বয় রাখার জন্য যে সফটওয়্যার ডিজাইন করা হয়েছে তাকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলে।
উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
এমএস এক্সেল কম্পিউটারের হিসাব নিকাশের প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
এমএস ওয়ার্ড যাবতীয় লেখা সম্পর্কিত প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
এমএস পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বাঁ এনিমেশন তৈরির কাজে লাগে।
• ফায়ারওয়াল মূলত নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সিস্টেম বা ডিভাইস, যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করে। ফায়ারওয়াল অনুমোদিত ট্রাফিককে অনুমতি দেয় এবং অননুমোদিত বা সন্দেহজনক ট্রাফিককে ব্লক করে। এর ফলে হ্যাকার বা ম্যালওয়্যার থেকে কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত থাকে। এছাড়াও, এটি সংবেদনশীল তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করে। ফায়ারওয়াল ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট এবং লোকাল নেটওয়ার্কে নিরাপদভাবে যোগাযোগ করতে পারে। তাই মূল উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করা।
সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করার জন্য।
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ভিবিএস/হেল্পার (VBS/Helper) হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস, যা ভিজ্যুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট (VBS) ফাইল ব্যবহার করে তৈরি হয়। এটি সাধারণত ক্ষতিকর কোড হিসেবে কাজ করে এবং সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।
• ভিবিএস/হেল্পার:
- এই ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে।
- এই ভাইরাসের মধ্যে আছে অটোক্লোজ নামে একটি ম্যাক্রো। ইনফেক্টেড ডকুমেন্টে অটোম্যাক্রো ব্যবহার করে ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে ইউজারা ম্যাক্রো কোড ভিউ বা এডিট করতে পারে না।
• Computer Virus:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।