বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন২৭,৩৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮০ / ২৭২ · ৭,৯০১৮,০০০ / ২৭,৩৪৭

৭,৯০১.
জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় কোন শহরে?
  1. সানফ্রান্সিসকো
  2. নিউ ইয়র্ক
  3. পেনসিলভেনিয়া
  4. জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (অক্টোবর, ২০২৪)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (অক্টোবর, ২০২৪)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

তথ্যসূত্র- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭,৯০২.
মেটার তথ্যানুযায়ী সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর দেশ -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
মেটার প্রতিবেদন অনুযায়ী:
- ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে - ভারতের মানুষ।
- দ্বিতীয় -- ফিলিপাইন,
- তৃতীয় -- বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিবেদন।
৭,৯০৩.
'হিজবুল্লাহ' কোন দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী?
  1. সিরিয়া
  2. লেবানন
  3. ইরান
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

• হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ একটি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী শিয়া মুসলিম সংগঠন।
- এটি লেবাননের একটি রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- ১৯৭৫ সাল থেকে ১১৯০ সাল পর্যন্ত চলা লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডস ১৯৮২ সালে হিজবুল্লাহ গঠন করে।
- সংগঠনটি মূলত ইসলামিক জাতীয়তাবাদ, ইহুদিবাদ বিরোধী ও পশ্চিমা সংস্কৃতি বিরোধী।
- মূলত ইরানের উদ্যোগেই হিজবুল্লাহ সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

⇒ হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারে প্রতিনিধিত্ব করছে।
- হিজবুল্লাহ লেবাননে একটি শক্তিশালী গ্যারিলা গ্রুপের জন্ম দিয়েছে।
- এজন্য হিজবুল্লাহকে বলা হয় 'রাষ্ট্রের ভেতরে আলাদা রাষ্ট্র'।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৭,৯০৪.
২০২৪ সালে ১৯তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. গুজরাট, ভারত
  2. বালি, ইন্দোনেশিয়া
  3. সেন্ট পিটার্সবার্গ, রাশিয়া
  4. রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
জি-২০:
- Group of 20 (G-20) হলো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান ফোরাম।
- বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- জি-২০ জোটের সদস্য: আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- স্পেন স্থায়ী অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়।
- বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮৫ শতাংশই এই জোটের দখলে।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত জি-২০ দেশগুলো।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে ১৯তম সম্মেলন জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে।

উৎস: Department of Foreign Affairs and Trade ওয়েবসাইট।
৭,৯০৫.
কত সালে NAFTA চুক্তিটি কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
NAFTA:
- NAFTA এর পূর্ণরূপ The North American Free Trade Agreement.
- এটি হলো উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- দেশগুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
- ১৯৯২ সালের ১৭ ডিসেম্বর NAFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
- ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর NAFTA চুক্তির স্থলে USMCA (The United States-Mexico-Canada Agreement) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যার কারণে NAFTA চুক্তি বর্তমানে অস্তিত্বশীল নয়।

উৎস: মার্কিন সরকারি ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৭,৯০৬.
ব্রেটন উডস সম্মেলন কত সালে আয়োজিত হয়?
  1. ১৯৪২ সাল
  2. ১৯৪৪ সাল
  3. ১৯৪৬ সাল
  4. ১৯৪৮ সাল
ব্যাখ্যা
ব্রেটন উডস সম্মেলন (Bretton Woods Conference)
- সময়: ১–২২ জুলাই, ১৯৪৪ সাল। 
- স্থান: ব্রেটন উডস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধোত্তর বিশ্বের আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলা, বিশেষ করে জার্মানি ও জাপানের সম্ভাব্য পরাজয়ের পর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৪টি রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিনিধিরা (অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে), যার মধ্যে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নও।
- আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক (IBRD): যুদ্ধপীড়িত ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সহায়তা দেওয়ার জন্য গঠিত।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF): আন্তর্জাতিক অর্থপ্রদানের অস্থায়ী ঘাটতি সামাল দেওয়া এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা।

উৎস: Britannica.
৭,৯০৭.
স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা ’’অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল’’ কোন দেশ ভিত্তিক?
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল
- অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্য ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা। 
-“অক্সফাম” নামটি ১৯৪২ সালে ব্রিটেনে প্রতিষ্ঠিত অক্সফোর্ড কমিটি  ফর ফামিন রিলিফ থেকে এসেছে। 
- ১৯৯৫ সালে একটি স্বাধীন বেসরকারি সংস্থা হিসেবে গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল ব্রিটেনে।
- অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল বেসরকারিভাবে অর্থায়িত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি বিশ্বব্যাপি দরিদ্র বা দুর্যোগ -পীড়িত সম্প্রদায়ের জন্য ত্রাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম সহায়তা করে।
- বর্তমানে ৭৯ টি দেশে এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ( মার্চ২০২৫)।

 উৎস: Oxfam International ওয়েবসাইট।
৭,৯০৮.
কোনটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়? 
  1. ধর্ম
  2. জাতি
  3. সংস্কৃতি
  4. ভাষা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশিয়া:
- দক্ষিণ এশিয়া বা দক্ষিণাঞ্চলীয় এশিয়া বলতে এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত ভারতীয় উপমহাদেশ ও তার সন্নিকটস্থ অঞ্চলকে বোঝায়।
- দক্ষিণ এশিয়া নিচের রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত: নেপাল, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা।

উল্লেখ্য,
- সংস্কৃতি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়।
- সংস্কৃতি হলো সেই জটিল সামগ্রিকতা যাতে অন্তর্গত আছে জ্ঞান, বিশ্বাস, নৈতিকতা, শিল্প, আইন, আচার এবং সমাজের একজন সদস্য হিসেবে মানুষের দ্বারা অর্জিত অন্য যেকোনো সম্ভাব্য সামর্থ্য বা অভ্যাস।
- দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সবদেশে জাতিগত দাঙ্গা বিক্ষুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
- ভাষাগত ও ধর্মগত বিরোধও রয়েছে।
- বাংলাদেশে ‘৫২’ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছে।
⇒ কেবল সাংস্কৃতিক বিরোধ ততটা উল্লেখ্য নয় এবং কখনো সাংস্কৃতিক বিপ্লবও ঘটেনি।

উৎস: i) Britannica.,
ii) প্রথমআলো।
৭,৯০৯.
রেডক্রস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৮৬১ সালে
  2. ১৮৬২ সালে
  3. ১৮৬৩ সালে
  4. ১৮৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
রেডক্রস:
- রেডক্রস এর অফিসিয়াল নাম ICRC.
- ICRC এর পূর্ণাঙ্গ রূপ International Committee of the Red Cross.
- রেডক্রস ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট।
- রেডক্রস এর সদর দপ্তর জেনেভা।
- সংস্থাটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট মির্জানা স্পোলজারিক এগার। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- ৩ বার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী প্রতিষ্ঠান রেডক্রস।
- ১৯১৭, ১৯৪৪, ১৯৬৩ সালে রেডক্রস নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র - রেডক্রস অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৯১০.
বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ হলো -
  1. আলাস্কা উপদ্বীপ
  2. ইন্দোচীন
  3. আরব উপদ্বীপ
  4. সাইবেরীয় উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
আরব উপদ্বীপ:
- বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ হলো আরব উপদ্বীপ।
- এর আয়তন ১,২৫০,০০৬ বর্গ মাইল।
- এটি এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে এবং আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি বিস্তীর্ণ আরব অঞ্চল।
- এর পূর্বদিকে আরব উপসাগর, পশ্চিমে লোহিত সাগর, উত্তর-পশ্চিমে এডেন উপসাগর, ওমান উপসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ভারত মহাসাগর অবস্থিত।
- আরব উপদ্বীদের উত্তর অংশটি খ্রিস্টপূর্ব ৫২৫-৪০০ পর্যন্ত পারস্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।
- দক্ষিণ অংশটি প্রাচীন ইয়েমেন, সাবা ও শিমার রাজত্বের অধীন ছিল।

⇒ বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ:
1. আরব উপদ্বীপ,
2. ডেকান (ভারতীয়) উপদ্বীপ,
3. ইন্দোচীন,
4. আফ্রিকার হর্ন,
5. আলাস্কা উপদ্বীপ।

উৎস: World Atlas.
৭,৯১১.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার উচ্চকক্ষ কোনটি?
  1. সিনেট
  2. অ্যাসেম্বলি
  3. হাউস অব লর্ডস
  4. হাউস অব কাউন্সিলর
ব্যাখ্যা
কংগ্রেস:
-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইনসভা হলো কংগ্রেস (Congress)।
- এটি দেশের আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান এবং একটি দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।

কংগ্রেসের দুটি কক্ষ:
১. নিম্নকক্ষ – প্রতিনিধি সভা (The House of Representatives)।
২. উচ্চকক্ষ – সিনেট (The Senate)।

প্রতিনিধি সভা (The House of Representatives):
- এটি কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ।
- আসন সংখ্যা: ৪৩৫।
- মেয়াদ: ২ বছর।

সিনেট (The Senate):
- এটি কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ।
- আসন সংখ্যা: ১০০।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৭,৯১২.
লিখিত আইন 'হেবিয়াস কোর্পাস' কোন সভ্যতার পরিচয় বহন করে?
  1. রোমান সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. মায়া সভ্যতা
  4. মিসরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
রোমানদের শ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব প্রকাশ পায় তাদের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে।
রোমান আইন লিখিত এবং অলিখিত দু‘ই ছিল।
অভিজাতদের (প্যাট্রেশিয়ান) সাথে সাধারণ নাগরিকের (প্লেবিয়ান) সংঘাতের ফলে সাধারণ মানুষের কল্যাণে আইন প্রণীত হতে থাকে।
১২টি ব্রোঞ্জ পাতে এ আইন লিখিত হয়। হেবিয়াস কোর্পাস নামে এ আইন পরিচিত ছিল।
বেসামরিক আইন, জনগণের আইন এবং আইনের নতুন বিন্যাস-এ তিনটি শাখায় রোমান আইন বিকাশ লাভ করে।
বেসামরিক আইন পালনে নাগরিকেরা বাধ্য ছিল। রোমান আ্ইনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হত।
এ আইন ছিল উদার ও মানবিক। এ আইনে বিধবা ও এতিমদের অধিকার সংরক্ষিত ছিল। 

উৎস: সিভিক এডুকেশন-১, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯১৩.
মায়া সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায় কোথায়?
  1. ক) মেক্সিকোতে
  2. খ) হন্ডুরাসে
  3. গ) বেলিজে
  4. ঘ) গুয়েতেমালাতে
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:

- মায়া সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায় মধ্য আমেরিকার বর্তমান বেলিজে।

- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা। মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- ২৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মায়া সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায়। 
- বর্তমান মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো, গুয়েতেমালা, হন্ডুরাস, এল সালভেদরের ১০০০ কিলোমিটার জুড়ে ছিল মায়া সভ্যতা।
- প্রি - ক্লাসিক্যাল পিরিয়ডে, যা ২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, মায়া সভ্যতার ধীরে ধীরে প্রসারণ ঘটতে থাকে।
- ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তারা কৃষি কাজ এবং বসতি স্থাপন শুরু করে।
-  ১৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে সেকোনুস্ক অঞ্চলে তারা বসতি স্থাপন করে।
- ২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ ছিল মায়া সভ্যতার স্বর্ণযুগ।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ,৯ মে ২০২১।
৭,৯১৪.
বুসান কোন দেশের বন্দর?
  1. চীন
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
বুসান:
দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ মহানগর ও বন্দর।
- বুসান দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে কোরিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত।
- গোরিয়ো রাজবংশের (৯৩৫–১৩৯২) সময় বুসানকে পুসানপো বলা হতো।
- নামের অর্থ:পু (pu): কেটলি, সান (san): পাহাড়, পো (p’o): উপসাগর বা বন্দর।
- এই নামকরণটি শহরের পাদদেশে অবস্থিত পাহাড়ের আকৃতি নির্দেশ করে।
- বুসান দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় বন্দর এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।
- এটি একটি মহানগর শহর হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এর প্রশাসনিক মর্যাদা একটি প্রদেশের সমান।
- বুসান তার অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক গুরুত্বের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: britannica.
৭,৯১৫.
ব্রিটিশ উপনিবেশ না থেকেও কমনওয়েলথের সদস্য দেশ-  [আগস্ট, ২০২৫]
  1. মোজাম্বিক
  2. কানাডা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ গঠনের ধারণা নেওয়া  হয় ১৯২৬ সালে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- কমনওয়েলথ দেশগুলির মধ্যে জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশী ভারতের। [আগস্ট, ২০২৫]
- কমনওয়েলথ দেশগুলির মধ্যে আয়তনের ভিত্তিতে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ কানাডা।
- ব্রিটিশ  উপনিবেশে না থেকে কমনওয়েলথ সদস্য দেশসমূহ যথা- মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, গ্যাবন ও টোগো।
- পাকিস্তান ১৯৭২ সালে ত্যাগ করে  আবার ১৯৮৯ সালে যোগ দেয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৬১ সালে ত্যাগ করে ১৯৯৪ সালে যোগ দেয়।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য -৫৬টি।[আগস্ট, ২০২৫]
- কমনওয়েলথ এর ৫৫ তম দেশ: গ্যাবন।
- কমনওয়েলথ এর ৫৬ তম দেশ: টোগো।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।

উল্লেখ্য, 
- ২০২২ সালে, আফ্রিকার দুটি দেশ গ্যাবন ও টোগো Commonwealth-এ নতুন সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- এই দেশ দুটির সদস্যপদ দেওয়া হয় রুয়ান্ডা সম্মেলনে, ২০২২ সালে।

উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট। [ লিঙ্ক]
৭,৯১৬.
ATACMS কোন দেশের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. তুরস্ক
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
ATACMS (এটিএসিএমএস) ক্ষেপণাস্ত্র:
- ATACMS-এর পূর্ণরূপ: The Army Tactical Missile System.
- Army Tactical Missile System (ATACMS) ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি।
- লকহিড মার্টিন কোম্পানি এটি তৈরি করেছে।

⇒ এটি মার্কিন সেনাবাহিনী এবং তার মিত্রদের দ্বারা ব্যবহার করা হয়।
- ATACMS ক্ষেপণাস্ত্রের মূল উদ্দেশ্য হল দীর্ঘপাল্লার আক্রমণ, বিশেষ করে প্রতিপক্ষের স্থলভিত্তিক লক্ষ্যবস্তু, যেমন সেনা ঘাঁটি, সরবরাহ লাইন এবং রাডার সিস্টেম আক্রমণ করা।
- এটি লোকেটেড সিস্টেম (Lance missile system) এর বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি উচ্চতর স্বতন্ত্রতায় বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
- ATACMS ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩০০ কিলোমিটার (১৮৬ মাইল) পর্যন্ত হতে পারে এবং এটি একাধিক ধরনের যুদ্ধাস্ত্র বহন করতে সক্ষম।

⇒ এই ক্ষেপণাস্ত্রে দুটি ভিন্ন ধরনের ওয়ারহেডও বহন করানো যেতে পারে।
- প্রথমটি হলো শত শত ছোট বোমা ভরা একটি ক্লাস্টার ওয়ারহেড এবং দ্বিতীয়টি হলো একক ওয়ারহেড যা ২২৫ কেজি ওজনের শক্তিশালী বিস্ফোরক ভরা বোমা, যা বৃহত্তর কাঠামো ধ্বংস করতে ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে প্রথম এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪ প্রথমবারের মতো ইউক্রেইনকে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরবরাহ করা দূর পাল্লার এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। এটি বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্টের এক বড় নীতিগত পরিবর্তন।
- ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কয়েক মাস ধরে এটিএসিএমএস নামক এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন, যাতে কিয়েভ তার নিজ সীমান্তের বাইরে হামলা করতে পারে।

উৎস: BBC.
৭,৯১৭.
বাংলাদেশের রামসার সাইট কোনটি?
  1. ক) চলনবিল
  2. খ) হাকালুকি হাওর
  3. গ) রাতারগুল
  4. ঘ) টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়। এটি ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর কার্যকর হয়।
তবে এটি হলাে wetlands (জলাভূমি) এর সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সমঝােতা চুক্তি।
বর্তমানে রামসার তালিকায় আছে প্রায় দুই হাজারের বেশি Wetland বা রামসার সাইট। সবচেয়ে বেশি আছে যুক্তরাজ্যে প্রায় ১৭০টি এবং সবচেয়ে বড় রামসার সাইট রয়েছে বলিভিয়াতে। যার আয়তন ১ লক্ষ ৪০ হাজার বর্গ কিলােমিটার।
বাংলাদেশের রামসার সাইট ২ টি।
যথা- ১. সুন্দরবন, ২. টাঙ্গুয়ার হাওর।
৭,৯১৮.
আন্তজার্তিক আনবিক সংস্থায় সর্বশেষ অংশগ্রহণকারী দেশ কোনটি ?
  1. ক) টোঙ্গা
  2. খ) ভানুয়াতো
  3. গ) উগান্ডা
  4. ঘ) পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
• আন্তজার্তিক আনবিক সংস্থা (IAEA)
• বিশ্বে পরমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার এবং সামরিক উদ্দেশ্যে এর ব্যবহার রোধকল্পে কাজ করে থাকে।
 • এই সংস্থাটি ১৯৫৭ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত।
• সদস্য দেশ: ১৭৫ টি 
• সর্বশেষ সদস্য দেশ: সেইন্ট কিটস এন্ড নেভিস ও টোঙ্গা ( ২০২২)।

তথ্যসূত্র:   LIVE MCQ  ডাইনামিক প্যানেল ।
৭,৯১৯.
নিচের কোনটি পূর্ব ইউরোপের দেশ?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. নরওয়ে
  5. মলদোভা
ব্যাখ্যা
⇒ পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

⇒ উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৭,৯২০.
জার্মানিতে হিটলারের শাসনকাল কি নামে পরিচিত?
  1. ক) First Reich
  2. খ) Second Reich
  3. গ) Third Reich
  4. ঘ) Fourth Reich
ব্যাখ্যা
Third Reich, official Nazi designation for the regime in Germany from January 1933 to May 1945, as the presumed successor of the medieval and early modern Holy Roman Empire of 800 to 1806 (the First Reich) and the German Empire of 1871 to 1918 (the Second Reich).
Source: britannica.com
৭,৯২১.
ইনকা সভ্যতার স্থপতি কে?
  1. তিসি ভিরাকাসো
  2. মামা রুয়া
  3. হেদেই আন্তো
  4. মানকো কাপেন
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৭,৯২২.
ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. জেনেভা চুক্তি
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- ১৯৭৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ভিয়েতনাম যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো।
- এই চুক্তির ফলে রক্তক্ষয়ী ভিয়েতনাম ‍যুদ্ধের অবসান হয়।

অন্যদিকে,
- জেনেভা চুক্তির (১৯৫৪ সালের ২০ জুলাই) মাধ্যমে ভিয়েতনাম দুভাগে বিভক্ত হয়।
- ১৬৪৮ সালে ইউরোপীয় শক্তিসমূহের মধ্যে শান্তি স্থাপনে ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: বিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৭,৯২৩.
ফকল্যান্ড যুদ্ধের পক্ষসমূহ-
  1. ক) ফ্রান্স ও আর্মেনিয়া
  2. খ) আর্জেন্টিনা ও তুরস্ক
  3. গ) যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটিত হয়- ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে।
- শেষ হয়- ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে।
- পক্ষসমুহ: যুক্তরাজ্য ও আজের্ন্টিনা।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান- পকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ  দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল- যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার  তৎকালাীন সামরিক সরকার দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপে আক্রমণ করে দখল করে নেয়।
- ব্রিটিশ তৎকালাীন প্রধানমন্ত্রী আজেন্টিনার উপর সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
- সকল নৌযুদ্ধে হেরে আর্জেন্টিনা ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে আত্মসর্মপনে সম্মত হয় । এর ফলে ঐসকল দ্বীপে আবার ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে ১৯৮৩ সালে আজের্ন্টিনায় সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৭,৯২৪.
কোনো সমস্যা সমাধানে সুশীল সমাজের উদ্যোগকে কী ধরনের কূটনীতি বলা হয়?
  1. পাবলিক কূটনীতি
  2. ট্র্যাক টু কূটনীতি
  3. ট্র্যাক ওয়ান কূটনীতি
  4. মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি
ব্যাখ্যা
ট্র্যাক টু কূটনীতি:

• কূটনীতি শব্দটি ফরাসি ভাষার।
• ট্র্যাক টু কূটনীতি বলতে বোঝায় একদেশের সুশীল সমাজ বা মিডিয়া তথা কোনো সমস্যা সমাধানে প্রভাব ফেলে তাকে। 
• ট্র্যাক টু কূটনীতির ধারণাটি ১৯৭০ দশকে উদ্ভূত হয়েছিল। 
• ১৯৮১ সালে ফরেন পলিসির সহ-লেখক উইলিয়াম ডি. ডেভিডসন এবং জোসেফ ভি. মন্টভিল সর্ব প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ট্র্যাক II কূটনীতিকে ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি ও বলা হয়ে থাকে।
• বিশ্বের যে কোন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে ট্র্যাক টু কূটনীতি বলা হয়।
• যেমন - রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি গ্রহন।
• কোন সরকারের পক্ষে বা সরকারের জন্য অন্যদেশের নীতি নির্ধারনের উপর দাতা গোষ্ঠির প্রভাবকে ট্র্যাক থ্রী কূটনীতি বলে।
• পাবলিক কূটনীতি: বিদেশী জনসাধারণের সাথে সরাসরি যোগাযোগের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকার স্পন্সরকৃত প্রচেষ্টা।
• একইসাথে বিভিন্নমুখী কূটনৈতিক উদ্যোগকে বিভিন্ন ট্র্যাকে একই সঙ্গে চালিয়ে যাওয়া হয়, তাকে মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি বলে

উৎস: ব্রিটিনিকা, mecouncil.org & ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,৯২৫.
'পার্লামেন্টের জননী' বলা হয় -
  1. ক) ফ্রান্সের সংসদকে
  2. খ) নাইরোবির সংসদকে
  3. গ) যুক্তরাজ্যের সংসদকে
  4. ঘ) নিউজিল্যান্ডের সংসদকে
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টকে “পার্লামেন্টের জননী” (Mother of Parliaments) বলা হয় ।

• পার্লামেন্ট:

- যুক্তরাজ্য বা গ্রেট ব্রিটেনের আইন সভার নাম পার্লামেন্ট।
- এটি গ্রেট ব্রিটেনের আইন প্রণয়ন সম্পর্কিত কার্যক্রমের সর্বোচচ সংস্থা। 
- রাজা বা রানী এবং পার্লামেন্টের দু'টি কক্ষ - হাউস অব লর্ডস (House of Lords)এবং হাউস অব কমন্স (House of Commons) কে নিয়ে এই পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছে। 
- এ পার্লামেন্ট সুদীর্ঘকাল ধরে প্রথা পদ্ধতির মাধ্যমে নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিকাশ লাভ করেছে। 
- আধুনিক বিশ্বের অনেক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের আইন সভা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অনুকরণে গড়ে উঠেছে।

এছাড়াও,
- রাশিয়ার পার্লামেন্ট - ফেডারেল এসেম্বলি।
- জাপানের পার্লামেন্ট - ডায়েট। 
- ডেনমার্কের পার্লামেন্ট - ফোকেটিং।
- যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট - কংগ্রেস।
 
উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : বৈদেশিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
৭,৯২৬.
মারাকাইবো হ্রদ কোথায় অবস্থিত?
  1. বলিভিয়া
  2. চিলি
  3. ব্রাজিল
  4. ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা

ভেনিজুয়েলা:
- ভেনিজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অবস্থিত।
- ভেনিজুয়েলার উত্তরে ক্যারিবিয়ান সাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর, পূর্বে গায়ানা, দক্ষিণে ব্রাজিল এবং দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিমে কলম্বিয়া দ্বারা বেষ্টিত।
- রাষ্ট্রীয় নাম: বলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনিজুয়েলা।
- রাজধানী: কারাকাস।
- মারাকাইবো হ্রদ ভেনিজুয়েলাতে অবস্থিত।
- ভেনিজুয়েলার অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।

উল্লেখ্য, 
- টিটিকাকা হ্রদ পেরু এবং বলিভিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ।

উৎস: Britannica.

৭,৯২৭.
OECD এর বর্তমান সদস্য কতটি?
  1. ক) ৩৬টি
  2. খ) ৩৭টি
  3. গ) ৩৮টি
  4. ঘ) ৪১টি
ব্যাখ্যা
OECD (Organisations for Economic Co-operation and Development) ১৯৬১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির সদরদপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।

বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩৮টি। সর্বশেষ সদস্য কোস্টারিকা (২৫ মে ২০২১)

OECD সংস্থার উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন তরান্বিত করা।

(তথ্যসূত্র: OECD ওয়েবসাইট)
৭,৯২৮.
NATO গঠনের প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়ন কোন সামরিক জোট গঠন করে?
  1. ওয়ারশ প্যাক্ট
  2. বার্লিন প্যাক্ট
  3. ব্রাসেলস প্যাক্ট
  4. ওয়াশিংটন প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- NATO গঠনের প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়ন সামরিক জোট ওয়ারশ প্যাক্ট গঠন করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়।

⇒ NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

উৎস: i) Britannica.
ii) NATO ওয়েবসাইট।
৭,৯২৯.
সার্ক শক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নয়াদিল্লি
  2. খ) কাঠমুন্ডু
  3. গ) ইসলামাবাদ
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
সার্কের বিভিন্ন আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহ:
- সার্ক কৃষি সেন্টার : ঢাকা (১৯৮৯)
- সার্ক শক্তি কেন্দ্র : ইসলামাবাদ (২০০৬)
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র : কলম্বো (২০০৯)
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস কেন্দ্র : কাঠমুণ্ডু (১৯৯২)
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র : গুজরাট, ভারত (পুনর্গঠিত-২০১৬)
- সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় : নয়াদিল্লি (২০০৭)
- সার্ক ডেভেলপমেন্ট ফান্ড : থিম্পু, ভুটান (২০১০)

(তথ্যসূত্র: SAARC ওয়েবসাইট)
৭,৯৩০.
কার্টাগেনা প্রটোকল কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

৭,৯৩১.
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC) কার্যকর হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৩
  2. ১৯৯৭
  3. ১৯৯৫
  4. ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
• রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC): 
- রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ এবং ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন (রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বা CWC),
-  কনভেনশনটি একটি প্রস্তাবনা, 24টি অনুচ্ছেদ এবং 3টি পরিশিষ্ট নিয়ে গঠিত - রাসায়নিক দ্রব্যের পরিশিষ্ট, যাচাইকরণ পরিশিষ্ট এবং গোপনীয়তা পরিশিষ্ট।
• কনভেনশনটি ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
• কার্যকর হওয়ার তারিখ ২৯ এপ্রিল ১৯৯৭।
- এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ শ্রেণির গণবিধ্বংসী অস্ত্র নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করে

উল্লেখ্য,
• রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করার প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তিটি ১৬৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ট্রাসবার্গে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যেখানে বিষ বুলেটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: opcw website.
৭,৯৩২.
‘At Night All Blood Is Black’ উপন্যাসটির লেখক কে?
  1. কার্ল মার্কস
  2. জে কে রাউলিং
  3. ডেভিড দিওপ
  4. জর্জি গোসপোদিনভ
ব্যাখ্যা
At Night All Blood Is Black:
- ‘At Night All Blood Is Black’ উপন্যাসটির লেখক ডেভিড দিওপ।

উল্লেখ্য,
- ডেভিড ডিওপ একজন ফরাসি লেখক।
- তিনি তার দ্বিতীয় উপন্যাস 'At Night All Blood Is Black'-এর জন্য বুকার পুরস্কার পেয়েছিলেন।
- তিনিই প্রথম ফরাসি লেখক যিনি এই পুরস্কার পেলেন।
- তার প্রপিতামহের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতাই হলো এই উপন্যাসের ভিত্তি।

অন্যদিকে,
- Time Shelter উপন্যাসের লেখক জর্জি গোসপোদিনভ।
- ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের লেখক হলেন জে কে রাউলিং।
- কার্ল মার্কস-এর উল্লেখযোগ্য বই: The Communist Manifesto, Das Kapital.

উৎস: জুন ২০, ২০২১, The Guardian.
৭,৯৩৩.
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক  প্রটোকল কোনটি?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. নাগোয়া প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
নাগোয়া প্রোটোকল:
- প্রোটোকল টি জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি যাজেনেটিক রিসোর্সেস অ্যাক্সেস এবং তাদের ব্যবহার থেকে উদ্ভত  সুবিধার ন্যায্য ও ন্যায্য বণ্টন সম্পর্কিত।
- প্রটোকলটি  ১৯৯২ সালের  Convention on Biological Diversity বাস্তবায়নে স্বাক্ষরিত হয়।
-  নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
 - ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
- প্রটোকলটির লক্ষ- বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- ওজনস্তর ক্ষয়কারী বস্তু সামগ্রী উৎপাদন, বিপণন এবং ব্যবহার বন্ধ বিষয়ক প্রটোকল।
- কানাডার মন্ট্রিলে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষর ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭।
- কার্যকর ০১ জানুয়ারি ১৯৮৯।
 
কিয়োটো প্রটোকল:
 - বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ বিষয়ক প্রটোকল।
- জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে স্বাক্ষরিত হয়।
- গৃহীত হয় ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৭

কার্টাগেনা  প্রটোকল:

- জৈব জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয় কানাডার মন্ট্রিল।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ২০০৪ সালে। 
- সদস্য সংখ্যা: ১৭৩টি ।
- সর্বশেষ অনুমোদন কারী দেশ- সিয়েরা লিওন ( ১৫ জুন ২০২০)

উৎস
: CBD. UNFCC. Britannica.
৭,৯৩৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের D-Day অভিযানে কোন তিনটি দেশ প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স
  2. জার্মানি, ইতালি, জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন
ব্যাখ্যা
→ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের D-Day অভিযানে  যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা এই তিনটি দেশ প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল।

D-Day:
- D-Day ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন, যা ৬ জুন ১৯৪৪ সালে ঘটেছিল।
- এই দিনে মিত্রবাহিনী (যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা) ফ্রান্সের নরম্যান্ডি সৈকতে জার্মান বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়।
- অপারেশন ওভারলর্ড নামে পরিচিত এই অভিযানে প্রায় ১,৩৫,০০০ সৈন্য অংশ নেয়।
- মিত্রবাহিনী এমন একটি জায়গা খুঁজছিল, যেখানে সমুদ্রপথ ছোট, বিমান সহায়তা সম্ভব, এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর থাকবে। তাই তারা নরম্যান্ডি নির্বাচন করে।
- জার্মানি "অ্যাটলান্টিক ওয়াল" নামে এক বিশাল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল, যাতে বাঙ্কার, কামান ও পর্যবেক্ষণ পোস্ট ছিল।
- এই যুদ্ধের ফলে মিত্রবাহিনী ইউরোপে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়, যা জার্মানির পরাজয়ের শুরু ঘটায়।

তথ্যসূত্র: worldhistory.org ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৭,৯৩৫.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  2. আমুর নদী
  3. হোয়াংহো নদী
  4. মেকং নদী
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,৯৩৬.
'ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬' কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো
  2. জেনেভা, রাশিয়া, ফ্রান্স
  3. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া, ভেনিজুয়েলা
  4. কাতার, দুবাই, বাহরাইন
ব্যাখ্যা
ফিফা বিশ্বকাপ: 
- ফিফা বিশ্বকাপের ২৩ তম আসরটি অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালে। 
- কানাডা, মেক্সিকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই তিনটি দেশ একসঙ্গে ফিফা বিশ্বকাপ এর ২৩ তম আসরটি আয়োজন করবে। 
- ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ৪৮টি দল অংশগ্রহণ করবে। 

উৎস: ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৯৩৭.
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কোন ধরনের সংস্থা?
  1. শিক্ষা সংস্থা
  2. স্বাস্থ্য সংস্থা
  3. মানবাধিকার সংস্থা 
  4. বাণিজ্যিক সংস্থা
ব্যাখ্যা

• Amnesty International:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৮ মে, ১৯৬১।
- প্রতিষ্ঠাতা: ব্রিটিশ আইনজীবী পিটার বেনেনসেন।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বর্তমান মহাসচিব: অ্যাগনেস ক্যালামার্ড।
- নীতিবাক্য: "Better to light a candle than to curse the darkness" (অন্ধকারকে গালি দেওয়ার চেয়ে মোমবাতি জ্বালানো ভালো)।
- Amnesty International ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র: Amnesty International ওয়েবসাইট।

৭,৯৩৮.
'Strategic Arms Limitations Talk-1' চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
• SALT: 
- SALT বা Strategic Arms Limitation Talks বা আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে ১৯৬৯ সালে।
- আলোচনা ও চুক্তি সীমাবদ্ধ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- SALT I চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ২৬ মে।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত ব্যালিস্টিক মিসাইল লাঞ্চার, অর্থাৎ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা “ফ্রিজ করা হয়।
- যাতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে না পারে।
- আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
৭,৯৩৯.
'অগ্নি-৫' ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়-
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) চীন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- ২৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে চীনের সাথে দ্বন্দের মাঝেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি-৫ এর সফল পরীক্ষা চালায় ভারত।
- যা ৫০০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে সক্ষম।

৭,৯৪০.
সাভাক (SAVAK) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার নাম?
  1. ইসরায়েল
  2. জার্মানি
  3. ইরান
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
সাভাক (SAVAK):
- সাভাক (SAVAK) ইরানের একটি গোয়েন্দা সংস্থা ছিল।
- এটি ইরানের মোহাম্মদ রেজা শাহ'র শাসনামলে গঠিত হয় এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- যুক্তরাষ্ট্র: Central Intelligence Agency (CIA), Defense Intelligence Agency (DIA), Fairfax, Federal Bureau of Investigation (FBI)।
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- যুক্তরাজ্য: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইসরায়েল: MOSSAD, Shin Bet (Shabak), Aman.

উৎস: Britannica.
৭,৯৪১.
কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয় কোন সালে? 
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭,
- কার্যকর হয়: - ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস উদ্‌গিরণ কমানো।
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৭,৯৪২.
LUFTHANSA কি?
  1. ক) সুইজারল্যান্ডের বিমান সংস্থা
  2. খ) লিবিয়ার বিমান সংস্থা
  3. গ) স্পেনের বিমান সংস্থা
  4. ঘ) জার্মানির বিমান সংস্থা
ব্যাখ্যা
লুফথানসা জার্মান ভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিমান সংস্থা।

Source: World Atlas
৭,৯৪৩.
AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
AFTA:

- AFTA পূর্ণরূপ ASEAN Free Trade Area.
- AFTA হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংগঠন আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- ১৯৯২ সালের ২৮ জানুয়ারি চতুর্থ আসিয়ান সামিটে AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি ছয়টি দেশের সমন্বয়ে AFTA যাত্রা শুরু করে।
- AFTA এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি। এগুলো হলো,
- মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই এবং মায়ানমার।

তথ্যসূত্র - আসিয়ান অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৯৪৪.
গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত নতুন অন্তবর্তীকালীন বোর্ডের নাম কী?
  1. বোর্ড অব রিকনস্ট্রাকশন
  2. বোর্ড অব পিস ফর রিকনস্ট্রাকশন
  3. বোর্ড অব পিস
  4. বোর্ড অব স্ট্যাবিলিটি
ব্যাখ্যা

বোর্ড অব পিস:
- গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত নতুন অন্তবর্তীকালীন বোর্ডের নাম বোর্ড অব পিস।

⇒ ১১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে গাজায় মার্কিন মধ্যস্ততায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি গণহত্যার যুদ্ধ অঞ্চলজুড়ে নিহতের সবশেষ সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।
- গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত নতুন অন্তবর্তীকালীন বোর্ডের নাম বোর্ড অব পিস। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, মূলত এটি হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রধানদের বোর্ড।
- অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার জন্য ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই বোর্ড।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
- প্রস্তাবিত এই বোর্ড গাজায় চলমান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর অঞ্চলটির শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পালন করবে।
- এই উদ্যোগটি চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের (Phase II) অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ নিশ্চিত করার পর, দ্বিতীয় ধাপে গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো দাঁড় করানোই হবে মূল লক্ষ্য। সেই প্রেক্ষাপটেই ‘গাজা বোর্ড অফ পিস’ গঠনের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

উৎস: i) Reuters.
ii) Axios.

৭,৯৪৫.
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল _____ ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা।
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জাপান
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) জার্মান
ব্যাখ্যা
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বার্লিনভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা। এটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা পিটার ইজেন। এটি ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে আসছে। বাংলাদেশ প্রথম ২০০১ সালে টিআই এর দুর্নীতি ধারণা সূচক রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত হয় । তখন ৯১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো সর্বনিম্ন। স্কোর ছিল ১০ এর মধ্যে ০.৪। দুর্নীতি ধারণা সূচক - ২০১৯ এ শীর্ষদেশ ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড এবং সর্বনিম্ন দেশ সোমালিয়া। বাংলাদেশ ১৪৬তম। উৎসঃ টিআই ওয়েবসাইট।
৭,৯৪৬.
আঠারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ডের সমাজের আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনকে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ হিসেবে অভিহিত করেন কে?
  1. ক) আর্নল্ড টয়েনবি
  2. খ) গ্রান্ট পাউলি
  3. গ) জেরেমি বেন্থাম
  4. ঘ) বান্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা
- আঠারো শতকের মধ্যভাগে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের সূচনা ঘটে। এরপর তা সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
- শিপ্ল বিপ্লবের ফলে গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক সমাজ শহুরে কলকারখানা নির্ভর সমাজে পরিবর্তিত হতে থাকে। এই পরিবর্তন মানবজীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে।
- আঠারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধের ইংল্যান্ডের সমাজের এরূপ পরিবর্তনকে আর্নল্ড টয়েনবি ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৭,৯৪৭.
দুই বার ’গোল্ডেন বল’ পুরস্কার বিজয়ী একমাত্র ফুটবলারের নাম কী?
  1. ক) জিনেদিন জিদান
  2. খ) ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো
  3. গ) লিওনেল মেসি
  4. ঘ) মিরোস্লাভ ক্লোসা
ব্যাখ্যা

- দুইবার গোল্ডেন বল বিজয়ী একমাত্র ফুটবলার হলেন লিওনেল মেসি। 
- ২০১৪ এবং ২০২২ সালে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়ার নির্বাচিত হওয়ায় তিনি এই অসামান্য গৌরব অর্জন করেন। এই রেকর্ড নেই ফুটবল ইতিহাসের আর কোনো খেলোয়াড়ের।

কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২:
- গোল্ডেন বল: লিওনেল মেসি (আর্জন্টিনা)। 
- গোল্ডেন বুট: কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স)।
- গোল্ডেন গ্লাভস (টুর্নামেন্টের সেরা গোলকিপার)-এমিলিনো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা)।
- সিলভার বুট (টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ ফুটবলার)-এনজো ফার্নান্ডেজ (আর্জেন্টিনা)।

সূত্র: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও ফিফার ওয়েবসাইট। 

৭,৯৪৮.
নতুন BENELUX চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০০৮
  2. ১৭ জুন, ২০০৮
  3. ১ জানুয়ারি, ২০১২
  4. ১৭ জুন, ২০১২
ব্যাখ্যা
BENELUX:
- BENELUX-এর পূর্ণনাম: ‘Benelux Economic Union’।
- পশ্চিম ইউরোপের ৩টি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক সংগঠন বেনেলাক্স।
- ১৯৪৪ সালে ‘BENELUX’ একটি ‘customs union’ হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে যা ১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারি বাস্তবায়ন করা হয়।
- Benelux চুক্তি স্বাক্ষর: ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ১৯৬০ সাল।
- সদস্য সংখ্যা: ৩টি দেশ (বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড ও লুক্সেমবার্গ)।
- সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।

উল্লেখ্য,
- ১৭ জুন, ২০০৮ সালে একটি নতুন ‘BENELUX’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ১ জানুয়ারি, ২০১২ সালে কার্যকর করা হয়।

উৎস: BENELUX ওয়েবসাইট।
৭,৯৪৯.
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে কোন কনভেনশন গৃহীত হয়েছিল?
  1. রটারডাম
  2. রামসার
  3. জেনেভা
  4. ভিয়েনা 
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রটারডাম কনভেনশন (Rotterdam Convention on Prior Informed Consent - PIC) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রটারডাম কনভেনশন:

- রটারডাম কনভেনশন হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত চুক্তি।
- এটি বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- কনভেনশনটি গৃহীত হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে।
- গৃহীত হয়েছিল: ১০ ​​সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮।
- স্থান: নেদারল্যান্ডের রটারডামে।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- কনভেনশনের উদ্দেশ্য হলো মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পক্ষগুলির মধ্যে ভাগ করা দায়িত্ব এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রচার করা।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এ বন্ধ হয়ে যায়।

অন্যদিকে -
- ভিয়েনা কনভেনশন -এর আলোচ্য বিষয় ওজোন স্তরের সুরক্ষা। 
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।

উৎস: Rotterdam Convention ওয়েবসাইট।

৭,৯৫০.
২০২৫ সালে APEC-এর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. লিমা, পেরু
  2. কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া
  3. হ্যানয়, ভিয়েতনাম
  4. গিয়াংজু, দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

APEC-এর সর্বশেষ ও ৩৬তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫:
- এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা (APEC)-এর সর্বশেষ ও ৩৬তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর - ১ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়াংজু (Gyeongju) শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই সম্মেলনে 'একটি টেকসই আগামীকাল গড়ে তোলা' (Building a Sustainable Tomorrow) মূল থিমের অধীনে ২১টি সদস্য অর্থনীতির নেতারা বাণিজ্যিক ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন। 

উল্লেখ্য,
- APEC গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।

এছাড়াও,
- ২০২৬ সালে APEC-এর শীর্ষ সম্মেলন চীনে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: APEC ওয়েবসাইট।

৭,৯৫১.
'ট্রুথ সোশ্যাল' কোন দেশের তৈরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম?
  1. চীন
  2. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

- ফেসবুক-টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল' ।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেসবুক-টুইটার-ইউটিউবের বিকল্প হিসেবে ট্রুথ সোশ্যাল চালু করেন।
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপ (টিএমটিজি) ও একটি বিশেষ অধিগ্রহণ সংস্থা ডিজিটিল ওয়ার্ল্ড অ্যাকুইজিশন করপোরেশন (ডিডব্লিউএসি) একীভূত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি গঠন হয়।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

উৎস: চ্যানেল টুয়েন্টি ফোর।

৭,৯৫২.
'দ্য পেলোপনেসিয়ান ওয়ার' - বইটি কে লিখেছেন?
  1. হেরোডোটাস
  2. ইউরিপিদিস
  3. এসকাইলাস
  4. থুকিডাইডিস
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গ্রিসের সাহিত্য:
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং 'ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- বিয়োগান্তক নাটক রচনায় গ্রিকরা বিশেষ পারদর্শী ছিল।
- 'এসকাইলাস'কে এই ধরনের নাটকের জনক বলা হয়।
- তার রচিত বিখ্যাত দুটি নাটকের নাম 'প্রমিথিউস বাউন্ড' ও 'আগামেমন'।
- গ্রিসের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার ছিলেন সোফোক্লিস। তিনি একশটিরও বেশি নাটক রচনা করেন।
- তার বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রাজা 'অয়দিপাউস', 'আন্তিগোনে' ও 'ইলেকট্রা' অন্যতম।
- আর এক বিখ্যাত নাট্যকারের নাম ইউরিপিদিস।
- এরিস্টোফেনেসের মিলনান্তক ও ব্যঙ্গ রচনায় বিশেষ খ্যাতি ছিল।
- ইতিহাস রচনা শুরু করে গ্রিকরা।
- হেরোডোটাস প্রথম ইতিহাস রচনা শুরু করেন বলে তাঁকে ইতিহাসের জনক বলা হয়।
- তাঁর রচিত ইতিহাস সংক্রান্ত প্রথম বইটি ছিল গ্রিস ও পারস্যের মধ্যকার যুদ্ধ নিয়ে।
- থুকিডাইডিস ছিলেন বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাসের জনক।
- তাঁর বইটির শিরোনাম ছিল 'দ্য পেলোপনেসিয়ান ওয়ার'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৫৩.
ভাস্কো দা গামা কত সালে ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন?
  1. ক) ১৪৯২ সালে
  2. খ) ১৪৯৬ সালে
  3. গ) ১৪৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৪৯০ সালে
ব্যাখ্যা
পর্তুগালের রাজা প্রথম ম্যানুয়েলের পৃষ্ঠপোষকতায় পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৭ সালে ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। ১৪৯৮ সালের মে মাসে উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে তিনি ভারতের কালিকট বন্দরে পৌছান। এরপর থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে ইউরোপীয়দের আগমন শুরু হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,৯৫৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হাওয়াই দ্বীপের মার্কিন নৌঘাঁটি পার্ল হারবার আক্রমণ করে-
  1. ক) ইতালি
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জাপান, জার্মানি ও ইতালিকে একত্রে অক্ষশক্তি বলা হয়।
জাপান ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি আক্রমণ করে।
এজন্য ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭,৯৫৫.
ইউরো টানেল কোন দুইটি দেশকে যুক্ত করেছে?
  1. যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সকে
  3. ফ্রান্স ও নরওয়ে
  4. ইতালি ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ইউরো টানেল:
 - ইংলিশ চ্যানেলের তলদেশের যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে সংযুক্তকারী রেলপথ ইউরো টানেল নামে পরিচিত।
- যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সীমান্তে ইংলিশ চ্যানেলের অবস্থান।
- এই চ্যানেল দেশ দুটিকে বিভক্ত করেছে। আবার বলা যায়, ইংলিশ চ্যানেল যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে যুক্ত করেছে।
- এই চ্যানেলের জলরাশির নিচ দিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলে ট্রেন। ১৯৯৪ সালে ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথ চালু হয়। যা ইউরো টানেল নামেও পরিচিত।
- এই টানেল নির্মাণের জন্য খননকাজ শুরু হয় ১৯৮৭–৮৮ সালে। যা শেষ হয় ১৯৯১ সালে।

উৎস: Britannica.
৭,৯৫৬.
ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. প্রাবোও সুবিয়ান্তো
  2. জোকো উইদাদো
  3. জেনারেল বিরান্তো
  4. জেনারেল হাবিবি
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান একইসঙ্গে নির্বাহী প্রধান।
- প্রাবোও সুবিয়ান্তো  ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় লাভ করে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৭,৯৫৭.
কার নেতৃত্বে Non-Aligned Movement-এর প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. মার্শাল টিটো
  2. জওহরলাল নেহেরু
  3. কাওয়ামে ন্ক্রুমা
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড-এ জন্ম হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের।
- প্রথম কনফারেন্স হয় বেলগ্রেড, ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।

⇒ ন্যামের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সেই সময়কার পাঁচ বিশ্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব:
১. ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ সুকর্ণ।
২. ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।
৩. যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসিপ টিটো।
৪. মিশরের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট জামাল আবদুল নাসের।
৫. ঘানার প্রেসিডেন্ট ড. কাওয়ামে ন্ক্রুমা।

⇒ ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে যুগোস্লাভিয়ার মার্শাল জোসিপ টিটো, মিশরের জামাল আবদুল নাসের, ভারতের জওহরলাল নেহেরু , ঘানার কাওয়ামে ন্ক্রুমা এবং ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণর নেতৃত্বে Non-Aligned Movement-এর প্রথম সম্মেলন এবং অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং NAM প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- NAM-এর ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উগান্ডায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
৭,৯৫৮.
‘ড্রিম অব ডেজার্ট’ কী?
  1. একটি বইয়ের নাম
  2. আন্তর্জাতিক আর্ট ইনস্টিটিউট
  3. একটি ফিল্মের নাম
  4. একটি ট্রেনের নাম
ব্যাখ্যা
ড্রিম অব ডেজার্ট:
- আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকর্ষণ করতে ‘বিলাসবহুল রেলভ্রমণ’ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। এ প্রকল্পের প্রথম ট্রেন ‘ড্রিম অব ডেজার্ট’।
- সৌদি অ্যারাবিয়া রেলওয়েজ (এসএআর) এবং ইতালির বিলাসবহুল হোটেল কোম্পানি আর্সেনালের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে এ প্রকল্প।
- ২০২৬ সালের শেষের দিকে চালু হওয়ার কথা রয়েছে ট্রেনটির।
- চালু হলে ‘ড্রিম অব ডেজার্ট’ হবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম পাঁচ তারা ক্যাটাগরির ট্রেন।
- ড্রিম অব ডেজার্টের নকশা এবং অন্দরসজ্জা করেছেন লেবানিজ স্থপতি অ্যালিন আসমার ডি’ আম্মান।
- ট্রেনটিতে মোট ১৪টি বগি রয়েছে; আর সেসব বগিতে রয়েছে ৩৪টি বিলাসবহুল স্যুট।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,৯৫৯.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে কত সালে?
  1. ১৮৯৩ সালে
  2. ১৯০১ সালে
  3. ১৯২০ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
নারীদের ভোটাধিকারঃ
- ১৮৯৩ সালে বিশ্বে প্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। তবে সে সময় নারীরা ভোটাধিকার পেলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারতেন না।
- ১৯ মে ১৯১৯ যুক্তরাষ্ট্রের  আইনসভার নিম্নকক্ষ হাউজ অভ রেপ্রেজেন্টেটিভ্‌স এ নারীদের ভোটাধিকারের জন্য সংবিধান সংশোধন বিলটি পাশ হয়। 
- অবশেষে ১৯২০ সালে ৩৬ তম রাজ্য হিসেবে টেনিসি বিলটিতে সমর্থন করার মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠা পায় আমেরিকায় নারীদের ভোটাধিকার।
- আমেরিকার ইতিহাসে এটা ছিল ১৯ তম সংবিধান সংশোধন।

তথ্যসূত্র-ব্রিটানিকা।
৭,৯৬০.
২০২৫ সালের গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট অনুযায়ী, লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ -
  1. আইসল্যান্ড
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. নরওয়ে
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২৫:
- ২০২৫ সালের গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট অনুযায়ী, লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ আইসল্যান্ড।
- সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে পাকিস্তান (১৪৮তম)।

উল্লেখ্য,
- প্রকাশক: World Economic Forum.
- প্রকাশের সময়কাল: জুন, ২০২৫।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, শীর্ষ অবস্থানে আছে আইসল্যান্ড।
- প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২৪তম।
- মূলত চারটি মাপকাঠির ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এগুলো হলো: অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ, শিক্ষাগত অর্জন, স্বাস্থ্য ও আয়ু, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।

⇒ Global Gender Gap Report-2025 অনুযায়ী শীর্ষ দেশ:
১. আইসল্যান্ড,
২. ফিনল্যান্ড,
৩. নরওয়ে,
৪. যুক্তরাজ্য,
৫. নিউজিল্যান্ড।

উৎস: Global Gender Gap Report 2025.

৭,৯৬১.
সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে-
  1. ক) ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে
  2. খ) ভূ-মধ্য সাগর ও মর্মর সাগরকে
  3. গ) লোহিত সাগর ও ভূ-মধ্য সাগরকে
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল খনন করা হয়।
- এটি ভূমধ্যসাগরের সাথে লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।
- অন্যদিকে এই খাল মিশরের মূল ভূখন্ড থেকে সিনাই উপদ্বীপকে বিচ্ছিন্ন করেছে অর্থাৎ সুয়েজ খাল মিশর থেকে মিশরকেই পৃথক করেছে।
- মিশর ১৯৫৬ সালে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করে।
- এটির দৈর্ঘ্য ১৯৩ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র:এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭,৯৬২.
আর্টেমিস টু চন্দ্রাভিযান শুরু হবে -
  1. ক) ২০২৩ সালে
  2. খ) ২০২৪ সালে
  3. গ) ২০২৫ সালে
  4. ঘ) ২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা
আর্টেমিস–টু চন্দ্রাভিযান:
- ১৯৭২ সালের ঐতিহাসিক অ্যাপোলো মিশনের পর এবারেই প্রথম নভোচারীদের নিয়ে চাঁদে যাওয়ার এই মিশন পরিচালিত হচ্ছে। 
- এই মিশনের নাম দেওয়া হয়েছে আর্টেমিস–টু। 
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে এই মিশন শুরু হবে।
- আর্টেমিস-টু চাঁদে কোনো মানুষকে অবতরণ করবে না কারণ NASA এর পরিকল্পিত ভবিষ্যত চাঁদ মিশনের সাথে জড়িত অনেক হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার সিস্টেম, কৌশল এবং পদ্ধতিগুলি আগে পরীক্ষা করা হয়নি। 
- এই চন্দ্রাভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন এবং কানাডার একজন নভোচারী অংশ নেবেন।
- নাসার নভোচারী হিসেবে রেইড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কচের আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তবে কানাডিয়ান মহাকাশ সংস্থার নভোচারী জেরেমি হ্যানসেনের প্রথম মহাকাশযাত্রা হবে এটি।
- সবচেয়ে দীর্ঘ সময় মহাকাশে সময় কাটানোর রেকর্ডধারী ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ক্রিস্টিনা কোচ (৪৪) চন্দ্রাভিযানে যাচ্ছেন।
- ক্রিস্টিনা কচই প্রথম নারী হিসেবে চন্দ্র অভিযানে যাচ্ছেন।

উৎস: প্রথম আলো, ০৪ এপ্রিল, ২০২৩।
৭,৯৬৩.
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে কোন দেশে গ্রেফতার করা হয়?
  1. ক) ইংল্যান্ড
  2. খ) সুইডেন
  3. গ) ইকুয়েডর
  4. ঘ) নরওয়ে
ব্যাখ্যা
উইকিলিকসের সহ প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে লন্ডনে অবস্থিত ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে ১১ এপ্রিল ২০১৯ লন্ডন পুলিশ গ্রেফতার করে। অস্ট্রেলীয় নাগরিক অ্যাসাঞ্জ ২০১২ সালে গ্রেফতার এড়াতে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন। তার বিরুদ্ধে সুইডেনে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা চলমান রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে যুক্তরাজ্য জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে যুক্তরাষ্ট্রের নিকট হস্তান্তর করবে। (সূত্রঃ দৈনিক যুগান্তর)
৭,৯৬৪.
জাতিসংঘের প্রতিনিধি হিসেবে রালফ জে. বাঞ্চ (Ralph J. Bunche) কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) ১৯৬১ সালে
  2. খ) ১৯৫০ সালে
  3. গ) ২০০১ সালে
  4. ঘ) ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
▪ ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় Ralph J. Bunche কে ১৯৫০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
▪ তিনিই জাতিসংঘের হয়ে সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
▪ তিনি অছি পরিষদের প্রধান পরিচালক ছিলেন।
▪ তিনিই প্রথম আফ্রিকান - আমেরিকান যিনি এই ধরণের বড় বৈশ্বিক সম্মান অর্জন করেন।

অন্যদিকে,
▪ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রচেষ্টা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৭ সালে IPCC এবং সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পরিবেশকর্মী আল গোর যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
▪ ২০০১ সালে শান্তিতে নোবেল পায় : কফি আনান ও জাতিসংঘ।
▪ জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব সুইডেনের নাগরিক দ্যাগ হ্যামারশোল্ড ১৯৬১ সালে মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭,৯৬৫.
পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া যায় -
  1. ক) চীনের প্রাচীরের কাছে
  2. খ) দক্ষিণ আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া প্রদেশে
  3. গ) ব্যাবিলনের উত্তরে গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষে
  4. ঘ) ইরানের সিরাজ শহরের ধ্বংসাবশেষে
ব্যাখ্যা
- ইতিহাস খুঁজে জানা যায়, পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো মানচিত্রটি ব্যাবিলনের। এর নাম ইন্ডিগো মুন্ডি।
- এটি পাওয়া যায় আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ সালে বা যিশু খ্রিস্টের জন্মেরও প্রায় ৬০০ বছর আগে।
- মজার ব্যাপার হল, মানচিত্রটি হাতে আঁকা হয়নি। এটি ছিল একটি পোড়ামাটির ফলক। তবে সবচেয়ে প্রাচীন মানচিত্র হলেও সেটি ছিল শুধুই ব্যাবিলনের মানচিত্র।

- প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র আঁকার চেষ্টা করেন অ্যানাঙ্গিম্যান্ডার।
- তার এ মানচিত্রটিকে আরেকটু উন্নত করেন হেক্টিয়াস অব মিলেটাস।
- তিনি এশিয়ার শেষ প্রান্ত ভারতের অবস্থানও দেখিয়েছিলেন। এমনকি মিসরের অবস্থানও ছিল তার মানচিত্রে।

উৎস : যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট 
৭,৯৬৬.
২০২৫ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত জন্মগ্রহণকারী শিশুদের কী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. জেন-জি
  2. জেন- বিটা
  3. মিলেনিয়াল
  4. জেন-আলফা
ব্যাখ্যা
জেনারেশন বিটা (জেন বিটা):
- ২০২৫ থেকে ২০৩৯-এর মধ্যে যে সব শিশুর জন্ম হবে, তারা সকলেই জেন বিটা।
- গবেষক মার্ক ম্যাকক্রিন্ডেল এর মতে, ২০৩৫ সালের বিশ্ব জনসংখ্যা ১৬ শতাংশ হবে এই প্রজন্ম।
- এই নতুন প্রজন্মের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি স্তরে ঢুকে পড়বে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। 
- দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম অংশ হবে ভার্চুয়াল পরিবেশ।
- তা ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ন ও বিশ্বের জনসংখ্যা গতিশীল পরিবর্তন জেন বিটার কাছে চ্যালেঞ্জের হতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে যারা জন্মগ্রহণ করেছে, তারা ‘মিলেনিয়াল’।
- ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে যারা জন্মেছে, তাদের জেন-জি বলা হয়।
- ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জন্ম যাদের, তারা জেন-আলফা।

তথ্যসূত্র: mccrindle ওয়েবসাইট। [Link]
৭,৯৬৭.
সুয়েজ খাল খনন করে কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. মিশর
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।
- শুরুতে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১৬৪ কিলোমিটার এবং গভীরতা ছিল ৮ মিটার, সম্প্রসারণের পর ২০১০ সালের হিসাব মতে এর দৈর্ঘ্য ১৯০.৩ কিলোমিটার, গভীরতা ২৪ মিটার।
- বিশ্ববাণিজ্যের ১২ শতাংশ পরিবহন হয় এই পথ দিয়ে।

⇒ সুয়েজ খাল খনন করা হয়েছিল মিশর দ্বারা।
- এই খালের নির্মাণ কাজের নেতৃত্ব দেন ফরাসি প্রকৌশলী ফারদিনান্দ ডি লেসেপস।
- ১৮৫৯ সালে খালটি খনন শুরু হয় এবং ১৮৬৯ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়।
- সুয়েজ খাল খননের মূল উদ্দেশ্য ছিল, আফ্রিকা মহাদেশকে অতিক্রম না করে, ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সরাসরি জলপথ সংযোগ স্থাপন করা, যা বাণিজ্য ও শিপিং কার্যক্রমকে দ্রুততর এবং সুবিধাজনক করে তোলে।
- এছাড়া, ১৯৫৬ সালে সুয়েজ সংকট (Suez Crisis) ঘটেছিল, যখন মিশরের রাষ্ট্রপতি গামাল আবদেল নাসের খালটি জাতীয়করণ করেন, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিরোধ সৃষ্টি করেছিল।

উৎস: i) Suez Canal Authority.
ii) US Naval Institute.
৭,৯৬৮.
দুর্নীতি ধারণা সূচকে-২০২১ অনুসারে বিশ্বের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?
  1. ক) ভেনেজুয়েলা
  2. খ) দক্ষিণ সুদান
  3. গ) নাইজার
  4. ঘ) সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত দুর্নীতি ধারণা সূচক-২০২১ অনুসারে:
- শীর্ষদেশ : যৌথভাবে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড

সর্বনিম্ন বা শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ : দক্ষিণ সুদান
বাংলাদেশের অবস্থান : উর্ধ্বক্রমে ১৪৭তম এবং নিম্নক্রমে ১৩তম। স্কোর : ২৬।

(তথ্যসূত্র: দুর্নীতি ধারণা সূচক রিপোর্ট-২০২১)
৭,৯৬৯.
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম যে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন-
  1. সাত মুসলিম দেশের নাগরিকদের আমেরিকা প্রবেশ সামরিক বন্ধ
  2. ওবামা কেয়ার বাতিল
  3. NAFT চুক্তি বাতিল
  4. মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ
ব্যাখ্যা
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ওবামা কেয়ার বাতিলের  নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।

- নির্বাহী আদেশ হলো কেন্দ্রীয় সরকার বরাবর প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত আদেশ, যা বাস্তবায়নে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগে না।
- গুরুত্বপূর্ণ কোনো নীতির পরিবর্তন থেকে শুরু করে সাধারণ বিষয়েও নির্বাহী আদেশ জারি করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্টরা।
- যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২ নম্বর অনুচ্ছেদে প্রেসিডেন্টকে নির্বাহী আদেশ জারি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রেসিডেন্টের হাতে নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত থাকবে।’ 
- ৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শাসনামলে প্রণীত সবচেয়ে আলোচিত একটি প্রকল্প যা ওবামা কেয়ার নামে পরিচিত।
- দেশটির ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হন ট্রাম্প।
- প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ওবামা কেয়ার বাতিলের আদেশে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো রিপোর্ট।
৭,৯৭০.
বিশ্বের কোন দেশের সাক্ষরতার হার ১০০%?
  1. পোল্যান্ড
  2. ফিনল্যান্ড
  3. কাজাকিস্তান
  4. স্লোভাকিয়া
ব্যাখ্যা
সাক্ষরতা:
- সাক্ষরতা হচ্ছে পড়া, অনুধাবন করা, মৌখিকভাবে ও লেখার বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা করা, যোগাযোগ স্থাপন করা এবং গণনা করার দক্ষতা।
- একটি জাতিকে অগ্রসর জাতিতে পরিণত হতে সাক্ষরতা জ্ঞানের বিকল্প নেই।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে অ্যান্ডোরা, ফিনল্যান্ড, গ্রিনল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, লুক্সেমবার্গ, নরওয়ে, ইউক্রেন, উজবেকিস্তান এবং উত্তর কোরিয়া এই দেশগুলোতে সাক্ষরতার হার ১০০%।

উৎস: i) U.S. Career Institute.
ii) World Atlas.
৭,৯৭১.
কয়টি দেশ CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে?
  1. ১৮৭টি
  2. ১৮৯টি
  3. ১৯১টি
  4. ১৯৩টি
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৭,৯৭২.
রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. আলফ্রেড নোবেল
  2. হেনরি ডুনান্ট
  3. উইলিয়াম র‍্যান্ডলফ
  4. লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা

• রেডক্রস (Red Cross):
- ১৮৫৯ সালের সোলফেরিনো যুদ্ধকালে আহত সৈন্যদের সহায়তায় এগিয়ে আসেন সুইস ব্যবসায়ী হেনরি ডুনান্ট
- এর মাধ্যমেই মানবিক সহায়তামূলক সংগঠনের সূচনা ঘটে।
- বতাঁর উদ্যোগে ১৮৬৩ সালে জেনেভায় প্রতিষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি (ICRC)।
- ICRC একমাত্র সংস্থা, যা তিনবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে—১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে।
- প্রতি বছর ৮ মে পালিত হয় বিশ্ব রেডক্রস দিবস, যা প্রতিষ্ঠাতা ডুনান্টের জন্মদিন।
- প্রতীক: সাদা পটভূমিতে লাল ক্রস (Geneva Convention-এ স্বীকৃত নিরপেক্ষ চিহ্ন)।
- প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট ব্যক্তিগতভাবে ১৯০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। 

তথ্যসূত্র: ICRC ওয়েবসাইট।

৭,৯৭৩.
বাংলাদেশ নিচের কোন সংস্থার সদস্য?
  1. WTO
  2. ASEAN
  3. AGOA
  4. OPEC
ব্যাখ্যা
WTO:
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৯৫ সালে সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
- WTO এর পূর্ণরূপ World Trade Organization.
- বিশ্বের একমাত্র আন্তর্জাতিক সংস্থা যা দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যের নিয়মগুলি নিয়ে কাজ করে।
- সংস্থাটি ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমানে সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা ১৬৬টি।
- সংস্থাটির সর্বশেষ সদস্য দেশ আফগানিস্তান।
- দেশটি ২০১৬ সালে সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
 
তথ্যসূত্র - WTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৯৭৪.
যুদ্ধ সম্পর্কিত আচরণ বিষয়ে জেনেভা কনভেনশনের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৭,৯৭৫.
নিচের কোনটি ইউরোপের মুসলিম অধ্যুষিত দেশ?
  1. মালটা
  2. হাঙ্গেরি
  3. আলবেনিয়া
  4. ইস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা
আলবেনিয়া:
- আলবেনিয়া হলো ইউরোপের একটি ছোট দেশ।
- এটি ভূমধ্যসাগরের অন্তর্গত অ্যাড্রিয়াটিক সাগর এবং আয়োনীয় সাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এর রাজধানী তিরানা।
- আলবেনিয়া একটি প্রধানত মুসলিম দেশ।
- দেশটির ৫৬.৭% জনসংখ্যা মুসলিম ধর্মাবলম্বী।
- এটি ইউরোপের একমাত্র মুসলিম অধ্যুষিত দেশ।

উৎস: Britannica.
৭,৯৭৬.
১ জানুয়ারি ২০২৫ কোন দেশ ICC'র ১২৫তম সদস্য হয়?
  1. আর্মেনিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. সিরিয়া
  4. ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
ICC:
- ICC-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Court বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ (রোম সংবিধির মাধ্যমে)।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১ জুলাই, ২০০২।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর সদস্য: ১২৫টি।
- ১২৫তম সদস্য: ইউক্রেন।

উল্লেখ্য,
- ইউক্রেন ১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ICC'র ১২৫তম সদস্য পদ লাভ করে

⇒ যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা এবং আগ্রাসনের অপরাধ বিচার করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) তৈরি করা হয়েছিল।
- এটি সদস্য রাষ্ট্রের নাগরিকদের বা তাদের ভূখণ্ডে অন্য দেশের দ্বারা সংগঠিত অপরাধের বিচার করতে পারে।

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।
৭,৯৭৭.
নিচের কোন দেশটি ন্যাটোর সদস্যভুক্ত নয়? [নভেম্বর - ২০২৪]
  1. লাটভিয়া
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
- সুইজারল্যান্ড NATO-র সদস্য নয়।

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ১২টি।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট্টে। [নভেম্বর - ২০২৪]
- মুসলিম দেশ আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর সদস্য দেশ: বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৭,৯৭৮.
'জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফ অ্যান্ড ট্রেড' (GATT) একমাত্র বহুমুখী সহায়ক সংস্থা হিসেবে বর্তমানে বিশ্ব বাণিজ্যের কত অংশের সমন্বয় সাধন করে থাকে?
  1. ক) প্রায় ৭৫ শতাংশ
  2. খ) প্রায় ৮০ শতাংশ
  3. গ) প্রায় ৮৫ শতাংশ
  4. ঘ) প্রায় ৯০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
GATT was replaced by the World Trade Organization (WTO) in 1995, 125 nations were signatories to its agreements, which had become a code of conduct governing 90 percent of world trade.
Source: Britannica Encyclopedia
৭,৯৭৯.
বেরিং প্রণালী কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. চীন ও জাপান
  2. কানাডা ও রাশিয়া
  3. রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

বেরিং প্রণালী:
-বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ।
- এই প্রণালী এশিয়া মহাদেশ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ পৃথক করেছে।
- দেশ হিসেবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে এই প্রণালী।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর। 
- এর গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র ৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

৭,৯৮০.
বর্তমান ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (SNSC) বর্তমান প্রধান কে? [ মার্চ,২০২৬] 
  1. হোসেইন সলেমি
  2. মহম্মদ জাভাদ জারিফ
  3. ইব্রাহিম লারিজানি 
  4. আলী লারিজানি
ব্যাখ্যা

- ইরানে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি। 
- আলী লারিজানি ইরানের নিরাপত্তা প্রধান।
- আগস্টে, ২০২৫ এই নিরাপত্তাপ্রধানকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি নিয়োগ দেওয়া হয়। 
- এই কাউন্সিল মূলত দেশটির নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি–সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ক্ষমতা রাখে।
- তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব গুপ্তহত্যার শিকার হলে ইরানের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে খামেনি যেসব ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগীকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, আলী লারিজানি তাদের মধ্যে অন্যতম।

 উৎস: পত্রিকার নিউজ।[লিঙ্ক]

৭,৯৮১.
বর্তমানে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে শীর্ষ দেশ কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. মেক্সিকো
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

প্রবাসী আয়:

- প্রকাশিত হয়: জুন, ২০২৪।
- প্রকাশক: বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড 'গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (KNOMAD)'।
- প্রতিবেদনের শিরোনাম: Migration and Development Brief 40.

⇒প্রতিবেদন অনুযায়ী: প্রবাসী আয় প্রাপ্তিতে শীর্ষে থাকা দেশগুলো হলো:
১. ভারত,
২. মেক্সিকো,
৩. চীন,
৪. ফিলিপাইন,
৫. ফ্রান্স,
৬. পাকিস্তান,
৭. বাংলাদেশ,
৮. জার্মানি,
৯. গুয়াতেমালা,
১০. নাইজেরিয়া।

উৎস: KNOMAD ওয়েবসাইট।
৭,৯৮২.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. জিমি কার্টার
  3. রোনাল্ড রিগান
  4. বারাক ওবামা
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ইসরাইল ও মিশরের মধ্যে।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: ক্যাম্প ডেভিড, যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে অবস্থিত অবকাশ যাপন কেন্দ্র।
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে আরব লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,৯৮৩.
টেকসই উন্নয়নের জন্য এজেন্ডা ২০৩০ কোন সংস্থা চালু করেছিল?
  1. জাতিসংঘ
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ইউএনডিপি
  5. ইউএনইপি
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়নের জন্য এজেন্ডা ২০৩০: 
- টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের শীর্ষ সম্মেলনে চালু করা হয়েছিল এবং এর লক্ষ্য সকল ধরণের দারিদ্র্যের অবসান ঘটানো।
- জাতিসংঘের ২০৩০ এজেন্ডা "মানবাধিকার এবং মানবিক মর্যাদা, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, সমতা এবং বৈষম্যহীনতার প্রতি সর্বজনীন শ্রদ্ধার একটি বিশ্ব" কল্পনা করে ।
- এটি মানবাধিকার সম্পর্কিত সর্বজনীন ঘোষণাপত্র এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিতে ভিত্তি করে এবং মানবাধিকারকে সম্মান, সুরক্ষা এবং প্রচারের জন্য সকল রাষ্ট্রের দায়িত্বের উপর জোর দেয়।
- নারী এবং শিশু, যুবক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক ব্যক্তি, শরণার্থী, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি এবং অভিবাসীদের মতো দুর্বল গোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
- এজেন্ডার ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) এবং তাদের ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রার লক্ষ্য হলো সকল প্রকার দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং "সকলের মানবাধিকার বাস্তবায়ন এবং লিঙ্গ সমতা অর্জন"।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
Council of Europe ওয়েবসাইট। 
৭,৯৮৪.
কোন ক্রিকেটার ‘ Oxford Blue ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) শচীন টেন্ডুলকার
  2. খ) শোয়েব আক্তার
  3. গ) ইমরান খান
  4. ঘ) ক্রিস গেইল
ব্যাখ্যা
ইমরান খান অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লু টিমের হয়ে খেলেছিলো ১৯৭৩ - ১৯৭৫ অব্দি।
তাই তার আর এক নাম Oxford Blue. 

তথ্যসূত্র: www.britannica.com 
৭,৯৮৫.
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্টের শুরুর স্থান কোনটি?
  1. নাইকোসিয়া
  2. নাইরোবি
  3. আদ্দিস আবাবা
  4. কাম্পালা
ব্যাখ্যা

গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট:
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন। এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
- শুরুর সময় ১৯৭৭ সাল।
- শুরুর স্থান নাইরোবি, কেনিয়া।
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই।
- তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

৭,৯৮৬.
‘কলোসিয়াম’ কোন সভ্যতায় গড়ে ওঠে?
  1. অ্যাসিরীয় সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. রোমান সভ্যতা
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা:
- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রােম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- এ সময় একটি সভা ও সিনেট ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রােমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রােমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল। 
- ৭৫৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বর্বর জাতিগুলোর হাতে রোমান সম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন হয়।
রোমের গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। 
 
সভ্যতায় রোমের অবদান:
- রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
- রোমানদের সবচেয়ে বড় অবদান আইনের ক্ষেত্রে।
- রোমের অর্থনীতি ছিল দাসদের ওপর নির্ভরশীল।
- সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।
- ৮০ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত।
- স্থাপত্যকলার পাশাপাশি রোমান ভাস্কর্যেরও উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল। 
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৮৭.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন কত শতাংশ কমানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল?
  1. ২৩ শতাংশ
  2. ২৭ শতাংশ
  3. ৩৭ শতাংশ
  4. ৪৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৭,৯৮৮.
NAFTA এর পরিবর্তে স্বাক্ষরিত চুক্তি কোনটি?
  1. ক) NAPTA
  2. খ) FTA
  3. গ) USMCA
  4. ঘ) Abraham Accord
ব্যাখ্যা
NAFTA (The North American Free Trade Agreement) উত্তর আমেরিকা মহাদেশের তিনটি দেশ মেক্সিকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি যা ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর NAFTA চুক্তি সংশোধন করার দাবী করে। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্রকে NAFTA থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার হুমকি দেয়। এর ফলশ্রুতিতে ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর NAFTA চুক্তির সংশোধিতরূপ হিসেবে USMCA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
(সূত্রঃ মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ ওয়েবসাইট এবং দ্য গার্ডিয়ান)
৭,৯৮৯.
মানব শিশুর ক্লোন নিষিদ্ধ করেছে কোন সংস্থা?
  1. WHO
  2. NATO
  3. IFC
  4. UNICEF
ব্যাখ্যা

- কোনো জীব থেকে সম্পূর্ণ অযৌন প্রক্রিয়ায় হুবহু নতুন জীব সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ক্লোনিং বলে।
- ড. ইয়ান উইলমুট প্রথম ক্লোন পদ্ধতিতে একটি ভেড়ার জন্ম দেন।
- সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্যে Adult Cell ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম দেওয়া হয়েছিল তার নাম ডলি।
- ডব্লিউ.এইচ.ও (WHO) বর্তমানে মানব শিশুর ক্লোন নিষিদ্ধ করেছে।

উৎস: WHO website.
৭,৯৯০.
‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান’-এর বর্তমান অবস্থান কোথায়?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. সিরিয়া
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান:
- রাণীর সন্তুষ্টির জন্য নেবুচাঁদনেজার এক মনোরম উদ্যান নির্মাণ করেন।
- এই উদ্যানই বিশ্বখ্যাত ‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান’ বা ‘ঝুলন্ত উদ্যান’ নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের অন্যতম হিসেবে পরিচিত- ‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান’।
- ‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান’ ব্যাবিলনীয় সভ্যতার নিদর্শন যা নির্মাণ করেন রাজা নেবুচাঁদনেজার
- ব্যাবিলন শহরের (বর্তমান ইরাক) ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থিত এই ‘ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান ’বা ‘ঝুলন্ত উদ্যান’।
- ধারনা করা হয় চার হাজার শ্রমিক রাত-দিন পরিশ্রম করে তৈরি করেছিল এই বাগান। 
- গবেষণা থেকে জানা যায়, পাঁচ থেকে ছয় হাজার প্রজাতির ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছিল ওই ঝুলন্ত বাগানে।
 
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৯১.
স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. পল পি. হ্যারিস
  2. হেনরি ফোর্ড
  3. ব্যাডেন পাওয়েল
  4. উইলিয়াম বয়ড
ব্যাখ্যা

স্কাউট আন্দোলন:
- WOSM-এর পূর্ণরূপ: World Organization of the Scout Movement.
- স্কাউটিং বিশ্বব্যাপী একটি যুব সংস্থা।ব্যাড
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯০৭ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: রবার্ট স্টিফেন্সন স্মিথ লড ব্যাডেন পাওয়েল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমানে সদস্য সংখ্যা: ১৭৪টি।
- স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে একজন ছেলে অথবা মেয়ে নিজেকে একজন প্রকৃত অর্থে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম।

⇒ রবার্ট স্টিফেন্সন স্মিথ লড ব্যাডেন পাওয়েল ১৯০৭ সালে স্কাউটিং আন্দোলনের শুরু করেন।
- ১৯০৭ সালে ২০ জন বালকে ব্রাউন সি দ্বীপে প্রথম পরীক্ষা মূলক ক্যাম্পের মাধ্যমে স্কাউট আন্দোলন শুরু হয়েছিলো।
- ১৯১৬ সালে ১১ বছরের নিচে শিশুদের জন্য “কাব স্কাউট” তৈরি করেন।
- ১৯১৮ সালে ১৮ বছরের যুবকদের জন্য রোভারিং শুরু করেছেন। এভাবে স্কাউটিং সম্প্রসারণ শুরু হয়।
- ১৯২০ সালে ইংল্যান্ডে অলিম্পিয়াতে প্রথম বিশ্ব স্কাউট জাম্বুরী অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯২২ সালে প্রথম বিশ্ব স্কাউট কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: World Organization of the Scout Movement (WOSM) ওয়েবসাইট।

৭,৯৯২.
পিথাগোরাসের জন্ম কোথায়?
  1. ক) ফ্রান্সে
  2. খ) ব্রিটেনে
  3. গ) ইরাক
  4. ঘ) গ্রিসে
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত দার্শনিক ও অঙ্কশাস্ত্রবিদ পিথাগোরাস খ্রিস্টপূর্ব ৫৭০ অব্দে পূর্ব এজিয়ান সাগরে গ্রিক দ্বীপ সামোসে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমান গ্রিস রাষ্ট্রেই তাঁর জন্ম হয়েছিল। তাঁর পিতার নাম ছিল চেসারচাস।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
৭,৯৯৩.
নিচের কোন সংস্থাটির সদরদপ্তর ‘ভিয়েনা’ শহরে অবস্থিত?
  1. ক) IFAD
  2. খ) OECD
  3. গ) IAEA
  4. ঘ) WIPO
ব্যাখ্যা
IAEA - ভিয়েনা
IFAD - রোম
OECD - প্যারিস
WIPO – জেনেভা।
(সূত্রঃ IAEA ওয়েবসাইট)
৭,৯৯৪.
'ভাগনার গ্রুপ' কোন দেশভিত্তিক সংস্থা?
  1. বেলারুশ
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইউক্রেন
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• ভাগনার গ্রুপ: 
- একটি রাশিয়ার আধাসামরিক সংস্থা।
- এটি একটি প্রাইভেট মিলিটারি কোম্পানি।
- এটি ভাড়াটে সৈনিকদের একটি গ্রুপ।
- রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ মিত্র ইয়েভগেনি প্রিগোশিন একটি ডি ফ্যাক্টো প্রাইভেট আর্মি।
- গ্রুপটি রাশিয়ায় আইনের বাইরে কাজ করে।
- যেহেতু এটি রুশ স্বার্থের সমর্থনে কাজ করে ও এটি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরঞ্জাম গ্রহণ এবং প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থাপনা ব্যবহার করে, তাই ভাগনার গ্রুপকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- ভাগনারের বিভিন্ন উপাদান নব্য-নাৎসিবাদ এবং উগ্র ডানপন্থী উগ্রবাদের সাথে যুক্ত।
- এটি ইউক্রেন এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।

উৎস: DW ওয়েবসাইট।
৭,৯৯৫.
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (EEA) গঠিত হয় কত সালে?
  1. ২টি
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (European Environment Agency):
- গঠন - ১৯৯৪ সালে।
- সদরদপ্তর - কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
- সদস্য সংখ্যা -৩৮ টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা করা এই সংস্থার প্রধান কাজ।

তথ্যসূত্র - EEA ওয়েবসাইট।
৭,৯৯৬.
ICSID এর বর্তমান সদস্য দেশ -
  1. ক) ১৫৬টি 
  2. খ) ১৫৮টি
  3. গ) ১৫০টি
  4. ঘ) ১৭১টি 
ব্যাখ্যা
• ICSID এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৫৮টি।
• ২১ অক্টোবর ২০২২ সালে এঙ্গোলা ১৫৮তম দেশের মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: লাইভ MCQ সাম্প্রতিক সমাচার ডিসেম্বর, ২০২২
৭,৯৯৭.
'UNEP' - এর প্রধানের পদবী কোনটি?
  1. মহাসচিব
  2. প্রশাসক
  3. মহাপরিচালক
  4. নির্বাহী পরিচালক
ব্যাখ্যা
UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP).
- UNEP-এর পূর্ণরূপ- United Nations Environment Programme.
- UNEP - সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি। (জুলাই, ২০২৫)
- UNEP এর প্রধানের পদবী- নির্বাহী পরিচালক।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক- ইনগার অ্যান্ডারসেন। (জুলাই, ২০২৫)
- চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে UNEP.

তথ্যসূত্র - UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৯৯৮.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রথম সভাপতি কে?
  1. শাহ এ এম এস কিবরিয়া
  2. আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  3. আবু তৈয়ব মুহাম্মদ জহিরুল আলম
  4. হুমাযুন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে দুইবার সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- প্রথমবার ১৯৮৬ সালে, দ্বিতীয়বার ১৯৯৯ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০২ সালে সংস্থাটির আন্ডারসেক্রেটারি নিযুক্ত হয়েছিলেন। 
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবু তৈয়ব মুহাম্মদ জহিরুল আলম লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নেন।
- জাতিসংঘের কোনো সংস্থার শীর্ষ পদে প্রথম প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট
৭,৯৯৯.
কোন দেশটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়?
  1. চীন
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে:
• জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ।
১। যুক্তরাষ্ট্র,
২। রাশিয়া,
৩। চীন,
৪। যুক্তরাজ্য,
৫। ফ্রান্স।
'জার্মানি' জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়।

এছাড়াও,
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য(যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স) এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮,০০০.
লীগ অব নেশনস বিলুপ্ত করা হয় কখন?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে
ব্যাখ্যা
লীগ অব নেশনস: 
- জাতিসংঘের পূর্বসূরী আন্তর্জাতিক সংস্থা। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি বিশ্বসংস্থা ‘লীগ অব ন্যাশন্‌স’ গঠিত হয়েছিল।
- ১৯১৮ সালে উড্রো উইলসন ১৪ দফা পেশ করেন।
- ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে জাতিপুঞ্জ গঠন করা হয়।
- লীগ অফ নেশনস আনুষ্ঠানিকভাবে 10 জানুয়ারী 1920 তারিখে অস্তিত্ব লাভ করে। 
- মোট ৬৩টি রাষ্ট্র লীগ অফ নেশনস-এর সদস্য হয়েছিল (একই সময়ে সর্বাধিক ৬০টি) । 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনই সংগঠনে যোগ দেয়নি এবং বিশ্বের একটি বড় অংশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল।
- এর চারটি স্থায়ী সদস্য: ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯৪৬ সালে লীগ অব নেশনস বিলুপ্ত করা হয়

উৎস: UN Geneva website.