- ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়।
- ভার্সাই প্যারিসের অদূরে অবস্থিত। সন্ধির খসড়া জার্মান প্রতিনিধিবর্গকে দেখানো হয় ও মন্তব্য করতে খসড়ার বিভিন্ন শর্ত তাঁরা আপত্তি জানান, কিন্ত সেগুলো গ্রাহ্য হয়নি।
- একতরফা ভাবে ইউরোপের আঞ্চলিক পুনর্গঠন, সাময়িক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শর্তাবলী জার্মানির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়।
- ভার্সাই সন্ধির শর্ত অনুসারে জার্মানি ফ্রান্সকে আলসাস-লোরেন, বেলজিয়ামকে মরেসনেট, ইউপেন, মালমেডি, লিথুয়ানিকে মেমেল, পোল্যান্ডকে পোজেন ও পশ্চিম প্রুশিয়ার অংশ বিশেষ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
- ডানজিগ উন্মুক্ত বন্দর হিসেবে ঘোষিত হয়।
- উপনিবেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অর্জিত বিশেষ অধিকারগুলো জার্মানিকে প্রত্যার্পন করতে বলা হয়।
- উত্তর সাইলেশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার অধিবাসীগণ গণভোটের মাধ্যমে স্থির করবে তারা পোল্যান্ডের সঙ্গে সংযুক্তির পক্ষপাতি কিনা।
- জার্মানির শিল্প ও খনিজ প্রধান সার (Saar) অঞ্চলে ১৫ বছরের জন্য ফ্রান্সের কর্তৃত্ব স্থাপিত হয় ।
উৎস: এসএসএইচএল, আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস - ২; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।