ব্যাখ্যা
[সূত্র: কালের কণ্ঠ]
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫৭ / ২৭২ · ৫,৬০১–৫,৭০০ / ২৭,৩৪৭
- BIMSTEC- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি।
বিমসটেক (BIMSTEC ) :
- এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- এর সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।
- এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড। (আগস্ট, ২০২৫)
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি।
- এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
- BIMSTEC দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করে।
- এটি একটি আঞ্চলিক সংস্থা যা উভয় অঞ্চলের দেশগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে,
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং একীকরণের লক্ষ্যে।
উল্লেখ্য,
- Myanmar যোগ হওয়ার পর (২২ ডিসেম্বর ১৯৯৭) সংগঠনটি BIMST-EC (Bangladesh, India, Myanmar, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation) নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- ৬ষ্ঠ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে (জুলাই ২০০৪, থাইল্যান্ড) Bhutan ও Nepal যোগ হওয়ার পর, ৩১ জুলাই ২০০৪-এ প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে (Bangkok) সংস্থার চূড়ান্ত নাম রাখা হয় BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation)।
উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
- নাসা প্রেরিত অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযানে করে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে।
- এদিন মার্কিন নভোচারী ‘নীল আর্মস্ট্রং’ প্রথম মানব হিসেবে চাঁদের বুকে পা রাখেন। তার কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ‘বাজ অলড্রিন’ চাঁদের বুকে পা রাখেন।
- তাদের অপর সঙ্গী ‘মাইকেল কলিন্স’ চাঁদের কক্ষপথে কমান্ড মডিউলে অবস্থান করছিলেন।
সোর্স নাসা ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘ শিশু তহবিল (UNICEF):
- UNICEF এর পূর্ণরূপ United Nations Children’s Fund। ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠার সময় এর নাম ছিলো - International Children’s Emergency Fund (ICEF)।
- বিশ্বব্যাপী শিশুদের সার্বিক অবস্থার উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এটি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- শিশুদের নিরাপদ জন্ম, উন্নত শৈশবকাল নিশ্চিতকরণ, শিশু অধিকার রক্ষা, তাদের সম্ভাবনাকে প্রস্ফুটিত করা - ইত্যাদি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এটি কাজ করে।
- ১৯৫৩ সালে এটি জাতিসংঘের বিশেষ তহবিলের মর্যাদা পায়।
উৎসঃ UNICEF ওয়েবসাইট।
২০২৫ সালের হেগ ন্যাটো সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে বার্ষিক জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
২০২৫ ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
- উল্লেখ্য, এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।
⇒ সামরিক সহযোগিতার জোট ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
এছাড়াও,
- ২০২৬ সালের জুলাইতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
• রটারডাম কনভেনশন:
- রটারডাম কনভেনশন হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত চুক্তি।
- এটি বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- কনভেনশনটি গৃহীত হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে।
- গৃহীত হয়েছিল: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮।
- স্থান: নেদারল্যান্ডের রটারডামে।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- কনভেনশনের উদ্দেশ্য হলো মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পক্ষগুলির মধ্যে ভাগ করা দায়িত্ব এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রচার করা।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এ বন্ধ হয়ে যায়।
উৎস: Rotterdam Convention ওয়েবসাইট
DeepSeek AI:
- DeepSeek একটি চীনা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি,
- এটা দক্ষিণ-পূর্ব চীনের হাংঝু শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি ২০২৩ সালের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা লিয়াং ওয়েনফেং।
- ডিপসিকের প্রতিষ্ঠার পেছনে তার বিশাল চিপ সংগ্রহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- তিনি A-100 চিপের বড় একটি মজুত সংগ্রহ করেছিলেন।
সূত্র - DeepSeek AI & BBC.
রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৭২টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।
উৎস: Ramsar Convention Official Website
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) :
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- ১৯৯৫ সালের ১১ মে চুক্তিটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়।
- পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধের লক্ষ্য অর্জন এবং রাষ্ট্রপক্ষগুলির মধ্যে আস্থা তৈরির ব্যবস্থা হিসেবে, চুক্তিটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA) এর দায়িত্বে একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
পিংপং ডিপ্লোম্যাসি’ বা পিংপং কূটনীতি মূলত যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন-এর মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট।
Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপলোমেসির ইংরেজি প্রতিশব্দ Shuttle Diplomacy.
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।
⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর।
- সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।
⇒ ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।
⇒ পিংপং ডিপ্লোম্যাসির প্রভাব:
- ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল চীনের উপর ২০ বছর ধরে থাকা ভ্রমণ ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- ১৯৭১ সালের অক্টোবরে ভোটের মাধ্যমে জাতিসংঘে বৈধ পদ লাভ করে চীন। পাশাপাশি তারা খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই অন্যান্য দেশগুলোর সাথেও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সক্ষম হয়।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চীন সফর সমাপ্ত হয় ‘সাংহাই কম্যুনিক’ এর মাধ্যমে।
- ১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে পিপলস রিপাবলিক অব চায়নাকে স্বীকৃতি দেয়।
উৎস: Britannica.
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২০২৪ সালে জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য সম্মেলন (UN COP-16):
- ‘জীব বৈচিত্র্য কনভেনশন’ সম্পর্কিত জাতিসংঘের ১৬তম সম্মেলন (কপ-১৬) ২০২৪ সালের অক্টোবরে কলম্বিয়ার ক্যালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- ‘জৈব নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্টাগেনা প্রটোকলে’র পক্ষগুলোর ১১তম সম্মেলন এবং ‘নাগোয়া প্রোটোকলে’র পক্ষগুলোর পঞ্চম সম্মেলন কলম্বিয়ার ক্যালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- কপ-১৬ সম্মেলনের থিম হল ‘প্রকৃতির সাথে শান্তি’।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনের পরিবেশ মন্ত্রী হুয়াং রুন ছিউ উল্লেখ করেন যে, জীব বৈচিত্র্য মানুষের বেঁচে থাকা ও বিকাশের ভিত্তি এবং পৃথিবীতে প্রাণীকুলেরও ভিত্তি।
- প্রতিনিধিরা ২০৩০ সালের মধ্যে পৃথিবীর ভূমি ও সমুদ্রের অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে অগ্রগতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- ১৯০টিরও বেশি দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীরা এই জৈব বৈচিত্র্য কনভেনশনের জন্য দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ক্যালিতে সমবেত হয়েছেন।
- ২০২২ সালে কানাডায় অনুষ্ঠিত শেষ বৈঠকে গৃহীত কুনমিং-মন্ট্রিয়াল গ্লোবাল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্ক নামক এক চুক্তিতে নির্ধারিত লক্ষ্য বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিশ্চিত করেছেন তারা।
উৎস: i) OECD ওয়েবসাইট।
ii) Convention on Biological Diversity.
ইরানের বর্তমান মুদ্রার নাম - রিয়াল (ইরানিয়ান)।
আমেরিকান নিষেধাজ্ঞায় অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত ইরানের মুদ্রা গত কয়েক বছরে ব্যাপক দর হারিয়েছে। এ অবস্থায় লেনদেন সহজ করা ও মুদ্রা শক্তিশালী করতে নতুন একটি বিল অনুমোদন দিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভা। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের নতুন নাম হবে 'তুমান'। সেই সঙ্গে ব্যাংক নোট থেকে পড়ে যাবে চারটি শূন্য। তিন বছর আগে ডলারের বিপরীতে পাওয়া যেত প্রায় ৩৭ হাজার ইরানি রিয়াল। কিন্তু গত বছর ব্যাপক দরপতনে ডলারের দর এক লাখ ৮০ হাজার রিয়ালে নেমে যায়। বর্তমানে আমেরিকান ডলারের বিপরীতে রিয়ালের দাম হয় প্রায় এক লাখ ২০ হাজার। যদিও অফিশিয়াল দাম ৪২ হাজার রিয়াল। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে এক লাখ রিয়ালের নোট হয়ে যাবে ১০ তুমান। ১৯৩০ সাল পর্যন্ত ইরানি মুদ্রার নাম তুমানই ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রিয়াল নাম গ্রহণ করার কারণে এক দেশের একই মুদ্রার দুই নাম হয়ে যায়। ফলে অফিশিয়াল নাম রিয়াল হলেও ইরানিরা নিজেদের মুদ্রাকে তুমান হিসেবে বলে আসছে।
[উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর- ২০১৯]
বিশ্বের প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গু টিকা:
- বিশ্বে প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গুর টিকা অনুমোদন দিয়েছে ব্রাজিল।
⇒ ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ব্রাজিলিয়ান কর্তৃপক্ষ এই টিকার অনুমোদন দিয়ে একে ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ অভিহিত করেছেন।
- উষ্ণতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বজুড়ে মশাবাহিত এই প্রাণঘাতী রোগ বাড়তে থাকার মধ্যে টিকার ব্যবহার শুরু করছে ব্রাজিল।
- ব্রাজিলের স্বাস্থ্য খাত নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা এনভিসা ১২ থেকে ৫৯ বছর বয়সী ব্যক্তিদের শরীরে বুটানটান–ডিভি নামের টিকাটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এই টিকা তৈরি করেছে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান বুটানটান ইনস্টিটিউট।
⇒ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে শুধু টিএকে–০০৩ নামে ডেঙ্গুর একটি টিকা আছে। এই টিকার দুই ডোজ নিতে হয় তিন মাসের ব্যবধানে।
- ব্রাজিলজুড়ে আট মাস ধরে পরীক্ষা চালানোর পর এক ডোজের এই টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এখন দ্রুততার সঙ্গে সহজে দেশজুড়ে ডেঙ্গুর টিকা দেওয়া যাবে।
উৎস: প্রথম আলো।
বাংলাদেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচিঃ
১৩ ডিসেম্বর ২০২০ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকা ‘কোভিশিল্ড (Covishield)' পেতে ভারতের সিরাম ইনষ্টিটিউটের সাথে ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ভ্যাকসিন প্রাপ্যতার নিশ্চয়তা, গুণগতমান, কার্যকারিতা ও উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ বিবেচনায় রেখে প্রথম ধাপে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন কেনা হবে। এতে সরকারের খরচ হবে ১,৫৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনে খরচ হবে ৬.২৫ ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৫৬০ টাকা।
১৩ কোটির বেশি মানুষকে বিনামূল্যে টিকা দেয়ার কথা ভাবছে সরকার। সারা দেশে করোনা টিকা দেয়ার খসড়া জাতীয় পরিকল্পনায় বলা হয়, সুষ্ঠুভাবে টিকা কেনা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের জন্য উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত কমিটি করা হবে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭,২৮,০৯,৩৮৫। টিকা পাবে ১৩,৮২,৪৭,৫০৮ (মোট জনসংখ্যার ৮০%)।
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি):
- বিশ্বের মুসলিম প্রধান দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন হচ্ছে ওআইসি।
- এর পুরো নাম Organization of Islamic Co-operation (OIC)।
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অনুষ্ঠিত এক ঐতিহাসিক সম্মেলনের মাধ্যমে OIC প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পেছনের প্রধান কারণ ছিল অধিকৃত জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনা।
- পরের বছর ১৯৭০ সালে জেদ্দায় প্রথমবারের মতো ইসলামী পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে স্থায়ী সচিবালয় জেদ্দায় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- বর্তমান ওআইসির সদস্যসংখ্যা ৫৭।
- বর্তমানে সংস্থাটির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হুসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২তম)।
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার মূল লক্ষ্য হলো মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং বিশ্বের দেড়শ কোটিরও বেশি মুসলমানের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করা।
তথ্যসূত্র- OIC ওয়েবসাইট।
• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।
অন্যদিকে,
- নাগোয়া প্রটোকল জৈব বৈচিত্র্য সম্পর্কিত কনভেনশন।
- কিয়োটো প্রটোকল জলবায়ু পরিবর্তন (Climate Change) এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস বিষয়ক চুক্তি।
- বাসেল কনভেনশন বিপজ্জনক বর্জ্য (Hazardous Waste) এর সীমান্ত অতিক্রমকারী চলাচল নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক চুক্তি।
তথ্যসূত্র: UNTC ওয়েবসাইট।
রিয়াল যেসব দেশের মুদ্রা:
- সৌদি আরব,
- ওমান,
- ইয়েমেন,
- কাতার,
- ইরান।
দিনার যেসব দেশের মুদ্রা:
- ইরাক,
- কুয়েত,
- জর্ডান,
- বাহরাইন,
- আলজেরিয়া,
- তিউনেশিয়া।
দিরহাম যেসব দেশের মুদ্রা:
- সংযুক্ত আরব আমিরাত,
- মরক্কো।
পাউন্ড যেসব দেশের মুদ্রা:
- মিশর,
- সিরিয়া,
- লেবানন।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া
উৎস: ব্রিটানিকা।
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু সভ্যতা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম নগর সংস্কৃতি।
- বিশ্বের তিনটি প্রাচীনতম সভ্যতার মধ্যে সিন্ধু সভ্যতা একটি। অন্য দুটি হলো মেসোপটেমিয়া এবং মিশরীয়। এর মধ্যে সিন্ধু সভ্যতা ছিল সবচেয়ে বিস্তৃত।
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সভ্যতাটি প্রথম চিহ্নিত করা হয়েছিল ১৯২১ সালে পাঞ্জাব অঞ্চলের হরপ্পাতে এবং তারপর ১৯২২ সালে মহেঞ্জোদারোতে।
- ধারণা করা হয় যে, দ্রাবিড় জাতি-এ সভ্যতা গড়ে তুলেছিল।
- উভয় স্থানই বর্তমান পাকিস্তানে যথাক্রমে পাঞ্জাব এবং সিন্ধু প্রদেশে অবস্থিত।
- মহেঞ্জোদারোর ধ্বংসাবশেষকে ইউনেস্কো কর্তৃক ১৯৮০ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল।
• হরপ্পা নগরীর পরিচয়:
- হরপ্পা সভ্যতার মানুষেরা প্রথম গ্রামীণ জীবন পরিত্যাগ করে চমৎকার নগর গড়ে তুলেছিল।
- সিন্ধুর উপনদী রাভীর তীরে গড়ে উঠেছিল হরপ্পা নগরী।
- নগরের দু'টো প্রধান অংশ ছিল। একটি অংশ সংরক্ষিত এলাকা বা দুর্গ। ধনী ও অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা দুর্গ এলাকায় বসবাস করতো। আর দরিদ্র মানুষদের বাস ছিল শহরের অন্য অংশে।
- দুর্গের বাইরে গড়ে উঠেছিল প্রকৃত শহর।
- হরপ্পা নগরের রাস্তাগুলো ছিল সোজা। কোথাও কোন বাঁক ছিল না। রাস্তাগুলো বেশ প্রশস্ত ছিল। প্রধান সড়কের প্রশস্ততা ছিল ৩৫ ফুট। সবচেয়ে কম প্রশস্ত রাস্তাটি ছিল ১০ ফুটের।
- সড়কের প্রান্তসীমার বাড়ীগুলো বৃত্তাকারে তৈরি করা হতো।
- নগরবাসীদের পানি সরবরাহের চমৎকার ব্যবস্থা ছিল। পথের ধারে কূপ খনন করা হতো। অনেক বাড়ির উঠোনেও কূপ ছিল। নগর জীবন পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য মাটির নীচে ড্রেন বানানো হতো। পৃথিবীর সকল প্রাচীন সভ্যতার মধ্যে সিন্ধু সভ্যতার এই ব্যবস্থাই ছিল সবচেয়ে আধুনিক। এছাড়াও বাড়িগুলোতে ছিল স্নানাগার ও ময়লা পানি বের হওয়ার উপযোগী ড্রেন। নগর কর্তৃপক্ষ রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্দেশ্যে পথের পাশে ডাষ্টবিন রাখার ব্যবস্থা ছিল। বাইরের শত্রু যাতে আক্রমণ করতে না পারে সেজন্য প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা ছিল। শহরের পশ্চিম প্রান্তে তৈরি করা হয়েছিল সুরক্ষিত দুর্গ।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
iii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
এশিয়া কাপ- ২০২৫:
- ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত এশিয়া কাপ- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে।
- টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে প্রতিযোগিতার সবকটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- এবারের আসরে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান মোট আটটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
- আটটি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।
- 'এ' গ্রুপে আছে ভারত, পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান এবং 'বি' গ্রুপে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও হংকং।
- প্রত্যেক দল গ্রুপ পর্বে ৩টি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) - এর উদ্যোগে প্রতিবছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়।
- ১৯৯০ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
উৎসঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল: খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- মিশরে প্রথম এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে।
- একটি ছিল উত্তর মিশর অপরটি দক্ষিণ মিশর।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য: লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- মিশরীয় সভ্যতার প্রথম দিকে তারা ছবি এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- পিরামিড: মিশরীয় স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। গিজার গ্রেট পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি।
- স্ফিংস: এটি ফারাও খাফরের শাসনকালে নির্মিত বিশাল মূর্তি।
- মিশরীয় সভ্যতায় বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করা হত। যেমন -
• পাতালের দেবতা - ওসিরিস,
• যুদ্ধ এবং শিকারের সাথে যুক্ত আকাশের দেবতা - হোরাস,
• সহিংসতা, মরুভূমি এবং ঝড়ের দেবতা - শেঠ,
• শেয়াল দেবতা - আনুবিস,
• জ্ঞানের দেবতা - থোথ।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: International Monetary Fund (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল)।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা: ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫।
- কার্যক্রম শুরু: ১মার্চ ১৯৪৭।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৯১টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন (২১ অক্টোবর ২০২৪)।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭২ সালে।
উৎস: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ওয়েবসাইট।
ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ABM Treaty:
- ABM-এর পূর্ণরূপ: Anti Ballistic Missile Treaty।
- এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti-Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয় ২৬ মে ১৯৭২ সালে।
- কার্যকর হয় ৩ অক্টোবর ১৯৭২ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তিটি বাতিল হয় ১৩ জুন ২০০২ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের ৬ মাস পরে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৩ ডিসেম্বর ২০০১-এ চুক্তি থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়।
উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
গড় আয়ুতে শীর্ষ দেশ:
- বিশ্বের অন্যতম ক্ষুদ্র দেশ মোনাকো।
- জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে গড় আয়ুতে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশ মোনাকো।
- দেশটির মানুষদের গড় আয়ু সাড়ে ৮৬ বছর।
- সেখানে পুরুষদের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ১৭ বছর ও নারীদের গড় আয়ু ৮৮ দশমিক ৬ বছর।
- মোনাকোর বাসিন্দাদের দীর্ঘ আয়ুর পেছনে খাদ্যাভ্যাস বড় ভূমিকা রাখে।
- দ্বিতীয়ত, দেশটির সরকার প্রদত্ত উন্নত স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা।
- বিশ্বে ২য় সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ সান মারিনো। ইউরোপের ছোট্ট এই দেশের মানুষের গড় আয়ু ৮৫ দশমিক ৪ বছর।
- পুরুষদের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ১৭ বছর ও নারীদের গড় আয়ু ৮৮ দশমিক ৬ বছর।
- ২০২৪ সালে হংকংয়ের বাসিন্দাদের গড় আয়ু ছিল বিশ্বে তৃতীয় সর্বোচ্চ। হংকংয়ে নারীদের গড় আয়ু ৮৮ দশমিক ৩ বছর ও পুরুষদের ৮৩ বছর।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
OPCW (Organisations for the Prohibitions of Chemical Weapons) রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এটি ১৯৯৭ সালের ২৯ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডস হেগ শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি।
- এটি ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায়।
- বর্তমান মহাপরিচালক ফার্নান্দো আরিয়াস।
তথ্যসূত্র- OPCW এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংবিধিবদ্ধভাবে ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশন গঠিত হয় ১৮৮৩ সালে।
- The Pendleton Civil Service Reform Act-1883 এর মাধ্যমে।
- ১৯৭৮ সালে ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশনে সংস্কার করে একে তিনটি প্রতিষ্ঠানে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়। এগুলো হলো:
- অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট
- দ্য মেরিট সিস্টেম প্রোটেকশন বোর্ড
- দ্য ফেডারেল লেবার রিলেশন অথরিটি।
উৎস: অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট।
সাভাক:
- পূর্ণরূপ- SAVAK (Organization of National Security and Information)।
- অর্গানাইজেশন অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি ওরফে সাভাক ছিল ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা।
- ১৯৫৭ সালে সিআইএ আর মোসাদের আদলে এটি গড়ে তোলা হয়।
- ইরানের সবথেকে ভয়ংকর সংগঠন ছিল এই সাভাক।
- সাভাকের অত্যাচার আর জিজ্ঞাসাবাদের পদ্ধতি ছিল ভয়ংকর।
- সাভাক তেহরানের কুখ্যাত এভরিন কারাগারসহ দেশজুড়ে অনেকগুলো নিজস্ব কারাগার পরিচালনা করতো।
- ১৯৭৯ সালে সাভাক বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য,
- ইরানের বর্তমান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম - MOIS
- ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ (Mossad), আমান (Aman)।
- মুখবরাত মিশরের গোয়েন্দা সংস্থার নাম।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
◉ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন। এই চুক্তি ১৯৭৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত হয়।
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সাথে প্রথম শান্তিচুক্তি করে।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে সম্মত হয় এবং মিশর আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
- এর ফলে ১৯৭৯ সালে দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে, এই চুক্তির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং অনেক আরব দেশ এর বিরোধিতা করে।
সূত্র - History.com ও ব্রিটানিকা।
• জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ হিসেবে প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়।
- ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।