বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন২৭,৩৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪৪ / ২৭২ · ৪,৩০১৪,৪০০ / ২৭,৩৪৭

৪,৩০১.
‘ইকোলজি’ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন কে?
  1. ক) আর্নেস্ট হেকেল
  2. খ) লেস্টার ব্রাউন
  3. গ) সুভনটে আরহেনিয়াস
  4. ঘ) নরম্যান বোরলগ
ব্যাখ্যা
‘ইকোলজি’ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান ভূতাত্ত্বিক আর্নেস্ট হেকেল।
‘ইকোলজি’ হলো পরিবেশের সাথে প্রাণীজগতের সম্পর্ক বিষয়ক বিদ্যা।
অন্যদিকে, সুইডিশ বিজ্ঞানী সুভনটে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে সর্বপ্রথম ‘গ্রিনহাউজ’ শব্দটি ব্যবহার করেন।
লেস্টার ব্রাউন প্রথম ‘জলবায়ু শরনার্থী’ সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন।
নরম্যান বোরলগ সবুজ বিপ্লবের জনক হিসেবে অভিহিত।
(সূত্র: ব্রিটানিকা এবং অ্যাকাডেমিয়া)
৪,৩০২.
সিয়াটো জোটের সদস্য ছিল -
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধত্তোর সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক ব্লকের মধ্যকার দ্বন্দ্ব স্নায়ুযুদ্ধ নামে পরিচিত।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে ১৯৫৪ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সিয়াটো (SEATO-Southeast Asian Treaty Organization) নামে সামরিক জোট গড়ে উঠে।

এই জোটের সদস্য ছিল ৮টি দেশ
এগুলো হলো:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- গ্রেট ব্রিটেন
- ফ্রান্স
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন এবং
- পাকিস্তান।

- সিয়াটো জোটের সদরদপ্তর ছিলো ব্যাংককে। পাকিস্তান ১৯৭৩ সালে সিয়োটো জোট ত্যাগ করে। ১৯৭৭ সালে সিয়োটো জোট আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
৪,৩০৩.
How many articles of CEDAW fund for the development of women?
  1. ক) 28
  2. খ) 20
  3. গ) 7
  4. ঘ) 30
ব্যাখ্যা
-- জাতিসংঘ নারীদের অধিকার রক্ষায় ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা Convention on the Elimination of Discrimination against Women (CEDAW) গ্রহণ করে।
-- এ কনভেনশন গৃহ নির্যাতন, প্রজনন, আইনগত, রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
-- (CEDAW) সনদে ধারা আছে- ৩০ টি
-- পরিচ্ছদ আছে-৬ টি।
-- সিডোর ধারাগুলো ৩ ভাগে বিভক্ত যথা: 
প্রথম ভাগ-(১-১৬) নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত।
দ্বিতীয় ভাগ-(১৭-২২) এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক।
তৃতীয় ভাগ- (২৩-৩০) প্রশাসনিক বিষয়।
-- ১ম স্বাক্ষরকারী দেশ- সুইডেন।
-- কমিটির প্রথম বাংলাদেশী সদস্য- সালমা খান।
-- বাংলাদেশ (CEDAW) অনুমোদন করে- ৪ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।
-- ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন গ্রুপের অন্যতম সদস্য হয়। 

তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (CEDAW)
৪,৩০৪.
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1.  তাজিকিস্তান
  2. উজবেকিস্তান
  3. কিরগিজস্তান
  4. তুর্কমেনিস্তান
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- স্বাক্ষরের তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬।
- স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ: ভারত ও পাকিস্তান।
- স্বাক্ষরের স্থান: তাসখন্দ, উজবেকিস্তান।
- মধ্যস্থতাকারী: সোভিয়েত ইউনিয়ন (Soviet Union)।
- উদ্দেশ্য: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ (১৯৬৫) শেষ করা ও শান্তি স্থাপন।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান দুই দেশের পক্ষে চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

৪,৩০৫.
ইউএস ওপেন ২০২৫ এ নারী এককে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কে?
  1. আরিনা সাবালেঙ্কা
  2. কোকো গাউফ
  3. জেসিকা পেগুলা
  4. নাওমি ওসাকা
ব্যাখ্যা

♦ ইউএস ওপেন ২০২৫:

⇒ নারী একক:
- চ্যাম্পিয়ন: আরিনা সাবালেঙ্কা।
- দেশ: বেলারুশ।
- রানার আপ: আমান্ডা আনিসিমোভা।

⇒ পুরুষ একক:
- চ্যাম্পিয়ন: কার্লোস আলকারাজ।
- রানার আপ: ইয়ানিক সিনার।

⇒ উল্লেখ্য গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি),
• ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে),
• উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে),
• ইউএস ওপেন (আগস্ট-সেপ্টেম্বর)।

তথ্যসূত্র - International Tennis Federation ওয়েবসাইট।

৪,৩০৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে শান্তিচুক্তি সাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ক) ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  2. খ) ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  3. গ) ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  4. ঘ) ০৫ মার্চ ২০২০
ব্যাখ্যা
দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসানকল্পে ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবান গোষ্ঠী ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। কাতারের রাজধানী দোহায় এই চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এতে আমেরিকার পক্ষে আফগান বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত জালমি খলিলজাদ এবং তালেবানের পক্ষে মোল্লা আব্দুল গানি স্বাক্ষর করেন। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আগামী ১৪ মাসে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা তার সকল সৈন্য প্রত্যাহার করবে। (সূত্রঃ সিএনএন)
৪,৩০৭.
বিশ্বের প্রথম কাঠের তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহের নাম কী?
  1. MoonSat
  2. LignoSat
  3. NipponSat
  4. OhsumiSat
ব্যাখ্যা
লিগনোস্যাট প্রোব (LignoSat):
- বিশ্বের প্রথম কাঠের তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহের নাম লিগনোস্যাট প্রোব (LignoSat)।
- এটি মূলত কাঠের তৈরি ছোট আকারের কৃত্রিম উপগ্রহ।
- এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘লিগনোস্যাট’।
- স্যাটেলাইটটি তৈরি করেছেন জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কোজি মুরাতা।

উল্লেখ্য,
- কাঠের তৈরি উপগ্রহটি তৈরিতে কাজ করেছে কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয় ও কাঠের বাড়ি-আসবাব তৈরির প্রতিষ্ঠান সুমিতোমো ফরেস্ট্রি।
- বর্তমানে সব কৃত্রিম উপগ্রহ ধাতব উপাদান দিয়ে তৈরি হয়।
- মহাকাশে দূষণ কমাতে কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরিতে ধাতব পদার্থের বদলে পরিবেশবান্ধব কাঠের মতো বিকল্প উপাদান কাজে লাগানো যায় কি না, সে ধারণা থেকেই লিগনোস্যাট তৈরি করা হয়েছে।
- ম্যাগনোলিয়া কাঠের তৈরি লিগনোস্যাট প্রোব নামের স্যাটেলাইটটি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে (আইএসএস) নানা পরীক্ষা–নিরীক্ষা চালানো হয়েছে।
- পরীক্ষায় দেখা গেছে, এ কাঠের তৈরি স্যাটেলাইট তুলনামূলক স্থিতিশীল ও ফাটল রোধী।
- চলতি গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রের রকেটে করে এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

উৎস: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, The Guardian।
৪,৩০৮.
ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট গঠিত হয় কার উদ্যোগে? 
  1. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. জার্মান
  3. চেকোস্লোভাকিয়া
  4. আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ প্যাক্ট:
- ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা বা ওয়ারশ প্যাক্ট হল একটি রাজনৈতিক ও সামরিক চুক্তি জোট যা ১৪ মে ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপীয় কয়েকটি দেশের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ন্যাটোর (NATO) বিকল্প সামরিক জোট হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি জোট গঠন করে।
- পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- এই জোটের উদ্দেশ্য ছিলো পুঁজিবাদী দেশগুলোর আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই ওয়ারশ প্যাক্ট বিলুপ্ত ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৩০৯.
'অলিভিয়া' একটি -
  1. ক) সমুদ্র বন্দর
  2. খ) স্থল বন্দর
  3. গ) নদী বন্দর
  4. ঘ) বিমান বন্দর
ব্যাখ্যা
- 'অলিভিয়া' সমুদ্র বন্দর ইউক্রেনে অবস্থিত।
- রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশের 'বাংলার সমৃদ্ধি' জাহাজটি ইউক্রেনের অলিভিয়া বন্দরে আটকা পড়েছিল।
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট 
৪,৩১০.
ফিনিশীয় সভ্যতা কোন অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল?
  1. মেসোপটেমিয়ায়
  2. নীল নদের অববাহিকায়
  3. ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূল
  4. মধ্য আমেরিকায়
ব্যাখ্যা

• ফিনিশীয় সভ্যতা (Phoenician Civilization):
- বর্তমান লেবানন এবং সিরিয়ার কিছু অংশ নিয়ে ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে এই প্রাচীন সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।

- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তারা স্থলপথের চেয়ে জলপথে বাণিজ্যে বেশি আগ্রহী ছিল।
- গ্রীকরা এদের নাম দিয়েছিল 'ফিনিশীয়' বা 'পার্পল পিপল' (Purple People), কারণ তারা এক ধরণের বিশেষ সামুদ্রিক শামুক থেকে রাজকীয় বেগুনি রং তৈরি করত এবং এর ব্যবসা করত।

• বর্ণমালা আবিষ্কার (Invention of Alphabet):
- ফিনিশীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের একটি সেট তৈরি করে, যা ছিল আধুনিক বর্ণমালার পূর্বপুরুষ।
- পরবর্তীতে গ্রীকরা এই বর্ণমালার সাথে স্বরবর্ণ (Vowels) যুক্ত করে এবং রোমানদের হাত ধরে তা বর্তমান ইংরেজি বর্ণমালায় রূপ নেয়।

• প্রধান নগর রাষ্ট্রসমূহ:
- ফিনিশীয়রা কোনো একক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেনি, বরং তারা ছোট ছোট স্বাধীন 'নগর রাষ্ট্র' বা 'সিটি স্টেটস'-এ বিভক্ত ছিল।
- তারা ছিল প্রাচীন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা।
- তারা ধ্রুবতারা দেখে দিক নির্ণয় করতে জানত, যাকে গ্রীকরা 'ফিনিশীয় তারা' বলত।

• কার্থেজ (Carthage):
- ফিনিশীয়রা ভূমধ্যসাগরের নানা স্থানে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল। এর মধ্যে উত্তর আফ্রিকায় (বর্তমান তিউনিসিয়া) অবস্থিত 'কার্থেজ' ছিল সবচেয়ে বিখ্যাত, যা পরবর্তীতে রোমান সাম্রাজ্যের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- আলেকজান্ডার ৩৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তাদের প্রধান শহর টায়ার দখল করে নিলে ফিনিশীয়দের রাজনৈতিক স্বাধীনতার অবসান ঘটে এবং তারা হেলেনিস্টিক সংস্কৃতির অংশ হয়ে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট  এবং বিশ্ব ইতিহাস এনসাইক্লোপিডিয়া।

৪,৩১১.
নিচের কোন সভ্যতার সময়কালে ওজন পরিমাপ ও দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছিল?
  1. সিন্ধু সভ্যতা
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. অ্যাসেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

◉ সিন্ধু সভ্যতার সময়কালে ওজন পরিমাপ ও দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছিল।

সিন্ধু সভ্যতার পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল। তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত। তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত। দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।
- মহেঞ্জোদারো নগরের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বাণিজ্যের অবস্থা যে ভাল ছিল তা এই সভ্যতায় পাওয়া নিদর্শন থেকে জানা যায়। ওজনের জন্য নগরবাসীরা বিভিন্ন পরিমাপের বাটখারা ব্যবহার করতো। ছোট বাটখারাগুলোর আকৃতি ছিল চারকোণা। আর বড়গুলো ছিল গোলাকার। কোন কোনটি ছিল কিছুটা কৌণিক। সাধারণত পাথর দিয়ে বাটখারা তৈরি করা হতো। বাটখারাগুলোর ওজন সমান থাকায় ধারণা করা হয় ওজনের ব্যাপারে সিন্ধু সভ্যতার লোকেরা সতর্ক ছিল। বড় বড় এবং ভারি জিনিস ওজন করার জন্য মহেঞ্জোদারোর নগরবাসীরা ব্রোঞ্জের স্কেল ব্যবহার করতো। ভারি বস্তু ওজন করার জন্য কাঠখণ্ড ব্যবহার করা হতো। কাঠখন্ডের এক প্রান্তে দ্রব্য বেঁধে ওজন করা হতো। কোন জিনিসের দৈর্ঘ্য মাপার জন্য মহেঞ্জোদারোর মানুষেরা স্কেল ব্যবহার করত। তাদের স্কেলের দৈর্ঘ্য ছিল ২০.৬২ ইঞ্চির সমান। পরিমাপদন্ডে নির্দিষ্ট ঘর কাটা হতো।

⇒ সিন্ধু সভ্যতা:
- পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- সিন্ধু সভ্যতার প্রকৃত নির্মাতা হচ্ছে দ্রাবিড়রা। এই সভ্যতার অধিবাসীরা ছিল দ্রাবিড়, অস্ট্রোলয়েড, ভূ-মধ্যসাগরীয় মঙ্গোলীয় এবং আলপানীয় গোত্রভুক্ত। এ কারণেই সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতি দ্রাবিড়ীয় সংস্কৃতি নামে পরিচিত।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ মোটামুটি নিশ্চিত হয়েছেন ২৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রলয়ঙ্করী বন্যা হয়েছিল। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো প্লাবিত হয় এই বন্যায়। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো শহর এভাবে ধ্বংস হয়ে যায়। বলা হয়ে থাকে, ক্রমাগত বন্যায় শহর দু'টি ধীরে ধীরে মাটির নীচে চাপা পড়েছে।


উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
iii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩১২.
জাতিসংঘের কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কোনটি?
  1. UN University
  2. United Nations System Staff College
  3. UN Women University
  4. UN University of Science & Technology
ব্যাখ্যা
UNSSC:
- জাতিসংঘের কর্মকর্তা কর্মচারীদের শিক্ষা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান United Nations System Staff College.
- এর পূর্ণরূপ United Nations System Staff College.
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০২ সালে।
- The UNSSC is an open, dynamic and engaged community committed to innovative learning and training programmes focused on public policy.
- বর্তমান পরিচালক হলো জাফর জাভান। (আগস্ট, ২০২৪)
- এর সদর দপ্তর হলো তুরিন, ইতালি।

তথ্যসূত্র - UNSSC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৩১৩.
কোন সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়?
  1. জেনেভা সম্মেলনে
  2. ভিয়েনা সম্মেলনে
  3. তেহরান সম্মেলনে
  4. ইয়ান্টা সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা সম্মেলন (Yalta Conference):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এ সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়। 

উল্লেখ্য,
- ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে একটি মীমাংসায় উপনীত হয়েছিলেন শীর্ষ নেতারা।
- বলা হলো যে, প্রস্তাবিত জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার দাযিত্ব থাকবে নিরাপত্তা পরিষদের হাতে।
- নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য থাকবে এবং তাদের অনুমোদন ছাড়া বিশ্ব শান্তি ও নিরপত্তার কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
- পরবর্তীকালে এটাকে বলা হয়েছে ভেটো শক্তি (Veto Power)।
- এ সম্মেলনে স্ট্যালিন নিরাপত্তা পরিষদের সকল প্রস্তাবে ভেটো ক্ষমতা ব্যবহারের দাবি প্রত্যাহার করতে সম্মত হন।
- স্থির হয় যে, কেবলমাত্র অপ্রণালীগত প্রস্তাবে যেমন বিশ্বশান্তি রক্ষা, যুদ্ধ বন্ধ ইত্যাদি প্রশ্নে ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করা যাবে।

উৎস: i) History.com
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস - ২, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩১৪.
'মারাকেশ চুক্তি'র মধ্যমে কোন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. EU
  2. IMF
  3. WTO
  4. Commonwealth
ব্যাখ্যা
মারাকেশ চুক্তি:
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে মরক্কোর মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে WTO প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর মাধ্যমে GATT-এর মাধ্যমে গ্যাট-এর উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ WTO:
- WTO-এর পূর্ণরূপ: World Trade Organization.
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।
৪,৩১৫.
সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখান করেছেন-
  1. পার্ল এস বাক
  2. জ্য পল সার্ত্রে
  3. সল বেলো
  4. কাহলিল জিবরান
ব্যাখ্যা

- সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার স্বেচ্ছায় প্রত্যাখ্যান করেছেন ফরাসি দার্শনিক, লেখক ও নাট্যকার জাঁ-পল সার্ত্র (Jean-Paul Sartre)।

• জাঁ-পল সার্ত্র (Jean-Paul Sartre): 
-
জন্ম: ২১ জুন ১৯০৫, প্যারিস, ফ্রান্স।
- জাঁ-পল সার্ত্র ছিলেন ২০শ শতাব্দীর ফরাসি দর্শন, সাহিত্য ও রাজনীতির একটি অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
- তিনি অস্তিত্ববাদ (Existentialism) দর্শনের প্রধান প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত, যা মানুষের স্বাধীনতা, দায়িত্ব এবং জীবনের অর্থ সৃষ্টির উপর জোর দেয়।

- ১৯৬৪ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
- তিনি ১৯৬৪ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেও ঐ পুরস্কার গ্রহণ করেননি। 
- সার্ত্রে বলেছিলেন যে তিনি সবধরণের সরকারি বা আনুষ্ঠানিক সম্মান প্রত্যাখ্যান করেন। 
- তিনি মনে করতেন যে, কোনো লেখককে যদি প্রতিষ্ঠানের অংশ বানিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তার স্বাধীনতা ও লেখার প্রভাব কমে যায়।
- সার্ত্র আরও বলেছিলেন যে, এই পুরস্কার গ্রহণ করলে তার লেখা পড়ার সময় পাঠকদের উপর একটা অবাঞ্ছিত চাপ তৈরি হবে।
- তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক গ্রন্থ: Being and Nothingness.

উল্লেখ্য, 
- বরিস পাস্তেরনাক (Boris Pasternak) ১৯৫৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
- প্রথমে তিনি পুরস্কার গ্রহণ করতে রাজি হয়েছিলেন।
- কিন্তু সোভিয়েত সরকারের চরম চাপ ও হুমকির কারণে তাকে বাধ্য হয়ে প্রত্যাখ্যান করতে হয়।


তথ্যসূত্র: 
i) Nobel Prize Website. (Link)
ii) Britannica.
iii) The Guardian. 

৪,৩১৬.
'গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রইকা' নীতি কবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১৯৮৩
  2. খ) ১৯৮৫
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
-  ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাস্তনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।
- পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- মিখাইল গর্ভাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম ও একমাত্র প্রেসিডেন্ট। 
- সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা।     

উৎস: হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৪,৩১৭.
পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW) কোথায় গৃহীত হয়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন ডিসি
  3. জেনেভা
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons (TPNW) বা পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি: 
- পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW)  যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্র কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের উপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করে।
- এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি, পরীক্ষা, উৎপাদন, অর্জন, অধিকার, মজুদ, ব্যবহার বা ব্যবহারের হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার।
- এই চুক্তি জাতীয় ভূখণ্ডে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন এবং নিষিদ্ধ কার্যকলাপ পরিচালনায় যেকোনো রাষ্ট্রকে সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করে।
- রাষ্ট্রপক্ষগুলি TPNW এর অধীনে ব্যক্তিদের দ্বারা বা তাদের এখতিয়ার বা নিয়ন্ত্রণাধীন ভূখণ্ডে গৃহীত যেকোনো কার্যকলাপ প্রতিরোধ এবং দমন করতে বাধ্য থাকবে। 
- গৃহীত হয়: নিউইয়র্কে। 
- গ্রহণের তারিখ: ৭ জুলাই ২০১৭ সাল। 
- স্বাক্ষরিত হয়: নিউইয়র্কে। 
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সাল। 
- কার্যকর: ২২ জানুয়ারী ২০২১ সাল। 
- স্বাক্ষরকারী: ৯৪টি। 
- পক্ষ: ৭৩টি।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
৪,৩১৮.
কোন দুইটি দেশের মধ্যে 'শাত-ইল-আরব' জলপথ নিয়ে দ্বন্দ রয়েছে?
  1. ইসরায়েল ও সিরিয়া
  2. জর্ডান ও ইরাক
  3. ইরান ও সিরিয়া
  4. ইরাক ও ইরান
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- 'শাত-ইল-আরব' দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের নদী।
- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৪,৩১৯.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) এর দশম লক্ষ্যমাত্রা কোনটি?
  1. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
  2. টেকসই শহর ও জনগণ
  3. বৈষম্য হ্রাস
  4. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ।
- SDGS-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) রয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১) দারিদ্র্য নির্মূল।
২) ক্ষুধামুক্তি।
৩) সুস্বাস্থ্য।
৪) মানসম্মত শিক্ষা।
৫) লিঙ্গ সমতা।
৬) বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন।
৭) সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
৮) উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
৯) শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো।
১০) বৈষম্য হ্রাস।
১১) টেকসই শহর ও জনগণ।
১২) পরিমিত ভোগ ও উৎপান।
১৩) জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ।
১৪) সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান।
১৫) স্থলভাগের জীবন।
১৬) শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।
১৭) অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র - SDG অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৩২০.
BIMSTEC-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. ভুটান
  2. থাইল্যান্ড
  3. ভারত
  4. বাংলাদেশ
  5. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
BIMSTEC:
- BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- এর পূর্বনাম ছিল BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation)।
- পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে M যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারণ করে।

উল্লেখ্য,
- এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি (বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড)।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।
- বিমসটেক এর বর্তমান মহাসচিব ইন্দ্রমণি পান্ডে।

এছাড়াও,
- BIMSTEC এর সর্বশেষ সদস্য দেশ নেপাল ও ভুটান।
- ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নেপাল ও ভুটান পূর্ণ সদস্য হয়।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
৪,৩২১.
ওয়ারশ প্যাক্ট স্বাক্ষরের স্থান কোনটি?
  1. পোল্যান্ড
  2. বেলজিয়াম
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. হাঙেরি
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ প্যাক্ট:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- স্বাক্ষর: ১৪মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা: ৮টি; সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৪,৩২২.
২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বল লাভ করেন কে?
  1. লিওনেল মেসি
  2. কিলিয়ান এমবাপে
  3. ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ
  4. জুলিয়ান আলভারেজ
ব্যাখ্যা
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২:

- ২০ নভেম্বর ২০২২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়।
- ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় কাতারে।
- আর্জেন্টিনা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২-এ চ্যাম্পিয়ন হয়।
- ফ্রান্স ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২-এ রানার্স আপ হয়।
- ক্রোয়েশিয়া ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২-এ তৃতীয় হয়।
• ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২-এ গোল্ডেন বল পায় লিওনেল মেসি।
• গোল্ডেন বুট- কিলিয়ান এমবাপে।
• গোল্ডেন গ্লাভস- ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
- ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২-এর বলের নাম আল রিহলা।
- কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ মাস্কটের নাম লাইব।

তথ্যসূত্র - ফিফা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৩২৩.
'ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক' এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. রিয়াদ, সৌদি আরব
  2. জেদ্দা, সৌদি আরব
  3. রাবাত, মরক্কো
  4. কায়রো, মিশর
ব্যাখ্যা
• ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (IDB):
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলনে IDB গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর IDB আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- প্রধান কার্যালয় / সচিবালয়: জেদ্দা।
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক বিনা সুদে ঋণ প্রদান করে।
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ তার কার্যক্রম শুরু করে।
- ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের বর্তমান প্রধান/প্রেসিডেন্ট: Dr. Muhammad Al Jasser। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)

উৎস: IDB এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৩২৪.
NPT-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Nuclear Power Treaty
  2. Nuclear Non-Proliferation Treaty
  3. Nuclear Peace Treaty
  4. Nuclear Prevention Treaty
ব্যাখ্যা

'NPT':
​- পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
​- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তির বিস্তার রোধ চুক্তি।
​- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
​- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
​- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
​- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

​উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।

৪,৩২৫.
নিচের কোন মুদ্রা Special Drawing Rights এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পাউন্ড
  2. ইয়েন
  3. রুবল
  4. ইউয়ান
ব্যাখ্যা
- রুবল Special Drawing Rights এর অন্তর্ভুক্ত নয়। 

• Special Drawing Rights (SDR):

- SDR একটি সংগৃহীত ও পরিপূরক বৈদেশিক বিনিময় মুদ্রা ব্যবস্থা যা IMF কর্তৃক প্রবর্তিত ও নিয়ন্ত্রিত।
- IMF ১৯৬৯ সালে Special Drawing Rights (SDR) সিস্টেম প্রবর্তন করে।
- SDR কে IMF এর ভার্চুয়াল মুদ্রাও বলা হয়।

IMF স্বীকৃত পাঁচটি আন্তর্জাতিক মুদ্রার গড় বিনিময় হারের মাধ্যমে এটির মান নির্ধারিত হয়। 
→ মার্কিন ডলার,
→ ইউরো,
→ ইউয়ান,
→ ইয়েন,
→ পাউন্ড
--------------------------

• IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ International Monetary Fund.
- IMF কাজ শুরু করে ১৯৪৭ সালে।
- জাতিসংঘ কর্তৃক অনুমোদিত স্বায়ত্তশাসিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) নতুন তহবিল থেকে প্রথম ঋণ পায়।
- ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডসে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ১ মার্চ ১৯৪৭ কার্যক্রম শুরু করা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF
- এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- সংস্থাটি স্বল্প আয়ের দেশে সুবিধাজনক ঋণ সহায়তা দিয়ে থাকে।

সূত্র: IMF ওয়েবসাইট।
৪,৩২৬.
'Free and Open Indo-Pacific' (FOIP) কৌশলটির উদ্ভাবক কে?
  1. বারাক ওবামা 
  2. শিনজো অ্যাবে
  3. শি জিনপিং
  4. বরিস জনসন
ব্যাখ্যা

'Free and Open Indo-Pacific' (FOIP):
- 'Free and Open Indo-Pacific' (FOIP) বা মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলটির উদ্ভাবক হলেন জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে।
- তিনি ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে কেনিয়ার নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত Sixth Tokyo International Conference on African Development (TICAD VI)-এর একটি ভাষণে এই ধারণাটি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন। 
- তাঁর এই ধারণাটি এশিয়া ও আফ্রিকা এবং প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে সংযোগ ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি। 
- পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ অন্যান্য দেশ এই ধারণা গ্রহণ করে নিজস্ব ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

উৎস: Ministry of Foreign Affairs of Japan ওয়েবসাইট।

৪,৩২৭.
সাংবাদিকতায় 'পুলিৎজার পুরস্কার' কোন সাল থেকে প্রদান করা হয়?
  1. ১৯১৭ সাল
  2. ১৯৩৫ সাল
  3. ১৯৫৭ সাল
  4. ১৯৭১ সাল
ব্যাখ্যা
পুলিৎজার পুরস্কার:
- যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুলিৎজার পুরস্কার সাংবাদিকতার ‘নোবেল’ হিসেবে খ্যাত। 
- ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত, নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
- কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি বোর্ড প্রতিবছর পুরস্কার ঘোষণা করে। 
 
উল্লেখ্য,
 - ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ নিয়ে খবর প্রকাশের জন্য ২০২৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) ও যুদ্ধ নিয়ে খবরাখবর তুলে ধরায় পুরস্কার পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।
- পুলিৎজারে সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার হিসেবে ধরা হয় পাবলিক সার্ভিস (জনসেবা) অ্যাওয়ার্ডকে।
 
উৎস: The Pulitzer Prizes ওয়েবসাইট।
৪,৩২৮.
World's first artificial satellite made of wood is -
  1. Delta DM=9
  2. NipponSat probe
  3. LignoSat probe
  4. OhsumiSat
ব্যাখ্যা
লিগনোস্যাট প্রোব:
- বিশ্বের প্রথম কাঠের তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহের নাম লিগনোস্যাট প্রোব।
- এটি মূলত কাঠের তৈরি ছোট আকারের কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- স্যাটেলাইটটি তৈরি করেছেন জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কোজি মুরাতা।
- ম্যাগনোলিয়া কাঠের তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে।
- এতে দেখা গেছে, কাঠের তৈরি হলেও এটি টেকসই হতে পারে।
- মহাকাশে দূষণ কমাতে কৃত্রিম উপগ্রহ তৈরিতে ধাতব পদার্থের বদলে পরিবেশবান্ধব কাঠের মতো বিকল্প উপাদান কাজে লাগানো যায় কি না, সে ধারণা থেকেই লিগনোস্যাট তৈরি করা হয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের একটি রকেটের মাধ্যমে এই কাঠের কৃত্রিম উপগ্রহ আনুষ্ঠানিকভাবে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করার পরিকল্পনা করেছে জাপান।

উৎস: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, The Guardian।
৪,৩২৯.
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ইতালি
  2. পোল্যান্ড
  3. ইউক্রেন
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC):
- ICC-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Court.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ (রোম সংবিধির মাধ্যমে)।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১ জুলাই, ২০০২।
- সদরদপ্তর: দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- এর সদস্য: ১২৫টি [সর্বশেষ (১২৫তম) সদস্য: ইউক্রেন]।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: তোমোকো আকানেকে (২০২৪-২০২৭ সাল)।

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।

৪,৩৩০.
বুদ্ধগয়া কোন ধর্মের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত?
  1. জৈনধর্ম
  2. শিখধর্ম
  3. বৌদ্ধধর্ম
  4. ইহুদি ধর্ম
ব্যাখ্যা
বুদ্ধগয়া বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত।

গৌতম বুদ্ধ:

- গৌতম বুদ্ধের ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ।
- তাঁর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে। 
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।

⇒ বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
- তাঁর মৃত্যু কুশিনারা, মাল্লা প্রজাতন্ত্র, মগধ রাজ্যে।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।
- সারনাথ একটি উদ্যান যেখানে গৌতম বুদ্ধ সর্বপ্রথম ধর্ম নিয়ে ভেবেছিলেন। এই স্থানটি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানাশী শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৪,৩৩১.
NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কয়টি? 
  1. ৯টি 
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি 
ব্যাখ্যা

• NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।             
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয় :  হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে:  আঙ্কারা, তুরস্ক।  

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

৪,৩৩২.
UNDP -এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রোম
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

United Nations Development Programme (UNDP):
- UNDP -এর পূর্ণরূপ - United Nations Development Programme।
- এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর একটি কর্মসূচি।
- প্রতিষ্ঠা - ২২ নভেম্বর, ১৯৬৫।
- সদর দপ্তর - নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান প্রশাসক - অসিম স্টেইনার (জার্মানি)।
- উদ্দেশ্য - উন্নয়নশীল দেশে সম্পদের পরিকল্পিত ব্যাবহার ও সম্পদ আহরণে সহায়তা প্রদান।
- UNDP প্রত্যেক বছর Human Development Index (HDI) প্রতিবেদন প্রণয়ন করে। 
- UNDP বিশ্বের ১৭০টি দেশ ও অঞ্চলে দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করছে।
- UNDP এর প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে ২০৩০ সালের মধ্যে SDG এর ১৭ টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করা হবে। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

৪,৩৩৩.
নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা কবে নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন?
  1. ৭ জুন, ১৯৯৪
  2. ১১ জুন, ১৯৯৪
  3. ১ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১২ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা ১১ জুন, ১৯৯৪ তারিখে নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন।

নাইজেরিয়া:
- নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- এটি আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল এবং তেল সমৃদ্ধ দেশ।
- এর পশ্চিমে বেনিন, পূর্বে চাদ ও ক্যামেরুন, উত্তরে নাইজার এবং দক্ষিণে গিনি উপসাগর অবস্থিত।
- এটি ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিল।
- রাজধানী: আবুজা।
- বৃহত্তম শহর: লেগোস। 
- ভাষা: ইংরেজি। 
- মুদ্রা: নাইজেরিয়ান নাইরা। 

উৎস: Britannica.
৪,৩৩৪.
‘ফেস্টিভ্যাল দে কানস’ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
কান চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৪:
- দক্ষিণ ফ্রান্সের সমুদ্র তীরবর্তী কান শহরে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব ‘ফেস্টিভ্যাল দে কানস’।
- চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যতম বড় প্রদর্শনীর নাম কান চলচ্চিত্র উৎসব।
- এটি বিশ্বের চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও প্রযোজকদের অন্যতম একটি মিলনমেলা।
- ১৯৪৬ সালে প্রথম কান চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- আসরের সেরা পুরস্কার ‘পাম দি’অর’ বা ‘স্বর্ণপাম’ প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৫৫ সালে।
- প্রতিবছরের মে মাসে ১২ দিনের জন্য এ আসর অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ ২০২৪ সালে ৭৭তম কান চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিজয়ীদের তালিকা:
- স্বর্ণপাম: আনোরা (শন বেকার, যুক্তরাষ্ট্র),
- গ্র্যাঁ প্রিঁ: অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট (পায়েল কাপাডিয়া, ভারত),
- জুরি প্রাইজ: এমিলিয়া পেরেস (জ্যাক অদিয়াঁর, ফ্রান্স),
- স্পেশাল জুরি প্রাইজ: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান),
- সেরা অভিনেতা: জেসি প্লেমন্স (কাইন্ডস অব কাইন্ডনেস, যুক্তরাষ্ট্র),
- সেরা অভিনেত্রী: সেলেনা গোমেজ, জোয়ি স্যালডানা, আদ্রিয়ানা পাজ, কার্লা সোফিয়া গাসকোন (এমিলিয়া পেরেস),
- সেরা পরিচালক: মিগেল গোমেজ (গ্র্যান্ড ট্যুর, পর্তুগাল),
- সেরা চিত্রনাট্যকার: কোরালি ফারজাঁ (দ্য সাবস্ট্যান্স, ফ্রান্স),
- সেরা চলচ্চিত্র: ব্ল্যাক ডগ (গুয়ান হু, চীন)।
 
উৎস: Festival de Cannes ওয়েবসাইট।
৪,৩৩৫.
১৯৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ?
  1. আর্জেন্টিনা
  2. ব্রাজিল
  3. জার্মানি
  4. উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা

- ১৯৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে।
- উরুগুয়ের মন্টেভিডিওতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে তারা আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে। 
- ২২তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় - ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর – ১৮ ডিসেম্বর কাতারে। চ্যাম্পিয়ন হয়  আর্জেন্টিনা (৩৬ বছর পর)। 

ফিফা: 
- ফিফা (Federation of International Football Association) হলো আন্তর্জাতিক ফুটবলের শীর্ষ সংস্থা,
- এর প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২১ মে, ১৯০৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠার সময় ফিফার সদস্য দেশ ছিল মাত্র ৭টি।
- বর্তমানে, ফিফার সদস্য দেশের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২১১টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।

সূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট।  

৪,৩৩৬.
সম্প্রতি কোন দেশের সাথে বেলারুশের সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. চীন
  2. ব্রাজিল
  3. রাশিয়া
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
• চীন-বেলারুশ সামরিক চুক্তি:
- বেলারুশ সফরে গিয়েছেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সেখানেই দুই দেশের মধ্যে  সামরিক  চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- বেলারুশের প্রধান আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে বৈঠক এই চুক্তি করেন  চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফু।
- বেলারুশের প্রতিরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই  চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পরম মিত্রদেশ বেলারুশ ও চীন। 
- বেলারুশ প্রতিরক্ষার বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে চীন ও রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল।
- এই দুই বন্ধুদেশই বেলারুশের সবসময় পাশে থাকে।

উৎস: মানবজমিন ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৩৩৭.
আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থার সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. মাদ্রিদ, স্পেন
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
IMO:
- IMO-এর পূর্ণরূপ: International Maritime Organization.
- আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সাল।
- কার্যকর হয়: ১৯৫৮ সাল।
- সদরদপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য
- বর্তমান সদস্য: ১৭৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য: কিরগিজস্তান।
- বর্তমান মহাসচিব: আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল Inter-governmental Maritime Consultative Organization।
- ১৯৮২ সালে IMO নামধারণ করে।

⇒ এর ধারনা গ্রহণ করা হয় ১৯১৪ সালে টাইটানিক দুর্ঘটনার পরে।
- IMO-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯৪৮ এর জেনেভা সম্মেলনে।

⇒ IMO-এর ১৭০ টিরও বেশি সদস্য রয়েছে এবং একজন সেক্রেটারি-জেনারেলের নেতৃত্বে রয়েছেন।
- সেক্রেটারি-জেনারেল চার বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
- এর কাউন্সিল ৪০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত এবং এরা বছরে দুবার বৈঠকে মিলিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IMO ওয়েবসাইট।
৪,৩৩৮.
বর্তমানে ইউরোপের কোন দেশে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশন চলমান রয়েছে?
  1. বসনিয়া
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. জর্জিয়া
  4. কসোভো
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী:
- বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘ ১৯৪৮ সালে মধ্যপ্রাচ্যে জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষক নিয়োগের মধ্য দিয়ে মূলত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের শুরু হয়।
- এর পর থেকে প্রায় ১১৫টি সদস্য রাষ্ট্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ৮ লক্ষাধিক সদস্য কাজ করেছে।
- জাতিসংঘ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিন, কঙ্গো, ইরিনিয়া, সোমালিয়া, হাইতি, সেনেগাল, কেনিয়া, রুয়ান্ডা, পূর্ব তিমুরসহ ৪৮টি রাষ্ট্রে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
- আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে।
- শান্তিরক্ষা চলমান মিশন ১১টি।
- ইউরোপের কসোভোতে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশন চলমান রয়েছে।

 

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৪,৩৩৯.
How many states are in India?
  1. ক) 27
  2. খ) 28
  3. গ) 29
  4. ঘ) 30
ব্যাখ্যা
ভারতে রাজ্য সংখ্যা:

- বর্তমানে ভারতে রাজ্য সংখ্যা ২৮টি।
- ৫ আগস্ট, ২০১৯ সালে ভারত সরকার কাশ্মীর রাজ্যের প্রাদেশিক মর্যাদা তুলে নিয়ে কেন্দ্রশাসিত দুটি অঞ্চলে বিভক্ত করেছে।
- পূর্বে ভারতের রাজ্য সংখ্যা ছিল ২৯টি। ভারতের সর্বশেষ রাজ্য তেলেঙ্গানা।
- বর্তমানে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ৮টি।

তথ্যসূত্র - ভারতের সরকারি ওয়েবসাইট।
৪,৩৪০.
Joint Expeditionary Force মূলত কোন অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করে?
  1. দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগর
  2. মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল 
  3. পূর্ব আফ্রিকা
  4. উত্তর ইউরোপ ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা

Joint Expeditionary Force:
- Joint Expeditionary Force হলো যুক্তরাজ্য-নেতৃত্বাধীন একটি উত্তর ইউরোপীয় সামরিক জোট।
- এই জোট সংকট মোকাবিলায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম। 
- গঠিত হয়: ২০১৪ সালে।
- সদস্য দেশ: ১০টি।
- সদস্য দেশসমূহ: যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে এবং সুইডেন।
- উদ্দেশ্য: উত্তর ইউরোপ এবং উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত সংকট মোকাবিলায় প্রতিক্রিয়া জানানো।
- কার্যকারিতা: জেইএফ-এর নিজস্ব বাহিনী আছে যা প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত মোতায়েন করা যায়। প্রয়োজনে এটি NATO, UN বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনেও কাজ করতে পারে।

উল্লেখ্য, 
- ৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে জেইএফ-এ ‘বর্ধিত অংশীদারিত্ব’ মর্যাদা পেয়েছে ইউক্রেন।

উৎস: Joint Expeditionary Force ওয়েবসাইট। [link]

৪,৩৪১.
কোন অধিবাসীদের দিনেমার বলা হয়?
  1. ক) হল্যান্ড
  2. খ) পর্তুগিজ
  3. গ) ডেনমার্ক
  4. ঘ) আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- ডেনমার্কের অধিবাসীদের দিনেমার বলা হয়।

দিনেমার:
- ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দে দিনেমারগণ উপমহাদেশে বাণিজ্য করার জন্য ‘দিনেমার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- দক্ষিণ ভারতের ত্রিবাঙ্কুরে ও কলকাতার শ্রীরামপুরে তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।

অন্যদিকে
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে। 
- বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক ‘ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস,প্রথম পত্র,এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৪২.
নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ বন্ধ রাখা সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. ক) রটারড্যাম কনভেনশন
  2. খ) মিনামাতা কনভেনশন
  3. গ) বামাকো কনভেনশন
  4. ঘ) লন্ডন কনভেনশন
ব্যাখ্যা
লন্ডন কনভেনশন (London Convention)
• লন্ডন কনভেনশনের পূর্ণনাম - London Convention on the Prevention of Marine Pollution by Dumping of Wastes and Other Matter।
• নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি করা হয়।
• আন্তর্জাতিক উপকূলীয় সংস্থা (IMO) - এর সহায়তায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
• চুক্তি অনুমোদন - ১৯৭২ সাল।
• চুক্তি কার্যকর - ১৯৭৫ সাল।
• চুক্তিবদ্ধ পক্ষ - ৮৭টি দেশ।

অন্যদিকে,
• মিনামাতা কনভেনশন - পারদের বিপজ্জনক ব্যবহার রোধ করার জন্য UNEP - এর তত্ত্ববধানে মিনামাতা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
• রটারড্যাম কনভেনশন - মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কয়েকটি রাসায়নিক দ্রব্যের বাণিজ্য (কেনাকাটা ও আমদানি-রপ্তানি) নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
• বামাকো কনভেনশন - আফ্রিকায় বিপদজনক ও তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক আমদানি নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি হচ্ছে - বামাকো কনভেনশন।

তথ্যসূত্র:- IMO Website ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪,৩৪৩.
জাতিসংঘ গৃহীত ‘টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট’ অর্জনের সময়সীমা কোনটি?
  1. ক) ২০১০-২০২৫ সাল
  2. খ) ২০১৫-২০৩০ সাল
  3. গ) ২০১৮-২০৩৩ সাল
  4. ঘ) ২০২০-২০৩৫ সাল
ব্যাখ্যা
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়সীমা অতিবাহিত হওয়ার পর জাতিসংঘ ‘টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট’ গ্রহণ করেছে।
- এই অভিষ্টে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ‘টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট’ গৃহিত হয়।
- এগুলো অর্জনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে।
লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
(সূত্রঃ SDG ওয়েবসাইট)

এই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর হলো ২০১৬-২০৩০ সাল। যেহেতু প্রশ্নের অপশনে সুনির্দিষ্ট উত্তরটি নেই তাই অপশন বিবেচনায় ২০১৫-২০৩০ সাল সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে।
৪,৩৪৪.
লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল এর সদর দপ্তর-
  1. লস এঞ্জেলস, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইলিনয়, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
লায়ন্স ক্লাব (Lion's Club):

• ‘লায়ন্স ক্লাব’ - বিশ্বের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের দ্বারা গঠিত একটি অরাজনৈতিক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
• এই সংস্থাটি ক্লাবের সদস্যদের কমিউনিটিকে সেবাদান ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার লক্ষ্যে গড়ে উঠেছে।
• প্রতিষ্ঠাকাল - ৭ জুন, ১৯১৭ সাল। 
• সদরদপ্তর - ইলিনয়, যুক্তরাষ্ট্র। 
• স্লোগান/Motto - "We Serve".
• প্রতিষ্ঠাতা: যুক্তরাষ্ট্রের মেলভিন জোন্স নামের এক ব্যবসায়ী।
• বর্তমানে এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ত্রাণ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছে।
• ১৯২০ সালে এটি আন্তর্জাতিকীকরণ করা হয়। এই ক্লাবের সদস্যদের Lion বলা হয়।

- রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা: পল হ্যারিস।

উৎস: লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট। 
৪,৩৪৫.
পূর্ব ইউরোপের দেশ কোনটি?
  1. সুইডেন
  2. ইউক্রেন
  3. এস্তোনিয়া
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ইউক্রেন:
- ইউক্রেন পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
- দেশটির আয়তন ৬০৩,৫৪৯ বর্গ কিমি।
- ভাষা: ইউক্রেনীয় (অফিসিয়াল), রাশিয়ান, রোমানিয়ান, পোলিশ, হাঙ্গেরিয়ান, বেলারুশিয়ান, বুলগেরিয়ান।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (বেশিরভাগই পূর্ব অর্থোডক্স; এছাড়াও অন্যান্য খ্রিস্টান, রোমান ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট), ইসলাম।
- মুদ্রা: রিভনিয়া।
- ইউক্রেনের পশ্চিমে পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরি, দক্ষিণ-পশ্চিমে রোমানিয়া ও মলদোভা, দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগর, পূর্বে ও উত্তর-পূর্বে রাশিয়া এবং উত্তরে বেলারুস।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।
- ইউরোপের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত ইউক্রেনের উর্বর ভূমিতে গম, সানফ্লাওয়ার এবং অন্যান্য দানাদার জাতীয় শস্য প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়।
- এজন্য ইউক্রেনকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়।

পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ।
• বুলগেরিয়া।
• চেক প্রজাতন্ত্র।
• হাঙ্গেরি।
• পোল্যান্ড।
• মলদোভা।
• রোমানিয়া।
• রাশিয়া।
• স্লোভাকিয়া।
• ইউক্রেন।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৪,৩৪৬.
কোন যুদ্ধের ফলে ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়?
  1. ক) ত্রাজিমিন যুদ্ধ
  2. খ) ট্রাফালগার যুদ্ধ
  3. গ) ট্রোজান যুদ্ধ
  4. ঘ) ওয়াটারলু যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ট্রয় নগরী: 
- হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত।
- প্রায় সোয়া তিন হাজার বছর আগে যে জনপদ ধ্বংস হয়েছিল, সেই সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী স্পার্টার রানি ও ট্রয় রাজপুত্র প্যারিসের প্রেমিকা হেলেনের জন্য।
- ট্রয় এর ধ্বংসের কারণ হেলেনকেন্দ্রিক ঐতিহাসিক ট্রোজান যুদ্ধ
- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করা সম্ভব হয়।
- গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

উৎস: প্রথম আলো(প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০১৬)।
৪,৩৪৭.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ কোনটি?
  1. নিউ গিনি
  2. গ্রীনল্যান্ড
  3. বোর্নিও
  4. মাদাগাস্কার
ব্যাখ্যা
গ্রীনল্যান্ড: 
- গ্রীনল্যান্ড বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রীনল্যান্ড (স্থানীয় ভাষায় কালালিত নুনাত) পরিচিত এর বিশাল তুন্দ্রা অঞ্চল ও বিশাল হিমবাহের জন্য।
- যদিও গ্রীনল্যান্ড এখনো ডেনমার্ক রাজ্যের অংশ, দ্বীপটির হোম-রুল সরকার বেশিরভাগ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে দায়িত্ব পালন করে।
- গ্রীনল্যান্ডের মানুষ প্রধানত ইনুইট, যারা অঞ্চলভেদে নিজেদের ভিন্ন নামে ডাকেন। 
- পশ্চিম গ্রীনল্যান্ডের বাসিন্দারা নিজেদের কালালিত বলে। 
- থুলে জেলার লোকেরা নিজেদের ইনুগুইট। 
- আর পূর্ব গ্রীনল্যান্ডের লোকেরা নিজেদের আইট বলে পরিচয় দেন।
- তাঁরা তাঁদের মাতৃভূমিকে বলেন কালালিত নুনাত, অর্থাৎ “গ্রীনল্যান্ডবাসীদের দেশ”।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানীর নাম নুক (ডেনিশ ভাষায় গোথহোব)।

এছাড়া,
- নিউ গিনি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। 
- বোর্নিও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। 
- মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ।

উৎস: Britannica.
৪,৩৪৮.
সামরিক ঘাঁটি 'জয়েন্ট বেস এলমেনডর্ফ-রিচার্ডসন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  2. দোহা, কাতার
  3. আলাস্কা, যুক্তরাষ্ট্র
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- জয়েন্ট বেস এলমেনডর্ফ-রিচার্ডসন (Joint Base Elmendorf-Richardson) অবস্থিত আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজ শহরে। 

জয়েন্ট বেস এলমেনডর্ফ-রিচার্ডসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের অ্যাঙ্কোরেজের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত ‘জয়েন্ট বেস এলমেনডর্ফ-রিচার্ডসন’ আলাস্কার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি।
- ৬৪ হাজার একর আয়তনের এই ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর আর্কটিক অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে একটি প্রধান কেন্দ্র।
- ১৯৫৭ সালে ঘাঁটিটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় অবস্থায় ছিল। সে সময় এখানে ২০০টি যুদ্ধবিমান, একাধিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ও সতর্কীকরণের জন্য রাডার সিস্টেম মোতায়েন ছিল।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত ইউনিয়নের হামলার আশঙ্কা মোকাবিলায় আকাশ প্রতিরক্ষাকেন্দ্র ও কেন্দ্রীয় কমান্ড পয়েন্ট হিসেবে ঘাঁটিটি ব্যবহৃত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৫ আগস্ট, ২০২৫ এই ঘাঁটিতে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠক হয়।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

৪,৩৪৯.
আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO) এর সদস্য দেশ কতটি?
  1. ১৯০টি
  2. ১৯১টি
  3. ১৯২টি
  4. ১৯৩টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা:
- পূর্ণরূপ- International Civil Aviation Organization (ICAO)
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। 
- প্রতিষ্ঠাকাল– ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৪
- প্রতিষ্ঠার স্থান– শিকাগো, যুক্তরাষ্ট্র।
- সদস্য দেশ– ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর– মন্ট্রিল, কানাডা।
- International Civil Aviation Day– ৭ ডিসেম্বর।
- বতর্মানে 'শিকাগো কনভেনশন' নামে পরিচিত।

উৎস: ICAO ওয়েবসাইট।
৪,৩৫০.
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কত সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি:
- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা  আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
- সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তিনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ। দেশের সব বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সম্মতি দরকার হয়। এমনকি ইরান পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী হবে কিনা অথবা জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থাকে সহযোগিতা করবে কিনা, এসবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি দেন।
- আলি খামেনেয়ী রুহুল্লাহ খোমেনীর উত্তরসূরি হিসেবে খোমেনীর মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় ইরানের শাসন পদ্ধতি বেশ আলাদা।
- সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বা সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হলেও দেশের মূল ক্ষমতা রয়েছে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার হাতে।

⇒ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনের এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।
- ১৯৬২ সালে আলী খামেনি শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধাচরণকারী আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর আলী খামেনি বিপ্লবী পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরকে সংগঠিত করতে সহায়তাও করেন। এই বিপ্লবী গার্ড ইরানের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ১৯৮১ সালে দেশটির বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ-আলী রাজাইকে হত্যা করে।
- রাজাইয়ের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আট বছর ধরে আনুষ্ঠানিক এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি।
- ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।

উৎস: i) BBC.
ii) Middle East Eye.

৪,৩৫১.
কোন চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ সমূহে একক মুদ্রা ইউরো চালু হয়?
  1. লুক্সেমবার্গ চুক্তি
  2. মাস্ট্রিক্ট চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. ব্রাসেলস চুক্তি
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- ১ নভেম্বর  ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক  ও রাজনৈতিক জোট।
- ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ সালে  নেদারল্যান্ড এর  মাস্ট্রিক্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন  ও  ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ সমূহ একক মুদ্রা  ইউরো চালু হয়। 
- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ - ২৭টি। 
- এর সদর দপ্তর - ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য -৬টি।
- যথা- বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মান, ইতালি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ড।
- ক্রোশিয়া শেনজেন এবং ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে ১ জানুয়ারি ,২০২৩ সালে।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।

৪,৩৫২.
'Convention on Wetlands' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. কাতার
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
• রামসার কনভেনশন:
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ সমূহ 'Convention on Wetlands' নামক একটি চুক্তিতে সাক্ষর করেন।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 171
• বাংলাদেশ ও রামসার:
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্ট (২১ মে ১৯৯২) ও  টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট। 
৪,৩৫৩.
ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ১৯৭৫ সালে 
  2. ১৯৮০ সালে 
  3. ১৯৮৫ সালে 
  4. ১৯৯০ সালে  
ব্যাখ্যা

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার- সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার নামেও পরিচিত।
- সোমপুর মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- প্রায় ৩০০ বছর ধরে এটি বৌদ্ধদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মচর্চা ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- বর্তমানে এটি একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মকেন্দ্র।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষ ভাগে বা নবম শতকের শুরুতে এই মহাবিহার নির্মাণ শুরু করেন।
- ১৮৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপত্যকীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ভারতের নালন্দা মহাবিহার-এর সঙ্গে তুলনীয়।
- অনেকের মতে, এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধবিহার।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাপিডিয়া। 

৪,৩৫৪.
কত তারিখে জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়?
  1. ১৮ এপ্রিল, ১৯৪৬
  2. ১৯ এপ্রিল, ১৯৪৬
  3. ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬
  4. ২১ এপ্রিল, ১৯৪৬
ব্যাখ্যা
জাতিপুঞ্জ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৪১টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়: ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

⇒ সুদীর্ঘ আলোচনা এবং বিতর্কের পর এই প্রস্তাবনাকে একটি নীতিমালায় রূপান্তরিত করা হয়।
- আন্তর্জাতিক নেতাদের সমঝোতার মাধ্যমে শেষপর্যন্ত ১৯১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি লিগ অফ নেশনস নামে একটি সংগঠন গঠনের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাবনা পেশ করা হয়।
- সেবছর ২৮ জুন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটিয়ে স্বাক্ষর করা ভার্সাই চুক্তির প্রথম অংশে এই সংগঠন গঠন করার প্রস্তাবনা যুক্ত করা হয়।
- জাতিপুঞ্জের নিয়মপত্রে স্বাক্ষর করেন বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া ৩১ দেশসহ ৪৪ দেশের রাষ্ট্রনায়কগণ।
- ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে ভার্সাই চুক্তি কার্যকর হয়।

[জাতিপুঞ্জের বিলুপ্তির তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। ব্রিটানিকা অনুসারে ১৯ এপ্রিল, ১৯৪৬ তারিখে জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়। কিন্তু জাতিসংঘের ওয়েবসাইট অনুসারে, ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ তারিখে জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়। তাই ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ অধিক গ্রহণযোগ্য। বিস্তারিত জানার জন্য তথ্যকল্পদ্রুপ-৩০ দেখতে পারেন।]

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
৪,৩৫৫.
হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান কে ছিলেন?
  1. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. শায়েস্তা খাঁ
  3. ঈশা খাঁ
  4. হোসেন শাহ্‌
ব্যাখ্যা
হোসেন শাহ (১৪৯৪-১৫১৯) বাংলার হোসেনশাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি হাবশী সুলতান শামসুদ্দীন মুজাফফর শাহের উজির ছিলেন। তিনি সুলতানকে হত্যা করে সিংহাসন অধিকার করেন।
- ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি নেতৃস্থানীয় আমীরদের দ্বারা সুলতান নির্বাচিত হন এবং আলাউদ্দিন হুসেন শাহ নাম ধারন করেন।
- তিনিই হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান ছিলেন।
- গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ তার আমলে নির্মিত হয়।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৫৬.
কোন দেশে সমুদ্র বন্দর নাই?
  1. মালদ্বীপ
  2. নেপাল
  3. গ্রীস
  4. ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা
নেপাল একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, নেপালের কোন সমুদ্র বন্দর নাই।

স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Countries):

- যেসকল দেশের সাথে কোন সাগর বা মহাসাগরের সীমান্ত নেই এবং সম্পূর্ণরূপে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত এরকম দেশগুলোকে স্থলবেষ্টিত দেশ বলা হয়।
- সমুদ্রের সাথে সীমান্ত না থাকায় এই দেশগুলোর কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
- বর্তমানে ৪৪টি ল্যান্ডলকড দেশ রয়েছে।
- স্থলবেষ্টিত বৃহত্তম দেশ হলো কাজাখস্থান এবং ক্ষুদ্রতম দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।

উল্লেখ্য,
- মাত্র তিনটি দেশ এককভাবে স্থলবেষ্টিত: সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি (ইতালি দ্বারা বেষ্টিত) এবং লেসোথো (দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা বেষ্টিত)।
- দ্বিগুণ স্থলবেষ্টিত বা Double Land Locked Countries দেশ দুইটি: উজবেকিস্তান ও লিচেনস্টেইন।
- নাইজার, বলিভিয়া, অস্ট্রিয়া স্থলবেষ্টিত দেশ, তাই এই দেশগুলোর কোন সমুদ্রবন্দর নেই।

• এশিয়ার স্থল বেষ্টিত ১২টি দেশ হলো:
- আফগানিস্তান, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, ভুটান, তুর্কমেনিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান।

অন্যদিকে,
- মালদ্বীপ, গ্রীস ও ভেনেজুয়েলায় সমুদ্র বন্দর রয়েছে।

উৎস: Worldatlas.
৪,৩৫৭.
২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. ভিক্টর অ্যামব্রোস
  2. জেমস এ. রবিনসন
  3. জিওফ্রে ই. হিন্টন
  4. গ্যারি রাভকান
ব্যাখ্যা
নোবেল পুরস্কার ২০২৪:

• সাহিত্য:
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হান কাং।
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

• শান্তি:
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।
- অবদান: হিবাকুশা নামেও পরিচিত জাপানি সংস্থা হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- অবদান: ‘মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য’ তাদের এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

• পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
- অবদান: ‘কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিং সক্ষম করে তোলোর বুনিয়াদি আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য’ তাদেরকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• রসায়ন:
- ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
- অবদান: মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড বেকারকে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইনের জন্য’ এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেমিস হ্যাসাবিস ও জন এম. জাম্পারকে ‘প্রোটিন গঠন পূর্বাভাসের জন্য’ যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• অর্থনীতি:
- ২০২৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
- অবদান: গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখে তা নিয়ে কার্যকরী গবেষণা করার জন্য।

তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।
৪,৩৫৮.
কোন শহরে ন্যাটোর সদর দপ্তর অবস্থিত?
  1. রোম
  2. ব্রাসেলস
  3. লন্ডন
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
ন্যাটো:
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ন্যাটোতে বর্তমানে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে, এবং এটি প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- ন্যাটোর মহাপরিচালক হলেন মার্ক রুটে। [জানুয়ারি - ২০২৫] 
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুটি মুসলিম দেশ হল তুরস্ক এবং আলবেনিয়া। তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে। সর্বশেষ, ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করেছে।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৪,৩৫৯.
IUCN এর কাজ হলো বিশ্বব্যাপী- 
  1. মানবাধিকার রক্ষা করা 
  2. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা 
  3. বানিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা
  4. সন্ত্রাস দমনে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা

• IUCN: 
- IUCN এর পূর্ণরূপ হলো:
- International Union for Conservation of Nature.
- প্রকৃতি সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- IUCN হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন,
- যা প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করে।
- এটি 1948 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• IUCN এর প্রধান কাজ:
- প্রকৃতি সংরক্ষণে গবেষণা ও পরামর্শ দেওয়া,
- বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা তৈরি করা,
- বিভিন্ন দেশের সরকারকে পরিবেশবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করা,
- জলবায়ু পরিবর্তন, বন রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করা।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।

৪,৩৬০.
UNFCCC কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. বন, জার্মানি
  2. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  3. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৪,৩৬১.
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র (ITC) এর পূর্বনাম কী?
  1. ক) International Trade Centre
  2. খ) International Trade Care
  3. গ) International Trade Information Centre
  4. ঘ) International Trade Information Committee
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র (ITC)
- ITC - এর পূর্ণরূপ ‘International Trade Centre’ বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র।
- এর পূর্বনাম - International Trade Information Centre.
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি জাতিসংঘের বাণিজ্য বিষয়ক সংস্থা ‘আঙ্কটাড (UNCTAD) ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ‘WTO’ - এর সাথে যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
- ITC - গবেষণা, বাণিজ্য কৌশল নির্ধারণ, বাণিজ্য বিষয়ক নিয়ম-কানুন প্রণয়ন ও আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য সহজতর করার উদ্দেশ্যে বাণিজ্যবিষয়ক উল্লেখিত অন্য সংস্থা দুটিকে (UNCTAD ও WTO) সহায়তা দিয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র: ITC ওয়েবসাইট। 
৪,৩৬২.
বিশ্বে সর্ববৃহৎ কোকেন উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
  1. আইভরিকোস্ট
  2. পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
কলম্বিয়া:
- কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- কোকেন উৎপাদনে শীর্ষ দেশ কলম্বিয়া।
- ল্যাটিন আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা আর ইউরোপ কোকেনের সবচেয়ে বড় বাজার।
- কলম্বিয়া বিশ্বের ওষুধের বাজারে কোকেনের প্রায় ৭০ শতাংশ উৎপাদন করে।

অন্যদিকে -
- বিশ্বে কোকো উৎপাদনে শীর্ষ দেশ আইভরিকোস্ট।
- বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আফিম চাষ হয় আফগানিস্তানে।

উৎস: Statista.com [লিঙ্ক]
৪,৩৬৩.
‘এফ-৩৫’ কোন প্রজন্মের যুদ্ধবিমান?
  1. ৪র্থ প্রজন্মের
  2. ৫ম প্রজন্মের
  3. ৬ষ্ঠ প্রজন্মের
  4. ৭ম প্রজন্মের
ব্যাখ্যা

এফ-৩৫:
- যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারোস্পেইস কোম্পানি লকহিড মার্টিনের তৈরি করা এফ-৩৫ বিশ্বের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে একটি।
- এটি পঞ্চম প্রজন্মের মাল্টিরোল স্টেলথ ফাইটার জেট। 
- এই যুদ্ধবিমান শত্রুপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে (স্টিলথ) লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
- এই যুদ্ধবিমান আকাশে প্রাধান্য বিস্তার, স্ট্রাইক মিশন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ—সব ধরনের কাজেই সক্ষম।
- এফ-৩৫ নির্মাতা লকহিড মার্টিন এই যুদ্ধবিমানটিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধবিমান’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন

সম্প্রতি,
- সৌদি আরবের সঙ্গে একটি বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- এর অংশ হিসেবে ভবিষ্যতে সৌদি আরবকে উন্নত মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

৪,৩৬৪.
"ভিজিএফ" কর্মসূচির অধীনে কোন ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়?
  1. দারিদ্র্য হ্রাস করা
  2. খাদ্য সহায়তা
  3. আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ভিজিএফ কর্মসূচি: 
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
- দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
- মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
- উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা,
- বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৩৬৫.
'UNDP' এর বর্তমান প্রশাসক কে? (নভেম্বর, ২০২৫)
  1. আচিম স্টাইনার
  2. আলেকজান্ডার ডি ক্রু
  3. হেলেন ক্লার্ক
  4. ক্লাউডিয়া কেলি
ব্যাখ্যা

UNDP:
- এটি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক নেতৃত্বদানকারী সংস্থা।
- UNDP পূর্ণরূপ United Nations Development Programme.
- এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর একটি কর্মসূচি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৫ সালে।
- সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধানের পদ: প্রশাসক।
- বর্তমান প্রশাসক: আলেকজান্ডার ডি ক্রু। (নভেম্বর, ২০২৫)
- UNDP বিশ্বের ১৭০টি দেশ ও অঞ্চলে দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করছে।

বি.দ্র: প্রতিষ্ঠা সালের ক্ষেত্রে অপশন বিবেচনায় উত্তর করতে হবে যদি অপশনে ১৯৬৫ এবং ১৯৬৬ থাকে তাহলে ১৯৬৫ উত্তর করতে হবে। আর যে কোন একটি থাকলে সেটি উত্তর হবে।

তথ্যসূত্র - ইউএনডিপি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪,৩৬৬.
সম্প্রতি কোন দেশ 'জাস্টিস মিশন' পরিচালনা করেছে? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ভিয়েতনাম 
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. তুরস্ক
  4. ইসরায়েল 
  5. চীন
ব্যাখ্যা

জাস্টিস মিশন:
- সম্প্রতি তাইওয়ানকে ঘিরে চীন 'জাস্টিস মিশন ২০২৫' (Justice Mission 2025) নামে একটি বড় সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছে।

⇒ সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় এবং কার্যকর সামরিক মহড়া, চীনের 'জাস্টিস মিশন'। 
- দক্ষিণ চীন সাগর অঞ্চলে বেইজিংয়ের এরআগে মহড়া হলেও সেগুলোর তুলনায় জাস্টিস মিশনকে একেবারেই ভিন্ন বলছে বিশ্লেষকরা। তাদের মত, তাইওয়ানকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার প্রস্ততি নিতেই এই যুদ্ধ প্রশিক্ষণ।
- তাইওয়ানকে নিজস্ব ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে বরাবরই হিসেব করে আসছে চীন। এমনকি, চাইলে দ্বীপটিকে পুরো বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার মতো হুঁশিয়ারিও বারবার দিয়ে গেছে বেইজিং। এক্ষেত্রে বিচ্ছিন্নতাবাদী হোক কিংবা বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ, কোনোকিছুই দমন করতে পারবেনা চীনকে। 
- তাইওয়ান প্রণালীতে দু'দিনব্যাপী "জাস্টিস মিশন ২০২৫'' এর লক্ষ্য ছিলো- তাইওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলো অবরোধ, বিশাল সমরাস্ত্র ও রনকৌশল প্রদর্শন ও বিদেশী হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করা। নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার মতো শক্তিশালী ইঙ্গিতও দিয়েছে বেইজিং।  
 
উৎস: Ministry of National Defense People's Republic of China.

৪,৩৬৭.
কোন সভ্যতায় ‘কলোসিয়াম’ গড়ে ওঠে?
  1. রোমান সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. মিশরীয় সভ্যতা 
  4. পারস্য সভ্যতা 
ব্যাখ্যা

কলোসিয়াম:
- কলোসিয়াম প্রাচীন রোমান সভ্যতায় গড়ে ওঠে। 

⇒ কলোসিয়াম হচ্ছে রোমানদের তৈরি এক বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটার বা নাট্যশালা।
- কালোসিয়ামের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপেসিয়ান (Vespasian) এর শাসনামলে এবং তার পুত্র টিটাস (Titus) ৮০ খ্রিস্টাব্দে এটি সম্পূর্ণ করেন। পরে, সম্রাট ডমিশিয়ান (Domitian) কিছু সংস্কার কাজ করেন।
- কলোসিয়ামটি মূলত গ্ল্যাডিয়েটরদের লড়াই এবং অন্যান্য জনসমক্ষে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীগুলোর জন্য ব্যবহৃত হতো। 
- এর প্রাথমিক নাম ছিল ফ্ল্যাভিয়ান অ্যাম্ফিথিয়েটার। 
- এটি প্রায় ৫০,০০০ দর্শক ধারণক্ষম ছিল।
- ইউনেস্কো ১৯৯০ সালে কলোসিয়ামকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• রোমান সভ্যতা:
- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রােম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রােমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রােমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল। 
- ৭৫৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বর্বর জাতিগুলোর হাতে রোমান সম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন হয়।

⇒ সভ্যতায় রোমের অবদান:
- রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
- রোমানদের সবচেয়ে বড় অবদান আইনের ক্ষেত্রে।
- রোমের অর্থনীতি ছিল দাসদের ওপর নির্ভরশীল।
- সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।
- ৮০ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত।
- স্থাপত্যকলার পাশাপাশি রোমান ভাস্কর্যেরও উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৩৬৮.
নিম্নের কোন সংস্থা ’বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক' প্রকাশ করে?
  1. Earth watch
  2. German watch
  3. World watch
  4. Green watch
ব্যাখ্যা

German watch:
- এটি একটি অলাভজনক বেসরকারি পরিবেশ এবং বাণিজ্য সংস্থা।
- এটি শিল্পোন্নত দেশের সাথে অনুন্নত দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- এটি প্রতি বছর "বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক" প্রকাশ করে।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯১ সালে।

উৎস: German watch এর ওয়েবসাইট।

৪,৩৬৯.
ESCAP এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ম্যানিলা
  2. খ) জাকার্তা
  3. গ) ব্যাংকক
  4. ঘ) কুয়ালালামপুর
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ECOSOC) অধীন ৫টি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে।
- এদের মধ্যে অন্যতম হলো ‘এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন’ বা ESCAP (The Economic and Social Commission for Asia and the Pacific).
- এর সদরদপ্তর থাইল্যান্ডের ব্যাংকক শহরে অবস্থিত।
- সদস্য সংখ্যা ৫৩টি এবং সহযোগী সদস্য ৯টি।
(তথ্যসূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৪,৩৭০.
'বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ' কোন দেশের প্রস্তাবিত উদ্যোগ?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
• বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা-এর প্রস্তাবক হচ্ছে ⎯ চীন।

বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (জিডিআই):
- জিডিআই হচ্ছে মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে ঘিরে উন্নয়ন সহযোগিতার উদ্যোগ।
- 'বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ' চীনের প্রস্তাবিত।
- মূলত জিডিআইতে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে (গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভন-জিডিআই) বাংলাদেশকে যুক্ত করতে চায় চীন।
- স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলা, সংযুক্তির জন্য যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতিসহ আটটি ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিয়ে জিডিআইয়ে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে শিগগিরই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করতে চায় দেশটি।

উৎস: CGTN ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
৪,৩৭১.
কমনওয়েলথ গেমস শুরু হয় কত বছর পর পর?
  1. ক) দুই বছর
  2. খ) তিন বছর
  3. গ) চার বছর
  4. ঘ) পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ গেমস:

- কমনওয়েলথ গেমস শুরু হয় চার বছর পর পর
- কমনওয়েলথ গেমস একটি আন্তর্জাতিক এবং বহু ক্রীড়া বিষয়ে কমনওয়েলথভূক্ত দেশসমূহের অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদদের প্রতিযোগিতা বিশেষ।
- প্রতিযোগিতাটি সর্বপ্রথম ১৯৩০ সালে প্রবর্তিত হয়।
- ৫৪ সদস্যবিশিষ্ট কমনওয়েলথভূক্ত দেশসহ ৭১টি দল কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নেয়।
- কমনওয়েলথ গেমসের নীতিবাক্য মানবতা – সমতা – লক্ষ্য

তথ্যসূত্র - জাতীয় শিক্ষক বাতায়ন ওয়েবসাইট।
৪,৩৭২.
Organizations for the Prohibitions of Chemical Weapons কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৭ সাল
  2. ১৯৮৫ সাল
  3. ১৯৯৩ সাল
  4. ১৯৯১ সাল
ব্যাখ্যা
• Organizations for the Prohibitions of Chemical Weapons ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• OPCW (Organizations for the Prohibitions of Chemical Weapons) :
- এটি রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর সদর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডস হেগ শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি।
- এটি ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায়।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া ।
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি ।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

সূত্র: OPCW ওয়েবসাইট।
৪,৩৭৩.
Global Governance Initiative (GCI)-এর উদ্যোক্তা কে? 
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. কিয়ের স্টারমার
  3. ভ্লাদিমির পুতিন
  4. শি জিনপিং
ব্যাখ্যা

Global Governance Initiative (GCI):
- Global Governance Initiative (GGI)-এর উদ্যোক্তা হলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

⇒ শি জিনপিং-এর প্রস্তাবিত নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থার নাম গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনিশিয়েটিভ বা বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা উদ্যোগ।
- চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) প্লাসের বৈঠকে তার চতুর্থ প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগ 'Global Governance Initiative (GCI) উন্মোচন করেন।
- এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থায় প্রতিনিধিত্ব ও কণ্ঠস্বর বাড়ানো।

উল্লেখ্য,
- GGI ছাড়াও শি জিনপিং-এর আরও তিনটি প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগ রয়েছে। এগুলো হলো:
- Global Development Initiative (GDI),
- Global Security Initiative (GSI) এবং,
- Global Civilization Initiative (GCI)।

উৎস: English.gov.cn

৪,৩৭৪.
এক দিনে আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কোন দেশে?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. মালয়েশিয়া
  3. ভারত
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়ার নির্বাচন:
- ইন্দোনেশিয়ায় নির্বাচন আয়োজন এক মহাযজ্ঞ।
- এখানকার নির্বাচন বিশ্বের সবচেয়ে জটিল একদিনের নির্বাচনগুলোর একটি। 
- ইন্দোনেশিয়ার এই নির্বাচনকে বলা হয় এক দিনে আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ নির্বাচন।
- এ নির্বাচনে দেশটির প্রেসিডেন্ট এবং পার্লামেন্ট সদস্যসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও নির্বাচিত হবেন।

উল্লেখ্য,
- ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- দেশজুড়ে ১৭ হাজার দ্বীপে ২০ হাজার ৬০০ পদে প্রায় দুই লাখ ৫৯ হাজার জনের মতো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
- ১০০ মিলিয়নের বেশি মানুষ ভোট দেন।

উৎস: i)  ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
         ii)  ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, নিউজ২৪।
৪,৩৭৫.
আটলান্টিক সনদ কখন স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৪০ সালের ১৪ আগস্ট
  2. ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি
  3. ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট
  4. ১৯৪৩ সালের ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা

• আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- পরবর্তীকালে জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রে (১ জানুয়ারী, ১৯৪২) রেফারেন্সের মাধ্যমে আটলান্টিক সনদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

৪,৩৭৬.
কোন দেশ গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম সবচেয়ে বেশি উৎপাদন করে?
  1. ক) চীন
  2. খ) জাপান
  3. গ) তাইওয়ান
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
সেমিকণ্ডাকটর বা চিপস:
- সেমিকণ্ডাকটর বা চিপস আমাদের প্রতিদিনের জীবনে ব্যবহার্য নানা জিনিসে শক্তি যোগায়।
- সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের দুটি প্রধান উপাদান গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম।
- চীন এ দুটি খনিজ ধাতুর প্রধান উৎপাদক।
- শিল্প সংস্থা ক্রিটিক্যাল র ম্যাটেরিয়ালস অ্যালায়েন্সের (সিআরএমএ) অনুসারে, বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত গ্যালিয়ামের ৮০ শতাংশ এবং জার্মেনিয়ামের ৬০ শতাংশই সরবরাহ করে চীন।
- ইলেকট্রনিকস ও কম্পিউটার চিপসহ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে এই দুটি উপাদান ব্যবহার করা হয়।
- সেমিকন্ডাক্টর প্রস্তুতকারী বিশ্বের অন্যতম প্রধান কোম্পানি এএসএমএল নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত।
- এই দুই উপাদানকে মূলত ‘মাইনর মেটাল’ হিসেবে অবহিত করা হয়।
- গ্যালিয়াম আর্সেনইউ হচ্ছে একটি যৌগিক পদার্থ, যেটি গ্যালিয়াম ও আর্সেনিকের যৌগ।
- এটি মূলত হাই-ফ্রিকোয়েন্সি কম্পিউটার চিপ, লাইট এমিটিং ডায়োডস (এলইডি লাইট) এবং সোলার প্যানেল উৎপাদনে তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর এবং সোলার সেল তৈরিতেও জার্মেনিয়াম ব্যবহার করা হয়।
- উল্লেখ্য, এই মাইক্রোচিপ নিয়ে চীন-যুক্তরাষ্ট্র লড়াই চলছে।

উৎস: ২ আগস্ট ২০২৩, সময় নিউজ।
৪,৩৭৭.
পেশাদার ফুটবলে সবচেয়ে বেশি গোলের অধিকারী-
  1. ক) ম্যারাডোনা
  2. খ) পেলে
  3. গ) রোনালদো
  4. ঘ) মেসি
ব্যাখ্যা

- পেশাদার ফুটবলে সবচেয়ে বেশি গোলের অধিকারী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
- প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ইতিহাসে ১০৯৫ ম্যাচে ৮০০ গোলের রেকর্ড গড়েন পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

৪,৩৭৮.
'Port Blair' is an island of -
  1. ক) Pacific ocean
  2. খ) Indian ocean
  3. গ) Atlantic ocean
  4. ঘ) Bay of Bengal
ব্যাখ্যা
পোর্ট ব্লেয়ার (Port Blair):
- এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ নামক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজধানী।
- মূল ভূখন্ড থেকে নৌ ও বিমান পথে যোগাযোগ আছে।
- ব্রিটিশ নৌসেনা অফিসার লেফটেন্যান্ট আর্চিবাল্ড ব্লেয়ারের নামে এই দ্বীপের নামকরণ করা হয়।
- এখানে বেশ কয়েকটি যাদুঘর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌ ঘাঁটি আই এন এস জারওয়া অবস্থিত। 
- এখানে ব্রিটিশ উপনিবেশিক আমলের ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য পৃথক কারাগার নির্মাণ করা হয়েছিল যা বর্তমানে স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মারক হিসাবে সংরক্ষিত।
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘোষিত ভারতের ১০০টি স্মার্ট সিটির মধ্যে পোর্ট ব্লেয়ার অন্যতম।

বিস্তারিত পড়ুন: Britannica
৪,৩৭৯.
'World Migration Report 2022’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৬ষ্ঠ
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ১ ডিসেম্বর, ২০২১ ‘World Migration Report 2022’ প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০ সালে রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে শীর্ষ ৫ দেশ:
- ভারত
- চীন
- মেক্সিকো
- ফিলিপাইন
- মিসর

অভিবাসীদের গন্তব্যে শীর্ষ ৩ দেশ : ১. যুক্তরাষ্ট্র, ২. জার্মানি, ৩. সৌদি আরব।
অভিবাসী পাঠানোয় শীর্ষ ৩ দেশ : ১. ভারত, ২. মেক্সিকো, ৩. রাশিয়া।
অভিবাসী পাঠানোয় বাংলাদেশ : ৬ষ্ঠ।
রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশ : ৮ম (২১.৭৫ বি.মা.ড)।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
৪,৩৮০.
কিয়োটো চুক্তির গুরুত্বের বিষয় কি ছিল?
  1. জনসংখ্যা কমানো
  2. দারিদ্র্য বিমোচন
  3. গুপ্তচরবৃত্তি
  4. বিশ্ব উষ্ণতা হ্রাস
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- UNFCCC এর আওতায় ১৯৯৭ সালে গৃহিত পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি।
- কার্যকর – ২০০৫ সালে।
- প্রথম পর্যায়ে প্রয়োগ - ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ।
- উন্নত দেশগুলোকে (এনেক্স বি ভুক্তদেশ) দুষণমুক্ত টেকনোলজি উদ্ভাবন ও কার্বন মুক্ত অর্থনীতি নিশ্চিত করতে হবে।
- ১৯৯০ সালের তুলনায় গ্রিন হাউজ গ্যাস ৫% কমিয়ে আনতে হবে।
- এর বিষয়বস্তু - গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাস।
- নন এনেক্স দেশগুলোর জন্য কোন বাধ্যবাধকতা ছিলনা।
- কিয়োটো প্রটোকলের অংশীদার হিসেবে মোট ১৯২টি দেশ ও সংস্থা যুক্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর ।

উৎসঃ UNFCCC ওয়েবসাইট।

৪,৩৮১.
নিচের কোনটি নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি?
  1. ক) NPT
  2. খ) CTBT
  3. গ) ABM
  4. ঘ) ভূমি মাইন নিষিদ্ধকরন চুক্তি
ব্যাখ্যা

ABM - চুক্তি
ABM - এর পূর্ণরূপ Anti-Ballistic Missile Treaty (ABM Treaty)। এটি একটি ক্ষেপনাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি। যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti-Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
স্বাক্ষর - ২৬ মে, ১৯৭২ সাল
কার্যকর - ৩ অক্টোবর, ১৯৭২
চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো।
অন্যদিকে, NPT, CTBT ও ভূমি মাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (অটোয়া চুক্তি) অনেকগুলো দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming).

৪,৩৮২.
UNITAR প্রধানত কোন কার্যক্রমের জন্য পরিচিত?
  1. নোবেল শান্তি পুরস্কার বিতরণ
  2. শিশু ও নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা
  3. প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সহায়তা
  4. সামরিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
UNITAR:
- এর পূর্ণরূপ: United Nations Institute for Training and Research.
- এটি জাতিসংঘের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সংস্থা।
- সংস্থাটি জাতিসংঘের অধীনে অফিসিয়াল কর্মকর্তাদের কূটনৈতিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৬৩।
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মূল কাজ: প্রশিক্ষণ ও গবেষণা।
- সংগঠনের ধরন: জাতিসংঘের একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- UNITAR সরাসরি কোনো বিশেষ UN সংস্থার অধীন নয়, বরং স্বাধীনভাবে কাজ করে।

উৎস: UNITAR ওয়েবসাইট।
৪,৩৮৩.
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিলো কোথায়?
  1. ক) আলেক্সান্দ্রিয়া
  2. খ) কনস্টান্টিনোপল
  3. গ) স্পার্টা
  4. ঘ) টায়ার
ব্যাখ্যা
- রোম নগরীকে কেন্দ্র করে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে রোমান সাম্রাজ্যের সূচনা হয়।
- ৩৩০ খ্রিস্টাব্দে কৃষ্ণসাগরের তীরে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের রাজধানী হিসেবে সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে কনস্ট্যান্টিনোপল নগরের পত্তন করা হয়।
- ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দে জার্মানদের নিকট রোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটলেও এর পূর্বাঞ্চল বাইজান্টাইন নামে অক্ষত থেকে যায়।
- কনস্টান্টিনোপলকে কেন্দ্র করে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য বজায় ছিলো।
- ১৪৫৩ সালে তুর্কি সুলতান দ্বিতীয় মেহমুদের নিকট কনস্ট্যান্টিনোপলের পতন ঘটে।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং স্নাতক ইতিহাস)
৪,৩৮৪.
কানাডার রাজধানী শহর কোনটি?
  1. টরেন্টো
  2. মন্ট্রিল
  3. অটোয়া
  4. ক্যালগারি
ব্যাখ্যা

 কানাডা:
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।
 - এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ। 
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
- টরেন্টো হচ্ছে কানাডার বৃহত্তম শহর।
- কানাডার রাষ্ট্রপ্রধান হলো ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। 
- কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- কানাডার জাতীয় প্রতীক শ্বেতপদ্ম।

উৎস: Britannica.

৪,৩৮৫.
বার্লিন প্রাচীর কত সালে নির্মাণ করা হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা

বার্লিন প্রাচীর:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ঐতিহাসিক নিদর্শন বার্লিন প্রাচীর।
- এই প্রাচীর জার্মানির বার্লিন শহরকে বিভক্ত করেছিল।
- এর একদিকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাবে থাকা সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি এবং অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন পুঁজিবাদী পশ্চিম জার্মানি।

উল্লেখ্য, 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে তৎকালীন সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ১৯৬১ সালে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনের মাঝখানে একটি প্রাচীর নির্মাণের আদেশ দেন। তাঁর আদেশ অনুযায়ী ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট পূর্ব জার্মানি বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে তৈরি করা হয় বার্লিন প্রাচীর।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।

⇒ বার্লিন প্রাচীরের পতন:
- স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তি ক্ষণে এই প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়।
- ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়ে ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি নাম ধারণ করেছিল৷

উৎস: Britannica.

৪,৩৮৬.
যুক্তরাষ্ট্র কবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেড়িয়ে যায়?
  1. ক) ১ জানুয়ারি ২০২০
  2. খ) ৬ ডিসেম্বর ২০২০
  3. গ) ৪ নভেম্বর ২০২০
  4. ঘ) ১ জানুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের ৪ নভেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দেশ হিসেব আনুষ্ঠানিকভাবে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেড়িয়ে যায়।
এর আগে ২০১৭ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম জলবায়ু সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহিত হয় এবং ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর থেকে এটি কার্যকর হয়।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৪,৩৮৭.
জাতিসংঘ সনদে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে? 
  1. ১১০টি
  2. ১১৫টি
  3. ১০৮টি
  4. ১১১টি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়।
- ২৪ অক্টোবর প্রতিবছর জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা আর্চিবাল্ড ম্যাকলেইশ।
- এই সনদে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- এসব অনুচ্ছেদে জাতিসংঘের স্থায়ী অঙ্গ সমূহের গঠন, দ্বায়িত্ব, ক্ষমতা, ভোটিং পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
- জাতিসংঘ সনদ এই পর্যন্ত মোট ৩ বার সংশোধিত হয়েছে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

৪,৩৮৮.
Sustainable Development Goals (SDG) কয়টি?
  1. ১৩ টি
  2. ১৫ টি
  3. ১৭ টি
  4. ৩১ টি
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

⇒ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
৪,৩৮৯.
কোন দুটি দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে 'পিং পং কূটনীতি‘ ভূমিকা রেখেছিল?
  1. চীন-যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন-জাপান
  4. যুক্তরাজ্য-জাপান
ব্যাখ্যা
পিং পং ডিপ্লোমেসি:
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত
- ১৯৭১ সালে মার্কিন টেবিল টেনিস দল চীন সফর করে।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- এর ফলে দেশ দুটির দীর্ঘ দিনের বৈরী সম্পর্কের বরফ গলতে আরম্ভ করে ।
-  চীন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ ও স্থায়ী প্রতিনিধি লাভ করে।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৪,৩৯০.
Who built the Hanging Gardens of Babylon?
  1. Cyrus
  2. Darius
  3. Hammurabi
  4. Nebuchadnezzar
  5. Titus Caesar Vespasianus
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান:
- প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতার একটি শহর ব্যাবিলন।
- এই শহরের প্রধান আকর্ষণ ঝুলন্ত বাগান বা ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ সালে সম্রাট নেবুচাদনেজার তাঁর স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় এটি নির্মাণ করেন।
- বিয়ের পর সম্রাজ্ঞীর তেমন ভালো লাগত না, কারণ ব্যাবিলন হলো সমতল ভূমি আর মিডিয়ান ছিল সবুজ পাহাড়-পর্বতের দেশ।
- সম্রাট সম্রাজ্ঞীর মনের কষ্ট বুঝতে পেরে প্রাসাদের ওপরই তৈরি করলেন এক সুন্দর পুষ্প বাগান।
- প্রথমে নির্মাণ করা হয় ৮০০ বর্গফুটের বিশাল এক ভিত।
- ভিতটিকে স্থাপন করা হয় সম্রাটের খাস উপাসনালয়ের সুবিস্তৃত ছাদে।
- মাটি থেকে এর উচ্চতা দাঁড়ায় প্রায় ৮০ ফুট।
- এরপর চার হাজার শ্রমিক রাত-দিন পরিশ্রম করে তৈরি করে পুষ্প বাগান।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ১৬ এপ্রিল, ২০১৯, কালের কন্ঠ।
৪,৩৯১.
নিম্ন-আয়ের দেশগুলোকে সহায়তা প্রদান করে বিশ্বব্যাংকের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. IDA
  2. IBRD
  3. IFC
  4. MIGA
ব্যাখ্যা
International Development Association বা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (IDA):
- আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (IDA) বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিষ্ঠান, যা নিম্ন-আয়ের দেশগুলোকে সহায়তা প্রদান করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬০ সালে। 
- বিশ্বব্যাংকের মূল ঋণ প্রদানের শাখা, আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক (IBRD)-কে সম্পূরক সহায়তা প্রদান করে।
- বর্তমানে IDA-তে ১৭৫টি সদস্য দেশ রয়েছে।
- IDA স্বল্প সুদের ঋণ এবং অনুদান প্রদান করে, যা নিম্ন-আয়ের দেশগুলোর ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ, জীবনমান উন্নয়ন এবং নিরাপদ ও সমৃদ্ধ সম্প্রদায় গড়তে সাহায্য করে।
- IDA ঋণ শর্তগুলো খুবই নমনীয়। এর অর্থ, IDA ক্রেডিটের সুদের হার শূন্য বা খুবই কম এবং অর্থ ফেরত দেওয়ার সময়সীমা ৩০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত প্রসারিত।
- উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ নিম্ন-আয়ের দেশগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুদান পায়, যার জন্য কোনো অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: IDA ওয়েবসাইট।
৪,৩৯২.
নিম্নের কোন দেশ এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা অনুসরণ করে?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ:
- কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকার দুই ধরনের হতে পারে। যথা- এককেন্দ্রিক সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার।

এককেন্দ্রিক সরকার:
- যে শাসনব্যবস্থায় সরকারের সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং কেন্দ্র থেকে দেশের শাসন পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে।
- এতে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতার বণ্টন করা হয় না।
- রাষ্ট্রে বিভিন্ন প্রদেশ বা প্রশাসনিক অঞ্চল থাকতে পারে।
- তবে তারা কেন্দ্রের প্রতিনিধি বা সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশ, জাপান, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকার প্রচলিত আছে।

অপরদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় বলতে সেই ধরনের সরকারকে বোঝায়, যেখানে একাধিক অঞ্চল বা প্রদেশ মিলে একটি সরকার গঠন করে।
- এতে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার কিছু অংশ প্রদেশ বা আঞ্চলিক সরকারের এবং জাতীয় বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে।
- ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা প্রভৃতি দেশে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার পদ্ধতি রয়েছে।

তথ্যসূত্র: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।

৪,৩৯৩.
সারাবছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মানুষ বসবাসের অনুপযোগী মহাদেশ কোনটি?
  1. ক) এন্টার্কটিকা
  2. খ) আফ্রিকা
  3. গ) উওর আমেরিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
এন্টার্কটিকা (Antarctica):
- এন্টার্কটিকা মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে পঞ্চম।
- এ মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং দক্ষিণ মেরুকে কেন্দ্র করে প্রায় বৃত্তাকারে অবস্থিত।
- এ মহাদেশের চতুর্দিকে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটি সারাবছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মনুষ্য বসবাসের অনুপযোগী।
-  শীতলতম এই মহাদেশে কোনো দেশ নেই।
- এখানকার উল্লেখযোগ্য প্রাণি অ্যালবাট্রস, পেঙ্গুইন, সীল ইত্যাদি।
- এছাড়া এ মহাদেশে মস ও শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ জন্মে।

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও World Atlas।
৪,৩৯৪.
ফিনল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. ক) ম্যানারহেইম লাইন
  2. খ) ম্যাকমোহন লাইন
  3. গ) ম্যাজিনো লাইন
  4. ঘ) ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা
- ম্যানারহেইম লাইন : ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
অন্যদিকে,
- চীন ও ভারত : ম্যাকমোহন লাইন, লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল
- জিগফ্রিড ও ম্যাজিনো লাইন : ফ্রান্স-জার্মানি
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান

সূত্র: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকর
৪,৩৯৫.
রোমান সভ্যতার প্রেমের দেবতা ছিলেন কে?
  1. ভেনাস
  2. কনকর্ডিয়া
  3. ফিদেস
  4. জুপিটার
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় ও প্রথম শতকে রোমানরা গ্রিক সাম্রাজ্য দখল করে।
- রোমানরা ইতালি ও ইতালির পশ্চিম দিকে অবস্থিত ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো জয় করে।
- লাতিনদের একটি ক্ষুদ্র জাতি থেকে সুবিশাল সাম্রাজ্যের বিকাশ হয়, মধ্য ইটালির ল্যাটিয়ামে রোম ছিল তাদের প্রধান শহর।
- রোমান সাহিত্য-সংস্কৃতিতে গ্রিক সভ্যতার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়.
- সে যুগে রোমান সাহিত্য চর্চা ছিল ব্যাপক। মলিয়ে পুটাস এবং টেরেন্স ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- রোমানরা গণপ্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। ফলে শাসনকার্যে ধর্মীয় প্রভাব বা পুরোহিততন্ত্র পাকাপোক্ত হয়ে বসতে পারেনি।
- রোমানদের নিকট আকাশের দেবতা জুপিটার হিসেবে খ্যাত।
- গ্রিক দেবতা এথেনার জায়গায় রোমীয় দেবতা মিনার্ভা স্থান দখল করে।
- রোমের প্রেমের দেবতা ছিলেন ভেনাস।
- বাতাস এবং সমুদ্রের দেবতা নেপচুন রোমানদের নিকট খুবই জনপ্রিয় ও শক্তিশালী ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতায় রোমানদের অন্যতম কৃতিত্ব হলো রোমান আইন ব্যবস্থা (Roman Law)।
- রোমান দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন (সিভিল ও ক্রিমিনাল'ল) খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতেই সংকলিত হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৯৬.
GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনটি গঠিত হয়?
  1. WHO
  2. WTO
  3. UNO
  4. IMF
ব্যাখ্যা
World Trade Organization (WTO):
- ১৯৯৪ সালের ১৫ এপ্রিল, উরুগুয়ে রাউন্ড বাণিজ্য আলোচনার সমাপ্তির সময় GATT (General Agreement on Tariffs and Trade) চুক্তি সংশোধন করা হয়।
- এর মাধ্যমে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে, ১৯৯৫ সালে WTO প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন সংস্থা হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।
- WTO-এর প্রতিষ্ঠা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিয়মাবলী এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সংগঠিত এবং কার্যকর করার উদ্দেশ্যে ছিল।
- GATT চুক্তি তখনকার সীমাবদ্ধতাগুলো সমাধান করতে, এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের জন্য WTO প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO-এর লক্ষ্য ছিল বাণিজ্য বাধা কমানো, বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি করা এবং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা।

উল্লেখ্য, 
- WTO বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO এর সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ। (30 August 2024)
- WTO এর বর্তমান মহাপরিচালক এনগোজি অকোনজো-ইওয়েলা (Ngozi Okonjo-Iweala)।
- তিনি এই পদে প্রথম নারী এবং প্রথম আফ্রিকান হিসেবে নিযুক্ত হন।

তথ্যসূত্র: WTO ওয়েবসাইট।
৪,৩৯৭.
'গ্লাসনস্ত নীতি'র উদ্যোক্তা কে?
  1. মিখাইল গর্বাচেভ
  2. জোয়াকিম ভন রিবেনট্রপ
  3. নিকলাই কোসিগিন
  4. ভ্যাচেস্লাভ মোলোটভ
ব্যাখ্যা
মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

⇒ গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া।
- ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত।

⇒ পেরেস্ত্রইকা নীতি:
- পেরেস্ত্রইকা শব্দের অর্থ হচ্ছে পুনর্গঠন।
- আর্থিক ও সামাজিক সংস্কার করতে ১৯৯০ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
- ওই সময় দেশকে নতুন দিশায় নিয়ে যেতে যে পুনর্গঠন প্রকৃত শুরু করেছিলেন তিনি, সেটাই পেরেস্ত্রইকা।
- এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের আধারে এমন এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে থাকবে একটি দক্ষ অর্থনীতি এবং সর্বোপরি একটি উন্নত বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর ও গণতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো।
- শীতলযুদ্ধের প্রয়োজনে সোভিয়েত ইউনিয়ন মূলত ভারী শিল্প বিশেষত সামরিক শিল্পের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।
- ফলে তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক বা এই ধরনের বিলাস দ্রব্যের উৎপাদন পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি।
- একই সাথে বিশ্ববাণিজ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন পিছিয়ে পড়েছিল।
- বাণিজ্য কেবল পূর্ব ইউরোপ এবং সমাজতান্ত্রিক শিবিরের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গেই সীমাবদ্ধ ছিল।
- এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিক উদারীকরণ এর নীতি গৃহীত হয়।

উৎস: Britannica. 
৪,৩৯৮.
IMF-এর প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য দেশ কয়টি ছিল?
  1. ৪৪ টি
  2. ৫১ টি
  3. ৫৮ টি
  4. ৬১ টি
ব্যাখ্যা

IMF:
​- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
​- এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
​- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৪ সাল।
​- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
​- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৪৪টি।
​- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি। (আগস্ট, ২০২৫)
​- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন। (আগস্ট, ২০২৫)
​- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭২ সালে।

​তথ্যসূত্র - IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪,৩৯৯.
Who builds the Leopard-2 tank?
  1. ক) Russia
  2. খ) Spain
  3. গ) German
  4. ঘ) Ukraine
ব্যাখ্যা
লেপার্ড–২ ট্যাংক
- লেপার্ড- ২ ট্যাংক হলো বিশ্বের অন্যতম প্রথম সারির যুদ্ধট্যাংক।
- এটি মিউনিখ-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা সংস্থা Krauss-Maffei Wegmann (KMW) দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এবং পোল্যান্ড, স্পেন, গ্রীস, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক এবং সুইজারল্যান্ড সহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এবং কানাডা এবং অন্যান্যরা ব্যবহার করে।
- জার্মানির সেনাবাহিনী এবং অনেক ইউরোপীয় দেশের সামরিক বাহিনী এ ট্যাংক ব্যবহার করে।
- ইউরোপীয় নয়- এমন দেশগুলোর মধ্যে কানাডা ও ইন্দোনেশিয়া এই ট্যাংক ব্যবহার করে।
- আফগানিস্তান, কসোভো ও সিরিয়ার সংঘাতে ডিজেল ইঞ্জিনচালিত এ যুদ্ধট্যাংকের ব্যবহার দেখেছে বিশ্ববাসী।
- এ ট্যাংকের নানা বৈশিষ্ট্য আছে।
- ডিজাইনও বিভিন্ন রকম হয়।
- এ ট্যাংকে নাইটভিশন ইকুইপমেন্ট এবং একটি লেজার রেঞ্জ ফাইন্ডার আছে, এর সাহায্যে লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব মাপা যায়।
- লেজার রেঞ্জ ফাইন্ডার রুক্ষ ভূখণ্ড বা রুক্ষ ভূমির ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় চলমান লক্ষ্যের ওপর ভালোভাবে নজরদারি করতে সাহায্য করে।


উৎস: What makes the Leopard 2 so powerful compared to other.
Euronews
https://www.euronews.com.
৪,৪০০.
ইরেভান কোন দেশের রাজধানী?
  1. আর্মেনিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. কেনিয়া
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

আর্মেনিয়ার রাজধানী - ইরেভান।
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী - জাকার্তা।
কেনিয়ার রাজধানী - নাইরোবি।
নাইজেরিয়ার রাজধানী - আবুজা৷
উৎসঃ ব্রিটানিকা