বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন২৭,৩৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩৫ / ২৭২ · ৩,৪০১৩,৫০০ / ২৭,৩৪৭

৩,৪০১.
জাতিসংঘের কোন পরিষদের বার্ষিক সভাকে ‘diplomatic speed dating’ ইভেন্ট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়?
  1. সাধারণ পরিষদ
  2. নিরাপত্তা পরিষদ
  3. অছি পরিষদ
  4. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রতি বছর নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বিশ্বের সব দেশের নেতারা বৈঠকে বসেন এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।
- একই মঞ্চে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের নেতা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একে অপরের সাথে সাক্ষাত হয় বলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই সভাকে "diplomatic speed dating" বা ‘কূটনৈতিক স্পিড ডেটিং’ ইভেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন অনেক কূটনীতিক।

⇒ প্রতি বছর সাধারণ পরিষদের সভা শুরুর আগে একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
- প্রতিটি সদস্যদেশের সাধারণ পরিষদে একটি ভোট রয়েছে।
- সনদ অনুযায়ী প্রতিটি রাষ্ট্র সাধারণ সভায় ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে।
- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের সাধারণ সভার বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়।

উৎস: i) BBC. [link]
ii) UN General Assembly ওয়েবসাইট।
৩,৪০২.
যুক্তরাজ্যের সিভিল সার্ভিসের নাম কী?
  1. Home Civil Service
  2. Queen's Civil Service
  3. Royal Civil Service
  4. Federal Service Commision
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের সিভিল সার্ভিস:

- যুক্তরাজ্যের সিভিল সার্ভিসের নাম Her Majesty's Home Civil Service বা Her Majesty's Civil Service .
- এটি শুধু Home Civil Service নামেও পরিচিত।
- 'যুক্তরাজ্যের সিভিল সার্ভিসে কর্মরত কর্মকর্তা/ কর্মচারীরা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তা বা ক্রাউন কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত হয়।
- তারা সংসদীয় কর্মকর্তা বা স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা নয়।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩,৪০৩.
‘কালো মানিক’ খ্যাত ব্রাজিলের মহাতারকা পেলে ব্রাজিলের হয়ে কয়টি আন্তর্জাতিক গোল করেন?
  1. ক) ৭৪ টি
  2. খ) ৭৫ টি
  3. গ) ৭৭ টি
  4. ঘ) ৭৯ টি
ব্যাখ্যা
পেলে:
• কিংবদন্তি ফুটবলার ও ব্রাজিলের মহাতারকা পেলে:
- এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো, সারা বিশ্বে যিনি পেলে নামে বিখ্যাত।
- মৃত্যুবরণ করেন- ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- সাও পাওলোর আলবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে মারা যান।
- ‘কালো মানিক’ খ্যাত হ্যাটট্রিক বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তির মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

• ফুটবল ক্যারিয়ার:

- ১৯৫৮ সালে যখন ব্রাজিল বিশ্বকাপ জয় করে, তখন পেলের বয়স ছিল কেবল ১৭ বছর।
- এরপর ১৯৬২ এবং ১৯৭০ সালেও বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দেন তিনি।’
- তার ২১ বছরের ফুটবল ক্যারিয়ারে ১৩৬৩ ম্যাচ খেলেন।
- মোট গোল করেন- ১২৮১ টা।
- এর মধ্যে ব্রাজিলের হয়ে ৯২ ম্যাচে ৭৭টি আন্তর্জাতিক গোল করেন
- মূলত তিন তিনবার বিশ্বকাপ জয় করার জন্য পেলে বিখ্যাত হয়েছেন।
- ২০০০ সালে ফিফা তাকে শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড় ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র: the Daily Star News, BBC News
৩,৪০৪.
'V20' গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. দারিদ্র বিমোচন
  3. কৃষি উন্নয়ন
  4. নারী শিক্ষা 
ব্যাখ্যা

•V- 20 বা Vulnerable Twenty Group:
- এটি হলো ২০টি জলবায়ু-সংবেদনশীল (climate-vulnerable) দেশের একটি জোট,
- এই দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১৫ সাল।
- প্রথম সভা: লিমা, পেরুতে।
- উদ্যোক্তা দেশ: ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (CVF)।
- প্রথম সদস্য দেশ ২০টি।
- প্রথম সদস্য দেশ:
- আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, ভুটান, কোস্টা রিকা, ইথিওপিয়া, ঘানা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মালদ্বীপ, মাদাগাস্কার, নেপাল, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা, সেন্ট লুসিয়া, দক্ষিণ সুদান, পূর্ব তিমুর, টুভ্যালু, তানজানিয়া, ভিয়েতনাম।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ৭০টি। [আগস্ট, ২০২৫]

উৎস: V- 20 ওয়েবসাইট।

৩,৪০৫.
আসিয়ানের সদস্য দেশ নয়-
  1. ক) ফিলিপাইন
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) ভিয়েতনাম
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট ASEAN (Association of Southeast Asian Nations)। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে। এর সদরদপ্তর অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়।
আসিয়ানের বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি। সদস্য দেশগুলো হলো- মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া (সর্বশেষ সদস্য)। অস্ট্রেলিয়া আসিয়ানের সদস্য দেশ নয়।
উৎসঃ আসিয়ানের ওয়েবসাইট।
৩,৪০৬.
সুইজারল্যান্ডের রাজধানীর নাম কী?
  1. জুরিখ
  2. বার্ন
  3. জেনেভা
  4. বাসেল
ব্যাখ্যা
সুইজারল্যান্ড:
- সুইজারল্যান্ড মধ্য ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
- প্রশাসনিক রাজধানী: বার্ন।
- বিচারিক কেন্দ্র: লোজান।
- সুইজারল্যান্ড একটি ভূমিবেষ্টিত (landlocked) দেশ।
- এখানে রয়েছে উঁচু পর্বতমালা, গভীর আল্পাইন হ্রদ, সবুজ উপত্যকা।
- সুইজারল্যান্ডের শহরগুলোতে প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপত্যের সংমিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়।
- দেশটি আল্পস পর্বতমালার জন্য বিখ্যাত, যা লেখক, শিল্পী, ফটোগ্রাফার এবং অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের আকর্ষণ করে।
- সুইজারল্যান্ড তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্থিতিশীল জীবনযাত্রা ও নিরপেক্ষ নীতির জন্য বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।

উৎস: Britannica.
৩,৪০৭.
৬ মে ২০২২ নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত 'গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট' এর প্রতিপাদ্য কী ছিল?
  1. ক) লেট দ্য লাইট ইন
  2. খ) লেট দ্য লাইট আপ
  3. গ) লেট দ্য হার্ট স্পিক
  4. ঘ) লেট দ্য মিউজিক স্পিক
ব্যাখ্যা
নিউইয়র্কে গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট: 

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হলো ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’। মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি ও মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে এই কনসার্টের আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগের অধীন হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। 

এতে সংগীত পরিবেশন করে বিশ্ববিখ্যাত জার্মান ব্যান্ড দল ‘স্করপিয়নস’ এবং বাংলাদেশের ‘চিরকুট’। কনসার্টের সহযোগী ছিলো বাংলাদেশি ইলেকট্রনিক্স ও টেক জায়ান্ট ওয়ালটন।

৬ মে ২০২২ স্থানীয় সময় অনুযায়ী শুক্রবার সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ৭ মে শনিবার সকালে) ‘লেট দ্য মিউজিক স্পিক’ প্রতিপাদ্যে কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে একাত্তরের ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ স্মরণে ম্যাডিসন স্কোয়ারের একই স্থানে ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ আয়োজন করা হয়। কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ গরীব দেশগুলোর শিশুদের সাইবার নিরাপত্তায় সহায়তা তহবিল গঠনে ব্যয় হবে।

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
৩,৪০৮.
বাংলাদেশ সদস্য হওয়ায় কোন দেশ কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল?
  1. সৌদি আরব
  2. পাকিস্তান
  3. চিন
  4. আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
Commonwealth
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।
- কমনওয়েলথের বর্তমান প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- সদর দপ্তর - মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ টি।

- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে - ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথ এর ৩২-তম সদস্য রাষ্ট্র। দেশ হিসাবে বাংলাদেশ - ৩৪ তম রাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল পাকিস্তান পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে।

তথ্যসূত্র - কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।  
৩,৪০৯.
Which country is called 'The Country of Copper'?
  1. ক) Sudan
  2. খ) Cuba
  3. গ) Bagdad
  4. ঘ) Zambia
ব্যাখ্যা
জাম্বিয়া
- দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ জাম্বিয়া তামা আকরিকের ব্যাপক রপ্তানির কারণে কখনও কখনও 'তামার দেশ' নামে পরিচিত।
- জাম্বিয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ গ্রেডের তামার আমানতগুলির মধ্যে একটির অধিকারী।
- বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম তামা উৎপাদক হিসাবে স্থান পেয়েছে।
- জাম্বিয়া কোবাল্ট, নিকেল এবং ম্যাঙ্গানিজের ছোট, শোষণযোগ্য আমানতেরও আবাসস্থল।
- দেশের বৈদেশিক রপ্তানি আয়ের ৭০ শতাংশের বেশি অবদান রাখে তামা।
- জাম্বিয়া বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ পান্না উৎপাদন করে।

অন্যদিকে -
- কিউবাকে বলা হয় পৃথিবীর চিনির আধার।
-  সুদানকে বলা হয় আফ্রিকার হৃদয়।
- বাগদাদকে বলা হয় শান্তির নীড়।

 উৎস:  Zambia - Mining and Minerals - International Trade Administration, trade.gov.
৩,৪১০.
বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য কোন চুক্তি গৃহীত হয়েছিল?
  1. CBD
  2. Agenda 21
  3. UNFCCC
  4. Paris Agreement
ব্যাখ্যা
কনভেনশন অন বায়োলজিক্যাল ডাইভার্সিটি (CBD):
- গৃহীত: ৫ জুন, ১৯৯২।
- চুক্তির স্থান: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৯৩।
- মূল লক্ষ্য: জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।

উৎস: CBD ওয়েবসাইট।
৩,৪১১.
নিচের কোন দেশ এখনও পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে নি?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. জর্ডান
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে যেসব আরব দেশ এরই মধ্যে এগিয়ে এসেছে, আবার তাদের সাথে যোগ দিয়েছে মরক্কো।
- মরক্কো জানিয়েছে যে তারা ইসরায়েলের সঙ্গে পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপন করছে।
- চুক্তি অনুযায়ী, বিরোধপূর্ণ পশ্চিম সাহারা অঞ্চলের ওপর মরক্কোর যে দাবি, তাকে স্বীকৃতি দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- ওই অঞ্চল নিয়ে মরক্কো এবং আলজেরিয়া সমর্থিত পলিসারিও ফ্রন্টের মধ্যে বিরোধ চলছে। পলিসারিও ফ্রন্ট সেখানে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

আরব দেশগুলোর ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক: 
- মিসর [১৯৭৯ সালে] ও জর্ডান [১৯৯৪ সালে] প্রথম ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। 
- সংযুক্ত আরব আমিরাত [১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০], বাহরাইন [১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০]  এর পর ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
- মরক্কো হলো আরব লীগের ষষ্ঠ সদস্য, যারা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে। (বিবিসি বাংলা রিপোর্ট ১১ ডিসেম্বর ২০২০)
- ১৯৯৯ সালে মৌরিতানিয়াও ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। কিন্ত দশ বছর পর তারা আবার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে। (বিবিসি বাংলা রিপোর্ট ২৫ অক্টোবর, ২০২০)
- এখনও পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে নি সৌদি আরব। 
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নয় বলে ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।
- বাহরাইনের আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড +৯৭৩ সাথে মিল রেখে ইসরায়েলি দল "ইআই এআই ফ্লাইট ৯৭৩"-এ সফর করেছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা [১১ ডিসেম্বর ২০২০]।
৩,৪১২.
জেনেভা চুক্তি-১৯৫৪ তে স্বাক্ষরকারী দেশ-
  1. ক) জার্মানি ও যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন
  3. গ) ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম
  4. ঘ) রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
২০ জুলাই, ১৯৫৪ সালে স্বাক্ষরিত হয় জেনেভা চুক্তি-১৯৫৪। এই চুক্তির পক্ষদ্বয় ছিল ফ্রান্স ও ভিয়েতনাম।
এই চুক্তির ফলে উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৩,৪১৩.
চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল রয়েছে -
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল:
- হংকং বর্তমানে চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল যা এক দেশ দুই নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটেনের অধীনস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে চীন হংকংকে ৯৯ বছরের জন্যে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয়।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটেন পুনরায় চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।
- হংকংয়ের পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে সচল রাখতে গৃহীত এক দেশ দুই নীতির মেয়াদ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- চীনের অপর একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো সাবেক পর্তুগিজ কলোনি ম্যাকাও।
-  বর্তমানে চীনে দুটি  বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল  রয়েছে: ম্যাকাও এবং হংকং।

উৎস: চীনের সরকারি ওয়েবসাইট এবং Investopedia.Com।[লিঙ্ক]
৩,৪১৪.
শার্লে দ্য গল কে ছিলেন?
  1. ফ্রান্সের ত্রাণকর্তা
  2. জার্মানির ত্রাণকর্তা
  3. ইংল্যান্ডের ত্রাণকর্তা
  4. আমেরিকার ত্রাণকর্তা
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের ত্রাণকর্তা শার্লে দ্য গল (Charles de Gaulle): 
- ম্যাজিনো লাইন অতিক্রম করে জার্মান পাঞ্জার ডিভিশনের অবিশ্বাস্য সফলতা দুর্ভাগ্যের দিন ডেকে আনে ফরাসিদের।
- এ সময় ফ্রান্সের ত্রাণকর্তার ভূমিকায় আবির্ভূত হন শার্লে দ্য গল।
- তিনি ১৯৪১ সালের দিকে সুয়েজ খাল অঞ্চলে প্রথম জার্মান বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করেছিলেন।
- এরপর যখন যুদ্ধে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তখন পুরো জাতির হাল ধরেন তিনিই। 
- তার নেতৃত্ব ফ্রান্সকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং পরবর্তী সংকটকালীন সময়ে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- পূর্ণ নাম: শার্লে আন্দ্রে জোসেফ মেরি দ্য গল (Charles André Joseph Marie de Gaulle)
- জন্ম: ২২ নভেম্বর, ১৮৯০, ফ্রান্সের লিল শহরে।
- মৃত্যু: ৯ নভেম্বর, ১৯৭০, কোলোম্বে-লে-দো-জিগলিস, ফ্রান্স।

কার্যকাল ও অবদান:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফরাসি সেনাবাহিনীতে কাজ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে প্রতিরোধে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৪০ সালে জার্মানির আক্রমণে ফ্রান্স দখল হওয়ার পর ব্রিটেনে পালিয়ে যান।
- লন্ডন থেকে "ফ্রি ফ্রান্স" আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- তার বিখ্যাত বাণী: "ফ্রান্স হারেনি।"

রাজনৈতিক জীবন:
- ১৯৫৮ সালে আলজেরিয়া সংকটের সময় তিনি ফ্রান্সের পঞ্চম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ফ্রান্সের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তোলেন।
- ন্যাটো থেকে ফ্রান্সকে আংশিকভাবে প্রত্যাহার করেন।
- আধুনিক ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠাতা
- তার নেতৃত্বে ফ্রান্সের অর্থনীতি ও জাতীয় গৌরব পুনরুদ্ধার হয়।

উল্লেখযোগ্য কর্ম:
বই: "The Call to Honor" তার লেখা বিখ্যাত স্মৃতিকথা।

উৎস:
ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Encyclopaedia Britannica
BBC History
France Diplomacy Archive
৩,৪১৫.
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা কীসের জন্য বিখ্যাত ছিল?
  1. ধর্মীয় সংস্কার
  2. জাহাজ নির্মাণ
  3. লিখন পদ্ধতি উদ্ভাবন
  4. আইন প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনীয় সভ্যতা: 
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা হলো মেসোপটেমিয়ায় গড়ে উঠা দ্বিতীয় সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ অব্দে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
- অ্যামেরাইট জাতি এই সভ্যতা গড়ে তোলে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা আইন প্রণয়নের জন্যে বিখ্যাত।
- ব্যাবিলনীয় রাজা হাম্বুরাবি পৃথিবীর প্রথম আইনপ্রণেতা হিসেবে বিবেচিত। ফ্রান্সের লুভ্যর মিউজিয়ামে সংরক্ষিত একটি স্তম্ভে ২৮২টি আইনের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বিজ্ঞান, জ্যোতিষশাস্ত্র, গণিত ও শিল্পকলায়ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবদান রয়েছে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় মাসকে ৩০দিনে, সপ্তাহকে ৭দিনে এবং দিনকে ২৪ ঘন্টায় বিভক্ত করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণী।

৩,৪১৬.
যুক্তরাজ্যের সরকারের ধরন কিরূপ?
  1. ক) গনতান্ত্রিক
  2. খ) সমাজতান্ত্রিক
  3. গ) সংসদীয় রাজতন্ত্র
  4. ঘ) বিশেষ ধরনের গণপ্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
The United Kingdom is a constitutional monarchy. Its reigning monarch, Queen Elizabeth II, is also the Queen and Head of State of (15) other Commonwealth realms, including Australia, Canada, Jamaica and New Zealand.
Source: worldatlas.com
৩,৪১৭.
ULFA ভারতের কোন রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন?
  1. মিজোরাম
  2. মেঘালয়
  3. মণিপুর
  4. আসাম
ব্যাখ্যা
উলফা:
- United Liberation Front of Assam - ULFA ভারতের আসাম রাজ্যের স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
- এটি ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উলফার নেতাদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- বাংলাদেশের আলোচিত দশট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের সাথে উলফা জড়িত ছিলো।

তথ্যসূত্র - South Asia Terrorism Portal.
৩,৪১৮.
বিশ্বের প্রথম ড্রোনবাহী রণতরীর 'টিসিজি আনাদোলু' চালু করে-
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম ড্রোনবাহী রণতরীর 'টিসিজি আনাদোলু' চালু করে-তুরস্ক। 

- প্রথমবারের মতো মানুষবিহীন বিমান বহনে সক্ষম রণতরী চালু করেছে তুরস্ক।
- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রথমবারের মতো বিমানবাহী রণতরীটি চালু করল দেশটি।
- নৌ অভিযানে ড্রোনের সক্ষমতা বাড়াতেই তুরস্কের এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
- উভচর রণতরীটির নাম ‘টিসিজি আনাদোলু’।
- এটি ছোট রানওয়ে থেকে উড্ডয়নে সক্ষম হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান বহন করতে পারবে।
- রণতরীটির দৈর্ঘ্য ২৩২ মিটার এবং প্রস্থ ৩২ মিটার।
- এটি বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধযানসহ ১ হাজার ৪০০ সেনা বহন করতে পারবে।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার ও দৈনিক যুগান্তর। 
৩,৪১৯.
'Pivot to Asia' নীতি প্রবর্তন করে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. বারাক ওবামা
  3. বিল ক্লিনটন
  4. জর্জ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যা
- 'Pivot to Asia' নীতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রবর্তন করেন। এই নীতির মাধ্যমে ওবামা প্রশাসন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে। ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট ওবামা এই নীতির ঘোষণা দেন। 

যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে ।
- আলাস্কা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য।
- স্বাধীনতা লাভ করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস ৪ জুলাই।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়া।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও Council on Foreign Relations.
৩,৪২০.
মৃত সাগর কোথায় অবস্থিত?
  1. সিরিয়া এবং জর্ডানের মধ্যে
  2. ইসরায়েল এবং সিরিয়ার মধ্যে
  3. ইসরায়েল এবং জর্ডানের মধ্যে
  4. লেবানন এবং জর্ডানের মধ্যে
ব্যাখ্যা
মৃত সাগর:
- মৃত সাগর একটি স্থলবেষ্টিত লবণাক্ত হ্রদ, যা ইসরায়েল এবং জর্ডানের মধ্যে অবস্থিত।
- এর পূর্ব তীর জর্ডানের অন্তর্ভুক্ত।
- এর পশ্চিম তীরের দক্ষিণ অংশ ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত।
- পশ্চিম তীরের উত্তর অংশ ফিলিস্তিনি পশ্চিম তীরে অবস্থিত, যা ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ থেকে ইসরায়েলের দখলে রয়েছে।
- মৃত সাগর মূলত জর্ডান নদীর পানি দ্বারা পূর্ণ হয়, যা উত্তরের দিক থেকে হ্রদে প্রবাহিত হয়।
- মৃত সাগর পৃথিবীর পৃষ্ঠের সবচেয়ে নিচু স্থান এবং নিম্নতম জলাশয়।
- ২০শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে, এর পৃষ্ঠের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৩০০ ফুট (৪০০ মিটার) নিচে নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে হ্রদের স্তর ২০শ শতাব্দীর মধ্যবর্তী স্তরের তুলনায় প্রায় ১,৪১০ ফুট (৪৩০ মিটার) নিচে অবস্থান করছিল। 

উৎস: Britannica.
৩,৪২১.
কোন বিপ্লবের ফলে তিউনিসিয়ার স্বৈরাচারী একনায়ক জয়নাল আবেদিন বেন আলী ক্ষমতাচ্যুত হন?
  1. ক) অক্টোবর বিপ্লব
  2. খ) স্যাফরন বিপ্লব
  3. গ) আগস্ট বিপ্লব
  4. ঘ) জেসমিন বিপ্লব
ব্যাখ্যা
তিউনিসিয়ার স্বৈরাচারী একনায়ক বেন আলি ১৯৮৭ সাল থেকে তিউনিশিয়া শাসন করে আসছিলেন। ওই অঞ্চলের অন্য অনেক দেশের মধ্যে বেশ সমৃদ্ধিশালী হিসেবেই পরিচিত ছিল তিউনিসিয়া। তবে সেই সমৃদ্ধি আপামর জনতার কল্যাণে কাজে লাগেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সমর্থনপুষ্ট ওই সরকার জনগণের যে কোনও ক্ষোভ ও প্রতিরোধকে কঠোর হাতে দমন করতো। কিন্তু ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষিত সবজি বিক্রেতা মোহাম্মদ বিন বোয়াজিজির আত্মাহুতিতে পাল্টে যায় দৃশ্যপট। ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি পদত্যাগে বাধ্য হন তিউনিসিয়ার স্বৈরাচারী একনায়ক জায়নুল আবেদিন বেন আলী। তিউনিসিয়ায় ওই বিপ্লবকে বলা হয় ‘জেসমিন বিপ্লব’। সূত্র- আল জাজিরা, মিডল ইস্ট আই।
৩,৪২২.
পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন কারা?
  1. মিশরীয়রা
  2. গ্রিকরা
  3. সুমেরীয়রা 
  4. ক্যালডিয়রা 
ব্যাখ্যা

গ্রিক সভ্যতা:
- আনুমাণিক খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০-১২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিক সভ্যতার সূচনা হয়
- পূর্ণ বিকাশ ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ ও ৫ম শতকে।
- গ্রীক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়।
- হেলেনিক সভ্যতা এবং হেলেনিস্টিক সভ্যতা এই দুটি স্তর রয়েছে গ্রীক সভ্যতার। 
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে। এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪২৩.
IBRD এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Bank for Regional Development
  2. International Bank for Religion Development
  3. International Bank for Reconstruction and Development
  4. International Bank for Reconstruction Development
ব্যাখ্যা
IBRD: 
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো International Bank for Reconstruction and Development.
- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক হিসেবে পরিচিত,
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৬ সালের জুন মাসে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৮৯টি, এবং এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- IBRD ১৯৭৮ সাল থেকে প্রতিবছর "World Development Report" (WDR) প্রকাশ করে।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩,৪২৪.
আরব লীগ গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৪২ সালে
  2. ১৯৪৩ সালে
  3. ১৯৪৪ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
আরব লীগ:
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমন্বয় ও বন্ধন শক্তিশালী করা।
- ৭ অক্টোবর ১৯৪৪ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল ছিল আরব লীগের ভিত্তি।
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ আরব লীগ গঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- সদস্য: মোট ২২টি রাষ্ট্র। (আগস্ট, ২০২৪)
- আরব লীগ বহির্ভূত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ: ইরান।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।

তথ্যসূত্র - আরব লীগ ওয়েবসাইট।
৩,৪২৫.
চীনের মহাপ্রাচীর কোন রাজার আমলে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ক) শাং
  2. খ) হূন
  3. গ) পিকিং
  4. ঘ) শি-হুয়াং তি
ব্যাখ্যা
চীনের প্রাচীর:
চৌ বংশের রাজা শি-হুয়াং তি-এর রাজত্বকালে নির্মিত হয়েছিল 'চীনের মহাপ্রাচীর'। হূনদের আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্যএই প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল। দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ  এই প্রাচীরের উচ্চতা ছিল গড়ে ২৪ ফুট। এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারত। চীনের প্রাচীর বিশ্বের আশ্চর্য বস্তুর একটি । 

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৩,৪২৬.
পৃথিবীর কোথায় প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয়?
  1. পারস্য
  2. ব্যাবিলনে
  3. পাঞ্জাবে
  4. বেতেলহামে
ব্যাখ্যা
• ব্যাবিলনীয় সভ্যতার:
- সিরিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে আমোরাইট নামক এক জাতি বসবাস করত।
- এরা এক সময় মেসোপটেমিয়ায় এসে নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এদের এই সভ্যতাকে বলে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
- এ সভ্যতার পত্তন হয় খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবী ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে।

→ শিল্পকর্ম:
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় তৈলচিত্রের সন্ধান পাওয়া যায়।
- তাদের আঁকা বিভিন্ন ছবি পাওয়া গেছে।
- জিগুরাট মন্দির পক্তে শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য কীর্তি।
- একটি মন্দির আবিষ্কৃত হয়েছে যা ৭ তলা বিশিষ্ট।

এছাড়াও,
- সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪২৭.
কোন শতকে মোঙ্গল সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয়?
  1. ক) দ্বাদশ
  2. খ) ত্রয়োদশ
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
মোঙ্গল সাম্রাজ্য:
- মোঙ্গল সাম্রাজ্য পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য হিসেবে অভিহিত।
- ত্রয়োদশ শতকের শুরুতে (১২০৬ সালে) মঙ্গোলিয়ার যাযাবর উপজাতিগুলোকে সংগঠিত করার মাধ্যমে বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের পত্তন করেন।
- চেঙ্গিস খান ১১৬২ সালে মঙ্গোলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার আসল নাম ছিলো তেমুজিন।
- চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর তার বংশধরগণ এই সাম্রাজ্যের আরো বিস্তৃতি ঘটান। মোঙ্গল সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরের সময় পূর্ব ইউরোপ থেকে ইন্দোচীন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো যার আয়তন ছিলো এক কোটি বর্গমাইলেরও অধিক।
- ১২৫৯ সালে মেংগু খানের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বে মোঙ্গল সাম্রাজ্য বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এতে করে চতুর্দশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে মোঙ্গল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি কেবল মঙ্গোলিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট
৩,৪২৮.
MERCOSUR কোন অঞ্চলের জোট?
  1. ক) ওশেনিয়া
  2. খ) ভূমধ্যসাগর
  3. গ) ক্যারিবিয়ান
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
MERCOSUR (Mercado Comun Del Sur) বা Common Market of the South হলো দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি বাণিজ্য জোট। MERCOSUR ১৯৯১ সালে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে এবং ভেনেজুয়েলা এর সমন্বয়ে গঠিত হয়। ভেনেজুয়েলার সদস্যপদ বর্তমানে স্থগিত রয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার অন্যান্য দেশগুলো মার্কোসার এর সহযোগী সদস্য। এর সদরদপ্তর উরুগুয়ের মন্টিভিডিও তে অবস্থিত। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার মার্কোসারভুক্ত দেশগুলোর সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে। (সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং মার্কোসার ওয়েবসাইট)
৩,৪২৯.
বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের কোন রাজ্যের অবস্থান?
  1. মেঘালয়
  2. আসাম
  3. মিজোরাম
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
সীমান্ত:
- বাংলাদেশের উত্তর দিকে ভারতের মেঘালয় রাজ্য অবস্থিত।

অন্যদিকে,
আসাম উত্তর-পুর্বদিকে অবস্থিত।
- ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত।
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাংলাদেশের পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৪৩০.
Good Friday Agreement নামে পরিচিত কোনটি?
  1. অটোয়া চুক্তি
  2. বেলফাস্ট চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম - Good Friday Agreement.

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৪৩১.
অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’ কোন দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. ইসরায়েল
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’:
- অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি' অভিযান পরিচালনা করছে ইরান।
- ১৩ জুন, ২০২৫ তারিখে ইরানে ইসরাইলের পরিচালিত অভিযান ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর বিপরীতে অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি অভিযান পরিচালনা করছে ইরান।

⇒ ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’ নামের বৃহৎ সামরিক প্রতিশোধ শুরু করেছে।
- এ অপারেশনের মূল লক্ষ্য হলো- ইসরায়েলের বিমানঘাঁটি, রাডার ব্যবস্থা, এবং ভূগর্ভস্থ সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা।
- এই অপারেশন তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে-
১. প্রথম ধাপে বিমানঘাঁটি ও রাডার ব্যবস্থার ধ্বংস,
২. দ্বিতীয় ধাপে হিজবুল্লাহ ও হুতি বিদ্রোহীদের মাধ্যমে সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা,
৩. তৃতীয় ও চূড়ান্ত ধাপে ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি থেকে হাইপারসনিক মিসাইল হামলা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ইরান 'অপারেশন ট্রু প্রমিজ-১' এবং 'ট্রু প্রমিজ-২' নামে দুটি প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিল।
- ওই অভিযানে শত শত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনাগুলোতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানা হয়।

উৎস: Tasnim পত্রিকা।
৩,৪৩২.
আলিবাবা কোন দেশভিত্তিক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. চীন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
আলিবাবা একটি চাইনিজ মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি।

আলিবাবা (Alibaba):
- আলিবাবা একটি বহুজাতিক ই-কমার্স, পাইকারি, ইন্টারনেট, প্রযুক্তি বিক্রয়কারী কোম্পানি।
- এটি একটি চাইনিজ মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি।
- এটি খুচরা বিক্রেতাদের জন্য বড় প্লাটফর্ম।
- এই কোম্পানী ক্রেতা-বিক্রেতা, ক্রেতা-ক্রেতা, ব্যবসায়ি- ব্যবসায়িদের ওয়েব পোর্টাল এর মাধ্যমে সেবা প্রদান করে থাকে।
- আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা।
- এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের শীর্ষ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি।

উৎস: Alibaba Group ওয়েবসাইট।
৩,৪৩৩.
'পঞ্চইন্দ্ৰিয়' তৈলচিত্রের চিত্রশিল্পী কে?
  1. ক) লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
  2. খ) মকবুল ফিদা হোসেন
  3. গ) মাইকেল অ্যাঞ্জেলা
  4. ঘ) পাবলো পিকাসো
ব্যাখ্যা
- 'পঞ্চইন্দ্ৰিয়' তৈলচিত্রের চিত্রশিল্পী হলেন মকবুল ফিদা হুসেন। 
- মকবুল ফিদা হুসেনের জন্ম ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯১৫, মুম্বাইয়ের খুব কাছে পান্ধারপুরে।
- ১৯৬৭ সালে তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘থ্রু দ্য আইজ অব আ পেইন্টার’ নির্মাণ করেন। এটি বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে গোল্ডেন বেয়র পুরস্কার পায়।
- ইন্দিরা গান্ধীর ছবি এঁকেছেন। মাদার তেরেসা তার প্রিয় বিষয়। এ নারীকে তিনি বারবার এঁকেছেন।
 
উৎস: যুগান্তর। 
৩,৪৩৪.
১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোন দল বিজয়ী হয়েছে?
  1. ফুনসিনপেক
  2. সিপিপি
  3. খেমাররুজ
  4. কেপিএলএনএফ
ব্যাখ্যা
১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে কম্বোডিয়ার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছে ফুনসিনপেক। ভিয়েতনামের দখল ছিল কম্বোডিয়া তারা জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে ১৯৯৩ সালে আধুনিক কম্বোডিয়া আত্নপ্রকাশ করে। এবং ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কম্বোডিয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে বিজয়ী হয় ফুনসিনপেক দল।

কম্বোডিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশ কম্বোডিয়া। 
- রাজধানী: নমপেন।
- গুরুত্বপূর্ণ শহর: সিয়ানুক‌ভিল। 
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সরকারী ভাষা: খমের।
- মুদ্রা: রিয়েল।

উৎস: Britannica.
৩,৪৩৫.
Fund for Wild Nature কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
FWN:

- FWN এর পূর্ণরূপ The Fund for Wild Nature.
- বনায়ন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা জন্য এই সংস্থা কাজ করে থাকে।
- সংস্থাটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার ওয়েবসাইট। [link]
৩,৪৩৬.
পানি প্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী কোনটি? 
  1. নীল নদ
  2. আমাজন নদী
  3. ভলগা নদী
  4. ইয়াংসি নদী
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া (৬,৯৬১ মিটার)।
- এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং এশিয়ার বাইরে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: লেগুনা ডেল কার্বন। এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০৫ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: ব্রাজিল (এটি মহাদেশের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড দখল করে আছে)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: সুরিনাম।
- বৃহত্তম নদী: আমাজন নদী (Amazon River)। এটি জলপ্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী।
- দীর্ঘতম পর্বতমালা: আন্দিজ পর্বতমালা। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মহাদেশীয় পর্বতমালা।
- শুষ্কতম স্থান: আতাকামা মরুভূমি (চিলি)। এটি পৃথিবীর অন্যতম শুষ্কতম অঞ্চল।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ব্রাজিল।
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (ভেনিজুয়েলা): বিশ্বের সর্বোচ্চ নিরবচ্ছিন্ন জলপ্রপাত (উচ্চতা ৯৭৯ মিটার)।

এছাড়াও,
- পৃথিবীর ফুসফুস: আমাজন রেইনফরেস্টকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
- স্থলবেষ্টিত দেশ: দক্ষিণ আমেরিকায় মাত্র দুটি স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ রয়েছে—বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে।
- পানামা খাল: এটি দক্ষিণ আমেরিকাকে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি প্রধান পথ।

উৎস: WorldAtlas.com.

৩,৪৩৭.
বাংলাদেশ প্রথম অংশগ্রহণ করে-
  1. ক) ২৩ তম অলিম্পিকে
  2. খ) ২১ তম অলিম্পিকে
  3. গ) ২৬ তম অলিম্পিকে
  4. ঘ) ১২ তম অলিম্পিকে
ব্যাখ্যা
১৯৮৪ সালে লস এঞ্জেলেস এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস (২৩ তম আসর) এ ১৮ টি দেশ (বাংলাদেশ সহ) প্রথম বারের মত অংশগ্রহণ করেছিল। সূত্রঃ জাতীয় দৈনিক পত্র-পত্রিকা।
৩,৪৩৮.
প্রবাসী হিসেবে সবচেয়ে বেশি কর্মী প্রেরণ করা হয় কোন দেশে?
  1. ক) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
⇨ প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
⇨ দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
⇨ ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
⇨ ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
⇨ সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় - সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৩,৪৩৯.
মন্ট্রিল প্রটোকল কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি কমানো
  2. রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করা
  3. ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস
  4. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:

- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিয়াল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৪৪০.
আরব বসন্ত আন্দোলনের সূচনা কোন দেশ থেকে হয়েছিল?
  1. মিশর
  2. তিউনিসিয়া
  3. লিবিয়া
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, তাকে একত্রে আরব বসন্ত বলা হয়।
- এই আন্দোলনের সূচনা হয় আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়া থেকে, তাই দেশটিকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।

উল্লেখ্য, 

- ২০১১ সালে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরব বসন্ত হিসেবে আখ্যা দেয়।
- আরব বসন্তের প্রভাবে তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন ও মরক্কোতে ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাসসহ নানা রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৪৪১.
কোন নদীর তীরে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো?
  1. হোয়াংহো
  2. ইয়াংসিকিং
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
চৈনিক সভ্যতা (Chinese Civilization):
- চৈনিক সভ্যতা পৃথিবীতে বিরাজমান সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ থেকে আজ পর্যন্ত চীন তার সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। এটিই একমাত্র সভ্যতা যা কোনো সময় পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি।
- চীন পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র। খ্রিস্টপূর্ব ১,৫০০ অব্দে চৈনিক সভ্যতা তার চরম শিখরে অবস্থান করেছিল।
- প্রায় ৪০০০ বছর পূর্বে অর্থ্যাৎ খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে চীনের হোয়াংহো ও ইয়াংসিকিং নদীর তীরে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল বলে ধারনা করা হয়।
- দেশটির তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। এর মধ্যে একটি হোয়াংহো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে, তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে।
- নদীগুলোর প্রভাবে প্রাচীন চীনে কৃষিভিত্তিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- চৈনিক সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছিল- শাং রাজবংশ (Shang Dynasty), জোও রাজবংশ (Zhou Dynasty) আমলে।
- এছাড়াও চৈনিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী হিসাবে আরো বেশ কয়েকটি রাজবংশ যেমন - জিয়া রাজবংশ (Xia Dynasty), কিন রাজবংশ (Qin Dynasty), মিং রাজবংশ (Ming Dynasty) ইত্যাদি চীন শাসন করে।

উৎস: হিস্টরি.কম
৩,৪৪২.
ফুটবল বিশ্বকাপের ২২তম আসরে সর্বাধিক গোলদাতা কে ছিলেন?
  1. ক) লুকা মদ্রিচ
  2. খ) লিওনেল মেসি
  3. গ) কিলিয়ান এমবাপ্পে
  4. ঘ) ওলিভার জিরু
ব্যাখ্যা
কাতার বিশ্বকাপ ২০২২
- ২২তম আসর।
- ২০ নভেম্বর - ১৮ ডিসেম্বর।
- মোট ভেন্যু: ৮টি (৫টি ভিন্ন শহর)।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৩২ টি।
- থিম সং: হা’ইয়া হা’ইয়া। 
- সাউন্ডট্র্যাক: Dreamers।
- মোট ম্যাচ: ৬৪ টি।
- মোট হ্যাট্রিক: ২ টি।
- চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনা (৩য় বার)।
- রানার্স আপ: ফ্রান্স।
- গোল্ডেন বল: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)।
- সিলভার বল: কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)।
- ব্রোঞ্জ বল: লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া)।
- সর্বাধিক গোলদাতা/গোল্ডেন বুট: কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮টি)।
- সিলভার বুট: লিওনেল মেসি।
- ব্রোঞ্জ বুট: ওলিভার জিরু।
- গোল্ডেন গ্লাভস/সেরা গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা)।
- সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়: এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা)।
- টুর্নামেন্ট সেরা গোল: রিচার্লিসন (ব্রাজিলের হয়ে সার্বিয়ায় বিপক্ষে)।
- ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম নারী রেফারি দায়িত্ব পালন করেন এ বিশ্বকাপে।
- মোট নারী রেফারি ছিল ৬ জন।
- ইতিহাসের ২য় খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালের হ্যাট্রিক করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
- ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের জিওফ হার্স্ট প্রথম এ রেকর্ড করেন।

তথ্যসূত্র: Live MCQ অ্যাপ।
৩,৪৪৩.
দেশের বাইরে বাংলাদেশ কোথায় প্রথম দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলে?
  1. কেনিয়া
  2. ভারত
  3. শ্রীলংকা
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
- দেশের বাইরে বাংলাদেশ প্রথম দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলে ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে।
- সেই সিরিজ থেকে শুরু করে এবারের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের আগে দেশের বাইরে ৩৯টি একাধিক ম্যাচে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ।
- এই ৩৯ সিরিজের ৯টিতে জিতেছে বাংলাদেশ, হেরেছে ২৭টিতে, আর ড্র হয় অন্য ৩টি সিরিজ।
- জয় পাওয়া ৯টি সিরিজের ৮টিতেই প্রথম ম্যাচটি জিতেছিল বাংলাদেশ।
- ব্যতিক্রম ২০২৩ সালে ইংল্যান্ডে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা সিরিজ। সেই সিরিজেও অবশ্য প্রথম ম্যাচে হারেওনি বাংলাদেশ, চেমসফোর্ডে বৃষ্টিতে মাঝপথে থেমে যাওয়ায় ফল দেখেনি সেই ম্যাচ।

উৎস: প্রথম আলো [১০ ডিসেম্বর, ২০২৪]
৩,৪৪৪.
মার্কিন বিমান ঘাঁটি ইরবিল ও আল-আসাদ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) কাতার
  2. খ) ইরাক
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) সিরিয়া
ব্যাখ্যা
মার্কিন বিমান ঘাঁটি ইরবিল ও আল-আসাদ ইরাকে অবস্থিত।
- সম্প্রতি ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যার জবাব হিসাবে এই দুই ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা করেছিল ইরান।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ এবং অন্যান্য পত্রিকা।
৩,৪৪৫.
মিগ-২১ কী?
  1. এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
  2. এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
  3. এক ধরনের যুদ্ধ বিমান
  4. জো বাইডেনের বিশেষ বিমান
ব্যাখ্যা
₻ যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানগুলো হলো:
- বি-৫২
- এফ-১৬,
- স্টেলথ,
- সি-১৩০ 
₻  রাশিয়ার যুদ্ধবিমান গুলো হলো:
- মিগ-২১,
- মিগ-২৯,‌
- ইয়াক-১৩০ ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৪৪৬.
২০২৪ সালে প্রকাশিত বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচকে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. সুইডেন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৪:
- প্রকাশক: জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা (WIPO)।
- WIPO ১৩৩টি দেশের সূচক প্রকাশ করেছে।
- প্রকাশিত হয়: সেপ্টেম্বর, ২০২৪।
- এতে একটি দেশের অবস্থান নির্ণয়ে প্রতিষ্ঠান, মানবসম্পদ ও গবেষণা, অবকাঠামো, পরিশীলিত বাজার, পরিশীলিত ব্যবসা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতাসহ মোট সাতটি সূচকের মূল্যায়ন করা হয়।
- বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচকে শীর্ষ দেশ সুইজারল্যান্ড।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১০৬তম।
- সূচকে সর্বনিম্নে রয়েছে অ্যাঙ্গোলা।

⇒ বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৪ শীর্ষ দেশ:
১. সুইজারল্যান্ড,
২. সুইডেন,
৩. যুক্তরাষ্ট্র,
৪. সিঙ্গাপুর,
৫. যুক্তরাজ্য।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।
৩,৪৪৭.
Blood and Iron Policy-এর প্রবক্তা কে?
  1. দ্বিতীয় নিকোলাস
  2. এডলফ হিটলার
  3. অটো ভন বিসমার্ক
  4. কিম জং উন
ব্যাখ্যা
অটো ভন বিসমার্ক:
- অটোভন বিসমার্ক আধুনিক জার্মানির জনক।
- জার্মানিতে ১৮৭১ সালে ক্ষমতায় বসেন অটোভন বিসমার্ক।
- তিনি জার্মান সাম্রাজ্যের প্রথম চ্যান্সেলর।
- তাঁর হাত ধরে জার্মান রাজ্যগুলো একক রাষ্ট্রের পতাকাতলে জড়ো হয়।
- ইউরোপে অন্যতম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জার্মানি।
- Blood and Iron Policy-এর প্রবক্তা অটো ভন বিসমার্ক।

উৎস: Britannica ও History Flame.
৩,৪৪৮.
'৪৩তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. গুজরাট, ভারত
  2. কাঠমান্ডু, নেপাল
  3. জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
  4. ঢাকা, বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
৪৩তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলন:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০টি দেশের সংস্থা আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলন ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় শুরু হয়েছে৷
- ‘আসিয়ান প্রেক্ষিত: প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রবিন্দু’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর সভাপতিত্বে ৫-৭ সেপ্টেম্বর তিন দিনের এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- মিয়ানমার সংকট ও দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের প্রভাব নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়েছে৷
- শীতল যুদ্ধ চলার সময় কমিউনিজমের প্রসার ঠেকাতে ১৯৬৭ সালে আসিয়ান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল৷
- এর বর্তমান সদস্যরা হচ্ছে ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম।
- এই দেশগুলোতে ৬৫ কোটির বেশি মানুষ বাস করেন।
- সম্মিলিতভাবে এটি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি।
- আসিয়ানের ১০টি দেশ ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রুশ ফেডারেশন, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারত পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে।

উৎস: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, যুগান্তর।
৩,৪৪৯.
ভারতীয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সর্বভারতীয় পরিষেবা (All India Services) গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩১২
  2. অনুচ্ছেদ ৩১৫
  3. অনুচ্ছেদ ৩২০
  4. অনুচ্ছেদ ২৪২
ব্যাখ্যা

All India Services: 
- ভারতের স্বাধীনতার পর ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (ICS)-এর পরিবর্তে ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (IAS) এবং ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (IPS) গঠন করা হয়।
- ভারতীয় সংবিধানের ৩১২ নং অনুচ্ছেদে সর্বভারতীয় পরিষেবা (All India Services - AIS) গঠনের বিধান রয়েছে, এটা কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়ের প্রশাসনে কাজ করে।
- বর্তমানে তিনটি AIS রয়েছে: IAS, IPS এবং ১৯৬৬ সালে গঠিত ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস (IFoS)।
- এই পরিষেবাগুলোর মাধ্যমে প্রশাসনিক কাঠামোকে সুশৃঙ্খল ও কার্যকর রাখা হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী, AIS সদস্যরা রাজ্যে নিযুক্ত হলেও কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনেও দায়িত্ব পালন করেন।

সূত্র: ভারতের সংবিধান। 

৩,৪৫০.
OECD এর বর্তমান সদস্য কতটি?
  1. ৩৬টি
  2. ৩৭টি
  3. ৩৮টি
  4. ৩৯টি
ব্যাখ্যা
- OECD (Organisations for Economic Co-operation and Development) ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- ইউরোপ, এশিয়া, আমেরিকা ও ওশেনিয়ার অঞ্চলের ৩৮টি দেশ এটির সদস্য। ২৫ মে ২০২১ কোস্টারিকা সংস্থাটির ৩৮তম সদস্যপদ লাভ করে।
- এই সংস্থার উদ্দেশ্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
(তথ্যসূত্রঃ OECD ওয়েবসাইট)
৩,৪৫১.
চীন থেকে ভারতবর্ষে আসা প্রথম পর্যটকের নাম কী?
  1. ফা-হিয়েন
  2. হিউয়েন সাং
  3. মা হুয়ান
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- চীন থেকে ভারতবর্ষে আসা প্রথম পর্যটকের নাম ফা-হিয়েন।
- পাঁচ শতকের সূচনায় তিনি ভারত ভ্রমণ করেন।
- এ সময় গুপ্ত বংশীয়রা বাংলার অংশবিশেষসহ ভারত শাসন করছিলেন।
- ফা-হিয়েন ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন।
- ভারত ভ্রমণের শেষ পর্যায়ে তিনি সীমান্ত রাজ্য চম্পার মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন।
- সেখান থেকেই সমুদ্রপথে তিনি অপর বৌদ্ধপ্রধান অঞ্চল শ্রীলঙ্কায় যেতে চেয়েছিলেন।
- শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পূর্বে ফা-হিয়েন দীর্ঘ দুবছর তাম্রলিপ্তিতে বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের অনুলিপি তৈরি ও বৌদ্ধ মূর্তির ছবি আঁকেন।
- তাঁর বিবরণী থেকে জানা যায়, এ সময় তাম্রলিপ্তিতে চবিবশটি বৌদ্ধ মঠ ও অনেক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৪৫২.
বক্সিং খেলাটি কে উদ্ভাবন করেন?
  1. ক) ল্যারী হোমস
  2. খ) মোহাম্মদ আলী
  3. গ) থিসিয়াস
  4. ঘ) অলিভার ক্লার্ক
ব্যাখ্যা

বক্সিং খেলার উদ্ভব হয় প্রাচীন গ্রিসে। তৎকালীন গ্রীক রাজা থিসিয়াস এই খেলার উদ্ভাবন করেন বলে ধারণা করা হয়, তবে গ্রীকরা এটাও বিশ্বাস করতো যে এই খেলার নিয়ম স্রষ্টা অথবা কোনো মহান বীর কর্তৃক প্রদত্ত।
থিসিয়াসের খেলার নিয়ম অনুমিতভাবেই আধুনিক বক্সিং থেকে কিছুটা ভিন্ন ছিলো।

উৎসঃ অলিম্পিকস 

৩,৪৫৩.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয় কোন দেশ?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. ইতালি
  3. সুইডেন
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়। 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: 
- ৫ মে ১৯৪৯: ইউরোপীয় কাউন্সিল (Council of Europe) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২৫ মার্চ ১৯৫৭: রোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (European Economic Community - EEC) গঠন করা হয়।
- ১ জানুয়ারি ১৯৫৮: EEC এবং Euratom কার্যকর হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ: 
১. অস্ট্রিয়া
২. বেলজিয়াম
৩. বুলগেরিয়া
৪. ক্রোয়েশিয়া
৫. সাইপ্রাস
৬. চেক প্রজাতন্ত্র বা চেকিয়া
৭. ডেনমার্ক
৮. এস্তোনিয়া
৯. ফিনল্যান্ড
১০. ফ্রান্স
১১. জার্মানি
১২. গ্রিস
১৩. হাঙ্গেরি
১৪. আয়ারল্যান্ড
১৫. ইতালি
১৬. লাটভিয়া
১৭. লিথুয়ানিয়া
১৮. লুক্সেমবার্গ
১৯. মাল্টা
২০. নেদারল্যান্ডস
২১. পোল্যান্ড
২২. পর্তুগাল
২৩. রোমানিয়া
২৪. স্লোভাকিয়া
২৫. স্লোভেনিয়া
২৬. স্পেন
২৭. সুইডেন

উৎস: EU ওয়েবসাইট। 
৩,৪৫৪.
আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা (IOM) - এ যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ কোনটি?
  1. ক) জর্ডান
  2. খ) হাঙ্গেরি
  3. গ) উগান্ডা
  4. ঘ) বার্বাডোস
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা (IOM)
▪ IOM - এর পূর্ণরূপ - The International Organization for Migration বা আন্তর্জাতিক মাইগ্রেশন (অভিপ্রয়ান) বিষয়ক সংস্থা।
▪ প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৫১ সাল।
▪ সদস্য সংখ্যা - ১৭৫টি দেশ এবং পর্যবেক্ষক সদস্য দেশ - ৮টি।
▪ ২৯ নভেম্বর, ২০২২ সালে বার্বাডোস IOM - এর সর্বশেষ সদস্য দেশের স্বীকৃতি লাভ করে।
▪ সদরদপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। 

তথ্যসূত্র: IOM ওয়েবসাইট। 
৩,৪৫৫.
নিচের কোনটি লিবিয়ার সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) আকাবা
  2. খ) ফুলগাজী
  3. গ) কাসাব্লাঙ্কা
  4. ঘ) বেনগাজী
ব্যাখ্যা
ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত বেনগাজী লিবিয়ার প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। এখানে লিবিয়ার পার্লামেন্ট ভবন অবস্থিত। লিবিয়ার রাজধানীর নাম ত্রিপলী।
অন্যদিকে কাসাব্লাঙ্কা হলো মরক্কোর একটি বিখ্যাত শহর। আকাবা জর্ডানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর এবং ফুলগাজী বাংলাদেশের ফেনী জেলার একটি উপজেলার নাম।
(সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৩,৪৫৬.
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. স্ট্রাসবার্গ
  3. বার্লিন
  4. মিউনিখ
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট হলো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের তিনটি কার্যালয় রয়েছে। এগুলোর অবস্থান হলো:
ফ্রান্সের ট্রাসবার্গ
লুক্সেমবার্গ এবং
বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
লুক্সেমবার্গ কার্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, ব্রাসেলস অফিসে সংসদীয় কমিটি সমূহের সভা এবং স্ট্রাসবার্গে পার্লামেন্ট অধিবশেন বসে।
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের আসন সংখ্যা ৭০৫টি।
(সূত্র: ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট ওয়েবসাইট)
৩,৪৫৭.
ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সাম্য 
  2. গণতন্ত্র
  3. ভ্রাতৃত্ব
  4. স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

- ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র এর অন্তর্ভুক্ত নয় গণতন্ত্র।

ফরাসি বিপ্লব:

- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দূর্গ পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব দশ বছর স্থায়ি হয়েছিল।
- এই বিপ্লবের মূল মন্ত্র ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এ সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।
- লেখনীর মাধ্যমে বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই বিপ্লবের আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- এবং বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে তিনি ফ্রান্সের একজন প্রভাবশালী সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। 

উৎস: i) ইতিহাস-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ব্রিটানিকা।

৩,৪৫৮.
নব্যপ্রস্তর যুগের কীর্তি -
  1. আগুন জ্বালানোর কৌশল আবিষ্কার
  2. কাপড় বুনন
  3. চাকার আবিষ্কার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
নব্যপ্রস্তর যুগ:
- আদি মানব এক সময় নতুন পাথরের যুগে প্রবেশ করে।
- এ সময় তৈরি পাথরের অস্ত্র অনেক বেশি উন্নত ছিল।
- এ যুগে মানুষ কৃষিকাজ শিখেছিল।
- কৃষি আর পশু পালন ছিল মানুষের প্রধান পেশা।
- এরই পাশাপাশি মাটির রকমারি বাসন-কোসন তৈরি করতে শিখল।
- নব্য প্রস্তরযুগের গুরুত্বপূর্ণ একটি কীর্তি হল চাকার আবিষ্কার।
- কৃত্রিম পদ্ধতিতে আগুন জ্বালানোর কৌশল আয়ত্ত্ব এবং এর ব্যাপক ব্যবহার নব্য প্রস্তর যুগের অর্জন।
- নব্য প্রস্তরযুগের শেষপর্যায়ে এসে সীমিত আকারে তামার ব্যবহার শুরু হয়।
- নতুন পাথরের যুগের মানুষ কাপড় বুনতে পারতো
- শিকারি জীবনের অবসান হওয়ায় এ যুগের মানুষ স্থায়ী বসতি স্থাপন করে।
- মানুষ স্থায়ী বসবাস গড়ার কারণেই ধীরে ধীরে গ্রামের বিকাশ ঘটলো।
- নতুন পাথরের যুগের সংস্কৃতির প্রধান কেন্দ্র ছিল সিন্ধু নদীর উপত্যকা এবং বেলুচিস্তান।
- দক্ষিণ ভারতে পাওয়া যায় উন্নত ধরনের পাথরের কুঠার।
- এ যুগে মৃতদেহকে কবর দেয়া হতো।
- কবরের উপরে তৈরি করা হতো সমাধি।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৫৯.
UNICEF - এর প্রতিষ্ঠাকাল কোনটি?
  1. ক) ১৯৪৪ সাল
  2. খ) ১৯৪৫ সাল
  3. গ) ১৯৪৬ সাল
  4. ঘ) ১৯৪৭ সাল
ব্যাখ্যা
-- UNICEF হল জাতিসংঘের একটি বিশেষ কর্মসূচি যা শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা এবং সাধারণ কল্যাণের উন্নতির জন্য জাতীয় প্রচেষ্টাকে সহায়তা করার জন্য নিবেদিত।
-- UNICEF ১৯৪৬ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশগুলিতে শিশুদের ত্রাণ প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
-- UNICEF ১৯০ টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে কাজ করে। 
-- UNICEF এর পূর্ণরুপ - United Nations Children's Fund
-- পূর্বনাম- United Nations International Children’s Emergency Fund 
--  UNICEF নামকরণ করে- ১৯৫৩ সালে
-- UNICEF-এর সদর দপ্তর- নিউইর্য়ক।
-- প্রতিষ্ঠাকাল- ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সাল।
-- শান্তিতে নোবেল পায়- ১৯৬৫ সালে। 

তথ্যসূত্র: (UNICEF) ওয়েবসাইট ও Britannica.com
৩,৪৬০.
মাহাথির মোহাম্মদ টানা কত বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন?
  1. ২২ বছর
  2. ২৩ বছর
  3. ২৪ বছর
  4. ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
মাহাথির মোহাম্মদ:

- একুশ বছর বয়সে ইউনাইটেড মালয়স ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন নামে একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, যেটির সংক্ষিপ্ত রূপ ইউএমএনও। দলটি আমনো নামে বেশি পরিচিত।
- সে সময় ডাক্তারি পেশায় ছিলেন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি নিজের এলাকায় সাত বছর ধরে ডাক্তারি পেশার চর্চ্চা করেন তিনি।
- ১৯৬৪ সালে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য হন।
- ১৯৬৯ সালে তিনি তার আসন হারান এবং তাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়।
- মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ১৯৮০ এর দশকে মালয়েশিয়ার ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রূপান্তরের জন্য তাকেই কৃতিত্ব দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে দীর্ঘ বিরতির পর তিনি ২০১৮ সালে পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- তিনি ২ দফায় মোট ২৪ বছর মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি মালয়েশিয়ার রাজনীতির 'টাইটানিক' নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩,৪৬১.
When is the World Day of Remembrance for Road Accident Victims observed?
  1. ক) November 8
  2. খ) November 10
  3. গ) November 12
  4. ঘ) November 15
ব্যাখ্যা
Every year the World Day of Remembrance for Road Accident Victims observed on 15th November, by the United Nations.
The Day is seen as a tool to reduce road casualties. It draws attention to the devastation caused by road crashes and gives recognition to the road crash victims.
৩,৪৬২.
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী (UNDP) এর প্রধান পদ কোনটি?
  1. প্রেসিডেন্ট
  2. প্রশাসক
  3. মহাপরিচালক
  4. মহাসচিব
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী (UNDP) এর প্রধান পদ প্রশাসক (Administrator)।

UNDP:

- UNDP-এর পূর্ণরূপ: United Nations Development Programme.
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী বা UNDP।
- এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ নভেম্বর, ১৯৬৫।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান প্রশাসক: আচিম স্টেইনার।

⇒ জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তহবিল ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালনকারী বিভাগের নাম UNDP।
- জাতিসংঘের বহুমুখী কারিগরি ও প্রাক-বিনিয়োগ সহযোগিতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম এটি।
- উন্নয়নশীল দেশ সমূহে সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহার এবং সম্পদ আহরণে সাহায্য করা এই সংস্থার উদ্দেশ্য।
- প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এই সংস্থা আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
- এই সংস্থা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর উন্নয়ন কাজে সমন্বয় করে।
- স্বল্পোন্নত দেশ হলো উন্নয়নশীল দেশগুলির একটি তালিকা যা জাতিসংঘের মতে, আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- ইউএনডিপির পরিচালনা পরিষদের সদস্য ৪৮ জন।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের বৃহত্তম উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচি, UNDP একজন প্রশাসকের নেতৃত্বে থাকে।
- তিনি উন্নয়নশীল এবং উন্নত উভয় দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৩৬ সদস্যের নির্বাহী বোর্ডের তত্ত্বাবধান করেন।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইটট
৩,৪৬৩.
'জিগুরাত' কাদের ধর্ম মন্দির?
  1. অ্যাশেরীয়
  2. সুমেরীয়
  3. ব্যাবিলনীয়
  4. মিশরীয়
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতার অবস্থান ও সময়কাল
- মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বসতি গড়ে তোলায় প্রথম নেতৃত্ব দেয় সুমেরীয়রা।
- সুমেরী একটি জাতির নাম। তাদের আদি বাসস্থান ছিল মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এলামের পাহাড়ি অঞ্চলে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে এদের একটি শাখা মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণে বসতি গড়ে তোলে।
- তাদের নামানুসারে এ অঞ্চলটির নাম সুমেরীয় অঞ্চল। আর তাদের সভ্যতাকে বলা হয় সুমেরীয় সভ্যতা।
- সুমেরীয়রা খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দের পূর্বেই সুমেরু নগর গড়ে তোলে।

সুমেরীয়দের সামাজিক অবস্থা
- সুমেরীয় সমাজের মানুষ বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত ছিল।
যেমন- অভিজাত সম্প্রদায়: উচ্চ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল শাসক, পুরোহিত, অভিজাত, সামন্ত প্রভু, বণিক, শিল্পমালিক এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা।
মধ্য শ্রেণী: মধ্য শ্রেণীতে অবস্থান ছিল চিকিৎসক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বাধীন ভূমিমালিক (কৃষক) শ্রমিক।
নিম্ন শ্রেণী: নিম্ন শ্রেণীর অধিবাসী ছিল দাস, ভূমিদাস ও সাধারণ শ্রমিক তথা সর্বসাধারণ।

ধর্ম:
- সুমেরীয় ধর্মের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
• প্রথমত, সুমেরীয়রা বহু দেবতায় বিশ্বাসী ছিল।
• দ্বিতীয়ত, সুমেরীয় ধর্ম ছিল ইহজাগতিক ধর্ম।
• তৃতীয়ত, সুমেরীয় ধর্মে নৈতিকতা অনুপস্থিত ছিল।
- তারা বৃষ্টি, বাতাস, পানি, উর্বরতা, প্লেগ রোগ ইত্যাদি প্রাকৃতিক শক্তিকে দেবতা মনে করত।
- তাদের কেন্দ্রীয় ধর্মমন্দিরকে বলত 'জিগুরাত' আর ধর্মগুরুকে বলত 'পাতেজি'।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র।
৩,৪৬৪.
ইউরোপের দেশ 'নেদারল্যান্ডস' নামটির বাংলা অর্থ কোনটি?
  1. নিম্ন ভূমি
  2. সমতল ভূমি
  3. উর্বর ভূমি
  4. উচ্চ ভূমি
ব্যাখ্যা

নেদারল্যান্ডস:
- নেদারল্যান্ডস উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ।
- ইউরোপের দেশ 'নেদারল্যান্ডস' নামটির বাংলা অর্থ নিম্ন ভূমির দেশ।
- দেশের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে অবস্থিত নিম্নভূমিগুলি মূলত সমতল ভূখণ্ড দ্বারা গঠিত।
- এই অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উপরে বা নীচে অবস্থিত।
- দেশটি হল্যান্ড নামেও পরিচিত।
- নেদারল্যান্ডস সাংবিধানিক রাজার অধীনে একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- দেশটির উত্তর ও পশ্চিমে উত্তর সাগর , পূর্বে জার্মানি এবং দক্ষিণে বেলজিয়াম অবস্থিত।
- দেশটির মোট আয়তন: প্রায় ২,৫০০ বর্গমাইল (৬,৫০০ বর্গকিলোমিটার)।
- রাজধানী: আমস্টারডাম।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৩,৪৬৫.
কুর্দি জাতির বসবাস নেই-
  1. ক) ইরাকে
  2. খ) জর্ডানে
  3. গ) তুরস্কে
  4. ঘ) ইরানে
ব্যাখ্যা
কুর্দিরা মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রাচীন জাতি। এরা সংখ্যায় আড়াই থেকে সাড়ে তিন কোটির মতো যা মধ্যপ্রাচ্যের চতুর্থ বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী। তুরস্ক, ইরাক, ইরান, সিরিয়া ও আর্মেনিয়ার জুড়ে এদের বসবাস। কুর্দিদের অধিকাংশই সুন্নি মুসলিম। কুর্দিরা দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের জন্যে একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা ও লড়াই করে আসছে। কিন্তু আজ অবধি তা সম্ভব হয়নি। (সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৩,৪৬৬.
'Law of the Sea Convention' অনুযায়ী উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত Exclusive Economic Zone' হিসেবে গণ্য?
  1. ২২ নটিক্যাল মাইল
  2. ৪৪ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
UNCLOS:
- UNCLOS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention on the Law of the Sea.
- UNCLOS জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক আইন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়।

⇒ আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল (Territorial sea):
- তটরেখা হতে একটি নির্দিষ্ট দ রত্বে সমুদ্রের উপর উপকূলীয় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বজায় থাকে।
- এ সমুদ্র অঞ্চলকেই আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে এ দ রত্ব ১২ নটিক্যাল মাইল নির্ধারণ করা হয়।

⇒ সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone):
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে উপকূলীয় রাষ্ট্র সমুহকে সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অধিকার প্রদান করা হয়।
- এখানে উপকূলীয় রাষ্ট্রের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অধিকার থাকে।
- এটি তটরেখা হতে সমুদ্রে সর্বোচ ২০০ নটিক্যাল মাইল বিস্তৃত হবে।

⇒ মহীসোপান (Continental shelf):
- মহাদেশের কিছু অংশে সমুদ্রের পানির মধ্যে বিস্তৃত থাকে।
- এখানে সমুদ্রের গভীরতা কম থাকে।
- মহাদেশের এ স্বল্প গভীর নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে সাধারণভাবে কোন কোন দেশ তটরেখা হতে সমুদ্র বক্ষে ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ২৫০০ মিটার গভীর সমুদ্র তলদেশ হতে ১০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত তার মহীসোপান কি বিস্তৃত করতে পারবে।

উৎস: UNCLOS ওয়েবসাইট।
৩,৪৬৭.
রেডক্রস এর সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৯০টি
  2. খ) ১৯১টি
  3. গ) ১৯২টি
  4. ঘ) ১৯৩টি
ব্যাখ্যা
ICSRM:

- ICSRM -এর পূর্ণরূপ Internationa Red Cross and Red Crescent Movement.
- রেড ক্রস -এর প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট।
- রেড ক্রস হচ্ছে বিশ্বের দুঃস্থ মানবতার সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- রেডক্রস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে।
- রেডক্রস এর মোট সদস্য দেশ- ১৯২টি।

তথ্যসূত্র - রেড ক্রস -এর ওয়েবসাইট।
৩,৪৬৮.
অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) নাইরোবি
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) মাদ্রিদ
ব্যাখ্যা
অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল একটি বহুজাতিক এনজিও কনফেডারেশন যা বিশ্বের ৯০টির অধিক দেশে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে কাজ করছে।
- এটি ১৯৪২ সালে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে Oxford Committee for Famine Relief (Oxfam) নামে গঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২১টি বেসরকারি স্বাধীন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি কনফেডারেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এটির সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবি শহরে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট)
৩,৪৬৯.
আকিয়াব কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. জর্ডান
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

- আকিয়াব মিয়ানমারের একটি সমুদ্রবন্দর।

অন্যদিকে
- জর্ডানের সমুদ্রবন্দরের নাম- আকাবা।
- ইরানের সমুদ্র বন্দর- বন্দর আব্বাস ।
- ইয়েমেনের সমুদ্র বন্দর- এডেন।

• বিভিন্ন সমুদ্রবন্দরের নাম:
- জেদ্দা ও দাম্মাম : সৌদি আরবের সমুদ্রবন্দর
- পোর্ট সুদান : সুদানের সমুদ্রবন্দর।
- 'মন্ট্রিল', 'কুইবেক', 'ভ্যাঙ্কুভার' সমুদ্রবন্দর অবস্থিত কানাডায়।
- 'গ্লাসগো' সমুদ্র বন্দর অবস্থিত স্কটল্যান্ডে।
- আন্টওয়ার্প : বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
- রটারডাম : নেদারল্যান্ডসের সমুদ্রবন্দর।
- ডানজিগ : পোল্যান্ডের সমুদ্রবন্দর।
- হামবুর্গ ও ডুইসবার্গ : জার্মানির সমুদ্রবন্দর।

উৎস: worldatlas.com

৩,৪৭০.
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতনের পিছনে কে রয়েছেন?
  1. আর্তুগুল গাজি
  2. উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মুরাদ
  3. প্রথম সুলাইমান
  4. উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদ
ব্যাখ্যা
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৩৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বিতীয় রাজধানীর নামকরণ করা হয় কনস্টান্টিনোপল।
- পূর্ব রাজধানীকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া মাইনরসহ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল শাসিত হতো।

⇒ বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতন:
- পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ইসলামী সভ্যতার উত্থান ও বিকাশের পটভূমিতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের সীমা ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়তে থাকে।
- আব্বাসীয় শাসনামল পর্যন্ত ইসলামী সাম্রাজ্য পশ্চিম ইউরোপের স্পেন, সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- ১২৫৮ সালে মোঙ্গল নেতা হালাকু খানের হাতে বাগদাদের পতন ঘটার পর ইসলামী সভ্যতার নেতৃত্ব গ্রহণ করে ওসমানীয় তুর্কিরা।
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৪৫৩ সাল ইউরোপ তথা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি মাইল ফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭১.
কোন চুক্তির মাধ্যমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন ও ইসরাইল পরস্পরকে স্বীকৃতি দান করে?
  1. বেলফাস্ট চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. অটোয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
চুক্তি:
- ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তির ফলে ইসরাইল ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এতে মধ্যস্থতা করেন।

অন্যদিকে,
- অটোয়া চুক্তি (১৯৯৭) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ,
- ডেটন চুক্তি (১৯৯৫) : বসনিয়া সংকট সমাধান,
- বেলফাস্ট চুক্তি (১৯৯৮) : উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন।

উৎস: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা।
৩,৪৭২.
'I have a dream' শীর্ষক বিখ্যাত ভাষণটি কত সালে প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৬২ সালে
  2. খ) ১৯৬৩ সালে
  3. গ) ১৯৬৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র:
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।
- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।
- মার্টিন লুথার হলেন খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।

উৎস: Britannica & History.com
৩,৪৭৩.
UN-HABITAT এর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. UN Sustainable Habitat Centre
  2. UN Centre for Human Settlements
  3. UN Humanitarian Programme
  4. UN Global Housing Mission
ব্যাখ্যা

• UN-HABITAT: 
- এর পূর্ণরূপ: United Nations Human Settlements Programme.
- UN-HABITAT জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
- যা টেকসই নগরায়ন ও মানব বসতির উন্নয়ন এর জন্য কাজ করে।
- এর লক্ষ্য হলো সব মানুষের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, স্বাস্থ্যকর এবং স্থায়ী বসতি নিশ্চিত করা।
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৭৮ (বিশ্ব মানব বসতি সম্মেলনের পর)
- পূর্ব নাম: UN Centre for Human Settlements (UNCHS)
- বর্তমান নাম: ২০০২ সাল থেকে UN-HABITAT নামে পরিচিত
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।

• মূল লক্ষ্য ও কাজ: 
- নগরায়নের টেকসই নীতি ও পরিকল্পনা তৈরি এবং বাস্তবায়ন।
- শহরগুলোর উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণ।
- সাশ্রয়ী ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র: UN-HABITAT ওয়েবসাইট।

৩,৪৭৪.
কোয়াড (Quad) কোন ধরনের ফোরাম?
  1. অর্থনৈতিক সহযোগিতা ফোরাম
  2. কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম
  3. সাংস্কৃতিক বিনিময় ফোরাম
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ ফোরাম
ব্যাখ্যা

কোয়াড (Quad):
- কোয়াড (Quad) হলো যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামির পর এই চার দেশের মধ্যে সমন্বয়মূলক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে, যা পরবর্তীতে কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ নেয়।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পরে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন - ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী বা শক্ত অবস্থানের জবাব দিতে এবং নজরদারি চালাতে কোয়াডকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে ব্যবহার করছেন।
- কোয়াড মূলত সদস্য দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ায়।
- পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করে থাকে।
- তাছাড়া, বৈশ্বিক সংকট যেমন কোভিড–১৯ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।

উৎস: East Asia Forum Website. 

৩,৪৭৫.
আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে এবং ভেনিজুয়েলার মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের নাম-
  1. ক) CAFTA
  2. খ) MERCOSUR
  3. গ) COMECON
  4. ঘ) SACU
ব্যাখ্যা

MERCOSUR এর বর্তমান সদস্য ৫টি। MERCOSUR (Mercado Comun Del Sur) বা Common Market of the South হলো দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি বাণিজ্য জোট যা ১৯৯১ সালে যাত্রা শুরু করে। প্রথমে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে এবং ভেনেজুয়েলা এর সমন্বয়ে এটি গঠিত হয়।
২০১৬ সাল থেকে সদস্য হিসেবে ভেনেজুয়েলার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে তবে সদস্যপদ বহাল আছে।। দক্ষিণ আমেরিকার অন্যান্য দেশগুলো মার্কোসার এর সহযোগী সদস্য। এর সদরদপ্তর উরুগুয়ের মন্টিভিডিও তে অবস্থিত। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার মার্কোসারভুক্ত দেশগুলোর সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে।
সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং মার্কোসার ওয়েবসাইট।

৩,৪৭৬.
২০২৬ সালে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ী কোন দেশ? 
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ইংল্যান্ড
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

- ২০২৬ সালে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে ভারত। 
- টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত।
- প্রথম দল হিসেবে টানা দুবার টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ভারত।
- প্রথম স্বাগতিক দল হিসেবে জিতল বিশ্বকাপের শিরোপাও।
- ফাইনালে ভারত নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে।
- ফাইনাল ম্যাচ: ৮ মার্চ ২০২৬, আহমেদাবাদে।
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রিকেট ভেন্যু নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টস হেরে ২৫৫ রানের পর্বত গড়েছিল ভারত।১ ওভার বাকি থাকতেই ১৫৯ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড।

উৎস: পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

৩,৪৭৭.
নিচের কোন যুদ্ধটি "The Great War” নামে পরিচিত?
  1. ক) আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  2. খ) উপসাগরীয় যুদ্ধ
  3. গ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  4. ঘ) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
⇨ গত শতাব্দীর প্রথম ভাগে বিশ্বের পরাশক্তিগুলো প্রধানত ইউরোপে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত এই যুদ্ধটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নামে পরিচিত।
⇨ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ “মহাযুদ্ধ ” বা "The Great War” নামে ইতিহাসে বিখ্যাত। এই যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব প্রথম সামরিক শক্তির সর্বগ্রাসী চেহারা প্রত্যক্ষ করে। এর আগে কোন যুদ্ধে এতো প্রাণহানি ঘটে নি।
⇨ চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩৭ লাখ প্রাণহানি ঘটে রাশিয়ার। 

একনজরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
▪ যুদ্ধ সংঘটনকাল:- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ — ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
▪ অক্ষশক্তি:- জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, গ্রীস ও তুরস্ক।
▪ মিত্রশক্তি:- রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান, চীন, সার্বিয়া, রোমানিয়া ও বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।  
▪ ফলাফল:- মিত্রশক্তি বিজয়ী।    

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৩,৪৭৮.
IBRD এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৮৭টি
  2. ১৮৮টি
  3. ১৮৯টি
  4. ১৯০টি
ব্যাখ্যা
IBRD:
- IBRD এর পূর্ণরূপ International Bank for Reconstruction and Development.
- এটি হল একটি বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন সমবায়।
- এর সদস্য দেশ ১৮৯টি।
- বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন ব্যাংক হিসাবে, এটি মধ্য-আয়ের এবং ঋণযোগ্য নিম্ন-আয়ের দেশগুলিকে ঋণ, গ্যারান্টি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পণ্য এবং উপদেষ্টা পরিষেবা প্রদান করে।
- আঞ্চলিক এবং বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া সমন্বয় করে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের লক্ষ্যকে সমর্থন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ইউরোপকে পুনর্গঠনে সহায়তা করার জন্য ১৯৪৪ সালে তৈরি, IBRD বিশ্বব্যাংক গঠনের জন্য সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলির জন্য আমাদের তহবিল IDA-এর সাথে যোগ দেয়।
- সংস্থাটি উন্নয়নশীল দেশগুলির সরকারী ও বেসরকারী খাতের সাথে দারিদ্র্য হ্রাস এবং ভাগ করা সমৃদ্ধি গড়ে তোলার জন্য ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩,৪৭৯.
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনের পর যৌথ ঘোষণার স্বাক্ষর প্রদানে কোন দেশ বিরত ছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
২০১৮ সালে কানাডার কুইবেক অঙ্গরাজ্যের লা মালাবে শহরে অনুষ্ঠিত জি - ৭ এর ৪৪তম সম্মেলনের পর গৃহীত যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর প্রদানে যুক্তরাষ্ট্র বিরত ছিল।

উল্লেখ্য, এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

G-7:
- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- এটি বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
- তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

⇒ ৫০তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৪ সালে ৫০তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ইতালিতে।
- এবারের সম্মেলনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ইউক্রেনকে সহায়তা, গাজায় যুদ্ধবিরতি, অভিবাসন নীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং চীনের বাণিজ্যিক বিষয়।
- এছাড়াও আফ্রিকা এবং ভূমধ্যসাগর এ দুটি জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু এবারের সম্মেলনে আলোচনার মুখ্য বিষয়বস্তু ছিল।
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিশেষ করে সবুজ প্রযুক্তি নিয়ে কীভাবে ন্যায্য ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠা করা যায়, তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানেরা আলোচনা প্রাধান্য পেয়েছে।
- সম্মেলনে রাশিয়ার সামরিক সম্প্রসারণ নীতির প্রতি চীনের সমর্থন নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট।
৩,৪৮০.
বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কনভেনশন কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিয়াল প্রটোকল
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- বিষাক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন সংক্রান্ত কনভেনশন বাসেল কনভেনশন।
- কনভেনশনটি ১৯৮৯ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ১৯৯২ সালে এটি কার্যকর হয়।
- এর পুরো নাম: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their disposal.
- বাংলাদেশ কনভেনশনটি অনুমােদন করে ১৯৯৩ সালে।

উৎস: বাসেল কনভেনশন ও UNEP ওয়েবসাইট।
৩,৪৮১.
কূটনীতি সম্পর্কিত ভিয়েনা কনভেনশন কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৫৯ সাল
  2. ১৯৬১ সাল
  3. ১৯৬৯ সাল
  4. ১৯৮৫ সাল
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশনস: 
- স্বাক্ষরিত: ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ সাল। 
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- কার্যকর: ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪, আর্টিকেল ৫১ অনুযায়ী।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০
- পক্ষভুক্ত দেশ: ১৯৩
- ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশনস ১৯৬১ সালের ১৪ এপ্রিল জাতিসংঘের "ডিপ্লোম্যাটিক ইন্টারকোর্স এবং ইমিউনিটিস" বিষয়ে সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- এই সম্মেলন ২ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল, ১৯৬১ পর্যন্ত নিউ হোফবুর্গ, ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত হয়।
- কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে এর ভূমিকা।
- সম্মেলনে গৃহীত চারটি প্রস্তাবনা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- চুক্তি এবং দুটি প্রোটোকল জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে জমা দেওয়া হয়।
- ফাইনাল অ্যাক্ট অস্ট্রিয়ার ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ফরেন অ্যাফেয়ার্স-এর আর্কাইভে সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশ এই কনভেনশনে ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭৮ সালে পক্ষভুক্ত হয়।
- ভিয়েনা কনভেনশন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের মৌলিক কাঠামো গঠনে এবং কূটনৈতিক সুরক্ষা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।
৩,৪৮২.
FAO এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ১৯২টি
  2. ১৯৩টি
  3. ১৯৪টি
  4. ১৯৫টি
ব্যাখ্যা

FAO:
- FAO পূর্ণরূপ Food and Agriculture Organization.
- এটি ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত।
- FAO এর বর্তমান মহাপরিচালক চীনের কু ডংগিউ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা মোট ১৯৫টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- ১৯৪টি দেশ ও ১টি সংস্থা হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
- এছাড়া সংগঠন হিসেবে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন FAO এর সদস্য।
- সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার তারিখ ১৬ অক্টোবর প্রতিবছর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে FAO এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - FAO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩,৪৮৩.
‘চীনের বিশ্বব্যাংক' হিসেবে অভিহিত করা হয় কোনটিকে?
  1. এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB)
  2. ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড (IMF)
  3. নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB)
  4. এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB)
ব্যাখ্যা
AIIB:
- AIIB এর পূর্ণরূপ The Asian Infrastructure Investment Bank.
- কার্যক্রম শুরু হয়: ২০১৬ সাল।
- সদর দপ্তর: বেইজিং এ অবস্থিত।
- AIIB কে ‘চীনের বিশ্বব্যাংক' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- বর্তমান অনুমোদিত সদস্য: ১১০টি। (মে, ২০২৫)
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: চীনের জিন লিকুয়ান। (মে, ২০২৫)
- তিনি ২৮ জুলাই, ২০২০-এ তিনি পাঁচ বছরের দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - AIIB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৪৮৪.
‘দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশন’ গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. নাসিম নিকোলাস তেলেব
  2. মার্ক সিনগার
  3. ক্লাউস শোয়েব
  4. জেরেমি রিফকিন
ব্যাখ্যা
দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন: 
- বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের চেয়ারম্যান ক্লাউস শোয়েব তার ‘দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ বইতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- ওয়ালি-উল-মারূফ মতিন কর্তৃক বাংলাভাষায় একমাত্র অনুমোদিত অনুবাদ গ্রন্থ।
- ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশনে মূল নিয়ামকরূপে কাজ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা, সর্বেোপরি ডিজিটাল, ফিজিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল সিস্টেমের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- পূর্বের শিল্প বিপ্লবগুলো ছিল বেশিরভাগ ফিজিক্যাল সিস্টেমনির্ভর, অথচ ইতিহাসে এই প্রথম মানসিক দক্ষতা ও ডিজিটাল সিস্টেমকে প্রাধান্য দিয়ে একটি শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়েছে।

সূত্র: বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের ওয়েবসাইট।
৩,৪৮৫.
সবুজ জলবায়ু তহবিল গঠন করা হয় কপ কততম সম্মেলনে?
  1. কপ- ১৫
  2. কপ- ২১
  3. কপ- ১৬
  4. কপ- ২৬
ব্যাখ্যা
• কপ-১৬ (COP-16):
- এর পূর্ণরূপ: কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ। 
- স্থান: কানকুন, মেক্সিকো,
- তারিখ: ২৯ নভেম্বর – ১০ ডিসেম্বর, ২০১০।
- আয়োজক দেশ: মেক্সিকো।

• আলোচ্য বিষয়: 

- গ্লোবাল ওয়ার্মিং,
- কার্বন নিঃসরণ হ্রাস,
- জলবায়ু তহবিল,
- অভিযোজন ও ক্ষতিপূরণ,

উল্লেখ্য, 
- COP15 : সবুজ জলবায়ু তহবিল গঠনের ধারণা ও প্রস্তাবনা উত্থাপিত হয়।
- COP16 : সবুজ জলবায়ু তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund):
- উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত।
- উন্নত দেশগুলো বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় ২০২০ সাল থেকে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,৪৮৬.
'আল-শাবাব' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ক) নাইজেরিয়া
  2. খ) লেবানন
  3. গ) সোমালিয়া
  4. ঘ) লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা

- 'আল-শাবাব' এর পুরো নাম হরকাত আল-শাবাব।
- এটি সোমালিয়ার একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এ সংগঠনে অনেক বিদেশি যুদ্ধা আছে বলে ধারণা করা হয়।
- এরা সরাসরি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
উৎসঃ আল জাজিরা।

৩,৪৮৭.
IMF-এর সাম্প্রতিক তথ্যমতে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ২.৭%
  2. ৩.২%
  3. ৩.৩%
  4. ৩.৭%
  5. ৩.৯%
ব্যাখ্যা

IMF-এর সাম্প্রতিক তথ্যমতে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৩.৩%।

২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি:
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত সর্বশেষ ‘World Economic Outlook’ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৩.৩%।

• আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলেছে, বর্তমান ও আগামী বছর বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাড়বে।
- ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি হবে ৩.৩%, যা ২০২৭ সালে কমে ৩.২% হবে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৩.৮ শতাংশে নেমে আসতে পারে, যা ২০২৭ সালে আরও কমে ৩.৪ শতাংশে নামবে।
- ২০২৫ সালে বৈশ্বিক গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৪.১ শতাংশ। 

উৎস: IMF ওয়েবসাইট। [link]

৩,৪৮৮.
শ্রীলঙ্কার মুদ্রার নাম কি?
  1. ডলার
  2. পাউন্ড
  3. টাকা
  4. রুপী
ব্যাখ্যা
শ্রীলংকা:
- শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ও আরব সাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- রাজধানী: শ্রী জয়বর্ধনপুর কোট্টে।
- বৃহত্তম নগরী: কলম্বো।
- মুদ্রা: শ্রীলঙ্কান রুপি।

⇒ শ্রীলংকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরাসুরিয়া।
- শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে হরিণী অমরাসুরিয়াকে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির বামপন্থি প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমার দিশানায়েকে।
- তিনি শ্রীলংকার ১৬তম প্রধানমন্ত্রী।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।
- দেশটির ১৫তম প্রধানমন্ত্রী দীনেশ গুণবর্ধনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন অমরাসুরিয়া।

⇒ শ্রীলংকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে।
- মার্ক্সবাদী নেতা অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি) জোটের নেতা।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

উৎস: Britannica.
৩,৪৮৯.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু চুক্তি থেকে বেড়িয়ে যাওয়া কার্যকর হবে-
  1. ক) ৪ এপ্রিল ২০২০
  2. খ) ৪ অক্টোবর ২০২০
  3. গ) ৪ নভেম্বর ২০২০
  4. ঘ) ১৯ এপ্রিল ২০২০
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্পাদিত প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১ জুন ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেড়িয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। চুক্তি অনুযায়ী কোন দেশ এই চুক্তি থেকে প্রথম তিন বছরের মধ্যে বেড়িয়ে যেতে পারবে না এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বেড়িয়ে যাবার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে এক বছর সময় লাগবে। সে হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ২০২০ সালের ৪ঠা নভেম্বর এ চুক্তি থেকে পুরোপুরি বেড়িয়ে যেতে পারবে। (সূত্র: ব্রিটানিকা )
৩,৪৯০.
জাতিসংঘের ‘জেনোসাইড কনভেনশন’ কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা
The Genocide Convention:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১৯৪৮ সালে গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- নাৎসি হলোকাস্টে ইহুদিদের গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ‘জেনোসাইড কনভেনশন’ গৃহীত হয়।
- সে কারণে ওই দিনটিকেই আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ।
- কনভেনশনটির পূর্ণরূপ- Convention on the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্টের পর এই কনভেনশন চালু হয়, যেখানে ৬ মিলিয়নেরও বেশি ইহুদি হত্যা করা হয়েছিল।
- জেনোসাইড কনভেনশন ১৯৫১ সালে কার্যকর হয়। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, ডিসেম্বর ২০২৪ সালে ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ চালিয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
- প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা প্রতিরোধ ও ভুক্তভোগীদের স্মরণে দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৩,৪৯১.
ইউরো মুদ্রা কবে থেকে নোট এবং মুদ্রা হিসেবে প্রচলন শুরু করে?
  1. ১ জুলাই, ১৯৯৯
  2. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯
  3. ১ জুলাই, ২০০২
  4. ১ জানুয়ারি, ২০০২
ব্যাখ্যা
ইউরো মুদ্রা ১লা জানুয়ারি, ২০০২ সাল থেকে নোট এবং মুদ্রা হিসেবে বাজারে প্রচলন শুরু করে। এর আগে, ১৯৯৯ সালের ১লা জানুয়ারি ইউরো একটি হিসাবরক্ষণ মুদ্রা হিসেবে চালু হয়েছিল।

ইউরো (€):
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা একক মুদ্রা হিসেবে ১ জানুয়ারি, ২০০২ সালে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ইউরো মুদ্রা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি (Maastricht Treaty) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়। এই চুক্তিটি ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর কার্যকর হয়। স্বাক্ষর করে ১২টি ইউরোপীয় দেশ। ম্যাসট্রিক্ট চুক্তিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি আর্থিক ও অর্থনৈতিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের পরিকল্পনা করা হয়, যার অংশ হিসেবে ইউরো মুদ্রার প্রবর্তনও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে ইউরো মুদ্রার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় এবং ২০০২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেলরস রিপোর্ট ১৯৯০-১৯৯৯ সালে ইউরো অঞ্চলের জন্য তিন-পর্যায়ের প্রস্তুতি প্রস্তাব করে।
- এক দশকের প্রস্তুতির পর, ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ তারিখে ইউরো মুদ্রা চালু হয়।
- প্রথম তিন বছর এটি ছিল একটি 'অদৃশ্য' মুদ্রা, যা শুধু অ্যাকাউন্টিং উদ্দেশ্যে এবং বৈদ্যুতিক অর্থ প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হতো।
- তবে ১ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে 'ইউরো মুদ্রা' কয়েন এবং ব্যাংকনোট হিসেবে চালু হয় এবং ১২টি ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশসমূহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নগদ পরিবর্তন ঘটে।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
৩,৪৯২.
কোন দেশের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. বাংলাদেশ
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

• অপশনে উল্লেখিত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ ১০ দেশ (আগস্ট ২০২৪): 
১. ভারত
২. চীন
৩. যুক্তরাষ্ট্র
৪. ইন্দোনেশিয়া 
৫. পাকিস্তান
৬. নাইজেরিয়া
৭. ব্রাজিল 
৮. বাংলাদেশ
৯. রাশিয়া
১০. ইথিওপিয়া। 

উল্লেখ্য, 
ক) রাশিয়ার জনসংখ্যা - ১৪৪, ৮২০, ৪২৩ জন। 
খ) জাপানের জনসংখ্যা - ১২৩, ৭৫৩, ০৪১ জন। 
গ) বাংলাদেশের জনসংখ্যা - ১৭৩, ৫৬২, ৩৬৪ জন। 
ঘ) সৌদি আরবের জনসংখ্যা - ৩৩, ৯৬২, ৭৫৭ জন। 

উৎস: World Population Review. [Link] 

৩,৪৯৩.
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম-
  1. ক) প্রাসাদ
  2. খ) কৃষাণ
  3. গ) বৈশাখী
  4. ঘ) নবান্ন
ব্যাখ্যা
ভারত যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে। ভারত আয়তনে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র। বর্তমানে ভারতের রাজ্য সংখ্যা ২৮ টি। ভারতের প্রথম রাজধানী কলকাতা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন বা মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম নবান্ন। উৎসঃ ভারতীয় সরকারি ওয়েবসাইট।
৩,৪৯৪.
GDP'র আকারে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ কোনটি?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক GDP: 
১২ জুলাই ২০২২ Visual Capitalist বিশ্বের ১৯১টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রকাশ করে Global GDP 2022 নামক প্রতিবেদন।
প্রতিবেদন অনুসারে -
• GDP'র আকারে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ - যুক্তরাষ্ট্র (২৫.৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
• GDP'র আকারে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম অর্থনীতির দেশ - টুভ্যালু (৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
• GDP'র আকারে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - ৪১তম (৩৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২
৩,৪৯৫.
ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? ( মার্চ ২০২৫)
  1. গায়ানা
  2. মরক্কো
  3. আলজেরিয়া
  4. দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যা
ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের ‍(IsDB):
- পূর্ণরূপ -Islamic Development Bank.
- ১৯৭৫ সালের অক্টোবরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা -৫৭ টি। (মার্চ, ২০২৫)।
- ৫৭ তম সদস্য দেশ- গায়ানা।
- ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। 
- যে সকল দেশ ওআইসি সদস্য সেগুলো আইডিবি সদস্য পদ লাভের  যোগ্যতা  অর্জন করে।
- বাংলাদেশে  কার্যক্রম শুরু করে -১৯৮৩ সাল থেকে। 
- IsDB বর্তমান চেয়ারম্যান-  HE.Dr. Muhammad Sulaiman Al Jasser, (মার্চ,২০২৫)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে সদস্য পদ লাভ করে।
- আইভরি কোস্ট ওয়াইসি সদস্য কিন্তু IDB সদস্য নয়।

উৎস:  Britannica & IsDB ওয়েবসাইট।
৩,৪৯৬.
মার্কিন কংগ্রেসের কোন কক্ষকে 'অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ' বলা হয়?
  1. হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ
  2. নেসেট
  3. হাউস অফ লর্ডস
  4. সিনেট
ব্যাখ্যা

কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

→ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২ বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

→ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ আর উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

৩,৪৯৭.
বিশ্বকাপ অভিষেকে সবচেয়ে কম বয়সে গোলের রেকর্ড -
  1. ক) পেলে
  2. খ) লিওনেল মেসি
  3. গ) পাবলো মার্টিন গাভি
  4. ঘ) ইনিয়েস্তা
ব্যাখ্যা
• বিশ্বকাপ অভিষেকে সবচেয়ে কম বয়সে গোলের রেকর্ড গড়লেন পাবলো মার্টিন গাভি
• বিশ্বকাপের ইতিহাসে মানুয়েল রোসা ও পেলের পর সবচেয়ে কম বয়সী গোল স্কোরার এখন গাভি।   
• স্পেনের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ডটিও তার।

তথ্যসূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার ডিসেম্বর, ২০২২
৩,৪৯৮.
পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একসাথে জুড়ে যে বিশাল একটি মহাদেশ ছিল তার নাম কি?
  1. ক) প্যানথালাসা
  2. খ) প্যানজিয়া
  3. গ) ইউরোশিয়া
  4. ঘ) ওশিয়া
ব্যাখ্যা

প্যানজিয়া প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর একটি একক মহাদেশ। এটি প্যানথালাসা নামক একটি মাত্র মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত ছিল। আজ থেকে ১১০ কোটি বছর পূর্বেও পৃথিবীতে একটি মাত্র মহাদেশ ছিল।
মহাদেশগুলো টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত যারা চলমান। এই গতি রোডেনিয়ার ভগ্নাংশগুলোকে আবার একত্র করে প্রায় ৩০ কোটি বছর পূর্বে গঠন করেছিল প্যানজিয়া তবে এটি পুরোপুরি গঠিত হয় আনুমানিক ২৭ কোটি বছর পূর্বে।

উৎস: Britannica.com

৩,৪৯৯.
জাতিসংঘের কত তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় ভাষণ প্রদান করা হয়?
  1. ক) ২৯তম
  2. খ) ২৮তম
  3. গ) ২৭তম
  4. ঘ) ২৫তম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সকল অস্তির্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে।
- সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ই সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৬তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ দেন।
- ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলা ভাষা লাভ করে মর্যাদা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৫০০.
নিচের কোন সংস্থাটির সদর দপ্তর 'সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়' অবস্থিত?
  1. UNEP
  2. UNAIDS
  3. UNFPA
  4. UNDP
ব্যাখ্যা
• UNAIDS:
- এটি ১৯৯৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
- UNAIDS এর সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।
- বিশ্বের ৭০ টি দেশে এর কার্যালয় রয়েছে। 
- বর্তমান নির্বাহী প্রধানের নাম - Winnie Byanyim.
- UNAIDS টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে এইডসকে জনস্বাস্থ্যের হুমকি হিসেবে শেষ করার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিচ্ছে। 

• অপরদিকে: 
- UNDP এর সদর দপ্তর - নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- UNEP এর সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- UNFPA এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

উৎস: UNAIDS ওয়েবসাইট।