বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন২৭,৩৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩২ / ২৭২ · ১৩,১০১১৩,২০০ / ২৭,৩৪৭

১৩,১০১.
BSTI-এর পূর্ণরূপ -
  1. Bangladesh standards and testing Institute
  2. Bangladesh standards and testing Institution
  3. Bangladesh standards and technical Institution
  4. Bangladesh standards and technical Institute
ব্যাখ্যা
বিএসটিআই:
- BSTI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Standards and Testing Institution.
- ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত অধ্যাদেশ ৩৭ (The Bangladesh Standards and Testing Institution Ordinance, 37 of 1985) এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) এবং বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস ইন্সটিটিউশন (BDSI) কে একীভূত করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (BSTI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কৃষি পণ্য বিপণন ও শ্রেনীবিন্যাস পরিদপ্তরটিও (Department of Agricultural Grading and Marking) বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।

⇒ বিএসটিআই-এর কাজ:
- পণ্য, সেবা ও প্রক্রিয়ার জাতীয় মান প্রণয়ন, তদানুযায়ী পণ্য পরীক্ষণ ও পণ্যের গুণগত মান সনদ (সার্টিফিকেশন) প্রদান এবং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।
- এছাড়া দেশব্যাপী ওজন ও পরিমাপের সকল ক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন এবং পরিমাপ যন্ত্রসমূহ ভেরিফিকেশন ও ক্যালিব্রেশনের দায়িত্বেও নিয়োজিত।

উৎস: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।
১৩,১০২.
কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ২ বছর পরপর
  2. ৩ বছর পরপর
  3. ৪ বছর পরপর
  4. ৫ বছর পরপর
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ গেমস:
- কমনওয়েলথ গেমস একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাবিশেষ।
- এটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহের অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদদের প্রতিযোগিতাবিশেষ।
- প্রতি চার বছর পরপর এ গেমস অনুষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথ গেমস ইংল্যান্ডের লন্ডনে অবস্থিত কমনওয়েলথ গেমস ফেডারেশন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- সর্বপ্রথম ১৯৩০ সালে এই গেমস  প্রবর্তিত হয়।
- শুরুর দিকে এটি ব্রিটিশ এম্পায়ার গেমস নামে পরিচিত ছিল।
- ১৯৫৪ সালে ব্রিটিশ এম্পায়ার ও কমনওয়েলথ গেমস নামধারণ করে।
- পুনরায় ১৯৭০ সালে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ গেমস নাম পরিবর্তন করে অবশেষে ১৯৭৮ সালে এর স্থায়ী নাম হিসেবে কমনওয়েলথ গেমস ধারণ করে।
- কমনওয়েলথ গেমস ফেডারেশন (সিজিএফ) কমনওয়েলথ ক্রীড়া পরিচালনা করে থাকে।

উৎস: Britannica.
১৩,১০৩.
নিচের কোনটিকে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন বলা হতো?
  1. জর্ডান নদী
  2. মৃত সাগর
  3. গোলান মালভূমি
  4. গ্যালিলিও সাগর
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এলাকাটি ইসরায়েলের উত্তর-পূর্বাঞ্চল স্পর্শ করেছে। 
- এই অঞ্চলটি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার অংশ ছিল। কিন্তু ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় এটি ইসরায়েলি সামরিক দখলে চলে যায়।
- ১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে ইসরায়েল একতরফাভাবে দখলকৃত গোলান মালভূমিকে নিজেদের সাথে যুক্ত করার ঘোষণা দেয়।
- গোলান বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- কিন্তু দামেস্কে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতনের পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলানসহ আরও কয়েকটি এলাকা দখল করে নিয়েছে।

উৎস: Britannica.
বিবিসি বাংলা (১৩ ডিসেম্বর ২০২৪)
১৩,১০৪.
'বাবরি মসজিদ' হিন্দু উগ্রপন্থীদের হাতে কোন সালে ধ্বংস হয়?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

•বাবরি মসজিদ: 
• বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যায় অবস্থিত মুঘল আমলের একটি স্থাপত্য।
• এটি মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাকী ১৫২৮ সালে নির্মাণ করেন।
• বিতর্কিত এই স্থান নিয়ে ‘রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট’ ও ‘সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড’ দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টের।
• ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর হিন্দু উগ্রপন্থীদের দ্বারা বাবরি মসজিদ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
• অবশেষে গত ৯ নভেম্বর ২০১৯ বিতর্কিত এই জায়গায় রাম মন্দির তৈরির পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
• সেই সাথে মসজিদ তৈরি করার জন্য মুসলিম পক্ষকে অযোধ্যার মধ্যেই পাঁচ একর জমি দেয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
• অতঃপর ১০ জুন, ২০২০ শুরু হয় বিতর্কিত রাম মন্দির নির্মাণ।

তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে।

১৩,১০৫.
'হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন কারা?
  1. ক) রোমান সভ্যতা
  2. খ) মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ) সুমেরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) ফিনিশীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
• 'হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন মিশরীয় সভ্যতা। 

• মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক ’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কাণ্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- সেই কাগজের ওপর তারা লিখত। গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’।
- এই শব্দ থেকে ইংরেজি পেপার শব্দের উৎপত্তি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,১০৬.
উইন্ডহুক কোন দেশের রাজধানী?
  1. নম পেন
  2. নামিবিয়া
  3. গায়ানা
  4. নাইজার
ব্যাখ্যা
নামিবিয়া: 
- স্বাধীনতা লাভ: ২১ মার্চ, ১৯৯০ সাল। 
- রাজধানী: উইন্ডহুক (Windhoek)। 
- বার্লিন সম্মেলনের (১৮৮৪-৮৫) মাধ্যমে জার্মানি নামিবিয়াকে উপনিবেশ বানায়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে (১৯১৪) দক্ষিণ আফ্রিকা জার্মানদের পরাজিত করে নামিবিয়া দখল করে।
- ১৯২০ সাল: লীগ অব নেশন্সের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা নামিবিয়াকে শাসন করে।
1948: দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসন (Apartheid) শুরু হলে, এটি নামিবিয়াতেও প্রযোজ্য হয়।
- ১৯৬৬ সাল: জাতিসংঘ দক্ষিণ আফ্রিকার দখলকে অবৈধ ঘোষণা করে, কিন্তু তারা শাসন চালিয়ে যায়।
- ১৯৬৬-১৯৮৮: স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে SWAPO (South West Africa People’s Organization)।
- ১৯৮৮ সাল: আন্তর্জাতিক চাপে দক্ষিণ আফ্রিকা নামিবিয়ার স্বাধীনতা দিতে রাজি হয়।
- ২১ মার্চ, ১৯৯০: নামিবিয়া স্বাধীনতা লাভ করে, সাম নুজোমা (Sam Nujoma) প্রথম রাষ্ট্রপতি হন।
- খনিজ সম্পদ (হীরা, ইউরেনিয়াম, তামা) এবং পর্যটন দেশটির অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।

উৎস: Britannica.
১৩,১০৭.
UNEP এর বর্তমান প্রধান কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ইনগার অ্যান্ডারসেন
  2. পিয়ারিও জিপা
  3. আসিম স্টেইনার
  4. এরিক সলহেইম
ব্যাখ্যা
UNEP:
- পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme বা জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- UNEP জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন, ১৯৭২ সাল।
- চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ পুরস্কার পরিবেশ সম্পর্কিত কাজের জন্য ব্যক্তি এবং সংস্থাকে দেওয়া হয়।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস ৫ই জুন।
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ইনগার অ্যান্ডারসেন। [ডিসেম্বর, ২০২৪]

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট
১৩,১০৮.
সাহারা ও লিবিয়া অঞ্চলে প্রবাহিত স্থানীয় বায়ু কোনটি?
  1. বোরো
  2. সিরক্কো
  3. খামসিন
  4. চিনুক
ব্যাখ্যা
কোন স্থানের তাপ ও চাপের পার্থক্যের কারণে স্থানীয়ভাবে যে বায়ু প্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে স্থানীয় বায়ু বলে।
সিরক্কো – সাহারা ও লিবিয়া
চিনুক – রকি পর্বতের মাঝামাঝি এলাকায় প্রবাহিত
খামসিন – মিশর
বোরো – আড্রিয়াটিক সাগর।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৩,১০৯.
Non-Aligned Movement-এর প্রথম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. হাভানা
  2. বেলগ্রেড
  3. কায়রো
  4. বান্দুং
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড-এ জন্ম হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের।
- প্রথম কনফারেন্স হয় বেলগ্রেড, ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- ন্যামের প্রথম প্রেসিডেন্ট: ইয়োসিপ ব্রোজ টিটো (মার্শাল টিটো)।

⇒ ন্যামের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সেই সময়কার পাঁচ বিশ্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব:
১. ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ সুকর্ণ।
২. ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।
৩. যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসিপ টিটো।
৪. মিসরের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট জামাল আবদুল নাসের।
৫. ঘানার প্রেসিডেন্ট ড. কাওয়ামে ন্ক্রুমা।

⇒ ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে যুগোস্লাভিয়ার মার্শাল জোসিপ টিটো, মিশরের জামাল আবদুল নাসের, ভারতের জওহরলাল নেহেরু , ঘানার কাওয়ামে ন্ক্রুমা এবং ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণর নেতৃত্বে Non-Aligned Movement-এর প্রথম সম্মেলন এবং অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং NAM প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- NAM-এর ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উগান্ডায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
১৩,১১০.
SDSN প্রকাশিত বর্তমান বিশ্বে শীর্ষ সুখী দেশ কোনটি? [মে,২০২৫]
  1. ফিনল্যান্ড
  2. আইসল্যান্ড
  3. আফগানিস্তান
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
• SDSN প্রকাশিত,
- বর্তমান বিশ্বে শীর্ষ সুখী দেশ: ফিনল্যান্ড।
- সর্ব নিম্নদেশ: আফগানিস্তান।
- বাংলাদেশের অবস্থান: ১৩৪ তম।
- ২য় শীর্ষ সুখী দেশ: ডেনমার্ক।
- ৩য় শীর্ষ সুখী দেশ: আইসল্যান্ড।
- ভারত ১১৮ তম শীর্ষ সুখী দেশ।

উৎস: SDSN ওয়েবসাইট। [Link]
১৩,১১১.
কোনটি BIMSTEC ভুক্ত দেশ নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ভারত
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
বিমসটেক:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি এবং বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।

উৎস: বিমসটেক ওয়েবসাইট।
১৩,১১২.
ক্রিকেটে টেস্ট মর্যাদা লাভের পর বাংলাদেশ দলের প্রথম অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) আকরাম খান
  2. খ) আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. গ) নাঈমুর রহমান
  4. ঘ) হাবিবুল বাশার
ব্যাখ্যা

১৯৯৭ সালেই বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস ২৬ জুন ২০০০ তারিখে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে। এরপর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণসহ বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ পাচ্ছে।
- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ক্যাপ্টেন ছিলেন নাঈমুর রহমান। বর্তমান টেস্ট ক্যাপ্টেন মমিনুল হক।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়।
- অভিষেক টেস্টেই ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি (১৪৫) করেন।
- একই টেস্টে নাঈমুর রহমান দুর্জয় বোলিংয়ে প্রথম ৫ উইকেট (৬ উইকেট আসলে) লাভ করেন।

সূত্রঃ ক্রিকিনফো, বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট

১৩,১১৩.
অপারেশন ওডিসি ডন কোন দেশে পরিচালিত অভিযানের নাম?
  1. সিরিয়া
  2. ইরাক
  3. লিবিয়া
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
অপারেশন ওডিসি ডন:
- ২০১১ সালের ১৯ মার্চ ‘অপারেশন ওডিসি ডন’ নামে যুক্তরাষ্ট্র লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ১৯৭৩-এর নামে অনুমোদিত ছিল।
- এর উদ্দেশ্য ছিল, মোয়ামার গাদ্দাফির সরকারের হাতে ‘নিরীহ’ বিক্ষোভকারীদের রক্ষা করা, যদিও বাস্তবে সেই সময় লিবিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে জাতিসংঘ বা পশ্চিমা শক্তিগুলোর নির্ভরযোগ্য তথ্য ছিল না।
- এই রেজুলেশনটি মূলত পশ্চিমা মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট ও ভুল প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে গৃহীত হয়।
- ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডা রেজুলেশন পাসের আগেই নিজেদের সামরিক অভিযান শুরু করে।
- পরে সব অভিযান মিলিয়ে NATO-এর নেতৃত্বে ‘অপারেশন ইউনিফাইড প্রটেক্টর’ চালানো হয়, যা সাত মাস ধরে চলে এবং হাজার হাজার বিমান হামলা হয়।
- এই ‘মানবিক হস্তক্ষেপের’ নামে বাস্তবে গাদ্দাফির সরকারকে উৎখাত করাই ছিল মূল লক্ষ্য।
- এতে বহু বেসামরিক মানুষ নিহত হয়, কিন্তু NATO ও তাদের মিত্ররা আজও কোনো দায় স্বীকার করেনি।
- গাদ্দাফির হত্যার পর লিবিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।
- দেশটি হয়ে ওঠে সন্ত্রাসী, মানবপাচারকারী ও মিলিশিয়াদের অভয়ারণ্য।
- জাতিসংঘের রেজুলেশন লঙ্ঘন করে অস্ত্র সরবরাহ ও বিদেশি হস্তক্ষেপ চলে।

উৎস: MIDDLE EAST MONITOR
১৩,১১৪.
ফিলিপাইন অতীতে কোন দেশের উপনিবেশ ছিলো?
  1. ক) স্পেন
  2. খ) পর্তুগাল
  3. গ) নেদারল্যান্ড
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ফিলিপাইন ষোড়শ শতকের মাঝামাঝি থেকে ১৮৯৮ সাল পর্যন্ত স্পেনের উপনিবেশ ছিলো।
১৮৯৮ সালের ১২ জুন ফিলিপাইন স্পেনের শাসন থেকে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও ১৮৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিপাইনের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
পরবর্তীতে ১৯৪৬ সালের ৪ জুলাই ফিলিপাইন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিকট থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
(সূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
১৩,১১৫.
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতির নাম -
  1. মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী
  2. আব্দুর রহমান ওয়াহিদ
  3. শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
  4. এদের কেউই নন
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া:
- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাজধানী: নুসানতারা (নতুন)।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন জোকো উইদোদো।

⇒ - ২০০৪ সালে দেশটিতে প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন-ড. আহম্মদ সকৰ্ণ।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্ণপুত্রী ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস:Britannica.
১৩,১১৬.
বিশ্বের কোন দেশ প্রথম সাগরতলে মসজিদ নির্মাণ করবে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. তুরস্ক
  3. বাহরাইন
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
সাগরতলে মসজিদ:
- পর্যটনশিল্পে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন দেশটির শাসকেরা।
- ধর্মীয় পর্যটনকে আকর্ষণীয় করে তুলতে সাগরতলে মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি।
- ৫ কোটি ৫০ লাখ আমিরাতি দিরহাম ব্যয়ে দুবাইয়ের সমুদ্র উপকূলে এ মসজিদ নির্মিত হবে, যা বাংলাদেশি টাকায় ১৬৪ কোটির বেশি।
- আশা করা হচ্ছে, ২০২৪ সালের মধ্যেই মসজিদটি উদ্বোধন করা সম্ভব হবে।
- নির্মাণ সম্পন্ন হলে বিশ্বে এটিই হবে সাগরতলে নির্মিত প্রথম মসজিদ।
- আমিরাতের মসজিদটি হবে তিনতলা।
- কর্তৃপক্ষের সরবরাহ করা নকশা অনুযায়ী মসজিদটির অর্ধেক থাকবে পানির নিচে।
- পানির ওপরে থাকা বাকি অর্ধেকে থাকবে বসার জায়গা ও কফিশপ।
- থাকছে কোরআন প্রদর্শনী কেন্দ্রও।

উৎস: ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৩,১১৭.
বাংলাদেশ কখন নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য (CEDAW) দূরীকরণ সনদে সম্মতি জানায়?
  1. ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪
  2. ৬ নভেম্বর ১৯৮৪
  3. ৫ আগস্ট ১৯৮৫
  4. ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭
ব্যাখ্যা

◉ ৬ নভেম্বর ১৯৮৪ তারিখে বাংলাদেশ নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য (CEDAW) দূরীকরণ সনদে সম্মতি জানায়।

CEDAW:
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women বা নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন।
- গৃহীত হয়: ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে।
- সনদ স্বাক্ষর শুরু হয়: ১ মার্চ, ১৯৮০।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- বর্তমান চেয়ারপারসন: আনা পেলেজ নারভেজ।
- এই সনদে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। এই অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে ৩-১৬ পর্যন্ত মোট ১৪টি নারীর অধিকার সংক্রান্ত এবং বাকীগুলো এব কর্মপন্থা ও দায়িত্ব সংক্রান্ত।

⇒ CEDAW সনদে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। অনুচ্ছেদ ৩ ভাগে বিভক্ত। যথা:
- প্রথম ভাগ (১-১৬): নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত,
- দ্বিতীয় ভাগ (১৭-২২): এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক,
- তৃতীয় ভাগ (২৩-৩০): প্রশাসনিক বিষয়।

⇒ CEDAW কমিটিতে সারা বিশ্ব থেকে নারী অধিকার সংক্রান্ত ২৩ জন বিশেষজ্ঞ রয়েছে। কমিটি সদস্যগণ ৪ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। 
- এই কনভেনশন গৃহ নির্যাতন, প্রজনন, আইনগত, রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- কনভেনশনের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষসমূহের প্রতি নারীর মৌলিক মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা; নারী পাচার ও পতিতাবৃত্তিতে নারীর শোষণ রোধ নিশ্চিত করা; রাজনৈতিক ও লোকজীবনে নারীর প্রতি বৈষম্যের অবসান; জাতীয়তা অর্জন, পরিবর্তন বা বহাল রাখার সমান অধিকার নিশ্চিত করা; শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক ও সমাজ জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে বৈষম্যের অবসান ঘটানোর জন্যে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
- অন্যান্য ধারায় গ্রামীণ নারীর সমস্যা, আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং বিবাহ ও পারিবারিক জীবনে নারীর প্রতি বৈষম্যের অবসান সংক্রান্ত বিষয়গুলো রয়েছে।
- কনভেনশনে নারীর নিজ নিজ দেশে রাজনৈতিক ও লোকজীবনে অংশগ্রহণ এবং সরকারের সকল পর্যায়ে সকল কাজ করার অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ CEDAW অনুমোদন করে ৬ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।
- বাংলাদেশ সাক্ষরের সময় সনদের অনুচ্ছেদ ২ ও ১৩ (ক) ও অনুঃ ১৬ (১) (গ) (চ) সংরক্ষণ রেখেছিল। পরবর্তীতে ২ এবং ১৬ (১) (গ) সংরক্ষিত রেখে বাকী অনুচ্ছেদগুলো থেকে সংরক্ষণ তুলে নেয়া হয়।
- CEDAW সনদের ২ নম্বর ধারার মূল নির্যাস হচ্ছে, পুরুষ ও নারীর মধ্যে সমতার নীতি রাষ্ট্রের সংবিধানে অথবা অন্য কোনো আইনে এরই মধ্যে অন্তর্ভুক্ত না হয়ে থাকলে তার অন্তর্ভুক্তি এবং আইনের মাধ্যমে এই নীতির বাস্তবায়ন। প্রচলিত যেসব আইন, বিধি, প্রথা ও অভ্যাস নারীর প্রতি বৈষম্য সৃষ্টি করে, তা বাতিল বা পরিবর্তন করা এবং প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন এ ক্ষেত্রে দরকার। অর্থাৎ সমতার আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠা এবং আদালত ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তা কার্যকর করা।
- CEDAW সনদের ১৬(১)-এর (গ) ধারায় বলা হয়েছে বিবাহ, বিবাহে পছন্দ-অপছন্দ, বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সম-অধিকার ও দায়দায়িত্বের কথা।

এছাড়াও,
- ৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক CEDAW দিবস।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) CEDAW South Asia ওয়েবসাইট।

১৩,১১৮.
ইউরােপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ব্রেক্সিট-পরবর্তী ‘বাণিজ্য ও সহযােগিতা চুক্তি (TCA)’ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়-
  1. ক) ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০
  2. খ) ৩ জানুয়ারি, ২০২১
  3. গ) ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  4. ঘ) ১ মে, ২০২১
ব্যাখ্যা

ইউরােপীয় ইউনিয়নের (EU) সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্কচ্ছেদের পর-
- ৩০ ডিসেম্বর ২০২০ তাদের মধ্যে ব্রেক্সিট-পরবর্তী বাণিজ্য ও সহযােগিতা চুক্তি Trade and Cooperation Agreement-TCA) স্বাক্ষরিত হয়।
- ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অনুমােদন করা হয় এ চুক্তি।
- ১ জানুয়ারি ২০২১ থেকে TCA পরীক্ষামূলকভাবে কার্যকর হয়। এই চুক্তির আওতায় পণ্যের ওপর শূন্য শুল্কের পাশাপাশি কোটামুক্ত সুবিধা চালু হয়।
- ২৮ এপ্রিল ২০২১ ইউরােপীয় পার্লামেন্টে TCA অনুমােদন হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল ২০২১ EU কাউন্সিল তা অনুমােদন করে।
- ১ মে ২০২১ আনুষ্ঠানিকভাবে TCA কার্যকর হয়।

উৎসঃ ইউরোপিয়ান কমিশন এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মে-জুন, ২০২১।

১৩,১১৯.
১১২তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. রোম
  2. জেনেভা
  3. বন
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

১১২তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

ILO:

- ILO-এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক: গিলবার্ট হোংবো।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের জুনে ১১২তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

এছাড়াও,
- তিন বছরের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) পরিচালনা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।

উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
১৩,১২০.
তুরস্কের আইন সভার নাম- 
  1. গ্রান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
  2. এডুসকুন্ডা
  3. রিক্সড্যাগ
  4. লয়াজিরগা
ব্যাখ্যা

-  তুরস্কের আইন সভার নাম গ্রান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি।

আইন সভা:

- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- নেসেট: ইসরাইল আইনসভা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৩,১২১.
Chemical Weapons Convention (CWC) স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ১৯০টি
  2. ১৯১টি
  3. ১৯২টি
  4. ১৯৩টি
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- CWC রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি। (জুলাই, ২০২৫)
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
১৩,১২২.
এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ভারত
  2. চীন
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ - ভারত।
--------------------- 
• বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ — ভারত।
- দেশটির জনসংখ্যা ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।
- 'ভারত' এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।  

[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার লাইভ (তাৎক্ষণিক) তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে।] 
--------------------------- 
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা দেওয়া হলো-

১. ভারত:
জনসংখ্যা: ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।

২. চীন:
জনসংখ্যা: ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার।

৩. যুক্তরাষ্ট্র:
জনসংখ্যা: ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ২৭ হাজার।

৪. ইন্দোনেশিয়া:
জনসংখ্যা: ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

৫. পাকিস্তান:
জনসংখ্যা: ২৫ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার।

৬. নাইজেরিয়া:
জনসংখ্যা: ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার।

৭. ব্রাজিল:
জনসংখ্যা: ২১ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার।

৮. বাংলাদেশ:
জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার।

৯. রাশিয়া:
জনসংখ্যা: ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার।

১০. ইথিওপিয়া:
জনসংখ্যা: ১৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২৪।
১৩,১২৩.
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর শীর্ষ পদ -
  1. Director General
  2. Secretary-general
  3. President
  4. Administrator
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী (UNDP):
- UNDP-এর পূর্ণরূপ: United Nations Development Programme.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ নভেম্বর, ১৯৬৫।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর শীর্ষ পদ হলো প্রশাসক (Administrator)।
- বর্তমান প্রশাসক: আচিম স্টেইনার (Achim Steiner)।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

১৩,১২৪.
কিয়োটো প্রটোকল কোন বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি?
  1. বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস
  2. পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ
  3. সমুদ্র নিরাপত্তা
  4. টেকসই উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol): 
- প্রতিষ্ঠিত: ডিসেম্বর ১৯৯৭
- কার্যকর: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫
- অংশগ্রহণকারী: ১৯২টি দেশ
- মূল কার্যালয়: বন, জার্মানি (UNFCCC সদর দপ্তর)
- উদ্দেশ্য: বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস করতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানো।
- নির্দিষ্ট ৬টি গ্যাস কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ: কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O), হাইড্রোফ্লুরোকার্বনস (HFCs), পারফ্লুরোকার্বনস (PFCs), সালফার হেক্সাফ্লুরাইড (SF₆) । 
- বাধ্যতামূলক লক্ষ্য: ৪১টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ২০০৮-২০১২ সময়কালে ১৯৯০ সালের স্তরের তুলনায় ৫.২% কম নির্গমন নিশ্চিত করতে হবে।
- কার্বন ট্রেডিং: উন্নত দেশগুলো তাদের নির্ধারিত সীমার বেশি নির্গমন করলে, কম নির্গমনকারী দেশগুলোর কাছ থেকে কার্বন ক্রেডিট কিনতে পারবে।
- এটি ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা গ্রিনহাউস গ্যাস নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি করে।
- কিয়োটো প্রোটোকলের ভিত্তিতেই ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য আরও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

দ্বিতীয় পর্যায় – দোহা সংশোধনী (Doha Amendment, ২০১২): 
- মেয়াদ: ২০১৩-২০২০
- নতুন নির্গমন কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ
- ২০২০ সালের পর কিয়োটো প্রোটোকলের পরিবর্তে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কার্যকর হয়।

উৎস: UNFCC ওয়েবসাইট।
BRitannica.
১৩,১২৫.
১৩ তম এসএ গেমসে বাংলাদেশ কতটি স্বর্ণপদক অর্জন করে?
  1. ক) ১৬ টি
  2. খ) ১৭ টি
  3. গ) ১৮ টি
  4. ঘ) ১৯ টি
ব্যাখ্যা

১-১০ ডিসেম্বর ২০১৯ নেপালের কাঠমুণ্ডুতে অনুষ্ঠিত হয় এসএ গেমসের ১৩ তম আসর।
- এতে বাংলাদেশ মোট ১৪২ টি পদক লাভ করে যার মধ্যে স্বর্ণপদক ১৯ টি, রৌপ্যপদক ৩৩ টি এবং ব্রোঞ্জপদক ৯০ টি।
বাংলাদেশ পদক তালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করে। ভারত ১৭৪ টি স্বর্ণপদক সহ মোট ৩১২ টি পদক লাভ করে।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট

১৩,১২৬.
সাংস্কৃতিক বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. ব্রিটেন
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব চীনে সংঘটিত হয়। 
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution) ছিল একটি বিশাল সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা, যা শুরু করেছিলেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান মাও সে তুং ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৬ সালের মধ্যে, তার শাসনের শেষ দশকে।
- এই বিপ্লবের উদ্দেশ্য ছিল —  চীনের বিপ্লবী চেতনা পুনর্জাগরণ। 
- সোভিয়েত ধাঁচে গঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থার বিপরীতে চীনকে চালনা করা
- নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিশ্চিত করা
- ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে মাও ধারণা করেন যে রুশ বিপ্লব সঠিক পথে এগোয়নি।
- এতে তার আশঙ্কা জাগে, চীনও সেই একই ভুল পথে এগোচ্ছে, তাই তিনি দেশের শহরগুলোকে বিপ্লবের নামে বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দেন।

উৎস: Britannica.
১৩,১২৭.
ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার মাদক চোরাচালান পথ কী নামে পরিচিত?
  1. গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  2. গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল
  3. গোল্ডেন ওয়েজ
  4. গোল্ডেন ভিলেজ
ব্যাখ্যা
- গোল্ডেন ওয়েজ : ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার মাদক চোরাচালান পথ।
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল : থাইল্যান্ড, লাওস ও মিয়ানমারের মধ্যকার মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট : ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার মাদক চোরাচালান পথ।
- গোল্ডেন ভিলেজ : কুষ্টিয়ার গাজা উৎপাদনকারী ২৬টি গ্রামকে গোল্ডেন ভিলেজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম)
১৩,১২৮.
যুক্তরাষ্ট্র 'অপারেশন ভাইপার' নামক অভিযান শুরু করে কোথায়? 
  1. ভেনেজুয়েলায়
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. ইরানে 
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্র 'অপারেশন ভাইপার' নামক অভিযান শুরু করে প্রশান্ত মহাসাগরে।

'অপারেশন ভাইপার':

- ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড 'অপারেশন ভাইপার' নামের একটি অভিযান শুরু করে,
- যার লক্ষ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক আটকানো।
- ক্যারিবীয় অঞ্চলে এরই মধ্যে অন্তত সাতটি হামলা চালানো হয়েছে এবং অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন।
- কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত তারা ১ লাখ পাউন্ডেরও বেশি কোকেন জব্দ করেছে।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

১৩,১২৯.
কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক -
  1. লক্ষ্মণ সেন
  2. কেশব সেন
  3. হেমন্ত সেন
  4. বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা
কৌলিন্য প্রথা ও বল্লাল সেন:
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে, কৌলিন্য প্রথার সাথে বল্লাল সেনের সম্পর্কের তেমন কোনো যুক্তিযুক্ত ভিত্তি নেই।
- বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে 'অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,১৩০.
জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ব্যক্তিকে কী বলা হয়? 
  1. হাইকমিশনার
  2. অ্যাম্বাসেডর
  3. প্রশাসক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

হাইকমিশনার: কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্র সমূহের সর্বোচ্চ শ্রেণির কূটনীতিক।
• অ্যাম্বাসেডর: জাতিসংঘভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ব্যক্তিকে অ্যাম্বাসেডর বলে।
• প্রশাসক: ইউ এনডিপির সর্বোচ্চ পদকে বলা হয় প্রশাসক।
• শ্বেতপত্র: সমকালীন অর্থনৈতিক বা সামাজিক গুরুত্বপূর্ন কোন বিষয়ে সরকারী নীতির লিখিত বিবৃতি।
নতুন আইন তৈরির আগে জনমত যাচাইয়ের জন্য শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়।
• ইংল্যান্ডে শ্বেতপত্রকে পার্লামেন্টারি পেপারস বলে।

উৎস:  ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৩,১৩১.
‘গুয়ানতানামো বে কারাগার’ অবস্থিত কোন দেশে?
  1. কিউবা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. মেক্সিকো
  4. পেরু
ব্যাখ্যা
- গুয়ানতানামো বে কারাগার কিউবার গুয়ানতানামো উপসাগরে অবস্থিত, কিন্তু এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত সামরিক ঘাঁটি।

গুয়ানতানামো বে কারাগার:

- গুয়ানতানামো বে কারাগার কিউবায় অবস্থিত।
- এটি কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে ক্যারিবীয় সাগরের তীরে অবস্থিত এবং
- কিউবা সরকারের কাছ থেকে ১৯০৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি ভাড়া নেয়।
- পরবর্তীতে, ২০০২ সালে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসেবে সেখানে বন্দিদের আটক রাখা শুরু হয়,
- এতে বেশিরভাগই আফগানিস্তান, ইরাক, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে বন্দী করা হয়েছিল।
- গুয়ানতানামো বে কারাগারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।
১৩,১৩২.
BEPZA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Export Processing Zonal Authority
  2. Bangladesh Expert Processing Zones Authority
  3. Bangladesh Expert Processing Zone Authority
  4. Bangladesh Export Processing Zones Authority
ব্যাখ্যা
Bangladesh Export Processing Zones Authority (BEPZA): 
- BEPZA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Export Processing Zones Authority.
- দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশেষত শিল্পায়নের মাধ্যমে, ত্বরান্বিত করতে সরকার 'উন্মুক্ত দরজা নীতি' গ্রহণ করেছে।
- এই নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছে।
- বেপজা (BEPZA) সরকারের একটি সংস্থা যা ইপিজেডে (EPZ) বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহায়তা প্রদান করে।
- বেপজা সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়, কর্মস্থলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করে।
- ইপিজেডে শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক শান্তিপূর্ণ রাখার দায়িত্বও পালন করে বেপজা।
- ইপিজেডের মূল উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ এলাকা তৈরি করা।
- এই এলাকায় জটিল প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত একটি অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ প্রদান করা হয়।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
১৩,১৩৩.
‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ কোন অঞ্চলের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী?
  1. ইরান
  2. ইসরায়েল
  3. ইয়েমেন
  4. ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল:
- দক্ষিণ ইয়েমেনের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি)।
- বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের মদদপুষ্ট। 
- এটি ২০১৭ সালের ১১ মে গঠিত হয়।
- তাদের ঘোষিত লক্ষ্য ১৯৬৭–১৯৯০ সময়কালের মতো ‘দক্ষিণ রাষ্ট্র’ পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

উল্লেখ্য, 
- সম্প্রতি ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লায় ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বোমা হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
- সৌদি আরবের দাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীর জন্য অস্ত্রের একটি চালান পাঠানো হয়েছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই হামলা চালানো হয়েছে।
- ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ইয়েমেনের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাঝে তেলের কোটা ও এর উপর প্রভাব বিস্তার নিয়ে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বন্দ্বই বর্তমান উত্তেজনার মূল উৎস।
- আমিরাত দক্ষিণ ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এসটিসি-কে সমর্থন করছে। এই গোষ্ঠী বিগত মাসে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার থেকে দক্ষিণ ইয়েমেনের কিছু অংশ দখল করেছে।

উৎস: Al Jazeera.

১৩,১৩৪.
পৃথিবীর জনসংখ্যা বর্তমানে কত?
  1. ৭৮৭.৫০ কোটি
  2. ৭৮৫.৫০ কোটি
  3. ৮০৪.৫০ কোটি
  4. ৭৯৫.৪০ কোটি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে পৃথিবীর জনসংখ্যা:
- ২০২২ সালের নভেম্বরে বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটি পেরিয়ে গেছে।
- বর্তমানে পৃথিবীর জনসংখ্যা ৮০৪.৫০ কোটি।
- যেখানে মাত্র ২২০ বছর আগে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ১০০ কোটি।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের প্রাক্কলন বলছে, খুব শিগগিরই ৯০০ কোটি পেরিয়ে হাজার কোটিতে পৌঁছাবে।

উৎস: Worldometer. [link]
১৩,১৩৫.
কার্ল মার্কস কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• কার্ল মার্কস:
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক।
- তিনি লন্ডনে ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

তার উল্লেখযোগ্য বই:
- The Communist Manifesto
- Das Kapital
- 'The German Ideology

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩,১৩৬.
সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (CIA) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. যুক্তরাজ্য
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
• CIA:
- সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি বা CIA হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও গোপন অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে।
- সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের ল্যাংলিতে।
- CIA বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত।  

সূত্র: CIA ওয়েবসাইট।
১৩,১৩৭.
‘অপারেশন সিঁদুর’ সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল কবে?
  1. ৪ মে, ২০২৫
  2. ৫ মে, ২০২৫
  3. ৭ মে, ২০২৫
  4. ৯ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
অপারেশন সিঁদুর:
- গত ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ভারত-অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৫ জন ভারতীয় ও একজন নেপালি নাগরিক নিহত হন।
- এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ৭ মে “অপারেশন সিঁদুর” নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে ভারত।
- ভারতের অভিযানে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়।
- এতে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার প্রায় ১০০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে ভারতের দাবি।
- এর জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ১০ মে “বুনইয়ান-উন-মারসুস” নামে পাল্টা অভিযান শুরু করে।
- ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এ অভিযানে ভারতের অন্তত ২৬টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
- ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,১৩৮.
গণতন্ত্র মুক্তি দিবস কবে?
  1. ক) ১ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৪ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্র মুক্তি দিবস ৬ ডিসেম্বর। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
১৩,১৩৯.
বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে একজন আমেরিকান ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন; 'বাংলাদেশের রাজনীতি ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, ধারনা বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়" এই ঐতিহাসিকের নাম কি?
  1. এন্থনি মাসকারেনহাস
  2. লরেঞ্চ জিরিং
  3. লরেঞ্চ লিফশূলজ্
  4. হেনরি কিসিঞ্জার
ব্যাখ্যা

♦ বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে একজন আমেরিকান ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন; 'বাংলাদেশের রাজনীতি ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, ধারনা বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়" এই ঐতিহাসিকের নাম লরেঞ্চ জিরিং। 

অধ্যাপক লরেঞ্চ জিরিং:
- 'বাংলাদেশের রাজনীতি ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, ধারণা বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়'- লরেঞ্চ জিরিং (Lawrence Ziring) কর্তৃক প্রদত্ত।
- তিনি তাঁর গ্রন্থ 'বাংলাদেশ: মুজিব থেকে এরশাদ: একটি বিশ্লেষনধর্মী ইতিহাস'-এই গ্রন্থে এই পর্যবেক্ষণ করেছেন।
- যেখানে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিশ্লেষণ করেছেন।
- এই গ্রন্থে জিরিং উল্লেখ করেছেন যে, স্বাধীনতার প্রথম বিশ বছরে বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, যারা জনগণের অনুভূতিগুলিকে প্রকাশ করার চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান বা ধারণার ভিত্তি স্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

- মূলত এটি একটি নিরপেক্ষ ইতিহাসের বই। ১৯৪০-১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রতিটি বাঙালি রাজনৈতিক নেতা, তাঁদের শাসনকাল, তাঁদের সাফল্য-ব্যর্থতা, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা/অস্থিরতা সহ বিভিন্ন বিষয় নিরপেক্ষভাবে উঠে এসেছে।

⇒ এছাড়াও, তিনি "মুজিব, এরশাদ ও হাসিনা: রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের ইতিহাস" নামক একটি বইয়ের লেখক।


Link: core.ac.uk page: 124.

উৎস: বাংলাদেশ: মুজিব থেকে এরশাদ: একটি বিশ্লেষনধর্মী ইতিহাস।

১৩,১৪০.
এশিয়ার দক্ষিণতম বিন্দু কোনটি?
  1. পিয়ায়ি অন্তরীপ
  2. চেলিউসকিন অন্তরীপ
  3. ডেজনেভ অন্তরীপ
  4. বেবা অন্তরীপ
ব্যাখ্যা

এশিয়া মহাদেশ:
- এশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনবহুল মহাদেশ। 
- এটি পৃথিবীর পূর্ব ও উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। 
- এশিয়া মহাদেশ ৪৮টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- আয়তনে বৃহত্তম দেশ: চীন এবং আয়তনে ক্ষুদ্রতম দেশ: মালদ্বীপ।
- সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র: পূর্ব তিমুর।
- এশিয়ার বৃহত্তম সাগর: দক্ষিণ চীন সাগর।
- এশিয়ার গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ।
- এশিয়ার সর্বোচ্চ স্থান: মাউন্ট এভারেস্ট (৮,৮৪৮.৮৬ মিটার)।
- এশিয়ার সর্বনিম্ন বিন্দু: মৃত সাগর।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংজি।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ার উত্তরতম বিন্দু: ফ্লিগেলী অন্তরীপ (Cape Fligely), ফ্রাঞ্জ জোসেফ ল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, রাশিয়া।
- এশিয়ার দক্ষিণতম বিন্দু: মূল ভূখণ্ড এশিয়ার দক্ষিণতম বিন্দু পিয়ায়ি অন্তরীপ (Tanjung Piai), মালয়েশিয়া। তবে মহাদেশীয় এশিয়ার দক্ষিণতম বিন্দু পামানা দ্বীপ (Pamana Island), ইন্দোনেশিয়া। 
- এশিয়ার পশ্চিমতম বিন্দু: কেপ বাবা (Cape Baba), তুরস্ক।
- এশিয়ার পূর্বতম বিন্দু: কেপ ডেজনেভ (Cape Dezhnev), চুকটকা উপদ্বীপ, রাশিয়া।

উৎস: World Atlas.

১৩,১৪১.
কার্বন নিঃসরণ কমাতে COP-29 সম্মেলনে গঠিত নতুন ফোরামের নাম কী?
  1. G-Zero
  2. Zero Carbon
  3. Carbon Zero
  4. Group for Zero Carbon
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

G-Zero:
-COP-29 সম্মেলনে কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভুটানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন ফোরাম ‘জি-জিরো  (G-Zero)’ ১৩ নভেম্বর, ২০২৪ গঠিত হয়।
- সদস্য দেশ হচ্ছে ৪টি (ভুটান, পানামা, সুরিনাম, মাদাগাস্কার)। ৪টি দেশই কার্বন নিরপেক্ষ দেশ।
- এই ফোরাম গঠনে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।

উল্লেখ্য,
- এই চার দেশে যতটুকু কার্বন নিঃসরণ হয়, তা হয় দূষণমাত্রার চেয়ে কম নতুবা সেই দূষণ শুষে নেওয়ার মতো পরিবেশব্যবস্থা তারা তৈরি করতে পেরেছে।
- কাজেই এসব দেশ থেকে নিঃসরিত কার্বন উষ্ণায়নের কারণ হয় না।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১৩,১৪২.
SDR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Special Dollar Reserve
  2. Strategic Drawing Resource
  3. Special Drawing Rights
  4. Secure Deposit Reserve
ব্যাখ্যা
- SDR-এর পূর্ণরূপ Special Drawing Rights 

SDR:
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ১৯৬৯ সালে Special Drawing Rights (SDR) নামক একটি বিশেষ রিজার্ভ সম্পদের ব্যবস্থা প্রবর্তন করে।
- SDR হলো আন্তর্জাতিক রিজার্ভ সম্পদ।
- SDR-এর মূল্য নির্ধারিত হয় IMF স্বীকৃত পাঁচটি প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার গড় বিনিময় হারের ভিত্তিতে।
- এই পাঁচটি মুদ্রা হলো—মার্কিন ডলার, ইউরো, চীনা ইউয়ান, জাপানি ইয়েন এবং ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং।

সূত্র: IMF ওয়েবসাইট
১৩,১৪৩.
নিচের কোন সংস্থাটি ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) WMO
  2. খ) IMO
  3. গ) IPCC
  4. ঘ) UNFCCC
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন মহাসাগর/সাগরে উৎপন্ন সামুদ্রিক ঝড়ের নামকরণ করে থাকে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীনে বিভিন্ন মহাসাগরভিতত্তিক ১০টি আঞ্চলিক কমিটি। যেমন: আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে উৎপন্ন সামুদ্রিক ঝড়গুলোর নামকরণ করে ওমান, পাকিস্তান, ভারত, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত উত্তর ভারত মহাসাগর কমিটি।
একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে প্রত্যেকটি রাষ্ট্র একটি করে নাম প্রস্তাব করে এবং সে অনুসারে পর্যায়ক্রমে ঝড়ের নামকরণ করা হয়। নামগুলোর রোটেশন করে থাকে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
(সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
১৩,১৪৪.
'Accord' কোন দেশভিত্তিক গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলোর সংগঠন?
  1. আফ্রিকান ইউনিয়ন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন Accord।
- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন Alliance।
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।
- প্রতিষ্ঠাকালে সংস্থাটির বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার মেয়াদ ছিল ৫ বছর।

উৎসঃ দ্যা ডেইলি স্টার।

১৩,১৪৫.
মাথাপিছু নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. জাপান
  4. আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- মাথাপিছু নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে শীর্ষ দেশ হলো আইসল্যান্ড।
- দেশটির মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ১০০ ভাগের উৎস হলো জলবিদ্যুৎ ও জিওথার্মাল তথা নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
- তবে মোট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের শীর্ষ দেশ চীন।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ ওয়েবসাইট)
১৩,১৪৬.
নিচের কোনটি মিশরীয় সভ্যতার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. প্যাপিরাস
  2. হায়ারোগ্লিফিক
  3. সৌর পঞ্জিকা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল নীল নদের তীরে।
- এই সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। 
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে। 
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে। 
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা। 
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- তাদের চিত্রলিপিকে বলা হয় হায়ারোগ্লিফিক।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।
- প্যাপিরাস হলো পুরু কাগজের অনুরূপ একটি উপাদান যা প্রাচীন কালে লেখার পৃষ্ঠ হিসাবে ব্যবহৃত হত।
- প্রাচীন মিশরীয়রা প্যাপাইরাস গাছ থেকে প্যাপিরাস কাগজ তৈরি করেছিলেন। 

উৎস: i) Britannica.
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,১৪৭.
বেনগাজি বন্দরনগরীটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. লিবিয়া
  2. ফ্রান্স
  3. মিশর
  4. পর্তুগাল
ব্যাখ্যা

- বেনগাজি লিবিয়ার একটি বন্দর শহর।

লিবিয়া:
- লিবিয়া উত্তর আফ্রিকায় ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত।
- রাজধানী: ত্রিপোলি।
- মুদ্রা: দিনার।
- লিবিয়ার আদিবাসী: বার্বার জাতি।
- প্রধান ভাষা: আরবী, ইতালীয় ও ইংরেজী।
- লিবিয়া ইতালির উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৫০ সালে জাতিসংঘের অনুমোদনের ভিত্তিতে এবং সাইরেনিকার আমিরের নেতৃত্বে লিবিয়া একটি ফেডারেল সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯৫১ সালে লিবিয়া ইতালির কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং ঐ বছরেই ২৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ লিবিয়াকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করে।

- বেনগাজি হলো লিবিয়ার দ্বিতীয় জনবহুল শহর।
- ভূমধ্যসাগরের সিদ্রা উপসাগরে অবস্থিত বেনগাজি লিবিয়ার একটি প্রধান সমুদ্রবন্দর।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৩,১৪৮.
সম্প্রতি কোন দেশ জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থগিত করেছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ইরান
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

• IAEA:
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency. 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ১৭৯টি। [ সেপ্টেম্বর, ২০২৫]

• ইরানের সদস্যপদ ত্যাগ:
- জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
- এর ফলে সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি থেকে ২জুলাই, ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে গেল তেহরান।

তথ্যসূত্র: IEAE ওয়েবসাইট ও পত্রিকা।

১৩,১৪৯.
আফ্রিকা মহাদেশ থেকে প্রথম জাতিসংঘের মহাসচিব হয়েছেন কে?
  1. ক) ট্রিগভেলাই (Trygve Lie)
  2. খ) বুট্রোস বুট্রোস ঘালি (Boutros Boutros-Ghali)
  3. গ) পেরেজ ডি কুয়েলার (Javier Perez de Cuellar)
  4. ঘ) কফি আনান (Kofi Annan)
ব্যাখ্যা
▪ ড. বুট্রোস বুট্রোস ঘালি (Boutros Boutros-Ghali) জাতিসংঘের ষষ্ঠ মহাসচিব ছিলেন। 
▪ তিনি  মিশরের নাগরিক এবং আফ্রিকা মহাদেশ থেকে প্রথম জাতিসংঘের মহাসচিব  হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

অন্যদিকে,
▪ জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভেলাই (Trygve Lie)।
▪ পঞ্চম মহাসচিব পেরুর পেরেজ ডি কুয়েলার (Javier Perez de Cuellar) (প্রথম আমেরিকান)।
▪সপ্তম মহাসচিব ঘানা'র কফি আনান (২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী)। 

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৩,১৫০.
১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের ফলে কোন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. রাজতন্ত্র
  2. ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র
  3. ইসলামি প্রজাতন্ত্র
  4. গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

ইরানে ইসলামি বিপ্লব:
- ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের ফলে ইরানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র (Islamic Republic) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

⇒ ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
- আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে একটি ধর্মভিত্তিক, ধর্মতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা চালু হয়।
- এই বিপ্লব ইরানকে পাশ্চাত্যপন্থি রাজতন্ত্র থেকে একটি ইসলামি রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করে, যেখানে শিয়া ধর্মীয় নেতাদের চূড়ান্ত কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica.

১৩,১৫১.
নিম্নের কোন দেশটি বর্তমানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য? [মে, ২০২৫]
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত
  3. বাংলাদেশ
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান বর্তমানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য।

নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (United Nations Security Council বা UNSC) হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- এর প্রধান দায়িত্ব হলো বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখা এবং সংঘাত প্রতিরোধ করা।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য)।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: ডেনমার্ক (২০২৬), গ্রিস (২০২৬), সোমালিয়া (২০২৬), পাকিস্তান (২০২৬), পানামা (২০২৬), আলজেরিয়া (২০২৫), গায়ানা (২০২৫), কোরিয়া (২০২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৫)।

উল্লেখ্য, 
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- বাংলাদেশ ২ বার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়। প্রথমবার (১৯৭৯-৮০) এবং দ্বিতীয়বার (২০০০-০১)।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
১৩,১৫২.
'এপসম ডার্বি' কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. লন টেনিস
  2. শ্যুটিং
  3. ঘৌড় দৌড়
  4. রাগবি
ব্যাখ্যা

এপসম ডার্বি:
- এপসম ডার্বি  ঘৌড় দৌড়ের সাথে সম্পর্কিত।
- ডাউনস-এ প্রথম রেকর্ডকৃত রেস ১৬৬১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭৩০ সালে বার্ষিক রেস ছিল।
- বানবারির ঘোড়া ডায়োমড ৪ মে, ১৭৮০ সালে ডার্বির প্রথম দৌড়ে জয়লাভ করে।
- এরপর ঘোড়দৌড়ের নামকরণ করা হয় ডার্বির নামে।
- এটি শুক্রবারে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]

১৩,১৫৩.
UNHCR-এর মতে, কোন দেশ বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়? [মার্চ, ২০২৫]
  1. জার্মানি
  2. ইরান
  3. তুরস্ক
  4. উগান্ডা
ব্যাখ্যা
UNHCR:
- UNHCR-এর পূর্ণরূপ: United Nations High Commissioner for Refugees বা জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা।
- UNHCR শরণার্থী, আশ্রয় প্রার্থীদের এবং বিভিন্ন ধরনের বাস্তুচ্যুত মানুষের অধিকার রক্ষা ও তাদের সহায়তা প্রদানে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজাল্যান্ড।
- কার্যক্রম: বিশ্বের ১৩৫টি দেশে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধ, সংঘাত, অত্যাচার, এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষের নিরাপত্তা এবং সহায়তা নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
⇒ UNHCR-এর মতে, বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শরণার্থী আশ্রয় দেয় ইরান।

• শীর্ষ শরণার্থী আশ্রয় দেয়া দেশ:
১. ইরান – ৩.৮ মিলিয়ন,
২. তুরস্ক – ৩.১ মিলিয়ন,
৩. কলম্বিয়া – ২.৮ মিলিয়ন,
৪. জার্মানি – ২.৭ মিলিয়ন,
৫. উগান্ডা – ১.৭ মিলিয়ন.

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট। [link]
১৩,১৫৪.
প্রথম বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
  2. খ) ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোতে
  3. গ) ইতালির রোমে
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে
ব্যাখ্যা
ধরিত্রী সম্মেলন:
- ১৯৯২ সালে ৩ - ১৪ জুন পৃথিবীর জলবায়ু রক্ষার্থে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরিও-তে ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্টিত হয়। এটি প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ৫’ অনুষ্টিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। এটি ১৯৯৭ সালে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ১০’ অনুষ্টিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে। এটি দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ২০’ অনুষ্টিত হয় ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোও-তে ২০১২ সালে। এটি তৃতীয় সম্মেলন নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
১৩,১৫৫.
ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি চুক্তি কোনটি?
  1. রোম চুক্তি
  2. লিসবন চুক্তি
  3. ম্যাসট্রিচট চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা

European Union (EU):
- ইউরোপীয় ইউয়নিয়ন ম্যাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে।
- এর সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র ৬টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: ক্রোয়েশিয়া। 
- সর্বশেষ ত্যাগকারী দেশ: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
- ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় ইউয়নিয়নের ইউরোপিয় মুদ্রা প্রচলন শুরু হয় -১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে। [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।

১৩,১৫৬.
সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে কোন দেশ?
  1. রাশিয়া
  2. ইসরায়েল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা

সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি: 
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে স্বঘোষিত রিপাবলিক অব সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইসরায়েল।
- সোমালিল্যান্ড হলো ‘হর্ন অব আফ্রিকা’ অঞ্চলে অবস্থিত একটি স্ব-ঘোষিত স্বাধীন রাষ্ট্র, যা ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- আন্তর্জাতিকভাবে এটি সোমালিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত এবং এতদিন পর্যন্ত কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে অঞ্চলটিকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই স্বীকৃতিকে আব্রাহাম চুক্তির চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।
- ২০২০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে এই চুক্তি সই হয়েছিল।
- ওই চুক্তির মাধ্যমেই সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল ইসরায়েল।

তথ্যসূত্র- ইত্তেফাক। [link]

১৩,১৫৭.
নীল বিপ্লব কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. জর্জিয়া
  2. মিসর
  3. ইউক্রেন
  4. তিউনিসিয়া
ব্যাখ্যা
নীল বিপ্লব:

- নীল বিপ্লব (Blue Revolution) নামে পরিচিত এই ঘটনাটি ২০১১ সালে মিসরে সংঘটিত হয়।
- এটি আরব বসন্তের (Arab Spring) একটি অংশ হিসেবে উদ্ভূত হয়েছিল।
- জনসাধারণের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, এবং গণতন্ত্রের দাবিতে এই বিপ্লব শুরু হয়।
- ২৫ জানুয়ারি ২০১১ সালে কায়রোর তাহরির স্কোয়ারে (Tahrir Square) বিপুল সংখ্যক মানুষ বিক্ষোভ শুরু করে। এই বিক্ষোভ দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৮ দিনের বিক্ষোভ ও আন্দোলনের পর ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- নীল বিপ্লব আরব বসন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এটি আরব বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত করেছে।

অন্যদিকে,
- ইউক্রেনে ২০০৪ সালে অরেঞ্জ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় রোজ বিপ্লব সংঘটিত হয় ।
- তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
১৩,১৫৮.
রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা ভোগ করেন?
  1. ইয়াসির আরাফাত
  2. কফি আনান
  3. ওসামা বিন লাদেন
  4. অ্যারিয়েল শ্যারন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও ইয়াসির আরাফাত রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা ভোগ করেন। 

ইয়াসির আরাফাত:
- মুসলিম বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা ও ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের মহান নেতা ইয়াসির আরাফাত।
- ইয়াসির আরাফাত একজন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
- ইয়াসির আরাফাতের জন্ম ১৯২৯ সালে মিসরের কায়রোতে। 
- তিনি ১৯৬৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-এর চেয়ারম্যান এবং ১৯৯৬-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন অথরিটির (PA) সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে তিনি ইসরায়েলি সরকারের সাথে শান্তি চুক্তিতে পিএলওকে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৪ সালে আরাফাত এবং ইজহাক রাবিন এবং ইসরায়েলের শিমন পেরেস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

⇒ ১৯৫০ সালে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যোগ দেন রাজনীতিতে।
- ১৯৫৯ সালে কুয়েতে নির্বাসিতকালে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মুক্তির সংগঠন ‘ফাতাহ’ গঠন করেন।
- পরবর্তী সময়ে এই সংগঠনের নাম হয় প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)।
- ১৯৬৭-৬৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে সম্মুখসারিতে থেকে যুদ্ধ করেন ইয়াসির আরাফাত।
- ১৯৬৯ সালে তিনি নির্বাচিত হন পিএলওর চেয়ারম্যান হিসেবে।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ইয়াসির আরাফাত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৯১ সালে মাদ্রিদ সম্মেলন, ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি এবং ২০০০ সালে ক্যাম্পডেভিড সম্মেলনের মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন তিনি।
- এই সময় হামাস ও অন্যান্য সংগঠনের উত্থান ঘটে, যারা ইয়াসির আরাফাতের ভিত্তি দুর্বল করে দিয়ে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ২০০২ সাল থেকে ইয়াসির আরাফাতকে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় তাঁর সদর দপ্তরে অবরুদ্ধ করে রাখে।

উল্লেখ্য,
- জীবনের শেষ দিনগুলোতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখে।
- গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ঘানার কফি আনান। তিনি ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।
- ওসামা বিন লাদেন ছিলেন জঙ্গি ইসলামি সংগঠন আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার প্রধান হোতা।
- অ্যারিয়েল শ্যারন ছিলেন ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ২০০১ সালে এরিয়েল শ্যারন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

উৎস: Britannica.
১৩,১৫৯.
‘Freedom House’ সংগঠনটির সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) ওয়াশিংটন
  4. ঘ) টরন্টো
ব্যাখ্যা

ফ্রিডম হাউজ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি এনজিও সংস্থা। 
- এই প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যয় হলো একটি গণতান্ত্রিক দেশ যেখানে সরকার জনগণের নিকট দায়বদ্ধ থাকে সেখানে জনগণের স্বাধীনতার বিকাশ ঘটে।
- এটি মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করে। 
- এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটনে অবস্থিত।
উৎসঃ সংস্থাটির ওয়েবসাইট।

১৩,১৬০.
প্যারিস চুক্তি (COP - 21) অনুসারে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো বৈশ্বিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রি কমানোর ব্যাপারে সম্মত হয়?
  1. ক) ১ ডিগ্রী
  2. খ) ২ ডিগ্রী
  3. গ) ১.৫ ডিগ্রী
  4. ঘ) ২.৫ ডিগ্রী
ব্যাখ্যা
The Paris Agreement’s central aim is to strengthen the global response to the threat of climate change by keeping a global temperature rise this century well below 2 degrees Celsius above pre-industrial levels and to pursue efforts to limit the temperature increase even further to 1.5 degrees Celsius. Additionally, the agreement aims to increase the ability of countries to deal with the impacts of climate change, and at making finance flows consistent with a low GHG emissions and climate-resilient pathway. Source: unfccc.int
১৩,১৬১.
এজেন্ডা - ২১ (Agenda - 21) গৃহীত হয় কোন সম্মেলনে?
  1. ক) রিও সম্মেলন
  2. খ) কিয়েটো সম্মেলন
  3. গ) জোহান্সবার্গ সম্মেলন
  4. ঘ) কানকুন সম্মেলন
ব্যাখ্যা

১৯৮৮ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে ধরিত্রী সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।
সম্মেলনটির পূর্ণনাম - United Nations Conference on Environment and Development।
এটিকে “ধরিত্রী সম্মেলন” (Earth Summit) ও বলা হয়। ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে অনুষ্ঠিত হওয়ায় পরবর্তীতে এটি “রিও সম্মেলন” (Rio Conference) নামে পরিচিত হয়।
সংঘটনকাল: ৩ - ১৪ জুন, ১৯৯২ সাল
ধরিত্রী সম্মেলনে গৃহীত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে -
- “টেকসই উন্নয়ন কমিশন” (Commission on Sustainable Development) গঠিত হয়।
- রিও ঘোষণা (Rio Declaration) - পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ে রিও ঘোষণা হচ্ছে - রাষ্ট্রসমূহের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কিত কয়েকটি নীতিমালা।
- এজেন্ডা - ২১ (Agenda - 21) - এই সম্মেলনে গৃহীত টেকসই উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক পরিকল্পনাকে এজেন্ডা - ২১ বলা হয়।
- বন নীতির দলিল - বিশ্বব্যাপী বন রক্ষার জন্য কয়েকটির নীতির লিখিত দলিল প্রণয়ন।
- ধরিত্রী সম্মেলনে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) ও Convention on Biological Diversity গৃহীত ও স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)

১৩,১৬২.
ন্যাটো জোটের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. স্টকহোম, সুইডেন
  2. ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
  3. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• NATO এর পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি।
- বর্তমান সদস্য ৩২টি। (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস।
- বর্তমান মহাপরিচালক- মার্ক রুট।
- ন্যাটো জোটের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।[লিংক]

১৩,১৬৩.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) করোনা ইস্যুতে বিশ্ব স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে -
  1. ক) ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  2. খ) ৩০ জানুয়ারি, ২০২০
  3. গ) ১১ মার্চ, ২০২০
  4. ঘ) ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯
ব্যাখ্যা
৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্ব স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ COVID-19 কে মহামারি হিসেবে চিহ্নিত করে।
১৩,১৬৪.
কোন দুইটি দেশের মধ্যে ‘শাত-ইল-আরব’ জলপথ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে?
  1. যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. আর্জেন্টিনা ও চিলি
  3. কাজাকিস্তান ও রাশিয়া
  4. ইরাক ও ইরান
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- ‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
১৩,১৬৫.
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী কে?
  1. সেলমা লাগেরলফ
  2. বার্থাভন সুটনার
  3. মেরি কুরি
  4. গ্রাজিয়া দেলেদ্দা
ব্যাখ্যা
মেরি কুরি (Marie Curie):
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী মেরি কুরি।
- তিনিই বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিজ্ঞানের দুই দুইটি শাখায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- তেজস্ক্রিয়া গবেষণার পথিকৃৎ মেরি কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
- তিনি ৭ নভেম্বর, ১৮৬৭ সালে পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৯১ এর শেষের দিকে মেরি পোল্যান্ড থেকে ফ্রান্সের উদ্দেশে পাড়ি জমান। 

অন্যদিকে,
- সাহিত্যে নোবেল জয়ী প্রথম নারী সেলমা লাগেরলফ।
- শান্তিতে প্রথম মহিলা নোবেল বিজয়ী বার্থাভন সুটনার।
- গ্রাজিয়া দেলেদ্দা ১৯২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

উল্লেখ্য,
- ১৯০১ - ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ৬৫ জন নারী ৬৬ বার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- এর মধ্যে একমাত্র মেরি কুরি যিনি দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট। 
১৩,১৬৬.
সম্প্রতি, ইরানের বিপ্লবী গার্ডকে 'সন্ত্রাসী সংগঠন' ঘোষণা করেছে-[জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ইইউ
  2. ন্যাটো
  3. অ্যামনিস্টি ইন্টারন্যাশনাল
  4. জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ
ব্যাখ্যা

- ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর দমন-পীড়নের জবাবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ সালে সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

প্রসঙ্গত,
- ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রতিষ্ঠিত আইআরজিসি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি আনুগত্যশীল একটি অভিজাত প্যারামিলিটারি বাহিনী। 
- পৃথক নৌ ও বিমান বাহিনীসহ এর স্থলবাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার।
- যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে, কানাডা ২০২৪ সালে ও অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

উৎস: বণিকবার্তা।

১৩,১৬৭.
আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
  1. নাইরোবি
  2. কায়রো
  3. আদ্দিস আবাবা
  4. কাম্পালা
ব্যাখ্যা
African Union:
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) আফ্রিকা মহাদেশের দেশসমূহের একটি সংগঠন,
- এটা মহাদেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে।
- সংস্থাটির পূর্ববর্তী নাম ছিল Organization of African Unity (OAU),
- এটা ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত এই নামে পরিচিত ছিল।
- পরবর্তীতে, ৯ জুলাই, ২০০২ সালে সংস্থাটির নতুন নামকরণ করা হয় African Union।
- বর্তমানে এর সদস্যসংখ্যা ৫৫টি। 
- সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া-তে অবস্থিত।

সূত্র: আফ্রিকান ইউনিয়নের ওয়েবসাইট।
১৩,১৬৮.
'জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য ব্যবহার সম্পর্কিত প্রটোকল কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. নাগোয়া প্রটোকল
  3. কিয়োটো প্রটোকল
  4. বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

• নাগোয়া প্রটোকল:
- নাগোয়া প্রটোকল হল জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য ব্যবহার সম্পর্কিত ন্যায্য সুবিধা বণ্টন নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্যের প্রবাহ (Convention on Biological Diversity CBD) এর আওতায় জাপানের নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- নাগোয়া প্রটোকল মূলত জীববৈচিত্র্যের সম্পদ ব্যবহার এবং এর থেকে প্রাপ্ত উপকারিতা, বিশেষ করে জেনেটিক রিসোর্সের ব্যবহার সম্পর্কিত।
- এই প্রটোকলের প্রধান উদ্দেশ্য হল বন্য প্রাণী সংরক্ষণ করা।
- ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সালে নাগোয়া প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: নাগোয়া প্রটোকল ওয়েবসাইট।

১৩,১৬৯.
চীন কোন দেশটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করেছে?
  1. ক) ইথিওপিয়া
  2. খ) জাম্বিয়া
  3. গ) লাইবেরিয়া
  4. ঘ) জিবুতি
ব্যাখ্যা
পূর্ব আফ্রিকার বাব-এল-মান্দেবের তীরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছোট দেশ জিবুতি। চীন ২০১৭ সালে জিবুতিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।
ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার জন্য আগে থেকেই দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জাপানের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
১৩,১৭০.
ইসলাম ধর্মে মোট আসমানি কিতাব কয় খানা?
  1. ৪ খানা
  2. ১০০ খানা
  3. ১০৪ খানা
  4. ১০০৪ খানা
ব্যাখ্যা
আসমানি কিতাব:
- আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ হয়েছে।
- সর্বমোট আসমানি কিতাব ১০৪ টি।
- প্রধান আসমানি কিতাব ৪ টি।
- ছোট আসমানি কিতাবকে বলা হয় সহীফা ।

• প্রধান আসমানি কিতাব যে নবীর উপর নাজিল হয়েছে:
১. তাওরাত - হযরত মুসা (আ.)।
২. যাবুর - হযরত দাউদ (আ.)।
৩. ইঞ্জিল - হযরত ঈসা (আ.)। 
৪. আল-কুরআন / আল ফুরকান - হযরত মুহাম্মদ (স.)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩,১৭১.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রাশিয়া
  2. ইতালি
  3. ডেনমার্ক
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে জার্মানির ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,১৭২.
গ্রীনপিস একটি -
  1. অর্থনৈতিক সংগঠন
  2. পরিবেশবাদী সংগঠন
  3. রাজনৈতিক সংগঠন
  4. জাতীয়তাবাদী সংগঠন
ব্যাখ্যা
• গ্রিনপিস:
 - গ্রিনপিস ১৯৭১ সালে ব্রিটিশ কলাম্বিয়াতে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে মার্কিন পরমাণু পরীক্ষার বিরোধিতা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- গ্রিনপিস একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা।
- এটির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত।
- গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনাল ২৫টি স্বাধীন জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র: গ্রিনপিস ওয়েবসাইট
১৩,১৭৩.
বেনিতো মুসোলিনী নিম্নের কোন মতবাদের প্রবক্তা ছিলেন?
  1. বাস্তববাদ
  2. নৈরাজ্যবাদ
  3. ফ্যাসিবাদ
  4. উদারতাবাদ
ব্যাখ্যা
বেনিতো মুসোলিনি:
- বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন একজন ইতালীয় রাজনৈতিক নেতা যিনি ১৯২৫ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত স্বৈরশাসক হয়েছিলেন।
- তিনি ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক।
- বেনিতো মুসোলিনি একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা ছিলেন।
- তিনি ছিলেন স্কুল শিক্ষক, প্রথাবিরোধী লেখক, সমাজতন্ত্রের পক্ষে একজন বক্তা এবং পত্রিকার সম্পাদক।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
• ফ্যাসিবাদ:
- ইতালিয় শব্দ 'ফ্যাসিমো' এসেছে 'ফ্যাসিও' থেকে, অন্যদিকে 'ফ্যাসিও' শব্দটি এসছে ল্যাটিন শব্দ 'ফ্যাসেস' থেকে। এর অর্থ হচ্ছে, লাঠি, কাঠ বা রডের আটি, যেটি একত্রে বেধে রাখা হয়।
- ‘ফ্যাসিজম’ হচ্ছে একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং গণআন্দোলন, যেটি ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংঘটিত হয়েছিল।
- ‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিবাদ’ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে উগ্র-ডানপন্থী জাতীয়তাবাদের আবির্ভাব ঘটে ইউরোপে। 
- এই মতাদর্শে বিরোধীদের কোন জায়গা ছিল না।
- ফ্যাসিবাদের মূলমন্ত্র: ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ব্যক্তি স্বাধীনতার অবমূল্যায়ন, উগ্র জাতীয়তাবাদ।
- ১৯২২ সালে, মুসোলিনি ইতালিতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার শাসনব্যবস্থা দ্রুত অন্যান্য দেশে প্রভাব বিস্তার করে।

অন্যদিকে,
⇒ জার্মানিতে হিটলারের নেতৃত্বে ‘নাৎসিজম’ বা ‘নাৎসিবাদ’– এর উত্থান হয়। এটি ছিল ‘ফ্যাসিজম’ এর একটি রূপ।
- ‘ফ্যাসিবাদ’ উত্থানের মধ্য দিয়ে ইউরোপে হিটলার ও মুসোলিনির মতো বিতর্কিত নেতার উদ্ভব হয়।
- ফ্যাসিস্টরা মার্ক্সবাদীদের বিরোধী ছিল।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.
১৩,১৭৪.
'করনার স্টোন অব পিস' কী?
  1. ক) জলপ্রপাত
  2. খ) ভ্যাকসিন
  3. গ) স্মৃতিসৌধ
  4. ঘ) যুদ্ধক্ষেত্র
ব্যাখ্যা

- 'করনার স্টোন অব পিস' হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের ওকিনাওয়ার যুদ্ধে নিহতদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৯৫ সালের ২৩ জুন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ৫০ তম বার্ষিকী উপলক্ষে স্মৃতিসৌধটি উদ্বোধন করা হয়।

উৎসঃ জাপানের সরকারি ওয়েবসাইট।

১৩,১৭৫.
যুক্তরাষ্ট্র কোন যুদ্ধের ন্যায্যতা প্রমাণের জন্য ডমিনো তত্ত্ব ব্যবহার করেছিল?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  3. কোরিয় যুদ্ধ
  4. ফিলিপাইন যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ডমিনো তত্ত্ব:
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।

উৎস: History.com

১৩,১৭৬.
'সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা' উক্তিটি কার?
  1. সক্রেটিস
  2. ফ্রান্সিস বেকন
  3. বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
  4. গ্ল্যাডস্টোন
ব্যাখ্যা
- 'সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা' : বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
- 'জ্ঞানই পূণ্য' এবং 'নিজেকে জানো' : সক্রেটিস
- Justice delayed is justice denied : গ্ল্যাডস্টোন।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
১৩,১৭৭.
কোন দেশটি অতীতে UN Security Council এর স্থায়ী সদস্য ছিল?
  1. USSK
  2. UKKR
  3. USSR
  4. বর্ণিত কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ:  
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- Union of Soviet Socialist Republics (USSR)  জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের সদস্য এবং স্থায়ী সদস্য ছিল USSR এর পতন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।
- এখন এই দেশটির কোনো অস্তিত্ব নেই। তবে এর অংশ রাশিয়া এখন জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য।
- ভেটো ক্ষমতার কারণে নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের প্রত্যেকটির সম্মতির প্রয়োজন হয়।
• দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- চীন
- যুক্তরাজ্য ও
- ফ্রান্স।

উৎস: জাতিসংঘ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট & ব্রিটানিকা।
১৩,১৭৮.
সম্প্রতি ইরানের সাথে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে কোন দেশ?
  1. ক) আলবেনিয়া
  2. খ) ইরাক
  3. গ) তাইওয়ান
  4. ঘ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা
- ইরানের সাথে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে ন্যাটোভূক্ত মুসলিম দেশ - আলবেনিয়া।
- আলবেনিয়ার ওপর ইরান সাইবার হামলা চালানোয় এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আলবেনিয়া।
- ইরানের সঙ্গে আগে থেকেই উত্তেজনামূলক সম্পর্ক ছিল আলবেনিয়ার।
- ২০১৪ সালে ইরানের নিষিদ্ধ ঘোষিত পিপলস মুজাহিদিন গ্রুপের প্রায় ৩ হাজার সদস্যকে আশ্রয় দিয়েছিল আলবেনিয়া। এরপর তাদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
- এর আগে আলবেনিয়ার ওপর সাইবার হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল ইরান।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর।
১৩,১৭৯.
সম্প্রতি, ভেনেজুয়েলায় নতুন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পায় কে?
  1. হুয়ান গুয়াইদো
  2. ডেলসি রদ্রিগেজ
  3. নিকোলাস মাদুরো
  4. হেনরি ফালকন
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বন্দি হয়।
- দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
- তাকে অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে নির্দেশ দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার সর্বোচ্চ আদালত।
- ভেনেজুয়েলান সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ এক আদেশে জানান,
- প্রেসিডেন্ট মাদুরোর অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা এবং দেশের সার্বিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে ডেলসি রদ্রিগেজ অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: আলজাজিরা নিউজ।

১৩,১৮০.
বি-৫২ কী?
  1. এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
  2. এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
  3. এক ধরনের বোমারু বিমান
  4. ভূমি হতে শূণ্যে ‍নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র
ব্যাখ্যা
বি-৫২:
- বি-৫২ এক ধরনের বোমারু বিমান।

⇒ বি-৫২ (B-52) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একটি দীর্ঘ-পাল্লার, সাবসনিক, জেট-চালিত কৌশলগত বোমারু বিমান।
- এর পূর্ণ নাম Boeing B-52 Stratofortress।
- এটি ভারী বোমারু বিমান।
- ১৯৪৮ সালে এর ডিজাইন করা হয়েছিল।
- ১৯৫২ সালে এটি প্রথম উড্ডয়ন করা হয়েছিল।
- ১৯৫৫ সালে প্রথম সামরিক পরিষেবা দেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) The Boeing Company.
১৩,১৮১.
কার নেতৃত্বে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়?
  1. মোহাম্মদ রেজা পাহলভি
  2. আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী
  3. মোহাম্মাদ মুসাদ্দেক
  4. আনোয়ার সাদাত
ব্যাখ্যা
ইরানে ইসলামি বিপ্লব:
- ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে ইরানের তদানীন্তন সরকারের পতনের মাধ্যমে এই বিপ্লব পূর্ণতা লাভ করে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- শেষ ইরানি রাজবংশ ছিল পাহলভী রাজবংশ ছিল।
- ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হিসেবে দীর্ঘ আটাশ বছর এই রাজবংশ শাসন পরিচালনা করে।
- আর ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব পর্যন্ত স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র হিসেবে ইরান শাসন করে।
- রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে ইরানের ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় ও রেজা শাহ পাহলভী ইরান ছেড়ে পালিয়ে যান।

আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী:
- ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতা ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি।
- তিনি একজন ইরানি রাজনীতিবিদ, বিপ্লবী ও শিয়া ধর্মগুরু।
- ১৯৬৩ সালে তিনি তৎকালীন শাহ সরকারের অত্যাচার, নিপীড়ন ও আমেরিকার পদলেহী নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

উৎস: Britannica.
১৩,১৮২.
আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে কত সালে?
  1. ১২৫২ সালে
  2. ১২৫৮ সালে
  3. ১২৬৪ সালে
  4. ১২৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
আব্বাসী বংশ:

- ১২৫৮ সালে আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে।
- শেষ যুগের খলিফাদের অযোগ্যতা, সুষ্ঠু উত্তরাধিকার নীতির অভাব, তুর্কী সেনাবাহিনীর উত্থান, স্বাধীন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আঞ্চলিক রাজবংশের উদ্ভব, বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব, অর্থনৈতিক সংকট ইত্যাদি নানা কারণে এই বংশের অধ:পতন নেমে আসে।
- অবশেষে মোঙ্গল সেনাপতি হালাগু খান ১২৫৮ সালে বাগদাদ নগরী ধ্বংস সাধন করেন এবং এর ফলে আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,১৮৩.
ইউনেস্কো ২০২৬ সালের জন্য কোন শহরকে বিশ্ব বইয়ের রাজধানী ঘোষণা করেছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. মাদ্রিদ, স্পেন
  2. রাবাত, মরক্কো
  3. স্ট্রাসবার্গ, ফ্রান্স
  4. রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

বিশ্ব বইয়ের রাজধানী, ২০২৬:
- ২০০১ সাল থেকে ইউনেস্কো প্রতি বছর একটি শহরকে ‘ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল’ হিসেবে মনোনীত করে।
- এ শহরগুলো ওই বছরজুড়ে বই, পাঠ ও জ্ঞান বিস্তারের জন্য নানা আয়োজন করে।
- সেই প্রেক্ষিতে মরক্কোর রাজধানী রাবাতকে ২০২৬ সালের ‘ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- শহরটিতে রয়েছে ৫৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এবং আফ্রিকার তৃতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বই ও প্রকাশনা মেলা অনুষ্ঠিত হয় এখানে।

তথ্যসূত্র- UNESCO ওয়েবসাইট। [link]

১৩,১৮৪.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয় -
  1. ফ্রান্স
  2. লুক্সেমবার্গ
  3. পোল্যান্ড
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
• ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয় পোল্যান্ড।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ।
- বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ। (আগস্ট, ২০২৪)
- সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া।
- সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।
১৩,১৮৫.
কোন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে OECD প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. মার্শাল প্ল্যান
  2. ট্রুম্যান পরিকল্পনা
  3. ডাম্বলিন পরিকল্পনা
  4. জনসন পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
OECD:
 OECD-এর পূর্ণরূপ: Organisation for Economic Co-operation and Development।
- এ সংস্থার উদ্দেশ্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১ সালে।
- এটি একটি অর্থনৈতিক জোট।
- এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- OECD এর প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ২০ টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩৮ টি।
- সর্বশেষ সদস্য কোস্টারিকা (২৫ মে, ২০২১)।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ পুনর্গঠনের জন্য 'মার্শাল প্ল্যান' অনুযায়ী ১৯৪৮ সালে The Organisation for European Economic Cooperation (OEEC) গঠিত হয়।
- OEEC যা OECD এর পূর্বসূরী সংস্থা।
- ১৯৬০ সালে ‘OECD Convention’ স্বাক্ষরের মাধ্যমে The Organisation for European Economic Cooperation (OEEC) এর সদস্য সহ ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশ মিলে The Organisation for Economic Co-operation and Development (OECD) গঠন করে। 
- যুদ্ধবিদ্ধস্থ ইউরোপের পুনর্গঠন ও সদস্য দেশগুলোর অর্থনীতির উন্নয়নের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি সারা বিশ্বব্যাপী শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শুল্ক ব্যবস্থা উন্নয়ন ইত্যাদি খাত নিয়ে কাজ করছে।

উৎস: OECD ওয়েবসাইট।
১৩,১৮৬.
ANZUS এর সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ANZUS এর সদস্য দেশ নয় যুক্তরাজ্য।

ANZUS:
- এটি শীতল যুদ্ধের সময় কমিউনিজমের হুমকির বিরুদ্ধে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গঠিত হয়।
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- ANZUS এর সদস্য দেশ: ৩টি। যথা:
• অস্ট্রেলিয়া,
• নিউজিল্যান্ড,
• যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ উদ্দেশ্য:
- যেকোনো একটি দেশের উপর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সশস্ত্র আক্রমণ হলে অন্যদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে বলে মনে করা হবে, এবং সকলে মিলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসারে সেই বিপদ মোকাবিলা করবে।

তথ্যসূত্র - ANZUS-এর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

১৩,১৮৭.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ পুর্নগঠনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র নিম্নের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করে?
  1. ক) মলোতব পরিকল্পনা
  2. খ) মার্শাল পরিকল্পনা
  3. গ) রুজভেল্ট পরিকল্পনা
  4. ঘ) ট্রুম্যান পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত ইউরোপ পুর্নগঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত আর্থিক প্রণোদনা ‘মার্শাল প্ল্যান বা মার্শাল পরিকল্পনা’ নামে পরিচিত।
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ সি. মার্শাল এটি প্রণয়ন করেন। 
- মার্শাল পরিকল্পনার অপর নাম ইউরোপ পুর্নগঠন পরিকল্পনা (European Recovery Program, ERP).
- ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত চার বছর মেয়াদি এই পরিকল্পনায় ১৫ বিলিয়নের মার্কিন ডলারের অধিক বরাদ্দ দেওয়া হয় যার বেশিরভাগই পায় ব্রিটেন এবং ফ্রান্স।
- ইউরোপ পুর্নগঠনের পাশাপাশি মার্শাল প্লানে পশ্চিম ইউরোপে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ, ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর, সিআইএ এর কর্মপরিধি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিহিত ছিলো।
- মার্শাল পরিকল্পনার অংশ হিসেবে OECD (Organisation for Economic Co-operation and Development) এর জন্ম লাভ হয়। 
- এই পরিকল্পনার পাল্টা উদ্যোগ হিসেবে হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন মলোতব পরিকল্পনা (Molotov Plan) গ্রহণ করে যা পরবর্তীতে COMECON এ পরিণত হয়। 
 
The Marshall Plan (officially the European Recovery Program, ERP) was an American initiative enacted in 1948 to provide foreign aid to Western Europe.

(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
১৩,১৮৮.
আল-আকসা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. মক্কা
  2. মদিনা
  3. বাগদাদ
  4. জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত।

আল-আকসা মসজিদ
:
- আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত।
- মক্কা ও মদিনার পরে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদকে ইসলামের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ মসজিদটি ফিলিস্তিনের প্রাণকেন্দ্র পবিত্র জেরুজালেম নগরীতে অবস্থিত।
- ১৪ হেক্টর এলাকাজুড়ে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ।
- যা কিবলি মসজিদ নামেও পরিচিত।
- আল-আকসায় প্রথম ছোট একটি মসজিদ নির্মাণ করেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর, পরে ৭০৫ খ্রিস্টাব্দে এখানে প্রথম বড় আকারে মসজিদ নির্মাণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
ইহুদিদের জন্য:
- ইহুদিরা বিশ্বাস করে, এখানেই ছিল ইহুদিদের প্রথম ও দ্বিতীয় পবিত্র উপাসনালয়।
- টেম্পল মাউন্টকে ঘিরে থাকা ‘ওয়েস্টার্ন ওয়াল’ ইহুদিদের কাছে ‘পৃথিবীর ভিত্তিপ্রস্তর’ হিসেবে স্বীকৃত ও পবিত্র স্থান।
- চুনাপাথর দিয়ে বানানো প্রাচীন এই দেয়ালটি 'প্লেস অফ উইপিং' বা 'কান্নার জায়গা' নামেও পরিচিত।

খ্রিস্টানদের জন্য:
- খ্রিস্টানরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে এটাই সেই জায়গা যেখানে যীশু খ্রিস্ট ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন আর এখানকার গুহাতেই তার দেহ রাখা হয়েছিল।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ২১ এপ্রিল, ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১৩,১৮৯.
Which country will host 'Copa America 2024' tournament?
  1. USA
  2. Brazil
  3. Mexico
  4. Chile
ব্যাখ্যা
কোপা আমেরিকা ২০২৪:
- ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে কোপা আমেরিকা।
- এটি কোপা আমেরিকার ৪৮তম আসর।
- চার গ্রুপে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করবে।
- কোপা আমেরিকা ২০২৪ শুরু হবে ২০ জুন ও শেষ হবে ১৪ জুলাই ২০২৪ সালে।

উৎস: ESPN.
১৩,১৯০.
জার্মানওয়াচ (German Watch) প্রতি বছর কোন সূচক প্রকাশ করে? 
  1. বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক
  2. বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সূচক
  3. বৈশ্বিক বন্যপ্রাণী সূচক
  4. বৈশ্বিক বাণিজ্য সূচক
ব্যাখ্যা

German Watch:
- পূর্ণ নাম: Germanwatch e.V.
- প্রতিষ্ঠাতা: ক্রিস্টোফ বালস (Christoph Bals)
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৯১ সালে।
- ধরন: অলাভজনক, অ-সরকারি, উত্তর-দক্ষিণ উদ্যোগ (North-South initiative)
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- মোটো: "Observing. Analysing. Acting." (পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং ক্রিয়াকলাপ)
- এটি প্রতি বছর "বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক" প্রকাশ করে।

উৎস: German watch এর ওয়েবসাইট।

১৩,১৯১.
'আরব বসন্ত' বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
  2. খ) আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
  3. গ) আরব রাজতন্ত্র
  4. ঘ) আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
ব্যাখ্যা
Arab Spring, wave of pro-democracy protests and uprisings that took place in the Middle East and North Africa beginning in 2010 and 2011.
Source: britannica.com
১৩,১৯২.
ফিনল্যান্ড ও সুইডেনকে ন্যাটোতে যোগদানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়-
  1. ক) ১৫ জুন ২০২২
  2. খ) ১৮ জুন ২০২২
  3. গ) ২০ জুন ২০২২
  4. ঘ) ২৯ জুন ২০২২
ব্যাখ্যা
⇒ফিনল্যান্ড ও সুইডেনকে ন্যাটোতে যোগদানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ করা হয় ২৯ জুন ২০২২
⇒২৮ জুন ২০২২ তিন দিনব্যাপী ৩২তম NATO'র শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় স্পেনের মাদ্রিদে।
উৎস- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
১৩,১৯৩.
’নাগোয়া প্রটোকল’ স্বাক্ষরিত হয় কোথায়? 
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. রাশিয়া 
ব্যাখ্যা

নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing.
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি।
- গৃহীত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকর: ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের  সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট। 

১৩,১৯৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের নিকট থেকে কোরিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেয় -
  1. ক) ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. গ) সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন
  4. ঘ) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালে জাপান কোরিয়া দখলে নিয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) সময় কোরিয়া জাপানের অধীনে ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ কোরিয়া উপদ্বীপকে সোভিয়েত নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণাধীন দক্ষিণ অংশে বিভক্ত করে।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩,১৯৫.
বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয় বহুল শহর কোনটি?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) তেল আবিব
  3. গ) হংকং
  4. ঘ) লন্ডন
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় যৌথভাবে স্থান পেয়েছে সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক।

- ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) বার্ষিক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
- বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এই প্রথমবারের মতো নিউইয়র্ক বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষ স্থানে নাম লিখিয়েছে।
- গতবার এ স্থানে ছিল ইসরায়েলের শহর তেল আবিব।
- তবে এবারের তালিকায় তেল আবিবের অবস্থান তৃতীয়।
- এ ছাড়া চতুর্থ অবস্থানে চীনের আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকং শহর।

সূত্র: প্রথম আলো।
১৩,১৯৬.
WMO-এর বর্তমান সদস্যেভুক্ত দেশ ও অঞ্চল কয়টি? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ১৮২টি ও ৮টি
  2. ১৮৪টি ও ৩টি
  3. ১৮৭টি ও ৬টি
  4. ১৮৯টি ও ৭টি
ব্যাখ্যা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা WMO.
- WMO এর পূর্ণরূপ: World Meteorological Organization.
- WMO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। 
• ১৮৭টি দেশ।
• ৬টি অঞ্চল।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার বর্তমান মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো।

তথ্যসূত্র - WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩,১৯৭.
প্রথম লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে -
  1. ক) চৈনিকরা
  2. খ) সুমেরীয়রা
  3. গ) মিশরীয়রা
  4. ঘ) ব্যাবিলনীয়রা
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় ছিল ৪টি।

যথা:
১. সুমেরীয় সভ্যতা,
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
৩. অ্যাশেরীয় সভ্যতা ও
৪. ক্যালেডীয় সভ্যতা।

- প্রথম লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে - সুমেরীয়রা। 
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা।
- বর্তমান ইরাকের দক্ষিণ অংশ তৎকালীন সময়ে মেসোপটেমিয়া নামে পরিচিত ছিল।
- মেসোপটেমিয়ার বাসিন্দা ছিল সুমেরীয়রা।
- এটাই প্রাচীন সুমেরীয় সভ্যতা।

উৎস: Britannica.
১৩,১৯৮.
ডলার কূটনীতি প্রয়োগ করেছিলেন কোন প্রেসিডেন্ট?
  1. উড্রো উইলসন
  2. বারাক ওবামা
  3. রোনাল্ড রিগান
  4. উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট
ব্যাখ্যা

ডলার কূটনীতি (Dollar Diplomacy):
- ডলার কূটনীতি হলো একটি কূটনৈতিক কৌশল যা অর্থনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে রাজনৈতিক বা কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- শব্দটি প্রথমত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত হয়।
- ডলার কূটনীতি প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল হিসেবে পরিচিত।
- এই কৌশল প্রয়োগ করেন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট এবং তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিল্যান্ডার নক্স।
- ডলার কূটনীতি অর্থনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে অন্য দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।
- ১৯০০ থেকে ১৯১০ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবা, হন্ডুরাস এবং ডোমিনিকান রিপাবলিক এর মতো দেশগুলিতে এই নীতি ব্যবহার করেছিল।
- পরবর্তীতে ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন আগ্রাসী নীতি থেকে সরে আসেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৩,১৯৯.
জার্মানির বার্লিন প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলা হয় কবে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
জার্মানি: 
- দাপ্তরিক নাম: ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি।
- স্থানীয় নাম: Bundesrepublik Deutschland
- রাজধানী: বার্লিন (Berlin)
- ভাষা: জার্মান (German) – রাষ্ট্রভাষা
- ধর্ম: খ্রিষ্টান ধর্ম (প্রধানত প্রোটেস্ট্যান্ট ও রোমান ক্যাথলিক), ইসলামও রয়েছে
- মুদ্রা: ইউরো (Euro)
- ভূমিকা: ইউরোপের সবচেয়ে জনবহুল ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর একটি। 
- অবস্থান: মধ্য ইউরোপ।
- সীমানা সংলগ্ন দেশসমূহ (৯টি): ডেনমার্ক, পোল্যান্ড, চেক রিপাবলিক, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস।
- উত্তর দিকে বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগর।
- দক্ষিণে আল্পস পর্বতমালা এবং বাভারিয়া অঞ্চল্
- প্রধান নদী: রাইন, এলবে, ড্যানিউব।
- আইনসভা: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট – বুন্ডেস্ট্যাগ (Bundestag) ও বুন্ডেসরাট (Bundesrat).
- বার্লিন প্রাচীর ভাঙা: ১৯৮৯ সালে।
- একীকরণ: ১৯৯০ সালে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির পুনর্মিলন। 

উৎস: World Atlas ও Britannica.
১৩,২০০.
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা -এর মূল কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. রোম, ইতালি
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• ITU:
- ITU-এর পূর্ণরূপ: International Telecommunication Union.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ই মে, ১৮৬৫।
- এটি বর্তমানে অস্তিত্বশীল সবথেকে পুরানো সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যেখানে বিশ্ব টিলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও সেবার ক্ষেত্রে সরকারি ও ব্যক্তি খাতের সমন্বয় সাধিত হয়।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ১৯৪৭ সালে।
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি। [নভেম্বর, ২০২৫]
- ITU এর প্রতিষ্ঠার তারিখ ধরে প্রতিবছর ১৭ মে 'ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন এন্ড ইনফরমেশন সোসাইটি ডে' পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - ITU ওয়েবসাইট।