বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন২৭,৩৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১৩ / ২৭২ · ১১,২০১১১,৩০০ / ২৭,৩৪৭

১১,২০১.
২০২৬ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত ও শ্রীলঙ্কা
  2. অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬:
- ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ২০টি দল।
- এরই মধ্যে ১৫টি দল নিশ্চিত।
- বাকি ৫টি দল আসবে বাছাইপর্ব থেকে- আফ্রিকা থেকে ২টি এবং এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ৩টি। 
- ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে পাঁচটি করে দল।
- প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সুপার এইট পর্বে যাবে।
- সেখানে আবারও আটটি দলকে চারটি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে।
- সুপার এইটে প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।

১১,২০২.
রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধধর্ম বিদ্বেষী বলে আখ্যায়িত করেছিলেন-
  1. ফা-হিয়েন
  2. মাহুয়ান
  3. হিউয়েন সাং
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। তিনি নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন।
শশাঙ্ক একজন সুশাসক ছিলেন। তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ। তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে।
বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং শৈব ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধধর্ম বিদ্বেষী / বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
[উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি]
১১,২০৩.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক কে?
  1. ফেলিক্স অ্যান্টোনিও টিশেকেদি
  2. এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা
  3. ক্যাথেরিন এম রাসেল
  4. ম্যাথিয়াস করম্যান
ব্যাখ্যা
- World Trade Organization (WTO) এর বর্তমান সপ্তম মহাপরিচালক হলেন নাইজেরিয়ার নাগরিক এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা
- তিনি সংস্থাটির প্রথম নারী ও প্রথম আফ্রিকান মহাসচিব।
- গত ১ মার্চ ২০২১ তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার মেয়াদ ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।
(তথ্যসূত্রঃ WTO ওয়েবসাইট)
১১,২০৪.
“We Serve” এই মূলমন্ত্রটি কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাথে সম্পর্কিত?
  1. Lions Club
  2. Rotary International
  3. Oxfam International
  4. Red Cross
ব্যাখ্যা

• লায়ন ক্লাব (Lions Clubs International): 
- প্রতিষ্ঠার সাল: ১৯১৭ সালের ৭ জুন।
- প্রতিষ্ঠাতা: মেলভিন জোন্স (Melvin Jones). 
- প্রথম ক্লাব: Chicago, Illinois, USA
- প্রধান কার্যালয়: Oak Brook, Illinois, United States.
- প্রধান ভাষা: ইংরেজি (তবে বিভিন্ন দেশে স্থানীয় ভাষায় কার্যক্রম চলে)।

• উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- মানবসেবামূলক কাজের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়ন।
- দৃষ্টিশক্তি রক্ষা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ, শিশু ও বৃদ্ধদের কল্যাণে কাজ করা।
- মূল মন্ত্র: "We Serve" (আমরা সেবা করি)।
- স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে সেবা প্রদান।
- সামাজিক নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও সম্প্রদায়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি।

» বিশেষ উল্লেখ্য:
- Lions Clubs International বিশ্বের বৃহত্তম মানবসেবামূলক সংস্থা। 
- ২০০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ৪০,০০০-এর বেশি ক্লাব রয়েছে।
- ২০ মিলিয়নেরও বেশি সদস্য সক্রিয়ভাবে কাজ করে।
- Lions Clubs Sights First প্রোগ্রাম দৃষ্টিশক্তি রক্ষা ও চোখের স্বাস্থ্য উন্নয়নে বিশেষভাবে কাজ করে।
- Lions Clubs বহুবার আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্তরে মানবিক ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রকল্পে নেতৃত্ব দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: Lions Clubs International ওয়েবসাইট।

১১,২০৫.
আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
Strategic Arms Limitation Talks-1 (SALT-1):

• স্বাক্ষরকাল: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল। 
• পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
• ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2)।
• পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty) স্বাক্ষরিত হয় ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে। কার্যকর হয় ৫ই মার্চ ১৯৭০ সালে।
• Anti Ballistic Missile Treaty (ABM)- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে ১৯৭২ সালে।
• এই চুক্তির দুইটি পক্ষ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
• ১৩ জুন ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র এ চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,২০৬.
সম্প্রতি ‘ভয়েস অব দ্য গ্লোবাল সাউথ’ সম্মেলন কোথায় আয়োজিত হয়েছে?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

‘ভয়েস অব দ্য গ্লোবাল সাউথ’ সম্মেলন
- ভারতে আয়োজিত তৃতীয় ‘ভয়েস অব দ্য গ্লোবাল সাউথ’ সম্মেলনে উদ্বোধনী অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
- রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানদের নিয়ে ২০২৪ সালের উদ্বোধনী অধিবেশনের প্রতিপাদ্য এবং মূল সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হলো, ‘অ্যান এমপাওয়ারড গ্লোবাল সাউথ ফর আ সাসটেইনেবল ফিউচার’।
 - এটি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকারগুলো একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্মে সম্পূর্ণ পরিসরে ভাগ করার জন্য একত্র করার পরিকল্পনার অংশ।
- ভারত ২০২৩ সালের ১২ ও ১৩ জানুয়ারি প্রথম ভয়েস অব গ্লোবাল সাউথ সামিট (ভিওজিএসএস),
- একই বছরের ১৭ নভেম্বর দ্বিতীয় ভয়েস অব গ্লোবাল সাউথ সামিটের আয়োজন করেছিল। দুটি সামিটই ভার্চ্যুয়াল ফরম্যাটে আয়োজন করা হয়।
- শীর্ষ সম্মেলনের পূর্ববর্তী উভয় আয়োজনে গ্লোবাল সাউথ থেকে ১০০টিরও বেশি দেশ অংশ নিয়েছিল।
 
সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১১,২০৭.
ফোর্বসের তালিকায় বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি -
  1. ক) বার্নার্ড আর্নল্ট
  2. খ) ইলন মাস্ক
  3. গ) জেফ বেজোস
  4. ঘ) ওয়ারেন বাফেট
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক শীর্ষ ধনী: 
- প্রকাশ: ৪ এপ্রিল, ২০২৩।
- প্রকাশক: ফোর্বস ম্যাগাজিন।
- শিরোনাম: Forbes Billionaires 2023: The Richest People In The World.

প্রতিবেদন অনুযায়ী: 
- শীর্ষ ধনী - বার্নার্ড আর্নল্ট।
- দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী - ইলন মাস্ক।
- তৃতিয় শীর্ষ ধনী - জেফ বেজোস।

- ভারতীয় ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানি এই তালিকায় নবম।

উৎস: ফোর্বসের সাইট।
১১,২০৮.
ANZUS সামরিক জোট এর সদস্য রাষ্ট্র-
  1. অস্ট্রেলিয়া, নিউজল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
  2. আরব-আমিরাত, নিউজল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া, নিউজল্যান্ড, উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা
ANZUS (Australia, New Zealand, United States Security Treaty)

• চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৫১ সালে।
• উদ্দেশ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
• এটি একটি ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি।
• যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক বর্তমানে সক্রিয় নয়।

উৎস: Office of the Historian (.gov)
১১,২০৯.
'ফার্ক' (FARC) হচ্ছে -
  1. কলম্বিয়ার একটি ধর্মীয় সংগঠন
  2. ফিনল্যান্ডের বিদ্রোহী সংগঠন
  3. কলম্বিয়ার একটি গেরিলা সংগঠন
  4. ভিয়েতনামের একটি বিদ্রোহী সংগঠন
ব্যাখ্যা
- 'ফার্ক' (FARC) হচ্ছে কলম্বিয়ার একটি গেরিলা সংগঠন। 

• ফার্ক (FARC):

- ফার্ক বা Revolutionary Armed Forces of Colombia হচ্ছে ল্যাটিন আমেরিকার একটি পুরনো গেরিলা সংগঠন।
- এটি ১৯৬৪ সালের পর থেকে কলম্বিয়ায় সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনা করে আসছে।
- ফার্ক মূলত মার্কসবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এবং তাদের লক্ষ্য কৃষকদের সংগঠিত করে বিপ্লব ত্বরান্বিত করা।
- এদের একটি প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী রয়েছে এবং গুপ্তহত্যা ও মুক্তিপণ আদায়ের সাথেও তারা জড়িত ছিল।

এছাড়াও, 
- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস ২০১৬ সালের ২৫ আগস্ট ফার্ক গেরিলাদের সাথে একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে ফার্ক সদস্যরা অস্ত্র ছেড়ে মূল ধারায় ফিরে আসবেন। দীর্ঘ ৪ বছর ধরে আলোচনার পর এই শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয় এবং কলম্বিয়ার পার্লামেন্ট ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর এটি অনুমোদন করে। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফার্ক গেরিলাদের একটি শান্তি এলাকায় রাখা হয়, যেখানে তাদের পুনর্বাসন করা হয়।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১১,২১০.
'Nicomachean Ethics' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ইমানুয়েল কান্ট
  2. বার্ট্রান্ড রাসেল
  3. এরিস্টটল
  4. স্টুয়ার্ট মিল
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক এরিস্টটলের নীতিশাস্ত্রের উপর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ - Nicomachean Ethics।
১১,২১১.
'Great Leap forward' নীতি কোন দেশের সাথে সম্পর্কযুক্ত?
  1. ইরান
  2. চীন
  3. কানাডা
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

 Great Leap Forward:
- ১৯৫৮ সালে চীনে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু করার প্রাক-মুহূর্তে গণচীনের জনক মাও সেতুং একটি নতুন নীতি ঘোষণা করেন।
- এই নীতি 'গ্রেড লিপ ফরোয়ার্ড' নামে পরিচিত।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল চীনকে একটি কৃষিপ্রধান দেশ থেকে দ্রুত শিল্পায়িত ও আধুনিক অর্থনীতির দেশে রূপান্তর করা।
- মাও সেতুং বিশ্বাস করতেন যে দ্রুত শিল্পায়নের মাধ্যমে চীন যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শিল্পোন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,২১২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৩৯ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৮৩৯ সালে
  4. ১৮৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত; এর ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন প্রাণহানি ঘটে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

সূত্র: Britannica & History.com 
১১,২১৩.
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার সদর দপ্তর কোথায়?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. প্যারিস, ফ্রান্স
  3. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
UNHCR:
- পূর্ণরূপ: United Nations High Commissioner for Refugees বা জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা।
- এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- এর প্রধানকে হাইকমিশনার বলা হয়।

HRC:
- মানবাধিকার কাউন্সিল(Human Rights Council বা HRC) সাবেক মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের কমিশনকে (United Nations Commission on Human Rights) প্রতিস্থাপন করেছে ।

- জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা।

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।
United Nations Human Rights Council ওয়েবসাইট।
১১,২১৪.
ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক লোকজন ও স্থাপনার ওপর ইচ্ছাকৃত হামলার ইসরাইলী রণনীতি কী নামে পরিচিত?
  1. লেভিন ডকট্রিন
  2. আয়রন ডোম নীতি
  3. দাহিয়া ডকট্রিন
  4. হাইফা ডকট্রিন
ব্যাখ্যা
দাহিয়া ডকট্রিন:
- ইসরাইলের ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক স্থাপনায় ইচ্ছাকৃত হামলার রণনীতি ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ নামে পরিচিত।
- ২০০৬ সালে লেবাননের বৈরুতের দক্ষিণ দাহিয়া এলাকায় হিজবুল্লাহর ঘাঁটি ধ্বংস করতে প্রথম এই নীতি প্রয়োগ করা হয়।
- এতে বেসামরিক স্থাপনা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ও পানিশোধন কেন্দ্র ধ্বংস করে ভয়াবহ ক্ষতি করা হয়।
- ইসরাইলের লক্ষ্য ছিল জনগণকে শাস্তি দিয়ে কোনো গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন বন্ধ করা।
- ২০০৮ সালে গাজা এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে লেবানন ও গাজায় এই নীতি প্রয়োগ করেছে ইসরাইল।   

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে একটি দেশ ইসরাইল।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিসর।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস: Britannica. Al Jazeera, প্রথম আলো।
১১,২১৫.
১৯৬৫ সালে নিচের কোন সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ক) ILO
  2. খ) UNHCR
  3. গ) UNICEF
  4. ঘ) IAEA
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালে জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা UNICEF নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। অন্যদিকে UNHCR ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে, ILO ১৯৬৯ সালে এবং IAEA ২০০৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
(সূত্র: নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট)
১১,২১৬.
ম্যাগনা কার্টা কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১২১৫ সালে
  2. ১২১৪ সালে
  3. ১৮১৫ সালে
  4. ১২১২ সালে
ব্যাখ্যা

ম্যাগনা কার্টা:

⇒ ম্যাগনা কার্টা হল একটি মৌলিক দলিল যা ইংরেজ জনগণের জন্য নিশ্চিত স্বাধীনতার কথা বলে। এটি এমন অধিকার ঘোষণা করে যা ইংরেজি আইনের অংশ হয়ে উঠেছে এবং এখন প্রতিটি ইংরেজিভাষী দেশের সংবিধানের ভিত্তি।

⇒ ম্যাগনা কার্টা, যার ল্যাটিন ভাষায় অর্থ "মহান সনদ", রাজার ক্ষমতা সীমিত করার জন্য ইংরেজ ব্যারন (সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি) এবং গির্জার নেতারা তৈরি করেছিলেন। ১২১৫ সালে তারা অত্যাচারী রাজা জনকে এই সনদে সম্মত হতে বাধ্য করেছিলেন।

⇒ ম্যাগনা কার্টায় বলা হয়েছিল যে রাজাকে আইন মেনে চলতে হবে এবং কেবল নিজের ইচ্ছামতো শাসন করতে পারবেন না। এটি ছিল প্রথম নথিগুলির মধ্যে একটি যেখানে বলা হয়েছিল যে নাগরিকদের এই ধরনের অধিকার রয়েছে। আজ অনেকেই ম্যাগনা কার্টাকে ইউরোপের প্রথম লিখিত সংবিধান বলে মনে করেন।

⇒ রাজা জনের নিষ্ঠুরতা এবং লোভ শক্তিশালী সামন্ত সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গ, গির্জার নেতা এবং জনগণকে তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করে। তিনি কর হিসেবে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। রাজা যখন ফ্রান্সে এক ভয়াবহ যুদ্ধ চালাচ্ছিলেন, তখন ইংল্যান্ডের নেতৃস্থানীয় ব্যারনরা গোপনে মিলিত হন এবং তাকে তার প্রজাদের অধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে বাধ্য করার শপথ নেন। জন ফিরে আসার পর, তারা তাকে একাধিক দাবি পেশ করেন।

⇒ জন দাবির কাছে নতি স্বীকার না করার জন্য সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তার প্রায় সকল অনুসারী তাকে ছেড়ে চলে যান। ব্যারন এবং বিশপদের প্রতিরোধ করতে এতটাই দুর্বল যে, অবশেষে তিনি টেমস নদীর দক্ষিণ তীরে, রানিমিড নামক একটি তৃণভূমিতে তাদের সাথে দেখা করেন। রাজা জন ১৫ জুন, ১২১৫ তারিখে ম্যাগনা কার্টায় তার সীলমোহর স্থাপন করেন।

⇒ এই দলিলটিতে ৬৩টি ধারা ছিল। যদিও এর বেশিরভাগ অংশই সামন্ততান্ত্রিক অধিকার এবং কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করে, তবুও এতে গির্জা, বণিক এবং নগরবাসীর অধিকার রক্ষার বিধানও রয়েছে।

উৎস: বিট্রানিকা।

১১,২১৭.
কোন দেশের সাথে ইতালি, স্পেন এবং বেলজিয়ামের সীমানা রয়েছে?
  1. ফ্রান্স
  2. জর্জিয়া
  3. বেলারুশ
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ফ্রান্স:
• ফ্রান্সের মোট সীমানা ২৪৬৪ মাইল।
• ফ্রান্সের সাথে ইউরোপের আটটি দেশের সীমানা রয়েছে:
- জার্মানি,
- সুইজারল্যান্ড,
- লুক্সেমবার্গ,
- ইতালি,
- স্পেন,
- বেলজিয়াম,
- অ্যান্ডোরা এবং মোনাকো,

অন্যদিকে,
• স্পেনের সাথে ৪০১ মাইল সীমানা রয়েছে, যা ফ্রান্সের ইউরোপীয় প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দীর্ঘতম।
• ফ্রান্স দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলির সাথেও সীমানাযুক্ত (দেশের বিদেশী অঞ্চল ফ্রেঞ্চ গায়ানার মাধ্যমে)।
• ফ্রান্সের সীমানার সাথে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ:
- ব্রাজিল
- সুরিনাম।

উৎস: World Atlas. [Link]
১১,২১৮.
বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কোন দেশে অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা

• বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হলো কাশিওয়াজাকি–কারিওয়া নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট জাপানে অবস্থিত।
- কেন্দ্রটির নির্মাণ শুরু হয় ১৯৮০-এর দশকে।
- ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে একে একে সব রিঅ্যাক্টর চালু করা হয়।
- এখানে মোট ৭টি রিঅ্যাক্টর রয়েছে।
- ২০১১ সালের ভয়াবহ সুনামি এবং ফুকুশিমা দাইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্ঘটনার পর কেন্দ্রটির সব রিঅ্যাক্টর বন্ধ হয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি,জাপান সরকার কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র পুনরায় চালুর অনুমোদন দিতে যাচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট

১১,২১৯.
মোট কয়টি দেশের সমন্বয়ে Warsaw Pact গঠিত হয়েছিল? 
  1. ৬টি 
  2. ৭টি 
  3. ৮টি 
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- যদিও আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এই জোট থেকে সড়ে আসে।

⇒ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

১১,২২০.
সদ্য প্রয়াত প্রিন্স ফিলিপসের উপাধি কী ছিলো?
  1. ডিউক অব সাসেক্স
  2. ডিউক অব ক্যামব্রিজ
  3. ডিউক অব এডিনবার্গ
  4. ডিউক অব ওয়েলিংটন
ব্যাখ্যা
- গত ৯ এপ্রিল ২০২১ ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপস মৃত্যুবরণ করেন। তার রাজকীয় উপাধি ছিলো ‘ডিউক অব এডিনবার্গ’।
- তিনি ১৯২১ সালের ১০ জুন গ্রিসে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালের ২০ নভেম্বর তিনি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে বিয়ে করেন।
অন্যদিকে,
- ডিউক অব সাসেক্স : প্রিন্স হ্যারীর উপাধি
- ডিউক অব ক্যামব্রিজ : প্রিন্স উইলিয়ামের উপাধি
- ডিউক অব ওয়েলিংটন : ওয়াটারলু যুদ্ধে জয়ী আর্থার ওয়েলেসলির উপাধি।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
১১,২২১.
আইসিসি T20 বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা কত?
  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ২০টি
  4. ২৪টি
ব্যাখ্যা

আইসিসি T20 বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৬:
- এটি T20 ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১০ম আসর।
- আয়োজক দেশ: ভারত ও শ্রীলঙ্কা।
- সময়: ৭ ফেব্রুয়ারি - ৮ মার্চ, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ২০টি।
- চ্যাম্পিয়ন: ভারত।
- গ্রুপ: ৪টি।
- মোট ম্যাচ: ৫৫টি।
- ফাইনাল ম্যাচ: ৮ মার্চ, ২০২৬ (নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম, আহমেদাবাদ)।

উৎস: ICC Cricket ওয়েবসাইট।

১১,২২২.
কোন সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন 
  2. আটলান্টিক সম্মেলন
  3. ইয়াল্টা সম্মেলন
  4. সানফ্রান্সিসস্কো সম্মেলন
ব্যাখ্যা

সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন:
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা সম্মেলন হিসেবেও পরিচিত।
- এ সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল - ২৬ জুন পর্যন্ত সান ফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্রে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশক্তির মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
- এই সম্মেলনে ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল।

⇒ এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠন করা, যা যুদ্ধ এবং সংঘাত প্রতিরোধ করবে এবং বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখবে। 
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে এবং তারা জাতিসংঘের সংবিধান বা চার্টার অনুমোদন করে।
- এই সম্মেলনে প্রধানভাবে মিত্র শক্তি বা Allied Powers-এর ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল: যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্র জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন করে এবং একে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সেজন্য ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘের জন্ম দিনকে সারা বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১১,২২৩.
Who is the founder of 'SpaceX'?
  1. ক) Eric Yuan
  2. খ) Elon Musk
  3. গ) Ray Tomlinson
  4. ঘ) Larry Page
ব্যাখ্যা
ইলন মাস্ক প্রতিষ্ঠা করেন নিম্নের প্রতিষ্ঠানসমূহ :
- SpaceX,
- Tesla,
- Neuralink

উৎস : tesla.com
১১,২২৪.
APTA ভুক্ত দেশ নয় কোনটি? [ এপ্রিল, ২০২৫]
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. লাওস
  3. বাংলাদেশ
  4. ভিয়েতনাম 
ব্যাখ্যা
• APTA:
- APTA (Asia-Pacific Trade Agreement) হলো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৭টি দেশের একটি অগ্রাধিকারমূলক আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি ১৯৭৫ সালে ব্যাকংক এগ্রিমেন্ট নামে স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০০৫ সালে এটি সংশোধন করে এর নামকরণ করা হয় Asia Pacific Trade Agreement.
• APTA ভুক্ত দেশগুলো হলো: [ এপ্রিল, ২০২৫]
- বাংলাদেশ
- ভারত
- চীন
- শ্রীলংকা
- লাওস
- দক্ষিণ কোরিয়া
- মঙ্গোলিয়া।

উৎস: ESCAP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১,২২৫.
সর্বশেষ জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
- ৪৮তম জি-৭ (গ্রুপ অব সেভেন) শীর্ষ সম্মেলন গত ২০২২ সালের ২৬-২৮ জুন জার্মানির ব্যাভারিয়ান রাজ্যের শ্লোস এলমাই শহরে অনুষ্ঠিত হয়। 
- ৪৭তম জি-৭ সামিট ২০২১ সালের ১১-১৩ জুন যুক্তরাজ্যের কর্ণওয়ালে অনুষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: জি-৭ ওয়েবসাইট)
১১,২২৬.
রোম নগরী বর্তমান কোন দেশে অবস্থিত ছিল?
  1. গ্রিস
  2. ফ্রান্স
  3. ইতালি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

রোমান সভ্যতা:
- প্রাচীন রোমান সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল প্রাচীন রোম নগরীকে কেন্দ্র করে।
- রোম নগরী অবস্থিত ছিল বর্তমান ইতালির মধ্যভাগে, পশ্চিম দিকে টাইবার (Tiber) নদীর তীরে, ভূমধ্যসাগরের নিকটবর্তী অঞ্চলে।
- রোম নগরী গড়ে উঠেছিল সাতটি পাহাড় বা টিলা এর উপর।
- নগরীর চারপাশে ছিল উর্বর সমতল ভূমি, যা কৃষিকাজের জন্য উপযোগী ছিল।
- এই সমতল ভূমি লাতিয়াম নামে পরিচিত ছিল এবং এখানে বসবাস করত ল্যাটিন উপজাতি।
- কিংবদন্তি অনুযায়ী ল্যাটিন বংশোদ্ভূত রাজা রোমুলাস খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে রোম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর নাম অনুসারেই নগরীর নামকরণ করা হয় রোম।
- রোমবাসীদের ভাষা ছিল ল্যাটিন (Latin), যা পরবর্তীতে ইউরোপের বহু ভাষার ভিত্তি রচনা করে।

উৎস: বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,২২৭.
জিব্রাল্টার প্রণালী পৃথক করেছে-
  1. ইতালি-সিসিলি
  2. আফ্রিকা-স্পেন
  3. ফ্রান্স-ব্রিটেন
  4. আমেরিকা-এশিয়া
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার:
- ভূমধ্যসাগরের তীরে স্পেন উপকূলে ব্রিটিশ শাসিত একটি ভূখণ্ড জিব্রাল্টার।
- অঞ্চলটি ব্রিটিশদের অন্যতম সামরিক ও নৌঘাঁটি।
- এর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে আছে ‘রক অব জিব্রাল্টার’, যার পাদদেশে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষের বসবাস।
- জিব্রাল্টার নামটি নেওয়া হয়েছে আরবি জবাল তারিক বা তারিকের পাহাড় থেকে। 
- ১৭০৪ সালে স্পেনের কাছ থেকে জ্রিব্রাল্টার দখল করে ব্রিটিশরা।
- এর পর থেকেই অঞ্চলটি ব্রিটিশদের দখলে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি রয়েল নেভির গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল।
- জিব্রাল্টার প্রণালি বা স্ট্রেইট অব জিব্রাল্টার নামে পরিচিত প্রণালিটির পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর আর পূর্বে ভূমধ্যসাগর।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- আর পৃথক করেছে ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোকে।
- জিব্রাল্টার প্রণালির দৈর্ঘ্য ৬০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৪.৩ কিলোমিটার।
- বর্তমানেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এই প্রণালি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 তথ্যসূত্র: Britannica

১১,২২৮.
রিভনিয়া কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. পোল্যান্ড
  2. ইউক্রেন
  3. মালদ্বীপ
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
ইউক্রেন এর মুদ্রার নাম রিভনিয়া

ইউক্রেন
- ইউক্রেন এর অবস্থান - পূর্ব ইউরোপ।
- ভাষা - ইউক্রেনিয়।
- মুদ্রা- রিভনিয়া।
- দেশটির রাজধানী- কিয়েভ।
 
- ইউক্রেনের ঊর্বর ভূমিতে প্রচুর গম, সানফ্লাওয়ার ও অন্যান্য দানাদার শস্য উৎপন্ন হয়। এই কারণে ইউক্রেনকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়।
- ইউক্রেনের পশ্চিমে পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগর ও অজিভ সাগর , উত্তর-পূর্বে রাশিয়া এবং উত্তরে বেলারুশ অবস্থিত।

সূত্র- ব্রিটানিকা।
১১,২২৯.
'ব্যালন ডি'অর ২০২৩' বিজয়ী -
  1. কিলিয়ান এমবাপ্পে
  2. লিওনেল মেসি
  3. ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
  4. করিম বেনজেমা
ব্যাখ্যা
 Ballon d'Or 2023:
- বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়: লিওনেল মেসি।
- বর্ষসেরা নারী খেলোয়াড়: আইতানা বনমাতি।
- কোপা শিরোপা: জুড বেলিংহাম।
- লেভ ইয়েশিন ট্রফি (সেরা গোলরক্ষক): এমিলিয়ানো মার্তিনেস।
- গার্ড মুলার ট্রফি(সেরা স্ট্রাইকার): আরলিং হোলান।
- সক্রেটিস অ্যাওয়ার্ড: ভিনিসিউস জুনিয়র।
- বর্ষসেরা পুরুষ ক্লাব: ম্যানচেস্টার সিটি।
- বর্ষসেরা নারী ক্লাব: বার্সেলোনা।

উলেখ্য,
- ফিফা ব্যালন ডি’অর এক ধরনের ফুটবল পদক যা বিশ্ব ফুটবলের প্রধান সংগঠন ফিফা কর্তৃক পরিচালিত হয়। 
- ব্যালন ডি'অর পুরস্কার হলো আগের বছরের সেরা খেলোয়াড়ের জন্য বার্ষিক ফুটবল পুরস্কার।
- আন্তর্জাতিক ফুটবল দলগুলোর কোচ ও অধিনায়কসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রীড়া সাংবাদিকগণ তাদের স্ব-স্ব ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে যোগ্যতম খেলোয়াড়কে খুঁজে বের করে পুরস্কৃত করেন।
- ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কারটি ২০১০ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়েছে।

উৎস: i) Goal.com.
         ii) Sporting News.
১১,২৩০.
কোন দেশটি মধ্য আমেরিকা অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. গায়ানা
  2. বলিভিয়া
  3. পানামা
  4. সিচেলিস
ব্যাখ্যা
- উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দক্ষিণাঞ্চল মধ্য আমেরিকা নামে পরিচিত।
- এর উত্তরে মেক্সিকো, দক্ষিণে দক্ষিণ আমেরিকা, পূর্বে ক্যারিবিয়ান সাগর এবং পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর অবস্থিত।
এই অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ হলো:
- পানামা
- কোস্টারিকা
- নিকারাগুয়া
- গুয়েতেমালা
- হন্ডুরাস
- বেলিজ
- এল সালভাদর।
অন্যদিকে,
- সিচেলিস ভারত মহাসাগরের অবস্থিত।
- বলিভিয়া ও গায়ানা দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১১,২৩১.
কোন দেশ জাতীয় উন্নয়নের মূল্যায়নের জন্য Gross National Product (GNP)-এর পরিবর্তে Gross National Happiness (GNH) ব্যবহার করে?
  1. ভুটান
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

Gross National Happiness (GNH):
- Gross National Happiness (GNH) বা 'মোট জাতীয় সুখ' হলো একটি উন্নয়ন দর্শন ও সূচকযা জিডিপি (GDP)-র পরিবর্তে জনগণের সামগ্রিক সুখ ও কল্যাণ পরিমাপ করে।
- ভুটান বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে জাতীয় উন্নয়নের মূল্যায়নের জন্য Gross National Product (GNP) বা GDP-এর পরিবর্তে Gross National Happiness (GNH) ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৭২ সালে ভুটানের চতুর্থ রাজা জিগমে সিংয়ে ওয়াংচুক (Jigme Singye Wangchuck) প্রথম এই ধারণা প্রচার করেন। ভুটান সরকার GNH-কে জাতীয় নীতি ও পরিকল্পনার মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে।
- এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চেয়ে টেকসই উন্নয়নপরিবেশ সংরক্ষণসুশাসন এবং সংস্কৃতি রক্ষাকে প্রাধান্য দেয়। 

• GNH-এর মূল স্তম্ভসমূহ:
১. সুশাসন (Good Governance): স্বচ্ছ ও কার্যকর শাসন ব্যবস্থা,
২. টেকসই সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন: পরিবেশবান্ধব প্রবৃদ্ধি,
৩. সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ ও প্রচার: নিজস্ব সংস্কৃতির সুরক্ষা,
৪. পরিবেশ সংরক্ষণ: প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা।

অন্যদিকে,
- জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এসব দেশে প্রধানত GDP/GNP ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- Gross National Product (GNP) বা মোট জাতীয় উৎপাদন হলো একটি দেশের নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দাদের দ্বারা এক বছরে উৎপাদিত চূড়ান্ত পণ্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্যতা সে দেশের ভেতরে হোক বা বাইরে। 

উৎস: i) Investopedia.
ii) OPHI ওয়েবসাইট।
iii) Asian Development Bank ওয়েবসাইট।

১১,২৩২.
ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি কার্যকর হয় কবে?
  1. ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
  2. ১ জানুয়ারি ১৯৯৩
  3. ১ অক্টোবর ১৯৯৩
  4. ১ নভেম্বর ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
- ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের ম্যাসট্রিক্ট শহরে ইউরোপের ১২টি দেশ ম্যাসট্রিক্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয়ান কমিউনিটির স্থলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়। যার কারণে চুক্তিটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চুক্তি নামে পরিচিত।
- ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির ফলে ইউরো মুদ্রার চালুর পথ সুগম হয়।
(তথ্যসূত্র: ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট)
১১,২৩৩.
‘গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল’ কোন দেশের সড়ক নেটওয়ার্ক?
  1. জাপান
  2. চীন
  3. ভারত
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল (Golden Quadrilateral):
- ‘গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল’ হলো ভারতের সড়ক নেটওয়ার্ক।
- এটি ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) দ্বারা নির্মিত ও পরিচালিত একটি বিশাল হাইওয়ে প্রকল্প।
- এটি প্রধানত দেশের চারটি প্রধান মহানগরীকে যুক্ত করে। এগুলো হলো: দিল্লি (উত্তর), মুম্বাই (পশ্চিম), চেন্নাই (দক্ষিণ) ও কলকাতা (পূর্ব)। 
- এই চারটি শহর মিলে একটি চতুর্ভুজ আকার গঠন করে, তাই নাম 'গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল'।
- ২০০১ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের আমলে এই প্রকল্পটি শুরু হয়। 
- এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৫,৮৪৬ কিলোমিটার।
- এটি ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাণিজ্য, যাতায়াত ও শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম হাইওয়ে নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিচিত।

উৎস: i) GOV.UK ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।

১১,২৩৪.
ভ্লাদিমির লেনিন কোন বিপ্লবের নেতা ছিলেন?
  1. জুলাই বিপ্লব
  2. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  3. অরেঞ্জ বিপ্লব
  4. অক্টোবর বিপ্লব
ব্যাখ্যা
১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

অন্যদিকে, 
⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

উৎস: Britannica.
১১,২৩৫.
IMF-এর রিজার্ভ মুদ্রা কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
The International Monetary Fund (IMF):
- The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯০টি।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।
- এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।[link]
১১,২৩৬.
'এস-৪০০' আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কোন দেশের তৈরি?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. রাশিয়া
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা:
- এস-৪০০ রাশিয়ার তৈরি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে উন্নত নজরদারি ও সাইবার সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়।
- রাশিয়ার তৈরি এই আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ৬০০ কিলোমিটার দূরে শত্রুপক্ষের কর্মকাণ্ড শনাক্ত এবং একসঙ্গে ১০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
- এর সর্বোচ্চ পাল্লা ৪০০ কিলোমিটার।
- এটি বোমারু বিমান, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ধ্বংস করতে পারে। 

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে ৫৫০ কোটি ডলারের একটি সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের চুক্তি করে ভারত।
- ওই চুক্তি অনুযায়ী, ভারতকে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য পাঁচটি দূরপাল্লার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা সরবরাহের কথা।
- ভারতকে এরই মধ্যে তিনটি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা সরবরাহ করেছে রাশিয়া।
- সম্প্রতি, ভারতকে আরও এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা দিতে নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যে আলোচনা চলছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১১,২৩৭.
মিশরীয় সভ্যতার শেয়াল দেবতা -
  1. হোরাস
  2. শেঠ
  3. থোথ
  4. আনুবিস
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল: খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- মিশরে প্রথম এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে।
- একটি ছিল উত্তর মিশর অপরটি দক্ষিণ মিশর।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য: লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- মিশরীয় সভ্যতার প্রথম দিকে তারা ছবি এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- পিরামিড: মিশরীয় স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। গিজার গ্রেট পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি।
- স্ফিংস: এটি ফারাও খাফরের শাসনকালে নির্মিত বিশাল মূর্তি।
- মিশরীয় সভ্যতায় বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করা হত। যেমন -
• পাতালের দেবতা - ওসিরিস,
• যুদ্ধ এবং শিকারের সাথে যুক্ত আকাশের দেবতা - হোরাস,
• সহিংসতা, মরুভূমি এবং ঝড়ের দেবতা - শেঠ,
• শেয়াল দেবতা - আনুবিস,
• জ্ঞানের দেবতা - থোথ।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৩৮.
জাতিসংঘের মহাসচিব কত বছরের জন্য নিয়োগ লাভ করেন?
  1. ২ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মহাসচিব:
– জাতিসংঘের মহাসচিব প্রধান প্রশাসনিক অফিসার।
– সচিবালয় পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার হাতে ন্যাস্ত।
– তাঁকে ঘিরে জাতিসংঘের কর্মকান্ড আবর্তিত হয়।
– নিরাপত্তা পরিষদ তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করে ও সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে তিনি নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
সাধারণত পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৩৯.
সুমেরীয়দের লিখন পদ্ধতির নাম কী ছিল?
  1. হায়ারোগ্লিফিক
  2. কিউনিফর্ম
  3. হিব্রু
  4. কার্টোগ্রাফিক
ব্যাখ্যা
• সুমেরীয়দের লিখন পদ্ধতি: 
- সুমেরীয় সভ্যতার অন্যতম কীর্তি ছিল একধরনের লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন।
- এই পদ্ধতি ছিল প্রথমতঃ চিত্রলিপি এবং পরবর্তীতে তা শব্দলিপিতে রূপান্তরিত হয়।
- এই লিখন পদ্ধতি 'কিউনিফর্ম' নামে পরিচিত।
- কাঁদা মাটিতে চাপ দিয়ে চিত্রাংকন দ্বারা মনের ভাব প্রকাশ করতো।
- যা মেসোপটেমীয় লিপি হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এ সুমেরের বিখ্যাত শহর নিন্ধুরে এ কিউনিফর্ম (Cuneiform) চিত্রলিপির প্রায় চার হাজার মাটির চাকতি পাওয়া গেছে।
- এসকল কিউনিফর্ম বর্ণভিত্তিক নয়। 
- বরং একে বলা যেতে পারে অক্ষরভিত্তিক বর্ণলিখন।

এছাড়াও, 
- 'চাকা' আবিষ্কার- সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।
- উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো।

উৎস:  ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র,  এইচ এস এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৪০.
মন্ট্রিল প্রটোকল কী সম্পর্কিত?
  1. ওজোনস্তর রক্ষা
  2. জীববৈচিত্র্য রক্ষা
  3. জলাভূমি রক্ষা
  4. জৈব নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারের ওজোন স্তরকে রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল।
- গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে।
- কার্যকর হয়: ১৯৮৯ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৬টি + ইউরোপীয় ইউনিয়ন
- ১৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ওজোনস্তর দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- বাংলাদেশ অনুসমর্থন করে ১৯৯০ সালে।

উৎস: UNEP Website.

১১,২৪১.
Earth Day - কবে পালিত হয়?
  1. ক) ১১ মে
  2. খ) ১৯ জুন
  3. গ) ২২ এপ্রিল
  4. ঘ) ৩১ মে
ব্যাখ্যা
ধরিত্রী দিবস বা Earth Day প্রতি বছর ২২ এপ্রিল পালিত হয়। Source: earthday.org
১১,২৪২.
'ডারিয়েন গ্যাপ' কোন দুটি দেশের মাঝে অবস্থিত?
  1. কলম্বিয়া ও ইকুয়েডর
  2. কলম্বিয়া ও পানামা
  3. কোস্টারিকা ও পানামা
  4. ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

ডারিয়েন গ্যাপ:
- উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে সংযুক্তকারী একটি ভৌগোলিক অঞ্চল হল ডারিয়েন গ্যাপ (Darién Gap)।
- ডারিয়েন গ্যাপ মধ্য আমেরিকার দেশ পানামার দক্ষিণাংশের ডারিয়েন প্রদেশ থেকে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার উত্তরাংশের চকো ডিপার্টমেন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ভূপ্রকৃতিগত দিক থেকে, পর্বতশ্রেণী (সেরানিয়া ডেল বাউদো ও সেরানিয়া ডেল ডারিয়েন), নদী (এট্রাটো ও টুইরা), বদ্বীপ (এট্রাটো বদ্বীপ), বৃষ্টিঅরণ্য, জলাভূমির সমাহারে ডারিয়েন গ্যাপ এক অতি দুর্গম অঞ্চল।
- ডারিয়েন গ্যাপ হলো উত্তর কলম্বিয়া এবং দক্ষিণ পানামা জুড়ে ঘন জঙ্গলের একটি প্রসারিত।

উল্লেখ্য,
- মূলত প্রাকৃতিক দুর্গমতার কারণেই, প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে ডারিয়েন গ্যাপে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
- উত্তরে পানামার যাভিজা থেকে দক্ষিণে কলম্বিয়ার টার্বো পর্যন্ত প্যান-আমেরিকান হাইওয়ে গড়ে তোলা যায়নি।
- তাই এই অঞ্চলটি ডারিয়েন গ্যাপ নামে পরিচিত।
- ডারিয়েন গ্যাপে কোন পাকা রাস্তা না থাকা সত্ত্বেও এটি বিশ্বব্যাপী মানব অভিবাসনের একটি প্রধান রুট হয়ে উঠেছে ।
- ডারিয়েন গ্যাপ এম্বেরা-উউনান এবং গুনা আদিবাসীদের আবাসস্থল।

⇒ দক্ষিণ আমেরিকা থেকে উত্তর আমেরিকায় যাওয়ার সময় লোকেরা যে পথটি নেয় তা অপরাধী সংগঠন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- রুটটি চাঁদাবাজি, অপহরণ এবং ব্যাপক যৌন নিপীড়নেরও প্রবণ ।
- জঙ্গলের মতো জলাভূমির চরম প্রকৃতিও এই অঞ্চলে চলাচলকে বিপজ্জনক করে তোলে।

উৎস: Britannica.

১১,২৪৩.
নর্ড স্ট্রিম-২?
  1. ক) ফ্রান্সের পঞ্চম প্রজন্মের সাবমেরিন
  2. খ) সমুদ্র তলদেশে নির্মিত গ্যাস পাইপলাইন
  3. গ) ফিনল্যান্ড-রাশিয়ার সীমারেখা
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরমুখী পররাষ্ট্রনীতি
ব্যাখ্যা
নর্ড স্ট্রিম-২ হলো রাশিয়া থেকে জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যে নির্মিত একটি গ্যাস পাইপলাইন যা বাল্টিক সাগরের তলদেশ দিয়ে নির্মিত হয়েছে। রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে জার্মানির লুবমিন পর্যন্ত পাইপলাইনটি দৈর্ঘ্য প্রায় ১,২০০ কিলোমিটার।

- রাশিয়ার গ্যাজপ্রম এবং ইউরোপের কয়েকটি কোম্পানি মিলিতভাবে এই পাইপলাইন নির্মাণ করেছে।
- ২০২১ সালের সেপ্টম্বরে এটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। কিন্তু ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে জার্মানি এটির কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে। ফলে গ্যাস পাইপলাইনটি দিয়ে গ্যাস সরবরাহ চালু হয়নি।
- গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ নর্ড স্ট্রিম-১ এবং নর্ড স্ট্রিম-২ গ্যাস পাইপলাইনে অন্তর্ঘাতমূলক হামলার ঘটনা ঘটে।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
১১,২৪৪.
রাশিয়া সম্প্রতি কোন চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়?
  1. নিউ স্টার্ট চুক্তি
  2. উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি
  3. প্যারিস জলবায়ু চুক্তি
  4. সল্ট-১ চুক্তি
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া গত ৭ জুন ২০২১ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত ২২ নভেম্বর ২০২০ চুক্তিটি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলে রাশিয়াও একই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তীতে সময়ে ১৯৯২ সালের ২৪ মার্চ ন্যাটো ও ওয়ারশ প্যাক্টভুক্ত দেশসমূহ নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উন্মুক্ত আকাশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
- ৩৫টি দেশ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর এবং ৩৪টি দেশ চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
- চুক্তিটির অধীন দেশসমূহ পরস্পরকে নিজেদের ভূখণ্ডে নির্দিষ্ট সংখ্যক আনআর্মড পর্যবেক্ষণ ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ প্রদান করে থাকে। এতে করে দেশগুলোর একে অপরের সামরিক তৎপরতা ও কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে সক্ষম হয়। এর মাধ্যমে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা পাবে।
(তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে এবং এনটিআই ওয়েবসাইট)
১১,২৪৫.
জাতিসংঘের প্রত্যেক সদস্য দেশ কোন পরিষদের সদস্য?
  1. ক) নিরাপত্তা পরিষদ
  2. খ) সাধারণ পরিষদ
  3. গ) অছি পরিষদ
  4. ঘ) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
ব্যাখ্যা
সাধারণ পরিষদ:
- সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের আলোচনা/বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু।
- এটি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মূখপাত্র, নীতি নির্ধারণী অঙ্গ হিসাবে কাজ করে।
- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার সাধারণ সমাবেশ/সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- সম্মেলনে প্রতিটি সদস্য দেশ সর্বোচ্চ ৫জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে।
- সাধারণ পরিষদের প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্রের একটি ভোট প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে।

- সভার শুরুতে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে একজন সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- সাধারণ পরিষদের সভাপতি ১ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করেন।
- সাধারণ পরিষদের সকল সিদ্ধান্ত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ট মতামতের মাধ্যমে গৃহীত হয়।
- জাতিসংঘের সদস্য ১৯৩টি দেশ।
- জাতিসংঘের সকল সদস্যই মূলত সাধারণ পরিষদের সদস্য।
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ - ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

উৎস:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
১১,২৪৬.
সম্প্রতি কোন দুটি আরব দেশ ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে?
  1. ক) মিশর ও জর্ডান
  2. খ) কাতার ও সুদান
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আমিরাত-ইসরাইল-বাহরাইন চুক্তিঃ
ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আনুষ্ঠানিক চুক্তি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আবাসিক দফতর হোয়াইট হাউসে তিন দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান ও বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ আল জায়ানি নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।
ইসরায়েলের সঙ্গে এর আগে কেবল মাত্র দুটি আরব রাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক হয়েছে। প্রথমটি মিশরের সঙ্গে, ১৯৭৯ সালে। দ্বিতীয়টি জর্ডানের সঙ্গে, ১৯৯৪ সালে। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ নিয়ে এখন চারটি আরব রাষ্ট্র ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিল। পঞ্চম দেশ হিসাবে সম্পর্ক স্থাপন করতে যাচ্ছে - সুদান।
১১,২৪৭.
'ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট-২০২৩' অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে সুখী রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ডেনমার্ক
  2. ফিনল্যান্ড
  3. আইসল্যান্ড
  4. গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• World Happiness Report 2023:
- এ প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক প্রতি বছর প্রকাশ করে থাকে।
- বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে সমীক্ষা চালিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
- এ প্রতিবেদনে সবচেয়ে সুখী দেশ নির্ধারণের জন্য ৬টি সূচক যাচাই করা হয়।
- বিশ্বের সবচেয়ে সুখী তালিকায় টানা ৬ বছর শীর্ষে রয়েছে ফিনল্যান্ড।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে - ডেনমার্ক, 
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে - আইসল্যান্ড,
- এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৭ দেশের মধ্যে ১১৮ তম।
- তালিকায় সবচেয়ে নিচে আছে আফগানিস্তান (১৩৭)।

উৎস:  World Happiness Report 2023 , ডেইলি স্টার বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১১,২৪৮.
মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কি?
  1. ক) আনোয়ার ইব্রাহীম
  2. খ) মাহাতির মোহাম্মদ
  3. গ) মুহিউদ্দিন ইয়াসিন
  4. ঘ) ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব
ব্যাখ্যা
গত ১৯ নভেম্বর, ২০২২ সালে মালয়েশিয়াতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

- আনোয়ার ইব্রাহিমের সরকারবিরোধী জোট পাকাতান হারাপান (পিএইচ) ৮২টি আসন নিয়ে প্রথম হয়।
- এরপর ৭৩টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের জোট পেরিকাতান ন্যাশনাল (পিএন)। আর ৩০টি আসন নিয়ে তৃতীয় হয় ক্ষমতাসীন জোট বারিসান ন্যাশনাল (বিএন)।
- মালয়েশিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলগুলো সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে রাজা হস্তক্ষেপ করেন।
- ২৪ নভেম্বর সকালে ইস্তানা নেগারা রাজপ্রাসাদ থেকে এক বিবৃতিতে আনোয়ার ইব্রাহিমকে মালয়েশিয়ার দশম প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে আনোয়ার ইব্রাহিমের দীর্ঘ তিন দশকের প্রতীক্ষার অবসান হলো।

উৎস: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
১১,২৪৯.
ভারত কত সালে প্রথম পারমানবিক বোমার সফল বিষ্ফোরণ ঘটায়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
• ভারত পারমাণবিক শক্তি:
- ভারতের প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার সাংকেতিক নাম ছিল ‘স্মাইলিং বুদ্ধ’।
- এটি ১৯৭৪ সালের ১৮ মে রাজস্থানের পোখরান-এ অনুষ্ঠিত হয়।
- পরীক্ষার মাধ্যমে ভারত ১৯৭৪ সালে পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হয়। 
- সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক বোমার জনক: রবার্ট ওপেন হেইমার ।

উৎস:ব্রিটিনিকা
১১,২৫০.
ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কখন প্রথমবার ব্যবহার করা হয়?
  1. ৯/১১ হামলার পর
  2. ইউক্রেন যুদ্ধে
  3. ইরাক যুদ্ধে
  4. শীতল যুদ্ধে
ব্যাখ্যা

উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO):
- ন্যাটো (NATO) বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- এটি সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সাল।
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (ওয়াশিংটন চুক্তি নামেও পরিচিত) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ৩২টি।
- ন্যাটো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ জোট।
- ন্যাটো প্রথমবারের মতো অনুচ্ছেদ ৫ প্রয়োগ করে ২০০১ সালে , ওসামা বিন লাদেনের পরিচালিত ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ধ্বংস হয়ে যায় নিউ ইয়র্ক সিটির ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং এর কিছু অংশ ওয়াশিংটন ডিসির বাইরে পেন্টাগনে , প্রায় ৩,০০০ মানুষ নিহত।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট এন্ড ব্রিটানিকা ।

১১,২৫১.
হুতি কোন দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. ইয়েমেন
  2. লেবানন
  3. সিরিয়া
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
হুতি বিদ্রোহী:
- এটি ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়।
- তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ধারণা ও অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়, হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেয় শিয়াপ্রধান দেশ ইরান।
- ২০১৪ সালের শুরুর দিকে ইয়েমেনের সাআদা রাজ্যের দখল নিয়ে সবার নজরে আসে হুতিরা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১১,২৫২.
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র কতটি?
  1. ৫২টি
  2. ৫১টি
  3. ৫০টি
  4. ৪৯টি
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ :
- প্রস্তাবকারী: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট,
- জাতিসংঘ নামকরণের তারিখ: ১ জানুয়ারি ১৯৪২।
- অবস্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র,
- সদর দপ্তরের স্থপতি: ডব্লিউ হ্যারিসন।
• জাতিসংঘের অন্যান্য তথ্য:
- জাতিসংঘ হলো বিশ্বের স্বাধীন দেশসমূহের সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক সংঘ।
- সদর দপ্তর অবস্থিত: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র,
- ইউরোপীয় কার্যালয় অবস্থিত: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড,
- জাতিসংঘ সনদে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠিতা সদস্য রাষ্ট্র: ৫১টি।

• গঠন সংক্রান্ত তথ্য:
- সনদ কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫,
- আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ আগস্ট ১৯৪১,
- জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় - ২৪ অক্টোবর।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১১,২৫৩.
কিলিমাঞ্জারো আগ্নেয় পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. তানজানিয়া
ব্যাখ্যা
কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- কিলিমাঞ্জারো আগ্নেয় পর্বত তানজানিয়াতে অবস্থিত।
- এটি উত্তর-পূর্ব তানজানিয়াতে কেনিয়ার সাথে সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি আফ্রিকার সবচেয়ে উঁচু পর্বত।
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোর উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

উল্লেখ্য,
- কিলিমাঞ্জারো তিনটি শৃঙ্গ দ্বারা গঠিত: কিবো, মাওয়েঞ্জি এবং শিরা।
- উচ্চতর শৃঙ্গটির নাম কিবো। কিবোর জ্বালামুখ সর্বদাই বরফে আবৃত থাকে।

⇒ আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫৪.
অরবিস ইন্টারন্যাশনাল কী ধরনের সংস্থা?
  1. একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  2. একটি পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা
  3. একটি বাণিজ্যিক সংস্থা
  4. একটি বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
ব্যাখ্যা

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল:
- অরবিস ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল।
- এটি ১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮২ সালের মে মাসে তারবিসের প্লেন প্রথম পানামায় ল্যান্ড করে।
- ১৯৮৫ সালে অরবিস বাংলাদেশে আসে এবং ১৯৯৯ সালে ঢাকায় স্থায়ী শাখা চালু করে।
- বাংলাদেশে চক্ষু চিকিৎসকদের নিয়ে ৪,০০০ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করার পাশাপাশি অরবিস প্রায় ২৪,০০০ বাংলাদেশির চোখের অপারেশন করে।
- বর্তমানে অরবিস বিশ্বের ৯০টি দেশে কাজ করছে।

তথ্যসূত্র - অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।

১১,২৫৫.
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ ‘James Webb Space Telescope' এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিচের কোনটি?
  1. ক) নাসা
  2. খ) ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি
  3. গ) কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- নাসা, ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি ও কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি কর্তৃক নির্মিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ ‘James Webb Space Telescope’ সফলভাবে মহাকাশে যাত্রা শুরু করে।
- টেলেস্কোপটি বহনকারী রকেটের নাম - Ariane 5 ECA (VA256) এবং এটি ফ্রেঞ্চ গায়ানার কোউরু মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
১১,২৫৬.
প্রাকৃতিক আইনের উদ্ভব হয় - 
  1. থমাস হবসনের লেখনী থেকে
  2. ভিক্টর হুগোর লেখনী থেকে
  3. জন লকের লেখনী থেকে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক আইন:
- প্রাকৃতিক আইনের উদ্ভব হয় থমাস হবসন, হুগো ও জন লক-এর লেখনী থেকে। 

• দার্শনিকদের মতবাদ:
- ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও আধুনিক গণতন্ত্রের জনক জন লক ‘টু ট্রিটিজেস অন সিভিল গভর্নমেন্ট’ গ্রন্থে সামাজিক চুক্তি মতবাদ বিশ্লেষণ করেছেন।
- হবসের মতো লকও প্রকৃতির রাজ্যের বর্ণনা দিয়েছেন।
- তবে জন লকের মতে, প্রকৃতির রাজ্যে প্রাকৃতিক আইন ছিল। মানুষ প্রাকৃতিক আইন মেনে চলত, তার মতে প্রকৃতির রাজ্য ছিল শান্তিময় ও সম্পদে পরিপূর্ণ।
- মানুষেরা নিজের ইচ্ছামত প্রকৃতির আইন ব্যাখ্যা করতে থাকে।
- কেননা আইনের ব্যাখ্যা কিংবা প্রয়োগের জন্য কোন সাধারণ কর্তৃপক্ষ ছিল না। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রকৃতির রাজ্যের অধিবাসীরা দুটি চুক্তি করে।

•  চুক্তিদ্বয়:
- প্রথম চুক্তি সম্পাদিত হয় আদিবাসীদের মধ্যে। তারা একটি সাধারণ কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমতা ও অধিকার পরিত্যাগে সম্মত হয়।
- দ্বিতীয় চুক্তি করা হয় সমাজ পরিচালনার নিমিত্তে। সমাজ বা সম্প্রদায় শর্তসাপেক্ষে সরকারকে কিছু ক্ষমতা দান করে।

• চুক্তির শর্ত:
- চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সরকার জনগণের জীবন, সম্পদ ও স্বাধীনতা রক্ষা করবে। এসব শর্ত পূরণে সরকার ব্যর্থ হলে জনগণের অধিকার আছে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার। এভাবে লক সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫৭.
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম সভ্যতা কোনটি?
  1. মেসােপটেমীয়
  2. সুমেরীয়
  3. অ্যাসেরীয়
  4. মিশরীয়
ব্যাখ্যা
সভ্যতা:
- বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসােপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠে ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- মেসােপটেমীয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
• সেগুলাে হলাে:
- সুমেরীয় সভ্যতা,
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
- অ্যাশিরীয় সভ্যতা,
- ক্যালডীয় সভ্যতা।

অন্যদিকে,
- ভারতে গড়ে উঠে সিন্ধু সভ্যতার।
- মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে নীল নদের তীরে।
- প্রাচীন রােমের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল রােমান সভ্যতা।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
১১,২৫৮.
World Urbanization Prospects 2025 প্রতিবেদনমতে, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ মেগাসিটি কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. টোকিও, জাপান
  2. ঢাকা, বাংলাদেশ
  3. সাংহাই, চীন
  4. জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক নগরায়ণ সম্ভাবনা, ২০২৫:
প্রতিবেদনের শিরোনাম: World Urbanization Prospects 2025.
প্রকাশ: ২০ নভেম্বর ২০২৫। 
প্রকাশক: জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগ। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ পাঁচ মেগাসিটি-
১. জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া- ৪,১৯,১৪,০০০;
২. ঢাকা, বাংলাদেশ- ৩,৬৫,৮৫,০০০;
৩. টোকিও, জাপান- ৩,৩৪,১৩,০০০;
৪. নয়াদিল্লি, ভারত- ৩,০২,২২,০০০;
৫. সাংহাই, চীন- ২,৯৫,৫৯,০০০।

উল্লেখ্য,
- এক কোটি বা ১০ মিলিয়নের অধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত মেট্রোপলিটন এলাকাকে মেগাসিটি বলা হয়।
- বিশ্বের বর্তমানে মহানগর বা মেগা সিটির সংখ্যা ৩৩টি।

তথ্যসূত্র- World Urbanization Prospects 2025. [link]

১১,২৫৯.
ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হয় কবে থেকে?
  1. ১০ জানুয়ারি, ২০২৫
  2. ১১ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ২১ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা
গাজায় যুদ্ধ বিরতি:
- ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এতে ১ হাজার ২১০ জন নিহত হন।
- হামাসের হামলার পর থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। 
- ইসরায়েলি সহিংসতায় প্রায় ৪৭ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন লাখেরও বেশি মানুষ। 
- ১৫ মাস ধরে চলা নৃশংস সহিংসতার পর যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় ইসরায়েল ও হামাস।
- কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও মিসরের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি বাস্তবায়ন হয়।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে।

উল্লেখ্য,
- গাজায় যুদ্ধবিরতি হবে তিন ধাপে। এর মধ্যে প্রথম ধাপ চলবে ৪২ দিন।
- চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৩৩ জন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেবে হামাস, যাদের মধ্যে সব নারী, শিশু ও ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষরা রয়েছেন।
- চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকরের বিষয়ে আলোচনাগুলো প্রথম ধাপের ১৬তম দিনের মধ্যে শুরু হবে। সেখানে অবশিষ্ট সব ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
- তৃতীয় ধাপে অবশিষ্ট মৃতদেহগুলোর ফেরত দেওয়া এবং গাজা পুনর্গঠনের কাজ শুরুর কথা রয়েছে। এই কাজ মিশর, কাতার ও জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি। [Link]
১১,২৬০.
নবম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কোথায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে?
  1. বাংলাদেশ
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. ভারত
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নবম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: 
- ৩ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হয়েছে ১০ দলের নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১০টি দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে।
-  ‘এ’ গ্রুপে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা। 
-  ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং স্কটল্যান্ড। 

সূত্র- আইসিসি ওয়েবসাইট। 
১১,২৬১.
প্রাকৃতিক সম্পদে শীর্ষ দেশ কোনটি? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. কানাডা
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
প্রাকৃতিক সম্পদে শীর্ষ দেশ:

- রাশিয়া প্রাকৃতিক সম্পদের অর্থমূল্যে শীর্ষে।
- রাশিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদের মোট মূল্য ৭৫ ট্রিলিয়ন (৭৫ লাখ কোটি) মার্কিন ডলার।
- প্রধান প্রাকৃতিক সম্পদ: কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, বিরল খনিজ ধাতু।
- ২০১৮ সালে রাশিয়ায় খনিজ সম্পদের মূল্য ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি ডলার।
- রাশিয়ায় বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের মজুত রয়েছে।
- রাশিয়া বিশ্বে প্রাকৃতিক গ্যাসের ২০% মজুত করে।

প্রাকৃতিক সম্পদে ধনী ১০টি দেশ:
১. রাশিয়া৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার (কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, বিরল খনিজ)
২. যুক্তরাষ্ট্র – ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলার (কয়লা, কাঠ, প্রাকৃতিক গ্যাস, স্বর্ণ, কপার)
৩. সৌদি আরব – ৩৪ ট্রিলিয়ন ডলার (তেল, কাঠ)
৪. কানাডা – ৩৩ ট্রিলিয়ন ডলার (তেল, ইউরেনিয়াম, কাঠ, প্রাকৃতিক গ্যাস, ফসফেট)
৫. ইরান – ২৭ ট্রিলিয়ন ডলার (তেল, গ্যাস)
৬. চীন – ২৩ ট্রিলিয়ন ডলার (কয়লা, বিরল ধাতু, কাঠ, তেল)
৭. ব্রাজিল – ২২ ট্রিলিয়ন ডলার (স্বর্ণ, ইউরেনিয়াম, লৌহ, কাঠ, তেল)
৮. অস্ট্রেলিয়া – ২০ ট্রিলিয়ন ডলার (কয়লা, কাঠ, কপার, লৌহ, আকরিক, স্বর্ণ, ইউরেনিয়াম)
৯. ইরাক – ১৬ ট্রিলিয়ন ডলার (তেল, ফসফেট)
১০. ভেনেজুয়েলা – ১৪ ট্রিলিয়ন ডলার (লৌহ, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল)

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১১,২৬২.
আমেরিকার শিকাগো শহরে অবস্থিত সিয়ার্স টাওয়ারের স্থপতি কে ছিলেন?
  1. নভেরা আহমেদ
  2. লুই আই কান
  3. শামীম শিকদার
  4. ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা
ফজলুর রহমান খান:

- তাঁর পৈতৃক নিবাস মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ভান্ডারীকান্দি গ্রাম।
- তিনি ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা শহরে জন্মগ্রহন করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ-এ ভর্তি হন।
- ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ঢাকার আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (বর্তমান বুয়েট) শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
- ১৯৫২ সালে ফুলব্রাইট ফেলোশিপ ও ফোর্ড ফাইন্ডেশন স্কলারশিপ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এফ. আর খানের খন্ডিত প্রাচীর ফ্রেম পদ্ধতি, ফ্রেমড্-টিউব স্ট্রাকচার এবং টিউব-ইন-টিউব স্ট্রাকচার স্ট্রাকচারাল পদ্ধতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি বিধান করেন।
- ফজলুর রহমান খান ১৯৭২ সালে আরবানার ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যালুমনি এওয়ার্ড, ১৯৭৩ সালে নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট অব সায়েন্স এবং ১৯৮০ সালে লেহাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অব ইঞ্জিনিয়ারিং সম্মানে ভূষিত হন।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হৃদরোগে মারা যান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,২৬৩.
INTERPOL-এর 'রেড নোটিস' কী?
  1. সাইবার অপরাধ ডাটাবেস
  2. অর্থ পাচার সতর্কতা
  3. সন্ত্রাসী তালিকা
  4. আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]। 
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission.
- বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ রেড নোটিস: আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ।
- বিশ্বব্যাপী পুলিশি সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এটি তৈরি হয়েছে। ইন্টারপোলের নিজস্বভাবে কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার ক্ষমতা নেই। তবে ইন্টারপোল একটি আন্তর্জাতিক নোটিস ব্যবস্থার সমন্বয় করে। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর পুলিশ একে অন্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি একটি সদস্য দেশ এজন্য করে থাকে যে সে চায় অন্য দেশগুলো তাকে একজন অপরাধীর অবস্থান খুঁজে পেতে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে সহায়তা করুক।

এছাড়াও,
- ইন্টারপোল একটি নিরাপদ বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান সহজ করে তোলে। এই নেটওয়ার্কের নাম ‘I-24/7’। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো যেকোনো সময়, কেন্দ্র বা দূরবর্তী স্থান থেকে ইন্টারপোলের ডাটাবেইজ ও অন্যান্য সম্পদে সরাসরি প্রবেশাধিকার পায়।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
১১,২৬৪.
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র অ্যাভানগার্ড কোন দেশের তৈরি?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) জাপান
  3. গ) চীন
  4. ঘ) উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র অ্যাভানগার্ড রাশিয়ার তৈরি। এটি দুই মেগাটনের পারমাণবিক বোমা বহন করতে সক্ষম।
উৎসঃ বিবিসি

১১,২৬৫.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনের (Cop) আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. IPCC
  2. WMO
  3. IUCN
  4. UNFCCC
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) হলো একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা প্রতি বছর জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন চুক্তি (UNFCCC) দ্বারা আয়োজিত হয়।
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এই সম্মেলনটি জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধ, প্রভাব কমানো এবং অভিযোজনের জন্য বিভিন্ন কৌশল ও উদ্যোগ নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।

⇒ UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

⤇ Conference of the Parties (COP) হচ্ছে UNFCCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ।
- প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
⤇ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এই চুক্তির সেক্রেটারিয়েটের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ১৯৯৭ সালে কিয়েটো প্রটোকল ও ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
⤇ ১৯৯২ সালে UNFCCC-এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর জার্মানির বনে অবস্থিত।
- তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১১,২৬৬.
সুমাত্রা কোন দেশের অন্তর্গত একটি দ্বীপ?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. থাইল্যান্ড
  4. ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
সুমাত্রা: 
- সুমাত্রা ইন্দোনেশিয়ার মালয় দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তর সুন্দা দ্বীপপুঞ্জের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ, বোর্নিওর পরেই এর স্থান।
- তবে এককভাবে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ হিসেবে সুমাত্রা বৃহত্তম (এ অঞ্চলে বোর্নিও আর নিউ গিনি সুমাত্রার চেয়ে বড় হলেও এসব দ্বীপে অন্য দেশের অংশ রয়েছে)।
- উত্তর-পূর্বে মালয় উপদ্বীপ থেকে মালাক্কা প্রণালী দ্বারা এবং দক্ষিণে জাভা দ্বীপ থেকে সুন্দা প্রণালী দ্বারা পৃথক।
- ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরীয় সুনামি দ্বীপটিকে ভয়াবহভাবে প্রভাবিত করে।
- উত্তর-পশ্চিম উপকূল ও আশেপাশের দ্বীপগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটে।
- সুমাত্রা তার বৈচিত্র্যময় জীববৈচিত্র্য ও উষ্ণমণ্ডলীয় বনাঞ্চলের জন্য বিখ্যাত।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি।
- সুমাত্রা দ্বীপ তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
১১,২৬৭.
'অপারেশন জাস্ট কজ' কোন দেশে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. পানামা
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. মেক্সিকো
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা

অপারেশন জাস্ট কজ:
- 'অপারেশন জাস্ট কজ' পরিচালিত হয়েছে পানামায়।

⇒ লাতিন আমেরিকার দেশ পানামার স্বৈরশাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ধরতে ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে ‘অপারেশন জাস্ট কজ’ পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ পানামা অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে ৮০টি সি-১৪১, ২২ থেকে ২৫টি সি-১৩০, ১১টি সি-৫১ স্ট্র্যাটেজিক এয়ার কমান্ড ছিল। এ ছাড়া ১৬টি এফ-১৫ ও ৪টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কি ইস্ট থেকে ক্যারিবীয় উপকূলে ইউকাটান উপদ্বীপ ও কিউবার মধ্যে যুদ্ধকালীন টহল দিয়েছিল।
- রাতের আকাশ ভেদ করে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী। পিডিএফের দুটি রাইফেল কোম্পানি ব্যারাকে দুটি ২০০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলা হয়। অ্যাপাচি হেলিকপ্টার থেকে নিখুঁত নিশানায় ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল মার্কিনদের জীবন রক্ষা করা, পানামায় গণতন্ত্র রক্ষা করা, মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং পানামা খাল চুক্তির অখণ্ডতা রক্ষা করা।
- বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পানামায় মার্কিন সামরিক অভিযানে দেশটির ৫১৪ জন সেনা ও বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫০ থেকে ২০০ জন পিডিএফের সেনা, অন্যরা বেসামরিক নাগরিক।
- দুই সপ্তাহে সফলভাবে পানামায় জাস্ট কজ অভিযান শেষ করে যুক্তরাষ্ট্র। গ্রেপ্তারের পর যুক্তরাষ্ট্রের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কর্মকর্তারা নরিয়েগাকে মায়ামিতে উড়িয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
- ১৯৯২ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.

১১,২৬৮.
নাইন-ড্যাশ লাইন কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. আরব সাগর
  2. দক্ষিণ চীন সাগর
  3. অজিভ সাগর
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নাইন-ড্যাশ লাইন
- নাইন-ড্যাশ লাইন দক্ষিণ চীন সাগরের একটি কাল্পনিক সীমানা।
- দক্ষিণ চীন সাগরে নাইন-ড্যাশ লাইনের মাধ্যমে চীন এই সাগরের প্রায় নব্বই ভাগ অঞ্চল নিজেদের দাবি করে।
- মোট নয়টি ড্যাশ চিহ্ন দিয়ে এই নাইন-ড্যাশ লাইনটি তৈরি।
- এটি চীনের সবচেয়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হাইনান থেকে শত শত মাইল দক্ষিণ এবং পূর্বদিক পর্যন্ত বিস্তৃত।
 - চীনের একমাত্র বিমানবাহী রণতরি লিয়াওনিং সম্প্রতি দক্ষিণ চীন সাগরে মহড়া চালায়। 
- এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত সামুদ্রিক পথ।
- বিশ্বের সামুদ্রিক নৌ পরিবহনের এক-তৃতীয়াংশ সাগরটির মাধ্যমে সংগঠিত হয়, প্রতি বছর ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বাণিজ্য বহন করে।
- সাগরটির সমুদ্রতলের বিশাল খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ নিচে রয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগর
- দক্ষিণ চীন সাগর হল প্রশান্ত মহাসাগর এর অংশ।
- এই সাগরের চারি পাশে অবস্থিত দেশ গুলি হল - চীন, তাইওয়ান, ফিলিপাইন্স, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ ,স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং স্কারবারা দ্বীপে; সবকটি দক্ষিণ চীন সাগরের অন্তর্গত বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।

 তথ্যসূত্র - প্রথম আলো, ব্রিটানিকা।
১১,২৬৯.
জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন - এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন
  3. প্যারিস
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD):
UNCTAD - এর পূর্ণরূপ - United Nations Conference on Trade and Development।
- জাতিসংঘের বানিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন সংস্থা হচ্ছে - UNCTAD এবং এটি জাতিসংঘের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় স্থায়ী অঙ্গ।
- জাতিসংঘের দপ্তরের অধীনে থেকে এটি বানিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন বিষয়ে কাজ করে থাকে।


এক নজরে UNCTAD -
প্রতিষ্ঠাকাল -- ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৬৪ সাল
প্রতিষ্ঠার স্থান -- জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবের মাধ্যমে
সদস্য সংখ্যা -- ১৯৫টি দেশ
সদরদপ্তর -- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

উৎস: UNCTAD ওয়েবসাইট।
১১,২৭০.
ILO এর বর্তমান মোট সদস্য কতটি?
  1. ক) ১৭৭টি
  2. খ) ১৮৭টি
  3. গ) ১৯৩টি
  4. ঘ) ১৯৫টি
ব্যাখ্যা
- ILO (International Labour Organization) ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- ILO এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৭টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক ব্রিটেনের গাই রাইডার।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ বর্তমান পর্যন্ত ILO এর ৩৫টি কনভেনশন অনুমোদন করেছে যার মধ্যে ৩০টি কার্যকর রয়েছে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
(তথ্যসূত্র: ILO ওয়েবসাইট)
১১,২৭১.
বিশ্বব্যাংক থেকে কোন দেশ সদস্যপদ প্রত্যাহার করেন?
  1. ফিলিস্তিন
  2. ইরান
  3. পূর্ব তিমুর
  4. কিউবা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্বব্যাংক:

- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: নাউরু ১২ এপ্রিল, ২০১৬ সাল।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংক থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহারকারী দেশ কিউবা।
- ১৪ নভেম্বর ১৯৬০ দেশটি বিশ্বব্যাংকের সদস্য পদ প্রত্যাহার করে নেয়।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
১১,২৭২.
খার্তুম শহর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) সুদান
  2. খ) লাইবেরিয়া
  3. গ) মিশর
  4. ঘ) লিবিয়া
ব্যাখ্যা
খার্তুম
- সুদানের রাজধানী এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হচ্ছে খার্তুম।
- এটি সাদা নদের নিকট, নীল নদ এবং ভিক্টোরিয়া হ্রদ এর পূর্বে ও ইথিওপিয়ার দক্ষিণে অবস্থিত।
- নীল নদের দুই পাড়ের এলাকা নিয়ে খার্তুম শহরটি গড়ে উঠেছে।
- এখানে সাদা নদ ও নীল নদ মিলিত হয় সেখানে শহরটি অবস্থিত।
- 'আল মরগান' নামেও জায়গাটি পরিচিত।
- প্রধান নদ মিশর ও ভূমধ্যসাগরের দিকে উত্তর প্রবােহর দিকে চলতে থাকে।

উৎস: Britannica.
১১,২৭৩.
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ডাবল হ্যাটট্রিক করেন-
  1. ক) কার্টিস ক্যাম্পার
  2. খ) মিচেল স্টার্ক
  3. গ) যাসপ্রিট বুমরা
  4. ঘ) টিম সাউদি
ব্যাখ্যা

- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ডাবল হ্যাটট্রিক করেন আইরিশ পেসার কার্টিস ক্যাম্পার।
- টানা চার বলে চার উইকেট নেওয়াকে ক্রিকেটের পরিভাষায় ডাবল হ্যাটট্রিক বলে।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা

১১,২৭৪.
'Horns of Africa' নামে পরিচিত দেশ কোনটি?
  1. কেনিয়া
  2. ক্যামেরুন
  3. ইথিওপিয়া
  4. মোজাম্বিক
ব্যাখ্যা
ইথিওপিয়া:
- আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া।
- এর উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া, পূর্বে জিবুতি ও সোমালিয়া, পশ্চিমে সুদান ও দক্ষিণে কেনিয়া।
- দেশটি পূর্বে আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিল।
- দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর: আদ্দিস আবাবা।
- সরকার পদ্ধতি: ফেডারেল পার্লামেন্টারি রিপাবলিক।
- আইনসভা: উচ্চ কক্ষ: হাউজ অব ফেডারেশন।
- নিম্নকক্ষ: হাউজ অব পিপলস রিপ্রেজেন্টেটিভস।
- মুদ্রা: বির।
- ভাষা: আমহারি।

উল্লেখ্য,
• 'Horns of Africa' আফ্রিকার শিং (ইংরেজি: Horn of Africa) আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চল।
- এটি ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া নিয়ে গঠিত।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
১১,২৭৫.
জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) মোনাকো
  2. খ) ভ্যাটিকান সিটি
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) পূর্ব তৈমুর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র ভ্যাটিকান সিটি জাতিসংঘের পর্বেক্ষক রাষ্ট্র। দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ মোনাকো জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র। সুতরাং, জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র মোনাকো।
Source: UN, WorldAtlas
১১,২৭৬.
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে নির্বাচিত প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. খালেদা জিয়া
  2. শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
  3. বেনজির ভুট্টো
  4. মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী
ব্যাখ্যা
বেনজির ভুট্টো:
- মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে নির্বাচিত প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পিপিপি জয়ী হলে তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- তিনি ১৯৮৮-৯০ এবং ১৯৯৩-৯৬ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দুটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য,
- বেনজির ভুট্টো ছিলেন জুলফিকার আলি ভুট্টোর কন্যা।
- বেনজির ভুট্টোর জন্ম ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, করাচিতে।
- জুলফিকার আলি ভুট্টো ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের নেতা ছিলেন।
- প্রতিপক্ষের এক নেতাকে খুনের অভিযোগে ১৯৭৯ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে বেনজির ভুট্টো মাত্র ২৬ বছর বয়সে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেনজির ভুট্টো নিহত হন।

অন্যদিকে -
- বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মাঝে দ্বিতীয় মহিলা সরকারপ্রধান (বেনজীর ভুট্টোর পর)।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরানায়েক।

উৎস: Britannica.
১১,২৭৭.
'হোয়াইট রাশিয়া' বলা হত কোন দেশকে?
  1. ইউক্রেন
  2. হাঙ্গেরি
  3. বেলারুশ
  4. পোল্যান্ডক
ব্যাখ্যা

বেলারুশ
- বেলারুশ পূর্ব ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ।
- রাজধানী: মিনস্ক। 
- ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা লাভের আগে পর্যন্ত এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত।
- বেলারুশ পূর্বে "বেলোরাশিয়া" বা "হোয়াইট রাশিয়া" নামে পরিচিত ছিল।
- যদিও বেলারুশীয়রা একটি স্বতন্ত্র জাতিগত পরিচয় ও ভাষা নিয়ে গঠিত, তারা ইতিহাসে খুব কমই একক রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ঐক্য উপভোগ করেছে, যার ব্যতিক্রম ছিল ১৯১৮ সালের একটি স্বল্পকালীন সময়। 
- বেলারুশের সোভিয়েত অতীতের প্রভাব আজও স্পষ্ট, যা প্রকাশ পায় কমিউনিস্ট রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় উপস্থিতি এবং দেশের কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থায়।
- দেশের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জনগণ বাস করে রাজধানী মিনস্কে একটি বিস্তৃত আধুনিক নগর, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যাপক ধ্বংসের পর পুনর্নির্মাণ করা হয়।

উৎস: Britannica.

১১,২৭৮.
‘Henley and partners’ প্রকাশিত সূচকে, শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ৯৬তম
  2. ৯৭তম
  3. ৯৮তম
  4. ৯৯তম
ব্যাখ্যা
হেনলি পাসপোর্ট সূচক:
- লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Henley and partners ২০০৬ সাল থেকে এই তালিকা প্রকাশ করে আসছে। 
- কয়টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ করা যায় তার ভিত্তিতে বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্টের র‍্যাঙ্কিং করে প্রতিষ্ঠানটি।
- সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭ তম।

উল্লেখ্য,
- সূচকে শীর্ষে: ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, সিঙ্গাপুর, স্পেন।
- সূচকে দ্বিতীয় স্থানে: ফিনল্যান্ড, সাউথ কোরিয়া, সুইডেন।
- তৃতীয় স্থানে: অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড।

অন্যদিকে -
- সূচকে সবার নিচে স্থান: আফগানিস্তান (১০৪তম)।

উৎস: Henley and partners ওয়েবসাইট। [link]
১১,২৭৯.
আরব উপদ্বীপের কোন দেশটি GCC এর সদস্য নয়?
  1. ক) কুয়েত
  2. খ) কাতার
  3. গ) ওমান
  4. ঘ) ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
GCC (Gulf Cooperation Council) হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের ৬টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।

এটি ১৯৮১ সালে গঠিত হয়। সদরদপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত। বর্তমান মহাসচিব কুয়েতের নায়েফ আল হাজরাফ

GCC এর সদস্য সংখ্যা ৬টি
এগুলো হলো:
- সৌদি আরব
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
- কাতার
- কুয়েত
- বাহরাইন এবং
- ওমান।

(তথ্যসূত্র: GCC ওয়েবসাইট)
১১,২৮০.
'গ্রিনপিস' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭১ সালে।
- সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।

তথ্যসূত্র - Greenpeace অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১,২৮১.
জাতিসংঘের সনদ রচনার উদ্দেশ্যে সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা মিলিত হন কবে?
  1. ক) ২৫ জুন, ১৯৪৫
  2. খ) ২৫ এপ্রিল, ১৯৪৪
  3. গ) ২৪ এপ্রিল, ১৯৪৫
  4. ঘ) ২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা
সানফ্রান্সিসস্কো সম্মেলন
২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের সনদ রচনার উদ্দেশ্যে মিলিত হন। ২ মাসের প্রচেষ্টায় ১১১টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ (The United Nations Charter)  রচনা করেন। ১৯৪৫ সালের ২৫ জুন এটি ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সনদটি অনুমোদন করেন।
▪ ২৬ জুন জাতিসংঘের সনদ ৫০ দেশের প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন। সানফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনটি ‘San Francisco Conference বা The United Nations Conference on International Organization’  নামে পরিচিত।
▪ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্য দেশসহ বেশিরভাগ স্বাক্ষরকারী দেশ সনদ অনুমোদন করে এবং জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় অর্থ্যাৎ ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সাল থেকে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়। ২৪ অক্টোবরকে তাই ‘জাতিসংঘ দিবস’ বলা হয়।
▪ পোল্যান্ড ২৬ জুন সম্মেলনে উপস্থিত না থেকেও পরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর করে এবং প্রতিষ্ঠাকারী ৫১ তম সদস্য দেশ হয়।   

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা। 
১১,২৮২.
গাজার পুনর্গঠন ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন তদারকির জন্য প্রস্তাবিত কমিটির নাম কী?
  1. Board of Reconstruction 
  2. Board of Peace
  3. Gaza Peace Council
  4. International Gaza Authority
ব্যাখ্যা

গাজা বোর্ড অব পিস (Board of Peace) :
- বোর্ড অব পিস হলো ২০২৫-২৬ সালের গাজা যুদ্ধবিরতি ও পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রস্তাবিত একটি আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধায়ক কমিটি।
- এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গাজার অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন তদারকি, পুনর্গঠন ও শান্তি প্রক্রিয়া তদারকির জন্য গঠিত হয়েছে। 
- এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা দাবির দ্বিতীয় ধাপের (Phase II) অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ নিশ্চিত করার পর, দ্বিতীয় ধাপে গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো দাঁড় করানোই হবে মূল লক্ষ্য। সেই প্রেক্ষাপটেই ‘গাজা বোর্ড অফ পিস’ গঠনের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, মূলত এটি হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রধানদের বোর্ড।
- এই বোর্ডের দায়িত্ব হবে গাজায় শান্তিপ্রক্রিয়ার বাস্তবায়ন তদারক করা।

⇒ ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ২৮০৩ দিয়ে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদও এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (International Stabilization Force) অনুমোদন করেছে।
- জানুয়ারি ৮, ২০২৬ তারিখে সাবেক জাতিসংঘ মধ্যপ্রাচ্য দূত ও বুলগেরীয় কূটনৈতিক নিকোলাই স্লাদেনভ ‘বোর্ড অব পিস’-এর মহাপরিচালক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। 
- উল্লেখ্য যে, টনি ব্লেয়ার প্রথমে সদস্য হিসেবে আলোচনায় ছিলেন, কিন্তু ইরাক যুদ্ধে ভূমিকার কারণে আরব দেশগুলোর আপত্তিতে তাকে পূর্ণ সদস্যপদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে গাজায় মার্কিন মধ্যস্ততায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি গণহত্যার যুদ্ধ অঞ্চলজুড়ে নিহতের সবশেষ সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বেশি মানুষ আহত হয়েছে। অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

উৎস: i) Reuters.
ii) Al Jazeera.

১১,২৮৩.
আমেরিকার গৃহযুদ্ধ চলাকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. আব্রাহাম লিঙ্কন
  2. জন এফ কেনেডি
  3. জিমি কার্টার
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
- আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় (১৮৬১-১৮৬৫) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

• আমেরিকার গৃহযুদ্ধ:
- আব্রাহাম লিঙ্কন ১৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর আমেরিকা থেকে দাস প্রথা বিলোপ করার ঘোষণা দেন।
- সরকারের দাস প্রথা বিলোপ করার ঘোষণার প্রেক্ষাপটে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা মূলত মার্কিন ফেডারেল সরকার আর বিপ্লবী ১১টি দাস-নির্ভর প্রদেশের মাঝে সংগঠিত হয়।
- এই ১১টি প্রদেশ পূর্বেই নিজেদেরকে মূল যুক্তরাষ্ট্র হতে আলাদা ঘোষণা করেছিল এবং নামকরণ করেছিল ‘কনফেডারেট স্টেটস অব আমেরিকা’ এবং এর নেতৃত্বে ছিলেন জেফারসন ডেভিস।
- ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয় লিংকনের বিখ্যাত ‘Emancipation Proclamation’ যার ফলে সকল দাস আইনগতভাবে দাসত্ব থেকে মুক্তি পায়।
- মার্কিন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী অনুমোদনের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।

• আব্রাহাম লিংকন:
-  আব্রাহাম লিঙ্কন ছিলেন রিপাবলিকান পার্টির নেতা।
- তিনি ছিলেন ১৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
- তিনি দাস প্রথা বিলোপ করেন।
- আব্রাহাম লিঙ্কন ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল এক কনফেডারেট সমর্থক আততায়ীর হাতে নিহত হন।
- তার গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।

উৎস: ব্রিটানিকা, ইউএস ন্যাশনাল আর্কাইভস।
১১,২৮৪.
সম্প্রতি ইসলামিক স্টেট-খোরাসান কোন দেশে প্রাণঘাতী হামলা চালায়? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

-  রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর ক্রাসনোগরস্ক এলাকার ক্রোকাস সিটি হল অ্যান্ড শপিং সেন্টারে  আইএসের ভয়াবহ বন্দুক ও বোমা হামলায় অন্তত দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ১৪৭ জন।
- ওই ভবনটির অডিটোরিয়ামে পিকনিক নামের একটি রুশ ব্যান্ডের কনসার্ট ছিল।
- কনসার্ট হলটির ধারণক্ষমতা সাড়ে ৭ হাজার এবং সন্ত্রাসীরা যখন আক্রমণ শুরু করে তখন হলটি প্রায় পরিপূর্ণ ছিল।

‘আইএস-কে’ 
- আইএস’র এই শাখা সংগঠনটির পুরো নাম পুরো নাম ইসলামিক স্টেট-খোরাসান। সংক্ষেপে যা আইএস-কে।
- ইরান, তুর্কমেনিস্তান ও আফগানিস্তানের অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত খোরাসান অঞ্চলে (পুরনো নাম) সক্রিয় রয়েছে সংগঠনটি।
- মূলত ২০১৪ সালের শেষের দিকে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে সংগঠনটির উত্থান।
- চূড়ান্ত পর্যায়ের নৃশংসতা দেখিয়ে কম সময়েই বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে গোষ্ঠীটি।
- তবে ২০১৮ সালের পর থেকে তাদের সদস্য সংখ্যা কমে এসেছে।
- ২০২১ সালে আফগানিস্তানে আশরাফ গনি সরকার হটিয়ে ক্ষমতায় আসে তালেবান গোষ্ঠী ।
- সেই সময় দেশটিতে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর পেছনে এই আইএস-কের হাত রয়েছে বলে খবরে জানিয়েছে রয়টার্স।
- চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানে জোড়া বোমা হামলায় প্রায় ১০০ মানুষ নিহত হয়। ধারণা করা হয় ওই হামলায় আইএসের এই শাখাটি দায়ী।
- এদের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে কাবুলে রাশিয়ার দূতাবাসে হামলা ও ২০২১ সালে কাবুলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা।

সূত্র- বিবিসি ও প্রথম আলো।
১১,২৮৫.
আধুনিক অলিম্পিক গেমসের সূচনা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৯৪ সাল
  2. খ) ১৮৯৬ সালে
  3. গ) ১৯০০ সালে
  4. ঘ) ১৯০৪ সালে
ব্যাখ্যা
আধুনিক অলিম্পিক গেমসের সূচনা হয় ১৮৯৬ সালে গ্রিসের এথেন্সে।
ব্যারেন পিয়েরে দ্য ক্যুবার্তোর উদ্যোগে আধুনিক অলিম্পিক গেমসের প্রচলন হয়।
এর আগে খ্রিস্টপূর্ব ৭৭৬ অব্দ থেকে ৩৯৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রাচীন গ্রিসে প্রাচীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হতো।
(সূত্রঃ অলিম্পিক গেমস ওয়েবসাইট)
১১,২৮৬.
কত সালে ইয়াল্টা সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সংস্থা (United Nations Declaration) গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়?
  1. ১৯৪৪ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৬ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা প্রদেশে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে 'Yalta Conference' নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।

⇒ সম্মেলনের মূল আলোচনা বিষয়:
- জার্মানির পরাজয় ও ভবিষ্যৎ: জার্মানি পরাজিত হলে তার ভাগ-বাটোয়ারা এবং এর পরবর্তী শাসন কিভাবে হবে, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় জার্মানির বিভाजन এবং ন্যাজি নেতাদের বিচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সংস্থা গঠন করা হয়, যাতে পরবর্তী সময়ে বিশ্বের শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করা যায়। এখানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীন ও ফ্রান্সকে স্থান দেওয়া হয়।

- পোল্যান্ডের ভবিষ্যৎ: পোল্যান্ডের সীমান্ত পরিবর্তন এবং সরকারের প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়, যাতে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পশ্চিমী শক্তিগুলোর মধ্যে সমঝোতা তৈরি করা যায়।

- ইউরোপে মুক্ত নির্বাচন: পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে মুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানো হবে, এমন একটি ঘোষণা করা হয়।

উৎস: History.com
১১,২৮৭.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) রুজভেল্ট
  2. খ) ভল্টেয়ার
  3. গ) উইনস্টন চার্চিল
  4. ঘ) মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যা
উইনস্টন চার্চিল (১৮৭৪ - ১৯৬৫):
- উইনস্টন চার্চিল ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা রাজনীতিবিদ। তিনি নিজেকে জনসেবায় নিবেদিত করেছিলেন।
- ১৯৪০-১৯৪৫ তিনি প্রথম বারের মত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৫১-১৯৫৫ সালে তিনি দ্বিতীয় বারের মত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-  উইনস্টন চার্চিল
- ‘The Second World War' গ্রন্থের জন্যে তিনি ১৯৫৩ সালে নোবেল সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৩ সালে জন এফ কেনেডি চার্চিলকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করেন।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
১১,২৮৮.
বেরিং প্রণালী কোন দুই মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও ইউরোপ
  2. ইউরোপ ও আফ্রিকা
  3. এশিয়া ও আফ্রিকা
  4. এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা 
ব্যাখ্যা

• বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে পৃথক করেছে ।
- এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি রাশিয়া (এশিয়া মহাদেশের অংশ) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার মধ্যে অবস্থিত।

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।

• বাব এল-মান্দেব প্রণালী (Bab el-Mandeb Strait):
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- বাব এল-মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী একটি প্রণালী।

• বসফরাস প্রণালী:
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.

১১,২৮৯.
ITU এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) অটোয়া
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) বার্ন
ব্যাখ্যা
ITU (International Telecommunicaion Union) হলো বর্তমানে অস্তিত্বশীল সবচেয়ে পুরনো সংগঠন। এটি ১৮৬৫ সালের ১৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো International Telegraph Union. ১৯৩৪ সালের ১ জানুয়ারি এটি ITU নাম ধারণ করে।

- এটির সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত। সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩টি। বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল ডোরিন বোগডান মার্টিন (১ জানুয়ারি ২০২৩ থেকে)।

(তথ্যসূত্র: ITU ওয়েবসাইট)
১১,২৯০.
'ইসলামি বিপ্লব' কত সালে সংঘটিত হয়েছিল? 
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

• ইরানে ইসলামি বিপ্লব:
- ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে ইরানের তদানীন্তন সরকারের পতনের মাধ্যমে এই বিপ্লব পূর্ণতা লাভ করে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- শেষ ইরানি রাজবংশ ছিল পাহলভী রাজবংশ ছিল।
- ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হিসেবে দীর্ঘ আটাশ বছর এই রাজবংশ শাসন পরিচালনা করে।
- আর ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব পর্যন্ত স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র হিসেবে ইরান শাসন করে।
- রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে ইরানের ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় ও রেজা শাহ পাহলভী ইরান ছেড়ে পালিয়ে যান।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১১,২৯১.
২০২৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে কোন বার্তা সংস্থা?
  1. ক) অস্ট্রেলিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এএপি)
  2. খ) এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস (এএফপি)
  3. গ) অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)
  4. ঘ) পিআর নিউজওয়্যার
ব্যাখ্যা
- ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ নিয়ে খবর প্রকাশের জন্য ২০২৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
- এ যুদ্ধ নিয়ে খবরাখবর তুলে ধরায় পুরস্কৃত করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকেও।
- ০৯ মে ২০২৩, পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুলিৎজার পুরস্কার সাংবাদিকতার ‘নোবেল’ হিসেবে খ্যাত।
- ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত, নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
- কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি বোর্ড প্রতিবছর পুরস্কার ঘোষণা করে। 
- পুলিৎজারে সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার হিসেবে ধরা হয় পাবলিক সার্ভিস (জনসেবা) অ্যাওয়ার্ডকে।
- এ ছাড়া ব্রেকিং নিউজ ফটোগ্রাফি বিভাগে পুরস্কারও পেয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
- অপরদিকে ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টিং (আন্তর্জাতিক বিষয়ে প্রতিবেদন) বিভাগে সেরা হয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।

উৎস: প্রথম আলো।
০৯ মে ২০২৩।
১১,২৯২.
মহেঞ্জোদারো কোন সভ্যতার নিদর্শন?
  1. ক) ইনকা সভ্যতা
  2. খ) আর্য সভ্যতা
  3. গ) সিন্ধু সভ্যতা
  4. ঘ) ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- মহেঞ্জোদারো হলো ভারতর্ষের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন। মহেঞ্জোদারো পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় অবস্থিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে সিন্ধু নদীর তীরে সিন্ধু সভ্যতার সূচনা হয়।
- ১৯২১ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সাহিওয়াল জেলার হরপ্পায় প্রথম সিন্ধু সভ্যতার সন্ধান মেলে। হরপ্পার নির্দশন আবিষ্কারে দয়ারাম সাহনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।
- ১৯২২ সালে বাঙালি প্রত্নতাত্ত্বিক রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়ের প্রচেষ্টায় মহেঞ্জোদারো শহরে খননকার্যের মাধ্যমে সিন্ধু সভ্যতার নির্দশন উন্মোচিত হয়।
- সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কারে স্যার মার্টিন হুইলার, কাশীনাথ দীক্ষিত এবং ননী গোপাল মজুমদারের ভূমিকাও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- সিন্ধু সভ্যতা ছিলো একটি উন্নত নগর সভ্যতা।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
১১,২৯৩.
নিচের কোনটি জাতিসংঘের মূল অঙ্গ সংস্থা?
  1. WHO
  2. ICJ
  3. UNIDO
  4. UNWTO
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মূল অঙ্গ সংস্থা ছয়টি।
১.জাতিসংঘের সাধারন পরিষদ (UNGA),
২.জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (UNSC),
৩.অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্থা (ECOSOC),
৪.আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ),
৫.অছি পরিষদ (Trusteeship Council) ও
৬.সেক্রেটারিয়েট। সবগুলোই ১৯৪৫ সালে গঠিত।
ইউনেস্কো জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা। 

জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার সংখ্যা ১৫টি।
এগুলো হলো:
- ILO (প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা)
- FAO
- UNIDO
- ICAO
- UNWTO
- IFAD
- UPU
- WHO
- WIPO
- IMO
- WMO
- ITU
- UNESCO
- IMF
- WB

[উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট]
১১,২৯৪.
জাতিসংঘের সম্পর্কিত সংস্থা নিচের কোনটি?
  1. ক) UNESCO
  2. খ) WTO
  3. গ) WMO
  4. ঘ) ILO
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সম্পর্কিত সংস্থা:

WTO- World Trade Organization.
IAEA- International Atomic Energy Agency.
OPCW- Organization for the Prohibition of Chemical Weapons.
CTBTO- Preparatory Commission for the Nuclear-Test-Ban Treaty Organization. 

তথ্যসূত্র
: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১১,২৯৫.
ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী -
  1. ক) আইস্যাক হেরজোগ
  2. খ) ইয়ার লাপিদ
  3. গ) মিরিয়াম পেরেৎজ
  4. ঘ) নাফতালি বেনেট
ব্যাখ্যা
ইসরায়েলের অন্তর্র্বতীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ইয়ার লাপিদ। নাফতালি বেনেট প্রধানমন্ত্রী হওয়ার এক বছরের মাথায় ইহুদি এই দেশটির নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব নিলেন।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২
১১,২৯৬.
‘শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কাতার
  2. সৌদি আরব
  3. আফগানিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম:
- ১৯৮৪ সালে আরব আমিরাতের শিল্পনগরী শারজাহতে ওয়ানডে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বিবেচনায় তৈরি করা হয় শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
- বিশ্বের প্রথম ভেন্যু হিসেবে ৬ নভেম্বর শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ৩০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
- এই ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, 
- জনসংখ্যার দিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তৃতীয় বৃহত্তম শহর শারজায় অবস্থিত এই স্টেডিয়াম। 
- ১৯৮৪ সালে শারজায় প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচটিতে পাকিস্তানকে ৫ উইকেট হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা।
- সেটি ছিল এশিয়া কাপের ম্যাচ।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
১১,২৯৭.
বিশ্বব্যাংক প্রণীত মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ একটি -
  1. ক) উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ
  2. খ) নিম্ন আয়ের দেশ
  3. গ) উন্নয়নশীল দেশ
  4. ঘ) নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্যাংকের মতে মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ।
• বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১০৪৫ মা. ডলারের অধিক হওয়ায় ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করে।
• বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২৫৯১ ডলার।

• বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে পৃথিবীর দেশসমূহকে চারটি শ্রেণীতে ভাগ করেছে।
• এগুলো হলো:
- নিম্ন আয়ের দেশ (১০৪৫ মা. ডলার বা তার নিচে যাদের আয়),
- নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ (১০৪৬-৪১২৫ মা. ডলার পর্যন্ত যেসব দেশের আয়),
- উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ (৪১২৬-১২৭৩৬ মা. ডলার) এবং
- উচ্চ আয়ের দেশ (১২৭৩৭+ মা. ডলার যেসব দেশের আয়)।

• অন্যদিকে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন তিনটি সূচকের ভিত্তিতে পৃথিবীর দেশ সমূহকে ৩টি শ্রেণীতে ভাগ করেছে। এগুলো হলো:
- অনুন্নত,
- উন্নয়নশীল এবং
- উন্নত।

• বাংলাদেশ ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশ হতে যাচ্ছে।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১১,২৯৮.
কার্বন নিঃসরণ কমাতে ‘কার্বন বাণিজ্য’ ধারণাটি প্রবর্তিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. নাগোয়া প্রোটোকল
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  4. কার্টাগেনা প্রোটোকল
ব্যাখ্যা

কার্বন বাণিজ্য:
- কার্বন নিঃসরণ কমাতে ‘কার্বন বাণিজ্য’ (Carbon Trading) বা কার্বন ক্রেডিট ধারণাটি মূলত ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol)-এর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।
- এই চুক্তিতেই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং কার্বন ট্রেডিংয়ের মতো বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তী সময়ে প্যারিস চুক্তির আওতাতেও এটি জোরদার করা হয়েছে। 

- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।

- বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কিয়েটো প্রটোকলকে কার্বন সনদ হিসেবে মনে করা হতো।
- কিয়োটো প্রটোকল কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের নির্গমন কমানোর জন্য 'কার্বন ক্রেডিট' ব্যবস্থাও চালু করেছিল, যার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশের নির্গমন কমানোর প্রচেষ্টা কিনতে পারে বা বিক্রি করতে পারে। এর মাধ্যমে একটি বৈশ্বিক বাজার তৈরি হয়েছিল, যা 'কার্বন সনদ' বা 'কার্বন ক্রেডিট' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১৮০টি দেশের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে পৃথিবীর শিল্পোন্নত ৩৮টি দেশকে ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তাদের কার্বন নিঃসরণের মাত্রা পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে (১৯৯০) ৫.২% কমানোর জন্য সীমা বেধে দেওয়া হয় এবং বলা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ বিষয়ে বাণিজ্য বা যৌথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে (আর্টিকেল-১৭, কিয়োটো প্রটোকল)।
- মূলত এখান থেকে কার্বন বাণিজ্যের সূত্রপাত।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১১,২৯৯.
ইউরোজোনে যুক্ত হওয়া সর্বশেষ দেশ কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ক্রোয়েশিয়া
  2. রোমানিয়া
  3. বুলগেরিয়া
  4. হাঙ্গেরি
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে ইউরোজোনে যুক্ত হওয়া সর্বশেষ দেশ বুলগেরিয়া। 

• ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- বর্তমানে ইউরো মুদ্রা গ্রহণকারী সর্বশেষ দেশ বুলগেরিয়া। 
- প্রায় দেড় শতাব্দী পর নিজস্ব মুদ্রা লেভকে বিদায় জানিয়ে ইউরো মুদ্রা অঞ্চলের ২১তম সদস্য হিসাবে ইউরো চালু করেছে বুলগেরিয়া।
 - ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে দেশটিতে লেভের পরিবর্তে ইউরো মুদ্রা চালু করেছে।

⇒ এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি,  ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া। 

তথ্যসূত্র: EU ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয় কমিশন। (Link)

১১,৩০০.
নিম্নের কোন ব্যক্তি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. হান কাং
  2. বার্নার্ড শ
  3. উইনস্টন চার্চিল
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
উইনস্টন চার্চিল:
- উইনস্টন চার্চিল একজন রাজনীতিবিদ ও লেখক।
- উইনস্টন চার্চিল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল স্মরণীয়।

হান কাং:
- ২০২৪ সালে নোবেল বিজয়ী একমাত্র নারী হান কাং।
- তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক।
- প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ান হিসেবেও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান তিনি।
- নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

বার্নার্ড শ:
- জর্জ বার্নার্ড শ ছিলেন একজন আইরিশ নাট্যকার এবং লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা।
- বার্নাড শ’ ছিলেন একাধারে প্রাবন্ধিক, উপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।
- অধিকাংশ লেখাতেই শ্রমজীবী মানুষের শোষণের বিপক্ষে তার অবস্থান ছিল সুস্পষ্ট।
- একজন কট্টর সমাজতান্ত্রিক হিসেবে ফ্যাবিয়ান সোসাইটির পক্ষে জর্জ বার্নার্ড শ’ অনেক বক্তৃতা দেন ও পুস্তিকা রচনা করেন।
- তিনি ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

উৎস: i) Nobel Prize ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.