বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ইন্টারনেট সংক্রান্ত বিষয়

মোট প্রশ্ন৭২৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইন্টারনেট সংক্রান্ত বিষয়

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৭২৩

২০১.
ISDN এর দুটি প্রধান ধরন কী?
  1. Digital Rate Interface (DRI) and Analog Rate Interface (ARI)
  2. Simple Rate Interface (SRI) and Enhanced Rate Interface (ERI)
  3. Fast Rate Interface (FRI) and Standard Rate Interface (SRI)
  4. Basic Rate Interface (BRI) and Primary Rate Interface (PRI)
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System),
২. আইএসডিএন (ISDN),
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband),
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi),
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)।

• ISDN:
- ISDN এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Services Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

• ISDN এর দুটি প্রধান ধরন হচ্ছে -
(1) Basic Rate Interface (BRI),
(2) Primary Rate Interface (PRI).

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০২.
Gmail এর ইনবক্স হতে কোনো মেইল ডিলিট করলে কোথায় খুজে পাওয়া যায়?
  1. ক) Spam
  2. খ) Trash
  3. গ) Delete
  4. ঘ) Starred
ব্যাখ্যা
• Gmail এর ইনবক্স হতে কোনো মেইল ডিলিট করলে Trash এ খুঁজে পাওয়ার যায়।
- ইনবক্স থেকে মুছে ফেলা যেকোন ইমেইল Trash নামের ফোল্ডারে পাওয়ার যায়।
- তবে সেটা অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য।
- এরপর Automatically সেই মুছে দেয়া মেইলগুলো স্থায়ীভাবে মুছে যায় যা আর ফিরে পাওয়া যায় না।

উৎস: Computerhope Website.
২০৩.
ইন্টারনেটের ব্যাপকভাবে কার্যক্রম শুরু হয় কবে থেকে?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- বর্তমান বিশ্বের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়ায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মাধ্যমটির নাম ইন্টারনেট।
- টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু: ১৯৯০ সাল থেকে।
- প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে  ARPanet চালু করে।
- এর পূর্ণরূপ: Advanced Research Projects Agency Network.
- ১৯৯০ সালে ইন্টারনেটের কার্যক্রম শুরু করে।
-  ১৯৯৪ সালের পূর্বে তাকে ইন্টারনেট এই নামে ডাকা হত না।
- ১৯৯৪ সালেই ইন্টারনেট শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- ইন্টারনেটের সুবাদে সমগ্র বিশ্বের সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ একই বলয়ে আবদ্ধ হতে পেরেছেন।
- তাই ইন্টারনেটকে অনেকেই নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৪.
Which of the following is a cheque-clearing facility in Bangladesh?
  1. ক) CIBAC
  2. খ) BACPS
  3. গ) NBSC
  4. ঘ) BICPS
ব্যাখ্যা
-  BACPS is the only state-of-the-art cheque clearing facility since its inception in October 2010.
- It uses the Cheque Imaging and Truncation (CIT) technology for electronic presentment and payment of paper-based instruments (i.e. cheque, pay order, dividend & refund warrants, etc).
- BACPS operates in a batch processing mode.
- Transactions received from the banks during the day are processed and settled at a pre-fixed time.

Source: bb.org.bd
২০৫.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Ecosia
  2. Google
  3. Safari
  4. AOL
ব্যাখ্যা

• সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার বা ওয়েবসাইট যা ব্যবহারকারীর অনুসন্ধানের ভিত্তিতে ইন্টারনেট থেকে তথ্য খুঁজে দেয়। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে Ecosia, Google এবং AOL হলো সার্চ ইঞ্জিন। Ecosia একটি পরিবেশবান্ধব সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর সার্চের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ করে, Google হলো বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন যা অগণিত ওয়েবসাইটের তথ্য সংগ্রহ ও প্রদর্শন করে, এবং AOL-ও মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে, Safari হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে ভ্রমণ করতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু সরাসরি তথ্য খোঁজার জন্য সার্চ ইঞ্জিন নয়। তাই এখানে সার্চ ইঞ্জিন নয় Safari.

সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- safari হলো অ্যাপলের মালিকানাধীন একটি ওয়েব ব্রাউজার।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২০৬.
কোন প্রযুক্তি ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলিকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান করতে সাহায্য করে?
  1. ব্লকচেইন
  2. মেশিন লার্নিং
  3. ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
  4. সাইবার সিকিউরিটি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)।

ইন্টারনেট অফ থিংস বা IoT হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং তাদের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করে। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন, কম্পিউটার, সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইসসহ নানা যন্ত্র পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেটা শেয়ার করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট হোমে তাপমাত্রা সেন্সর, লাইট কন্ট্রোলার এবং স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। IoT প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও স্বয়ংক্রিয়, সুবিধাজনক এবং কার্যকর করে তোলে।

• IoT (Internet of Things):
- IoT হলো ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২০৭.
নিম্নের কোনটি একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস?
  1. 203.0.113.0
  2. 8.8.8.8
  3. 192.0.2.256
  4. 127.0.0.1
ব্যাখ্যা
• IPv4 অ্যাড্রেস চারটি সংখ্যার গ্রুপ নিয়ে গঠিত, প্রতিটি গ্রুপের মান হতে পারে 0 থেকে 255-এর মধ্যে। প্রতিটি গ্রুপকে অক্টেট বলা হয় এবং এগুলো ডট (.) দিয়ে আলাদা করা হয়। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে “192.0.2.256” একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস, কারণ এখানে শেষ অক্টেটটি 256, যা গ্রহণযোগ্য সীমা 0-255 এর বাইরে। অন্য তিনটি অ্যাড্রেস (203.0.113.0, 8.8.8.8, 127.0.0.1) বৈধ ও প্রচলিত IPv4 অ্যাড্রেস।
- তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) 192.0.2.256 — এটি একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস, কারণ এতে সংখ্যাগত সীমা লঙ্ঘিত হয়েছে।


• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৮.
http প্রথম ব্যবহৃত হয় কখন?
  1. ১৯৬৯
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৮০
  4. ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http):
- ইন্টারনেটের বিকাশকালে ১৯৮৯ সালে টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee ) হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
- সেই থেকে ‘টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee ) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত।
- নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট বিস্তৃত হয়।
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং বিকশিত হয় বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• টিম বার্নার্স-লি বা স্যার টিমোথি জন "টিম" জন বার্নার্স-লি(ইংরেজি:Tim Berners-Lee) (জন্ম জুন ৮,১৯৫৫), এবং TimBL নামেও যিনি পরিচিত, যিনি পেশায় একজন ব্রিটিশ পদার্থবিদ, কম্পিউটার বিজ্ঞানী, MIT অধ্যাপক, এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের পরিচালক। তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
২০৯.
WWW এর সূচনা হয় কোথায়?
  1. The European Center for National Research
  2. The Europe Center for Nuclear Research
  3. The European Center for Nuclear Research
  4. The European Commission for Nuclear Research
ব্যাখ্যা
WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
২১০.
sms সেবা চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০) এর বৈশিষ্ট 

১। এই প্রজন্মে ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগনাল ব্যবহৃত হয়।

২ । উন্নত মানের অডিও এর জন্য ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহৃত হয়।

৩ । ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক বেশী।

৪ । ডেটার প্রতারনা রোধে সহায়তা করে।

৫ । সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয়।

৬। এমএমএস(MMS) ও এসএমএস(SMS) সেবা কার্যক্রম চালু হয়
২১১.
WiMax কত দূরত্ব পর্যন্ত কাভারেজ দিতে পারে?
  1. ক) ১০০ মিটার
  2. খ) ৫০০ মিটার
  3. গ) ১ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৫০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
WiMAX এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২১২.
ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি কখন থেকে চালু হয়?
  1. ক) ২০০১ সালের জুন মাস।
  2. খ) ২০০১ সালের ডিসেম্ভর মাস।
  3. গ) ২০০০ সালের ডিসেম্ভর মাস।
  4. ঘ) ২০০০ সালের জুন মাস।
ব্যাখ্যা
ওয়াই ম্যাক্স হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো: Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১৩.
পৃথিবীর বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কোনটি?
  1. ক) Ethernet
  2. খ) Internet
  3. গ) WiMAX
  4. ঘ) Wi-Fi
ব্যাখ্যা
ইথারনেট হল তারযুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির একটি পরিবার যা সাধারণত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN), মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) এবং ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কে (WAN) ব্যবহৃত হয়।

ইন্টারনেট হচ্ছে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত পৃথিবীর বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। অন্যভাবে বলা যায় - বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেকগুলো নেটওয়ার্কের সমন্বিত ব্যবস্থার নামই ইন্টারনেট।

ওয়াই ম্যাক্স হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।

Wi-Fi একটি তারবিহীন প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেটে সংযোগ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১৪.
গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান কোনটি?
  1. ফাইবার অপটিক ক্যাবল
  2. স্যাটেলাইট ইন্টারনেট
  3. 3G/4G মোবাইল ডেটা
  4. ডায়াল-আপ কানেকশন
ব্যাখ্যা

◉ গ্রামীণ এলাকায় সাধারণত ফাইবার অপটিক ক্যাবল পৌঁছানো ব্যয়বহুল এবং অবকাঠামোগতভাবে কঠিন। স্যাটেলাইট ইন্টারনেট (যেমন Starlink) সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে ইন্টারনেট সরবরাহ করে, তাই যেখানে তার বা টাওয়ার পৌঁছানো সম্ভব নয়, সেখানেও এটি কাজ করে। এজন্য গ্রামীণ এবং দুর্গম অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- স্পেস এক্স এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০০টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।
- পৃথিবীর ৬০টি দেশে তাদের কভারেজ রয়েছে।
- স্টারলিংক ছোট উপগ্রহের একটি অ্যারের (সারি) মাধ্যমে সীমাহীন উচ্চ-গতির ডেটা সরবরাহ করে। গতি প্রতি সেকেন্ডে ১৫০ মেগাবিট (১৫০ এমবিপিএস)। স্পেসএক্স এই হার দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করেছে।
- উকলা (ookla) স্পিডটেস্ট অনুসারে, স্টারলিংক লিথুয়ানিয়ায় ২০২২ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ১৬০ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি রেকর্ড করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ৯১ এমবিপিএস, কানাডায় ৯৭ এমবিপিএস এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১২৪ এমবিপিএস পাওয়া গেছে। মেক্সিকোতে স্টারলিঙ্কের গতি রেকর্ড করা হয়েছে গড়ে ১০৫ দশমিক ৯১ এমবিপিএস।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।

২১৫.
ইন্টারনেটের অধিকাংশ সেবা কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে পরিচালিত?
  1. পিয়ার-টু-পিয়ার মডেল
  2. ক্লায়েন্ট–সার্ভার প্রযুক্তি
  3. স্ট্যান্ডঅ্যালোন কম্পিউটিং
  4. মেইনফ্রেম প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের অধিকাংশ সেবা ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেলের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত।

• ইন্টারনেট ও ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেল:
- ইন্টারনেটের অধিকাংশ সেবা ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেলের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ক্লায়েন্ট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে তাদের কার্য সম্পাদন করে।
- সকল ডাটা, ই-মেইল বার্তা, ডাটাবেজ ও ওয়েবসাইট সাধারণত সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে।
- ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের কম্পিউটার (ক্লায়েন্ট) থেকে সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান–প্রদান করে।
 
• ইন্টারনেটের প্রধান সেবা ও ক্ষমতাসমূহ:
- ই-মেইল (E-mail),
- ইউজনেট (Usenet),
- নিউজগ্রুপ (Newsgroup),
- লিস্টসার্ভ (Listserv),
- চ্যাটিং (Chatting),
- টেলনেট (Telnet),
- FTP (File Transfer Protocol),
- গোফার (Gopher),
- আর্চি (Archie),
- ভেরোনিকা (Veronica),
- WAIS,
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)।
- তথ্য অনুসন্ধান ও যোগাযোগের জন্য এসব সেবা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
 
• ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে:
- ইন্টারনেটে কমান্ড ও ডাটা আদান–প্রদানের জন্য TCP/IP (Transmission Control Protocol / Internet Protocol) ব্যবহার করা হয়।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয় এবং পরে ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ স্থাপন করে।
- কম্পিউটার সরাসরি ইন্টারনেটের সাথে অথবা রিমোট টার্মিনাল বা নেটওয়ার্ক গেটওয়ে–এর মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারে।
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি স্বতন্ত্র IP ঠিকানা থাকে এবং সাধারণত Domain Name System (DNS) ব্যবহার করে নামের মাধ্যমে পরিচিত হয়।
- অধিকাংশ ইন্টারনেট প্রোগ্রাম ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেল অনুসরণ করে, যেখানে ক্লায়েন্ট প্রোগ্রাম সার্ভারের কাছ থেকে ডাটা গ্রহণ বা প্রেরণ করে।

• Other Options:
ক) পিয়ার-টু-পিয়ার মডেল
→ এটি কিছু নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হলেও ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি নয়।

গ) স্ট্যান্ডঅ্যালোন কম্পিউটিং
→ এতে নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা বা সার্ভার নির্ভরতা থাকে না।

ঘ) মেইনফ্রেম প্রযুক্তি
→ এটি পুরনো কেন্দ্রীয় কম্পিউটিং পদ্ধতি; আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৬.
ARPANET এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. Advanced Research Projects Agency Network
  2. Advanced Remote Processing Architecture Network
  3. Automated Research Protocol And Network
  4. Advanced Regional Programming Access Network
ব্যাখ্যা

• ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো Advanced Research Projects Agency Network, যা সঠিক উত্তর ক)। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীন Advanced Research Projects Agency (ARPA) কর্তৃক ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে উন্নয়ন করা হয়। ARPANET-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ করা। এটি প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা নেটওয়ার্ক যোগাযোগকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলে। ARPANET-ই আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এখান থেকেই TCP/IP প্রোটোকলের ধারণা ও ব্যবহার শুরু হয়।
 
• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৭.
কোন পদ্ধতির মাধ্যমে প্রথম দুটি দূরবর্তী কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়?
  1. APRANET
  2. HTP
  3. IMP
  4. INTRANEET
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের ইতিহাস:
- প্রথমদিকে ইন্টারনেটের নাম ছিল আরপানেট (ARPANET)।
- ১৯৬৮ সালের আরপানেট ছিল এর প্রাথমিক পর্যায়।
- এ প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধিত হয় আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।
- ১৯৬৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রথম যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হয়।
- লস এঞ্জেলসের UCLA ল্যাবরেটরিতে স্থাপিত উক্ত নেটওয়ার্কটির নাম ছিল ইন্টারফেস ম্যাসেজ প্রসেসর (Interface Message Processor- IMP)।
- IMP পদ্ধতির মাধ্যমেই প্রথম দুটি দূরবর্তী কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়।
- এ পরীক্ষাটি চালানো হয় লস এঞ্জেলস থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কের স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনিসটিটিউট (Stanford Research Institute)-এর মধ্যবর্তী দুটি কম্পিউটারের মধ্যে।
- চূড়ান্তভাবে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে।
- প্রথম যে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় সে কম্পিউটারগুলো লস এঞ্জেলস, মেনলো পার্ক, সান্তা বারবারা (U.C. Santa Barbara) এবং Utah (The University of Utah)- তে অবস্থিত ছিল।

উৎস: তথ্য ব্যবস্থাপনা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৮.
স্টারলিংক কোন ধরনের সেবা প্রদান করে-
  1. স্যাটেলাইট ভিত্তিক আবহাওয়া পরিষেবা
  2. স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা
  3. সাবমেরিন ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা
  4. মহাজাগতিক ভিত্তিক পরিষেবা
ব্যাখ্যা

স্টারলিংক কোন ধরনের সেবা প্রদান করে- স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা। 

• স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা:
- প্রথম উপগ্রহটি ২০১৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
- ২০২০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল।
- এবং এরপর থেকে এটি ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে আসছে।
- স্টারলিংক একটি উপগ্রহ-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা যা স্পেসএক্স দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্টারলিংক সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ১৫০ মেগাবিট পর্যন্ত ডাউনলোড গতি। 

উৎস: Britannica.

২১৯.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. Phreaking
  2. Worms
  3. Avast
  4. Plagiarism
ব্যাখ্যা
- Avast এক ধরনের অ্যান্টিভাইরাস।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং (Hacking),
- ফ্রেকিং (Phreaking),
- হ্যাকিং (Hacking),
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং (Vishing),
- স্প্যামিং (Spamming),
- স্পুফিং (Spoofing),
- স্নিফিং (Sniffing)
- স্নিকিং (Sneaking),
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (Worms),
- রুটকিটস (Rootkits),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware),
- ব্যাকডোর (Backdoor) প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২০.
আইপি এড্রেস কী?
  1. একটি ডিভাইসের ফিজিক্যাল লোকেশন নির্দেশক ঠিকানা
  2. ওয়েবসাইটের ডোমেইন নেইম
  3. একটি সফটওয়্যারের লাইসেন্স কোড
  4. ইন্টারনেটে কোনো ডিভাইসের স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর
ব্যাখ্যা

আইপি এড্রেস হচ্ছে ইন্টারনেটে কোনো ডিভাইসের স্বতন্ত্র শনাক্তকরণ নম্বর।

• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২১.
Bing ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনটি কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. ক) Google
  2. খ) Microsoft
  3. গ) Yahoo
  4. ঘ) Baidu
ব্যাখ্যা

Bing বর্তমানে জনপ্রিয় ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন, যা Microsoft এর মালিকানাধীন।

বিং, সার্চ ইঞ্জিন ২০০৯ সালে আমেরিকান সফ্টওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন দ্বারা চালু হয়।
অপরদিকে, Google এর ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনটির নাম হল- Google Chrome।
Yahoo সার্চ ইঞ্জিনটির মালিকানাধীন কোম্পানি Yahoo.
Baidu হল একটি চায়নাভিত্তিক ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট

২২২.
IPv4 এর নিচের কোনটি Google DNS Server IP Address?
  1. 8.8.7.6
  2. 8.7.8.6
  3. 8.8.8.6
  4. 8.8.8.8
ব্যাখ্যা
DNS সার্ভার: 
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে। 
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে। 
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার। 
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত। 


উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
২২৩.
ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ব্যবহৃত Programming Language হলো -
  1. ক) HTML
  2. খ) PHP
  3. গ) CSS
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ৩টির মধ্যে PHP হচ্ছে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। অন্যদিকে, HTML হচ্ছে Markup Language এবং CSS হচ্ছে Cascading Style Sheets.
২২৪.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Bing
  2. Google
  3. Yahoo
  4. Safari
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত Bing, Google ও Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন এবং Safari হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- safari হলো অ্যাপলের মালিকানাধীন একটি ওয়েব ব্রাউজার।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট
২২৫.
ARPANET কোন প্রধান ইন্টারনেট প্রোটোকলের বিকাশে অবদান রেখেছে?
  1. FTP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. TCP/IP 
ব্যাখ্যা

• ARPANET ছিল ১৯৬০ এবং ৭০ এর দশকে তৈরি একটি প্রাথমিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যা মূলত মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। এটি নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির বিকাশে মাইলফলক হিসাবে কাজ করেছে। ARPANET-এর গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিভিন্ন কম্পিউটারকে একসাথে সংযুক্ত করার ধারণা প্রদর্শন করে। এই প্রাথমিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা প্যাকেটের মাধ্যমে প্রেরণ ও গ্রহণের নিয়মগুলো নির্ধারণ করা হয়। এই অভিজ্ঞতা থেকেই TCP/IP প্রোটোকল তৈরি হয়, যা হেটেরোজিনিয়াস নেটওয়ার্কগুলিকে একসাথে কাজ করতে সক্ষম করে এবং আজকের ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপন করে।

সঠিক উত্তর: ঘ) TCP/IP.

• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৬.
Wi-Fi নেটওয়ার্কে SSID এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Standard Security ID
  2. System Signal ID
  3. Secure Service Identifier
  4. Service Set Identifier
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi নেটওয়ার্কে SSID-এর পূর্ণরূপ হলো Service Set Identifier। এটি একটি ইউনিক নাম যা একটি নির্দিষ্ট Wi-Fi নেটওয়ার্ককে অন্য নেটওয়ার্ক থেকে আলাদা করে চিনতে সাহায্য করে। যখন কোনো ডিভাইস Wi-Fi সংযোগের জন্য স্ক্যান করে, তখন এটি চারপাশের সমস্ত নেটওয়ার্কের SSID তালিকায় প্রদর্শিত হয়। SSID সাধারণত একটি স্ট্রিং বা নাম আকারে থাকে, যা ব্যবহারকারী কাস্টমাইজ করতে পারে। এটি একটি নেটওয়ার্কের “পরিচয়” হিসেবে কাজ করে এবং একই এলাকায় একাধিক Wi-Fi থাকলেও আলাদা SSID থাকায় ব্যবহারকারী সহজেই সঠিক নেটওয়ার্কে সংযোগ করতে পারে। তাই, SSID হলো Wi-Fi নেটওয়ার্কের অপরিহার্য পরিচিতি।

সঠিক উত্তর: ঘ) Service Set Identifier.

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

• এছাড়াও,
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16.
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. Avira Website. [link]

২২৭.
আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার কয়টি পদ্ধতি আছে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত।
- এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: C0.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ:11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৮.
সার্ভার থেকে তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে কী অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়?
  1. ক) ওয়েবসাইট
  2. খ) ক্লাইন্ট অপটিমাইজার
  3. গ) ডাটাবেজ
  4. ঘ) ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা
WWW⇒ (World Wide Web) 
ওয়েব এমন একটি সিস্টেম, যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সংরক্ষিত থাকে।
সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য (টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে পারে।

এসব তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে

বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো:
ইন্টারনেট এক্সপ্লোয়ার
মজিলা ফায়ারফক্স
নেটস্কেপ নেভিগেটর, ইত্যাদি।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয়েছে ১৯৮৯ সালে।

ওয়েবসাইট: সার্ভারে রাখা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ওয়েবপেজ গুলোকে ওয়েবসাইট বলে। ওয়েবসাইট ব্যবহার করতেও ওয়েব ব্রাউজার প্রয়োজন।

ডাটাবেজ: কোন কম্পিউটার সিস্টেমে সঞ্চিত উপাত্ত বা রেকর্ডসমূহের একটি কাঠামোবদ্ধ সংগ্রহকে ডাটাবেজ বলে।

উৎস: BBA (মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা)
২২৯.
WWW এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) World Wide Weber
  2. খ) World Wide Wave
  3. গ) World Wide Web
  4. ঘ) World Web Wide
ব্যাখ্যা
WWW এর পূর্ণরূপ World Wide Web। টিম বার্নার্স লি কে এটির প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
এটি ইন্টারনেটের একটি অংশ।
এর সাহায্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের সকল তথ্য উপাত্ত খোঁজা হয়।
www এর প্রথম ডেভেলপমেন্ট সুইজারল্যান্ড এ হয়।
২৩০.
V-SAT এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Very Static Aligned Terminal
  2. Very Standard Automobile Terminal
  3. Very Swift Automatic Terminal
  4. Very Small Aperture Terminal
ব্যাখ্যা
♦ ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’ 
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।

• Very Small Aperture Terminal (V-SAT): 
- খুব ছোট আকারের সংযোগযন্ত্র যা দ্বিমুখী ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে ।
- এর থালা আকৃতির অ্যান্টেনার ব্যাস ৩ মিটারের কম হয়।
- এটি বেশি ব্যবহার হয় বিক্রয়কেন্দ্রে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত আদান-প্রদানের জন্য।
- দুর্গম ও গ্রাম এলাকায় ইন্টারনেট সেবা দিতে সক্ষম।
- তথ্য গ্রহণ, টেলিভিশনে সম্প্রচার ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগে ভূমিকা রাখে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. বাংলাপিডিয়া।
২৩১.
IPv6 কীভাবে IPv4 এর তুলনায় ব্রডকাস্ট ট্রাফিক পরিচালনা করে?
  1.  IPv4-এর মতো একই ব্রডকাস্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে
  2. ব্রডকাস্ট সমর্থন করে না, মাল্টিকাস্ট ব্যবহার করে
  3. ব্রডকাস্টের জন্য ইউনিকাস্ট ব্যবহার করে
  4. BroadIPv6 নামে নতুন প্রোটোকল ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা

• IPv6, IPv4-এর মতো ব্রডকাস্ট ট্রাফিক সমর্থন করে না; বরং এটি মাল্টিকাস্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে একই কাজ আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করে। IPv4-এ ব্রডকাস্ট ব্যবহারের ফলে নেটওয়ার্কের সব ডিভাইসে অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিক পৌঁছে যায়, যা ব্যান্ডউইথ নষ্ট করে। এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য IPv6 ব্রডকাস্ট সম্পূর্ণভাবে বাদ দিয়েছে। এর পরিবর্তে মাল্টিকাস্ট ব্যবহার করা হয়, যেখানে নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের ডিভাইসই কেবল বার্তাটি গ্রহণ করে। ফলে নেটওয়ার্ক আরও দক্ষ, দ্রুত এবং স্কেলযোগ্য হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ব্রডকাস্ট সমর্থন করে না, মাল্টিকাস্ট ব্যবহার করে।

• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩২.
.int ডোমেইনটি সাধারণত কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান
  2. নেটওয়ার্ক সার্ভিস
  3. মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য
  4. আন্তর্জাতিক সংস্থা
ব্যাখ্যা
- বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জেনেরিক ডোমেইন: .com
- নেটওয়ার্ক সার্ভিস এর জন্য জেনেরিক ডোমেইন: .net
- মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য ব্যাবহৃত জেনেরিক ডোমেইন: .mil
- আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্য ব্যাবহৃত জেনেরিক ডোমেইন: .int

উৎস: Internet Assigned Numbers Authority.
২৩৩.
During which decade did the Internet become visible to the general public?
  1. ক) The 1970s
  2. খ) The 1980s
  3. গ) The 1990s
  4. ঘ) The 2000s
ব্যাখ্যা
The Internet emerged in the United States in the 1970s but did not become visible to the general public until the early 1990s.
 
Source: Britannica
২৩৪.
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন টাইপ কোনটি?
  1. .gov
  2. .org
  3. .edu
  4. .com
ব্যাখ্যা
সংখ্যার সমন্বয়ে গঠিত আইপি এড্রেস মানুষের পক্ষে মনে রাখা খুবই কষ্টকর। তাই আইপি এড্রেস সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য সহজ কোন নাম ব্যবহার করা হয়। ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম। যেমন- www.google.com এই সাইটটির আইপি এড্রেস হল- 216.58.212.164। যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS - Domain Naming System ) । ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত ।
Mnhs. com, এখানে mnhs কে ডোমেইন নেইম এবং .com কে ডোমেইন টাইপ বলা হয়। সাধারণত ডোমেইন টাইপ দ্বারা প্রতিষ্ঠানের টাইপ জানা যায়। যেমন-
.com – কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয় 
.gov – সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয় 
.org – অর্গানাইজেশনকে বুঝানো হয় 
.edu – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৫.
Ethernet কোন স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. ক) IEEE 802.3
  2. খ) IEEE 801.3
  3. গ) IEEE 803.2
  4. ঘ) IEEE 801.2
ব্যাখ্যা
Ethernet is a family of computer networking technologies commonly used in local area networks (LAN), metropolitan area networks (MAN) and wide area networks (WAN). It was commercially introduced in 1980 and first standardized in 1983 as IEEE 802.3
২৩৬.
ইন্টারনেটের সাথে সম্পৃক্ত প্রটোকল নয় কোনটি?
  1. ক) SMTP
  2. খ) Javascript
  3. গ) POP3
  4. ঘ) IMAP
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট কমিউনিকেশন্সে ডেটা ট্রান্সমিট পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করার পদ্ধতিই প্রটোকল।
- অর্থাৎ কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সুপরিকল্পিত রীতিনীতিই হলো প্রটোকল।
- উল্লিখিত অপশন সমূহের মধ্যে Javascript হলো প্রোগ্রামিং ভাষা।
- বাকি সবগুলো ইন্টারনেটে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের প্রটোকল।
২৩৭.
IRC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internet Relay Chart
  2. Integrated Remote Connection
  3. Internet Relay Chat
  4. Interconnected Real-time Chat
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট:
- IRC এর পূর্ণরূপ Internet Relay Chat.

- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC কে প্রায়ই ইন্টারনেটের 'CB রেডিও' হিসেবে অ্যাখায়িত করা হয়, কারণ এটা কয়েকজন বা অনেককে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৮.
কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন টাইপ কোনটি?
  1. .edu
  2. .com
  3. .gov
  4. .org
ব্যাখ্যা
- ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম। যেমন- www.google.c এই সাইটটির আইপি এড্রেস হল- 216.58.212.164।
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS - Domain Naming System)।
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে ডট(.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।
- Mnhs. com, এখানে mnhs কে ডোমেইন নেইম এবং .com কে ডোমেইন টাইপ বলা হয়।

- সাধারণত ডোমেইন টাইপ দ্বারা প্রতিষ্ঠানের টাইপ জানা যায়। যেমন-
•   .com – কমার্সিয়াল প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়।
•   .gov – সরকারি প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়।
•   .org – অর্গানাইজেশনকে বুঝানো হয়।
•   .edu – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৯.
ইন্টারনেট ওয়েবপেজ ব্রাউজ করতে ব্যবহৃত প্রটোকল হলো-
  1. ক) FTP
  2. খ) IP
  3. গ) HTTP
  4. ঘ) ISP
ব্যাখ্যা
HTTP:
- Hyper Text Transfer Protocol এর সংক্ষিপ্ত নাম হলো HTTP.
- এটি সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারে যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।

FTP:
- FTP এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol.
- এটি একটি টিসিপি/আইপি প্রোটোকল যা দূটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 

IP:
- ইন্টারনেট যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস বলা হয়। 
- এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol Address.

ISP:
- ISP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Service Provider.
- যেসকল কোম্পানি ইন্টারনেটের সাহায্যে বিভিন্ন সার্ভিস প্রদান করে তাদেরকে ISP বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৪০.
ওয়েব ব্রাউজার নয় কোনটি?
  1. Safari
  2. Opera
  3. Google Chrome
  4. Baidu
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়। 
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser. 

• সার্চ ইঞ্জিন: 
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম। 
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে। 
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে। 
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie. 
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন। 
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন। 
- Baidu চীনের একটি সার্চ ইঞ্জিন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
২৪১.
WiMAX এর প্রধান প্রয়োগ ক্ষেত্র কোনটি?
  1. দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড
  2. ছোট দূরত্বের যোগাযোগ
  3. তারযুক্ত নেটওয়ার্ক সংযোগ
  4. স্যাটেলাইট যোগাযোগ 
ব্যাখ্যা

• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) মূলত দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উচ্চ-গতি ইন্টারনেট এবং ডেটা সংযোগ সরবরাহ করতে সক্ষম, বিশেষ করে শহর এবং গ্রামীণ এলাকায় যেখানে তারযুক্ত নেটওয়ার্ক স্থাপন করা কঠিন। WiMAX প্রযুক্তি অনেক দূরত্বে স্থিতিশীল ওয়্যারলেস সংযোগ দিতে পারে এবং একাধিক ব্যবহারকারীর মধ্যে ব্যান্ডউইথ ভাগ করতে সক্ষম। এটি ছোট দূরত্বের যোগাযোগ বা স্যাটেলাইট ভিত্তিক সংযোগের চেয়ে বেশি কার্যকর। তাই, WiMAX এর প্রধান প্রয়োগ ক্ষেত্র হলো দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড।

সঠিক উত্তর: ক) দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড।

• ওয়াইম্যাক্স এবং ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- কভারেজ এরিয়া সাধারণত 10 থেকে 60 কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত নেটওয়ার্কের জন্য কোনো প্রকার ক্যাবল বা তারের প্রয়োজন হয় না।
- নেটওয়ার্কে সহজে নতুন ব্যবহারকারী যুক্ত করে নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়ানো যায়।
- ডেটা ট্রান্সফারের রেট সাধারণত 80 Mbps থেকে 1 Gbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত 2 GHz-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। তবে Non Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 11 GHz এবং Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 66 GHz।
- সিগন্যাল নয়েজ (SNR-signal to noise ratio) সর্বোচ্চ 7 dB (decibel)।
- বাধামুক্ত সিগন্যাল ট্রান্সফারের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনক্রিপশন সুবিধা আছে।
- ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন হতে পারে।
- ওয়াইম্যাক্স কানেকশন ওরিয়েন্টেড MAC প্রোটোকল ব্যবহার করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪২.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার?
  1. ক) Google
  2. খ) Opera
  3. গ) Bing
  4. ঘ) MSN
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ওয়েব সার্ভারে রাখা পরস্পরে সংযোগযোগ্য Web page বা WWW পরিদর্শন করাকে Web Browsing বলে ।
- Web Browsing করে বিভিন্ন তথ্য ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে নিয়ে আসা যায় ।
-Web Browsing করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে।
- এই সকল ওয়েব ব্রাউজার সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত ওয়েব সার্ভার কম্পিউটারগুলোতে যে সকল ওয়েব পেইজ (Web page) সংরক্ষিত রয়েছে তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে। 
- নিচে জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজারের নাম দেওয়া হলো। যথা-
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
• মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox)
•নেটস্কেপ কমিউনিকেটর (Netscape Communicator)
• সাফারি (Safari)
ওপেরা (Opera)
• গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
২৪৩.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Opera
  2. Google Scholar
  3. Baidu
  4. Bing
ব্যাখ্যা

• Opera হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, Google Scholar, Baidu, এবং Bing হলো সার্চ ইঞ্জিন। Google Scholar মূলত বৈজ্ঞানিক এবং একাডেমিক রিসার্চ পত্র, থিসিস ও প্রবন্ধ খুঁজে বের করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Baidu চীনের একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, যেখানে ওয়েবসাইট, ছবি, ভিডিও এবং খবর খোঁজা যায়। Bing হলো মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন, যা সাধারণ ওয়েব সার্চের পাশাপাশি ছবি, মানচিত্র এবং নিউজ সার্চের সুবিধা দেয়। তাই Opera সরাসরি সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি কেবল ব্রাউজিং সফটওয়্যার।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২৪৪.
ই-কমার্স প্রধানত কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) পাঁচ 
  4. ঘ) ছয়
ব্যাখ্যা

পণ্য লেনদেনের প্রকৃতি ও ধরন অনুসারে ই-কমার্স এর চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।

এগুলো হলো –
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer – B2C)
- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business – B2B)
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer – C2C)
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business – C2B)

ই-কমার্স এর কয়েকটি সুবিধা হল-
- সহজে পণ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
- ব্যবসা পরিচালনায় খরচ কমায়।
- সহজে ক্রেতার কাছে পৌঁছা যায়।
- পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন করে।
- সহজে ব্যবসা শুরু করা যায় এবং ব্যবস্থাপনা করা যায়।
- ঘরে বসেই ক্রেতারা প্রোডাক্টের নির্বাচন করতে পারে ইত্যাদি।

উদাহরণ- amazon, alibaba, daraz ইত্যাদি।

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

২৪৫.
IPv6 অ্যাড্রেস সাধারণত কোন ধরনের ফরম্যাটে লেখা হয়?
  1. বাইনারি
  2. ডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা

• IPv6 অ্যাড্রেস সাধারণত হেক্সাডেসিমেল (hexadecimal) ফরম্যাটে লেখা হয়। এটি ১২৮-বিটের একটি ঠিকানা যা ১৬-বিট করে মোট আটটি ব্লকে ভাগ করা হয়। প্রতিটি ব্লককে চারটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয়, যা ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত হতে পারে। ব্লকগুলোর মধ্যে কলোন “:” চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি IPv6 ঠিকানা হতে পারে 2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334। হেক্সাডেসিমেল ফরম্যাট ব্যবহার করার মূল সুবিধা হলো, এটি বড় বাইনারি ঠিকানাকে ছোট এবং পড়তে সহজ আকারে উপস্থাপন করে। তাই IPv6-এর জন্য সঠিক উত্তর হলো ঘ) হেক্সাডেসিমেল।

আইপি:
-  আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন। 
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়। 
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৪৬.
WWW স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করে দেয় -
  1. ক) World Wide Web Standard
  2. খ) Worldwide corporation
  3. গ) World Wide Web Consortium
  4. ঘ) World Wide Consortium
ব্যাখ্যা
The World Wide Web Consortium is the main international standards organization for the World Wide Web.
It was founded by Tim Berners Lee.

Source: w3.org
২৪৭.
URL এর কোন অংশটি ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট HTML ফাইল প্রদর্শন করতে নির্দেশ করে?
  1. ওয়েব প্রোটোকল
  2. ওয়েব সার্ভারের নাম
  3. ডিরেক্টরি বা ফোল্ডারের নাম
  4. HTML ফাইলের নাম
ব্যাখ্যা
[একটি সাধারণ URL এর গঠন: http://www.example.com/folder/page.html
এখানে, http:// হলো ওয়েব প্রোটোকল, www.example.com হলো ওয়েব সার্ভারের নাম, folder হলো ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম, page.html হলো HTML ফাইলের নাম।
URL এর শেষ অংশে থাকা HTML ফাইলের নামটি (page.html) ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে দেয় কোন ফাইলটি প্রদর্শন করতে হবে। অন্যান্য অংশগুলি শুধু ফাইলের অবস্থান নির্দেশ করে।]

• ইউআরএল (URL):

- কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা।

• প্রতিটি URL এ থাকে:
১. ওয়েব প্রোটোকল,
২. ওয়েব সার্ভারের নাম,
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ,
৪. HTML ফাইলের নাম।

১. ওয়েব প্রোটোকল:
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
২. ওয়েব সার্ভার:
- সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ:
- সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।
৪. HTML ফাইল নাম:
- html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৪৮.
Apache ও IIS উভয়ই হচ্ছে -
  1. Web Browser
  2. Web Server
  3. Protocol
  4. File Server
ব্যাখ্যা
- Apache ও IIS উভয়ই হচ্ছে ওয়েব সার্ভার। 
- Apache হচ্ছে একটি ওপেন সোর্স ওয়েব সার্ভার। 
- IIS হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্তৃক উদ্ভাবিত ওয়েব সার্ভার। 
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 
 
২৪৯.
WWW এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Wide World Web
  2. World Wide Web
  3. Wireless Web World
  4. Web World Wide
ব্যাখ্যা

• WWW অর্থ World Wide Web.

• World Wide Web:
- এটি হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য ব্রাউজ বা অ্যাক্সেস করার একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা। এটি মূলত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজের সমন্বয়ে গঠিত, যা একে অপরের সঙ্গে হাইপারলিংকের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
- ব্রাউজার যেমন: Google Chrome, Firefox, Safari ইত্যাদি ব্যবহার করে WWW-তে থাকা ওয়েবসাইট, ফাইল, ছবি বা ভিডিও দেখা যায়।

• WWW এর বৈশিষ্ট্য:
- ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- ওয়েব সার্ভারে রাখা তথ্য সহজে যে কোনো স্থান থেকে অ্যাক্সেস করা যায়।
- URL, HTTP, এবং HTML এর সমন্বয়ে তথ্য প্রদর্শন করে।

• WWW গুরুত্ব:
- তথ্য বিনিময় সহজ করেছে।
- অনলাইন শিক্ষা, ই-কমার্স, সোশ্যাল মিডিয়া, গবেষণা, বিনোদনসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়।
- বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও ডেটা শেয়ারিংকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৫০.
নিচের কোনটি অনলাইন অনুবাদের জন্য বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. AWS Translator
  2. Google Translator
  3. Gmail Translator
  4. Facebook Translator
ব্যাখ্যা
Google's free service instantly translates words, phrases, and web pages between English and over 100 other languages.
Google Translate -

সাইটঃ translate.google.com
২৫১.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. ক) Microsoft Edge
  2. খ) Firefox
  3. গ) File Explorer
  4. ঘ) Google Chrome
ব্যাখ্যা
Web Browser: The web browser is an example of application software that is developed to retrieve and view the information from web pages or HTML files present on the web servers.
For example, Microsoft’s internet explorer, Google Chrome, Mozilla Firefox, Opera and Apple safari.

File Explorer, previously known as Windows Explorer, is a file manager application

Search Engine: A search engine is a kind of website through which users can search the content available on the Internet. Some of the popular ones are: Google, Bing, Yahoo, Duck duck go, Baidu, etc.
২৫২.
ওয়েবসাইট বা পেজের পূর্ণ ঠিকানাকে সাধারণত কী বলা হয়? 
  1. Domain Name
  2. HTTP
  3. IP Address
  4. URL
ব্যাখ্যা

URL (Uniform Resource Locator): 
- একটি ওয়েবসাইট বা পেজের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানাকে URL বলা হয়। 
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator. 
উদাহরণস্বরূপ: http://www.shikkha.com। তবে শুধুমাত্র www.shikkha.com বা shikkha.com কে URL বলা হয় না। 
- URL তিনটি অংশে বিভক্ত থাকে। 
যথা- 
১) প্রোটোকলের নাম, 
২) হোস্টনেম এবং 
৩) ফাইলের অবস্থানসহ নাম। 
 
- এটি ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট পেজের ঠিকানাকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২৫৩.
IoT তে Edge Computing মূলত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. স্ক্রিনের রেজোলিউশন বাড়ানো
  2. ব্যাটারির আয়ু কমানো
  3. দূরবর্তী সার্ভারে তথ্য সংরক্ষণ করা
  4. উৎসের কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াজাত করা
ব্যাখ্যা

• IoT-তে Edge Computing মূলত ব্যবহৃত হয় উৎসের কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াজাত করার জন্য। অর্থাৎ, ডেটা প্রথমে দূরবর্তী ক্লাউড সার্ভারে পাঠানোর পরিবর্তে ডিভাইস বা লোকাল নোডেই প্রাথমিকভাবে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। এর ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয় এবং ল্যাটেন্সি কমে যায়। এছাড়াও নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইডথের ওপর চাপ কমে, কারণ সব তথ্য সার্ভারে পাঠাতে হয় না। এই প্রক্রিয়া IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন এমন কাজ, যেমন স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম বা হেলথ মনিটরিং, আরও নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর করে তোলে।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IoT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেকট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা।
- এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। 

এর ফলে, 
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
- IBM [link]

২৫৪.
ইন্টারনেট কোনটির প্রকৃষ্ট উদাহরণ?
  1. ক) PAN
  2. খ) WAN
  3. গ) LAN
  4. ঘ) MAN
ব্যাখ্যা

- ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN),
২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN),
৩. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) এবং
৪. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)।
- টেলিফোন লাইন, মডেম, ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক ম্যানের (MAN) উদাহরণ।
- ইন্টারনেট ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল প্যানের (PAN) উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৫৫.
একটি ওয়েবপেইজের সাথে আরেকটি ওয়েব পেইজের সংযোগ করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. Hyperlink
  2. Rel Link
  3. JavaScript Link
  4. No-follow Link
ব্যাখ্যা
হাইপার লিঙ্ক ব্যবহার করে একটি ওয়েবপেইজের সাথে আরেকটি ওয়েব পেইজের সংযোগ করা হয়।

- একটি ডকুমেন্ট বা পেজ এর সাথে অন্য আরেকটি ডকুমেন্ট বা পেজের আন্তঃসংযোগ স্থাপন বা লিঙ্ক করাকে হাইপার লিঙ্ক বলে।

হাইপারলিঙ্কের সুবিধাবলী- 
- লিংকআপ করার মাধ্যমে একই ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পেজ বা অন্য ওয়েবসাইটে খুব সহজে যওয়া যায়। 
- ব্রাউজারকারীর সময় বাঁচে।
- হাইপারলিংক এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত প্রদর্শন করবার সুযোগ থাকে। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২৫৬.
URL-এর 'http://www.xyz.com' অংশে '.com' অংশটিকে কী বলা হয়?
  1. IP Address
  2. Top-Level Domain (TLD)
  3. Directory
  4. Host Name
ব্যাখ্যা

• ডোমেইন নেম সিস্টেমের (DNS) ক্রমানুসারে একটি ডোমেইন নামের একদম ডানদিকের বা শেষের অংশটিকে Top-Level Domain (TLD) বলা হয়।
- এটি মূলত ওয়েবসাইটটির প্রকৃতি (যেমন বাণিজ্যিক বা শিক্ষা সংক্রান্ত) বা ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে।
- এটি ডোমেইন সাফিক্স (Suffix) বা ডোমেইন এক্সটেনশন হিসেবেও পরিচিত।

- একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য দুইটি জিনিসের ধারণা থাকতে হবে, প্রথমটি হলো ডোমেইন নাম এবং দ্বিতীয়টি ওয়েব হোস্টিং।
- ডোমেইন নাম হলো একটি ওয়েবসাইটের নাম যেমন- youtube.com, google. com, Wikipedia.org ইত্যাদি।
- ডোমেইন নাম ক্লায়েন্ট কম্পিউটারকে ওয়েবসার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।
- প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) অ্যাড্রেস (যেমন- 180.102.434.8) থাকে।
- কিন্তু এধরনের সংখ্যা বা নিউমেরিক ভ্যালু মনে রাখা মানুষের জন্য কষ্টকর বিধায় এই আইপি অ্যাড্রেসকে নির্দিষ্ট ডোমেইন নাম বা ক্যারেক্টার দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডোমেইন নাম এর দুইটি অংশ থাকে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং টপ লেভেল ডোমেইন, যেমন- youtube.com-এর youtube হচ্ছে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং.com হচ্ছে টপ লেভেল ডোমেইন।
- একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের অংশ যে কয়টি থাকতে পারে সেভাবে লেভেল হবে। যেমন- টপ লেভেল, সেকেন্ড লেভেল, থার্ড লেভেল ইত্যাদি।
- www.example.gov.bd এখানে টপ লেভেল ডোমেইন.bd-এর আওতায় সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন হচ্ছে.gov এবং.gov.bd-এর আওতায় থার্ড লেভেল ডোমেইন হলো example.

উৎস: ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি। [২০২৩ সংস্করণ], ব্রিটানিকা। [link]

২৫৭.
দশমিক 0.15 কে অক্টাল ফরম্যাটে পরিবর্তন করলে সংখ্যাটি কত হবে?
  1. 0.21356
  2. 0.15472
  3. 0.11463
  4. 0.22403
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
২. এভাবে ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না গুণফলের ভগ্নাংশ) হয়।
৩. অতঃপর উপরে দিক থেকে নিচের দিকের পূর্ণ অংশগুলো বাম থেকে ডান দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখতে হবে।

২৫৮.
MAC Address কী?
  1. ক) দুইটি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের ঠিকানা
  2. খ) নেটওয়ার্কে যুক্ত কম্পিউটারের লযিক্যাল অ্যাড্রেস
  3. গ) ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর
  4. ঘ) একটি ৪৮ বিটের IP ক্রমিক নম্বর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড MAC অ্যাড্রেস প্রদান করে। এই কার্ডের বৈশিষ্ট্য হলো এতে ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর থাকে যাকে MAC অ্যাড্রেস বলে। এই কার্ডে প্রদত্ত ম্যাক অ্যাড্রেসের একটির সাথে অপরটির কোনো মিল থাকে না। এই ম্যাক অ্যাড্রেস কম্পিউটারের (ROM) রমে সংরক্ষিত থাকে। এই কার্ড পিসি এবং ডেটা কেবলের মধ্যে সিগন্যাল আদান-প্রদানের কাজটি সমন্বয় করে থাকে।
২৫৯.
WhatsApp কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. Google
  2. Apple
  3. Meta
  4. Microsoft 
ব্যাখ্যা

• WhatsApp বর্তমানে Meta Platforms Inc. কোম্পানির মালিকানাধীন এবং Meta এর ইকোসিস্টেমের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়।
- WhatsApp একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ, যা ব্যবহারকারীদের টেক্সট, ছবি, ভিডিও, ভয়েস কল এবং ভিডিও কল করতে দেয়।
- এটি মূলত স্মার্টফোনের জন্য তৈরি করা হয়েছে, তবে ডেস্কটপ এবং ওয়েব সংস্করণও আছে।

• মালিকানা ইতিহাস:
- WhatsApp ২০০৯ সালে Jan Koum ও Brian Acton দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৪ সালে, Facebook Inc. (বর্তমানে Meta Platforms, Inc.) WhatsApp কিনে নেয়, প্রায় ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে।
- সেই থেকে WhatsApp হলো Meta এর অংশ, এবং একই কোম্পানি Facebook, Instagram, Messenger ইত্যাদিরও মালিক।

• Meta এর অধীন প্রধান প্ল্যাটফর্ম / অ্যাপ:
- Facebook: মূল সোশ্যাল নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্ম।
- Instagram: ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং এর জন্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম।
- Messenger: Facebook এর মেসেজিং সার্ভিস।
- WhatsApp: জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ, টেক্সট, ভয়েস ও ভিডিও কলের জন্য।
- Threads: Instagram এর সঙ্গে সংযুক্ত, মূলত টেক্সট-ভিত্তিক মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম।

• Meta এর প্রভাব:
- Meta, WhatsApp এর প্রযুক্তি ও সার্ভার অবকাঠামো পরিচালনা করে।
- এটি বিজ্ঞাপন ভিত্তিক নয়, তবে Meta এর ইকোসিস্টেমের সাথে সংযুক্ত।
- নতুন ফিচার যেমন: WhatsApp Pay, multi-device support, ইত্যাদি Meta এর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উৎস: 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

২৬০.
গুগলক্রোমের ব্রাউজার ইঞ্জিন কোনটি?
  1. ট্রাইডেন্ট (Trident)
  2. গ্যাকো (Gecko)
  3. ব্লিংক (Blink)
  4. ওয়েবকিট (Webkit)
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজারের নাম দেওয়া হলো।
যথা•
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox)
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর (Netscape Communicator)
- সাফারি (Safari)
- ওপেরা (Opera)
- গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।

ব্রাউজার ইঞ্জিন হলো ওয়েব ব্রাউজার সফটওয়্যারের মূল অংশ ।
এর প্রধান কাজ হলো ওয়েব পেইজের এইচটিএমএল (HTML) ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য রিসোর্সকে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য প্রয়োজনীয় রূপান্তর বা পরিবর্তন করা। এ পর্যন্ত অনেক ব্রাউজার ইঞ্জিন প্রচলিত হয়েছে।
যেমন-
- ট্রাইডেন্ট (Trident) হলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ব্রাউজার ইঞ্জিন,
- গ্যাকো (Gecko) হলো মজিলা ফায়ার কল্পের ব্রাউজার ইঞ্জিন,
- ওয়েবকিট (Webkit) হলো সাফারির ব্রাউজার ইঞ্জিন,
- ব্লিংক (Blink) হলো গুগলক্রোমের ব্রাউজার ইঞ্জিন

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
২৬১.
আইপি অ্যাড্রেসের প্রথম দুটি অকটেট দ্বারা কী প্রকাশ করা হয়?
  1. আইপি ভার্সন
  2. হোস্ট আইডি
  3. নেটওয়ার্ক আইডি
  4. গেটওয়ে অ্যাড্রেস
ব্যাখ্যা
• আইপি অ্যাড্রেস:
- IPV4 ভার্সনে ডিভাইস সংযোগের পর্যাপ্ত ঠিকানা সাইন করা যাচ্ছে না।
- IPV4 ভার্সনে মোট ২৩২ বা ৪,২৯৪,৯৬৭,২৯৬ সংখ্যক ডিভাইসে আইপি অ্যাড্রেস দেওয়া সম্ভব যা বর্তমান সময়ে অপ্রতুল।
- এই অসুবিধা দূর করার জন্য IPV6 ভার্সন চালু হচ্ছে।
- IPV6 অ্যাড্রেস ১২৮ বিটের হয়।
- অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতি ভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ বা ৩.৪ × ১০৩৮ সংখ্যক অর্থাৎ অসংখ্য যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটে সংযোগ করা যেতে পারে।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয় (মান 0000 থেকে FFFF এর মধ্যে হয়ে থাকে)।
- প্রতিটি ব্লক এর বাইনারি মান ১৬ বিটের হয়ে থাকে।
- আইপি অ্যাড্রেসের প্রথম দুটি অকটেট নেটওয়ার্ক আইডি এবং পরের দুটি অকটেট হোস্ট আইডি প্রকাশ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
২৬২.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Google Chrome
  2. Wordpress
  3. Safari
  4. Opera
ব্যাখ্যা
Wordpress হলো একটি web content management system.

ওয়েব ব্রাউজার:

- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।

বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Fire Fox)
- সাফারি (Safari)
- অপেরা (Opera)
- গুগল ক্রম (Google Chrome)
- নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৩.
সার্ভার থেকে কোনো ফাইল বা ডেটা লোকাল কম্পিউটারে/ নিজ কম্পিউটারে কপি করাকে কী বলে?
  1. প্রোভাইডিং
  2. রিসিভিং
  3. আপলোডিং
  4. ডাউনলোডিং
ব্যাখ্যা
• ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল:
- FTP এর পুরো নাম File Transfer Protocol.
- FTP এমন একটি সার্ভিস, যা ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল কপি করা যায়।
- এটি টিসিপি/আইপি প্রোটোকল সুট ফ্যামিলির অন্যতম সদস্য।
- ফাইল কপি করার জন্য এফটিপি ব্যবহার করা হবে যখন দুটো কম্পিউটারেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকবে। 
- লোকাল কম্পিউটার/ নিজের কম্পিউটার থেকে কোনো ডেটা বা ফাইল রিমোট কম্পিউটারে/ সার্ভারে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় আপলোডিং।
- রিমোট কম্পিউটার/ সার্ভারে থেকে কোনো ফাইল বা ডেটা লোকাল কম্পিউটারে/ নিজের কম্পিউটারে কপি করাকে বলা হয় ডাউনলোডিং। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৪.
FM stands for-
  1. ক) Frequence Modulating
  2. খ) Frequency Modulator
  3. গ) Frequently Modulation
  4. ঘ) Frequency Modulation
ব্যাখ্যা
১৯৪৬ সালে মনো এফ এম ব্যান্ডের আবিষ্কার হয়, ১৯৬০ সালে তা উন্নত হয়ে স্টেরিও এফএম ব্যান্ডে রূপ নেয়। FM এর পুর্ণরূপ - Frequency Modulation।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
২৬৫.
একটি ওয়েবসাইটকে HTTPS ব্যবহার করতে কোন ধরনের সার্টিফিকেট প্রয়োজন?
  1. SSL/TLS Certificate 
  2. DNS Certificate
  3. IP Certificate
  4. HTTP Certificate
ব্যাখ্যা

• একটি ওয়েবসাইটকে HTTPS-এর মাধ্যমে নিরাপদ করতে SSL/TLS সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে হয়। এটি ওয়েবসাইট এবং ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের মধ্যে তথ্য এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ নিশ্চিত করে, যাতে তৃতীয় পক্ষ কোনো ডেটা চুরি বা পরিবর্তন করতে না পারে। SSL (Secure Sockets Layer) এবং TLS (Transport Layer Security) এক ধরনের প্রোটোকল যা ইন্টারনেট সংযোগকে নিরাপদ করে। ওয়েবসাইটে এই সার্টিফিকেট ইনস্টল করলে URL-এর আগে https:// দেখায় এবং ব্রাউজারে লক আইকন প্রদর্শিত হয়, যা ব্যবহারকারীকে সুরক্ষিত সংযোগের নিশ্চয়তা দেয়। অন্য সার্টিফিকেট যেমন DNS, IP বা HTTP সার্টিফিকেট HTTPS নিরাপত্তা দেয় না।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) SSL/TLS Certificate.


• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৬৬.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে বিবেচিত হয় না?
  1. Reddit
  2. WolframAlpha
  3. Yandex
  4. AOL Search
ব্যাখ্যা

• উপরের চারটি অপশনের মধ্যে শুধুমাত্র "রেডিট (Reddit)" একটি সার্চ ইঞ্জিন নয়। Reddit একটি সামাজিক সংবাদ সংগ্রহ ও আলোচনা প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পোস্ট করে এবং মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা করে।
- অন্যদিকে, AOL Search, Yandex, এবং WolframAlpha- তিনটিই বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন। AOL Search ও Yandex মূলত ওয়েব পেজ সার্চের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে WolframAlpha একটি computational search engine, যা গণনাভিত্তিক তথ্য সরবরাহ করে। কিন্তু Reddit নিজে কোনো তথ্য অনুসন্ধান ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি কমিউনিটি-ভিত্তিক ফোরাম যেখানে তথ্য ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে শেয়ার হয়।
- সঠিক উত্তর:  Reddit.

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২৬৭.
Wi-Fi-এর পুরো রূপ কী?
  1. Wired Function
  2. Wide Frequency
  3. Wireless Fidelity
  4. Wireless Function
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৬৮.
ইন্টারনেট ডকুমেন্টের ঠিকানাকে কী বলে?
  1. ক) ISP
  2. খ) URL
  3. গ) HTTP
  4. ঘ) FTP
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ডকুমেন্টের ঠিকানাকে URL বলা হয়। 
URL অর্থ Uniform Resource Locator.
ওয়েব অ্যাড্রেস URL নামে পরিচিত।
২৬৯.
কম্পিউটার ফায়ারওয়াল এর কাজ -
  1. ক) কম্পিউটারে গতিশীলতা প্রদান করে।
  2. খ) ডেটা সংরক্ষণ করে।
  3. গ) গাণিতিক যুক্তি সম্পাদনে কাজ করে।
  4. ঘ) ইন্টারনেট ব্যবহারে সুরক্ষা প্রদান করে।
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল ইন্টারনেট ব্যবহারে সুরক্ষা প্রদান করে। 

- ফায়ারওয়াল হচ্ছে একটি শক্তিশালী কম্পিউটার সুরক্ষা প্রণালী যেখানে প্রতিটি ধরনের কম্পিউটার ডিভাইস এবং নেটওয়ার্ক গুলোকে হ্যাকার ম্যালওয়্যার এবং ভাইরাস থেকে সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে, কেউ যেন সেই নিরাপত্তার দেয়াল ভেঙে ঢুকতে না পারে তার চেষ্টা করা হয়।
- নিরাপত্তার এ অদৃশ্য দেয়ালকে ফায়ারওয়াল (Firewall) বলে।

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
২৭০.
DNS (ডোমেইন নেম সিস্টেম) কী?
  1. একটি ওয়েব ব্রাউজার
  2. একটি সিস্টেম যা ইন্টারনেট ঠিকানা রূপান্তর করে
  3. একটি ডেটাবেস সিস্টেম যা ইউজারদের তথ্য সংরক্ষণ করে
  4. একটি সাইবার সিকিউরিটি সিস্টেম
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
DNS (Domain Name System):
- ইন্টারনেটে ব্যবহারকারীদের ডোমেইন নাম (যেমন: www.example.com) এবং আইপি ঠিকানার মধ্যে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত একটি সিস্টেম।
- এটি ব্যবহারকারীদের জন্য ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা সহজ করে, কারণ তাদের জটিল আইপি ঠিকানা মনে রাখার প্রয়োজন হয় না।
- DNS সার্ভার এই নামগুলো সংশ্লিষ্ট আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করে, যা নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলো যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত করে।

উৎস: ICANN ওয়েবসাইট।
২৭১.
ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে সাধারণত কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন—
১) ইউনিকাস্ট (Unicast)
২) ব্রডকাস্ট (Broadcast)
৩) মাল্টিকাস্ট (Multicast)
[সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত) এবং কালের কন্ঠ পত্রিকা]
২৭২.
Identify the correctly spelt word.
  1. ক) Etiquete
  2. খ) Ettiquette
  3. গ) Etiquette
  4. ঘ) Etiqueutte
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে Etiquette বানানটি সঠিক।
- শব্দটির বাংলা অর্থ শিষ্টাচার।
২৭৩.
বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন কোনটি?
  1. Archie
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Bing
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন হলো Archie.
- Archie ১৯৯০ সালের  চালু করা হয়। 
- কানাডা McGill University এর তিনজন তরুণ Alan Emtage, Bill Heelan and Peter Deutsch এই সার্চ ইন্জিন তৈরি করে। 
- এই প্রথম সার্চ ইঞ্জিনের সাথে বর্তমান ইন্টারেক্টিভ ইন্টারফেস ভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিনের কোন সম্পর্ক ছিল না। 
- এটি FTP আর্কাইভগুলিকে ইন্ডেক্স করার একটি টুল, যা ব্যবহারকারীদের আরও সহজে নির্দিষ্ট ফাইলগুলি সনাক্ত করতে সাহাযয করে।

উৎস: Britannica.
২৭৪.
ISP এর পূর্ণ নাম কী?
  1. ক) Internet Super Power
  2. খ) Internet Server Provider
  3. গ) Internet Server Programmed
  4. ঘ) Internet Service Provider
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী (আইএসপি) বলতে একটি প্রতিষ্ঠানকে বুঝানো হয়, যারা ইন্টারনেটে প্রবেশ এবং ব্যবহার সংক্রান্ত সেবা প্রদান করে।
ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন রকমের হতে পারে। যেমন বাণিজ্যিক, সামাজিক মালিকানাধীন, অলাভজনক, বা অন্যথায় ব্যক্তিগতভাবে মালিকানাধীন।
২৭৫.
LAN এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. IEEE 802
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.12
  4. IEEE 802.14
ব্যাখ্যা
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN-Local Area Network):
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 
-LAN এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ 1 কিলোমিটার করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করতে হয়।
- LAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো একক ব্যাক্তি বা কিছুসংখ্যক লোকের একটি গ্রুপের হতে পারে।
- ল্যানের IEEE স্ট্যন্ডার্ড: IEEE 802

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. IEEE
২৭৬.
DNS সার্ভারের প্রধান কাজ কী?
  1. নেটওয়ার্কের গতি মাপা
  2. ইন্টারনেট ট্রাফিক গোপন রাখা
  3. ফাইল সংরক্ষণ করা
  4. ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

• DNS (Domain Name System) সার্ভারের মূল কাজ হলো ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা। 

• DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।  

২৭৭.
নিচের কোনটি strong password?
  1. PasSwOrD
  2. CDxY59*&
  3. ABCD1234
  4. A1B2C3D4
ব্যাখ্যা
Strong Password এর জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত:
- ১২ থেকে ১৪ টি ক্যারেক্টার বা তার বেশি থাকবে।
- বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, নম্বর, সংকেত থাকবে।
এমন পাসওয়ার্ড হতে হবে যাতে কোনো অভিধান, কোন প্রতিষ্ঠান, কোন ব্লগ এর কোথাও খুজে পাওয়া না যায়।
- পূর্বের পাসওয়ার্ডের সাথে যাতে না মিলে।
- নিজের জন্য মনে রাখা সহজ কিন্তু অপরের জন্য ধারণা করাই কঠিন হবে।

উৎস: Microsoft.
২৭৮.
আরপানেটের কার্যক্রম শুরু হয়-
  1. ক) ১৯৬৭ সালে
  2. খ) ১৯৬৯ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭৯.
কুকিজের এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. Internet Identity File বলা হয়
  2. ব্যবহারকারী সম্পর্কে তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কুকিজ (Cookies): 
- Internet Information File Cookies হলো এক ধরনের টেক্সট ফাইল যেগুলো কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরীতে সংরক্ষণ করা হয় যখন কোনো ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে।
-  Cookies এর কাজ হলো ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা।
- এটি একটি ওয়েবসাইটকে তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে ব্যবহারকারী সম্পর্কে নিজস্ব তথ্য সংরক্ষণ করতে দেয় যাতে যখনই আবার সেই সাইটে যাওয়া হয় তখন ব্যবহারকারীকে সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং এর ফলে ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত হয়। 
- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ওয়েবসাইট ভিজিট সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য সংরক্ষণ করে।

উৎস: Microsoft website.
২৮০.
বর্তমান ইন্টারনেটের পূর্বসূরী ছিল-
  1. ক) ইনট্রানেট
  2. খ) এক্সট্রানেট
  3. গ) ব্রাকনেট
  4. ঘ) আরপানেট
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আর্পানেট।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮১.
Each computer connected to the internet is identified by a unique-
  1. URL
  2. IP address
  3. Port number
  4. MAC address
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারকে একটি স্বতন্ত্র IP address দিয়ে শনাক্ত করা হয়।

• IP Address:
- IP address (Internet Protocol address) হলো ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের জন্য নির্ধারিত একটি ইউনিক সংখ্যাসূচক পরিচয়।
- এই ঠিকানার মাধ্যমে ইন্টারনেটে ডাটা সঠিক কম্পিউটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

• ইন্টারনেট ও ক্লায়েন্ট–সার্ভার মডেলে IP Address-এর ভূমিকা:
- ক্লায়েন্ট যখন সার্ভারের কাছে কোনো ডাটা বা সেবা অনুরোধ করে, তখন IP address ব্যবহার করেই সেই অনুরোধ পাঠানো হয়।
সার্ভারও IP address ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ক্লায়েন্টের কাছে ডাটা পাঠায়।
- তাই ইন্টারনেটে তথ্য আদান–প্রদানের জন্য IP address অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• DNS-এর সাথে সম্পর্ক:
- সংখ্যাসূচক IP address মানুষের জন্য মনে রাখা কঠিন।
- এজন্য Domain Name System (DNS) ব্যবহার করে IP address–কে ডোমেইন নামের সাথে যুক্ত করা হয়।
- ব্যবহারকারী সাধারণত নাম দিয়ে ওয়েবসাইট ব্যবহার করে, কিন্তু ভেতরে কাজ করে IP address।

• অন্যান্য অপশন:
- MAC address হলো নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের হার্ডওয়্যার–ভিত্তিক ইউনিক পরিচয়।
- Port number নির্দিষ্ট সার্ভিস বা অ্যাপ্লিকেশন শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- URL হলো কোনো ওয়েব রিসোর্সের পূর্ণ ঠিকানা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮২.
কোন ডিভাইসটি একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ছোট সেগমেন্টে ভাগ করতে পারে?
  1. ক) হাব
  2. খ) ব্রিজ
  3. গ) সুইচ
  4. ঘ) রাউটার
ব্যাখ্যা
ব্রিজ:

- ব্রিজ একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট সেগমেন্টে বিভক্ত করে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- এটি একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক তৈরি করে।
- এটি অনেকটা সুইচ বা হাব এর মতো। এক্ষেত্রে পার্থক্য হলো, হাব বা সুইচ একই নেটওয়ার্কের বিভিন্ন নোডকে সংযুক্ত করে অন্যদিকে ব্রিজ একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
২৮৩.
ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের লিংককে কী বলা হয়? 
  1. হ্যাশট্যাগ
  2. সাবলিংক
  3. ইউআরএল
  4. হাইপারলিংক
ব্যাখ্যা
ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ (WWW): 
- ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW - World Wide Web)। 
- এটিকে সংক্ষেপে ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়। 
- ওয়েব বলতে একটি বৃহৎ সিস্টেমকে বুঝানো হয় যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। 
- এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোনো ফরমেটের ডেটা। 
- এ সকল তথ্য ব্যবহার করতে হলে ইউজারকে একটি ক্লায়েন্ট বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যা ব্রাউজার (Browser) নামে পরিচিত। 
- ওয়েবে তথ্য মূলত সংরক্ষিত হয়ে থাকে পেইজ (Page) বা পৃষ্ঠার আকারে। 
- প্রতিটি পেইজে শুধু তথ্যই থাকে না, বরং এখান থেকে অন্য পেইজে যাবার জন্য থাকে বিশেষ ধরনের লিংক (Link) প্রদান করা হয়। ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের এই লিংককে বলা হয় হাইপারলিংক (Hyperlink)। 
- ওয়েবে হাইপারলিংক ব্যবহার করে খুব সহজেই এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় চলাচল করতে পারা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৮৪.
Peer-to-Peer Network এর বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. ক) ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক
  2. খ) বিশেষ কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন নেই
  3. গ) সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব নয়
  4. ঘ) ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
Peer-to-Peer Network:
প্রত্যেক ইউজার তাদের রিসোর্স অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে এবং প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার ও ওয়ার্কস্টেশনে ভূমিকা পালন করে।

বৈশিষ্ট্য: 
- ইউজাররা তাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। 
- ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক।
- ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয় না।
- বিশেষ কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন নেই।
- পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব নয়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
২৮৫.
সার্চ ইঞ্জিনের কোন অংশটি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে?
  1. সার্ভার মনিটর
  2. ওয়েব ক্রলার
  3. ফায়ারওয়াল
  4. ব্রাউজার
ব্যাখ্যা

• সার্চ ইঞ্জিনের যে অংশটি বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, সেটি হলো ওয়েব ক্রলার। ওয়েব ক্রলারকে অনেক সময় স্পাইডার বা বটও বলা হয়। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেটের এক পেজ থেকে আরেক পেজে ঘুরে বেড়ায় এবং ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, লিংকসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। সংগ্রহ করা এই তথ্য সার্চ ইঞ্জিনের ডাটাবেজে সংরক্ষিত হয়, যাতে ব্যবহারকারী কোনো কিছু সার্চ করলে দ্রুত ও সঠিক ফলাফল দেখানো যায়। অন্যদিকে সার্ভার মনিটর, ফায়ারওয়াল বা ব্রাউজার তথ্য সংগ্রহের কাজ করে না।
 
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- researchgate. [link]

২৮৬.
কোনটিকে ইন্টারনেট বলা হয়?
  1. LAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। তথ্য আদান- প্রদানের জন্যে এই ধরনের নেটওয়ার্ক বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৭.
'MIME' এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Multitasking Internet Mail Expansion
  2. Multipurpose Internet Mail Extensions
  3. Multipurpose Internet Mail End
  4. Multiuser Internet Mail Extensions
ব্যাখ্যা
'MIME' এর পূর্ণরূপ Multipurpose Internet Mail Extensions.
ইহা  ই-মেইল প্রটোকলের একটি এক্সটেনশন যা ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের ডেটা ফাইল যেমন  অডিও, ভিডিও, ছবি, অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পাঠাতে সাহায্য করে।
২৮৮.
Cookies বলতে বোঝায়-
  1. Personal file
  2. protocol
  3. web server
  4. Internet Information File
ব্যাখ্যা
• কুকিজ (Cookies): 
- Internet Information File Cookies এর কাজ হলো ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা। 
- Internet Information File Cookies হলো এক ধরনের টেক্সট ফাইল যেগুলো কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরীতে সংরক্ষণ করা হয় যখন কোনো ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে।
- এটি একটি ওয়েবসাইটকে তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে ব্যবহারকারী সম্পর্কে নিজস্ব তথ্য সংরক্ষণ করতে দেয় যাতে যখনই আবার সেই সাইটে যাওয়া হয় তখন ব্যবহারকারীকে সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং এটি ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে। 
- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ভিজিট সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য সংরক্ষণ করে।
 
উৎস: Microsoft website.
২৮৯.
কাকে "Father of the Internet" বলা হয়?
  1. John McCarthy
  2. Vint Cerf
  3. James Gosling
  4. Rasmus Lerdorf
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট: 
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network'.
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ (Vinton Gray Cerf) কে ইন্টারনেটের জনক বা "Father of the Internet" বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
২৯০.
নিচের কোনটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস?
  1. Dial-Up System
  2. ISDN
  3. Broadband
  4. Wi-Fi
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)
 
• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯১.
প্রথম Web browser কোনটি? 
  1. Netscape Navigator
  2. World Wide Web 
  3. Internet Explorer
  4. Safari
ব্যাখ্যা
• WWW (World Wide Web) হলো পৃথিবীর প্রথম ব্রাউজার।

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
২৯২.
কোন দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সুইডেন
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’ 
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
২৯৩.
ওয়েবসাইট পেজ কয় ধরণের হয়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
হোম পেজ, মূলধারা পেজ ও উপধারার পেজগুলো বিভিন্ন ভাবে সাজানো থাকতে পারে। ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী উহার বিভিন্ন পেজগুলোকে নিম্নোক্ত চার ভাবে সাজানো যায়। যথা-
১. ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল (Hierarchical)
২.ওয়েব লিংকড বা নেটওয়ার্ক (Network)
৩. সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার (Linear )
৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Combination)

ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল (Hierarchical):
• হায়ারার্কিক্যাল ওয়েব সাইট কাঠামোতে ব্যবহারকারী হোম পেজে ল্যান্ড করে।
• হোম পেজে সাব মেনু ও অন্যান্য পেজের লিংক থাকে। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করা যায় যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের ভিজিটররা সহজেই বুঝতে পারে কোন অংশে তার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো রয়েছে। 

ওয়েব লিংকড বা নেটওয়ার্ক (Network):
এখানে সবগুলো পেজেরই একে অপরের সাথে লিংক থাকে অর্থাৎ একটি মেইন পেজের সাথে যেভাবে অন্যান্য পেজের যেমন লিংক থাকে ঠিক তেমনি অন্যান্য পেজের সাথেও মেইন পেজের লিংক থাকে। 

সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার (Linear):যখন কোন একটি ওয়েবসাইটের পেজগুলো নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে ভিজিট করার প্রয়োজন হয় তখন সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়। কোন পেজের পর কোন পেজ আসবে তা ওয়েবটেকনোলজি ডিজাইন করার সময় ঠিক করা হয়ে থাকে। এই ধরণের পেজগুলোতে সাধারণত Next, Previous, Last, First ইত্যাদি লিংক ব্যবহার করা হয়।

হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Combination):  যখন একাধিক স্ট্রাকচার ব্যবহার করে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা হয় তখন তাকে Combination স্ট্রাকচার বলে। শুধুমাত্র হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচার ব্যবহার করলে ওয়েবসাইট খুব সুন্দর হয় না এবং শুধুমাত্র নেটওয়ার্ক স্ট্রাকচার ব্যবহার করলে অতিরিক্ত ডিস্কস্পেস প্রয়োজন হয়। তাই একাধিক স্ট্রাকচার ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি ভিজিটরদের জন্য ভিজিট করাও সহজ হয়।

 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৯৪.
IPv4-এর প্রথম কোয়াড্রেন্টের মান যদি ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে হয়, তাহলে এটি কোন ক্লাসের IP হবে?
  1. Class A
  2. Class B
  3. Class C
  4. Class D
ব্যাখ্যা
যদি IPv4-এর প্রথম কোয়াড্রেন্টের মান ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে হয়, তাহলে এটি Class C IP অ্যাড্রেস হবে। IPv4 অ্যাড্রেস চারটি কোয়াড্রেন্ট বা অংশে বিভক্ত থাকে, প্রতিটি ০ থেকে ২৫৫ পর্যন্ত মান ধারণ করতে পারে। IP অ্যাড্রেসগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয় - A, B, C, D এবং E। এর মধ্যে Class C সাধারণত ছোট ও মাঝারি আকারের নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়। Class C IP অ্যাড্রেসের প্রথম কোয়াড্রেন্ট বা অষ্টক (octet) ১৯২ থেকে শুরু হয়ে ২২৩ পর্যন্ত থাকে, যেমন ১৯২.১৬৮.০.১। এই ক্লাসে নেটওয়ার্ক আইডি তিনটি অংশ পর্যন্ত থাকে এবং শেষ অংশটি হোস্ট আইডি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) Class C.

• আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)

- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।
২৯৫.
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে কি বলা হয়?
  1. ক) হোস্ট
  2. খ) ওয়ার্কস্টেশন
  3. গ) ক্লায়েন্ট
  4. ঘ) ইন্টারপ্রিটার
ব্যাখ্যা
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে বলা হয় - ওয়ার্কস্টেশন। ওয়ার্কষ্টেশন হল একটি বিশেষ কম্পিউটার যা নকশা করা হয়েছে কারিগরি অথবা বৈজ্ঞানিক ব্যবহারিক কাজে প্রয়োগের জন্য। সাধারনভাবে এগুলো লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক দিয়ে সংযুক্ত থাকে।
২৯৬.
কোন নেটওয়ার্ক টপােলজিতে হাব (hub) ব্যবহার করা হয়?
  1. বাস টপােলজি
  2. রিং টপােলজি
  3. স্টার টপােলজি
  4. ট্রি টপােলজি
ব্যাখ্যা
• স্টার নেটওয়ার্ক টপােলজিতে হাব ব্যবহার করা হয়।

• স্টার টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।-
- কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়।
- এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।

• রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।

• ট্রি টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
- এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৭.
বাংলাদেশে সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৬৯
  4. ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালে।

• ইন্টারনেট: 
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ।

উৎস: ব্রিটানিকা ।
২৯৮.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজারের উদাহরণ? 
  1. Google 
  2. Bing
  3. Mozilla Firefox
  4. Yahoo
ব্যাখ্যা

ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser): 
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। 
- যে সফটওয়‍্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ওয়েব সার্ভারে রাখা পরস্পরের সংযোগযোগ্য Web page বা WWW পরিদর্শন করাকে Web Brwosing বলে। 
- Web Brwosing করে বিভিন্ন তথ্য ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে নিয়ে আসা যায়। 
- Web Brwosing করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফ্টওয়‍্যার রয়েছে। 
- এই সকল ওয়েব ব্রাউজার সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত ওয়েব সার্ভার কম্পিউটারগুলোতে যে সকল ওয়েব পেইজ (Web page) সংরক্ষিত রয়েছে তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে। 
- ১৯৯০ সালে টিম বার্নাস লি WorldWide Web নামে সর্বপ্রথম ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেন। 
উল্লেখ্য যে, World Wide Web ই বিশ্বের প্রথম ওয়েব ব্রাউজার হিসেবে পরিচিত। 
- বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ, মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox), সাফারি (Safari), ওপেরা (Opera), Chrome, Firefox, Internet Explorer, গুগল ক্রোম (Google chrome) ইত্যাদি। 

সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine): 
- সার্চ ইঞ্জিন একটি সফটওয়‍্যার টুল যা ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ইনফরমেশন খুঁজে বের করে। 
যেমন- Google (গুগল), Yahoo, Bing, MSN ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২৯৯.
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. সফটওয়্যার
  2. ডেটা বা ইনফরমেশন
  3. ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা
  4. কানেকটিভিটি
ব্যাখ্যা

• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়- ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা। 

• বিশ্বগ্রাম: 
- বর্তমানে Global শব্দটির সাথে Village শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে Global Village নামক একটি নতুন ধারণা প্রচলিত হয়েছে যার অর্থ হলো বৈশ্বিক গ্রাম বা বিশ্বায়ন। 
- বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া বিশেষ করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর ব্যাপক ব্যবহার ও প্রভাবে আজ বিশ্বের যে কোন দেশের মানুষ অন্য দেশের মানুষের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারাই হচ্ছে মূলত বিশ্বগ্রামের ধারণা। 
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন। 
- তাঁর মতে, ' ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হলো বিশ্বগ্রাম'। 

• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ: 
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ হলো- 
১। হার্ডওয়্যার (Hardware): 
- বিশ্বগ্রামে যে কোন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত হার্ডওয়্যার সামগ্রীর। 
- হার্ডওয়্যারের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার এবং এর সাথে যুক্ত পেরিফেরাল যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন, স্যাটেলাইট, অডিও-ভিডিও রেকর্ডার, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি। 

২। সফটওয়্যার (Software): 
- বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য হার্ডওয়‍্যারের পাশাপাশি প্রয়োজন সফটওয়্যার। 
- সফটওয়‍্যারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন সিস্টেম সফটওয়‍্যার, এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার, ব্রাউজিং সফটওয়্যার, কমিউনিকেটিং সফটওয়্যার, প্রোগ্রামিং ভাষা ইত্যাদি। 

৩। কানেকটিভিটি (Connectivity): 
- বিশ্বগ্রামের প্রতিটি মানুষ যাতে নিরাপদে তথ্য ও উপাত্ত আদান-প্রদান করতে পারে এবং পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে সেজন্য প্রয়োজন নেটওয়‍্যার্ক বা কানেকটিভিটি। 
- বিশ্বের তথ্য ভান্ডারের সাথে সার্বক্ষণিকভাবে বা প্রয়োজনে যুক্ত থেকে তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কানেকটিভিটি মূল ভূমিকা পালন করে। 

৪। উপাত্ত ও তথ্য (Data and Information): 
- উপাত্তকে প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমেই ব্যবহারযোগ্য তথ্যে পরিণত করা হয়। 
- বিশ্বগ্রামে উপাত্ত ও তথ্যকে মানুষের প্রয়োজনে একে অপরের সাথে বিনামূল্যে বা অর্থের বিনিময়ে শেয়ার করতে হয়। 

৫। সক্ষমতা (Capacity): 
- বিশ্বগ্রামের উপাদানগুলোর মধ্যে মানুষের সক্ষমতা অন্যতম। 
- যেহেতু বিশ্বগ্রাম মূলত তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর তাই এ বিষয়ে মানুষের সচেতনতা, স্বাক্ষরতা ও সক্ষমতা ইত্যাদির উপর এর প্রয়োগ অনেকাংশে নির্ভর করছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০০.
মেটার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. মিশিগান
  3. ওয়াশিংটন
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
• মেটা প্ল্যাটফর্মস, ইনকর্পোরেটেড:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।