PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
সাধারণ বিজ্ঞান
সাধারণ বিজ্ঞান
PrepBank · পাতা ৯৮ / ১৪০ · ৯,৭০১–৯,৮০০ / ১৪,০৮০
ব্যাখ্যা
- ক্যাপসিউলের নিচেই জড় কোষ প্রাচীর অবস্থিত।
- কোষ প্রাচীর পেপটিডোগ্লাইকান দিয়ে গঠিত।
- কোষ প্রাচীর সাধারণত ১০-২৫ মাইক্রোমিটার পুরু হয়।
- এটি ব্যাকটেরিয়া কোষের নির্দিষ্ট আকার ও দৃঢ়তা দান করে।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান।
- কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ।
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে।
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
১। ডিম্বকনাড়ী (Funiculus)
২। ডিম্বকনাভী (Hilum)
৩। নিউসেলাস (Nucellus)
৪। ডিম্বকমূল (Chalaza) :
৫। ডিম্বকত্বক (Integument)
৬। ডিম্বকরন্ধ্র (Micropyle)
৭। ভ্রূণথলি (Embryosac)
পরাগ নালিকা পুং গ্যামেটোফাইটের অংশ
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• ব্যাপন:
- যে প্রক্রিয়ায় একই তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসীয় বা তরল পদার্থ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অন্য কোনো গ্যাসীয় বা তরল মাধ্যমের উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে তাকে ব্যাপন বলে।
• ব্যাপনের গুরুত্ব:
- সালোকসংশ্লেষণে CO2 গ্রহণ ও O2 ত্যাগ ব্যাপন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- শ্বসনে গ্লুকোজ জারণে O2 ব্যবহৃত হয় যা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কোষে প্রবেশ করে। CO2-এ প্রক্রিয়ায় কোষ থেকে বের হয়ে যায়।
- উদ্ভিদ দেহে শোষিত পানি দেহ থেকে প্রস্বেদনের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বের করে দেয়।
- প্রাণী দেহে শ্বসন ও রক্ত থেকে পুষ্টি উপাদান, O2 প্রভৃতি লসিকায় বহন ও লসিকা থেকে কোষে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করে।
• ব্যাপনের হার অনুর ভর, মাধ্যমের ঘনত্ব ও তাপমাত্রা প্রভৃতির উপর নির্ভর করে।
অন্যদিকে,
• অর্ধভেদ্য পর্দা:
- যে পর্দা দিয়ে কেবল দ্রবণের দ্রাবক অণু আচলাচল করতে পারে কিন্তু দ্রব অণু চলাচল করতে পারে না তাকে অর্ধভেদ্য পর্দা বলা হয়।
- অর্ধভেদ্য পর্দা অভিস্রবন নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যাপনের হার এটির উপর নির্ভর করে না।
তথ্যসূত্র:
- বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, NCTB।
ব্যাখ্যা
- তাইওয়ানের TSMC (Taiwan Semiconductor Manufacturing Company) বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেমিকন্ডাক্টর ফাউন্ড্রি, যা বিশ্বের প্রায় 60% উন্নত চিপ উৎপাদন করে।
- Apple, AMD, NVIDIA সহ বড় টেক কোম্পানিগুলোর জন্য চিপ তৈরি করে থাকে TSMC.
- 3nm থেকে শুরু করে বিভিন্ন সাইজের চিপ উৎপাদনে সক্ষম TSMC।
অন্যদিকে,
- দ. কোরিয়া, Samsung এর মাধ্যমে একটি বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান Intel প্রধানত নিজেদের চিপ উৎপাদন করে।
- জার্মানি ও ফিনল্যান্ড তুলনামূলকভাবে ছোট স্কেলে উৎপাদন করে।
উৎস:
১. TSMC-এর বার্ষিক রিপোর্ট।
২. Semiconductor Industry Association-এর রিপোর্ট।
৩. INDEPENDENT নিউজ রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের ( এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে।
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
• ভাইরাসের নাম- ধরণ- সংক্রমণের মাধ্যম:
- Hepatities A- RNA - পানি, দূষিত খাবার;
- Hepatities B- DNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatities C- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatities D- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম, লালা;
- Hepatities E- RNA- পানি, দূষিত খাবার।
উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদের পাতা বা অন্য কোনো অঙ্গ হতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বলা হয়।
• প্রস্বেদনের প্রকারভেদ:
প্রস্বেদন প্রধানত তিন প্রকার। যথা:
- পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন।
- কিউটিকুলার প্রস্বেদন।
- লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।
• প্রস্বেদনের গুরুত্ব:
→ উদ্ভিদের দেহে পানির পরিবহন:
- প্রস্বেদন প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের মূল দ্বারা শোষিত পানিকে কান্ড এবং পাতার মাধ্যমে উপরে উঠতে সাহায্য করে।
→ উদ্ভিদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঠান্ডা রাখা:
- অতিরিক্ত পানি বাষ্পীভূত হওয়ার সময় উদ্ভিদ দেহকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
→ খনিজ লবণ পরিবহন:
- প্রস্বেদনের ফলে যে টান সৃষ্টি হয়, তা মাটির থেকে শোষিত খনিজ লবণ এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদদেহে পরিবহন করতে সাহায্য করে।
→ উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ:
- প্রস্বেদন উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করতে সহায়তা করে।
তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
ব্যাখ্যা
• গ্রীনহাউস প্রভাব হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সূর্যের তাপ আটকে রাখে। কার্বন ডাই-অক্সাইড হলো সর্বাধিক প্রভাবশালী মানবসৃষ্ট গ্রীনহাউস গ্যাস।
• গ্রীনহাউস প্রভাব কী?
- গ্রীনহাউস প্রভাব হলো বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট কিছু গ্যাসের এমন ক্ষমতা, যা সূর্যের বিকিরিত তাপ পৃথিবীর পৃষ্ঠে ধরে রাখে।
- এই গ্যাসগুলো পৃথিবীকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে, ফলে জীবনধারণ সম্ভব হয়।
- কিন্তু যখন এসব গ্যাসের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যায়, তখন পৃথিবীর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে, যা ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ নামে পরিচিত।
• গ্রীনহাউস গ্যাসে CO2 প্রভাব:
- শিল্পায়ন, যানবাহনের জ্বালানি পোড়ানো, বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন উজাড়, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে CO2 এর পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- CO2 বায়ুমণ্ডলের এমন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপ শোষণ করে যা পৃথিবী থেকে মহাশূন্যে ফিরে যাওয়ার কথা।
- ফলে তাপ আটকে যায় এবং পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ে।
- বর্তমানে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রায় ৭৫% মানুষের তৈরি গ্রীনহাউস প্রভাবের জন্য CO2 একাই দায়ী।
- যদিও মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ও জলীয় বাষ্পও গ্রীনহাউস গ্যাস, তবু প্রধান অবদানকারী গ্যাস হলো CO2।
তথ্যসূত্র:
- NCTB সাধারণ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।
- Britannica [লিংক]।
ব্যাখ্যা
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- এ কঠিনীকৃত কার্বন-ডাই-অক্সাইড -৭৮.৫° সেলসিয়াস উষ্ণতায় কঠিন অবস্থা থেকে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়।
- তাই এর নাম শুষ্ক বরফ বা ড্রাই আইস।
উৎসঃ ব্রিটানিকা
ব্যাখ্যা
• বোসন:
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের।
যথা:
১। গেজ বোসন ও
২। হিগস বোসন।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়ার যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি।
- সূর্য সকল শক্তির উৎস।
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্যের কিরণ থেকে তৈরি হয়েছে।
- প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
অ্যানজিওস্পার্ম বা সপুষ্পক উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুতে ভেসেল (vessel) উপাদান প্রধান জল পরিবাহী কোষ হিসেবে কাজ করে। ভেসেলগুলো হলো লম্বা নল যা অনেকগুলি মৃত কোষের শেষ প্রান্তের সংযোগে গঠিত হয়, যা জল পরিবহনে অত্যন্ত কার্যকর।
ট্রাকিয়া বা ভেসেল:
- ট্রাকিয়া বা ভেসেল অ্যানজিওস্পার্ম উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুর প্রধান উপাদান।
- এর কোষগুলো সাধারণত মোটা ও খাটো।
- এরা একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে এবং এদের প্রস্থ প্রাচীর বিলুপ্তির ফলে লম্বা ফাঁপা নলের ন্যায় গঠন তৈরি করে।
- ভেসেল কোষের পরিপূর্ণতার সময় প্রোটোপ্লাজম বিনষ্ট হয়। তাই পরিণত অবস্থায় এরা মৃত কোষ।
- এদের কোষ প্রাচীর লিগনিনযুক্ত এবং ট্রাকিডের ন্যায়।
- এরাও বলয়াকার, সর্পিলাকার, জালিকাকার, মই আকার ও কৃপাকার হতে পারে।
- নলাকার ট্রাকিয়ার গহ্বরের আকারের ভিত্তিতে ট্রাকিয়া দু'রকম।
যথা- প্রোটোজাইলেম ও মেটাজাইলেম।
- সরু ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা প্রথমে সৃষ্টি হয়) প্রোটোজাইলেম এবং মোটা ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা পরে সৃষ্টি হয়) মেটাজাইলেম বলা হয়।
- প্রধানত অ্যানজিওস্পার্মে ট্রাকিয়া থাকে।
- এরা মূল থেকে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণ পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে পরিবহন করে এবং উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
এ তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলো স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে বা আড়াআড়ি অগ্রসর হয় বলে একে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বা আড় তরঙ্গ বলে। আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।
অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ :
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয়, তাকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে। অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে অগ্রসর হয়। একটি সংকোচন এবং একটি প্রসারণ অংশ নিয়ে একটি তরঙ্গ গঠিত হয়। শব্দ হচ্ছে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচাইতে শক্তিশালী টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের একটি হচ্ছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
- এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বৃহস্পতি গ্রহের অরোরা বা বর্ণচ্ছটা, দানবীয় ঝড়, বৃহস্পতির চাঁদ এবং গ্রহটিকে ঘিরে থাকা বলয়।
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার নেতৃত্বে এটির অন্যান্য অংশীদার হচ্ছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি।
- এটি এখন পৃথিবী থেকে ১৬ লাখ (ষোল লাখ) কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের প্রথম পূর্ণাঙ্গ রঙিন ছবি প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালের ১২ই জুলাই।
- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে তোলা এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ক্যারিনা নেবুলা নিহারীকার নক্ষত্রপুঞ্জ এবং কিছু তারকা।
উৎস: NASA [লিঙ্ক], BBC NEWS বাংলা, ২৪ আগস্ট, ২০২২ [লিঙ্ক] এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) 10
এটম সংখ্যা (Z) = 8 → প্রোটনের সংখ্যা = 8
ভর সংখ্যা (A) = 18 → প্রোটন + নিউট্রন = 18
নিউট্রনের সংখ্যা:
নিউট্রন = A−Z = 18−8 = 10
পারমাণবিক সংখ্যা
- কোনো মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয়।
- যেমন- হিলিয়াম (He) এর একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে দুটি প্রোটন থাকে। তাই হিলিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হলো দুই।
- অক্সিজেন (০) পরমাণুর নিউক্লিয়াসে আটটি প্রোটন থাকে। তাই অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা হলো আট।
- প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যাকে Z দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
ভরসংখ্যা
- কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা বলে।
- ভরসংখ্যাকে A দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
নিউট্রন
- ভরসংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়।
- অক্সিজেন (O) ভরসংখ্যা হলো 18, এর প্রোটন সংখ্যা 8, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে 18 - 8 = 10
উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- সন্তানের জন্ম বিভিন্ন উপায়ে রোধ করা সম্ভব।
- বর্তমানে অনেক ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি আছে।
- পরিকল্পিত ও সুস্থ-সুন্দর পরিবার গড়ে তোলার জন্য প্রতিটি দম্পতিকেই জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি সম্পর্কে সকল তথ্য জানতে হবে এবং ভেবে-চিন্তে উপযুক্ত পদ্ধতিটি বেছে নিতে হবে ।
- জন্মনিয়ন্ত্রনের বহুল ব্যবহৃত আধুনিক পদ্ধতিগুলো হলো-
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
রেফ্রিজারেশন পদ্ধতির যে অংশে তাপ শোষণ করে পার্শ্ববর্তী অংশকে অপেক্ষাকৃত নিম্নতাপমাত্রায় আনয়ন করে তাকে ইভাপোরেটর বলে।
তরল প্রবেশের উপর ভিত্তি করে ইভাপোরেটর কয়েক
ক) ফ্লাডেড টাইপ ইভাপোরেটর।
খ) ড্রাই টাইপ ইভাপোরেটর।
গ) ওয়েট ইভাপোরেটর।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর (Bohr) মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন, এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামে পরিচিত।
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে।
- এ সারণিতে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ রয়েছে।
- পর্যায় গুলোকে ১ম পর্যায়, ২য় পর্যায়, তৃতীয় পর্যায়, ৪র্থ পর্যায়, ৫ম পর্যায়, ৬ষ্ঠ পর্যায় ও ৭ম পর্যায় এভাবে ভাগ করা হয়েছে। আর গ্রুপগুলোকে যথাক্রমে ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ গ্রুপ এ হিসেবে সাজানো হয়েছে।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।
পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য:
- পর্যায় সারণি মৌল গুলোকে সাজানোর এমন একটি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা।
- পর্যায় সারণির মাধ্যমে আবিষ্কৃত মৌলগুলোকে এমন সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়েছে যাতে করে একজন নবীন বিজ্ঞানী বা শিক্ষানবিশ রসায়নবিদ আবিষ্কৃত মৌল সম্পর্কে সঠিক ও পরিপূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারেন।
- IUPAC (International Union of Pure and Applied Chemistry) কর্তৃক স্বীকৃত আধুনিক পর্যায় সারণির কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
১. মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূলভিত্তি।
২. সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে।
৩. প্রতিটি পর্যায়ের বামদিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮তে গিয়ে শেষ হয়েছে।
৪. পর্যায় সারণি প্রথম পর্যায়ে মাত্র দুটি মৌল থাকে। যেমন- একটি H অপরটি He । H-এর অবস্থান গ্রুপ-১ এ এবং He এর অবস্থান গ্রুপ-১৮ এ।
৫. দ্বিতীয় পর্যায় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে আটটি করে মৌল বর্তমান। এ আটটি মৌল গ্রুপ-১ থেকে গ্রুপ-২ এবং গ্রুপ-১৩ থেকে গ্রুপ-১৮ এর মধ্যে অবস্থিত।
৬. ৪র্থ পর্যায় ও ৫ম পর্যায়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে ১৮টি গ্রুপের প্রত্যেকটিতে একটি করে ১৮টি মৌল অবস্থান করে থাকে।
৭. ৬ষ্ঠ পর্যায়ে ও ৭ম পর্যায়ের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম দেখা যায়। এক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে ১৮টি গ্রুপে মৌলের সংখ্যা ৩২টি। ৬ষ্ঠ ও ৭ম পর্যায়ের প্রতিটি পর্যায়ে গ্রুপ-৩ এ ১৫টি করে মৌল অবস্থান করে। বাকী ১৭টি গ্রুপে ১৭টি মৌল অবস্থান করে পর্যায়ে মোট মৌলের সংখ্যা (১৫ + ১৭) = ৩২টি হয়।
৮. মূল পর্যায় সারণির নিচে ২টি অনুভূমিক সারি এবং ১৪টি খাড়া স্তম্ভ বিশিষ্ট আরো একটি ছক উল্লেখ করা হয়েছে। এটিও মূল পর্যায় সারণির ৬ষ্ঠ পর্যায় ও ৭ম পর্যায়ের অংশবিশেষ মাত্র।
৯. সাধারণভাবে মৌলের ধর্ম তার গ্রুপের উপর নির্ভরশীল। একই গ্রুপের সকল মৌলের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই রকম হয়।
১০. পর্যায় তালিকায় কোনো মৌলের পর্যায় নির্ধারণ করা হয় ঐ মৌলের পরমাণু তার ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সর্বমোট কতটি কক্ষপথ ব্যবহার করেছে তার সংখ্যার ওপর।
উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ৬ -১০% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে।
• ফরমালিন:
- মিথান্যালের জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
- পরিমাণ হিসেবে ৪০% মিথান্যাল, ৫২% পানি ও ৮% মিথাইল অ্যালকোহলের মিশ্রিত থাকে।
• রেকটিফাইড স্পিরিট:
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে।
• মেথিলেটেড স্পিরিট:
- ইথানলকে পানের অযোগ্য বা অসেবনীয় করার উদ্দেশ্যে রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল মিশ্রিত করা হয়।
- এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে।
• পাওয়ার অ্যালকোহল:
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে ৩০% ইথানলকে যোগ করে বিকল্প জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ মিশ্রণকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন খনিজ পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- কিছু ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্টের ভূমিকা নিম্নে বর্ণনা করা হলো-
১। পটাশিয়াম:
- উদ্ভিদের বহু জৈবিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় পটাশিয়াম সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম।
- পটাশিয়াম উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে।
- কোষবিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে পটাশিয়াম।
- এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে।
২। নাইট্রোজেন:
- নাইট্রোজেন নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন আর ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
- উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হয়, আর ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হলে খাদ্য প্রস্তুত বাধাপ্রাপ্ত হয়।
- খাদ্যপ্রস্তুত বাধাপ্রাপ্ত হলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং শক্তি নির্গমন হ্রাস পায়।
৩। ম্যাগনেসিয়াম:
- ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।
- এর অভাব হলে ক্লোরোফিল অণু সৃষ্টি এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত ব্যাহত হবে।
৪। ফসফরাস:
- মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান।
- ফসফরাস জীবকোষের DNA, RNA, NADP, ATP প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান।
- কাজেই এটি ছাড়া উদ্ভিদের পুষ্টি একেবারেই সম্ভব নয়।
- উদ্ভিদের মূল বৃদ্ধির জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
Source: britannica.com
ব্যাখ্যা
- একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আলোর পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হার বেড়ে যায়।
- কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যাধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়।
- এর ফলে সালোকসংশ্লেষণএর হার কমে যায়।
- সাধারণত ৪০০ -৪৮০ ন্যানোমিটার এবং ৬৮০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়।
সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• ভূগোলের ধারণা (Concept of Geography):
- মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল।
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp)মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ,কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
ব্যাখ্যা
- ইস্পাত তথা কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।
শব্দ তরঙ্গ:
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়।
- এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক।
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি।
- তরল পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি।
- বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম এবং শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে।
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
অন্যদিকে, বৃক্ক রেচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীর থেকে নাইট্রোজেনেঘটিত যৌগ অ্যামোনিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, ইউরিয়া ইত্যাদি দেহ থেকে বের করে দেয়।
অর্থাৎ, মানবদেহে ইউরিয়া তৈরি হয় যকৃতে আর রক্ত থেকে আলাদা করে বের করে দেয় বৃক্ক।
উৎস: National Library of Medicine, USA.
ব্যাখ্যা
- ১৮৯৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল আকস্মিকভাবে এই রশ্নি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এই রশ্নির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্নি।
- তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষনার জন্যে তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক হেনরী বেকেরেল এবং ম্যারি কুরী ও তার স্বামী পিয়েরে কুরী যৌথভাবে ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান।
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- প্রাকৃতিক ও কৃত্তিম তেজস্ক্রিয়তা।
- কিছু কিছু মৌলের আইসোটোপ রয়েছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে আলফা, বিটা ও গামা রশ্নি নির্গত করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
- লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় ফসফরাস -32 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
- থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
শূন্য কাজ:
- বল প্রয়োগে যদি কোনো বস্তুর সরণ বলের লম্ব বরাবর হয়, তবে ঐ বলের দ্বারা কোনো কাজ হয় না।
- কেননা, এই ক্ষেত্রে θ = 90° হওয়ায় W = FS cos90° = 0 ।
উদাহরণ:
- কোনো বস্তুকে বৃত্তাকার পথে ঘোরায় যে কেন্দ্রমুখী বল, তার দ্বারা কোনো কাজ হয় না। কেননা, প্রতি মুহূর্তে বল ব্যাসার্ধ বরাবর কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়া করে আর সরণ হয় বৃত্তের স্পর্শক বরাবর।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি:
- মৌমাছির চাষ - এপিকালচার।
- রেশমের (পোকার) চাষ – সেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ - পিসিকালচার।
- পাখীপালন বিদ্যা - এভিকালচার।
- উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার।
- চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রনকালচার।
- মুক্তাচাষ- পার্লকালচার।
- রেশম কীট পালন, রেশম উৎপাদনের জন্য - সেরিকালচার।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- কোষপ্রাচীরের অভ্যন্তরে পাতলা পর্দাবেষ্টিত জেলীর ন্যায় থকথকে আধা তরল বস্তুটিকে প্রোটোপ্লাজম বলে।
- প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভিত্তি বলা হয়।
- প্রোটোপ্লাজমের তিনটি অংশ আছে।
যথা-
• কোষ ঝিল্লি,
• সাইটোপ্লাজম ও
• নিউক্লিয়াস।
কোষ ঝিল্লি:
- সম্পূর্ণ প্রোটোপ্লাজমকে ঘিরে যে নরম পর্দা দেখা যায় তাকে কোষ ঝিল্লি বা সেল মেমব্রেন বলে।
- এটি কোষের ভেতর ও বাইরের মধ্যে পানি, খনিজ পদার্থ ও গ্যাস এর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।
সাইটোপ্লাজম:
- প্রোটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসকে বাদ দিলে যে অর্ধতরল অংশটি থাকে, তাকে সাইটোপ্লাজম বলে।
- এর প্রধান কাজ কোষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঙ্গানুগুলোকে ধারণ করা।
- কিছু শরীরবৃত্তীয় কাজ এখানে সম্পন্ন হয়।
যেমন- সালোকসংশ্লেষণ।
নিউক্লিয়াস:
- প্রোটোপ্লাজমের মধ্যে ভাসমান গোলাকার ঘন বস্তুটি নিউক্লিয়াস।
- নিউক্লিয়াস কোষের সকল শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- নবীন কোষে এদের অবস্থান কোষের কেন্দ্রে।
- পরিণত কোষে এদের স্থান পরিবর্তন হতে পারে।
- এরা গোলাকার তবে কখনও কখনও উপবৃত্তাকার বা নলাকার হতে পারে।
- কোনো কোনো কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না।
- একটি নিউক্লিয়াস প্রধানত (১) নিউক্লিয়ার মেমব্রেন (২) নিউক্লিওপ্লাজম (৩) ক্রোমাটিন তন্তু ও (৪) নিউক্লিওলাস নিয়ে গঠিত।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়।
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন।
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন: ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান।
ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ৯ টি।
যথা: ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), অক্সিজেন (O) এবং সালফার (S)।
মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে।
- মাইক্রো উপাদান ৭ টি।
যথা: বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl), লৌহ (Fe), দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo)।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
একক ক্ষেত্রফলের উপর বায়ু যে বল প্রয়োগ করে, তাই বায়ুচাপ। বায়ু সবদিক থেকে চাপ দেয়। কোন স্থানের বায়ুচাপ নির্ভর করে সেখানকার তাপমাত্রার উপর। তাপমাত্রা বাড়লে কোন বদ্ধ পাত্রে বায়বীয় পদার্থের চাপ বেড়ে যায়। কিন্তু, বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুচাপ কমে যায়, কারণ বায়ুমণ্ডল কোন বদ্ধ পাত্র নয়, ইহা খোলা।
উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
আয়না বা দর্পণ (Mirror):
- আয়নায় নিয়মিত প্রতিফলনের কারণে স্পষ্ট প্রতিবিম্বের তৈরি হয়।
- আয়না তৈরি করার জন্য কাচের পেছনে প্রতিফলনের উপযোগী ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।
- কাচের সামনের পৃষ্ঠ থেকে ৪% আলো প্রতিফলিত হলেও পেছনের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় পুরো আলোই প্রতিফলিত হয় বলে সেটি মূল প্রতিবিম্বটি তৈরি করে।
- টেলিস্কোপ বা অন্য অপটিক্যাল (Optical) যন্ত্রে যখন মূল প্রতিবিম্বটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয় তখন কাচের উপরেই রূপা বা অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয় যেন একটি ৪% হালকা আরেকটি ৯৬% স্পষ্ট, এ রকম দুটি প্রতিবিম্ব তৈরি না হয়ে একটা ১০০% স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।
- কেউ যখন আয়নার সামনে দাঁড়ায় তখন সে নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে পাই, সে আয়নার যতটুকু সামনে আছ, তার মনে হবে প্রতিবিম্বটি বুঝি ঠিক ততটুকু পেছনে আছে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 104° F হলে, ঐ রোগীর দেহের তাপমাত্রা সেলসিয়াস স্কেলে কত হবে?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা, F = 104°F
সেলসিয়াস তাপমাত্রা, C = ?
আমরা জানি,
C/5 = (F - 32)/9
বা, C/5 = (104 - 32)/9
বা, C/5= 72/9
বা, C = (72 × 5)/9
বা, C = 8 × 5
∴ C = 40
সুতরাং, সেলসিয়াস স্কেলে রোগীর দেহের তাপমাত্রা = 40° C ।
ব্যাখ্যা
- মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। হিউম্যান জিনোম প্রজেক্ট (HGP) ছিল একটি বিশাল আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা, যা জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা তৈরি করেছিল, এবং এই ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, এবং সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করার জন্যই বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তির প্রয়োজন বিশেষভাবে অনুভূত হয় এবং এর ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়।
বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics):
- বায়োইনফরমেটিক্স একটি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় শাখা, যা জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত এবং পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত। এটির উদ্দেশ্য হলো বিশাল পরিমাণ জীববৈজ্ঞানিক ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করা।
- বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম বড় সাফল্য ছিলো মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং, যা ১৩ বছর পর অনলাইনে প্রকাশিত হয় এবং বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের জন্য সহজলভ্য হয়। এই শাখাটি ক্যান্সার গবেষণা এবং প্রোটিন গঠন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কাজেও অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে, বায়োইনফরমেটিক্স ব্যক্তিগত চিকিৎসা ও ওষুধের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- সাধারণত নিচের চারটি ভিন্ন ভিন্ন শাখার উপাদান ও কৌশলের সমন্বয়ে বায়োইনফরমেটিক্স পদ্ধতি কাজ করে থাকে।
যেমন-
১. আণবিক জীববিদ্যা ও মেডিসিন: ডেটা উৎস বিশ্লেষণের কাজ করে।
২. ডেটাবেজ: নিরাপদ ডেটা সংরক্ষণ ও ডেটা রিট্রিভ (Retrive) করা।
৩. প্রোগ্রাম: উপাত্ত বিশ্লেষণ অ্যালগরিদম যার মাধ্যমে বায়োইনফরমেটিক্স কঠোরভাবে সুনির্দিষ্ট করা হয়।
৪. গণিত ও পরিসংখ্যান: এর সাহায্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়।
বায়োইনফরমেটিক্সের ব্যবহার:
- মূলত জৈবিক পদ্ধতি বিশ্লেষণ সম্পর্কে সম্যক এবং সঠিক ধারণা অর্জন করার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়। আর এই জৈবিক তথ্য হিসাব-নিকাশ এবং এ সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যার সমাধানে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহারও অপরিহার্য।
- তবে জিনোম সিকোয়েন্স, প্রোটিন সিকোয়েন্স ইত্যাদি গঠন উপাদানের ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ গঠনে কম্পিউটার প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।এছাড়াও মলিকুলার মেডিসিন, জিনথেরাপি, ওষুধ তৈরিতে, বর্জ্য পরিষ্কারকরণে, জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণায়, বিকল্প শক্তির উৎস সন্ধানে, জীবাণু অস্ত্র তৈরিতে, ডিএনএ ম্যাপিং ও অ্যানালাইসিস, জিন ফাইন্ডিং, প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া পর্যবেক্ষণে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।
উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ হল কাঠ পোড়ানো।
রাসায়নিক পরিবর্তন:
- যে পরিবর্তনে নতুন পদার্থ সৃষ্টি হয় এবং পদার্থের আণবিক গঠন বা রাসায়নিক ধর্ম পরিবর্তিত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে।
- এই পরিবর্তন সাধারণত অপরিবর্তনযোগ্য (Irreversible)। অর্থাৎ একবার ঘটলে আগের অবস্থায় ফেরানো যায় না।
- যেমন: কাঠ পুড়ে ছাই হওয়া।
ভৌত পরিবর্তন:
- যে পরিবর্তনে কোনো নতুন পদার্থ সৃষ্টি হয় না এবং পদার্থের কেবল আকার, অবস্থা বা রূপ পরিবর্তিত হয়, তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে।
- এই পরিবর্তন সাধারণত পরিবর্তনযোগ্য (Reversible)। অর্থাৎ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়।
- যেমন: বরফ গলে পানি হওয়া।
তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক রসায়ন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
বেনজিন উর্ধ্বপাতিত বস্তু নয় ।
- উর্ধ্বপাতন হ'ল তরল অবস্থায় প্রবেশ না করেই পদার্থের কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসীয় পদার্থে রূপান্তর।
- যেমন কর্পূর, গন্ধক, আয়োডিন, ন্যাপথলিন, নিশাদল, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্সেনিক ইত্যাদি।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর:
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।
• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি: বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
• রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি: কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
• আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি: ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি: বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি: বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি: কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি : কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ ((Direct current-) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে।
ব্যাখ্যা
- এটি কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রোগ হয়।
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়োজন।
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়।
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে।
- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া, গিঁট ফুলে যাওয়া, হাড়গুলো বিশেষ করে পায়ের হাড় বেঁকে যাওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ।
- এছাড়া এই রোগে অনেক সময় দেহের কাঠামো ঠিক থাকে না, হাড়গুলো ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং বক্ষদেশ সরু হয়ে যায়।
- শিশুদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'ডি' সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে।
- চোখ এবং জননাঙ্গ ঢেকে রেখে নবজাতককে কিছুক্ষণ রোদে রাখা ভালো।
- এতে সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে শরীরে কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়।
- নিয়মিতভাবে সারা শরীর সারা দিন কালো বা গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখলে কিংবা দীঘদিন ধরে ঘরের বাইরে না বের হলে ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না এবং এ কারণে ভিটামিন 'ডি'-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
রেটিন হলো চক্ষু লেন্সের পেছনের দিকে অবস্থিত অক্ষিগোলকের ভিতরের পৃষ্টে গোলাপী রঙের ইষদচ্ছ আলোকসংবেদন আবরণ।
রেটিনা রড ও কোণ নামক কতগুলি স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা গঠিত ।
রেটিনার ওপর আলো পড়লে তা স্নায়ুতন্ত্রে এক প্রকার উত্তেজনা সৃষ্টি করে ফলে মস্তিষ্কে দর্শনের অনুভূতি জাগে ।
রেটিনা ক্যামেরার ফিল্মের মতো কাজ করে, ফটোরেসেপ্টরের মাধ্যমে চিত্রটি ক্যাপচার করে।
রেটিনার কাজ হল-
১) বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন করা ।
২) আলোক গ্রাহক হিসেবে কাজ করে উজ্জ্বল আলোতে দেখতে সাহায্য করে ।
সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
কোষের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১) প্যারেনকাইমা,
২) কোলেনকাইমা ও
৩) স্ক্লেরেনকাইমা।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
ব্যাখ্যা
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
- এ ক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- অনুনাদের সময় শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- আবার টেলিফোন ও রেডিওর প্রেরক যন্ত্রে শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
মানবদেহের প্রতিরক্ষা:
- রোগ জীবাণু কিংবা পরজীবী আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য মানবদেহে সাধারণভাবে তিন ধরনের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা লক্ষ করা যায়।
- প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর: ত্বক, সিলিয়া ও মিউকাস, এসিড, লাইসোজাইম এনজাইম ও রক্ত জমাট।
- দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: শ্বেত রক্তকণিকা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন ধরনের ফ্যাগোসাইটিক কোষ (ম্যাক্রোফেজ, নিউট্রোফিল ইত্যাদি), প্রদাহ সৃষ্টিকারী সাড়া ও দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রভৃতি দেহে দ্বিতীয় স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: ম্যাক্রোফেজ কর্তৃক উৎপাদিত প্রোটিন দু'ভাবে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করে।
- যেমন- ভৌত পদ্ধতি ও ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়া। ম্যাক্রোফেজ কর্তৃক ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু নিধন চারটি পর্যায়ক্রমিক ধাপে সম্পন্ন হয়।
- যথা- কেমোট্যাক্সিস, সংলগ্নীকরণ, গ্রাসকরণ ও হত্যা এবং পরিপাক।
তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• পৃথিবী (Earth):
- পৃথিবী আমাদের বাসভূমি।
- এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবী একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
- তাই এখানে ৩৬৫ দিনে এক বছর। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- পৃথিবী মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি এর ওরিয়ন-সিগনাস বাহুতে অবস্থিত, যা মিল্কিওয়ের চারটি সর্পিল বাহুর মধ্যে একটি , যা গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দূরে অবস্থিত।
- পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমন্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী।
- সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে।
উৎস: NASA, ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
ব্যাখ্যা
অন্যান্য অপশনসমূহ,
এডওয়ার্ড জেনার: গুটিবসন্তের ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেন (প্রথম ভ্যাকসিন)।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
সমাধান:
দেওয়া আছে,
P = ৬০ ওয়াট
t = (৩০ × ৭) = ২১০ ঘণ্টা
আমরা জানি,
ব্যয়িত শক্তি = (P × t)/১০০০ ইউনিট
= (৬০ × ২১০)/১০০০ ইউনিট
= ৯০০০/১০০০ ইউনিট
= ১২.৬ ইউনিট
ব্যাখ্যা
এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রনজেন বলা হয়। এক রনজেন বলতে আমরা সেই পরিমাণ এক্স-রে বিকিরণ বুঝি যা সাধারণ চাপ এবং তাপমাত্রায় 1x 10-3 m বায়ুতে 3.33 x 10-10C চার্জের সমান চার্জ উৎপন্ন করতে পারে।
জানার বিষয় :
১) কোমল এক্স-রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি, ভেদনক্ষমতা অত্যন্ত কম।
২) কঠিন এক্স-রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম, ভেদনক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
(উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
ব্যাখ্যা
রোধকে ঐ পরিবাহীর উপাদানের আপেক্ষিক রোধ বলে।
পরিবাহকত্ব: স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের একক দৈর্ঘ্যরে এবং একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের পরিবাহিতাকে
পরিবাহকত্ব বলে।
আপেক্ষিক রোধের বিপরীত রাশিকে পরিবাহকত্ব বলে।
উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- তড়িৎবাহী তারের উপর চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ মোটর তৈরি করা হয়।
- যে তড়িৎ যন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে তাকে তড়িৎ মোটর বলে।
- ডি.সি মোটর ও এ.সি মোটর নামে দুই ধরনের মোটর তৈরি হয়।
- মোটরের গতি এবং শক্তি নিম্নোক্তভাবে ভাবে বৃদ্ধি করা যায়-
১। তড়িৎ প্রবাহের মান বৃদ্ধি করে।
২। কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা বৃদ্ধি করে।
৩। শক্তিশালী চুম্বক ব্যবহার করে।
৪। কুণ্ডলীর ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি করে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- এম আর আই করার যন্ত্র সিটিস্ক্যান দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, এমআরআই দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি:
- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি।
- এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়।
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০ টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে।
- এই ৬০ টি উপাদানের মধ্যে ১৬ টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়, তাই এই ১৬ টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়; কারণ এই উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ ও প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয়।
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- ১। ম্যাক্রো উপাদান ও ২। মাইক্রো উপাদান ।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• কয়েকটি ভাইরাস জনিত রোগঃ
- জন্ডিস,
- হার্পিস,
- গুটি বসন্ত,
- জল বসন্ত,
- হাম,
- মাম্পস,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- বার্ড ফ্লু,
- সোয়াইন ফ্লু,
- পোলিও,
- এইডস,
- জলাতঙ্ক,
- নিপাহ,
- ডেঙ্গু জ্বর,
- ইবোলা,
- জিকা জ্বর ইত্যাদি।
• কতিপয় ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগঃ
- যক্ষ্মা,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিংকাশি,
- ধনুষ্টংকার,
- নিউমোনিয়া,
- মেনিনজাইটিস,
- কলেরা,
- গনোরিয়া,
- সিফিলিস,
- টাইফয়েড,
- আমাশয়,
- প্লেগ,
- কুষ্ঠ ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা
সমাধান:
এখানে,
কম্পাঙ্ক, f = 300 Hz
= 300s- 1
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, λ = 1.5m
তরঙ্গ বেগ, V = ?
আমরা জানি,
V = fλ
= 300s- 1 × 1.5m
= 450 ms- 1
ব্যাখ্যা
রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা।
রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। রক্ত সামান্য ক্ষারীয়।
এর PH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪।
সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস।
অজৈব লবণের উপস্থিতির জন্য রক্ত লবণাক্ত হয়।
একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
ব্যাখ্যা
- ফটোগ্রাফিক কাগজের উপর আলোকক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ফটো- ইলেকট্রিক কোষে আলোকশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
- Reduce (হ্রাস করো)
- Reuse (পুনঃব্যবহার করো)
- Recycle (পুনঃচক্রায়ন করো)
• এগুলো পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সর্বাধিক ব্যবহৃত একটি টেকসই পরিবেশনীতি বা sustainable environmental strategy, যা মানুষের উৎপাদন ও ব্যবহার-সংক্রান্ত অভ্যাসকে সচেতন ও পরিবেশবান্ধব করতে সাহায্য করে।
• 3R এর উদ্দেশ্য-
- Reduce
→ অপচয় হ্রাস করো।
→ অপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবহার কমাও।
উদাহরণ: প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার।
- Reuse
→ কোনো বস্তু বারবার ব্যবহার করো।
উদাহরণ: কাচের বোতল বা কৌটা আবার ব্যবহার করা।
- Recycle
→ পুরাতন বস্তু পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে নতুনভাবে ব্যবহার করো।
উদাহরণ: পুরাতন কাগজ দিয়ে নতুন কাগজ তৈরি।
তথ্যসূত্র:
- United Nations Environment Programme (UNEP).
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
মাইটোকন্ড্রিয়া:
- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে, তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়।
- এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়।
- কলিকার ১৮৫০ সালে সাইটোপ্লাজমে এসব অঙ্গাণু আবিষ্কার করেন।
- অল্টম্যান ১৮৯৪ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার উপস্থিতি আবিষ্কার করেন।
- বেন্ডা ১৮৯৮ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার নামকরণ করেন।
- বিভাজনের মাধ্যমে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে। কোষে একটিমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়া থাকলে তা কোষ বিভাজনের সাথেই বিভাজিত হয়।
মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজ:
১। কোষের যাবতীয় জৈবিক কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে।
২। শ্বসনের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ও কোএনজাইম ধারণ করে।
৩। শ্বসন এর বিভিন্ন পর্যায় যেমন- ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন পরিবহন, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ইত্যাদি এখানে সম্পন্ন হয়।
৪। কিছু পরিমাণ DNA ও RNA উৎপন্ন করে।
৫। ADP কে ATP তে রূপান্তর করার মাধ্যমে ATP তে শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে সহায়তা করে।
৬। স্নেহ বিপাকে অংশ গ্রহণ করে।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন:
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন।
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন।
- ইলেকট্রনের ভর অতি সামান্য।
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় ১৮৪০ গুণ হালকা।
- ইলেকট্রন একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা।
- ইলেকট্রনের সংকেত e-.
- ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11×10-28 g ও -1.60 ×10-19 C.
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান (-1)।
উৎস: রসায়ন, এসএসএসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদ তার বৃদ্ধি ও টিকে থাকার জন্য মাটি থেকে কমপক্ষে ১৬টি খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে।
- মাটিতে এসব উপাদানের ঘাটতি থাকলে বা উদ্ভিদে অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দিলে বাইরের উৎস থেকে সারদ্রব্যের আকারে জমিতে প্রয়োগ করা হয়।
- এ সারদ্রব্য কল-কারখানায় রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রস্তুত করে বাজারজাত করা হয়।
- জমির উর্বরতা বৃদ্ধি ও অধিক ফসল ফলানোর জন্য কল-কারখানায় প্রস্তুত বাজারে প্রাপ্ত সার দ্রব্য জমিতে ব্যবহৃত হয়।
⇒ কতকগুলো সার আছে যেগুলো থেকে উদ্ভিদ একাধিক খাদ্যোপাদান পায়। যেমন:
- অ্যামোনিয়াম সালফেট: নাইট্রোজেন ও সালফার,
- ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট: নাইট্রোজেন ও ফসফরাস,
- ক্যালসিয়াম নাইট্রেট: ক্যালসিয়াম ও নাইট্রোজেন,
- ট্রিপল সুপার ফসফেট: ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম,
- হাইপার ফসফেট: ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম,
- পটাশিয়াম সালফেট: পটাশিয়াম ও সালফার,
- পটাশিয়াম নাইট্রেট: পটাশিয়াম ও নাইট্রোজেন,
- জিপসাম: ক্যালসিয়াম ও সালফার,
- জিঙ্ক সালফেট: জিঙ্ক ও সালফার।
উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে।
- প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়।
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে।
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়।
- কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়।
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়।
লৌহ (Fe):
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়।
- তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়।
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।
- কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
২০০৯ সালে আবিষ্কৃত এ ভাইরাসটির সাথে শূয়াের ছানায় প্রাপ্ত ভাইরাসের সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায় বলে এর নাম হয় সােয়াইন ফ্লু।
সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের নাম H1N1.
হেমাগুটিনিন (Heritagglutini) টাইপ-১ ও নিউরামিনিডেস (Neuraminidase) টাইপ-১ মিলে H1N1 নামটি নেয়া হয়েছে।
ব্যাখ্যা
- সবচেয়ে স্পষ্ট ও দর্শনীয় বলয় রয়েছে শনি গ্রহের।
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে শনি গ্রহের দূরত্ব প্রায় ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- এটি গ্যাসের তৈরি একটি বিশাল গোলক।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
∴ ১৮০ ডিগ্রি = ১৮০ X ৪ = ৭২০ মিনিট = ১২ ঘন্টা।
কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।
কোন স্থানে সময় যখন শনিবার সকাল ৯ টা তখন-
১) ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিমে সময় হবে শুক্রবার রাত্রি ৯ টা।
এবং ২) ১৮০ ডিগ্রি পূর্বে সময় হবে শনিবার রাত্রি ৯ টা।
ব্যাখ্যা
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রাকে হ্রাস করে ফলে রক্ত স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে।
উৎস : উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• হৃৎপিণ্ডের পেশি অনৈচ্ছিক পেশির একটি প্রধান উদাহরণ।
• অনৈচ্ছিক পেশি (Involuntary Muscle):
- অনৈচ্ছিক পেশি হলো সেই পেশি, যার সংকোচন ও প্রসারণ আমাদের ইচ্ছা বা সচেতন নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়। এই পেশিগুলো স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
- এর বিপরীতে, ঐচ্ছিক পেশি (Voluntary Muscle) হলো সেই পেশি যা প্রাণীর ইচ্ছানুসারে সংকুচিত ও প্রসারিত হয় (যেমন- হাত ও পায়ের পেশি)।
• কার্ডিয়াক পেশি বা হৃৎপেশি (Cardiac muscle):
- এই পেশি মেরুদণ্ডী প্রাণীদের হৃৎপিণ্ডের এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি।
- এই টিস্যুর কোষগুলো নলাকৃতি (অনেকটা ঐচ্ছিক পেশির মতো), শাখান্বিত ও আড়াআড়ি দাগযুক্ত।
- এ টিস্যুর কোষগুলোর মধ্যে ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক (Intercalated disc) থাকে।
- এদের সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়।
- অর্থাৎ, কার্ডিয়াক পেশির গঠন ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজ অনৈচ্ছিক পেশির মতো, তাই একে ঐচ্ছিক-অনৈচ্ছিক পেশিও বলে।
- কার্ডিয়াক পেশির কোষগুলো শাখার মাধ্যমে পরস্পর যুক্ত থাকে।
- হৃৎপিণ্ডের সব কার্ডিয়াক পেশি সমন্বিতভাবে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়।
- মানব ভ্রূণ সৃষ্টির একটা বিশেষ পর্যায় থেকে মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত হৃৎপিণ্ডের কার্ডিয়াক পেশি একটা নির্দিষ্ট গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহের মধ্যে রক্ত চলাচলের প্রক্রিয়া সচল রাখে।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
ক্ষার (Alkali):
- ধাতু বা ধাতুর মতো ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের হাইড্রোক্সোইড যৌগ যা পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে।
- কোনো যৌগের ক্ষার হবার জন্য ২টি শর্ত রয়েছে-
১। যৌগটিতে হাইড্রোক্সাইড (OH-) যৌগমূলক থাকতে হবে এবং
২। ঐ যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হতে হবে।
- NaOH ক্ষার, কারণ সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড যৌগে OH- মূলক আছে এবং এটি পানিতে দ্রবণীয়।
- Fe(OH)2 কে ক্ষার বলা যায় না, কারণ এটিতে OH- গ্রুপ আছে কিন্তু এটি পানিতে দ্রবণীয় নয়, এটি শুধু ক্ষারক।
- CaO ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয় কারণ CaO এ OH- মূলক নাই।
অর্থাৎ, হাইড্রোক্সাইড মূলকধারী পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারকগুলোই হলো ক্ষার। তাই সব ক্ষারকই ক্ষার নয় কিন্তু সব ক্ষারই ক্ষারক।
- বাসাবাড়িতে ক্ষার জাতীয় অনেক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
যেমন-
• কাচ পরিষ্কার করার জন্য যে গ্লাস ক্লিনার ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ক্ষার (NH4OH) থাকে।
• টয়লেট পরিষ্কার করার জন্য যে টয়লেট ক্লিনার ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) ক্ষার থাকে।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- গণ নাম এবং প্রজাতির নাম বুঝায়, এরূপ দুটি পদ নিয়ে গঠিত নামকে দ্বিপদ নাম এবং নামকরণের প্রক্রিয়াকে দ্বিপদ নামকরণ (binomial nomenclature) পদ্ধতি বলা হয়।
• একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়। প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম। যেমন- গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নাম Solanum tuberosum।
• দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির লক্ষ্য একটাই, তা হচ্ছে এই বৈচিত্র্যময় জীবজগতের প্রতিটি জীবকে আলাদা নামে সঠিকভাবে জানা। আন্তর্জাতিকভাবে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি মেনে জীবের বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ করা হয়।
• উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম International Code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে। প্রকৃত পক্ষে এই code পুস্তকাকারে লিখিত একটি দলিল।
• নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।
• সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন এবং গণ ও প্রজাতির সংজ্ঞা দেন।
তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
ব্যাখ্যা
• রংধনু গঠনের প্রক্রিয়া:
- সূর্যের সাদা আলো যখন বৃষ্টির ক্ষুদ্র জলের ফোঁটার মধ্যে প্রবেশ করে, তখন আলোর প্রতিসরণ (Refraction) ঘটে।
- প্রতিসরণের ফলে আলোটি বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রঙে বিভক্ত হয়।
- এই বিভাজন প্রক্রিয়াকে বলা হয় বিচ্ছুরণ (Dispersion)।
- ফলে সাদা আলোটি সাতটি পৃথক রঙে বিভক্ত হয় — বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
- প্রতিটি রঙের প্রতিসরণের কোণ ভিন্ন হওয়ায় তারা আলাদা আলাদা পথে ছড়িয়ে পড়ে এবং আকাশে অর্ধবৃত্তাকার রঙিন ধনু বা রংধনু দেখা যায়।
উৎস: Encyclopaedia Britannica. [লিংক]
ব্যাখ্যা
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• চুম্বককে সুতোয় ঝুলিয়ে মুক্তভাবে স্থির অবস্থায় রাখলে এটি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে উত্তর–দক্ষিণ দিকে অবস্থান করে।
• চুম্বক (Magnet):
- চুম্বক হলো এমন একটি বস্তু যা লোহা, নিকেল, কোবাল্ট প্রভৃতি চৌম্বকীয় পদার্থকে আকর্ষণ করতে পারে।
- চুম্বকের আকর্ষণ ক্ষমতা মূলত তার চারপাশের চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে সৃষ্টি হয়।
- একটি চুম্বকের দুটি প্রান্ত থাকে, যেগুলোকে চৌম্বক মেরু বলা হয়।
- চুম্বকের এক প্রান্তকে উত্তর মেরু (North Pole) এবং অন্য প্রান্তকে দক্ষিণ মেরু (South Pole) বলা হয়।
- সমধর্মী মেরু পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীতধর্মী মেরু পরস্পরকে আকর্ষণ করে।
- চুম্বককে সুতোয় ঝুলিয়ে মুক্তভাবে স্থির অবস্থায় রাখলে এটি সর্বদা উত্তর–দক্ষিণ দিকে অবস্থান করে।
- চুম্বকের আকর্ষণ ক্ষমতা তার মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি এবং মাঝখানে তুলনামূলকভাবে কম হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- দুধ, পনির, ছোট মাছের কাঁটা, কলমী শাক ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
- কলিজা, ডিম, মাংস ইত্যাদিতে লৌহ এবং লবণ, সামুদ্রিক শৈবাল ও সামুদ্রিক মাছে আয়োডিন পাওয়া যায়।
- এ সমস্ত উপাদান দেহের বৃদ্ধির কাজে সাহাজ্য করে।
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়।
- লৌহের অভাবে রক্তশূণ্যতা দেখা দেয়।
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - ঘ) বিটস।
দুটি প্রায় সমান ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ যখন একে অপরের সাথে মিলিত হয়, তখন যে ঘটনাটি ঘটে তাকে বিটস (ঘ) বলা হয়। এই ক্ষেত্রে দুটি তরঙ্গ কখনো একে অপরকে শক্তিশালী করে (গঠনমূলক ব্যতিচার) এবং কখনো দুর্বল করে (বিনাশমূলক ব্যতিচার)। ফলে শব্দের তীব্রতা পর্যায়ক্রমে বাড়ে ও কমে, যা আমরা কানে “ধকধক” বা ওঠানামা করা শব্দ হিসেবে শুনি। বিটসের সংখ্যা নির্ভর করে দুই তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সির পার্থক্যের উপর। এই ঘটনা সঙ্গীত যন্ত্র টিউন করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
শব্দ:
- শব্দ এক প্রকারের শক্তি।
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়।
- শব্দ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন।
- জড় মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে।
- এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়ে কানে প্রবেশ করে। কানের মধ্যে বিভিন্ন যান্ত্রিক কৌশলের মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয় ফলে শব্দ শুনতে পাওয়া যায়।
শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য:
- শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে।
- বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন।
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন।
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল।
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
১.বাদামি দাগ রোগ:
- ধানের বাদামি দাগ রোগের কারণ বাইপোলারিস ওরাইজি (Bipolaris oryzae) নামক ছত্রাক।
২. ব্লাস্ট রোগ (Blast):
- ধানের ব্লাস্ট রোগের কারণ পাইরিকুলারিয়াগ্রিসিয়া (Pyricularia grisea) নামক ছত্রাক।
৩. খোল পচা রোগ (Sheath rot):
- ধানের খোল পচা রোগের কারণ স্যারোক্লেডিয়াম ওরাইজি (Sarocladium oryzae) নামক ছত্রাক।
৪. ব্যাকটেরিয়াজনিত পোড়া রোগ (Bacterial Blight):
- জ্যানথোমোনাস অরাইজি পিভি অরাইজি (Xanthomonas oryzae pv.oryzae) এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া।
৫. টুংরো (Tungro):
- টুংরো রোগের কারণ রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস।
৬. উফরা রোগ (ডাক পোড়া) (Ufra):
- উফরা রোগ (ডাক পোড়া) রোগের কারণ ডাইটিলেংকাস এ্যাংগাসটাস (Ditylenchus angustus) নামক এক ধরনের কৃমি।
উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ছত্রাক:
- ফানজাই (Fungi) এর বাংলা হলো ছত্রাক।
- ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদগুলোই ছত্রাক নামে পরিচিত।
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে মাইকোলজি বলা হয়।
যেমন- Penicillium, Agaricus, Mucor, Puccinia, Candida, Arcyria, Saprolegnia ইত্যাদি ছত্রাকের উদাহরণ।
ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য:
১। ছত্রাক অপুষ্পক উদ্ভিদ।
২। এরা ক্লোরোফিলবিহীন, অসবুজ এবং সালোকসংশ্লেষণে অক্ষম।
৩। এরা মৃতজীবী, পরজীবী বা মিথোজীবী হিসেবে বাস করে।
৪। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু থাকে।
৫। এদের কোষ প্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত।
৬। ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন বা চর্বি।
৭। এদের পরিবহনতন্ত্র বা ভাস্কুলার টিস্যু থাকে না।
৮। এদের জননাঙ্গ এককোষী।
৯। স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রূণে পরিণত হয় না।
১০। হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার হয় এবং
১১। জাইগোটে মায়োসিস ঘটে।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- পানিতে উপস্থিত জৈব বর্জ্য পদার্থসমূহের বিয়োজনের জন্য অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়।
- পানিতে যতো বেশি পারিমাণে বিয়োজন যোগ্য জৈব পদার্থ উপস্থিত থাকে তার জন্য অক্সিজেন চাহিদাও ততো বেশি।
- পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য জৈব পদার্থের বিয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণকে প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা বা BOD বলে।
- ভালো মান সম্পন্ন পানির BOD মান 6 ppm এর বেশি হওয়া উচিত নয়।
- অর্থাৎ প্রতি 1000 mL পানিতে বর্তমান জৈব বর্জ্য দূষকের বিয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন 6 mg এর বেশি হওয়া উচিত নয়।
- কোনো পানির BOD এর মান যত বেশি ঐ পানির দূষকের মাত্রা ততো বেশি।
- পানিতে BOD এর মান যতো বেশি হবে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) এর পরিমাণ ততো হ্রাস পায়।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• জীববিজ্ঞানের মাইক্রোবায়োলজি শাখায় অণুজীব বা মাইক্রোঅর্গানিজমের বৈশিষ্ট্য, গঠন, বৃদ্ধি, প্রজনন এবং পরিবেশে তাদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। মাইক্রোবায়োলজির অন্তর্ভুক্ত অণুজীবের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া এবং অ্যালগ রয়েছে। এই শাখা মানুষের স্বাস্থ্য, রোগ এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহে অণুজীবের প্রভাব, রোগ সৃষ্টি এবং জীববিজ্ঞানের গবেষণায় তাদের ব্যবহার-যেমন অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন বা বায়োপ্রসেস-সবই মাইক্রোবায়োলজির আলোচ্য বিষয়। অন্যদিকে ফাইকোলজি শাখা শৈবাল নিয়ে, এন্ডোক্রাইনোলজি হরমোন নিয়ে এবং এন্টোমোলজি পোকামাকড় নিয়ে কাজ করে। তাই অণুজীব সম্পর্কিত আলোচনা মাইক্রোবায়োলজিতে হয়।
- উত্তর: ক) মাইক্রোবায়োলজি।
• মাইক্রোবায়োলজি:
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান হলো মাইক্রোবায়োলজি।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• এন্ডোক্রাইনোলজি:
- জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা বিষয়ক আলোচনা করা হয় এন্ডোক্রাইনোলজি শাখায়।
• এন্টোমোলজি:
কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান হলো এন্টোমোলজি।
• ফাইকোলজি (Phycology) হলো শৈবাল সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন।
মৌলিক বল:
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
- মৌলিক বল ৪ টি। এই বলগুলো হলো-
১। মহাকর্ষ বল,
২। তাড়িতচৌম্বক বল,
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল।
অন্যদিকে,
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন।
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন।
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
ব্যাখ্যা
• ইবোলা রোগের ভাইরাস প্রথম চিহ্নিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।
- কিন্তু ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় যে ইবোলার প্রাদুর্ভাব হয় সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় আকারের।
- বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী এতে মারা যায় ১১ হাজারের বেশি লোক, আর সংক্রমিত হয়েছিল ২৮ হাজার।
- দু বছর ধরে চলা এ সংক্রমণে আক্রান্ত লোক পাওয়া গিয়েছিল ১০টি দেশে।
- এর মধ্যে আফ্রিকান দেশ ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, যুক্তরাজ্য এবং ইটালিও আছে।
- বিজ্ঞানীরা নানা পরীক্ষা ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন যে এর উৎস ছিল গিনির মেলিয়ান্দো গ্রামের দু'বছর বয়সের একটি শিশু।
সূত্র: বিবিসি নিউজ।
ব্যাখ্যা
- শ্রেণীবিন্যাসে স্তরগুলো বড় থেকে ছোট ক্রমে সাজানো হয়।
• শ্রেণীবিন্যাসের স্তরসমূহ (Hierarchy of Classification):
রাজ্য (Kingdom)
↓
পর্ব (Phylum)
↓
বর্গ (Class)
↓
গণ (Order)
↓
জাতি (Family)
↓
গণ (Genus)
↓
প্রজাতি (Species)
শ্রেণীবিন্যাসের স্তর থেকে দেখা যায় যে এর সর্বোচ্চ স্তর হলো রাজ্য ও সর্বনিম্ন স্তর হলো প্রজাতি।
তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে উভয়ক্ষেত্রেই নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন ব্যবহৃত হয়।
- তড়িৎ প্রবাহের তাপীয় ক্রিয়া প্রয়োগে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- গঠন প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বৈদ্যুতিক বাতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. কার্বন ফিলামেন্ট,
২. ধাতব ফিলামেন্ট ও
৩. গ্যাসপূর্ণ বাতি।
* উল্লেখ্য, প্রশ্নের অপশনে আর্গন না থাকায় নাইট্রোজেন উত্তর হবে।
উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
১. DNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- T2 ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridiscent Virus), এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস।
- Parvoviridae গোত্রের ভাইরাসের DNA একসূত্রক।
২. RNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র্যাবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি ভাইরাস।
- Reoviridae গোত্রের (রিও ভাইরাস, ধানের বামন রোগের ভাইরাস) ভাইরাসের RNA দ্বিসূত্রক।
উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে কেটে আলাদা করা হয়।
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ এনজাইম দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। যথা- Eco RI, Hind III, Bam HI ইত্যাদি।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজান অংশকে অসমভাবে কেঁটে দেয়।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
ব্যাখ্যা
যে সকল পদার্থ একটি মাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি, তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বলে।
যেমন- লোহা, তামা, সোনা (গোল্ড), নিকেল, রূপা, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ইত্যাদি।
যে সব পদার্থ একের অধিক ভিন্নধর্মী উপাদান দিয়ে তৈরি, তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলা হয়।
যেমন- পানি, লবণ, চিনি, ইস্পাত, শর্করা ইত্যাদি।
বায়ু এক ধরণের মিশ্র পদার্থ যেখানে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, জলীয়বাষ্পসহ অন্যান্য পদার্থ থাকে। বায়ু এমন একটি মিশ্র পদার্থ যেখানে মৌলিক ও যৌগিক উভয় ধরণের পদার্থ রয়েছে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা
ব্যাখ্যা
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যেটি মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
- রক্তের রসে লাল রংয়ের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।
সূত্রঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
ব্যাখ্যা
- গ্রীনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গেছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয়।
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রীনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় ৬ ঘন্টা বেশি।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০×৪=৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং গ্রীনিচ মানমন্দির ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাপ নির্ণয়কারী যন্ত্রটির নাম গ্যালভানোমিটার।
- গ্যালভানোমিটার ব্যবহৃত হয় বৈদ্যুতিক প্রবাহ সনাক্তকরণ এবং পরিমাপের জন্য।
- সবচেয়ে সাধারণ গ্যালভানোমিটার ব্যবহার অ্যানালগ পরিমাপ যন্ত্র হিসাবে ছিল, যাকে অ্যামিটার বলা হয়, ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক সার্কিটের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ কারেন্ট (ইলেকট্রিক চার্জের প্রবাহ) পরিমাপ করা।
সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- বায়ু ও পেট্রোলের মিশ্রণ তৈরি হওয়ার পরে এটিকে দহন প্রকোষ্ঠে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
- সব ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে না, শুধু পেট্রোল ইঞ্জিনে ৩টি কার্বুরেটর থাকে।
- Carburetor prepares a mixture of air and fuel (which is suitable for combustion) for a spark ignition engine.
- Carburetor is also used to control the speed of the vehicle.
- It converts petrol into fine droplets and mixes it in air in such a way that it burns smoothly in engine, without any problem.
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিক।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বই
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
- যে লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে তা হলো- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম গ্লুটামেট (COHINO Na) লবণ।
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য চুনাপাথর (CaCO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ।
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।
যেমন: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NHNO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি।
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ, যা প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। যেমন: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3), সিলভার সালফেট (Ag2SO4), সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র হলো গ্রাভিমিটার।
- চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো ম্যানোমিটার।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা হয় । আর এ নতুন যুগের সূচনা করেন বিজ্ঞানী আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।
চিরায়ত বলবিজ্ঞানের মতে স্থান, কাল এবং ভর ধ্রুব।
আইনস্টাইন এগুলো সম্পর্কে চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, স্থান, কাল এবং ভর এগুলো পরম কিছু নয়; এগুলো আপেক্ষিক। সুতরাং আইনস্টাইনের এ তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।
আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি দুটো ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:
(ক) আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (Special theory of relativity) এবং
(খ) আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব (General theory of relativity)
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
(ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)