ব্যাখ্যা
অন্যদিকে,
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার।
- ট্রান্সফরমার একটি গতিহীন নিশ্চল বৈদ্যুতিক যন্ত্র।
- গ্যালভানোমিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব মাপা যায়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৯৭ / ১৪০ · ৯,৬০১–৯,৭০০ / ১৪,০৮০
প্রস্বেদন:
- প্রস্বেদন উদ্ভিদের একটি বিশেষ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য পানি অপরিহার্য।
- উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি শোষণ করে। শোষিত পানির কিছু অংশ উদ্ভিদ তার বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে এবং বাকি অংশ বাষ্পাকারে বায়ুমন্ডলে পরিত্যাগ করে।
- উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানির এই নির্গমনের প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।
- প্রস্বেদন প্রধানত পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে হয়।
- এছাড়া কান্ড ও পাতার কিউটিক্স এবং কান্ডের ত্বকে অবস্থিত লেন্টিসেল নামক এক বিশেষ ধরনের অঙ্গের মাধ্যমেও অল্প পরিমাণ প্রস্বেদন হয়।
- প্রস্বেদন কোথায় সংঘটিত হচ্ছে তার ভিত্তিতে প্রস্বেদন তিন প্রকার। যথা-
১. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন,
২. ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন,
৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।
তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণী, বোর্ড বই।
আর্কিমিডিসের সূত্র (Archimedes' Law):
- সিসিলির বিখ্যাত বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস আবিষ্কার করেন পানিতে নিমজ্জিত বস্তু তার আয়তনের সমান পরিমাণ পানি অপসারণ করে এবং কিছু ওজন হারায়। তার এই আবিষ্কার বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে একটি সূত্রের আকারে প্রকাশ করা হয় যা আর্কিমিডিসের সূত্র নামে পরিচিত।
- সূত্রটি হল "কোনো বস্তু তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হলে, বস্তুটি কিছু পরিমাণ তরল বা বায়বীয় পদার্থ অপসারণ করে এবং বস্তুটি কিছু ওজন হারায়। বস্তুর এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান"।
ব্যাখ্যা:
- কোনো বস্তুকে যখন তরলে ডুবানো হয় তখন একই সাথে ঐ বস্তুর উপর দুটি বল কাজ করে।
- একটি বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল, যা বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে টানে। একে বলে বস্তুর ওজন। দ্বিতীয়টি বস্তুর উপর তরল পদার্থের ঊর্ধ্বমুখী চাপ বা বল, একে বলা হয় প্লবতা।
- দুটি বিপরীতমুখী বলের লব্ধি বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল হয়। ফলে বস্তুটির ওজন কমে যায়।
- বস্তুটি তরলে নিমজ্জিত হলে কিছু জায়গা দখল করে। তখন এই জায়গার তরল সরে যায় বা অপসারিত হয়। তরলের ঊর্ধ্বমুখী বল এই অপসারিত তরলের ওজনের সমান হয়।
- বস্তু যত বেশি জায়গা দখল করবে অপসারিত তরলের আয়তনও তত বেশি হবে। আবার বস্তুটি যত বেশি তরল অপসারণ করবে তার ওজন তত বেশি কমবে যা আর্কিমিডিসের সূত্রের মূল কথা।
বস্তুর ভাসা ও ডোবার শর্ত:
- ধরা যাক, একটি বস্তুর ওজন (বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল) W নিউটন। ঐ বস্তুটিকে পানিতে ডোবানো হলে বস্তুটির উপর পানির প্লবতা (ঊর্ধ্বচাপ জনিত বল) W1 নিউটন।
এখন-
১. W > W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে।
২. W < W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে ডুববে না, ভেসে থাকবে।
৩. W = W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন সমান হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে ডুবে ভাসবে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কোন একটি স্থানে একটি বল নিচে পড়ছে।
দুটি ক্ষেত্র চিন্তা করা যাক,
প্রথম ক্ষেত্রঃ
আপনি (পর্যবেক্ষক) এক জায়গায় দাড়িয়ে বলটি নিচে পড়তে দেখছেন এবং বলটি নিচে পড়তে কত সময় লাগল সেটি পরিমাপ করে S পরিমাণ সময় পেয়েছেন।
দ্বিতীয় ক্ষেত্রঃ
ধরা যাক, একই ঘটনা আপনি ঐ স্থানের সাপেক্ষে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলা ট্রেন থেকে দেখেছেন এবং সময় পরিমাপ করে D পরিমাণ সময় পেয়েছেন।
দুইটা পরিমাপ মেলালে, D > S হবে।
সহজভাবে বললে, একই পর্যবেক্ষক একই ঘটনার সময়কাল যদি আপেক্ষিকভাবে স্থির এবং গতিশীল এই দুইভাবে পরিমাপ করেন, তাহলে, ঐ একই ঘটনার সময়ের পরিমাপ দুইবার দুইরকম আসবে।
এবং, আপেক্ষিক গতিশীল অবস্থায় পরিমাপকৃত সময় স্থির অবস্থায় মাপা সময়ের চেয়ে বেশি হবে।
গতিশীল কাঠামোতে অবস্থিত কোনা ঘড়িতে পরিমাপকৃত কোনো ঘটনার সময়কাল, স্থির কাঠামোতে অবস্থিত পর্যবেক্ষকের নিকট দীর্ঘ হয়। একে কাল দীর্ঘায়ণ বা সময় প্রসারণ বলে।
আবার অন্যভাবে দেখুন,
ট্রেনে বসে আপনার বন্ধু যদি নিচে একটি পাথর ফেলেন এবং পড়ার সময়কাল মাপেন;
আপনিও স্টেশনে বসে ঐ একই পাথর পড়ার সময় মাপেন তাহলে আপনার মাপা সময় বেশি হবে।
মনে হতে পারে যে, গতিশীল অবস্থায়তো তাহলে সময় কমে গেল। আসলে কমেনি। আপনার বন্ধু যখন সময়টা পরিমাপ করেছেন তখন উনি আসলে স্থির পর্যবেক্ষক, গতিশীল নন; যেহেতু, ট্রেনের সঙ্গে উনি নিজেও যাচ্ছেন। অর্থাৎ, আপেক্ষিক গতি নেই। প্রশ্নে গতিশীল অবস্থায় সময়ের পরিমাপ চাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, ঘটনা ও পর্যবেক্ষকের মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকতে হবে।
উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি:
- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি।
- এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়।
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০ টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে।
- এ ৬০ টি উপাদানের মধ্যে ১৬ টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। এ ১৬ টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। কারণ এ উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ ও প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয়।
উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ:
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
১। ম্যাক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- এরূপ ৯ টি উপাদান হলো- নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও সালফার (S) ।
২। মাইক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়।
- এরূপ ৭ টি উপাদান হলো- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (C) ও ক্লোরিন (Cl) ।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
শুক্র (Venus):
- বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়।
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়। কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই একে ভুল করে তারা বলা হয়।
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা, তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না, এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি।
- শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার।
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর।
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
- সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও একমাত্র শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড।
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়।
- ব্যাক্টেরিওলজির জনক হলেন রবার্ট কচ (Robert Koch)।
- রবার্ট কচ (১৮৪৩–১৯১০) ছিলেন একজন জার্মান চিকিৎসক এবং ব্যাক্টেরিওলজির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করেন যে নির্দিষ্ট রোগের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া দায়ী।
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব।
- ব্যাপক অর্থে ব্যাকটেরিয়া বলতে আর্কিব্যাকটেরিয়া, ইউব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রুপকে বোঝায়।
উৎস:
১। উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
বহিঃ নিষেক: যে নিষেক ক্রিয়া প্রাণিদেহের বাইরে সংঘটিত হয় তা বহিঃ নিষেক নামে পরিচিত। এ ধরনের নিষেক সাধারণত পানিতে বাস করে এমন সব প্রাণীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
যেমন: বিভিন্ন ধরনের মাছ, ব্যাঙ প্রভৃতি। তবে এর ব্যতিক্রম রয়েছে, যেমন: হাঙ্গর।
অন্তঃ নিষেক: স্ত্রীদেহের জননাঙ্গে সংঘটিত নিষেক অন্তঃনিষেক নামে পরিচিত। সাধারণত শারীরিক মিলনের মাধ্যমে পুরুষ প্রাণী তার শুক্রাণু স্ত্রী জননাঙ্গে প্রবেশ করিয়ে এ ধরনের নিষেক ঘটায়।
অন্তঃনিষেক ডাঙায় বসবাসকারী অধিকাংশ প্রাণীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
মঙ্গল গ্রহ (Mars):
- মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহেঅক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন-জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. ডেভোরেট এবং জন এম. মার্টিনিস।
- অবদান: বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য তাদেরকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত এবং সাধারণত ক্ষুদ্রাতীত কণার আচরণগুলো কীভাবে আমাদের পরিচিত বড় আকারের মানব-সৃষ্ট বস্তু বা অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে সেটি এ বছরের পদার্থে নোবেল পুরস্কারের বিষয় ছিল।
উল্লেখ্য, উক্ত প্রশ্নটি জব সল্যুশনের পূর্বের প্রশ্ন, তবে ২০২৫ সালে কোয়ান্টাম মেকানিক্স সম্পর্কিত বিষয়ের উপর নোবেল পুরস্কার জেতায় সর্বোত্তম উত্তর হিসেবে - কোয়ান্টাম তত্ত্ব - নেয়া হয়েছে।
• নোবেল পুরস্কার:
- নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল।
- ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- অর্থনীতিতে নোবেল প্রবর্তন করা হয় ১৯৬৮ সালে।
- শুরুতে পাঁচটি শাখায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হতো।
- ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার চালু করা হয়।
- সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর ৩০০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
• বর্তমানে মোট ছয়টি শাখায় নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় যথা-
- চিকিৎসা।
- পদার্থবিদ্যা।
- রসায়ন।
- সাহিত্য।
- শান্তি।
- অর্থনীতি।
উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
গ্রীনহাউস গ্যাস:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- আমরা জানি, যে বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে।
- মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে।
- উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর- ঘ) ধারক
• ধারক:
- ধারক বা ক্যাপাসিটার হল এমন একটি বৈদ্যুতিক উপাদান যা চার্জ সঞ্চয় করতে পারে।
- কোনো বস্তুকে তাপ দিলে বস্তু তাপ ধারণ করে রাখে, তাই বস্তুকে তাপ ধারক বলা যায়।
- তেমনি যে বস্তু আধান ধারণ অর্থাৎ সঞ্চয় করে রাখে, তাকে আধান ধারক বা শুধু ধারক বলে।
- পাত্রে পানি ঢাললে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তেমনি কোনো বস্তুতে আধান প্রদান করলে বস্তুর বিভব বৃদ্ধি পায়।
- যে পরিমাণ আধান প্রদান করলে একটি বস্তুর বিভব 1V বৃদ্ধি পায় তাকে তার ধারকত্ব বলে।
- সহজ কথায় বলতে গেলে যে ধারণ করে সেই ধারক। যেমন গ্লাস, বালতি বা কলসী পানি ধারণ করে। সুতরাং তাদেরকে পানি ধারক বলা যায়।
- ধারকত্বকে C দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ধারকের একক ফ্যারাড (F)।
- ধারকের একক ফ্যারাডে একটি বেশ বড় একক। এজন্য এর কতগুলো ছোট একক ব্যবহার করা হয়।
১. 1 μF (মাইক্রো ফ্যারাড) = 10- 6 F
২. 1 nF (ন্যানো ফ্যারাড) = 10- 9 F
৩. 1 pF (পিকো ফ্যারাড) = 10-12 F
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ওজোন স্তর সংরক্ষণ:
- বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ স্তরটি হলো ওজোন স্তর।
- ওজোন স্তর ক্ষয় হওয়ার অন্যতম কারণ হলো সিএফসি (ক্লোরোফ্লোরো কার্বন)।
- বৈশ্বিক সেক্টর থেকে সিএফসি এর ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে।
- ২০১২ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী ঔষধ শিল্প ব্যতীত সকল সেক্টরে সিএফসি ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হয়েছে।
- মন্ট্রিল প্রোট্রোকলের শর্তানুযায়ী বাংলাদেশ একটি 'ওজোন সেল' গঠন করেছে যা ওজোন স্তর রক্ষায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
- বাংলাদেশ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশ সংক্রান্ড বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবস গুরুত্বের সাথে পালন করছে।
যেমন-৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, ১৪ অক্টোবর বিশ্ব মরুময়তা দিবস, ১৬ সেপ্টেম্বর ওজোন দিবস ইত্যাদি।
- টেকসই উন্নয়নের জন্য আমাদেরকে মৃত্তিকা, পানি, বায়ু, বনভূমি, জীববৈচিত্র্য প্রভৃতির স্থায়িত্ব এবং পারিবেশিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
- যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের পূর্বে পারিবেশিক প্রভাব মূল্যায়ন (Environmental Impact Assesment) করতে হবে এবং বিভিন্ন আইন ও নীতিমালার সুষ্ঠু প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• পানি:
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন।
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে।
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়।
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক।
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে।
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
• বুধ–শুক্র–পৃথিবী এই ক্রমে গ্রহগুলো অবস্থিত।
• প্রাকৃতিক গ্রহ ও উপগ্রহ:
- আমরা যে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে বাস করি, তার নাম আকাশগঙ্গা (Milky Way)।
- এই ছায়াপথে আমাদের সূর্য ও তার পরিবার অবস্থিত, যাকে সৌরজগৎ বলা হয়।
• সৌরজগৎ:
- সৌরজগতের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে সূর্য।
- সূর্যের চারদিকে আবর্তনশীল মোট ৮টি গ্রহ রয়েছে।
- গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে।
- সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে গ্রহগুলো হলো—
- বুধ,
- শুক্র,
- পৃথিবী,
- মঙ্গল,
- বৃহস্পতি,
- শনি,
- ইউরেনাস,
- নেপচুন।
• গ্রহ (Planet):
- যেসব বৃহৎ বস্তু সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে, সেগুলোকে গ্রহ বলা হয়।
- গ্রহগুলো নিজস্ব আলো উৎপন্ন করতে পারে না; তারা সূর্যের আলো প্রতিফলন করে।
• উপগ্রহ (Satellite):
- যে বস্তু কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরে, তাকে সেই গ্রহের উপগ্রহ বলা হয়।
উদাহরণ—
- চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
- সুতরাং, পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ এবং চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
• গ্রহ ও উপগ্রহের গতি:
- গ্রহ সূর্যের চারদিকে এবং উপগ্রহ গ্রহের চারদিকে ঘোরে।
- এই গতির ফলেই দিন-রাত, মাস ও বছর নির্ধারিত হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।
সঠিক উত্তর : গ) 2
• আইসোটপ (Isotopes):
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি H পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান। কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ।
- ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম হাইড্রেজেন পরমাণুর আইসোটোপ।
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
গ্লাইকোজেন:
- গ্লাইকোজেন হলো একটি পুষ্টিজাত পলিস্যাকারাইড।
- এটি প্রাণীদেহের প্রধান সঞ্চিত খাদ্য উপাদান হলেও সায়ানোব্যাকটেরিয়া ও কতিপয় ছত্রাকের (ঈস্ট) সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে বিরাজ করে।
- গ্লাইকোজেন এর মূল গাঠনিক উপাদান α-D গ্লুকোজ।
- হাইড্রোলাইসিস শেষে গ্লাইকোজেন হতে কেবল α-D গ্লুকোজ অণু পাওয়া যায়।
- এর আণবিক সংকেত- (C6H10O5)n.
গ্লাইকোজেন এর কাজ:
- প্রাণীদেহের লিভার ও পেশিতে বেশি করে গ্লাইকোজেন জমা থাকে যা প্রয়োজনে গ্লুকোজে পরিণত হয়। ফলে কার্বন ও শক্তি সরবরাহ হয়।
- রক্তের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, যকৃতের গ্লাইকোজেন গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তে প্রবাহিত হয় এবং পেশিতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন পেশির কাজে শক্তি যোগায়।
তাই, বলা যায় অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হলো - গ্লাইকোজেন।
তথ্যসূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬ টি বা ২৩ জোড়া।
- এরমধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪ টি অটোজোম।
- ১ জোড়া বা ২টি সেক্স ক্রোমোজোম।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
• ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে প্রদান করা হয় পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ারকে, মৌলিক কণার ভর উৎপত্তি ব্যাখ্যাকারী হিগস বোসন তত্ত্বের জন্য, যা ২০১২ সালে CERN–এর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে পরীক্ষামূলকভাবে নিশ্চিত হয়।
• হিগস বোসন তত্ত্ব:
- হিগস বোসন তত্ত্ব স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি ব্যাখ্যা করে কীভাবে মৌলিক কণাসমূহ ভর অর্জন করে।
- তত্ত্বটি হিগস ক্ষেত্রের ধারণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- কণাসমূহ হিগস ক্ষেত্রের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ভর লাভ করে।
- হিগস বোসন হলো সেই ক্ষেত্রের কোয়ান্টাম কণা।
• ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- ১৯৬৪ সালে পিটার হিগসসহ একাধিক বিজ্ঞানী ভর উৎপত্তি সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।
- ২০১২ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্ন (CERN) গবেষণাগারে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের মাধ্যমে হিগস বোসনের অস্তিত্ব পরীক্ষামূলকভাবে নিশ্চিত হয়।
- ২০১৩ সালে পিটার হিগস এবং ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
• বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব:
- হিগস বোসনের আবিষ্কার স্ট্যান্ডার্ড মডেলকে পূর্ণতা প্রদান করে।
- এটি মৌলিক কণাতত্ত্বের দীর্ঘদিনের একটি তাত্ত্বিক সমস্যার সমাধান করে।
- একে কখনও কখনও জনপ্রিয়ভাবে “গড পার্টিকল” বলা হয়, যদিও এটি বৈজ্ঞানিক নাম নয়।
• অন্যান্য অপশন:
- স্টিফেন হকিং → ব্ল্যাক হোল বিকিরণ ও মহাকাশতত্ত্বে অবদানের জন্য পরিচিত।
- মারে গেল-ম্যান → কোয়ার্ক তত্ত্ব প্রবর্তনের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- রিচার্ড ফাইনম্যান → কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রোডাইনামিক্সে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উৎস: Nobel Prize in Physics 2013 – Official Summary.
• মহাবিশ্বের উৎপত্তি বোঝানোর প্রধান তত্ত্ব হলো বিগব্যাং তত্ত্ব। এই তত্ত্ব অনুসারে, প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত অবস্থায় সংকুচিত ছিল। এক মুহূর্তে এটি একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে সম্প্রসারিত হতে শুরু করে, যা থেকে সময়, স্থান ও পদার্থের সৃষ্টি হয়। বিগব্যাং তত্ত্বের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ, কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন এবং গ্যালাক্সি গঠনের প্রমাণগুলি ব্যাখ্যা করা যায়। তাই মহাবিশ্বের উৎপত্তি বোঝার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব।
- সঠিক উত্তর: ক) বিগব্যাং তত্ত্ব।
মহাবিশ্ব:
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব।
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব।
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে।
- বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি।
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল।
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র।
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে।
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল।
মহাবিশ্বের উৎপত্তি:
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'।
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো।
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়।
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স।
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম।
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
• সমযোজী বন্ধনের সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হলো Cl2, যেখানে দুটি সমজাতীয় অণু এক জোড়া ইলেকট্রন শেয়ার করে বন্ধন গঠন করে।
- এটি একটি সরল আণবিক যৌগ।
- দুটি ক্লোরিন পরমাণু একটি জোড়া ইলেকট্রন শেয়ার করে সমযোজী বন্ধন তৈরি করে।
• সমযোজী বন্ধন:
- সমযোজী বন্ধন হলো এমন একটি রাসায়নিক বন্ধন যেখানে দুটি বা তার বেশি অ-ধাতব পরমাণু তাদের ইলেকট্রন শেয়ার করে শক্তিশালী সংযুক্তি তৈরি করে।
- এই বন্ধনে ইলেকট্রন এক বা একাধিক জোড়ায় ভাগ করা হয়।
• আয়নিক বন্ধন:
- আয়নিক বন্ধন হলো এমন একটি রাসায়নিক বন্ধন যেখানে একটি ধাতু তার ইলেকট্রন সম্পূর্ণভাবে একটি অ-ধাতুর কাছে স্থানান্তর করে।
- এর ফলে ধাতু একটি ধনাত্মক আয়ন এবং অ-ধাতু একটি ঋণাত্মক আয়ন তৈরি করে।
- এই আয়নগুলো পারস্পরিক বৈদ্যুতিক আকর্ষণে শক্তভাবে যুক্ত থাকে।
• অপশন আলোচনা:
NaCl:
- এটি একটি আয়নিক যৌগ।
- এখানে ইলেকট্রন সম্পূর্ণভাবে সোডিয়াম থেকে ক্লোরে স্থানান্তরিত হয়, সমযোজী বন্ধন নয়।
KCl / KBr:
- এটিও একটি আয়নিক যৌগ।
- পটাসিয়াম ও ক্লোরাইড / ব্রোমাইড আয়নের মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তর ঘটে।
উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
◉ হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।
- জৈব যৌগের মধ্যে সরলতম যৌগ হলো এ হাইড্রোকার্বন।
• অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি।
• মিথেন (Methane) হলো একটি সরল হাইড্রোকার্বন যার রাসায়নিক সংকেত: CH4
এখানে-
কার্বন (C) = ১টি
হাইড্রোজেন (H) = ৪টি
সুতরাং, মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত = ১ : ৪
উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• কোনো বস্তুকে যদি প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কিলোমিটার অর্থাৎ, 11.2 Kms- 1 বেগে খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হয়, তবে সেটি পৃথিবীর মহাকর্ষীয় বল কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে। এই বিশেষ বেগকে মুক্তিবেগ বলা হয়। এটি বস্তুর ভরের ওপর নির্ভর করে না, তাই একটি ছোট পাথর বা একটি বিশাল রকেটের জন্য এই বেগের মান একই থাকে।
• মুক্তি বেগ:
- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তিবেগ (Escape velocity) বলা হয়।
• মুক্তি বেগ বা তার বেশি বেগে কোন বস্তুকে নিক্ষেপ করা হলে সেটি আর পৃথিবীতে ফিরে না এসে পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিন করতে থাকে।
- মুক্তি বেগের মান হলো ১১.২ কি.মি./সেকেন্ড বা 11.2 Kms- 1।
- আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) কে মুক্তি বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে সেটি পৃথিবীর অভিকর্ষকে অতিক্রম করে চলে যাবে , ফলে সেটি আর ফেরত আসবে না।
• সাধারণত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) এর গতিবেগ হয় প্রতি সেকেন্ডে ৬ থেকে ৯ কিলোমিটার।
- মুক্তিবেগ থেকে এই বেগ কম হওয়ায় তা আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- কিন্তু তা ১১.২ কিলোমিটার/সেকেন্ড বা তার বেশি বেগ প্রাপ্ত হলে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না।
উল্লেখ্য:
২.৪ কিমি/সেকেন্ড হলো চাঁদের মুক্তিবেগের মান যা পৃথিবীর মহাকর্ষ বল কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• মানুষের শ্রাব্যতার সীমা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে।
• শ্রাব্যতার সীমা:
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন।
- কম্পন হলেই সব শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।
- মানুষের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।
- প্রতি সেকেন্ডে ২০ টির নিচে কম্পন হলে উৎপন্ন শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।
- প্রতি সেকেন্ডে ২০,০০০ টির বেশি কম্পন হলেও উৎপন্ন শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।
- তাই মানুষের শ্রাব্যতার সীমা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে।
- এই সীমার মধ্যে উৎপন্ন শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলা হয়।
- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে।
• শব্দেতর (Infrasonic) তরঙ্গ:
- ২০ Hz-এর নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে শব্দেতর তরঙ্গ বলে।
- এ ধরনের তরঙ্গ মানুষের কানে শোনা যায় না।
- শব্দের চেয়ে কম কম্পাঙ্কের জন্য একে শব্দেতর বলা হয়।
• শব্দোত্তর (Ultrasonic) তরঙ্গ:
- ২০,০০০ Hz-এর উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বলে।
- এ ধরনের তরঙ্গ মানুষের কানে শোনা যায় না।
- শব্দের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের জন্য একে শব্দোত্তর বলা হয়।
• বিভিন্ন প্রাণীর শ্রাব্যতার পাল্লা:
- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz,
- বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz থেকে ৬৪,০০০ Hz,
- ইঁদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz থেকে ৯১,০০০ Hz,
- বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz থেকে প্রায় ১১০,০০০ Hz,
- ডগ হুইসেল বা নীরব বাঁশিতে উৎপন্ন শব্দ মানুষ শুনতে পায় না, কিন্তু কুকুর ও বিড়াল শুনতে পারে।
- প্রাণীভেদে শ্রাব্যতার পাল্লার পার্থক্য রয়েছে।
উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.
◉ পৃথিবীর একেবারে নিকটতম নক্ষত্র হলো সূর্য। এর গড় দূরত্ব পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার (1 Astronomical Unit, AU)।
নক্ষত্র (Star):
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে।
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে।
- খালি চোখে মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখা যায়।
- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়।
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে।
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না।
- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে, কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে।
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)।
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।
উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
• বৃহস্পতি :
- রোমান পুরাণে দেবতাদের রাজা বৃহস্পতির নামে গ্রহের রাজার নামকরণ করা হয়েছিল।
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীনতম গ্রহ।
- এটি সবচেয়ে প্রাচীন গ্রহ, যা ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সূর্যের সৃষ্টির সময় অবশিষ্ট ধুলো এবং গ্যাস থেকে তৈরি হয়েছিল।
- বৃহস্পতির গঠন সূর্যের মতোই - বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম।
- এটি তার অক্ষের উপর একবার ঘুরতে প্রায় ৯.৯ ঘন্টা সময় নেয়।
- ৪৮৪ মিলিয়ন মাইল (৭৭৮ মিলিয়ন কিলোমিটার) গড় দূরত্ব থেকে, বৃহস্পতি গ্রহ সূর্য থেকে ৫.২ জ্যোতির্বিদ্যাগত একক দূরে।
- বৃহস্পতির ৯৫টি উপগ্রহ রয়েছে যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত।
- বৃহস্পতি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ (জোভিয়ান সময়ের এক বছর) প্রায় ১২ পৃথিবী বছরে (৪,৩৩৩ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।
উৎস: NASA.
মানবদেহে করােটিকা স্নায়ুর সংখ্যা ১২ জোড়া বা ২৪ টি।
আর মেরুরজ্জীয় স্নায়ুর সংখ্যা ৩১ জোড়া বা ৬২ টি।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বাের্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।