বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৯৭ / ১৪০ · ৯,৬০১৯,৭০০ / ১৪,০৮০

৯,৬০১.
বিদ্যুৎ পরিমাপক যন্ত্রের নাম কী? 
  1. অ্যামিটার
  2. ভোল্ট মিটার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. গ্যালভানোমিটার
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র হলো অ্যামিটার। 

অন্যদিকে, 
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার। 
- ট্রান্সফরমার একটি গতিহীন নিশ্চল বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- গ্যালভানোমিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব মাপা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৬০২.
ডায়োড তৈরিতে কোন দুটি অর্ধপরিবাহী যুক্ত করা হয়? 
  1. দুইটি n টাইপ
  2. দুইটি p টাইপ
  3. একটি p টাইপ ও একটি n টাইপ
  4. একটি n টাইপ ও একটি পরিবাহী
ব্যাখ্যা
ডায়োড: 
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত। 
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড। 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড। 
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬০৩.
ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোন মশা?
  1. অ্যানোফিলিস মশা
  2. কিউলেক্স মশা
  3. এডিস মশা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু:
• এডিস মশা ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু বহন করে।
• ডেঙ্গু জ্বরের বাহক মশার নাম Aedes aegypti.
• এছাড়াও এডিস এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
• এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।

ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ:
- জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যাথা এবং চর্মে ফুসকুড়ি।
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর বলা হয়। এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান-২য় পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং WHO ওয়েবসাইট। 
৯,৬০৪.
খনিজ পদার্থ কত প্রকার?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাচঁ
ব্যাখ্যা
মৌল ও যৌগ বিবেচনায় খনিন পদার্থ দুই প্রকার। মৌলিক ও যৌগিক খনিজ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৯,৬০৫.
হৃদপিন্ডের করোনারি রক্তনালির রক্ত জমাট বাঁধলে সেটিকে কি বলে?
  1. লিউকোসাইটোসিস
  2. সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস
  3. করোনারি থ্রম্বোসিস
  4. থ্যালাসেমিয়া
ব্যাখ্যা
শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০০০০ - ৩০০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে।
রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমান কমে রক্ত শূন্যতা সৃষ্টি হলে তাকে থ্যালাসেমিয়া বলে।
এটি বংশগত।
গুরু মস্তিষ্কের রক্তনালির রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৯,৬০৬.
উদ্ভিদের দেহ থেকে বাষ্প আকারে পানি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. সালোকসংশ্লেষণ
  2. প্রস্বেদন
  3. ইমবাইবিশন
  4. ব্যাপন
  5. অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা

প্রস্বেদন:
- প্রস্বেদন উদ্ভিদের একটি বিশেষ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য পানি অপরিহার্য।
- উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি শোষণ করে। শোষিত পানির কিছু অংশ উদ্ভিদ তার বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে এবং বাকি অংশ বাষ্পাকারে বায়ুমন্ডলে পরিত্যাগ করে।
- উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানির এই নির্গমনের প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।
- প্রস্বেদন প্রধানত পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে হয়।
- এছাড়া কান্ড ও পাতার কিউটিক্স এবং কান্ডের ত্বকে অবস্থিত লেন্টিসেল নামক এক বিশেষ ধরনের অঙ্গের মাধ্যমেও অল্প পরিমাণ প্রস্বেদন হয়।
- প্রস্বেদন কোথায় সংঘটিত হচ্ছে তার ভিত্তিতে প্রস্বেদন তিন প্রকার। যথা-
১. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন,
২. ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন,
৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণী, বোর্ড বই।

৯,৬০৭.
রক্তের প্লাজমা প্রোটিন কোনটি?
  1. ক) অ্যালবুমিন
  2. খ) ফাইব্রিনোজেন
  3. গ) প্রোথ্রম্বিন
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• রক্তে জৈব পদার্থের ভিতরে প্লাজমা প্রোটিন এর পরিমাণ প্রায় ৭.৫%।
• প্লাজমা প্রোটিন এর মধ্যে অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনোজেন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
• রক্তে বিদ্যমান নাইট্রোজেনঘটিত রেচন পদার্থের মধ্যে রয়েছে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন, জ্যানথিন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৬০৮.
মানবদেহের দেহকোষে অটোজোম সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ০২টি
  2. খ) ২২টি
  3. গ) ৪৪টি
  4. ঘ) ৪৬টি
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম
- মানবদেহের দেহকোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এই ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪টি ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম। 
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে অটোজোমের কোনো ভূমিকা নেই। 
- অন্য এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬০৯.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি ধ্রুব?
  1. স্থান
  2. আলোর দ্রুতি
  3. ভর
  4. সময়
ব্যাখ্যা
• আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে, আলোর দ্রুতি আপেক্ষিক নয় অর্থাৎ এটি ধ্রুব।

• আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব।
- এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
- আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক।
- বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
- ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।
- এটি কোনো পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভর করে না।

• আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৬১০.
বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে- 
  1. ভেসে থাকবে
  2. ডুবে যাবে
  3. সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়ে ভাসবে
  4. অর্ধেক ভেসে থাকবে
ব্যাখ্যা

আর্কিমিডিসের সূত্র (Archimedes' Law): 
- সিসিলির বিখ্যাত বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস আবিষ্কার করেন পানিতে নিমজ্জিত বস্তু তার আয়তনের সমান পরিমাণ পানি অপসারণ করে এবং কিছু ওজন হারায়। তার এই আবিষ্কার বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে একটি সূত্রের আকারে প্রকাশ করা হয় যা আর্কিমিডিসের সূত্র নামে পরিচিত। 
- সূত্রটি হল "কোনো বস্তু তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হলে, বস্তুটি কিছু পরিমাণ তরল বা বায়বীয় পদার্থ অপসারণ করে এবং বস্তুটি কিছু ওজন হারায়। বস্তুর এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান"। 
ব্যাখ্যা: 
- কোনো বস্তুকে যখন তরলে ডুবানো হয় তখন একই সাথে ঐ বস্তুর উপর দুটি বল কাজ করে। 
- একটি বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল, যা বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে টানে। একে বলে বস্তুর ওজন। দ্বিতীয়টি বস্তুর উপর তরল পদার্থের ঊর্ধ্বমুখী চাপ বা বল, একে বলা হয় প্লবতা। 
- দুটি বিপরীতমুখী বলের লব্ধি বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল হয়। ফলে বস্তুটির ওজন কমে যায়। 
- বস্তুটি তরলে নিমজ্জিত হলে কিছু জায়গা দখল করে। তখন এই জায়গার তরল সরে যায় বা অপসারিত হয়। তরলের ঊর্ধ্বমুখী বল এই অপসারিত তরলের ওজনের সমান হয়। 
- বস্তু যত বেশি জায়গা দখল করবে অপসারিত তরলের আয়তনও তত বেশি হবে। আবার বস্তুটি যত বেশি তরল অপসারণ করবে তার ওজন তত বেশি কমবে যা আর্কিমিডিসের সূত্রের মূল কথা। 

বস্তুর ভাসা ও ডোবার শর্ত: 
- ধরা যাক, একটি বস্তুর ওজন (বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল) W নিউটন। ঐ বস্তুটিকে পানিতে ডোবানো হলে বস্তুটির উপর পানির প্লবতা (ঊর্ধ্বচাপ জনিত বল) W1 নিউটন।
এখন- 
১. W > W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে। 
২. W < W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে ডুববে না, ভেসে থাকবে। 
৩. W = W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন সমান হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে ডুবে ভাসবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬১১.
কুলম্বের সূত্র অনুসারে, দুটি আধানের আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ভর করে-
  1. আধান দুটির পরিমাণের উপর
  2. আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর
  3. আধান দুটি যে মাধ্যমে উপস্থিত তার উপর
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• কুলম্বের সূত্র:
- কুলম্বের সূত্র (Coulomb’s Law) হলো একটি মৌলিক সূত্র যা দুইটি স্থির তড়িৎ চার্জের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

• দুটি আধানের আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ভর করে-
- আধান দুটির পরিমাণের উপর। 
- আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর। 
- আধান দুটি যে মাধ্যমে উপস্থিত তার উপর। 

সূত্রটি:
• F = k⋅q1⋅q2/r2

• F = বল (Newton-এ)
• q₁, q₂ = দুইটি চার্জ (Coulomb)
• r = দুই চার্জের মধ্যকার দূরত্ব (meter)
• k = ধ্রুবক

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৬১২.
পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. আয়োডিন-১৩১
  2. কার্বন-১৪
  3. ফসফরাস-৩২
  4. কোবাল্ট-৬০
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ:
- পর্যায় সারণিতে 82Pb এর পরবর্তী মৌলসমূহ বিশেষ করে 86Rn থেকে শুরু করে সারণির শেষের দিকের সব মৌল এবং তাদের যৌগসমূহ তেজস্ক্রিয়।
- এই আইসোটোপগুলো তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে অন্য মৌলের আইসোটোপে পরিণত হয় বলে এ ধরনের আইসোটোপগুলোকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
- প্রকৃতপক্ষে তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণের ফলে মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে বিভাজন ঘটে এবং মৌলটি অন্য মৌলে পরিবর্তিত হয়।
- প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম উপায়ে তৈরি আইসোটোপের সংখ্যা ১৩০০ এরও অধিক।
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার মাধ্যমে এসব তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ তৈরি করা হয়।

চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু'ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন-
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।

- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131(131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of  Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

• এছাড়াও শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬১৩.
আপেক্ষিকতা অনুসারে গতিশীল অবস্থায় সময়-
  1. ক) কমে যায়
  2. খ) বৃদ্ধি পায়
  3. গ) সমান থাকে
  4. ঘ) অসীম হয়ে যায়
ব্যাখ্যা

কোন একটি স্থানে একটি বল নিচে পড়ছে।
দুটি ক্ষেত্র চিন্তা করা যাক,
প্রথম ক্ষেত্রঃ
আপনি (পর্যবেক্ষক) এক জায়গায় দাড়িয়ে বলটি নিচে পড়তে দেখছেন এবং বলটি নিচে পড়তে কত সময় লাগল সেটি পরিমাপ করে S পরিমাণ সময় পেয়েছেন।
দ্বিতীয় ক্ষেত্রঃ
ধরা যাক, একই ঘটনা আপনি ঐ স্থানের সাপেক্ষে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলা ট্রেন থেকে দেখেছেন এবং সময় পরিমাপ করে D পরিমাণ সময় পেয়েছেন।
দুইটা পরিমাপ মেলালে, D > S হবে।
সহজভাবে বললে, একই পর্যবেক্ষক একই ঘটনার সময়কাল যদি আপেক্ষিকভাবে স্থির এবং গতিশীল এই দুইভাবে পরিমাপ করেন, তাহলে, ঐ একই ঘটনার সময়ের পরিমাপ দুইবার দুইরকম আসবে।
এবং, আপেক্ষিক গতিশীল অবস্থায় পরিমাপকৃত সময় স্থির অবস্থায় মাপা সময়ের চেয়ে বেশি হবে।

গতিশীল কাঠামোতে অবস্থিত কোনা ঘড়িতে পরিমাপকৃত কোনো ঘটনার সময়কাল, স্থির কাঠামোতে অবস্থিত পর্যবেক্ষকের নিকট দীর্ঘ হয়। একে কাল দীর্ঘায়ণ বা সময় প্রসারণ বলে।

আবার অন্যভাবে দেখুন,
ট্রেনে বসে আপনার বন্ধু যদি নিচে একটি পাথর ফেলেন এবং পড়ার সময়কাল মাপেন;
আপনিও স্টেশনে বসে ঐ একই পাথর পড়ার সময় মাপেন তাহলে আপনার মাপা সময় বেশি হবে।
মনে হতে পারে যে, গতিশীল অবস্থায়তো তাহলে সময় কমে গেল। আসলে কমেনি। আপনার বন্ধু যখন সময়টা পরিমাপ করেছেন তখন উনি আসলে স্থির পর্যবেক্ষক, গতিশীল নন; যেহেতু, ট্রেনের সঙ্গে উনি নিজেও যাচ্ছেন। অর্থাৎ, আপেক্ষিক গতি নেই। প্রশ্নে গতিশীল অবস্থায় সময়ের পরিমাপ চাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, ঘটনা ও পর্যবেক্ষকের মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকতে হবে।

৯,৬১৪.
অত্যধিক ঠাণ্ডায় অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত টিস্যুর ওপর নিচের কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়?
  1. বায়োসার্জারি
  2. ক্রায়োসার্জারি
  3. ক্রোমোসার্জারি
  4. হোমোসার্জারি
ব্যাখ্যা
ক্রায়োসার্জারি: 
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠাণ্ডায় তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়। 
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়। 
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- ক্রয়োসার্জারিকে একটি কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা বিবেচনা করা হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে। 

ক্রায়োসার্জারির সুবিধাসমূহ: 
• ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জারি থেকে কম ক্ষতিকর। 
• সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, ক্রয়োসার্জারিতে তা হয় না। 
• ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ কম। 
• অন্য পদ্ধতির তুলনায় হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়। 

ক্রায়োসার্জারির অসুবিধাসমূহ: 
• দীর্ঘমেয়াদী ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা। 
• মাইক্রোকপিক ক্যান্সার বিস্তার রোধে ব্যর্থ। 
• কার্যকর কৌশলের বিষয়ে প্রশ্নবিদ্ধ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬১৫.
দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল তৈরি করা হয় তাকে বলা হয় -
  1. ক) রেক্টিফায়ার
  2. খ) ট্রান্সফরমার
  3. গ) ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) এলইডি
ব্যাখ্যা
দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।

সুতরাং একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর তিনটি প্রান্ত রয়েছে।
গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকারঃ
(১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং
(২) n-p-n ট্রানজিস্টর।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬১৬.
লঘু এসিড কোন স্বাদযুক্ত?
  1. ক) মিষ্টি
  2. খ) ঝাল
  3. গ) নোনতা
  4. ঘ) টক
ব্যাখ্যা
প্রায় সকল লঘু এসিড টক স্বাদযুক্ত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৯,৬১৭.
উদ্ভিদের জন্য সামান্য পরিমাণে প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদানকে কী বলা হয়?
  1. ম্যাক্রো উপাদান
  2. মাইক্রো উপাদান
  3. প্রোটিন উপাদান
  4. মুখ্য উপাদান
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি: 
- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি। 
- এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়। 
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০ টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে। 
- এ ৬০ টি উপাদানের মধ্যে ১৬ টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। এ ১৬ টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। কারণ এ উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ ও প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয়। 
উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ: 
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৯ টি উপাদান হলো- নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও সালফার (S) । 

২। মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৭ টি উপাদান হলো- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (C) ও ক্লোরিন (Cl) । 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬১৮.
ঘর্ষণ বল কোন ধরনের বল?
  1. চৌম্বক বল
  2. অভিকর্ষজ বল
  3. সংরক্ষণশীল বল
  4. অসংরক্ষণশীল বল
ব্যাখ্যা
সংরক্ষণশীল বল: 
- কোনো বস্তু বা কণার উপর যে বল দ্বারা কৃত মোট কাজের পরিমাণ শূন্য হয় তাকে সংরক্ষণশীল বল বলা হয়। 
- বস্তু বা কণার উপর সংরক্ষণশীল বল ক্রিয়াশীল হলে বস্তুটিকে বিভিন্ন পথে ঘুরিয়ে একটি পূর্ণচক্র সমাপ্ত করে এবং আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনে। 
উদাহরণ- অভিকর্ষজ বল, বৈদ্যুতিক বল, চৌম্বক বল, আদর্শ স্প্রিং-এর বিকৃতি প্রতিরোধী বল ইত্যাদি। 

অসংরক্ষণশীল বল: 
- কোনো বস্তু বা কণার উপর যে বল দ্বারা কৃত মোট কাজের পরিমাণ শূন্য হয় না তাকে অসংরক্ষণশীল বল বলা হয়। 
- বস্তু বা কণার উপর অসংরক্ষণশীল বল ক্রিয়াশীল হলে বস্তুটিকে বিভিন্ন পথে ঘুরিয়ে একটি পূর্ণচক্র সমাপ্ত করে এবং আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনলেও মোট কাজ শূন্য হয় না। 
উদাহরণ- ঘর্ষণ বল, সান্দ্র বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬১৯.
সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. এটি সরল রৈখিক গতি
  2. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি
  3. এটি পর্যাবৃত্ত গতি
  4. এটি অপর্যাবৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন: 
- যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি সরল রৈখিক হয় এবং এর ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে এর সরণের সমানুপাতিক হয় এবং এর দিক সব সময় সাম্য অবস্থান অভিমুখী হয়, তা হলে বস্তু কণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে। 
- কোন স্প্রিং এর এক প্রান্ত দৃঢ় কোন অবস্থানে বেঁধে অন্য প্রান্তে একটি ভারী বস্তু ঝুলিয়ে টেনে ছেড়ে দিলে তার উপর-নিচের গতি, তারের বাদ্যযন্ত্র- যেমন গিটারের তার টেনে ছেড়ে দিলে তার গতি, পেন্ডুলামের গতি, ইঞ্জিনের মধ্যে পিস্টনের গতি ইত্যাদি সরল ছন্দিত গতির উদাহরণ। 

সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য: 
১. এটি পর্যাবৃত্ত গতি
২. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি
৩. এটি সরল রৈখিক গতি
৪. যে কোন সময় ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের সমানুপাতিক, 
৫. ত্বরণ সর্বদা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬২০.
উল্কা ও কসমিক কনার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে-
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল এর ঊর্ধ্বস্তরে
  2. খ) আয়নমন্ডল এর ঊর্ধ্বস্তরে
  3. গ) ট্রপোমন্ডলের ঊর্ধ্বস্তরে
  4. ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ওজোন স্তরের উপরে প্রায় ২২ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত যে স্তর সেটিই আয়ন স্তর নামে পরিচিত। এই স্তর কতগুলো আধানযুক্ত কণা সমষ্টি। বেতারতরঙ্গ আয়ন স্তর থেকে প্রতিফলিত হয়। এ স্তরের মাধ্যমেই বেতার সংবাদ আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে। এ স্তরে উল্কা, কসমিক রে পাওয়া যায়।
৯,৬২১.
'হেমাটাইট' কোন খনিজ পদার্থের একটি আকরিক?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. আয়রন
  3. সোডিয়াম
  4. ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
হেমাটাইট
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর, 
- জিপসাম, 
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬২২.
নিচের কোন এমপ্লিফায়ারের কার্যক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ক্লাস-বি এমপ্লিফায়ার
  2. খ) ক্লাস-সি এমপ্লিফায়ার
  3. গ) ক্লাস-এ এমপ্লিফায়ার
  4. ঘ) ক্লাস-ডি এমপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা
যে যন্ত্র এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেতকে বহির্গামীতে বিবর্ধিত করে তাকে এমপ্লিফায়ার বলে। কার্যক্ষমতার উপর নির্ভর করে তিন শ্রেণীর অ্যামপ্লিফায়ার আছে। যথা- এ-শ্রেণী, বি-শ্রেণী এবং সি-শ্রেণী এমপ্লিফায়ার। এ-ক্লাস বা শ্রেণি এমপ্লিফায়ারের কার্যক্ষমতা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৯০%। উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬২৩.
শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডল প্রধানত কোন গ্যাস দ্বারা গঠিত? 
  1. নাইট্রোজেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
  3. অক্সিজেন 
  4. হিলিয়াম 
ব্যাখ্যা

শুক্র (Venus): 
- বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়। 
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়। কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই একে ভুল করে তারা বলা হয়। 
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা, তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না। 
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইডের তৈরি
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ। 
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার। 
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না, এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি। 
- শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার। 
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর। 
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই। 
- সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও একমাত্র শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৬২৪.
ব্যাকটেরিওলজির জনক কে?
  1. লুই পাস্তুর
  2. এহরেনবার্গ
  3. রবার্ট কচ
  4. লিউয়েন হুক
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড।
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়।
- ব্যাক্টেরিওলজির জনক হলেন রবার্ট কচ (Robert Koch)।
- রবার্ট কচ (১৮৪৩–১৯১০) ছিলেন একজন জার্মান চিকিৎসক এবং ব্যাক্টেরিওলজির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করেন যে নির্দিষ্ট রোগের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া দায়ী।
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব।
- ব্যাপক অর্থে ব্যাকটেরিয়া বলতে আর্কিব্যাকটেরিয়া, ইউব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রুপকে বোঝায়।

উৎস:
১। উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

৯,৬২৫.
মানবদেহের প্রতিটি কোষে মোট কতটি ক্রোমোজোম থাকে? 
  1. ২২
  2. ২৩
  3. ৪৬
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম। 
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া বা ২ টি ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬২৬.
নিচের কোনটিতে বহিঃ নিষেক ঘটে?
  1. ক) মাছ
  2. খ) মানুষ
  3. গ) বিড়াল
  4. ঘ) ডাঙায় বসবাসকারী অধিকাংশ প্রাণীতে
ব্যাখ্যা

বহিঃ নিষেক: যে নিষেক ক্রিয়া প্রাণিদেহের বাইরে সংঘটিত হয় তা বহিঃ নিষেক নামে পরিচিত। এ ধরনের নিষেক সাধারণত পানিতে বাস করে এমন সব প্রাণীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
যেমন: বিভিন্ন ধরনের মাছ, ব্যাঙ প্রভৃতি। তবে এর ব্যতিক্রম রয়েছে, যেমন: হাঙ্গর।
অন্তঃ নিষেক: স্ত্রীদেহের জননাঙ্গে সংঘটিত নিষেক অন্তঃনিষেক নামে পরিচিত। সাধারণত শারীরিক মিলনের মাধ্যমে পুরুষ প্রাণী তার শুক্রাণু স্ত্রী জননাঙ্গে প্রবেশ করিয়ে এ ধরনের নিষেক ঘটায়।
অন্তঃনিষেক ডাঙায় বসবাসকারী অধিকাংশ প্রাণীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

৯,৬২৭.
ধ্রুবতারা সাধারণত দেখা যায়-
  1. পূর্ব গোলার্ধ
  2. পশ্চিম গোলার্ধ
  3. উত্তর গোলার্ধ
  4. দক্ষিণ গোলার্ধ
ব্যাখ্যা
• ধ্রুবতারা (Polaris):
- Ursa Minor (Little Bear) নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত।
- এটি উত্তর গোলার্ধে দেখা যায়।
- এটি পৃথিবীর উত্তর মেরুর ঠিক উপরে অবস্থান করার কারণে স্থির মনে হয় এবং এটি উত্তর দিক নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- ধ্রুবতারা প্রাচীনকাল থেকে নাবিক এবং অভিযাত্রীদের দিক নির্ধারণে সাহায্য করে আসছে।
- এর দিকে তাকিয়ে থাকা মানে আপনার ডানে পূর্ব, বাঁয়ে পশ্চিম আর পেছনে দক্ষিণ।
- এটি সারা বছর উত্তর গোলার্ধে দেখা যায় এবং বিশেষভাবে গ্রীষ্মকালে এটি সবচেয়ে ভালোভাবে দৃশ্যমান হয়​।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,৬২৮.
নিচের কোনটি পদার্থের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) পদার্থের ওজন আছে।
  2. খ) বল প্রয়োগে বাঁধা দেয় না।
  3. গ) পদার্থ জায়গা দখল করে।
  4. ঘ) আয়তন থাকে।
ব্যাখ্যা
প্রতিটি পদার্থেরই কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য থাকে যার সাহায্যে পদার্থের ভিন্নতা বোঝা যায়। 

ভর: কোন বস্তুর মধ্যকার মোট পদার্থের পরিমাণই হচ্ছে তার ভর। নির্দিষ্ট কোন বস্তুর ভর সর্বত্র সমান ।
ওজন: কোন বস্তুকে পৃথিবী আকর্ষণ বল দ্বারা নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। তাই কোন বস্তুর ওজন স্থান ভেদে বিভিন্ন হতে পারে ।
আয়তন: সব পদার্থই কিছুটা জায়গা দখল করে। একে তার বিস্তৃতি বা আয়তন বলে ।
ঘনত্ব: একক আয়তনের কোন বস্তুর ভরই হচ্ছে তার ঘণত্ব ।
সচ্ছিদ্রতা: প্রতিটি পদার্থের মধ্যে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। একে পদার্থের সচ্ছিদ্রতা ধর্ম বলে। 
সংসক্তি: প্রত্যেকটি বস্তুর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কনার মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ আকর্ষণ বল। এটাই - তার সংসক্তি।

তাছাড়া পদার্থের রয়েছে স্থিতিস্থাপকতা ধর্ম; আর এজন্যই বাইরে থেকে কোন বল প্রয়োগ করে | তার দৈর্ঘ্য, আকার বা আয়তন পরিবর্তিত করতে চাইলে বাধা দেয়
এছাড়াও পদার্থের আরও কিছু সাধারণ ধর্ম থাকে। যথা— ঘর্ষণ, সংনম্যতা, আসঞ্জন, অভেদ্যতা, জড়তা ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬২৯.
মঙ্গল গ্রহের কতটি উপগ্রহ রয়েছে? 
  1. ৫টি
  2. ১১টি
  3. ২টি
  4. ৩টি
ব্যাখ্যা

- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

মঙ্গল গ্রহ (Mars):

- মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহেঅক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গল গ্রহের 'ফোবস' ও 'ডিমোস' নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস:  NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

৯,৬৩০.
এ বছর পদার্থবিদ্যায় নোবেল দেয়া হয় যে বিষয়ে-
  1. কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  2. আপেক্ষিক তত্ত্ব
  3. মহাকাশ বিজ্ঞান
  4. চৌম্বক তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন-জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. ডেভোরেট এবং জন এম. মার্টিনিস।
- অবদান: বৈদ্যুতিক বর্তনীর মধ্যে‌ ‌‌‌স্থূল কোয়ান্টাম যান্ত্রিক টানেলিং এবং ‌শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য তাদেরকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত এবং সাধারণত ক্ষুদ্রাতীত কণার আচরণগুলো কীভাবে আমাদের পরিচিত বড় আকারের মানব-সৃষ্ট বস্তু বা অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে সেটি এ বছরের পদার্থে নোবেল পুরস্কারের বিষয় ছিল।

উল্লেখ্য, উক্ত প্রশ্নটি জব সল্যুশনের পূর্বের প্রশ্ন, তবে ২০২৫ সালে কোয়ান্টাম মেকানিক্স সম্পর্কিত বিষয়ের উপর নোবেল পুরস্কার জেতায় সর্বোত্তম উত্তর হিসেবে - কোয়ান্টাম তত্ত্ব - নেয়া হয়েছে। 

• নোবেল পুরস্কার:
- নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেল।
- ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- অর্থনীতিতে নোবেল প্রবর্তন করা হয় ১৯৬৮ সালে।
- শুরুতে পাঁচটি শাখায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হতো।
- ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার চালু করা হয়।
- সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর ৩০০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আলফ্রেড নোবেলের স্মরণে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বর্তমানে মোট ছয়টি শাখায় নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় যথা-
- চিকিৎসা।
- পদার্থবিদ্যা।
- রসায়ন।
- সাহিত্য।
- শান্তি।
- অর্থনীতি।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৯,৬৩১.
জোয়ার-ভাটা তৈরিতে মূখ্য ভূমিকা রাখে কোনটি?
  1. চাঁদ
  2. সূর্য
  3. কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাব
  4. গ্রহ-নক্ষত্রের আকর্ষণ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর সকল পদার্থ একটি অপরটিকে আকর্ষণ করছে। এ আকর্ষণকে মহাকর্ষ (gravitation) বলে। মহাকর্ষের প্রভাবে পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারদিকে এবং চন্দ্র সর্বদা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে।
- আর এই কারণেই পৃথিবীর জলরাশি কখনো বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। মহাকাশে অবস্থিত সব নক্ষত্র, গ্রহ ও উপগ্রহের এ আকর্ষণের পরিমাণ সমান না। বড় পদার্থের আকর্ষণ ক্ষমতা ছোট পদার্থ অপেক্ষা বেশি।
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। ফলে জোয়ার ভাঁটায় চন্দ্রের প্রভাব বেশি লক্ষ্য করা যায়।
- জোয়ার-ভাঁটার ক্ষেত্রে চন্দ্র ও সূর্য উভয়ই পৃথিবীর ওপর নিজ নিজ শক্তি প্রয়োগ করলেও চন্দ্রের শক্তির অধিকতর প্রয়োগ হয়।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল প্রথম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৯,৬৩২.
নিচের কোনগুলো গ্রীনহাউস গ্যাস হিসেবে পরিচিত? 
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
  2. অক্সিজেন ও ধূলিকণা
  3. নাইট্রোজেন ও সালফার
  4. পানি ও ইথেন
ব্যাখ্যা

গ্রীনহাউস গ্যাস:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- আমরা জানি, যে বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে।
- মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে।
- উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৩৩.
হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণে যে বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, একই বিক্রিয়া সংগঠিত হয় -
  1. ক) পরমাণু চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  2. খ) সূর্যের শক্তি উৎপাদনে
  3. গ) জেট বিমানের ইঞ্জিনে
  4. ঘ) রকেটের ইঞ্জিনে
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেন বোমার আরেক নাম থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা। এটি এমন এক অস্ত্র যার প্রচুর বিস্ফোরক শক্তির একটি অনিয়ন্ত্রিত স্ব-টেকসই চেইন প্রতিক্রিয়া হয়। যার ফলে হাইড্রোজেনের আইসোটোপগুলি অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার অধীনে নিউক্লিয়ার ফিউশন নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়াতে হিলিয়াম গঠন করে। প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চ তাপমাত্রা একটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ দ্বারা উত্পাদিত হয়।


নিউক্লিয়ার ফিউশন:
যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 
জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে। প্রকৃতি এ শক্তি ব্যবহার করছে। সূর্যে এ বিক্রিয়া স্বচ্ছন্দে ঘটে। 


সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৯,৬৩৪.
PH হলো-
  1. এসিড নির্দেশক
  2. এসিড ও ক্ষার নির্দেশক
  3. ক্ষার নির্দেশক
  4. এসিড, ক্ষার ও নিরপেক্ষতা নির্দেশক
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৩৫.
বৈদ্যুতিক আধান বা চার্জ সঞ্চয় করে রাখার যন্ত্রকে কী বলা হয়?
  1. জেনারেটর
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ধারক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ঘ) ধারক 

• ধারক:
- ধারক বা ক্যাপাসিটার হল এমন একটি বৈদ্যুতিক উপাদান যা চার্জ সঞ্চয় করতে পারে।  
- কোনো বস্তুকে তাপ দিলে বস্তু তাপ ধারণ করে রাখে, তাই বস্তুকে তাপ ধারক বলা যায়।
- তেমনি যে বস্তু আধান ধারণ অর্থাৎ সঞ্চয় করে রাখে, তাকে আধান ধারক বা শুধু ধারক বলে।
- পাত্রে পানি ঢাললে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তেমনি কোনো বস্তুতে আধান প্রদান করলে বস্তুর বিভব বৃদ্ধি পায়।
- যে পরিমাণ আধান প্রদান করলে একটি বস্তুর বিভব 1V বৃদ্ধি পায় তাকে তার ধারকত্ব বলে।
- সহজ কথায় বলতে গেলে যে ধারণ করে সেই ধারক। যেমন গ্লাস, বালতি বা কলসী পানি ধারণ করে। সুতরাং তাদেরকে পানি ধারক বলা যায়।
- ধারকত্বকে C দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ধারকের একক ফ্যারাড (F)।
- ধারকের একক ফ্যারাডে একটি বেশ বড় একক। এজন্য এর কতগুলো ছোট একক ব্যবহার করা হয়।

১. 1 μF (মাইক্রো ফ্যারাড) = 10- 6 F
২. 1 nF (ন্যানো ফ্যারাড) = 10- 9 F
৩. 1 pF (পিকো ফ্যারাড) = 10-12 F

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৩৬.
ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ কোনটি? 
  1. মিথেন 
  2. কার্বন ডাই–অক্সাইড 
  3. সিএফসি 
  4. নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

ওজোন স্তর সংরক্ষণ: 
- বায়ুমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ স্তরটি হলো ওজোন স্তর।
- ওজোন স্তর ক্ষয় হওয়ার অন্যতম কারণ হলো সিএফসি (ক্লোরোফ্লোরো কার্বন)। 
- বৈশ্বিক সেক্টর থেকে সিএফসি এর ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে। 
- ২০১২ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী ঔষধ শিল্প ব্যতীত সকল সেক্টরে সিএফসি ব্যবহার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হয়েছে। 
- মন্ট্রিল প্রোট্রোকলের শর্তানুযায়ী বাংলাদেশ একটি 'ওজোন সেল' গঠন করেছে যা ওজোন স্তর রক্ষায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। 
- বাংলাদেশ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশ সংক্রান্ড বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দিবস গুরুত্বের সাথে পালন করছে।
যেমন-৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, ১৪ অক্টোবর বিশ্ব মরুময়তা দিবস, ১৬ সেপ্টেম্বর ওজোন দিবস ইত্যাদি। 
- টেকসই উন্নয়নের জন্য আমাদেরকে মৃত্তিকা, পানি, বায়ু, বনভূমি, জীববৈচিত্র্য প্রভৃতির স্থায়িত্ব এবং পারিবেশিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। 
- যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের পূর্বে পারিবেশিক প্রভাব মূল্যায়ন (Environmental Impact Assesment) করতে হবে এবং বিভিন্ন আইন ও নীতিমালার সুষ্ঠু প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৩৭.
বরফের গলনাংক কত ডিগ্রি সেলসিয়াস? 
  1. ২৫° সেলসিয়াস
  2. ০° সেলসিয়াস
  3. - ৪° সেলসিয়াস
  4. ১০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

• পানি: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 

- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। 
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। 
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৬৩৮.
Absolute zero is equivalent to:
  1. 273.15°C
  2. -100°C
  3. -273.15°C
  4. 32°C
  5. -230.15°C
ব্যাখ্যা
পরম শূন্য তাপমাত্রা: 
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো -273.15 degrees Celsius বা -273°C. 
- পরম শূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না। 
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্ধ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়। 
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
৯,৬৩৯.
কোন রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানে প্রথম নোবেল দেওয়া হয়?
  1. বেতার রশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. এক্সরে রশ্মি
  4. বেকরেল রশ্মি
ব্যাখ্যা
• এক্সরে রশ্মি: ১৯০১ সালে বিজ্ঞান শাখায় প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় বিজ্ঞানী রন্টজেন-কে, এক্সরে রশ্মি (X-ray) আবিষ্কারের জন্য। 
-  এই রশ্মি আবিষ্কারের মাধ্যমে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়,
যেমন—
- হাড় ভাঙা নির্ণয়
- অভ্যন্তরীণ শরীর পরীক্ষার (Medical Imaging) পদ্ধতি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
বেতার রশ্মি: আবিষ্কার করেন হেইনরিখ হার্টজ, আর পরে গুগলিয়েলমো মার্কোনি এর ব্যবহারিক প্রয়োগ করেন; মার্কোনি নোবেল পান ১৯০৯ সালে।

গামা রশ্মি:  গামা রশ্মি আবিষ্কার করেন পল উলরিচ ভিলার্ড।

বেকরেল রশ্মি: হেনরি বেকরেল  তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) আবিষ্কার করেন। কিন্তু এর জন্য  স্বতন্ত্র কোন নাম ব্যবহার করেন নি।   বেকারেল ১৯০৩ সালে এই কাজের জন্য নোবেল পান, তবে সেটা ছিল পদার্থবিজ্ঞানে তৃতীয় নোবেল।

তথ্যসূত্র:
-  ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান। 
-  Nobel Prize Outreach 2025.NobelPrize.org
৯,৬৪০.
তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মি কোনটি?
  1. গামা
  2. আলফা
  3. বিটা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় বিকিরণের বৈশিষ্ট্য: 
-  বিখ্যাত বিজ্ঞানী মাদাম কুরী একটি সহজ পরীক্ষা দ্বারা তেজস্ক্রিয় বিকিরণে তিন ধরণের রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরণের রশ্মি নির্গত হয়। 
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রস্থ। 
- যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রস্থ। 
- আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- ধনাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে আলফা রশ্মি, ঋণাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে বিটা রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা রশ্মি বলে। 
- আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চেখে দেখা যায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৪১.
সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে তৃতীয় গ্রহ কোনটি?
  1. বুধ
  2. শুক্র
  3. পৃথিবী
  4. মঙ্গল
ব্যাখ্যা

• বুধ–শুক্র–পৃথিবী এই ক্রমে গ্রহগুলো অবস্থিত।

• প্রাকৃতিক গ্রহ ও উপগ্রহ:

- আমরা যে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে বাস করি, তার নাম আকাশগঙ্গা (Milky Way)।
- এই ছায়াপথে আমাদের সূর্য ও তার পরিবার অবস্থিত, যাকে সৌরজগৎ বলা হয়।

• সৌরজগৎ:

- সৌরজগতের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে সূর্য।
- সূর্যের চারদিকে আবর্তনশীল মোট ৮টি গ্রহ রয়েছে।
- গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে।

- সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে গ্রহগুলো হলো—

- বুধ,
- শুক্র,
- পৃথিবী,
- মঙ্গল,
- বৃহস্পতি,
- শনি,
- ইউরেনাস,
- নেপচুন।
 
• গ্রহ (Planet):

- যেসব বৃহৎ বস্তু সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে, সেগুলোকে গ্রহ বলা হয়।
- গ্রহগুলো নিজস্ব আলো উৎপন্ন করতে পারে না; তারা সূর্যের আলো প্রতিফলন করে।

 
• উপগ্রহ (Satellite):

- যে বস্তু কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরে, তাকে সেই গ্রহের উপগ্রহ বলা হয়।

উদাহরণ—

- চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
- সুতরাং, পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ এবং চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
 
• গ্রহ ও উপগ্রহের গতি:

- গ্রহ সূর্যের চারদিকে এবং উপগ্রহ গ্রহের চারদিকে ঘোরে।
- এই গতির ফলেই দিন-রাত, মাস ও বছর নির্ধারিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

৯,৬৪২.
হাইড্রেজেন পরমাণুর আইসোটোপ ট্রিটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা কয়টি?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. 3
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : গ) 2

• আইসোটপ (Isotopes):

- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি H পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান। কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ।
- ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম হাইড্রেজেন পরমাণুর আইসোটোপ।
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়।



উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।  

৯,৬৪৩.
অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হলো -
  1. গ্লুকোজ
  2. ফ্রুক্টোজ
  3. গ্লাইকোজেন
  4. সুক্রোজ
ব্যাখ্যা

গ্লাইকোজেন:
- গ্লাইকোজেন হলো একটি পুষ্টিজাত পলিস্যাকারাইড।
- এটি প্রাণীদেহের প্রধান সঞ্চিত খাদ্য উপাদান হলেও সায়ানোব্যাকটেরিয়া ও কতিপয় ছত্রাকের (ঈস্ট) সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে বিরাজ করে।
- গ্লাইকোজেন এর মূল গাঠনিক উপাদান α-D গ্লুকোজ।
- হাইড্রোলাইসিস শেষে গ্লাইকোজেন হতে কেবল α-D গ্লুকোজ অণু পাওয়া যায়।
- এর আণবিক সংকেত- (C6H10O5)n.

গ্লাইকোজেন এর কাজ: 
- প্রাণীদেহের লিভার ও পেশিতে বেশি করে গ্লাইকোজেন জমা থাকে যা প্রয়োজনে গ্লুকোজে পরিণত হয়। ফলে কার্বন ও শক্তি সরবরাহ হয়।
- রক্তের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, যকৃতের গ্লাইকোজেন গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তে প্রবাহিত হয় এবং পেশিতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন পেশির কাজে শক্তি যোগায়।

তাই, বলা যায় অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হলো - গ্লাইকোজেন। 

তথ্যসূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,৬৪৪.
নিচের কোনটি পতঙ্গ পরাগী ফুল?
  1. ক) সরিষা
  2. খ) জুঁই
  3. গ) কুমড়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুন্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়।
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা, জুঁই, আকন্দ, সূর্যমুখী, গোলাপ, অর্কিড ইত্যাদি।

• অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা ও মধুগ্রন্থিহীন। এসব ফুলের সুগন্ধ নেই। এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে।
যেমন- ধান।

• পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই।
যেমন- পাতাশেওলা।

• প্রাণীপরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে।
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি
৯,৬৪৫.
মানুষের সেক্স ক্রোমোজোম কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ১টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ২টি
ব্যাখ্যা

- মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬ টি বা ২৩ জোড়া।
- এরমধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪ টি অটোজোম।
- ১ জোড়া বা ২টি সেক্স ক্রোমোজোম।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৬৪৬.
ডিজিটাল সিগন্যালকে প্রক্রিয়াকরণ করার জন্য কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. ক্যামেরা
  2. মাইক্রোফোন
  3. অ্যানালগ কনভার্টার
  4. বিশেষ ধরনের আইসি
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস: 
- ইলেকট্রনিকসের সবচেয়ে বড় অবদান হলো ডিজিটাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে শুধু কম্পিউটার। 
- কম্পিউটারে সকল তথ্যের আদান-প্রদান বা তথ্য প্রক্রিয়া করা হয় ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস দিয়ে। 
- ইন্টারনেট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কেও ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়। 
- শব্দ, ছবি বা ভিডিও ইত্যাদি সিগন্যাল শুরু হয় অ্যানালগ সিগন্যাল হিসেবে এবং ব্যবহারও হয় অ্যানালগ সিগন্যাল হিসেবে কিন্তু সেগুলো ডিজিটাল সিগন্যাল হিসেবে সংরক্ষণ প্রক্রিয়াকরণ বা প্রেরণ করা হয়। 
- অ্যানালগ সিগন্যালে খুব সহজেই নয়েজ (Noise) প্রবেশ করে সিগন্যালের গুণগত মান নষ্ট করতে পারে কিন্তু সেটি একবার ডিজিটাল সিগন্যালে পরিবর্তিত করে নিলে সেখানে Noise এত সহজে অনুপ্রবেশ করতে পারে না; কাজেই সিগন্যালের গুণগত মান অবিকৃত থাকে। 
- ডিজিটাল সিগন্যাল প্রক্রিয়া করার জন্য বিশেষ ধরনের আইসি (IC) তৈরি করা হয়, এই আইসিগুলো ধীরে ধীরে অনেক ক্ষমতাশালী হয়ে উঠছে। 
অর্থাৎ, অনেক কম সময়ে নির্ভুলভাবে অনেক বেশি পরিমাণ ডিজিটাল সিগন্যালে প্রক্রিয়া করতে পারে। 
- কাজেই যতই দিন যাচ্ছে ডিজিটাল প্রক্রিয়া করার বিষয়টি ততই সহজ হয়ে যাচ্ছে এবং এটি বলাই বাহুল্য নয় যে আমাদের চারপাশের জগৎটি একটি ডিজিটাল জগতে রূপান্তরিত হচ্ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬৪৭.
হেটেরোজাইগাস জিনোটাইপের উদাহরণ কোনটি?
  1. ΤΤ
  2. Tt
  3. tt .
  4. XX
ব্যাখ্যা
হেটারোজাইগাস (Heterozygous) জিনোটাইপ:
- কোন জিনোটাইপে একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী অ্যালিলদুটি অসমপ্রকৃতির হলে, তাকে হেটারোজাইগাস জিনোটাইপ বলা হয়।
- যেমন T এবং t অর্থাৎ Tt -ধারী জীবটি লম্বা হলেও তা হেটারোজাইগাস। কারণ এর মধ্যে একটি হলো প্রকট জিন এবং অন্যটি হলো প্রচ্ছন্ন জিন। 

অর্থাৎ প্রকট ও প্রচ্ছন্ন জিন পাশাপাশি অবস্থান করলে হেটারজাইগাস জিনোটাইপ তৈরি হয়। 
সুতরাং Tt জিনোটাইপ টি হেটারোজাইগাস প্রকৃতির।  

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
৯,৬৪৮.
আমরা দৈনন্দিন জীবনে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করি?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) অক্টাল
  3. গ) ডেসিমাল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা
আমরা দৈনন্দিন জীবনে ডেসিমাল বা দশমিক পদ্ধতি ব্যবহার করি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৯,৬৪৯.
কাজের একক কোনটি?
  1. Nm2
  2. N-1m
  3. Nm
  4. Nm-1
ব্যাখ্যা
কাজ, বল ও সরণের মধ্যে সম্পর্ক: 
- কাজ পরিমাণ করতে হলে বল এবং সরণ এই দুটি রাশি জানা প্রয়োজন। কারণ কাজ সৃষ্টির জন্য বল ও সরণের প্রয়োজন হয়। 
- কাজ হচ্ছে বল ও সরণের গুণফল। 
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই। 
- কাজের মাত্রা হচ্ছে- ML2T-2 । N-1m

কাজের একক: 
- বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কাজের একক পাওয়া যায়। 
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে (m)। 
অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। 
- নিউটন মিটারকে জুল (J) বলা হয়। এটি কাজের আন্তর্জাতিক একক। 
- কোন বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করা হলে যদি বস্তুটি বলের দিকে এক মিটার সরণের সৃষ্টি হয় তবে সম্পন্ন কাজ হবে এক জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৫০.
যন্ত্রসভ্যতার ভিত্তি কোন খনিজ পদার্থ?
  1. লৌহ
  2. তামা
  3. গ্রাফাইট
  4. জিপসাম
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যেমন- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদেরকে ধাতব খনিজ বলে। 
যেমন- লৌহ (Fe), তামা (Cu), সোনা (Au), রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

লৌহ আকরিক (Iron Ore): 
- লৌহ যন্ত্রসভ্যতার ভিত্তি। 
- কলকব্জা, রেলপথ, রেলগাড়ি, মোটর, জাহাজ, গৃহের কাঠামো প্রভৃতি নির্মাণে লৌহ অত্যাবশ্যক। 
- লৌহ ও ইস্পাত শিল্পের উন্নতির সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি জড়িত, কিন্তু প্রচুর লৌহ না থাকলে লৌহ ও ইস্পাত শিল্প গড়ে ওঠা খুবই কষ্টকর। 
- এ লৌহ কিন্তু সরাসরি খনি হতে পাওয়া যায় না, এটা অন্যান্য খনিজ পদার্থের সাথে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। 
- এ মিশ্রিত লোহাকে লৌহ আকরিক (Iron Ore) বলা হয়। 
- আকরিকে শতকরা ৪০ ভাগের কম লৌহ থাকলে তা উত্তোলন করা লাভজনক নয়। 
- পৃথিবীর মোট উৎপাদনের প্রায় ৯৮% চীন, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, রাশিয়া, ইউক্রেন ও দক্ষিণ আফ্রিকা হতে উত্তোলিত হয়। 

২। অধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে। 
যেমন- কোয়ার্টজ (Quartz), মাইকা (Mica), গ্রাফাইট, জিপসাম, কয়লা, খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।
৯,৬৫১.
রক্তশূণ্যতা দেখা দেয় কোনটির অভাবে?
  1. লৌহ
  2. ভিটামিন A
  3. ক্যালসিয়াম
  4. আয়োডিন
ব্যাখ্যা
• লৌহ বা আয়রণ (Fe):
- রক্তের অন্যতম প্রধান উপাদান লৌহ বা আয়রণ।
- প্রতি ১০০ মিলি রক্তের প্রায় ৫০ মিলি গ্রাম লৌহ থাকে।
- এছাড়া যকৃত, প্লিহা, অস্তিমজ্জায় লৌহ সঞ্চিত থাকে।
- পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির দেহে বিদ্যমান ৩-৪ গ্রাম লৌহের চার ভাগের তিন ভাগই রক্তে থাকে।
- উৎস: কাঁচা কলা, সবুজ শাক, কচু, শুকনো ফল, আপেল, কলা ইত্যাদি লৌহের উদ্ভিজ্জ উৎস। ডিমের কুসুম, কলিজা, মাছ, মাংস ইত্যাদি লৌহের প্রাণিজ উৎস।
- কাজ : লৌহ রক্তের লোহিত কণিকা বা হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, রক্তে অক্সিজেন বহন করে।
- অভাবজনিত অবস্থা: লৌহের অভাবে রক্তস্বল্পতা বা রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া দেখা দেয়।

অন্যদিকে,
- ভিটামিন A  এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
- ক্যালসিয়াম  এর অভাবে শিশুদের রিকেট এবং বয়স্ক মহিলাদের অস্টিওম্যালেশিয়া রোগ হয়।
- আয়োডিন এর অভাবে গলগণ্ড রোগ হবে।

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৫২.
সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় কত খ্রিস্টপূর্বে?
  1. খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে
  2. খ্রিস্টপূর্ব ১৩০০ অব্দে
  3. খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে
  4. খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ অব্দে
ব্যাখ্যা
সুনামি:
- সুনামির (Tsunami) কারন হলো সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। 
- এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- এখানে 'tsu' অর্থ বন্দর বা harbour এবং 'nami' অর্থ সামুদ্রিক ঢেউ।
- সুনামির উৎপত্তি সমুদ্রতলে।
- সমুদ্র তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদরপৃষ্ঠে বিশাল যে ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় তাকে সুনামি বলে।
- সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৫৩.
খাদ্যবাহিত রোগ–
  1. ক) ফ্লু
  2. খ) হাম
  3. গ) টাইফয়েড
  4. ঘ) কোভিড-১৯
ব্যাখ্যা
• খাদ্যবাহিত রোগ:
- পানি ও খাদ্যের সাথে আমাদের দেহে রোগ জীবাণু প্রবেশ করে। অনেক সময় সংক্রমণ হয়ে মহামারী আকার ধারণ করে।
- খাদ্যের মাধ্যমে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে যে রোগ সৃষ্টি হয় তাকে খাদ্যবাহিত রোগ বলে।
- কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড, ডায়রিয়া ইত্যাদি রোগের জীবাণু কৃত্রিম খাদ্য ও পানি, দুধ প্রভৃতি খাদ্যদ্রব্যের সাথে মিশে সংক্রমিত হয়।

• বায়ুবাহিত রোগ:
- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হপিং কফ, নিউমোনিয়া, সাধারণ ঠান্ডা জ্বর, বসন্ত, হাম, কোভিড-১৯ ইত্যাদি।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান- ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৬৫৪.
নিম্নের কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয়?
  1. ক) CaCO3
  2. খ) Ag2SO4
  3. গ) AgCl
  4. ঘ) NaCl
ব্যাখ্যা
- যে লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে তা হলো- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম গ্লুটামেট (C₅H₈NO₄Na) লবণ।
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য চুনাপাথর (CaCO₃) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ।
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ। যেমন: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH₄NO₃), অ্যামোনিয়াম ফসফেট (NH₄)3PO₄), পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO₃) ইত্যাদি।
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO₄) কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ, যা শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
- প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ আছে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। যেমন: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3), সিলভার সালফেট (Ag2SO4), সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬৫৫.
২০১৩ সালে হিগস বোসন তত্ত্বের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে লাভ করেন-
  1. পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার
  2. পিটার হিগস ও স্টিফেন হকিং
  3. মারে গেল-ম্যান ও রিচার্ড ফাইনম্যান
  4. স্টিফেন হকিং ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার
ব্যাখ্যা

• ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে প্রদান করা হয় পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ারকে, মৌলিক কণার ভর উৎপত্তি ব্যাখ্যাকারী হিগস বোসন তত্ত্বের জন্য, যা ২০১২ সালে CERN–এর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে পরীক্ষামূলকভাবে নিশ্চিত হয়।

• হিগস বোসন তত্ত্ব:

- হিগস বোসন তত্ত্ব স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি ব্যাখ্যা করে কীভাবে মৌলিক কণাসমূহ ভর অর্জন করে।
- তত্ত্বটি হিগস ক্ষেত্রের ধারণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
- কণাসমূহ হিগস ক্ষেত্রের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ভর লাভ করে।
- হিগস বোসন হলো সেই ক্ষেত্রের কোয়ান্টাম কণা।

• ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
- ১৯৬৪ সালে পিটার হিগসসহ একাধিক বিজ্ঞানী ভর উৎপত্তি সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।
- ২০১২ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্ন (CERN) গবেষণাগারে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের মাধ্যমে হিগস বোসনের অস্তিত্ব পরীক্ষামূলকভাবে নিশ্চিত হয়।
- ২০১৩ সালে পিটার হিগস এবং ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেয়ার পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব:
- হিগস বোসনের আবিষ্কার স্ট্যান্ডার্ড মডেলকে পূর্ণতা প্রদান করে।
- এটি মৌলিক কণাতত্ত্বের দীর্ঘদিনের একটি তাত্ত্বিক সমস্যার সমাধান করে।
- একে কখনও কখনও জনপ্রিয়ভাবে “গড পার্টিকল” বলা হয়, যদিও এটি বৈজ্ঞানিক নাম নয়।

• অন্যান্য অপশন:
- স্টিফেন হকিং → ব্ল্যাক হোল বিকিরণ ও মহাকাশতত্ত্বে অবদানের জন্য পরিচিত।
- মারে গেল-ম্যান → কোয়ার্ক তত্ত্ব প্রবর্তনের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- রিচার্ড ফাইনম্যান → কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রোডাইনামিক্সে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Nobel Prize in Physics 2013 – Official Summary.

৯,৬৫৬.
জীবন্ত জীবাশ্ম (Living fossil) বলা হয় কাকে?
  1. Pteris
  2. Cycus
  3. Genetum
  4. Royal Plam
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- বর্তমান কালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বা জীবন্ত ফসিল বলা হয়। 
যেমন- সাইকাস (Cycus)। 

Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ: 
- এটি Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ। 
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল। 
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত, ফলে এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে। 
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে। 
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদিকালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির। 
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 
- Cycadales বর্গের সদস্যদেরকে সাইকাড্স বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৫৭.
কেমোথেরাপির ভিত্তি কী?
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. কোষ বিভাজন
  3. চৌম্বকক্ষেত্র
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
কোমোথেরাপি (Camotherapy):
- কেমোথেরাপি হলো এমন এক ধরনের চিকিৎসা যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত কোষ ধ্বংস করা হয়। এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি।
- ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। জীবদেহের কোষ বিভাজনের উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত।
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। কোষ বিভাজনের কোন ধাপে প্রয়োগ করা হবে তার উপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধ ঠিক করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে।
- যেমন প্রতিদিনে একবার, সপ্তাহে একবার বা মাসে একবার প্রভৃতি। সাধারণত এভাবে প্রায় ছয়বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়।

রেডিওথেরাপি (Radio Therapy) :
- রেডিওথেরাপি হলো ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণের একটি কৌশল যার মাধ্যমে শরীরের ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গের কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়।
- রেডিও থেরাপি একটি চিকিৎসা প্রক্রিয়া যা ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হয়।
- রেডিও থেরাপি শব্দটি ইংরেজি Radiation Therapy এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি ব্যবহার করে ক্যান্সার, থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক প্রকৃতি, রক্তের কিছু ব্যধির চিকিৎসা করা হয়।
- সাধারণত রেডিওথেরাপি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে। শরীরের যে অঙ্গে ক্যানসার হয়েছে সে অঙ্গের আক্রান্ত স্থানে রশ্মি প্রয়োগ করা হয় এর ফলে কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়।
- এ প্রক্রিয়ায় কিছু সংখ্যক সুস্থ কোষও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবুও আমাদের উদ্দেশ্য হলো যত কম সংখ্যক সুস্থ কোষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে বহু সংখ্যক ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করা। ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ সুস্থ কোষ নিজ থেকেই এই ক্ষয়পূরণ করতে পারে।
- দুই ধরনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের DNA ধ্বংস করা হয় একটি হলে ফোটন কণাকে কাজে লাগিয়ে অন্যটি তেজস্ক্রিয় কণার মাধ্যমে।

উৎস: মাধ্যমিক বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদায়লয়।
৯,৬৫৮.
'ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম' কোন প্রক্রিয়ার ধাপ? 
  1. নিঃসরণ
  2. সবাত শ্বসন
  3. ক্লোরোফিল সংশ্লেষণ
  4. ফটোসিনথেসিস 
ব্যাখ্যা
শ্বসন: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্থিত জটিল খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিণত হয় এবং সঞ্চিত স্থিতিশক্তি রূপান্তরিত হয়ে গতিশক্তিতে পরিণত হয় তাকে শ্বসন বলে। 
- এ প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড, পানি ও শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- শ্বসনকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- সবাত শ্বসন এবং অবাত শ্বসন। 
- সবাত শ্বসন প্রক্রিয়াটি ৪ টি পর্যায়ক্রমিক ধাপে সম্পন্ন হয়। 
যথা- গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম। 
- সবাত শ্বসনে মোট ৩৮ টি ATP উৎপন্ন হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৫৯.
১ ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট =_________ জুল।
  1. ১০০০ জুল
  2. ১০২৫ জুল
  3. ১০৫৫ জুল
  4. ১১০০ জুল
ব্যাখ্যা
কয়লার জ্বালানি মান বা ক্যালরিফিক মান: 
- কয়লার জ্বালানি মানকে ক্যালরিফিক মান (calorific value) বলে। 
- এ ক্যালরিফিক মান BTU এককে প্রকাশ করা হয়। 
- এক পাউন্ড কয়লাকে পোড়ালে যে পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয়, তাকে সে কয়লার তাপ উৎপাদন ক্ষমতা বা জ্বালানি মান বলে। 
- কয়লার জ্বালানি মানকে BTU তাপ এককে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- বড় পুকুরিয়া কয়লার ক্যালরিফিক মান হলো 11040 BTU/Ib. 
- রেলওয়ে লোকোমোটিভ ও বয়লারের জ্বালানিরূপে পিট কয়লা ব্যবহার করা হয়। 

ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (BTU): 
- এক পাউন্ড পানির (453.59 g) তাপমাত্রা 1° ফারেনহাইট (1°F) বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপ-শক্তির প্রয়োজন হয়, তাকে এক ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (IBTU) বলে। 
- ক্যালরিফিক মান (1 BTU) = 1055 J = 252.145 (calorie)

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৯,৬৬০.
আইনস্টাইনের বিখ্যাত সূত্র E = mc2 এর ‘c’ দ্বারা কি বুঝায়?
  1. ক) আলোর ভর
  2. খ) আলোর বেগ
  3. গ) চার্জের ভর
  4. ঘ) বস্তুর ভর
ব্যাখ্যা
E = mc2 সূত্রের আবিষ্কারক আলবার্ট আইনস্টাইন।
যেখানে, E = শক্তি, m = ভর, c = আলাের বেগ।
১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন। পদার্থকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়।
একে আইনস্টাইনের 'থিওরি অফ রিলেটিভিটি' বা 'আপেক্ষিকতাবাদ' বলা হয়।
৯,৬৬১.
মহাবিশ্বের উৎপত্তি সংক্রান্ত প্রধান তত্ত্বটি কী?
  1. বিগব্যাং তত্ত্ব
  2. ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব
  3. আপেক্ষিক তত্ত্ব
  4. নিউটনের গতি সূত্রীয় তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি বোঝানোর প্রধান তত্ত্ব হলো বিগব্যাং তত্ত্ব। এই তত্ত্ব অনুসারে, প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত অবস্থায় সংকুচিত ছিল। এক মুহূর্তে এটি একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে সম্প্রসারিত হতে শুরু করে, যা থেকে সময়, স্থান ও পদার্থের সৃষ্টি হয়। বিগব্যাং তত্ত্বের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ, কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন এবং গ্যালাক্সি গঠনের প্রমাণগুলি ব্যাখ্যা করা যায়। তাই মহাবিশ্বের উৎপত্তি বোঝার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব।

- সঠিক উত্তর: ক) বিগব্যাং তত্ত্ব।

মহাবিশ্ব: 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

মহাবিশ্বের উৎপত্তি: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৯,৬৬২.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বটি আইনস্টাইন কখন বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করেন?
  1. ১৮৯০ সালে
  2. ১৯১০ সালে
  3. ১৯০৫ সালে
  4. ১৯১৯ সালে
ব্যাখ্যা
• আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (Einstein's Theory of Relativity):
- চিরায়ত বলবিজ্ঞানের মতে স্থান, কাল এবং ভর ধ্রুব।
- আইনস্টাইন এগুলো সম্পর্কে চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, স্থান, কাল এবং ভর এগুলো পরম কিছু নয়; এগুলো আপেক্ষিক। আইনস্টাইনের এ তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।

আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি দুটো ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:
ক. আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (Special theory of relativity) এবং
খ. আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব (General theory of relativity)।

- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। যথা-
১. প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 
২. দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

- তার ভর শক্তির সম্পর্ক সূত্রটি হলো
E = mc2
যেখানে,
E = শক্তি,
m = ভর,
c = আলাের বেগ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
৯,৬৬৩.
কোনটি সমযোজী বন্ধনের উদাহরণ?
  1. NaCl
  2. Cl2
  3. KBr
  4. KCl
ব্যাখ্যা

• সমযোজী বন্ধনের সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হলো Cl2, যেখানে দুটি সমজাতীয় অণু এক জোড়া ইলেকট্রন শেয়ার করে বন্ধন গঠন করে।
- এটি একটি সরল আণবিক যৌগ।
- দুটি ক্লোরিন পরমাণু একটি জোড়া ইলেকট্রন শেয়ার করে সমযোজী বন্ধন তৈরি করে।

• সমযোজী বন্ধন:
- সমযোজী বন্ধন হলো এমন একটি রাসায়নিক বন্ধন যেখানে দুটি বা তার বেশি অ-ধাতব পরমাণু তাদের ইলেকট্রন শেয়ার করে শক্তিশালী সংযুক্তি তৈরি করে।
- এই বন্ধনে ইলেকট্রন এক বা একাধিক জোড়ায় ভাগ করা হয়।

• আয়নিক বন্ধন:
- আয়নিক বন্ধন হলো এমন একটি রাসায়নিক বন্ধন যেখানে একটি ধাতু তার ইলেকট্রন সম্পূর্ণভাবে একটি অ-ধাতুর কাছে স্থানান্তর করে।
- এর ফলে ধাতু একটি ধনাত্মক আয়ন এবং অ-ধাতু একটি ঋণাত্মক আয়ন তৈরি করে।
- এই আয়নগুলো পারস্পরিক বৈদ্যুতিক আকর্ষণে শক্তভাবে যুক্ত থাকে।

• অপশন আলোচনা:
NaCl:
- এটি একটি আয়নিক যৌগ।
- এখানে ইলেকট্রন সম্পূর্ণভাবে সোডিয়াম থেকে ক্লোরে স্থানান্তরিত হয়, সমযোজী বন্ধন নয়।
KCl / KBr:
- এটিও একটি আয়নিক যৌগ।
- পটাসিয়াম ও ক্লোরাইড / ব্রোমাইড আয়নের মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তর ঘটে।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 

৯,৬৬৪.
মিথেন অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেন পরমাণুর অনুপাত কত?
  1. 1 : 1
  2. 1 : 2
  3. 1 : 3
  4. 1 : 4
ব্যাখ্যা

হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।
- জৈব যৌগের মধ্যে সরলতম যৌগ হলো এ হাইড্রোকার্বন। 

• অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• মিথেন (Methane) হলো একটি সরল হাইড্রোকার্বন যার রাসায়নিক সংকেত: CH4
এখানে- 
কার্বন (C) = ১টি
হাইড্রোজেন (H) = ৪টি

সুতরাং, মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত = ১ : ৪

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৬৫.
Which of the following is the main nutrient in tea?
  1. ক) Folate
  2. খ) Polyphenols
  3. গ) Iron
  4. ঘ) Zinc
ব্যাখ্যা
- Polyphenols, or flavonoids, are likely a key component to what makes tea a healthful drink.
- These chemical compounds act as antioxidants, which control the damaging effects of free radicals in the body. 

Tea is a source Of:
- Caffeine (traditional teas, not herbal)
- Polyphenols
1)Flavonols – myricetin, quercetin, kaempferol
2) Theaflavins – formed when black tea leaves are oxidized
3) Catechins – found in green tea; epigallocatechin-3 gallate (EGCG) is the main form

Source: www.hsph.harvard.edu
৯,৬৬৬.
হাইড্রোজেন বোমার জনক -
  1. আন্দ্রে দিমিত্রিভিচ শাখারভ
  2. রবার্ট ওপেন হেইমার
  3. এডওয়ার্ড টেলার
  4. স্যামুয়েল টি কোহেন
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেন বোমার জনক: এডওয়ার্ড টেলার 
- পারমাণবিক বোমার জনক: রবার্ট ওপেন হেইমার 
- নিউট্রন বোমার জনক: স্যামুয়েল টি কোহেন 
- সোভিয়েত হাইড্রোজেন বোমার জনক: আন্দ্রে দিমিত্রিভিচ শাখারভ
৯,৬৬৭.
What is the minimum velocity required for an object to permanently escape Earth's gravitational pull?
  1. 11.2 kms- 1
  2. 11.2 kmh- 1
  3. 9.8 ms- 2
  4. 2.4 Kms- 1
  5. 11.2 ms- 1 
ব্যাখ্যা

• কোনো বস্তুকে যদি প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কিলোমিটার অর্থাৎ, 11.2 Kms- 1 বেগে খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হয়, তবে সেটি পৃথিবীর মহাকর্ষীয় বল কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে। এই বিশেষ বেগকে মুক্তিবেগ বলা হয়। এটি বস্তুর ভরের ওপর নির্ভর করে না, তাই একটি ছোট পাথর বা একটি বিশাল রকেটের জন্য এই বেগের মান একই থাকে।

• মুক্তি বেগ:
- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তিবেগ (Escape velocity) বলা হয়।

• মুক্তি বেগ বা তার বেশি বেগে কোন বস্তুকে নিক্ষেপ করা হলে সেটি আর পৃথিবীতে ফিরে না এসে পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিন করতে থাকে।
- মুক্তি বেগের মান হলো ১১.২ কি.মি./সেকেন্ড বা 11.2 Kms- 1
- আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) কে মুক্তি বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে সেটি পৃথিবীর অভিকর্ষকে অতিক্রম করে চলে যাবে , ফলে সেটি আর ফেরত আসবে না। 

• সাধারণত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) এর গতিবেগ হয় প্রতি সেকেন্ডে ৬ থেকে ৯ কিলোমিটার। 
- মুক্তিবেগ থেকে এই বেগ কম হওয়ায় তা আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- কিন্তু তা ১১.২ কিলোমিটার/সেকেন্ড বা তার বেশি বেগ প্রাপ্ত হলে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না। 

উল্লেখ্য:
২.৪ কিমি/সেকেন্ড হলো চাঁদের মুক্তিবেগের মান যা পৃথিবীর মহাকর্ষ বল কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৬৮.
নিচের কোন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই?
  1. অ্যালকোহল
  2. কেরোসিন
  3. পারদ
  4. অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও  নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬৬৯.
আলোর ফ্লাক্স পরিমাপের একক কী?
  1. ক্যান্ডেলা
  2. লুমেন
  3. লাক্স
  4. স্টেরিডিয়ান
ব্যাখ্যা
আলোর ফ্লাক্স: 
- কোন আলোর উৎস থেকে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে, যে পরিমাণ আলোক শক্তি নির্গত হয় বা প্রবেশ করে, তাকে আলোর প্রবাহ বা আলোর ফ্লাক্স বলে। 
- আলোর ফ্লাক্স পরিমাপের একক লুমেন। 
- এক ক্যান্ডেলা দীপন ক্ষমতার কোন আলোক উৎস থেকে এক স্টেরেডিয়ান ঘনকোণে যে পরিমাণ আলোক ফ্লাক্স নির্গত হয় তাকে এক লুমেন (1 lm) বলে। 

অন্যদিকে, 
- দীপন মাত্রা পরিমাপের একক লাক্স। কোন পৃষ্ঠের প্রতি বর্গ মিটার ক্ষেত্রে এক লুমেন আলোক ফ্লাক্স যে দীপন মাত্রা সৃষ্টি করে তাকে এক লাক্স (1 lux) বলে। 
- ক্যান্ডেলা হলো আলোর শক্তির পরিমাপের একক, যা নির্দিষ্ট দিক থেকে আলোর উজ্জ্বলতার পরিমাপ করে। 
- স্টেরিডিয়ান হলো দিকের পরিমাপের একক যা আলোর উৎসের দিকে এককীয় দিকের কোণ প্রতিনিধিত্ব করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৭০.
মানুষের কানে শ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্কের পরিসর কত?
  1. ১০ Hz – ১০০০ Hz
  2. ২০ Hz – ২০০০০ Hz
  3. ৫০ Hz – ৫০০০০ Hz
  4. ১০০ Hz – ১০০০০ Hz 
ব্যাখ্যা

• মানুষের শ্রাব্যতার সীমা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে।

• শ্রাব্যতার সীমা:
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন।
- কম্পন হলেই সব শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।
- মানুষের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।
- প্রতি সেকেন্ডে ২০ টির নিচে কম্পন হলে উৎপন্ন শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।
- প্রতি সেকেন্ডে ২০,০০০ টির বেশি কম্পন হলেও উৎপন্ন শব্দ মানুষ শুনতে পায় না।
- তাই মানুষের শ্রাব্যতার সীমা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে।
- এই সীমার মধ্যে উৎপন্ন শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলা হয়।
- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে।

• শব্দেতর (Infrasonic) তরঙ্গ:
- ২০ Hz-এর নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে শব্দেতর তরঙ্গ বলে।
- এ ধরনের তরঙ্গ মানুষের কানে শোনা যায় না।
- শব্দের চেয়ে কম কম্পাঙ্কের জন্য একে শব্দেতর বলা হয়।

• শব্দোত্তর (Ultrasonic) তরঙ্গ:
- ২০,০০০ Hz-এর উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বলে।
- এ ধরনের তরঙ্গ মানুষের কানে শোনা যায় না।
- শব্দের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের জন্য একে শব্দোত্তর বলা হয়।

• বিভিন্ন প্রাণীর শ্রাব্যতার পাল্লা:
- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz,
- বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz থেকে ৬৪,০০০ Hz,
- ইঁদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz থেকে ৯১,০০০ Hz,
- বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz থেকে প্রায় ১১০,০০০ Hz,
- ডগ হুইসেল বা নীরব বাঁশিতে উৎপন্ন শব্দ মানুষ শুনতে পায় না, কিন্তু কুকুর ও বিড়াল শুনতে পারে।
- প্রাণীভেদে শ্রাব্যতার পাল্লার পার্থক্য রয়েছে।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

৯,৬৭১.
In 2020, astronomers observed the first direct image of a black hole, Which black hole was the subject of this historic image?
  1. Sagittarius A*
  2. Cygnus X-1
  3. Messier 87 (M87)
  4. V404 Cygni
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ের কেন্দ্রে ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি:

- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা Sagittarius A* ব্ল্যাক হোলের প্রথম প্রত্যক্ষ চিত্রটি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
- এটি ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ (EHT) দ্বারা সংগ্রহ করা হয়েছিল।
- ‘স্যাজিটেরিয়াস এ’ আদতে একটি দানবাকৃতি ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর।
- ২০১৯ সালের মে মাসে কয়েক দিন ধরে অদ্ভুত একটা আলোর ঝলসানি দেখে তার সক্রিয়তাকে চিহ্নিত করেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। - পৃথিবী থেকে ২৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত, সূর্যের চেয়ে ৪০ লক্ষ গুণ বেশি ভরের ওই ব্ল্যাক হোলটি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র - Event Horizon Telescope.
৯,৬৭২.
মল্ট কোষ থেকে নিঃসৃত এনজাইম কোনটি?
  1. ইনভারটেস
  2. ডায়াস্টেস
  3. জাইমেস
  4. মলটেস
ব্যাখ্যা
ঈস্ট (Yeast): 
- ঈস্ট এক প্রকার ছত্রাক জাতীয় নিম্ন স্তরের এককোষী উদ্ভিদ। 
- পঁচা প্রাণিজ বা উদ্ভিজ পদার্থ থেকে ঈস্ট খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। 
- ঈস্টের কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। 

মল্ট(Mould): 
- বার্লির দানাকে পানিতে 15°C তাপমাত্রায় অন্ধকারে খোলা অবস্থায় রেখে দিলে বার্লির দানা অংকুরিত হয় এবং অংকুরিত শুষ্ক বার্লির দানাকে গুঁড়া করে নিলে মল্ট গুড়া পাওয়া যায়। 
- মল্ট থেকে ডায়াস্টেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। 

এনজাইম: 
- এনজাইম হল এক প্রকার প্রাণ-শক্তিহীন, অদানাদার, নাইট্রোজেন বিশিষ্ট, অজানা, রহস্যময় জটিল জৈব যৌগ। 
- ঈস্ট (Yeast), ছত্রাক (fungus) বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ হতে এনজাইম নিঃসৃত হয়। 
যেমন - ঈস্ট কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস প্রভৃতি এনজাইম থাকে। 
- এনজাইমগুলো নিজে পরিবর্তিত না হয়ে জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
- এজন্য এনজাইমকে জৈব প্রভাবক বলে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৭৩.
এম আর আই (MRI) যন্ত্রে ব্যবহৃত হয় নিচের কোনটি?
  1. ক) ইনফ্রারেড
  2. খ) রেডিও তরঙ্গ
  3. গ) মাইক্রোওয়েব
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
এম আর আই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং ((Magnetic Resonance Imaging)। 
এম আর আই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।
নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র কাজ করে থাকে।
 
 এম আর আই হলো একটি কৌশল যা শরীরের যে কোনো অঙ্গের (নরম ও সংবেদনশীল) পরিষ্কার ও বিস্তারিত ছবি তুলতে পারে। 
এটি শরীরের যে কোনো অঙ্গের জন্য ব্যবহার করা হলেও মস্তিষ্ক, পেশি এবং টিউমার শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৭৪.
নিচের কোনটি অণুজীব?
  1. ক) Bacillus
  2. খ) Spirillum
  3. গ) Streptococcus
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল, অ্যামিবা ইত্যাদিকে নিম্নশ্রেণির জীব বলা হয়।
- এদের মধ্যে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অ্যামিবা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া দেখা যায় না। এরা অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত।
- কিছু কিছু ছত্রাক ও শৈবাল খালি চোখে দেখা গেলেও অধিকাংশ ছত্রাক ও শৈবাল দেখতে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য লাগে। এসব অণুজীব বা আদিজীব মানুষ, গৃহপালিত পশুপাখি ও উদ্ভিদের রোগ সৃষ্টি করে। আবার পরিবেশে এদের অনেক উপকারী ভূমিকাও রয়েছে। 

- Bacillus, Spirillum, Streptococcus এক ধরণের ব্যাকেটেরিয়া, যা অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র-  ৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই ও জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯,৬৭৫.
কোন উদ্ভিদের দেহ খন্ডিত হলে সেই খন্ডিত অংশ স্বাধীন উদ্ভিদ হিসেবে জীবনযাপন শুরু করে?
  1. ক) স্পাইরোগাইরা
  2. খ) বৈমাল
  3. গ) আপেল
  4. ঘ) ধান
ব্যাখ্যা
স্পাইরোগাইরা, মিউকর ইত্যাদি উদ্ভিদের কোনো কারণ দেহ খন্ডিত হলে সেই খন্ডিত অংশ স্বাধীন উদ্ভিদ হিসেবে জীবনযাপন শুরু করে৷
উৎসঃ অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৯,৬৭৬.
একাধিক কোষ বিভিন্ন কাজের জন্য মিলিতভাবে তৈরি করে- 
  1. অঙ্গ 
  2. কলা
  3. জীব 
  4. অণু
ব্যাখ্যা
• টিস্যু বা কলা:
- বহুকোষী প্রাণিদেহে অনেক কোষ একত্রে কোনো বিশেষ কাজে নিয়োজিত থাকে।
- একই ভ্রূণীয় কোষ থেকে উৎপন্ন হয়ে এক বা একাধিক ধরনের কিছুসংখ্যক কোষ জীবদেহের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে সমষ্টিগতভাবে একটা কাজে নিয়োজিত থাকলে ঐ কোষগুলো সমষ্টিগতভাবে টিস্যু (Tissue) বা তন্ত্র তৈরি করে।
- একটি টিস্যুর কোষগুলোর উৎপত্তি, কাজ এবং গঠন একই ধরনের হয়। টিস্যু নিয়ে আলোচনাকে টিস্যুতত্ত্ব (Histology) বলে।
- কোষ এবং টিস্যুর মধ্যে পার্থক্য খুবই নির্দিষ্ট। কোষ হচ্ছে টিস্যুর গঠনগত ও কার্যকরী একক, যেমন লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা বিভিন্ন ধরনের রক্তকোষ।
- আবার এরা একত্রে তরল যোজক টিস্যু নামে এক ধরনের টিস্যু হিসেবে পরিচিত।
- তরল যোজক টিস্যু রক্ত দেহের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় শারীরবৃত্তীয় কাজে অংশ নেয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
৯,৬৭৭.
পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. সূর্য
  2. সিরিয়াস
  3. প্রক্সিমা সেন্টরা
  4. আলফা সেন্টরা
ব্যাখ্যা

◉ পৃথিবীর একেবারে নিকটতম নক্ষত্র হলো সূর্য। এর গড় দূরত্ব পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার (1 Astronomical Unit, AU)।

নক্ষত্র (Star): 
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। 
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। 
- খালি চোখে মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখা যায়। 
- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। 
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না। 

- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে, কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। 
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। 
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। 
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। 
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। 
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। 
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৬৭৮.
বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী, ১৯৯০।
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয় ১৯৯৩ সালে।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৯,৬৭৯.
H+ সংকেত দ্বারা কোনটি বুঝায়?
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) পজিট্রন
  3. গ) ইলেকট্রন
  4. ঘ) নিউট্রন
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন - 
• ইলেকট্রন, 
• প্রোটন ও 
• নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 

ইলেকট্রন: 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। 
- এর ভর অতি সামান্য। 
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা। 
- ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 
- ইলেকট্রনের সংকেত e¯ । 
- ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11×10-28 g ও -1.60×10-19 C। 
- আপেক্ষিক আধান -1। 

প্রোটন: 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- প্রোটনের সংকেত H+। 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 
- প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67×10-24 g ও 1.60×10-19 C. 
- প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক। 
- প্রোটনের আরেকটি সংকেত P। 
- আপেক্ষিক আধান +1. 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n। 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g। 
- আপেক্ষিক আধান শূন্য। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৬৮০.
রক্তশূন্যতার জন্য নিম্নের কোন উপাদানটি দায়ী নয়?
  1. ক) লৌহ
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম
  3. গ) ফলিক এসিড
  4. ঘ) ভিটামিন বি-12
ব্যাখ্যা
রক্তশূন্যতা হচ্ছে দেহের এমন একটি অবস্থা, যখন বয়স এবং লিঙ্গভেদে রক্তে হিমােগ্লোবিনের ঘনত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। খাদ্যের মুখ্য উপাদান লৌহ, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-12 ইত্যাদির অভাব ঘটলে এ রােগ দেখা যায়।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬৮১.
অনুভূমিকের সাথে কত কোণে নিক্ষেপ করলে একটি প্রাস সর্বাধিক অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করবে?
  1. π রেডিয়ান
  2. π/2 রেডিয়ান
  3. π/3 রেডিয়ান
  4. π/4 রেডিয়ান
ব্যাখ্যা
প্রাস:
- কোনো একটি বস্তুকে অনুভূমিকের সাথে তির্যকভাবে উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হলে তাকে প্রাস বলে। আর এই ধরনের গতিকে প্রাসের গতি বলে।
- প্রাসের গতিপথ একটি অধিবৃত্ত।
- প্রাসের গতি দ্বিমাত্রিক গতি।
- প্রাস সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌছালে এর বেগ সর্বনিম্ন হয়।

সর্বাধিক অনুভূমিক পাল্লা (Maximum Horizontal Range):
- নিক্ষিপ্ত বস্তু সর্বাধিক যে অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করে আদি উচ্চতায় ফিরে আসে তাকে সর্বাধিক অনুভূমিক পাল্লা বলে। 
- নির্দিষ্ট বেগে নিক্ষিপ্ত একটি বস্তু বা প্রাস সর্বাধিক অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করে যখন বস্তুটি অনুভূমিকের সাথে 45° কোণে বা, [45° × (π/180)] = π/4 রেডিয়ান কোণে নিক্ষিপ্ত হয়। 


figure: প্রাসের গতিপথ (image source: medium.com)

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র বই (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), ড. শাহজাহান তপন।
৯,৬৮২.
নিচের কোনটি Green House Gas নয়?
  1. ক) নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) কার্বন-ডাই অক্সাইড
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) মিথেন
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।

- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।
- অক্সিজেন গ্রীন হাউস গ্যাস নয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি - বোর্ড বই, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry।
৯,৬৮৩.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপ-কূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের ( Continental shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
  1. ক) ৩৫০ নটিক্যাল
  2. খ) ৪০০ নটিক্যার মাইল
  3. গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ৩০০ নটিকেল মাইল
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
Source: britannica.com
৯,৬৮৪.
সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?
  1. ইউরেনাস
  2. বুধ
  3. মঙ্গল
  4. শুক্র
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহ রয়েছে।
এগুলো হলো:
- বুধ
- শুক্র
- পৃথিবী
- মঙ্গল
- শনি
- বৃহস্পতি
- ইউরেনাস এবং
- নেপচুন।
- সবচেয়ে বড় গ্রহ হলো বৃহস্পতি।
- সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ।
- বুধ ও শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই।
- সর্বাধিক ৮২টি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের।
- শুক্র গ্রহের কোন বায়ুমণ্ডল নেই।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং নাসা)
৯,৬৮৫.
হাইড্রোজেনের কয়টি আইসোটোপ ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়?
ব্যাখ্যা
আইসোটোপ: যে সকল পরমানুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলা হয়। 

• হাইড্রোজেন পর্যায় সারণির প্রথম মৌল যার পারমানবিক সংখ্যা ১। 
• হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ আছে। ( 1Η, 2Η, 3Η, 4Η, 5Η, 6Η, 7H )
• যার মধ্যে তিনটি প্রকৃতি তে পাওয়া যায়। এগুলো হলো প্রোটিয়াম ( 1Η ), ডিউটেরিয়াম ( 2Η ) , ট্রিটিয়াম ( 3Η )। 
অন্য ৪ টি ( 4Η, 5Η, 6Η, 7H ) প্রস্তুত করা হয় ল্যাবরেটরি তে। 

তথ্যসূত্র: 
- রসায়ন বিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৯,৬৮৬.
সোডিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. Na2CO3
  2. NaCO3
  3. NaCO2
  4. Na2CO2
ব্যাখ্যা
- সোডিয়াম (Na) একটি ধনাত্মক একমাত্রায়ন: Na⁺
- কার্বনেট (CO₃²⁻) একটি ঋণাত্মক দ্বিমাত্রায়ন.
- সঠিক আনুপাতিক সংযোজন করতে হলে:
- ২টি Na⁺ + ১টি CO₃²⁻ = Na₂CO₃

কিছু গুরুত্বপূর্ণ যৌগের সংকেত:
- HCl - হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড। 
- H₂SO₄ - সালফিউরিক অ্যাসিড। 
- HNO₃ - নাইট্রিক অ্যাসিড। 
- CH₃COOH - অ্যাসিটিক অ্যাসিড (ভিনেগার)। 
- H₂CO₃ - কার্বনিক অ্যাসিড। 

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ শ্রেণি
৯,৬৮৭.
HCl (aq) + NaOH (aq) → NaCl (aq) + H2O (l) কোন ধরণের বিক্রিয়া?
  1. পানি যোজন বিক্রিয়া 
  2. বিয়োজন বিক্রিয়া
  3.  প্রশমন বিক্রিয়া
  4. দহন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
 প্রশমন বিক্রিয়া :
- এসিড দ্রবণ ও ক্ষার দ্রবণ যোগ করলে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে।
- বিক্রিয়ার সময় এসিড তার এসিড ধর্ম এবং ক্ষার তার ক্ষার ধর্মকে হারিয়ে ফেলে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
- এসিড জলীয় দ্রবনে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ও ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে থাকে। এসিডের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ও ক্ষারের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) যুক্ত হয়ে পানি উৎপন্ন করে।
উদাহরণ: HCl (aq) + NaOH (aq) → NaCl (aq) + H2O (l)

পানি যোজন বিক্রিয়া:
আয়নিক যৌগ দ্রবণ থেকে কেলাস গঠনের সময় এক বা একাধিক সংখ্যা পানির অণুকে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াকে পানি যোজন বিক্রিয়া বলে।
- আয়নিক যৌগের কেলাসের সাথে সংযুক্ত পানিকে কেলাস পানি বলে।

বিয়োজন বিক্রিয়া:
বিয়োজন বিক্রিয়া সংযোজন বিক্রিয়ার ঠিক বিপরীত ক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় যৌগের অণু ভেঙ্গে একাধিক মৌল বা যৌগে পরিণত হয়। প্রকৃতপক্ষে যৌগের অণু উহার উপাদানসমূহে বিভক্ত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মারকারী (II) অক্সাইড উচ্চ তাপে বিয়োজিত হয়ে উহার সরলতম উপাদান মারকারী ও অক্সিজেনে পরিণত হয়।

দহন বিক্রিয়া :
এ প্রক্রিয়ায় কোন মৌল বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার সাথে সংযুক্ত উপাদান মৌলগুলোকে অক্সাইড যৌগে পরিণত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৮৮.
বোসন কোন ধরনের কণা?
  1. জটিল কণা
  2. যৌগিক কণা
  3. দুর্বল কণা
  4. মৌলিক কণা
ব্যাখ্যা
• 'বোসন কণা' হলো মৌলিক কণা।

• বোসন কণা:
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (0, 1, 2, ইত্যাদি) স্পিন করে।
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ।
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না।
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। যথা:
১. গেজ বোসন ও
২. হিগস বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৮৯.
সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা কত (প্রায়)? 
  1. ১০০০° সেলসিয়াস
  2. ৬০০০° সেলসিয়াস
  3. ৩৬০০০° সেলসিয়াস
  4. ৬০০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬৯০.
কোন উপাদানটি আইসি নির্মাণে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Capacitor
  2. Resistor
  3. Transformer
  4. Transistor
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে।
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৯,৬৯১.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশি?
  1. তাপমাত্রা
  2. ত্বরণ
  3. বিভব
  4. বল
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন - একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি।

মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন - সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন-
• দৈর্ঘ্য,
• ভর,
• সময়,
• তাপমাত্রা,
• তড়িৎপ্রবাহ,
• দীপন তীব্রতা এবং
• পদার্থের পরিমাণ।

যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন - বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
যেমন -
• বেগ,
• ত্বরণ,
• কাজ,
• বল,
• তাপ,
• বিভব ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৯২.
নিচের কোন কণার অস্তিত্ব লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার যন্ত্রের মাধ্যমে ধরা পরে? 
  1. লেপটন কণা
  2. পজিট্রন কণা
  3. হ্যাড্রন কণা
  4. হিগস কণা
ব্যাখ্যা
হিগস কণা: 
- ‘হিগস কণা’ পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি মৌলিক কণা। 
- সুইজারল্যান্ডের সার্ন এর লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার যন্ত্রে ২০১২ সালে এই হিগস কণার অস্তিত্ব ধরা পড়ে। 
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওন লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে 'ঈশ্বর কণা' নামে চিহ্নিত করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও CERN ওয়েবসাইট।
৯,৬৯৩.
মহীসোপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা -
  1. ক) ৫০ মিটার
  2. খ) ১৫০ মিটার
  3. গ) ৩২০ মিটার
  4. ঘ) ৪২০ মিটার
ব্যাখ্যা
মহীসোপানঃ পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ ঢালু হয়ে সমুদ্রে নেমে গেছে। এরূপে সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে। মহীসোপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ১৫০ মিটার। এটি ১° কোণে সমুদ্রের তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
৯,৬৯৪.
রক্তে কোনটির মাত্রা বৃদ্ধি পেলে জন্ডিসের লক্ষণ প্রকাশ পায়?
  1. ক) বিলিরুবিন
  2. খ) ইনসুলিন
  3. গ) কোলেস্টেরল
  4. ঘ) হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যা
• জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া। বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যেটা রক্তে উপস্থিত লাল রক্ত কনিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়।

অপরদিকে ----

• কোলেস্টেরল এক ধরনের চর্বি। এটি কয়েক ধরনের হয়ে থাকে ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল, এইচডিএল এবং টোটাল কোলেস্টরল। এর মধ্যে একটা হলো উপকারী। আর তিনটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 

• ইনসুলিন হলো অগ্ন্যাশয়ের প্রধান হরমোন,এক ধরনের পলিপ্যাপটাইড, যা গ্লুকোজকে রক্ত থেকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণকারী কোষগুলো (আইল্যেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স-এর বিটা কোষ) থেকে নিঃসৃত হয়। 

• হিমোগ্লোবিন একটি অক্সিজেন বাহী লৌহসমৃদ্ধ মেটালোপ্রোটিন ।

SOURCE: জীব বিজ্ঞান ,  ২য় পত্র  ,এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৯,৬৯৫.
সৌরজগতের প্রাচীনতম গ্রহ কোনটি?
  1. শনি
  2. বুধ
  3. বৃহস্পতি 
  4. মঙ্গল
ব্যাখ্যা

• বৃহস্পতি :
- রোমান পুরাণে দেবতাদের রাজা বৃহস্পতির নামে গ্রহের রাজার নামকরণ করা হয়েছিল।
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীনতম গ্রহ।
- এটি সবচেয়ে প্রাচীন গ্রহ, যা ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সূর্যের সৃষ্টির সময় অবশিষ্ট ধুলো এবং গ্যাস থেকে তৈরি হয়েছিল।
- বৃহস্পতির গঠন সূর্যের মতোই - বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম। 
- এটি তার অক্ষের উপর একবার ঘুরতে প্রায় ৯.৯ ঘন্টা সময় নেয়।
- ৪৮৪ মিলিয়ন মাইল (৭৭৮ মিলিয়ন কিলোমিটার) গড় দূরত্ব থেকে, বৃহস্পতি গ্রহ সূর্য থেকে ৫.২ জ্যোতির্বিদ্যাগত একক দূরে।
- বৃহস্পতির ৯৫টি উপগ্রহ রয়েছে যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। 
- বৃহস্পতি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ (জোভিয়ান সময়ের এক বছর) প্রায় ১২ পৃথিবী বছরে (৪,৩৩৩ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।

উৎস: NASA.

৯,৬৯৬.
আরশোলার হৃদপিন্ড কত প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট?
  1. ৪ প্রকোষ্ঠ
  2. ৮ প্রকোষ্ঠ
  3. ১১ প্রকোষ্ঠ
  4. ১৩ প্রকোষ্ঠ
ব্যাখ্যা
- আরশোলার (cockroach) হৃদপিণ্ড ১৩ টি প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।
- এটি টিউবুলার আকৃতির এবং পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- মানুষের হৃদপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট (দুটি আলিন্দ এবং দুটি নিলয়) ।
- বেশিরভাগ মাছের হৃদপিণ্ড দুই প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট (একটি আলিন্দ এবং একটি নিলয়)।
- ব্যাঙের হৃদপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট (দুটি আলিন্দ এবং একটি নিলয়)।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৬৯৭.
কোয়ার্টজ নিচের কোনটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়?
  1. কাঁচ তৈরিতে
  2. সিরিজ কাগজ তৈরিতে
  3. রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যথা- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: লোহা, তামা, সোনা, রূপা ইত্যাদি। 
২। অধাতব খনিজ পদার্থ: কোয়ার্টজ, মাইকা কিংবা খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

- মাইকা খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 
- কোয়ার্টজ খনিজ পদার্থ কাঁচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬৯৮.
মস্তিষ্ক থেকে কত জোড়া স্নায়ু নির্গত হয়?
  1. ক) ৮ জোড়া
  2. খ) ১০ জোড়া
  3. গ) ১২ জোড়া
  4. ঘ) ১৪ জোড়া
ব্যাখ্যা

মানবদেহে করােটিকা স্নায়ুর সংখ্যা ১২ জোড়া বা ২৪ টি।
আর মেরুরজ্জীয় স্নায়ুর সংখ্যা ৩১ জোড়া বা ৬২ টি। 
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বাের্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৬৯৯.
নিচের কোনটি গ্লুবার লবণ?
  1. টেবিল সল্ট
  2. আর্দ্র সোডিয়াম সালফেট
  3. সোডিয়াম থায়োসালফেট
  4. মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট
ব্যাখ্যা
- আর্দ্র সোডিয়াম সালফেট হলো গ্লুবার লবণ।
- সোডিয়াম থায়োসালফেটকে বলা হয় হাইপো।
- মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট কে বলা হয় টেস্টিং সল্ট।
- খাবার লবণ বা টেবিল সল্ট হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৯,৭০০.
Ca(OH)2 কোন যৌগটির রাসায়নিক সংকেত?
  1. ক্যালামিন
  2. ফিটকিরি
  3. বেকিং সোডা
  4. মিল্ক অফ লাইম
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক সংকেত: 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O. 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O. 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O]. 
- শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট যার রাসায়নিক সংকেত হলো- C17H35COOK. 
- কাপড় কাচার সাবানে থাকে মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট, যার রাসায়নিক সংকেত- C17H35COONa. 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।