বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৭৯ / ১৪০ · ৭,৮০১৭,৯০০ / ১৪,০৮০

৭,৮০১.
‘নব্য ডারউইনিজম’ কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত? 
  1. কৃষি বিজ্ঞান
  2. বিবর্তন
  3. জৈব চিকিৎসা
  4. পরিবেশ বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
- ‘নব্য ডারউইনিজম’ শব্দটি বিবর্তন বা অভিব্যক্তি'র সঙ্গে সম্পর্কিত। 

বিবর্তন: 

- বিবর্তনের অপর নাম অভিব্যক্তি। 
- বিবর্তন বলতে সাধারণভাবে বুঝায় কোনো কিছু বিকশিত হওয়া, ধীরে ধীরে উন্মোচিত হওয়া। 
- বিবর্তনের মতবাদগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ১. ল্যামার্কিজম, ২. ডারউইনিজম ও ৩. নব্য ডারউইনিজম। 
- বিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য প্রমাণগুলো হলো- 
১। অঙ্গসংস্থানিক প্রমাণ, 
২। ভ্রূণতত্ত্বীয় প্রমাণ, 
৩। ভৌগোলিক প্রমাণ, 
৪। শারীরবৃত্তীয় প্রমাণ, 
৫। শ্রেণিবিন্যাসগত প্রমাণ, 
৬। জিনতত্ত্বীয় প্রমাণ ও 
৭। জীবাশ্মগত প্রমাণ ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮০২.
'ছয় সপ্তাহ' বয়সে নিচের কোন টিকাটির জন্য সুপারিশ করা হয়?
  1. ক) BCG
  2. খ) DT Vaccine
  3. গ) TT Vaccine
  4. ঘ) DPT-Ι
ব্যাখ্যা
- 'ছয় সপ্তাহ' বয়সে DPT-Ι টিকার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিন:
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization - WHO) এর (Expended Programe on Immunization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী ৬টি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্ম সূচিতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে-


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮০৩.
3717Cl এবং 3718Ar কে বলা হয় পরস্পরের-
  1. ক) আইসোমার
  2. খ) আইসোবার
  3. গ) আইসোটোন
  4. ঘ) আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
Isobar, in nuclear physics, any member of a group of atomic or nuclear species all of which have the same mass number—that is, the same total number of protons and neutrons. Thus, chlorine-37 and argon-37 are isobars. Chlorine-37 has 17 protons and 20 neutrons in its nucleus, whereas argon-37 has a nucleus comprising 18 protons and 19 neutrons. In beta decay, mother and daughter nuclei are always isobars, because either a neutron is converted to a proton or a proton is converted to a neutron in the process. সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭,৮০৪.
ট্রান্সফরমারের তড়িৎ শক্তি রূপান্তরের সময় শক্তির পরিমাণ কী হয়?
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায়
  3. অর্ধেক হয় 
  4. অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। 
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়।
যথা- ১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও ২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮০৫.
কোন ধাতুটি অ্যানোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) তামা
  2. খ) লোহা
  3. গ) ব্রোঞ্জ
  4. ঘ) নিকেল
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রলেপন (Electroplating) : তড়িৎ বিশ্লেষণ করে একটি ধাতুর ওপর অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে। সাধারণত কোনো কম দামি ধাতু (যেমন তামা, লোহা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি) দিয়ে তৈরি জিনিসকে জলবায়ু থেকে রক্ষা করার জন্য কিংবা সুন্দর দেখানোর জন্য সেগুলোর ওপর সোনা, রুপা, নিকেল এরকম মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়। যে ধাতব বস্তুটিকে প্রলেপ দিতে হবে, সেটি খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে একটি পাত্রে রাখতে হবে। এটি হবে ক্যাথোড ইলেকট্রোড। যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড করা হয়। তড়িৎ দ্রব হিসেবে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে, তার কোনো একটি লবণের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়। এখন ব্যাটারি বা পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার করে অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে ধাতুর তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে ক্যাথোডে রাখা ধাতব বস্তুর ওপর ধাতুর প্রলেপ পড়ে।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
৭,৮০৬.
নিচের কোনটি ঋণাত্মক কাজের উদাহরণ?
  1. সমতলে হাটা
  2. সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা
  3. রশ্মি বেয়ে নিচে নামা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ঋণাত্মক কাজ: 
- যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের বিপরীত দিকে সরে যায় তাহলে সেই বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে ঋণাত্মক কাজ বলে। 
- একটি বস্তুকে মাটি থেকে উপরে ওঠালে বস্তুর উপর অভিকর্ষজ বল নিচের দিকে ক্রিয়া করে।
- এক্ষেত্রে বল ও সরণ বিপরীতমুখী হওয়ায় অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে কাজ সম্পন্ন হবে। এটি ঋণাত্মক কাজ।
 
উপরের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠা একটি ঋণাত্মক কাজ। 

ধনাত্মক কাজ:
- যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের দিকে সরে যায় তখন বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে বলের দ্বারা কাজ বা ধনাত্মক কাজ বলা হয়।
- একটি বস্তু উপর থেকে ফেলে দিলে বস্তুটি অভিকর্ষ বলের দিকে পড়বে, ফলে বস্তুর উপর অভিকর্ষ বল দ্বারা কাজ সম্পন্ন হবে। এটি ধনাত্মক কাজ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৭,৮০৭.
নিচের সংকেতটি কোন যৌগের?
  1. বেনজিন
  2. ন্যাপথলিন
  3. প্যারাসিটামল
  4. সাইক্লিক এসিড
ব্যাখ্যা
সংকেতটি ন্যাপথলিন এর।
এটি অ্যারোমেটিক যৌগ। 
অ্যারোমেটিক যৌগ গুলো সাধারনতঃ ৫, ৬ বা ৭ সদস্যর সমতলীয় যৌগ। 

উৎস - রসায়ন, নবম দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৭,৮০৮.
যে সকল যৌগ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু আহরণ করা যায়, তাকে কী বলা হয়? 
  1. শিলা
  2. আকরিক
  3. খনিজ
  4. খনিজমল
ব্যাখ্যা
শিলা: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে। 

যৌগিক পদার্থ: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। 
- এসকল যৌগিক পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

আকরিক: 
- সকল খনিজ পদার্থ থেকে লাভজনক ভাবে ধাতু বা অধাতু আহরণ বা নিস্কাশন করা যায় না, খনিতে প্রাপ্ত যে সকল যৌগিক পদার্থ থেকে ধাতু বা অধাতু লাভজনক ভাবে নিস্কাশন করা যায় তাকে আকরিক বলে। 
- খনিতে আকরিকের সাথে বালি, পাথর, কাদামাটি ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় পদার্থ মিশ্রিত অবস্থায় অপদ্রব্য বা ভেজাল হিসেবে থাকে। এসকল অপদ্রব্যকে খনিজমল বলে। 

খনিজ পদার্থ ও খনিজ সম্পদ: 
- ভূপৃষ্টের সকল স্থানেই বিভিন্ন ধাতু বা অধাতুর যৌগ পাওয়া গেলেও তা সব সময় লাভজনক ভাবে আহরণ করা যায় না। যদি ভূপৃষ্টের উপরিতলে বা ভূপৃষ্টের অভ্যন্তরে কোন যৌগ প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, যা থেকে কোন ধাতু বা অধাতু লাভজনক ভাবে আহরণ করা যায়, তবে সেই স্থানকে খনি বলে। আর খনি থেকে প্রাপ্ত পদার্থকে খনিজ পদার্থ বলে। 
- আবার যদি এসকল পদার্থ লাভজনক ভাবে আহরণ করা যায় তবে এদের খনিজ সম্পদ বলা হয়। 
- স্বর্ণ, হীরা, কয়লা, সালফার ইত্যাদি খনিতে মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়, তাই এগুলো মৌলিক খনিজ হিসেবে পরিচিত। 
- মৌলিক খনিজ ব্যতিত সকল খনিজই যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায় এবং এগুলো যৌগিক খনিজ হিসেবে পরিচিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮০৯.
ব্যাকটেরিয়া কী?
  1. জড়বস্তু
  2. প্রাণী
  3. উদ্ভিদ
  4. অণুজীব
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া: 
- ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব। 
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্ব প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান। 
- ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে। 
- কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (১) কক্কাস, (২) ব্যাসিলাস, (৩) স্পাইরিলাম এবং (৪) কমা আকৃতি । 

ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা: 
- মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে। 
- একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে। 
- পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে। 
- দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়। 
- বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়। 
- ব্যাকটেরিয়া জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৭,৮১০.
নিম্নের কোন রোগটি পশুর কামড়ে হয়ে থাকে?
  1. ক) অ্যান্থ্রাক্স
  2. খ) বার্ড ফ্লু
  3. গ) জলাতঙ্ক
  4. ঘ) ফিতাকৃমি
ব্যাখ্যা
জলাতঙ্ক রোগটি পশুর কামড়ে হয়ে থাকে। 

- জলাতঙ্ক, যা হাইড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত, একটি তীব্র ভাইরাল সংক্রমণ যা প্রায় সবসময়ই মারাত্মক।
- এটি সংক্রামক রোগের বিভাগের অধীনে আসে এবং খামার বা বন্য প্রাণীদের দ্বারা সংক্রামিত হয়; সাধারণত মাংসাশী যেমন কুকুর, বিড়াল, শেয়াল, রেকুন।
- জলাতঙ্ক রোগ সংক্রমণের পর থেকে উপসর্গ দেখা দেয়ার সময় সাধারণত এক থেকে তিন মাস।
- ৬ই জুলাই, ১৮৮৫ সালে লুই পাস্তুর জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেন। 

সূত্র- WHO Website [লিঙ্ক]
৭,৮১১.
এডওয়ার্ড জেনার গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন-
  1. ক) ১৭৬৭ সালে
  2. খ) ১৭৮৭ সালে
  3. গ) ১৭৯৬ সালে
  4. ঘ) ১৮৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড জেনার গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন। এজন্য জানার কে প্রতিষেধক বিদ্যার জনক বলা হয়। ১৯৬৭ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সারাবিশ্বে গুটিবসন্ত নির্মূলের প্রচারণা চালায় এবং সফলভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়িত করে।
৭,৮১২.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোন জাতীয় খাদ্য উৎপন্ন হয়? 
  1. ভিটামিন
  2. আমিষ
  3. শর্করা
  4. স্নেহ
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। 
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ। 
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। 
কারণ- 
১. পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
২. পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
৩. পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 
- জীবজগতের জন্য প্রাথমিক খাদ্য শর্করা একমাত্র সালোকসংশ্লেণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি গৃহীত হয় এবং গুকোজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭,৮১৩.
নিচের কোনটি টেরিডোফাইটা উদ্ভিদ?
  1. Pteris
  2. Psilotum
  3. Lycopodium
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
টেরিডোফাইটা: 
- গ্রিক শব্দ Pteron (পক্ষল বা ডানা) এবং Phyton (উদ্ভিদ) হতে Pteridophyta শব্দের উৎপত্তি। 
- এরা হলো ডানাবিশিষ্ট উদ্ভিদ। 
- মূল, কান্ড ও পাতা দ্বারা গঠিত এবং পরিবহন টিস্যুবিশিষ্ট অপুষ্পক স্বভোজী উদ্ভিদগুলো টেরিডোফাইটা নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীতে প্রায় দশ হাজার প্রজাতির টেরিডোফাইট উদ্ভিদ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ থেকে ৪১ গোত্রের ১৯৫ প্রজাতির টেরিডোফাইট নথিভুক্ত করা হয়েছে। 
- টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো- 
Pteris
Psilotum
Lycopodium
• Equisetum ইত্যাদি। 

টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য: 
১। এদের প্রধান দেহটি স্পোরোফাইটিক এবং অপুষ্পক। 
২। এরা অবীজী উদ্ভিদ। 
৩। দেহ মূল, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত। 
৪। এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
৫। জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে। 
৬। গ্যামিটোফাইট থ্যালাস প্রকৃতির এবং মোটামুটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। এ পর্যায়কে প্রোথ্যালাস বলে। 
৭। পুংগ্যামিটোফাইট সচল এবং অ্যান্থেরিডিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৮। স্ত্রীগ্যামিটোফাইট নিশ্চল এবং আর্কিগোনিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৯। ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। 
১০। অধিকাংশ সদস্যে কান্ড রাইজোমে পরিণত হয়। 
১১। এদের অস্থানিক মূল বিদ্যমান। 
১২। জীবনচক্রে সুস্পষ্ট হেটারোমরফিক জনুক্রম বিদ্যমান। 
১৩। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পোরোফিল ঘন সন্নিবেশিত হয়ে স্ট্রোবিলাস গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮১৪.
রক্তে সবচেয়ে বেশি পরিমানে থাকে -
  1. ক) লোহিত রক্ত কণিকা
  2. খ) শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) রক্তরস
ব্যাখ্যা

রক্তের প্রধান উপাদান হলাে রক্তরস বা প্লাজমা।
সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% হলাে রক্তকনিকা।
রক্তরসের ৯০% হলাে পানি এবং বাকি ১০% হলাে বিভিন্ন জৈব ও অজৈব উপাদান।
রক্তকনিকা ৩ প্রকার।
যথাঃ এরিথ্রোসাইট বা লােহিত রক্তকনিকা,
লিউকোসাইট বা শ্বেত রক্তকনিকা এবং
থ্রম্বােসাইট বা অনুচক্রিকা।
সূত্রঃ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী

৭,৮১৫.
ইউরি গ্যাগারিন কোন মহাকাশযানে করে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন?
  1. ভস্টক- ৪
  2. ভস্টক- ৩
  3. ভস্টক- ১
  4. ভস্টক- ২
ব্যাখ্যা
ইউরি গ্যাগারিন:
- মহাকাশে প্রথম ভ্রমণকারী ইউরি গ্যাগারিন।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মহাকাশ অভিযাত্রী ইউরি গ্যাগারিন। 
- মহাকাশে তিনিই হলেন প্রথম মানব অভিযাত্রী।
- ১৯৬১ সালের ১৯ এপ্রিল তিনি মহাকাশে পৃথিবীর কক্ষপথ পরিভ্রমণ করেন। 
- ভস্টক–১ নভোযানে তিনি মহাকাশে যান।
- গ্যাগারিন মহাকাশে ছিলেন ১০৮ মিনিট।
- মাত্র দেড় ঘণ্টার মতো সময়ে তিনি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন।

উৎস: Britannica.
৭,৮১৬.
ভূগোলের কোন শাখায় বায়ুর গঠন, বায়ু প্রবাহ, আবহাওয়া ও জলবায়ু ইত্যাদি সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়?
  1. Geomorphology
  2. Regional Geography
  3. Climatology
  4. Urban Geography
ব্যাখ্যা
ভূগোলের শাখা: 
- ভূগোলের প্রধান দুইটি শাখা রয়েছে। 
যথা- 


প্রাকৃতিক ভূগোল: 
- ভূগোলের যে শাখা পৃথিবীর জন্ম, ভূ-প্রকৃতি অর্থাৎ পাহাড়, পর্বত, বায়ুমন্ডল ও বারিমন্ডল প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে এবং ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে। 
- প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ নিম্নরূপ - 

১। ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology): 
- ভূমিরূপবিদ্যা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, পৃথিবীর উৎপত্তি, ভূ-আলোড়ন, বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপ, নদ-নদীর উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ, ভূ-ত্বকের পরিবর্তন, খনিজ ও শিলা এবং পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করে। 

২। জলবায়ুবিদ্যা (Climatology): 
- এ শাখায় বায়ুর গঠন, উপাদান, বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুপুঞ্জ, বায়ুপ্রাচীর, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে আলোচনা করে। 

৩। সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography): 
- পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ সমুদ্র। এ শাখায় সাগর মহাসাগরের তলদেশের ভূমিরূপ, সমুদ্রস্রোত, মানব জীবনের উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব, বিভিন্ন মহাদেশের মধ্যে সমুদ্র পথে যোগাযোগ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। 

৪। মৃত্তিকা ভূগোল (Soil Geography): 
- মৃত্তিকা ভূগোল অশ্মমন্ডলের উপরিভাগের মৃত্তিকার গঠন, উপাদান, বণ্টন ও বিন্যাস সম্পর্কে আলোচনা করে। 

৫। জীব ভূগোল (Bio-Geography): 
- এ শাখা পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রাণিজগৎ ও উদ্ভিদের বন্টন নিয়ে আলোচনা করে। 

৬। গাণিতিক ভূগোল (Mathematical Geography): 
- গাণিতিক ভূগোলে জ্যোতিষ্কমণ্ডলী, সৌরজগৎ, পৃথিবী ও এর আকৃতি, গতি, আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ও সময়, আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতির ফলাফল প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

মানব ভূগোল: 
- স্থান এবং কালের ভিত্তিতে মানুষ কীভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে, বিভিন্ন পরিবেশের সাথে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে তার কার্যকারণ অনুসন্ধান মানবিক ভূগোলের প্রধান আলোচ্য বিষয়। 
- মানব ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ নিম্নরূপ - 

১। অর্থনৈতিক ভূগোল (Economie Geography): 
- কৃষিকাজ, পশুপালন, বনজ সম্পদ, খনিজ সম্পদ, ব্যবসা- বাণিজ্য ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ভূগোলের যে শাখায় অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে অর্থনৈতিক ভূগোল বলে। 

২। জনসংখ্যা ভূগোল (Population Geography): 
- জনসংখ্যার বিভিন্ন বিষয় যেমন লিঙ্গ, জন্মহার, মৃত্যুহার, বয়স কাঠামো, বৈবাহিক অবস্থা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের উপর জনসংখ্যার প্রভাব প্রস্তুতি জনসংখ্যা বিষয়ক বিষয়াদি ভূগোলের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে জনসংখ্যা ভূগোল বলে। 

৩। আঞ্চলিক ভূগোল (Regional Geography): 
- আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য অনুসারে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক বিষয়বস্তু অনুশীলন করা আঞ্চলিক ভূগোলের প্রধান বিষয়। 

৪। রাজনৈতিক ভূগোল (Political Geography): 
- রাজনৈতিক বিভাগ, পরিসীমা, বিবর্তন প্রভৃতি ভৌগোলিক বিষয় রাজনৈতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়। 

৫। পরিবহন ভূগোল (Transport Geography): 
- পরিবহন ভূগোলে মানুষ ও পণ্যের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর এবং সরকারি-বেসরকারি সকল ধরনের পরিবহন ব্যবস্থা, সমস্যা ও এর সমাধান সম্পর্কে আলোচনা করে। 

৬। নগর ভূগোল (Urban Geography): 
- ভূগোলের যে শাখার নগরের উৎপত্তি, বিকাশ, নগর ও শহরের শ্রেণীবিভাগ, নগর পরিবেশ, নগরের কেন্দ্রীয় এলাকা, নগর বস্তি, প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে তাকে নগর ভূগোল বলে। 

৭। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management): 
- বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ ও দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস, দুর্যোগ থেকে পরিবেশ ও সম্পদ রক্ষার কৌশল প্রভৃতি বিষয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আলোচ্য বিষয়। 

৮। ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা ( Geographic Information System): 
- ভৌগোলিক তথ্য ও উপাত্ত ব্যবহার করে যে প্রক্রিয়ায় ডাটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং মানচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় তাকে বলা হয় ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা বা Geographic Information System (GIS)। এটি মূলত ভৌগোলিক তথ্য বিশ্লেষণের জন্য নির্মিত সফটওয়্যার। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৮১৭.
বৈদ্যুতিক কলিংবেলে কোন চুম্বক ব্যবহৃত হয়?
  1. স্থায়ী চুম্বক
  2. পারম্যালয়
  3. অস্থায়ী চুম্বক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• চুম্বক:
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়।

• স্থায়ী চুম্বক:
- কোনো ফেরোচৌম্বক পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করার পর চুম্বকায়ন শক্তি অপসারণ করলেও যদি চুম্বকত্ব দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে ঐ চুম্বককে স্থায়ী চুম্বক বলে।
• অস্থায়ী চুম্বক:
- যদি কোনো চৌম্বক পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রের উপস্থিতিতে চৌম্বক ধর্ম প্রদর্শন করে এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের অনুপস্থিতিতে যদি তা চুম্বকত্ব হারায় তবে তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলা হয়।
• অস্থায়ী চুম্বকের বৈশিষ্ট্য:
- এটি শুধুমাত্র বিদ্যুৎ প্রবাহ চলাকালীন চুম্বকের মতো কাজ করে।
- সাধারণত নরম লোহার কোর ব্যবহার করা হয়, যা সহজে চুম্বকত্ব হারায়।
- এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে বৈদ্যুতিক কলিংবেল তৈরি করতে অস্থায়ী চুম্বকের প্রয়োজন হয়। 

• বৈদ্যুতিক কলিংবেল (Electric Bell) কাজ করে তড়িৎ-চুম্বকীয় নীতির (Electromagnetic Principle) উপর।
- এতে একটি অস্থায়ী চুম্বক (Electromagnet) ব্যবহৃত হয়, যা বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে চুম্বকে পরিণত হয় এবং প্রবাহ বন্ধ হলে চুম্বকত্ব হারায়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৭,৮১৮.
পানি পরাগায়ণ ঘটে কোন উদ্ভিদে?
  1. ক) সূর্যমুখী
  2. খ) ধান
  3. গ) গোলাপ
  4. ঘ) পাতা শ্যাওলা 
ব্যাখ্যা
যে সকল ফুলের পরাগায়ণ পানির মাধ্যমে হয়ে থাকে তাকে পানি পরাগায়ণ বলে। যেমন: পাতা শ্যাওলা, কাঁটা শ্যাওলা প্রভৃতি।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
৭,৮১৯.
একটি বাল্বে 60W – 220V লেখা থাকলে তার রোধ কত ওহম?
  1. ক) 16.36
  2. খ) 160.67
  3. গ) 280.36
  4. ঘ) 806.67
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বাল্বে 60W – 220V লেখা থাকলে তার রোধ কত ওহম?

সমাধান: 
এখানে,
বিভব পার্থক্য, V = 220V
ক্ষমতা, P = 60 W
রােধ, R = ?

আমরা জানি,
P = V2/R
বা, R = V2/P
বা, R = 220×220/60
∴ R = 806.67 ওহম
৭,৮২০.
শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হতে পারে নিচের কোন মাধ্যমে?
  1. বায়ু
  2. তরল
  3. কঠিন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
শব্দঃ শব্দ এক প্রকার শক্তি। বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। শব্দ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। জড়
মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে। এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের
মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়ে আমাদের কানে প্রবেশ করে।
বায়ু বা যে কোন জড় মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি করলে তা শুধু একদিকে নয় অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গাকারে
(গোলকাকৃতিকভাবে) সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২১.
Rheumatic fever is caused by-
  1. ক) Streptococcus
  2. খ) Staphylococcus
  3. গ) Enterococcus
  4. ঘ) Diplococcus
ব্যাখ্যা
স্ট্রেপটোকক্কাসের সংক্রমণে রিউম্যাটিক ফিভার বা বাতজ্বর হয়৷ এর লক্ষণগুলো হচ্ছে শ্বাসনালীর প্রদাহ, টনসিলের প্রদাহ, ফুসকুড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
৭,৮২২.
কোনো সিলিকন চিপে লক্ষ লক্ষ বর্তনী সংযোজিত হলে তাকে কী বলে?
  1. সমান্তরাল বর্তনী
  2. অর্ধপরিবাহী ট্রানজিস্টর
  3. অর্ধপরিবাহী ডায়োড
  4. সমন্বিত বর্তনী
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট: 
- 1952 এর দিকেই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট সম্পর্কে আলোচনা শুরু হলেও সত্যিকারের ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরি করা শুরু হয় ষাটের দশকে। - পঞ্চাশের দশকে একটি সিলিকনের পাতলা প্লেটে (Wafer) অসংখ্য ট্রানজিস্টর তৈরি করে সেগুলো কেটে আলাদা করে নেওয়া হতো।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরি করার সময় এই প্রক্রিয়াটিকে আর একটুখানি এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছিল।
- তখন শুধু ট্রানজিস্টর তৈরি না করে তার সাথে ডায়োড কিংবা রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর বসিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি সার্কিট তৈরি করা শুরু হয়। এর নাম দেওয়া হলো ইন্টিগ্রেডেট সার্কিট (আইসি IC) বা সমন্বিত বর্তনী।
- প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে অল্প জায়গায় অনেক বেশি ট্রানজিস্টর বসানো শুরু হলো এবং তার নাম দেওয়া হলো প্রথমে লার্জ স্কেল ইন্টিগ্রেশন (LSI), পরে ভেরি লার্জ স্কেল ইন্ট্রেগ্রেশন (VLSI)।
- এই সার্কিটগুলো ব্যবহারের উপযোগী করে প্যাকেজ করা হতো যেন সরাসরি সার্কিট বোর্ডে ব্যবহার করা যায়।
- মাইক্রোকম্পিউটার, চিকিৎসার যন্ত্রপাতি, ভিডিও ক্যামেরা এবং যোগাযোগের উপগ্রহ এই ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ছাড়া কোনো দিনই সম্ভব হতো না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি। 
৭,৮২৩.
ভিটামিন 'এ' এর অভাবে শিশুদের কোন রোগ হয়?
  1. ক) খর্বাকৃতি
  2. খ) বুদ্ধিহীনতা
  3. গ) অন্ধত্ব
  4. ঘ) কম ওজন
ব্যাখ্যা
ভিটামিন এ এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরপথ্যালমিয়া নামক রোগ হয়ে থাকে।

- ভিটামিন এ এর অভাব পূরণ না হলে এই রোগটির মাত্রা ও তীব্রতা বাড়তেই থাকে।
- জেরপথ্যালমিয়ার সাত থেকে আটটি মাত্রা রয়েছে, যার সর্বনিন্ম মাত্রা হচ্ছে রাতকানা
- সাধারণত দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৭,৮২৪.
সালোকসংশ্লেষণ বিক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে নির্গত হয় কোনটি?
  1. ক) CO2
  2. খ) H2
  3. গ) শর্করা
  4. ঘ) O2 ও পানি
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় দরকার হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি, সূর্যালোক এবং ক্লোরোফিল। উৎপন্ন হয় শর্করা এবং অক্সিজেন। কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহৃত হয় শর্করা তৈরির জন্য। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদে তৈরিকৃত খাদ্য উদ্ভিদ নিজে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বিপাকীয় প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে ব্যবহার করে এবং অবশিষ্ট খাদ্য ফল, মূল, কান্ড অথবা পাতায় সঞ্চিত হয়। এ বিক্রিয়ায় উপজাত দ্রব্য হিসেবে অক্সিজেন ও পানি উৎপন্ন হয়। সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৭,৮২৫.
জৈব যৌগে কোনটি অবশ্যই থাকবে?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) কার্বন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) হ্যালোজেন
ব্যাখ্যা
উৎস বা প্রস্তুত পদ্ধতি যাই হোক না কেন সকল জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু বিদ্যমান। তাই বলা যায় জৈব যৌগ মূলত কার্বন যৌগ।
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে এক বা একাধিক বিভিন্ন মৌল যেমন- H, O, N, S, P, X ইত্যাদি যুক্ত থাকে।
- আবার কার্বনের দ্বারা গঠিত সকল যৌগই জৈব যৌগ নয়। যেমন- CO2, CO, Na2CO3 ইত্যাদি।

বর্তমানে জৈব যৌগকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় ‘কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।’

যেমন:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি।

সূত্রঃ রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২৬.
কিসের সংস্পর্শে এলে লোহায় মরিচা ধরে?
  1. ক) বাতাস
  2. খ) পানি
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) আয়রন
ব্যাখ্যা
লোহার পৃষ্ঠ বায়ুর সংস্পর্শে এলে বিক্রিয়ায় আয়রন অক্সাইড বা মরিচা উৎপন্ন হয়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৭,৮২৭.
আমিষ পরিপাকে পাচক রসে কোন এনজাইম থাকে?
  1. ট্রিপসিন
  2. পেপসিন
  3. প্রোলিডেজ
  4. ইলাস্টেজ
ব্যাখ্যা
পরিপাকতন্ত্রে খাদ্যদ্রব্যের পরিপাক ও পরিশোষণ: 
- দৈনন্দিন জীবনে মানুষ যে সব আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করে তন্মধ্যে দুধ, মাছ, মাংস, ডিম ও ডাল উল্লেখযোগ্য। 
- এ সকল খাদ্য পরিপাকে যে সকল সাহায্যকারী এনজাইম ভূমিকা রাখে তা হলো - 
১. পাচক রস: পেপসিনোজেন ও জিলেটিনেজ। 
২. অগ্ন্যাশয় রস: ট্রিপসিনোজেন, কার্বক্সিপেপটাইডেজ- এ. বি ইলাস্টেজ, কোলাজিনেজ প্রভৃতি। 
৩. আন্ত্রিক রস: অ্যামাইনোপেপটাইডেজ, ট্রাইপেপটাইডেজ ও প্রোলিডেজ। 

- আমরা জানি, আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের পরিপাক পাকস্থলিতে শুরু হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শেষ হয়।
- মুখবিবরের লালা রসে আমিষ পরিপাককারী এনজাইম না থাকায় মুখবিবরে আমিষের কোনো পরিপাক হয় না।
- কেবলমাত্র খাদ্য চিবানোর ফলে লালারস মিলে খাদ্যকে পিচ্ছিল ও নরম করে। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৮২৮.
লবনাক্ত মাটিতে জৈব সার ব্যবহার করলে কী পরিবর্তন হয়?
  1. ক) লবণাক্ততা কমে যায়
  2. খ) লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায়
  3. গ) পরিবর্তন হয় না
  4. ঘ) মাটি অম্লীয় হয়
ব্যাখ্যা
- জৈব সার জমিতে প্রধানত নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং সালফার সরবারহ করে।
- জৈব সার ভূমিক্ষয় রোধ করে।
- জৈব সার প্রয়োগে জমিতে ফসলের ফলন বৃদ্ধির সাথে সাথে গুণগত মান ও বৃদ্ধি পায়।
- লবণাক্ত মাটিতে জৈব সার ব্যবহার করলে মাটির লবণাক্ততা কমে যায়। অনেক দেশে লবণাক্ত মৃত্তিকা সংশোধনের কাজে জৈব সার ব্যবহৃত হচ্ছে।

 সূত্র: স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২৯.
দেহকোষের পুনরুজ্জীবন ঘটানোর জন্য প্রয়োজন-
  1. ক) কার্বোহাইড্রেট
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) স্নেহদ্রব্য
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রোটিন:
- খাদ্য উপাদানসমূহের মধ্যে আমিষ বা প্রোটিন অন্যতম যা কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- আমিষের গঠন একক হলো আ্যামাইনো অ্যাসিড।
- একাধিক আ্যামাইনো অ্যাসিড মিলিত হয়ে প্রোটিন গঠিত হয়।
- উৎস অনুসারে প্রোটিন ২ প্রকার। যথা:
১. প্রাণিজ প্রোটিন ও
২. উদ্ভিজ্জ প্রোটিন।  
- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির, ডাল, বাদাম, শিমের বিচি, সয়াবিন, মটরশুটি ইত্যাদি প্রোটিনের ভালো উৎস।
- দেহকোষ ও পেশি গঠন, ক্ষয়পূরণ, দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি ইত্যাদি প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৩০.
উদ্ভিদ কোন প্রক্রিয়ায় মূলরোমের সাহায্যে মাটি হতে পানি শোষণ করে?
  1. ব্যাপন
  2. প্রস্বেদন
  3. অভিস্রবণ
  4. ইমবাইবিশন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণে উৎপাদিত পদার্থ: 
- উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মূলের সাহায্যে পানি শোষণ করে। 
- এ পানি জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় পৌঁছে। 
- পাতা উক্ত পানি এবং বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- উচ্চস্তরের উদ্ভিদে কেবলমাত্র সবুজ অংশ এবং পাতায় সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। 
- পাতায় সংশ্লেষিত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে বলা হয় খাদ্য পরিবহন। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যুতে খাদ্য তৈরি হয়। 
- তৈরির পর ফ্লোয়েমের মাধ্যমে খাদ্য বিভিন্ন স্থানের কোষে পৌঁছায়। 
- ফ্লোয়েমের চারটি কোষীয় উপাদান থাকে। যথা- সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু। 
- এর মধ্যে সীভনল, সঙ্গীকোষ এবং ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা খাদ্যরস পরিবহনে অংশ নেয়। 
- এ তিনটির মধ্যে আবার সীভনল খাদ্য পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৩১.
‘Anatomical Exercise on the motion of heart and blood in animals’ গ্রন্থের প্রণেতা কে?
  1. ক) ক্রিশ্চিয়ান বার্নাড
  2. খ) চার্লস ডারউইন
  3. গ) উইলিয়াম হার্ভে
  4. ঘ) এস সি এফ হ্যানিমেন
ব্যাখ্যা
William Harvey(1578-1657), English physician who was the first to recognize the full circulation of the blood in the human body and to provide experiments and arguments to support this idea. His classic book ‘Anatomical Exercise on the Motion of the Heart and Blood in Animals’ published in 1628 and established the circulation of the blood. সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭,৮৩২.
পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলে চাঁদে তার ভর কত হবে?
  1. ৯.৮ কেজি
  2. ১ কেজি
  3. ০ কেজি
  4. ১.৬৩ কেজি
ব্যাখ্যা

স্থানভেদে কোনো বস্তুর ভরের কোনো পরিবর্তন হয় না। কিন্তু স্থানভেদে কোনো বস্তুর ওজনের তারতম্য হতে পারে।
আমরা জানি, ওজন= ভর x অভিকর্ষজ ত্বরণ
পৃথিবীতে গড় অভিকর্ষজ ত্বরণ ধরা হয় ৯.৮ মি/সেকেন্ড
তাহলে পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলে তার ভর হবে ১ কেজি।
সুতরাং চাঁদেও সেই বস্তুর ভর হবে ১ কেজি।

কিন্তু চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
তাই চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন হবে ১.৬৩ নিউটন।

সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৭,৮৩৩.
প্রোটিন গঠনে কতটি অ্যামাইনো এসিড অংশগ্রহণ করে?
  1. ৮ টি
  2. ১২ টি
  3. ১৫ টি
  4. ২০ টি
ব্যাখ্যা
• মানব শরীরে ২০ টি অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা প্রোটিন গঠনে সহায়তা করে।

• অ্যামাইনো এসিড:
- আমাদের শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে আমিষ গঠিত।
- আমিষের একক হল অ্যামাইনো এসিড।
- সাধারণত ২০ টি অ্যামিনো এসিড প্রোটিন গঠনে অংশগ্রহণ করে। এদেরকে বলা হয় প্রোটিন অ্যামিনো এসিড।
- মানুষের শরীরের এ পর্যন্ত ২০ প্রকার অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে যার মধ্যে ৮ টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড।

• ৮ টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড গুলো:
- লাইসিন,
- ট্রিপেটোফ্যান,
- মিথিওনিন,
- ভ্যালিন,
- লিউসিন,
- আইসোলিউসিন,
- ফিনাইল অ্যালানিন ও
- থ্রিওনাইন।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৩৪.
তাপ সঞ্চালন ______ প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়।
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. ছয়
ব্যাখ্যা
• তাপ সঞ্চালন:
- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে চলে যায়, তাপের এই স্থান পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলা হয়।

• তাপ সঞ্চালন তিন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়:

১. পরিবহন
২. পরিচলন
৩. বিকিরণ

• তাপ পরিচলন:
- একটি পাত্রে পানি নিয়ে চুলার উপরে বসিয়ে তাপ দিলে পুরো পাত্রের পানিই গরম হতে থাকে।
- এক্ষেত্রে, পানির কণাগুলো তাপ গ্রহণ করে শক্তি অর্জন করে।
- শক্তি অর্জন করে গরম পানিকণা হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়।
- উপরের ঠাণ্ডা পানির কণাগুলো নিচে নেমে এসে তাপ গ্রহণ করে।
- এভাবে পর্যায়ক্রমে সকল কণা তাপ গ্রহণ করে উত্তপ্ত হয় এবং তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়।
- কণাদের স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে তাপ সঞ্চালনের প্রক্রিয়াকে পরিচলন বলা হয়।
- তরল পদার্থের কণার মতো, বায়বীয় পদার্থের কণারাও উত্তপ্ত হয়ে সহজেই স্থান পরিবর্তন করে তাপ সঞ্চালন করে।
- তরল ও বায়বীয় পদার্থে পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৭,৮৩৫.
কোন বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়? 
  1. নিয়ত বায়ু 
  2. সাময়িক বায়ু 
  3. স্থানীয় বায়ু 
  4. অনিয়মিত বায়ু 
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু।

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৩৬.
দ্বিপদ নামকরণে দ্বিতীয় নামটি নির্দেশ করে-
  1. প্রজাতি
  2. বর্গ
  3. রাজ্য
  4. শ্রেণি
ব্যাখ্যা
• দ্বিপদ নামকরণে দ্বিতীয় নামটি 'প্রজাতি' নির্দেশ করে।

দ্বিপদ নামকরণ:
- উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম International code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হয়।
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস।
- প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।
- জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে।
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিদে জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম।
- প্রজাতি হলো শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচের ধাপ বা একক।
যেমন: মানুষ, কুনোব্যাঙ, কবুতর ইত্যাদি এক একটি প্রজাতি।

- প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়।
- ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন।
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়।
- এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে।
যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম - Homo Sapiens ।
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. গাজী আজমল) এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৭,৮৩৭.
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS) এর অবস্থান -
  1. পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ
  2. পৃথিবীর মধ্য কক্ষপথ
  3. পৃথিবীর উচ্চ কক্ষপথ
  4. ভূ-স্থির কক্ষপথ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS):
- আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS) হলো পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে অবস্থিত একটি গবেষণাগার, যা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ESA), জাপান ও অন্যান্য দেশের যৌথ প্রকল্প।
- ISS নির্মাণে নাসা (NASA), রাশিয়ার রসকসমস (Roscosmos), ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ESA), জাপান (JAXA) ও কানাডা (CSA) অবদান রেখেছে।
- এটি বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করছে।

ইতিহাস ও উন্নয়ন:
- ১৯৮০-এর দশকে এটি প্রথম "ফ্রিডম" নামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে পরিকল্পিত হয়েছিল।
- ১৯৯০-এর দশকে, ব্যয় হ্রাস ও আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য প্রকল্পটি পুনরায় ডিজাইন করা হয় এবং ISS নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া পৃথক মহাকাশ স্টেশন প্রকল্পগুলো একত্রিত করে ISS গঠনে একমত হয়।

উৎস: Britannica.
৭,৮৩৮.
মিল্কিওয়ে ছায়াপথের কেন্দ্রে অবস্থিত ব্ল্যাকহোল আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন কে?
  1. রজার পেনরোজ
  2. আন্দ্রেয়া গেজ
  3. চার্লস রাইস
  4. মাইকেল হটন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর হল মহাকাশের এমন এলাকা যেখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই প্রচণ্ড যে সেখান থেকে কোনো কণা, এমনকি আলোর মত বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গও বেরিয়ে আসতে পারে না। বিরাট আকৃতির কোনো নক্ষত্র যখন তার আয়ুষ্কাল শেষে চুপসে যায়, এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রচণ্ড মাত্রা পায়, বিপুল পরিমাণ ভর সন্নিবেশিত হয় তুলনামূলকভাবে ক্ষুদ্র আয়তনের ভেতরে, তখনই তা পরিণত হয় কৃষ্ণগহ্বরে।
জার্মান পদার্থবিদ আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯১৫ সালে তার সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্বে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ধারণা দেন, যা স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়। তার ওই তত্ত্বেই ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্বের ধারণা আরো জোর পায়, যদিও আইনস্টাইন নিজেও এক সময় ওই তত্ত্ব ‘ভুল’ বলে ভাবতে শুরু করেন। তার মনে হয়েছিল, বাস্তবে ব্ল্যাক হোলের মত কিছু থাকা সম্ভব না।
আইনস্টাইনের মৃত্যুর ১০ বছর পর ১৯৬৫ সালে তার সেই সংশয় দূর করেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক পদার্থবিদ রজার পেনরোজ।
গাণিতিকভাবে তিনি দেখিয়ে দেন ব্ল্যাক হোল সত্যিই থাকা সম্ভব। আর কীভাবে তা তৈরি হয়, তাও তিনি গাণিতিক সমাধানে দেখিয়ে দেন আইনস্টাইনের সেই সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদের পথ ধরেই।
আইনস্টাইনের তত্ত্বের পর পেনরোজের ওই গাণিতিক সমাধানকেই সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কাজ বলে বিবেচনা করা হয়।
- জার্মানির ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ফিজিক্সের গবেষক রাইনার্ড গেনসেল এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার আন্দ্রেয়া গেজ ১৯৯০ এর দশকে আলাদা দুই দল জ্যোতির্বিদকে নিয়ে নজর রাখছিলেন আমাদের ছায়াপথের ঠিক মাঝামাঝি এলাকার একটি অংশে, যাকে বলা হয় ‘স্যাগিটেরিয়াস এ’।
ওই এলাকার কাছাকাছি সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রটির কক্ষপথ পরিমাপ করতে গিয়ে দুই দলই এক অদৃশ বস্তুর সন্ধান পান, যা আকারে আমাদের সৌরজগতের চেয়ে ছোট, কিন্তু ভর আমাদের সূর্যের ভরের প্রায় ৪০ লাখ গুণ বেশি। আর অদৃশ্য সেই বস্তু প্রচণ্ড শক্তিতে আশপাশের নক্ষত্রগুলোকে টানছে।
আসলে তাদের ওই গবেষণার মধ্য দিয়েই আমাদের আকাশগঙ্গার ঠিক কেন্দ্রে বিপুল বিশাল এব ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়। এ আবিষ্কারের জন্য তাঁরা ২০২০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত হন।
সূত্র: www.nobelprize.org ওয়েবসাইট

৭,৮৩৯.
দেহের তাপমাত্রা 98°F হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?
  1. 36.7°
  2. 38°
  3. 39.1°
  4. 40.5°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দেহের তাপমাত্রা 98°F হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?

সমাধান:
ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের সম্পর্ক হলোঃ C/5 = (F - 32)/9
F = 98° হলে,
C/5 = (98 - 32)/9
⇒ C/5 = 66/9
⇒ C = (66 × 5)/9
⇒ C = 330/9
∴ C = 36.7°

সঠিক উত্তর- ক) 36.7° 

৭,৮৪০.
নিচের কোন পদার্থের ব্যাপন হার বেশি?
  1. CO2
  2. NH3
  3. H2SO4
  4. HCl
ব্যাখ্যা
• CO2 এর আনবিক ভর = 44
• NH3 এর আনবিক ভর = 17 
• H2SO4 এর আনবিক ভর = 98
• HCl এর আনবিক ভর = 36.5
• NH3 এর আনবিক ভর সবচেয়ে কম। তাই এর  ব্যাপন হার বেশি।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
৭,৮৪১.
নিচের কোন জেলায় কঠিন-শিলা খনি পাওয়া গেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. নেত্রকোনা
  3. খুলনা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ:

• কঠিন শিলা (Hard Rock):
- রেলপথ, রাস্তাঘাট, গৃহ, সেতু ও বাঁধ নির্মাণ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি কাজে কঠিন শিলা ব্যবহৃত হয়।
- রংপুর জেলার রানীপুকুর ও শ্যামপুর এবং দিনাজপুর জেলার  পার্বতীপুর, কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া গেছে।
- রংপুরের রানীপুকুর থেকে বৈদেশিক সহযোগিতায় শিলা উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন, এখান থেকে বছরে প্রায় ১৭ লক্ষ টন শিলা উত্তোলন করা যাবে। 

• খনিজ তেলঃ
- দেশের একমাত্র খনিজ তেলক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- এ তেলক্ষেত্রে তেলের মোট মজুতের পরিমাণ প্রায় ১০ মিলিয়ন ব্যারেল যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুতের পরিমাণ প্রায় ৬ মিলিয়ন ব্যারেল।
- ১৯৮৭ সালের জানুয়ারি মাসে হরিপুর তেলক্ষেত্র থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরুর পরবর্তী সাড়ে ছয় বছরে এ তেলক্ষেত্র থেকে ০.৫৬ মিলিয়ন ব্যারেল খনিজ তেল উৎপাদন করা হয়।
- ১৯৯৪ সালের জুলাই মাস থেকে তেল উৎপাদন স্থগিত হয়ে যায়।
- বিশেষজ্ঞগণের মতে, হরিপুর তেলক্ষেত্রটিকে যথার্থভাবে মূল্যায়ন করা হয় নি এবং সঠিক উপায়ে মূল্যায়নকার্য পরিচালনার পর পূর্ণমাত্রায় তেল উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।

* প্রাকৃতিক গ্যাসঃ
- মোট বানিজ্যিক জ্বালানি ব্যবহারের ৭১% পূরণ হয় প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে
- আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি
- সর্বশেষে গ্যাসক্ষেত্র- ভোলা জেলার ইলিশা-১।
- সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র- তিতাস।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি এবং
খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো
৭,৮৪২.
ভাইরাসকে জীব এবং অজীবের মাঝামাঝি বলা হয় কারণ এতে-
  1. RNA ও কোষ উভয়ই আছে
  2. প্রোটিন নেই
  3. শুধুমাত্র এককোষী
  4. কোষ নেই কিন্তু DNA আছে
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস হলো এক ধরনের অণুজীব (Microorganism) যা জীবন ও অজীব উভয়ের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। এই কারণে বিজ্ঞানীরা ভাইরাসকে জীব ও অজীবের মধ্যবর্তী সত্তা (borderline entity) হিসেবে বিবেচনা করেন।

ভাইরাসের জীব বৈশিষ্ট্য:

১। জিনগত উপাদান:
- ভাইরাসের মধ্যে DNA বা RNA থাকে, যা তার জিনগত তথ্য বহন করে।
- এই জিনগত উপাদান নতুন ভাইরাস উৎপাদনে মূল ভূমিকা রাখে।

২। প্রজনন ক্ষমতা:
- ভাইরাস নিজে থেকে প্রজনন করতে পারে না।
- এটি হোস্ট কোষের ভিতরে প্রবেশ করে কোষের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে নতুন ভাইরাস তৈরি করে।

৩। সংক্রমণ ও বৃদ্ধি:
- ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে তার প্রজাতি বৃদ্ধি করতে পারে।
- এটি হোস্ট কোষের সঙ্গে সম্পর্কিত না হলে সক্রিয় জীবন ধারণ করতে পারে না।

ভাইরাসের অজীব বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাসের নিজস্ব কোষ নেই, তাই এটি স্বনির্ভরভাবে শক্তি উৎপাদন বা খাদ্য গ্রহণ করতে পারে না।
- এককভাবে ভাইরাসকে জীবিত বলা যায় না; হোস্ট কোষ ছাড়া এটি কোন শারীরিক কাজ করতে সক্ষম নয়।
- ভাইরাসের প্রোটিন কোট (Capsid) থাকলেও কোষের মতো অঙ্গাণু বা যন্ত্রাংশ নেই।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই। 

৭,৮৪৩.
হৃদযন্ত্রের সংকোচন হওয়াকে বলা হয়-
  1. ডায়াস্টল
  2. সিস্টল
  3. ডায়াসিস্টল
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
হৃদপিন্ড:
• হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে।
• হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে বলে সিস্টোল।
• হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সম্প্রসারণকে বলে ডায়াস্টোল।

image source: cvphysiology.com

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৪৪.
হিগস বোসন কণার নামের সাথে কোন বাঙালীর নাম সম্পৃক্ত?
  1. ক) জগদীশ্চন্দ্র বসু
  2. খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  3. গ) জামাল নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসেবে এমন একটি কণার ধারণা দেন যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং যার ফলে এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে এ কণাটিই হলো হিগের কণা। হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'। বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা। হিগস বোসন কণার অপর নাম- ঈশ্বর কণা। হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
৭,৮৪৫.
মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্রকে বলে-
  1. ক) Close circulatory system
  2. খ) Close circuitry system
  3. গ) Close centrifugal system
  4. ঘ) Open centrifugal system
ব্যাখ্যা
মানবদেহের রক্তপ্রবাহ কেবল হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালিসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে বলে এ ধরনের রক্তসংবহনতন্ত্রকে Close circulatory system বা বদ্ধ সংবহনতন্ত্র বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
৭,৮৪৬.
মাইক্রোপ্রসেসরের মূল কাজ কী?
  1. তথ্য প্রদান করা
  2. তথ্য গ্রহণ করা
  3. তথ্য সংরক্ষণ করা 
  4. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা
ব্যাখ্যা

মাইক্রোপ্রসেসর: 
- সমন্বিত (Integrated Circuit) বর্তনী আবিষ্কারের ফলে বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোতে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং গাণিতিক/যুক্তি ইউনিটগুলো একই সংগে মাইক্রোপ্রসেসরে থাকে। ফলে আধুনিক কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বলতে মাইক্রোপ্রসেসরকেই বুঝায়। 
- মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্যের উপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে। 
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো- 
১. ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা। 
২. গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা। 
৩. কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা। 
৪. স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা। 
- এই সমস্ত কাজ সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরে প্রয়োজনীয় বর্তনী থাকে। 
- উপরে উল্লিখিত কাজগুলো সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। নিয়ন্ত্রণ অংশ, 
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ এবং   
৩। স্মৃতি । 


উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৪৭.
নিচের কোনটি মানবদেহের লুপ্তপ্রায় অঙ্গ?
  1. ফ্লিপার
  2. ককসিক্স
  3. অ্যাপেন্ডিক্স
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা

- বিভিন্ন জীবের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বাহ্যিক গঠনকে অঙ্গসংস্থান বলে। এদের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের আলোচনাকে তুলনামূলক অঙ্গসংস্থান বলে।

(ক) সমসংস্থ অঙ্গ:
- পাখির ডানা, বাদুড়ের ডানা, তিমির ফ্লিপার, সিলের অগ্রপদ, ঘোড়ার অগ্রপদ, মানুষের হাত-এর সবগুলোই সমসংস্থ অঙ্গ।
- আপাতদৃষ্টিতে এদের আকৃতিগত পার্থক্য দেখা গেলেও অভ্যন্তরীণ কাঠামো পরীক্ষা করলে দেখা যায় যে এদের অস্থিবিন্যাসের মৌলিক প্রকৃতি একই ধরনের অর্থাৎ সকল প্রাণীর জন্যই এখানকার অস্থিগুলো উপর থেকে নিচের দিকে পরপর সাজানো রয়েছে। বাইরে থেকে দেখতে যে বৈসাদৃশ্য রয়েছে, সেটি ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশের সাথে অভিযোজিত হওয়ার জন্য ঘটেছে।
- পাখি ও বাদুড়ের 'অগ্রপদ' ওড়ার জন্য, তিমির ফ্লিপার সাঁতারের জন্য, ঘোড়ার অগ্রপদ দৌড়ানোর জন্য ও মানুষের অগ্রপদ কোনো জিনিস ধরা ও অন্যান্য সৃজনশীল কাজের জন্য পরিবর্তিত হয়েছে।

(খ) সমবৃত্তি অঙ্গ:
- বিভিন্ন প্রাণীর যে অঙ্গগুলোর উৎপত্তি, বিকাশ এবং গঠন ভিন্ন হলেও তারা একই কাজ করে, সেই অঙ্গগুলোকে সমবৃত্তি অঙ্গ বলে। যেমন-পতঙ্গ কিংবা বাদুড়ের ডানা উড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- এদের উৎপত্তি ও গঠন সম্পূর্ণ আলাদা হলেও একই পরিবেশের প্রভাবে তারা একই রকম কাজ করার জন্য অভিযোজিত হয়েছে অর্থাৎ বাদুড় এবং পতঙ্গ দুটিই প্রয়োজনের তাগিদে উড়তে সাহায্য করার উপযোগী অঙ্গ তৈরি করেছে। 
- এরকম সমবৃত্তি অঙ্গগুলো জৈব অভিব্যক্তি সমর্থন করে।

(গ) লুপ্তপ্রায় অঙ্গ:
- জীবদেহে এমন কতকগুলো অঙ্গ দেখা যায়, যেগুলো কিছু জীবদেহে সক্রিয় থাকে কিন্তু অপর জীবদেহে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে, এমন অঙ্গগুলোকে লুপ্তপ্রায় অঙ্গ বা নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলে। 
- প্রাণীদেহের মধ্যে বহু লুপ্তপ্রায় অঙ্গ রয়েছে। মানুষের সিকাম এবং সিকাম-সংলগ্ন ক্ষুদ্র অ্যাপেন্ডিক্সটি নিষ্ক্রিয়, কিন্তু স্তন্যপায়ীভুক্ত তৃণভোজী প্রাণীদের (যেমন- ঘোড়া কিংবা গিনিপিগের) দেহে এগুলো সক্রিয়।
- মানুষের দেহে লেজ নেই, তবু মেরুদণ্ডের শেষ প্রান্তে ককসিক্স নামক লুপ্তপ্রায় অঙ্গ রয়েছে। এই ককসিক্স মানুষের পূর্বপুরুষে সুগঠিত ছিল। 
- লুপ্তপ্রায় অঙ্গ বহনকারী প্রাণীটির উৎপত্তি ঘটেছে এমন উদবংশীয় প্রাণী থেকে, যার দেহে একসময় উক্ত অঙ্গটি সক্রিয় ছিল।

উৎস: বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

৭,৮৪৮.
পরিপক্ক ডিম্বাণুর অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) নিউক্লিয়াস
  2. খ) ডিম্বাণু ঝিল্লী
  3. গ) গ্রীবা
  4. ঘ) সাইটোপ্লাজম
ব্যাখ্যা
মানুষের ডিম্বাণুর গঠন:
- গ্রীবা পরিপক্ক ডিম্বাণুর অংশ নয়।
- স্ত্রী জননকোষের নাম ডিম্বাণু। এটি মোটামুটি গোলাকার এবং ১২০-১৫০ মাইক্রন ব্যাসবিশিষ্ট ।
- ডিম্বাশয়ের গ্রাফিয়ান ফলিকলের উওসাইট (oocyte) বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে পরিপক্ক ডিম্বাণুতে পরিণত হয়।
- প্রতিটি পরিপক্ক ডিম্বাণুকে তিনটি অংশে ভাগ করা যায়। যথা-
(ক) ডিম্বাণু ঝিল্লী।
(খ) নিউক্লিয়াস।
(গ) সাইটোপ্লাজম।

• ডিম্বাণু ঝিল্লি:
- লিপোপ্রোটিন সমৃদ্ধ প্লাজমা মেমব্রেন দ্বারা ডিম্বাণু আবৃত থাকে।
- প্লাজমা মেমব্রেনের বাইরে জোনা পেলুসিডা নামক একটি প্রাইমারি আবরণ বিদ্যমান।

• সাইটোপ্লাজম:
- ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজম উত্তপ্লাজম নামে পরিচিত।
- এতে প্রচুর গলগি বড়ি, মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ও কর্টিক্যাল গ্রানিউল থাকে।

• নিউক্লিয়াস:
- ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াস বেশ বড়, তবে কেন্দ্র থেকে একটু সরে অবস্থান করে।
- নিষেকের সময় নিউক্লিয়াসটি কেন্দ্রে আসে।
- এতে হ্যাপ্লয়েড সংখ্যক (n) ক্রোমোসোম থাকে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৪৯.
কৃষ্ণবিবরের ঘনত্ব ও আয়তনের অবস্থা কেমন হয়? 
  1. আয়তন প্রায় বেশি, ঘনত্ব কম
  2. আয়তন প্রায় শূন্য, ঘনত্ব প্রায় অসীম
  3. আয়তন প্রায় অসীম, ঘনত্ব প্রায় শূন্য
  4. উভয়ই অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। এই সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না, নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৫০.
খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে কোন ভিটামিন?
  1. ক) ভিটামিন সি
  2. খ) ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
  3. গ) ভিটামিন ই
  4. ঘ) ভিটামিন কে
ব্যাখ্যা
আটটি বি ভিটামিনকে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বলা হয়। এগুলোর মধ্যে আছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, বি সিক্স, বি টুয়েলভ, ফলিক এসিড ও প্যানথোনিক এসিড। এরা খাদ্যকে এনার্জিতে রূপান্তরিত হতে সাহায্য করে।

সঠিক বৃদ্ধির জন্য রক্তকোষ, হরমোন ও নার্ভাস সিস্টেমের জন্য ভিটামিন বি কমপ্লেক্স অত্যাবশ্যকীয়। এসব ভিটামিন পানিতে দ্রবনীয় ভিটামিন। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভিটামিন, এবং প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকা আবশ্যক। শরীরে এসব ভিটামিন এর অভাবে হতে পারে বিভিন্ন রোগব্যাধি।
৭,৮৫১.
পাহাড়ে ওঠার সময় আমাদের সামনের দিকে ঝুঁকতে হয়, কারণ-
  1. ক) বেগ বাড়ানোর জন্য
  2. খ) ক্লান্তি এড়ানোর জন্য
  3. গ) শরীরকে স্থির রাখার জন্য
  4. ঘ) পেছনের দিকে হেলে পড়া রোধের জন্য
ব্যাখ্যা
পাহাড়ে উঠার সময় আমাদের শরীরের ভরকেন্দ্রের (Center of gravity) ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়, সেজন্য সামনের দিকে ঝুকে হাটতে হয়, নইলে নিচে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আবার পাহাড় থেকে নামার সময় একই কারণে পেছনের দিকে হেলে হাটতে হয়।
৭,৮৫২.
Variola নামের ভাইরাসটি কোন রোগের জন্য দায়ী?
  1. ক) হেপাটাইটিস
  2. খ) গুটিবসন্ত
  3. গ) পোলিও
  4. ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
ব্যাখ্যা
- পক্সভাইরাস দলের Variola নামের ভাইরাসটি মানুষের গুটিবসন্তের জন্য দায়ী, যা দীর্ঘদিন ছিল অসহনীয় দুর্ভোগ ও যন্ত্রণাময় এক রোগ। 
- এ দলের কম ক্ষতিকর কতিপয় ভাইরাস মানুষের আরো কয়েকটি রোগের কারণ হলেও সেসব অতটা তীব্র নয়। এসব ভাইরাস থেকেই গুটি বসন্তের টীকা উদ্ভাবিত হয়েছিল।
- ১৯৬৭ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) সর্ব প্রথম সারা বিশ্বে গুটি বসন্ত নির্মূলের প্রচারণা চালায় এবং সফলভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত করে।
-  ফলে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই পৃথিবী থেকে গুটি বসন্ত তিরোহিত হয়। 
- বাংলাদেশে সর্বশেষ গুটি বসন্তের ঘটনা লিপিবদ্ধ হয়েছে ১৯৭৫ সালে। সোমালিয়ায় গুটি বসন্তে আক্রান্ত শেষ রোগী মারা যায় ১৯৭৭ সালে। 
- Institute of Public Health (IPH) বাংলাদেশে সফলভাবে বসন্ত নির্মূল কার্যক্রমে এবং টীকা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৭,৮৫৩.
কোন অঙ্গাণুটি প্রাককেন্দ্রিক এবং সুকেন্দ্রিক উভয়ধরনের কোষে থাকে?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) রাইবোজোম
  3. গ) প্লাস্টিড
  4. ঘ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
ব্যাখ্যা
প্রাককেন্দ্রিক কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম থাকে না তবে রাইবোজোম থাকে৷
সুকেন্দ্রিক কোষে রাইবোজোম সহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৭,৮৫৪.
কৃষি জমিতে চুন ব্যবহার করা হয় কেন?
  1. ক) মাটির অম্লতা বৃদ্ধির জন্য
  2. খ) মাটির ক্ষয়রোধ করার জন্য
  3. গ) মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
  4. ঘ) জৈব পদার্থের বৃদ্ধির জন্য
ব্যাখ্যা
- এসিড মাটি অনুর্বর।
- জমিতে বার বার অ্যামোনিয়াম সালফেটকে সার হিসেবে ব্যবহার করলে মাটিতে এসিডের মাত্রা বাড়ে।
- ফলে মাটি অনুর্বর হয়ে যায়।
- এই সারের সাথে চুন মিশালে এসিডের তীব্রতা হ্রাস পায়।
- তাই মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য চুন ব্যবহার করা হয়।

সূত্র- রসায়ন বই, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৮৫৫.
জার্মেনিয়াম এক ধরণের-
  1. ক) পরিবাহী
  2. খ) অর্ধপরিবাহী
  3. গ) অপরিবাহী
  4. ঘ) অন্তরক
ব্যাখ্যা
কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। উদাহরণ: সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টর। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৭,৮৫৬.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন কে? 
  1. এডুইন হাবল
  2. স্টিফেন হকিং 
  3. জর্জ গ্যামো
  4. জি. ল্যামেটার 
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাং তত্ত্ব: 
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। 
- জি. ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’. 
-  বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৭,৮৫৭.
একই উচ্চতা থেকে এক টুকরা পাথর ও একটি কাগজের টুকরাকে বিনা বাধায় পড়তে দিলে-
  1. পাথরের টুকরাটি আগে মাটিতে পড়বে
  2. কাগজের টুকরাটি আগে মাটিতে পড়বে
  3. এরা একই সময়ে মাটিতে পড়বে
  4. উভয়টি শূন্যে ঝুলন্ত থাকবে
ব্যাখ্যা
একই উচ্চতা থেকে এক টুকরা পাথর ও একটি কাগজের টুকরাকে বিনা বাধায় পড়তে দিলে এরা একই সময়ে মাটিতে পড়বে।
 
• পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন। সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

প্রথম সূত্র : স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত সব বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে।

প্রথম সূত্র : এ সূত্রানুসারে স্থির অবস্থান থেকে কোনো বস্তু ছেড়ে দিলে তা যদি বিনা বাধায় মাটিতে পড়ে, তাহলে মাটিতে পড়তে যে সময় লাগে তা বস্তুর ভর, আকৃতি বা আয়তনের ওপর নির্ভর করে না। বিভিন্ন ভরের, আকারের ও আয়তনের বস্তুকে যদি একই উচ্চতা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এগুলো যদি বিনা বাধায় মুক্তভাবে পড়তে থাকে, তাহলে সবগুলোই একই সময়ে মাটিতে পৌঁছবে।

এই সূত্রানুসারে, একই উচ্চতা থেকে এক টুকরা পাথর ও একটি কাগজের টুকরাকে বিনা বাধায় পড়তে দিলে এরা একই সময়ে মাটিতে পড়বে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৫৮.
রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়-
  1. কিডনির পাথর গলাতে
  2. পিত্তপাথর গলাতে
  3. গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
  4. নতুন পরমাণু তৈরিতে
ব্যাখ্যা
- কোনো কোনো আইসোটোপ অস্থিতিশীল হয়ে থাকে, অর্থাৎ এদের নিউক্লিয়াসের মধ্যে পরিবর্তন ঘটে থাকে।
- ফলস্বরূপ, এই আইসোটোপ থেকে কিছু কণা বিচ্ছুরিত হয়, কখনো কখনো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়ে থাকে।
- এই প্রকার আইসােটোপকে রেডিও আইসোটোপ (radio isotope) বলা হয়। 
- এই রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয় গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে। 

- An exceptionally useful radioactive isotope is iodine-131, which has a half-life of eight days. 
- t is employed in medicine to monitor thyroid gland functioning, to treat goitre and thyroid cancer, and to locate tumours of the brain and of the liver.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি ও Britannica. 
৭,৮৫৯.
সবুজ উদ্ভিদ কোথায় খাদ্য তৈরি করে?
  1. ক) কাণ্ডে
  2. খ) মাটিতে
  3. গ) শিকড়ে
  4. ঘ) পাতায়
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য।
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোক সংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে।
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ।
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে।
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়।
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে।
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। কারণ- 
১. পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়।
২. পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি।
৩. পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
৭,৮৬০.
Ichthyology কী?
  1. ক) বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যা
  2. খ) মাছ সম্পর্কিত বিদ্যা
  3. গ) শৈবাল সম্পর্কিত বিদ্যা
  4. ঘ) হাড় সম্পর্কিত বিদ্যা
ব্যাখ্যা
• Ichthyology হলো মাছ সম্পর্কিত বিদ্যা।
- Ichthyology মাছের বৈজ্ঞানিক গবেষণা।
- এটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা সমস্ত জীবন্ত জিনিস নিয়ে কাজ করে।
- Ichthyology মাছের প্রজাতির সাথে সম্পর্কিত, বিশেষ করে Chondrichthyes, Osteichthyes (অস্থি মাছ) এবং Agnatha (চোয়ালবিহীন মাছ) নিয়ে গবেষণা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৮৬১.
তড়িৎ চৌম্বক আবেশ আবিষ্কার করেন কে?
  1. ওয়ারস্টেড
  2. মাইকেল ফ্যারাডে
  3. টমাস আল্ভা এডিসন
  4. মার্কনি
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ চৌম্বক আবেশ:
- ওয়েরস্টেড (১৮২০) তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বকীয় ক্রিয়া আবিস্কারের পর থেকেই বিজ্ঞানীদের মাথায় চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টির কথা চিন্তা করেন।
- তখন তিন দেশের তিন জন বিজ্ঞানী ইংল্যান্ডে মাইকেল ফ্যারাডে, আমেরিকাতে জোসেফ হেনরী এবং রাশিয়ায় এইচ. এফ. ই. লেনজ পৃথক পৃথক ভাবে এ বিষয়ের উপর গবেষণা করে সফলতা অর্জন করেন।
- কিন্তু মাইকেল ফ্যারাডে ১৮৩১ সালে সর্বপ্রথম তাঁর গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করেছিলেন।
- সেজন্য মাইকেল ফ্যারাডে তড়িৎ চৌম্বক আবেশের আবিষ্কারক হিসাবে পরিচিত।
- ফ্যারাডের পরীক্ষাগুলো থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, কোনো বদ্ধ কুণ্ডলী এবং কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকলে ঐ কুণ্ডলীতে
একটি আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনাকে তড়িৎ চৌম্বক আবেশ বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬২.
একজন পূর্ণবয়স্ক লোকের প্রতিদিন পানি গ্রহণ করা প্রয়োজন প্রায়-
  1. ক) ১.৫ লিটার
  2. খ) ২.৫ লিটার
  3. গ) ৫ লিটার
  4. ঘ) ৪ লিটার
ব্যাখ্যা
• প্রাপ্তবয়স্ক ও কর্মক্ষম নারী - পুরুষের প্রতিদিন দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা প্রয়োজন।
• তবে দিনে কতটুকু পানি পান করতে হবে, তা নির্ভর করে মূলত আবহাওয়া ও শারীরিক শ্রমের ওপর।
• শীতকালের চেয়ে গরমকালে শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায় আবহাওয়ার কারণেই। 
•  যারা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঘামেন, তাঁদের জন্য একটু বেশি পানি পান করা জরুরি।
• তবে একজন পূর্ণবয়স্ক লোকের প্রতিদিন পানি গ্রহণ করা প্রয়োজন প্রায় -২.৫ লিটার।

উৎস: প্রথমআলো। 
৭,৮৬৩.
মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে কোন প্রকার জৈবিক শক্তি সঞ্চিত থাকে?
  1. NADPH
  2. GTP
  3. ADP
  4. ATP
ব্যাখ্যা

• মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র। এটি খাদ্য থেকে শক্তি উত্তোলন করে তা এমন এক আকারে সংরক্ষণ করে, যা কোষ সহজে ব্যবহার করতে পারে। মাইটোকন্ড্রিয়ার মূল শক্তি সঞ্চয়কারী জৈবিক অণু হলো ATP (অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট)। ATP-এ থাকা রাসায়নিক শক্তি কোষের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায়, যেমন প্রোটিন সংশ্লেষণ, সংকোচন, এবং সক্রিয় পরিবহন ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। মাইটোকন্ড্রিয়ায় খাদ্য অণুগুলো অক্সিডেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ATP-তে রূপান্তরিত হয়। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে NADPH প্রধানত ক্লোরোপ্লাস্টে শক্তি পরিবহনের কাজে লাগে, GTP কিছু বিশেষ প্রক্রিয়ায় সংকেত বা প্রোটিন সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, আর ADP হলো ATP-এর পূর্বাবস্থা। তাই ATP হলো মাইটোকন্ড্রিয়ার মূল শক্তি সঞ্চয়কারী।
 
মাইটোকন্ড্রিয়া: 
- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে, তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়। 
- এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়। 
- কলিকার ১৮৫০ সালে সাইটোপ্লাজমে এসব অঙ্গাণু আবিষ্কার করেন। 
- অল্টম্যান ১৮৯৪ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার উপস্থিতি আবিষ্কার করেন। 
- বেন্ডা ১৮৯৮ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার নামকরণ করেন। 
- বিভাজনের মাধ্যমে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে। কোষে একটিমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়া থাকলে তা কোষ বিভাজনের সাথেই বিভাজিত হয়। 

মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজ: 
১। কোষের যাবতীয় জৈবিক কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে। 
২। শ্বসনের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ও কোএনজাইম ধারণ করে। 
৩। শ্বসন এর বিভিন্ন পর্যায় যেমন- ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন পরিবহন, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ইত্যাদি এখানে সম্পন্ন হয়। 
৪। কিছু পরিমাণ DNA ও RNA উৎপন্ন করে। 
৫। ADP কে ATP তে রূপান্তর করার মাধ্যমে ATP তে শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে সহায়তা করে। 
৬। স্নেহ বিপাকে অংশ গ্রহণ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৬৪.
ধনাত্মক আধান বা পজিটিভ চার্জ বিশিষ্ঠ আয়নকে কি বলে?
  1. অ্যানায়ন
  2. ক্যাটায়ন
  3. সমযোজী
  4. আয়নিক
ব্যাখ্যা
- সাধারনত পরমানুর নিউক্লিয়াসে যতটি ধনাত্মক আধান বা প্রোটন থাকে, এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ঠিক ততটি ঋণাত্মক আধান বা ইলেকট্রন থাকে। এভাবেই একটি পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ হয়। এরকম একটি আধান নিরপেক্ষ পরমাণুর বাইরের শক্তি স্তর থেকে এক বা একাধিক ইলেক্ট্রন সরিয়ে নিলে সেটি নিরপেক্ষ না থেকে সামগ্রিকভাবে ধনাত্মক আধান বিশিষ্ট আয়নে পরিণত হয়।
ধনাত্মক আধান/পজিটিভ চার্জ বিশিষ্ট এরূপ আয়নকে ক্যাটায়ন বলে।

সূত্রঃ উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
৭,৮৬৫.
বায়ুমন্ডলের মোট শক্তির কত শতাংশ সূর্য হতে আসে?
  1. ৯০ শতাংশ
  2. ৯৪ শতাংশ
  3. ৯৮ শতাংশ
  4. ৯৯.৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বায়ুর তাপের প্রধান উৎস সূর্য। 
- বিকিরণ প্রক্রিয়ায় সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে। 
- বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির ৯৯.৯৭% আসে সূর্য থেকে। 
- পৃথিবী তাপ হারিয়ে শীতল হয় বিকিরণ পদ্ধতি। 
- ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয় পরিবহন প্রক্রিয়া। 
- পানি ও বায়ুমণ্ডলের উত্তাপের বিনিময় হয় পরিচলন প্রক্রিয়ায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৬৬.
কোনটিতে তামা অনুপস্থিত থাকে?
  1. ব্রোঞ্জ
  2. ২১ ক্যারেট স্বর্ণ
  3. ২২ ক্যারেট স্বর্ণ
  4. ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ
ব্যাখ্যা
• ২৪ ক্যারেট স্বর্ণে তামা বা অন্য কোনো খাঁদ থাকে না। 

• সংকর ধাতু:
- কতকগুলো ধাতুকে একত্রে গলানোর পর গলিত মিশ্রণকে ঠাণ্ডা করলে যে ধাতু মিশ্রণ পাওয়া যায় তাকে সংকর ধাতু বলা হয়। 

• সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না।
• সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্রধান ধাতু এবং অন্য এক বা একাধিক পদার্থ থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু।
• প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করাহয়। যেমন- স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু।
• স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1% এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়।
• সংকর ধাতু মরিচাবিহীন ইস্পাতে কপার অনুপস্থিত।
- এর উপাদান গুলো হলো লোহা, ক্রোমিয়াম এবং নিকেল।
• কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%। এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু।
• পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%। এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু।
• সংকর ধাতু ডুরালুমিনে কপারের পরিমাণ 4% ।
• 21 ক্যারেট ও 22 ক্যারেট স্বর্ণে খাদ হিসেবে কপার ও অন্যান্য ধাতুর পরিমাণ যথাক্রমে 12.5% ও 8.33%। 
• 24 ক্যারেট স্বর্ণে স্বর্ণের পরিমাণ 100% । অর্থাৎ এতে তামা বা অন্য কোনো খাঁদ থাকে না। 

তথ্যসুত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৭,৮৬৭.
সালফিউরিক এসিডে ভরের অনুপাতে প্রায় কত ভাগ সালফিউরিক এসিড থাকে?
  1. ক) ৯৮ ভাগ
  2. খ) ৬৭ ভাগ
  3. গ) ৪৫ ভাগ
  4. ঘ) ৫৬ ভাগ
ব্যাখ্যা
সালফিউরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো H2SO4
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৭,৮৬৮.
হৃৎপিণ্ডকে ঘিরে রাখা আবরণটির নাম কী? 
  1. এন্ডোকার্ডিয়াম
  2. পেরিকার্ডিয়াম
  3. এপিকার্ডিয়াম
  4. মায়োকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ড: 
- হৃৎপিণ্ড বক্ষগহ্বরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি মোচাকৃতির অঙ্গ। 
- এটা পেরিকার্ডিয়াম নামে দুই স্তরবিশিষ্ট একটি পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত। 
- হৃৎপিণ্ড হৃৎপেশি দ্বারা গঠিত, হৃৎপেশি এক ধরনের স্বাধীন অনৈচ্ছিক পেশি, যা কারো নিয়ন্ত্রণ ছাড়া নিজে নিজেই সংকোচন ও প্রসারণে সক্ষম। 
- প্রতি মিনিটে কম বেশি ৭২ বার হৃৎপিণ্ড সংকোচিত ও প্রসারিত হয়। 

- হৃৎপিণ্ড তিন স্তরে গঠিত। 
যথা- ক. বাইরের স্তর বা এপিকার্ডিয়াম খ. মাঝের স্তর বা মায়োকার্ডিয়াম এবং গ. ভিতরের স্তর বা এন্ডোকার্ডিয়াম। 
- এদের মধ্যে মায়োকার্ডিয়ামই সবচেয়ে পুরু এবং এর সংকোচনের কারণে হৃৎপিণ্ড পাম্প করে রক্ত সঞ্চালন করে। 
- হৃৎপিণ্ড একটি চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট ফাঁপা অঙ্গ। 
- হৃৎপিণ্ডের উপরের প্রকোষ্ঠ দুটির নাম ডান অলিন্দ ও বাম অলিন্দ এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটি যথাক্রমে ডান ও বাম নিলয়। 
- অলিন্দে প্রাচীর পাতলা ও নিলয়ের প্রাচীর পুরু থাকে, বাম নিলয়ের প্রাচীর অধিকতর পুরু থাকে। 
- অলিন্দ ও নিলয় দুটি আলাদা প্রাচীর দ্বারা পৃথক থাকে, আয়তনে অলিন্দগুলো নিলয়ের চেয়ে আকারে ছোটো হয়। 
- ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের মাঝে ডান অলিন্দ-নিলয় ছিদ্র থাকে, ঐ ছিদ্রপথে তিন কপাট বিশিষ্ট কপাটিকা থাকে। রক্ত এ ছিদ্রপথে অলিন্দ থেকে নিলয়ে প্রবেশ করতে পারে। 
- অনুরূপভাবে বাম অলিন্দ ও নিলয়ের দুই কপাট বিশিষ্ট মাঝে কপাটিকা থাকে, এক্ষেত্রেও বাম অলিন্দ থেকে রক্ত কেবল মাত্র নিলয়ে প্রবেশ করতে পারে। 
- এছাড়া মহাধমনি ও বাম নিলয়ের সংযোগস্থলে ও ফুসফুসীয় ধমনি এবং ডান নিলয়ের সংযোগস্থলে অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা রয়েছে, এ কপাটিকাগুলো রক্তের গতিপথ একদিকে নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৭,৮৬৯.
নিচের কোনটি অদানাদার শ্বেতকণিকা নয়?
  1. মনোসাইট
  2. লিম্ফোসাইট
  3. বেসোফিল
  4. সবগুলোই অদানাদার শ্বেতকণিকা
ব্যাখ্যা
• শ্বেত রক্তকণিকা (Leucocytes): 
- শ্বেত রক্তকণিকার বৈজ্ঞানিক নাম leucocytes. 
- পূর্ণাঙ্গ মানুষের প্রতি ঘন মি. লি. রক্তে প্রায় ৬০০০টি বিভিন্ন ধরনের শ্বেত কণিকা থাকে। 
- শ্বেতকণিকা আকারে লোহিত কণিকা অপেক্ষা বড়। 
- এদের নিউক্লিয়াস আছে। 
- রক্তে লোহিত ও শ্বেত কণিকার অনুপাত সাধারণত ৫০০:১। 
- শ্বেত কণিকা লোহিত অস্থিমজ্জা, প্লীহা ও লসিকা গ্রন্থি ইত্যাদি হতে উৎপন্ন হয়। 

• সাইটোপ্লাজমের গঠনের ভিত্তিতে শ্বেত কণিকাকে প্রধানত দু ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১। দানাদার শ্বেত কণিকা (Granulocyte): 
- নিউক্লিয়াসের বৈশিষ্ট্য, গঠন ও রঞ্জকধারণ ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে দানাদার শ্বেত কণিকাসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
ক) নিউট্রোফিল (Neutrophil): 
- কোষের দানাগুলো সূক্ষ্ম ও বেগুনি রঙের। কোষসমূহ আকারে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র। 
- পরিণত কোষে নিউক্লিয়াস ২-৭ টি ক্ষুদ্র খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। 
 
খ) ইওসিনোফিল (Eosinophil): 
- কোষগুলো গোলাকার, সাধারণত নিউক্লিয়াস ২ খণ্ডে বিভক্ত, সাইটোপ্লাজমে অপেক্ষাকৃত বড় দানা থাকে। 
 
গ) বেসোফিল (Basophil): 
- কোষগুলো গোলাকার, সাইটোপ্লাজমের দানাগুলো ক্ষারধর্মী রঞ্জক দ্বারা রঞ্জিত হয় এবং স্থূল ধরনের। 
- বেসোফিল হেপারিন উপাদান ধারণ করে। 
 
২। অদানাদার শ্বেতকণিকা (Agranulocyte): 
- আকার ও আকৃতির ওপর ভিত্তি করে অদানাদার শ্বেত কণিকাকে আবার ২ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
ক) মনোসাইট: 
- এদের সাইটোপ্লাজম দানাবিহীন। 
- কোষগুলো মোটামুটি গোলাকার। 
- আকৃতিতে সর্ববৃহৎ। 
 
খ) লিম্ফোসাইট: 
- লিম্ফোসাইটের সাইটোপ্লাজমে কোনো দানা থাকে না। 
- লিম্ফোসাইট আবার দুই প্রকার। 
• বড় লিম্ফোসাইট এবং 
• ছোট লিম্ফোসাইট। 
 
শ্বেত কণিকার কাজ: 
- শ্বেত কণিকা অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। 
যথা: 
১। ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis) প্রক্রিয়ায় এরা ক্ষণপদের সাহায্যে রোগ-জীবাণুকে ভক্ষণ করে ধ্বংস করে। 
২। লিম্ফোসাইট তৈরি করে রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে, এজন্য এদেরকে দেহের আণুবীক্ষণিক সৈনিক বলে। 
৩। বেসোফিল নিঃসৃত হেপারিন রক্তনালির ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে রক্তপ্রবাহ অব্যাহত রাখে। 
৪। এন্টিবডি তৈরি করে জীবাণু ধ্বংস করে। 
৫। হিস্টামিনের মাধ্যমে এলার্জিক বিক্রিয়া হয়। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৭,৮৭০.
বিগ ব্যাং এর কত বছর পর সৌরজগতের উৎপত্তি হয়েছে?
  1. ক) ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর
  2. খ) ৮.৫ - ৯ বিলিয়ন বছর
  3. গ) ১১.২ বিলিয়ন বছর
  4. ঘ) ১৩.৮ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের উৎপত্তি বিগ ব্যাং এর প্রায় ৮.৫ থেকে ৯ বিলিয়ন বছর পরে এবং আজ থেকে ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর পূর্বে৷ গত ১৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে তারকার জন্মমৃত্যু চক্রাকারে চলে আসছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৭,৮৭১.
কোন পেশি রক্ত চলাচল বজায় রাখতে সহায়তা করে?
  1. ক) ডেলটয়েড
  2. খ) ট্রাইসেপ
  3. গ) নিউরন
  4. ঘ) কার্ডিয়াক
ব্যাখ্যা
মানব ভ্রূণ সৃষ্টির একটা বিশেষ পর্যায় থেকে মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত হৃৎপিণ্ডের কার্ডিয়াক পেশি একটা নির্দিষ্ট গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহের মধ্যে রক্ত চলাচলের প্রক্রিয়া সচল রাখে।
উৎসঃজীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
৭,৮৭২.
নিচের কোনটি পানির ঘনত্ব? 
  1. 1000 gm-3
  2. 1000 kgm-3
  3. 1280 kgm-3
  4. 10000 kgm-3
ব্যাখ্যা
ঘনত্ব: 
- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। 
V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, p = m/V. 

ঘনত্বের একক: 
- কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার, সংক্ষেপে কিলোগ্রাম/ঘনমিটার (kgm)। 
4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়। 
- তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1g/cc

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৭৩.
গোয়েন্দা বিভাগে কোন ধরনের রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. আলফা রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
• গোয়েন্দা বিভাগে "রঞ্জন রশ্মি" ব্যবহৃত হয়।

• রঞ্জন রশ্মি:

- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি উৎপন্ন হয়।
- এক্স-রের একক রন্টজেন।
- এক্স-রে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন।
- রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের, মূলত ০.১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিসরে এবং ৩ × ১০১৬ থেকে
৩ × ১০২০ হার্জের কম্পাংক পরিসরে অবস্থিত ও উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়।

• এক্স-রে (ঞ্জন রশ্মি) এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৭৪.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র নিচের কোনটি? 
  1. অডিওমিটার 
  2. ম্যানোমিটার 
  3. ওডোমিটার 
  4. ক্রনোমিটার 
ব্যাখ্যা

- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র হচ্ছে- অডিওমিটার। 

গুরুত্বপূর্ণ অতিরিক্ত কিছু পরিমাপক যন্ত্র: 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৭,৮৭৫.
নিচের কোন মৌলটির অক্সাইড এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি করে?
  1. C
  2. Fe
  3. P
  4. S
ব্যাখ্যা
দূষক হচ্ছে সে সকল পদার্থ যার উপস্থিতি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে মানুষ তথা প্রাণিকূলের স্বাভাবিক জীবন যাপন হুমকি হয়ে উঠে। 

সিমেন্ট শিল্পের দূষক সমূহ (Pollutants in cement industry)
সিমেন্ট তৈরীর প্রতিটি ধাপে দূষক পদার্থ উৎপন্ন হয় যা পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে। নিম্নে সিমেন্ট শিল্পে উৎপন্ন কতিপয় উল্লেখযোগ্য দূষকের বর্ণনা দেয়া হলো :
১। সিমেন্ট তৈরীতে CaCO3 কে তাপ দিয়ে CaO এ পরিণত করা হয় এতে প্রচুর CO2 গ্যাস নির্গত হয় যা বায়ুকে দুষিত করে।
২। সিমেন্ট কারখানায় ঘুর্নায়মান চুল্লীতে উচ্চ তাপ প্রয়োগের জন্য বিভিন্ন রকমের জ্বালানী যেমন- কোক, গ্যাস, পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ ইত্যাদি দহন করা হয়। এ সব জ্বালানি দহনে প্রচুর পরিমাণে CO2, SO,NOx ইত্যাদি বায়ু দূষক গ্যাস উৎপন্ন হয় ফলে বায়ু দূষিত হয়। অধিকন্তু নাইট্রোজেন ও সালফারের অম্লীয় অক্সাইডসমূহ অম্ল-বৃষ্টি সৃষ্টি করে যার প্রভাবে মাটির উর্বরতা হ্রাস পায় ও গাছ-পালা বিনষ্ট হয়।
৩। সিমেন্ট শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামালের থ্যালিয়াম (T1), ক্যাডমিয়াম (Cd), মারকারী (Hg) প্রভৃতি উদ্বায়ী ভারী ধাতু অপদ্রব্য হিসেবে থাকে । চুল্লীর উচ্চ তাপমাত্রায় এসব বিষাক্ত ধাতুর বাষ্প নির্গত হয়ে বায়ু দূষণ করে ।

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৭৬.
ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট সালফারের ক্ষেত্রে নিচের কোন উক্তিটি সত্য?
  1. সালফারের অভাবে ডাইব্যাক রোগ হয়।
  2. সালফারের অভাবে গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয়ে গাছ খর্বাকৃতির হয়।
  3. সালফারের অভাবে কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়।
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সালফার: 
- সালফার (S) শউদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৭৭.
নিচের কোন তন্ত্রটি খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে থাকে?
  1. ক) স্নায়ুতন্ত্র
  2. খ) শ্বসনতন্ত্র
  3. গ) রেচনতন্ত্র
  4. ঘ) পরিপাকতন্ত্র
ব্যাখ্যা

পরিপাকতন্ত্র খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে থাকে।
যে শারীরিক প্রক্রিয়ায় জটিল খাদ্যবস্তু শোষণের উপযোগী কিংবা হজম হয়ে বা ভেঙে ক্ষুদ্র সাধারণ কণা হয়, তাকে পরিপাক ক্রিয়া বলে। পরিপাক সংশ্লিষ্ট যত ধাপ বা অংশ আছে, সব মিলেই পরিপাকতন্ত্র (Digestive System)।

নিম্নে কিছু অঙ্গের নাম ও তাদের কার্যকর্ম দেওয়া হলো:
অন্ননালি - পেশী সংকোচনের মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্য এ নালীপথে পাকস্থলিতে প্রবেশ করে।
পাকস্থলি - বিভিন্ন এনজাইম এবং এসিডের মাধ্যমে জটিল খাদ্য ভাঙ্গে।
যকৃত - পাচক রস উৎপন্ন করে যা ফ্যাটকে ভাঙ্গে।
পিত্তথলি - পাচক রস সংরক্ষন করে এবং প্রয়োজনে নিঃসরণ করে।
অগ্ন্যাশয় - একধরনের রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরন করে যা খাদ্যকে ভাঙ্গে।
ক্ষুদ্রান্ত্র - খাদ্য শোষণ করে শরীরের জন্য।
বৃহাদান্ত্র - পানি ও লবন শোষণ করে।
মলাশয় - উচ্ছিষ্ট সরবরাহ করে।
অ্যাপেনডিক্স - চিহ্নিত অঙ্গ (এর কোনে কাজ মানব শরীরে নেই, এটি একটি অতিরিক্ত অঙ্গ)।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৭,৮৭৮.
কোনো পরিবাহীর বিভব এক ভোল্ট (1V) বৃদ্ধি করতে যদি এক কুলম্ব (IC) আধানের প্রয়োজন হয়, তাহলে ঐ পরিবাহীর ধারকত্ব-
  1. ক) 1 F
  2. খ) 2 F
  3. গ) 3 F
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পরিবাহকের ধারকত্ব : কোনো পরিবাহীর বিভব একক পরিমাণ বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ আধানের প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ পরিবাহীর ধারকত্ব বলে ।
ফ্যারাড: কোনো পরিবাহীর বিভব এক ভোল্ট (1V) বৃদ্ধি করতে যদি এক কুলম্ব (IC) আধানের প্রয়োজন হয়, তাহলে ঐ পরিবাহীর ধারকত্ব এক ফ্যারাড (1F) বলে ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৭৯.
শব্দ কী? 
  1. এক ধরনের পদার্থ
  2. এক ধরনের শক্তি
  3. এক ধরনের আলো
  4. এক ধরনের তড়িৎ প্রবাহ
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- শব্দ এক প্রকারের শক্তি। 
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। 
- শব্দ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
- জড় মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে। 
- এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়ে কানে প্রবেশ করে। কানের মধ্যে বিভিন্ন যান্ত্রিক কৌশলের মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয় ফলে শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। 
- বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- 
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৮০.
নিচের কোনটি সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী?
  1. বাদুড়
  2. শুশুক
  3. গিরগিটি
  4. তিমি
ব্যাখ্যা
• স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে লোম দ্বারা আবৃত থাকে। 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীরা সন্তান প্রসব করে। 
- শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে বড় হয়। 
যেমন- তিমি, বাদুড়, শুশুক, গরু, হাতি, মানুষ, কুকুর, বানর, ঘোড়া, ইঁদুর, জিরাফ ইত্যাদি। 

 • সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী: 
-  এরা বুকে ভর দিয়ে চলে, ডিম পাড়ে এবং ডিম ফুটে বাচ্চা হয়। 
যেমন- সাপ, কুমির, ঘড়িয়াল, কচ্ছপ, টিকটিকি, গিরগিটি, ডাইনোসর প্রভৃতি সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৮৮১.
হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI) পাকস্থলীতে কী কাজ করে? 
  1. হরমোন উৎপাদন করে 
  2. অক্সিজেন সরবরাহ করে 
  3. জীবানুনাশক হিসেবে কাজ করে 
  4. রক্ত পরিবহন করে 
ব্যাখ্যা

পাকস্থলী: 
-বক্ষ গহ্বরের ডায়াফ্রামের নীচে উদরের উপরের অংশে প্রায় ২৫ সে. মি. লম্বা ও ১৫ সে.মি. চওড়া বাঁকানো থলির মত অংশই পাকস্থলী। 
- একে কয়েকটি অংশে ভাগ করা যায়। যেমন- কার্ডিয়া, ফার্নডাস ও ছোট-বড় বাঁক, পাইরোলাস ও গ্রাসনালি। 
- পাকস্থলীর প্রত্যেক অংশের মিউকোসা স্তরে প্রায় ৪০ মিলিয়ন (৪ কোটি) গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থাকে। এই গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থিগুলো থেকে প্রতিদিন প্রায় দু'লিটার গ্যাস্ট্রিক রস ক্ষরিত হয়।

- খাদ্যদ্রব্যকে সাময়িকভাবে জমা রাখে এবং বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI) পাকস্থলীতে জীবানুনাশক হিসেবে কাজ করে। 
- মিউসিন হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI)-এর ক্ষতিকর ভূমিকা থেকে পাকস্থলীর প্রাচীরকে রক্ষা করে। 
- গ্যাস্ট্রিক রসের এনজাইমগুলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI)-এর উপস্থিতিতে আমিষ ও স্নেহজাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৮২.
রাবার কোন পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়?
  1. পানি
  2. এসিড
  3. দুর্বল ক্ষার
  4. ওজোন
ব্যাখ্যা
রাবার: 
- পেনসিলের লেখা মোছার জন্য যে ইরেজার ব্যবহার কর, সেটি এক ধরনের রাবার। 
- সাইকেল, রিকশা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবারের তৈরি। 
- পানির পাইপ, সার্জিক্যাল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল এগুলোও রাবারের তৈরি সামগ্রী। 
- রাবার এবং রাবারজাত পণ্যসামগ্রী জীবনের অনেক কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

রাবারের ভৌত ধর্ম: 
- প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয় একটি অদানাদার কঠিন পদার্থ। 
- রাবার কিছু কিছু জৈব দ্রাবকে (যেমন-এসিটোন, মিথানল) অদ্রবণীয় হলেও টারপেন্টাইন, পেট্রোল, ইথার, বেনজিন এগুলোতে সহজেই দ্রবণীয়। 
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি স্থিতিস্থাপক পদার্থ অর্থাৎ একে টানলে লম্বা হয় এবং ছেড়ে দিলে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। 
- বেশিরভাগ রাবারই তাপ সংবেদনশীল অর্থাৎ তাপ দিলে গলে যায়। 
- বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ এবং তাপ কুপরিবাহী, তবে আজকাল বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে তৈরি বিদ্যুৎ পরিবাহী রাবার আবিষ্কার করেছেন। 

রাবারের রাসায়নিক ধর্ম: 
- প্রায় প্রতিটি পদার্থ তাপ দিলে আয়তনে বাড়ে। কিন্তু রাবারের বেলায় ঠিক উল্টোটি ঘটে অর্থাৎ তাপ দিলে রাবারের আয়তন কমে যায়। 
- রাবারের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক ধর্ম হলো এটি বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থ যেমন- দুর্বল ক্ষার, এসিড, পানি এগুলোর সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না।যে কারণে কোনো কিছু রক্ষা করার জন্য প্রলেপ দেওয়ার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে সেটি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়, কারণ রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে।
- অক্সিজেন ছাড়াও আরও কিছু রাসায়নিক পদার্থ বিশেষ করে ওজোন (O3) প্রাকৃতিক রাবারের সাথে বিক্রিয়া করে, যার কারণে রাবার ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮৮৩.
কৃষ্ণগহ্বর ও ঘটনা দিগন্তের মধ্যে সম্পর্ক কোনটি?
  1. কৃষ্ণগহ্বরের কেন্দ্র হলো ঘটনা দিগন্ত
  2. প্রত্যেক কৃষ্ণবিবরের দুইটি ঘটনা দিগন্ত থাকে
  3. কৃষ্ণবিবরের বাইরের সীমানাই ঘটনা দিগন্ত
  4. দুইটি পরস্পর সম্পর্কহীন
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণগহ্বর:
- কৃষ্ণগহ্বর বা কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা।
-  এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণগহ্বর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা অতি ঘন সন্নিবিষ্ট।
- অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়। 

• প্রত্যেক কৃষ্ণ বিবরের একটি ঘটনা দিগন্ত (Event horizon) থাকে। ঘটনা দিগন্ত হলো কৃষ্ণ বিবরের চারপাশের যে অঞ্চল থেকে কোনো প্রকার বিকিরণ বা সংকেত বেরিয়ে আসতে পারে না তার সীমানা। অর্থাৎ
- কৃষ্ণ বিবরকে ঘিরে নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধের গোলকের পৃষ্ঠকে বা সীমানাকে বলা হয় ঘটনা দিগন্ত।
- সুতরাং কৃষ্ণ বিবরের কেন্দ্র থেকে ঘটনা দিগন্ত পর্যন্ত দূরত্বকে সোয়ার্জস্কাইল্ড ব্যাসার্ধ বলা হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৮৪.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে কোনটির ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়?
  1. ক) মহাকর্ষ
  2. খ) নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি
  3. গ) সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 

আপেক্ষিকতার নীতি (Principle of Relativity)

- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়। 
- ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রতিকে বেগ বলা হয়। 
- কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়। 
- সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়। 
- তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়।
অর্থাৎ সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করি। 

- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি। 
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান। 
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। 

- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধ মানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টাইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়। 
- পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরত্ব অপরিসীম। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন। এটাই আপেক্ষিকতার নীতি। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৮৫.
এপিকালচার বলতে বুঝায়-
  1. রেশমের চাষ
  2. মৎস্য চাষ
  3. মৌমাছির চাষ
  4. পাখিপালন বিদ্যা
ব্যাখ্যা
• এপিকালচার (Apiculture):
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- বর্তমানে কৃত্রিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

আধুনিক চাষ:
• উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার।
• পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার।
• মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার।
• সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার।
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার।
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার।
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার।

উৎস:
১. কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭,৮৮৬.
ওজোন গ্যাসের রং কী?
  1. গাঢ় সবুজ
  2. গাঢ় নীল
  3. বেগুনী
  4. সাদা
ব্যাখ্যা
ওজোন গ্যাসের রং গাঢ় নীল ।
- ওজোন স্তর (Ozone layer) হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে।
- এই স্তর থাকে প্রধানতঃ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের নিচের অংশে, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে কম বেশি ২০-৩০ কিমি উপরে অবস্থিত।
- এই স্তরের পুরুত্ব স্থানভেদে এবং মৌসুমী কম বেশি হয়।
- বায়ুমণ্ডলে ওজোনের প্রায় ৯০ শতাংশ স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ওজোন কেন্দ্রীকরণ প্রায় ২০ এবং ৪০ কিলোমিটার (৬৬,০০০ এবং ১৩১,০০০ ফুট), তারা যেখানে মিলিয়ন প্রতি প্রায় ২ থেকে ৮ অংশ থেকে পরিসীমার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হয়।

সূত্র: Britannica.com
৭,৮৮৭.
ওজোন স্তর নষ্ট হওয়ার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
  4. কার্বন ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা

• ওজোন স্তর নষ্ট হওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFCs)। এটি বিভিন্ন এয়ার কন্ডিশনার, ফ্রিজ, এবং স্প্রে ক্যানের মধ্যে ব্যবহৃত হয়। যখন CFC বায়ুমণ্ডলে উঠে ওজোন স্তরে পৌঁছায়, সানলাইটের আলোর কারণে এটি ক্লোরিন আয়ন বের করে। এই ক্লোরিন আয়ন ওজোন অণুর সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে তাকে ভাঙতে শুরু করে, যার ফলে ওজোন স্তর পাতলা হয়। ওজোন স্তর আমাদেরকে সূর্যের ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট (UV) রশ্মি থেকে রক্ষা করে। CFC ছাড়া অন্য উপাদান যেমন নাইট্রোজেন অক্সাইড বা মিথেনও ওজোন ক্ষয় ঘটাতে পারে, তবে তার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম। তাই CFC কে ওজোন স্তর নষ্টের প্রধান দায়ী ধরা হয়।

• ওজোন স্তর:
- ওজোন স্তর হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামুলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে ।

• ওজোন স্তরের ভূমিকা- 
-  সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত অতিবেগুনি রশ্মিকে (Ultra-Violet Ray) শোষণ করে ভূপৃষ্ঠে আসতে দেয় না, যার ফলে জীবজগৎ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায় ।
 - বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখে ।
 - জীববৈচিত্র রক্ষা করে ।
 - ওজোন গ্যাস সূর্যের তাপ ও অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে, ফলে এই স্তরের তাপমাত্রা খুব বেশি হলেও তা বায়ুমন্ডলীয় তাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে ।

• CFC (Chlorofluorocarbons) হলো এমন রাসায়নিক যৌগ যা সাধারণত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, স্প্রে ক্যান এবং ফোম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- এই যৌগগুলো বায়ুমণ্ডলে উঠে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে (stratosphere) পৌঁছে ওজোন (O3) গ্যাসকে ধ্বংস করে।

• ক্ষয় প্রক্রিয়া:
- CFC গ্যাস UV রশ্মিতে ভেঙে যায় → ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত হয়।
- একটি ক্লোরিন পরমাণু → হাজার হাজার ওজোন অণু ধ্বংস করতে সক্ষম।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা।

৭,৮৮৮.
হরমোন নিঃসরণ করা পিটুইটারি গ্রন্থিকে কী বলা হয়?
  1. রক্ত কেন্দ্র
  2. প্রভু গ্রন্থি
  3. শ্রবণ কেন্দ্র
  4. স্নায়ু কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হরমোন নামক জৈবরাসায়নিক পদার্থ উৎপন্ন করে। এটি নালিবিহীন গ্রন্থি হওয়ায় হরমোন সরাসরি রক্ত বা লসিকা প্রবাহে ক্ষরিত হয়।
- এসব গ্রন্থি রক্তবাহিকা-সমৃদ্ধ জালিকায় পরিবৃত থাকে।

• পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary Gland): 

- পিটুইটারি গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা নিয়ন্ত্রক গ্রন্থি বা প্রভু গ্রন্থি (Principal / Master gland) বলে।
- কারণ একদিকে, পিটুইটারি গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোনের সংখ্যা যেমন বেশি, অন্যদিকে বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোনের প্রভাবও বেশি।
- এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী গ্রন্থি।

• অবস্থান ও আকৃতি:
- এ গ্রন্থি চোখের পিছনে মস্তিষ্কের নিম্নভাগে একটি ক্ষুদ্র বৃন্তের (ইডনফান্ডিবুলাম) সাহায্যে যুক্ত থাকে।
- পিটুইটারি গ্রন্থি প্রায় ১ সে.মি. ব্যাস সম্পন্ন. বর্ণ লালচে ধূসর, দেখতে মটর দানার মতো, ০.৫ গ্রাম ওজনবিশিষ্ট একটি গ্রন্থি।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
৭,৮৮৯.
রক্ত জমাট বাঁধার জন্য কোনটি প্রয়োজন নেই ?
  1. ক) অণুচক্রিকা
  2. খ) হরমোন
  3. গ) ফিব্রিনােজেন
  4. ঘ) প্রোথোম্বিন
ব্যাখ্যা
• রক্ত জমাট বাঁধার জন্য হরমােনের প্রয়ােজন নেই।
- অণুচক্রিকা বা অস্থায়ী প্লেইটলেট প্লাগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তপাত বন্ধ করে।
- রক্তে ফিব্রিনােজেন, প্রোথোম্বিন, অনুচক্রিকা ও ক্যালসিয়াম আয়ন থাকে।
- যখন কোনাে স্থান কেটে যায় ও রক্ত গড়িয়ে পড়ে তখন ফিব্রিনোজেন ও অন্যান্য উপাদান মিলে জালের মত আবৃত সৃষ্টি করে। ফলে রক্ত জমাট বাঁধে।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৮৯০.
নিচের কোনটি উত্তল লেন্সের ব্যবহার নয়? 
  1. অণুবীক্ষণ যন্ত্র 
  2. চশমা
  3. আতশী কাঁচ 
  4. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা

লেন্স: 
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে। 

উত্তল লেন্সের ব্যবহার: 
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। 
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

২। অপসারী বা অবতল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী লেন্স বলে। 

অবতল লেন্সের ব্যবহার: 
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়। 
২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৮৯১.
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট মিলিত হয় কোন বিন্দুতে?
  1. -40° 
  2. 100°
  3. -273°
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ
F =9C ⁄ 5 + 32

-40° সেলসিয়াসে, ফারেনহাইট স্কেলে তখন -40°F
0° সেলসিয়াসে, ফারেনহাইট স্কেলে তখন 32°F 
100° সেলসিয়াসে, ফারেনহাইট স্কেলে তখন 212°F
-273° সেলসিয়াসে, ফারেনহাইট স্কেলে তখন -459.4°F

*সূত্র ছাড়াও মনে রাখার বিষয় হল -40° তেই শুধুমাত্র সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট মিলিত হয়। 
* সেলসিয়াস ও কেলভিন কখনো মিলিত হয় না। 

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক রসায়ন।

৭,৮৯২.
নবজাতক শিশুর জন্য প্রথম টিকার কাজ করে কোনটি?
  1. ক) বিসিজি ভ্যাক্সিন
  2. খ) পোলিও ভ্যাক্সিন
  3. গ) ডিপিটি ভ্যাক্সিন
  4. ঘ) শালদুধ
ব্যাখ্যা

সন্তান প্রসবের পরপরই মায়ের বুকে যে হলদেটে বর্ণের তরল নিঃসরিত হয়, তাকে শালদুধ বলা হয়।
নবজাতক শিশুর জন্য প্রথম টিকার কাজ করে এই শালদুধ।
কারণ শালদুধে আছে প্রয়োজনীয় এন্টিবডি, খনিজ পদার্থ এবং ভিটামিন যা নবজাতকের বিভিন্ন ধরণের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৭,৮৯৩.
মৌলিক রাশির একক কোনটি?
  1. মিটার
  2. কেলভিন
  3. অ্যাম্পিয়ার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং অন্য রাশির উপর নির্ভর করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের ওপর নির্ভর করে সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলে। 
- মৌলিক রাশি সাতটি। 
যেমন- 
- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎ প্রবাহ, দীপন তীব্রতা ও পদার্থের পরিমাণ। 

মৌলিক একক: 
- মৌলিক রাশির একককে মৌলিক একক বলা হয়। 
যেমন- 
দৈর্ঘ্যের একক- মিটার
• ভরের একক- কিলোগ্রাম, 
• সময়ের একক- সেকেন্ড, 
তাপমাত্রা/উষ্ণতার একক- কেলভিন
তড়িৎ প্রবাহের একক- অ্যাম্পিয়ার
• দীপন তীব্রতার একক- ক্যান্ডেলা ও 
• পদার্থের পরিমাণের একক- মোল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৯৪.
আর্কিমিডিসের সূত্র কোন অবস্থায় প্রযোজ্য? 
  1. কেবল বায়ুর জন্য
  2. কেবল কঠিন বস্তুর জন্য
  3. কেবল সম্পূর্ণ নিমজ্জিত বস্তুর জন্য
  4. তরল বা বায়ুতে নিমজ্জিত বস্তুর জন্য
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের সূত্র: 
- কোনো বস্তু তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হলে, বস্তুটি কিছু পরিমাণ তরল বা বায়বীয় পদার্থ অপসারণ করে এবং বস্তুটি কিছু ওজন হারায়। বস্তুর এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। 

বস্তুর ভাসা ও ডোবার শর্ত: 
ধরা যাক, 
- একটি বস্তুর ওজন (বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল) W নিউটন, বস্তুটির পানিতে ডোবালে এর উপর পানির প্লবতা (ঊর্ধ্ব চাপ জনিত বল) W1 নিউটন। 
এক্ষেত্রে- 
১. W > W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে। 
২. W < W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে ভেসে থাকবে। 
৩. W = W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন সমান হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে ডুবে ভাসবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৯৫.
মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ কত?
  1. ৩-৪ লিটার
  2. ৪-৬ লিটার
  3. ৮-৯ লিটার
  4. ১-২ লিটার
ব্যাখ্যা

- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার।

- লসিকা:
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে।
- এতে লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক।
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে।
- যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি।
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার।

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৯৬.
সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন কতবার জোয়ার ও ভাটা ঘটে?
  1. একবার জোয়ার ও একবার ভাটা
  2. একবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা
  3. দুইবার জোয়ার ও একবার ভাটা
  4. দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা
ব্যাখ্যা

- অধিকাংশ সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতিদিন প্রায় দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। এর প্রধান কারণ হলো পৃথিবী প্রতি চন্দ্র দিনে দুটি জোয়ারের স্ফীতির (tidal bulges) মধ্য দিয়ে ঘোরে। একটি জোয়ার ঘটে চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণের কারণে এবং একই সময়ে পৃথিবীর বিপরীত পাশে কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে আরেকটি জোয়ার তৈরি হয়। এই দুটি জোয়ারের মধ্যবর্তী স্থানে ভাটা হয়। 

জোয়ার-ভাটা: 
- সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। 
- ফুলে ওঠে আবার নেমে যাওয়ার কারণ মূলত দুটি। 
যথা- চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি। 
- সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার (Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or Low Tide) বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়।
- জোয়ার-ভাটার প্রধান দুটি কারণ হলো- 
(ক) মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব (The Force of Gravitational Attraction) এবং (খ) কেন্দ্রাতিগ/বহির্মুখী শক্তি (Centrifugal force) । 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৭,৮৯৭.
পাখা ঘোরাতে কোন ধরনের বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়?
  1. স্থির বিদ্যুৎ
  2. চল বিদ্যুৎ
  3. সম বিদ্যুৎ
  4. বিষম বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা

যখন চার্জগুলাে পরিবাহীর মধ্য দিয়ে অনবরত নির্দিষ্ট দিকে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে তাকে চল বিদ্যুৎ বলে।
দৈনন্দিন জীবনে আমরা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি সেটি হচ্ছে চল বিদ্যুৎ। এ চল বিদ্যুই পাখা ঘােরায়, বাতি জ্বালায়, কলকারখানা চালায় এবং নানাবিধ কাজ সম্পন্ন করে থাকে।
চল বিদ্যুৎকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- একমুখী প্রবাহ ও পরিবর্তী প্রবাহ।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭,৮৯৮.
সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন -
  1. পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝে আসে
  2. চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে আসে
  3. সূর্য পৃথিবীর ছায়ায় পড়ে
  4. সূর্য ও চাঁদ বিপরীত দিকে থাকে
ব্যাখ্যা

সূর্যগ্রহণ:
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন  সূর্যগ্রহণ হয়।
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে।
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে।
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

অন্যদিকে,
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান।
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) প্রথম আলো

৭,৮৯৯.
সেন্টিমোলার দ্রবণের ক্ষেত্রে প্রতিলিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণ কত?
  1. ১ মোল
  2. ০.১ মোল
  3. ০.০১ মোল
  4. ০.০০১ মোল
ব্যাখ্যা
- সেন্টিমোলার দ্রবণের ক্ষেত্রে প্রতিলিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণ হচ্ছে- ০.০১ মোল । 

মোলার দ্রবণ: 

দুই বা ততোধিক কঠিন তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের সমস্বত্ত্ব মিশ্রনকে দ্রবণ বলে। 
- দ্রবণের দুটি অংশ-একটি দ্রাবক ও অপরটি দ্রব, অর্থাৎ দ্রবণ = (দ্রাবক + দ্রব)। 
- দ্রবণে যে উপাদান অপর উপাদানকে দ্রবীভূত করে তাকে দ্রাবক বলে। যেমন- পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, এসিড প্রভৃতি দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- পানিকে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করে প্রস্তুতকৃত দ্রবণকে জলীয় দ্রবণ বলে। 
- সাধারণত দ্রবণের ভৌত অবস্থা নির্ধারিত হয় দ্রাবকের ভৌত অবস্থার উপর। 
- দ্রবণে যে উপাদানাটির আপেক্ষিক পরিমাণ কম থাকে তাকে দ্রব বলে। 
- দ্রব, দ্রাবকের মধ্যে দ্রবীভূত হয়। 
- সাধারণভাবে দ্রবণের ঘনমাত্রা বলতে দ্রবণের একটি নির্দিষ্ট আয়তনে কী পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত আছে তা বোঝা যায়। 
- প্রতি একক আয়তন দ্রবণে একই দ্রবের বিভিন্ন পরিমাণ দ্রবীভূত থাকলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বিভিন্ন হয়। 
- দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণকে বিভিন্ন এককে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- গ্রাম, মোল, গ্রাম-অণু, গ্রাম-তুল্যভর ইত্যাদি। 
- প্রকৃত পক্ষে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুতকৃত দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন পদ্ধতি থাকলেও মোলারিটি দ্রবনের ঘনমাত্রার প্রকাশের একটি আদর্শ পদ্ধতি। 
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রার দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনের মধ্যে কোনো দ্রবের এক মোল পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের মোলার দ্রবণ বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে দ্রবণের প্রতি লিটারে মধ্যে যত মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে দ্রবনের মাত্রা তত মোলার, মোলার দ্রবণকে M দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯০০.
RNA তে কোন নাইট্রোজেন বেইজ টি অনুপস্থিত?
  1. অ্যাডেনিন
  2. গোয়ানিন
  3. থায়মিন
  4. ইউরাসিল
ব্যাখ্যা
• RNA :
- RNA এর পুরো নাম Ribo Nucleic Acid।
- এটি পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা, অজৈব ফসফেট, নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক নিয়ে গঠিত।

• নাইট্রোজেন বেইজগুলো হলো:
- অ্যাডিনিন(A),
- গুয়ানিন(G),
- ইউরাসিল(U) ও
- সাইটোসিন(C).

অন্যদিকে,
• DNA এর  নাইট্রোজেনঘটিত বেইজ:
- অ্যাডিনিন(A),
- গুয়ানিন(G),
- থাইমিন(T).
- সাইটোসিন(C).
অতএব, থাইমিন RNA এর নাইট্রোজেনঘটিত বেইজ নয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।