বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৭২ / ১৪০ · ৭,১০১৭,২০০ / ১৪,০৮০

৭,১০১.
টিটেনাস রোগের ভ্যাকসিন কোন পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়? 
  1. মৃত জীবাণু 
  2. জীবন্ত দুর্বল জীবাণু 
  3. নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক জীবাণু 
  4. রিকমবিনেন্ট ডিএনএ 
ব্যাখ্যা

টিকা: 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। 
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে।

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা (Attenuated live vaccine): 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
যেমন- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা (killed vaccine): 
- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা (Toxoid vaccine): 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
যেমন- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্ত (Surface chemical molecule): 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
যেমন- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা (DNA vaccine): 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 



উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১০২.
ইউরিয়া সার তৈরিতে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) মিথেন
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা



সূত্র: রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১০৩.
তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক কে?
  1. পিয়েরে কুরি
  2. মাদাম কুরি
  3. হেনরী বেকেরেল
  4. উইলিয়াম রঞ্জন
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় রশ্মি: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি তেজস্ক্রিয় পরমাণু। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি"। 
- পরবর্তিতে মাদাম কুরী (Madame Marie Curie) এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী (Pierre Curie) নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত। 

তেজস্ক্রিয়তার প্রকারভেদ: 
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। 
যথা- প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা। 
১। প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা: 
- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

২। কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা: 
- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১০৪.
ডিপ্লয়েড কোষকে কোন ধরনের কোষ বলা হয়?
  1. জনন কোষ
  2. দেহ কোষ
  3. শুষ্ক কোষ
  4. প্রকৃত কোষ
ব্যাখ্যা
কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। 
- একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় এককোষী জীব এবং একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় বহুকোষী জীব। 
- কোষ জীবদেহের গাঠনিক এবং কার্যকরী একক। 
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান যে প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন Cell । 
- Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ। 

কোষের প্রকারভেদ: 
- অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- দেহ কোষ এবং জনন কোষ। 
১। দেহ কোষ: 
- যে সকল কোষ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্র গঠন করে তাদেরকে বলা হয় দেহ কোষ। 
যেমন- পেশি কোষ, জাইলেম কোষ ইত্যাদি। 
- দেহ কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা জনন কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার দ্বিগুণ থাকে, তাই দেহ কোষকে ডিপ্লয়েড (2n) কোষ বলা হয়। 

২। জনন কোষ: 
- জীব দেহের যে সকল কোষ জনন কার্যে অংশ নেয় তাদেরকে বলা হয় জনন কোষ। 
- জনন কোষ কেবল মাত্র যৌন জননক্ষম জীবে সৃষ্টি হয়। 
যেমন- শুক্রাণু, ডিম্বাণু, পরাগরেণু ইত্যাদি। 
- জনন কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা দেহ কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক, তাই জনন কোষকে হ্যাপ্লয়েড (n) কোষ বলা হয়। 

- আবার, নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১০৫.
সদ বিম্ব গঠিত হয় কোনটিতে?
  1. অবতল ল্যান্স
  2. অবতল দর্পণ
  3. উত্তল দর্পণ
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
সদ বিম্বঃ কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মি গুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয়ে প্রতিবিম্ব গঠন করে তবে তাকে সদ বা বাস্তব প্রতিবিম্ব বলে।
অবতল দর্পণ ও উত্তল লেন্সে সদ বিম্ব গঠিত হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রােগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১০৬.
রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং গুলো কি কি?
  1. ক) আসমানী,সবুজ, নীল
  2. খ) নীল, সবুজ, লাল
  3. গ) সাদা, লাল, সবুজ
  4. ঘ) হলুদ, লাল, নীল
ব্যাখ্যা

রঙিন টেলিভিশন
রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে।

রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

রঙিন টেলিভিশন সম্পর্কিত আলোচনা থেকে আমরা শিখলাম যে, রঙিন টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য মূলত: লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং ব্যবহৃত হয়।

সুত্রঃ সবাই কাছাকাছি, বিজ্ঞান, এসএসসি।

৭,১০৭.
DNA ভাইরাসঘটিত রোগ কোনটি?
  1. Tobacco mosaic
  2. Cauliflower mosaic
  3. Cucumber mosaic
  4. Sugarcane mosaic
ব্যাখ্যা
DNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়। 
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- 
১। Harpes simplex (Human), 
২। Tipula irridescent, 
৩। Rabbitpox, 
৪। Vaccinia (bovine), 
৫। Variola (Human), 
৬। Pustular dermatitis (Sheep), 
৭। এডেনা গ্রুপ, 
৮। প্যাপিলোমা (মানব), 
৯। পলিওমা, 
১০। ΦX174 কলিফাজ, 
১১। Cauliflower mosaic
১২। Adenoassociaed ইত্যাদি। 

RNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। 
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- 
১। Influenza B (Human), 
২। পোলিও (মানব), 
৩। Rubella (Human), 
৪। পীতজ্বর (মানব), 
৫। ডেঙ্গু (মানব), 
৬। Encephalitis (Human), 
৭। Leukemia (cat), 
৮। Mumps (Human), 
৯। Measles (Human), 
১০। Cold (Human),
১১। Newcastle disease (fowl), 
১২। Rous sarcoma (bird), 
১৩। Rabies (dog), 
১৪। Potato yellow dwarf, 
১৫। Vesicular stomatitis (cattle), 
১৬। Tobacco mosaic
১৭। Sugarcane mosaic
১৮। fd (Pseudomonas), 
১৯। Cucumber mosaic
২০। f2, fr1, R17কলিফাজ ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং ভাইরাসতত্ত্ব পরিচয় (আহমেদ মাতীন)।
৭,১০৮.
আলট্রাসোনিক তরঙ্গ কি?
  1. শ্রাব্য শব্দের তরঙ্গ থেকে কম কম্পাঙ্কের তরঙ্গ
  2. শূন্য মাধ্যমে গঠিত তরঙ্গ
  3. শ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্ক থেকে বেশি কম্পাঙ্কের তরঙ্গ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আলট্রাসোনিক তরঙ্গ: 
- শ্রবণোত্তর, শব্দোত্তর বা আলট্রাসোনিক শব্দ মানুষ শুনতে না পেলেও বাদুর, কুকুর, মৌমাছির ন্যায় কিছু কিছু প্রাণী উৎপন্ন করতে পারে আবার তা শুনতেও পারে। 
- আমাদের কানে যে শব্দ শোনা যায় তার কম্পাঙ্কের সীমা হলো 20 Hz থেকে 20,000 Hz। কম্পাঙ্কের এই পাল্লাকে শ্রাব্যতার পাল্লা বলে। 
- আবার যে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০,০০০Hz এর বেশি হয় তাকে শ্রবণোত্তর, শব্দোত্তর বা আলট্রাসোনিক শব্দ বা আলট্রাসোনিক তরঙ্গ বলে
- রোগ নির্ণয়ে, কাপড়ের ময়লা পরিস্কার করা, সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়, ধাতব পিন্ড বা পাতে সূক্ষ্মতম ফাটল অনুসন্ধানে, সূক্ষ্ম ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে, ক্ষতিকর রোগ জীবাণু ধ্বংসের কাজে শব্দোত্তর বা আলট্রাসোনিক শব্দ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১০৯.
উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যাপনের ভূমিকা কী? 
  1. পানি পরিবহন করা
  2. গ্লুকোজ উৎপাদন করা
  3. আলো গ্রহণ করা
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ ও অক্সিজেন ত্যাগ
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- সব পদার্থই কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু দিয়ে তৈরি, এ অণুগুলো সবসময় গতিশীল বা চলমান অবস্থায় থাকে। তরল ও গ্যাসের ক্ষেত্রে অণুগুলোর চলন দ্রুত হয় এবং বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের দিকে অণুগুলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে, এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে যতক্ষণ না অণুগুলোর ঘনত্ব দুই স্থানে সমান হয়। অণুগুলোর এরূপ চলন প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ব্যাপনকারী পদার্থের অণু-পরমাণুগুলোর গতিশক্তির প্রভাবে এক প্রকার চাপ সৃষ্টি হয়, যার প্রভাবে অধিক ঘনত্বযুক্ত স্থান থেকে কম ঘনত্বযুক্ত স্থানে অণুগুলো ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রকার চাপকে ব্যাপন চাপ বলে। 
- কোনো পদার্থের অণুর ব্যাপন ততক্ষণ চলতে থাকে, যতক্ষণ না উক্ত পদার্থের অণুগুলোর ঘনত্ব সর্বত্র সমান হয়। অণুগুলোর ঘনত্ব সমান হওয়া মাত্রই পদার্থের ব্যাপন বন্ধ হয়ে যায়। 
যেমন- ঘরে সেন্ট বা আতর ছড়ালে বা ধূপ জ্বালালে সমস্ত ঘরে তার সুবাস ছড়িয়ে পড়ে, এটি ব্যাপনের কারণে ঘটে। ধূপের ধোঁয়া ও সেন্টের অণুগুলো অধিক ঘনত্ব সম্পন্ন হওয়ায় সম্পূর্ণ ঘরে কম ঘনত্ব সম্পন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সমস্ত ঘর সুবাসে ভরে যায়। 

ব্যাপনের গুরুত্ব: 
- জীবের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। 
যেমন- উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের সময় বাতাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে, এই অত্যাবশ্যক কাজ ব্যাপন দ্বারা সম্ভব হয়। 
- জীবকোষে শ্বসনের সময় গ্লুকোজ জারণের জন্য অক্সিজেন ব্যবহৃত হয়। 
- ব্যাপন ক্রিয়ার দ্বারা কোষে অক্সিজেন প্রবেশ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বের হয়ে যায়। 
- উদ্ভিদ দেহে শোষিত পানি বাষ্পাকারে প্রস্বেদনের মাধ্যমে দেহ থেকে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বের করে দেয়। 
- প্রাণীদের শ্বসনের সময় অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের আদান-প্রদান, রক্ত থেকে পুষ্টি উপাদান, অক্সিজেন প্রভৃতি লসিকায় বহন এবং লসিকা থেকে কোষে পরিবহন করা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৭,১১০.
ফেরাস ক্লোরাইডে আয়রনের সক্রিয় যোজনী কত?
  1. ক) ০
  2. খ) ১
  3. গ) ২
  4. ঘ) ৩
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের পরমাণুসমূহ একে অপরের সাথে সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন বর্জন, গ্রহণ অথবা ভাগাভাগির মাধ্যমে অণু গঠন করে। অণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের পরমাণু যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে যোজনী বা যোজ্যতা বলা হয়।

সাধারণত হাইড্রোজেনের যোজনী এক (1) ধরা হয়। কোনো মৌলের একটি পরমাণু যতগুলো ঐ পরমাণু বা H পরমাণু বা Cl পরমাণুর সাথে যুক্ত হতে পারে সেই সংখ্যাই হলো ঐ মৌলের যোজনী বা যোজ্যতা।

হাইড্রোজেনের একটি পরমাণু ক্লোরিনের একটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে HCl অণু গঠিত হয়, তাই ক্লোরিনের যোজনীও 1 (এক)। আবার অক্সিজেনের একটি পরমাণু হাইড্রোজেনের দুটি পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে H2O তৈরি করে, এজন্য অক্সিজেনের যোজনী 2 (দুই)। একটি Na পরমাণু একটি Cl পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে NaCl গঠিত হয়। সুতরাং Na এর যোজনী 1 (এক)।

কিছু কিছু মৌলের একাধিক যোজনী থাকে। কোনো মৌলের একাধিক যোজনী থাকলে সেই মৌলের যোজনীকে পরিবর্তনশীল যোজনী বলা হয়। যেমন: Fe এর পরিবর্তনশীল যোজনী 2 এবং 3। 

কোনো মৌলের সর্বোচ্চ যোজনী এবং সক্রিয় যোজনীর পার্থক্যকে ঐ মৌলের সুপ্ত যোজনী বলা হয়।
যেমন: FeCl2 যৌগে Fe এর সক্রিয় যোজনী 2 কিন্তু Fe এর সর্বোচ্চ যোজনী 3 অতএব FeCl2 যৌগে Fe এর সুপ্ত যোজনী 3 – 2 = 1। আবার FeCl3, যৌগে Fe এর সক্রিয় যোজনী 3  কিন্তু Fe এর সর্বোচ্চ যোজনী 3. অতএব FeCl3, যৌগে Fe এর সুপ্ত যোজনী 3 - 3=0 |

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি
৭,১১১.
মানুষের মুখমন্ডলে কয়টি সাইনাস থাকে?
  1. ৪টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
আমাদের করোটি ও মুখমন্ডলের অস্থিগুলোর ভেতরে কিছু বায়ুপূর্ণ ফাঁকা স্থান রয়েছে যেগুলোকে সাইনাস বলে।
মানুষের মুখমন্ডলে ৪ জোড়া সাইনাস আছে। যথা- (ক) ম্যাক্সিলারি সাইনাস, (খ) ফ্রন্টাল সাইনাস, (গ) এথময়েড সাইনাস এবং (ঘ) স্ফেনয়েড সাইনাস।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১১২.
কোন পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষ এর বিভাজন ঘটে?
  1. ক) মাইটোসিস
  2. খ) অ্যামাইটোসিস
  3. গ) মিয়োসিস
  4. ঘ) ক্লিভেজ
ব্যাখ্যা
যৌন প্রজনন ও জনঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়। মিয়ােসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়। অপত্য জননকোষে ক্রোমােজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমােজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১১৩.
বায়ুমন্ডলে ধূলিকণা ও কণিকার শতকরা হার কত?
  1. ক) ০.০২
  2. খ) ০.৪১
  3. গ) ০.০১
  4. ঘ) ০.০৩
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলে ধূলিকণা ও কণিকার শতকরা হার ০.০১ ভাগ । এটিই থাকে সবচেয়ে কম পরিমাণে। সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে নাইট্রোজেন। বায়ুমন্ডলে যার শতকরা হার ৭৮.০২ ভাগ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৭,১১৪.
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন তখনই ঘটে যখন- 
  1. প্রতিসরণ কোণ সংকট কোণের চেয়ে কম হয় 
  2. আলো শূন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে 
  3. আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যায়
  4. আলো হালকা মাধ্যম থেকে ঘন মাধ্যমে যায়
ব্যাখ্যা

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন: 
- এক জোড়া নির্দিষ্ট স্বচ্ছ সমসত্ব মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাবার সময় যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয় তবে আলোক রশ্মি হালকা মাধ্যমে বিন্দুমাত্র প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণরূপে বিভেদ তল দ্বারা ঘন মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়, একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। 
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত দুইটি। 
যথা- 
১। আলোক রশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমের দিকে যেতে হবে। 
২। এক জোড়া নির্দিষ্ট সচ্ছ সমসত্ব মাধ্যম ও একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মিকে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হতে হবে। 

আলোর প্রতিফলন: 
- আপতিত রশ্মির কিছু অংশ বিভেদতল থেকে পুনরায় প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে, এই ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
• প্রতিফলনের প্রথম সূত্র: আপতিত আলোক রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপাতর বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব একই তলে অবস্থান করে। 
• প্রতিফলনের দ্বিতীয় সূত্র: আপতিত কোণ একং প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হয়। 

আলোর প্রতিসরণ: 
- প্রথম স্বচ্ছ ও সমসত্ব মাধ্যম থেকে আলোকরশ্মি দ্বিতীয় স্বচ্ছ ও সমসত্ব মাধ্যমে বিভেদতলে তীর্যকভাবে আপতিত হলে রশ্মিগুচ্ছ বিভেদতল থেকে দিক পরিবর্তন করে, এই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
• প্রতিসরণের প্রথম সূত্র: আপতিত রশ্মি, প্রতিসরিত রশ্মি এবং বিভেদ তলের আপাতন বিন্দুতে অংকিত অভিলম্ব একই সমতলে অবস্থান করে। 
• প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্র: এক জোড়া নির্দিষ্ট স্বচ্ছ সমসত্ব মাধ্যম এবং তীর্যকভাবে আপতিত নির্দিষ্ট বর্ণের একটি আলোকরশ্মির জন্য আপাতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত একটি ধ্রুব সংখ্যা। একে স্নেলের সূত্রও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১১৫.
সমুদ্রবায়ু প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়—
  1. ক) সকালে
  2. খ) রাত্রিতে
  3. গ) অপরাহ্ণে
  4. ঘ) মধ্যাহ্নে
ব্যাখ্যা
- দিনের বেলায় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় বলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, কিন্তু জলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় না বলে সেখানকার বায়ু উচ্চচাপ যুক্ত হয়। ফলে এ সময় জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়। একে সমুদ্রবায়ু বলে।
- এ বায়ু সকাল ১০টা থেকে প্রবাহিত হতে থাকে।
- বিকালে (অপরাহ্ণে) এ বায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।
- রাত ৩টায় স্থলবায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১১৬.
নিচের কোনটি আইসোটোপ নয়? 
  1. হিলিয়াম
  2. ট্রিটিয়াম
  3. প্রোটিয়াম
  4. ডিউটেরিয়াম
ব্যাখ্যা
আইসোটোপ: 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- হাইড্রোজেনের মোট ৭টি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে, যার মধ্যে শুধু প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে ৩টি (হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম) আইসোটোপ এবং অন্যগুলো ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। 
- প্রকৃতিতে পাওয়া তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, তাই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- এখন পর্যন্ত ৩০০০ সংখ্যক থেকে বেশি আইসোটোপ সম্পর্কে জানা গেছে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১১৭.
কোনটি মুক্ত জলাশয়ের অন্তর্ভূক্ত?
  1. ক) পুকুর
  2. খ) ডোবা
  3. গ) বিল
  4. ঘ) দিঘী
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্রকে প্রধানত অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক এ দুই ভাগে ভাগ করা যায়। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে রয়েছে মুক্ত জলাশয় ও বদ্ধ জলাশয়। মুক্ত জলাশয়ের মধ্যে আছে প্লাবন ভূমি, নদী, বিল, কাপ্তাই হ্রদ ও সুন্দরবন। এর আয়তন ৪০.৪৭ লাখ হেক্টর, যা মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের শতকরা ৮৮.৪৬ ভাগ। বদ্ধ জলাশয়ের মধ্যে আছে পুকুর, মরা নদীর অংশ বা বাঁওড় ও উপকূলীয় চিংড়ি খামার। এর আয়তন ৫.২৮ লাখ হেক্টর, যা মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের ১১.৫৪ শতাংশ। আমাদের সমুদ্র তটরেখা ৭১০ কিলোমিটার দীর্ঘ। অর্থনৈতিক এলাকা ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। মোট সামুদ্রিক জলসম্পদের আয়তন ১৬৬ লাখ হেক্টর, যা দেশের মোট জলসম্পদের ৭৮.৩৯ শতাংশ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৭,১১৮.
নিচের কোনটি লব্ধ রাশি? 
  1. ত্বরণ
  2. দীপন তীব্রতা
  3. তড়িৎপ্রবাহ
  4. তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি: 
- কিছু কিছু মূল রাশি আছে, যেগুলো অন্য রাশির উপর নির্ভরশীল নয়। এসব রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা, পদার্থের পরিমাণ- এই সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি বলে। 
- রাশিগুলোকে পরিমাপ করতে অন্য কোন এককের উপর নির্ভর করতে হয় না। 

যৌগিক বা লব্ধ রাশি: 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ। 
- যে গুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১১৯.
প্রাণী ও উদ্ভিদের বিবর্তনের অধ্যয়নকে কী বলা হয়?
  1. Evolution
  2. Microbiology
  3. Mycology
  4. Embryology
ব্যাখ্যা

• প্রাণী ও উদ্ভিদের বিবর্তনের অধ্যয়নকে Evolution বা বিবর্তনবিজ্ঞান বলা হয়। এটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যা জীবজগতের পরিবর্তন ও প্রজাতির উদ্ভব, বিবর্তন, এবং বিভিন্ন জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে। বিবর্তনবিজ্ঞান দেখায় কিভাবে প্রজাতি সময়ের সাথে সাথে অভিযোজিত হয় এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খায়। উদ্ভিদ ও প্রাণীর শারীরিক, জেনেটিক এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা জীবনের বিবর্তনের পদ্ধতি ও কারণ সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Evolution.

অন্যদিকে, 
- ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Embryology, 
- অণুজীব বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় Microbiology,  
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,১২০.
কিলোওয়াট আওয়ার কি পরিমাপ কাজে ব্যবহৃত হয় -
  1. Energy
  2. Power
  3. Electric Charge
  4. Electric current
ব্যাখ্যা
• Kilowatt-hour (KWh) is unit of Energy.

We know that,
Power × time = Energy
⇒ Kilo-Watt × Hour = Energy

• 1KWh is electrical energy consumed when an electrical equipment of power 1 Kilowatt is operated for 1 Hour.
• It is also used as commertial unit of energy in households/Buildings/Factories etc where 1 Unit of electricity is equivalent of 1KW-h of energy.
৭,১২১.
Transformer এ কী কমানোর জন্য laminated core ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Cu loss
  2. খ) Hysteresis loss
  3. গ) Eddy current loss
  4. ঘ) core loss
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Cupper loss হচ্ছে রেজিস্টারজনিত লস। Eddy current কমানোর জন্য lamineted করা হয়। Hysteresis loss হচ্ছে positive এবং negative জনিত কারণে যে loss হয় সেটা। Core loss হচ্ছে Hysteresis loss এবং Eddy current loss এর যোগফল।
৭,১২২.
প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা কত? 
  1. শূন্য
  2. এক
  3. দুই
  4. তিন
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেনের আইসোটোপ প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা শূন্য। 

আইসোেটাপ (Isotope): 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান। 
- কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। 
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১২৩.
হৃৎপিন্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. ক) কম্পাস
  2. খ) স্টেথোস্কোপ
  3. গ) গ্যালভানোমিটার
  4. ঘ) কার্ডিওগ্রাফ
ব্যাখ্যা
• হৃদপিন্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - কার্ডিওগ্রাফ

• অন্যান্য অপশন:
- গ্যালভানোমিটার হচ্ছে সেই যন্ত্র যার সাহায্যে বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাণ নির্ণয় করা যায়।
- মানুষের হৃৎস্পন্দন শোনার জন্য সাধারণত স্টেথোস্কোপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস- নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই।
৭,১২৪.
লেবু গাছ কোন জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. বৃক্ষ
  2. বিরুৎ
  3. গুল্ম
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ: 
- যে সকল উদ্ভিদ কাষ্ঠল, সাধারণত কান্ডহীন এবং গোড়া হতে অধিক শাখা-প্রশাখা বের হয়ে ঝোপে পরিণত হয় তাদেরকে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ বলে। 
- এই জাতীয় উদ্ভিদের শেকড় মাটির গভীরে যায় না। 
যেমন- লেবু , জবা, রঙ্গন, গন্ধরাজ, গোলাপ ইত্যাদি। 

• অপশন আলোচনা: 
বৃক্ষ (Tree):
- বৃক্ষ হলো দীর্ঘস্থায়ী উদ্ভিদ যার মূল কোনটি মাটির নিচে স্থায়ী অংশ ও গণ্ডি (trunk) থাকে।
- বৃক্ষ সাধারণত একাধিক বছরের জন্য বৃদ্ধি করে এবং শাখা-প্রশাখা প্রসারিত করে।

বিরুৎ (Climber / Vine):
- বিরুৎ হলো এমন উদ্ভিদ যা কোথাও চড়ে বা আটকে নিজেদের সমর্থন করে বৃদ্ধি পায়, যেমন লতাবৃক্ষ।
- ইহার কাণ্ড সাধারণত নমনীয় ও লম্বা হয়ে অন্য বস্তুর ওপর চড়ে উঠে।
- লেবু গাছ সাধারণত এধরনের নয়—এটি স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়িয়ে থাকে ও লত হিসেবে নয়।

গুল্ম (Shrub):
- গুল্ম হলো ছোট বা মাঝারি আকারের আগাছা-জাতীয় গাছ যা প্রায়শই একাধিক কাণ্ড থেকে উৎপন্ন হয় ও গাছের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ছোট থাকে।
- অনেক ফলদায়ী উদ্ভিদ গুল্মের আকার ধারণ করতে পারে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,১২৫.
শব্দের প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয় কোন যন্ত্রে?
  1. ইসিজি
  2. এক্স-রে
  3. আল্ট্রাসনোগ্রাফি
  4. সিটিস্ক্যান
ব্যাখ্যা
আল্ট্রাসনোগ্রাফি:

- শরীরের অভ্যন্তরীণ নরম পেশী বা টিস্যুর সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগিয়ে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বলে।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়
- উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ে যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাংক ১-১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।
- বিশেষত ভ্রুণের বৃদ্ধি, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের টিউমার সনাক্তকরণে।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয়ের কৌশল।

তথ্যসূত্র- বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১২৬.
নিচের কোনটিতে সম পরিমাণ পানি রেখে দিলে বাষ্পায়ন দ্রুত হবে?
  1. ক) গ্লাসে
  2. খ) চায়ের কাপে
  3. গ) বড় থালায়
  4. ঘ) একই থাকবে
ব্যাখ্যা
- তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে।
- এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণী, পদার্থ বিজ্ঞান।
৭,১২৭.
বস্তুর ভর সৃষ্টি করে কোন কণা?
  1. লেপটন
  2. প্রোটন
  3. হিগস-বোসন
  4. ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
হিগের কণা:

- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে।
- এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা নামে পরিচিত।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন। 
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
- হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান 'পিটার ডব্লিউ হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট'।
- হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'।
- বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭,১২৮.
সূর্যে কোন গ্যাসের পরিমান বেশি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. হিলিয়াম
  3. আর্গন
  4. জেনন
ব্যাখ্যা
সূর্যে হাইড্রোজেনের পরিমান বেশি থাকে।

সূর্য (Sun):

- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- এটি একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড।
- এটি হাইড্রোজেন(৯১.২%) ও হিলিয়াম(৮.৭%) গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।
- সূর্যের মোট গ্রহ ৮ টি।
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ (mercury)
- নিজের অক্ষে একবার আবর্তন করতে সূর্যের সময় লাগে ২৫ দিন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, Britannic.
৭,১২৯.
মানবদেহের সবচেয়ে ছোট হাড় কোনটি? 
  1. Femur
  2. Stapes
  3. Radius
  4. Tibia
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: মানবদেহের সবচেয়ে ছোট হাড় কোনটি?

সমাধান: 
মানবদেহের সবচেয়ে ছোট হাড় স্টেপিস (Stapes) 

স্টেপিস মানবদেহের মধ্যকর্ণে (middle ear) অবস্থিত তিনটি শ্রবণাস্থির (ossicles) মধ্যে একটি।
এটি স্টিরাপ (stirrup) আকৃতির এবং সবচেয়ে ছোট ও হালকা হাড়।
গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ২.৫–৩.৫ মিলিমিটার (একটি ছোট চালের দানার চেয়েও ছোট)।
ওজন মাত্র ২-৪ মিলিগ্রাম।
কাজ: শব্দের কম্পনকে অভ্যন্তরীণ কানে (inner ear) স্থানান্তর করে।

উৎস: 
- জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- National Geographic – Human Body Facts.

৭,১৩০.
কোন পদ্ধতিতে সালফিউরিক এসিড তৈরি করা হয়?
  1. সলভে পদ্ধতিতে
  2. হ্যাবার পদ্ধতিতে
  3. স্পর্শ পদ্ধতিতে
  4. বিসমার্ক পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
সালফিউরিক এসিড: 
- সালফিউরিক এসিড অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য অপেক্ষা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বলে সালফিউরিক এসিডকে রাসায়নিক দ্রব্যের রাজা বলা হয়। 
- শিল্পকারখানায় কঠিন সালফার থেকে সালফিউরিক এসিডকে প্রস্তুত করা হয় যে পদ্ধতিতে তাকে স্পর্শ পদ্ধতি বলে। 

সালফিউরিক এসিডের ধর্ম: 
এসিড ধর্ম: 
- লঘু H2SO4 বা গাঢ় H2SO4 কোনো ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি তৈরি করে, একে H2SO4 এর এসিড ধর্ম বলে। 
যেমন: সালফিউরিক এসিড ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম সালফেট লবণ এবং পানি উৎপন্ন করে। 
• H2SO4 + Ca(OH)2 → CaSO4 + 2H2
সালফিউরিক এসিড + ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড → ক্যালসিয়াম সালফেট + পানি 

জারণ ধর্ম (Oxidation Property): 
- H2SO4 এর মধ্যে অনেক বেশি পানি থাকলে অর্থাৎ পানির মধ্যে H2SO4 দিলে সেই H2SO4 কে লঘু H2SO4 এসিড বলে, লঘু H2SO4 এর জারণ ধর্ম নেই। 
- কিন্তু যে H2SO4 এর মধ্যে পানি কম পরিমাণে থাকে সেই H2SO4 গাঢ় H2SO4 বলে, গাঢ় H2SO4 এর জারণ ধর্ম আছে। 
- গাঢ় H2SO4 কপারকে জারিত করে কপার সালফেটে পরিণত করে এবং নিজে বিজারিত হয়ে সালফার ডাই-অক্সাইড এবং পানি উৎপন্ন করে। 
• 2H2SO4 (গাঢ়) + Cu → CuSO4 + SO2 + 2H2

নিরুদন ধর্ম (The Dehydrating Property): 
- যে পদার্থ কোনো যৌগ থেকে পানি শোষণ করে সেই পদার্থকে নিরুদক বলে। 
- পানি শোষণ করার ধর্মকে নিরুদন ধর্ম বলে। 
- লঘু H2SO4 এর কোনো নিরুদন ধর্ম নেই, কিন্তু গাঢ় H2SO4 এর নিরুদন ধর্ম আছে।
- গাঢ় H2SO4 চিনি (C12H22O11) থেকে পানি শোষণ করে, এজন্য গাঢ় H2SO4 কে নিরুদক বলে। 
• C12H22O11 + H2SO4 → 12C + H2SO4.11H2

অন্যদিকে, 
- সলভে পদ্ধতি → সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 
- হ্যাবার পদ্ধতি → অ্যামোনিয়া (NH3) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 
- বিসমার্ক পদ্ধতি → এটি সালফিউরিক এসিড তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১৩১.
P-N ডায়োডকে ফরোয়ার্ড বায়াস করলে রোধ-
  1.  কমে
  2. বাড়ে
  3. অপরিবর্তিত  থাকে
  4. মাঝামাঝি থাকে
ব্যাখ্যা

• P–N ডায়োডকে ফরোয়ার্ড বায়াস:
- P–N ডায়োডকে ফরোয়ার্ড বায়াস করলে P-টাইপ অংশকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে এবং N-টাইপ অংশকে ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়।
- এর ফলে ডায়োডের মাঝখানে থাকা ডিপ্লিশন স্তর পাতলা হয়ে যায়।

- ডিপ্লিশন স্তর পাতলা হলে ইলেকট্রন ও হোল সহজে এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে পারে।
- তাই বিদ্যুৎ প্রবাহ বাড়ে এবং ডায়োডের রোধ কমে যায়।

উৎস:পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৩২.
'গ্রাফাইট' কোন ধরণের শিলা?
  1. ক) রূপান্তরিত শিলা
  2. খ) মিশ্র শিলা
  3. গ) আগ্নেয় শিলা
  4. ঘ) পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে ‘রূপান্তরিত শিলা’ বলে।

রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।
অন্যদিকে,
- ল্যাকোলিথ ও গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- কয়লা : পাললিক শিলা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি : পৃষ্ঠা: ৫০-৫১
৭,১৩৩.
এক কেজি ভরের কোন বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হবে-
  1. ক) উত্তর মেরুতে
  2. খ) দক্ষিণ মেরুতে
  3. গ) বিষুবীয় অঞ্চলে
  4. ঘ) ক্রান্তীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর পৃষ্টেও বস্তুর ওজনের অতি সামান্য তারতম্য ঘটে। এর কারণ হচ্ছে পৃথিবী সুষম গোলক নয় এবং ভূপৃষ্টে সর্বত্র অভিকর্ষজ ত্বরণের মানও এক নয়। এক কেজি ভরের কোন বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হবে পৃথিবীর দুই মেরুতে অর্থাৎ উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুতে। যেখানে এর ওজন হবে ৯.৮৩ নিউটন। বিষুবীয় অঞ্চলে এক কেজি ভরের কোন বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম ৯.৭৮ নিউটন। ক্রান্তীয় অঞ্চলে এর ওজন হবে ৯.৭৯ নিউটন।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি]
৭,১৩৪.
ORS সাধারণত কোন রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডায়রিয়া
  2. উচ্চ রক্তচাপ
  3. কোষ্ঠকাঠিন্য
  4. মাথাব্যথা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ORS সাধারণত কোন রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?

সমাধান:
ORS (Oral Rehydration Solution) ডায়রিয়া, কলেরা বা বমি ইত্যাদির ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ বের হয়ে যাওয়া রোধে ব্যবহৃত হয়।

- ORS হলো এক ধরনের দানাদার মিশ্রণ যা পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো হয় শরীরের পানিশূন্যতা প্রতিরোধ বা পূরণ করার জন্য।
- এটি সাধারণত ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হওয়ার সময় ব্যবহৃত হয়, যখন শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়।
- এটি শরীরের পানিশূন্যতা (Dehydration) প্রতিরোধ করে এবং লবণ-পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।

ORS-এ থাকা উপাদানসমূহ: 
- লবণ (সোডিয়াম ক্লোরাইড), 
- গ্লুকোজ, 
- পটাশিয়াম ক্লোরাইড, 
- সোডিয়াম বাইকার্বনেট বা সাইট্রেট। 

উৎস: 
১। জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও ইউনিসেফ (UNICEF) ওয়েবসাইট। 

৭,১৩৫.
গাছের পাতা বেগুনি হয়ে যায় কোনটির অভাবে?
  1. ফসফরাস
  2. নাইট্রোজেন
  3. পটাশিয়াম
  4. লৌহ
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেন:
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' বলে।

• ফসফরাস:
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।

• পটাশিয়াম:
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১৩৬.
নিচের কোনটি মানব ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ভূমিরূপবিদ্যা 
  2. মৃত্তিকা ভূগোল
  3. জীবভূগোল 
  4. আঞ্চলিক ভূগোল
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical geography):
⇒ ভূগোলের যে শাখায় ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
পৃথিবীর ভূমিরূপ, এর গঠন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জলবায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।
- ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology)
- জলবায়ুবিদ্যা (Climatology)
- জীবভূগোল (Biogeography)
- মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography)
- সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography)

 • মানব ভূগোল (Human geography):
⇒  পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন পরিবেশে মানুষ কীভাবে বসবাস করছে, কীভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে, কেন এভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে তার কার্যকারণ অনুসন্ধান মানব ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।
- অর্থনৈতিক ভূগোল (Economic geography)
- জনসংখ্যা ভূগোল (Population geography)
- আঞ্চলিক ভূগোল (Regional geography)
- রাজনৈতিক ভূগোল (Political geography)
- সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল (Quantitative geography)
- পরিবহন ভূগোল (Transport geography)
- নগরভূগোল (Urban geography)
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster management)

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৭,১৩৭.
মাইটোকন্ড্রিয়ার মূল কাজ কোনটি?
  1. কোষে অনুজীব সংরক্ষণ
  2. কোষে জলীয় ভারসাম্য রক্ষা
  3. কোষে শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ
  4. কোষ বিভাজন
ব্যাখ্যা

- মাইটোকন্ড্রিয়ার মূল কাজ হচ্ছে কোষে শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করা 

মাইটোকন্ড্রিয়া: 

- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে, তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়। 
- এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়। 
- কলিকার ১৮৫০ সালে সাইটোপ্লাজমে এসব অঙ্গাণু আবিষ্কার করেন। 
- অল্টম্যান ১৮৯৪ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার উপস্থিতি আবিষ্কার করেন। 
- বেন্ডা ১৮৯৮ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার নামকরণ করেন। 
- বিভাজনের মাধ্যমে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে। কোষে একটিমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়া থাকলে তা কোষ বিভাজনের সাথেই বিভাজিত হয়। 

মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজ: 
১। কোষের যাবতীয় জৈবিক কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে। 
২। শ্বসনের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ও কোএনজাইম ধারণ করে। 
৩। শ্বসন এর বিভিন্ন পর্যায় যেমন- ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন পরিবহন, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ইত্যাদি এখানে সম্পন্ন হয়। 
৪। কিছু পরিমাণ DNA ও RNA উৎপন্ন করে। 
৫। ADP কে ATP তে রূপান্তর করার মাধ্যমে ATP তে শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে সহায়তা করে। 
৬। স্নেহ বিপাকে অংশ গ্রহণ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৩৮.
উদ্ভিদের 'পসটুলেটেড হরমোন' বলা হয় কোনটিকে?
  1. অক্সিন
  2. ভার্নালিন
  3. জিবেরেলিন
  4. সাইটোকাইনিন
ব্যাখ্যা
ফাইটোহরমোন: 
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। 
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন (Phytohormones) বলা হয়, কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু (Plant growth substances) হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- অধিকাংশ বিজ্ঞানীদের মতে, যে রাসায়নিক বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, সেটাই হচ্ছে হরমোন (Hormone)। 
- উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে পারে। 
- এরা কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি। 

- এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি, এদের পসটুলেটেড হরমোন (Postulated hormones) বলে। এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে, যেমন- ফ্লোরিজেন (Florigen) এবং ভার্নালিন (Vernalin) প্রধান। 
- ধারণা করা হয়, ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে রূপান্তরিত করে। তাই দেখা যায়, ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১৩৯.
তাপোৎপাদী বিক্রিয়ায় (Exothermic Reaction) কোনটি ঘটে?
  1. তাপের শোষণ ঘটে
  2. তাপের নির্গমন ঘটে
  3. তাপমাত্রা স্থির থাকে
  4. বিক্রিয়া অঞ্চলের তাপ হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
• তাপোৎপাদী বিক্রিয়া:
- যে বিক্রিয়ায় তাপ‌ উৎপন্ন হয়,তাকে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া বলে।

• তাপোৎপাদী বিক্রিয়ার উদাহরণ:
N2 (g)  + 3H2 (g) ⇔ 2NH3 (g) + 92 kJ

• তাপোৎপাদী বিক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য:
- তাপের নির্গমন: বিক্রিয়ায় তাপের নির্গমন হয়।
- তাপমাত্রার প্রভাব:  বিক্রিয়া অঞ্চলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় (তাপ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে)।
- এনথালপি পরিবর্তন (ΔH):  তাপোৎপাদী বিক্রিয়ায় ΔH ঋণাত্মক (ΔH < 0), কারণ বিক্রিয়া থেকে শক্তি নির্গত হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৭,১৪০.
জটিল টিস্যুর প্রধান কাজ কী? 
  1. খাদ্য পরিবহন 
  2. প্রোটিন সংরক্ষণ 
  3. কোষকে সমর্থন
  4. কোষ বিভাজন 
ব্যাখ্যা

জটিল টিস্যু (Complex tissues): 
- বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। 
- এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- এই টিস্যু দুই ধরনের। 
যথা- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম। 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ (vascular bundle) গঠন করে। 

জাইলেম (Xylem) টিস্যু: 
- জাইলেম দুই ধরনের। 
যেমন- প্রাথমিক ও গৌণ জাইলেম। 
- প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে সৃষ্ট জাইলেমকে প্রাথমিক জাইলেম বলে। 
- প্রাথমিক বৃদ্ধি শেষে যেসব ক্ষেত্রে গৌণবৃদ্ধি ঘটে, সেখানে গৌণ জাইলেম সৃষ্টি হয়। 
- প্রাথমিক জাইলেম আবার দুই ধরনের। 
- প্রাথমিক অবস্থায় একে প্রোটোজাইলেম এবং পরিণত অবস্থায় মেটাজাইলেম বলে। 
- মেটাজাইলেমে অভ্যন্তরীণ ফাঁকা গহ্বরটি বড় থাকে। 
- জাইলেমে কয়েক ধরনের কোষ থাকে। 
যেমন: ট্রাকিড, ভেসেল জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম ফাইবার। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,১৪১.
মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে অক্ষীয় অস্থির সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৪০টি
  2. খ) ৮০টি
  3. গ) ১২৬টি
  4. ঘ) ২০৬টি
ব্যাখ্যা
• মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে অক্ষীয় অস্থির সংখ্যা ৮০টি

মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট অস্থি, তরুণাস্থি ও লিগামেন্ট এর সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টি করে, নির্দিষ্ট আকার আকৃতি দান করে, ভার বহন করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদি সুরক্ষিত রাখে, তাদেরকে একত্রে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্র ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত এবং এ ধরনের কঙ্কালতন্ত্রকে অন্তঃকস্কাল বলে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়। যথা-
১. অক্ষীয় কঙ্কাল।
২. উপাঙ্গীয় কঙ্কাল।

অক্ষীয় কঙ্কাল: কঙ্কালতন্ত্রে অক্ষীয় অস্থির সংখ্যা ৮০টি। যথা:
- করোটিতে অস্থি সংখ্যা ২২টি
- বক্ষপিঞ্জরে অস্থি সংখ্যা ২৫টি
- মেরুদন্ডে ৩৩টি অস্থি রয়েছে।

উপাঙ্গীয় কঙ্কাল: উপাঙ্গীয় অস্থির সংখ্যা ১২৬টি। যথা:
- বাহুতে অস্থি সংখ্যা ৬০টি।
- পা এ অস্থি সংখ্যা ৬০টি।
- বক্ষ অস্থি চক্রে অস্থি সংখ্যা ৪টি।
- শ্রেণি অস্থি চক্রে ২টি অস্থি রয়েছে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৪২.
নিচের কোনটি ট্রানজিস্টরের অংশ নয়?
  1. ক) নিঃসারক
  2. খ) অন্তর্মুখ
  3. গ) পীঠ
  4. ঘ) সংগ্রাহক
ব্যাখ্যা
p-n-p or n-p-n ট্রানজিস্টরে সজ্জিত কেলাসের প্রথমটিকে নিঃসারক, মাঝেরটিকে পীঠ এবং অন্য পাশেরটিকে সংগ্রাহক বলা হয়।
ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনীতে বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
৭,১৪৩.
ঘর্মাক্ত দেহে ফ্যানের বাতাস আরাম দেয় কেন?
  1. ক) পাখার বাতাসের বেগ অনেক বেশি
  2. খ) পাখার বাতাস শরীরের ভেতর প্রবেশ করে
  3. গ) বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
  4. ঘ) গায়ের ঘাম শরীর থেকে বের হতে পারে না
ব্যাখ্যা
পাখার বাতাসে দেহের ঘর্ম (পানি) বাষ্পে পরিণত হতে যে পরিমাণ তাপ প্রয়ােজন তা শরীর থেকে গ্রহণ করে। ফলে শরীর ঠান্ডা হয় এবং আরাম বােধ হয়।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞানের আলোকে
৭,১৪৪.
মানবদেহে সাধারণত লসিকার পরিমাণ কত? 
  1. ১-২ মি.লি 
  2. ১-২ লিটার 
  3. ৫-৬ লিটার 
  4. ১০-১২ মি.লি 
ব্যাখ্যা
লসিকাতন্ত্র: 
- মানব দেহে রক্ত একটি অন্যতম পরিবহন মাধ্যম যার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক পদার্থ বিভিন্ন কোষ কলায় পৌঁছে এবং বিভিন্ন বিপাকীয় পদার্থ রেচনের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্গে বাহিত হয়। 
- অন্যদিকে দেহের সমস্ত কলা রক্তপূর্ণ কৈশিক জালিকায় বেষ্টিত থাকে। 
- রক্তের কিছু উপাদান কৈশিক জালির প্রাচীর ভেদ করে কোষের চারপাশে অবস্থান করে। এ উপাদানগুলোকে লসিকা (Lymph) বলে। 
- কৈশিক জালিকা ছাড়াও কিছু পরিমাণ কলারস এক ধরনের বদ্ধ নালি দিয়ে গৃহীত ও পরিবাহিত হয়ে পুনরায় রক্তে ফিরে আসে। এ সব নালিকে “লসিকা নালি” বলে। 
- অতএব লসিকা, লসিকানালি ও লসিকাগ্রন্থি সমন্বয়ে গঠিত অন্ত্রকে “লসিকাতন্ত্র” বলে। 

লসিকা: 
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে। 
- এতে লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক। 
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে। 
যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি। 
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৪৫.
অবতল লেন্সের অপর নাম কী?
  1. উত্তল লেন্স
  2. অভিসারী লেন্স
  3. অপসারী লেন্স
  4. স্থূল মধ্য লেন্স
ব্যাখ্যা
লেন্স (Lens): 
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- সাধারণত লেন্স কাচের তৈরি হয়। 
- তবে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে প্লাস্টিক, কোয়ার্টজ এমন কী তরল পদার্থ বা অর্ধতরল পদার্থ দিয়েও লেন্স তৈরি হতে পারে। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- অভিসারী লেন্স বা উত্তল লেন্স এবং অপসারী লেন্স বা অবতল লেন্স। 

১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স (Convex Lens): 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে। 
- গঠন অনুসারে এই লেন্সের মধ্য ভাগ উঁচু বা মোটা এবং প্রান্ত ভাগ সরু, তাই একে স্থূল মধ্য বা উত্তল লেন্সও বলে। 

২। অপসারী বা অবতল লেন্স (Concave Lens): 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী বা অবতল লেন্স বলে। 
- গঠন অনুসারে এই লেন্সের মধ্যভাগ সরু বা পাতলা এবং প্রান্ত ভাগ মোটা তাই একে ক্ষীণ মধ্য বা অবতল লেন্সও বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৪৬.
E = mc2 সূত্রটি প্রদান করেন-
  1. ক) আর্কিমিডিস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) নিউটন
ব্যাখ্যা

• E = mc2 সূত্রটি বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের ভর-শক্তির সমীকরণ।
• যেখানে, E = শক্তি, m = ভর, c = আলোর বেগ।
• ১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন।
• এটি ভরকে শক্তিতে এবং শক্তিকে ভরে রূপান্তরের জন্য আইনস্টাইনের বিখ্যাত সমীকরণ।
• একে আইনস্টাইনের 'থিওরি অফ রিলেটিভিটি' বা 'আপেক্ষিকতাবাদ' বলা হয়।

৭,১৪৭.
রক্তের তরল হলুদ বর্ণের জলীয় পদার্থটির নাম কী?
  1. ক) যোজক কলা
  2. খ) রক্তকণিকা
  3. গ) রক্তরস
  4. ঘ) অ্যান্টিটক্সিন
ব্যাখ্যা
- রক্ত এক প্রকার যোজক কলা। 
- এর অন্ত:কোষ মাধ্যমটি তরল, হলুদ বর্ণের জলীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত। 
- এ তরল পদার্থকে প্লাজমা বা রক্তরস বলে। 
- এ প্লাজমার মধ্যে রক্তকণিকাগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে। 
- রক্তের দুটি উপাদান- (১) রক্তরস এবং (২) রক্তকণিকা। 
- সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% রক্তকণিকা। 
- রক্তকণিকা প্রধানত তিন রকম, যথা লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা।
 
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,১৪৮.
অ্যালটিমিটার (Altimeter) কি?
  1. তাপ পরিমাপক যন্ত্র
  2. উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র
  3. গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র
  4. উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
ব্যাখ্যা
• অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ক্যালরিমিটার- তাপ পরিমাপক যন্ত্র।
• ম্যানোমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার।
• মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।
• শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,১৪৯.
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (NASA) সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. কেপ কেনেডি
  2. ফ্লোরিডা
  3. নিউ ইয়র্ক
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি
ব্যাখ্যা

NASA:
- NASA মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা হিসেবে মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।

৭,১৫০.
SI পদ্ধতিতে চাপের একক কোনটি?
  1. Nm2
  2. Nm
  3. Nm-1
  4. Nm-2
ব্যাখ্যা
• চাপ:
- একক ক্ষেত্রফলের কোনো বস্তুর উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকেই চাপ বলে।
- চাপের একক হল প্যাসকেল এবং সংকেত Pa.
- চাপের মাত্রা হল- ML-1T-2
• SI পদ্ধতিতে চাপের একক  Nm-2.

উল্লেখ্য,
- বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের একক চালু থাকার ফলে বাস্তব ক্ষেত্রে বিশেষ অসুবিধা দেখা দেয়।
- এসকল অসুবিধা দূর করার জন্য ১৯৬০ সাল থেকে বিজ্ঞানীগণ বিশ্বব্যাপী একই ধরনের একক চালুর সিদ্ধান্ত নেন, একে এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা সংক্ষেপে এস আই (SI) একক বলে।

 SI(International System of Units) পদ্ধতিতে,
- পরিবাহিতার একক সিমেন্স(S);
- আধানের একক কুলম্ব(C); 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার;
- বিভব পার্থক্যের একক ভোল্ট;
- রোধের একক ওহম ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১৫১.
শব্দের প্রতিধ্বনি স্পষ্টভাবে শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে ন্যূনতম কত সময় ব্যবধান প্রয়োজন?
  1. ০.০১ সেকেন্ড
  2. ০.১ সেকেন্ড
  3. ১ সেকেন্ড
  4. ২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

• শব্দের প্রতিধ্বনি স্পষ্টভাবে শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে ন্যূনতম ০.১ সেকেন্ড সময় ব্যবধান প্রয়োজন।

• শব্দের প্রতিধ্বনি:
- কোনো শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলক পৃষ্ঠে আঘাত করে প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় শ্রোতার কানে ফিরে এলে তাকে প্রতিধ্বনি বলে।
- প্রতিধ্বনি মূল শব্দের পুনরাবৃত্ত রূপ হিসেবে শোনা যায়।
- প্রতিধ্বনি স্পষ্টভাবে শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে অন্তত ০.১ সেকেন্ড ব্যবধান থাকতে হয়।
- যদি সময় ব্যবধান ০.১ সেকেন্ডের কম হয়, তবে প্রতিফলিত শব্দ মূল শব্দের সাথে মিশে যায়।
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য প্রতিফলক পৃষ্ঠ যথেষ্ট দূরে থাকতে হয়।
- প্রতিধ্বনি শব্দের প্রতিফলনের ফল।

• প্রতিধ্বনি সৃষ্টির শর্ত:
- শব্দের উৎস ও প্রতিফলক পৃষ্ঠের মধ্যে পর্যাপ্ত দূরত্ব থাকতে হবে।
- মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে ন্যূনতম ০.১ সেকেন্ড ব্যবধান থাকতে হবে।
- প্রতিফলক পৃষ্ঠ মসৃণ ও কঠিন হলে প্রতিফলন স্পষ্ট হয়।
- শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় শ্রোতার কানে প্রবেশ করলে প্রতিধ্বনি অনুভূত হয়।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

৭,১৫২.
শব্দের তীক্ষ্মতার মাত্রা নির্ণয়ের একক কোনটি?
  1. ক) ডেসিবেল
  2. খ) ওহম
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) ডাইন
ব্যাখ্যা
ডেসিবেল এককে শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। এর উদ্ভাবক স্কটিশ বুজ্ঞানি আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল, তার নামানুসারে ডেসিবেল নামকরণ করা হয়েছে। মানুষের চিৎকার ও বজ্রপাতের শব্দ ১১০ ডেসিবেল। পারমাণবিক বোমা সবচেয়ে বেশি ২১০ ডেসিবেল তীব্রতার শব্দ উৎপাদন করে।
৭,১৫৩.
গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র নিচের কোনটি? 
  1. V ∝ n
  2. P ∝ T
  3. PV = K
  4. V ∝ T
ব্যাখ্যা
চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোন নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। 
গাণিতিক ভাষায়, Vt = V0 (273 + t)/ 273; 
- এ সূত্রকে অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”। 
গাণিতিকভাবে, V ∝ T. 

বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, PV = K. 

গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র: 
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোন গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, P ∝ T

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।
৭,১৫৪.
পৃথিবী পৃষ্ঠে কোন বস্তুর ভর ৫০ কেজি হলে ভূ-কেন্দ্ৰে বস্তুটির ভর কত?
  1. ক) ০কেজি
  2. খ) ১০কেজি
  3. গ) ৫০কেজি
  4. ঘ) ৫কেজি
ব্যাখ্যা
ভর: প্রত্যেক বস্তু পদার্থ দ্বারা গঠিত। ভর হলো কোনো বস্তুতে পদার্থের পরিমাণ। বস্তুর ধর্ম এর অবস্থান, আকৃতি ও গতি পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তিত হয় না। যে পরমাণু ও অণু দিয়ে বস্তুটি গঠিত তার সংখ্যা ও সংযুক্তির উপর বস্তুটির ভর নির্ভর করে।

- ভরের আন্তর্জাতিক একক হলো কিলোগ্রাম বা কেজি (kg)।
- বেশি ভরকে (যেমন এক ট্রাক চাউল) মেট্রিক টনে মাপা হয়।
- এক টন ১০০০ কিলোগ্রামের সমান।
- অল্প ভরকে মাপা হয় গ্রামে।
- যেমন কোনো পেনসিলের ভর ৫ গ্রাম (g)।
- ১ কেজি সমান ১০০০ গ্রাম।
- ভর সব সময় একই থাকে।
৭,১৫৫.
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের ওষুধ তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয় ?
  1. ইস্ট
  2. E.Coli ব্যাকটেরিয়া
  3. নরভাইরাস
  4. সালমোনেলা
ব্যাখ্যা

হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের ওষুধ তৈরিতে ইস্ট নামক ছত্রাক ব্যবহৃত হয়।
ইস্ট ও E.Coli ব্যাকটেরিয়া থেকে ইনসুলিন তৈরি হয়।
[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা-৩১৩]

৭,১৫৬.
এ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীবের বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. এককোষী 
  2. কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দ্বারা তৈরি 
  3. ক্লোরোফিলযুক্ত 
  4. খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল 
ব্যাখ্যা

- এ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীবের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল 

জীবের শ্রেণিকরণ: 

- বিজ্ঞানীগণ পৃথিবীর সমস্ত জীবকে তাদের বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবদ্ধকরণের চেষ্টা করেছেন। 
- ১৯৬৯ খ্রি. বিজ্ঞানী হুইটেকার পঞ্চরাজ্য শ্রেণিবিন্যাস প্রবর্তন করেন। 
- ১৯৭৪ খ্রি. বিজ্ঞানী মাগিউলিস (Margulis) উক্ত শ্রেণিবিন্যাসকে পুনর্বিন্যাস করে জীবজগতের আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস প্রবর্তন করেন। 
- আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসটি নিম্নরূপ পাঁচটি রাজ্যে ভাগ করেছেন- 
যেমন-
রাজ্য-১: মনেরা: 
- এ রাজ্যের অধীনে বিন্যস্ত জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- জীবটি এককোষী এবং এর কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না; এরা খুবই ক্ষুদ্র এবং অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া এদের দেখা যায় না। 
উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, স্পাইরোগাইরা ইত্যাদি। 

রাজ্য-২: প্রোটিস্টা: 
- এর অধীনে ঐ সকল জীবকে বিন্যস্ত করা হয়, যাদের কোষ সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত, এরা এককোষী বা বহুকোষী ক্লোরোফিল যুক্ত একক বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে। 
উদাহরণ: ইউগ্লেনা, অ্যামিবা ইত্যাদি। 

রাজ্য-৩: ফানজাই বা ছত্রাক: 
- এদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে। এরা সাধারণত এককোষী বা বহুকোষী হয়। দেহে ক্লোরোফিল নেই, তাই এরা পরভোজী। 
উদাহরণ- ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, মাশরুম ইত্যাদি। 

রাজ্য- ৪: প্লান্টি (উদ্ভিদজগৎ): 
- অধিকাংশ উদ্ভিদ নিজেই নিজের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। এদের দেহ অসংখ্য কোষ দিয়ে গঠিত। এদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দ্বারা নির্মিত। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও কোষ গহ্বর বিদ্যমান। উদ্ভিদে সবুজ কণিকা বা ক্লোরোফিল থাকে, তাই এরা খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। 
উদাহরণ: আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি। 

রাজ্য-৫: এ্যানিমেলিয়া (প্রাণিজগৎ): 
- এসব জীবের কোষে সেলুলোজ নির্মিত কোষপ্রাচীর থাকে না। সাধারণত এ কোষগুলোতে প্লাস্টিডও থাকে না। তাই খাদ্যের জন্য এরা উদ্ভিদের উপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। 
উদাহরণ- মাছ, পাখি, গরু, মানুষ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৭,১৫৭.
ডায়োডের কোন সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না? 
  1. সঠিক মেরুকরণে
  2. ফরোয়ার্ড বায়াস সংযোগে 
  3. উল্টো সংযোগে
  4. ব্যাটারির ধনাত্মক টার্মিনালে
ব্যাখ্যা
ডায়োড: 
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত। 
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড। 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি (AC) প্রবাহকে ডিসি (DC) প্রবাহে রূপান্তর করে। 
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড। 
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৫৮.
একটি দ্রবণের সাধারণত কয়টি অংশ থাকে? 
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
দ্রবণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় দুই বা ততোধিক কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যার প্রতিটি উপাদানের আপেক্ষিক পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত পরিবর্তিত করা যায়, তাকে দ্রবণ বলা হয়। 
- দ্রবণের সাধারণত দুইটি অংশ থাকে। একটি হলো দ্রাবক আর অপরটি হলো দ্রব। 
অর্থাৎ, দ্রবণ= দ্রাবক + দ্রব। 
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয়, তাকে দ্রাবক বলা হয়। 
- দ্রব ও দ্রাবকের ভৌত অবস্থার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকারের দ্রবণ হয়। 
যথা: 
দ্রাবক ⇒ দ্রব ⇒ উদাহরণ  
• গ্যাস ⇒ গ্যাস ⇒ বায়ু: সাধারণভাবে 78% N2 ও 21% O2। অধিক পরিমাণে N2 এর মধ্যে কম পরিমাণে O2 এর মিশ্রণ। 
• তরল ⇒ গ্যাস ⇒ সোডা ওয়াটার: পানিতে উচ্চ চাপে CO2 কেন্দ্রীভূত করা হয়। 
• তরল ⇒ তরল ⇒ পানি-অ্যালকোহলের দ্রবণ: পানিতে কিছু পরিমাণ অ্যালকোহল দ্রবীভূত করা হয়। 
• কঠিন ⇒ কঠিন ⇒ ধাতু সংকর: কপার ও জিংকের সমসত্ত্ব মিশ্রণ। 
• কঠিন ⇒ তরল ⇒ পারদ সংকর বা জিংক অ্যামালগাম। 
• কঠিন ⇒ গ্যাস ⇒ কঠিন প্যালাডিয়াম ধাতু দ্বারা H2 গ্যাস শোষিত হয়। 
• গ্যাস ⇒ তরল ⇒ মেঘ: বায়ুতে জলীয় বাষ্প। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৫৯.
জন্মের সময় শিশুর ওজন কত হলে তা ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ১.৬ কেজির কম
  2. ৩ কেজির কম
  3. ৫০০ গ্রাম এর কম
  4. ২.৫ কেজির কম
ব্যাখ্যা

জন্মের সময় শিশুর ওজন ২.৫ কেজি বা ২৫০০ গ্রামের কম হলে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
কারণ শিশুর ওজন ২.৫ কেজির কম হলে তা জন্মের ২৮ দিনের মাঝেই কিংবা কখনো কখনো পরবর্তী জীবনে অপুষ্টি, সংক্রমণ, জন্ডিস ইত্যাদির মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৭,১৬০.
ইলেকট্রন ভোল্ট কোন ফিজিক্যাল কোয়ান্টিটির জন্য ব্যবহার হয়?
  1. ধারকত্ব
  2. বিভব
  3. শক্তি
  4. আধান
ব্যাখ্যা

• ইলেকট্রন ভোল্ট (eV) মূলত শক্তি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি একক। এটি একটি ছোট মানের শক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা পারমাণবিক এবং উপ-পরমাণবিক কণার ক্ষেত্রে সহজে বোঝা যায়। একটি ইলেকট্রন ভোল্ট হলো সেই শক্তি যা একটি একক ইলেকট্রন একটি ভোল্টের বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য অতিক্রম করলে অর্জন করে। বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র এবং কণার শক্তি সংক্রান্ত সমস্যায় এই এককটি খুবই সুবিধাজনক, কারণ জুলের তুলনায় এটি খুব ছোট এবং কণার দিক থেকে প্রাকৃতিক। তাই ইলেকট্রন ভোল্ট শক্তি (Energy) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়, ধারকত্ব, বিভব বা আধানের জন্য নয়।

- সঠিক উত্তর: গ) শক্তি।
 
• ইলেকট্রন ভোল্ট (Electron Volt):
- ইলেকট্রন ভোল্ট হলো একটি শক্তির একক, যা মূলত পরমাণুর ইলেকট্রন বা চার্জযুক্ত কণার শক্তি পরিমাপের জন্য ব্যবহার হয়।
- ১ ইলেকট্রন ভোল্ট (1 eV) হলো সেই শক্তি যা একটি ইলেকট্রন একটি ভোল্ট বিভব পার্থক্য অতিক্রম করার সময় অর্জন করে।
- এটি মূলত শক্তি সম্পর্কিত সমস্যা, যেমন- পরমাণুর আভ্যন্তরীণ শক্তি, আলোর ফোটন শক্তি, এবং ইলেকট্রনের কাইনেটিক শক্তি নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রন ভোল্ট ধারকত্ব, বিভব বা আধানের একক নয়।
- বিজ্ঞানী এবং প্রকৌশলী এটি ক্ষুদ্র শক্তি মান পরিমাপের জন্য ব্যবহার করে থাকেন, বিশেষ করে কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানে।  

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৭,১৬১.
সবাত শ্বসন কয়টি পর্যায় এর মাধ্যমে সংগঠিত হয়ে থাকে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
সবাত শ্বসন প্রক্রিয়া সাধারণত চারটি পর্যায়ের মাধ্যমে সংঘটিত হয় যথা: গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল কো এ সৃষ্টি,ক্রেবস চক্র,ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র।
৭,১৬২.
কোনটি সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) পর্যাবৃত্ত গতি
  2. খ) স্পন্দন গতি
  3. গ) ঘূর্ণন গতি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সরল ছন্দিত গতি
- যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি সরল রৈখিক হয় এবং এর ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে এর সরণের সমানুপাতিক হয় এবং এর দিক সব সময় সাম্য অবস্থান অভিমুখী হয়, তাহলে বস্তু কণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে।
- কোন স্প্রিং এর এক প্রান্ত দৃঢ় কোন অবস্থানে বেঁধে অন্য প্রান্তে একটি ভারী বস্তু ঝুলিয়ে টেনে ছেড়ে দিলে তার উপর-নিচে গতি, তারের বাদ্যযন্ত্র- যেমন গিটারের তার টেনে ছেড়ে দিলে তার গতি, পেন্ডুলামের গতি, ইঞ্জিনের মধ্যে পিস্টনের গতি ইত্যাদি সরল ছন্দিত গতির উদাহরণ।

সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য:
১. এটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
২. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি। 
৩. এটি সরল রৈখিক গতি। 
৪. যে কোন সময় ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের সমানুপাতিক। 
৫. ত্বরণ সর্বদা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৬৩.
অরীয় প্রতিসাম্য প্রাণী কোনটি?
  1. সমুদ্র তারা
  2. অ্যামিবা
  3. ভলভক্স
  4. যকৃত কৃমি
ব্যাখ্যা
• অরীয় প্রতিসাম্য প্রাণী হচ্ছে "সমুদ্র তারা"।

• প্রতিসাম্য:

- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে।
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. গোলীয় প্রতিসাম্য:
- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে।
যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus)।

২. অরীয় প্রতিসাম্য:
- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে।
যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus)।

৩. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য:
- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য বলে।
যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa)।

৪. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য:
- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে।
যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica)।

৫. অপ্রতিসাম্য:
- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে।
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৬৪.
এপিকালচার বলতে বুঝায়-
  1. রেশম পালন
  2. পাখি পালন
  3. মৌমাছি পালন
  4. উদ্যান পালন
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ: 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার

উল্লেখ্য, 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- মৎস্যচাষ বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭,১৬৫.
জ্যোতির্বিজ্ঞান এর ইংরেজি কী?
  1. Astronomy
  2. Astronautics
  3. Astrology
  4. Astronaut
ব্যাখ্যা
জ্যোতির্বিজ্ঞান:
- জ্যোতির্বিজ্ঞান এর ইংরেজি Astronomy.
- জ্যোতির্বিজ্ঞান একটি বৈজ্ঞানিক শাখা যা পৃথিবীর বাইরের বস্তু ও ঘটনার অধ্যয়ন করে।
- দূরবীন আবিষ্কার এবং গতিসূত্র ও মহাকর্ষ সূত্র উদ্ভাবনের (১৭শ শতকে) আগে প্রাচীন সময়ে জ্যোতির্বিজ্ঞান মূলত সূর্য, চন্দ্র ও গ্রহগুলোর অবস্থান পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হতো—মূলত ক্যালেন্ডার তৈরি, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং নৌচালনার কাজে।
- কালের সাথে সাথে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ক্ষেত্র বিস্তৃত হয়েছে।
- এখন এর আওতায় পড়ে:
সৌরজগৎ (সূর্য, গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু, গ্রহাণু ইত্যাদি)
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির তারাসমূহ
এবং আরও দূরবর্তী অন্যান্য গ্যালাক্সি
- বিজ্ঞানভিত্তিক মহাকাশযানের মাধ্যমে পৃথিবীকেও গ্রহ হিসেবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের আওতায় আনা হয়েছে। তবে এর বিস্তারিত বিশ্লেষণ মূলত ভূবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।
- সার্বিকভাবে, জ্যোতির্বিজ্ঞান আমাদের মহাবিশ্বকে জানার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
 
 উল্লেখ্য,
- Astrology বা জ্যোতিষশাস্ত্র হলো এমন একটি শাস্ত্র, যা নভোমণ্ডলে বিভিন্ন জ্যোতিষ্ক অর্থাৎ গ্রহ-নক্ষত্র ইত্যাদির অবস্থান বিবেচনা করে মানুষের ভাগ্যগণনা তথা ভাগ্য নিরূপণ করে।
 - Astronautics মহাকাশ ভ্রমণ এবং অনুসন্ধানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
- একজন মহাকাশচারী (Astronaut) হলেন একজন ব্যক্তি যাকে মানব মহাকাশযান কর্মসূচি দ্বারা প্রশিক্ষিত, সজ্জিত এবং নিয়োজিত করা হয় একটি মহাকাশযানের কমান্ডার বা ক্রু সদস্য হিসেবে কাজ করার জন্য।
 
উৎস: Britannica.
৭,১৬৬.
দুধের শর্করা কোনটি?
  1. ক) অ্যামাইলেজ
  2. খ) ফ্রুক্টোজ
  3. গ) গ্যালাক্টোজ
  4. ঘ) ল্যাকটোজ
ব্যাখ্যা
• দুধ একটি আদর্শ খাবার।
• এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
• দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
• এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
• দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৭,১৬৭.
আমলকি, লেবু, পেয়ারা কোন ভিটামিনের উৎস?
  1. ভিটামিন - C
  2. ভিটামিন- D
  3. ভিটামিন - E
  4. ভিটামিন- K
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ভিটামিনের উৎস:
- ভিটামিন এ - দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদি।
- ভিটামিন বি - ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদাম, শিমের বীচি, কলিজা, হৃদ্পিণ্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি ।
- ভিটামিন সি - পেয়ারা, আমলকি, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস, কাঁচামরিচ, তাজা শাকসবজি ইত্যাদি।
- ভিটামিন ডি - ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদি।
- উপরে উল্লিখিত সকল খাবার হতে ভিটামিন 'ই' ও ভিটামিন 'কে' পাওয়া যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৬৮.
A রক্তের গ্রুপে কোন অ্যান্টিজেনটি থাকে? 
  1. A
  2. B
  3. উভয় A ও B
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
রক্তের গ্রুপ: 
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে। 
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে। 

O রক্তের গ্রুপ: 
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই। 
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে। 

AB রক্তের গ্রুপ: 
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে। 
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে। 

A রক্তের গ্রুপ: 
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে। 
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে। 

B রক্তের গ্রুপ: 
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে। 
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৬৯.
কোন রঙের তলে আলোর প্রতিফলন সবচেয়ে বেশি হয়? 
  1. সাদা
  2. কালো
  3. নীল
  4. লাল
ব্যাখ্যা
প্রতিফলন: 
- কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
- যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে, আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি। 
- সাধারণত দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না। 
- পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তা হলো- 
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতি এবং 
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণ। 

- প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়। 
- আবার অস্বচ্ছ প্রতিফলকের চেয়ে স্বচ্ছ প্রতিফলকে প্রতিফলন কম হয়। 
যেমন- সাদা তলে আলোর প্রতিফলন বেশি হয় এবং কালো রঙের তলে আলোর প্রতিফলন হয় না বললেই চলে। 
- কাচ একটি আলোক স্বচ্ছ মাধ্যম, এর উপর আলো আংশিক প্রতিফলিত হয়। আবার আলোক রশ্মি লম্বভাবে পড়লে খুব সামান্য প্রতিফলিত হয়। 
- রশ্মি যত বেশি কোণে আপতিত হয় প্রতিফলনের পরিমাণও তত বেশি হয়। 
- প্রতিফলন তলের মসৃণতা অনুযায়ী প্রতিফলনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- 
১. নিয়মিত প্রতিফলন এবং 
২. ব্যাপ্ত প্রতিফলন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৭০.
কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়?
  1. ক) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  2. খ) ডেঙ্গু
  3. গ) কলেরা
  4. ঘ) জলাতঙ্ক
ব্যাখ্যা
ভাইরাস:
- সাধারণ সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, গুটিবসন্ত, জলবসন্ত, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, ভাইরাল হেপাটাইটিস ইত্যাদি সবই ভাইরাসজনিত রোগ
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ।
- এরা অকোষীয় এবং আকারে এতই ছোট যে খালি চোখেতো দূরের কথা, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও দেখা যায় না। 
- এদেরকে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়।
- ভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (যা কেন্দ্রে থাকে) ও প্রোটিন (যা আবরণ হিসেবে থাকে) দিয়ে গঠিত অতি-আণুবীক্ষণিক বস্তু যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয় এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে তথায় রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে।
- উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে।

অন্যদিকে,
- কলেরা একটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৭১.
নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ভ্যাকসিন নিচের কোনটি?
  1. ক) এমআর ভ্যাকসিন
  2. খ) ডিপিটি ভ্যাকসিন
  3. গ) পিসিভি ভ্যাকসিন
  4. ঘ) বিসিজি ভ্যাকসিন
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে,
- বিসিজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় যক্ষ্মার বিরুদ্ধে।
- ডিপিটি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় ধনুষ্টংকার, ডিপথেরিয়া ও হুপিং কাশির বিরুদ্ধে।
- এমআর ভ্যাকসিন দেওয়া হয় হাম ও রুবেলার বিরুদ্ধে।
- পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে।
সূত্র: www.dghs.gov.bd 
৭,১৭২.
সমুদ্রের লবণাক্ততার প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) নদী
  2. খ) ভূমি
  3. গ) আগ্নেয়গিরি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সমুদ্রের পানিতে অনেক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে যা সমুদ্রকে লবণাক্ত করে তোলে। তাদের অধিকাংশই পাহাড় ও মাটি থেকে দ্রবীভূত রাসায়নিক পদার্থ বহনকারী নদী সমুদ্রে নিয়ে যায়।
এর মাঝে অন্যতম হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড, যাকে আসলে লবণ বলা হয়।

৭,১৭৩.
অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে- 
  1. সূক্ষ্ম প্লাস্টিক নল 
  2. খুব সূক্ষ্ম সুপরিবাহী তামার তন্তু নল 
  3. খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
  4. খুব সরু এসবেস্টোস ফাইবার নল
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে সেটি হচ্ছে একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত।
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৭,১৭৪.
ক্রোমোসোমে কী থাকে যা জীবের বৈশিষ্ট্য বহন করে? 
  1. RNA
  2. রাইবোজোম
  3. লিপিড
  4. জিন
ব্যাখ্যা
ক্রোমোসোম: 
- ক্রোমোসোম নিউক্লিয়াসের অন্যতম প্রধান বস্তু। 
- প্রত্যেক নিউক্লিয়াসে প্রজাতির বৈশিষ্ট্যানুসারে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোসোম থাকে। 
- আদি কোষে কোন সুগঠিত নিউক্লিয়াস না থাকাতে তাতে কোন সুগঠিত ক্রোমোসোম থাকে না। 
- তবে এদের কোষে বিশেষ ধরনের নিউক্লিয়ো দ্রব্য প্রো-ক্রোমোসোম বা আদি ক্রোমোসোম মুক্ত অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। 
- বিশেষ রঞ্জক ব্যবহার করে আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে বিভাজনরত কোষে ক্রোমোসোম দেখা যায়। 

ক্রোমোসোমের কাজ: 
১। ক্রোমোসোম বংশগতির বৈশিষ্ট্যসমূহের ধারক ও বাহক। এ কারণে এরা বংশ পরম্পরায় জীবের বৈশিষ্ট্য ধারণ, বহন ও স্থানান্তর করে। 
২। বিভক্তির মাধ্যমে কোষ বিভাজনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। 
৩। সেক্স ক্রোমোসোম জীবের লিঙ্গ নির্ধারণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। 
৪। ক্রোমোসোমে অবস্থিত বংশগতির বাহক জিন, জীবের ব্লু-প্রিন্ট হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৭৫.
কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোকে আটকায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. সিংগুলারিটি
  2. ইভেন্ট হরিজন
  3. মহাকর্ষীয় তরঙ্গ
  4. স্পেসটাইম
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণ গহ্বর:
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোকে আটকায়, তাকে বলা হয় ইভেন্ট হরিজন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,১৭৬.
নিচের কোনটি পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়?
  1. বন্যা
  2. ভূমিকম্প
  3. জলোচ্ছ্বাস
  4. ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প। 
- ভূমিকম্প সংঘটনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হলেও ভূমিকম্প সংঘটনের পূর্বে সতর্কতা প্রাপ্তি এখনো সম্ভব হয়নি। 
- অন্যদিকে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস ক্ষেত্রে পূর্বাভাস পাওয়া যায়। 

উৎস:
ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যাল এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১৭৭.
মাইক্রোউপাদানের মধ্যে কোনটি নেই? 
  1. বোরন (B) 
  2. ক্লোরিন (Cl) 
  3. জিংক (Zn) 
  4. নাইট্রোজেন (N) 
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি: 
- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি। 
- এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়। 
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০ টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে। 
- এই ৬০ টি উপাদানের মধ্যে ১৬ টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।এই ১৬ টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (Essential elements) বলা হয়, কারণ এই উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ ও প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয়। 

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ: 
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। ম্যাক্রোউপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোউপাদান বলা হয়।
- এরূপ ৯টি উপাদান হলো- নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও সালফার (S) । 

২। মাইক্রোউপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রোউপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৭টি উপাদান হলো- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (C) ও ক্লোরিন (Cl) । 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৭৮.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশি?
  1. দীপন তীব্রতা
  2. ত্বরণ
  3. বল
  4. বিভব
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন - একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি।

মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন - সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন-
• দৈর্ঘ্য,
• ভর,
• সময়,
• তাপমাত্রা,
• তড়িৎপ্রবাহ,
• দীপন তীব্রতা এবং
• পদার্থের পরিমাণ।

যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন - বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
যেমন -
• বেগ,
• ত্বরণ,
• কাজ,
• বল,
• তাপ,
• বিভব ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৭৯.
খাদ্য সংরক্ষণে মূলত কোন যৌগটি ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের বিরুদ্ধে কাজ করে? 
  1. হাইড্রোজেন সালফাইড
  2. নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড
  3. সালফার ডাই-অক্সাইড
  4. সালফার ট্রাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
সালফার ডাই-অক্সাইড এর খাদ্য সংরক্ষণ কৌশল: 
- সালফার ডাই-অক্সাইড মূলত ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং এনজাইমের ক্রিয়া প্রতিরোধ করে। 
- হালকা বর্ণের ফল ও সবজির বর্ণ বিপর্যয় কমাতে SO2 জারণ রোধক (Anti-oxident) হিসেবে কাজ করে। 
- যার জন্য খাদ্যে এসকরবিক এসিড, ক্যারোটিন এবং অন্যান্য জারণ যোগ্য যৌগ ধারণ করতে সাহায্য করে। 
- সালফার ডাই-অক্সাইড সাধারণত তার সালফাইট, বাইসালফাইট এবং মেটাসালফাইট লবণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- মদে আকাঙ্ক্ষিত ঈস্টের জন্ম বা বৃদ্ধিতে বাধা দেয় কিন্তু ব্যাকটেরিয়াল কোষের সাথে বিক্রিয়া করে ধ্বংস করে এবং বংশ বিস্তার প্রতিহত করে। এজন্যই মদ তৈরিতে সালফাইট ব্যবহৃত হয়। 
- তবে ভিটামিন B1 (থায়ামিন) সমৃদ্ধ খাদ্যে সালফাইটের ব্যবহারে তা নষ্ট হয় বলে তার ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। 
- টিনজাতকৃত খাদ্যে SO2 ব্যবহার করলে H2S উৎপন্ন হয়ে কটু গন্ধ সৃষ্টি করতে পারে। 

SO2 ব্যবহারের সুবিধাসমূহ: 
(ক) ব্যাকটেরিয়াঘটিত গাঁজন রোধে এটা সোডিয়াম বেনজোয়েট অপেক্ষা ভালো কাজ করে। 
(খ) সোডিয়াম বেনজোয়েট অপেক্ষা বেভারেজ পানীয় রং দীর্ঘদিন ধারণ করে। 
(গ) এটা গ্যাস হওয়ায় ফলের রসের পৃষ্ঠতলকেও রক্ষা করে। 
(ঘ) এটা সোডিয়াম বেনজোয়েট অপেক্ষা পানিতে অধিক দ্রবণীয় হওয়ায় ফলের জুস ও স্কোয়াসের সাথে ভালোভাবে মিশে এবং তাদের সংরক্ষণ করে। 
(ঙ) 71°C তাপমাত্রায় বা বায়ু চালনা করে অথবা জুস পাত্র বায়ুশূন্য করে অতিরিক্ত SO2 গ্যাস সহজেই দূর করা যায়। 

SO2 ব্যবহারের অসুবিধাসমূহ: 
(ক) বরই, স্ট্রবেরি, আঙ্গুর ইত্যাদি প্রাকৃতিক রঙিন ফল বা ফলের রস সংরক্ষণে SO2 গ্যাস ব্যবহার করা যায় না। কারণ SO2 কিছুটা বিবর্ণকারী (bleaching agent)। (খ) কনটেইনারের টিনের সাথে বিক্রিয়ায় ফিনোলস H2S উৎপন্ন করে যার কটু গন্ধ আছে এবং টিনের আয়নের সাথে বিক্রিয়া করে আয়রন সালফাইট (কালো যৌগ) উৎপন্ন করে যা প্রত্যাশিত নয়। 
   SO2 + 2H2O → H2SO4 + 2[H] 
   রঙিন বস্তু + [H]  → বর্ণহীন বস্তু 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৮০.
কোনটি অস্থির বৈশিষ্ট্য?
  1. স্থিতিস্থাপক
  2. তন্তুময়
  3. দৃঢ়
  4. নরম
ব্যাখ্যা

•  অস্থির বৈশিষ্ট্য - দৃঢ়। 

অস্থির বৈশিষ্ট্য:

- এক ধরনের অনমনীয়, কঠিন এবং ভঙ্গুর কঙ্কাল যোজক কলা
-  স্থিতিস্থাপক নয়।
- ম্যাট্রিক্স কঠিন। এতে অস্টিওব্লাস্ট ও অষ্টিওক্লাস্ট নামক অস্থিকোষ থাকে।
-  কোষগুলো মাকড়সার জালের মতো।
- বাইরের আবরণকে পেরিঅস্টিয়াম বলে।
- এদের মজ্জাগহ্বর থাকে।
- নিরেট অস্থিতে হ্যাভারসিয়ানতন্ত্র থাকে।

তরুণাস্থির বৈশিষ্ট্য:
- অর্ধকঠিন এক ধরনের নমনীয় যোজক কলা।
- স্থিতিস্থাপক।
- ম্যাট্রিক্সকে কনড্রিন বলে। এটা কঠিন নয়। ম্যাট্রিক্সে কনডিওসাইট নামক কোষ থাকে।
- কোষগুলো গোলাকৃতির।
- বাইরের আবরণকে পেরিকনড্রিয়াম বলে।
- এদের কোন ফাঁকা স্থান বা মজ্জাগহ্বর থাকে না।
- কোষে হ্যাভারসিয়ানতন্ত্র থাকে না।

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচ এস সি, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৮১.
ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?
  1. মূত্রনালি
  2. ডিম্বাশয়
  3. অগ্ন্যাশয়
  4. ফুসফুস
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন:
- ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ফ্রেডরিক গ্র্যান্ট বেন্টিং (Frederick G. Banting) ।
- তিনি একজন কানাডিয়ান চিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং ইনসুলিনের আবিষ্কারক।
- তিনি বিজ্ঞানী Charles H. Best এবং রোমানিয়ান ফিজিওলজিস্ট Nicolas C. Paulescu এর সঙ্গে ১৯২১ সালে ইনসুলিন আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইনসুলিন: ইনসুলিন একটি হরমোন।
- এটি অগ্ন্যাশয়ের Islets of Langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৮২.
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়-
  1. পটকা মাছ
  2. হাঙ্গর
  3. শুশুক
  4. জেলী ফিস
ব্যাখ্যা
- ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য এগুলো মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে। 
- পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই। তাই শুশুক পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়। 

- Whales and dolphins are mammals and breathe air into their lungs, just like we do.
- They cannot breathe underwater like fish can as they do not have gills. They breathe through nostrils, called a blowhole, located right on top of their heads.
 
- This allows them to take breaths by exposing just the top of their heads to the air while they are swimming or resting under the water.
- After each breath, the blowhole is sealed tightly by strong muscles that surround it, so that water cannot get into the whale or dolphin’s lungs.

উৎস: uk.whales.org
৭,১৮৩.
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারে কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কেমন থাকে? 
  1. মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে 
  2. মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা অত্যধিক বেশি থাকে 
  3. গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে 
  4. মুখ্য ও গৌণ দুই কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা সমান থাকে 
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- ট্রান্সফরমার পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- এই ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমারে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
সুতরাং, যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 
- স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশি থাকে। 
- অপরদিকে স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৮৪.
নিম্নের কোন টিকা শিশুকে প্রথম দিতে হয়?
  1. পেন্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন
  2. বিসিজি
  3. পিসিভি ভ্যাকসিন
  4. ওপিভি
ব্যাখ্যা

রোগের নাম -- টিকার নাম -- ডোজের সংখ্যা -- টিকা শুরু করার সঠিক সময়

১. যক্ষা --- বিসিজি ---  ১ ডোজ --- জন্মের পর থেকে

২. ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি,
ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি
হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি -- পেন্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি) -- ৩ ডোজ -- ৬ সপ্তাহ

৩. নিউমোকক্কাল নিঊমোনিয়া - পিসিভি ভ্যাকসিন - ৩ ডোজ - ৬ সপ্তাহ

৪. পোলিও মাইলাইটিস -- ওপিভি -- ৪* ডোজ -- ৬ সপ্তাহ

৫. হাম ও রুবেলা - এম.আর টিকা - ১ ডোজ - ৯ মাস বয়স পূর্ণ হলে

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
৭,১৮৫.
অগ্ন্যাশয়রসে কোন উৎসেচক থাকে না?
  1. পেপসিন
  2. লাইপেজ
  3. ট্রিপসিন
  4. অ্যামাইলেজ
ব্যাখ্যা
অগ্ন্যাশয় (Pancreas): 
- অগ্ন্যাশয় পাকস্থলীর পিছনে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্রগ্রন্থি। 
- এটি একাধারে পরিপাকে অংশগ্রহণকারী এনজাইম ও রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন নিঃসৃত করে। 
অর্থাৎ, অগ্ন্যাশয় বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির মতো কাজ করে। 
- অগ্ন্যাশয়রস অগ্ন্যাশয় নালির মাধ্যমে যকৃৎ-অগ্ন্যাশয়নালি দিয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। 
- অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয়রস নিঃসৃত হয়। 
- অগ্ন্যাশয়রসে ট্রিপসিন, লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ নামক উৎসেচক থাকে। 
- এসব এনজাইম শর্করা, আমিষ এবং স্নেহজাতীয় খাদ্যের পরিপাকে সহায়তা করে। 
- তাছাড়াও অম্ল-ক্ষারের সাম্যতা, পানির সাম্যতা, দেহতাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে অগ্ন্যাশয়ের একটি অংশ অতি প্রয়োজনীয় কিছু হরমোন, যেমন: গ্লুকাগন ও ইনস্যুলিন নিঃসরণ করে। 
- গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে এ হরমোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,১৮৬.
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মূলত কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. কার্বন
  3. অক্সিজেন
  4. ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
• পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো মূলত কার্বন এবং হাইড্রোজেন সমৃদ্ধ জৈব পদার্থ, যা ভূগর্ভে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রার প্রভাবে তৈরি হয়েছে।
- এদের প্রধান উপাদান হলো হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon)। যার মূল গঠন কার্বন (C) ও হাইড্রোজেন (H) দিয়ে তৈরি।
- তবে, হাইড্রোকার্বনের গঠন এবং বৈশিষ্ট্যের মূল ভিত্তি হলো কার্বন পরমাণুর চেইন বা রিং কাঠামো।
- কার্বন পরমাণুগুলির মধ্যে একক, দ্বি-বন্ধন, ত্রি-বন্ধন তৈরি হয়ে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উপাদান সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে, 
নাইট্রোজেন: মৌলিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারে, তবে এটি প্রধান উপাদান নয়।

অক্সিজেন: এটি দহনে প্রয়োজনীয় কিন্তু জ্বালানীর মূল উপাদান নয়। 

ক্যালসিয়াম: ক্যালসিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌল। কিন্তু এটি পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান নয় ।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ। 
- "Fundamentals of Petroleum" by Kate Van Dyke
৭,১৮৭.
প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটা সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে - কে এটি বলেন
  1. ক) নিউটন
  2. খ) আইনস্টাইন
  3. গ) গ্যালিলিও
  4. ঘ) সক্রেটিস
ব্যাখ্যা
১৬৮৭ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন তার অমর গ্রন্থ “ন্যাচারালিস ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেমেটিকাতে” (Philosopher Naturalis Principia Mathematica) বস্তুর ভর, গতি ও বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। এ তিনটি সূত্র নিউটনের গতিসূত্র (Newtons laws of motion) নামে পরিচিত।
৭,১৮৮.
তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি কার? 
  1. দস্তা 
  2. রূপা
  3. তামা
  4. সোনা 
ব্যাখ্যা

পরিবাহিতা: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I  
-​ পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে, I ∝ V 
বা, I = GV. এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens), একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশি।
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশি।
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা।
- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়।
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়।
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি
- অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১৮৯.
ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোনটি?
  1. Anopheles stephensi
  2. Culex quinquefasciatus
  3. Aedes aegypti
  4. Mansonia uniformis
ব্যাখ্যা

◉ Aedes aegypti হলো ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রধান বাহক। 

ডেঙ্গু জ্বর:
- ডেঙ্গু একটি ভাইরাসঘটিত রোগ।
- এই ভাইরাসের জীবাণুর নাম ফ্ল্যাভি ভাইরাস।
- এটি একটি RNA ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের বাহক হলো Aedes aegypti L. ও Aedes albopictus নামক মশকী (স্ত্রী মশা)।
- এর পোষক দেহ হলো মানুষ।
- প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়।
- ডেঙ্গু জ্বরে ১০৩-১০৫° ফারেনহাইট হয়ে থাকে।
- সাধারণত ডেঙ্গু মশা কামড়ানোর ২-৭ দিন পর জ্বর দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীর তীব্র মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, পেট ব্যাথা, কপাল ব্যথা ও গলা ব্যথা হয়।
- মেরুদণ্ডের ব্যথাসহ কোমরে ব্যথা এই রোগের বিশেষ লক্ষণ। একে হাড়ভাঙ্গা জ্বর বলে।
- প্লেটিলেট পরীক্ষায় রক্তের অনুচক্রিকার সংখ্যা ১৫০০০০/mm৩ এর অনেক নিচে নেমে আসে।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীকে এসপিরিন জাতীয় ওষুধ দেয়া যাবে না।
- ব্যথা ও জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিতে হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

৭,১৯০.
নিচের কোনটি রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা?
  1. ইলেকট্রনের চার্জের প্রকৃতি নির্ধারণ করতে ব্যর্থ
  2. নিউট্রনের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ
  3. পরমানুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ
  4. প্রোটনের চার্জ নির্ণয় করতে ব্যর্থ
ব্যাখ্যা
• রাদারফোর্ড ১৯১১ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু মডেল দেন।

• যেখানে তিনি দেখান যে:-
-  প্রত্যেকটি পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে। এই কেন্দ্রের নাম নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটন ও নিউট্রন এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে ইলেকট্রন অবস্থান করে।
যেহেতু আপেক্ষিকভাবে ইলেকট্রনের ভর শূন্য ধরা হয় কাজেই নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত প্রোটন এবং নিউট্রনের ভরই পরমাণুর ভর। 

- নিউক্লিয়াস অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে ও পরমাণুর ভেতরে বেশির ভাগ জায়গাই ফাঁকা।

- ধনাত্মক চার্জবাহী নিউক্লিয়াসের প্রতি ঋণাত্মক চার্জবাহী ইলেকট্রন এক ধরনের আকর্ষণ বল অনুভব করে।
এই আকর্ষণ বল কেন্দ্রমুখী এবং এই কেন্দ্রমুখী বলের কারণে পৃথিবী যেরকম সূর্যের চারদিকে ঘুরে ইলেকট্রন সেরকম নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘুরে।

• তবে তাঁর মডেলের প্রধান সীমাবদ্ধতা ছিল:
 - ইলেকট্রন কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে শক্তি হারায় (তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের কারণে) ফলে তা অবশেষে নিউক্লিয়াসে পতিত হতো এবং পরমাণু স্থিতিশীল থাকে না।
 কিন্তু প্রকৃতিতে পরমাণু স্থিতিশীল, তাই এই মডেল পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য নয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

৭,১৯১.
সুনামির প্রধান কারণ কোনটি? 
  1. ঘূর্ণিঝড় 
  2. জোয়ার-ভাটার প্রভাব 
  3. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প 
  4. সমুদ্রের ঢেউ
ব্যাখ্যা

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। 
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,১৯২.
নিচের কোনটিকে উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় "Necessary Evil" বলা হয়? 
  1. প্রস্বেদন
  2. অভিস্রবণ
  3. ব্যাপন
  4. অভিযোজন
ব্যাখ্যা

•  উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রস্বেদন (Transpiration)-কে "Necessary Evil" বলা হয়।

প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বলা হয়।
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়।
- এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে।
- তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়।
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary
evil'
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া, কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে।
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।

অন্যান্য অপশন:
- অভিস্রবণ (Osmosis): এটি অর্ধভেদ্য পর্দা ভেদ করে কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণে দ্রাবকের (পানির) চলাচল, যা ক্ষতিকর নয়।
- ব্যাপন (Diffusion): এটি অণুর অধিক ঘনত্বযুক্ত স্থান থেকে কম ঘনত্বযুক্ত স্থানে স্বতঃস্ফূর্ত চলাচল, যা কোনো অপচয় বা 'Evil' সৃষ্টি করে না।
- অভিযোজন (Adaptation): এটি একটি পরিবেশগত প্রক্রিয়া, যা উদ্ভিদের টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য এবং শারীরবৃত্তীয় কোনো প্রক্রিয়া নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৭,১৯৩.
শুষ্ককোষে ধনাত্মক তড়িৎদ্বার হিসাবে কাজ করে কোনটি?
  1. ক) অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) ধাতব টুপিযুক্ত কার্বন দন্ড
  3. গ) দস্তার চোঙ
  4. ঘ) ম্যাংগানিজ ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা

টর্চ লাইট, বিভিন্ন রকম কন্ট্রোলার, নানা রকম খেলনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, তাকে ড্রাই সেল বা শুষ্ক কোষ বলে। শুষ্ক কোষে দস্তার চোঙ ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বা অ্যানোড হিসাবে কাজ করে আর ধাতব টুপি দিয়ে ঢাকা কার্বন দন্ডের উপরিভাগ ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড হিসাবে কাজ করে৷

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি

৭,১৯৪.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোনটি জারিত হয়?
  1. পানি
  2. কাবন ডাইঅক্সাইড
  3. অক্সিজেন
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে। 
- অর্থাৎ সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন ছাড়ে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।

উৎস:  উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৯৫.
কোনো চৌম্বকক্ষেত্রের একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে লম্বভাবে অতিক্রান্ত বলরেখার সংখ্যাকে বলা হয় -
  1. ক) চৌম্বক ফ্লাক্স
  2. খ) চৌম্বক ভ্রামক
  3. গ) চৌম্বক মধ্যতল
  4. ঘ) চৌম্বক দ্বিমেরু
ব্যাখ্যা
চৌম্বক ফ্লাক্স বা চৌম্বক আবেশ:
কোনো চৌম্বকক্ষেত্রের একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে লম্বভাবে অতিক্রান্ত্ বলরেখার সংখ্যাকে চৌম্বক আবেশ বা ফ্লাক্স ঘনত্ব বা চৌম্বকক্ষেত্র ভেক্টর বলে।

চৌম্বক ফ্লাক্সের (SI) একক ওয়েবার (Weber) বা সংক্ষেপে (Wb).

জার্মান পদার্থবিদ উইলিয়াম এডুয়ার্ড ওয়েবারের নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। 
৭,১৯৬.
রিবন রেটিং কোন ফসলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আখ
  2. তুলা
  3. তামাক
  4. পাট
ব্যাখ্যা
রিবন রেটিং:
- রিবন রেটিং পদ্ধতি স্বল্প পানি এলাকায় পাট পচানোর জন্য লাগসই প্রযুক্তি। 
- পাট আঁশের গুণগত মান নির্ভর করে এর পচন প্রক্রিয়ার উপর।
- বাংলাদেশের যে সমস্ত অঞ্চলে প্রচুর পাটের আবাদ হয় অথচ পাট জাগ দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি পাওয়া যায় না সে সমস্ত অঞ্চলের জন্য রিবন রেটিং পদ্ধতিই পাট পচানোর জন্য উত্তম ও লাগসই প্রযুক্তি।
- স্বল্প পানি এলাকায় পাট পচন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বল্প পানি এলাকার পাট চাষিদের জন্য রিবন রেটিং (পাটের ছালকরণ ও পচন) প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।
- এ পদ্ধতিতে পুরো পাট গাছ না পচিয়ে কাঁচা গাছ হতে প্রথমে ছাল বা বাকল ছাড়িয়ে নেয়া হয়।
- সেই ছাল আগে থেকে তৈরি করা মাটির গর্তে বা চাড়িতে রক্ষিত পানিতে পচানো হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)
৭,১৯৭.
আপেক্ষিক তাপের একক কী?
  1. Jkg- 1K- 2
  2. JkgK- 1
  3. Jkg- 2K- 1
  4. Jkg- 1K- 1
ব্যাখ্যা
•  আপেক্ষিক তাপের একক Jkg-  1K-  1.

• আপেক্ষিক তাপ (Specific Heat):

- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়।
যেমন- আঁধা লিটার (0.5kg) পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে পাঁচ লিটার বা (5kg) পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি।
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়।
- তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়।
- তাই 1kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে।
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg- 1K- 1.
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg- 1K- 1 বলতে বুঝায় 1kg সীসার তাপমাত্রা 1K বাড়াতে 130 J তাপের প্রয়োজন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৯৮.
মানব দেহের কোন সংবেদী অঙ্গ ভারসাম্য অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত? 
  1. জিহ্বা
  2. ত্বক
  3. নাসিকা
  4. কর্ণ
ব্যাখ্যা
মানব সংবেদী অঙ্গ: 
- পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রকৃতি ও পরিবর্তন অনুধাবনে সক্ষম ইন্দ্রিয় সমূহকে সংবেদী অঙ্গ বা রিসেপ্টর বলা হয়।
- বিশেষ ধরনের সংবেদী কোষের সমন্বয়ে সংবেদী অঙ্গ গঠিত।
- মানব দেহের সংবেদী অঙ্গ হলো- চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা ও ত্বক।
- এরা সাধারণভাবে পঞ্চ ইন্দ্রিয় নামে পরিচিত ।
- এদের মধ্যে চক্ষু দর্শন অনুভূতি, কর্ণ শ্রবণ অনুভূতি ও ভারসাম্য অনুভূতি, নাসিকা ঘ্রাণ অনুভূতি, জিহ্বা স্বাদ অনুভূতি এবং ত্বক স্পর্শ অনুভূতি মস্তিষ্কে প্রেরণ করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৯৯.
কত উপায়ে পরিবেশ দূষণ ঘটে থাকে?
  1. ক) দুই উপায়ে
  2. খ) তিন উপায়ে
  3. গ) চার উপায়ে
  4. ঘ) পাঁচ উপায়ে
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দূষণ প্রধানত চার প্রকারের হয়ে থাকে। যথা- পানি দূষণ, বায়ু দূষণ, মাটি দূষণ এবং শব্দ দূষণ। 

- আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা পারিপার্শিক অবস্থা দূষিত হলে তাকে পরিবেশ দূষণ বলে।
- দূষণকে বিভিন্নভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। যা নিম্নরূপ:
১. বায়ু দূষণ :বিশুদ্ধ বাতাসে ক্ষতিকারক পদার্থ বা বিষাক্ত গ্যাস, অণুজীব, কার্বন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণকে বায়ু দূষণ বলে। বায়ু দূষণ সবচেয়ে জটিল অবস্থার একটি।
২. পানি দূষণ : বিশুদ্ধ পানিতে অজৈব ও জৈব এবং ক্ষতিকারক উপাদানের উপস্থিতিকে পানি দূষণ বলে।
৩. মাটি দূষণ: মাটির দূষণ হল মাটির ভৌত, রাসায়নিক এবং জৈবিক বৈশিষ্ট্যের এমন একটি পরিবর্তন যার কারণে এটি মানুষ এবং অন্যান্য জীবকে প্রভাবিত করে।
৪. পানি দূষণ: অপ্রয়োজনীয় ও অবাঞ্ছিত শব্দ যা পরিবেশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে তাকে শব্দ দূষণ বলে।

পরিবেশ দূষণের কারণসমূহ-
- বায়ু দূষণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ গাছ কাটা।
- বড় বড় কারখানার ধোঁয়ায় এবং যানবাহনে ব্যবহৃত জ্বালানির কারণেও বায়ু দূষণ বেড়ে যায়।
- বড় বড় কারখানার ধোঁয়ায় বায়ু দূষণও অনেক বেড়ে যায়।
- কীটনাশক, বর্জ্য ও নর্দমা সঠিক জায়গায় না ফেলে বিশুদ্ধ নদী, জলাশয়, হ্রদে ফেলা হয়। যার কারণে বিশুদ্ধ পানি ও মাটি দূষিত হচ্ছে।
- শহরগুলোর জনসংখ্যা ও নগরায়ণ জনসংখ্যা যেমন বাড়ছে, শিল্পায়নও বাড়ছে।
- বৃহৎ মহাসাগরে খনিজ তেল ফুটো হওয়া
- বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন বাড়ছে। এর পাশাপাশি, মেশিন, উড়োজাহাজের, লাউডস্পিকার দ্বারা সৃষ্ট শব্দ শব্দ দূষণের প্রধান কারণ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৭,২০০.
গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত কোনটি?
  1. K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O
  2. CuSO4.5H2O
  3. Na2SO4.10H2O
  4. Na2CO3.10H2O
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- চুনাপাথরের  রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 
- চুনের  রাসায়নিক সংকেত- CaO । 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।