বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৫৬ / ১৪০ · ৫,৫০১৫,৬০০ / ১৪,০৮০

৫,৫০১.
গ্রুপ-১৭ এর প্রথাগত নাম কি?
  1. লবণউৎপাদক পরিবার
  2. বৈদ্যুতিক পরিবার
  3. হ্যালোজেন
  4. ধাতব পরিবার
ব্যাখ্যা

• গ্রুপের প্রথাগত নাম হলো “হ্যালোজেন”, যা লবণ তৈরি করার ক্ষমতার কারণে এই নামকরণ করা হয়েছে।
- এটি পিরিয়ডিক টেবিলের অত্যন্ত সক্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ গ্রুপ।
- এই গ্রুপের মৌলগুলো হলো: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At)।
- “হ্যালোজেন” শব্দের অর্থ লবণ উৎপাদনকারী। কারণ এই মৌলগুলো ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাধারণত লবণ (salt) তৈরি করে।

• বৈশিষ্ট্য:
- অক্সিডাইজার হিসেবে শক্তিশালী: অন্যান্য উপাদানের ইলেকট্রন আকারে গ্রহণ করতে সক্ষম।
- এটি একটি অ-ধাতু শ্রেণি, যার বৈদ্যুতিক এবং রাসায়নিক ক্রিয়াশীলতা খুব বেশি।
- সহজে একে অপরের সাথে এবং ধাতুর সঙ্গে যৌগ গঠন করে।

• ব্যবহার:
- ফ্লোরিন (F): টুথপেস্টে ফ্লুরাইড হিসেবে।
- ক্লোরিন (Cl): পানিকে জীবাণুমুক্ত করতে।
- ব্রমিন (Br) ও আয়োডিন (I): চিকিৎসা এবং রসায়ন শিল্পে ব্যবহৃত।
- এই মৌলগুলো দৈনন্দিন জীবনের অনেক রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৫,৫০২.
কোনটি জন্মনিয়ন্ত্রণের দীর্ঘস্থায়ী অস্থায়ী পদ্ধতি?
  1. বন্ধ্যাকরণ
  2. স্পার্মিসাইড
  3. স্পঞ্জ
  4. ইমপ্লান্ট
ব্যাখ্যা

• জন্মনিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিগুলো বিভিন্ন সময়ের জন্য কার্যকর হয়। এর মধ্যে কিছু দীর্ঘস্থায়ী এবং স্থায়ী, আবার কিছু অস্থায়ী। উদাহরণস্বরূপ, বন্ধ্যাকরণ স্থায়ী পদ্ধতি, যা একবার করলে তা পরিবর্তন করা যায় না। ইমপ্লান্ট হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী কিন্তু অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। এটি শরীরে ছোট রড হিসেবে প্রতিস্থাপিত হয় এবং কয়েক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকে, কিন্তু প্রয়োজন হলে পরে বের করা যায়। অন্যদিকে, স্পার্মিসাইড এবং স্পঞ্জ অল্প সময়ের জন্য কার্যকর হয়, ব্যবহারের পরপরই প্রভাব হারায়।
- সুতরাং দীর্ঘস্থায়ী কিন্তু অস্থায়ী পদ্ধতি হলো ইমপ্লান্ট, যা নিয়ন্ত্রিত সময়ের জন্য কার্যকর থাকে।

 
• দীর্ঘমেয়াদী অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (Long term temporary contraceptive methods):
- এই ধরনের পদ্ধতিগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে দীর্ঘ সময় ধরে গর্ভধারণ রোধ করা যায়, তবে প্রয়োজনে তা বাতিল করা যায়। 
- এগুলো সাধারণত হরমোন বা যান্ত্রিক উপাদান ব্যবহার করে কার্যকর হয়। 

• অন্তঃজরায়ুজ যন্ত্র (Intrauterine Device - IUD):
- এটি একটি ছোট, টি-আকৃতির ধাতব বা প্লাস্টিকের যন্ত্র যা জরায়ুর ভেতরে স্থাপন করা হয়। 
- IUD অত্যন্ত কার্যকরী এবং দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রদান করে। 
- এটি সহজেই স্থাপন ও অপসারণযোগ্য, তাই এটি অস্থায়ী হলেও দীর্ঘস্থায়ী কার্যকারিতা প্রদান করে। 

• ইমপ্লান্ট (Implant):
- ইমপ্লান্ট হলো একটি ছোট, দণ্ডাকৃতি যন্ত্র যা প্রোজেস্টেরন হরমোন সমৃদ্ধ। 
- এটি মহিলাদের বাহুতে প্রতিস্থাপন করা হয় এবং ধীরে ধীরে হরমোন নির্গত করে গর্ভধারণ রোধ করে। 
- ইমপ্লান্টও দীর্ঘমেয়াদী অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণের একটি উদাহরণ। 

- এই ধরণের পদ্ধতিগুলো দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী অপসারণ করা যায়। 
- সুতরাং, জন্মনিয়ন্ত্রণের দীর্ঘস্থায়ী অস্থায়ী পদ্ধতি হলো ইমপ্লান্ট। 

সঠিক উত্তর: ঘ) ইমপ্লান্ট। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

৫,৫০৩.
1 amu এর মান কত গ্রাম?
  1. 0.167×10-23 গ্রাম
  2. 1.992×10-23 গ্রাম
  3. 1.66×10-23 গ্রাম
  4. 1.66×10-24 গ্রাম
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর: 
- পরমাণু ও অণু এত ক্ষুদ্র যে বিজ্ঞানীগণের পক্ষে এদের প্রকৃত ভর সরাসরি পরিমাপ করা প্রায় অসম্ভব। 
- তাই বিজ্ঞানীরা পরোক্ষভাবে ভর বর্ণালী বিক্ষণ পদ্ধতিতে পরমাণুর ভর পরিমাপ করে দেখেছেন, হাইড্রোজেনের একটি পরমাণুর প্রকৃত ভর = 0.167×10-23 গ্রাম এবং কার্বনের একটি পরমাণুর প্রকৃত ভর = 1.992×10-23 গ্রাম। 
- তাই কোন একটি পরমাণুর প্রকৃত ভরকে প্রমাণ (Standard) ধরে তার সাপেক্ষে অন্যান্য মৌলের পরমাণু কতগুণ ভারী তা নির্ণয় করা হয় যারে ঐ সংশ্লিষ্ট মৌলের পরমাণুর আপেক্ষিক ভর বলা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ে একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর ভরকে প্রমাণ হিসাবে ধরে আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর গণনা করা হতো। 
- বর্তমানে একটি কার্বন-12 পরমাণুর ভরের 12 ভাগের 1 ভাগকে প্রমাণ ধরে বিভিন্ন পরমাণুর আপেক্ষিক ভর গণনা করা হয়। 
অর্থাৎ, কোন মৌলের (আপেক্ষিক) পারমাণবিক ভর = {মৌলটির একটি পরমাণুর ভর/একটি কার্বন-১২ পরমাণু ভরের (১/১২) অংশ}। 
- কার্বন-12' আইসোটোপের ভরের 12 ভাগের 1 ভাগকে অ্যাটমিক মাস ইউনিট (atomic mass unit সংক্ষেপে amu) বলা হয়। 
1 amu = 1.66×10-24 গ্রাম। 
- আপেক্ষিক পারমাণবিক ভরকে পারমাণবিক ভরও বলা হয়। 
- পর্যায় সারণিতে পরমাণুসমূহের যে পারমাণবিক ভর দেয়া হয়েছে তা সকলই আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর। 
- কোনো পরমাণুর আইসোটোপ না থাকলে সেগুলোর আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর ও ভর সংখ্যা সমান হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫০৪.
আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রপাত ঘটে কোন তত্ত্বের উন্নয়নের মাধ্যমে?
  1. স্ট্রিং থিউরী
  2. কোয়ান্টাম থিউরী
  3. রিলেটিভিটি থিউরী
  4. থিউরী অব এক্সপানশন
ব্যাখ্যা

- আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রপাত.১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর (ডার্ক ম্যাটার) বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।
- ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্ব প্রদান করেন।
 উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।

৫,৫০৫.
ক্যান্সার রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) পেনিসিলিন
  2. খ) স্ট্রেপ্টোমাইসিন
  3. গ) রঞ্জন রশ্মি
  4. ঘ) রেডিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্যান্সার রোগ নিরাময়ে রেডিয়াম ব্যবহৃত হয়। 

-রেডিওঅ্যাকটিভ বা তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়ামের আবিষ্কর্তা মেরি কুরি ও তাঁর স্বামী পিয়েরে কুরি।
- ১৯৯৮ সালের ২১ ডিসেম্বর এই মৌল আবিষ্কার করেন তাঁরা।
- প্রায় এক বছর পর মৌলটির নামকরণ করা হয় রেডিয়াম।
- শব্দটির উত্স ল্যাটিন রেডিয়াস (রশ্মি) থেকে। রশ্মিরূপে মৌলটি শক্তি নিঃসরণ করতে পারে বলেই এমন নামকরণ।
- রেডিয়াম পানিতে মেশালে তা অন্ধকারে জ্বলতে থাকে।

সূত্র: ৩ পৃষ্ঠা, সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৫০৬.
করোনা ভাইরাসে নিম্নের কোন নিউক্লিক এসিড বিদ্যমান?
  1. Deoxyribonucleic acid
  2. Oxyribonucleic acid
  3. Ribonucleic acid
  4. Chromatin
ব্যাখ্যা
ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে।
করোনা ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে।
RNA এর পূর্ণরূপ Ribonucleic acid .
 
Coronaviruses (CoVs) are positive-stranded RNA(+ssRNA) viruses with a crown-like appearance under an electron microscope (coronam is the Latin term for crown) due to the presence of spike glycoproteins on the envelope.
 
Source: www.ncbi.nlm.nih.gov
৫,৫০৭.
ফানজাইদের কোষপ্রাচীর কোন পদার্থ দ্বারা গঠিত?
  1. সেলুলোজ
  2. পেকটিন
  3. প্রোটিন
  4. কাইটিন 
ব্যাখ্যা

ফানজাই (Fungi): 
- ফানজাই রাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেওয়া হলো- 
• এদের অধিকাংশই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী। 
• এদের দেহ এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম (সরু সুতার মতো অংশ) দিয়ে গঠিত। 
• এদের নিউক্লিয়াস সুগঠিত। 
এদের কোষপ্রাচীর কাইটিন বস্তু দিয়ে গঠিত। 
• এদের খাদ্যগ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে। 
• এদের ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। 
• এরা হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবৃদ্ধি ঘটে। 
উদাহরণ: ইস্ট, Penicillium, মাশরুম ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৫০৮.
সমন্বিত বর্তনী প্যাকেজিং-এর মূল উদ্দেশ্য কী? 
  1. সেটিকে হালকা রাখা
  2. রঙ পরিবর্তন প্রতিরোধ করা
  3. ভেতরের ট্রানজিস্টর গরম না হওয়া
  4. সার্কিট বোর্ডে সহজে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা
ব্যাখ্যা
সমন্বিত বর্তনী বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Intergated Circuit): 
- ১৯৫২ সালের দিকেই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট সম্পর্কে আলোচনা শুরু হলেও সত্যিকারের ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরি করা শুরু হয় ষাটের দশকে। 
- পঞ্চাশের দশকে একটি সিলিকনের পাতলা পাতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর তৈরি করে সেগুলো কেটে আলাদা করে নেওয়া হতো। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরি করার সময় এই প্রক্রিয়াটিকে আর একটুখানি এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছিল। 
- তখন শুধু ট্রানজিস্টর তৈরি না করে তার সাথে ডায়োড কিংবা রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর বসিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি সার্কিট তৈরি করা শুরু হয় যার নাম দেওয়া হয় ইন্টিগ্রেডেট সার্কিট (আইসি, IC) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে অল্প জায়গায় অনেক বেশি ট্রানজিস্টর বসানো শুরু হলো এবং তার নাম দেওয়া হলো প্রথমে লার্জ স্কেল ইন্টিগ্রেশন (LSI), পরে ভেরি লার্জ স্কেল ইন্ট্রেগ্রেশন (VLSI)।
- এই সার্কিটগুলো ব্যবহারের উপযোগী করে প্যাকেজ করা হতো যেন সরাসরি সার্কিট বোর্ডে ব্যবহার করা যায়
- মাইক্রোকম্পিউটার, চিকিৎসার যন্ত্রপাতি, ভিডিও ক্যামেরা এবং যোগাযোগের উপগ্রহ এই ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ছাড়া কোনো দিনই সম্ভব হতো না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫০৯.
দশ বছর বয়সের পর কত বছর ধরে ছেলে-মেয়ের শরীরে পরিবর্তন আসে?
  1. ক) ৩-৪ বছর
  2. খ) ১-৫ বছর
  3. গ) ২-৩ বছর
  4. ঘ) ৩-৮ বছর
ব্যাখ্যা
বয়ঃসন্ধিকাল হল শৈশব থেকে যৌবনে পদার্পণ করার মধ্যবর্তী সময় ।
এ সময় কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে ।
আকস্মিক হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মানসিক আবেগের তীব্রতার উত্থান পতন ঘটে। এর ইংরেজি Adolescence ।
দশ বছর বয়সের পর ৩ থেকে ৪ বছর ধরে ছেলে-মেয়ের শরীরে পরিবর্তন আসে। 

এ সময়ে ছেলে-মেয়েরা আকস্মিক লম্বা হতে থাকে, ওজন বাড়তে থাকে। 
বয়ঃসন্ধিকালে তিন ধরনের পরিবর্তন দেখা যায় - 
- শারীরিক পরিবর্তন
- মানসিক পরিবর্তন
- আচরণগত পরিবর্তন 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৫,৫১০.
অ্যামিনো এসিড নিচের কোনটির গাঠনিক একক?
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) ফ্যাট
  3. গ) স্টার্চ
  4. ঘ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা
কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে আমিষ গঠিত। আমিষের একক হল অ্যামাইনো এসিড।
আমাদের শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়। মানুষের শরীরের এ পর্যন্ত ২০ প্রকার অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে যার মধ্যে ৮ টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড।
সূত্র: বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী

সাধারণত ২০ টি অ্যামিনো এসিড প্রোটিন গঠনে অংশগ্রহণ করে। এদেরকে বলা হয় প্রোটিন অ্যামিনো এসিড।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।

মানব শরীরে ২০ টি অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা প্রোটিন গঠনে সহায়তা করে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৫,৫১১.
Which one among the following is responsible for formation of 'Ozone Holes' in the stratosphere?
  1. ক) Chloro Fluoro Carbons
  2. খ) Benzopytene
  3. গ) Hydrocarbons
  4. ঘ) UV radiation
ব্যাখ্যা
• ওজোন স্তরের ক্ষয়: 
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন খুব সক্রিয় একটি অনু। যখন স্ট্রেটোস্ফিয়ার অঞ্চলে পৌছে তখন UV রশ্মি দ্বারা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ভেঙ্গে ক্লোরিন ফ্রি র‍্যাডিকেল সৃষ্টি করে।
- ক্লোরিন ফ্রি রেডিক্যাল উন্মুক্ত হয় ওজোন গ্যাস এর সাথে বিক্রিয়া করে।
- ফলে ওজোন স্তরের ক্ষয় সৃষ্টি হয় এবং ধীরে ধীরে হোল সৃষ্টি করে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৫১২.
সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের অবস্থান মস্তিষ্কের কোন অংশে?
  1. ক) অগ্রমস্তিষ্ক
  2. খ) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক
  3. গ) মধ্যমস্তিষ্ক
  4. ঘ) পার্শ্বমস্তিষ্ক
ব্যাখ্যা
অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ হচ্ছে - সেরেব্রাম, থ্যালামাস ও হাইপোথ্যালামাস।
এর মধ্যে সেরেব্রামে দুটি বড়, কুন্ডলি পাকানো ও খাজবিশিষ্ট খন্ড আছে। এদেরকে সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৫,৫১৩.
পদার্থের অবিভাজ্য একক সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন কে?
  1. ডেমোক্রিটাস
  2. জন ডাল্টন
  3. পিথাগোরাস
  4. নীলস বোর
ব্যাখ্যা
- পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানী ও দার্শনিকগণ নানারকম মতবাদ ব্যক্ত করেছেন। 
- গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দে সর্বপ্রথম পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার একক এটম সম্পর্কে মতবাদ পোষণ করেন। 
- তিনি সর্বপ্রথম ধারণা দেন যে, পদার্থের অবিভাজ্য একক রয়েছে, যার নাম এটম। 
- তার মতে সকল পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য কণা দ্বারা গঠিত, তিনি এই ক্ষুদ্রতম কণার নাম দেন পরমাণু বা এটম। 
- এটম কথাটি তিনি নিয়েছিলেন গ্রিক শব্দ এটোমোস থেকে যার অর্থ হলো অবিভাজ্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৫১৪.
পিভিসি প্লাস্টিক পোড়ালে বায়ুতে নিচের কোন গ্যাসটি নিঃসৃত হয়? 
  1. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  2. ওজোন
  3. হাইড্রোজেন ক্লোরাইড
  4. হাইড্রোজেন সায়ানাইড
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিক: 
- প্লাস্টিক শব্দের অর্থ হলো সহজেই ছাচঁযোগ্য। 
- নরম অবস্থায় প্লাস্টিক ইচ্ছেমতো ছাঁচে ফেলে সেটা থেকে নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি বিশিষ্ট পদার্থ তৈরি করা যায়। 
- প্লাস্টিক জাতীয় সবকিছুই পলিমার পদার্থ। 
- বেশির ভাগ প্লাস্টিকই পানিতে অদ্রবণীয়। 
- প্লাস্টিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম হলো এরা বিদ্যুৎ এবং তাপ পরিবহন করে না, তাই বিদ্যুৎ এবং তাপ নিরোধক হিসেবে এদের বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় ধর্ম হলো গলিত অবস্থায় এদেরকে যেকোন আকার দেয়া যায়। 
- পলিথিন, পিভিসি পাইপ, পলিস্টার কাপড়, বাচ্ছাদের খেলনা- এসব প্লাস্টিক তাপ দিলে নরম হয়ে যায় এবং গলিত প্লাস্টিক ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়, এদেরকে থার্মোপ্লাস্টিকস (Thermoplastics) বলে। 
- অন্যদিকে মেলামাইন, বাকেলাইট এগুলো তাপ দিলে নরম হয় না বরং পুড়ে শক্ত হয়ে যায়। এদেরকে একবারের বেশি ছাঁচে ফেলে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া যায় না, এসব প্লাস্টিককে থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস (Thermosetting Plastics) বলে। 
- প্লাস্টিক পোড়ালে অনেক ক্ষতিকর পদার্থ বের হয়।
যেমন: পিভিসি পোড়ালে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCl) গ্যাস নিঃসৃত হয়। আবার পলিইউরেথেন প্লাস্টিক পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস এবং হাইড্রোজেন সায়ানাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়। 
- বেশির ভাগ প্লাস্টিক রাসায়নিকভাবেশ যথেষ্ট নিষ্ক্রিয়। এরা বাতাসের জলীয় বাষ্প এবং অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। প্লাস্টিক কোন পচনশীল বস্তু নয়, এরা দীর্ঘদিন মাটি বা পানিতে পড়ে থাকলেও পচে না। 
- প্লাস্টিক সাধারণত দাহ্য হয় অর্থাৎ এদেরকে আগুন ধরালে পুড়তে থাকে এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫১৫.
কোষ বিভাজনের সময় প্রাণী কোষের নিম্নোক্ত কোন উপাদানটির প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) কোষঝিল্লি
  2. খ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
  3. গ) গলগি বস্তু
  4. ঘ) সেন্ট্রোজোম
ব্যাখ্যা

প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা নলাকার বা দণ্ডাকার অঙ্গাণু দেখা যায়, তাদের সেন্ট্রিওল বলে। সেন্ট্রিওলের চারপাশে অবস্থিত গাঢ় তরলকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার এবং সেন্ট্রোস্ফিয়ারসহ সেন্ট্রিওলকে সেন্ট্রোজোম বলে।
সেন্ট্রোজোমে থাকা সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার রে তৈরি করে। এছাড়া স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতেও সেন্ট্রোজোমের অবদান রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ফ্লাজেলা সৃষ্টিতে এরা অংশগ্রহণ করে।

৫,৫১৬.
ফলিক এসিড কোন ভিটামিনের রাসায়নিক নাম?
  1. ভিটামিন বি১
  2. ভিটামিন বি৯
  3. ভিটামিন বি৬
  4. ভিটামিন বি৩
ব্যাখ্যা
• ভিটামিন B কমপ্লেক্সভুক্ত বিভিন্ন ভিটামিনের রাসায়নিক নাম।
- B1 - Thiamin (থায়ামিন)। 
- B2 - Riboflavin (রিবোফ্লাভিন)। 
- B3 - Niacin (নিয়াসিন)। 
- B5 - Pantothenic acid (প্যানটোথেনিক এসিড)। 
- B6 - Pyridoxine (পাইরিডক্সিন)। 
- B7 - Biotin (বায়োটিন)। 
- B9 - Folate [folic acid) (ফোলেট, ফলিক এসিড)। 
- B12 - Cobalamin (কোবালামিন)। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৫১৭.
পূর্ণিমা ঘটে তখনই, যখন- 
  1. চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে থাকে
  2. চাঁদ সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যায়
  3. সূর্য পৃথিবীর এক পাশে এবং চাঁদ তার উল্টো পাশে থাকে
  4. পৃথিবী সূর্যকে ঢেকে ফেলে
ব্যাখ্যা
চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

সূর্যগ্রহণ: 

- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ সরলরেখায় অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

অমাবস্যা: 
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

পূর্ণিমা: 
- পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে। 

উৎস: ৪ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা। [লিঙ্ক]।
৫,৫১৮.
কোন ধরনের প্রসারণকে তরল পদার্থের প্রসারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. দৈর্ঘ্য প্রসারণ
  2. ক্ষেত্র প্রসারণ
  3. তলীয় প্রসারণ
  4. আয়তন প্রসারণ
ব্যাখ্যা
তরল পদার্থের প্রসারণ: 
- তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থের মতো তরল পদার্থেরও প্রসারণ ঘটে।
- কঠিন পদার্থের সুনির্দিষ্ট আকার থাকায় এর বিভিন্ন প্রসারণ স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। এর দৈর্ঘ্য, ক্ষেত্রফল এবং আয়তনের প্রসারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা সহজ হয়।
- কিন্তু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার বা দৈর্ঘ্য নেই। যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে।
- তাপের প্রভাবে তরল পদার্থের আয়তনের পরিবর্তনই কেবল প্রতীয়মান হয়। তাই তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে এর আয়তনের প্রসারণকেই বুঝায়
- একই পরিমাণ তাপ প্রয়োগে সম আয়তনের কঠিন পদার্থের তুলনায় তরল পদার্থের আয়তনের প্রসারণ বেশি হয়। আবার একই পরিমাণ তাপে বিভিন্ন প্রকার তরলের প্রসারণের পরিমাণও সমান হয় না।
- তাপে পদার্থের প্রসারণ পর্যবেক্ষণের জন্য ঐ পদার্থকে তাপ দিতে হয়।
- তরল পদার্থকে তাপ দিতে হলে কোনো না কোনো পাত্রে নিয়ে তাপ দিতে হয়। পাত্রগুলো একটু বিশেষ আকারের হলে প্রসারণ সুষ্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়। পাত্রগুলো সরু লম্বা গলা বিশিষ্ট এবং নিচের দিকে বাল্ব বা গোলকাকৃতির হলে উত্তম হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫১৯.
রক্তে শ্বেত কণিকার সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে তাকে কী বলে ?
  1. অ্যানিমিয়া
  2. পলিসাইথেমিয়া
  3. লিউকেমিয়া
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
১. অ্যানিমিয়া: লোহিত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায় অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যায়।

২. পলিসাইথিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।

৩. লিউকোসাইটোসিস: শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ১ ঘন মি.লি. রক্তে ২০,০০০ - ৩০,০০০ হয়।

৪. লিউকেমিয়া: নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা, প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক হারে বেড়ে ১ ঘন মি.লি. রক্তে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫২০.
সকল সপুষ্পক উদ্ভিদ হচ্ছে-
  1. ক) পরভোজী
  2. খ) স্বভোজী
  3. গ) পরজীবি
  4. ঘ) মিথোজীবি
ব্যাখ্যা
- যে সকল উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে তাদেরকে বলা হয় অটোফাইট বা স্বভোজী।
- ক্লোরোফিলের উপস্থিতির জন্য এরা নিজেদের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করতে পারে।
- ছত্রাক ছাড়া পৃথিবীর অধিকাংশ উদ্ভিদ অটোফাইট।
- সকল সপুষ্পক উদ্ভিদ হচ্ছে স্বভোজী। 

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৫,৫২১.
সোডিয়াম (Na) পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা 11 এবং নিউট্রন সংখ্যা 12 হলে ভর সংখ্যা কত?
  1. 11
  2. 12
  3. 23
  4. 24
ব্যাখ্যা

ভর সংখ্যা: 
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যাকে ঐ পরমাণুর ভর সংখ্যা বলা হয়। 
- ইলেকট্রনের ভর প্রায় শূন্য ধরা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম ধাতুর পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা 11 টি এবং নিউট্রন সংখ্যা হল 12 টি। তাই সোডিয়ামের ভর সংখ্যা 23 । 

পারমাণবিক সংখ্যা: 

- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic number) বলে। 
- কোনো একটি মৌলের ধর্ম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে, পারমাণবিক সংখ্যাই মৌলের মৌলিক ধর্ম। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে চারদিকে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রনসমূহ নিজস্ব শক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন কক্ষপথে অবস্থান নিয়ে ঘুরতে থাকে। 
- ইহাকে Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (H) পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 1 টি প্রোটন আছে, কাজেই উহার পারমাণবিক সংখ্যা 1 । আবার, কার্বনের পরমাণুতে 6টি প্রোটন আছে, বিধায় কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা 6 । কার্বন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা 6 টি এবং নিউট্রন সংখ্যা 6 টি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫২২.
ইউরেনাসের উপগ্রহ নয় কোনটি?
  1. মিরান্ডা
  2. এরিয়েল
  3. আমব্রিয়েল
  4. ডিমোস
ব্যাখ্যা
ইউরেনাস:
- ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল।
- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ।
- ইউরেনাসে একদিন সময় লাগে প্রায় ১৭ ঘন্টা।
- উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে গ্রহটি আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ ২৮টি।
• এর মধ্যে প্রধান পাঁচটি চাঁদ: মিরান্ডা, এরিয়েল, আমব্রিয়েল, টাইটানিয়া এবং ওবেরন।

অন্যদিকে,
- মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ দুইটি: ডিমোস ও ফোবোস।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & NASA ওয়েবসাইট।
৫,৫২৩.
আইনস্টাইন নােবেল পুরস্কার পান-
  1. আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর
  2. মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য
  3. কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য
  4. আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
ব্যাখ্যা
- কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে।
- ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
- এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ভর শক্তি সম্পর্ক E = mc2 স্থাপন করেন তিনি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৫২৪.
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে কোন হরমোন নিঃসৃত হয়? 
  1. রিলাক্সিন
  2. থাইরক্সিন
  3. অ্যান্ড্রোজেন
  4. টেস্টোস্টেরন
ব্যাখ্যা

মানব প্রজননে হরমোন এর ভূমিকা: 
- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। 
- হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্প মাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম নিঃসৃত হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে এবং দেহে নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। 
- মানব দেহে প্রজনন সংক্রান্ত হরমোনগুলো হলো-
শুক্রাশয় এর অনাল গ্রন্থি: 
- এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম- টেস্টোস্টেরণ এবং অ্যান্ড্রোজেন। 
- এ হরমোন শুক্রাণু উৎপাদন করে। দাঁড়ি ও গোফ গজায়। গলার স্বর বদলায়। 

পিটুইটারী গ্রন্থি: 
- এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) বৃদ্ধি উদ্ধীপক হরমোন এবং (খ) উৎপাদক হরমোন। 
- এ হরমোন জনন গ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ ও কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। মাতৃদেহের স্তন দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। জরায়ুর সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। 

থাইরয়েড গ্রন্থি: 
- এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- থাইরক্সিন। 
- এ হরমোন দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করে। যৌন লক্ষণ প্রকাশ ও বিপাকে সহায়তা করে। 

ডিম্বাশয় এর অনাল গ্রন্থি: 
- এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) ইস্ট্রোজেন, (খ) প্রোজেস্টেরন এবং (গ) রিলাক্সিন। 
- এ হরমোন নারী সুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি করে। ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ করে। গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ ও অমরা ইত্যাদির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। ডিম্বাণু উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫২৫.
প্লাজমা অবস্থা কোথায় সাধারণত দেখা যায়?
  1. সূর্যে
  2. মঙ্গল গ্রহে 
  3. পৃথিবীর ভূত্বকে
  4. পৃথিবীর মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
প্লাজমা অবস্থা: 
- কঠিন, তরল এবং বায়বীয় ছাড়া আরও একটি পদার্থের অবস্থা হলো 'প্লাজমা'। 
- চারটি অবস্থাই পদার্থের অভ্যন্তরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়। 
- তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়। 
- তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোট্রেন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্যভাবে বলা যায় গ্যাসীয় অণুসমূহ আয়তনযুক্ত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- তবে নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
- সূর্য এবং অধিকাংশ নক্ষত্র, উত্তর মেরুতে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতি পদার্থের প্লাজমা অবস্থা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫২৬.
একই গ্রুপের মৌলগুলোর সাধারণ বৈশিষ্ট্য কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়?
  1. সমান শক্তি
  2. সমান রাসায়নিক ধর্ম
  3. সমান ইলেক্ট্রন সংখ্যা
  4. সমান আয়নিক ব্যাসার্ধ
ব্যাখ্যা

• একই গ্রুপের মৌলগুলোর রাসায়নিক ধর্ম একই রকম কারণ তাদের বহিঃস্থ শক্তিস্তরে সমান সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে, যা তাদের প্রতিক্রিয়াশীলতা ও যৌগগঠন প্রক্রিয়াকে অভিন্ন করে।

• পর্যায় সারণির গ্রুপ:
- পর্যায় সারণিতে উল্লম্বভাবে সাজানো প্রতিটি কলামকে গ্রুপ বলা হয়।
- একই গ্রুপে থাকা মৌলগুলোর বহিঃস্থ শক্তিস্তরে ইলেকট্রনের সংখ্যা একই থাকে।
- এই ইলেকট্রন বিন্যাসের মিলই তাদের রাসায়নিক ধর্মকে প্রায় অভিন্ন করে তোলে।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে বহিঃস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রন। 
- গ্রুপের মৌলগুলোর ভ্যালেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা একই হওয়ায় তারা একই ধরনের আয়ন তৈরি করে এবং একই ধরনের যোজ্যতা প্রদর্শন করে।

উদাহরণ:
- গ্রুপ-১ (ক্ষার ধাতু): Li, Na, K → সবার বহিঃস্থ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন = 1 → সবার যৌবসায়নিক ধর্ম প্রায় এক।
- গ্রুপ-১৭ (হ্যালোজেন): F, Cl, Br → সবার বহিঃস্থ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন = 7 → সহজেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে লবণ তৈরি করে।

অপশন আলোচনা: 
- সমান শক্তি: শক্তিস্তরের সংখ্যা গ্রুপে নেমে আসার সাথে সাথে বৃদ্ধি পায়। তাই এটি সঠিক নয়।
- সমান ইলেক্ট্রন সংখ্যা: মোট ইলেকট্রন সংখ্যা মৌলের পারমাণবিক সংখ্যার ওপর নির্ভর করে; গ্রুপে ভিন্ন হয়।
- সমান আয়নিক ব্যাসার্ধ: গ্রুপে নিচের দিকে গেলে আয়নিক ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পায়; একই নয়।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 

৫,৫২৭.
প্রোটিনের কোন রাসায়নিক পদার্থটি দেহে বৃদ্ধি সাধন করে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) কার্বন
ব্যাখ্যা
- প্রানি কোষের অন্যতম উপাদান হচ্ছে প্রোটিন। 
- প্রোটিনে নাইট্রোজেন থাকার কারণে দেহের বৃদ্ধিসাধন করে এবং ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের অভাব পূরণ করতে পারে। 
- প্রাণিজ প্রোটিনে অত্যাবশ্যক এমাইনো এসিড থাকার কারণে একে সম্পূর্ণ প্রোটিন বলা হয়। 
- অত্যাবশ্যক এমাইনো এসিড কম থাকার কারণে উদ্ভিজ আমিষ অসম্পূর্ণ প্রোটিন হিসেবে চিহ্নিত। 
- প্রয়োজন অনুপাতে সময়মত প্রোটিন গ্রহণ অপরিহার্য।
 
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৫২৮.
সেক্সট্যাণ্ট নামক যন্ত্রের সাহায্যে কি পরিমাপ করা হয়?
  1. ক) উষ্ণতা
  2. খ) অক্ষাংশ
  3. গ) সময়
  4. ঘ) দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ নির্ণয় করার পদ্ধতি
• প্রধানত দুইটি পদ্ধতিতে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। যথা:-
১। ধ্রুবতারার অবস্থান : আকাশে ধ্রুবতারার সাহায্যে দিনের বেলায় কিংবা দক্ষিণ গোলার্ধে অক্ষাংশ নির্ণয় করা সম্ভব নয়। উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানে ধ্রুবতারা যত ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে সেই মানই উক্ত স্থানের অক্ষাংশ।
২। সূর্যের অবস্থান : আকাশে সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী সেক্সট্যান্ট নামক যন্ত্র ব্যবহার করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫২৯.
নিউক্লিয়াসের ভিতরের তরল ও স্বচ্ছ পদার্থ কোনটি?
  1. নিউক্লিওপ্লাজম
  2. ক্রোমাটিন তন্তু
  3. নিউক্লিওলাস
  4. নিউক্লিয়ার মেমব্রেন
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয়াস: 
- প্রোটোপ্লাজমের মধ্যে ভাসমান গোলাকার ঘন বস্তুটি নিউক্লিয়াস। 
- নিউক্লিয়াস কোষের সকল শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নবীন কোষে এদের অবস্থান কোষের কেন্দ্রে, পরিণত কোষে এদের স্থান পরিবর্তন হতে পারে। 
- এরা গোলাকার তবে কখনও কখনও উপবৃত্তাকার বা নলাকার হতে পারে। 
- কোনো কোনো কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না। 
- একটি নিউক্লিয়াস প্রধানত (১) নিউক্লিয়ার মেমব্রেন (২) নিউক্লিওপ্লাজম (৩) ক্রোমাটিন তন্তু ও (৪) নিউক্লিওলাস নিয়ে গঠিত। 

নিউক্লিয়ার মেমব্রেন: 
- এটি নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে। এই আবরণী সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসের ভিতরের বস্তুগুলোকে আলাদা করে রাখে। একই সাথে এটি তরল পদার্থের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। 

নিউক্লিওপ্লাজম: 
- নিউক্লিয়াসের ভিতরের তরল ও স্বচ্ছ পদার্থটিই নিউক্লিওপ্লাজম। এর মধ্যে ক্রোমাটিন তন্তু ও নিউক্লিওলাস থাকে। 

ক্রোমাটিন তন্তু: 
- নিউক্লিয়াসের ভিতরে সুতার ন্যায় কুণ্ডলী পাকানো বা খোলা অবস্থায় যে অঙ্গাণুটি রয়েছে তাই ক্রোমাটিন তন্তু বলে। এটি জীবের বৈশিষ্ট্য বহন করে পরবর্তী প্রজন্মে নিয়ে যায়। এরা কোষের বৃদ্ধি বা যেকোনো ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। 

নিউক্লিওলাস: 
- নিউক্লিয়াসের ভিতরে বিন্দুর ন্যায় অতিক্ষুদ্র যে অঙ্গাণুটি ক্রোমাটিন তন্তুর সাথে লেগে থাকে, সেটিই নিউক্লিওলাস। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৫,৫৩০.
নিচের কোনটি স্নেহ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে?
  1. ট্রিপসিন
  2. লাইপেজ
  3. টায়ালিন
  4. অ্যামাইলেজ
ব্যাখ্যা
- অগ্ন্যাশয়ে অ্যামাইলেজ, ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন এবং লাইপেজ এনজাইম তৈরি হয়। 
- এই এনজাইমগুলো ডিওডেনামে এসে খাদ্যের সঙ্গে মিশে। 
- ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিন আমিষ খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- লাইপেজ স্নেহ খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- অ্যামাইলেজ শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 

অন্যদিকে, 
- মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসৃত এনজাইমটি হলো টায়ালিন। 
- টায়ালিন এনজাইম স্টার্চ, গ্লাইকোজেন, ডেক্সট্রিন অণুকে আর্দ্রবিশ্লিষ্ট করে প্রথমে দ্রবণীয় স্টার্চ এবং পরে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন অণুতে পরিণত করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৫৩১.
পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. ক) আর্লিবার্ড
  2. খ) এস্ট্রোলার
  3. গ) ওবেরী হল
  4. ঘ) কসমস
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যােগাযােগ কৃত্রিম উপগ্রহ হলো ইন্টেলসেট 1 (Intelsat-I)।
৬ এপ্রিল ১৯৬৫ এটি মহাকাশের উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করা হয়। এর ডাকনাম ছিল - আর্লিবার্ড।
উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৫৩২.
গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত দ্রাঘিমা রেখাটি মূল মধ্যরেখা হিসেবে চিহ্নিত হয় কত সালে? 
  1. ১৮৮২ সালে
  2. ১৮৮৪ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line):
- দ্রাঘিমারেখার নিয়মানুসারে মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে অগ্রসর হলে প্রতি ১দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময়ের ব্যবধান হয়। - আমরা জানি ০° দ্রাঘিমার ঠিক উল্টো দিকে ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা।
- যেহেতু প্রতি ১ এর জন্য ৪ মিনিট সেহেতু ১৮০ এর জন্য delta*bo * 8 = 9% মিনিট অর্থাৎ ১২ ঘণ্টার পার্থক্য হয়।
- এভাবে দুই দিকে, পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ১২ ঘণ্টা করে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধান হয়।
- পূর্ব দিকে গেলে ১২ ঘণ্টা বাড়ে আর পশ্চিম দিকে গেলে ১২ ঘণ্টা কমে অর্থাৎ একই দ্রাঘিমায় ১৮০° তে সময়ের ব্যবধান দেখা দেয় ২৪ ঘণ্টা।
- এর জন্য তারিখ ও বারের যে সমস্যা হয় তার সমাধানকল্পে ১৮৮৪ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে integrate b - 0 deg db দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা হিসেবে স্থির করা হয় ।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৫,৫৩৩.
রঙিন টেলিভিশনে ব্যবহৃত মৌলিক রংগুলো হলো-
  1. সবুজ, বেগুনী, লাল
  2. লাল, সবুজ, নীল
  3. নীল, কমলা, লাল
  4. লাল, নীল, হলুদ
ব্যাখ্যা

• রঙিন টেলিভিশনে ব্যবহৃত মৌলিক রং হলো লাল, সবুজ এবং নীল। এগুলোকে সাধারণত RGB (Red, Green, Blue) রঙ বলা হয়। টেলিভিশনের স্ক্রিনে এই তিনটি রঙ বিভিন্ন মাত্রায় মিলিয়ে নানা রঙ তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, লাল ও সবুজ একসাথে মিলে হলুদ রঙ তৈরি করে, সবুজ ও নীল মিলে সায়ান, আর লাল ও নীল মিলে মজেন্টা। এই প্রক্রিয়াকে অ্যাডিটিভ কালার মিক্সিং বলা হয়। তাই, রঙিন টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরে হাজার হাজার ভিন্ন রঙ প্রদর্শনের জন্য মূলত এই তিনটি রঙ ব্যবহার করা হয়। এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানুষের চোখ মূলত এই তিনটি রঙের আলোকে সনাক্ত করতে পারে।

টেলিভিশন:

- টেলিভিশন শব্দের অর্থ দূরদর্শন।
- ১৯২৬ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী লজি বেয়ার্ড টেলিভিশন আবিষ্কার করেন।
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রয়োজন একটি প্রেরক ষ্টেশনের।
- এ প্রেরক ষ্টেশনে থাকে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য দুটো পৃথক প্রেরক যন্ত্র।
- একটি প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গে রূপান্তরিত করে প্রেরণ করা হয় এবং অন্য প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে ছবিকে তড়িৎ-সংকেতে রূপান্তরিত করে তা তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।

রঙিন টেলিভিশন:
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫৩৪.
বেনজিনের স্থূল সংকেত কোনটি?
  1. C2H6
  2. CH
  3. C6H6
  4. CH3
ব্যাখ্যা
- বেনজিনের স্থূল সংকেত হলো- CH

স্থূল সংকেত (Empirical formula): 
- যে সরলতম সংকেত দ্বারা কোন যৌগের অণুস্থিত বিভিন্ন উপাদান মৌলের পরমাণু সংখ্যার সরল অনুপাত জানা যায় কিন্তু পরমাণুসমূহের সঠিক সংখ্যা জানা যায় না তাকে ঐ যৌগের স্থূল সংকেত বলে। 
- কতিপয় যৌগের আণবিক সংকেত ও স্থূল সংকেত দেখানো হলো: 


স্থূল সংকেত নির্ণয়ের নিয়ম: 
১। প্রথমে যৌগের উপাদান মৌলসমূহের প্রত্যেকের শতকরা পরিমাণ বের করে এদের একত্রে যোগ করতে হবে। যোগফল 100 এর চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম হলে অবশিষ্ট অংশটুকু কার্বন বা অক্সিজেনের শতকরা পরিমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে। 
২। প্রতিটি মৌলের শতকরা পরিমাণকে স্ব স্ব পারমাণবিক ভর দ্বারা ভাগ করে মৌলসমূহের আপেক্ষিক সংখ্যা গণনা করতে হবে। 
৩। প্রাপ্ত আপেক্ষিক সংখ্যাগুলোকে ক্ষুদ্রতম আপেক্ষিক সংখ্যা দ্বারা ভাগ করে মৌলের সর্বনিম্ন আনুপাতিক সংখ্যা বের করতে হবে। 
৪। সাধারণত নিকটবর্তী পূর্ণ সংখ্যা মূলত পারমাণবিক অনুপাত। তবে পূর্ণ সংখ্যা না পাওয়া গেলে প্রাপ্ত সকল সংখ্যাকে 2, 3. 4 ইত্যাদি সংখ্যা দ্বারা গুণ করে পূর্ণ সংখ্যায় পরিণত করতে হবে। 
৫। পরিশেষে এভাবে প্রাপ্ত পূর্ণ সংখ্যাগুলোকে স্ব স্ব মৌলের প্রতীকের ডান পার্শ্বে সামান্য নিচে লিখে যৌগটির স্থূল সংকেত পাওয়া যাবে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৩৫.
ইনসুলিন কোন ধরনের যৌগ?
  1. লিপিড
  2. নিউক্লিক এসিড
  3. এনজাইম
  4. হরমোন
ব্যাখ্যা

ইনসুলিন:
- ইনসুলিন একটি প্রোটিনজাত হরমোন
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।

- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫৩৬.
'বঙ্গোপসাগর' হলো একটি -
  1. হ্রদ
  2. সাগর
  3. উপসাগর
  4. মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমণ্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
১। মহাসাগর (Ocean), 
২। সাগর (Sea), 
৩। উপসাগর (Bay), 
৪। হ্রদ (Lake)। 

মহাসাগর (Ocean): 
- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানি রাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। 
যথা: প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean), আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean), ভারত মহাসাগর (Indian Ocean), উত্তর মহাসাগর (North Ocean), দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)। 

সাগর (Sea): 
- সাগর হচ্ছে মহাদেশের উপকূলভাগে মহাসাগরের প্রান্তে অবস্থিত জলভাগ যা প্রাকৃতিক ভূ-প্রকৃতি দ্বারা মহাসাগর থেকে আংশিকভাবে বিচ্ছিন্ন। 
- সংক্ষেপে মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তন বিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে। 
যেমন- জাপান সাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর, লোহিত সাগর, ভূ-মধ্যসাগর। 

উপসাগর (Bay): 
- শুধুমাত্র একদিকে জল এবং বাকী তিনদিক স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর (Bay) বলে। 
যেমন- মেক্সিকো উপসাগর, পারস্য উপসাগর, বঙ্গোপসাগর। 

হ্রদ (Lake): 
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে হ্রদ (Lake) বলে। 
যেমন- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ। 
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৫৩৭.
এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি কোন গ্যাসের কারণে হয় না?
  1. Sulfur Dioxide
  2. Nitrogen Dioxide
  3. Carbon Dioxide
  4. Nitric Oxide
ব্যাখ্যা
• এসিড বৃষ্টি:
- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে।
- এসিড বৃষ্টির কারণ হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া।
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে।
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন- NO, NO2).
- এর মূলে তিনটি এসিডের (H2SO3, H2SO4, HNO3 এর) ভূমিকা রয়েছে; যা প্রাইমারি বায়ুদূষক SO2 গ্যাস ও নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (NOx) হতে উৎপন্ন হয়।

• কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এসিড বৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় বা এসিড বৃষ্টির কারণ নয়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (ড. হাজারী ও নাগ)।
৫,৫৩৮.
বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. পটাশিয়াম
  3. অক্সিজেন
  4. ফসফরাস
ব্যাখ্যা
- মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ।
- বায়ুমন্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমন্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে। 
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার। 
 
• বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট। প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে, বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে।  নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়। গাছপালা তখন মাটি থেকে নাইট্রোজেন শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে।
যেহেতু ইহা ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়।
 
Lightening is a potent fertilizing agent. Every time it strikes, nitrogen in the atmosphere is combined with hydrogen or oxygen to form ammonium and nitrate, two forms of nitrogen. The nitrogen then goes into solution in atmospheric moisture and is washed to the ground in rainfall. Plants then absorb nitrogen from the ground and utilize it for growth. Since it is a key constituent in chlorophyll, the green pigment of plants, nitrogen causes a greening of the plant.
 
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; cals.arizona.edu.
৫,৫৩৯.
২টি আধানের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান কয়টি বিষয়ের উপর নির্ভর করে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ১টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

২টি আধানের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
- আধান দুটির পরিমাণের উপর
- আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর
- আধান দুটি যে মাধ্মে অবস্থিত তার প্রকৃতির উপর। 
[উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড বই, স্থির তড়িৎ, পৃষ্ঠা নং - ৪]

৫,৫৪০.
নাসার মহাকাশযান Perseverance কোন গ্রহে অবতরণ করে?
  1. চন্দ্র
  2. মঙ্গল
  3. বুধ
  4. শত্রু
ব্যাখ্যা
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সালে নাসার মহাকাশযান Perseverance সাফল্যের সাথে মঙ্গল গ্রহে অবতরণ করে।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা
৫,৫৪১.
মাছ অক্সিজেন নেয়-
  1. ক) মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে
  2. খ) পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে
  3. গ) পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে
  4. ঘ) পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে
ব্যাখ্যা
মাছ ফুলকার সাহায্যে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহন করে বেঁচে থাকে।
৫,৫৪২.
অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনাটি ঘটে? 
  1. বিচ্ছুরণ 
  2. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন 
  3. প্রতিসরণ 
  4. অপবর্তন 
ব্যাখ্যা

- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর 'পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন' ঘটে। 

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু। 
- এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত।  
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত।
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৫,৫৪৩.
জীব ও জড়ের সেতুবন্ধন বলা হয় -
  1. ক) ভাইরাসকে
  2. খ) ব্যাকটেরিয়াকে
  3. গ) DNA কে
  4. ঘ) RNA কে
ব্যাখ্যা

ভাইরাসকে জীব ও জড়ের সেতুবন্ধন বলা হয়।
জীব জগতে ভাইরাসের অবস্থান সম্পর্কে ফ্রান্সের বিজ্ঞানী নোবেল জয়ী ও লুই পাস্তুরের গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন পরিচালক A. Lowff 1952 সালে মন্তব্য করেন “A virus is a virus” অর্থাৎ ভাইরাস ভাইরাসই । এরা জীবও নয় জড়ও নয়।
[তথ্যসূত্র - জীব বিজ্ঞান, প্রথম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২০।]

৫,৫৪৪.
ছয় সপ্তাহ বয়সে শিশুকে কোন টিকা দেওয়া উচিৎ?
  1. টিটি
  2. বিসিজি
  3. ডিটি
  4. ডিপিটি-1
ব্যাখ্যা

- জন্মের ছয় সপ্তাহ বয়সে 'ডিপিটি-1' টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৪৫.
কোনটি সালোকসংশ্লেষণের বাহ্যিক প্রভাবক নয়?
  1. ক) আলো
  2. খ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. গ) তাপমাত্রা
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণের প্রভাবকসমূহ : সালোকসংশ্লেষণ কতগুলো প্রভাবক দ্বারা প্রভাবিত হয়। এগুলো বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ এ দু’ধরনের হয়।
বাহ্যিক প্রভাবকগুলোর মধ্যে রয়েছে- আলো, কার্বন ডাই অক্সাইড, পানি, তাপমাত্রা, অক্সিজেন, খনিজ পদার্থ ইত্যাদি।
অভ্যন্তরীণ প্রভাবকের মধ্যে রয়েছে- পাতার বয়স, পাতার অন্তর্গঠন, ক্লোরোফিল, শর্করার পরিমাণ, প্রোটোপ্লাজম, পটাসিয়াম, এনজাইম ইত্যাদি। 

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৪৬.
জরায়ুর সংক্রমণ জনিত গর্ভপাতের জটিলতা-
  1. ক) খিঁচুনি
  2. খ) মাথাব্যাথা
  3. গ) বমি
  4. ঘ) রক্তক্ষরণ
ব্যাখ্যা
জরায়ুর গায়ের আবরণী কলাকে এন্ডোমেট্রিয়াম বলে। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে এর সংক্রমণকে এন্ড্রোমেট্রাইটিস বলে।
জরায়ুর সংক্রামকজনিত গর্ভপাতের প্রথম ও প্রধান জটিলতা রক্তক্ষরণ।
৫,৫৪৭.
n-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য সিলিকনের সাথে কোনটি মেশানো হয়?
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) বোরন
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যা
সিলিকন ক্রিস্টালের সাথে এমন একটা পরমাণু (যেমন ফসফরাস) মিশিয়ে দেওয়া হয় যার শেষ কক্ষপথে থাকে ৫টি ইলেকট্রন। ফসফরাসের এই ৫ম ইলেকট্রনটি বাড়তি একটা ইলেকট্রন, কোনো পরমানুরই তার প্রয়োজন নেই, তাই সেসব পরমাণুর মাঝেই প্রায় মুক্তভাবে ঘোরাঘুরি করতে পারে।

ফসফরাস মেশানো এ রকম সেমিকন্ডাক্টর অনেকটাই পরিবাহী, কারণ চার্জ পরিবহনের জন্য এখানে কিছু মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। ফসফরাসের মতো শেষ কক্ষপথে ৫ম ইলেকট্রনসহ পরমাণু যোগ করে সেমিকন্ডাক্টরকে মোটামুটি পরিবাহক তৈরি করে ফেলা এই সেমিকন্ডাক্টরকে বলে n-type সেমিকন্ডাক্টর।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৫,৫৪৮.
অর্ধপরিবাহী পদার্থের রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে কী হয়?
  1. শূন্য হয় 
  2. বৃদ্ধি পায় 
  3. হ্রাস পায় 
  4. অপরিবর্তিত থাকে 
ব্যাখ্যা

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
- পরিবাহী এবং অর্ধ পরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
অর্থাৎ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫৪৯.
হার্টের কোন প্রকোষ্ঠ ফুসফুস থেকে বিশুদ্ধ রক্ত গ্রহণ করে?
  1. বাম নিলয়
  2. বাম অলিন্দ
  3. ডান নিলয়
  4. ডান অলিন্দ
ব্যাখ্যা
মানব হৃদয় মোট ৪টি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত:
• ডান অলিন্দ (Right atrium): দেহ থেকে অশুদ্ধ রক্ত গ্রহণ করে।
• ডান নিলয় (Right ventricle): সেই অশুদ্ধ রক্ত ফুসফুসে পাঠায় বিশুদ্ধ করার জন্য।
• বাম অলিন্দ (Left atrium): ফুসফুস থেকে বিশুদ্ধ রক্ত গ্রহণ করে। এটি পালমোনারি ভেইন (pulmonary vein) এর মাধ্যমে রক্ত গ্রহণ করে।
• বাম নিলয় (Left ventricle): বাম অলিন্দ থেকে বিশুদ্ধ রক্ত পায় এবং দেহের অন্যান্য অংশে সরবরাহ করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৫৫০.
“The origin of species by means of natural selection” বইটির লেখক কে?
  1. ক) ডারউইন
  2. খ) ম্যালথাস
  3. গ) লিনিয়াস
  4. ঘ) ওয়ালেস
ব্যাখ্যা
১৯৫৯ সালে ডারউইনের The origin of species by means of natural selection বইটি প্রকাশিত হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৫১.
নিচের কোন যৌগটি ক্ষারধর্ম প্রদর্শন করে?
  1. ক) Ba(OH)2
  2. খ) Al(OH)3
  3. গ) C2H5OH
  4. ঘ) C6H5OH
ব্যাখ্যা
কোনো ধাতুর অক্সাইড বা হাইড্রক্সাইড যৌগ যা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি প্রস্তুত করে তাকে ক্ষারক বলে। 
যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় এবং হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH⁻) দেয় তাদের ক্ষার বলে। 
Ba(OH)2 এটি একই সাথে ক্ষারক ক্ষার দুটোই হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৫২.
কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিদ্যা হলো -
  1. ক) জিওলোজি
  2. খ) অ্যানথ্রপলোজি
  3. গ) এনটোমলজি
  4. ঘ) নিউরোলজি
ব্যাখ্যা
জিওলজি- ভূতত্ত্ব বিজ্ঞান।
এনথ্রপলজি - নৃ বিজ্ঞান।
এনটোমলজি - কীট পতঙ্গ বিদ্যা।
নিউরোলজি - স্নায়ু বিষয়ক বিদ্যা।
ইকোলজি - বাস্তুসংস্থান।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৫,৫৫৩.
কোন প্রাণীর দেহে পুঞ্জাক্ষি থাকে? 
  1. জোঁক
  2. কেঁচো
  3. মশা
  4. শামুক
ব্যাখ্যা
- 'মাছি'র দেহে প্রাণীর দেহে পুঞ্জাক্ষি থাকে। 

অমেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না, চোখ সরল প্রকৃতির বা একটি চোখের মধ্যে অনেকগুলো চোখ থাকে যা পুঞ্জাক্ষি এবং এদের লেজ নেই। 
- অমেরুদণ্ডী প্রাণী নানা ধরনের হয়। 
যেমন- 
• অনেক অমেরুদণ্ডী প্রাণী আকারে খুবই ছোটো, এদের খালিচোখে দেখা যায় না। 
যেমন- অ্যামিবা। 
• একদলভুক্ত অমেরুদণ্ডী প্রাণী, যাদের দেহ অনেকগুলো খণ্ডে বিভক্ত থাকে। 
যেমন- কেঁচো, জোঁক। 
• আরেক দলভুক্ত প্রাণী, এদের দেহ খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত নয় এবং দেহ সাধারণত শক্ত খোলসে আবৃত থাকে এবং মাংসল পা থাকে। 
যেমন- শামুক ও ঝিনুক। 
• পৃথিবীতে পতঙ্গ শ্রেণিভুক্ত প্রাণীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এদের দেহ তিনটি অংশে বিভক্ত যথা: মস্তক, বক্ষ ও উদর। এদের সন্ধিযুক্ত পা ও পুঞ্জাক্ষি থাকে। 
যেমন- প্রজাপতি, মশা, মাছি, তেলাপোকা, উইপোকা, মৌমাছি ইত্যাদি। 
• অনেক পতঙ্গ আছে যারা উপকার করে। এরা উপকারী পতঙ্গ। 
যেমন: মৌমাছি, রেশম পোকা ইত্যাদি। 
• নানা রকম রোগ ছড়ায় এমন শ্রেণিভুক্ত প্রাণী। 
যেমন- মশা ও মাছি। 
• অনেক পতঙ্গ আবার ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও ফসলের ক্ষতিসাধন করে। 
যেমন- উইপোকা, লেদাপোকা, পামরীপোকা ইত্যাদি। 
• এমন কতকগুলো সামুদ্রিক প্রাণী আছে, যাদের ত্বকে কাঁটার মতো অংশ থাকে। 
যেমন- তারামাছ ও সামুদ্রিক শশা। 
• আরেক দলভুক্ত অমেরুদণ্ডী প্রাণী। এদের দেহের ভিতর একটা ফাঁপা গহ্বর বা সিলেন্টেরন থাকে। এদের দেহে একটি মাত্র ছিদ্র থাকে। এই ছিদ্রপথে এরা খাদ্য গ্রহণ করে আবার বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়। 
যেমন- জেলী মাছ, প্রবালকীট। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৫,৫৫৪.
অণুচক্রিকা কোথায় উৎপন্ন হয়? 
  1. প্লাজমায়
  2. যকৃতে
  3. অস্থিমজ্জায়
  4. হৃদপিণ্ডে
ব্যাখ্যা
রক্তের উপাদান: 
- রক্ত এক প্রকার যোজক কলা। 
- এর অন্তঃকোষ মাধ্যমটি তরল, হলুদ বর্ণের জলীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত, এ তরল পদার্থকে প্লাজমা বা রক্তরস বলে। 
- এ প্লাজমার মধ্যে রক্তকণিকাগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে। 
- রক্তের দু'টি উপাদান- (১) রক্তরস এবং (২) রক্ত কণিকা। সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% রক্তকণিকা। 
- রক্ত কণিকা প্রধানত তিন ধরনের। 
যথা- লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা। 

অণুচক্রিকা: 
- ইংরেজিতে এদেরকে প্লাটিলেট (Platelet) বলে। 
- অণুচিক্রকা আকারে ছোট, বর্তুলাকার ও বর্ণহীন, এরা গুচ্ছাকারে থাকে। 
- অস্থিমজ্জার মধ্যে অণুচক্রিকা উৎপন্ন হয়। 
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- কোন রক্তবাহী নালির ক্ষতি হলে এরা অনতিবিলম্বে থ্রোম্বোপ্লাষ্টিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৫৫.
নিচের কোনটি ক্ষমতার মাত্রা?
  1. ML - 2T - 3
  2. ML1T - 2
  3. ML2T - 3
  4. ML - 2T 3
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট।
- ক্ষমতার আরেকটি একক হল অশ্বক্ষমতা (HP) ।
- কোনো যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা।
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T - 3
- এক অশ্বক্ষমতা (HP) = ৭৪৬ ওয়াট।

সুতরাং, ক্ষমতা, P = সম্পন্ন কাজ (W) /প্রয়োজনীয় সময় (T)।
⇒ P = (বল × সরণ)/সময়
⇒ P = বল (F) × বেগ (v)
∴ P = Fv

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৫৬.
ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কে?
  1. রবার্ট হুক
  2. স্ট্রাসবুর্গার
  3. ওয়াটসন ও ক্রিক
  4. ক্রেমার
ব্যাখ্যা
• ক্রোমোজোম (Chromosome):
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
- এটি নিউক্লিয়াসের নিউক্লিওপ্লাজমে বিস্তৃত এবং সূত্রাকার ক্রোমাটিন দিয়ে গঠিত।
- বিজ্ঞানী স্ট্রাসবুর্গার (Strasburger) (1875) প্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন।
- প্রজাতির বৈশিষ্ট্যভেদে কোষে এর ডিপ্লয়েড (দুই সেট ক্রোমোজোম, যার একসেট পিতা থেকে আসে এবং আর একসেট মাতা থেকে আসে) সংখ্যা 2 হতে 1600 পর্যন্ত হতে পারে।
- একটি ক্রোমোজোম দৈর্ঘ্যে সাধারণত 3.5 থেকে 30.0 মাইক্রন এবং প্রস্থে 0.2 থেকে 2.0 মাইক্রন হয়ে থাকে। (1 মাইক্রন = 1/1000 মিমি)।
- ক্রোমোজোমের কাজ হলো মাতাপিতা থেকে জিন (যা জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে সন্তান সন্ততিতে বহন করে নিয়ে যাওয়া।
- মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ক্রোমোজোম কর্তৃক বাহিত হয়ে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে।
- এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌতভিত্তি (Physical basis of heredity) বলে আখ্যায়িত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৫৭.
জিপিএস দ্বারা কোনটি জানা যায়?
  1. অক্ষাংশ
  2. দ্রাঘিমাংশ
  3. উচ্চতা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
মানচিত্রে জিপিএস ও জিআইএস (GPS and GIS in Maps): 
- বর্তমানে মানচিত্র তৈরি, পঠন এবং ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে আধুনিক ব্যবহার হচ্ছে জিপিএস এবং জিআইএস।
- জিপিএস-এর ইংরেজি হলো Global Positioning System (GPS)।
- কোনো একটি স্থানের ভৌগোলিক অবস্থান জানতে চাইলে সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে জিপিএস-এর মাধ্যমে জানা।
- জিপিএস দ্বারা কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, উচ্চতা ও দূরত্ব জানা যায়।
- এছাড়া ঐ স্থানের উত্তর দিক, তারিখ ও সময় জানা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৫৫৮.
ডায়োড কোন ধরনের উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়? 
  1. দুটি ইনসুলেটর
  2. দুটি ধাতু
  3. শুধুমাত্র n টাইপ অর্ধপরিবাহী
  4. একটি p টাইপ ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী
ব্যাখ্যা
ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode. 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৫৯.
নদী প্রবাহের প্রাথমিক পর্যায় কোনটি?
  1. ক) নিম্নগতি
  2. খ) উর্ধ্বগতি
  3. গ) মধ্যগতি
  4. ঘ) চক্রগতি
ব্যাখ্যা
- পর্বতের উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর প্রবাহকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
- উর্ধ্বগতি হলো প্রাথমিক অবস্থা যেখানে ক্ষয় সাধন হলো প্রধান কাজ এবং এতে নদীর স্রোতের গতিবেগ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- মধ্যগতি শুরু হয় যখন নদী সমভূমি দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ সময় সঞ্চয় সাধন প্রধান কাজ। স্রোতের বেগ পূর্বের তুলনায় অনেক কমে যায়।
- সর্বশেষ হলো নিম্নগতি যেখানে স্রোতের বেগ একেবারেই কমে যায়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৫৬০.
প্রাকৃতিক উদ্ভিজ তন্তুর মধ্যে সর্বাধিক ব্যবহৃত তন্তু নিম্নের কোনটি?
  1. ক) কার্পাস তুলা
  2. খ) রেশম 
  3. গ) পশম
  4. ঘ) রেয়ন
ব্যাখ্যা
তুলা
- আমাদের সকলেরই সুতি কাপড় পরার অভিজ্ঞতা আছে। তুলা দিয়ে তৈরি সুতার তাপ পরিবহন এবং পরিচালন ক্ষমতা বেশি থাকার কারণে গরমকালে সুতির পোষাক পরে আমরা বেশ স্বস্তি বোধ করি।
- প্রাকৃতিক উদ্ভিজ তন্তুর মধ্যে কার্পাস তুলা সর্বাধিক ব্যবহৃত তন্তু। এই তুলার আঁশ থেকে সুতা তৈরি হয়। 
- অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে সুতার তন্তুটিকে নলের মতো দেখায় এবং এই নলের ভিতরের ফাঁপা অংশটিকে লুমেন (Lumen) বলে। 
- তুলার তন্তুগুলোকে রোদে শুকালে নলাকৃতি তন্তুটি চ্যাপ্টা হয়ে মোচড়ানো ফিতার মতো আকার ধারণ করে। ফিতার মতো প্রতিটি সুতার আঁশে ১০০ থেকে ২৫০ টি পর্যন্ত পাক বা মোচড় থাকে। 
- সুতি কাপড় আপাতদৃষ্টিতে তেমন উজ্জ্বল না হলেও সুতি বস্ত্র বেশ টেকসই হয়। কারণ সুতা বস্ত্র তৈরির সময় তন্তুর মোচড়ানো পাকগুলো একে অন্যের সাথে সুন্দরভাবে মিশে যায়।
- ময়েশ্চারাইজেশন (moisturization) এর মাধ্যমে সুতি কাপড়কে উজ্জ্বল ও চকচকেও করা যায়। 
- সুতি বস্ত্র যথেষ্ট আরামদায়ক, পঁচনশীল এবং পরিবেশ বান্ধব। তাই সুতি বস্ত্রের চাহিদা সারা পৃথিবীতে ক্রমেই বেড়ে চলছে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৫৬১.
আপেক্ষিকতার নীতি অনুযায়ী কোনটি পরম (Absolute) নয়?
  1. স্থান
  2. ভর
  3. সময়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• স্থান, ভর, সময়—সবই আপেক্ষিক।

• আপেক্ষিকতার নীতি (Principle of Relativity):

- আমরা যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করি, তখন তা অবশ্যই কোনো একটি প্রসঙ্গ কাঠামো (Frame of Reference)-এর সাপেক্ষে করা হয়।
- এই প্রসঙ্গ কাঠামোর তুলনায় বস্তুর রৈখিক দূরত্বকে অবস্থান এবং রৈখিক দূরত্বের পরিবর্তনের হারকে বেগ বলা হয়।

- প্রকৃতপক্ষে মহাবিশ্বে কোনো কিছুই সম্পূর্ণ স্থির নয়।
- অতএব, পরম অবস্থান বা পরম বেগ বলে কিছু নেই।
- আমরা যা পরিমাপ করি, তা সবসময়ই আপেক্ষিক—অর্থাৎ অন্য কিছুর সাপেক্ষে নির্ধারিত।

 
• চিরাচরিত বলবিদ্যার সীমাবদ্ধতা:

- চিরাচরিত বলবিদ্যায় ধারণা ছিল যে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি।
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান।

- তার মতে—

- স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব নয়,
- এগুলো পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল।
- বিশেষ করে, যখন কোনো বস্তুর গতি আলোর গতির কাছাকাছি হয়, তখন স্থান ও সময়ের পরিমাপে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,৫৬২.
শতকরা সংযুক্তির দিক থেকে বায়ুতে কোনটির পরিমান সবচেয়ে কম?
  1. ক) ধূলিকণা
  2. খ) আর্গন
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) জলীয় বাষ্প
ব্যাখ্যা
- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি হলো- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- বায়ুমণ্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকিগুলো শতকরা ১.২৭ ভাগ।

বায়ুর উপাদানের শতকরা হার:
• নাইট্রোজেন- ৭৮.০২%
• অক্সিজেন- ২০.৭১%
• আর্গন- ০.৮০%
• কার্বন ডাই অক্সাইড- ০.০৩%
• জলীয় বাষ্প- ০.৪১%
• অন্যান্য গ্যাসসমূহ- ০.০২%
• ধূলিকণা ও কণিকা- ০.০১%

অর্থাৎ, শতকরা সংযুক্তির দিক থেকে বায়ুতে ধূলিকণার পরিমান সবচেয়ে কম।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৬৩.
একটি আদর্শ ফুলের কয়টি স্তবক থাকে?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা

• ফুল:
- প্রজননের রূপান্তরিত বিশেষ ধরনের বিটপ হলো ফুল।
- ফুল উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ।
- একটি আদর্শ ফুলের ৫ টি স্তবক থাকে। যথা:

১। পুষ্পাক্ষ:

- ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপর সাজানো থাকে তাকে পুষ্পাক্ষ বলে।
- সাধারণত গোলাকার এবং ফুলের বৃন্তশীর্ষে অবস্থান করে।
- পুষ্পাক্ষের উপর বাকি চারটি স্তবক পরপর সাজানো থাকে।

২। বৃতি:

-  ফুলের বাইরের স্তবককে বৃতি বলে।
- এর প্রতিটি খন্ডকে বৃত্যাংশ বলে।
- প্রধান কাজ ফুলের ভেতরের অংশগুলোকে রোদ, বৃষ্টি, এবং পোকার আক্রমন থেকে রক্ষা করা।
- সবুজ বৃতি খাদ্য প্রস্তুত কাজে অংশ নেয়।
- বৃতি যখন রঙ বেরঙের হয় তখন তারা পরাগায়নের মাধ্যম হিসেবে কীটপতঙ্গ, পশু-পাখি ইত্যাদিকে আকর্ষণ করে।

৩। দলমন্ডল:

- বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল।
- এর প্রতিটি খন্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়।
- সাধারণত রঙ্গিন হয়।
- উজ্জ্বল ঝলমলে রঙের দলমন্ডল পোকামাকড় ও পশু-পাখি আকর্ষণ করে এবং পরাগায়নে সহায়তা করে।
- অনেক সময় ফুলের পাপড়ি কোন কোন পোকামাকড়কে বসে মধু খেতে সাহায্য করে।

৪। পুংস্তবক:

- দলমন্ডলের ভেতরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন পরাগরেণু উৎপাদনকারী স্তবককে পুংস্তবক বলা হয়।
- স্তবকের প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলা হয়।
- একটি পুংস্তবকে এক বা একাধিক পুংকেশর থাকতে পারে।

৫। স্ত্রীস্তবক:

- পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়।
- এর প্রতিটি অংশকে গর্ভপত্র বলা হয়।
- একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ । যথা: গর্ভাশয়, গর্ভদন্ড ও গর্ভমুন্ড।

উৎস: ১) জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।
২) জীব বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫৬৪.
1 atm = ?
  1. 76 mm(Hg)
  2. 760 mm(Hg)
  3. 76 cm(Hg)
  4. 760 cm(Hg)
  5. 760 m(Hg)
ব্যাখ্যা
গ্যাসের চাপ (Pressure of Gas) :
- গ্যাস অণুগুলো মুক্তভাবে পাত্রের মধ্যে ছোটাছুটি করে।
- গ্যাস অণুগুলো কর্তৃক পাত্রের দেয়ালের প্রতি একক ক্ষেত্রফলের উপর আরোপিত বলকে গ্যাসের চাপ বলা হয়।
- চাপ = প্রযুক্ত বল পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল
- গ্যাসের চাপের SI একক প্যাসকেল (Pa)।
- একে বায়ু চাপ (atm) বা মিলিমিটার পারদ mm (Hg) এককেও প্রকাশ করা হয়।
- 1 atm = 760 mm(Hg) = 101.325 kPa = 101.325 x 103 Pa = 101.325 x 103 Nm-2.
- প্রতি বর্গমিটার ক্ষেত্রফলের উপর আরোপিত ১ নিউটন বলকে প্যাসকেল বলা হয়।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৫৬৫.
কোমল পানীয় তৈরি করা হয়-
  1. ক) জৈব বা ফ্যাটি এসিড থাকে
  2. খ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট থেকে
  3. গ) দ্রবীভূত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস থেকে
  4. ঘ) কার্বনিক এসিড থাকে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ঠাণ্ডা অবস্থায় ও উচ্চ চাপে পানিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস দ্রবীভূত করে কোমল পানীয় তৈরি করা হয়।
কোমল পানীয়তে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানি বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে।

৫,৫৬৬.
জীবের শ্রেণিবিন্যাসে আন্তর্জাতিক কোড চিহ্নিত কয়টি ধাপ আছে?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ২টি
ব্যাখ্যা

একটি জীবকে প্রজাতি পর্যায়ে বিন্যাসে মূলত আন্তর্জাতিক কোড চিহ্নিত সাতটি ধাপ আছে।
যেমন- রাজ্য, পর্ব, শ্রেণি, বর্গ, গোত্র, গণ, প্রজাতি।

সূত্রঃ মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই নবম-দশম শ্রেণি

৫,৫৬৭.
একটি আদর্শ সপুষ্পক উদ্ভিদের কোথায় খাদ্য তৈরি হয়?
  1. মূলে
  2. ফুলে
  3. পাতায়
  4. কাণ্ডে
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ সপুষ্পক উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ: 
- একটি আদর্শ সপুষ্পক উদ্ভিদকে মূল, কাণ্ড, পাতা, ফুল, ফল প্রভৃতি অংশে বিভক্ত করা যায়। 
১। মূল: 
- উদ্ভিদের পর্ব, পর্বমধ্য ও অগ্রমুকুলবিহীন অংশই মূল। 
- সাধারণত মনে করা হয় উদ্ভিদের মাটির নিচের অংশই মূল। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ বক্তব্যটি সত্য তবে বিশেষ ক্ষেত্রে কাণ্ড, পত্র, ফুল, ফল মাটির নিচের জন্যে, যেমন-আদা, হলুদ, পিয়াজ ইত্যাদি। 
বিটপ: 
- উদ্ভিদের যে অংশগুলো মাটির উপরে থাকে তাদের একত্রে বিটপ বলে। 
- বিটপে কাণ্ড, পাতা, ফুল ও ফল থাকে। 
- কাণ্ডে পর্ব, পর্বমধ্য ও শীর্ষ মুকুল থাকে। 
- ফুলগুলো পাতার কক্ষে উৎপন্ন হয়। 
- ফুলে বৃতি, দল, পুংকেশর ও গর্ভাশয় থাকে। 

২। কাণ্ড: 
- প্রধান মূলের সাথে লাগানো মাটির উপরে উদ্ভিদের অংশটি কাণ্ড। কাণ্ডের গায়ে পর্ব ও পর্ব মধ্য থাকে। পর্ব থেকে পাতা উৎপন্ন হয়। কাণ্ড পাতা ও শাখা প্রশাখার ভার বহন করে। 

৩। পাতা:
- শাখা প্রশাখার গায়ে সৃষ্ট চ্যাপ্টা সবুজ অঙ্গটিই পাতা বা পত্র। পাতায় খাদ্য তৈরি হয়। 

৪। ফুল: 
- পত্র কক্ষে সাদা রঙের ছোট ছোট ফুল হয়। এই ফুল থেকে ফল হয়। 

৫। ফল: 
- ফুল বুড়ো হয়ে ঝরে যায়। ঝরা ফুলের গোড়ায় ফুলের যে অংশটি থেকে যায় তা বড় হয়ে ফল সৃষ্টি করে। গর্ভাশয়ই বড় হয়ে ফলে পরিণত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৫,৫৬৮.
কোন অঞ্চলে কোনো বস্তুর ওজন সর্বাধিক হয়? 
  1. বিষুবীয় অঞ্চল 
  2. মেরু অঞ্চল 
  3. মরুভূমি অঞ্চল 
  4. উপকূলীয় অঞ্চল 
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ ও বস্তুর ওজন: 
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল। সুতরাং যে সকল কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন ঘটে সে সকল কারণে বস্তুর ওজনও পরিবর্তিত হয়। 
- বস্তুর ওজন বস্তুর মৌলিক ধর্ম নয়, স্থানভেদে বস্তুর ওজনের পরিবর্তন হয়। 
- পৃথিবীর আকৃতি ও আহ্নিক গতির জন্য বিভিন্ন স্থানে বস্তুর ওজন বিভিন্ন হয়।
- পৃথিবী সুষম গোলক না হওয়ায় পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের সকল স্থান সমদূরে নয়। 
- যেহেতু g এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে, তাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g এর মানের পরিবর্তন হয়। 
- বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় g এর মান সবচেয়ে কম (৯.৭৮ মিটার/সেকেন্ড)। সুতরাং বিষুবীয় অঞ্চলে কোনো বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। 
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে যত যাওয়া যায়, কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব তত কমতে থাকে এবং g এর মান বাড়তে থাকে (৯.৮৩ মিটার/সেকেন্ড), এর ফলে বস্তুর ওজনও বাড়তে থাকে। 
- মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে কম হওয়ায় g এর মান মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি, ফলে ওজনও সবচেয়ে বেশি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৫,৫৬৯.
রাডারে কোন তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়?
  1. এক্স-রে
  2. অবলোহিত রশ্মি
  3. রেডিও তরঙ্গ
  4. মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোওয়েভ:
- মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করে দ্রুত খাবার গরম বা রান্না করা যায়।
- রাডার সিস্টেমে মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে বস্তুর দূরত্ব, গতি এবং অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। 
- মাইক্রোওয়েভ ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং অন্যান্য ওয়্যারলেস প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
• এক্স-রে: 
- বিভিন্ন প্রকার রোগের কারণ অনুসন্ধানে, ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের জন্য এই রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
- তবে এই রশ্মি কোনো জীবিত কোষে আপতিত হলে সেই কোষ ধ্বংস করে।
- কেলাসিত পদার্থের গঠন অনুসন্ধানে এই রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

• রেডিও তরঙ্গঃ
- মোবাইল ফোন, বিমান চালনা, রেডিও এবং টিভি সংক্রান্ত যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।

• অবলোহিত রশ্মিঃ
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে, কম্পন সংক্রান্ত বর্ণালী বিদ্যায় এবং অবলোহিত ফটোগ্রাফিতে এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত)।
৫,৫৭০.
ফেরেলের সূত্রানুসারে বায়ু প্রবাহ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করার পর উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে বেঁকে যায়?
  1. ক) পূর্বদিকে
  2. খ) পশ্চিমদিকে
  3. গ) বামদিকে
  4. ঘ) ডানদিকে
ব্যাখ্যা
পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তনশীল হওয়ায় এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। এর ফলে ঘূর্ণায়মান ভূপৃষ্ঠে বায়ু প্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতসহ যেকোন গতিশীল পদার্থ সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়।

মার্কিন আবহাওয়াবিদ উইলিয়াম ফেরেল ১৮৫৯ সালে এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা)
৫,৫৭১.
এক মাসে মোট কতবার ভরা কটাল ও মরা কটাল হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা

অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। ফলে এ দুই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে।
সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করার ফলে চন্দ্রের আকর্ষণে এ সময়ে চাঁদের দিকে জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণের জন্য এ জোয়ারের বেগ তত প্রবল হয় না। এ রূপ জোয়ারকে মরা কটাল বলে। এক মাসে দু’বার ভরা কটাল এবং দু’বার মরা কটাল হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।

৫,৫৭২.
ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে যে সময় লাগে তাকে কি বলে?
  1. ক) পলিসার
  2. খ) কসমিক ইয়ার
  3. গ) আলোক বর্ষ
  4. ঘ) সৌর বছর
ব্যাখ্যা
ছায়াপথ:

- সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, আর সূর্য মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
- এই মধ্যবিন্দুর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর সময় লাগে।
- এই সময়টাকেই কসমিক ইয়ার বা গ্যালাকটিক ইয়ার বলে।
- ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকালকে কসমিক ইয়ার বলে।

তথ্যসুত্র - Britannica.com
৫,৫৭৩.
ভেসেল কোন উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুর প্রধান উপাদান? 
  1. জিমনোস্পার্ম 
  2. ব্রায়োফাইট 
  3. টেরিডোফাইট 
  4. অ্যানজিওস্পার্ম 
ব্যাখ্যা

ট্রাকিয়া বা ভেসেল: 
- ট্রাকিয়া বা ভেসেল অ্যানজিওস্পার্ম উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুর প্রধান উপাদান। 
- এর কোষগুলো সাধারণত মোটা ও খাটো। 
- এরা একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে এবং এদের প্রস্থ প্রাচীর বিলুপ্তির ফলে লম্বা ফাঁপা নলের ন্যায় গঠন তৈরি করে। 
- ভেসেল কোষের পরিপূর্ণতার সময় প্রোটোপ্লাজম বিনষ্ট হয়। তাই পরিণত অবস্থায় এরা মৃত কোষ। 
- এদের কোষ প্রাচীর লিগনিনযুক্ত এবং ট্রাকিডের ন্যায়। 
- এরাও বলয়াকার, সর্পিলাকার, জালিকাকার, মই আকার ও কৃপাকার হতে পারে। 
- নলাকার ট্রাকিয়ার গহ্বরের আকারের ভিত্তিতে ট্রাকিয়া দু'রকম। 
যথা- প্রোটোজাইলেম ও মেটাজাইলেম। 
- সরু ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা প্রথমে সৃষ্টি হয়) প্রোটোজাইলেম এবং মোটা ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা পরে সৃষ্টি হয়) মেটাজাইলেম বলা হয়। 
- প্রধানত অ্যানজিওস্পার্মে ট্রাকিয়া থাকে। 
- এরা মূল থেকে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণ পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে পরিবহন করে এবং উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫৭৪.
বিশ্বব্যাপী জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার প্রধান কারণ কোনটি?
  1. অর্থনৈতিক সুবিধা
  2. রপ্তানি সমস্যা
  3. পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন
  4. উৎপাদন সমস্যা
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাপী জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার প্রধান কারণ হলো পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা। 

• জীবাশ্ম জ্বালানি:

- জীবাশ্ম জ্বালানি হল কার্বন-ভিত্তিক দাহ্য উপাদান যা পৃথিবীর ভূত্বকের মধ্যে প্রাগৈতিহাসিক জীবের (উদ্ভিদ বা প্রাণী) অবশিষ্টাংশ থেকে গঠিত হয়।

• জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4) ও নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)-এর মতো গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়।
- এই গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলে জমে গিয়ে গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টি করে, ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বেড়ে যায় — এটিকেই বলা হয় গ্লোবাল ওয়ার্মিং।

• এর ফলাফল:
- হিমবাহ গলা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। 
- খরা, বন্যা, ঝড়–ঝঞ্ঝার বৃদ্ধি। 
- কৃষিতে বিপর্যয়। 
- জীববৈচিত্র্যের হুমকি। 

• এর ফলে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তি (যেমন সৌর, বায়ু, জলশক্তি) ব্যবহার বাড়ানোর প্রতি জোর দেওয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র:
- সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- IPCC Reports (Intergovernmental Panel on Climate Change).
- ব্রিটানিকা।
৫,৫৭৫.
যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস কোথায় জমা থাকে?
  1. পাকস্থলীতে
  2. ক্ষুদ্রান্ত্রে
  3. বৃহদান্ত্রে
  4. পিত্তথলিতে
ব্যাখ্যা

- যকৃৎ বা লিভার থেকে পিত্তরস উৎপন্ন এবং নিঃসৃত হয়। নিঃসৃত হওয়ার পর এই পিত্তরস পিত্তনালীর মাধ্যমে গিয়ে পিত্তথলিতে (Gallbladder) জমা থাকে এবং সেখানে ঘনীভূত হয়। পরবর্তীতে যখন চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া হয়, তখন পিত্তথলি থেকে এই রস ক্ষুদ্রান্ত্রে এসে মেশে এবং চর্বি হজমে সহায়তা করে। অন্যদিকে, ক্ষুদ্রান্ত্র হলো যেখানে পিত্তরস কাজ করে, কিন্তু এটি এখানে জমা থাকে না। 

যকৃত: 
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি। মধ্যচ্ছদার নিচে পাকস্থলীর ডানপাশে গাঢ় বাদামী বর্ণের ত্রিকোণাকার অঙ্গ। 
- যকৃতের সাথে কলস আকৃতির পিত্তথলি সংযুক্ত থাকে। 
- যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে। পিত্তরস ক্ষারীয় গুণসম্পন্ন গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট। 
- পিত্তনালির মাধ্যমে পিত্তরস যকৃত থেকে ডিওডেনামে আসে। 
- যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়।

- যকৃত পিত্তরস তৈরি করে। ক্ষারীয় পিত্তরস পিত্তথলিতে জামা রাখে। 
- পিত্তরসে কোন এনজাইম থাকে না, তাই যকৃত উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজ দেহে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চিত রাখে। রক্তে গ্লুকোজের ঘাটতি হলে গ্লুকোজ সরবরাহ করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। পিত্তরস চর্বি জাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে পরিপাকে সহায়তা করে। 
- অতিরিক্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড যকৃতে আসার পর রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড ও নাইট্রোজনজনিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি করে এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থ শোষণে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫৭৬.
কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি?
  1. বাতাস
  2. তরল
  3. প্লাজমা
  4. কঠিন
ব্যাখ্যা
বাতাসের চেয়ে তরল পদার্থে শব্দের বেগ বেশি।
কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ বাতাসের চেয়ে বেশি।

হাইড্রোজেনে  শব্দের বেগ ১২৮৪ মি/সে,
পারদে শব্দের বেগ  ১৪৫০ মি/সে,
বাতাসে শব্দের বেগ ৩৩০ মি/সে,
পানিতে ১৪৯৩ মি/সে,
লোহাতে ৫১৩০ মি/সে এবং
হীরায় শব্দের বেগ ১২,০০০ মি/সে।

[উৎস: নবম দশম শ্রেণীর পদার্থজ্ঞান বই,]
৫,৫৭৭.
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কোন উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়? 
  1. দস্তা 
  2. ফসফরাস 
  3. বোরন 
  4. কপার 
ব্যাখ্যা

অত্যাবশ্যকীয় উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬ টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬ টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন: 
ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- ম্যাক্রো উপাদান ৯ টি। 
যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S)। 

মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৭ টি। 
যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu), লৌহ বা আয়রন (Fe) এবং ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৫৭৮.
আলোর তরঙ্গতত্ত্ব কে উদ্ভাবন করেন?
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. আইনস্টাইন
  4. হাইগেন
ব্যাখ্যা
• আলোকের প্রকৃতি সম্মন্ধে কয়েকটি জনপ্রিয় তত্ত্ব: 
• হাইগেনের তরঙ্গ তত্ত্ব:
- আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন হাইগেন।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তুসমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

• নিউটনের কণিকা তত্ত্ব:
- এই তত্ত্বে সাহায্যে ঋজুগতি প্রতিফলন, প্রতিসরণ ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু ব্যতিচার, সমবর্তন, অপবর্তন, বিচ্ছুরণ ব্যাখ্যা করা যায় না।

• ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্ব :
- এই তত্ত্বের সাহায্যে আলোর সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায় না।

• আইনস্টাইনের কোয়ান্টাম তত্ত্ব:
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়; কিন্তু ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৫,৫৭৯.
আইনস্টাইন কোন সূত্র দিয়ে ভর ও শক্তিকে এক জায়গায় নিয়ে আসেন?
  1. ক) E = mc2
  2. খ) E = 1/2 mc2
  3. গ) E = 1/2 mv2
  4. ঘ) E = mv2
ব্যাখ্যা

পদার্থ ও শক্তির অভিন্নতা বিষয়ক সূত্র E=mc2 যেখানে আইনস্টাইন ভর ও শক্তিকে এক জায়গায় নিয়ে আসেন।
E=mc2 হলো থিউরি অফ রিলেটিভিটি থেকে আগত একটি সূত্র।

৫,৫৮০.
রোগ সৃষ্টির জন্য যে সকল অণুজীব দায়ী তাদেরকে বলা হয়-
  1. ক) ইনফেকশন
  2. খ) প্যাথজেনিক
  3. গ) জীবাণু
  4. ঘ) টক্সিন
ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞানে ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে আদি এবং ব্যাপকতর অর্থে রােগ সংক্রামক জীবাণু হচ্ছে এমন যেকোন কিছু যা রােগ উৎপন্ন করতে পারে। এর পশ্চিমা পরিভাষা প্যাথােজেন।
Oxford Dictionary অনুসারে,
Pathogenic = (of a bacterium, virus, or other microorganism) causing disease.
১৮৮০ সালে সাধারণত রােগ সংক্রমণ সংঘটক (এজেন্ট) যেমন : ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, প্রিয়ন, এমনকি অন্য কিছু অণুজীবকে বােঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এক কথায়,
- যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের বলা হয় প্যাথজেনিক।

- ইনফেকশন হলো সংক্রমণ।
- টক্সিন হলো বিষাক্ত পদার্থ।
- জীবাণু হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনুজীব যারা রোগ সৃষ্টি করতেও পারে, নাও পারে।

৫,৫৮১.
উত্তর গোলার্ধে কোন দিনটিকে ‘মহাবিষুব’ বলা হয়?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২২ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২৩ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

উত্তর গোলার্ধে ২১ মার্চ দিনটিকে ‘মহাবিষুব’ বলা হয়।

মহাবিষুব:

- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য ঠিক পূর্বদিকে ওঠে এবং ঠিক পশ্চিমদিকে অস্ত যায়। বছরে মাত্র এই দুটি দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১ শে মার্চ দিনটিকে উত্তর গোলার্ধে মহাবিষুব বলে।
- ২৩ শে সেপ্টেম্বর দিনটিকে বলে জলবিষুব।

উল্লেখ্য,
উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৫৮২.
শ্বসন প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে নির্গত হয় -
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. ATP
  4. শর্করা
ব্যাখ্যা
শ্বসন:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জটিল খাদ্যদ্রব্য (শর্করা, প্রোটিন, লিপিড ইত্যাদি) এনজাইমের উপস্থিতিতে অক্সিজেনের সাহায্যে জারণের মাধ্যমে ভেঙ্গে সরল উপাদানে পরিণত হয়; 
- এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি নির্গত হয় তাকে শ্বসন বলা হয়
- শ্বসন প্রক্রিয়ায় যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা জীবের শক্তি ব্যয়কারী জৈবনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া ও সাইটোপ্লাজমে শ্বসন ক্রিয়া সংঘটিত হয়।
- তবে কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াই শ্বসন ক্রিয়ার প্রধান অঙ্গ।
- শ্বসন প্রক্রিয়ার জন্য অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়;
- যথা: সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসন। 

সালোকসংশ্লেষণ: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- এ প্রক্রিয়াটি সজীব উদ্ভিদ কোষস্থ ক্লোরোফিল সূর্যের আলোকশক্তিকে ATP এবং NADPH+H' নামক রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এবং ঐ রাসায়নিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে CO2 বিজারণের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে
- ও উপজাত হিসেবে O2 নির্গত করে।  

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৮৩.
পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থের উদাহরণ কোনটি? 
  1. পানি
  2. ক্লোরিন
  3. অক্সিজেন
  4. হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
ডাইইইেলেকট্রিক পদার্থ: 
- তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে যাদের মধ্য দিয়ে আধান মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে তাদেরকে বলা হয় পরিবাহী পদার্থ। 
- আবার যাদের মধ্য দিয়ে আধান চলাচল করতে পারে না তাদের বলা হয় অপরিবাহী বা অন্তরক বা ডাইইলেকট্রিক বা পরাবৈদ্যুতিক মাধ্যম। 
যেমন- রাবার, অ্যাম্বার, কাঁচ ইত্যাদি। 
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না, সে কারণে অপরিবাহী তড়িৎ পরিবহন করতে পারে না। 
- পদার্থের অণুসমূহ পরমাণু দ্বারা তৈরি, পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াসে থাকে ধনাত্মক আধান আর নিউক্লিয়াসকে ঘিরে থাকে ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রন। 
- কোনো অপরিবাহীকে তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে পরমাণুগুলোর ধনাত্মক আধান তড়িৎ ক্ষেত্রের দিকে এবং ঋণাত্মক আধান তড়িৎ ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য সরে যায়। ফলে প্রতিটি অণু এক একটি তড়িৎ দ্বিমেরুতে পরিণত হয়। এভাবে সৃষ্ট দ্বিমেরু আবেশ প্রক্রিয়াকে পোলারায়ন (Polarization) বলে। 
- সকল ডাইইলেকট্রিক অপরিবাহী, কিন্তু সকল অপরিবাহী ডাইইলেকট্রিক নয়। 
- যে সকল অপরিবাহী পদার্থকে তড়িৎ ক্ষেত্রে স্থাপন করলে পোলারায়ন ঘটে তাদেরকে ডাইইলেকট্রিক বলে। 
যেমন- কাঁচ, অভ্র, প্লাস্টিক, রবার, সিরামিক ইত্যাদি। 
- অপরিবাহী তড়িৎ অপরিবাহী তাই তড়িৎ প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি করতে অপরিবাহী ব্যবহার করা হয়। 
- আর ডাইইলেকট্রিক হচ্ছে উচ্চ পোলারায়িত অপরিবাহী তাই শক্তি সঞ্চয়ের জন্য ডাইইলেকট্রিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। 
- ডাইইলেকট্রিক পদার্থ দুই ধরনের হয়। 

১। পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ: 
- যদি ডাইইলেকট্রিক পদার্থের কোনো অণুর ঋণাত্মক আধানের কেন্দ্র ধনাত্মক আধানের কেন্দ্রের সাথে সমাপতিত না হয় তাহলে সেই ডাইইলেকট্রিক পদার্থকে পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ বলে। 
যেমন- পানি, হাইড্রোক্লোরিক এসিড ইত্যাদি পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ।

২। অ-পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ: 
- ডাইইলেকট্রিক পদার্থের কোনো অণুর ঋণাত্মক আধানের কেন্দ্র যদি ধনাত্মক আধানের কেন্দ্রের সাথে সমাপতিত হয় তাহলে সেই ডাইইইেলেকট্রিক পদার্থকে অ-পোলার ডাইইইেলেকট্রিক পদার্থ বলে।
যেমন- হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি অ-পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ। 
- অ-পোলার ডাইইইেলেকট্রিক পদার্থের দ্বিমেরু ভ্রামক শূন্য হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৫,৫৮৪.
আলোক তড়িৎ ক্রিয়ায় নির্গত ইলেকট্রনকে কী বলা হয়? 
  1. নিউট্রন
  2. প্রোটন
  3. ফটোইলেকট্রন
  4. হাইড্রনিয়াম আয়ন
ব্যাখ্যা
আলো তড়িৎ ক্রিয়া (Photo Electric Effect): 
- কোনো ধাতব পৃষ্ঠে উপযুক্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেললে তার থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়, এই ঘটনাকে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বলে। 
- আলো তড়িৎ ক্রিয়ায় নিঃসৃত ইলেকট্রনগুলোকে ফটোইলেকট্রন (Photoelectron) বলে। 
- উপযুক্ত ব্যবস্থার সাহায্যে ফটোইলেকট্রনগুলোর একমুখী স্রোত তৈরি করা যায়, এর ফলে যে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে আলোতড়িৎ প্রবাহ (Photoelectric current) বলে। 
- আলোক তড়িৎ প্রবাহ নিম্নলিখিত বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
যেমন- 
(ক) আপতিত বিকিরণের প্রাবল্য, 
(খ) আপতিত বিকিরণের কম্পাংক, 
(গ) দুই তড়িৎ দ্বারের বিভব পার্থক্য এবং 
(ঘ) ফটোইলেকট্রন নির্গতকারী পাতের প্রকৃতি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৮৫.
কোন গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই?
  1. Earth
  2. Mercury
  3. Jupiter
  4. Mars
ব্যাখ্যা
• Mercury - বুধ হলো সৌরজগতের এমন একটি গ্রহ যার কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা চাঁদ নেই। এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ এবং আকারেও সবচেয়ে ছোট। সূর্যের অত্যন্ত নিকটে অবস্থিত হওয়ায়, সূর্যের মহাকর্ষ বলের কারণে কোনো উপগ্রহ তার চারপাশে স্থায়ীভাবে অবস্থান করতে পারে না। এ ছাড়া, নিজস্ব মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও তুলনামূলকভাবে দুর্বল হওয়ায় কোনো চাঁদ আকর্ষণ করে রাখতে পারে না। ফলে মার্কিউরি একা ভ্রমণ করে তার কক্ষপথে। অপরদিকে, পৃথিবীর একটি, মঙ্গলের দুটি এবং বৃহস্পতির অসংখ্য উপগ্রহ রয়েছে। সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) Mercury.

বুধ গ্রহ:

- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি।
- সূর্যের নিকটতম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ।
- সূর্য থেকে বুধ গ্রহের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার।
- বুধ গ্রহের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
- বুধ গ্রহে মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস বা পানি কোনো কিছু নেই।
- বুধ ও শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)।
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের।
- বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮০টি।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৮৬.
শুক্রাণু এক ধরনের -
  1. ক) দেহকোষ
  2. খ) স্নায়ুকোষ
  3. গ) ত্বককোষ
  4. ঘ) জননকোষ
ব্যাখ্যা
-  শুক্রাণু ও ডিম্বাণু হচ্ছে জননকোষ।
- পুং জনন কোষকে শুক্রাণু ও স্ত্রী জনন কোষকে ডিম্বাণু বলা হয়।
- একটি পরিণত শুক্রাণুর তিনটি অংশ থাকে। যথা:  ১। মস্তক, ২। মধ্যখন্ড, ৩। লেজ ।
- স্ত্রী প্রজননতন্ত্র পাঁচটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:  ১। ডিম্বাশয় ২। ফেলোপিয়ান নালী ৩। জরায়ু ৪। যোনি ৫। বহিঃযৌনাঙ্গ।
- লোহিত রক্তকণিকা, ত্বককোষ, স্নায়ুকোষ ইত্যাদি দেহকোষ।


সূত্র: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৮৭.
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে সমুদ্রবন্দরের জন্য কয়টি সংকেত প্রচার করা হয়?
  1. ক) ৪
  2. খ) ১০
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ১১
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় নদীবন্দরের জন্য ১ থেকে ৪ নম্বর এবং সমুদ্রবন্দরের জন্য ১ থেকে ১১ নম্বর পর্যন্ত হুঁশিয়ারি সংকেত প্রচার করা হয়। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৮৮.
ন্যানোসেকেন্ড বলতে বোঝায় - 
  1. ১০-৯ সেকেন্ড
  2. ১০-৬ সেকেন্ড
  3. ১০-১৩ সেকেন্ড
  4. ১০-১২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা


কম্পিউটার: 

- কম্পিউটার এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা ইনপুট হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ কেন্দ্রিয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সাহায্যে প্রক্রিয়াকরণ করে আউটপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে থাকে। 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড বলতে বোঝায় এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ বা ১০-৯ সেকেন্ড। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৮৯.
কোনো জীব থেকে অযৌন প্রজনন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট জীবকে বলে-
  1. ক) অণুজীব
  2. খ) ভ্রুণ
  3. গ) ক্লোন
  4. ঘ) জীন
ব্যাখ্যা
কোনো জীব থেকে সম্পূর্ণ অযৌন প্রক্রিয়ায় হুবহু নতুন জীব সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ক্লোনিং বলে।
ড. ইয়ান উইলমুট প্রথম ক্লোন পদ্ধতিতে একটি ভেড়ার জন্ম দেন। সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্যে Adult Cell ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম দেওয়া হয়েছিল তার নাম ডলি।
ডব্লিউ.এইচ.ও (WHO) বর্তমানে মানব শিশুর ক্লোন নিষিদ্ধ করেছে।
৫,৫৯০.
দূরদূরান্তে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয় -
  1. আরোহী ট্রান্সফর্মার
  2. অবরোহী ট্রান্সফর্মার
  3. স্টেপ আপ ট্রানজিস্টর
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফর্মার
- ট্রান্সফরমার একটি স্থির বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি সার্কিট থেকে অপর একটি সার্কিটে স্থানান্তর করে।
- ট্রান্সফর্মার প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

- আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার - অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে।
- এই ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয়।
- দূরদূরান্তে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য আরোহী বা স্টেপআপ ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

- অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার - অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে। 
- স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়। 
- স্টেপডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয় নিম্ন ভোল্টেজ ব্যবহারকারীর যন্ত্রপাতি যেমন রেডিও, টেলিভিশন, টেপরেকর্ডার, ভিসিআর, ভিসিপি, ইলেকট্রিক ঘড়ি, ওয়াকম্যান ইত্যাদিতে।
- বাসা বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৯১.
নিচের কোন উদ্ভিদের বীজে এরিল নামক স্তর পাওয়া যায় না? 
  1. লিচু
  2. শাপলা
  3. সফেদা
  4. জায়ফল
ব্যাখ্যা
বীজ সৃষ্টি: 
- গুপ্তবীজী উদ্ভিদ ও ব্যক্তবীজী উভয় প্রকার উদ্ভিদে ডিম্বক থেকে বীজ সৃষ্টি হয়। 
- নিষেকক্রিয়ার পর ডিম্বক বিভিন্ন ধরনের বিভাজন ও পরিবর্তনের মাধ্যমে বীজে পরিণত হয়। 
- ডিম্বকের ভেতরে এ ধরনের পরিবর্তনের সাথে সাথে ডিম্বকের ত্বকের পরিবর্তন দেখা দেয় এবং অপেক্ষাকৃত কঠিন ও শুষ্ক হয়ে বীজত্বকে পরিণত হয়। 
- রসালো ডিম্বকটি পর্যায়ক্রমে পানি হারিয়ে শুষ্ক ও কঠিন বীজে পরিণত হয়। 
- এ ধরনের পরিবর্তনকালে অনেক ক্ষেত্রে বীজের একটি তৃতীয় স্তর সৃষ্টি হয়, একে এরিল বলে। 
- লিচু ও জায়ফলে এরিল পাওয়া যায়। 
- শাপলা বীজেও এরিল থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৯২.
কোনটি টেরিডোফাইটা উদ্ভিদ? 
  1. Agaricus
  2. Chara
  3. Psilotum
  4. Spirogyra
ব্যাখ্যা
টেরিডোফাইটা: 
- গ্রিক শব্দ Pteron (পক্ষল বা ডানা) এবং Phyton (উদ্ভিদ) হতে Pteridophyta শব্দের উৎপত্তি। 
- এরা হলো ডানাবিশিষ্ট উদ্ভিদ। 
- মূল, কান্ড ও পাতা দ্বারা গঠিত এবং পরিবহন টিস্যুবিশিষ্ট অপুষ্পক স্বভোজী উদ্ভিদগুলো টেরিডোফাইটা নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীতে প্রায় দশ হাজার প্রজাতির টেরিডোফাইট উদ্ভিদ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ থেকে ৪১ গোত্রের ১৯৫ প্রজাতির টেরিডোফাইট নথিভুক্ত করা হয়েছে। 
- টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো- 
• Pteris, 
Psilotum
• Lycopodium, 
• Equisetum ইত্যাদি। 

টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য: 
১। এদের প্রধান দেহটি স্পোরোফাইটিক এবং অপুষ্পক। 
২। এরা অবীজী উদ্ভিদ। 
৩। দেহ মূল, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত। 
৪। এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
৫। জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে। 
৬। গ্যামিটোফাইট থ্যালাস প্রকৃতির এবং মোটামুটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। এ পর্যায়কে প্রোথ্যালাস বলে। 
৭। পুংগ্যামিটোফাইট সচল এবং অ্যান্থেরিডিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৮। স্ত্রীগ্যামিটোফাইট নিশ্চল এবং আর্কিগোনিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৯। ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। 
১০। অধিকাংশ সদস্যে কান্ড রাইজোমে পরিণত হয়। 
১১। এদের অস্থানিক মূল বিদ্যমান। 
১২। জীবনচক্রে সুস্পষ্ট হেটারোমরফিক জনুক্রম বিদ্যমান। 
১৩। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পোরোফিল ঘন সন্নিবেশিত হয়ে স্ট্রোবিলাস গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৯৩.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার?
  1. ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস
  2. ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
  3. ০ ডিগ্রী সেলসিয়াস
  4. ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি একটি তরল পদার্থ। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় পানি তরল হলেও অত্যন্তশীতল অবস্থায় কঠিন বরফে পরিণত হয়। আবার উচ্চ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় বাষ্পে পরিণত হয়। 
- জীবজগতের সকল উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহ গঠনের জন্য পানি একটি অপরিহার্য উপাদান। 

পানির ধর্ম: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হয়ে থাকে। 
- পানির কিছু সাধারণ ধর্ম নিম্নে উল্লেখ করা হলো- 

• গলনাংক: 
- আমরা জানি শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে। 
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়। 
অর্থাৎ পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

• স্ফূটনাংক: 
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 
অর্থাৎ পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

• তড়িৎ পরিবাহিতা: 
- বিশুদ্ধ পানি বিদ্যুৎ অপরিবাহী। 
- তবে পানিতে আয়নিক লবণ দ্রবীভূত থাকলে তা তড়িৎ পরিবহন করে। 
- তাই নদী পুকুর, ডোবা ইত্যাদির পানি বিদ্যুৎ পরিবাহী। 

• দ্রবক: 
- পানি একটি ভাল দ্রাবক। 
-  এটি বেশিরভাগ অজৈব লবণ এবং কিছু কিছু জৈব যৌগ দ্রবীভূত করতে পারে। 
- এজন্য পানিকে সর্বজনীন দ্রাবক বলা হয়। 

• ঘনত্ব: 
- ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। 
- ৪° সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাতে। 
- ৪° সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার বা ১০০০ কেজি/ঘনমিটার। 
অর্থাৎ ১ সি সি পানির ভর ১ গ্রাম এবং ১ ঘন মিটিার পানির ভর ১০০০ কেজি। 

• অম্লত্ব ও ক্ষারকত্ব: 
- বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ। 
অর্থাৎ বিশুদ্ধ অবস্থায় এটি অ্যাসিড বা ক্ষার কোন ধর্মই প্রদর্শন করে না। 
- তবে এসিডের উপস্থিতিতে এটি ক্ষার হিসেবে আবার ক্ষারের উপস্থিতিতে এটি অ্যাসিড হিসেবে কাজ করে। 
- বিশুদ্ধ অবস্থায় ২০°-২৭°C তাপমাত্রায় পানির pH হলো ৭, তবে উচ্চ তাপমাত্রার পানির pH ৭ এর নিচে। 

• পানির রাসায়নিক গঠন: 
- পানি দুই পরমাণু হাইড্রোজেন ও এক পরমাণু অক্সিজেন দিয়ে গঠিত। 
- এর আনবিক সংকেত H2O এবং আণবিক ভর ১৮। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৯৪.
মানদেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ কত?
  1. ১৪০/৮০ (mm Hg)
  2. ১২০/৬০ (mm Hg)
  3. ১২০/৮০ (mm Hg)
  4. ১৩০/৭০ (mm Hg)
ব্যাখ্যা

রক্তচাপ:
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন এবং প্রসারণের ফলে হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ধমনিপ্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, সেটাকে রক্তচাপ বলে।
- তাই রক্তচাপ বলতে সাধারণভাবে ধমনির রক্তচাপকেই বুঝায়।
- রক্তচাপ হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা, ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা এবং রক্তের ঘনত্ব এবং পরিমাণের উপর নির্ভর করে।
- নিলয়ের সিস্টোল অবস্থায় ধমনিতে যে চাপ থাকে, তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ এবং ডায়াস্টোল অবস্থায় যে চাপ থাকে, তাকে ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ বলে।
- স্বাভাবিক এবং সুস্থ একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সিস্টোলিক রক্তচাপ পারদ স্তম্ভের ১১০-১৪০ মিলিমিটার (mm Hg)।
- এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ পারদ স্তম্ভের ৬০-৯০ মিলিমিটার (mm Hg)।
- স্বাভাবিক রক্তচাপকে সাধারণত ১২০/৮০ (mm Hg) এভাবে প্রকাশ করা হয়।
- তবে বয়স ও পরিস্থিতিভেদে স্বাভাবিক রক্তচাপের মান কম-বেশি হতে পারে।
- স্ফিগমোম্যানোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ নির্ণয় করা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

৫,৫৯৫.
Vertebrata প্রাণীর প্রধান রেচন অঙ্গ কোনটি?
  1. বৃক্ক 
  2. ত্বক 
  3. ফুসফুস 
  4. শ্বাসনালী 
ব্যাখ্যা

উপপর্ব-ভার্টিব্রাটা: 
- Vertebrata (ল্যাটিন vertebratus = মেরুদণ্ড)- কর্ডাটা পর্বের যে সকল প্রাণীর ভ্রূণীয় নটোকর্ড পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় তরুণাস্থি অথবা অস্থি গঠিত মেরুদণ্ড দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়, তারা Vertebrata উপপর্বের প্রাণি। 
- অস্থিময় বা তরণাস্থিময় ক্রেনিয়াম (cranium) এর ভিতর মস্তিষ্ক অবস্থান করে বলে এর অপর নাম Cranita । 
- এদেও প্রজাতির সংখ্যা ৬৫,৭৮৯টি। 

বৈশিষ্ট্য: ১। নটোকর্ড অস্থিময় বা তরুণাস্থিময় কশোরুকাবিশিষ্ট মেরুদণ্ড দ্বারা প্রতিস্থাপিত। 
২। পৃষ্ঠীয় ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু মস্তিষ্ক ও সুষুম্মাকাণ্ড গঠন করে। 
৩। রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের। 
৪। মেসোডার্মাল বৃক্ক (kidney) প্রধান রেচন অঙ্গ। 
৫। পার্শ্বীয় জোড়া উপাঙ্গ (পাখনা বা পদ) চলন অঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৫৯৬.
মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তত - 
  1. বেশি হয়
  2. কম হয়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগের পরিবর্তন: 
- আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3×108 ms-1 নির্দিষ্ট। 
- কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। 
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
যেমন- 
• বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
• পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং 
• লোহার মধ্যে 5220 ms-1
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি। 
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৫৯৭.
'পৃথিবীর উৎপত্তি' সম্পর্কে ভূগোলের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. Geomorphology
  2. Climatology
  3. Bio-Geography
  4. Soil Geography
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical Geography):
- ভূগোলের যে শাখা পৃথিবীর জন্ম, ভূ-প্রকৃতি অর্থাৎ পাহাড়, পর্বত, বায়ুমন্ডল ও বারিমন্ডল প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে এবং ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।

⇒ প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ নিম্নরূপ:
• ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology):
- ভূমিরূপবিদ্যা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, পৃথিবীর উৎপত্তি, ভূ-আলোড়ন, বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপ, নদ-নদীর উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ, ভূ-ত্বকের পরিবর্তন, খনিজ ও শিলা এবং পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করে।

• জলবায়ুবিদ্যা (Climatology):
- এ শাখায় বায়ুর গঠন, উপাদান, বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুপুঞ্জ, বায়ুপ্রাচীর, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে আলোচনা করে।

• সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography):
- পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ সমুদ্র।
- এ শাখায় সাগর মহাসাগরের তলদেশের ভূমিরূপ, সমুদ্রস্রোত, মানব জীবনের উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব, বিভিন্ন মহাদেশের মধ্যে সমুদ্র পথে যোগাযোগ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।

• মৃত্তিকা ভূগোল (Soil Geography):
- মৃত্তিকা ভূগোল অশ্মমন্ডলের উপরিভাগের মৃত্তিকার গঠন, উপাদান, বন্টন ও বিন্যাস সম্পর্কে আলোচনা করে।

• জীব ভূগোল (Bio-Geography):
- এ শাখা পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রাণিজগৎ ও উদ্ভিদের বন্টন নিয়ে আলোচনা করে।

• গাণিতিক ভূগোল (Mathematical Geography):
- গাণিতিক ভূগোলে জ্যোতিষ্কমন্ডলী, সৌরজগৎ, পৃথিবী ও এর আকৃতি, গতি, আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ও সময়, আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতির ফলাফল প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫৯৮.
আমাদের শরীরের কোনো স্থানে কেটে গেলে রক্তের কোন উপাদানটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে?
  1. ক) এলবোমিন
  2. খ) ফাইব্রিনোজেন
  3. গ) অক্সিহিমোগ্লোবিন
  4. ঘ) হরমোন
ব্যাখ্যা
অণুচক্রিকার প্রধান কাজ রক্ত তঞ্চন করা বা জমাট বাধানোতে সাহায্য করা৷ যখন কোনো রক্তবাহিকা বা টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায় তখন অণুচক্রিকা গুলো সক্রিয় হয়ে উঠে অনিয়মিত আকার ধারণ করে এবং থ্রম্বোপ্লাস্টিন নামক পদার্থ তৈরি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনকে থ্রমবিনে পরিণত করে। থ্রমবিন পরবর্তী সময়ে রক্তরসের প্রোটিন - ফাইব্রিবোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তকে জমাট বাধায় কিংবা তঞ্চন ঘটায়৷ ফাইব্রিন একধরনের অনমনীয় প্রোটিন।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৫,৫৯৯.
কোন মৌলিক গ্যাস সবচেয়ে ভারী?
  1. ক) আর্গন
  2. খ) র‍্যাডন
  3. গ) জেনন
  4. ঘ) নিয়ন
ব্যাখ্যা

আর্গনের পারমাণবিক ভর - ৩৯.৯৫
র‍্যাডনের পারমাণবিক ভর - ২২২
জেননের পারমাণবিক ভর - ১৩১.২৯
নিয়নের পারমাণবিক ভর - ২০.১৮
উৎসঃ ব্রিটানিকা

৫,৬০০.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউজ গ্যাস?
  1. CO2
  2. N2O
  3. CFC
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• গ্রিন হাউজ: 
- শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে। 
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস এফেক্ট বলে। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ওজোন (O3), ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC) ইত্যাদি। 
- গ্রিন হাউজ গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে গেলে- 
• পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, 
• জলবায়ু পরিবর্তন হয়, 
• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ে, 
• জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ে ইত্যাদি। 

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।