বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩১ / ১৪০ · ৩,০০১৩,১০০ / ১৪,০৮০

৩,০০১.
নিচের কোনটির স্ফুটনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি?
  1. পেট্রোল
  2. ডিজেল
  3. কেরোসিন
  4. ন্যাপথা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- পেট্রোল (গ্যাসোলিন) এর স্ফুটনাঙ্ক ২১° - ৭০° C পর্যন্ত
- ন্যাপথা এর স্ফুটনাঙ্ক ৭১° - ১২০° C পর্যন্ত
- কেরোসিনের স্ফুটনাঙ্ক ১২১° - ১৭০° C পর্যন্ত
- ডিজেলের স্ফুটনাঙ্ক ১৭১° - ২৭০° C পর্যন্ত
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বই, নবম-দশম শ্রেণি

৩,০০২.
কোন মুসলিম মনীষী সর্বপ্রথম পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) প্রফেসর আব্দুল কালাম
  2. খ) প্রফেসর আব্দুস সালাম
  3. গ) এপিজে আবুল কালাম
  4. ঘ) প্রফেসর ইসহাক
ব্যাখ্যা
Abdus Salam was a theoretical physicist who became the first Muslim to be awarded the Nobel Prize in the sciences.Source: bbc.com
৩,০০৩.
Tachometer is used to measure -
  1. the evaporating capacity of the air
  2. determining longitude at sea
  3. wind speed and wind pressure
  4. the rotational speed of a rotating object
ব্যাখ্যা
ট্যাকোমিটার:
- কোনাে ঘূর্ণন যন্ত্রের গতি পরিমাপের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ট্যাকোমিটার (Techometer)।
- এটি সাধারণত রেভোলিউশনস পার মিনিট (RPM) হিসেবে গতি পরিমাপ করে।
- ট্যাকোমিটারের সাহায্যে উড়োজাহাজের গতি নির্ণয় করা যায়।

অন্যদিকে -
- অ্যানিমোমিটার: সাধারণত বায়ুর গতিবেগ মাপা হয় নট (knot) নামক একক দিয়ে। ১ নট = ১.৮২৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। সাধারণত অ্যানিমোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে বায়ুর গতিবেগ পরিমাপ করা হয়।
- সময় নির্ণায়ক যন্ত্রটির নাম হচ্ছে ক্রনোমিটার। বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বাষ্পীভবনের হার মাপার যন্ত্র অ্যাটমোমিটার।

উৎস: Britannica.
৩,০০৪.
পিসি কালচার হলো-
  1. মৎস্য চাষ
  2. রেশম চাষ
  3. মৌমাছি চাষ
  4. পাখি পালন বিদ্যা
ব্যাখ্যা
• পিসিকালচার (Pisciculture):
- এটি মাছ, শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক মূল্য সম্পন্ন জলজ প্রাণী চাষের বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি।
- মাছের চাষে ব্যবহৃত আধুনিক পদ্ধতিগুলির মধ্যে পরিবেশগত দিক বজায় রাখার প্রতি জোর দেওয়া হয়।

• সেরিকালচার (Sericulture):
- রেশম পোকার চাষের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি, যেখানে তুঁতজাত রেশম মথের পালন করা হয় এবং এর গুটির থেকে রেশম সংগ্রহ করা হয়।
- এই প্রক্রিয়া বিভিন্ন পর্যায়ে রেশম পরিশোধন ও প্রস্তুতির কাজে ব্যবহৃত হয়।

• এপিকালচার (Apiculture):
- মৌমাছি পালন এবং তাদের মধু সংগ্রহ করার পদ্ধতি, যা অত্যন্ত লাভজনক একটি কৃষি ব্যবস্থা।
- এতে মৌমাছি বিভিন্ন গাছের ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে এবং তা পরবর্তীতে মানুষের ব্যবহার জন্য প্রক্রিয়া করা হয়।

• এভিকালচার (Aviculture):
- পাখি পালনের বিদ্যা।
- এটি পাখির বিভিন্ন প্রজাতির পালন, তাদের জীবনের মানোন্নয়ন, পাখিদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি এবং গবেষণা করা ইত্যাদির উপর আলোচনা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০০৫.
টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় কোন ধরনের চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়? 
  1. অস্থায়ী চুম্বক
  2. কোমল চুম্বক
  3. সিরামিক চুম্বক
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

কৃত্রিম চুম্বক: 
- কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়। 
যথা- 
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক: 
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 

২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক: 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০০৬.
প্রতি চাকে কয়টি রানী মৌমাছি থাকে?
  1. ক) কয়েকটি
  2. খ) ২টি
  3. গ) অসংখ্য
  4. ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা

- মৌমাছি উপকারী পতঙ্গের মধ্যে অন্যতম।
- প্রতি চাকে একটি রানী, কয়েকটি পুরুষ মৌমাছি এবং অসংখ্য কর্মী মৌমাছি থাকে।
- মৌমাছি মূলত বসন্তকালের ফুল হতে মধু আহরণ করে।
- তাই মৌমাছির মধু ঋতু বলা হয় বসন্তকালকে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০০৭.
"সব পদার্থই অবিচ্ছিন্ন এবং অন্তহীনভাবে তাদের বিভক্তি সম্ভব" - উক্তিটি প্রদান করেন কে?
  1. ক) ডেমোক্রিটাস
  2. খ) ল্যাভয়সিয়ে
  3. গ) জন ডাল্টন
  4. ঘ) অ্যারিষ্টটল
ব্যাখ্যা
- খ্যাতনামা গ্রীক দার্শনিক অ্যারিষ্টটলের ধারণা ছিলো সব পদার্থই অবিচ্ছিন্ন এবং অন্তহীনভাবে তাদের বিভক্তি সম্ভব।

- খ্রীষ্টপূর্ব ৫০০ সনে গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস সর্ব প্রথম অভিমত প্রকাশ করেন যে প্রতিটি বস্তুই অতি ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন পদার্থ কণিকার সাহায্যে গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্র কণিকার নাম দিয়েছিলেন ‘অ্যাটম' ।
- গ্রীক শব্দ ‘অ্যাটমের’ অর্থ হচ্ছে অবিভাজ্য। ডেমোক্রিটাসের ধারণা অনুযায়ী বিশ্বের যাবতীয় বস্তু অ্যাটম নামক খুবই ক্ষুদ্র কণিকার সমন্বয়ে গঠিত এবং এই অ্যাটমকে আর কোনক্রমেই ভাগ করা সম্ভব নয়।
- ডেমোক্রিটাসের মতবাদ বেশ গুরুত্বপূর্ণ হওয়া স্বত্ত্বেও অ্যারিস্টটলের মতবাদ বিরোধী হওয়ায় সে সময় খুব সাড়া জাগাতে পারেনি।
- ডেমোক্রিটাসের মতবাদ দু'হাজার বছরের অধিককাল উপেক্ষিত ছিলো। ঊনবিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে ডাল্টনের পরমাণুবাদের মাধ্যমে ধারণাটি আবার পুনর্জীবন লাভ করে।

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,০০৮.
6N এবং 8N মানের দুটি বল লম্বভাবে ক্রিয়া করলে লব্ধির মান কত?
  1. 8 N
  2. 10 N
  3. 12 N
  4. 4 N
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 6N এবং 8N মানের দুটি বল লম্বভাবে ক্রিয়া করলে লব্ধির মান কত?

সমাধান:
দুটি বল P ও Q লম্বভাবে ক্রিয়া (θ = 90°) করলে,
এদের লব্ধি, R2 = P2 + Q2 + 2PQcosθ
⇒ R2 = 62 + 82 + 2 × 6 × 8 × cos90°
⇒ R2 = 36 + 64 + 0
⇒ R2 = 100

∴ লব্ধির মান, R = √100
= 10 N
৩,০০৯.
কোনটি বংশগতি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. প্রোটিন
  2. হরমোন
  3. ক্রোমোজোম
  4. লোহিত রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা

- ক্রোমোজোম-কে বংশগতির ভৌত ভিত্তি বলা হয় কারণ এটি জিন বহন করে পিতা-মাতা থেকে পরবর্তী প্রজন্মে নিয়ে যায়। এই জিনগুলোই জীবের বৈশিষ্ট্য (যেমন: চোখের রঙ, চুলের ধরন, ইত্যাদি) নিয়ন্ত্রণ করে। 

ক্রোমোজোম: 
- যে সকল বস্তু জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে তাকে বংশগতি বস্তু বলে। 
- DNA এর যে ছোট অংশ নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে তাকে জিন বলে। 
- উন্নত জীবে DNA প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে তৈরি করে ক্রোমোজোম। 
- ক্রোমোজোমই জনন কোষের মাধ্যমে সন্তান-সন্ততিতে বাহিত হয়। 
অর্থাৎ, ক্রোমোজোম হলো বংশগতি বস্তুর ধারক ও বাহক। 
- ক্রোমোজোমকে বংশগতির প্রধান উপাদান বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০১০.
কৃষ্ণবিবরের গঠন বা মহাকর্ষিক প্রভাবের কারণে মূলত কোন কণা মুক্ত হতে পারে না? 
  1. প্রোটন 
  2. ফোটন 
  3. ইলেকট্রন 
  4. নিউট্রন 
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। 
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না, তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, এমনটি ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০১১.
পৃথিবীর জলরাশির শতকরা কত ভাগ সমুদ্র ও মহাসাগরে রয়েছে? 
  1. ৯৫.০০%
  2. ৯৭.২৫%
  3. ৯২.৮৫%
  4. ৯৯.৯৯%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 
- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
সমুদ্র = ৯৭.২৫%
• হিমবাহ = ২.০৫%, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮%, 
• হ্রদ = ০.০১%, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫%, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১%, 
• নদী = ০.০০০১% এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪% ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০১২.
নিচের কোনটির উপর কাজের পরিমাণ নির্ভর করে?
  1. খাদ্য গ্রহণ
  2. বল এবং দূরত্ব
  3. শারীরিক সামর্থ্য
  4. বল ও সরণ
ব্যাখ্যা
• কাজের পরিমাণ নির্ভর করে বল ও সরণের উপর।

- বল প্রয়োগে বস্তু সরণ ঘটলে কাজ সম্পন্ন হয়।
- বল এবং সরণের গুণফল দ্বারা কাজের পরিমাপ করা হয়।
- অভিকর্ষের দিকে বস্তুর সরণ হলে বল দ্বারা কাজ সম্পন্ন হয়।
- অভিকর্ষের বিপরীতে সরণ হলে বলের বিরুদ্ধে কাজ সম্পন্ন হয়।
- কাজ করার সমার্থ্য হচ্ছে শক্তি।
- কাজ ও শক্তি পরস্পরের পরিপূরক।
- এদের উভয়ের একক এক ও অভিন্ন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১৩.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেকটোনিক প্লেট কোনটি?
  1. ইউরেশিয়ান প্লেট
  2. উত্তর আমেরিকান প্লেট
  3. প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
  4. আফ্রিকান প্লেট
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate):
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate) হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেকটোনিক প্লেট।

- এর আয়তন প্রায় 40,000,000  বর্গকিলোমিটার যা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের চেয়েও বড়।
- এটি প্রধানত প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean) এর নিচে অবস্থিত এবং বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির জন্য পরিচিত।

• টেকটোনিক প্লেট:

- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
-  ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
- প্লেটগুলো হলো:
- ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
- উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
- দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
- আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
- অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
- ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate).

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০১৪.
নিচের কোনটির কারণে উদ্ভিদের কাণ্ড ছোট এবং দুর্বল হয়? 
  1. ক) ম্যাগনেশিয়াম
  2. খ) লৌহ
  3. গ) সালফার
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম 
ব্যাখ্যা

লৌহের অভাবে উদ্ভিদের কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। লৌহের অভাবে প্রথম কচি পাতার রঙ হালকা হয়ে যায়, তবে সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয়ে যায় এবং ক্লোরোসিস হয়। কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়।
ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে সালোকসংশ্লেষণের হাড় কমে যায়।
ক্যালসিয়ামের অভাবে উদ্ভিদের কাণ্ড শুকিয়ে যায় এবং পাতা কুকড়ে যায়।
সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল এবং বেগুনি দাগ দেখা যায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৩,০১৫.
নদীর একপাশ থেকে গুণ টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব হয় কিভাবে?
  1. যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
  2. নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে
  3. গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে
  4. পাল ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
• নদীর একপাশ থেকে গুণ টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে।

- বলের অনুভূমিক উপাংশ নৌকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং উল্লম্ব উপাংশ নৌকাটিকে পাড়ের দিকে টানে।
- কিন্তু নৌকার হাল দ্বারা উল্লম্ব উপাংশ প্রতিহত করা হয়।
- গুণ যত লম্বা হয়, নৌকা তত তাড়াতাড়ি নৌকা সামনে এগিয়ে যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,০১৬.
নিচের কোনটি টেরিডোফাইটা উদ্ভিদ? 
  1. Chara
  2. Spirogyra
  3. Pteris
  4. Agaricus
ব্যাখ্যা
টেরিডোফাইটা: 
- গ্রিক শব্দ Pteron (পক্ষল বা ডানা) এবং Phyton (উদ্ভিদ) হতে Pteridophyta শব্দের উৎপত্তি। 
- এরা হলো ডানাবিশিষ্ট উদ্ভিদ। 
- মূল, কান্ড ও পাতা দ্বারা গঠিত এবং পরিবহন টিস্যুবিশিষ্ট অপুষ্পক স্বভোজী উদ্ভিদগুলো টেরিডোফাইটা নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীতে প্রায় দশ হাজার প্রজাতির টেরিডোফাইট উদ্ভিদ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ থেকে ৪১ গোত্রের ১৯৫ প্রজাতির টেরিডোফাইট নথিভুক্ত করা হয়েছে। 
- টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো- 
Pteris
• Psilotum, 
• Lycopodium, 
• Equisetum ইত্যাদি। 

টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য: 
১। এদের প্রধান দেহটি স্পোরোফাইটিক এবং অপুষ্পক। 
২। এরা অবীজী উদ্ভিদ। 
৩। দেহ মূল, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত। 
৪। এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
৫। জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে। 
৬। গ্যামিটোফাইট থ্যালাস প্রকৃতির এবং মোটামুটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। এ পর্যায়কে প্রোথ্যালাস বলে। 
৭। পুংগ্যামিটোফাইট সচল এবং অ্যান্থেরিডিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৮। স্ত্রীগ্যামিটোফাইট নিশ্চল এবং আর্কিগোনিয়ামে উৎপন্ন হয়। 
৯। ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। 
১০। অধিকাংশ সদস্যে কান্ড রাইজোমে পরিণত হয়। 
১১। এদের অস্থানিক মূল বিদ্যমান। 
১২। জীবনচক্রে সুস্পষ্ট হেটারোমরফিক জনুক্রম বিদ্যমান। 
১৩। অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পোরোফিল ঘন সন্নিবেশিত হয়ে স্ট্রোবিলাস গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১৭.
"ভর ও শক্তি সমতুল্য”—কোন বিজ্ঞানীর উক্তি?
  1. নিউটন
  2. আইনস্টাইন
  3. গ্যালিলিও
  4. ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা
ভরশক্তি সম্পর্ক:
- ভরশক্তি সম্পর্ককে E=mcসমীকরণ আকারে লেখা যায়।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সাহায্যে একটি বিখ্যাত সম্পর্ক বের করেন।
- এটি হলো ভর ও শক্তির সম্পর্ক।

ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের সম্পর্ক নিম্নোক্তভাবে লেখা যায়,
E = mc2
যেখানে,
E = মোট শক্তি,
m= বস্তুর ভর এবং
C = আলোর দ্রুতি।

- এই সমীকরণটি আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের অন্যতম ফসল যা হলো ভর শক্তির একটি রূপ । 
- "ভর ও শক্তি সমতুল্য”—উক্তিটি হচ্ছে আইনস্টাইনের।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী।
৩,০১৮.
LED তে শক্তির কী ধরনের রূপান্তর হয়?
  1. ক) আলোক শক্তি তাপশক্তিতে
  2. খ) তাপ শক্তি আলোক শক্তিতে
  3. গ) তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে
  4. ঘ) তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
LED এর পূর্ণরূপ - Light Emitting Diode.
অর্থাৎ, LED থেকে আলো নির্গত হয়। এতে তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

শক্তির রূপান্তর
প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।
নিচে শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হল।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি:
কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

সূত্র: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১৯.
ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ৫ ভাগে
  2. ২ ভাগে
  3. ৩ ভাগে
  4. ৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
দ্রবণের শ্রেণিবিভাগ:
- ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-

• সম্পৃক্ত দ্রবণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তাকে ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- এ অবস্থায় দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না।

• অসম্পৃক্ত দ্রবণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে তার চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব দ্রবণে উপস্থিত থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়।

• অতিপৃক্ত দ্রবণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে যদি কোনো বিশেষ কারণে দ্রবণে আরও অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- অতিপৃক্ত দ্রবণ অস্থায়ী প্রকৃতির হয়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২০.
পৃথিবীর বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর কোনটি?
  1. ক) আটলান্টিক মহাসাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) উত্তর মহাসাগর
  4. ঘ) প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর। এর আয়তন ১৬ কোটি চল্লিশ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এবং গড় গভীরতা ৪২৭০ মিটার।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী
৩,০২১.
pH-এর মান যত কম, তত বেশি- 
  1. ক্ষারীয় 
  2. এসিডিক 
  3. লবণাক্ত 
  4. নিরপেক্ষ 
ব্যাখ্যা
pH: 
- pH হলো এমন একটি রাশি, যেটি দ্বারা বোঝা যায় পানি বা অন্য কোনো জলীয় দ্রবণ এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ। 
- নিরপেক্ষ হলে pH হয় ৭, এসিডিক হলে ৭-এর কম, আর ক্ষারীয় হলে ৭-এর বেশি। 
- এসিডের পরিমাণ যত বাড়বে, pH-এর মান তত কমে। অন্যদিকে ক্ষারের পরিমাণ যত বাড়ে, pH-এর মানও তত বাড়ে। 
- নদ-নদী, খালবিল ইত্যাদির জন্য pH-এর মান খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সাধারণত নদ-নদীর পানি ক্ষারীয় হয়। 
- গবেষণা করে দেখা গেছে, নদ-নদীর পানির pH যদি ৬-৮ এর মধ্যে থাকে, তাহলে সেটা জলজ উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য কোনো অসুবিধার সৃষ্টি করে না। 
- তবে pH-এর মান যদি এর চাইতে কমে যায় বা বেড়ে যায়, তাহলে ঐ পানিতে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী আর উদ্ভিদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। 
- মাছের ডিম, পোনা মাছ পানির pH খুব কম বা বেশি হলে বাঁচতে পারে না। 
- পানিতে এসিডের পরিমাণ খুব বেড়ে গেলে, অর্থাৎ pH-এর মান খুব কমে গেলে জলজ প্রাণীদের দেহ থেকে ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ বাইরে চলে আসে, যার ফলে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হতে শুরু করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০২২.
সবচেয়ে বেশি পটাশিয়াম পাওয়া যায়-
  1. ক) পেয়ারায়
  2. খ) পাকা কলায়
  3. গ) আমে
  4. ঘ) ডাবে
ব্যাখ্যা
পটাশিয়াম (k):
- খেজুর, পালং শাক, গাজর, বিট, ডাবের পানি ইত্যাদি পটাশিয়ামের ভালো খাদ্য উৎস।
- পটাশিয়াম দেহে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে। কোষের ভেতরে পানির চাপ, অম্ল ও ক্ষারের সমতা রক্ষা করে। পেশি ও স্নায়ুর উদ্দীপনা স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে। হৃৎপিন্ডের স্পন্দন স্বাভাবিক রাখে ।
- পটাশিয়ামের অভাবে দেহের পানির সমতা বিনষ্ট হয়। হৃদস্পন্দন অনিয়ন্ত্রিত হয়। মাংসপেশির দুর্বলতা দেখা দেয়।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান- ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২৩.
নিচের কোনটি মানুষ, কুকুর ও বিড়ালের দেহে জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী?
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ছত্রাক
  4. শৈবাল
ব্যাখ্যা

*** মানুষ, কুকুর ও বিড়ালের দেহে জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী হচ্ছে ভাইরাস

• ভাইরাস:
- ভাইরাস মানবদেহে, উদ্ভিদ ও পোষা প্রাণীর দেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-১৯, SARS, MERS, অ্যাডেনোভাইরাস, পোলিও, জলাতঙ্ক, মেনিনজাইটিস, হেপাটাইটিস (A, B, C), হাম, জলবসন্ত, হার্পিস, HPV, HIV/AIDS, ডেঙ্গু, ইবোলা, জিকা, সিমের মোজাইক রোগ, আলুর লিফরোল, ধানের টুংরো রোগ, গরুর বসন্ত, গরু, ভেড়া, ছাগল, মহিষ ইত্যাদি প্রাণীর খুরারোগ, মানুষ, কুকুর ও বিড়ালের দেহে জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টি করে।

• ব্যাকটেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ মানব, উদ্ভিদ ও প্রাণীর ব্যাপক ক্ষতি করে; মানুষে যক্ষ্মা, কলেরা, টিটেনাস, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, লেপ্রসি (কুষ্ঠ রোগ), মেনিনজাইটিস, সিফিলিস এবং পোষা প্রাণীতে সালমোনেলোসিস, এন্থ্রাক্স , আবার উদ্ভিদে ব্যাকটেরিয়াল উইল্ট ( ব্যাকটেরিয়াল মরা), ফায়ার ব্লাইট (আগুন পোড়া), গমের টুন্ড রোগ, ধানের পাতা ধ্বসা ইত্যাদি প্রধান ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ।

• ছত্রাক
- মানবদেহ, উদ্ভিদ ও পোষা প্রাণীর দেহে ছত্রাক বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে, যেমন মানুষের দাদ (Ringworm), ক্যান্ডিডিয়াসিস এবং উদ্ভিদের আলুর আর্লি ব্লাইট রোগ, পাউডারি মিলডিল, যা টিস্যু ধ্বংস করে এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি করে। পোষা প্রাণীতেও ছত্রাক দাদ, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়, যা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে ফেলে। 

• শৈবাল
- শৈবাল মানবদেহ, উদ্ভিদ ও পোষা প্রাণীর দেহে রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যা প্রধানত ক্ষতিকারক শৈবাল ব্লম (HABs) থেকে টক্সিন নিঃসরণের কারণে হয়

উৎস: জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান। 

৩,০২৪.
PPLO-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Pleuro Pneumonitis Labeled Organisms
  2. Protozoa Pneumonia Like Organisms
  3. Pleuro Pulmonary Lymph Organs
  4. Pleuro Pneumonia Like Organisms
ব্যাখ্যা

- PPLO (Pleuro Pneumonia Like Organisms) হলো মাইকোপ্লাজমা (Mycoplasma) নামক ব্যাকটেরিয়ার একটি গ্রুপ, যা কোষ প্রাচীরবিহীন ক্ষুদ্রতম মুক্তজীবী অণুজীব। 

- নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ। 
১। আদি কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকে তাদেরকে বলা হয় আদি কোষ। 
- এ সকল কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, সেন্ট্রিয়োল, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অনুপস্থিত থাকে। 
- তবে বিক্ষিপ্ত DNA এবং রাইবোসোম থাকে। 
- Mycoplasma নামক PPLO (Pleuro pneumonia like organisms), ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া, ইত্যাদি আদি কোষীয় জীব। 

২। প্রকৃত কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাদেরকে বলা হয় প্রকৃত কোষ। 
- শৈবাল, ছত্রাক, ব্রায়োফাইটস, টেরিডোফাইটস, জিমনোস্পার্মস, অ্যানজিওস্পার্মস ইত্যাদি প্রকৃত কোষ দ্বারা গঠিত। 
- আবার, অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- দেহ কোষ এবং জনন কোষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০২৫.
পারমাণবিক চুল্লিতে কোন মৌল জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. পেট্রোলিয়াম
  2. অক্সিজেন
  3. ইউরেনিয়াম-২৩৫
  4. হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়। 
Liquid sodium is used as a coolant in fast breeder reactors on account of its excellent heat transfer properties. 
It must, however, be in the pure form to be compatible with structural materials. 
- অন্যদিকে, জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০২৬.
পাটের জিন মানচিত্র আবিষ্কার করেছেন কে?
  1. ক) বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম
  2. খ) ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  3. গ) ড. মুহম্মদ ইউনুস
  4. ঘ) জগদীশ চন্দ্র বসু
  5. ঙ) অভিজিৎ ব্যানার্জি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম পাটের জিন মানচিত্র আবিষ্কার করেন।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৩,০২৭.
স্বাভাবিক কথোপকথনের ক্ষেত্রে শব্দের তীব্রতা লেভেল কত?
  1. 60 dB
  2. 40 dB
  3. 90 dB
  4. 120 dB
ব্যাখ্যা
- স্বাভাবিক কথোপকথনের ক্ষেত্রে শব্দের তীব্রতা লেভেল হলো- 60 dB

শব্দের তীব্রতার লেভেল: 
- একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত শব্দ শক্তির পরিমাণ ই হচ্ছে শব্দের তীব্রতা । 
- সাধারণ ক্ষেত্রে বাতাসের মধ্যে শ্রোতার অবস্থানের সাপেক্ষে তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। 
- শব্দের তীব্রতার মূল একক W/m2 । 
- শব্দের তীব্রতা ও পরিমাপ আপেক্ষিক শ্রাব্যতার সর্বনিম্ন ধাপ থেকে শুরু হয়। এই সর্বনিম্ন তীব্রতাকে বলা হয় প্রমিত বা প্রমাণ তীব্রতা। এর মান 10-12 Wm-2 বেছে নেয়া হয়েছে। 
- এটি হচ্ছে 1000 Hz কম্পাঙ্কের একটি শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা যাকে শ্রাব্যতার সূচনা সীমা হিসাবেও ধরা হয়। 


উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২৮.
উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র নিচের কোনটি?
  1. পাইরোমিটার
  2. থার্মোমিটার
  3. হাইগ্রোমিটার
  4. ম্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:

- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,০২৯.
বৈদ্যুতিক চুলা থেকে যে বিকীর্ণ তাপ উৎপন্ন হয় তা কোন ধরনের রশ্মি?
  1. অবলোহিত রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
ব্যাখ্যা
অবলোহিত রশ্মি: 
- দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের চেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ অবলোহিত বিকিরণ বা অবলোহিত রশ্মি। 
- বর্ণালির 10-6 m থেকে 10-3 m তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর অবলোহিত বিকিরণের। 
- সূর্যের আলো থেকে আমারা যে তাপ পাই তা অবলোহিত বিকিরণ। 
- এছাড়া কাঠের আগুন, বৈদ্যুতিক চুলা, গ্যাস বা যে কোন জ্বালানি থেকে উৎপন্ন তাপ মাত্রই অবলোহিত রশ্মি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩০.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে উৎকৃষ্টমানের 'বিটুমিনাস' কয়লা পাওয়া যায়?
  1. ক) রানীপুকুর
  2. খ) শ্যামপুর
  3. গ) পার্বতীপুর
  4. ঘ) মধ্যপাড়া
ব্যাখ্যা
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত  । 
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়।
-  এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়।
- এখানে উত্তোলিত কয়লার অধিকাংশই বড় পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়। 
- দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তগত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। 
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানী হিসাবে প্রচলিত গ্যাস বা তেলের পরির্বতে বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্প হইতে উত্তোলনকৃত উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা ব্যবহার করা হয়।
 
উল্লেখ্য,
রংপুর জেলার রানীপুকুর ও শ্যামপুর এবং দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 
 
উৎস: দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট; বাংলাদেশ সম্পদ ও শিল্প, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,০৩১.
মানুষের মুখে কর্তন দন্ত কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৬ টি
  4. ঘ) ৮ টি
ব্যাখ্যা

মানুষের মুখে চার ধরনের দাঁত রয়েছে। এগুলো হলোঃ
১) Incisor( কর্তন)
২) Canine( ছেদন)
৩) Premolar ( অগ্রপেষণ)
৪) Molar ( পেষণ)।
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ৩২ টি দাঁতের মধ্যে উপরের পাটিতে থাকে ১৬ টি আর নিচে থাকে ১৬ টি।
প্রতি পাটিতে ১৬ টি দাঁতের মধ্যে সামনের ৪ টি Incisor বা কর্তন দাঁত। তার পরেই যে সুচালো দাঁতটি রয়েছে সেটি হলো Canine বা ছেদন। মাংসাশী প্রানীদের এই দাঁত অনেক লম্বা থাকে। তার পরে দুটি (এক পাশে) অগ্রপেষণ। সবার শেষে আক্কেল দাঁতসহ তিনটি (এক পাশে) দাঁত হলো পেষণ দাঁত যা আমাদের চিবানোর কাজে লাগে।
অর্থাৎ মানুষের মোট ৩২ টি দাঁতের মধ্যে কর্তন দাঁত ৪+৪= ৮ টি। ছেদন ২+২= ৪ টি। অগ্রপেষণ ৪+৪ =৮ টি এবং পেষণ দাঁত ৬+৬ = ১২ টি।
উৎসঃ সপ্তম শ্রেণি, বিজ্ঞান; নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রাণীবিজ্ঞান।

৩,০৩২.
বেরিলিয়াম কোন ধরনের মৌল?
  1. মুদ্রা ধাতু
  2. হ্যালোজেন 
  3. মৃৎক্ষার ধাতু
  4. নিষ্ক্রিয় গ্যাস
ব্যাখ্যা

বেরিলিয়াম একটি মৃৎক্ষার ধাতু।

মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals)
- পর্যায় সারণির 2 নং গ্রুপে বেরিলিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, স্ট্রনসিয়াম, বেরিয়াম এবং রেডিয়াম মৌলগুলো রয়েছে।
- এই মৌলগুলো মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায় এবং ক্ষার তৈরি করে।

অন্যদিকে,
মুদ্রা ধাতু (Coin Metals)
- গ্রুপ-11 এর 4টি মৌল হলো কপার, সিলভার, গোল্ড এবং রন্টজেনিয়াম।
- প্রথম দুটি মৌল কালের জন্য মুদ্রা তৈরি ও ব্যবসায় ব্যবহৃত হতো।

হ্যালোজেন গ্রুপ (Halogen)
- গ্রুপ-17 এর 6টি মৌল হলো ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (As) এবং টেনেসিন (Ts)।
- এই মৌলগুলোকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠন করে, যেমন F + Na → NaF এবং Cl + Na → NaCl।
- হ্যালোজেন মৌল নিজেই ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বিমৌল অণু গঠন করে, যেমন Cl₂, I₂ ইত্যাদি।

নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases)
- পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌল হলো হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।
- এই মৌলগুলোর সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে ইলেকট্রন পূর্ণ থাকে, তাই এরা যৌগ গঠন করতে চায় না।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় থাকে।
- সাধারণ তাপমাত্রায় এরা গ্যাস আকারে থাকে।

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি।  

৩,০৩৩.
যক্ষ্মার টিকা কোনটি?
  1. টিটি
  2. বিসিজি
  3. ডিপিটি
  4. ওপিভি
ব্যাখ্যা
- যক্ষ্মার টিকা হলো BCG(Bacillus Calmatte Guerin) । 
- টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন। 
- ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়। 

অন্যদিকে,
- ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়। 
- পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি (Oral Polio Vaccine). 
- হাম রোগের টিকা এমএমআর। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০৩৪.
রক্তের PH কত?
  1. ক) 7.35-7.45
  2. খ) 5.55- 5.65
  3. গ) 6.50-6.70
  4. ঘ) 4.79-5.00
ব্যাখ্যা

আমাদের ধমনীর রক্তের pH প্রায় ৭.৪। এর সামান্য হেরফের হলে (~ ০.৪) মারাত্বক বিপর্যয়, এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

৩,০৩৫.
রাণীক্ষেত রোগ কোন প্রাণীর সাথে সম্পর্কিত?
  1. ছাগল
  2. গরু
  3. মুরগি
  4. হাঁস
  5. সবগুলো
ব্যাখ্যা
রানীক্ষেত রোগ: 
- রানীক্ষেত রোগ (Ranikhet Disease) মুরগির একটি তীব্র সংক্রামক রোগ যা খুবই ছোঁয়াচে। 
- এই রোগ ইংল্যান্ডের নিউক্যাসেলে প্রথম সনাক্ত হয় এবং নিউক্যাসল রোগ নামে পরিচিতি লাভ করে। 
- এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। 
- সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক মুরগির তুলনায় ছানারা এই রোগে বেশি সংবেদনশীল। 
- মুরগির পাশাপাশি টার্কি, কোয়েল, কবুতর, গিনি ফাউল, কাক, তোতা প্রভৃতিও এ রোগে আক্রান্ত হয়। 
- পাখিরা সারা বছরই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে, তবে শীত ও বসন্ত ঋতুতে এ রোগের সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। 
- রোগের সংক্রমণ সংক্রমিত পাখি এই ভাইরাসের প্রধান বাহক। 
- সংক্রামিত পাখির বিষ্ঠা, লালা ইত্যাদির সংস্পর্শে বা খাদ্যের মাধ্যমে এই জীবাণু সুস্থ পাখির দেহে প্রবেশ করলে সংক্রমণ ঘটে। 

লক্ষণ: 
- রোগের তীব্র পর্যায়ে মোরগ/মুরগি হঠাৎ তীব্র শব্দ করে ও লাফাতে থাকে এবং অবশেষে মারা যায়। এই রোগের মৃত্যুর হার প্রায় ১০০%; 
- তীব্র সংক্রমণে মুরগির ডায়রিয়া, ক্ষুধা হ্রাস, কাশি এবং হাঁচি (নাক দিয়ে স্রাব) শুরু হয়। সংক্রামিত পাখির তন্দ্রাচ্ছন্নতার উপসর্গ দেখা যায় এবং মুখ খুলে দীর্ঘ শ্বাসগ্রহণ করে; 
- তন্দ্রা, ডানা ঝরে পড়া এবং মাঝে মাঝে সবুজাভ ডায়রিয়া দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে সদ্য ভূমিষ্ট ছানাগুলির মৃত্যুর হার প্রায় ৯০-৯৫%; 
- সংক্রমণ মৃদু হলে প্রাপ্তবয়স্ক মুরগির শ্বাসকষ্ট হয়। ডিম উৎপাদন নাটকীয়ভাবে কমে যায়, মুরগির বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কমে যায়। 

প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ: 
- ছানা এবং প্রাপ্তবয়স্ক মুরগির জন্য কঠোরভাবে টিকা সময়সূচি অনুসরণ করা উচিত; 
- হাঁস-মুরগির ঘর অবশ্যই যথাযথভাবে পরিষ্কার করতে হবে; বাড়ির চত্বর, আবাসন সরঞ্জাম এবং আঙিনা যেখানে পাখি পালন করা হয় সেগুলিকে জীবাণুনাশক ব্যবহার করে ঘন ঘন জীবাণুমুক্ত করতে হবে; 
- চাষের এলাকায় জৈব-নিরাপত্তা কঠোরভাবে বজায় রাখতে হবে এবং বাজার থেকে কেনা নতুন পাখিকে সুস্থ পাখি থেকে আলাদাভাবে রাখতে হবে; 
- আক্রান্ত মৃত পাখি মাটির নিচে চাপা দেওয়া উচিত। এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মনে রাখতে হবে ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম’। তাই এই রোগ প্রতিরোধের জন্য যথাযথ টিকাদান অপরিহার্য। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩,০৩৬.
নিচের কোন দুর্যোগটি পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়? 
  1. ঘূর্ণিঝড় 
  2. বন্যা 
  3. জলোচ্ছ্বাস 
  4. ভূমিকম্প 
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প: 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প। 
- ভূমিকম্প সংঘটনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হলেও ভূমিকম্প সংঘটনের পূর্বে সতর্কতা প্রাপ্তি এখনো সম্ভব হয়নি। 

অন্যদিকে, 
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস ক্ষেত্রে পূর্বাভাস পাওয়া যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যাল এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০৩৭.
কোন পদার্থ সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী?
  1. রুপা
  2. পাথর
  3. সোনা
  4. লোহা
ব্যাখ্যা
পরিবাহিতা: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে, 
I ∝ V 
বা, I = GV 
এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens)। একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশি। 
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশি। 
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা। 
- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে। 
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়। 
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়। 
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। 
- অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩৮.
শব্দের গতি কোন মাধ্যমে শূন্য?
  1. শূন্য 
  2. পানি 
  3. বায়ু 
  4. ইস্পাত 
ব্যাখ্যা

- শব্দ এক প্রকার তরঙ্গ যা চলার জন্য একটি মাধ্যম (কঠিন, তরল বা বায়বীয়) প্রয়োজন। শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা অণু থাকে না, যার ফলে শব্দ তরঙ্গ কম্পন প্রেরণের জন্য কোনো মাধ্যম পায় না। এই কারণে শূন্য মাধ্যমে শব্দের গতিবেগ শূন্য। 

শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ তরঙ্গ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি। 
- বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০৩৯.
কোনটির জন্য নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না?
  1. ক) পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  2. খ) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ
  3. গ) সমুদ্র জলের লবণাক্ততার পার্থক্য
  4. ঘ) জোয়ার ভাটা
ব্যাখ্যা
দৈনিক দুবার জোয়ার-ভাটা হওয়ার ফলে ভাটার টানে নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।
৩,০৪০.
মানুষের মস্তিষ্কে কত জোড়া করোটিক স্নায়ু আছে?
  1. ক) পাঁচ
  2. খ) সাত
  3. গ) বারো
  4. ঘ) একত্রিশ
ব্যাখ্যা
মানুষের মস্তিষ্কে বারো জোড়া করোটিক স্নায়ু আছে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৩,০৪১.
40 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ কত হবে?
  1. ক) 332ms-1
  2. খ) 350ms-1
  3. গ) 356ms-1
  4. ঘ) 360ms-1
ব্যাখ্যা

0°C বা 273K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
বাতাসের তাপমাত্রা অথবা আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। প্রতি ১°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে শব্দের দ্রুতির বৃদ্ধি ০.৬ ms-1.
∴ 40°C তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ = 332+(40×0.6) ms-1
= 356 ms-1

৩,০৪২.
নিচের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. ব্যাসল্ট
  2. কোয়ার্টজাইট
  3. গ্রানাইট
  4. চুনাপাথর
ব্যাখ্যা
ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার।
যথা:
- আগ্নেয় শিলা
- পাললিক শিলা ও
- রূপান্তরিত শিলা।

পলি সঞ্চিত হয়ে গঠিত শিলা পাললিক শিলা নামে পরিচিত।
পাললিক শিলার মধ্যে রয়েছে:
- কয়লা
- বেলেপাথর
- চুনাপাথর
- কাঁদাপাথর
- কেওলিন
- শেল প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- ব্যাসল্ট : বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
- কোয়ার্টজাইট : রূপান্তরিত শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,০৪৩.
সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড পানির সাথে বিক্রিয়া করে কোনটি উৎপাদন করে?
  1. ক) শুধু গ্লুকোজ
  2. খ) শক্তি
  3. গ) কার্বনিক এসিড
  4. ঘ) গ্লুকোজ ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোক সংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে।
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ।
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে।
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- সবুজ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৩,০৪৪.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. জীবভূগোল
  2. জলবায়ুবিদ্যা
  3. ভূমিরূপবিদ্যা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical geography):
- ভুগোলের যে শাখায় ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
- পৃথিবীর ভূমিরূপ, এর গঠন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জলবায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক ভুগোলের আলোচ্য বিষয়।
১। ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology)।
২। জলবায়ুবিদ্যা (Climatology)।
৩। জীবভূগোল (Biogeography)।
৪। মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography)।
৫। সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography)।

তথ্যসূত্র - ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,০৪৫.
নিচের কোনটি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস?
  1. ক) বায়োমাস
  2. খ) বায়ুশক্তি
  3. গ) নিউক্লিয়ার
  4. ঘ) জিওথার্মাল
ব্যাখ্যা
যে শক্তিকে নবায়ন করা যায়, যা ফুরিয়ে যাওয়ার আশংকা নেই তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসঃ বায়োমাস, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, জিওথার্মাল, সৌরশক্তি। তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম এগুলো অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,০৪৬.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে কোন শতাব্দীতে?
  1. অষ্টাদশ শতাব্দীতে
  2. ঊনবিংশ শতাব্দীতে
  3. বিংশ শতাব্দীতে
  4. একবিংশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে তিনি বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৪৭.
নিম্নের কোন রোগটি আয়োডিনের অভাবে হয়?
  1. ক) রিকেটস
  2. খ) রাতকানা
  3. গ) গলগন্ড
  4. ঘ) রক্তশূন্যতা
ব্যাখ্যা
গলগন্ড (Goitre) :
গলগন্ড থাইরয়েড গ্রন্থির একটি রোগ।
খাবারে আয়োডিনের অভাব থাকলে থাইরয়েডের গ্রন্থির আয়তন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গলগন্ডের সৃষ্টি করে। 
গলগন্ড দু'প্রকার। যথা—

(ক) সরল গলগন্ড : আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থিদ্বয় অথবা যে কোনো একটি ফুলে যায়। ফলে গলার কিছু অংশ ফুলে নিচের দিকে ঝুলে পড়ে। এটিই সরল গলগন্ড নামে পরিচিত।
লক্ষণ- আলসেমি বা কুঁড়েমি, নিদ্রাহীনতা, শুকনো চামড়া, ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা, মানসিক প্রতিবন্ধকতা, পড়াশুনায় অমনোযোগী হওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া ইত্যাদি গলগন্ড রোগ রোগের লক্ষণ।
প্রতিরোধ- যে অঞ্চলে এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেবে সে অঞ্চলের খাওয়ার পানির সাথে অতি সামান্য মাত্রায় আয়োডিন মেশানো যেতে পারে । আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা।

(খ) টক্সিক গলগন্ড : অতিমাত্রায় থাইরক্সিন হরমোন নিঃসরণের ফলে এ রোগ দেখা দেয়।
লক্ষণ- হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, বুক ধড়পড় করা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া ও অধিক ঘাম হওয়া ইত্যাদি।
প্রতিরোধ ব্যবস্থা- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রেডিওঅ্যাক্টিভ আয়োডিন ব্যবহার করার মাধ্যমে এ গ্রন্থির বৃদ্ধি রোধ করা যায়। আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন- সামুদ্রিক শৈবাল, সামুদ্রিক মাছ, ইত্যাদি খাওয়া।
৩,০৪৮.
কোনো সিস্টেমের বিশৃংখলার সূচক পরিমাপক -
  1. ক) সিস্টেম লস
  2. খ) কর্মদক্ষতা
  3. গ) এনথালপি
  4. ঘ) এনট্রপি
ব্যাখ্যা
এনট্রপি: কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে।
আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়।
ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়।
অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে।
ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়।
বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা
স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে।
ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,০৪৯.
বাসাবাড়িতে পরিষ্কারক হিসেবে নিচের কোনটি বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. জিংক কার্বোনেট
  2. অ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
  3. ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড
  4. ক্যালামিন
ব্যাখ্যা
- বাসাবাড়িতে পরিষ্কারক হিসেবে প্রচুর পরিমাণে অ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইড ব্যবহৃত হয়। 
- ক্যালামিন হলো(Calamine) লোশন, যা মূলত জিংক কার্বোনেট (ZnCO3)। 
- ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Mg(OH)2) ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড (Al(OH)3) নামের ক্ষার এসিডিটি দূর করে।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান।
 
৩,০৫০.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় ভ্রূণের গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. সাইটোলজি
  2. এমব্রায়োলজি
  3. জেনেটিক্স
  4. ফিজিওলজি
ব্যাখ্যা
শারীরবিদ্যা (Physiology) : জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

ভ্রূণবিদ্যা (Embryology) : ভ্রূণ সৃষ্টি ও বিকাশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের সৃষ্টি হয়। জীবের ভ্রূণ গঠন ও বিকাশ নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

কোষবিদ্যা (Cytology) : জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ। কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

বংশগতিবিদ্যা (Genetics) : মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়। বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫১.
'হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি' রোগের টিকা শিশুর জন্মের কয় সপ্তাহ পর দিতে হয়?
  1. ক) ৬ সপ্তাহ
  2. খ) ৬ মাস
  3. গ) ৯ সপ্তাহ
  4. ঘ) ৯ মাস
ব্যাখ্যা

রোগের নাম - যক্ষা
টিকার নাম - বিসিজি
ডোজের সংখ্যা - ১
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - জন্মের পর থেকে

রোগের নাম - ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি
টিকার নাম - পেন্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব)
ডোজের সংখ্যা - ৩
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ৬ সপ্তাহ

রোগের নাম - নিউমোকক্কাল নিঊমোনিয়া
টিকার নাম - পিসিভি ভ্যাকসিন
ডোজের সংখ্যা - ৩
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ৬ সপ্তাহ

রোগের নাম - পোলিওমাইলাইটিস
টিকার নাম - ওপিভি
ডোজের সংখ্যা - ৪*
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ৬ সপ্তাহ

রোগের নাম - হাম ও রুবেলা
টিকার নাম - এমআর টিকা
ডোজের সংখ্যা - ১
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ৯ মাস বয়স পূর্ণ হলে

রোগের নাম - হাম
টিকার নাম - হামের টিকা
ডোজের সংখ্যা - ১
টিকা শুরু করার সঠিক সময় - ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।

৩,০৫২.
Logos শব্দটির অর্থ কি?
  1. যুক্তি
  2. জীবন
  3. জ্ঞান
  4. অবধারণ
ব্যাখ্যা
• জীববিজ্ঞান:
- জীবজগতের বিজ্ঞানভিত্তিক পঠন-পাঠন, আলোচনা, গবেষণা এবং প্রয়োগই হলো Biology বা জীববিজ্ঞান।
- ফরাসী বিজ্ঞানী ল্যামার্ক  জীবনের বিজ্ঞান বোঝাতে Biology শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।
- দু'টি গ্রীক শব্দ Bios (অর্থ জীবন) এবং Logos (অর্থ জ্ঞান)-এর সমন্বয়ে ইংরেজি Biology শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- অ্যারিস্টটলকে জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- জীববিজ্ঞানের প্রধান শাখা দুটি। যথা-
 ১. উদ্ভিদবিজ্ঞান (Botany):
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় সব ধরনের উদ্ভিদ, তাদের গঠন, স্বভাব, আবাসস্থল, শ্রেণিবিন্যাস, পূর্ণ জীবন বৃত্তান্ত, মানব কল্যাণে প্রয়োগ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তা হলো উদ্ভিদবিজ্ঞান।
- গ্রীক দার্শনিক থিওফ্রাস্টাসকে উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

২. প্রাণিবিজ্ঞান (Zoology):
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় সব ধরনের প্রাণী, তাদের গঠন, স্বভাব, আবাসস্থল, শ্রেণিবিন্যাস, জীবন বৃত্তান্ত, মানব কল্যাণে প্রয়োগ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তা হলো প্রাণিবিজ্ঞান।
-  গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটলকে  প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫৩.
পুরুষ প্রজননতন্ত্রের মুখ্য জনন অঙ্গ কোনটি?
  1. পুরুষাঙ্গ
  2. শুক্রাশয়
  3. এপিডিডাইমিস
  4. ক্ষেপণ নালি
ব্যাখ্যা
• পুরুষ প্রজননতন্ত্রের মুখ্য জনন অঙ্গ হলো শুক্রাশয়। 

• পুরুষ প্রজনন অঙ্গ:
- যেসব অঙ্গের সমন্বয়ে প্রধানত শুক্রাণু তৈরি, সঞ্চয় ও পরিবহন সম্পন্ন হয় সেগুলোকে পুরুষ প্রজনন অঙ্গ বলা হয়।

• পুরুষ জনন অঙ্গ ২ ধরনের।
যথা-
- মুখ্য জনন অঙ্গ: পুরুষ প্রজননতন্ত্রের যে অঙ্গ শুক্রাণু উৎপন্ন করে তাকে মুখ্য জনন অঙ্গ বলা হয়। 
- আনুষঙ্গিক জনন অঙ্গ: যে সব অঙ্গ শুক্রাণু সঞ্চয় ও পরিবহনের কাজে নিয়োজিত সেগুলোকে আনুষঙ্গিক জনন অঙ্গ বলে। 

• শুক্রাশয় হচ্ছে মুখ্য জননাঙ্গ।
- এর কারণ হলো শুক্রাশয় থেকে শুক্রাণু উৎপন্ন হয়। 

অন্যদিকে,
•  আনুষঙ্গিক জনন অঙ্গ সমূহ হলো- 
- এপিডিডাইমিস,
- ভাস ডিফারেন্স (Vas deferens) বা শুক্রনালি,
- সেমিনাল ভেসিকল,
- ক্ষেপন নালি,
- ইউরেথ্রা,
- বহিঃযৌনাঙ্গ,
- জনন গ্রন্থি। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
৩,০৫৪.
“ক্রেসকোগ্রাফ” যন্ত্র আবিষ্কার করেন-
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) জগদীশ চন্দ্র বসু
  3. গ) আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
  4. ঘ) চার্লস ডারউইন
ব্যাখ্যা

জগদীশ চন্দ্র বসুর উল্লেখযেযাগ্য আবিষ্কারের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোওয়েভ রিসিভার ও ট্রান্সমিটারের উন্নয়ন, এবং ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র যা দিয়ে গাছের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা যায়।
উদ্ভিদের জীবনচক্র তিনি প্রমাণ করেছিলেন।
তিনি গাছেরও যে প্রাণ আছে এটা আবিষ্কার করেন।
বেতার যন্ত্রের প্রথম উদ্ভাবক হিসাবে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
যদিও বেতারের আবিষ্কারক হিসাবে বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছিলেন মার্কনি, কারণ জগদীশ বসু এটার আবিষ্কারকে নিজের নামে পেটেন্ট করেননি।
উৎসঃ বিবিসি।

৩,০৫৫.
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপযোগী করতে কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. জেনারেটর 
  2. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার 
  3. সার্কিট ব্রেকার
  4. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
ব্যাখ্যা
তড়িতের সিস্টেম লস: 
- দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত পাওয়ার প্লান্টগুলোতে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে, এই বিদ্যুৎকে প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন এলাকায় পাঠাতে হয়। 
- বিদ্যুৎ বিতরণ করার জন্য প্রথমে বিভিন্ন এলাকার সাব-স্টেশনে পাঠানো হয়। 
- সাব-স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ-ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তিকে একেবারে গ্রাহক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিতরণ করার জন্য যে পরিবাহী তার ব্যবহার করা হয়, কম হলেও তাদের কিছু পরিমাণ রোধ থাকে। 
- একটা রোধের (R) ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ (I) হলে সবসময়েই (I2R) তাপ উৎপন্ন হয় এবং এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ শক্তির লস বা ক্ষয় হয়। 
- একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রোধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। 
- সে জন্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়। 
- গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযোগ্য ভোল্টেজে নামিয়ে আনা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৫৬.
কিলোওয়াট-ঘণ্টা নিচের কোন রাশিটির একক নয়?
  1. কাজ
  2. শক্তি
  3. ক্ষমতা
  4. বিদ্যুৎশক্তি
ব্যাখ্যা
- কিলোওয়াট-ঘণ্টা 'ক্ষমতা' রাশিটির একক নয়। 

শক্তি: 

- কোনো বস্তুর কাজ করা সামর্থ্যকে শক্তি বলে। বস্তু সর্বমোট যতটুকু কাজ করতে পারে তা দিয়েই বস্তুর শক্তির পরিমাপ করা হয়। 
- কাজের মাত্রা ও শক্তির মাত্রা একই অর্থাৎ  ML2T -2
- কাজের একক ও শক্তির একক একই অর্থাৎ জুল (J)। 

কিলোওয়াট-ঘণ্টা: 
- সাধারণত বিদ্যুৎ শক্তির হিসাব-নিকাশের সময় কিলোওয়াট-ঘণ্টা (KWh) এককটি ব্যবহৃত হয়। 
- এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক ঘণ্টা কাজ করলে যে শক্তি ব্যয় হউ তাকে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বলে। 
1 KWh = 1000 Wh 
= 1000 J s -1 × 3600 s 
∴ 1 KWh = 3.6 × 106 J. 

অন্যদিকে, 
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক ওয়াট। 
- ক্ষমতা কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৩,০৫৭.
বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?
  1. মেরু অঞ্চলে
  2. বিষুব অঞ্চলে
  3. পাহাড়ের ওপর
  4. পৃথিবীর কেন্দ্রে
ব্যাখ্যা

বস্তুর ওজন:
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি।
- বিষুবীয় (নিরক্ষীয়) অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩,০৫৮.
জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় এমন এসিডকে কী বলা হয়? 
  1. তীব্র এসিড
  2. জৈব এসিড
  3. দুর্বল এসিড
  4. লবণীয় এসিড
ব্যাখ্যা

এসিড: 
- এসিড টক স্বাদ যুক্ত। 
- এটি নীল লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে। 
- এটি ক্ষার ও ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- এটি ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে H2 গ্যাস উৎপন্ন করে। 

জৈব এসিড: 
- জৈব এসিড মূলত কার্বক্সিলিক মূলক (-COOH) অথবা সালফোনিক এসিড মূলক (-SO3H) বর্তমান থাকে এবং অম্লধর্ম প্রকাশ পায়, ওদেরকে জৈব এসিড বলে। 

অজৈব এসিড: 
- অজৈব যৌগ কিন্তু টক স্বাদ যুক্ত, নীললিটমাস লাল করে, ক্ষার বা ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণও পানি উৎপন্ন করে এবং ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে H2 গ্যাস উৎপন্ন করে তাকে অজৈব এসিড বলে। 

তীব্র এসিড: 
- জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণ ভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- HCl, HNO3, H2SO4 ইত্যাদি। 

দুর্বল এসিড: 
- জলীয় দ্রবণ আংশিকভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- H2CO3, H-COOH, CH3-COOH ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৫৯.
বলবিদ্যা ও মহাকর্ষ বলের সাথে সম্পর্কিত নিচের কোন ব্যক্তিত্ব?
  1. ক) লিবনিজ
  2. খ) নিউটন
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা
1687 খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী নিউটন বলবিদ্যার তিনটি এবং মহাকর্ষ বলের সূত্র প্রকাশ করে গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়। আলােকবিজ্ঞান এবং অন্য আরাে কাজের সাথে সাথে বিজ্ঞানী নিউটন লিবনিজের সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৩,০৬০.
সামাজিক আচরণ প্রদর্শনকারী প্রাণী কোনটি?
  1. ব্যাঙ
  2. বাবুই পাখি
  3. কুকুর
  4. মৌমাছি
ব্যাখ্যা

• সামাজিক আচরণ প্রদর্শনকারী প্রাণী হলো এমন প্রাণী যারা দলবদ্ধভাবে বসবাস করে, নিজেদের মধ্যে সংযোগ ও সহযোগিতা করে এবং দলগত কাজ করে। এই ধরনের প্রাণীর মধ্যে একে অপরের সাথে যোগাযোগ, খাদ্য সংগ্রহ, শিকার করা বা শত্রু থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সাধারণ। উপরের উদাহরণগুলোতে ব্যাঙ মূলত একা থাকে এবং সামাজিকতা খুব কম দেখায়। বাবুই পাখি কিছুটা দলবদ্ধ হয়, কিন্তু সামাজিক আচরণ সীমিত। কুকুর মানুষের সাথে এবং নিজেদের মধ্যে সামাজিক আচরণ দেখায়, তবে মৌমাছি সম্পূর্ণ সামাজিক প্রাণী হিসেবে পরিচিত। মৌমাছি ছত্রাকের মতো কাঠামো তৈরি, খাদ্য সংগ্রহ, সন্তান পালন এবং রানী মৌমাছির নেতৃত্বের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সামাজিক জীবন পরিচালনা করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) মৌমাছি।
 
• মৌমাছির সামাজিক আচরণ (Social Behavior of Honey Bee):
- মৌমাছি সামাজিক প্রাণী। একেকটি বড় পরিবার গড়ে বা বসতবদ্ধ হয়ে মৌচাকে বাস করে।
- প্রত্যেকটি কলোনিতে মৌমাছির ৩টি সম্প্রদায়ভুক্ত সদস্যরা সম্মিলিতভাবে সামাজিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করে চলে।
- একটি মাত্র রাণীর নেতৃত্বে কয়েকশ ড্রোন (পুরুষ মৌমাছি) এবং ৬০-৮০ হাজার কর্মী মৌমাছি (বন্ধ্যা স্ত্রী মৌমাছি) সুশৃঙ্খলভাবে সামাজিক দায়িত্ব পালন করে।
- এই মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা মৌমাছি গোষ্ঠীর সকল মৌলিক চাহিদা মিটিয়ে প্রাণিজগতে অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
- মৌমাছিরা দৃঢ় সমাজবদ্ধ জীব হিসেবে বাস করে এবং একে সমাজবদ্ধ প্রাণীর আদর্শ উদাহরণ বলা হয়।

সুতরাং, সামাজিক আচরণ প্রদর্শনকারী প্রাণী হল মৌমাছি।  
সঠিক উত্তর: ঘ) মৌমাছি। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

৩,০৬১.
মশা ও আরশোলা নিধনে ব্যবহৃত অ্যারোসলের গন্ধ কোন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে? 
  1. ব্যাপন
  2. পাতন
  3. অভিস্রবণ
  4. নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে যে অ্যারোসল ব্যবহার করা হয় তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম। আর যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক। 

নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬২.
ক্যালসিয়ামের আকরিক নিচের কোনটি?
  1. বক্সাইট
  2. জিপসাম
  3. হেমাটাইট
  4. বোরাক্স
ব্যাখ্যা
সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর, 
- জিপসাম
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট, 
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৬৩.
নিচের কোনটি রক্তের অজৈব পদার্থ?
  1. ক্লোরিন
  2. ভিটামিন
  3. গ্লকোজ
  4. অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা
রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বলে।
রক্তরসের প্রায় ৯০% জৈব ও অজৈব পদার্থ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।

জৈব পদার্থগুলো হলো:
 খাদ্যসার (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো অ্যাসিড, স্নেহ পদার্থ, ভিটামিন, ইত্যাদি)।
 রেচন পদার্থ (ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন, ইত্যাদি)।
 প্রোটিন (ফিব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, ইত্যাদি)।
 প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি (অ্যান্টিটক্সিন)।
এছাড়াও রয়েছে হরমোন, কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন, ইত্যাদি।

অজৈব পদার্থের মধ্যে রয়েছে সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন,
এবং গ্যাসীয় পদার্থ--O2, CO2, N2 ইত্যাদি।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬৪.
পরমাণুর গ্রিক প্রতিশব্দ 'অ্যাটোমোস' (Atomos) এর বাংলা অর্থ কী?
  1. ক) ক্ষুদ্র
  2. খ) অবিভাজ্য
  3. গ) অতিক্ষুদ্র
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- পরমাণু এর ইংরেজি হলো অ্যাটম (atom)।
- অ্যাটম কথাটি এসেছে গ্রিক শব্দ অ্যাটোমোস (Atomos) থেকে।
- Atomos এর অর্থ অবিভাজ্য (uncuttable)।
- বিজ্ঞানী ডালটন পরমাণুর অবিভাজ্যতা বিষয়ক ধারণার প্রবক্তা। উনবিংশ শতাব্দিতে এই ধারণার বিকাশ হয়েছিলো।
- কিন্তু ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন আবিষ্কার হওয়ার পর এই ধারণা পরিত্যক্ত হয়েছে।

৩,০৬৫.
রক্তের প্রধান অংশ গঠনকারী উপাদান কোনটি?
  1. রক্তরস
  2. লোহিত রক্তকণিকা
  3. শ্বেত রক্তকণিকা
  4. অণুচক্রিকা
ব্যাখ্যা

রক্তে রক্তরসের পরিমাণ ৫৫% আর রক্তকণিকার পরিমাণ ৪৫%।
রক্তকণিকা আবার তিন রকমের-
- লোহিত রক্তকণিকা,
- শ্বেত রক্তকণিকা ও
- অণুচক্রিকা।
অর্থাৎ রক্তের প্রধান অংশই গঠন করে রক্তরস।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,০৬৬.
নিচের কোনটি তড়িৎ পরিবাহী নয়?
  1. তামা
  2. রূপা
  3. পারদ
  4. গন্ধক
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ পরিবাহী:
- যে সমস্ত পদার্থের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে পরিবাহিত হয় তাকে পরিবাহী বলে। যেমন রূপা, লোহা, তামা, পারদ ইত্যাদি ধাতু বা গলিত ধাতু, লবণ, ক্ষার, এসিড বা এদের দ্রবণ। 

• তড়িৎ অপরিবাহী:
- যে সকল বস্তুর ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না তাদেরকে অপরিবাহী বলে। যেমন কাঠ, চিনি, গন্ধক, পেট্রল ইত্যাদি। 
- পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায়- 10-8 Ωm ক্রমের। 


উৎস:
১. রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬৭.
ওজোন গ্যাস রয়েছে-
  1. ক) ট্রপোস্ফিয়ার
  2. খ) মেসোস্ফিয়ারে
  3. গ) স্ট্রাটোস্ফিয়ারে
  4. ঘ) আয়নোস্ফিয়ারে
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের স্তর স্ট্রাটোস্ফিয়ারে রয়েছে ওজোন গ্যাস যা আমাদেরকে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে৷
উৎসঃ ষষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,০৬৮.
'নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য' এটি প্রমাণ করেন -
  1. ক) ওয়াটসন ও ক্রিক
  2. খ) নিউটন ও গ্যালিলিও
  3. গ) ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
  4. ঘ) আইনস্টাইন ও স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৮ সালে ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য। 
অর্থাৎ ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়। 
- এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়। 
- নিউক্লিয়াস বিভাজন থেকে যে শক্তি উৎপাদন হয়, সেই শক্তির পরিমাণ বিপুল।
- এজন্য বর্তমান আধুনিক বিশ্ব নিউক্লিয় শক্তিকে শক্তির একটি প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩,০৬৯.
দূষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে?
  1. ক) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. খ) কার্বন মনোক্সাইড
  3. গ) সালফার ডাইঅক্সাইড
  4. ঘ) নাইট্রিক অক্সাইড
ব্যাখ্যা
কার্বন মনোক্সাইড:
- দূষিত বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে।
- কার্বন মনোক্সাইড ইংরেজিতে Carbon Monoxide (রাসায়নিক সংকেত: CO) হল একপ্রকার রঙ, গন্ধ এবং স্বাদহীন গ্যাস, যার ঘনত্ব বাতাসের তুলনায় কিছুটা কম।
- এক পরমাণু কার্বন ও এক পরমাণু অক্সিজেন যুক্ত হয়ে এক অণু কার্বন মনোক্সাইড গঠন করে।
- আন্তর্জাতিকভাবে এটি বিষাক্ত গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত।

• কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় মানবদেহে যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে:
- দুর্বলতা, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, ক্ষুধা, মাথা ব্যাথা, অজ্ঞান হওয়া, খিঁচুনি ইত্যাদি। 

উৎস: Centers of Disease Control and Prevention website. 
৩,০৭০.
কোনটি শৈবালের উদাহরণ?
  1. ক) মিউকর
  2. খ) আগারিকাস
  3. গ) স্পাইরোগাইরা 
  4. ঘ) ইস্ট
ব্যাখ্যা
শৈবাল জলজ সুকেন্দ্রিক এককোষী বা বহুকোষী জীব, যারা সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। এদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত নয়। স্পাইরোগাইরা (সূত্রাকার শৈবাল) , ভলভক্স (উপনিবেশ গঠনকারী শৈবাল)।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
৩,০৭১.
অপ্রতিসম ফুল কোনটি?
  1. কলাবতী ফুল
  2. শিমের ফুল
  3. জবা
  4. সরিষা ফুল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- যে ফুল খাড়াভাবে কেন্দ্র বরাবর কাটলে একবারের অধিক সমান দুটি অংশে বিভক্ত হয়, তাকে বহুপ্রতিসম ফুল বলে, যেমন- সরিষা, জবা ইত্যাদি।
- যে ফুল খাড়াভাবে কেন্দ্র বরাবর কাটলে মাত্র একবার দুটি সমান অংশে বিভক্ত হয়, তাকে একপ্রতিসম ফুল বলে, যেমন- শিম ও অপরাজিতা ফুল।
- যে ফুল খাড়াভাবে কেন্দ্র বরাবর কাটলে কখনোই দুটি সমান অংশে বিভক্ত করা যায় না, তাকে অপ্রতিসম ফুল বলে, যেমন- কলাবতী ফুল।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,০৭২.
কোনটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. দূর্বাঘাস
  2. দাঁতমর্দন
  3. লেবু
  4. কালকাসুন্দা
ব্যাখ্যা
গুল্ম
- একক গুঁড়িবিহীন ঝোপজাতীয় মাঝারি ধরনের কাষ্ঠল উদ্ভিদকে গুল্ম বলে।
- যেমন- জবা, গোলাপ, রঙ্গন, লেবু।
- গুল্ম বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ।

উপগুল্ম:
- গুল্মের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট আকৃতির উদ্ভিদকে উপগুল্ম বলে।
- যেমন- কালকাসুন্দা, দাঁতমর্দন।

বীরুৎ:
- ছোট ও নরম কাণ্ড বিশিষ্ট অকাষ্ঠল উদ্ভিদকে বীরুৎ বলে।
- যেমন- ধান, সরিষা, মরিচ, গম, দূর্বাঘাস ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,০৭৩.
অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহণ করে কোনটি?
  1. ক) শিরা
  2. খ) ধমনী
  3. গ) কৈশিকনালী
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ধমনী অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে। 
ধমনি ও শিরা মূলত রক্তনালি। যেসব রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে সারা দেহে বাহিত হয়, তাই ধমনী।
ধমনীর উৎপত্তিস্থল হৃৎপিণ্ড।
রক্তের গতির দিক সাধারণত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন দিকে।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি

৩,০৭৪.
হিগস বোসন কণার অপর নাম কী?
  1. আলফা কণা
  2. ফোটন
  3. ঈশ্বর কণা
  4. নিউট্রন
ব্যাখ্যা

• হিগস বোসন কণা হলো মৌলিক পদার্থ যা ভরের উৎস, এবং সাধারণভাবে এটিকে “ঈশ্বর কণা (God Particle)” বলা হয়।

- ১৯৯৩ সালে লিওনার্ড গডেলম্যান (Leon Lederman) এই কণার জন্য বই লিখে এটিকে প্রখ্যাত করেন “God Particle” নামে।
- নামটি এসেছে কণাটি এতই গুরুত্বপূর্ণ যে পুরো পদার্থবিজ্ঞান এবং ব্রহ্মাণ্ডের গঠন বোঝার জন্য অপরিহার্য, কিন্তু খুব ধীরে ধীরে এবং কঠিনভাবে আবিষ্কার করা যায়।

হিগস বোসন কী?
- হিগস বোসন হলো একটি মৌলিক কণা যা হিগস ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- হিগস ক্ষেত্র হলো সেই ক্ষেত্র যা অন্য কণাগুলিকে ভর (Mass) প্রদান করে।
- এটি প্রথমভাবে প্রস্তাব করেন পিটার হিগস (Peter Higgs) ১৯৬৪ সালে।

আবিষ্কার ও পরীক্ষা:
- CERN-এর Large Hadron Collider (LHC)-এ ২০১২ সালে হিগস বোসনের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়।
- এটি Standard Model of Particle Physics-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
 
বৈশিষ্ট্য:
- ভরযুক্ত কণার উৎপত্তি বোঝায়।
- স্থিতিশীল নয়; খুব দ্রুত অন্য কণায় রূপান্তরিত হয়।
- পদার্থবিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের গঠন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৩,০৭৫.
কোনটি কৃত্রিম অঙ্গজ জনন?
  1. ক) দেহের খন্ডায়ন
  2. খ) মূলের মাধ্যমে
  3. গ) রূপান্তরিত কাণ্ডের মাধ্যমে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক অঙ্গজ জননঃ
দেহের খন্ডায়ন
মূলের মাধ্যমে
রূপান্তরিত কাণ্ডের মাধ্যমে
পাতার মাধ্যমে

কৃত্রিম অঙ্গজ জননঃ
কলম
শাখা কলম

উৎসঃ বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
৩,০৭৬.
রেফ্রিজারেটরে মূলত কোন রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করা হয়?
  1. হাইড্রোজেন
  2. কর্পূর
  3. ফ্রেয়ন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

• রেফ্রিজারেটরে সাধারণত খাদ্য ও পানীয়কে ঠাণ্ডা রাখতে ফ্রেয়ন নামক রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহৃত হয়। ফ্রেয়ন একটি যৌগ যা সহজে বাষ্পীভূত হয় এবং পুনরায় তরল হয়ে তাপ শোষণ ও নিঃসরণের মাধ্যমে শীতলতা সৃষ্টি করে। এটি হালকা, জ্বালানী-মুক্ত এবং নিরাপদ হওয়ার কারণে ঘরে ব্যবহৃত রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারে প্রচলিত। হাইড্রোজেন বা কর্পূর রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলি অত্যন্ত জ্বলনশীল বা কার্যকর নয়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ফ্রেয়ন।

• রেফ্রিজারেটর:
- রেফ্রিজারেটরের শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠকে ঘিরে থাকে তামার তৈরি ফাপা নলের কুন্ডলী, একে বাষ্পীভবন কুন্ডলী বলে।
- এই কুন্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয়।
- ফ্রেয়ন হচ্ছে ডাইক্লোরোডাইফ্লোরো মিথেন।
- এই নলের সাথে একটি সংকোচন পাম্প সংযুক্ত থাকে।
- পাম্প চালু করা হলে নলের ভিতরের চাপ কমে যাওয়ায় ফ্রেয়ন দ্রুত বাষ্পীভূত হয়।
- এজন্য যে সুপ্ততাপ প্রয়োজন তার খানিকটা ফ্রেয়ন নিজে সরবরাহ করে আর বাকীটা আসে শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থেকে, ফলে শীতলীকরণ ঘটে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

৩,০৭৭.
অ্যানথ্রাসাইট কয়লায় শতকরা কত ভাগ কার্বন থাকে? 
  1. প্রায় ৫০ ভাগ
  2. প্রায় ৬০ ভাগ
  3. প্রায় ৭৫ ভাগ
  4. প্রায় ৯৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- তবে স্থানভেদে কয়লায় ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H), সালফার (S), অক্সিজেন (O) কিংবা নাইট্রোজেন (N) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যথা-
১। অ্যানথ্রাসাইট: 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি হয়। 
- এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 

২। বিটুমিনাস: 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো কয়লা। 
- এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 

৩। লিগনাইট: 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো কয়লা। 
- এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৭৮.
সাইক্লোন সৃষ্টি হওয়ার প্রধান কারণ কী?
  1. নিম্ন তাপমাত্রা
  2. উচ্চচাপ
  3. নিম্নচাপ
  4. সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা
• সাইক্লোন সৃষ্টি হওয়ার প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর নিম্নচাপের সৃষ্টি। যখন সমুদ্রের পানি গরম হয়, তখন তার থেকে বাষ্প উঠতে থাকে এবং বাতাসের চাপ কমে যায়। এই নিম্নচাপের কারণে বাতাস কেন্দ্রের দিকে দ্রুত আকৃষ্ট হয় এবং ঘূর্ণায়মান গতিতে বাতাসের সঞ্চালন শুরু হয়। এই ঘূর্ণায়মান বাতাসের ভেলকমল অঞ্চল সৃষ্টি হয়, যাকে সাইক্লোন বলা হয়। উচ্চচাপ বা নিম্ন তাপমাত্রা সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ নয়, বরং গরম সমুদ্রের পানি এবং নিম্নচাপই এর মূল কারণ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) নিম্নচাপ।


সাইক্লোন:

- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়।
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৭৯.
আলফা রশ্মির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা
  2. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা
  3. চার্জবিহীন
  4. উচ্চ ভেদন ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• "ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা" আলফা রশ্মির একটি বৈশিষ্ট্য। 

• আলফা রশ্মি:
- আলফা রশ্মি বা আলফা কণা হলো একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।

• একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াসে থাকে দুইটি প্রোটন এবং দুইটি নিউট্রন, কাজেই এটি একটি চার্জযুক্ত কণা।
- এর ফলে বিদ্যুৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা এর গতিপথকে প্রভাবিত করা যায়।

• আলফা কণার বৈশিষ্ট্য:
- এটি ধীরগতির ও ভারী কণা।
- আলফা কণার চার্জ ধনাত্মক। যা He2+
- এর ভেদন ক্ষমতা কম, কিন্তু আয়নন ক্ষমতা বেশি।
- ভেদন ক্ষমতা কম হওয়ার কারণে এটি খুব বেশি দূর যেতে পারে না। একটি কাগজ দিয়েই আলফা কণাকে থামিয়ে দেওয়া যায়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৩,০৮০.
বাতাসে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক কত?
  1. 1.00
  2. 1.00029
  3. 1.33
  4. 1.52
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণাঙ্ক:
- পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা হচ্ছে আলোকবিজ্ঞান।
- আলোকবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে, কোন উপাদানের মধ্য দিয়ে আলো কতটা দ্রুত অতিক্রম করতে পারে তা হচ্ছে ঐ উপাদানের প্রতিসরণাঙ্ক।
-  শূন্য মাধ্যমে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 1.00
- বাতাসে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক  1.00029
- পানিতে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 1.33
- ফাইবার অপটিক ক্যাবলের কাচের তন্তুর প্রতিসরণাঙ্ক 1.5
- সাধারণ কাচে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 1.52
- হীরাতে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 2.42

উল্লেখ্য যে, বাতাসে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 1.00029, মানটি 1 এর কাছাকাছি হওয়ায় এটাকে 1 ধরেও হিসাব করা যায়।
- তবে অপশনে, দুটি মানই থাকলে বাতাসে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক বললে 1.00029 উত্তর হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
৩,০৮১.
চাঁদে নিয়ে গেলে কোনো বস্তুর ওজন-
  1. কমবে
  2. বাড়বে
  3. শূন্য হবে
  4. একই থাকবে
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে।
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে।
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়।
- পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে অর্থাৎ কমবে

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩,০৮২.
কৃষ্ণবিবর নামে আখ্যায়িত অঞ্চলের সীমাকে বলে-
  1. ক) পূর্ব দিগন্ত
  2. খ) ঘটনা দিগন্ত
  3. গ) আদি দিগন্ত
  4. ঘ) পশ্চিম দিগন্ত
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার। কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল। কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম এবং ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
৩,০৮৩.
যে তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু এর মধ্যে অবস্থিত জলীয় বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হয়, সেই তাপমাত্রাকে বলে-
  1. ক) স্ফুটনাঙ্ক
  2. খ) হিমাঙ্ক
  3. গ) গলনাঙ্ক
  4. ঘ) শিশিরাঙ্ক
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের জলীয় বাষ্পের উপস্থিতির একটি পরিমাপ শিশরাঙ্ক। যে তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু ঠান্ডা হয়ে এর মধ্যে অবস্থিত জলীয় বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হয়, সেই তাপমাত্রাকে শিশিরাঙ্ক বলে।
[সূত্রঃ পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত]
৩,০৮৪.
নিম্নের কোন রোগের টিকা Killed vaccine শ্রেণিভুক্ত?
  1. হাম
  2. মাম্পস
  3. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  4. যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা

• ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি।

• টিকার প্রকারভেদ:
মানবদেহে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করার জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করা হয়েছে। প্রধান টিকার প্রকারভেদগুলো হলো—

• নিষ্ক্রিয় বা দুর্বলকৃত জীবন্ত টিকা (Attenuated Live Vaccine):
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবন্ত জীবাণু দিয়ে এ ধরনের টিকা তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, গুটিবসন্ত, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের টিকা।

• মৃত জীবাণুবিশিষ্ট নিষ্ক্রিয় টিকা (Killed Vaccine):
- মৃত জীবাণু ব্যবহার করে এ ধরনের টিকা প্রস্তুত করা হয়।
- উদাহরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি রোগের টিকা।

• নিষ্ক্রিয় রাসায়নিক টিকা (Toxoid Vaccine):
- জীবাণু নিঃসৃত বিষাক্ত টক্সয়েডকে নিষ্ক্রিয় করে এ ধরনের টিকা তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, হুপিং কাশির টিকা।

• দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু টিকা (Surface Chemical Molecule Vaccine):
- সংক্রামক জীবাণুর দেহ তল থেকে নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদান, সাধারণত প্রোটিন অংশ, পৃথক করে টিকা তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: হেপাটাইটিস-B টিকা, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) টিকা।

• ডিএনএ টিকা (DNA Vaccine):
- রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে DNA ব্যবহার করে এ ধরনের টিকা তৈরি করা হয়।
- এটি আধুনিক জিন প্রকৌশলভিত্তিক টিকা।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৮৫.
4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি কত ক্যালরি তাপের সমতুল্য? 
  1. 1 ক্যালরি
  2. 2 ক্যালরি
  3. 3 ক্যালরি
  4. 4 ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 

উষ্ণতা বা তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হলো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- তাপমাত্রার S.I একক কেলভিন। 
- তবে তাপমাত্রার কেলভিন ছাড়াও বহুল প্রচলিত দুটি সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং ফারেনহাইট একক আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮৬.
ডিম্বকের মূল দেহকে কী বলে?
  1. ডিম্বকনাড়ী
  2. নিউসেলাস
  3. ডিম্বকনাভী
  4. ডিম্বকত্বক
ব্যাখ্যা
ডিম্বকের পরিস্ফুটন: 
- সপুষ্পক উদ্ভিদের স্ত্রী জননাঙ্গ বলতে স্ত্রীস্তবকের প্রত্যেকটা স্ত্রীকেশর (Carpel) কে বুঝায়। 
- প্রতিটি স্ত্রীকেশর তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা- গর্ভমুন্ড, গর্ভদন্ড ও গর্ভাশয় বা ডিম্বাশয়। 
- ডিম্বাশয়ের অভ্যন্তরে অবস্থিত স্ফিত অংশকে ডিম্বক (Ovule) বলে। 
- ডিম্বক সৃষ্টি হয় গর্ভাশয়ের ভেতরের অমরা (Placenta) হতে। 
- প্রথমে অমরাতে একটি ছোট স্ফিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, পরে সেটা বড় হয়ে ডিম্বকে পরিণত হয়। 
- ক্ষেত্র বিশেষে একটি ডিম্বাশয়ে এক বা একাধিক ডিম্বক থাকতে পারে। 
- প্রাথমিকভাবে ডিম্বকের টিস্যুকে মূলত দুটি অঞ্চলে ভাগ করা চলে । 
যথা- চারপাশের আবরণী টিস্যু ও মাঝের নিউসেলাস (Nucellus) টিস্যু। 
- পরে বাইরের আবরণটির নিচে অন্য একটি আবরণের সৃষ্টি হয়। 
- বাইরের আবরণকে বহিঃত্বক এবং ভেতরের আবরণকে অন্তঃত্বক বলে। 
- ডিম্বকের অগ্রভাগে একটি অংশে ত্বক না থাকায় নিউসেলাস উন্মুক্ত থাকে। 
- এটিতে একটি ছিদ্র পথ থাকে, যাকে ডিম্বকরন্ধ্র বা মাইক্রোপাইল (Micropyle) বলা হয়। 
- ডিম্বক সৃষ্টির শুরু সবক্ষেত্রে একইভাবে হলেও পরে ডিম্বকের বৃদ্ধি একইভাবে হয় না। 
- এ ব্যতিক্রমের জন্য পূর্ণ গঠিত ডিম্বক নানা আকৃতির হয়। 

ডিম্বকের গঠন: 
- একটি ডিম্বক (Megasporangium = ovule) নিম্নলিখিত অংশগুলো নিয়ে গঠিত- 
১। ডিম্বকনাড়ী (Funiculus): ডিম্বকের বোঁটার ন্যায় অংশকে ডিম্বকনাড়ী বলে। এ বোঁটার সাহায্যে ডিম্বক অমরার সাথে যুক্ত থাকে। 
২। ডিম্বকনাভী (Hilum): ডিম্বকের যে অংশের সাথে ডিম্বকনাড়ী সংযুক্ত থাকে তাকে ডিম্বকনাভী বলে। 
৩। নিউসেলাস (Nucellus): ডিম্বকের মূল দেহকে ভ্ৰূণপোষক টিস্যু বা নিউসেলাস বলে। এটি প্যারেনকাইমা টিস্যু দ্বারা গঠিত এবং ডিম্বকত্বক দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। 
৪। ডিম্বকমূল (Chalaza): ডিম্বকের গোড়ার দিকে যে অংশ হতে ডিম্বকত্বক উৎপন্ন হয় তাকে ডিম্বকমূল বলে। 
৫। ডিম্বকত্বক (Integument): নিউসেলাসের বাইরের আবরণকে ডিম্বকত্বক বলে। এটি সাধারণত দু'স্তরবিশিষ্ট হয়, তবে ক্ষেত্রবিশেষে একস্তর বিশিষ্টও হতে পারে।
৬। ডিম্বকরন্ধ্র (Micropyle): ডিম্বকত্বক ডিম্বককে সম্পূর্ণ আবৃত না করায় শীর্ষদেশে একটি ছিদ্রের সৃষ্টি হয়। এ ক্ষুদ্র ছিদ্রপথকে ডিম্বকরন্ধ্র বলে। 
৭। ভ্রূণথলি (Embryosac): নিউসেলাসের মধ্যে অবস্তিত থলির ন্যায় অংশকে ভ্রণথলি বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮৭.
নিচের কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয়?
  1. ক) কেরোসিন
  2. খ) এলকোহল
  3. গ) গ্লিসারিন
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

গ্লিসারিন ও এলকোহল পানিতে দ্রবীভূত হয়।
কিন্তু কেরোসিন পানিতে দ্রবীভূত হয় না।

৩,০৮৮.
আধুনিক বিজ্ঞানের জনক কে?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আইজ্যাক নিউটন
  4. ঘ) আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা

১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন।
গ্যালিলিও গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন। তাই গ্যালিলিওকে অনেক সময় আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
অন্যদিকে,
নিউটন বলবিদ্যা ও গতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন এবং
আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার সূত্র প্রদান করেন।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০৮৯.
১ কিলোক্যালরি সমান কত ক্যালরি?
  1. ১০ ক্যালরি
  2. ১০০০ ক্যালরি
  3. ১০০ ক্যালরি
  4. ১০০০০ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
ক্যালরি: 
- ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১০ সেলসিয়াস বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপ হচ্ছে ১ ক্যালরি। 
- ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি। 
- শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান থেকে দেহে তাপ উৎপন্ন হয়, এই তাপ দেহের ভিতরে খাদ্যের পরিপাক, বিপাক, শ্বাসকার্য, রক্তসঞ্চালন ইত্যাদি কাজে সাহায্য করে। 
- খাদ্যের তাপশক্তি মাপার একক হলো কিলোক্যালরি। 
- যেসব খাদ্যে শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ পদার্থ থাকে, সেসব খাদ্য থেকে বেশি ক্যালরি পাওয়া যায়। 
- যেসব খাদ্যে পানি ও সেলুলোজের পরিমাণ বেশি থাকে, সেসব খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। 
- তেল বা চর্বি জাতীয় পদার্থে ক্যালরির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৩,০৯০.
রক্তে হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে-
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
লৌহ রক্তের একটি প্রধান উপাদান৷ লৌহের প্রধান কাজ হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করা৷ হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে দেহে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৯১.
রকেট চালনা করা কোন সূত্রের বাস্তব উদাহরণ?
  1. ক) আর্কিমিডিসের সূত্র
  2. খ) নিউটনের প্রথম সূত্র
  3. গ) পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
  4. ঘ) নিউটনের তৃতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা

রকেট চালনা করা নিউটনের তৃতীয় সূত্রের বাস্তব উদাহরণ।
নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হল - প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে
রকেট চালনার ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণ জ্বালানিকে গ্যাসে পরিণত করা হয় এবং এই গ্যাস কে বাইরের দিকে সজোরে নিক্ষেপ করা হলে রকেট বিপরীত দিকে অর্থাৎ উপরের দিকে উৎক্ষেপিত হয়।

৩,০৯২.
সুনামির প্রধান কারণ কী? 
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. আগ্নেয়গিরি
  3. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
  4. সূর্যের আকর্ষণ 
ব্যাখ্যা

সুনামি (Tsunami) হলো সমুদ্রের তলদেশে হঠাৎ সৃষ্ট বিশাল শক্তির কারণে উৎপন্ন এক ধরনের বৃহৎ সমুদ্র তরঙ্গ। এর প্রধান কারণ হলো— সমুদ্রতলের ভূমিকম্প। 

​সুনামি:
- ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের কারণে সৃষ্ট বিশাল সামুদ্রিক ঢেউকে সুনামি বলে।

​সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ। জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'।
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়। এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। এটি অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে।
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে।

​সুনামির কারণ:
- ভূমিকম্প: সমুদ্রের তলে ভূমিকম্প হলে, জলের স্থানচ্যুতি ঘটে এবং সুনামি তৈরি হয়।
- ভূমিধস: সমুদ্রের তলে বা উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমিধস হলে, তা বিশাল ঢেউ তৈরি করতে পারে।
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: সমুদ্রের তলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হলে, তা জলকে স্থানচ্যুত করে এবং সুনামি তৈরি করতে পারে।
- পারমাণবিক বা অন্য কোন বিস্ফোরণ।

উৎস: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৩,০৯৩.
মানবদেহের দেহকোষে অটোজোম থাকে কতটি? 
  1. ০২ টি
  2. ২২ টি
  3. ৪৪ টি
  4. ৪৬ টি
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম: 
- মানবদেহের দেহকোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এই ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪টি ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম। 
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালী ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে অটোজোমের কোনো ভূমিকা নেই। 
- অন্য এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স-ক্রোমোজোম যা মানবদেহে লিঙ্গ নির্ধারণ করে থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৯৪.
সৌর শক্তির উৎস হলো-
  1. ক) ফিউশন বিক্রিয়া
  2. খ) চেইন বিক্রিয়া
  3. গ) ফিশন বিক্রিয়া
  4. ঘ) রাসায়নিক বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি। 
- সূর্য সকল শক্তির উৎস। 
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকেই আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। 
- প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়। 
- সৌরশক্তির সকল উৎস ফিউশন বিক্রিয়া

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯৫.
মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের বিকল্প নাম কী?
  1. স্বাধীন সঞ্চারণ সূত্র
  2. ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র
  3. মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের অপর নাম মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র/ জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র/ পৃথকীকরণ সূত্র।

• মেন্ডেলের সূত্র:
- জীনতত্ত্বের জনক বলে পরিচিত মেন্ডেল মূলত পেশায় অস্ট্রিয়ার একজন ধর্মযাজক ছিলেন।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির দুটি সূত্র প্রদান করেন ।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩:১।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অনুপাত ৯:৩:৩:১।

• মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র:
- মেন্ডেলের প্রথম সূত্রকে পৃথকীকরণ সূত্র বলা হয়।
- ‘জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি একক দায়ী থাকে যাকে ফ্যাক্টর (জিন) বলা হয় এবং ফ্যাক্টর বা জিনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সঙ্কর জীবে ফ্যাক্টর বা জিনগুলো মিশ্রিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং গ্যামিট উৎপাদনের সময় অপরিবর্তিত অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে গমন করে'।

• মেন্ডেলের বংশগতির দ্বিতীয় সূত্র:
- ‘দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীবে সঙ্করায়ন ঘটালে গ্যামিট সৃষ্টিকালে প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টর বা জিন যুগলের স্বাধীন সঞ্চারণ বা বিন্যাস ঘটে এবং কোন একটি ফ্যাক্টর যুগলের সঞ্চারণ অন্য ফ্যাক্টর যুগলের উপর নির্ভরশীল নয়'।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অপর নাম - স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯৬.
অণুচক্রিকা (Platelet) মূল উৎপাদন কেন্দ্র কোনটি?
  1. হৃৎপিণ্ড
  2. অস্থিমজ্জা 
  3. লিভার 
  4. লোমকোষ 
ব্যাখ্যা

• অণুচক্রিকা বা প্লেটলেট রক্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা রক্ত জমাট বাঁধা ও ক্ষত সারাতে সহায়তা করে। প্লেটলেট মূলত অস্থিমজ্জা থেকে উৎপন্ন হয়। অস্থিমজ্জায় বিশেষ ধরণের বৃহৎ কোষ থাকে, যাকে মেগাকারিওসাইট বলা হয়। মেগাকারিওসাইটের সাইটোপ্লাজমের ক্ষুদ্র অংশগুলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে রক্তে প্রবেশ করলে এগুলোই প্লেটলেট হিসেবে পরিচিত হয়। সুতরাং, অণুচক্রিকার উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র হলো অস্থিমজ্জা। অন্য অপশনগুলো—হৃৎপিণ্ড, লিভার বা লোমকোষ—প্লেটলেট উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। অস্থিমজ্জা ছাড়া শরীরের অন্যান্য অংশ প্লেটলেট তৈরি করতে পারে না, তাই এটি রক্তের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও ক্ষত নিরাময়ে অপরিহার্য।

- সঠিক উত্তর: খ) অস্থিমজ্জা।
 
অণুচক্রিকা: 
- ইংরেজিতে এদেরকে প্লাটিলেট (Platelet) বলে।
- অণুচিক্রকা আকারে ছোট, বর্তুলাকার ও বর্ণহীন, এরা গুচ্ছাকারে থাকে। 
- অস্থিমজ্জার মধ্যে অণুচক্রিকা উৎপন্ন হয়। 
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- কোন রক্তবাহী নালির ক্ষতি হলে এরা অনতিবিলম্বে থ্রোম্বোপ্লাষ্টিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৯৭.
বাতাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের গতি-
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. প্রথমে কমে পরে বাড়ে
  4. অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা
• বাতাসের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের গতি বাড়ে।

শব্দের বেগ হ্রাসবৃদ্ধির নিয়ামক:
• তাপমাত্রা:

- 0°C বা 273k তাপমাত্রায় শব্দের বেগ 332ms-1
- তাপমাত্রা 1°C বা 1k বাড়লে বাতাসে শব্দের বেগ প্রায় 0.6ms-1 বৃদ্ধি পায়।

• আর্দ্রতা:
- বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলেও শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়। 

• মাধ্যম:
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম,
- তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।

• বায়ু চাপ:
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৩,০৯৮.
ফ্লোয়েমের কোষীয় উপাদান নয় কোনটি?
  1. সীভনল
  2. ফ্লোয়েম কোলেনকাইমা
  3. সঙ্গীকোষ
  4. ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণে উৎপাদিত পদার্থ: 
- উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মূলের সাহায্যে পানি শোষণ করে। 
- এ পানি জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় পৌঁছে। 
- পাতা উক্ত পানি এবং বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- নিম্নস্তরের সবুজ উদ্ভিদের প্রায় সকল কোষেই খাদ্য তৈরি হয়। 
- কিন্তু উচ্চস্তরের উদ্ভিদে কেবলমাত্র সবুজ অংশ এবং পাতায় সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। 
- পাতায় সংশ্লেষিত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে বলা হয় খাদ্য পরিবহন। 

- উদ্ভিদ পাতা থেকে বিভিন্ন স্থানে যে খাদ্য পরিবহন করে তা দ্রবীভূত তরল অবস্থায় থাকে বলে একে খাদ্যরস বলা হয়। 
- এ খাদ্যরস বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের পর উদ্ভিদ অতিরিক্ত খাদ্যরসকে অদ্রবণীয় অবস্থায় রূপান্তরিত করে এবং সংরক্ষণ করে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যুতে খাদ্য তৈরি হয়। 
- তৈরির পর ফ্লোয়েমের মাধ্যমে খাদ্য বিভিন্ন স্থানের কোষে পৌঁছায়। 
- ফ্লোয়েমের চারটি কোষীয় উপাদান থাকে। 
যথা- সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু। 
- এর মধ্যে সীভনল, সঙ্গীকোষ এবং ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা খাদ্যরস পরিবহনে অংশ নেয়। 
- এ তিনটির মধ্যে আবার সীভনল খাদ্য পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,০৯৯.
মা ও শিশু স্বাস্থ্য সুবিধার প্রচারাভিযান লোগো-
  1. ক) রংধনু
  2. খ) সবুজ ছাতা
  3. গ) ক্রস চিহ্ন
  4. ঘ) সূর্যের হাসি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আর এর অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালে পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
গঠন করা হয়েছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর (যার প্রধান একজন - মহাপরিচালক) এবং জাতীয় জনসংখ্যা কাউন্সিল(যার প্রধান - প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং)।
১৯৭৬ সালে গৃহীত হয় জাতীয় জনসংখ্যা নীতি।যার স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে- দুটি সন্তানের বেশি নয়,একটি হলে ভাল হয়।

এছাড়া স্বাস্থ্য সেবাকে জনপ্রিয় করতে বেছে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন লোগো ও প্রতীক।
যেমন- সবুজ ছাতাকে বেছে নেয়া হয়েছে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সুবিধার প্রচারাভিযান লোগো হিসেবে এবং রংধনুকে চিহ্নিত করা হয়েছে স্বাস্থ্য সেবার প্রতীক হিসেবে।

৩,১০০.
নিচের কোন উপাদানের অভাবে উদ্ভিদের ক্লোরোসিস হতে পারে? 
  1. লৌহ
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. দস্তা
  4. উপরোক্ত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
নাইট্রোজেন (N): 
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। 
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। 
- তার কারণ ক্লোরোফিল ছাড়া অন্যান্য বর্ণকণা বা পিগমেন্ট মিলিতভাবে হলুদ দেখায়। 
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' (chlorosis) বলে। 
- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ বা দস্তার অভাবেও ক্লোরোসিস হতে পারে। 
- কেননা এই উপাদানগুলোও ক্লোরোফিল উৎপাদনের সাথে কোনো না কোনোভাবে জড়িত। 
- ক্লোরোসিসে কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন হ্রাস পায়, তাই উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।