ব্যাখ্যা
Source: Britannica
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৯ / ১৪০ · ১,৮০১–১,৯০০ / ১৪,০৮০
• চাঁদে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ হয়, কারণ চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম। যদি চাঁদে কোনো বস্তুর ওজন ৩০ কেজি হয়, তবে পৃথিবীতে সেই একই বস্তুর ওজন হবে প্রায় ৬ গুণ বেশি। অর্থাৎ, পৃথিবীতে বস্তুর ওজন = ৩০ × ৬ = ১৮০ কেজি। তাই সঠিক উত্তর হলো (গ) ১৮০ কেজি। এই পার্থক্যের মূল কারণ হলো, অভিকর্ষ বল বস্তুর ভর এবং গ্রহের অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভর করে, যা চাঁদে তুলনামূলকভাবে দুর্বল।
- তবে এখানে, ওজনের একক হিসেবে নিউটন দেয়া উচিত ছিল, ভরের একক হচ্ছে - কেজি।
- স্থানভেদে কোনো বস্তুর ভরের কোনো পরিবর্তন হয় না।
অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ভর ১২০ কেজি হলে চাঁদে ঐ বস্তুর ভর হবে ১২০ কেজি।
- কিন্তু স্থানভেদে কোনো বস্তুর ওজনের তারতম্য হতে পারে।
আমরা জানি,
- ওজন= ভর x অভিকর্ষজ ত্বরণ
- পৃথিবীতে গড় অভিকর্ষজ ত্বরণ ধরা হয় ৯.৮ মি/সেকেন্ড২।
- তাহলে পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলে তার ভর হবে ১ কেজি।
- সুতরাং চাঁদেও সেই বস্তুর ভর হবে ১ কেজি।
- কিন্তু চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
- অর্থাৎ, পৃথিবী পৃষ্ঠে কোন বস্তুর ওজন ১২০ কেজি হলে চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন হবে ২০ কেজি।
উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।
কোলেস্টেরল:
- কোলেস্টেরল এক বিশেষ ধরনের জটিল স্নেহ পদার্থ বা লিপিড এবং স্টেরয়েড -এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- মানুষের প্রায় প্রত্যেক কোষ এবং টিস্যুতে কোলেস্টেরল থাকে।
- যকৃত এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- কোলেস্টেরল অন্যান্য স্নেহ পদার্থের সাথে মিশে রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে।
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে।
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম।
যথা-
১। উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein-HDL) এবং
২। নিম্ন ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein-LDL)।
- রক্তের LDL-এর পরিমাণের বৃদ্ধির সাথে কোলেস্টেরলের আধিক্যের সম্পর্ক আছে।
- রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
- রক্তে HDL -এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য উপকারী।
- রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ ১০০-২০০ mg/dl।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
আন্তর্জাতিক রসায়ন ও ফলিত রসায়ন সংস্থা (IUPAC) 118 টি মৌল শনাক্ত করেছে।
আন্তর্জাতিক রসায়ন ও ফলিত রসায়ন সংস্থা (IUPAC)
- আন্তর্জাতিক রসায়ন ও ফলিত রসায়ন সংস্থা (International Union of Pure and Applied Chemistry বা সংক্ষেপে IUPAC) এখন পর্যন্ত 118টি মৌলিক পদার্থকে শনাক্ত করেছে।
- IUPAC সংস্থাটি আন্তর্জাতিকভাবে রসায়ন ও ফলিত রসায়নের বিভিন্ন নিয়মকানুন দেখাশোনা করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন কোন নিয়ম গ্রহণযোগ্য এবং কোনটি বর্জনযোগ্য।
- 118টি মৌলের মধ্যে বেশির ভাগ মৌলই প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এবং বাকি কিছু মৌল ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা হয়েছে।
- ল্যাভয়সিয়ে মাত্র 33টি মৌল নিয়ে ছক তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন।
- মেন্ডেলিফ 63টি আবিষ্কৃত মৌল এবং 4টি অনাবিষ্কৃত মৌল নিয়ে পর্যায় সারণি নামে যে ছকটি তৈরি করেছিলেন, তা বর্তমানে 118টি মৌলের আধুনিক পর্যায় সারণি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি।
রেকটিফায়ার:
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)।
- রেকটিফায়ারকে একমুখীকারক বলা হয়।
- একমুখীকারক দুই প্রকার।
যথা- (ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং (খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- হিমোগ্লোবিন আমিষ জাতীয় পদার্থ।
- রক্তের রং লাল হয় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য।
- হিমোগ্লোবিনের কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে কলায় পরিবহন করা এবং কলা থেকে কার্বণ-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে পরিবহন করা।
[তথ্যসূত্র - জীব বিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র - গাজী আজমল , একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৯৭।]
বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র:
• সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
• সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।
• পাইরোমিটার- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র।
- ট্যাকোমিটার- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র।
- অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ওডোমিটার মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র।
- অডিওমিটার- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
• কৃত্রিম উপায়ে ফল পাকাতে ব্যবহার করা হয় ইথিলিন।
• পসটুলেটেড হরমোনের উদাহরণ- ফ্লোরিজেন এবং ভার্নালিন।
• ফ্লোরিজেন উদ্ভিদের ফুল ফোটাতে সাহায্য করে।
• শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণ ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে ভার্নালাইজেশন বলে।
• অকালে ফলের ঝরা পড়া বন্ধ করে অক্সিন।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান।
• ট্রান্সফরমার হলো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তির ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি AC (Alternating Current) সার্কিটে কাজ করে এবং শক্তির ক্ষতি ছাড়াই ভোল্টেজ বৃদ্ধি (Step-up) বা হ্রাস (Step-down) করতে সক্ষম।
- ট্রান্সফরমারের মূল কাঠামোতে থাকে দুটি কয়েল প্রাইমারি কয়েল এবং সেকেন্ডারি কয়েল, যা একটি লৌহ কোরের মাধ্যমে একে অপরের সাথে চৌম্বকীয়ভাবে সংযুক্ত থাকে।
- যখন প্রাইমারি কয়েলে বৈদ্যুতিক প্রবাহ আসে, তখন এটি একটি চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি করে।
- এই চৌম্বক ক্ষেত্র সেকেন্ডারি কয়েলে ইনডাকশন ঘটায়, ফলে সেকেন্ডারি কয়েলে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।
- এই পদ্ধতিতে ভোল্টেজ পরিবর্তন করা যায়, কিন্তু শক্তির ধরণ পরিবর্তিত হয় না।
সারসংক্ষেপে, ট্রান্সফরমার যান্ত্রিক শক্তি, তাপ শক্তি বা রাসায়নিক শক্তি নয়, বরং বিদ্যুতের বিভব পার্থক্য রূপান্তর করে, যাতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় দূরত্ব অনুযায়ী ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
তথ্যসূত্র:
- NCTB পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- Britannica [লিংক]।
• বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন উপাদানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে নাইট্রোজেন নামক খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়।
মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ।
- বায়ুমণ্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না।
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে।
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার।
- বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট।
- প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে।
- নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়।
- গাছপালা তখন মাটি থেকে 'নাইট্রোজেন' শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে।
যেহেতু এটি ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
যে বিশেষ জৈবনিক প্রক্রিয়ায় জারণের ফলে সজীব কোষস্থ খাদ্য স্থিতিশক্তি তাপ ও গতিশক্তিতে রূপান্তরিত ও মুক্ত হয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প নির্গত হয় তাকে শ্বসন বলে। তাই মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস হলো শ্বসন।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
• রেস্ট্রিকশন এনজাইম (Restriction Enzyme):
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম (Restriction Endonuclease) হল এক ধরনের এনজাইম, যা নির্দিষ্ট নিউক্লিওটাইড সিকোয়েন্স (Recognition Site) চিনে DNA কেটে ছোট টুকরোয় বিভক্ত করে।
- Escherichia coli একটি জনপ্রিয় রেস্ট্রিকশন এনজাইম।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইমকে (Restriction Enzyme) আণবিক কাঁচি (Molecular Scissors) বলা হয়।
• ব্যবহার:
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ DNA কাটার জন্য।
- DNA ক্লোনিং ও রিকম্বিনেন্ট DNA (rDNA) প্রযুক্তিতে।
- PCR ও জেল ইলেকট্রোফোরেসিস পরীক্ষায়।
- DNA টেস্টিং পরিক্ষায়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
- গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে এমন গ্যাসগুলোর মধ্যে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)-এর পরিমাণ সর্বাধিক।
গ্রীন হাউজ গ্যাস:
- যে সব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাসকে প্রধান গ্রীন হাউজ গ্যাস বলা হয়।
- এছাড়াও জলীয় বাষ্প (H2O), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) ও ওজোন গ্যাস (O3) গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে।
- শেষের গ্যাসগুলোর ঘনত্ব বায়ুমণ্ডলে CO2 গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা CO2 গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি, তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
• গ্রিন হাউজ গ্যাস ⇔ বায়ুতে % পরিমাণ:
১। কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাস ⇔ 49%,
২। মিথেন (CH4) গ্যাস ⇔ 18%,
৩। নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) গ্যাস ⇔ 6%,
৪। ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) গ্যাস ⇔ 14%,
৫। ওজোন (O3) গ্যাস ⇔ 8% এবং
৬। জলীয় বাষ্প ইত্যাদি।
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
- কেঁচো ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য সম্পন্ন করে।
- এরা মাটির নিচে বাস করে।
- কেঁচো মাটির উর্বরা শক্তির জন্য বিশাল আশীর্বাদ।
- এরা ফসলের জমি ওলট-পালট করে উপরের মাটি নিচে ও নিচের মাটি উপরে তুলে আনে।
- তাই কেঁচোকে প্রকৃতির লাঙ্গল বলা হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
আলোকবর্ষ হলো একটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক, যা দিয়ে মহাকাশ সম্পর্কিত দূরত্ব মাপা হয়।
এক আলোক বর্ষ সমান ৯.৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার বা ৫.৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল।
সূত্র: স্পেস.কম ওয়েবসাইট
• যকৃতের রোগ হচ্ছে - জন্ডিস।
জন্ডিস:
- জন্ডিস হলো ভাইরাস জনিত রোগ।
- জন্ডিস হলে রক্তে বিলরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় ফলে ত্বক, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়।
- বিলিরুবিন তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। জমা হয় প্লীহাতে।
- যকৃতের মধ্যে অবস্থিত প্লীহা বিলিরুবিন উৎপন্ন হওয়ার প্রধান স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- যা কনজুগেশনের মাধ্যমে যকৃতে পৌঁছায়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
• Stainless steel মূলত লোহা (iron) এবং কার্বনের মিশ্রণ, তবে এটিকে ক্ষয়রোধী এবং শক্তিশালী করতে অন্যান্য উপাদানও মিশ্রিত করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিকেল। নিকেল stainless steel-এর ক্রমবর্ধমান জং প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং নরম লৌহের তুলনায় দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে। এছাড়া কিছু stainless steel-এ ক্রোমিয়ামও মিশ্রিত থাকে, যা পৃষ্ঠকে অক্সিডেশন থেকে রক্ষা করে। অন্যদিকে, তামা, সোডিয়াম বা ভ্যানাডিয়াম সাধারণত stainless steel-এর প্রধান কম্পোজিশনে থাকে না। তাই প্রশ্নের চার অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) নিকেল, যা steel-এর সঙ্গে মিশে এটি আরও টেকসই এবং জং-প্রতিরোধী করে।
• সংকর ধাতু:
- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়।
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না।
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্ৰধান ধাতু এবং অন্য এক বা একাধিক পদার্থ থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু।
যেমন - পিতলের মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং জিংক 35% থাকে।
- প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করা হয়।
যেমন-
• স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু। স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1% এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়।
• কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%। এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু।
• আবার, পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%। এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু।
- কপারের দুইটি সংকর ধাতু আছে। যথা: পিতল (ব্রাস) ও কাঁসা (ব্রোঞ্জ)।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
• গাইগার-মূলার (GM) কাউন্টার হলো একটি তেজস্ক্রিয়তা শনাক্তকারী যন্ত্র। এর ভেতরে নিম্ন চাপে মূলত আর্গন (Argon) গ্যাস ব্যবহার করা হয়। যখন তেজস্ক্রিয় বিকিরণ (যেমন: আলফা বা বিটা কণা) টিউবের ভেতর প্রবেশ করে, তখন এটি আর্গন পরমাণুকে আয়নিত করে। এই আয়ননের ফলে একটি ক্ষণস্থায়ী বিদ্যুৎ প্রবাহ বা পালস তৈরি হয়, যা যন্ত্রের সাহায্যে গণনা করা যায়।
• আর্গন গ্যাস:
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টকে জারণ থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যাসভর্তি বাল্বে আর্গন ব্যবহার করা হয়। সাধারণ টিউব লাইটগুলিতে আর্গন এবং মারকারি বাষ্পের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
- রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
- ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়। আজকাল অ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টীলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে।
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বাণিজ্যিকভাবে অধিক ও উন্নত মানের পেনিসিলিন Penicillium chrysogenum থেকে উৎপাদিত হয়।
• অ্যান্টিবায়োটিক ও ঔষধ শিল্পে ছত্রাকের ব্যবহার:
- গ্রাইসিওফুলভিন প্রস্তুতকরণ:
- Penicillium griseofulvum নামক ছত্রাক প্রজাতি থেকে গ্রাইসিওফুলভিন নামক ঔষধ প্রস্তুত করা হয়।
- এই ঔষধ মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর দাদ ও ত্বকের বিভিন্ন ছত্রাকজনিত রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।
- পেনিসিলিনের আবিষ্কার ও উৎপাদন:
- ১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন (Penicillin) আবিষ্কার করেন।
- তিনি প্রথমে Penicillium notatum ছত্রাক থেকে পেনিসিলিন প্রস্তুত করেন।
- বাণিজ্যিক উৎপাদন:
- পরবর্তীতে Penicillium notatum থেকে উৎপাদন কম হওয়ায়,
- Penicillium chrysogenum থেকে উচ্চ মানের ও অধিক পরিমাণে পেনিসিলিন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয়।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উদ্ভিদ টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার।
যথা:
- ভাজক টিস্যু ও
- স্থায়ী টিস্যু।
স্থায়ী টিস্যু তিন প্রকার।
যথা:
১. সরল টিস্যু,
২. জটিল টিস্যু ও
৩. ক্ষরণকারী টিস্যু।
সরল টিস্যু আবার তিন প্রকার।
যথা:
- প্যারেনকাইমা,
- কোলেনকাইমা ও
- স্ক্লেরেনকাইমা।
জটিল টিস্যু দুই প্রকার।
যথা:
- জাইলেম ও
- ফ্লোয়েম।
ক্ষরণকারী টিস্যু ২ প্রকার।
যথা:
- তরুক্ষীর টিস্যু ও
- গ্রন্থির টিস্যু।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
• টিকা তৈরিতে মৃত বা দুর্বলকৃত অণুজীব ব্যবহৃত হয়।
• প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় টিকার ভূমিকা:
• টিকার উৎপত্তি ও অর্থ:
- ভ্যাকসিন শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ভ্যাকসিনা (vaccinus) থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো গরু থেকে প্রাপ্ত।
• টিকার আবিষ্কার:
- ড. এডওয়ার্ড জেনার (Dr. Edward Jenner) ১৭৯৬ খ্রিষ্টাব্দে সর্বপ্রথম বসন্ত রোগের টিকা আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীকালে বহু বছর গবেষণার মাধ্যমে জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের টিকা আবিষ্কৃত হয়।
• টিকার সংজ্ঞা:
- টিকা হলো দেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় বা দুর্বলকৃত রূপ, যা দেহে প্রবেশ করিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করা হয়।
• টিকার গঠন ও প্রকার:
- টিকা তৈরিতে ব্যবহৃত অণুজীব (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) হতে পারে—
- জীবিত কিন্তু দুর্বলকৃত, অথবা
- সম্পূর্ণ মৃত।
• টিকার কার্যপ্রণালি:
- টিকা দেহে প্রবেশ করলে এটি অ্যান্টিজেনের মতো আচরণ করে, ফলে দেহে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হয়।
- এর মাধ্যমে দেহ ভবিষ্যতে একই রোগজীবাণুর আক্রমণের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে।
• টিকার উৎস:
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে টিকা ভাইরাস থেকে প্রস্তুত করা হয়।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উৎপত্তি মূলত ভূ-অভ্যন্তর থেকে নির্গত গ্যাসের (outgassing) কারণে হয়েছে, যা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং অন্যান্য ভূ-তাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটেছে।
বায়ুমণ্ডল:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল।
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ।
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে।
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর।
- বায়ুমণ্ডল ভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত।
- বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর মধ্যে নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২ এবং অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১ এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রক্ত:
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
নিউক্লিক এসিড ২ ধরনের। যথা - DNA এবং RNA।
ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA। বংশগতির ধারা পরিবহনে ক্রোমোজোমের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA এবং RNA এর গুরুত্ব অপরিসীম।
DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
• আধুনিক কম্পিউটারের প্রসেসরে ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো ন্যানোটেকনোলজি, যা চিপের দ্রুততা, ক্ষমতা এবং শক্তি দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
- প্রসেসর বা CPU (Central Processing Unit) হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক, যা ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ও নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে। আধুনিক প্রসেসরের কার্যকারিতা মাইক্রোচিপের আকার ও প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে।
• ন্যানোটেকনোলজি (Nanotechnology):
- ন্যানোটেকনোলজি হলো অণু ও পরমাণুর মাত্রার প্রযুক্তি (1-100 ন্যানোমিটার)।
- এর মাধ্যমে অত্যন্ত ছোট, দ্রুত ও কম শক্তির চিপ তৈরি করা যায়।
- আধুনিক প্রসেসর, মেমোরি চিপ, সেন্সর ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে এটি ব্যবহৃত হয়।
• ব্যবহার ও সুবিধা:
- মাইক্রোচিপে ক্ষুদ্র ট্রানজিস্টর তৈরি করা।
- কম শক্তি খরচে বেশি গতি।
- কম স্থান দখল, তাই স্মার্টফোন ও ল্যাপটপকে ছোট ও দ্রুত করা যায়।
- উন্নত কোডিং, ডেটা প্রসেসিং ও AI অ্যাপ্লিকেশনে সহায়তা।
তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই।
- ব্রিটানিকা [লিংক]
এসিতে ব্যবহার হওয়া গ্যাস রেফ্রিজারেন্ট নামে পরিচিত।
রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে ফ্রেয়ন ব্যবহৃত হয়।
ফ্রেয়ন হচ্ছে - ডাইক্লোরাে-ডাইফ্লোরাে মিথেন।
এসি ছাড়াও রেফ্রিজারেটরেও শীতক হিসেবে ফ্রেয়ন ব্যবহৃত হয়।
রেফ্রিজারেটরের শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠকে ঘিরে থাকে তামার তৈরি ফাপা নলের কুন্ডলী। একে বাষ্পীভবন কুন্ডলী বলে। এই কুন্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয়।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• যে যন্ত্রের মাধ্যমে AC (Alternating Current) প্রবাহকে DC (Direct Current) প্রবাহে রূপান্তর করা হয়, তাকে রেক্টিফায়ার (Rectifier) বলে।
• রেক্টিফায়ার:
- এসি ভোল্টেজকে ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তর করার পদ্ধতিকে বলা হয় রেক্টিফিকেশন বা একমুখীকরণ।
- যে যান্ত্রিক ব্যবস্থা রেক্টিফিকেশন বা একমুখীকরণ করে তাকে বলা হয় রেক্টিফায়ার।
- এটি সাধারণত ডায়োড ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।
- রেক্টিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
- রেক্টিফায়ার ছাড়া ব্যাটারি বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস সরাসরি এসি প্রবাহ গ্রহণ করতে পারে না।
• ডায়োড:
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি ব্যবহার করে রেক্টিফায়ার তৈরি করা হয়।
অন্যান্য অপশন:
- ইনভার্টার (Inverter): এটি রেক্টিফায়ারের বিপরীত কাজ করে, অর্থাৎ ডিসি প্রবাহকে এসি প্রবাহে রূপান্তর করে। এটি সাধারণত সোলার প্যানেল বা গাড়ির ব্যাটারি থেকে পাওয়ার নিয়ে গৃহস্থালী সরঞ্জাম চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সফর্মার (Transformer): এটি এসি ভোল্টেজকে কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ফ্রিকোয়েন্সি বা প্রবাহের দিক পরিবর্তন করে না।
- ট্রানজিস্টর (Transistor): এটি একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা সাধারণত বৈদ্যুতিক সংকেতকে অ্যামপ্লিফাই (Amplifier) করতে বা সুইচ (Switch) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটি সরাসরি এসি থেকে ডিসি রূপান্তর করে না।
তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
• সঠিক উত্তর: ঘ) উপসাগর।
উপসাগর হলো এমন জলভাগ যা তিন দিকে মাটিতে ঘেরা এবং একদিকে সমুদ্রের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
মহাসাগর:
- বারিমণ্ডলের উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ বিশাল লবণাক্ত জলরাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে।
- পৃথিবীতে পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। যেমন- প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, উত্তর মহাসাগর এবং দক্ষিণ মহাসাগর।
- এর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগর বৃহত্তম ও গভীরতম।
- আটলান্টিক মহাসাগর ভগ্ন উপকূলবিশিষ্ট এবং এটি অনেক আবদ্ধ সাগরের (Enclosed sea) সৃষ্টি করেছে।
- ভারত মহাসাগর এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- ৬০° দক্ষিণ অক্ষাংশ থেকে এন্টার্কটিকার হিমভাগ পর্যন্ত দক্ষিণ মহাসাগরের অবস্থান। দক্ষিণ মহাসাগরের দক্ষিণে এন্টার্কটিকা মহাদেশ বছরের সকল সময় বরফে আচ্ছন্ন থাকে।
- উত্তর গোলার্ধের উত্তর প্রান্তে উত্তর মহাসাগর অবস্থিত এবং এর চারদিক স্থলবেষ্টিত।
সাগর:
- মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তনবিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে।
যথা- ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, ক্যরিবিয়ান সাগর, জাপান সাগর ইত্যাদি।
উপসাগর:
- তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে জল তাকে উপসাগর (Bay) বলে।
যথা- বঙ্গোপসাগর, পারস্য উপসাগর ও মেক্সিকো উপসাগর ইত্যাদি।
হ্রদ:
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে হ্রদ (Lake) বলে।
যথা- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ ও আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ ইত্যাদি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- পৃথিবীপৃষ্ঠের শতকরা ৭৫ ভাগই হচ্ছে পানি।
- মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য, তাই পানির অপর নাম হচ্ছে জীবন।
- পানির সবচেয়ে বড় উৎস হচ্ছে সাগর, মহাসাগর বা সমুদ্র।
- পৃথিবীতে যত পানি আছে, তার প্রায় শতকরা ৯০ ভাগেরই উৎস হচ্ছে সমুদ্র।
- সমুদ্রের পানিতে প্রচুর লবণ থাকে এজন্য সমুদ্রের পানিকে লোনা পানিও (Marine water) বলে।
- লবণের কারণে সমুদ্রের পানি পানের অনুপযোগী, এমনকি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অন্য কাজেও সমুদ্রের পানি ব্যবহার করা যায় না।
- পানির আরেকটি বড় উৎস হলো হিমবাহ তুষার স্রোত, যেখানে পানি মূলত বরফ আকারে থাকে, এই উৎসে প্রায় শতকরা ২ ভাগের মতো পানি আছে।
- পৃথিবীতে ব্যবহারের উপযোগী পানি মাত্র শতকরা ১ ভাগ।
- ব্যবহার উপযোগী মিঠা পানির উৎস হলো নদ-নদী, খাল-বিল, হ্রদ, পুকুর কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
কোষপ্রাচীর (cell wall)
কোষপ্রাচীর উদ্ভিদ কোষের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
প্রাণিকোষে কোষপ্রাচীর থাকে না।
ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর প্রােটিন, লিপিড ও পলিস্যাকারাইড দিয়ে এবং ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কাইটিন দিয়ে তৈরি।
ভিন্ন তাপমাত্রার দুটি বস্তুকে পরস্পরের সংস্পর্শে আনা হলে তাদের মধ্যে তাপের আদান প্রদান ঘটে। যে বস্তুটির তাপমাত্রা বেশি সেটি তাপ ছেড়ে দেয় বা বর্জন করে, আর যে বস্তুটির তাপমাত্রা কম সেটি তাপ নেয় বা গ্রহণ করে। দুটি বস্তুর তাপমাত্রা সমান না হওয়া পর্যন্ত তাপের এই আদান প্রদান বা গ্রহণ- বর্জন চলতে থাকে।
সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• দ্বিপদ নামকরণ:
-দু'টি পদ নিয়ে গঠিত কোন জীব-প্রজাতির নামকে বলা হয় দ্বিপদ নাম এবং দু'টি পদের সমন্বয়ে নাম দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তক হলেন সুইডিশ জীববিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস।
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ করা হয়ে থাকে ICBN (International Code of Botanical Nomenclature বর্তমানে ICN = International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants) -এর নীতিমালা অনুযায়ী এবং প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN (International Code of Zoological Nomenclature)-এর নীতিমালা অনুযায়ী।
• বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম:
- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens
- দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis
- বাঘ (রয়েল বেঙ্গল) এর বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris
- আম গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica
- বট গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus benghalensis
- কুনোব্যাঙ এর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha
- ধানের বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa
- শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম Nymphaea nouchali
উৎস: ১) জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
২) জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে মূলত জলোচ্ছ্বাস-এর মাত্রা ও পরিমাণ বাড়ে, যা উপকূলীয় অঞ্চলে প্লাবন, নদীভাঙন এবং লবণাক্ততা বৃদ্ধি করে এবং শক্তিশালী ঝড়ের প্রভাব বাড়ায়। এটি সরাসরি খরা বা তুষারপাত (যা বিপরীত) এবং ভূমিকম্প বা আগ্নেয়ুৎপাতের (যা ভিন্ন ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া) কারণ নয়, বরং উপকূলীয় দুর্যোগের কারণ।
সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ফসল উৎপাদনে প্রভাব:
- সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এশিয়ার দেশগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা ও পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়।
- প্রায়শই বন্যা, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততা সৃষ্টি হয়।
- অধিকন্তু ঋতু পরিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে বৈচিত্র্য দেখা দিচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব নিয়ে টার্ন ডাউন দ্য হিট: ক্লাইমেট রিজিওনাল ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড কেস ফর রেজিলিয়ান্স শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে উল্লেখ করেছে- প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর পরপর বাংলাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা বন্যায় ডুবে যাবে।
- তাপমাত্রা আড়াই ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে বন্যায় প্লাবিত এলাকার পরিমাণ ২৯ শতাংশ বাড়বে।
- ২০৮০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উপকূলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ৬৫ সেন্টিমিটার বাড়লে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৪০ শতাংশ ফসলি জমি হারিয়ে যাবে।
উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
যথা- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ৭৮.০১% ও অক্সিজেনের পরিমাণ ২০.৭১%।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
• রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়।
• টেলিভিশন:
- টেলিভিশন শব্দের অর্থ দূরদর্শন।
- ১৯২৬ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী লজি বেয়ার্ড টেলিভিশন আবিষ্কার করেন।
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রয়োজন একটি প্রেরক ষ্টেশনের।
- এ প্রেরক ষ্টেশনে থাকে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য দুটো পৃথক প্রেরক যন্ত্র।
- একটি প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গে রূপান্তরিত করে প্রেরণ করা হয় এবং অন্য প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে ছবিকে তড়িৎ-সংকেতে রূপান্তরিত করে তা তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
• রঙিন টেলিভিশন:
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।