• টিবি রোগের জন্য সাধারণত ব্যাকটেরিয়া দায়ী। বিশেষভাবে, এটি Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। এই ব্যাকটেরিয়া প্রধানত ফুসফুসে সংক্রমণ সৃষ্টি করে, কিন্তু শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেও সংক্রমণ ঘটাতে পারে। সংক্রমিত ব্যক্তি খাঁচা, কাশির ফোঁটা বা স্পর্শের মাধ্যমে অন্যের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে দিতে পারে। টিবি রোগ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং প্রাথমিকভাবে হালকা লক্ষণ যেমন হাঁপানি, কাশি, জ্বর, ওজন কমা দেখা দেয়। ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি এবং রোগের প্রকৃতির কারণে টিবি রোগের চিকিৎসায় সাধারণভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়, যা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর। সুতরাং, টিবি রোগের মূল দায়ী জীবাণু হলো ব্যাকটেরিয়া।
- সঠিক উত্তর: গ) ব্যাকটেরিয়া।
• যক্ষ্মা:
- যক্ষ্মা একটি পরিচিত বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
- যেকোনো লোক, যেকোনো সময়ে এ রোগ দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে।
- যারা অধিক পরিশ্রম করে, দুর্বল, স্যাঁতসেঁতে বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করে, অপুষ্টিতে ভোগে অথবা যক্ষ্মা রোগীর সাথে বসবাস করে, তারা এ রোগে সহজে আক্রান্ত হয়।
- যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ নয়। যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো স্থানে হতে পারে।
- দেহে এ রোগের আক্রমণ ঘটলে সহজে এর লক্ষণ প্রকাশ পায় না। যখন জীবাণুগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধক শ্বেত রক্তকণিকাকে পরাস্ত করে দেহকে দুর্বল করে, তখনই এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
• রোগের কারণ:
- সাধারণত Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়।
- তবে Mycobacterium গণভুক্ত আরও কিছু ব্যাকটেরিয়া যক্ষ্মা সৃষ্টি করতে পারে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে।
তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।