বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা / ২৯ · ৭০১৮০০ / ২,৮৮৩

৭০১.
ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন কোনো সরকারী কর্মকর্তা কোন সম্পত্তি বিক্রয়ে কোন দায়িত্বে থাকলে উক্ত সরকারী কর্মকর্তা উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবে না। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫৬
  2. ধারা ৫৫৭
  3. ধারা ৫৬০
  4. ধারা ৫৫২
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ ধারা ৫৬০ মতে- কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের ব্যাপারে যে সরকারী কর্মচারীকে কোন কর্তব্য সম্পাদনের দায়িত্ব দেয়া হয় তিনি উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবেন না বা উহার নীলাম ডাকবেন না।
৭০২.
সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ কোন ধরনের অপরাধের তদন্ত করতে পারে?
  1. আমলযোগ্য অপরাধের
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধের
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে।

• প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে।এমনকি যদি প্রয়োজনীয় হয় অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ ঘোষণা করলে সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন।প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন।তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই।তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে,তখন ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।

[If,from information received or otherwise,an officer in charge of a police-station has reason to suspect the commission of an offence which he is empowered under section 156 to investigate,he shall forthwith send a report of the same to a Magistrate empowered to take cognizance of such offence upon a police-report,and shall proceed in person,or shall depute one of his subordinate officers not being below such rank as the Government may,by general or special order,prescribe in this behalf to proceed,to the spot,to investigate the facts and circumstances of the case,and,if necessary,to take measures for the discovery and arrest of the offender]
৭০৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা মতে কিছু অনিয়ম সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রম বাতিল হয় না?
  1. ৫৬০
  2. ৫৬১
  3. ৫৩০
  4. ৫২৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৯ ধারার বিধান: যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না:
যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;
(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;
(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,

তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না।
৭০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুসারে, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল কোথায় প্রেরণ করবে না?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. পুলিশ সুপারের কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুযায়ী, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং মহানগর হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য ক্ষেত্রে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করে। তবে পুলিশ সুপারের কাছে এই নকল প্রেরণের বিধান নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ- দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

৭০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ অনুযায়ী আদালত কাকে সমন করতে পারে?
  1. কেবল ফরিয়াদিকে
  2. কেবল অভিযুক্তকে
  3. যেকোনো আইনজীবীকে
  4. যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার ক্ষমতা:
এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোনো ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দি গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন। 

৭০৬.
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করা যাবে?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশন
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যুগ্ম দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান -যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।

নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় (রাষ্ট্রদ্রোহিতা) উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

৭০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪(২) ধারার বিধান অনুযায়ী, _______________ ব্যতিরেকে, অন্য কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেকটি স্থগিত বা মুলতবি সংক্রান্ত আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৭০৮.
হাইকোর্ট বিভাগ কি কি কারণে ফৌজাদারী মামলা স্থানান্তরের কার্যক্রম গ্রহণ করেন?
  1. ন্যায় বিচার ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে
  2. আইনের জটিল প্রশ্ন থাকলে
  3. বিচার দ্রুত হওয়ার জন্য
  4. ক, খ, গ-এ বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা-৫২৬ এ হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে।যার উপর ভিত্তি করে মামল হস্তান্তরের আদেশ দিবেন-

১. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে, অথবা
২. মামলার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, অথবা
৩. হাইকোর্ট বিভাগ Suo motu এরূপ আদেশ দিতে পারবেন।

মামলা হস্তান্তরের শর্তসমূহ-

১. অধস্তন কোন ফৌজদারি আদালতে ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
২. কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে।
৩. কোন স্থান বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হলে।
৪. এই ধারায় প্রদত্ত কোন আদেশে পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগনের সাধারণ সুবিধার দিকে নিয়ে যাবে।
৫. ন্যায় উদ্দেশ্যে বা এই কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে এরূপ কোন আদেশ প্রয়োজন হলে
৭০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতে কয়টি স্তরের বিচারক থাকতে পারে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ২টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।

-অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।

- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.] 

(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
 (3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.] 
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct. 
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
৭১০.
What is the maximum term of simple imprisonment that can be imposed under Section 480 if the offender fails to pay the fine?
  1. Three months
  2. Two months
  3. One month
  4. Two weeks
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 480: Procedure in certain cases of contempt: 
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
------------------------- 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান-অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
-কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
৭১১.
অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে সাক্ষী হতে চাইলে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে
  2. নিজে লিখিতভাবে আদালতে অনুরোধ জানাতে হবে
  3. নিজে মৌখিকভাবে আদালতে জানাতে হবে
  4. নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে মৌখিকভাবে আবেদন করতে হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজ পক্ষে উপযুক্ত সাক্ষী (competent witness for the defence) হওয়ার অধিকার দেয়া হয়েছে।
 
উক্ত ধারায় বলা হয়েছে-
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
 
তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবেনা।
 
Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 

Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৭১২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে রায়ে নিচের কোন বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে না?
  1. সিদ্ধান্তের কারণ
  2. বিচার্য বিষয়সমূহ
  3. আইনের যে ধারায় শাস্তি পেল
  4. যে সাক্ষ্যের কারণে শাস্তি পেল
ব্যাখ্যা
⇒বিচার সমাপ্ত হবার অব্যাহত পর অথবা নোটিশ দিয়ে নির্ধারিত দিনে প্রকাশ্য আদালতে বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়। ভিন্নরুপ বিধান না থাকলে প্রত্যেকটি রায় আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক লিখিত হবে বা তার দ্রুত লিখন হতে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় লিখিত হবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারার বিধান রায়ে যে সকল বিষয় উল্লেখ করতে হবে-
১. বিচার্য বিষয়সমূহ [points for determination]
২. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ [the decision and reasons for the decision]
৩. আসামী যে অপরাধে(যদি থাকে) দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় শাস্তি পেল [section]
৪. শাস্তি [punishment]

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে 'যে সাক্ষ্যের কারণে শাস্তি পেল' রায়ে এই বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারার বিধান: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু:
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।
(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-367- Language of judgment Contents of judgment:
(1) Every such judgment shall, except as otherwise expressly provided by this Code, be written by the presiding officer of the Court or form the dictation of such presiding officer in the language of the Court, or in English; and shall contain the point or points for determination, the decision thereon and the reasons for the decision; and shall be dated and signed by the presiding officer in open Court at the time of pronouncing it and where it is not written by the presiding officer with his own hand, every page of such judgment shall be signed by him.

(2) It shall specify the offence (if any) of which, and the section of the Penal Code or other law under which, the accused is convicted, and the punishment to which he is sentenced.
৭১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারার ৩৫(২)(ক) অনুযায়ী, একাধিক দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫(২)(ক) অনুযায়ী, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত পরপর কারাদণ্ডের (consecutive sentences) সর্বোচ্চ মেয়াদ ১৪ বছর-এর বেশি হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন;
এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-35: Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

৭১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারা মতে, গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করার সময় পুলিশ অফিসার কী করবেন?
  1. গ্রেফতারী পরোয়ানা পুনরায় যাচাই করবেন
  2. আদালতে অভিযোগ দায়ের করবেন
  3. গ্রেফতারী পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করবেন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮০ ধারা- পরোয়ানার সারমর্ম নোটিশকরণ:
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করতেছেন এরূপ কোন পুলিশ অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি, যাকে গ্রেফতার করা হবে, তাকে পরোয়ানার সারমর্ম অবহিত করাবেন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে উক্ত পরোয়ানাটি দেখাবেন।

Section 80- Notification of substance of warrant:
The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
৭১৫.
একাধিক অভিযোগের একটিতে দণ্ডিত হলে অবশিষ্টগুলির কী ঘটবে?
  1. আদালত উক্ত অভিযোগসমূহের বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
  2. সরকারপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন।
  3. ক এবং খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ২৪০ (একাধিক চার্জের একটিতে দন্ডিত হওয়ার পর অবশিষ্টগুলি প্রত্যাহার) মোতাবেক-
- যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অফিসার অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন, অথবা আদালত স্বত্বঃপ্রবৃত্ত হয়ে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
- এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।
৭১৬.
The 24-hour detention period under Section 61 of The Code of Criminal Procedure,1898-
  1. Only applies in urban areas
  2. Includes journey time to court
  3. Excludes journey time to court
  4. Can never be extended
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
-কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
----------------------------------------
The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
৭১৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৪ ধারা অনুসারে বণ্ড বাজেয়াপ্ত আদেশের বিরুদ্ধে আাপিল না করলে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. মিস আপিল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫১৫ অনুযায়ী- কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ৫১৪ ধারার অধীন প্রদত্ত সকল আদেশ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীলযোগ্য হবে, অথবা এরূপভাবে আপীল করা না হলে তার দ্বারা রিভাইসড হবে।
৭১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা "Double Jeopardy" নীতি প্রতিষ্ঠা করে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ১৬১
  3. ধারা ৩০২
  4. ধারা ৪০৩
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০৩ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে একবার উপযুক্ত আদালতে বিচারিত হয়ে দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হন, তাহলে তাকে আবার একই অপরাধে বা সেই অপরাধসংক্রান্ত ঘটনায় বিচার করা যাবে না। এটিই "Double Jeopardy" নীতির বিচারিক প্রয়োগ।
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০৩ (Person once convicted or acquitted not to be tried for same offence) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা Double Jeopardy নীতি অনুসরণ করে। এর মানে হল যে, একবার একটি অপরাধের জন্য একজন ব্যক্তি দণ্ডিত বা খালাস হলে, তাকে আবার সেই একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না। 


- Nemo debet bis vexari নীতি: ধারা ৪০৩ "Nemo debet bis vexari" (একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার বিচারাধীন হতে পারে না) নীতির উপর ভিত্তি করে প্রণীত। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করার চেষ্টা করা থেকে রক্ষা করা হয়, যেটি তার জন্য অন্যায় হতে পারে। এর উদ্দেশ্য হলো বিচার ব্যবস্থায় অতিরিক্ত নির্যাতন থেকে ব্যক্তির রক্ষা।

- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৩ প্রযোজ্য হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত পূর্ণ হতে হবে:
অপরাধ: অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের জন্য অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটি সেই অপরাধ হতে হবে, যার জন্য তাকে প্রথমে বিচার করা হয়েছিল।
এখতিয়ার: বিচারের জন্য অবশ্যই এখতিয়ারপ্রাপ্ত আদালত হতে হবে। অন্যথায় ধারা ৪০৩ প্রযোজ্য হবে না।
খালাস বা দণ্ড: বিচারের ফলস্বরূপ, খালাস (Acquittal) বা দণ্ড (Conviction) প্রদান করা থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না।

- ধারা ৪০৩ এর অধীনে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না যদি:
অভিযোগ খারিজ: যদি আদালত কোন অভিযোগ খারিজ করে এবং এতে কোনো খালাস আদেশ না থাকে, তাহলে অভিযুক্তকে দ্বিতীয়বার বিচার করার সুযোগ থাকবে।
২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ: ২৪৯ ধারার অধীনে যদি মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ হয় এবং অভিযুক্ত মুক্তি পায়, তাহলে তাকে দ্বিতীয়বার বিচারের সম্মুখীন করা যেতে পারে।
অব্যাহতি: যদি আদালত অভিযোগ বা মামলার বিরুদ্ধে অব্যাহতি দেয়, তাহলে এটি খালাসের মতো গণ্য হবে না এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার বিচারের সম্মুখীন করা যাবে।

- ধারা ৪০৩ এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে অভিযোগ খারিজ, ২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ বা অব্যাহতি একটি খালাস হিসেবে গণ্য হবে না। এর মানে হল যে, এই ধরনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে Double Jeopardy প্রযোজ্য হবে না এবং অভিযুক্তকে দ্বিতীয়বার বিচারের সম্মুখীন করা সম্ভব হবে।
৭১৯.
খুনের অপরাধের জন্য ক-এর বিচার করা হলো এবং খালাস দেওয়া হলো। তার বিরুদ্ধে দস্যুতার কোন অভিযোগ ছিল না। তবে ঘটনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, খুনের সময় ক দস্যুতা করেছিল। এই ক্ষেত্রে ক এর-
  1. পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।
  2. দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হওয়ায় দস্যুতার জন্য ক এর বিচার করা যাবে না।
  3. এই ক্ষেত্রে দোবারা সাজার নীতি প্রযোজ্য হবে না।
  4. ক এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৩ মতে আলোচ্য প্রশ্ন অনুযায়ী খুন এবং দস্যুতা দুইটি স্বতন্ত্র অপরাধ। যেহেতু ক-কে খুনের জন্য দণ্ডিত করা হয়েছিল তাই তাকে পুনরায় খুনের জন্য বিচার করা যাবে না। কিন্ত দস্যুতা অপর একটি অপরাধ যার জন্য ক-কে পূর্বে বিচার এবং দণ্ডিত করা হয় নি। তাই তাকে দস্যুতার জন্য পরবর্তীতে বিচার করা যাবে। এই ক্ষেত্রে  Principle of double jeopardy প্রযোজ্য হবে না।
৭২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১-এর অধীনে কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট ধর্ষণের অভিযোগ আমলে নিতে পারবেন না?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকল ম্যাজিস্ট্রেট আমলে নিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৬১ (স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান)-
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট -
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561: Special provisions with respect to offence of rape by a husband
(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
৭২১.
ভবঘুরে, দস্যু, চোরাইমাল গ্রহণকারীকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করা যায় কত ধারায়?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ১৫৪
  4. ১৫৫
ব্যাখ্যা
♦ সাধারনত পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধ ছাড়া কাউকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করতে পারে না। তবে ৫৪ ধারায় ৯টি ক্ষেত্রে এবং ৫৫ ধারা অনুযায়ী পুলিশ ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যুকে বিনা ওয়ারেন্টে বা বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধের উদ্দেশ্যে নিজের পরিচয় গোপন করে, যে উক্ত থানা এলাকায় নিজের অবস্থান সম্পর্কে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারে না এবং অভ্যাসগত ডাকাত, গৃহভঙ্গকারী, চোর বা চোরাইমাল গ্রহণে যার বদনাম রয়েছে পুলিশ তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে। [ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৫]
৭২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুসারে তল্লাশী করার পূর্বে কমপক্ষে কতজন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করতে হবে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ১ জন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী, তল্লাশী কার্যক্রম শুরু করার আগে, তল্লাশীকারী অফিসারকে যে স্থানে তল্লাশী হবে সেই এলাকার অন্তত দুইজন নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হিসেবে আহ্বান করতে হবে।
→ অর্থাৎ, আইনের ন্যূনতম শর্ত হল— ২ জন সাক্ষী।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

৭২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] আপিলের বিধান নিষিদ্ধ?
  1. ধারা ৪১১
  2. ধারা ৪১২
  3. ধারা ৪১৩
  4. ধারা ৪১৪
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ স্পষ্টভাবে বলে—যদি দায়রা আদালত (Court of Session) ১ মাসের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড দেয়, অথবা যদি দায়রা আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর অন্য ম্যাজিস্ট্রেট ৫০০০ টাকার বেশি নয় এমন অর্থদণ্ড আরোপ করে, তাহলে সেই তুচ্ছ মামলার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.

৭২৪.
যদি কয়েদীকে জেলে আটক রাখতে হয়, তাহলে কার কাছে পরোয়ানা প্রেরণ করা হবে?
  1. পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের নিকট
  2. জেলারের নিকট
  3. কয়েদীর নিকট
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসারের নিকট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৩ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশ ব্যতীত অন্যকোনো কারাদণ্ডাদেশ কার্যকর করতে হবে পরোয়ানা জারির মাধ্যমে।দণ্ডদানকারী আদালত এমন পরোয়ানা জারি করবে।

কারাবাসের শাস্তি কার্যকর করার প্রত্যেকটি ওয়ারেন্ট বা পরোয়ানা কয়েদী (Prisoner) যে জেলে আটক আছে বা আটক থাকবে সেই জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারের নিকট নির্দেশিত হতে হবে (ধারা ৩৮৪)।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৫ অনুসারে-
যখন কয়েদীকে জেলে আটক রাখতে হবে,তখন পরোয়ানাটি জেলার (Jailor) কে যথাযথভাবে জানাতে হবে।

Section 385: Warrant with whom to be lodged
When the prisoner is to be confined in a jail, the warrant shall be lodged with the jailor.
৭২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কখন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত
  2. আদালত কর্তৃক বাতিল না করা পর্যন্ত
  3. তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত
  4. ক  অথবা খ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ধারা ৭৫(২) অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক জারিকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা লিখিতভাবে থাকবে এবং এটি ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না আদালত সেটি বাতিল করে বা এটি সম্পাদিত হয়। অর্থাৎ, পরোয়ানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয় না; শুধু আদালতের রদ বা গ্রেপ্তারের বাস্তবায়নের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা শেষ হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৭৫ গ্রেফতারি পরোয়ানা ও তার স্থায়িত্বের ধরন:
(১) ফরম (Form of warrant of arrest): এই বিধির (কোডের) অধীনে আদালত কর্তৃক জারিকৃত প্রতিটি গ্রেফতারি পরোয়ানা অবশ্যই লিখিত হতে হবে, presiding officer (প্রিজাইডিং অফিসার) কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে, অথবা যদি ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চ হয় তবে সেই বেঞ্চের কোনো সদস্য কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং তাতে আদালতের সীলমোহর থাকতে হবে।
(২) স্থায়িত্ব (Continuance of warrant of arrest): এই ধরনের প্রতিটি পরোয়ানা দুটি অবস্থার যেকোনো একটি না ঘটা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে:
- যে আদালত এটি জারি করেছিল, সেই আদালত কর্তৃক বাতিল না হওয়া পর্যন্ত; অথবা
- পরোয়ানাটি কার্যকর (executed) না হওয়া পর্যন্ত।
----------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

৭২৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুসারে পুলিশের তদন্ত সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে শেষ না হলে, ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তির আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১২০
  4. ১৮০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনামূলক। যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হলে:
- যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন; যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয়; অথবা
- দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।
৭২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় "Nemo judex in causa sua in propria causa" নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ৫৫৪
  2. ৫৫৬
  3. ৫৫৯
  4. ৫৬২
ব্যাখ্যা
⇒ "Nemo judex in causa sua in propria causa" is the complete Latin maxim, which translates to "no one should be a judge in their own case or cause."

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে, যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
--------------------  
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৭২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী তদন্তকারী পুলিশ সাক্ষীর মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. ১৬০ ধারা
  2. ১৬১ ধারা
  3. ১৬২ ধারা
  4. ১৭৩ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তবে, সাক্ষী এমন কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়, যা তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা,
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারি অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case.
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture.
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
৭২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচার চলাকালীন হাজতে থাকার সময় দণ্ড থেকে বাদ দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ৩৫ ধারায়
  3. ৩৫ক ধারায়
  4. ৩৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে।
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫ক: কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে হেফাজতকাল বাদ দেওয়ার বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ছাড়া, যখন কোনো আদালত কোনো অভিযুক্তকে অপরাধের দোষী সাব্যস্ত করে এবং দণ্ডাদেশ প্রদান করে কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) প্রদান করে, তখন আদালত উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে অভিযুক্তের হেফাজতে থাকা মোট সময়কাল বাদ দেবে। এই হেফাজতকাল উক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকবে।

(২) যদি উপধারা (১) এ উল্লিখিত হেফাজতকাল অভিযুক্তের প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে অভিযুক্তকে কারাদণ্ড সম্পূর্ণরূপে ভোগ করেছেন বলে গণ্য করা হবে এবং তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে (যদি তিনি হেফাজতে থাকেন), যদি না অন্য কোনো অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে তাকে আটক রাখা প্রয়োজন হয়। এছাড়া, যদি অভিযুক্তকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, তাহলে উক্ত জরিমানা মওকুফ করা হবে।

- ধারা ৩৫ক অনুযায়ী, আদালত কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে অভিযুক্তের হেফাজতে থাকা সময় বাদ দেবে।
- যদি হেফাজতকাল কারাদণ্ডের মেয়াদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং জরিমানা মওকুফ করা হবে।
- এই বিধান মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.

৭৩০.
মহানগর এলাকায় সামরিক শক্তির মাধ্যমে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করাতে পারেন কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. দায়রা আদালত
  4. যেকোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ধারায় দেয়া আছে:
কোন বেআইনি সমাবেশ যদি অন্য কোনোভাবে ছত্রভঙ্গ করা না যায় এবং জন নিরাপত্তার জন্য যদি উহা ছত্রভঙ্গ করা দরকার মর্মে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে উপস্থিত সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগর এলাকা হলে, সেখানকার পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তির মাধ্যমে উহা ছত্রভঙ্গ করাতে পারবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 129- Use of military force:
If any such assembly cannot be otherwise dispersed. and if it is necessary for the public security that it should be dispersed, the Executive Magistrate of the highest rank who is present or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may cause it to be dispersed by military force.

৭৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সাজা রদবদলের ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪০০
  2. ধারা ৪০১
  3. ধারা ৪০২
  4. ধারা ৪০২ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০২-এ সাজা রদবদলের (Commutation of punishment) ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুসারে: সরকার আসামীর সম্মতি ছাড়াই সাজা রদবদল করতে পারেন। 
- মৃত্যুদণ্ড যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম কারাদণ্ড, বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা জরিমানায় রূপান্তর করা যেতে পারে। 
- দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ ও ৫৫-এর বিধান অক্ষুণ্ণ থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামি যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 402: Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.

৭৩২.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মামলা প্রত্যাহার
  2. জব্দকৃত সম্পত্তি বিক্রি
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ
  4. অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০৮ ধারা, ধারা ৫০৩ বা ৫০৬-এর অধীন কমিশন জারির ক্ষেত্রে অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখার বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। এই মুলতবি রাখার সময়কাল কমিশন কার্যকর ও ফেরত দেওয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

৭৩৩.
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ করা হয়-
  1. সরকারি বিধি অনুযায়ী
  2. সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী
  3. সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী
  4. জাতীয় সংসদে পাশকৃত আইন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারার বিধান দায়রা আদালত:
(১) সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করবেন; এবং মহানগরীর জন্য সৃষ্ট দায়রা আদালত মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত হবে।
(২) সরকার সরকারী গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারী করে নির্দেশ দিতে পারেন যে কোন স্থানে বা স্থানসমূহে দায়রা আদালত বসবে; কিন্তু এরূপ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসবে।
(৩) এরূপ এক বা একাধিক আদালতে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ ও নিয়োগ করতে পারবেন।

(৩ক) - অনুরূপ এক বা একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালনের জন্য সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।
(৪) সরকার এক দায়রা বিবাগের দায়রা জজকে অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজ নিয়োগ করতে পারেন, এবং এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশানুসারে দুইটি বিভাগের যে কোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলা নিস্পত্তির জন্য বসতে পারবেন।
(৫) এই আইন বলবৎ হবার সময় যে সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল তার সমস্ত গুলিই এই আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধরতে হবে।
------------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 9. Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court; and the Court of Session for a Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
৭৩৪.
Under Section 100, which Magistrates can issue a search warrant for a wrongfully confined person?
  1. Executive Magistrate
  2. Metropolitan Magistrate
  3. Magistrate of the First Class
  4. All of above
ব্যাখ্যা
Section 100- Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
৭৩৫.
একটি খুনের মামলায় 'ক' অভিযুক্ত। উক্ত অপরাধের চার্জ গঠনের শুনানীর দিন তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে সুরতহাল রিপোর্ট দাখিল করে এবং অভিযুক্ত 'ক' অব্যাহতির আবেদন করে। এক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তের আবেদন সাপেক্ষে কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট অগ্রহণযোগ্য
  2. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে দণ্ড দিবে
  3. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে অব্যাহতি দিতে পারে
  4. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে খালাস দিবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে;
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ:
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
৭৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে পুলিশ রিপোর্ট সংক্রান্ত বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ১৭১ ধারা
  2. ১৭৩ ধারা
  3. ১৭২ ধারা
  4. ১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে আদালতে যে প্রতিবেদন দাখিল করে, তা পুলিশ রিপোর্ট হিসেবে পরিচিত। এটি দুই প্রকার হতে পারে—
১) চার্জশিট (Charge Sheet): অভিযোগ প্রমাণিত হলে দাখিল করা হয়।
২) ফাইনাল রিপোর্ট (Final Report): অভিযোগ মিথ্যা হলে বা প্রমাণ না পেলে দাখিল করা হয়।

⇒ পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
i) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।
ii) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
৭৩৭.
কোন ক্ষেত্রে ফৌজদারি আপিল করা যাবে না?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিধান না থাকলে
  2. বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে বিধান না থাকলে
  3. আদালতের অনুমতি না নিলে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ যারা পর্যন্ত আপিলের বিধিবিধান বর্ণিত হয়েছে।

• ধারা-৪০৪: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না- 

উক্ত কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।
৭৩৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীনে সাক্ষ্য গ্রহণ কোন অধ্যায়ের বিধান অনুসারে পরিচালিত হবে?
  1. অধ্যায়-১৮
  2. অধ্যায়-২০
  3. অধ্যায়-১৫
  4. অধ্যায়-২৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২৮(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “এই ধারার অধীনে যেভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, তা হবে যেন এটি একটি অনুসন্ধান (inquiry), এবং তা হবে অধ্যায় ২৫-এর বিধান অনুযায়ী।”
→ অর্থাৎ: ধারা ৪২৮ মূলত আপিল আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা দেয়; কিন্তু সেই সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি যেন স্বেচ্ছাচারিতা না হয়, তাই এটিকে একটি নিয়মতান্ত্রিক অনুসন্ধানের মতোভাবে অধ্যায় ২৫-এর বিধান মেনে সম্পন্ন করতে হবে।
অধ্যায় ২৫:
অধ্যায় ২৫ (Chapter XXV) হলো: "OF THE MODE OF TAKING AND RECORDING EVIDENCE IN INQUIRIES AND TRIALS" অর্থাৎ "অনুসন্ধান ও বিচারে সাক্ষ্য গ্রহণ ও তা লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি"
- এখানে সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামির উপস্থিতি, জেরা, প্রামাণ্যতা ইত্যাদি বিষয়গুলোর বিধান রয়েছে— যেগুলো অনুসরণ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.

৭৩৯.
কোন আদালতের জরিমানার ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধিতে সীমায়িত বা নির্দিষ্ট করা নেই?
  1. দায়রা আদালতের
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩১- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

৩২ ধারার বিধান- ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গে অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দশ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা; বেত্রদণ্ড।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; পাঁচ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দুই হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে (CrPC) ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষেত্রে জরিমানার সীমা নির্ধারিত রয়েছে:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা।
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা।
তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা।

কিন্তু দায়রা আদালতের জরিমানার পরিমাণ নির্দিষ্ট করে সীমাবদ্ধ করা হয়নি। তারা বিচারাধীন অপরাধ অনুযায়ী সাজা নির্ধারণ করেন, যা সংশ্লিষ্ট আইনে উল্লেখ থাকে।
৭৪০.
সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত কোন দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই আপিল করা যাবে না
  2. অনধিক ২০০ টাকা জরিমানা করলে
  3. ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে
  4. সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
অর্থাৎ ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
৭৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৭ ধারা অনুযায়ী, কমিশন-এর ফেরত প্রদান এবং সাক্ষ্য কে পরিদর্শন করতে পারবে?
  1. শুধুমাত্র বিচারক
  2. শুধুমাত্র বাদী পক্ষ
  3. মামলার উভয় পক্ষ
  4. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭ অনুযায়ী, কমিশন ফেরত দেওয়ার পরে উক্ত কমিশন এবং এতে অন্তর্ভুক্ত সাক্ষ্য সব যুক্তিসংগত সময়ে মামলার উভয় পক্ষের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৭ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী, কমিশন-এর ফেরত প্রদান এবং সাক্ষ্য মামলার উভয় পক্ষের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.

৭৪২.
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুযোগটি -
  1. মৌলিক অধিকার
  2. সাংবিধানিক অধিকার
  3. নাগরিক অধিকার
  4. আইনগত অধিকার
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪৯৬ ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধে কাউকে আটক করা হলে কিংবা বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে আটক করা হলে জামিন দেওয়া হবে (Shall be released on bail)। এখানে Shall শব্দটি ব্যবহার করায় এই ধারার অধীন জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার হিসেবে গণ্য।
♦অর্থাৎ জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুবিধা হল আইনগত অধিকার।
৭৪৩.
বেসরকারি ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন, যদি অপর ব্যক্তিটি_________
  1. জামিনযোগ্য ও অ-আমলযোগ্য অপরাধ করেন
  2. কোনো অপরাধ করেছেন মর্মে সন্দেহ হয়
  3. আমলযোগ্য ও অ-আমলযোগ্য যে-কোনো অপরাধ করেন
  4. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ করেন
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender].

৫৯ ধারা তে বলা আছে-

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৭৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়, গ্রেফতারী কার্যক্রম পরিচালনাকারী কাকে তল্লাশি করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. যে কোনো ব্যক্তিকে
  3. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. গ্রেফতারী পরোয়ানায় কার্যরত ব্যক্তি বা পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারা- যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:-
গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।
৭৪৫.
জমিলা খাতুনকে খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে, সে গর্ভবতী। পরবর্তীতে হাইকোর্ট বিভাগ তার সাজা হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা এই ঘটনাকে সমর্থন করে?
  1. ৩৮৩ ধারা
  2. ৩৮২ ধারা
  3. ৩৮৪ ধারা
  4. ৩৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা এই ঘটনাকে সমর্থন করে।

 • ধারা ৩৮২ মোতাবেক-
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life

৭৪৬.
Who has the authority to question the accused under Section 342 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. The Court
  2. Police Officer
  3. Public Prosecutor
  4. Complainant
ব্যাখ্যা
Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence.

(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just.

(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed.

(4) No oath shall be administered to the accused.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।উল্লেখ্য, এই ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
৭৪৭.
একজন অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না, যদি অভিযোগকারী হয় একটি-
  1. আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  2. বার কাউন্সিল
  3. বার সমিতি
  4. আদালত
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দিঃ নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন। তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যেসব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেনঃ

(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;

(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহনের দরকার নেই।

(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তর করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্ত রিত হয়, , তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।

♦ অর্থাৎ সাধারণ নিয়ম হলো ফরিয়াদী/ অভিযোগকারী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ দায়ের করলে, ম্যাজিস্ট্রেট ২০০ ধারার অধীন ফরিয়াদী, অভিযোগকারীকে এবং উপস্থিত সাক্ষীদের শপথপূর্বক পরীক্ষা করবে। কিন্তু অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই যদি অভিযোগকারী লিখিতভাবে নালিশ করে বা যখন আদালত বা সরকারী কর্মকর্তা সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সময় লিখিতভাবে নালিশ করে।
৭৪৮.
'nemo judex in causa sua' বা 'nemo debet esse judex in propria causa' এর অর্থ কী?
  1. একজন বিচারক কেবল একটি মামলার বিচার করতে পারবেন
  2. একজন বিচারক নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হতে পারবেন না
  3. একজন বিচারক যেকোনো মামলার বিচার করতে পারেন
  4. একজন বিচারক নিজের আদেশ পরিবর্তন করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
• 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি হচ্ছে- 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa, যার অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

৫৫৬ ধারা অনুসারে,
যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।
 
Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৭৪৯.
আটককৃত ব্যক্তির হাজিরার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক নয়?
  1. বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
  3. গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারায় বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং ৮১ ধারায় গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।

ধারা ৬১-
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়া ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

Section 61: Person arrested not to be detained more than twenty-four hours-
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.

ধারা ৮১-
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
৭৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুযায়ী আদালত অবমাননার শাস্তি হিসেবে কী প্রদান করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র তিরস্কার
  2. সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা
  4. সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুযায়ী: যদি দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ বর্ণিত কোনো অপরাধ আদালতের সম্মুখে বা উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়, তবে: সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালত অপরাধীকে দ্রুত বিচার করে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা দিতে পারে, এবং জরিমানা না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হওয়ার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section - 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
৭৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারা অনুসারে কোন সময় বা পরিস্থিতিতে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার সীমিত করতে পারেন?
  1. মামলার রায় ঘোষণার সময়
  2. মামলার আবেদন গ্রহণের সময়
  3. মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর
  4. মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২-এর শর্তাংশ অনুযায়ী: বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যেকোনো পর্যায়ে (অনুসন্ধান/বিচার) যথাযথ কারণ থাকলে (যেমন: ন্যায়বিচার, নাগরিক শৃঙ্খলা, ভিকটিমের সুরক্ষা ইত্যাদি) আদেশ দিতে পারেন যে সর্বসাধারণ বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি আদালত কক্ষে প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে:
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 352: Courts to be open:
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
৭৫২.
গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসার কোনো বাড়ি সার্চ করতে চাইলে বাড়ির মালিক কী করতে বাধ্য?
  1. নিকটস্থ থানায় খবর নিয়ে যাচাই করবেন
  2. পুলিশকে বাঁধা দেবেন
  3. পুলিশের পরিচয়ত্র দেখবেন
  4. সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারার বিধান যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:- গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।
৭৫৩.
ফৌজদারি আদালত কখন অভিযোগ (charge) সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারে?
  1. বিচার শুরুর পূর্বে যেকোনো সময় 
  2. অভিযোগ দায়েরের সময়
  3. মামলার রায় ঘোষণার পরেও যেকোনো সময়
  4. মামলার রায় ঘোষণার আগে যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে: "Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced."
- অর্থাৎ, মামলার রায় ঘোষণার আগে যেকোনো সময় ফৌজদারি আদালত অভিযোগ (charge) সংশোধন বা পরিবর্তন করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 227: Court may alter charge:-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

৭৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(২) ধারা অনুযায়ী, যদি আসামীর জেল হাজতে থাকার সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশি হয়, তবে কী হবে?
  1. আসামীকে নতুন করে দণ্ড প্রদান করা হবে
  2. আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে, তবে অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে হবে
  3. আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে
  4. আসামির বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) আসামীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং অর্থদণ্ড মওকুফ করা হবে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(২) ধারার অধীনে, যদি আসামি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকেন এবং তার জেল হাজতে থাকার সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশি হয়ে যায়, তবে তাকে "পূর্ণ কারাদণ্ড ভোগ করা" হিসেবে গণ্য করা হবে। এর ফলে, তাকে মুক্তি দেয়া হবে এবং যদি তার বিরুদ্ধে কোনো অর্থদণ্ড থাকে, তবে সেটি মওকুফ হয়ে যাবে।
এটি একটি প্রক্রিয়া যা নিশ্চিত করে যে, কোনো ব্যক্তির অনাকাঙ্ক্ষিত দীর্ঘ সময়ের জেল হাজতকে "কারাদণ্ড" হিসেবে গণ্য করা হয়, এবং সেই সময়ের জন্য তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। 
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৭৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫গ অনুসারে কোন অবস্থায় আসামিকে খালাস দেওয়া যায়?
  1. যখন আসামি জামিন চায়
  2. যখন প্রমাণ অপর্যাপ্ত থাকে
  3. যখন সাক্ষীরা জবানবন্দি দেয় না
  4. যখন অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫গ অনুযায়ী, যদি মামলার নথি ও দলিলাদি এবং আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত মনে করে যে আসামীর বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার যথেষ্ট কারণ নেই, তখন আদালত তাকে খালাস (discharge) দিতে পারে।
সুতরাং, প্রমাণ অপর্যাপ্ততাই হলো ধারা ২৬৫গ অনুসারে খালাস দেওয়ার মূল ভিত্তি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫গ: অব্যাহতি:
যদি মোকদ্দমার নথিপত্র এবং তৎসহ দাখিলকৃত দলিলাদি বিবেচনা করার পর এবং এই সম্পর্কে আসামী ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শ্রবণের পর আদালত মনে করেন যে, আসামীর বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য যথেষ্ট কারণ নেই, তাহলে আদালত আসামীকে অব্যাহতি দেবেন এবং তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
-----
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265C. Discharge:
 If, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith, and after hearing the submissions of the accused and the prosecution in this behalf, the Court considers that there is no sufficient ground for proceeding against the accused, it shall discharge the accused and record the reasons for so doing.

৭৫৬.
কোন পরিস্থিতিতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. যখন অভিযোগকারী আবেদন করে
  2. যখন আসামি এর বিরুদ্ধে আপত্তি তোলে
  3. যদি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক উপস্থিত থাকতে না পারেন
  4. শুধুমাত্র যখন তদন্তকারী কর্মকর্তা অনুমতি দেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 
Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৭৫৭.
সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যাপ্ত হলে কে অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের বরাবর প্রেরণ করবে?
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. মামলার তদন্ত কর্মকর্তা
  3. কর্তৃত্বসম্পন্ন যেকোন ব্যক্তি
  4. ম্যাজিস্ট্রেট যাকে আদেশ দিবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭০ অনুযায়ী-
তদন্তে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,পর্যাপ্ত সাক্ষ্য আছে তাহলে অভিযুক্তকে বিচারের জন্য পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য হলে এবং অভিযুক্ত জামানত দিতে সমর্থ হলে কোন নির্ধারিত দিনে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হওয়ার জন্য জামানত গ্রহণ করবেন।

• সেই সাথে যখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন,তখন তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ কোন অস্ত্র বা অন্যান্য দ্রব্য তার নিকট প্রেরণ করবেন এবং অভিযুক্তর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ পরিচালনা বা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ফরিয়াদি (যদি থাকে) এবং ঘটনার অবস্থা সম্পর্কে জানেন এরূপ যেকোন সংখ্যক লোককে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হওয়ার উদ্দেশ্যে একটি মুচলেকা সম্পাদন করতে বলবেন।
৭৫৮.
দায়রা জজ কীসের ভিত্তিতে মামলা স্থানান্তর করতে পারেন?
  1. নিজস্ব উদ্যোগে
  2. স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষের আবেদন
  3. অধঃস্তন আদালতের রিপাের্টের ভিত্তিতে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫২৬খ: দায়রা জজের মামলা হস্তান্তর করার ক্ষমতা:
১) যখন কোন দায়রা জজের নিকট প্রতীয়মান করা হয় যে, ন্যায়বিচারেরর উদ্দেশ্যে এই ধারার অধীন কোন আদেশ দান করা সমীচীন, তখন তিনি তার দায়রা বিভাগাধীন এক ফৌজদারি আদালত হতে অপর ফৌজদারি আদালতে কোন মামলা স্থানান্তর করতে আদেশ দিতে পারেন।

২) দায়রা জজ অধঃস্তন আদালতের রিপাের্টের ভিত্তিতে বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষের কোন আবেদনের ভিত্তিতে বা তার নিজস্ব উদ্যোগে এইরূপ কাজ করতে পারেন।

৩) ৫২৬ ধারার (৪) হতে (১০) উপধারার (উভয় ধারা অন্তর্ভূক্ত) বিধানানুসারে দায়রা জজের নিকট দরখাস্ত করার ব্যাপারে ৫২৬ ধারা (১) উপ-ধারা অনুযায়ি হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করার পদ্ধতি প্রযােজ্য হবে।
৭৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুসারে, জব্দকৃত জিনিসপত্রের তালিকা প্রস্তুত করার সময় কার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক?
  1. একজন সাক্ষীর
  2. একজন ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. একজন মেডিকেল অফিসারের
  4. গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের কোনো সদস্যের
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫১ এর শেষ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো জিনিস জব্দ করা হলে, অফিসার একজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন এবং সম্ভব হলে তার স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন।
- সুতরাং, জব্দকৃত জিনিসপত্রের তালিকা প্রস্তুত করার সময় একজন সাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫১ - "গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের তল্লাশি" (Search of arrested persons): যখনই কোনো ব্যক্তিকে একজন পুলিশ অফিসার এমন কোনো ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তার করেন যেখানে জামিনের বিধান নেই, অথবা এমন ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তার করেন যেখানে জামিনের বিধান আছে কিন্তু গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে পারেন না, এবং যখনই কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করা হয়, বা কোনো বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তার করা হয়, এবং আইনত জামিনে মুক্ত হতে পারেন না, অথবা জামিন দিতে অক্ষম হন, তখন গ্রেপ্তারকারী অফিসার অথবা, যখন গ্রেপ্তার কোনো বেসরকারি ব্যক্তি দ্বারা করা হয়, তখন যে পুলিশ অফিসারের নিকট গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করা হয়, তিনি ওই ব্যক্তিকে তল্লাশি করতে পারেন এবং তার কাছে পাওয়া প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত অন্যান্য সমস্ত জিনিসপত্র নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারেন ; এবং
যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো জিনিস জব্দ করা হয়, সেখানে অফিসার একজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন এবং সম্ভব হলে তার স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন, এবং এর একটি অনুলিপি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে বা তার দ্বারা মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সরবরাহ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 51. Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail, the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him ; and
where any article is seized from the arrested person, the officer shall prepare a list in the presence of a witness and obtain his signature, if practicable, and shall serve a copy thereof to the arrested person or to any person nominated by him.

৭৬০.
জরিমানা অনাদায়ে দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের জন্য জরিমানা করেছিল সেই অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তির কত অংশ আরোপ করতে পার?
  1. ব্যর্থতার কারণে আইনে অনুমদিত যে কোন মেয়াদের
  2. ১২ মাস
  3. অপরাধটির জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তির ১/৪ অংশ
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦জরিমানা অনাদায়ে দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন অপরাধের বিচার করার সময় মূল দণ্ডের অংশ হিসেবে সাজা প্রদান করে, সেই ক্ষেত্রে জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য কারাবাস উক্ত অপারাধের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড প্রদান করে তার ১/৪ অংশের বেশী হবে না। এই বিধানটি শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে কারাবাসসহ অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে অনাদায়ী কারাবাসের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা প্রযোজ্য হবে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩ মতে জরিমানা অনাদায়ে ম্যাজিস্ট্রেটগণের দত্ত প্রদানের ক্ষমতা (Power of Magistrates to sentence to imprisonment in default of fine):জরিমানা অনাদায়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনে অনুমোদিত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবেন- তবে শর্ত হলোঃ
(ক) কারাদণ্ডের মেয়াদ এই কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার বাইরে হবে না;
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট যে মামলার বিচার করবেন তাতে মূল দণ্ডের অংশ হিসাবে কারাদণ্ড দেওয়া হয়ে থাকলে জরিমানা অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া হবে তার মেয়াদ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত অপরাধের জন্য জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ড হিসাবে ছাড়া অন্যভাবে যে দণ্ড দিতে পারেন তার এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না
♦৩২ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট যে সর্বাধিক মেয়াদের মূল কারাদণ্ড দিতে পারেন তার সাথে এই ধারা অনুসারে প্রদত্ত কারাদণ্ড যোগ করা যেতে পারে।
দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা মতে কেবল অর্থদন্ডে দন্ডাই অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদন্ডঃ
অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না, যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে; অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।
৭৬১.
আদালত কর্তৃক গঠিত অভিযোগ ________ ভাষায় লিখিত হবে।
  1. আসামীর
  2. স্থানীয়
  3. বাংলা
  4. আদালতের
ব্যাখ্যা
চার্জের বিষয়বস্তু (Contents of Charge)

চার্জে কোন বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে তা ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ থেকে ২২৩ ধারায় বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) ধারা-২২১: অপরাধের পরিচিতি (Charge to state offence)- ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারামতে চার্জে অপরাধের নাম, তবে নাম না থাকলে অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে। এছাড়া অপরাধটি কোন আইনের কত ধারার অন্তর্গত তা চার্জে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। চার্জ ইংরেজীতে বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারামতে চার্জে অপরাধের বিবরণ থাকতে হবে:
(১) এই কার্যবিধি অনুসারে প্রত্যেক চার্জে আসামী যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে, তার বিবরণ থাকবে ।

(২) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নামই যথেষ্ট বিবরণঃ যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে চার্জে শুধুমাত্র সে নামেই উহার বিবরণ প্রদান করা যাবে।

(৩) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নাম না থাকলে কিভাবে উল্লেখ করতে হবেঃ যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উহার সংজ্ঞা এরূপভাবে বর্ণিত হতে হবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে ।

(৪) যে আইন এবং যে ধারার বিধানমতে অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে মর্মে বর্ণিত হয়েছে, চার্জে তার উল্লেখ করতে হবে।

(৫) চার্জ দ্বারা কি বুঝায়ঃ কোন ক্ষেত্রে চার্জ প্রণীত হলে তা এমর্মে বিবৃত প্রদানের শামিল হয় যে, উক্ত বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধটি সংঘটনের জন্য আইনগত যেসব শর্ত বিদ্যমান, তা পূরণ করা হয়েছে ।

(৬) চার্জের ভাষা: চার্জ ইংরেজীতে অথবা আদালতের ভাষায় লিখতে হবে।

(৭) পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যেক্ষেত্রে উল্লেখ করতে হবেঃ আসামী পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হবার জন্য পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির দণ্ডে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার দরকার হলে, চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান বর্ণনা করতে হবে। এধরণের বর্ণনা না করা হয়ে থাকলে আদালত দণ্ড দানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যোগ করতে পারেন।
৭৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২ অনুযায়ী আদালত কক্ষে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার কীসের উপর নির্ভর করে?
  1. মামলার গুরুত্ব
  2. পুলিশের সুপারিশ
  3. শুধুমাত্র বিচারকের ইচ্ছা
  4. আদালতের সুবিধাজনক ধারণক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২ অনুযায়ী, আদালত কক্ষে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার "আদালতের সুবিধাজনক ধারণক্ষমতা" এর উপর নির্ভর করে।
এর মানে হল, আদালত কক্ষটি যতটুকু লোক ধারণ করতে সক্ষম, সাধারণ জনগণ ততটুকু সেখানে প্রবেশ করতে পারবে। এই প্রবেশাধিকার সীমিত হবে যদি কক্ষের ধারণক্ষমতা পূর্ণ হয়ে যায়।
তবে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন, কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে সর্বসাধারণের উপস্থিতি ক্ষতিকর হতে পারে বা মামলার প্রকৃতির কারণে গোপনীয়তা প্রয়োজন, তাহলে তিনি আদেশ দিতে পারেন যে, সেই particular কক্ষে জনসাধারণ প্রবেশ করতে পারবেন না।

অতএব, সঠিক উত্তর হল: ঘ) আদালতের সুবিধাজনক ধারণক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
৭৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৫০৩
  2. ৫০৭
  3. ৫১৫
  4. ৫১৭
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারার বিধান যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ:-
(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধা- জনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপীলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এমর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
৭৬৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী চিকিৎসক সাক্ষীকে তলব করার জন্য আদালত সমন দিতে পারে?
  1. ৫০৯
  2. ৫০৮
  3. ৫১০ক
  4. ৫১১
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০৯ মতে- আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত অথবাকমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবান বন্দী তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও এই আইন অনুসারে কোন অনুসন্ধান বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম সাক্ষ্য হিসাবে প্রদান করা যাবে। আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দীর বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
৭৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১(২) অনুযায়ী, মৌখিক নালিশ দায়ের হলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. নালিশ বাতিল করবেন
  2. নালিশ গ্রহণ করবেন
  3. নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  4. নালিশকারীকে লিখিত নালিশ দাখিল করতে বলবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• ধারা ২০১(১)
লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

ধারা ২০১(২)
মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

Section 201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.

৭৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন?
  1. অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি করলে
  2. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার পর
  3. অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হলে
  4. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুসারে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে তিনি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার ধারার বিধান চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
৭৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৩
  2. ধারা ৩৪৪
  3. ধারা ৩৫৫
  4. ধারা ৩৬৬
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৭৬৮.
রিভিশনের আবেদনের ক্ষেত্রে সেশন জজের সিদ্ধান্ত-
  1. আপিলযোগ্য
  2. চূড়ান্ত 
  3. পুনরায় রিভিশনযোগ্য
  4. হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে চূড়ান্ত 
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৯ক: সেশন জজের রিভিশন ক্ষমতা:

(১) কোনো বিচার কার্যক্রমের রেকর্ড যা- নিজে সেশন জজ আহ্বান করেছেন, অথবা অন্যভাবে তার নজরে এসেছে, সে ক্ষেত্রে সেশন জজ হাইকোর্ট বিভাগের ধারা ৪৩৯ অনুসারে যেসব ক্ষমতা ব্যবহার করা যায়, তার সব বা যেকোনো ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন।

(২) কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে বা দ্বারা রিভিশনের আবেদন করলে—সেশন জজের সেই বিষয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

(৩) অতিরিক্ত সেশন জজেরও এই অধ্যায়ের অধীনে সেশন জজের সব ক্ষমতা থাকবে এবং প্রয়োগ করতে পারবেন, যদি কোনো মামলা সেশন জজের সাধারণ বা বিশেষ আদেশে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

৭৬৯.
'পরিবর্তিত চার্জ আসামিকে পড়ে শোনানোর বাধ্যবাধকতা'- ফৌজদারির কার্যবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ২২১ ধারা
  2. ২২৩ ধারা
  3. ২২৫ ধারা
  4. ২২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হলো কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-

অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
৭৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পলাতক কয়েদীর দণ্ড কার্যকরীকরণ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৯৬
  2. ধারা ৩৯৭
  3. ধারা ৩৭৬
  4. ধারা ৩৬৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯৬- পলাতক কয়েদীর দণ্ড কার্যকরীকরণঃ

(১) এই বিধি অনুসারে কোন পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী দপ্রাপ্ত হলে উক্ত দত্ত মৃত্যুদণ্ড, অর্থদণ্ড বা বেত্রদণ্ড হলে ইতোপূর্বে উল্লেখিত বিধান সাপেক্ষে উহা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং কারাদণ্ড হলে নিম্নোক্ত নিয়ম অনুসারে কার্যকর হবে, অর্থাৎ

(২) পালাবার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী যে দণ্ড ভোগ করতেছিল, তার চেয়ে নতুন দণ্ড কঠোরতর হলে দণ্ড অবিলম্বে কার্যকর হবে।

(৩) পায়নের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী যে দণ্ড ভোগ করতেছিল তদাপেক্ষা নতুন দণ্ড কঠোরতর না হলে, পলায়নের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর পূর্বতন দণ্ডের যে পরিমাণ অনতি বাহিত ছিল তার সমপরিমাণ অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করার পর যখন দণ্ড কার্যকর হবে।

ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে,
(ক) কারাদণ্ড হতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কঠোরতর রূপে মনে করতে হবে;
(খ) নির্জন বাস কারাদতে নির্জনবাস ব্যতীত একই ধরণের কারাদত অপেক্ষা কঠোর হিসাবেমনে করতে হবে: এবং
(গ) সশ্রম কারাদণ্ড নির্জনবাসসহ বা নির্জনবাস ব্যতীত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অপেক্ষা কঠোর হিসাবে মনে করতে হবে।
৭৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুসারে ফরিয়াদির কোন ফি আসামিকে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. ফরিয়াদির ব্যক্তিগত খরচ
  2. মামলার আইনজীবীর ফি
  3. নালিশ বা জবানবন্দির ফি
  4. আদালতের রক্ষণাবেক্ষণ ফি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুযায়ী, যদি কোনো আমল অযোগ্য মামলায় আসামি দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে আদালত আসামিকে ফরিয়াদিকে নির্দিষ্ট কিছু ফি পরিশোধের আদেশ দিতে পারেন।
এই ফিগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
(ক) নালিশের দরখাস্তে বা ফরিয়াদির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য প্রদত্ত ফি।
(খ) ফরিয়াদির সাক্ষী হাজিরা বা আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির জন্য প্রদত্ত ফি।
এইসব ফি সরকারি খরচ নয়, বরং ফরিয়াদির ব্যক্তিগতভাবে প্রদানকৃত মামলা-সংক্রান্ত খরচ। তাই এগুলো আসামিকে ফেরত দিতে হয়, যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন।
অতএব, ‘নালিশ বা জবানবন্দির ফি’ আসামিকে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ:
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামি সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থদানের জন্য আসামিকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদির জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদি কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
--------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 546A: Order of payment of certain fees paid by the complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant–
(a) the fee (if any) paid on the petition of complaint or for the examination of the complainant, and
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused,
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days.
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
৭৭২.
একই বিচারে জাফরুল্লাহকে দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারায় ২ বছর এবং ৩২৫ ধারায় ৪ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। বিচার চলাকালীন সে ১ বছর জেলে ছিলো। তাকে আর কয় বছর জেলে থাকতে হবে?
  1. ৫ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা-৩৫ক মোতাবেক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি জেলহাজতে থাকলে সেক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ বাদ দিতে হবে।
- যেহেতু জাফরুল্লাহ এর মোট সাজা ৬ বছর এবং ইতোমধ্যে সে ১ বছর হাজতবাস করে ফেলেছে, তার আরো ৫ বছর জেলে থাকতে হবে।
৭৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার অধীনে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্বে নিচের কোনটি অবশ্যই করতে হবে?
  1. পুলিশ রিপোর্ট সংগ্রহ করা
  2. পত্রিকায় দোষ স্বীকারোক্তি প্রকাশ করা
  3. অভিযুক্তের আত্মীয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা
  4. দুটি জাতীয় বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় বলা হয়েছে যে, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্বে তাকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন দুটি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। যদি অভিযুক্ত উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির না হন, তবে তার অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৭৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ অনুযায়ী, মামলাটি দায়রা আদালতে স্থানান্তরিত হলে কাকে অবহিত করতে হয়?
  1. অভিযুক্তকে
  2. আদালতের রেজিস্ট্রারকে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  4. অভিযোগকারীকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ:
যখন কোনো মামলার সূত্রপাত পুলিশ প্রতিবেদন বা অন্য কোনো উপায়ে হয়, এবং আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয় বা আনা হয়, তখন যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মনে হয় যে উক্ত অপরাধটি এককভাবে দায়রা আদালতে (Court of Session) বিচারযোগ্য, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নোক্ত কাজসমূহ করবেন:
(ক) মামলাটি দায়রা আদালতে পাঠাবেন;
(খ) এই বিধি অনুযায়ী জামিন বা রিমান্ড সংক্রান্ত বিধানসমূহ অনুসারে, আসামিকে বিচার চলাকালীন ও বিচারের সমাপ্তি পর্যন্ত হেফাজতে (custody) রাখার আদেশ দিতে পারবেন;
(গ) মামলার নথিপত্র, এবং প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য যেসব দলিল ও বস্তু রয়েছে, তা দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
(ঘ) মামলাটি দায়রা আদালতে স্থানান্তরের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিকে (Public Prosecutor) অবহিত করবেন।
৭৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগের বিধান আছে?
  1. ৫০৩
  2. ৫০৪
  3. ৫০৫
  4. ৫০৬
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার বিধান: মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন:
(১) সাক্ষী যদি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন করতে নির্দেশ দিবেন এবং তিনি এরূপভাবে সাক্ষীকে হাজির করে তার সাক্ষ্য এমনভাবে গ্রহণ করবেন যাতে তার নিজের কাছেই মামলাটি পেন্ডিং আছে।

(২) এই ধারার অধীন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন দেয়া হলে তিনি কমিশনে প্রদত্ত যাবতীয় ক্ষমতা ও কর্তব্য তার অধীনস্ত কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর ন্যস্ত করতে পারবেন। 
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-504: Commission in case of witness being within a Metropolitan Area:
(1) If the witness is within the local limits of the jurisdiction of any Metropolitan Magistrate, the Magistrate or Court issuing the commission may direct the same to such Metropolitan Magistrate, who thereupon may compel the attendance of, and examine, such witness as if he were a witness in a case pending before himself.
(2) When a commission is issued under this section to the Chief Metropolitan Magistrate, he may delegate his powers and duties under the commission to any Metropolitan Magistrate subordinate to him.
৭৭৬.
অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চালাকালে আসামী মারা গেলে আপীলটি-
  1. এবেট হবে
  2. এবেট হবে না
  3. খারিজ হবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 

অর্থাৎ জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
৭৭৭.
'প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না'- কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ৪৯৮ ধারায়
  2. ৪৯৯ ধারায়
  3. ৫০০ ধারায়
  4. ৫০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:

(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৭৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. অধ্যায় ২০
  2. অধ্যায় ২১
  3. অধ্যায় ২২
  4. অধ্যায় ২৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ তে সংক্ষিপ্ত বিচারের (Summary Trials) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই অধ্যায়ে ধারা ২৬০ থেকে ২৬৫ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি এবং শর্তাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে লঘু শাস্তির অপরাধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়, যেখানে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হতে পারে।
- গুরুতর অপরাধ, যেমন হত্যা বা ধর্ষণ, সংক্ষিপ্ত বিচারের আওতায় পড়ে না।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধ্যায় ২২-এ সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই অধ্যায়ের ধারা ২৬০ থেকে ২৬৫ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করা হয়েছে।
৭৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী নিম্নলিখিতদের মধ্যে কে পদাধিকারবলে (Ex-officio) Justice of the Peace নয়?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২৫-এ পদাধিকারবলে (Ex-officio) জাস্টিস অফ দি পিস কারা হবেন, তার একটি নির্দিষ্ট তালিকা দেওয়া আছে। এই ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গ পদাধিকারবলে জাস্টিস অফ দি পিস:
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ (সমগ্র বাংলাদেশের জন্য)।
- দায়রা জজ (Sessions Judges) (নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে)।
- চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate) (নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে)।
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Metropolitan Magistrates) (নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে)।
উপরোক্ত তালিকায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate)-এর নাম উল্লেখ নেই। যদিও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রশাসনিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদ, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির এই বিশেষ ধারা (২৫) অনুযায়ী তিনি পদাধিকারবলে জাস্টিস অফ দি পিস নয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।
- সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।
- দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 22: Justice of the peace for the mafassal:
The Government may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.
Repealed
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.

৭৮০.
ফৌজদারি অপরাধ খুনের মামলায় 'A' মৃত্যুদণ্ডের আদেশপ্রাপ্ত হয় পরবর্তীতে মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে, 'A' গর্ভবতী। এক্ষেত্রে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ সাজা হ্রাস করতে পারে
  2. বিচারিক আদালত বিচার বাতিল করতে পারে
  3. দায়রা আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. জেল কর্তৃপক্ষ মৃত্যুদণ্ডের আদেশ কার্যকর করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়:-
- মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
-If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
৭৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারায় 'হাইকোর্ট ডিভিশন' অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে—
  1. ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. দায়রা আদালতকে
  3. জেলা পুলিশ সুপারকে
  4. 'ক' বা 'খ' যেকোনো একটিকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারায় বলা হয়েছে, আপিল আদালত (যদি হাইকোর্ট ডিভিশন হয়) চাইলে নিজে অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে।
অথবা, চাইলে দায়রা আদালত অথবা ম্যাজিস্ট্রেট—এই দুইয়ের কোনো একজনকে তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
অতএব, উত্তর ঘ (ক বা খ যেকোনো একটিকে)–ই সঠিক, কারণ হাইকোর্ট ডিভিশন চাইলে এই দুইয়ের মধ্যে যে কাউকে সাক্ষ্য গ্রহণের দায়িত্ব দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
৭৮২.
৪৩৯ক ধারার বিধান কী?
  1. দায়রা আদালতের আপিলের বিধান
  2. হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশনের ক্ষমতা
  3. দায়রা আদালতের রিভিশনের ক্ষমতা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦ দায়রা আদালত –এর রিভিশনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ৪৩৯ক নং ধারায়।
♦ ধারাঃ ৪৩৯-ক মতে (১) কোন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে নিজে কোন মামলার নথি তলব করে থাকলে বা অন্য কোনভাবে বিষয়টি তার গোচরীভূত হলে দায়রা জজ ৪৩৯ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
♦ (২) কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা তার পক্ষ হতে দায়রা জজের নিকট কোন রিভিশনের আবেদন করা হলে, সে সম্পর্কে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
♦ (৩) দায়রা জজের সাধারণ বা বিশেষ আদেশক্রমে কোন মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হস্তান্তরিত হলে সেই মামলা সম্পর্কে তিনি এই অধ্যায়ের অধীন দায়রা জজের সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
♦ রিভিশনের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের যে সকল ক্ষমতা আছে সেসকল ক্ষমতা দায়রা জজকে দেওয়া হয়েছে। 
♦ রিভিশনের ক্ষেত্রে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দায়রা জজের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পুনরায় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
♦ অতিরিক্ত দায়রা জজ তার নিকট হস্তান্তরকৃত মামলা সম্পর্কে দয়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে।
৭৮৩.
ধারা ৩৩৯ক অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত ক্ষমার শর্ত পূরণ করে, তবে আদালত কী রায় দিবে?
  1. মুক্তির রায় দিতে হবে
  2. খালাসের রায় দিতে হবে
  3. শাস্তি স্থগিত করতে হবে
  4. পুনরায় বিচার করতে হবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৯ক- ৩৩৯ ধারার অধীনে ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া:
(১) যে আদালত ৩৩৯ ধারার অধীনে ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তির বিচার করছে, সে আদালত—
(ক) যদি আদালত সেশন কোর্ট হয়, তবে অভিযোগপত্র অভিযুক্তকে ২৬৫ডি ধারা, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী পাঠ করা ও ব্যাখ্যা করার আগে; এবং
(খ) যদি আদালত ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত হয়, তবে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের আগে—

অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করবে যে তিনি কি এই দাবি করেন যে ক্ষমা প্রদানের শর্ত তিনি পূরণ করেছেন।

(২) যদি অভিযুক্ত এই দাবি করেন, তবে আদালত তার এই আবেদন/দাবি নথিভুক্ত করবে এবং বিচার চালিয়ে যাবে। পরে রায় ঘোষণার আগে আদালত নির্ধারণ করবে অভিযুক্ত আসলেই ক্ষমার শর্ত পূরণ করেছেন কি না।

যদি আদালত দেখতে পায় যে শর্ত পূরণ করা হয়েছে, তবে এই বিধি সত্ত্বেও আদালত খালাসের রায় প্রদান করবে।

৭৮৪.
The definition of "offence" is stated in __________ of The Code of Criminal Procedure, 1898.
  1. Section 4(j)
  2. Section 4(l)
  3. Section 4(n)
  4. Section 4(o)
ব্যাখ্যা
• Section 4(o)-
"offence" means any act or omission made punishable by any law for the time being in force.

"অপরাধ" বলতে বর্তমানে প্রচলিত আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য কোন কাজ বা কাজ না করাকে বোঝায়।
৭৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে, নারীকে তল্লাশির ক্ষেত্রে কী নিয়ম পালন করতে হবে?
  1. তল্লাশি করার আগে ওয়ারেন্ট প্রয়োজন।
  2. তল্লাশি যে কোনো পুরুষ কর্মকর্তা করতে পারেন।
  3. তল্লাশির জন্য কোনো নিয়ম পালনের প্রয়োজন নেই।
  4. তল্লাশি অবশ্যই অন্য একজন নারীর দ্বারা এবং শালীনতার সাথে করতে হবে।
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) তল্লাশি অবশ্যই অন্য একজন নারীর দ্বারা এবং শালীনতার সাথে করতে হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫২ (Section 52: Mode of searching women)-এ বলা হয়েছে:
“Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.”
অর্থাৎ যদি কোনো নারীকে তল্লাশি করার প্রয়োজন হয়, তাহলে তা অবশ্যই একজন নারী দ্বারা করা উচিত, এবং তল্লাশির সময় শালীনতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে হবে।
এটি নারীর ব্যক্তিগত মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section 52- Mode of searching women: Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৭৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কবর থেকে লাশ তোলার বিধান কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৭১ ধারায়
  2. ১৭৪ ধারায়
  3. ১৭৬ ধারায়
  4. ১৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৭৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারায় কোন বিষয় সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি
  3. ভবঘুরে ব্যক্তির গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
  4. সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে, তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 

(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 

(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
৭৮৮.
'ক' একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। তার ভাই 'খ', একজনকে তর্কের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করে। ভুক্তভোগী 'ক' এর কাছে 'খ' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে বাধ্য
  2. উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না
  3. ইচ্ছানুযায়ী বিচার করতে পারেন বা পারেন না
  4. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করতে পারবে।
৭৮৯.
'ক' একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। তার ভাই 'খ', একজনকে তর্কের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় মারাত্মক আঘাত করে। ভুক্তভোগী 'ক' এর কাছে 'খ' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না
  2. আইন অনুযায়ী উক্ত মামলার বিচার করতে বাধ্য
  3. উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে বিচার করতে পারেন
  4. উক্ত মামলার বিচার করার বিষয়টি 'ক' এর বিবেচনামূলক ক্ষমতার উপর
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৫৫৬: যে সকল মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না। কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।
এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। তবে উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করতে পারবে।
-----------------------
⇒CrPC-Section 556: Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৭৯০.
দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোন ধারার অধীনে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন?
  1. ৩৭১ ধারা
  2. ৩৭২ ধারা
  3. ৩৭৪ ধারা
  4. ৩৭৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩৭৪ অনুযায়ী: যখন দায়রা আদালত মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তখন: সেই কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগের নিকট উপস্থাপন করতে হয়, এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন (confirmation) না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায় না।

অর্থাৎ দায়রা আদালতের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টের অনুমোদন ব্যতীত কার্যকর করা যায় না, এবং এই আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারিত হয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায়।
তাই সঠিক উত্তর: গ) ৩৭৪ ধারা ।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 374. Sentence of death to be submitted by Court of Session:
 When the Court of Session passes sentence of death, the proceedings shall be submitted to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
৭৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারায় বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি কোন ধরনের প্রতিকার পেতে পারে?
  1. Bail
  2. Release
  3. Discharge
  4. Acquittal
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারা অনুযায়ী বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি অব্যাহতি [Discharge] পেতে পারেন।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪-৬৭ তে বিনা পরোয়ানা গ্রেফতার (Arrest Without warrent) সংক্রান্ত বিধি-বিধান আছে।
ধারা ৬২ অনুযায়ী, পুলিশ গ্রেফতার সম্পর্কে অর্থাৎ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া হয়েছে কিনা অথবা অন্য কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপোর্ট দিবেন এবং মহানগর এলাকায় হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে, অন্যান্য এলাকায় হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দিবেন।
 
ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
 
Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
৭৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে আদালত দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারার অধীন কোনো মামলায় উক্ত ভেজাল খাদ্য বা ঔষধ ধ্বংস করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৯৯খ ধারা
  2. ১১৭ ধারা
  3. ৫২১ ধারা
  4. ৫২২ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২১- মানহানিকর ও অন্যান্য বস্তু ধ্বংস করার আদেশ:
(১) যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৯২, ২৯৩, ৫০১ বা ৫০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সকল অনুলিপি (যা আদালতের হেফাজতে রয়েছে বা দোষী ব্যক্তির দখলে রয়েছে) ধ্বংস করা হবে।
(1) On a conviction under the Penal Code, section 292, section 293, section 501 or section 502, the Court may order the destruction of all the copies of the thing in respect of which the conviction was had, and which are in the custody of the Court or remain in the possession or power of the person convicted.

(২) একইভাবে, যদি কেউ দণ্ডবিধির ২৭২, ২৭৩, ২৭৪ বা ২৭৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত উক্ত অপরাধের সাথে সম্পর্কিত খাদ্য, পানীয়, ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে পারে।
(2) The Court may, in like manner, on a conviction under the Penal Code, section 272, section 273, section 274 or section 275, order the food, drink, drug or medical preparation in respect of which the conviction was had to be destroyed.
৭৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায়, কোন ব্যক্তির জন্য খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা ৬০ দিন?
  1. আসামি
  2. আদালত
  3. অভিযোগকারী
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, 
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
৭৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালত খালাস প্রদান করেন?
  1. ২৬৫চ ধারা
  2. ২৬৫জ ধারা
  3. ২৬৫ট ধারা
  4. ২৬৫ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫জ ধারার বিধান-খালাস:
- বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং বাদীপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামি অপরাধ করেছে এরূপ কোন সাক্ষ্য নাই তাহলে আদালত আসামিকে খালাস দেওয়ার আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন। 
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265H: Acquittal:
- If, after taking the evidence for the prosecution, examining the accused and hearing the prosecution and the defence on the point, the Court considers that there is no evidence that the accused committed the offence, the Court shall record an order of acquittal.
৭৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারা কোন বিষয়ে সম্পর্কিত?
  1. জেলা আদালতের বিচার ক্ষমতা
  2. বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ ও ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারা- নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
৭৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলটি বাতিল?
  1. ৪র্থ
  2. ৩য়
  3. ২য়
  4. ১ম
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:

১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল।

২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

৭৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫(১) অনুযায়ী নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫(১) অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়েই তাদের বিচারিক এখতিয়ারাধীন অধীনস্থ কোনো ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম বা রায়, দণ্ড, আদেশের বৈধতা ও সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য নথি তলব করতে পারেন। তবে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:-
-(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.
৭৯৮.
পুলিশ অফিসার সাক্ষিদের মৌখিক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন কত ধারায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় পুলিশ অফিসার কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষার বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনাকারী কোন পুলিশ অফিসার মামলার সাথে পরিচিত যে কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে বা জবানবন্দী রেকর্ড করতে পারে।
৭৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুসারে, গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা কাকে গ্রেফতারের কারণ জানাবেন?
  1. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারকে
  2. থানার অফিসার-ইন-চার্জকে
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে
  4. ওয়ারেন্ট জারিকারী আদালতকে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: C. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক-  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করলে, তাকে গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারের কারণ সেই ব্যক্তিকে জানাতে হবে।

Section 54A- Person arrested to be informed of reason of arrest: 
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

৮০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় তল্লাশি কার্যক্রমে সাক্ষী উপস্থিতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১০১
  2. ধারা ১০২
  3. ধারা ১০৩
  4. ধারা ১০৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩-এ তল্লাশি কার্যক্রম চালানোর সময় স্থানীয় দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত রাখার বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশি কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশি করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশি করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশির সাক্ষী হওয়ার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশি করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশি করার সময় যে-সব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যে-সব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরি করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশি দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.