বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা / ২৯ · ৪০১৫০০ / ২,৮৮৩

৪০১.
যুগ্ম দায়রা জজ প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হয়-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. স্পেশাল জজের নিকট
  3. জেলা জজের নিকট
  4. দায়রা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ আনুযায় ফরিয়াদী কর্তৃক দায়রা আদালতের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে এবং ফরিয়াদী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

♦ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন ১৯০৮ এর আনুচ্ছেদ ১৫৭ আনুযায় পাবলিক প্রসিকিউটর আপিল দায়ের করতে পারে ৬ মাসের মধ্যে।

♦ অভিযোগকারি বা ফরিয়াদি শুধুমাত্র মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে, কিন্তু আপিলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল করতে পারেনা অর্থাৎ ২য় আপিলের সুযোগ নেই।

♦ তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ (৪) ধারা অনুযায়ী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল নাকচ বা প্রত্যাখান হলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ২য় আপিল চলবেনা; তবে রিভিশন দায়ের করা যাবে।
৪০২.
'No influence, by means of any promise or threat or otherwise, shall be used to an accused person to induce him to disclose or withhold any matter within his knowledge.'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৪১
  2. ধারা ৩৪২
  3. ধারা ৩৪৩
  4. ধারা ৩৪৪
ব্যাখ্যা
Section 343- No influence to be used to induce disclosures:
Except as provided in sections 337 and 338, no influence, by means of any promise or threat or otherwise, shall be used to an accused person to induce him to disclose or withhold any matter within his knowledge.

ধারা ৩৪৩ - প্রভাব ব্যবহারের নিষেধ:
ধারা ৩৩৭ ও ৩৩৮ দ্বারা প্রদত্ত নির্দেশনার ব্যতীত, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার জ্ঞানে থাকা কোনো বিষয়ে তথ্য প্রকাশ বা গোপন করতে প্ররোচিত করার জন্য কোনো প্রকার প্রভাব, প্রতিশ্রুতি বা হুমকি ব্যবহার করা যাবে না।
৪০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন নাবালকের বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দেয়া হলে সেক্ষেত্রে উক্ত মুচলেকা কে সম্পাদন করবে?
  1. আইনগত অভিভাবক
  2. আসন্ন বন্ধু
  3. পিতা-মাতা
  4. জামিনদার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার বিধান মুচলেকা প্রদানের আদেশ: এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;
দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;
তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
------------------
⇒ CrPC-Section-118: Order to give security:
If, upon such inquiry, it is proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made should execute a bond, with or without sureties the Magistrate shall make an order accordingly: 
Provided- 
firstly , that no person shall be ordered to give security of a nature different from, or of an amount larger than, or for a period longer than, that specified in the order made under section 112:  
secondly, that the amount of every bond shall be fixed with due regard to the circumstances of the case and shall not be excessive: 
thirdly, that when the person in respect of whom the inquiry is made is a minor, the bond shall be executed only by his sureties.
৪০৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫ ধারানুসারে কার্যধারার প্রতিপক্ষ মারা গেলে
  1. কার্যধারাটি স্থগিত হয়
  2. কার্যধারাটি এ্যাবেট হয়
  3. মৃতের প্রতিনিধিরা পক্ষ হতে পারে
  4. কার্যধারাটি নথিজাত হয়
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫(৭) ধারানুসারে কোন পক্ষ যখন মারা যায় তখন ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত পক্ষের বৈধ এজেন্টকে প্রসিডিংস এর পক্ষ করাতে পারবেন এবং অতঃপর তিনি ইনকোয়ারী চালিয়ে যাবেন এবং এরূপ প্রসিডিংস এর প্রয়োজনে মৃত পক্ষের বৈধ এজেন্ট কে সেই সম্পর্কে যদি কোনরূপ প্রশ্ন তোলা হয়, সেক্ষেত্রে মৃত পক্ষের এজেন্ট মর্মে দাবীকারী সকল ব্যক্তিকে পক্ষ করতে হবে।
৪০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশ গ্রেফতারের জন্য কোন পরিস্থিতি প্রযোজ্য নয়?
  1. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দেওয়া
  2. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে
  3. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে
  4. বাংলাদেশের বাইরে ঐ দেশের আইনের বিরুদ্ধে অপরাধ করলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
 
⇒ কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে;
⇒ ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে;
⇒ অপরাধী ঘোষিত হলে;

⇒ চোরাই মাল পাওয়া গেলে;
⇒ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে;
⇒ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে;
 
⇒ বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;
⇒ মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে;
⇒ যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে।
৪০৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬১ ধারায় রেকর্ডকৃত সাক্ষীর জবানবন্দিতে কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. সাক্ষী নিজে
  2. নিযুক্তীয় আইনজীবী
  3. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী,
পুলিশ (অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা) অভিযোগের সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে/জবানবন্দি নিতে পারবে এবং পুলিশ জবানবন্দি রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করে নিবে এবং নিজে স্বাক্ষর করবে।

• ১৬১ ধারা- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা:

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
৪০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারা মূলত কোন পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করে?
  1. সাক্ষীদের অনুপস্থিতির পরিণাম
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতির পরিণাম
  3. অভিযোগকারীর অনুপস্থিতির পরিণাম
  4. আইনজীবীর অনুপস্থিতির পরিণাম
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ মূলত অভিযোগকারীর অনুপস্থিতি বিষয়ে কথা বলে। ধারা অনুযায়ী, যদি মামলায় সমন জারি হয়ে অভিযুক্তের হাজিরা নির্দিষ্ট দিনে বা পরে (যে দিন শুনানি মুলতবি করা হয়) হয়, কিন্তু অভিযোগকারী উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণত অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী-
নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানি মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানি মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-247.Non-appearance of complainant:
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day:
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
৪০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে-
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ও ৩৩৮ ধারায় সত্য সাক্ষ্যদানের শর্তসাপেক্ষে দুষ্কর্মের সহযোগীকে ক্ষমা করার বিধান করা হয়েছে। দুষ্কর্মের সহযোগী বা রাজসাক্ষীর বিচারের পদ্ধতি ৩৩৯ক ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধের সহযোগিকে বা দুষ্কর্মের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করা হয় যে, সে অপরাধ সম্পর্কে তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।
 
৩৩৭ ধারায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট; বা
২. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
 
৩৩৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের তদন্ত বা অনুসন্ধানের বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে সাক্ষ্য প্রমাণ প্রাপ্তির জন্য অপরাধের সহযোগীকে এই শর্তে ক্ষমা করতে পারে যে, উক্ত সহযোগী অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সম্পূর্ণ এবং সত্য ঘটনাসমূহ প্রকাশ করবে।
৪০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে চার্জ কী ভাষায় লিখতে হবে?
  1. শুধুমাত্র বাংলায়
  2. শুধুমাত্র ইংরেজিতে
  3. আসামির মাতৃভাষায়
  4. ইংরেজি বা আদালতের ভাষায়
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: ইংরেজি বা আদালতের ভাষায়।

চার্জের বিষয়বস্তু (Contents of Charge): চার্জে কোন বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে তা ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ থেকে ২২৩ ধারায় বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারামতে চার্জে অপরাধের নাম, তবে নাম না থাকলে অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে। এছাড়া অপরাধটি কোন আইনের কত ধারার অন্তর্গত তা চার্জে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। চার্জ ইংরেজিতে বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারামতে চার্জে অপরাধের বিবরণ থাকতে হবে:
(১) এই কার্যবিধি অনুসারে প্রত্যেক চার্জে আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে, তার বিবরণ থাকবে ।
(২) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নামই যথেষ্ট বিবরণ: যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে চার্জে শুধুমাত্র সে নামেই উহার বিবরণ প্রদান করা যাবে।
(৩) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নাম না থাকলে কীভাবে উল্লেখ করতে হবে: যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উহার সংজ্ঞা এরূপভাবে বর্ণিত হতে হবে যেন আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে ।
(৪) যে আইন এবং যে ধারার বিধানমতে অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে মর্মে বর্ণিত হয়েছে, চার্জে তার উল্লেখ করতে হবে।
(৫) চার্জ দ্বারা কি বুঝায়: কোন ক্ষেত্রে চার্জ প্রণীত হলে তা এমর্মে বিবৃত প্রদানের শামিল হয় যে, উক্ত বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধটি সংঘটনের জন্য আইনগত যে-সব শর্ত বিদ্যমান, তা পূরণ করা হয়েছে ।
(৬) চার্জের ভাষা: চার্জ ইংরেজিতে অথবা আদালতের ভাষায় লিখতে হবে।
(৭) পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যেক্ষেত্রে উল্লেখ করতে হবে: আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার জন্য পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির দণ্ডে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার দরকার হলে, চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান বর্ণনা করতে হবে। এধরণের বর্ণনা না করা হয়ে থাকলে আদালত দণ্ডদানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যোগ করতে পারেন।
------------ 
→ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 221: (1) Charge to state offence-
- Every charge under this Code shall state the offence with which the accused is charged.
(2 )Specific name of offence sufficient description-
- If the law which creates the offence gives it any specific name, the offence may be described in the charge by that name only.
(3) How stated where offence has no specific name-
- If the law which creates the offence does not give it any specific name, so much of the definition of the offence must be stated as to give the accused notice of the matter with which he is charged.
(4) The law and section of the law against which the offence is said to have been committed shall be mentioned in the charge.
(5) What implied in charge-
- The fact that the charge is made is equivalent to a statement that every legal condition required by law to constitute the offence charged was fulfilled in the particular case.
(6) Language of charge- The charge shall be written either in English or in the language of the Court.
(7) Previous conviction when to be set out-
- If the accused having been previously convicted of any offence is liable, by reason of such previous conviction, to enhanced punishment, or to punishment of a different kind, for a subsequent offence, and it is intended to prove such previous conviction for the purpose of affecting the punishment which the Court may think fit to award for the subsequent offence, the fact, date and place of the previous conviction shall be stated in the charge. If such statement has been omitted, the Court may add it at any time before sentence is passed.
৪১০.
‘A’ কে X আদালতের এলাকায় গুরুতর আহত করা হয়। এরপর ১০ দিন ‘A', Y আদালতের এলাকায় এবং ১০ দিন Z আদালতের এলাকায় চিকিৎসাধীন থাকে। The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৭৯ অনুসারে, ‘A’–কে গুরুতর আঘাত দেওয়ার অপরাধ কোন আদালতে বিচার করা যেতে পারে?
  1. শুধু X আদালতে
  2. শুধু Y বা Z আদালতে
  3. অভিযুক্ত যে আদালতের এখতিয়াধীন এলাকায় বাস করে
  4.  X বা Y বা Z যেকোনো আদালতে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৭৯- অপরাধের বিচার: যেখানে কাজ ঘটেছে বা ফলাফল প্রাপ্ত হয়েছে:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধ সংঘটিত করার জন্য অভিযুক্ত হয়, যার জন্য কোনো কাজ (act) করা হয়েছে অথবা কোনো ফলাফল (consequence) ঘটেছে, তাহলে সেই অপরাধ যে কোন নিম্নলিখিত আদালতের সীমার মধ্যে তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে: 
- যে অঞ্চলে সেই কাজ করা হয়েছে;
- যে অঞ্চলে সেই ফলাফল ঘটেছে।

অর্থাৎ, অপরাধ যেখানে সংঘটিত হয়েছে বা যেখানে তার প্রভাব দেখা দিয়েছে, সেই যেকোনো আদালত মামলা করতে পারে।

Illustrations (উদাহরণ):
(ক) ‘A’ কে Court X–এর এলাকায় আহত করা হয়।‘A’ পরে Court Z–এর এলাকায় মারা যায়।
→ ‘A’–এর হত্যার মামলা Court X বা Court Z–এ তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

(খ) ‘A’ কে Court X–এর এলাকায় আহত করা হয়। এরপর ১০ দিন ‘A’ Court Y–এর এলাকায় এবং ১০ দিন Court Z–এর এলাকায় চিকিৎসাধীন থাকে। 
→ ‘A’–কে গুরুতর আঘাত (grievous hurt) দেওয়ার অপরাধ Court X, Y বা Z–এ তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

(গ) ‘A’ কে Court X–এর এলাকায় ভয় দেখানো হয়। ভয় দেখানোর কারণে ‘A’ Court Y–এর এলাকায় সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
→ ‘A’–এর উপর জোরপূর্বক গ্রহণ (Extortion)–এর অপরাধ Court X বা Y–এ তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

(ঘ) ‘A’ কে ঢাকা–এ আহত করা হয়। ‘A’ পরে চট্টগ্রাম–এ আহত অবস্থায় মারা যায়।
→ ‘A’–এর মৃত্যুর জন্য দায়ী অপরাধ চট্টগ্রাম–এ তদন্ত বা বিচার করা যাবে।

৪১১.
'ক' এর বিরুদ্ধে এক ফৌজদারি মামলায় তার ৮ বছরের কারাদণ্ড হয়। অভিযোগকারী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের অভিযোগ এনে আপিল করে। আপিল চলাকালীন অভিযোগকারী মারা যায়।এক্ষেত্রে-
  1. আপিল বাতিল হবে
  2. আপিল বাতিল হবে না
  3. অভিযুক্তের আবেদনক্রমে বাতিল হবে
  4. স্থগিত থাকবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে,

৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপিল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।

ফৌজদারী মামলা বা আপিল বাতিল হবে যদি অভিযুক্ত মারা যায়। সুতরাং কে মারা গেলে আপিল বাতিল হবে, তা নির্ধারণ করতে হলে দেখতে হবে, আপিল চলাকালীন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছে কিনা। এটা নির্ধারণ করতে দেখতে হবে আপিলটি কে করেছে।

৪১৭ ধারার অধীন খালাসের বিরুদ্ধে আপিল এবং ৪১৭ক ধারার অধীন অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে না। কারণ খালাস এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবে আপিল করবে পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী।

অন্যদিকে ৪০৭, ৪০৮ বা ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং এই কারণে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।
৪১২.
মহানগর এলাকায় কে ১৪৪ ধারা জারি করেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪(৭) ধারার বিধান মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয় অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন না কিন্তু মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনারকে ১৪৪ ধারা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  
♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
৪১৩.
আগাম জামিন দিতে পারেন-
  1. হাইকোর্ট
  2. দায়রা কোর্ট
  3. চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
  4. হাইকোর্ট এবং দায়রা কোর্ট উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের বিধান আছে। এ ধারায় আগাম জামিন দিতে পারেন হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ আদালত। এ ধারার অধীনে আদালত যে কোন সময় যে কোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারেন এবং জামানত হ্রাস করতে পারেন। [ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৮]
৪১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট দণ্ড হ্রাস করে-
  1. অর্থদণ্ড দিতে পারে
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে
  3. ২০ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়:-
- মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
-If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life. 
৪১৫.
ক্রোক সম্পত্তি পুনরুদ্ধার এর জন্য কোনটি প্রমাণ করতে হয়?
  1. সে পলাতক ছিলো না।
  2. হুলিয়ার নোটিশ পায় নাই।
  3. পরোয়ানা কার্যকরী করণ এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করে নাই।
  4. উপরের সব কয়টি।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৮৯ মোতাবেক যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারার অধীন সরকারের হেফাজত ভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে সে যদি ক্রোকের তারিখ হতে দুই বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা এই আদালত যে আদালতের অধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করা হয় এবং এই মর্মে প্রমাণ করা উক্ত আদালতের সম্ভষ্টি বিধান করে যে সে পলাতক ছিল না বা পরোয়ানা কার্যকরীকরণ এড়াবার জন্য যে আত্মগোপন করেনি এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হবার জন্য যে হুলিয়ার নোটিশ পায় নাই, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কাটিয়া নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা উহা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে প্রদান করতে হবে।
৪১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৯ হাইকোর্ট বিভাগকে কোন ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. তদন্তের ক্ষমতা
  2. রিভিশন ক্ষমতা
  3. আপিল শুনানির ক্ষমতা
  4. ফাঁসি অনুমোদনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩৯ হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা রিভিশন ক্ষমতা (Revisionary Power) প্রদান করে।
এই ধারায় বলা হয়েছে, হাইকোর্ট ডিভিশন যে কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা তার নজরে আসা কোনো মামলার আদেশ, রায় বা কার্যক্রম খতিয়ে দেখে—
-তার সঠিকতা (Correctness)
- বৈধতা (Legality)
- যুক্তিসংগততা (Propriety)
- এবং কার্যক্রমের নিয়মিততা (Regularity)
পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে রিভিশনের মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
- এছাড়া, হাইকোর্ট ডিভিশন ধারা ৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮-এর অধীনে আপিল আদালতের যেসব ক্ষমতা রয়েছে, তা রিভিশন চলাকালেও প্রয়োগ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা- হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা:
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে যে মামলার নথি তলব করেছেন, বা যা আদেশের জন্য পাঠানো হয়েছে, বা যা অন্য কোনভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে, সেই মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন ইহার বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা-৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপিল আদালতকে বা ধারা-৪৩৮ এ কোন আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতাদির মধ্যে যে কোনটি প্রয়োগ করতে পারবেন এবং দণ্ড বাড়াতে পারবেন এবং রিভিশনে এতিয়ার সম্পন্ন আদালতের জজগণ যখন তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তখন মামলাটি ধারা-৪২৯ এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।
(২) আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজে বা অ্যাডভোকেট কর্তৃক তার বক্তব্য পেশের সুযোগ না পেলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোন আদেশ দেয়া যাবে না।
(৩) এই ধারায় সংশ্লিষ্ট দণ্ড কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়ে থাকলে আসামি যে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে আদালত মনে করেন, সেই অপরাধের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে বেশি দণ্ড দিবেন না।
(৪) খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতের পরিবর্তন করার বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা- ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশ বিষয়ে রিভিশনে কোন কার্যক্রম গ্রহণ করার ক্ষমতা হাইকোর্ট ডিভিশনকে দেয়া হয়েছে মর্মে এই ধারায় কোন কিছু মনে করা যাবে না।
(৫) যেক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপিল চলে কিন্তু আপিল দায়ের করা হয়নি, সেক্ষেত্রে যে পক্ষ আপিল দায়ের করতে পারত সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের আকারে কোন কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
(৬) এই ধারায় যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন দণ্ডিত ব্যক্তিকে কেন তার দণ্ড বাড়ানো হবে না এমর্মে উপধারা-২ এর অধীন উহার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হলে, উক্ত কারণ দর্শাবার সময় সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section- 439. High Court Division's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by itself or which has been reported for orders, or which otherwise comes to its knowledge, the High Court Division may, in its discretion, exercise any of the powers conferred on a Court of Appeal by sections 423, 426, 427 and 428 or on a Court by section 338, and may enhance the sentence; and, when the Judges composing the Court of Revision are equally divided in opinion, the case shall be disposed of in manner provided by section 429. 
(2) No order under this section shall be made to the prejudice of the accused unless he has had an opportunity of being heard either personally or by pleader in his own defence. 
(3) Where the sentence dealt with under this section has been passed by a Magistrate, the Court shall not inflict a greater punishment for the offence which, in the opinion of such Court, the accused has committed than might have been inflicted for such offence by a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to authorize the High Court Division to convert a finding of acquittal into one of conviction, or to entertain any proceedings in revision with respect to an order made by the Sessions Judge under section 439A.
(5) Where under this Code an appeal lies and no appeal is brought, no proceedings by way of revision shall be entertained at the instance of the party who could have appealed. 
(6) Notwithstanding anything contained in this section, any convicted person to whom an opportunity has been given under sub-section (2) of showing cause why his sentence should not be enhanced shall, in showing cause, be entitled also to show cause against his conviction.
৪১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, কত বছর বয়সের নিচে কোন বালিকা অপহৃত হলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ১৮ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, যদি ১৬ বছর বয়সের নিচে কোনো বালিকাকে অপহরণ বা অবৈধভাবে আটক করার অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ঐ বালিকাকে তার স্বামী, মাতা-পিতা বা আইনগত অভিভাবকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আদেশ দিতে পারেন। প্রয়োজনে জবরদস্তি বা বলপ্রয়োগ করেও আদেশ কার্যকর করতে পারেন।
- এই ধারা ১৬ বছরের কম বয়সী বালিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর: খ) ১৬ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
৪১৮.
দায়রা বিভাগ গঠনে কয়টি জেলা থাকতে পারে?
  1. দুই বা তার বেশি
  2. এক বা একাধিক
  3. সর্বনিম্ন তিনটি
  4. সর্বোচ্চ চারটি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারা: দায়রা বিভাগ এবং জেলা-
(১) বাংলাদেশ দায়রা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
বাংলাদেশ বিভিন্ন দায়রা বিভাগে বিভক্ত থাকবে এবং এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে প্রতিটি দায়রা বিভাগ একটি জেলা হিসেবে গণ্য হবে বা একাধিক জেলা নিয়ে গঠিত হবে।

(২) বিভাগ এবং জেলার সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা:
সরকার এই দায়রা বিভাগ এবং জেলার সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।

(৩) বিদ্যমান বিভাগ এবং জেলা বহাল থাকবে:
এই কার্যবিধি কার্যকর হওয়ার সময় যে দায়রা বিভাগ এবং জেলা বিদ্যমান থাকবে, সেগুলো দায়রা বিভাগ এবং জেলা হিসেবে বহাল থাকবে, যতক্ষণ না সেগুলো পরিবর্তন করা হয়।

(৪) মেট্রোপলিটন এলাকা:
মেট্রোপলিটন এলাকা এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে একটি দায়রা বিভাগ হিসেবে গণ্য হবে।
৪১৯.
What is a "Complaint" according to the Criminal Procedure Code?
  1. Only a police report
  2. An FIR registered with the police
  3. An oral or written allegation made to a Magistrate
  4. A criminal offense proven in court
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”

"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
৪২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪০ এর অধীনে পক্ষগণের কী অধিকার নেই?
  1. রিভিশন করার
  2. আপিল করার
  3. অভিযোগ তোলার
  4. বক্তব্য দাখিলের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
৪২১.
'ক' কে গুরুতর আঘাতের অপরাধে 'ম' দণ্ডিত হয়। পরবর্তীতে উক্ত আঘাতজনিত কারণে 'ক' মারা যায়। এক্ষেত্রে-
  1. 'ম' এর পুনরায় বিচার করা যাবে
  2. 'ম' এর পুনরায় বিচার করা যাবে না
  3. দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩(৩) অনুসারে, 'ম' এর পুনরায় বিচার করা যাবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

এছাড়া, ধারা ৪০৩(৩) অনুসারে-
যখন কোন ব্যক্তি কোন কার্যদ্বারা সৃষ্ট কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং উক্ত কার্য ও তার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তদপেক্ষা ভিন্ন ধরনের একটি অপরাধ সৃষ্টি হয়, তখন উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে, পরবর্তীতে শেষোক্ত অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে। 

'ম' প্রথমে গুরুতর আঘাতের অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে, কিন্তু 'ক' মারা যাওয়ায় 'নরহত্যা' অর্থাৎ ভিন্ন অপরাধের সৃষ্টি হয়েছে। তাই নরহত্যার অপরাধে 'ম' কে পুনরায় বিচার করা যাবে।

৪২২.
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. পুলিশ কমিশনার
  2. সেনাবাহিনী প্রধান
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১২৯ ধারা মোতাবেক মহানগর এলাকায় মহানগর পুলিশ কমিশনার এবং মহানগর এলাকার বাইরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন।
৪২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. সিভিল আইন
  4. বিশেষ মূল আইন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

৪২৪.
কোন আসামী জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত হলে, তা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী কে পরোয়ানা বলবৎ করতে পারে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. জেলা কালেক্টর
  4. যেকোনো দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হলে, তা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী জেলা কালেক্টর পরোয়ানা বলবৎ করতে পারে।

ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানাঃ

(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-

(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা

(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশতঃ সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।

(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবী সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রীদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
৪২৫.
'Discharge of sureties'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫০৩
  2. ধারা ৫০৪
  3. ধারা ৫০২
  4. ধারা ৫০৬
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০২- জামিনদারের অব্যাহতি

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502- Discharge of sureties

(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 

(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.

(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৪২৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০২ ধারায় কার শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে?
  1. হাইকোর্ট
  2. দায়রা জজ
  3. সরকার
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

ধারা ৪০২- শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা:
(১) সরকার, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই, নিম্নলিখিত যে কোনো একটি শাস্তিকে তার পরে উল্লিখিত অন্য যে কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে:
মৃত্যুদণ্ড, নির্বাসন, কঠোর কারাদণ্ড যার মেয়াদ তার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম করবে না, একই মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারায় উল্লিখিত কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার বিধানগুলিকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-
death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.

(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.

৪২৭.
ধারা ৫৩৯খ অনুযায়ী সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় কাকে নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে
  2. ফরিয়াদীকে
  3. উভয় পক্ষকে
  4. শুধু পাবলিক প্রসিকিউটরকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
 
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 
Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
 
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost.
৪২৮.
নিচের কোন আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা জজ আদালত
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান আগাম জামিন:-
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা আদালত
তাছাড়া এই ধারার অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।
--------------
CrPC Section-498:Power to direct admission to bail or reduction of bail:
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৪২৯.
যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয় এবং অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের বেশি হয়, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় জামিন দিতে পারে:
  1. দায়রা আদালত
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তদন্তকারী পুলিশ
  4. ক এবং খ উভয়ে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৭- যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা যায় না:
(৫) যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয়—
ক) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।

খ) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হয়, তবে দায়রা আদালত জামিন দিতে পারে।

জামিন না দিলে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতকে এর লিখিত কারণ উল্লেখ করতে হবে। যদি মামলায় সরকারের অনুমোদন (Sanction) প্রয়োজন হয়, তবে অনুমোদন পেতে যে সময় লাগবে তা ১২০ দিনের মধ্যে গণনা করা হবে না।

৮) এই জামিন সংক্রান্ত বিধান (উপ-ধারা ৫) দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৪০০ ও ৪০১ ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

৪৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ক ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার স্মারকে (memorandum of arrest) অন্তত কতজন সাক্ষীর স্বাক্ষর প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. কোন সাক্ষীর প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক: গ্রেপ্তার পদ্ধতি ও গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব:- 
গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্যান্য যে ব্যক্তি গ্রেপ্তার করছেন, তাকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো পালন করতে হবে-
(ক) তার নামের সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচয় বহন করতে হবে, যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং প্রয়োজনে অভিযুক্ত ও গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের তার পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারক প্রস্তুত করতে হবে, যা—
(i) অন্তত একজন সাক্ষী দ্বারা সাক্ষ্য সত্যায়িত হতে হবে, যিনি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের পরিবারের সদস্য বা সংশ্লিষ্ট এলাকার সুনামধন্য ব্যক্তি হবেন, এবং যদি এমন কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকে উল্লেখ করতে হবে;
(ii) অভিযুক্ত যদি অস্বীকার না করে, তবে স্মারকে অভিযুক্তের স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ থাকবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্তকে তার বাসা থেকে অন্য স্থানে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে অভিযুক্তের দ্বারা মনোনীত পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে যত দ্রুত সম্ভব, কিন্তু গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং কন্ট্রোলের স্থানের তথ্য জানাতে হবে;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে তাকে মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, শংসাপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং আঘাতের কারণ নথিভুক্ত করতে হবে;
(চ) অভিযুক্ত চাইলে তাকে নিজের পছন্দের উকিলের সঙ্গে পরামর্শ করার বা নিকটতম আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে, সম্ভব হলে গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৪৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার অধীনে আদালত রায় ঘোষণার পর-
  1. সম্পূর্ণ রায় পরিবর্তন করতে পারে
  2. নতুন সাক্ষী গ্রহণ করতে পারে
  3. রায় পুনরায় বিবেচনা করতে পারে
  4. শুধুমাত্র রায়ের করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান- আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না:
এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপর কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা রিভিউ করবেন না।

Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
৪৩২.
'আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে, এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোনো পুলিশ অফিসার কোনো আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।'- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৫৪ ধারায়
  2. ১৫৫ ধারায়
  3. ১৫৬ ধারায়
  4. ১৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত-
আমলঅযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।


(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

Section 155- Information in non-cognizable cases:
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.

Investigation into non-cognizable cases-
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial.

(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case.
৪৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত বিষয়ে সরকার বেঞ্চসমূহের পথ নির্দেশনার জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে না?
  1. বিচার্য মামলার শ্রেণী
  2. বৈঠকের সময় ও স্থান
  3. বেঞ্চের সদস্যদের বেতন
  4. মতবিরোধ মীমাংসার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান বেঞ্চসমূহের পথ নির্দেশনার জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা:
সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোন জেলার ম্যাজিষ্ট্রেট বেঞ্চের পথ নির্দেশনার উদ্দেশ্যে এই বিধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে নিম্নলিখিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারবে:
ক) বিচার্য মামলার শ্রেণী:
খ) বৈঠকের সময় ও স্থান;
গ) বিচারের জন্য বেঞ্চ গঠন:
ঘ) বৈঠকে উপস্থিত ম্যাজিষ্ট্রেটগনের মধ্যে কোন মত বিরোধ দেখা দিলে তা মীমাংসার পদ্ধতি।

উল্লিখিত প্রশ্নের 'বেঞ্চের সদস্যদের বেতন' এর বিষয়টি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান অনুযায়ী বিধি প্রণয়নের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত নয়। 
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-16: Power to frame rules for guidance of Benches:
The Government may, or, subject to the control of the Government, the Chief Judicial Magistrate may, from time to time, make rules consistent with this Code for the guidance of Magistrates' Benches in any district respecting the following subjects:-
(a) the classes of cases to be tried;
(b) the times and places of sitting;
(c) the constitution of the Bench for conducting trials;
(d) the mode of settling differences of opinion which may arise between the Magistrates in session.
৪৩৪.
ফৌজদারি মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কোন আইনের কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৮
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪ ধারার অধীন মামলার যে কোন পক্ষ সময়ের প্রার্থনা করে মামলার কার্যক্রম মূলতবী রাখার আবেদন করতে পারে। আদালত সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণে (reasonable grounds) ফৌজদারি মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত বা মূলতবী রাখতে পারে।

♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম মুলতবি বা স্থগিত করতে পারে। এটা করা হয় সাক্ষীর অনুপস্থিতির কারণে কিংবা অন্যকোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ স্থগিত রাখা বা মূলতবী রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে তাহলে আদালত উপযুক্ত মনে করলে কারণ উল্লেখ পূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে উপযুক্ত মনে করেন সেই শর্তে, যে সময়ের জন্য উপযুক্ত মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে উহা স্থগিত বা মূলতবী রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে আটক রাখতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, এই ধারা অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে পনের দিনের অধিক মেয়াদের জন্য হাজতে পাঠাতে পারবেন না 
(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিত অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও প্রিজাইডং জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
৪৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার (Arrest Without Warrant) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৬-৫৩
  2. ধারা ৫৪-৬৭
  3. ধারা ৭০-৮০
  4. ধারা ১৫৪-১৬০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ থেকে ৬৭ পর্যন্ত বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার (Arrest Without Warrant) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- এই ধারাগুলিতে পুলিশ কিভাবে, কখন এবং কোন পরিস্থিতিতে গ্রেফতার করতে পারবে, তা নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

এই ধারাগুলোতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত:
- ধারা ৫৪: পুলিশের বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের সাধারণ ক্ষমতা।
- ধারা ৫৫-৫৭: গ্রেফতার ও আটকের প্রক্রিয়া।
- ধারা ৬২-৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়ার শর্ত (জামিন, মুচলেকা বা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ)।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ থেকে ৬৭ পর্যন্ত বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার (Arrest Without Warrant) সংক্রান্ত বিধান বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের জন্য প্রযোজ্য ধারাগুলো হলো ৫৪-৬৭।
৪৩৬.
বিরোধী বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন?
  1. ১৪৫ ধারা
  2. ১৪৬ ধারা
  3. ১৪৯ ধারা
  4. ১৫০ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:
ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৪৩৭.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠণ করেন-
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. সরকারি উকিল
  4. অভিযোগকারী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব আদালতের।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• সেই সাথে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০ এবং ২৩ এ যথাক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ) মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

• ধারা ২৪২ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে এবং ধারা ২৬৫ঘ দায়রা আদালতকে অভিযোগ গঠণের ক্ষমতা দিয়েছে।মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়,তবে সেই অপরাধ বিষয়ে আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।
৪৩৮.
সমনে তলবী ব্যক্তিকে পাওয়া না গেলে, তার পরিবারের কোন ধরনের ব্যক্তির বরাবর সমনের কপি দিতে হবে?
  1. তার আইনগত অভিভাবকের নিকট
  2. সাবালক যে কোন ব্যক্তির বরাবর
  3. সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
  4. তার পিতামাতার নিকট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০ ধারার বিধান খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তির কাছে সমন জারির পদ্ধতিঃ যার উপর সমন জারী করা হবে, সঠিক পদ্ধতিতে চেষ্টা করেও যেক্ষেত্রে তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে সমনের দুই কপির মধ্যে একটি তার পরিবারের একজন সাবালক পুরুষ সদস্য বরাবর দিয়া সমন জারী করতে হবে এবং জারীকারী অফিসার দাবী করলে, যার নিকট সমন জারী করা হল, তিনি সমনের দুটি নকলের অপর পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর করে প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।

------------------------
♦ Service when person summoned cannot be found
Section 70. Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult male member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.
৪৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪-এর বিধান মতে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে জরিমানার পরিমাণ কত টাকা পর্যন্ত হলে আপিল করা যায় না?
  1. ২০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪ অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে (summary trial) ম্যাজিস্ট্রেট যদি জরিমানা ৫,০০০ টাকা অতিক্রম না করে দেন, তাহলে সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪-এর সংশোধনের মাধ্যমে পূর্বে উল্লিখিত "two hundred taka" (২০০ টাকা) শব্দগুলির পরিবর্তে "five thousand taka" (৫,০০০ টাকা) শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, ধারা ২৬০-এর অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করেন, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোনো আপিল করতে পারবেন না। তবে, জরিমানার পরিমাণ ৫,০০০ টাকার বেশি হলে বা কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে।

অর্থাৎ সংশোধিত ধারা ৪১৪ অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না। অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৫,০০০ টাকা। 

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 414. No appeal from certain summary convictions:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding five thousand taka only.

৪৪০.
গ্রেফতারি পরোয়ানার মাধ্যমে পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলে তারে আদালতে ________ হাজির করতে হবে।
  1. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. অতি সত্ত্বর
  4. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।
৪৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার অধীন সরকার কর্তৃক সংবাদপত্র বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কয় দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ১ মাসের মধ্যে
  2. ২ মাসের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা:
৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।

Section 99B: Application to High Court Division to set aside order of forfeiture-
Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
৪৪২.
কারাবাস একের পর এক চললে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
৪৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫০ ধারা অনুসারে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধীনস্থ পুলিশ কর্মকর্তা সম্পত্তি জব্দ করলে কী করতে হবে?
  1. আদালতে রিপোর্ট দিতে হবে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক রিপোর্ট দিতে হবে
  4. কোনো রিপোর্ট দেওয়ার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক রিপোর্ট দিতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫০ ধারা অনুযায়ী,
- Any police-officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence.
- Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.

অর্থাৎ, যদি কোনো পুলিশ কর্মকর্তা (যিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধীনস্থ) কোনো চুরি যাওয়া বা অপরাধ সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহভাজন সম্পত্তি জব্দ করেন, তাহলে তাকে "তাৎক্ষণিকভাবে" (forthwith) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সেই জব্দের রিপোর্ট দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 550. Powers to police to seize property suspected to be stolen:
 Any police-officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.

৪৪৪.
হাইকোর্ট বিভাগ-এর Inherent power বা সহজাত ক্ষমতা সংরক্ষণের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে? 
  1. ৫৬১
  2. ৫৬১ক
  3. ৫৬৫
  4. ৫৬ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা বিশেষভাবে হাইকোর্ট বিভাগ-এর সহজাত (inherent) ক্ষমতা সংরক্ষণ করে। এই ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, আদালতের আদেশ কার্যকর করা এবং আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য প্রযোজনীয় আদেশ দিতে পারে। এটি অন্যান্য আদালতের জন্য প্রযোজ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা;
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা; এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

৪৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ধারা ৫৬০
  2. ধারা ৫৫৭
  3. ধারা ৫৬৮
  4. ধারা ৫৫৬
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে, যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
৪৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. ৯৯ক ধারা
  2. ৯৯খ ধারা
  3. ৯৯গ ধারা
  4. ৯৯ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুসারে সরকার কোন সংবাদপত্র বা পুস্তক বা কোন দলিল বা কোন প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
♦  এছাড়া ৯৯ক ধারা অনুসারে যে সকল প্রকাশনা সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেছেন তা উদ্ধারের জন্য আদালত তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।ঃ

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতাঃ

(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-

(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,

(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা

(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা

(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
৪৪৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় Double Jeopardy' মতবাদ আলোচিত হয়েছে?
  1. ২০৩
  2. ৩০৩
  3. ৪০৩
  4. ৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-

১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
৪৪৮.
দায়রা আদালতে কয় শ্রেণির বিচারক থাকে?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৪ শ্রেণির
  4. ৫ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণিবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরনের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।
 
- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
৪৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, অভিযোগকারী যদি তার নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে মামলার ফলাফল কী হবে?
  1. মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন।
  2. মামলার নথি বাতিল হয়ে যাবে এবং কোনো কার্যক্রম হবে না।
  3. অভিযোগ প্রত্যাহারের পরও আদালত মামলাটি শুনানির মাধ্যমে রায় প্রদান করবেন।
  4. মামলার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে এবং আদালত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী, অভিযোগকারী যদি তার নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিয়ে মামলার শুনানি বন্ধ করতে পারেন।
- অর্থাৎ ফৌজদারি চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে খালাস [Acquittal] দিবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

-অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
৪৫০.
১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক একই বিচারে 'ক' চারটি অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়েছে এবং উক্ত আদালত আদেশ দিয়েছে- প্রদত্ত কারাদণ্ড একটির পর অপরটি চলবে। এক্ষেত্রে আদালত 'ক' কে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ১৪ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১০ বছর
  4. চারটি অপরাধের মোট শাস্তি যত বছর হয় ততো
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-

(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

ধারা ৩২ অনুসারে, ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড দিতে পারে। উক্ত ক্ষেত্রে বিচারক ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ায় আদালত উক্ত শাস্তির দ্বিগুণ অর্থাৎ ১০ বছরের বেশি দিতে পারবেন না।
৪৫১.
Final Report কখন পেশ করা হয়?
  1. যখন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাক্ষী পাওয়া যায়
  2. যখন প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়
  3. যখন প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায় না
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
পুলিশ রিপোর্ট:
পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

-সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): 
প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): 
প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
৪৫২.
'ক' কে গুরুতর জখম করার অপরাধে 'খ' এর সাজা হয়। উক্ত জখমের ফলে কিছুদিন পর ‘ক’ মারা যায়। এই প্রসঙ্গে কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. 'খ' এর পুনঃবিচার করা যাবে না
  2. 'ক' কে হত্যার জন্য 'খ'-এর পুনঃবিচার হবে
  3. 'খ' 'ক' এর মৃত্যুর জন্য দায়ী হবে না
  4. 'খ' এর ফাঁসির আদেশ বা যাবজ্জীবন সাজা হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে হবে;
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে;
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়; বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়; বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।

যেহেতু 'খ'-কে গুরুতর আঘাতের জন্য 'ক' এর একবার বিচার হয়েছে, তাই একই অপরাধে 'ক' কে পুনরায় গুরুতর আঘাতের অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না কারণ এই ক্ষেত্রে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে। তবে অন্য অপরাধে বিচার করা যাবে। এক্ষেত্রে আদালত 'খ' এর নরহত্যার অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারে।
৪৫৩.
বিচার চলাকালীন সময়ে আসামি যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামির-
  1. অর্থদণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে
  2. তাকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে
  3. নতুন করে কারাবাস শুরু হবে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
♦ ধারা-৩৫ক(১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

♦ ধারা-৩৫ক(২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
অর্থাৎ বিচার চলাকালীন সময়ে আসামি যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামিকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং অর্থদণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে।
৪৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৫ অনুসারে, আদেশ প্রদান করতে পারেন-
  1. কেবল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. কেবল পুলিশ কমিশনার
  3. কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure), ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে করণীয়:

ধারা ১৪৫(১):
যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনো তথ্যের মাধ্যমে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তার এখতিয়ারের আওতাধীন এলাকায় কোনো ভূমি, পানি বা তার সীমানা নিয়ে এমন একটি বিরোধ রয়েছে যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে, তখন তিনি লিখিত আদেশ প্রদান করবেন, যেখানে তিনি তার সন্তুষ্টির কারণসমূহ উল্লেখ করবেন এবং বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে বা আইনজীবীর মাধ্যমে তার আদালতে উপস্থিত হতে এবং বিরোধের বিষয়বস্তুতে আসল দখল সম্পর্কিত তাদের নিজ নিজ দাবি লিখিতভাবে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দেবেন।

ধারা ১৪৫(২):
এই ধারার উদ্দেশ্যে, “ভূমি বা পানি” শব্দের অন্তর্ভুক্ত হবে-ভবন, বাজার, মাছের ঘের বা মৎস্যচাষ, জমির ফসল বা উৎপাদিত দ্রব্যাদি, এবং উক্ত সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা মুনাফা।

ধারা ১৪৫(৩):
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের একটি অনুলিপি- যাদের প্রতি ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দেন, তাদের নিকট সমন জারির বিধান অনুযায়ী প্রদান করতে হবে; এবং অন্তত একটি অনুলিপি বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির উপর বা নিকটবর্তী কোনো প্রকাশ্য স্থানে টানিয়ে রাখতে হবে,
যাতে তা সাধারণভাবে প্রকাশ পায়।

৪৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারা অনুযায়ী, ভুল স্থানে বিচার হলে সাধারণত কী হয়?
  1. মামলাটি নতুন করে শুরু করতে হবে
  2. আসামিকে খালাস দেওয়া হবে
  3. আদালতের রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে
  4. আদালতের রায় বা আদেশ বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫৩১ অনুযায়ী, যদি কোন তদন্ত, বিচার বা কার্যধারা ভুল স্থানে (ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা অন্য স্থানীয় এলাকা) অনুষ্ঠিত হয়, তবুও সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে রায় বা আদেশ বাতিল করবে না, শুধুমাত্র তখনই বাতিল হবে যদি ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়।
অর্থাৎ ৫৩১ ধারার মূল বিধান হলো, কোনো বিচার কার্যধারা ভুল স্থানে (যেমন ভুল জেলায় বা দায়রা বিভাগে) অনুষ্ঠিত হলেও শুধুমাত্র এই কারণে আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ বাতিল করা হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

৪৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কার ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে;
যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।ঃ
(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা:
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
৪৫৭.
যদি অভিযোগকারী বা নালিশকারী মারা যায়, তাহলে নিম্মলিখিত কোন বিষয়টি সত্য-?
  1. ফৌজদারি মামলাটি বাতিল হবে
  2. নতুন করে অভিযোগ দায়ের করতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি বাতিল করতে পারে
  4. অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু অভিযোগকারী মারা গেলে ফৌজদারী মামলা বাতিল হওয়ার কোন নিয়ম নেই, সেহেতু নতুন করে কোন অভিযোগ দায়ের করার প্রয়োজন নেই কিন্তু দায়েরকৃত অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে এবং নিষ্পত্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে।
♦অর্থাৎ যদি অভিযোগকারী বা নালিশকারী মারা যায় অভিযোগটি বিচারাধীন থাকবে।
৪৫৮.
স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ কে আমলে গ্রহণ করতে পারে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561- Special provisions with respect to offence of rape by a husband

(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
৪৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ অনুসারে, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারেন? 
  1. ২ লাখ
  2. ৩ লাখ
  3. ৫ লাখ
  4. ১০ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(ক) অনুসারে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩২ অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটদের দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জরিমানার সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। আইনে অনুমোদিত নির্জন কারাবাস দিতে পারেন। সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত।

(২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
(a) Courts [of Metropolitan Magistrates and] of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding [five years], including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding [five lac taka];.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding [three years], including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding [three lac taka];
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding [two year]; Fine not exceeding [two lac taka].
(2)The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

৪৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৮ অনুসারে, যখন কোনো অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত সম্পন্ন করেন, তখন তিনি তদন্তের ফলাফল কাকে রিপোর্ট করবেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. সরাসরি আদালতকে
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  4. পুলিশ বিভাগের প্রধানকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৮-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:"যখন কোন অধস্তন পুলিশ-কর্মকর্তা এই অধ্যায়ের অধীন কোন তদন্ত করিয়াছেন, তিনি তদন্তের ফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে রিপোর্ট করিবেন।"
- অর্থাৎ, একজন অধস্তন তদন্তকারী কর্মকর্তা (যেমন: এসআই বা এএসআই) তার তদন্ত শেষে সরাসরি রিপোর্ট জমা দেবেন নিজ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর কাছে। এরপর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মামলাটি কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-168. Report of investigation by subordinate police-officer:
When any subordinate police-officer has made any investigation under this Chapter, he shall report the result of such investigation to the officer in charge of the police-station.

৪৬১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১১৯ ধারায় অভিযোগকৃত ব্যক্তির __________ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
  1. গ্রেপ্তার
  2. জরিমানা
  3. অব্যাহতি
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৯: অভিযোগকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যদি ধারা ১১৭ অনুযায়ী তদন্তে প্রমাণ না হয় যে শান্তি রক্ষা করা বা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বন্ডে স্বাক্ষর করানো জরুরি, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে নথিতে উল্লেখ করবেন। যদি সেই ব্যক্তি শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে। যদি ওই ব্যক্তি হেফাজতে না থাকেন, তবে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

Discharge of person informed against-
If, on an inquiry under section 117, it is not proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made, should execute a bond, the Magistrate shall make an entry on the record to that effect, and if such person is in custody only for the purposes of the inquiry, shall release him, or, if such person is not in custody, shall discharge him. 
৪৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৪৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারা কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?
  1. ২৩৪,২৩৫,২৩৭ ও ২৩৯
  2. ২৩৪,২৩৫,২৩৬
  3. ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯
  4. ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৮
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।

এই ধারা অনুসারে, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।
[For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235,236 and 239.]
৪৬৪.
জি.আর. মামলায় খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপীল না করলে সংবাদদাতার প্রতিকার হচ্ছে-
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।
ফৌজদারি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ/পাবলিক প্রসিকিউটর দুই বার আপিল করতে পারেন। অর্থাৎ, ১ম বার মূল মামলার বিরুদ্ধে, ২য় বার আপিলের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন।
কিন্তু পাবলিক প্রসিকিউটর/রাষ্ট্রপক্ষ ১ম আপিল না করলে GR মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী/সংবাদদাতা রিভিশন করতে পারে।

- অর্থাৎ GR মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ/পাবলিক প্রসিকিউটর আপিল না করলে অভিযোগকারী/সংবাদদাতা ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্টে বা ৪৩৯এ ধারায় দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারে।
৪৬৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৪ ধারার ক্ষমতাবলে আদেশ প্রদান করতে পারেন ________।
  1. জাস্টিস অফ দ্য পিস
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
 ♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  

♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌

♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌

♦১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।

♦ ১৪৪ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যাবে।
৪৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারার অনুযায়ী সমন অনুযায়ী সাক্ষী হাজির না হলে আদালত সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ১০০
  2. ২০০
  3. ২৫০
  4. ৫০০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
- সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons:
(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty.
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
৪৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মৃত্যুদণ্ড সাজা প্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৩৬৮
  2. ৩৬৯
  3. ৩৭১
  4. ৩৭২
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত হলে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে তা কার্যকর করা হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: (১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
⇒ CrPC-Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
Sentence of transportation (2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
৪৬৮.
ফৌজদারি সমন জারী করার জন্য প্রধান শর্ত কী?
  1. বিচারকের মৌখিক নির্দেশ
  2. স্থানীয় থানার অনুমোদন
  3. মামলার সাক্ষীর স্বাক্ষর
  4. লিখিত ফরমে বিচারকের স্বাক্ষর এবং সীলমোহর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।

(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
৪৬৯.
কোন বেআইনি উদ্দেশ্যে কোন মহিলা অপহৃত হয়েছে বা আটক রয়েছে এমন নালিশের ভিত্তিতে উক্ত মহিলাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন __________।
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. ক এবং খ উভই
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ৫৫২ ধারার বিধান অপহৃতা নারী প্রত্যার্পণে বাধ্য করার ক্ষমতাঃ কোন বে-আইনী উদ্দেশ্যে কোন স্ত্রীলোককে কিংবা ষোল বৎসরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ করা হয়েছে বা বে-আইনীভাবে আটক রাখা হয়েছে মর্মে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর শপথ পূর্বক নালিশ করা হলে তিনি সে স্ত্রীলোককে অবিলম্বে মুক্তি দিবার বা উক্ত বালিকাকে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা পিতা, অভিভাবক বা তার আইন সংগত হেফাজতের অধিকারী অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করে এই আদেশ পালনে বাধ্য করতে পারবেন।
৪৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান 'এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না'। এখানে 'এই অধ্যায়' বলতে বুঝানো হয়েছে-
  1. Unlawful Assemblies
  2. Apprehended danger
  3. Disputes as to Immovable Property
  4. Public Nuisances
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ম অধ্যায়ের বিধান গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES].

 ♦
ধারা ১৩২ক তে এই অধ্যায়ের বলতে গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES] অধ্যায়কে বুঝানো হয়ছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান প্রয়োগঃ এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

-----------------------------
♦ CHAPTER X -PUBLIC NUISANCES:
Section 132A. Application: The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
৪৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ১৭৬(১)
  2. ১৭৬(২)
  3. ১৭৪(১)
  4. ১৭৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
 -যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লেখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
- এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা 
-সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।
--------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-176: Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
Power to disinter corpses
(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৪৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারা অনুসারে বিশেষ বেঞ্চ কতজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৯গ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বেঞ্চ (Special Bench) তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী: 
তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 99C: Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.  

৪৭৩.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে নিয়োগ দেয়া হয়?
  1. ১১৬ অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৩ অনুচ্ছেদ
  3. ১৩০ অনুচ্ছেদ
  4. ১১৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-

ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
 
• ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ-
সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
 
Section 9: Court of Sessions:
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
৪৭৪.
চার্জ গঠন না করার কারণে কোন শাস্তি বা দণ্ড অবৈধ হবে না যদি না ন্যায় বিচার ব্যর্থ হয়। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৩৫
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৩২
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৩৫ মতে- কেবল মাত্র অভিযোগ প্রণয়ন করা হয়নি বলেই ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ বলে গণ্য করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন মনে করেন যে, উহার ফলে প্রকৃত পক্ষে ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়েছে।
৪৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুসারে, আদালত অবমাননার অপরাধীকে জরিমানা না দিলে কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। 

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুযায়ী: যদি দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ বর্ণিত কোনো অপরাধ আদালতের সম্মুখে বা উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়, তবে: সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালত অপরাধীকে দ্রুত বিচার করে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা দিতে পারে, এবং জরিমানা না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হওয়ার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section - 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.

৪৭৬.
কয় ক্ষেত্রে পুলিশ আদালতের গ্রেফতারি পরওয়ানা ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৬ ক্ষেত্রে
  2. ৭ ক্ষেত্রে
  3. ৮ ক্ষেত্রে
  4. ৯ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।

♦ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-

১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)

২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )

৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)

৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )

৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)

৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)

৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)

৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )

৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
৪৭৭.
"____________" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.
  1. inquiry
  2. investigation
  3. complaint
  4. judicial proceeding
ব্যাখ্যা
⇒ According to The Code of Criminal Procedure,1898 -Section 4(k):- "inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.

⇒ ফৌজদারি প্রক্রিয়ায়, "বিচার" ব্যতীত অন্যান্য কাজগুলি ইনকোয়ারি বা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত হয়। "বিচার" হল আদালতের মূল কার্যক্রম যেখানে বিচারক সরাসরি জড়িত থাকেন এবং পক্ষদ্বয়ের যুক্তি শুনে ও প্রমাণ বিচার করে রায় দেন।

⇒ Other Options:
-Section 4(H) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
-Section 4(L) "investigation" includes all the proceedings under this Code for the Collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by Magistrate in this behalf: 
-Section 4(M) "judicial proceeding" includes any proceeding in the course of which evidence is or may be legally taken on oath:
৪৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়?
  1. ৪১৭
  2. ৪১৭ক
  3. ৪০৭ক
  4. ৪১১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
---------------------------
CrPC-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৪৭৯.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা মালিকানা নির্ধারণ হয় না
  2. ১৪৫ ধারার ক্ষমতা হল বাধ্যতামূলক
  3. ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে
  4. ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ১৪৫(৪) ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট দখল সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পক্ষসমূহ ও সাক্ষীদের বক্তব্য শ্রবন ও সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

♦ সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বৃদ্ধি না করলে ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; কিন্তু ১৪৫ ধারার আদেশের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।
♦ যেহেতু ১৪৫ ধারায়  he, shall শব্দাবলী ব্যবহার করা হয়েছে তাই ১৪৫ ধারার ক্ষমতা বাধ্যতামূলক।

♦ প্রশ্নে অপশন (গ) ১৪৫ ধারার আদেশ ২ মাস বলবৎ থাকে তথ্যটি সঠিক নয়।
৪৮০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
- পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
------------------------------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54.When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest- 
firstly , any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned; 
secondly , any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking; 
thirdly , any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government; 
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing; 
fifthly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody; 
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh; 
seventhly , any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh; 
eighthly , any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3); 
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
৪৮১.
দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ সংক্রান্ত কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ-
  1. বহাল রাখতে পারেন
  2. বাতিল করতে পারেন
  3. পরিবর্তন করে অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারেন
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন, বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।

Section 376- Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 

Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
৪৮২.
বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হলে, পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে পুনরায় গ্রেফতার দেখাতে পারে?
  1. ৪১ ধারা
  2. ৪৬ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৪৮৩.
ফরিয়াদী 'ক' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৪৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারায় নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কার অধীনস্থ হবেন?
  1. দায়রা আদালতের
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান- নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণ:

(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন।
 
(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
 
(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
 
(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।
৪৮৫.
যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কার নিকট সমন প্রেরণ করবেন?
  1. জেনারেল ম্যানেজার
  2. তার পরিবারের নিকট
  3. অফিসের প্রধান কর্মকর্তা
  4. যে কোন একজনকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে। যে ব্যক্তির উপর সমন জারি করতে হবে তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন, তাহলে উক্ত অফিসের প্রধান কর্মকর্তার (head of the office) নিকট আদালত সমনের দ্বি-নকল বা প্রতিলিপি (duplicate copy) প্রেরণ করবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারার বিধান: প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি বরাবর সমন জারিঃ
(১) যে ব্যক্তির উপর সমন জারী করতে হবে, তিনি যদি প্রজাতন্ত্রের সক্রিয় চাকুরীতে নিযুক্ত থাকেন তাহলে সমন প্রদানকারী আদালত সাধারণ অবস্থায় উক্ত ব্যক্তি যে অফিসে কার্যরত আছে উহার প্রধান কর্মকর্তার নিকট দুই কপি সমন প্রেরণ করবেন এবং উক্ত কর্মকর্তা অতঃপর ৬৯ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে সমন জারী করবেন এবং উক্ত ধারার প্রয়োজনানুসারে পৃষ্ঠাঙ্কন করবেন এবং তার স্বাক্ষরসহ আদালতে প্রত্যাপণ করবেন।
(২) এরূপ স্বাক্ষর যথাযথভাবে সমন জারীর  প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে।
৪৮৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারা অনুসারে, যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩১(৩) অনুসারে যুগ্ম দায়রা জজ এর দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা সীমিত।ধারা ৩১(৩) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, একজন যুগ্ম দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারবেন, তবে মৃত্যুদণ্ড বা দশ বছরের অধিক মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড বা দশ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড ব্যতীত।
অতএব, যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন: 
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-31. Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.

৪৮৭.
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by ____________________.
  1. a government pleader
  2. a Public Prosecutor
  3. a police officer
  4. a court officer
ব্যাখ্যা
⇒ In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
⇒ দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির

-ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
-কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-265A: Trial to be conducted by Public Prosecutor:
-In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
[When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.]
৪৮৮.
কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারকে জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারার বিধান জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা এধরণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যত বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক এ ধরনের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং এ ধরনের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।
-----------------
Section 131: Power of commissioned military officers to disperse assembly:
-When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with an Executive Magistrate, he shall do so, and shall thenceforward obey the instructions of the Magistrate as to whether he shall or shall not continue such action.
৪৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৯
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৩৪১
  4. ধারা ৩৪২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪০-এ অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ধারার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

- আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার অধিকার: প্রতিটি অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতে নিজেকে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা করার অধিকার রাখে (ধারা ৩৪০(১))।
- সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা: অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের বা সহ-অভিযুক্তের পক্ষে শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন (ধারা ৩৪০(৩))।
- সুরক্ষা বিধান: তাকে শুধুমাত্র নিজের লিখিত অনুরোধে সাক্ষী হিসেবে ডাকা যাবে। সাক্ষ্য না দিলে তা তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অনুমানের কারণ হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
তবে শর্ত এই যে-
- সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
- সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.

৪৯০.
কোন ব্যক্তি তার দখলে থাকা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করলে, তাহলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে কি দণ্ড দিতে পারে?
  1. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অর্থদণ্ড
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮৫- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ

কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন, যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
৪৯১.
অভিযোগকারী কতদিনের মধ্যে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে;
২- দায়রা জজের নিকট।

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর;
২. অভিযোগকারী।

৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, 
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
৪৯২.
In view of Section 164 of the Code of Criminal Procedure,1898, which is the correct statement?
  1. Any Metropolitan or Judicial Magistrate may, whether jurisdiction has or not in the case, can record confession or statement made in the course of an investigation
  2. Confession can also be recorded by a Police Officer on whom any power of a Magistrate has been conferred
  3. The recording of statement can only be done by the Magistrate who has the jurisdiction
  4. None of above
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, যেকোনো বিবৃতি (Statement) বা দোষ স্বীকারোক্তি (Confession) লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

Section 164: Power to record statements and confessions-

(1) Any Metropolitan Magistrate, any Magistrate of the first class and any Magistrate of the second class specially empowered in this behalf by the Government may, if he is not a police-officer record any statement or confession made to him in the course of an investigation under this Chapter or at any time afterwards before the commencement of the inquiry or trial. 
 
(2) Such statements shall be recorded in such of the manners hereinafter prescribed for recording evidence as is, in his opinion best fitted for the circumstances of the case. Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section 364, and such statements or confessions shall then be forwarded to the Magistrate by whom the case is to be inquired into or tried. 
 
(3) A Magistrate shall, before recording any such confession, explain to the person making it that he is not bound to make a confession and that if he does so it may be used as evidence against him and no Magistrate shall record any such confession unless, upon questioning the person making it, he has reason to believe that it was made voluntarily; and, when he records any confession, he shall make a memorandum at the foot of such record to the effect.

Explanation- It is not necessary that the Magistrate receiving and recording a confession or statement should be a Magistrate having jurisdiction in the case.
৪৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সার্চ-ওয়ারেন্ট কার্যকর করার সময় কোনটি মানতে হবে?
  1. অভিযুক্তের উপস্থিতি
  2. স্থানীয় নেতাদের অনুমতি
  3. ওয়ারেন্টে উল্লেখিত নির্দেশনা
  4. বিচারিক আদালতের সামনে অনুসন্ধান করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুসারে, যখন কোনো আদালত মনে করে যে, কোনো দলিল, বস্তু বা প্রমাণ জব্দের জন্য সার্চ ওয়ারেন্ট জারির প্রয়োজন রয়েছে, তখন আদালত তল্লাশি পরোয়ানা (search warrant) ইস্যু করতে পারে।
-  এই ওয়ারেন্ট যাকে নির্দেশ করা হয় (অর্থাৎ পুলিশ বা তদন্তকারী কর্মকর্তা), সে ওয়ারেন্টে যা বলা আছে, সেটি অনুযায়ী এবং আইন অনুযায়ী তল্লাশি পরিচালনা করবে।
 অর্থাৎ, সার্চ-ওয়ারেন্ট কার্যকর করার সময়: অভিযুক্তের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়, স্থানীয় নেতার অনুমতি প্রয়োজন নয়, বিচারিক আদালতের সামনেই অনুসন্ধান করতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই।
-  শুধু ওয়ারেন্টে যা বলা আছে, এবং ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী অনুসরণ করাই বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-96: When search-warrant may be issued:
-(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition,
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person,
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection,
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained.
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৪৯৪.
বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা কে ইস্যু করতে পারেন?
  1. জেলা জজ
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে। ১০০ ধারা অনুযায়ী বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারার বিধান-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100: Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
৪৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারামতে নিম্নলিখিত কোন পদ্ধতিতে সম্পত্তি ক্রোক করা যায়?
  1. তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ করে
  2. খাজনা প্রদান বন্ধ করে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারামতে নিম্নলিখিত উপায়ে পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা যায়। যথা-

i) অস্থাবর সম্পত্তি হলে আটক করে কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি হলে দখল নিয়ে;

ii) তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ করে:

iii) খাজনা প্রদান বন্ধ করে;

iv) সম্পত্তি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে; অথবা

v) উপর্যুক্ত সকল পদ্ধতি বা যে কোন দুটি ব্যবস্থার মাধ্যমে পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করা যায়।
৪৯৬.
নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দী ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় রেকর্ড করেন?
  1. ১৯০ ধারা
  2. ২০০ ধারা
  3. ২০১ ধারা
  4. ২০২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ আমলযোগ্য ও আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পর্কে লিখিত বা মৌখিকভাবে অভিযোগ করলে মেট্রোপলিটন বা ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারেন।

ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ প্রাপ্তির পর ২০০ ধারায় শপথ পূর্বক বাদী বা ফরিয়াদীকে ও উপস্থিত সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারেন ।
৪৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুসারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. সরাসরি সাজা দেবেন
  2. অব্যাহতি দেবেন
  3. সাক্ষী ডাকবেন না
  4. অভিযোগ গঠন করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা (ground for presuming) দেখেন, তবে তিনি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠন করবেন। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার ধারার বিধান চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.

৪৯৮.
Who has the authority to determine the language of each Court for the purposes of the Code?
  1. The High Court
  2. The Government
  3. The Supreme Court
  4. The Chief Justice
ব্যাখ্যা
• Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

ধারা ৫৫৮ (আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা)-
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
৪৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের প্রকৃতি কী?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতের সম্মুখে বা আদালতের উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ অনুযায়ী আদালত অবমাননার (Contempt of Court) মতো অপরাধ করেন, তাহলে—
- আদালত ঐ ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক রাখতে পারে এবং
- সেই দিনের আদালত অধিবেশন শেষ হওয়ার পূর্বে (before the rising of the court) অপরাধটি আমলে নিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দিতে পারে এবং
- জরিমানা প্রদান না করলে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম (Simple) কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারে।
→  “Simple imprisonment” মানেই হলো বিনাশ্রম কারাদণ্ড — যেখানে আসামিকে কোনো ধরনের শ্রম বা কাজ করতে হয় না, এটি একটি কম কঠিন ধরনের শাস্তি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.

৫০০.
১৫ বছরের নিচের কোন শিশু মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতিত অন্য কোন অপরাধ করলে, সেই অপরাধের বিচার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবে- ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২৯খ
  3. ধারা ৩৯৯
  4. ধারা ১৯৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Section-29B:Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.