বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা / ২৯ · ২০১৩০০ / ২,৮৮৩

২০১.
কোন ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে মর্মে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংবাদ পেলে তিনি সুরতহাল করার জন্য কাকে জানাবেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সেনাবাহিনী প্রধান
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮, ধারা ১৭৪ মতে কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে বা অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রাণী কর্তৃক বা কোনো যন্ত্র দ্বারা বা কোনো দূর্ঘটনার ফলে নিহত হয়েছে বা এইরুপ পরিস্থিতিতে মারা গেছে যাতে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে, অপর কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে, সেই বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল করতে ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সংবাদ প্রদান করবে।
২০২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৪ ধারার বিধানসমূহ কোন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না?
  1. জেলা সদরে
  2. মহানগরীতে
  3. পৌরসভায়
  4. উপজেলা সদরে
ব্যাখ্যা
♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  

♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
♦ ১৪৪ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যাবে।
২০৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১০৭-এর অধীনে শান্তি রক্ষার জন্য bond সর্বোচ্চ কতদিনের জন্য হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১০৭: শান্তি রক্ষার জন্য জামানত আদায় (Security for keeping the peace in other cases):
১। যখন একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো হয় যে কোনো ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত করার সম্ভাবনা রাখে, অথবা কোনো অন্যায় কাজ করতে পারে যার ফলে শান্তি ভঙ্গ বা জনশান্তি বিঘ্নিত হতে পারে, তখন ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে, তাহলে তিনি নিচের বিধি অনুযায়ী সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করতে পারেন যে, সে একটি জামিনপত্র (bond) দেবে, যেখানে জামিনদারসহ বা জামিনদারবিহীন হতে পারে, এবং যেটি শান্তি রক্ষার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় (সর্বোচ্চ এক বছর) পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

২। এই ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে:
- অভিযোগ করা ব্যক্তি অথবা যেই স্থান থেকে শান্তি ভঙ্গ বা বিঘ্নের আশঙ্কা করা হচ্ছে, তারা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের মধ্যে হতে হবে।
- এছাড়া, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তি এবং স্থান উভয়ই তার এখতিয়ার এলাকার মধ্যে থাকে। এই ক্ষেত্রে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কেউ এ কাজ করতে পারবে না।

২০৪.
আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ মৌখিকভাবে দেয়া হলে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী তা কার নির্দেশে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. উল্লিখিত যে কেউর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
- Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.

২০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭ ধারা অনুসারে Judicial Magistrate বা Executive Magistrate-কে "additional powers" (অতিরিক্ত ক্ষমতা) কে প্রদান করতে পারে?
  1. Government
  2. District Magistrate
  3. Chief Judicial Magistrate
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭ অনুসারে Judicial Magistrate বা Executive Magistrate-কে "additional powers" (অতিরিক্ত ক্ষমতা) প্রদান করতে পারেন:
১) Government (সরকার)
২) Chief Judicial Magistrate (Judicial Magistrate-এর ক্ষেত্রে)
৩) District Magistrate (Executive Magistrate-এর ক্ষেত্রে)
- প্রথম proviso অনুযায়ী, সরকার District Magistrate-কে Executive Magistrate-দের অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদানের অধিকার দিতে পারে।
- দ্বিতীয় proviso অনুযায়ী, Judicial Magistrate-দের অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদানের ক্ষেত্রে High Court Division-এর সাথে পরামর্শ আবশ্যক।
- এই অতিরিক্ত ক্ষমতাগুলো চতুর্থ তফসিলে উল্লেখ থাকে।
অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) উল্লিখিত সকলে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 37. Additional powers conferrable on Magistrates.
In addition to his ordinary powers, any Judicial or Executive Magistrate may be invested by the Government or the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, as the case may be, with any powers specified in the schedule IV: 
Provided that, the Government may authorize a District Magistrate to invest any Executive Magistrate subordinate to him with any of its powers specified in the schedule IV: 
Provided further that any Judicial Magistrate may be invested with such additional powers in consultation with the High Court Division.
২০৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ ধারায় অধীনস্থ আদালতের মামলা নথি পর্যালোচনাকালীন সময়ে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ-
  1. আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  2. দণ্ড কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে
  3. আসামীকে নিজ মুচলেকায় মুক্তি দিতে পারে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৫ মতে- হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারী আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন অভিমত, শাস্তি বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কার্যক্রমের নিয়মানুগত্য সম্পর্কে সন্তুষ্ট হওয়ার জন্য উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নথি তলব করতে ও উহা পরীক্ষা করতে পারবেন, এই নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথির পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন শাস্তি কার্যকরীকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামী আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দিতে হবে।
২০৭.
ভুক্তভোগী 'ক', রফিকের বিরুদ্ধে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নালিশ করেন। ম্যাজিস্ট্রেট এই নালিশের ভিত্তিতে রফিকের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেন এবং প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেন। একই অপরাধের অভিযোগে থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে, যার ফলে পুলিশ ওই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। এক্ষেত্রে ফলাফল কী হবে?
  1. পুলিশ কর্তৃক তদন্ত স্থগিত হবে
  2. যেকোনো একটি মামলা বাতিল হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন
  4. উভয় মামলা বাতিল করে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ এ একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলতে থাকলে, তখন যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি এটা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করা হয় যে- ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান শুরু করেছেন উক্ত অপরাধের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত চলমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট-
⇒ তার অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম স্থগিত করবেন; এবং
⇒ তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন।

এই ক্ষেত্রে একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রিত করণ এবং বিচার করা যাবে যেন উভয় মোকদ্দমা পুলিশ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

এই অবস্থায়, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ অনুসারে,
ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন। ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট থেকে রিপোর্ট সংগ্রহের আদেশ দেবেন। এতে করে একই মামলায় পুলিশ কর্তৃক সংগৃহীত সকল প্রাসঙ্গিক তথ্য আদালতের নথিতে যুক্ত হবে। পুলিশের তদন্ত শেষ হলে এবং রিপোর্ট জমা দিলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উভয় মামলাকে একত্রিত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করবেন। এটি এমনভাবে পরিচালিত হবে যেন এই দুই মামলা একই অপরাধের বিষয়ে এককভাবে তদন্তের মাধ্যমে আদালতে এসেছে। অর্থাৎ, নালিশী মামলা এবং পুলিশের রিপোর্ট উভয়ই একসাথে বিবেচনা করে বিচার সম্পন্ন করা হবে, যেন পুনরায় কোনো দ্বৈত বিচার প্রয়োজন না হয়।
২০৮.
ফৌজদারি মামলায় গৃহীত সাক্ষ্য কোন পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. সারাংশ আকারে
  2. বিবরণ আকারে
  3. প্রশ্নোত্তর আকারে
  4. সংক্ষিপ্ত আকারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি-
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।
 
Section 359: Mode of recording evidence-
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
২০৯.
''Summary dismissal of appeal''- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান?
  1. ধারা ৪২৭
  2. ধারা ৪২১
  3. ধারা ৪২০
  4. ধারা ৪২৮
ব্যাখ্যা
Section 421- Summary dismissal of appeal:

(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ

(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
২১০.
C.R কেইস এর পূর্ণ রূপ হলো-
  1. Complaint Registered
  2. Complaint and Report
  3. Complainant Registered
  4. Criminal Report
ব্যাখ্যা
•  যেকোন ব্যক্তি ২ টি উপায়ে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে পারে-

- তিনি কোন অপরাধ সংঘটন বিষয়ে থানায় পুলিশের নিকট সংবাদ প্রদান করতে পারে বা
- তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট গিয়ে নালিশ দায়ের করতে পারে। 

•  থানায় পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করা হলে ১৫৫ ধারা অনুসরণ করে। 

• অন্যদিকে, কোন ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আমলযোগ্য বা আমলঅযোগ্য উভয় অপরাধ বিষয়ে নালিশ দায়ের করতে পারে। অপরাধ আমলে নেয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের মাধ্যমে যে মামলা শুরু হয় তাকে নালিশী মামলা বা [Complaint Registered(C.R)] কেইস বলা হয়।
২১১.
'অধস্তন আদালতের নথি পরীক্ষার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৪৪
  2. ধারা ৫৪২
  3. ধারা ৫৫৪
  4. ধারা ৫৪৮
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৪ (অধস্তন আদালতের নথি পরীক্ষার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা)-

(১) সরকারের পূর্বানুমতি লইয়া সুপ্রীম কোর্ট অধঃস্তন আদালতসমূহের নথিপত্র পরিদর্শনের জন্য সময়ে সময়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

(২) অন্যান্য উদ্দেশ্যে বিধি প্রণয়নে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এবং সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে-
(ক) এর অধঃস্তন সকল ফৌজদারী আদালতে খাতাপত্র রাখা, মন্তব্য লিপিবদ্ধ করা ও হিসাবপত্র রাখার জন্য এবং এরূপ আদালত দ্বারা প্রণীতব্য ও প্রেরিতব্য রিটার্ন বা বিবরণ প্রণয়ন ও প্রেরণের জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন:
(খ) উক্ত আদালতসমূহে যে সমস্ত কার্যধারার জন্য ফরম থাকা উচিত বলে মনে করেন সেরূপ প্রত্যেকটি কার্যধারার জন্য ফরম তৈরী করতে পারবেন,
(গ) ফৌজদারী আদালতসমূহের কার্যক্রম ও পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন; এবং
(ঘ) জরিমানা আদায়ের জন্য এই কার্যবিধির অধীন প্রদত্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীন প্রণীত নিয়মাবলী ও প্রস্তুতকৃত ফরমসমূহ এই বিধি বর্তমানে কার্যকর অন্য কোন আইনের সহিত সংগতিবিহীন হবে না।

(৩) এই ধারার আওতায় প্রণীত সব নিয়ম সরকারী গেজেটে প্রকাশ করতে হবে।
২১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২২৫
  2. ২২৭
  3. ২৩০
  4. ২৩১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
২১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারায় ম্যাজিষ্ট্রেটগণের কোন ধরনের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. বিশেষ ক্ষমতা
  2. সাধারণ ক্ষমতা
  3. অতিরিক্ত ক্ষমতা
  4. উল্লিখিত সকল ধরনের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:
সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।

Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
২১৪.
জামিনের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ কীভাবে নির্ধারণ করতে হবে?
  1. জামিনদারের আর্থিক সক্ষমতা দেখে
  2. অপরাধের ধরন দেখে
  3. মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক
  4. আদালতের ইচ্ছা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
২১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সন্দেহ করলে প্রথমে কাকে জানাতে হবে?
  1. সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে
  2. উচ্চ পুলিশ কর্মকর্তাকে
  3. ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. কাউকে জানাতে হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৭(১) অনুসারে: "যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তথ্য পেয়ে বা অন্যথায় এমন অপরাধের সংঘটনের যুক্তিসংগত সন্দেহ করেন যার তদন্ত করার ক্ষমতা তাঁর ধারা ১৫৬ অনুসারে রয়েছে, তবে তিনি সঙ্গে সঙ্গে এই বিষয়ে রিপোর্ট পাঠাবেন এমন একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যিনি পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে মামলার সমন্বয় করতে ক্ষমতাসম্পন্ন।"
অর্থাৎ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ পোষণ করলে, সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-157: Procedure where cognizable offence suspected:
(1) If, from information received or otherwise, an officer in charge of a police station has reason to suspect the commission of an offence which he is empowered under section 156 to investigate, he shall forthwith send a report of the same to a Magistrate empowered to take cognizance of such offence upon a police report and shall proceed in person, or shall depute one of his subordinate officers not being below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf to proceed, to the spot, to investigate the facts and circumstances of the case, and, if necessary, to take measures for the discovery and arrest of the offender:
Where local investigation dispensed with
Provided as follows:-
(a) when any information as to the commission of any such offence is given against any person by name and the case is not of a serious nature, the officer in charge of a police station need not proceed in person or depute a subordinate officer to make an investigation on the spot;
Where police officer in charge sees no sufficient ground for investigation
(b) if it appears to the officer in charge of a police station that there is no sufficient ground for entering on an investigation, he shall not investigate the case.
(2) In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of the proviso to sub-section (1), the officer in charge of the police station shall state in his said report his reasons for not fully complying with the requirements of that sub-section, and, in the case mentioned in clause (b), such officer shall also forthwith notify to the informant, if any, in such manner as may be prescribed by the Government, the fact that he will not investigate the case or cause it to be investigated.

২১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারামতে - Assistant Sessions Judge shall be construed as a reference to a ___________.
  1. Sessions Judge
  2. Joint Sessions Judge
  3.  District Sessions Judge
  4. Additional District Sessions Judge
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারামতে - In this Code, unless the context otherwise requires, any reference-
(d) to an Assistant Sessions Judge, shall be construed as a reference to a joint Sessions Judge;

[এই বিধিতে, প্রসঙ্গের অন্যথা না হলে, সহকারী দায়রা জজ-এর যে কোনো উল্লেখকে যুগ্ম দায়রা জজ-এর উল্লেখ হিসেবে গণ্য করা হবে।
২১৭.
নির্বাসনের আদেশে কী নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না?
  1. প্রেরণের স্থান
  2. কারাদণ্ডের মেয়াদ
  3. অপরাধের ধরন
  4. মামলার নম্বর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮: মৃত্যুদণ্ড ও নির্বাসন সংক্রান্ত বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ: যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন সেই দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে তাকে “গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে”।

(২) নির্বাসন (Transportation) এর আদেশ: নির্বাসনের আদেশে যে স্থানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রেরণ করা হবে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 368. Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.

- Sentence of transportation:
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
২১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ২য় কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. অপরাধের নাম
  2. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  3. দণ্ডবিধির ধারাসমূহ
  4. দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule):
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধের নাম;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২১৯.
অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ধারা ৪০৭
  2. ধারা ৪০৯ক
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪১৭ক
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৭ক (অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল)-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
২২০.
Complaint বলতে বুঝায়-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
  2. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
  3. দায়রা জজের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
  4. পুলিশ অফিসারের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
ব্যাখ্যা
♦ পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট নালিশ বলে গণ্য হবে না। কারণ পুলিশ অফিসারের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ কে এফআইআর (FIR) বলে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এবং দায়রা জজের নিকট Complaint (অভিযোগ ) দায়ের করা যায় না।
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(১) এর জ এবং ৪ক এক সাথে পড়লে বলা যায় Complaint কে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত কোন অভিযোগ বলে গণ্য করতে হবে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(১জ) এর বিধান নালিশ (Complaint)- “নালিশ” বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪ক এর বিধান নির্দেশাবলীর অর্থঃ এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপঃ
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে।

-----------------------------------------------------------------------------------------

4A. Constuction of reference: (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference-
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
২২১.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধের তদন্ত _______ দিনের মধ্যে সমাপ্ত না হলে আসামি জামিনে মুক্ত হতে পারে।
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৫০ দিন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা-১৬৭(৫) মোতাবেক ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে দায়রা আদালত সকল ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন। তবে জামিনে মুক্তি দেয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
২২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতে অনুপস্থিত লোকের জন্য সমন বা ওয়ারেন্ট জারী করা হয়?
  1. ১১৪ ধারায়
  2. ১১৫ ধারায়
  3. ১১৬ ধারায়
  4. ১১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১১৪ ধারা: যে ব্যক্তি এভাবে হাজির নহেন তাঁর সম্পর্কে সমন বা পরোয়ানা:
এ ধরণের ব্যক্তি আদালতে হাজির না থাকলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিবেন, বা, ঐধরণের ব্যক্তি কারাগারে থাকলে যে অফিসারের তত্ত্বাবধানে তিনি আছেন সেই অফিসারকে তাঁকে আদালতের সমক্ষে আনয়নের নির্দেশ দিয়ে পরোয়ানা জারি করবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের, কোনও পুলিশ অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতে অথবা অন্য সংবাদের উপর ভিত্তি করে (এরূপ প্রতিবেদন বা সংবাদের সারাংশ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট নথিভুক্ত করবেন) যদি মনে হয় যে শান্তিভঙ্গ করা হবে এরূপ ভয় করার কারণ আছে এবং যে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার না করলে ঐরূপ শান্তিভঙ্গ রোধ করা যাবে না, তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় তাকে গ্রেফতার করার নিমিত্ত পরোয়ানা জারী করতে পারেন।

Section 114: Summons or warrant in case of person not so present:
If such person is not present in Court, the Magistrate shall issue a summons requiring him to appear, or, when such person is in custody, a warrant directing the officer in whose custody he is, to bring him before the Court: 
 
Provided that whenever it appears to such Magistrate, upon the report of a police-officer or upon other information (the substance of which report or information shall be recorded by the Magistrate), that there is reason to fear the commission of a breach of the peace, and that such breach of the peace cannot be prevented otherwise than by the immediate arrest of such person, the Magistrate may at any time issue a warrant for his arrest.
২২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৪ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কখন বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারেন?
  1. তদন্তের আগে বা পরে যেকোনো সময়
  2. তদন্তের পরে বা চলাকালীন
  3. অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পরে
  4. আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের পর
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত চলাকালীন বা তদন্তের পরে কিন্তু অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পূর্বে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ যেকোনো বিবৃতি(Statement) বা দোষস্বীকারোক্তি(Confession) লিপিবদ্ধ করতে পারেন।দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকারকারীকে অবশ্যই বুঝিয়ে দিবেন যে; তিনি স্বীকারোক্তি করতে বাধ্য নয় এবং তিনি যদি স্বীকারোক্তি করে তাহলে উহা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।

যে সকল ম্যাজিস্ট্রেট দোষস্বীকারোক্তি(Confession) রেকর্ড করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
৩. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট

ধারা ১৬৪(২) অনুযায়ী তদন্ত চলাকালীন বা তদন্তের পরে কিন্তু অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পূর্বে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং এইরূপ স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী লিপিবদ্ধ বা স্বাক্ষরিত হতে হবে।
২২৪.
নিম্নের কোনটি Cognizable অপরাধ?
  1. দাঙ্গা-হাঙ্গামা
  2. ভয় দেখানো
  3. স্বেচ্ছায় আঘাত করা
  4. স্বামী কর্তৃক যৌতুক দাবি
ব্যাখ্যা
• Cognizable অপরাধ অর্থ হলো ধরণের অপরাধ যে ক্ষেত্রে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া (বিনা পরোয়ানায়) অপরাধীকে আটক করতে পারে।

ফৌজদারী কার্যবিধির তফসিল নং-২ অনুযায়ী পুলিশ দণ্ডবিধির অধীন ১৪৭ ধারার দাঙ্গা-হাঙ্গামা অপরাধ সংঘটনকারী অপরাধীদেরকে বিনা পরোয়ানায় আটক করতে পারে। তাই দাঙ্গা-হাঙ্গামা হলো একটি Cognizable অপরাধ।
২২৫.
ফৌজদারী মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড-এর ৩৪২ ধারা অনুসারে-
  1. পুনরায় সাক্ষীদের পরীক্ষা করবে
  2. আসামীদের পরীক্ষা করবে
  3. আসামীদের আইনজীবীদের পরীক্ষা করবে
  4. পুনরায় তদন্ত কর্মকর্তাকে পরীক্ষা করবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। 

আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো শপথ গ্রহণ করা হয় না।

Section 342: Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
২২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১০ অনুসারে, কোন ধরনের রিপোর্ট সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়?
  1. আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট
  2. হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট
  3. কেমিক্যাল এক্সামিনার বা সেরোলজিস্টের রিপোর্ট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১০ অনুসারে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কেমিক্যাল এক্সামিনার, সহকারী কেমিক্যাল এক্সামিনার, সেরোলজিস্ট, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট, যদি তা যথাযথভাবে পরীক্ষা বা বিশ্লেষণের জন্য তাদের কাছে পাঠানো হয় এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রস্তুত করা হয়, তবে সেই রিপোর্টগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

- ধারা ৫১০-এর বিধান অনুযায়ী, এই রিপোর্টগুলোর গ্রহণযোগ্যতার জন্য শর্ত হলো যে, রিপোর্টটি অবশ্যই সরকার কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং যথাযথভাবে পরীক্ষা বা বিশ্লেষণের জন্য তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এই ধরনের রিপোর্টগুলোর সুবিধা হলো এটি আদালতের সময় এবং খরচ বাঁচায়, কারণ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসেবে ডাকার প্রয়োজন হয় না।
- অতএব, ধারা ৫১০ অনুসারে, উপরের সব ধরনের রিপোর্ট (আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞ, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, এবং কেমিক্যাল এক্সামিনার বা সেরোলজিস্টের) সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 510. Report of Chemical Examiner, serologist, etc.
- Any document purporting to be a report under the hand of any Chemical Examiner or Assistant Chemical Examiner to Government or any serologist, handwriting expert, finger print expert or fire-arm expert appointed by the Government, upon any matter or thing duly submitted to him for examination or analysis and report in the course of any proceeding under this Code, may, without calling him as a witness, be used as evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.

২২৭.
অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে, আদালত বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে কত দিনের মধ্যে উক্ত সম্পত্তির দখল দেয়ার আদেশ প্রদান করতে পারবেন?
  1. অভিযুক্তের দণ্ডের তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে
  2. বেদখলের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
  3. অভিযোগ দায়েরের তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে
  4. অভিযুক্তের দণ্ডের তারিখ হতে ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২২: স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরুপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানকালে বা উক্ত দণ্ডের তারিখ হতে ১ (এক) মাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেবার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে উক্ত আদেশ কর্তৃক তাহা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

(৩) যেকোন আপিল, সাজা অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 522: Power to restore possession of immovable property

(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order any the person dispossessed to be restored to the possession of the same.
(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.
(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.
২২৮.
কোন শ্রেণির বিচারক মৃত্যুদণ্ড প্রদান করতে পারেন না?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারা- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

অর্থাৎ, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ড প্রদানের সীমা আছে। তিনি কেবল ১০ বছরের মধ্যে যেকোনো কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ইত্যাদি দিতে পারেন — কিন্তু মৃত্যুদণ্ড প্রদানের এখতিয়ার নেই।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
২২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা এবং তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৯৯
  2. ধারা ৯৯ক
  3. ধারা ৯৯খ
  4. ধারা ৯৯গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা অনুযায়ী, সরকার বা আদালত যখন মনে করেন যে কোন সংবাদপত্র, গ্রন্থ, বা দলিলে এমন কিছু বিষয়বস্তু রয়েছে যা দণ্ডনীয় বা মানহানিকর, অথবা যা অশ্লীল বা উত্তেজক, তখন সেই প্রকাশনাগুলো বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারেন। এর জন্য তারা তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন, যাতে পুলিশ সেই প্রকাশনাগুলো খুঁজে এবং বাজেয়াপ্ত করতে পারে। এই ধারায় মূলত গণমাধ্যম বা প্রকাশনা সম্পর্কিত বিষয়গুলোর নিয়ন্ত্রণ এবং তল্লাশি পরোয়ানার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারার বিধান: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা দিবার ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে-
(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩এ অথবা ১২৪এ অথবা ১৫৩এ অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫এ অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫এ মতে দণ্ডনীয়,
(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা
(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা
(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারি গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গণে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোনো সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সংগত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
২৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারা অনুসারে, হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড বিষয়ে কী করতে পারে?
  1. নতুন বিচার শুরু করতে পারে
  2. মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করতে পারে
  3. অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ (Section 375, CrPC) অনুযায়ী: যখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে উপস্থাপিত হয় (ধারা ৩৭৪ অনুসারে), তখন হাইকোর্টের এখতিয়ার থাকে:
দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষতা নির্ধারণে অধিকতর তদন্ত করার বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করার, এবং চাহিদা অনুযায়ী এই তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ নিজে করতে পারে অথবা দায়রা আদালতকে নির্দেশ দিতে পারে।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড বিষয়ে অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে।

⇒  ধারা ৩৭৫- কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session.
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
২৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) অনুসারে, এই ধারার বিধান কার্যকর করার জন্য কে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. জেলা প্রশাসক
  4. কারা মহাপরিদর্শক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে অপরাধীর ঠিকানা জানানোর আদেশ কার্যকর করার জন্য সরকার বিধি প্রণয়ন করতে পারে। আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর ঠিকানা জানানোর আদেশ দিতে পারেন। কিন্তু সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন (rules) প্রণয়ন করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সরকারকে।
অর্থাৎ, সরকারই নির্ধারণ করবে কীভাবে অপরাধী তার বাসস্থান, পরিবর্তন বা অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: সরকার (খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) এর বিধান: "সরকার এই ধারার মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদীদের আবাস বা আবাসের পরিবর্তন কিংবা আবাসস্থল থেকে অনুপস্থিতি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিষয়ে বিধান কার্যকর করার উদ্দেশ্যে বিধি প্রণয়ন করতে পারিবেন।"
"সরকার" বলতে এখানে বাংলাদেশ সরকার/গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার-কে বোঝায়।
এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য হলো, মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদী কীভাবে তার ঠিকানা, ঠিকানা পরিবর্তন বা অনুপস্থিতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত জানাবে তা বাস্তবায়নের জন্য একটি প্রক্রিয়া বা বিধিমালা প্রণয়ন করা।

২৩২.
১১৮ ধারার অধীনে মুচলেকার অর্থের পরিমাণ কেমন হবে?
  1. অত্যধিক
  2. আদালতের চাহিদা অনুযায়ী
  3. পারিপার্শ্বিক অবস্থা অনুযায়ী যথাযথ
  4. অভিযোগকারীর চাহিদা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারা- মুচলেকা প্রদানের আদেশ:
এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;

দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;

তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
২৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারায় রায়ের কপির জন্য আসামি পক্ষ আবেদন করলে তা দিতে হবে-
  1. খরচসহ ৭ দিনের মধ্যে
  2. খরচবাদে ১৫ দিনের মধ্যে
  3. খরচসহ ১৫ দিনের মধ্যে
  4. খরচবাদে কোনো বিলম্ব ছাড়া
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামী আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতিত অন্য যেকোন মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামীকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপীল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপীল করতে পারবে।
২৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, যদি কোনো অপরাধ একমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. নিজেই বিচার করবেন
  2. আসামিকে মুক্তি দেবেন
  3. মামলা দায়রা আদালতে পাঠাবেন
  4. মামলার তদন্ত পুনরায় শুরু করবেন
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫গ ধারা অনুসারে, যদি কোনো অপরাধ একমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলা দায়রা আদালতে পাঠাবেন। 
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য,সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
- মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
- জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
- সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র(যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
- পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
-------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205C. Transfer of case of Court of Session when offence is trial exclusively by it:
When in a case instituted on a police report or otherwise, the accused appears or is brought before the Magistrate and it appears to the Magistrate that the offence is triable exclusively by the Court of Session, he shall- 
(a) send the case to the Court of Session; 
(b) subject to the provisions of this Code relating to bail, remand the accused to custody during, and until the conclusion of, the trial; 
(c) send to that Court the record of the case and the documents and articles, if any, which are to be produced in evidence; 
(d) notify the Public Prosecutor of the transfer of the case to the Court of Session. 
২৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট অফিসার উক্ত সম্পত্তি-
  1. ক্রয় করবেন না
  2. নিলাম ডাকবেন না
  3. নিলাম ডাকতে পারেন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬০- সম্পত্তি বিক্রয়ের সহিত সংশ্লিষ্ট অফিসারগণ উহা ক্রয় করতে বা নিলাম ডাকতে পারবেন না

এই কার্যবিধির অধীন কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের ব্যাপারে যে সরকারী কর্মচারীকে কোন কর্তব্য সম্পাদনের দায়িত্ব দেয়া হয় তিনি উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করবেন না বা উহার নিলাম ডাকবেন না। 

Section 560- Officers concerned in sales not to purchase or bid for property
A public servant having any duty to perform in connection with the sale of any property under this Code shall not purchase or bid for the property.
২৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণা না করে কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন না?
  1. জিআর মামলা
  2. নালিশী মামলা
  3. নন-জিআর মামলা
  4. এফআইআর দ্বারা দায়েরকৃত মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
-অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট নালিশী মামলার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণা না করে কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন না।

উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
-----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-249: Power to stop proceedings when no complainant: 
-In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
২৩৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. 540
  2. 539
  3. 539B
  4. 538
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 (ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮) এর গ) 539B ধারা অনুসারে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন। 
ধারা ৫৩৯খ (Section 539B) অনুযায়ী, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো মামলার বিচার বা তদন্ত চলাকালীন মামলার সঠিক নিষ্পত্তির জন্য যদি প্রয়োজন মনে করেন, তবে তিনি মামলার ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন এবং পরিদর্শনের একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন। এই স্মারকলিপিটি মামলার নথির অংশ হবে এবং পক্ষগণকে তা দেখার সুযোগ দেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 ------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

২৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুসারে, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে কতদিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা যায়?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুসারে, বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করার সময়সীমা হলো ২ মাস।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারি আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.

২৩৯.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে সমন পরিবেশনের পর প্রমাণ হিসেবে সমনপ্রাপককে কোথায় স্বাক্ষর করতে হয়?
  1. সমনের সামনের অংশে
  2. একটি পৃথক কাগজে
  3. অপর কপির পেছনের দিকে
  4. স্বাক্ষর করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৯(২) অনুসারে সমন পরিবেশনের পর প্রমাণ হিসেবে সমনপ্রাপককে অপর কপির পেছনের দিকে স্বাক্ষর করতে হয়।
সুতরাং, সমন পরিবেশনের পর প্রমাণ হিসেবে সমনপ্রাপককে অপর কপির পেছনের দিকে স্বাক্ষর করতে হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৬৯: সমন কীভাবে জারি করতে হবে: 
(১) সমনটি, যদি কার্যকরভাবে সম্ভব হয়, সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে জারি করতে হবে, তার নিকট সমনের দুটি কপির একটি বিতরণ বা অর্পণের মাধ্যমে।
- সমনের রসিদে স্বাক্ষর: 
(২) সমনপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি, যদি সমন জারিকারী কর্মকর্তা তাহাকে অনুরোধ করেন, তবে অপর কপিটির পশ্চাতে উহার রসিদ স্বাক্ষর করিবেন।
(৩) নিগমিত কোম্পানি বা অন্য কোন নিগমিত সংস্থার নিকট সমন জারি করা যেতে পারে কর্পোরেশনের সচিব, স্থানীয় ব্যবস্থাপক বা অন্য কোন প্রধান কর্মকর্তার নিকট জারি করার মাধ্যমে অথবা বাংলাদেশে কর্পোরেশনের প্রধান কর্মকর্তার নামে রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর মাধ্যমে। এই ক্ষেত্রে, চিঠিটি সাধারণ ডাকযোগে যখন পৌঁছানোর কথা তখনই সমন জারি হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(৪) আদালত, পূর্ববর্তী উপ-ধারাসমূহে প্রদত্ত জারির পদ্ধতিসমূহ ছাড়াও, এই মর্মে নির্দেশ দিতে পারবেন যে, সমনটি স্বল্প বার্তা পরিসেবা (এসএমএস), ভয়েস কল, তাৎক্ষণিক বার্তাপ্রেরণ পরিসেবা বা ইলেকট্রনিক মেইলের মত ইলেকট্রনিক মাধ্যমের মাধ্যমে জারি করতে হবে এবং এইরূপ জারির প্রমাণ রেকর্ডের সাথে সংরক্ষণ করতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-69. Summons how served:
(1) The summons shall, if practicable, be served personally on the person summoned, by delivering or tendering to him one of the duplicates of the summons.

Signature of receipt for summons:
(2) Every person on whom a summons is so served shall if so required by the serving officer, sign a receipt therefor on the back of the other duplicate.
(3) Service of a summons on an incorporated company or other body corporate may be effected by serving it on the secretary, local manager or other principal officer of the corporation or by registered post letter addressed to the chief officer of the corporation in Bangladesh. In such case the service shall be deemed to have been effected when the letter would arrive in ordinary course of post.
(4) The Court may, in addition to the modes of service provided in the foregoing sections, direct that the summons be served through electronic means such as Short Message Service (SMS), voice call, instant messaging service, or electronic mail, and the proof of such service shall be preserved with the record.

২৪০.
একজন ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশ অপর্যাপ্ত হলে, রাষ্ট্রপক্ষ দণ্ড বৃদ্ধির জন্য কোথায় আপিল করতে পারে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:

(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে (রাষ্ট্রপক্ষকে) নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A- Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
২৪১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১(২) ধারায় সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. অভিযুক্তকে
  3. পুলিশ অফিসারকে
  4. মামলার পক্ষগণকে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।
ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না: অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।
অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে: শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,

- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:

- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
২৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ কে বিচার করতে পারে?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ (যদি তা মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য।

- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২৯খ (Section 29B, CrPC) অনুযায়ী বলা হয়েছে,  যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী,  এবং তিনি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিচার করতে পারেন, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM), চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি শিশু অপরাধ সংক্রান্ত আইনের অধীনে বিচার করার ক্ষমতা রাখেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate] or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law] providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
২৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত কয়টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে।
- ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section96. When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, 117[Chief Judicial Magistrate, as the case may be] [or Chief Metropolitan Magistrate] to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
২৪৪.
কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে-
  1. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ নিয়ে পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  2. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  3. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  4. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা মতে কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতার: কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
---------------------------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 151: Arrest to prevent such offences:
-A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.
২৪৫.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে, দায়ী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে।
 
• ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-
 
(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দশাতে বলতে পারবেন ।
 
(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।
 
(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।
 
(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।
 
(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।
 
(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।
 
(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
২৪৬.
ফৌজদারি মামলায় বিচারক কখন সম্পূর্ণ রায় পড়ে শুনাবেন?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
  2. আসামীপক্ষ অনুরােধ করলে
  3. ফরিয়াদি পক্ষ অনুরােধ করলে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৬- রায় ঘােষণার পদ্ধতি:
১) মূল এখতিয়ারবান ফৌজদারি আদালতের প্রত্যেকটি বিচারের রায় ঘােষণা করতে হবে বা রায়ের সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে-
ক) প্রকাশ্য আদালতে বিচার সমাপ্ত হওয়ার অব্যাহতির পরই বা পরবর্তী কোন সময়ে, যে সময় সম্পর্কে পক্ষগণকে কিংবা তাদের কৌসুলীগণকে নােটিশ দিতে হবে, এবং
খ) আদালতের ভাষায়, বা আসামি বা তার কৌসুলীর বােধগম্য কোন ভাষায়। তবে শর্ত থাকে যে, বাদীপক্ষ বা আসামীপক্ষ অনুরােধ করলে জজ সম্পূর্ণ রায় পড়িয়া শুনাইবেন।

২) আসামি কারাগারে থাকলে রায় শুনাইবার জন্য তাকে আনয়ন করতে হবে বা কারাগারে না থাকলে তাকে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে হবে, তবে বিচারের সময় তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দেওয়া হলে এবং তাকে শুধুমাত্র জরিমানা করা হলে বা খালাস দেওয়া হলে তার কৌসুলীর উপস্থিতিতে রায় ঘােষণা করা যাবে।

৩) রায় ঘােষণার জন্য বিজ্ঞাপিত দিনে বা স্থানে কোন পক্ষ বা তার কৌসুলী হাজির না থাকলে কিংবা উক্ত দিন ও স্থান সম্পর্কে পক্ষসমূহ ও তাদের কৌসুলীগণ বা তাদের কাহাকেও নােটিশ প্রদান করা না হলে বা নােটিশ জারিতে ভুল থাকলে শুধু সেই কারণে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায় অসিদ্ধ বলে বিবেচিত হবে না।

৪) এই ধারার কোন বিধান কোনভাবে ধারা ৫৩৭ এর বিধানসমূহের আওতা সীমিত করবে বলে ব্যাখ্যা করা যাবে না।
২৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী, কোনো জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা করা কোনো আইনজীবী সেই আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. ধারা ৫৫৫
  2. ধারা ৫৫৬
  3. ধারা ৫৫৭
  4. ধারা ৫৫৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৭-এ বলা হয়েছে: "যে আইনজীবী (pleader) কোনো জেলার কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে প্র্যাকটিস করেন, তিনি উক্ত আদালতে কিংবা সেই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না।"
- এই ধারাটির উদ্দেশ্য হলো বিচারকার্য পরিচালনায় স্বার্থের সংঘাত (conflict of interest) এড়ানো।
- এতে ন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়, যাতে বিচারক ব্যক্তিগতভাবে বা পেশাগতভাবে সংশ্লিষ্ট না থাকেন।
- এটি natural justice বা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার নীতির অন্তর্গত — যেখানে নিরপেক্ষতা একটি প্রধান শর্ত।
-  অতএব, ধারা ৫৫৭ এই বিধানটি সরাসরি প্রদান করে এবং এই কারণে উত্তর (গ) ধারা ৫৫৭ সঠিক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.
২৪৮.
ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধানমতে মিথ্যা সাক্ষ্যের জন্য বিচার করতে পারে?
  1. ধারা ৩৩৮
  2. ধারা ৩৩৭
  3. ধারা ৩৩৯
  4. ধারা ৩৪০
ব্যাখ্যা
• ৩৩৭ এবং ৩৩৮ ধারার অধীন থাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে সে যদি ক্ষমা মঞ্জুরের শর্ত লঙ্ঘণ করে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় তাহলে যে অপরাধের জন্য তাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে সে অপরাধের জন্য অথবা একই বিষয় সম্পর্কে সে যে অপরাধে দোষী বলে প্রতীয়মান হয়, সে অপরাধের জন্য তার বিচার ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯ ধারায় করা যাবে।
 
৩৩৯ ধারা- যাকে ক্ষমা প্রদান করা হয়েছে তার বিচার
(১) যেক্ষেত্রে ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারা এর আলোকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে, এবং পাবলিক প্রসিকিউটর সার্টিফাই করেন যে, তাঁর মতে ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে তাকে যে শর্তে ক্ষমা করা হয়েছে তা পালন করেনি, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয় সে অপরাধের জন্য অথবা একই বিষয় সম্পর্কে সে যে অপরাধে দোষী রূপে প্রতীয়মান হয়, সেই অপরাধের জন্য তার বিচার করা যাবেঃ
শর্ত থাকে যে, এরূপ ব্যক্তিকে অন্যান্য আসামীদের কারোও সাথে একত্রে বিচার করা যাবে না, এবং এরূপ বিচারে সে বলতে পারবে যে, যে শর্তে তাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছিল, তা সে পালন করেছে, এরূপ ক্ষেত্রে উক্ত শর্ত যে পালন করা হয়নি তা প্রমাণ করার দায়িত্ব বাদী পক্ষের।

(২) ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তির বিবৃতি এরূপ বিচারে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য রূপে দাখিল করা যাবে।

(৩) হাইকোর্ট ডিভিশনের বিনা অনুমোদনে এরূপ কোন বিবৃত্তি সম্পর্কে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধের নালিশ গ্রহণ করা যাবে না।

Section 339 (Trial of person to whom pardon has been tendered)-
(1) Where a pardon has been tendered under section 337 or section 338, and the Public Prosecutor certifies that in his opinion any person who has accepted such tender has, either by wilfully concealing anything essential or by giving false evidence, not complied with the condition on which the tender was made such person may be tried for the offence in respect of which the pardon was so tendered, or for any other offence of which he appears to have been guilty in connection with the same matter:
Provided that such person shall not be tried jointly with any of the other accused, and that he shall be entitled to plead at such trial that he has complied with the conditions upon which such tender was made; in which case it shall be for the prosecution to prove that such conditions have not been complied with.

(2) The statement made by a person who has accepted a tender of pardon may be given in evidence against him at such trial.

(3) No prosecution for the offence of giving false evidence in respect of such statement shall be entertained without the sanction of the High Court Division.
২৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন ব্যক্তি তার দখলে থাকা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে কী ধরণের শাস্তি দিতে পারে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. সশ্রম কারাদণ্ড
  3. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. উল্লিখিত সব ধরণের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার বিধান- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
-কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন,
-যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-485: Imprisonment or committal of person refusing to answer or produce document:
-If any witness or person called to produce a document or thing before a Criminal Court refuses to answer such questions as are put to him or to produce any document or thing in his possession or power which the Court requires him to produce, and does not offer any reasonable excuse for such refusal, such Court may, for reasons to be recorded in writing, sentence him to simple imprisonment, or by warrant under the hand of the presiding Magistrate or Judge commit him to the custody of an officer of the Court for any term not exceeding seven days, unless in the meantime such person consents to be examined and to answer, or to produce the document or thing. In the event of his persisting in his refusal, he may be dealt with according to the provisions of section 480 or section 482, and in the case of High Court Division shall be deemed guilty of a contempt.
২৫০.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ ফেরত [return of complaint] দিতে পারেন?
  1. ২০৩ ধারা
  2. ২০১ ধারা
  3. ২০৪ ধারা
  4. ২০২ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে-

• লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে- আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

• মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে- যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে মালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
২৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ডাদেশ বহাল রাখার আদেশ দিলে, তা স্বাক্ষর করবে সর্বনিম্ন কত জন বিচারক?
  1. ২ জন
  2. ৪ জন
  3. ৩ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৭- দণ্ডাদেশ বহাল ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে

৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ডাদেশ বহাল রেখে বা নতুন যে শাস্তি বা অন্য যে আদেশ দিবে তা সর্বনিম্ন ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
২৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার হলে পুলিশ কর্মকর্তার করণীয় কী?
  1. তাকে আদালতে পাঠানো
  2. তাকে জামিন দেওয়া
  3. তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া 
  4. তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ কর্মকর্তাকে অবশ্যই গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে। এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার এবং বেআইনি আটক প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা। গ্রেফতারের সময়ই কারণ জানানো বাধ্যতামূলক, যা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করা:
- পরোয়ানা ছাড়া যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারকারী প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের সময়, যে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে সেই কারণসমূহ তাকে জানাতে বাধ্য থাকবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

২৫৩.
পুলিশ রিপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের পর পুলিশ নিম্মলিখিত কোন কাজটি করতে পারে-
  1. অধিকতর [Further investigation] করতে পারে
  2. অধিকতর তদন্ত করে সম্পূরক চার্জশীট জমা দিতে পারে
  3. অধিকতর তদন্ত করে সম্পূরক ফাইনাল রিপোর্ট জমা দিতে পারে
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে [do further investigation]। অধিকতর তদন্ত করে অধিকতর সাক্ষ্য পেলে পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক সার্জশীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে। যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে একবার চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে, তাকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করে অধিকতর তদন্ত করে পুলিশ ফাইনাল রিপোর্ট দিতে পারে না।
২৫৪.
সরকার কর্তৃক কোনো প্রকাশনা বাজেয়াপ্তির ঘোষণা বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনের কত জন বিচারক নিয়ে স্পেশাল বেঞ্চ গঠিত হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী: 
তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

Section 99C: Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.  
২৫৫.
ধারা ১৫২ অনুযায়ী, কোন ধরনের সম্পত্তি রক্ষায় পুলিশ অফিসার হস্তক্ষেপ করতে পারবেন?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তি
  2. সরকারী সম্পত্তি
  3. ব্যবসায়িক সম্পত্তি
  4. সব ধরনের সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
২৫৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৪২৩ ধারায়
  2. ৪২৭ ধারায়
  3. ৪৩১ ধারায়
  4. ৪২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা

২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
⇒ খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।

৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি

৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে। 

৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
২৫৭.
প্রদত্ত কোন রায়টি 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক?
  1. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় খালাস পেয়েছে
  2. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  3. 'ক' অন্য একটি চুরির মামলায় খালাস পেয়েছে
  4. 'ক' অন্য একটি চুরির মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।চার্জের বিষয়বস্তু ধারা ২২১ এ উল্লেখ করা আছে।একটি চার্জে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকবে-

> অপরাধের নাম।
> অপরাধের নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উক্ত অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে।
> উক্ত অপরাধ যে আইনে এবং যে ধারার আওতায় পড়ে তা উল্লেখ করতে হবে।
> অভিযােগ গঠন হলে ধরে নেওয়া হবে অপরাধটি সংঘটিত করার সকল উপাদান বিদ্যমান বা শর্ত পূরণ হয়েছে।
> অভিযােগ ইংরেজি বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়।
> পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধি বা ভিন্নধরনের শাস্তি প্রদানের দরকার হলে,অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।শাস্তিদানের পূর্বে যে কোন সময় পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন।

ধারা ২২১ (৭) অনুসারে,পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যখন উল্লেখ করতে হবেঃ

আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার কারণে পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির সঙ্গে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে,অভিযােগে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।যদি উক্তরূপ উল্লেখ না করা হয়ে থাকে,তবে আদালত দণ্ড দানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যুক্ত করতে পারেন।
২৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন অভিযোগকে নালিশ (Complaint) হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ
  3. পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অভিযোগ
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)-
"নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।

অর্থাৎ, অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h)-
"complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person, whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police officer:

২৫৯.
ফৌজদারি আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. হাইকোটের নিকট রিভিশন
  2. দায়রা জজের নিকট রিভিশন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট রিভিশন
  4. দায়রা জজের নিকট আপীল
ব্যাখ্যা
♦ আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৯৪ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোনো জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে পারে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন জারির বিধান রয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারামতে আদালত বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন দলিল বা অন্য কোন জিনিস হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করতে পারেন।
২৬০.
আগাম জামিনের দরখাস্ত দায়ের করা হয় কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ৪৯৬
  2. ৪৯৭
  3. ৪৯৮
  4. ৪৯৯
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।
♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
২৬১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালতকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪৩৬ ধারায়
  2. ৪৩৯ ধারায়
  3. ৪৩৯ক ধারায়
  4. ৪৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ
- ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।
- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 439A: Sessions Judge's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
২৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. দ্বিতীয় তফসিলে
  2. চতুর্থ অধ্যায়
  3. দ্বিতীয় অধ্যায়
  4. চতুর্থ তফসিলে
ব্যাখ্যা
♦ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ৪৬টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৬৫টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫টি তফসিল (Schedule) এবং ৯টি ভাগ (Part) রয়েছে। কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়।  ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।

i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।

ii)  ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।

iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

♦ অর্থাৎ চতুর্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
২৬৩.
সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়,সেই সকল মামলায় কোনটির প্রয়োজন নাই?
  1. সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নাই
  2. আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করার প্রয়োজন নাই
  3. ক ও খ
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৩ অনুসারে,সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়,সেই সকল মামলায় ম্যাজিস্ট্রেটের বা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার বা আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করার প্রয়োজন নাই,তবে তিনি বা তারা সরকার কর্তৃক নির্দেশিত ফরমে নিম্নলিখিত তথ্য লিপিবদ্ধ করবেনঃ

(ক) ক্রমিক নম্বর;
(খ) অপরাধ সংঘটনের তারিখ; 
(গ) এজহার বা নালিশের তারিখ:
(ঘ) ফরিয়াদীর (যদি থাকে) নাম:
(ঙ) নাম, পিতার নাম ও বাসস্থান;
(চ) নালিশী অপরাধ এবং প্রমাণিত অপরাধ (যদি থাকে) এবং ২৬০ ধারার (১) উপধারার (ঘ), (ঙ) বা (ছ) শাখার অন্তর্ভুক্ত ক্ষেত্রে যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হইয়াছে, তার মূল্য;
(ছ) অভিযুক্তের বক্তব্য ও তার জবানবন্দি (যদি থাকে);
(জ) যা সাব্যস্ত করা হল তা এবং দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কারণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;
(ঝ) দণ্ড বা অন্য চূড়ান্ত আদেশ; এবং
(ঞ) বিচার শেষ হবার তারিখ।
২৬৪.
The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে, সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি _______ পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
২৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮, ১০৯ এবং ১১০ ধারার অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন ব্যক্তি যেমন অভ্যাসগত দস্যু বা ভবঘুরে ব্যক্তিকে সদাচরনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
২৬৬.
সামরিক অফিসারকে জনসমাবেশ ভাঙার ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দেয়া হয়েছে?
  1. ১৩০ ধারায়
  2. ১৩১ ধারায়
  3. ১৩২ ধারায়
  4. ১৩৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারার বিধান জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা ধারণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যত বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক ধরনের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং ধরনের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 131. Power of commissioned military officers to disperse assembly: 
- When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with an Executive Magistrate, he shall do so, and shall thenceforward obey the instructions of the Magistrate as to whether he shall or shall not continue such action.
২৬৭.
কে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মহানগর দায়রা জজ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৬ ধারার বিধান ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগঃ (১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথাঃ

(অ) দায়রা আদালত; এবং (আ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(অ) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (আ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(অ) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;

(আ) মহানগর এলাকায় প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;

(আ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;

(ঈ)তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” শব্দ দুটিকে যথাক্রমে “অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।

♦ মেট্রোপলিটন এলাকায় ২য়/৩য় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাই।

♦ মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করে। অর্থাৎ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ অর্থাৎ ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নামে পরিচিত। তাই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
২৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দণ্ড স্থগিত বা পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪০১
  2. ধারা ৪০২
  3. ধারা ৪০২ক
  4. ধারা ৪০৩
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৪০২ক।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২ক-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ধারা ৪০১ (দণ্ড স্থগিত/মওকুফ) ও ৪০২ (দণ্ড রূপান্তর)-এর অধীনে সরকারের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।


⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক: মৃত্যুদণ্ড: সরকারকে ৪০১ ও ৪০২ ধারায় যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে তা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টও প্রয়োগ করতে পারবেন।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 402A. Sentences of death:
- The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.

২৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক আসামী নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. ৩৩৮
  2. ৩৩৯
  3. ৩৪০
  4. ৩৪১
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৪০ অনুযায়ী-
- যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার ও সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা আছে।
- তবে শর্ত এই যে, সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না অথবা সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
২৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮ কোন বিষয়ে সরকারকে ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. আইনজীবী নিয়োগের ক্ষমতা
  2. আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
  3. আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণের ক্ষমতা
  4. মামলার বিচারের নিয়ম নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮ অনুযায়ী, সরকারকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে আদালতের ভাষা নির্ধারণ করার জন্য। অর্থাৎ, যে অঞ্চলে এই বিধি প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের প্রতিটি আদালতে কোন ভাষা ব্যবহার হবে তা সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:-
- এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 558- Power to decide language of Courts:
- The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
২৭১.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে C.R Case এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে
  2. সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
  3. এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জি.আর ও সি.আর মামলা:
বাংলাদেশে ফৌজদারি মামলা সাধারণত দুইভাবে রুজু হয়—জি.আর (জেনারেল রেজিস্ট্রার) মামলা ও সি.আর (কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার) মামলা।

জি.আর মামলা:
যে মামলা থানায় সরাসরি অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে শুরু হয়, তাকে জি.আর মামলা বলা হয়। এটি সাধারণত আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী থানায় দায়ের করা হয়।
⇒ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৫৬ ধারা অনুযায়ী তদন্ত সম্পন্ন করেন।
⇒ অভিযোগের সত্যতা না পেলে ১৬৯ ধারার বিধান অনুসারে ১৭৩ ধারায় আদালতে রিপোর্ট পেশ করেন।
⇒ অভিযোগ সত্য হলে ১৭০ ধারার বিধান অনুসারে ১৭৩ ধারায় রিপোর্ট পেশ করে চার্জশিট দাখিল করা হয়।
⇒ পুলিশ কাউকে অব্যাহতির সুপারিশ করলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের হাতে থাকে।

সি.আর মামলা (নালিশী মামলা):
যদি থানায় মামলা গ্রহণ না করা হয়, তবে সরাসরি আদালতে গিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(জ) ধারায় সি.আর মামলা বা নালিশী মামলা দায়ের করা যায়।
⇒ আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
⇒ আমলি ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের জন্য পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিতে পারেন।
⇒ অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
২৭২.
রাষ্ট্রদ্রোহিতা সংক্রান্ত অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে-
  1. আদালতের স্বপ্রণোদিত আদেশে
  2. ব্যক্তিগত অভিযোগের ভিত্তিতে
  3. পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে
  4. সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবে না।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।
২৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তিদের একসঙ্গে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে?
  1. যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত
  2. যারা সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত
  3. যারা একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, যেগুলি একসঙ্গে ঘটেছে
  4. উপরের সব
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারার বিধান নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের একসঙ্গে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে:
(ক) যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত এবং সেই অপরাধ একই লেনদেনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(খ) যারা এক অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা সেই অপরাধে সহায়তা করার জন্য বা সেই অপরাধ করার চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(গ) যারা একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, যেগুলি ধারা ২৩৪ অনুযায়ী একসঙ্গে এক বছর সময়সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(ঘ) যারা বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত, যা একই লেনদেনের মধ্যে ঘটেছে।
(ঙ) যারা চুরি, দখলদারি, বা অপরাধমূলকভাবে সম্পত্তি দখলের জন্য অভিযুক্ত, এবং যারা সেই অপরাধের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি গ্রহণ, সংরক্ষণ, বা রক্ষা করার জন্য অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(চ) যারা দণ্ডবিধির ধারা ৪১১ এবং ৪১৪ অনুযায়ী চুরির সম্পত্তি গ্রহণের জন্য অভিযুক্ত, যেখানে সেই সম্পত্তির মালিকানা এক অপরাধে স্থানান্তরিত হয়েছে।
(ছ) যারা দণ্ডবিধির অধ্যায় ১২-এর আওতায় ভুয়া মুদ্রার সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা একই মুদ্রার সাথে সম্পর্কিত অন্য অপরাধে অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
এই শর্তগুলি পূর্বের অংশের বিধি অনুসারে প্রযোজ্য হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section- 239. What persons may be charged jointly:
The following persons may be charged and tried together, namely:- 
(a) persons accused of the same offence committed in the course of the same transaction; 
(b) persons accused of an offence and persons accused of abetment, or of an attempt to commit such offence; 
(c) persons accused of more than one offence of the same kind, within the meaning of section 234 committed by them jointly within the period of twelve months; 
(d) persons accused of different offences committed in the course of the same transaction; 
(e) persons accused of an offence which includes theft, extortion, or criminal misappropriation, and persons accused of receiving or retaining, or assisting in the disposal or concealment of, property possession of which is alleged to have been transferred by any such offence committed by the first-named persons, or of abetment of or attempting to commit any such last named offence; 
(f) persons accused of any offence under sections 411 and 414 of the Penal Code or either of those sections in respect of stolen property the possession of which has been transferred by one offence; and 
(g) persons accused of any offence under Chapter XII of the Penal Code relating to counterfeit coin, and persons accused of any other offence under the said Chapter relating to the same coin, or of abetment of or attempting to commit any such offence; 
and the provisions contained in the former part of this Chapter shall, so far as may be, apply to all such charges.
২৭৪.
Section 32(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898 allows Magistrates to:
  1. Refer sentencing to a higher court
  2. Impose only one type of sentence at a time
  3. Combine any lawful sentences authorized by law
  4. Increase the punishment beyond authorized limits
ব্যাখ্যা
Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
২৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারার অধীন জবানবন্দি গ্রহণ করার সময় কোন প্রকার প্রলোভন দেখাবেন না-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. কর্তৃত্বসম্পন্ন অন্য ব্যক্তি
  3. ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৩ অনুযায়ী পুলিশ অফিসার অথবা কর্তৃত্বসম্পন্ন অন্য ব্যক্তি ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রকার প্রলোভন, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দিবেন না।

• তাছাড়া তদন্ত চলার সময় কোন ব্যক্তি তাহার স্বাধীন ইচ্ছায় কোন বিবৃতি দিতে চাইলে অফিসার বা অপর কেউ তাকে হুঁশিয়ারি দ্বারা বা অন্য কোনভাবে বারণ করবেন না।
২৭৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে-
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
  2. অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন
  3. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  4. অভিযুক্তকে জামিন দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০),
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
২৭৭.
রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় আদালত কোন শর্তে পক্ষকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে পারে?
  1. যখন মামলাটি গুরুতর হয়
  2. যখন অভিযুক্ত আবেদন করে
  3. যখন আদালত উপযুক্ত মনে করে
  4. যখন উকিল উপস্থিত থাকে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).

২৭৮.
যে ফৌজদারি মামলায় দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত থাকে এবং এক বা একাধিক অভিযুক্ত অনুপস্থিত থাকে, এক্ষেত্রে আদালত-
  1. অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে, অভিযুক্তকে হাজিরা থেকে মুক্তি দিতে পারে
  2. মামলার অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন
  3. মামলার পরবর্তী পর্যায়ে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
২৭৯.
Code of Criminal Procedure এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
  2. ভূমি বিরোধজনিত দাঙ্গার শায়েস্তা
  3. হরতালজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
  4. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
ব্যাখ্যা
• ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)-

স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
> ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
> ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
> ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে।

অন্যথায়, ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
২৮০.
ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অভিযুক্তকে একসাথে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেন।

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এমর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings

(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
২৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অধিকতর অনুসন্ধান বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দানের ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ৩৭৪
  2. ৩৭৫
  3. ৩৭৬
  4. ৩৭৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
-হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।
 -------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken:
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
২৮২.
বাংলাদেশের কোন নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে তাকে বাংলাদেশের আইনের অধীনে বিচার করা যেতে পারে যদি —
  1. সে সরকারকে নিজে থেকে জানায়
  2. অন্য দেশ থেকে অভিযোগ আনে
  3. সে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বা পাওয়া যায়
  4. বাংলাদেশি কূটনীতিক অনুমোদন দেয়
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশের কোন নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে তাকে বাংলাদেশের আইনের অধীনে বিচার করা যেতে পারে যদি সে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বা পাওয়া যায়।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ তে বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে।
- এই ধারা অনুসারে, যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমানার বাইরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে;অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে টা যেখানেই থাকুক না কেন, কোন অপরাধ করে ;তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেই স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধরে নিয়ে সেই মোতাবেক বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- এই সকল অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪ ধারা একত্রে মিলিয়ে পড়তে হয়। দণ্ডবিধির ৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে দণ্ডবিধির ব্যাপ্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
---------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
 When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.
২৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতার করার সময় স্পর্শ করার প্রয়োজন নেই যদি-
  1. কোর্ট থেকে অনুমতি না আসে।
  2. আসামি পালানোর চেষ্টা করে।
  3. পুলিশ কর্মকর্তার ইচ্ছা না থাকে।
  4. আসামি স্বেচ্ছায় হেফাজতে যাওয়ার জন্য সম্মতি দেয়।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
 গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।
⇒ পুলিশ বা অন্য যিনি গ্রেফতার করবেন, তাকে সরাসরি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শরীরে স্পর্শ করতে হবে বা তাকে আটক করতে হবে। তবে, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি নিজের ইচ্ছায় কথা বা কাজের মাধ্যমে হেফাজতে যেতে সম্মতি দেয়, তাহলে স্পর্শ করা প্রয়োজন নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান গ্রেফতারের পদ্ধতি:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ: এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46. Arrest how made:
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- Resisting endeavour to arrest:
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with 71[transportation for life].
২৮৪.
হাইকোর্ট বিভাগের হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ কোন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অপ্রযোজ্য?
  1. বেআইনীভাবে আটককৃত
  2. বিনা পরোয়ানায় আটককৃত
  3. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটককৃত
  4. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটককৃত
ব্যাখ্যা
• যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট পিটিশন দায়ের করা যায়। হাজির রিটের ক্ষেত্রে আদালত বেআইনীভাবে আটককৃত কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে তার নিজের সন্তুষ্টির জন্য যে উক্ত ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে আটক রাখা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষ উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যাখা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। 
 
• ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
 
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
 
(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
 
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
২৮৫.
বাংলাদেশে কোন দুই প্রকার ফৌজদারি আদালত আছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট ও দায়রা আদালত
  2. সুপ্রিম কোর্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. দায়রা আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. জেলা জজ আদালত এবং সহকারি জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
২৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, একই বিষয়ে পরবর্তী দেওয়ানি মামলায় পূর্বে প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ বিবেচনায় নেওয়া হবে?
  1. ধারা ৫৪৭
  2. ধারা ৫৪৬
  3. ধারা ৫৪৪
  4. ধারা ৫৪৩
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ অনুযায়ী, যদি কোনো অপরাধসংক্রান্ত বিষয়ে পূর্বে ধারা ৫৪৫-এর অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদান বা আদায় করা হয়ে থাকে, তবে সেই একই বিষয়ে পরবর্তী কোনো দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের সময় আদালত অবশ্যই পূর্বের সেই অর্থপ্রদানকে বিবেচনায় নেবে।
 অর্থাৎ, একবার ক্ষতিপূরণ প্রদান হয়ে গেলে, ভবিষ্যতে দেওয়ানি আদালত যাতে একই ক্ষতির জন্য আবার অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ না দেয় – তা নিশ্চিত করতেই এই বিধান।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬- টাকা প্রদান পরবর্তী দেওয়ানি মামলায় বিবেচনা করতে হবে:
- একই বিষয়ে পরবর্তী কোন দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ দানের সময় ৫৪৫ ধারার অধীন ক্ষতিপূরণ স্বরূপ কোন পরিমাণ অর্থ দেয়া বা আদায় হয়ে থাকলে আদালত তা হিসাবে ধরবেন।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 546-payments to be taken into account in subsequent suit:
At the time of awarding compensation in any subsequent civil suit relating to the same matter, the Court shall take into account any sum paid or recovered as compensation under section 545.
২৮৭.
দেওয়ানি কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে স্থানান্তর করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. যেকোনো দেওয়ানি আদালতের
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের
  3. দণ্ড আদেশদানকারী আদালতের
  4. যেকোনো ফৌজদারি আদালতের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪১- কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা:

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানি কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানি কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানি জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-
(ক) ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানি জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারি জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
২৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুসারে, পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় - 
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনামূলক। যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হলে:
- যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন; যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয়; অথবা
- দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।

২৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(৫) ধারায়, যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত না হন, তবে তদন্ত কত দিনের মধ্যে শেষ না হলে আসামি জামিনে মুক্তি পাবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(৫) ধারায়, যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত না হন, তবে তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে আসামি জামিনে মুক্তি পাবে। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং
খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-167:
(5) If the investigation is not concluded within one hundred and twenty days from the date of receipt of the information relating to the commission of the offence or the order of the Magistrate for such investigation- 
(a) the Magistrate empowered to take cognizance of such offence or making the order for investigation may, if the offence to which the investigation relates is not punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Magistrate; and 
(b) the Court of Session may, if the offence to which the investigation relates is punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Court: 
Provided that if an accused is not released on bail under this subsection, the Magistrate or, as the case may be, the Court of Session shall record the reasons for it: 
Provided further that in cases in which sanction of appropriate authority is required to be obtained under the provisions of the relevant law for pthe rosecution of the accused, the time taken for obtaining such sanction shall be excluded from the period specified in this sub-section.
২৯০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না সাক্ষ্য আইনের –
  1. ৩২ (১) ধারায়
  2. ২৭ ধারার জন্য
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦১৬২ ধারার মূল কথা হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারার কোন সাক্ষীর জন্য লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে তা তদন্তাধীন কোন অপরাধ সম্পর্কে কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু এই নিয়মটি সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) এবং ২৭ ধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
♦অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা হলে বা পুলিশের নিকট প্রদত্ত বক্তব্য অনুযায়ী কোন বিষয় উদ্ঘাটন হলে সেই বক্তব্য তদন্ত বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে।
২৯১.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে Judicial Magistrate কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬(৩) অনুসারে Judicial Magistrate বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মোট চার প্রকার (চার শ্রেণির):
১. মেট্রোপলিটন এলাকায় - চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায় - চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (মেট্রোপলিটন এলাকায় যাদের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলা হয়)।
৩. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
৪. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট

- ধারা ৬(৩)-এর ব্যাখ্যা (Explanation) অংশে আরও উল্লেখ আছে যে "চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" পদগুলোতে তাদের "অতিরিক্ত" (Additional) পদধারী ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত হন।
সুতরাং, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মোট ৪ প্রকার।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(ক) দায়রা আদালত; এবং
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; সুপ্রিম
(ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(ক) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section-6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

২৯২.
একজন ব্যক্তি পুলিশের সামনে একটি আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করল, কিন্তু নিজের নাম-ঠিকানা বলতে অস্বীকৃতি জানাল। এক্ষেত্রে পুলিশ-
  1. তাকে জরিমানা করবেন
  2. অন্য কোনো অফিসারের মাধ্যমে তদন্ত করবেন
  3. কোর্টের নির্দেশ ছাড়া তাকে আটক রাখতে পারবে না
  4. প্রকৃত নাম-ঠিকানা জানার জন্য তাকে গ্রেফতার করতে পারবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান- নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
২৯৩.
মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র ম্যাজিস্ট্রেট আমলে নিয়ে যদি দেখে যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তি আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?
  1. শাস্তি দিবেন
  2. চার্জ গঠন করবেন
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন
  4. মামলার রায় দিবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০);
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

Section 242- Charge to be framed:
If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
২৯৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৭(২) অনুযায়ী যদি তদন্তে দেখা যায় যে আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই কিন্তু আরও তদন্ত প্রয়োজন, তখন কী হবে?
  1. আসামিকে শাস্তি দেওয়া হবে
  2. আসামিকে জামিন দেওয়া যাবে
  3. আসামিকে জামিন দেওয়া যাবে না
  4. আসামিকে অবশ্যই কারাগারে রাখতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৭(২) অনুসারে, যদি তদন্তের কোন পর্যায়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বা আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, আসামি জামিন অযোগ্য (নন-বেইলেবল) অপরাধ করেছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই, কিন্তু তার অপরাধ সম্পর্কে আরও তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ আছে, তাহলে আসামিকে সেই তদন্ত চলাকালীন জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
এক্ষেত্রে আদালত বা কর্মকর্তা নিজ বিবেচনায় তাকে বিনা জামানতে (কেবল নিজের বন্ডে) কিংবা জামানতসহ জামিন দিতে পারেন।
- সুতরাং, ধারা ৪৯৭(২) এর শর্ত পূরণ হলে জামিন দেওয়া একটি স্পষ্ট বিধান।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 497.When bail may be taken in case of non-bailable offence:
(1) When any person accused of any non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, he may be released on bail, but he shall not be so released if there appear reasonable grounds for believing that he has been guilty of an offence punishable with death or transportation for life: 
Provided that the Court may direct that any person under the age of sixteen years or any woman or any sick or infirm person accused of such an offence be released on bail. 
(2) If it appears to such officer or Court at any stage of the investigation, inquiry or trial, as the case may be, that there are not reasonable grounds for believing that the accused has committed a non-bailable offence, but that there are sufficient grounds for further inquiry into his guilt, the accused shall, pending such inquiry, be released on bail, or, at the discretion of such officer or Court, on the execution by him of a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided. 
(3) An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing. 
(4) If, at any time after the conclusion of the trial of a person accused of a non-bailable offence and before judgment is delivered, the Court is of opinion that there are reasonable grounds for believing that the accused is not guilty of any such offence, it shall release the accused, if he is in custody on the execution by him of a bond without sureties for his appearance to hear judgment delivered. 
(5) The High Court Division or Court of Session and, in the case of a person released by itself, any other Court may cause any person who has been released under this section to be arrested and may commit him to custody.

২৯৫.
ফরিয়াদী কত দিনের মধ্যে দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:
 
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
 
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
২৯৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১২৫ ধারায় কাকে সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. ক এবং খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৫: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যথাযথ কারণ প্রদর্শন সাপেক্ষে, যেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে, যে কোনো সময় তার অধিক্ষেত্রের অধীন কোনো আদালত কর্তৃক এই অধ্যায়ের অধীনে শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের জন্য সম্পাদিত কোনো মুচলেকা বাতিল করতে পারেন, যদি সংশ্লিষ্ট আদালত তার আদালতের চেয়ে উচ্চতর না হয়।

Section 125- Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
২৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট কয়টি কলাম রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮টি কলাম রয়েছে। এই কলামগুলো বিচার প্রক্রিয়া, পুলিশি ক্ষমতা, জামিন, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
- ১ম কলামে উল্লেখ থাকে দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে।
- ২য় কলামে লেখা থাকে সেই ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
- ৩য় কলামে বলা হয়, পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ এটি আমলযোগ্য (Cognizable) না আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।
- ৪র্থ কলামে বলা থাকে, প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট, তা নির্ধারণ করা হয়।
- ৫ম কলামে উল্লেখ থাকে অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) না জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।
- ৬ষ্ঠ কলামে বলা হয় অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না — অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলেই কি সেটি মিটমাট করে নিতে পারে।
- ৭ম কলামে উল্লেখ থাকে সংশ্লিষ্ট ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ।
- ৮ম তথা শেষ কলামে বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের আছে।

২৯৮.
অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে
  2. ৬০ দিনের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল-
 
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
 
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
২৯৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় ফৌজদারী আদালতসমূহের শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:

(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
৩০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা কোন বিষয়ে বিশেষ বিধান প্রদান করে?
  1. হত্যার অপরাধ
  2. চুরির অপরাধ
  3. জালিয়াতির অপরাধ
  4. স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ স্বামীর দ্বারা স্ত্রীর সঙ্গে সংঘটিত যৌন সম্পর্ক সংক্রান্ত ধর্ষণের অভিযোগে বিশেষ বিধান প্রদান করে। এই ধারা অনুযায়ী, সাধারণ ম্যাজিস্ট্রেট এ ধরনের অভিযোগ আমলে নিতে পারেন না এবং কেবল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-ই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা: স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 561. Special provisions with respect to offence of rape by a husband:
(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall– 
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or 
(b) send the man for trial for the offence. 
(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.