বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ২৮ / ২৯ · ২,৭০১২,৮০০ / ২,৮৮৩

২,৭০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯ অনুযায়ী সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. মুক্তি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. অব্যাহতি পাবে
  4. সাজা পাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।

- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-169: Release of accused when evidence deficient:
-If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police-station or to the police-officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate, such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report and to try the accused or send him for trial.
২,৭০২.
'Any accused person of an offence shall be a competent witness for the defence.' ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় এই বিধান রয়েছে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৪৪০ ধারায়
  4. ৪৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজ পক্ষে উপযুক্ত সাক্ষী (competent witness for the defence) হওয়ার অধিকার দেয়া হয়েছে।
 
উক্ত ধারায় বলা হয়েছে-
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
 
তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবেনা।
 
Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 

Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
২,৭০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা 'nemo debet bis vexari' নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. ৪০২
  2. ৪০৩
  3. ৪০১
  4. ৪০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।
২,৭০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারা কী বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি
  2. নতুন তদন্তের পদ্ধতি
  3. যৌথভাবে অভিযোগ ও বিচারের শর্ত
  4. একক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যৌথভাবে অভিযোগ ও বিচারের শর্ত।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারা আদালতকে অনুমতি দেয় একই লেনদেনে সংঘটিত অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একসঙ্গে অভিযোগ গঠন এবং একত্রে বিচার করার। এতে যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত বা সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত, অথবা একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, তারা একসঙ্গে বিচার হতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৯ ধারার বিধান নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের একসঙ্গে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে:
(ক) যারা একই অপরাধে অভিযুক্ত এবং সেই অপরাধ একই লেনদেনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(খ) যারা এক অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা সেই অপরাধে সহায়তা করার জন্য বা সেই অপরাধ করার চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(গ) যারা একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত, যেগুলি ধারা ২৩৪ অনুযায়ী একসঙ্গে এক বছর সময়সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
(ঘ) যারা বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত, যা একই লেনদেনের মধ্যে ঘটেছে।
(ঙ) যারা চুরি, দখলদারি, বা অপরাধমূলকভাবে সম্পত্তি দখলের জন্য অভিযুক্ত, এবং যারা সেই অপরাধের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তি গ্রহণ, সংরক্ষণ, বা রক্ষা করার জন্য অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
(চ) যারা দণ্ডবিধির ধারা ৪১১ এবং ৪১৪ অনুযায়ী চুরির সম্পত্তি গ্রহণের জন্য অভিযুক্ত, যেখানে সেই সম্পত্তির মালিকানা এক অপরাধে স্থানান্তরিত হয়েছে।
(ছ) যারা দণ্ডবিধির অধ্যায় ১২-এর আওতায় ভুয়া মুদ্রার সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত এবং যারা একই মুদ্রার সাথে সম্পর্কিত অন্য অপরাধে অভিযুক্ত, অথবা সেই অপরাধের সহায়তা বা চেষ্টা করার জন্য অভিযুক্ত।
এই শর্তগুলি পূর্বের অংশের বিধি অনুসারে প্রযোজ্য হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section- 239. What persons may be charged jointly:
The following persons may be charged and tried together, namely:- 
(a) persons accused of the same offence committed in the course of the same transaction; 
(b) persons accused of an offence and persons accused of abetment, or of an attempt to commit such offence; 
(c) persons accused of more than one offence of the same kind, within the meaning of section 234 committed by them jointly within the period of twelve months; 
(d) persons accused of different offences committed in the course of the same transaction; 
(e) persons accused of an offence which includes theft, extortion, or criminal misappropriation, and persons accused of receiving or retaining, or assisting in the disposal or concealment of, property possession of which is alleged to have been transferred by any such offence committed by the first-named persons, or of abetment of or attempting to commit any such last named offence; 
(f) persons accused of any offence under sections 411 and 414 of the Penal Code or either of those sections in respect of stolen property the possession of which has been transferred by one offence; and 
(g) persons accused of any offence under Chapter XII of the Penal Code relating to counterfeit coin, and persons accused of any other offence under the said Chapter relating to the same coin, or of abetment of or attempting to commit any such offence; 
and the provisions contained in the former part of this Chapter shall, so far as may be, apply to all such charges.
২,৭০৫.
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন দিতে পারে কে?
  1. আদালত
  2. পুলিশ
  3. ক বা খ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• পুলিশের হেফাজত হতে মুক্তি দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট দিনে এবং সময়ে আদালতে হাজিরা শর্তে জামিনদারের নিকট সমর্পণ করাকেই জামিন বলে।

ধারা ৪৯৬- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:

- ৪৯৬ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি জামিনযোগ্য অপরাধে আটক হয় অথবা তাকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়, তাহলে তাকে পুলিশ বা যে আদালতে হাজির করা হবে সেই পুলিশ বা আদালত উক্ত আটক ব্যক্তিকে জামিন দিবে (Shall be released on bail)

- ৪৯৬ ধারায় Shall শব্দটি ব্যবহার করায়, এই ধারার অধীন জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার এবং জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (Imperative)। জামিনযোগ্য মামলায় জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির অধিকার।
২,৭০৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২২ ধারা অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে আপিলের নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আপিল করা হলে
  2. সংক্ষেপে বাতিল হওয়া আপিলের ক্ষেত্রে
  3. ধারা ৪১৭ অনুযায়ী আপিলের ক্ষেত্রে
  4. ধারা ৪১৭ক অনুযায়ী আপিলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২২- আপিলের নোটিশ (Notice of Appeal):
যদি আপিল আদালত (Appellate Court) কোনো আপিল সংক্ষেপে বাতিল না করে, তবে আদালত নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের নোটিশ দেওয়ার ব্যবস্থা করবে:
- আপিলকারী (Appellant) অথবা তার আইনজীবী;
- যে কর্মকর্তা সরকার এই উদ্দেশ্যে নিয়োগ করবে।

নোটিশে আপিল শোনার সময় ও স্থান উল্লেখ থাকবে। সেই কর্মকর্তা চাইলে আদালত তাকে আপিলের ভিত্তি (grounds of appeal) এর কপি সরবরাহ করবে। আর যদি আপিল ধারা ৪১৭ অনুযায়ী হয়, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও (Accused) নোটিশ প্রদান করতে হবে।

২,৭০৭.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষ সম্পর্কিত ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা কত?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা মতে কোন থানার স্থানীয় সীমার মধ্যে মিথ্যা ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি রক্ষিত থাকলে, ঐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশীর জন্য বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষা: (১) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে মনে করেন যে, তাঁর থানার সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জায়গায় এরূপ ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় বা রক্ষিত হয়, যা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি ওজন, পরিমাণ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশির লক্ষ্যে বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে ঢুকতে পারবেন।

(২) উক্ত স্থানে তিনি যদি এরূপ কোন বাটখারা, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, যাহা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি তা আটক করতে পারবেন এবং সাথে সাথে অধিক্ষেত্রসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর উক্ত আটকের সংবাদ দিবেন।

-------------------------
♦ Section 153. Inspection of weights and measures: (1) Any officer in charge of a police- station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false.

(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
২,৭০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারায় আসামীকে কোন প্রকার শপথ করানো যাবে না কথাটি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৪০
  2. ৩৪১
  3. ৩৪২
  4. ৩৪৩
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৩৪২(৪) ধারায় (আসামীকে পরীক্ষা করার ক্ষমতা)  আসামীকে কোন প্রকার শপথ করানো যাবে না কথাটি উল্লেখ আছে।
২,৭০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার অনুযায়ী অধীনস্থ আদালতের মামলার নথি পর্যালোচনাকালীন হাইকোর্ট বিভাগ কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
  2. আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  3. আসামিকে নিজ মুচলেকায় মুক্তি দিতে পারে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
-ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
---------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:-
-(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.
২,৭১০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনদার কখন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জামিননামা বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারেন?
  1. যে কোনো সময়
  2. আসামি পলাতক হলে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পর
  4. আসামি দণ্ডিত হলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody. 
২,৭১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৭ম কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি
  2. যে আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য
  3. আমলযোগ্য নাকি আমল-অযোগ্য অপরাধ
  4. জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য অপরাধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

-দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২,৭১২.
"অভিযোগ" (Complaint) বলতে কী বোঝায়?
  1. পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
  2. আদালতে দায়েরকৃত মামলার চার্জশিট
  3. সরকারি উকিলের দাখিলকৃত প্রতিবেদন
  4. আদালতে করা মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) আদালতে করা মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(h) অনুযায়ী:
"অভিযোগ (Complaint)" বলতে বোঝায় এমন একটি মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ, যা কোনো ব্যক্তি আদালতের (ম্যাজিস্ট্রেটের) কাছে করে এই উদ্দেশ্যে যে, আদালত যেন সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেয়।
- তবে এটি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, "অভিযোগ" বলতে পুলিশের রিপোর্ট বোঝানো হয় না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-4 (1)(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer

২,৭১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯ অনুযায়ী, সাধারণত সাক্ষ্য কীভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়?
  1. বিবরণ আকারে
  2. প্রশ্নোত্তর আকারে
  3. সংক্ষিপ্ত টীকা আকারে
  4. অডিও রেকর্ডিং আকারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি-
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 359: Mode of recording evidence-
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion, take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
২,৭১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশি কার্যক্রমে সাক্ষী কে হতে হবে?
  1. সংশ্লিষ্ট থানার ওসি
  2. আসামির আত্মীয়
  3. যেকোনো ব্যক্তিকে
  4. সংশ্লিষ্ট এলাকার গণ্যমান্য বাসিন্দা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশী কার্যক্রমের আগে তল্লাশি করার স্থান সম্পর্কিত এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

২,৭১৫.
দায়রা আদালতের প্রত্যেকটি বিচারে পাবলিক প্রসিকিউটর কার পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. অভিযােগকারীর
  2. অভিযুক্তের
  3. যার পক্ষে প্রসিকিউটর মামলা পরিচালনা করতে ইচ্ছুক
  4. আদালত যার পক্ষে পরিচালনার আদেশ দেন
ব্যাখ্যা
• দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• কে মামলা পরিচালনা করবে-
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

Who Conduct the Trial-
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
২,৭১৬.
যুগ্ম দায়রা জজ আদালত হতে একটি মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন সংশ্লিষ্ট-
  1. দায়রা জজ
  2. বিভাগীয় জজ
  3. স্পেশাল জজ
  4. জেলা জজ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৮ ধারার বিধান দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছ হতে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেনঃ (১) দায়রা জজ তাঁর অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।
(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এমর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিস্ট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

(৫) কোন ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার অধীন কোন আদেশ দেবার সময় তার এরূপ আদেশ প্রদানের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।


♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৮ ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ তার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজের নিকট হতে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে পারবেন।

-------------------------------------------------------------------------------------------------
Sessions Judge may withdraw cases from Assistant Sessions Judge.
528.(1) Any Sessions Judge may withdraw any case from, or recall any case which he has made over to, any [Joint] Sessions Judge subordinate to him. 
  
(1A) At any time before the trial of the case or the hearing of the appeal has commenced before the Additional Sessions Judge, any Sessions Judge may recall any case or appeal which he has made over to any Additional Sessions Judge. 
 
(1B) Where a Sessions Judge withdraws or recalls a case under sub-section (1) or recalls a case or appeal under sub-section (IA), he may either try the case in his own Court or hear the appeal himself, or make it over in accordance with the provisions of this Code to another Court for trial or hearing, as the case may be.
২,৭১৭.
অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষ স্বীকারমূলক জবানবন্দী নিম্নের কে রেকর্ড করতে পারে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ (১) ধারা অনুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং এই বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এ ধরনের জবানবন্দি তদন্ত বা অনুসন্ধানকালে বা বিচার শুরু হওয়ার আগে বা পরে যেকোনো সময়  করা যাবে। তবে লিপিবদ্ধকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অপরাধ বিচারের এখতিয়ার এখানে বিবেচ্য হবে না।

কার্যবিধির ১৬৪(৩) ধারায় বলা হয়েছে, জবানবন্দির পূর্বেই ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জানাবেন যে, তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নন এবং স্বীকারোক্তি দিলে তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় হচ্ছে বলে যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস না করা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট তা লিপিবদ্ধ করবেন না। উপরোক্ত বিষয়গুলো পালন করা হয়েছে মর্মে একটি স্মারক মন্তব্য ম্যাজিস্ট্রেট উল্লেখ করবেন। অতঃপর সেই জবানবন্দি ঘটনা সম্পর্কে যিনি অনুসন্ধান করবেন বা বিচার করবেন তার কাছে পাঠাবেন।

ম্যাজিস্ট্রেটকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারার নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এই ধারা অনুযায়ী আসামিকে জিজ্ঞাসিত প্রতিটি প্রশ্ন জবাবসহ সমগ্র জবানবন্দি আসামি যে ভাষায় বলবে বা আদালতের ভাষায় লিপিবদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পড়ে শুনাবেন। জবানবন্দি আসামির বোধগম্য ভাষায় লিখিত না হলে সারমর্ম বুঝিয়ে দেবেন। জবানবন্দির সত্যতা স্বীকার করলে আসামি এবং ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সেটাতে সই করবেন। এছাড়া উপরোক্ত বিষয় প্রতিপালন হয়েছে মর্মে ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয়ন করবেন।
২,৭১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(h) অনুসারে “complaint” এর সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ
  2. পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট 
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত অভিযোগ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হবে – খ) পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(h) অনুযায়ী “অভিযোগ” (Complaint) বলতে বোঝায়— ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক বা লিখিতভাবে দাখিলকৃত অভিযোগ, যার মাধ্যমে অভিযোগকারী জানায় যে কোনো ব্যক্তি (চেনা বা অচেনা) অপরাধ করেছে এবং উদ্দেশ্য থাকে ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে উদ্বুদ্ধ করা। তবে এই সংজ্ঞার মধ্যে পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, মৌখিক অভিযোগ কিংবা লিখিত অভিযোগ সবই “অভিযোগ”-এর মধ্যে পড়ে, কিন্তু পুলিশ রিপোর্ট কখনোই “অভিযোগ” হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(h) অনুযায়ী:
"অভিযোগ (Complaint)" বলতে বোঝায় এমন একটি মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ, যা কোনো ব্যক্তি আদালতের (ম্যাজিস্ট্রেটের) কাছে করে এই উদ্দেশ্যে যে, আদালত যেন সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপ নেয়।
- তবে এটি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, "অভিযোগ" বলতে পুলিশের রিপোর্ট বোঝানো হয় না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-4 (1)(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer.

২,৭১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন মুচলেকার মেয়াদের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর
  2. অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর
  3. রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর
  4. ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ-
 
ধারা ১০৬:
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর
 
ধারা ১০৭:
দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।
 
ধারা ১০৮:
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।
 
ধারা ১০৯:
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর
 
ধারা ১১০:
অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর
২,৭২০.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে অভিযুক্ত খালাস পাবে?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক যেকোন সময় মামলা প্রত্যাহার করলে
  2. অভিযোগ প্রণয়নের পর পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে
  3. অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করলে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৪- মামলা প্রত্যাহারের ফল

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন; এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-

(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
২,৭২১.
Which one of the following provisions of Criminal Procedure Code provides that no court shall alter the Judgement after it has been signed?
  1. Section 368(1)
  2. Section 368(2)
  3. Section 369
  4. Section 372
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৬৯ অনুযায়ী এই কোড বা অন্য কোনো প্রচলিত আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকলে, কোনো আদালত তার রায়ে স্বাক্ষর করার পরে সেই রায় পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করতে পারবে না, শুধুমাত্র টাইপিং বা লিপিগত ভুল (clerical error) সংশোধনের জন্য ছাড়া।
- এটি "রায়ের চূড়ান্ততা নীতি" (Doctrine of Finality of Judgment) হিসেবে পরিচিত, যা আদালতকে রায় স্বাক্ষরের পর তা পরিবর্তন থেকে বিরত রাখে।
- অর্থাৎ, কোনো আদালত একবার তার রায় স্বাক্ষর করার পর তা আর পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করতে পারবে না। তবে, আদালত শুধুমাত্র clerical error (লেখার ভুল বা টাইপের ভুল) সংশোধন করতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 369.Court not to alter judgment:
 Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.

২,৭২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় অপরাধের আপস মীমাংসা কী বলে গণ্য হবে?
  1. অভিযুক্তের দণ্ড
  2. অভিযুক্তের মুক্তি
  3. অভিযুক্তের খালাস
  4. অভিযুক্তের অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।

⇒৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
-প্রতিকার-
-যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
--------------------
⇒ Section 345(6) The composition of an offence under this section shall have the effect of an acquittal of the accused with whom the offence has been compounded.
২,৭২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারার বিধান-
  1. Power of Appellate Division to transfer cases and appeals
  2. High Court Division may transfer case or itself try it
  3. Power of Sessions Judge to transfer cases
  4. Power to appoint Public Prosecutors
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কে মামলা স্থানান্তর এর ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
 
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগ মামলা স্থানান্তর করতে পারবেন বা স্বয়ং এর বিচার করতে পারবেন (High Cour Division may transfer case or itself try it)
 
- হাইকোর্ট কোন মামলা বা আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন ফৌজদারি স্বয়ং হাইকোর্ট বা দায়রা আদালতে হস্তান্তর বা প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারে।ধারা- ৫২৬(১)
 
- নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ এরূপ আদেশ দিতে পারে; যথা-
১) ন্যায়সংগত ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান বা বিচার পাওয়া যাবে না, অথবা
২) কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা আছে, অথবা
৩) যে স্থানে বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। 
৪) পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগণের সাধারণভাবে সুবিধা হবে।
৫) ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে [ধারা- ৫২৬(১)]
-------------------------------
CrPC Section 526. High Court Division may transfer case or itself try it:
(1) Whenever it is made to appear to the High Court Division-
(a) that a fair and impartial inquiry or trial cannot be had in any Criminal Court subordinate thereto, or
(b) that some question of law of unusual difficulty is likely to arise, or
(c) that a view of the place in or near which any offence has been committed may be required for the satisfactory inquiry into or trial of the same, or
(d) that an order under this section will tend to the general convenience of the parties or witnesses, or
(e) that such an order is expedient for the ends of justice, or is required by any provision of this Code; it may order-
 
(i) that any offence be inquired into or tried by any Court not empowered under sections 177 to [183] (both inclusive), but in other respects competent to inquire into or try such offence;
(ii) that any particular case or appeal, or class of cases or appeals, be transferred from a Criminal Court subordinate to its authority to any other such Criminal Court of equal or superior jurisdiction;
(iii) that any particular case or appeal be transferred to and tried before itself; or
(iv) that an accused person be sent for trial to itself or to a Court of Session.
 
(2) When the High Court Division withdraws for trial before itself any case from any Court it shall observe in such trial the same procedure which that Court would have observed if the case had not been so withdrawn.
(3) The High Court Division may act either on the report of the lower Court, or on the application of a party interested, or on its own initiative:
Provided that no application shall lie to the High Court Division for transferring a case from one Criminal Court to another Criminal Court in the same sessions division, unless an application for such transfer has been made to the Sessions Judge and rejected by him.
 
(4) Every application for the exercise of the power conferred by this section shall be made by motion, which shall, except when the applicant is the Attorney-General, be supported by affidavit or affirmation.
 
(5) When an accused person makes an application under this section, the High Court Division may direct him to execute a bond, with or without sureties, conditioned that he will, if so ordered, pay any amount which the High Court Division may under this section award by way of compensation to the person opposing the application.
২,৭২৪.
সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কার অধীনস্থ?
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

নির্বাহী, জুডিসিয়াল ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের অধীনতা (ধারা ১৭, The Code of Criminal Procedure, 1898)
(১) ধারা ১০ ও ১২(১)-এর অধীনে নিয়োজিত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময় সময় এই বিধান (Code) অনুযায়ী বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন, যাতে ওই ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কাজের বণ্টন নির্ধারিত হয়।

(২) ধারা ১১ ও ১২(৩)-এর অধীনে নিয়োজিত সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ১৫-এর অধীনে গঠিত সকল বেঞ্চ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সময় সময় এই বিধান এবং সরকারের দ্বারা ধারা ১৬-এর অধীনে প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন, যাতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলোর মধ্যে কাজের বণ্টন নির্ধারিত হয়।

(৩) ধারা ১২(৫)-এর অধীনে নিয়োজিত সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যার মধ্যে অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত) এবং ধারা ১৯-এর অধীনে গঠিত সকল বেঞ্চ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন। চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সময় সময় এই বিধান ও ধারা ১৬-এর অধীনে সরকারের প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন, যাতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলোর মধ্যে কাজের বণ্টন নির্ধারিত হয়।

(৪) সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ) দায়রা জজের অধীন হবেন; এবং সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ) মেট্রোপলিটন দায়রা জজের অধীন হবেন।

২,৭২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বিকল্প রায় (Judgment in Alternative) এর বিধান আছে?
  1. ৩৭১(৩)
  2. ৩৬৮(২)
  3. ৩৬৭(৩)
  4. ৩৬৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
-দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 367(3)- Judgment in alternative
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
২,৭২৬.
'The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive.'- ফৌজদারি কার্যবিধির নিম্নের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ৪৯৬ ধারায়
  2. ৪৯৭ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৪৯৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• 'The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case' অর্থাৎ 'প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না'- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় বলা আছে।

• ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
 
(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
২,৭২৭.
অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে দায়রা আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. অব্যাহতি দিতে পারে
  2. মুক্তি দিতে পারে
  3. খালাস দিতে পারে
  4. দণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে [Plea Of Guilty] দায়রা আদালত ২৬৫ঙ ধারায় অভিযুক্তকে দন্ডিত করতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-

> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ )

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেনা বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
২,৭২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোনটি নথিভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় নয়?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
  2. সাক্ষীদের বয়স
  3. অপরাধ সংঘটনের তারিখ
  4. চূড়ান্ত রায়ের তারিখ
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারা অনুসারে, সাক্ষীদের বয়স নথিভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় নয়।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৩ ধারা অনুসারে,সংক্ষিপ্ত বিচারের যে সকল মামলা আপিলযোগ্য নয়,সেই সকল মামলায় ম্যাজিস্ট্রেটের বা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার বা আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করার প্রয়োজন নাই,তবে তিনি বা তারা সরকার কর্তৃক নির্দেশিত ফরমে নিম্নলিখিত তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন:
(ক) ক্রমিক নম্বর;
(খ) অপরাধ সংঘটনের তারিখ;
(গ) এজহার বা নালিশের তারিখ:
(ঘ) ফরিয়াদির (যদি থাকে) নাম:
(ঙ) নাম, পিতার নাম ও বাসস্থান;
(চ) নালিশি অপরাধ এবং প্রমাণিত অপরাধ (যদি থাকে) এবং ২৬০ ধারার (১) উপধারার (ঘ), (ঙ) বা (ছ) শাখার অন্তর্ভুক্ত ক্ষেত্রে যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হইয়াছে, তার মূল্য;
(ছ) অভিযুক্তের বক্তব্য ও তার জবানবন্দি (যদি থাকে);
(জ) যা সাব্যস্ত করা হল তা এবং দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কারণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ;
(ঝ) দণ্ড বা অন্য চূড়ান্ত আদেশ; এবং
(ঞ) বিচার শেষ হবার তারিখ।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-263. Record in cases where is no appeal:
- In cases where no appeal lies, the Magistrate or Bench of Magistrates need not record the evidence of the witnesses or frame a formal charge; but he or they shall enter in such form as the Government may direct the following particulars:- 
(a) the serial number; 
(b) the date of the commission of the offence; 
(c) the date of the report or complaint; 
(d) the name of the complainant ( if any); 
(e) the name, parentage and residence of the accused; 
(f) the offence complained of and the offence (if any) proved, and in cases coming under clause (d), clause (e), clause (f) or clause (g) of sub-section (1) of section 260 the value of the property in respect of which the offence has been committed; 
(g) the plea of the accused and his examination (if any); 
(h) the finding, and, in the case of a conviction, a brief statement of the reasons therefor; 
(i) the sentence or other final order; and 
(j) the date on which the proceedings terminated.
২,৭২৯.
একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করা হবে?
  1. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. চীফ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৭: দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল-
যেকোন ব্যক্তি যিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরিচালিত বিচারে দোষী সাব্যস্ত হন, তিনি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর নিকট আপিল করতে পারবেন। চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সেই আপিল শুনে নিষ্পত্তি করতে পারেন অথবা তা যেকোন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে স্থানান্তর করে দিতে পারেন।

এছাড়াও, তিনি ইচ্ছা করলে পূর্বে স্থানান্তরিত আপিল পুনরায় নিজ দায়িত্বে নিতে (withdraw) পারেন।

২,৭৩০.
কোনো বিচারক বেঞ্চে শুনানি হলে এবং উক্ত বিচারকগণ তাঁদের অভিমতে সমানভাবে ভাগ হলে, সিদ্ধান্ত কীভাবে নেয়া হয়?
  1. প্রথমে যে বিচারক মতামত দেন, তার অভিমত অনুযায়ী
  2. বেঞ্চের প্রবীণতম বিচারকের অভিমত অনুযায়ী
  3. মতামতের জন্য অন্য বিচারক বরাবর দাখিল করতে হবে
  4. উল্লিখিত যেকোনো পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৮ মতানৈক্যের ক্ষেত্রে পদ্ধতিঃ

এরূপ কোন মামলা একাধিক বিচারক নিয়ে গঠিত কোন বেঞ্চে শুনানী হলে এবং উক্ত বিচারকগণ তাঁদের অভিমতে সমানভাবে ভাগ হলে তাঁদের অভিমতসহ অন্য একজন  বিচারক বরাবর দাখিল করতে হবে এবং তিনি যেরূপ সঠিক মনে করেন, শুনানীর পর সেরূপ তাঁর অভিমত প্রদান করবেন এবং রায় বা আদেশ তাঁর অভিমত অনুযায়ী হবে।

Section 378 (Procedure in case of difference of opinion)-

When any such case is heard before a bench of Judges and such Judges are equally divided in opinion, the case, with their opinions thereon, shall be laid before another Judge, and such Judge, after such hearing as he thinks fit shall deliver his opinion, and the judgment or order shall follow such opinion.
২,৭৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারা অনুসারে বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কোন কার্যক্রমের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. দণ্ড কার্যকর
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন।
-অর্থাৎ কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে তা জানাবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামী আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতিত অন্য যেকোন মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে।

-মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামীকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপীল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপীল করতে পারবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-371.
- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application:
(1) On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a 402[case under Chapter XX], be given free of cost. 

-Case of person sentenced to death:
(3) When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
২,৭৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ৫৪৮
  2. ৫৫৭
  3. ৫৫৮
  4. ৫৬১ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা: 
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
২,৭৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করা বা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ৫৩৯ ধারা
  2. ৫৩৯খ ধারা
  3. ৫৪০ ধারা
  4. ৫৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ অনুযায়ী কোনো তদন্ত, বিচার বা কার্যধারার যেকোনো পর্যায়ে, আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারেন, এমনকি যদি তিনি পূর্বে সমন না-ও হয়ে থাকেন, তবুও আদালত উপস্থিত ব্যক্তিকে জবানবন্দি দিতে বলতে পারেন, এবং যে ব্যক্তির সাক্ষ্য ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে পুনরায় তলব করে জেরা করা যেতে পারে, যদি আদালতের মতে, সেই সাক্ষ্য ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার ক্ষমতা:
এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোনোো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোনো ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দি গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন। 

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, -Section 540: Power to summon material witness or examine person present:
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
২,৭৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(৩) অনুযায়ী, বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি কীভাবে মামলা পরিচালনা করতে পারেন?
  1. ব্যক্তিগতভাবে
  2. অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
  4. 'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(৩) অনুযায়ী, “Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.”
- অর্থাৎ, যিনি বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনা করছেন, তিনি নিজে (ব্যক্তিগতভাবে) অথবা একজন অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে মামলাটি পরিচালনা করতে পারেন।
- তাই, সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' বা 'খ'। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.
২,৭৩৫.
একজন বিচারাধীন আসামী কোন ধারার বিধান অনুযায়ী তার defence-এর সমর্থনে সাক্ষী হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ৩৩৭
  2. ৩৩৮
  3. ৩৪০
  4. ৩৪২
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।

তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-

(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader.

(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings.

(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:

Provided that-
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or

(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.

২,৭৩৬.
বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কোন বিষয়ে অবহিত করবেন?
  1. দণ্ড কার্যকরের সময়সীমা সম্পর্কে
  2. আপিল বা রিভিশনের সময়সীমা সম্পর্কে
  3. দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি সম্পর্কে
  4. আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে
ব্যাখ্যা
• বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন।অর্থাৎ কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে তা জানাবেন।

• তামাদি আইন,১৯০৮ সালের ১ম তফসিলের বিধি ১৫০ অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মৃত্যুদণ্ড আদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ৭ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে।

Section 371- 
On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 
When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
২,৭৩৭.
FIR কার নিকট দায়ের করা যায়?
  1. স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিচারকারী আদালত
  3. স্থানীয় থানা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
FIR স্থানীয় থানার নিকট দায়ের করা হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।
২,৭৩৮.
‘আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার’ সংক্রান্ত বিধানটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আছে?
  1. 339A
  2. 339C
  3. 339B
  4. 339
ব্যাখ্যা
 ♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারাঃ ৩৩৯-খা(১) মতে যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামীকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে(।
২) আসামীকে হাজির করার পর কিংবা আসামী হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামী পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে
(১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশী অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন। 
২,৭৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ অনুসারে, কোন অবস্থায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে
  2. রায় ঘোষণার পরে
  3. কেবল চার্জ গঠনের পরে
  4. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।

উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
২,৭৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক অনুসারে গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে-
  1. তদন্ত শেষে। 
  2. গ্রেফতারের সময়ই। 
  3. গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। 
  4. আদালতে হাজির করার সময়। 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, যদি কোনো পুলিশ অফিসার বিনা ওয়ারেন্টে কাউকে গ্রেফতার করে, তবে তাকে গ্রেফতারের সময়ই গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক বিধান, যা ব্যক্তির মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য প্রণীত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ক ধারার বিধান: বিনা পরোয়ানায় কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারকারী প্রত্যেক পুলিশ অফিসার, গ্রেফতারের সময়, তাহাকে যে কারণে গ্রেফতার করা হইল সেই কারণ জ্ঞাপন করিবেন।

- সুতরাং, বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে গ্রেফতারের কারণ জানানো বাধ্যতামূলক এবং তা করতে হবে গ্রেফতারের ঠিক সময়েই (at the time of making arrest), অর্থাৎ গ্রেফতার করার মুহূর্তে বা সঙ্গে সঙ্গে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54A: Person arrested to be informed of reason of arrest:
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

২,৭৪১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০৯ ধারায় কোন আদালতের আপিল শুনানীর পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে?
  1. দায়রা আদালত
  2. আপিল বিভাগ
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
 
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।
 
Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
২,৭৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী নিচের কোনটি নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না?
  1. অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ।
  2. অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ।
  3. অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ।
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)- "নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে। অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্ত অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

♦ পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট নালিশ বলে গণ্য হবে না।

---------------------------------------------
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:
২,৭৪৩.
'দণ্ডবিধির অপরাধসমূহের বিচার ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসারে পরিচালিত হবে'- কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫(১)
  4. ধারা ৫(২)
ব্যাখ্যা
ধারা ৫- দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধের বিচার:
(১) দণ্ডবিধির অধীনে সমস্ত অপরাধ তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার এবং এর পরে বর্ণিত বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

অন্যান্য আইনের অধীনে অপরাধের বিচার:
(২) যেকোনো অন্যান্য আইনের অধীনে সমস্ত অপরাধ একই বিধানের অধীনে তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার এবং পরিচালিত হবে, তবে বর্তমান প্রচলিত কোনো আইন অনুসারে এমন অপরাধ তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যভাবে পরিচালনার পদ্ধতি বা স্থান নিয়ন্ত্রণের জন্য যেকোনো বিধানের অধীন থাকবে।

Section 5- Trial of offences under Penal Code:
(1) All offences under the Penal Code shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the provisions hereinafter contained.

Trial of offences against other laws-
(2) All offences under any other law shall be investigated, inquired into, tried, and otherwise dealt with according to the same provisions, but subject to any enactment for the time being in force regulating the manner or place of investigating, inquiring into, trying or otherwise dealing with such offences.
২,৭৪৪.
আপিল চলাকালে দণ্ড স্থগিত করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগ
  2. শুধু দায়রা জজ
  3. শুধু আপিল বিভাগ
  4. যেকোনো আপিল আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

ধারা ৪২৬ – আপিল চলাকালে দণ্ড স্থগিত ও আপিলকারীর মুক্তির বিধান:
(১) যখন কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করেন, তখন আপিল আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে তার দণ্ড বা আদেশের কার্যকর করা স্থগিত রাখতে পারে। একই সঙ্গে, যদি তিনি কারাবন্দী থাকেন, তবে আদালত তাকে জামিনে অথবা নিজ দায়িত্বে বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।

(২) এই ধারার ক্ষমতা যে কোনো আপিল আদালত যেমন প্রয়োগ করতে পারে, তেমনি হাইকোর্ট বিভাগও তার অধঃস্তন আদালতের বিরুদ্ধে দণ্ডিত ব্যক্তির করা আপিলের ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

(২ক) যদি কোনো আদালত কোনো ব্যক্তিকে এক বছর বা তার কম মেয়াদের কারাদণ্ড প্রদান করে এবং সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার থাকে, তাহলে অভিযুক্ত আদালতকে সন্তুষ্ট করলে যে তিনি আপিল করতে ইচ্ছুক, আদালত তাকে এমন একটি সময় পর্যন্ত জামিনে মুক্তি দিতে পারে, যা আদালতের মতে আপিল দায়ের করা এবং আপিল আদালতের আদেশ পাওয়ার জন্য যথেষ্ট।
এ সময়ের মধ্যে যতদিন অভিযুক্ত জামিনে থাকবেন, তার দণ্ড স্থগিত আছে বলে গণ্য হবে।

 (২খ) যদি হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হয় যে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আরোপিত বা বহাল রাখা দণ্ডের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিশেষ অনুমতি (special leave) পেয়েছেন, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগ চাইলে তার দণ্ড বা আদেশ আপিল চলাকালে স্থগিত রাখতে পারে এবং যদি তিনি কারাবন্দী থাকেন তবে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।

(৩) যদি আপিল শেষে অভিযুক্ত পুনরায় কারাদণ্ড বা transportation দণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে জামিনে মুক্ত অবস্থায় যে সময় তিনি কাটিয়েছেন তা দণ্ডের মেয়াদ গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। অর্থাৎ, জামিনে থাকা সময় দণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

২,৭৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০০ অনুযায়ী দণ্ড কার্যকর করার পর কী করতে হবে?
  1. পরোয়ানা ধ্বংস করতে হবে
  2. পরোয়ানা সংরক্ষণ করতে হবে
  3. পরোয়ানা পুলিশ স্টেশনে জমা দিতে হবে
  4. পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতে ফেরত দিতে হবে
ব্যাখ্যা

-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০০ অনুযায়ী দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতে ফেরত দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারার বিধান: দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত: যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-400: Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed. 

২,৭৪৬.
একটি Complaint Case এর cognizance taking stage- এ ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখতে পান যে তার কোনো এখতিয়ার নেই, তখন নিম্নের কোন আদেশটি সঠিক হবে?
  1. Complaint টি সরাসরি reject করা
  2. আসামী যদি উপস্থিত থাকে তাকে রিলিজ করা
  3. ২০৩ ধারায় Complaint টি ডিসমিস করা
  4. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য Complaint টি ফেরত পাঠানো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

ধারা ২০১(১)
লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

ধারা ২০১(২)
মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, তিনি তা উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত পাঠাবে।

Section 201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
২,৭৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় অপরাধের আপস মীমাংসা কি বলে গণ্য হবে?
  1. অভিযুক্তের দণ্ড
  2. অভিযুক্তের মুক্তি
  3. অভিযুক্তের খালাস
  4. অভিযুক্তের অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।

⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।

⇒ প্রতিকার- যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-386(6) The composition of an offence under this section shall have the effect of an acquittal of the accused with whom the offence has been compounded. 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-386(7) No offence shall be compounded except as provided by this section.
২,৭৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১১-এর শিরোনাম কী?
  1. PUBLIC NUISANCES
  2. DISPUTES AS TO IMMOVABLE PROPERTY
  3. PREVENTIVE MEASURES AGAINST OFFENCES
  4. TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১১ এর শিরোনাম- "TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER." উক্ত অধ্যায়ে ধারা ১৪৪ আছে।

• আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে 

• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে। ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

• ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
২,৭৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী নিচের কে বেত্রদণ্ড (Whipping) এর সাজা দিতে পারেন?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিষেশ ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান: ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
- (১) ম্যাজিস্ট্রেটগণের আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারেন; যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গে অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দশ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা; বেত্রদণ্ড
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতঃ আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; পাঁচ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতঃ দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দুই হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

(২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড দিতে পারেন।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত বেত্রদণ্ড (Whipping) এর সাজা দিতে পারেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 32: Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences  namely:-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding "five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "ten thousand taka; Whipping.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding "three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "five thousand taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
২,৭৫০.
দায়রা জজ কোন পর্যায়ে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হতে আপিল প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. আপিল শুনানি শুরু হওয়ার পর
  2. আপিল কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে
  3. আপিল শুনানি শুরু হওয়ার পূর্বে
  4. আপিল নিষ্পত্তির পর
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৮- দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন

(১) দায়রা জজ তাঁর অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপিল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপিলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপিল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপিল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

(৫) কোন ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার অধীন কোন আদেশ দেবার সময় তার এরূপ আদেশ প্রদানের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
২,৭৫১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৬২(২) অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড প্রদান করা যেতে পারে?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ধারা ২৬২: সংক্ষিপ্ত বিচারের প্রক্রিয়া-
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে বিচারকরণের ক্ষেত্রে, অধ্যায় XX-এ বর্ণিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তবে এখানে উল্লেখিত কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া।

→ কারাদণ্ডের সীমা:
(২) এই অধ্যায়ের অধীনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই বছরের অধিক কারাদণ্ডের রায় প্রদান করা যাবে না।

২,৭৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা অনুযায়ী, যদি অপরাধ একাধিক জায়গায় সংঘটিত হয়, তাহলে কোথায় বিচার হবে?
  1. প্রথম ঘটনার স্থানে
  2. পুলিশ স্টেশনে
  3. শেষ ঘটনার স্থানে
  4. যে কোন এক আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১৫ তে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কে বলা আছে । এই অধ্যায়ের শিরোনাম ‘অনুসন্ধান ও বিচারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি আদালতের এখতিয়ার। ধারা ১৭৭ থেকে ১৮৯ পর্যন্ত এখতিয়ার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন স্থানে বা এলাকায় অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা অনিশ্চিত থাকে অথবা আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অপর একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়, সেক্ষেত্রে যেকোনো একটি এলাকা যে আদালতের অধিক্ষেত্রভুক্ত সেই আদালতে উক্ত অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার করা যাবে - এতে কোনো বাধা নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৮২: অপরাধের স্থান অনিশ্চিত বা একাধিক জেলার মধ্যে অথবা অপরাধ চলমান হলে বা একাধিক কাজের সমন্বয়ে সংঘটিত হলে অনুসন্ধান বা বিচার কোথায় হবে:
যখন এটি অনিশ্চিত যে, কোন একাধিক এলাকার মধ্যে কোথায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা
যখন অপরাধটি এক এলাকার একটি অংশে এবং অন্য একটি এলাকায় তার অন্য অংশে সংঘটিত হয়, অথবা
যখন অপরাধটি চলমান এবং একাধিক এলাকায় সংঘটিত হচ্ছে, অথবা
যখন অপরাধটি একাধিক কাজের সমন্বয়ে সংঘটিত হয় যা বিভিন্ন এলাকায় করা হয়েছে,
তাহলে এই ধরনের অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে কোনো একটি এলাকার আদালতে করা যেতে পারে, যেখানে সেই এলাকার বিচারিক এখতিয়ার রয়েছে।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-182: Place of inquiry or trial where the scene of offence is uncertain or not in one district only or where the offence is continuing or consists of several acts:
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or
where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or
where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or
where it consists of several acts done in different local areas,
it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.
২,৭৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারার অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তদন্তের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. জেলা সিভিল সার্জন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অস্বাভাবিক (উন্মাদ/unsound mind) এবং সে কারণে আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই তদন্ত শুরু করবেন অভিযুক্তের মানসিক অবস্থার বিষয়ে।
- তিনি অভিযুক্তকে জেলা সিভিল সার্জন বা সরকার নির্ধারিত অন্য কোনো মেডিকেল অফিসারের মাধ্যমে পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিবেন।
- সেই মেডিকেল অফিসারকে সাক্ষ্য হিসেবে হাজির করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন, এবং সেটি লিপিবদ্ধ করবেন।
- এরপর ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে তিনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।
→ অর্থাৎ, তদন্ত শুরু ও পরিচালনার দায়িত্ব সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের উপর বর্তায় — তিনি সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করেন।

⇒ কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 464- Procedure in case of accused being lunatic:
(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.
(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.
(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.

২,৭৫৪.
নিম্বের কোন ব্যক্তি পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট
  4. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।
♦ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।
♦অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস। দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস ।
২,৭৫৫.
পলাতক আসামির ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অন্য কোনো ব্যক্তি ক্রোকের কত দিনের মধ্যে তার নিজ স্বার্থ দাবি করতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮৮ (৬ক) সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা হয়েছে সে ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি ক্রোকী আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারে যে উক্ত সম্পত্তিতে তার স্বার্থ আছে এবং এটা ক্রোকযোগ্য না।
২,৭৫৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৭ ধারায় পুলিশ কখন কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. নিজের পেশা সম্পর্কে অস্বীকৃতি জানালে
  2. নিজের নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে
  3. নিজের নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে জানাতে অস্বীকৃতি জানালে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান- নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।

অর্থাৎ, ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৭ ধারায় পুলিশ কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে যদি সে নাম এবং বাসস্থান এর ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে।
২,৭৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট একবারে কত দিনের জন্য রিমান্ড দিতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৪৪ অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট যখন কোনো মামলার বিচার বা অনুসন্ধান স্থগিত করেন, এবং আসামিকে হাজির করা হয়, তখন তিনি একবারে সর্বোচ্চ ১৫ (পনেরো) দিন পর্যন্ত রিমান্ডে পাঠাতে পারেন।
“…the Magistrate may by a warrant remand the accused person for a term not exceeding fifteen days at a time…”
- এখানে “at a time” শব্দগুচ্ছটি গুরুত্বপূর্ণ। এর মানে, একবারে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের জন্য রিমান্ড দেওয়া যাবে, তবে প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে আবার রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামি হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেন:
রিমান্ড: শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামিকে একসঙ্গে ১৫ (পনেরো) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।
(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যা: আসামি অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামিকে রিমান্ডে দেওয়ার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:
Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.
(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.

২,৭৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৭১
  2. ১৭২
  3. ১৭৩
  4. ১৭৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারায় পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট প্রস্তুত ও তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। 
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে কোনো তদন্ত শুরু হলে তা অযথা বিলম্ব না করেই সম্পন্ন করতে হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিম্নলিখিত কাজ করবেন:
(ক) ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেবেন, যেখানে: মামলার পক্ষগুলোর নাম, তথ্যের প্রকৃতি, মামলার পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের নাম, অভিযুক্ত ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছে কি না,
গ্রেপ্তার হলে কি জিম্মায় রাখা হয়েছে বা মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ থাকবে।
(খ) যিনি মামলার প্রথম তথ্য দিয়েছেন, তাকে সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে তদন্তে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করবেন।
(২) যদি ধারা ১৫৮-এর অধীনে কোনো উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা নিযুক্ত থাকেন, তবে সরকারের সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট তার মাধ্যমে জমা দিতে হবে। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।
(৩) যদি রিপোর্টে উল্লেখ থাকে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মুচলেকায় মুক্তি পেয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট ওই মুচলেকা বাতিল করার জন্য বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদেশ দেবেন।
(৩ক) যদি রিপোর্ট ধারা ১৭০-এর অধীনে হয়, তবে পুলিশ কর্মকর্তা রিপোর্টের সঙ্গে নিম্নলিখিত নথিপত্র জমা দেবেন: মামলার প্রাসঙ্গিক সব নথি বা তথ্যের কপি,
সাক্ষীদের বক্তব্য (ধারা ১৬১-এর উপধারা ৩ অনুযায়ী রেকর্ড করা)।
(৩খ) যদি প্রথম রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর নতুন প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নতুন প্রমাণ সম্বলিত আরও একটি রিপোর্ট জমা দিতে পারবেন।
(৪) কোনো রিপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি আবেদন করেন, তাহলে তাকে রিপোর্টের একটি কপি প্রদান করা হবে। তবে এর জন্য ফি দিতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কারণে তা বিনামূল্যে দেওয়ার আদেশ দেন।

 ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে। [do further investigation]
- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে।

 ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ পুলিশ কর্তৃক তদন্তের দায়িত্ব ও রিপোর্ট জমা দেওয়ার নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে। এই ধারা তদন্ত শেষ করার সময়সীমা, ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়া, পুনরায় তদন্তের সুযোগ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে রিপোর্টের কপি দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173. Report of police-officer:
(1) Every investigation under this Chapter shall be completed without unnecessary delay, and, as soon as it is completed, the officer in charge of the police-station shall- 
(a) forward to a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report a report, in the form prescribed by the Government, setting forth the names of the parties, the nature of the information and the names of the persons who appear to be acquainted with the circumstances of the case, and stating whether the accused (if arrested) has been forwarded in custody or has been released on his bond, and, if so, whether with or without sureties, and 
(b) communicate, in such manner as may be prescribed by the Government, the action taken by him to the person, if any, by whom the information relating to the commission of the offence was first given. 
(2) Where a superior officer of police has been appointed under section 158, the report shall in any cases in which the Government by general or special order so directs, be submitted through that officer, and he may, pending the orders of the Magistrate, direct the officer-in-charge of the police-station to make further investigation. 
(3) Whenever it appears from a report forwarded under this section that the accused has been released on his bond, the Magistrate shall make such order for the discharge of such bond or otherwise as he thinks fit. 
(3A) When such report is in respect of a case to which section 170 applies, the police-officer shall forward to the Magistrate along with the report- 
(a) all documents or relevant extracts thereof on which the prosecution proposes to rely other than those already sent to the Magistrate during investigation; 
(b) the statements recorded under sub-section (3) of section 161 of all the persons whom the prosecution proposes to examine as its witnesses. 
(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
(4) a copy of any report forwarded under this section shall on application, be furnished to the accused before the commencement of the inquiry or trial: 
Provided that the same shall be paid for unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost.
২,৭৫৯.
সুরতহাল তদন্তের আগে পুলিশ কাকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করবে?
  1. জেলা জজ
  2. নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৪ – আত্মহত্যা ইত্যাদি সংক্রান্ত পুলিশী তদন্ত ও রিপোর্ট:
(১) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, যখন খবর পান যে কোন ব্যক্তি—
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অন্য কেউ, কোনো প্রাণী, যন্ত্র বা দুর্ঘটনার কারণে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছে যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কেউ অপরাধ করেছে—

তখন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবিলম্বে তথ্য জানাতে হবে, যিনি সুরতহাল (inquest) পরিচালনার ক্ষমতা রাখেন।

সরকারের বিধি, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশ না থাকলে পুলিশ কর্মকর্তাকে:
- মৃত ব্যক্তির দেহের স্থানে যেতে হবে,
- স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করতে হবে,
- দেহে থাকা জখম, অস্থিভঙ্গ, থেতলে যাওয়া বা অন্যান্য চিহ্নের বর্ণনা দিতে হবে,

এই চিহ্নগুলি কোন উপায়, অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে তা উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে রিপোর্ট প্রণয়ন করতে হবে। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report)।

২,৭৬০.
যখন একই বিচারে একাধিক ব্যক্তিকে দন্ডিত করা হয় এবং তাদের মধ্য যে কোন একজনের বিরুদ্ধে আপীলযোগ্য রায় বা আদেশ প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র উক্ত ব্যক্তি আপীল দায়ের করতে পারে।
  2. দণ্ডিত ব্যক্তিদের সকলে আপীল করতে পারে।
  3. দণ্ডিত ব্যক্তিদের যেকোনো একজন আপীল করতে পারে।
  4. খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৫ক মোতাবেক- যখন একই বিচারে একাধিক ব্যক্তি দণ্ডিত হয় এবং তাদের মধ্যে যে কোন একজনের বিরুদ্ধে আপীলযোগ্য রায় বা আদেশ দেয়া হয়, তখন এরূপ বিচারে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সকলের বা যেকোন একজনের আপীল করার অধিকার থাকবে।
২,৭৬১.
বাজেয়াপ্ত করার ঘোষণা বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনের কত জন বিচারপতি নিয়ে স্পেশাল বেঞ্চ গঠিত হবে?
  1. ২ জন বিচারপতি
  2. ৫ জন বিচারপতি
  3. ৪ জন বিচারপতি
  4. ৩ জন বিচারপতি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানীঃ তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

♦  Section 99C. Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges. 
২,৭৬২.
হাইকোর্ট বিভাগ কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল করে কোন আদেশ দিলে বা অন্যকোনো আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের কপি (নকল) পাঠাতে হবে-
  1. কারা কর্তৃপক্ষের নিকট
  2. দায়রা জজের নিকট
  3. পলিশ সুপারের নিকট
  4. জেলা জজের নিকট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান অনুমোদনের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দাখিলকৃত মামলার ক্ষেত্রে পদ্ধতিঃ দায়রা আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নিমিত্তে দাখিলকৃত মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক অনুমোদনের আদেশ বা অন্য কোন আদেশ প্রদানের পর হাইকোর্ট ডিভিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অনতিবিলম্বে উক্ত আদেশের একটি কপি হাইকোর্ট ডিভিশনের সীলমোহরকৃত ও তার সরকারী স্বাক্ষর দ্বারা সার্টিফাই করে দায়রা আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।

♦  হাইকোর্ট বিভাগের নিকট কোন মৃত্যুদণ্ডের আদেশ অনুমোদনের জন্য কার্যক্রম ৩৭৪ ধারায় দাখিল করা হলে, হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত বিষয়ে ৩৭৬ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন বা অন্যকোনো আদেশ দিক না কেন, হাইকোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা উক্ত আদেশের কপি কোন বিলম্ব ছাড়া দায়রা আদালতের নিকট পাঠাবে।
২,৭৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত বলে যে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. চার্জশিট
  2. চূড়ান্ত প্রতিবেদন
  3. মিসকেস প্রতিবেদন
  4. খারিজ প্রতিবেদন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, পুলিশ তদন্ত শেষে যদি দেখে যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য এবং প্রমাণিত, তাহলে তারা আদালতে অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করে। চার্জশিটের মাধ্যমে আদালতকে জানানো হয় যে, অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে।

⇒ পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
ক) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।
খ) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
২,৭৬৪.
"সরকার বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড দিতে পারে"। বিষয়টি ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৯গ ধারায়
  2. ৩৩ক ধারায়
  3. ৩২ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

⇒ অর্থাৎ ৩৩ক ধারা অনুযায়ী ২৯গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক ৭ বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒  ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

---------------------------------
⇒  Higher powers of certain Magistrates
-Section 33A. The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
২,৭৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে কয় প্রকার বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের উল্লেখ আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ১ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate) তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate). 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।ঃ
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 12: Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.
২,৭৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুসারে দণ্ড কার্যকরের পর পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দেয়া হয়?
  1. ৩৯৭
  2. ৩৯৮
  3. ৩৯৯
  4. ৪০০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারার বিধান: দণ্ড কার্যকর করার পর ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০০ ধারার বিধান অনুসারে দণ্ড কার্যকরের পর পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দেয়া হয়। 
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-400: Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
২,৭৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩খ(১) অনুসারে তদন্ত কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩০ কার্যদিবস
  2. ৬০ কার্যদিবস
  3. ৯০ কার্যদিবস
  4. ১২০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ (Act No. V of 1898)-এর দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ১৭৩খ (Section 173B)-এর উপ-ধারা (১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যদি যুক্তিসঙ্গত কারণে তদন্ত এই সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তবে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ রেকর্ড করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে হবে (ধারা ১৭৩খ(২))।
অর্থাৎ ধারা ১৭৩খ(১) অনুসারে, তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সম্পন্ন করার বিধান:
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অভিযোগ পাওয়ার তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
(২) যৌক্তিক কারণে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হলে—তদন্ত কর্মকর্তা কেস ডায়েরিতে দেরির কারণ লিখবেন, নির্দিষ্ট কারণ ও অতিরিক্ত সময় উল্লেখ করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সময় বৃদ্ধির আবেদন করবেন, এবং সেই আবেদনটির একটি কপি তদন্তের তদারককারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন।
(৩) ম্যাজিস্ট্রেট আবেদন বিবেচনা করে যৌক্তিক মনে করলে তদন্ত সম্পন্নের জন্য অতিরিক্ত সময় অনুমোদন করতে পারবেন।
তদন্ত কর্মকর্তাকে অবশ্যই সেই বর্ধিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।
(৪) যদি বর্ধিত সময়েও তদন্ত শেষ না হয়, তবে তদন্ত কর্মকর্তা—দেরির কারণ লিখিতভাবে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন, এবং সেই কপিটি তাঁর উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছেও পাঠাবেন।
(৫) ম্যাজিস্ট্রেট ব্যাখ্যা বিবেচনা করার পর (বা ব্যাখ্যা না দিলে)—
(a) অন্য কোনো কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করানোর নির্দেশ দিতে পারবেন;
(b) বিলম্বকে তদন্ত কর্মকর্তার অযোগ্যতা বা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করতে পারবেন,
এবং তা কর্মকর্তার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (ACR) নোট আকারে লিপিবদ্ধ করবেন,
এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলবেন।
(৬) তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের পর, আদালত যদি মনে করে যে কোনো ব্যক্তিকে অভিযুক্ত না করে সাক্ষী হিসেবে রাখা ন্যায়ের স্বার্থে উপযুক্ত, তবে আদালত আদেশ দিয়ে সেই ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে গণ্য করতে পারবেন।
(৭) বিচার শেষে যদি আদালত মনে করে যে তদন্ত কর্মকর্তা—
(i) ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) যাকে আসামি করা উচিত ছিল তাকে সাক্ষী করেছেন; অথবা
(iii) যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়েছেন - তাহলে আদালত এ বিষয়ে রায় লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এবং কর্মকর্তার এই কাজকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-173B. Provisions for completion of investigation.-(1) Notwithstanding anything contained in this Code, every investigation under this Chapter shall be completed within sixty working days from the date of receipt of the information relating to the offence.
(2) Where, for reasonable cause, the investigation cannot be completed within the period specified in sub-section (1), the investigating officer shall record the reasons for such delay in the case diary, apply to the Magistrate for extension of time stating the specific grounds and the additional time required, and forward a copy of such application to the superior officer supervising the investigation.
(3) Upon consideration of the application made under sub-section (2), the Magistrate may, by order, extend the time for investigation as may be deemed reasonable, and the investigating officer shall conclude the investigation within the extended time.
(4) Where the investigation is not completed within the time so extended under sub-section (3), the investigating officer shall, upon expiry of such period, report the reasons in writing to the Magistrate and send a copy thereof to the superior officer supervising the investigation.
(5) Upon consideration of the explanation submitted under sub-section (4), or where no such explanation is submitted by the investigating officer, the Magistrate may-
(a) direct that the investigation be conducted by another officer;
(b) treat such delay as incompetence or misconduct on the part of the investigating officer, cause a note thereof to be recorded in the officer's Annual Confidential Report, and direct the appropriate authority to take action in accordance with the relevant service rules.
(6) If, upon submission of the investigation report, the Court is satisfied, having regard to the materials on record, that any person named as an accused ought, in the interest of justice, to be treated as a witness, the Court may pass an order to that effect, and such person shall be treated as a witness in the case.
(7) If, upon conclusion of the trial, the Court finds that the investigating officer either negligently or with intent to protect any person from criminal liability-
(i) failed to collect or consider any admissible evidence;
(ii) treated any person as a witness who ought to have been made an accused; or
(iii) failed to examine a material witness without justification, the Court may record a finding to that effect, treat such act or omission as misconduct or incompetence, and direct the controlling authority to take appropriate legal action against the officer in accordance with law.

২,৭৬৮.
তদন্তকালে ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে পুলিশ হেফাজতে রাখার জন্য তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্ষমতা দিতে পারেন অনধিক-
  1. ০৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধানঃ
(১) যখন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং ইহা প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করা যাবে না এবং এরূপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢ় ভিত্তিক, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তিনি যদি সাব-ইনসপেকটর পদের নিম্ন পর্যায়ের না হন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরীতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত নকল নিকটবতী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, এবং একই সময়ে আসামীকে উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারার অধীন আসামীকে যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, তিনি উপযুক্ত মনে করলে আসামীকে হেফাজতে আটক রাখার জন্য সময়ে সময়ে ক্ষমতা প্রদান করবেন, তবে এরূপ আইনের মেয়াদ সর্বসাকুল্যে পনেরো দিনের অধিক হবে না। তার যদি মামলাটি বিচার করার বা বিচারের জন্য পাঠাবার এখতিয়ার না থাকে এবং তিনি যদি আরও আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন তাহলে তিনি আসামীকে এরূপ এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত নহেন এরূপ কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার আদেশ দিবেন না ।

(৩) এই ধারার অধীন আসামীকে পুলিশহেফাজতে আটক রাখার ক্ষমতাদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট তার এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ আদেশ দিলে তিনি আদেশ দিবার কারণসহ আদেশের একটি নকল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, তিনি যার অব্যবহিত অধস্তন।

(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,

ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিকা মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আসামীকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেনঃ

আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।

ব্যাখ্যাঃ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্রসহ মামলাটি যে দিন তার নিকট পেশ করা হবে, অনুমোদন গ্রহণের সময় সেই দিন হতে গণণনা শুরু হবে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আদেশ পাবার তারিখে উহা সমাপ্ত বলে গণ্য হবে।
২,৭৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় বিচার করা নিষিদ্ধ?
  1. ধারা ৫৩৬
  2. ধারা ৪২১
  3. ধারা ৫৫৬
  4. ধারা ৪৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো মামলার একজন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট থাকেন, তবে তিনি উক্ত মামলার বিচার করতে পারবেন না।
তবে, ব্যতিক্রম:
- এই ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যদি কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র একজন পৌর কমিশনার হন বা কোনো মামলার স্থান পরিদর্শন করেন, তবে শুধুমাত্র এই কারণে তিনি মামলার বিচার থেকে অযোগ্য হবেন না।
- যদি একজন জেলা প্রশাসক (Collector) কোনো তথ্যের ভিত্তিতে কারও বিরুদ্ধে মাদক বা আবগারি (Excise) আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন, তবে তিনি ঐ মামলার বিচার করতে পারবেন না, কারণ তিনি মামলার একজন পক্ষ হয়ে গেছেন।
সুতরাং, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারাই বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার নিষিদ্ধ করেছে।
২,৭৭০.
According to Section 352, who has the authority to limit the public's access to the court during a trial or inquiry?
  1. The district magistrate
  2. The public prosecutor
  3. The presiding Judge or Magistrate
  4. The police officer in charge of the case
ব্যাখ্যা
Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
২,৭৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে, তদন্ত শেষে যদি পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা কী করবেন?
  1. আসামিকে আদালতে প্রেরণ করবেন
  2. আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করবেন
  3. আসামিকে মুচলেকায় মুক্তি দেবেন
  4. মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেবেন
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে, তদন্ত শেষে যদি পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে মুচলেকায় মুক্তি দেবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
-------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate, such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report and to try the accused or send him for trial.
২,৭৭২.
ধারা ১৫৩(২) অনুযায়ী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোন পরিস্থিতিতে ওজন বা পরিমাপের যন্ত্রপাতি আটক করতে পারবেন?
  1. যদি যন্ত্রপাতি খাঁটি না হয়
  2. যদি তা সরকারি অনুমোদনহীন হয়
  3. যদি যন্ত্রপাতি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা- ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষা:
(১) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে মনে করেন যে, তাঁর থানার সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জায়গায় এরূপ ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় বা রক্ষিত হয়, যা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি ওজন, পরিমাণ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশির লক্ষ্যে বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে ঢুকতে পারবেন।

(২) উক্ত স্থানে তিনি যদি এরূপ কোন বাটখারা, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, যাহা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি তা আটক করতে পারবেন এবং সাথে সাথে অধিক্ষেত্রসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর উক্ত আটকের সংবাদ দিবেন।

Section 153- Inspection of weights and measures:
(1) Any officer in charge of a police- station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false.

(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
২,৭৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারা অনুসারে, একই ধরনের কতটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে সংঘটিত হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যায়?
  1. সর্বোচ্চ দুটি
  2. সর্বোচ্চ তিনটি
  3. সর্বোচ্চ চারটি
  4. সর্বোচ্চ পাঁচটি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২৩৪ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হন, এবং উক্ত অপরাধগুলো ১২ (বারো) মাস সময়সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়, তবে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধ একত্রে অভিযোগ (charge) আকারে গঠন করে একটিমাত্র বিচার কার্যক্রমে বিচার করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে।
তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three.
(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law:
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.

২,৭৭৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে কোন অপরাধ আপোষযোগ্য নয়?
  1. চুরি
  2. বেআইনী সমাবেশ
  3. দাঙ্গা
  4. অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
- দ্বিতীয় তফসিলের কলাম ৬ এর মাঝে রয়েছে যে, দণ্ডবিধির অপরাধটি আপোষযোগ্য কি-না।

- ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কলাম ৬ অনুযায়ী দণ্ডবিধির বেআইনী সমাবেশ  আপোষযোগ্য অপরাধ নয়।

-অনন্য দিকে
চুরি, দাঙ্গা, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ আপোষযোগ্য অপরাধ।



উৎস: BDlaws

২,৭৭৫.
ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে শান্তি ভঙ্গের আশংকায় কোন ক্রোককৃত সম্পত্তিতে রিসিভার নিয়োগ করেন কে?
  1. দায়রা জজ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. সম্পত্তির মালিক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
২,৭৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. রাজনৈতিক অসন্তোষ
  2. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
  3. পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা
  4. জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালীন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)- স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
- ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
- ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।
(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
২,৭৭৭.
Complaint ব্যতীত অন্যভাবে রুজুকৃত একটি ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে-
  1. মুক্তি দিতে পারেন
  2. অব্যাহতি দিতে পারেন
  3. খালাস দিতে পারেন
  4. দন্ড দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে ফরিয়াদী না থাকে, সেক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতাঃ নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যে কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবেন।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ বলতে মামলাটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত বোঝায় না বরং মামালাটি বহাল আছে বোঝায়। সাক্ষী পর্যাপ্ত হলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে। যে কারণে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলো উক্ত কারণ যখন বিদ্যামান থাকেনা তখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা নালিশকারী বিচারিক আদালতে উক্ত মামলার বিচার পুনরুজ্জীবিত বা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করতে পারে এবং উক্ত ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম যেখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু হবে।
♦যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সে উক্ত বন্ধের আদেশ বাতিল করতে পারে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে যদি সাক্ষী পাওয়া যায়।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। একই অভিযোগের জন্য একই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় মামলা দায়ের করা যাবে।
২,৭৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারা অনুযায়ী, অপরাধগুলি যদি এক বছরের মধ্যে সংঘটিত হয়, তবে তা কীভাবে বিচার করা হবে?
  1. পৃথক পৃথক মামলায়
  2. একত্রে একটি মামলায়
  3. শুধুমাত্র প্রথম অপরাধের ভিত্তিতে
  4. উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরণের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three. 

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law: 
 
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
২,৭৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করা সংবাদে কার স্বাক্ষর থাকতে হবে?
  1. সাক্ষীর
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
  4. সংবাদ জ্ঞাপনকারীর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

২,৭৮০.
আসামী দোষস্বীকার করলে তার শাস্তি হবে ______।
  1. সর্বোচ্চ শাস্তির সমপরিমাণ
  2. সর্বোচ্চ শাস্তির এক চতুর্থাংশ
  3. সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক
  4. আদালতের বিবেচনামতো
ব্যাখ্যা
ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত লিখিত অভিযোগ গঠন করে তা আসামিকে পড়ে শুনাবেন এবং জিজ্ঞেস করবেন যে, আসামী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা দোষ স্বীকার করে কি না? আসামী দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ এবং ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আদালত অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে আসামীকে দন্ড দিতে পারেন।

- ২৪৩ ধারা অনুসারে আসামী যদি স্বীকার করে যে, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, সে তা করেছে, তাহলে যথাসম্ভব আসামীর ব্যবহৃত শব্দে তার স্বীকৃতি লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং কেন সে দন্ডিত হবে না, সে সম্পর্কে আসামী যদি পর্যাপ্ত কারণ না দর্শায় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে দন্ডিত করতে পারবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারায় দায়রা আদালতে দোষ স্বীকার করায় দন্ডাদেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, আসামী যদি দোষ স্বীকার করে তবে আদালত তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং আদালত সুবিবেচনা মতে দন্ডাদেশ প্রদান করতে পারবেন।

সুতরাং, আসামী দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫ঙ ধারামতে দায়রা আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দন্ড দিতে পারেন।
২,৭৮১.
অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপারগ হলে, তিনি জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য মামলার ক্ষেত্রে-
  1. জামিনযোগ্য মামলায় খালাস পেতে পারে
  2. জামিনঅযোগ্য মামলায় অব্যাহতি পেতে পারে
  3. উভয় ধরনের মামলায় মুক্তি পেতে পারে
  4. উভয় ধরনের মামলায় অব্যাহতি পেতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৬৬ অনুসারে, অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক অসুস্থ ও আত্মপক্ষ সমর্থনে অপারগ হলে তিনি জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য মামলার ক্ষেত্রেও পর্যাপ্ত জামানত প্রদান সাপেক্ষে মুক্তি পাবেন। যেক্ষেত্রে উন্মাদকে জামিন প্রদান করা যায় না, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত তাকে নিরাপদ হেফাজতে আটক রাখার নির্দেশ দিবেন।

Section 466- Release of lunatic pending investigation or trial

(1) Whenever an accused person is found to be of unsound mind and incapable of making his defence, the Magistrate or Court, as the case may be, whether the case is one on which bail may be taken or not, may release him on sufficient security being given that he shall be properly taken care of and shall be prevented from doing injury to himself or to any other person, and for his appearance when required before the Magistrate or Court or such officer as the Magistrate or Court appoints in this behalf. 
 
(2) If the case is one in which, in the opinion of the Magistrate or Court, bail should not be taken, or if sufficient security is not given, the Magistrate or Court, as the case may be, shall order the accused to be detained in safe custody in such place and manner as he or it may think fit, and shall report the action taken to the Government:
২,৭৮২.
According to Section 498 of The Code of Criminal Procedure, While fixing the bail amount, what is the primary consideration?
  1. Severity of crime
  2. Circumstances of the case
  3. Accused's financial status
  4. Prosecutor's recommendation
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
২,৭৮৩.
“Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.” – এই বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার?
  1. ৭৪
  2. ৭৫
  3. ৭৬
  4. ৭৭
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

- সুতরাং, "Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed" - এই বিধানটি ধারা ৭৫(২)-এ বর্ণিত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৭৫: গ্রেফতারি পরোয়ানার ফরম ও কার্যকরতার মেয়াদ:
(১) এই সংহিতা অনুসারে কোন আদালত কর্তৃক জারিকৃত প্রত্যেক গ্রেফতারি পরোয়ানা লিখিত আকারে হতে হবে, আদালতের প্রধানের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের ক্ষেত্রে উক্ত বেঞ্চের কোন সদস্যের দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং আদালতের সীলমোহর সংযুক্ত করতে হবে।
(২) এইরূপ প্রত্যেক পরোয়ানা যতক্ষণ না এটি ইস্যুকারী আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয় অথবা যতক্ষণ না এটি কার্যকর (গ্রেফতার) করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

২,৭৮৪.
সাধারণ নাগরিক কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. জামিনঅযোগ্য ও আমলঅযোগ্য
  2. জামিনযোগ্য ও আমলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে, তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
২,৭৮৫.
মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার নির্ধারিত সময়সীমা আদালতের জন্য-
  1. বাধ্যতামূলক
  2. আদেশসূচক
  3. অবশ্যকরণীয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

Section 339C (Time for disposal of cases)-

(1) A Magistrate shall conclude the trial of a case within [one hundred and eighty days] from the date on which the case is received by him for trial. 

(2) A Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge shall conclude the trial of a case within three hundred and sixty days from the date on which the case is received by him for trial. 

(2A) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) or sub-section (2), where a person is accused in several cases and such cases are brought for trial before a Magistrate or a Court of Session, the time limit specified in sub-section (1) or sub-section (2) for the trial of such cases shall run consecutively.

(2B) Notwithstanding the transfer of a case from one Court to another Court, the time specified in sub-section (1) or sub-section (2) shall be the time for concluding the trial of a case.

(4) If a trial cannot be concluded within the specified time, the accused in the case, if he is accused of a non-bailable offence, may be released on bail to the satisfaction of the Court, unless for reasons to be recorded in writing, the Court otherwise directs.

(5) Nothing in this section shall apply to the trial of a case under section 400 or 401 of the Penal Code (Act XLV of 1860), or to the trial of case to which the provisions of Chapter XXXIV apply.

(6) In this section, in determining the time for the purpose of a trial,- the days spent on account of the absconsion of an accused after his release on bail, if any, shall not be counted.
২,৭৮৬.
ফৌজদারী কার্যবিধিতে জরিমানা অনাদায়ে কারাদন্ড প্রদানের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতার বিধান রয়েছে-
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৩৩ক ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩ ধারার বিধান জরিমানা অনাদায়ে ম্যাজিস্ট্রেটগণের দত্ত প্রদানের ক্ষমতা (Power of Magistrates to sentence to imprisonment in default of fine): জরিমানা অনাদায়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনে অনুমোদিত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবেন- তবে শর্ত হলোঃ
(ক) কারাদণ্ডের মেয়াদ এই কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতার বাইরে হবে না;
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট যে মামলার বিচার করবেন তাতে মূল দণ্ডের অংশ হিসাবে কারাদণ্ড দেওয়া হয়ে থাকলে জরিমানা অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেওয়া হবে তার মেয়াদ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত অপরাধের জন্য জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ড হিসাবে ছাড়া অন্যভাবে যে দণ্ড দিতে পারেন তার এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না।

♦৩২ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট যে সর্বাধিক মেয়াদের মূল কারাদণ্ড দিতে পারেন তার সাথে এই ধারা অনুসারে প্রদত্ত কারাদণ্ড যোগ করা যেতে পারে।

♦দণ্ডবিধির ৬৭ ধারার বিধান কেবল অর্থদন্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদন্ডঃ
অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না, যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে; অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।

♦জরিমানা অনাদায়ে দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন অপরাধের বিচার করার সময় মূল দণ্ডের অংশ হিসেবে সাজা প্রদান করে, সেই ক্ষেত্রে জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য কারাবাস উক্ত অপারাধের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড প্রদান করে তার ১/৪ অংশের বেশী হবে না। এই বিধানটি শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে কারাবাসসহ অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে অনাদায়ী কারাবাসের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা প্রযোজ্য হবে।
২,৭৮৭.
Which of the following court has inherent power under The Code of Criminal Procedure,1898?
  1. All Criminal Courts
  2. Court of Sessions
  3. High Court Division
  4. Both High Court Division & Court of Sessions
ব্যাখ্যা
• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-

i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২,৭৮৮.
অভিযোগ (Complaint) কার নিকট দায়ের করা হয়?
  1. দায়রা জজের নিকট
  2. পুলিশ অফিসারের নিকট
  3. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
♦নালিশ (Complaint) হলো অভিযোগ যা মৌখিক বা লিখিত আকারে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করা হয়। ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ (Complaint) -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে, ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবেনা। অভিযোগটি (Allegation) অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে; জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে; অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে । নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে ।
সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।
২,৭৮৯.
ক-এর বিরুদ্ধে খ- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে চেক ডিজঅনারের জন্য মামলা দায়ের করে। শুনানীর সময় ক তাঁর দোষ স্বীকার করে নেওয়ায় আদালত তাঁকে ২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ক কি আপিল করতে পারবে?
  1. পারবে না, কারণ সে দোষ স্বীকার করে নিয়েছে
  2. পারবে, কারণ আদালত তাঁকে অতিরিক্ত দণ্ড দিয়েছে
  3. পারবে না, কারণ চেক ডিজঅনারের মামলায় আপিলের বিধান নেই
  4. ক মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিয়েছে এই দাবিতে আপিল করতে পারবে।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারামতে কোন আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং উক্ত দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে আদালত তাকে কোন দন্ড দিলে উক্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।
♦ তবে এক্ষেত্রে দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে দেয়া শাস্তির বৈধতা নিয়ে আপিল করা যেতে পারে।
♦ ৪১২ ধারায় বলা হয়েছে দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে প্রদত্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলবেনা। তবে, ঘোষিত দণ্ড যদি বেআইনি হয় তবে সেটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেই কারণে আপিল চলবে। চেকের মামলায় সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান আছে। ২ বছর দণ্ড দেওয়ায় এর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে আপিল করতে পারবে।
২,৭৯০.
নালিশী মামলায় সমন ইস্যুর পর অভিযোগকারী নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না থাকলে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. ওয়ারেন্ট জারি
  2. মামলা খারিজ
  3. আসামী খালাস
  4. আসামী ডিসচার্জ
ব্যাখ্যা
♦ ফরিয়াদী অনুপস্থিত থাকলে তার ফলাফল কি হবে, তা ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় বলা হয়েছে। শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনে ফরিয়াদী / অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস ( Acquittal) দিতে পারে।
২,৭৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় কমিশন ফেরত প্রদানের বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫০৫
  2. ধারা ৫০৬
  3. ধারা ৫০৭
  4. ধারা ৫০৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭ অনুযায়ী, ধারা ৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীনে প্রদত্ত কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হলে তা সাক্ষীর জবানবন্দিসহ আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে, যা মামলার রেকর্ডের অংশ হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
২,৭৯২.
আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর কী করা হয় না?
  1. অভিযোগ পাঠ করে শোনানো
  2. সে বিচার প্রার্থনা করে কিনা জিজ্ঞাসা করা
  3. তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা
  4. অভিযোগ ব্যাখ্যা করা
ব্যাখ্যা
২৬৫ডি ধারার বিধান অভিযোগ গঠনঃ (১) যদি, উপরিউক্তরূপ বিবেচনা ও শুনানী অন্তে, আদালত মনে করেন যে, আসামী এরূপ অপরাধ করেছে মর্মে মনে করার কারণ আছে, সেক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির (আসামীর) বিরুদ্ধে একটা লিখিত অভিযোগ গঠন করবেন।
(২) যেক্ষেত্রে আদালত উপধারা (১) এর বিধানমতে কোন অভিযোগ গঠন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত অভিযোগ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে (আসামীকে) পড়ে শুনাতে হবে ও ব্যাখ্যা করে দিতে হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে অভিযোগ তার বিরুদ্ধে আনীত হয়েছে সে অভিযোগে তিনি নিজেকে দোষী কহিতে চাহেন কিনা অথবা তার সম্পর্কে বিচারকার্যের পরিচালনা দাবি করেন কিনা।

অর্থাৎ তাকে সাফাই সাক্ষ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে না।
---------------------------

265D. Framing charge: (1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused.
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
২,৭৯৩.
ফৌজদারি মামলায় আসামি কোন পর্যায়ে ডিসচার্জের আবেদন করতে পারে?
  1. অপরাধ আমলে নেয়ার তারিখে
  2. চার্জ গঠনের সময়
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪২ ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক চার্জ গঠনের সময় আসামী ডিসচার্জের জন্য আবেদন করতে পারে।
২,৭৯৪.
বাজেয়াপ্তকরণের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা অনুসারে আবেদন করার সময়সীমা কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো সংবাদপত্র, বই বা দলিল সম্পর্কে ৯৯ক ধারায় বাজেয়াপ্তকরণের আদেশ দেওয়া হয়, তবে এতে স্বার্থসম্পন্ন ব্যক্তি সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।
- আবেদন করার সময়সীমা হলো ২ মাস, যা গণনা করা হবে সরকারি আদেশ প্রকাশের তারিখ থেকে।
- আবেদন করার কারণ হতে হবে যে উক্ত দলিলে ৯৯ক(১)-এ বর্ণিত নিষিদ্ধ বিষয়বস্তু ছিল না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারি আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.

২,৭৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় মেডিকেল সাক্ষীর জবানবন্দি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০১
  2. ধারা ৫০৯
  3. ধারা ৫০৯ক
  4. ধারা ৫১০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯(১)-এ সিভিল সার্জন বা অন্য কোনো মেডিকেল সাক্ষীর জবানবন্দি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণের বিধান রয়েছে।
- এই জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে নেওয়া হতে হবে বা অধ্যায় XL-এর অধীন কমিশনের মাধ্যমে নেওয়া হতে পারে।
- এ ক্ষেত্রে সাক্ষীকে সরাসরি আদালতে হাজির না করেও তার জবানবন্দি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
ধারা ৫০৯ অনুযায়ী: একজন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল সাক্ষী, যাঁর জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বা কমিশনের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে, তা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদিও ওই সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না হয়।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য যে, আদালত যদি মনে করে, তবে সাক্ষীকে আদালতে ডেকে তার জবানবন্দি পুনরায় শোনা যেতে পারে।
এতে বলা হয় যে, আদালত সিভিল সার্জন বা অন্য কোনো মেডিকেল ডেপোজিশনার দ্বারা দেওয়া জবানবন্দি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, যদি সেই সাক্ষী আদালতে হাজির হতে না পারেন।
- সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৫০৯।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 509. Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness:
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
২,৭৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭১(২) অনুযায়ী, অভিযোগকারী বা সাক্ষীর আদালতে উপস্থিতি নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. অভিযুক্ত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. সরকারি আইনজীবী
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭১(২) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "উপ-ধারা (১)-এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শুনানির সময় বাদী বা সাক্ষী যেন আদালতে হাজির হন, তাহা নিশ্চিত করা পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্ব হইবে।"

সুতরাং, এই ধারা অনুযায়ী পুলিশ কর্মকর্তার উপরই এই দায়িত্ব বর্তায় যে, তিনি নিশ্চিত করবেন মামলার শুনানির সময় বাদী (complainant) এবং সাক্ষী (witness) আদালতে উপস্থিত হবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-171.Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1) No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,
- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:
- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed. 
(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.

২,৭৯৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতা সরকারের রয়েছে?
  1. ধারা ৪০১
  2. ধারা ৪০২
  3. ধারা ৪০৩
  4. ধারা ৪০২ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০১-এ বলা হয়েছে:
“When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time… suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment…”
 অর্থাৎ, সরকারের অধিকার রয়েছে,  একজন ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত হন, তাহলে সরকার: তার দণ্ড স্থগিত (suspend) করতে পারে, অথবা সম্পূর্ণ বা আংশিক দণ্ড মওকুফ (remit) করতে পারে, শর্তযুক্ত বা শর্তবিহীনভাবে। এ ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে, বিশেষ করে যদি শর্ত আরোপ করা হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারা দণ্ড স্থগিত, মওকুফ ও রদবদল প্রসঙ্গে:
(১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডিত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড বা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হয় তখন যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিংবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত, সে সম্পর্কে তার মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং এই বিবৃতির সাথে বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 401. Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
(2) Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government, may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion as to whether the application should be granted or refused, together with his reasons for such opinion and also to forward with the statement of such opinion a certified copy of the record of the trial or of such record thereof as exists.

২,৭৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪১৭
  2. ধারা ৪১৮
  3. ধারা ৪১৯
  4. ধারা ৪২০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮-এ আপিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, আপিল হতে পারে ঘটনার প্রশ্ন বা আইনের প্রশ্ন উভয়ের ওপর। এছাড়া, দণ্ডের কঠোরতা আইনের বিষয় হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
- ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
- ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 418- Appeals on what matters admissible:
- An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
- Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
২,৭৯৯.
যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটার এখনো নিযুক্ত হয়নি, সেখানে মামলা পরিচালনার জন্য কে পাবলিক প্রসিকিউটার নিয়োগ দিতে পারবেন?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্টেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯২(২) অনুসারে- পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হন নাই সে ক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এই সম্পর্কে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ অফিসার ব্যতিত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
২,৮০০.
গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া
  4. রিমান্ডের সময় শেষে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারায় বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং ৮১ ধারায় গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
 
- ধারা ৮১- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবে:
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।
 --------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section- 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.