ব্যাখ্যা
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে যে মামলার নথি তলব করেছেন, বা যা আদেশের জন্য পাঠানো হয়েছে, বা যা অন্য কোনভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে, সেই মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন ইহার বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা-৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপীল আদালতকে বা ধারা-৪৩৮ এ কোন আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতাদির মধ্যে যে কোনটি প্রয়োগ করতে পারবেন এবং দণ্ড বাড়াতে পারবেন এবং রিভিশনে এতিয়ার সম্পন্ন আদালতের জজগণ যখন তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তখন মামলাটি ধারা-৪২৯ এ উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।
(২) আসামী আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজে বা এ্যাডভোকেট কর্তৃক তার বক্তব্য পেশের সুযোগ না পেলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোন আদেশ দেয়া যাবে না।
(৩) এই ধারায় সংশিষ্ট দণ্ড কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়ে থাকলে আসামী যে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে আদালত মনে করেন, সেই অপরাধের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে বেশী দণ্ড দিবেন না।
(৪) খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতের পরিবর্তন করার বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা- ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশ বিষয়ে রিভিশনে কোন কার্যক্রম গ্রজণ করার ক্ষমতা হাইকোর্ট ডিভিশনকে দেয়া হয়েছে মর্মে এই ধারায় কোন কিছু মনে করা যাবে না।
(৫) যেক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপীল চলে কিন্তু আপীল দায়ের করা হয়নি, সেক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল দায়ের করতে পারত সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের আকারে কোন কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
(৬) এই ধারায় যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন দণ্ডিত ব্যক্তিকে কেন তার দণ্ড বাড়ানো হবে না এমর্মে উপধারা-২ এর অধীন উহার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হলে, উক্ত কারণ দর্শাবার সময় সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।