বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ২৫ / ২৯ · ২,৪০১২,৫০০ / ২,৮৮৩

২,৪০১.
কোন তফসিলে দণ্ডবিধির অপরাধসমূহের বিচারব্যবস্থা, আমলযোগ্যতা এবং জামিনযোগ্যতার উল্লেখ আছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে বলা আছে কোন অপরাধ আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য, জামিনযোগ্য বা জামিন-অযোগ্য, এবং দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালতে বিচারযোগ্য – এসব বিষয়ের বিস্তারিত শ্রেণিবিন্যাস।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:
প্রণয়ন সাল: আইনটি সর্বপ্রথম ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬১ সালে পাস করা হয়।
বলবৎ হওয়ার তারিখ: কার্যকর হয় ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে।
বর্তমান সংস্করণ: ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই থেকে বর্তমান সংস্করণ কার্যকর রয়েছে।
মোট ভাগ (Part): ৯টি, মোট অধ্যায় (Chapter): ৪৬টি, মোট ধারা (Section): ৫৬৫টি। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মূল বিষয়বস্তু:
- অপরাধ সংঘটনের পর তদন্ত কীভাবে হবে।
- আসামি গ্রেফতার এবং জামিন সংক্রান্ত বিধান।
- বিচার কার্যক্রম পরিচালনা, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়দান, খালাস ও সাজা।
- কিছু কিছু ধারা অপরাধ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথাও বলে, যাতে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তা ঠেকানো যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল (Schedule) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে বর্তমানে বলবৎ রয়েছে ৪টি।
→ প্রথম তফসিল (First Schedule): এটি বর্তমানে বাতিল করা হয়েছে এবং আর কার্যকর নয়।
→ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule): কোন অপরাধ আমলযোগ্য / আমল-অযোগ্য, জামিনযোগ্য / জামিন-অযোগ্য, কোন আদালতে বিচার হবে, এই তফসিলটি বিচারিক শ্রেণিবিন্যাস নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
→ তৃতীয় তফসিল (Third Schedule): ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary Powers) বর্ণিত।
→ চতুর্থ তফসিল (Fourth Schedule): ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
→ পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule): বিভিন্ন ধরণের ফরম (Forms) সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২,৪০২.
Criminal Procedure Code-এর প্রথম সংস্করণ কোন সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৮৬০ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৮২ সালে
  4. ১৮৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোড (Code of Criminal Procedure) এর ইতিহাস ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনকালে ফৌজদারি বিচার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- এই কোডের প্রথম সংস্করণ ১৮৬১ সালে প্রণীত হয়েছিল, যা ভারতীয় দণ্ডবিধি (Indian Penal Code), ১৮৬০ পাস হওয়ার পরবর্তী বছরে কার্যকর হয়।
- এই কোডটি ফৌজদারি মামলার তদন্ত, বিচার এবং আইনি প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করেছিল।
অর্থাৎ ১৮৬১ সালের কোডটি ব্রিটিশ ভারতে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থাকে সুসংগঠিত করার জন্য প্রণীত হয়েছিল।
- এটি পরবর্তীতে ১৮৮২, ১৮৯৮ এবং আরও অনেকবার সংশোধিত হয়েছে, যাতে সময়ের সাথে আইনের প্রয়োগ আরও কার্যকর হয়।
- ১৮৬১ সালের এই কোডটি ভারতীয় ফৌজদারি আইনের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

২,৪০৩.
কোন পরিস্থিতিতে দায়রা জজ ৪৩৬ ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস পেলে
  2. ২০২ ধারায় খারিজ হওয়া অভিযোগের ক্ষেত্রে
  3. ২০৪(৩) ধারায় খারিজ হওয়া অভিযোগের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৩৬- অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্ট তার অধীনস্থ কোন আদালতকে বা দায়রা জজ তার অধীনস্থ কোন-
১. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নিজেদের দ্বারা বা
২. তাদের অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অধিকতর অনুসন্ধান করার আদেশ দিতে পারে এবং
৩. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অনুসন্ধান করতে পারে বা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিতে পারে।

উল্লিখিত বিষয়ে অনুসন্ধানের আদেশ দিতে পারেন-
i. ২০৩ ধারায় খারিজ হয়েছে এমন যেকোন নালিশ বিষয়ে, বা
ii. ২০৪ (৩) ধারায় খারিজ করা হয়েছে এমন কোন নালিশ বিষয়ে;
iii. যে মামলায় কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই মামলায়; অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারবে।

শর্ত থাকে যে,
কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন তদন্তের নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কেন উক্তরূপ নির্দেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।
২,৪০৪.
আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে চাইলে প্রথমে কী করতে হবে?
  1. সাক্ষীকে ডেকে পাঠাতে হবে
  2. কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
  3. মামলাটি স্থগিত করতে হবে
  4. আসামিকে নোটিশ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২৮- আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:

(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:

(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate. 
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal. 
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken. 
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
২,৪০৫.
১৪৪ ধারা জারি করার ক্ষমতা প্রাপ্ত নন…
  1. মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  
♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
♦১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
♦অর্থাৎ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১৪৪ ধারা জারি করার ক্ষমতা প্রাপ্ত নন।
২,৪০৬.
একজন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দী (Deposition of medical witness) সম্পর্কিত ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা কত?
  1. ৫০৭ ধারা
  2. ৫০৮ ধারা
  3. ৫০৯ ধারা
  4. ৫০৬ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি 

(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।

(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।

Section 509- Deposition of medical witness
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.

Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
২,৪০৭.
অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে একজন আসামী জামিন দাবী করতে পারে যদি তার বয়স হয়-
  1. ১৮ বৎসরের কম
  2. ১৬ বৎসরের কম
  3. ১৫ বৎসরের কম
  4. ১৪ বৎসরের কম
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান রয়েছে। জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান সমূহ নিম্নরূপ-

♦ জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী ১৬ বৎসরের নিম্ন বয়স্ক বা স্ত্রীলোক বা পীড়িত বা অক্ষম হলে অথবা আদালত উপযুক্ত মনে করলে জামিন দিতে পারেন (May be released on bail)। এক্ষেত্রে জামিন দেওয়া আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)।

♦অভিযুক্ত আসামি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী হতে পারে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারন থাকলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করবেনা।

♦ অর্থাৎ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে জামিনে মুক্তি পেতে পারে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি
i) ১৬ বছরের কম (any person under the age of sixteen years),
ii) স্ত্রীলোক (any woman) অথবা,
iii) অসুস্থ বা অক্ষম (any sick or infirm person ) হয়।
২,৪০৮.
According to Section 247, if the complainant does not appear on the appointed day for the hearing, the Magistrate shall-
  1. Dismiss the case
  2. Fine the complainant
  3. Acquit the accused
  4. Postpone the case indefinitely
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-247: Non-appearance of complainant:
- If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day:

Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী-
- নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবী করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।
২,৪০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা অনুযায়ী কোন অবস্থায় আদালত সাক্ষীদের হাজির করতে বা কোনো দলিল উপস্থাপনের জন্য প্রসেস ইস্যু করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্টের নির্দেশে
  2. আসামির আবেদনের ভিত্তিতে
  3. রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে,দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা। যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা- যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 265F: Date for prosecution evidence:
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
২,৪১০.
'খ' নিয়মিত চোরাইমালের ব্যবসা করে বলে তার প্রতিবেশী 'ক' জানতে পারে। সে 'খ' কে আটক করে এবং পরবর্তীতে পুলিশে সোপর্দ করে। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা 'ক' এর এই কাজকে সমর্থন করে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৬
  3. ধারা ৫৯
  4. ধারা ৫৮
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী-
যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
 
উল্লেখিত ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিল অনুযায়ী 'খ' জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত, যার দরুণ 'ক' ৫৯ ধারা অনুযায়ী 'খ' কে আটক করতে পারে।
 
• ধারা ৫৯ -
 
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
 
(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
 
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
২,৪১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯গ ধারায় বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাজা দিতে পারে অনধিক -
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ৩৩ক ধারা-
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A: Higher powers of certain Magistrates
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
২,৪১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি রোধে হস্তক্ষেপ করতে পারেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা প্রশাসক
  3. স্থানীয় চেয়ারম্যান
  4. পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫২ অনুসারে, কেবলমাত্র একজন পুলিশ অফিসার তার নিজ কর্তৃত্ব বলে (of his own authority) তার দৃষ্টির সামনে (in his view) সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি রোধ করতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

২,৪১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারে?
  1. ২০০০
  2. ৫০০০
  3. ৭০০০
  4. ১০০০০
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, অনধিক দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
 
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, অনধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড।
 
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
 
- ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
২,৪১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারা অনুসারে, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় কে বা কারা উপস্থিত থাকবেন?
  1. শুধু আপিলকারী
  2. আপিলকারী বা তার কৌঁসুলি
  3. অভিযুক্ত বা তার কৌঁসুলি
  4. শুধুমাত্র সাক্ষী
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় অভিযুক্ত বা তার কৌঁসুলি উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.

(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.

(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.

(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.

২,৪১৫.
ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশপ্রাপ্ত একজন পুলিশ অফিসার আমল অযোগ্য মামলার তদন্তকালে কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না?
  1. প্রমাণ সংগ্রহ করা
  2. ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা
  3. সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা 
  4. পরোয়ানা ব্যতিরেকে গ্রেফতার করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৫(৩) অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশপ্রাপ্ত একজন পুলিশ অফিসার আমল অযোগ্য মামলার তদন্তকালে পরোয়ানা ব্যতিরেকে গ্রেফতার করার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না।
- ধারা ১৫৫(৩)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।"
অন্যান্য ক্ষমতা যা প্রয়োগ করতে পারবেন:
- সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা। 
- ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা। 
- প্রমাণ সংগ্রহ করা। 
- অন্যান্য তদন্ত সংক্রান্ত কার্যক্রম।
সুতরাং, আমলঅযোগ্য মামলার তদন্তে পুলিশ অফিসার শুধুমাত্র বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, বাকি সকল তদন্ত সংক্রান্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।
(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত-
আমলঅযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।
(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-155.Information in non-cognizable cases:
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
Investigation into non-cognizable cases
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or [send] the same for trial.
(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case

২,৪১৬.
Code of Criminal Procedure, 1898-এ কোথাও শুধু Magistrate শব্দ থাকলে তা  দ্বারা কী বুঝাবে?
  1. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
  3. স্পেশাল ম্যাজিস্টেট
  4. ক্ষেত্রবিশেষে যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ CrpC-এর ৪ক ধারায় বলা আছে যে without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.

♦ অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
২,৪১৭.
নিম্নের কোনটি ৪০৩ ধারার উদ্দেশ্যে খালাস হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. নালিশ খারিজ
  2. আসামীকে অব্যাহতি দেওয়া
  3. ২৪৯ ধারার অধীনে প্রক্রিয়া বন্ধ করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার ব্যাখ্যায় (Explanation to Section 403) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
- “নালিশ খারিজ, ২৪৯ ধারায় অধীন প্রক্রিয়া বন্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস বলে গণ্য করা যাবে না।”
- অর্থাৎ, এগুলোর কোনটিই ৪০৩ ধারার পরিপ্রেক্ষিতে "খালাস" (Acquittal) হিসেবে বিবেচিত হয় না।

→ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারা যেটা বলে, সেটা হলো — একবার উপযুক্ত আদালতে বিচার হয়ে খালাস বা দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরে সেই অপরাধের জন্য কাউকে পুনরায় বিচার করা যাবে না। কিন্তু নালিশ খারিজ, অব্যাহতি, বা ২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ হওয়া — এগুলো সেই "বিচার শেষে খালাস" হিসেবে ধরা হয় না।
- ফলে, এগুলোর পরে আবার মামলা চলতে পারে বা নতুনভাবে দায়ের হতে পারে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে।

অতএব, উল্লিখিত তিনটি , নালিশ খারিজ, অব্যাহতি, ২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ — এগুলো ৪০৩ ধারার "খালাস" হিসেবে গণ্য হয় না।
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।
২,৪১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৪২১ ধারায়
  2. ৪২৩ ধারায়
  3. ৪২৭ ধারায়
  4. ৪৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা
২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
⇒ খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।
৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি
৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে। 
৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
২,৪১৯.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৩ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান: (১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
- ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
------------------
⇒ Section 32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
২,৪২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারার অধীনে কাকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. দায়রা আদালতকে
  2. হাইকোর্ট বিভাগকে
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-
i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে।
২,৪২১.
৫০৩ ধারার অধীন প্রদত্ত কমিশন ফেরত না আসা পর্যন্ত মুলতবি রাখা যাবে-
  1. সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান
  2. বিচার
  3. অন্যান্য কার্যক্রম
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ

সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

Section 508- Adjournment of inquiry or trial
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.
২,৪২২.
কোন মহানগর এলাকায় পুলিশ কর্মকর্তা অ-আমলযোগ্য মামলার তদন্ত করতে পারবে না, যদি সে অনুমতি না নেয়-
  1. মহা পুলিশ পরিদর্শকের
  2. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মহানগর দায়রা জজ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৫৫ ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার সংবাদঃ (১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

♦ প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়া কোন পুলিশ অফিসার ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৫ ধারার অধীন আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত করতে পারে না। যেহেতু প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নামে পরিচিত তাই মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি না নিয়ে পুলিশ ১৫৫ ধারার অধীন আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত করতে পারবে না।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫(২) ধারামতে আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগর এলাকার ক্ষেত্রে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত শুরু করতে পারবে না।
২,৪২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) অনুসারে, ধারা ১০৬ বা ১১৮-এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি আদেশের সময় কারাদণ্ড ভোগ করেন, তাহলে মুচলেকার মেয়াদ কবে থেকে শুরু হবে?
  1. আদেশ জারির তারিখ থেকে
  2. কারাদণ্ড শেষ হওয়ার পর থেকে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট নির্ধারিত তারিখ থেকে
  4. মুক্তি পাওয়ার ৩০ দিন পর থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১২০(১) অনুসারে ধারা ১০৬ বা ১১৮-এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি আদেশের সময় কারাদণ্ড ভোগ করেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকার মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, সেই সময়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে। এর কারণ হলো, কারাগারে থাকা অবস্থায় ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার সুযোগ পান না, তাই নিরাপত্তা বন্ডের প্রয়োজনীয়তা তার মুক্তির পর থেকে কার্যকর হয়।
- ধারা ১২০(২) এ আরও উল্লেখ আছে যে, যদি ব্যক্তি কারাগারে না থাকেন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ সাধারণত আদেশ জারির তারিখ থেকে শুরু হবে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ কারণে পরবর্তী কোনো তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-120.Commencement of period for which security is required:
(1) If any person, in respect of whom an order requiring security is made under section 106 or section 118, is, at the time such order is made, sentenced to, or undergoing a sentence of, imprisonment the period for which such security is required shall commence on the expiration of such sentence.
(2) In other cases such period shall commence on the date of such order unless the Magistrate, for sufficient reason, fixes a later date.

২,৪২৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারায় কে দণ্ডিত আসামীর দণ্ড কার্যকর স্থগিত (Suspend) করতে পারে?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আপিল আদালত
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারায় সরকার কোন দণ্ডিত আসামীর দণ্ড কার্যকর স্থগিত (Suspend) করতে পারে বা শাস্তির সম্পূর্ণ বা যেকোন অংশ মওকুফ (Remit) করতে পারে।

৪০১ ধারায় সরকারকে দণ্ড কার্যকর স্থগিত বা দণ্ড মওকুফের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যেমন কোন অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে সরকারের কাছে আবেদন করলে, সরকার ৪০১ ধারায় তার শাস্তি মওকুফ করতে পারে। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে সরকার অনেক দণ্ডিত ব্যক্তির দণ্ড মওকুফ করে।
আবার, সরকার কোন দণ্ডিত আসামীর দণ্ড স্থগিত করে আসামীকে ৪০১ ধারায় মুক্তি দিতে পারে।
২,৪২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত কোন উৎস থেকে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. তার নিজের পর্যবেক্ষণ
  2. থানায় দাখিলকৃত এফআইআর
  3. ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট নির্দিষ্ট ৩টি উৎসের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিতে পারেন। এসব উৎস হলো—
অভিযোগ: কোনো ব্যক্তি আদালতে সরাসরি অভিযোগ দায়ের করলে ম্যাজিস্ট্রেট তা আমলে নিতে পারেন। (ধারা ১৯০(১)(ক))
পুলিশের প্রতিবেদন: পুলিশের তদন্ত শেষে দাখিল করা লিখিত প্রতিবেদন (চার্জশিট বা ফাইনাল রিপোর্ট) পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নিতে পারেন। (ধারা ১৯০(১)(খ))
 নিজস্ব জ্ঞান বা প্রাপ্ত তথ্য: যদি ম্যাজিস্ট্রেট নিজে কোনো অপরাধ সম্পর্কে জানেন বা তার কাছে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য আসে, তাহলে তিনি নিজ উদ্যোগে অপরাধ আমলে নিতে পারেন। (ধারা ১৯০(১)(গ))
 তবে, ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এসব উৎসের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিতে পারেন না।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190.Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence-
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence;
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer;
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed.
২,৪২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯(খ) অনুসারে, কোন শর্তে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে?
  1. অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার বিধান মেনে
  4. অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষ্য নেওয়ার পর
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।

Section 339B- Trial in absentia
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
২,৪২৭.
Can a police officer act without prior authorization under Section 152 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. No, they must wait for a court order
  2. Yes, but only after informing the local magistrate
  3. No, they need permission from a superior officer
  4. Yes, the officer can act on their own authority
ব্যাখ্যা
• Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
২,৪২৮.
কোন ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযোগ গঠনে সুস্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা আবশ্যক নয়?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. চুরি
ব্যাখ্যা
• অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাত অপরাধের অভিযোগ গঠনের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করলেও চলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে অভিযোগে সময়, স্থান ও ব্যক্তি সম্পর্কে যে যে বিবরণ থাকবে-

(১) চার্জে অপরাধের সময় ও স্থান এবং যার বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি অথবা যে জিনিস সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে সেই বস্তু সম্বন্ধে এমন তথ্য থাকবে,যার ফলে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয় সম্পর্কে যুক্তিসংগতভাবে জানতে পারে।

(২) যখন অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়,তখন সুষ্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করে যে পরিমাণ টাকা সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে মোটামুটিভাবে তা এবং যে তারিখগুলির মধ্যে অপরাধ করা হয়েছে,তা উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে এবং এরূপে গঠিত অভিযোগ ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে একটি মাত্র অপরাধের অভিযোগ বলে গণ্য হবে।তবে শর্ত এই যে,উক্ত প্রথম ও শেষ তারিখের মধ্যবর্তী সময় এক বছর অতিক্রম করবে না।
২,৪২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার অধীনে সদাচরণের জন্য মুচলেকার সময়সীমা কত হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ছয় মাস
  2. সর্বোচ্চ এক বছর
  3. সর্বোচ্চ দুই বছর
  4. সর্বোচ্চ তিন বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারায় বলা হয়েছে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সন্দেহভাজন বা ভবঘুরে ব্যক্তির কাছ থেকে তার সদাচরণের নিশ্চয়তা হিসেবে একটি মুচলেকা নিতে পারেন। এই মুচলেকার সময়সীমা এক বছরের বেশি হতে পারবে না। অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেট যেকোনো মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারেন এক বছরের মধ্যে, যা এই ব্যক্তির ভাল আচরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োগ করা হয়। তাই, সময়সীমা সর্বোচ্চ এক বছর ধরা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা: যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-
ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা
খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না,
সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যে-রূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দেওয়ার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 109. Security for good behaviour from vagrants and suspected persons:
Whenever a District Magistrate or an Executive Magistrate receive information- 
(a) that any person is taking precautions to conceal his presence within the local limits of such Magistrate's jurisdiction, and that there is reason to believe that such person is taking such precautions with a view to committing any offence, or 
(b) that there is within such limits a person who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself,
such a Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding one year, as the Magistrate thinks fit to fix.
২,৪৩০.
'ফৌজদারি আদালতের বিচার কার্যক্রমে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারে।'- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ৩৫১ ধারায়
  2. ৩৫৩ ধারায়
  3. ৩৫২ ধারায়
  4. ৩৫৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
 
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
 
Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
২,৪৩১.
কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ঘটনার প্রশ্নে
  2. শুধুমাত্র আইনের প্রশ্নে
  3. ঘটনা ও আইনের প্রশ্নে উভয়েই
  4. শুধুমাত্র সাক্ষ্যের প্রশ্নে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:

ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।

Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
২,৪৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট এবং দায়রা আদালত অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন?
  1. ২৪১ এবং ২৬৫গ
  2. ২৪৩ এবং ২৬৫ঘ
  3. ২৪১ক এবং ২৬৫গ
  4. ২৪১ক এবং ২৬৫চ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারেন।
অর্থাৎ  ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। এই আদালতগুলো অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস অথবা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার প্রক্রিয়া ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় বর্ণিত, এবং দায়রা আদালতের বিচার প্রক্রিয়া ২৬৫ক-২৬৫জ ধারায় বিবৃত।

- ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানির জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করে। এই ধারাগুলির আওতায় অভিযুক্ত ব্যক্তি চার্জ গঠনের শুনানির দিন অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠন এবং অব্যাহতির আবেদন একই দিনে শোনা যাবে।

- যদি আদালত মামলার নথি এবং দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মনে করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করেই, অর্থাৎ চার্জ গঠনের পূর্বেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে।
২,৪৩৩.
কোন ক্ষেত্রে ৪৯১ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. বেআইনীভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  2. সরকারী হেফাজতে অযৌক্তিকভাবে আটককৃত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  3. নিবারণমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
 
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
 
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
২,৪৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১২(২) অনুসারে, অজ্ঞাত অপরাধীর ক্ষেত্রে কে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১২(২) অনুসারে, যদি এমন কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়, যা মৃত্যুদণ্ড বা পরিবহন দণ্ডে (transportation) দণ্ডনীয় এবং অপরাধী অজ্ঞাত থাকে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত পরিচালনা এবং সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের এই ক্ষমতা রয়েছে।
- অতএব, ধারা ৫১২(২) অনুসারে, অজ্ঞাত অপরাধীর ক্ষেত্রে তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।

(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.

২,৪৩৫.
কোন তারিখ থেকে আপিল আদালত ৯০ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে?
  1. অভিযোগের তারিখ
  2. নোটিশ জারির তারিখ
  3. আদালতের আদেশের তারিখ
  4. মামলার রেকর্ড প্রেরণের তারিখ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision: 
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
২,৪৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫০৯ক
  3. ধারা ৫১০
  4. ধারা ৫১০ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক-এ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের বিশেষ বিধান দেওয়া হয়েছে, যেখানে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক যদি মারা যান, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হন বা দেশের বাইরে থাকেন এবং তাকে আদালতে তলব করা অযৌক্তিক হয়, তখন তার রিপোর্টকে তলব ছাড়াই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, Section 509A: Report of post-mortem examination:-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
২,৪৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. চার্জ গঠনের পরে
  2. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রমাণ পর্যাপ্ত হলে
  3. অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে
  4. অভিযুক্তের জামিন আবেদন মঞ্জুর হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই, তাহলে চার্জ গঠনের আগে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে।
এক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করেন—
- মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র
- এফআইআর, চার্জশিট ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দলিল
- তদন্তকারী কর্মকর্তার রিপোর্ট ও সাক্ষ্যপ্রমাণ

অর্থাৎ অভিযোগ যদি ভিত্তিহীন হয় এবং চার্জ গঠনের মতো যথেষ্ট কারণ না থাকে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠনের আগেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন (ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
২,৪৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে কী ধরনের সার্টিফিকেট দাখিল করা যায়?
  1. সংশ্লিষ্ট থানার ওসির সুপারিশ
  2. জেলার জজের ব্যক্তিগত মতামত
  3. আদালতের বাইরের কোনো সাক্ষীর বিবৃতি
  4. কারাগারের ইনচার্জ কর্তৃক স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্ববর্তী দণ্ড (previous conviction) প্রমাণ করতে হয়, তাহলে তার একটি উপায় হলো:
- যে কারাগারে সাজা কার্যকর করা হয়েছিল, সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer-in-charge) কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি সার্টিফিকেট আদালতে দাখিল করা।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১- পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কীভাবে প্রমাণ করতে হবে:-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-
(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;
উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 511- Previous conviction or acquittal how proved:
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; 
together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or acquitted.
২,৪৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কে আবেদন করতে পারে?
  1. যার আবেদনের ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে সেই ব্যক্তি
  2. উক্ত সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি
  3. যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারামতে-
যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে অথবা উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কোন ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।

পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে, যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না,
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

Section 89: Restoration of attached property-
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
২,৪৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আসামির বিচার চলাকালে মানসিক সুস্থতা এবং অপরাধ সংঘটনের সময় মানসিক অসুস্থতা বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৬৭
  2. ধারা ৪৬৯
  3. ধারা ৪৭১
  4. ধারা ৪৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৯ (Section 469) নির্ধারণ করে, যখন কোনো আসামি বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ প্রতীয়মান হয়, কিন্তু আদালতের কাছে প্রমাণিত হয় যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল এবং তার অপরাধমূলক কাজের প্রকৃতি বুঝতে অক্ষম ছিল, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
- অর্থাৎ, আসামির বর্তমান মানসিক সুস্থতার ভিত্তিতে বিচার চলবে, অপরাধের সময় তার মানসিক অবস্থা আদালত পরবর্তী পর্যায়ে বিবেচনা করবে।
- এ ধারা মূলত মানসিক অবস্থা সংক্রান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে বিচার চালানোর নির্দেশনা প্রদান করে, যাতে বিচার প্রক্রিয়া থেমে না যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৯- আসামিকে যখন বিচার চলাকালে মানসিকভাবে সুস্থ বলে মনে হয় কিন্তু অপরাধ করার সময় মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল বলে প্রতীয়মান হয় সেক্ষেত্রে করণীয়
অনুসন্ধান বা বিচারের সময় আসামি যখন মানসিক সুস্থ বলে প্রতীয়মান হয় এবং আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আসামি যখন অপরাধমূলক কাজটি করেছিল তখন মানসিক অসুস্থতার দরুন অপরাধমূলক কাজটির প্রকৃতি জানতে অসমর্থ ছিল, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত মামলার কাজ চালিয়ে যাবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 469- When accused appears to have been insane:
- When the accused appears to be of sound mind at the time of inquiry or trial, and the Magistrate or, as the case may be, the Court is satisfied from the evidence given before him or it that there is reason to believe that the accused committed an act which, if he had been of sound mind, would have been an offence, and that he was, at the time when the act was committed, by reason of unsoundness of mind, incapable of knowing the nature of the act or that it was wrong or contrary to law, the Magistrate or, as the case may be, the Court shall proceed with the case.
২,৪৪১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬খ ধারায় কার মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতার বিধান রয়েছে?
  1. আপিল বিভাগের
  2. দায়রা জজের
  3. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারী আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারী মামলা বা আপীল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-

১. আপীল বিভাগের (ধারা-৫২৫ক)
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা-৫২৬)
৩. দায়রা জজের (ধারা-৫২৬খ)।
২,৪৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬(২) ধারার বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য, কে লাশ উত্তোলনের আদেশ দিতে পারে?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিচারকারী আদালত
  4. পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
-যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লেখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
 এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা 
-সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
- ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা সম্পন্ন নিকটতম ম্যাজিষ্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করবেন এবং ১৭৪ ধারার (১) উপধারার (ক), (খ) ও (গ) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ করেন তাহলে কোন অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে তার যেরূপ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার সেরূপ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ তদন্ত পরিচালনার সময় ম্যাজিষ্ট্রেট অবস্থা অনুসারে অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিসমূহের যে কোন একটি পদ্ধতিতে গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করবেন।
-কবর হতে লাশ তুলিবার ক্ষমতা:
(২) যে লাশ ইতোমধ্যে কবরস্থ করা হয়েছে, উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ আবিস্কারের জন্য তা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাহলে তিনি লাশটি কবর হতে তুলিবার এবং উহা পরীক্ষা করে দেখিবার ব্যবস্থা করতে পারেন।
---------------
CrPC-Section-176: Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
-Power to disinter corpses
(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
২,৪৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে দণ্ডিত ব্যক্তি নিজে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন?
  1. ৪১০
  2. ৪৩১
  3. ৪১৭
  4. ৪১৭ক
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১০ অনুযায়ী, দণ্ডিত ব্যক্তি নিজে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন। এই ধারাটি সাধারণভাবে দণ্ডিত ব্যক্তির আপিলের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১০ অনুযায়ী: “একজন দণ্ডিত ব্যক্তি যিনি কোনো বিচারকের আদালতে বিচারশেষে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তিনি সেই দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন...”
অর্থাৎ, দণ্ডিত ব্যক্তি নিজেই যদি মনে করেন যে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় বা দণ্ড অন্যায্য হয়েছে, তবে তিনি ধারা ৪১০ অনুযায়ী যথাযথ আপিল আদালতে আপিল করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 410. Appeal from sentence of Court of Session:
Any person convicted on a trial held by a Sessions Judge, or an Additional Sessions Judge, may appeal to the High Court Division.
২,৪৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩ অনুসারে, শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা _______ হবে।
  1. বিনাশ্রম
  2. সশ্রম
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম
  4. আংশিক সশ্রম এবং আংশিক বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩- কারাদণ্ডের প্রকার:
(৫) শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।

(৬) সদাচরণের মুচলেকা প্রদানে অক্ষমতার জন্য কারাদণ্ড ধারা-১০৮ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া থাকলে বিনাশ্রম এবং ১০৯ বা ১১০ ধারামতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকলে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশে সশ্রম বা বিনাশ্রম হবে।

Section 123- Kind of imprisonment:
(5) Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple.
 
(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
২,৪৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ সম্পর্কিত সম্পত্তি বিচারাধীন অবস্থায় দ্রুত নষ্ট হয়ে গেলে আদালত বিক্রি বা নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৫১৬
  2. ধারা ৫১৬ক 
  3. ধারা ৫১৭
  4. ধারা ৫১৮
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১৬ক এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সম্পত্তি, যার সাথে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মনে হয় বা যা কোনো অপরাধে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয়, তদন্ত বা বিচার চলাকালীন কোনো ফৌজদারি আদালতে উপস্থাপিত হয়, তবে আদালত সেই সম্পত্তির যথাযথ হেফাজতের জন্য আদেশ দিতে পারে। এছাড়াও, যদি সম্পত্তিটি দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে পচনশীল হয়, তবে আদালত প্রয়োজনীয় প্রমাণ রেকর্ড করার পর সেই সম্পত্তি বিক্রি বা অন্যভাবে নিষ্পত্তির আদেশ দিতে পারে।
- ধারা ৫১৬ক এর উদ্দেশ্য হলো তদন্ত বা বিচার চলাকালীন সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে যদি সম্পত্তি দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে (যেমন, খাদ্যদ্রব্য বা অন্যান্য পচনশীল জিনিস)।
আদালত এই ধরনের সম্পত্তির নিষ্পত্তির আগে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রেকর্ড করে, যাতে পরবর্তীতে বিচারে কোনো সমস্যা না হয়।
এই ধারা সম্পত্তির মূল্য বা অবস্থা রক্ষার জন্য ব্যবহারিক সমাধান প্রদান করে।
- অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৬ক এ বলা হয়েছে যে, অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ সম্পর্কিত সম্পত্তি বিচারাধীন অবস্থায় দ্রুত নষ্ট হলে বিক্রি বা নিষ্পত্তির আদেশ দেওয়া যায়।

২,৪৪৬.
Under section 167 of The Criminal Procedure Code,1898 the longest period for which an accused can be remanded to police custody is-
  1. 07 days
  2. 14 days
  3. 15 days
  4. 20 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Criminal Procedure Code-এর Section 167 অনুযায়ী, একজন অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে (police custody) সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত রিমান্ডে রাখা যেতে পারে।
- এই ১৫ দিনের বেশি সময় পুলিশ হেফাজত আইনসম্মত নয়। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনে আদালত অভিযুক্তকে জেল হেফাজতে (judicial custody) পাঠাতে পারেন, কিন্তু পুলিশ হেফাজত আর বাড়ানো যায় না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারায় রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে:-
(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।
- মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-167: 
(2) The Magistrate to whom an accused person is forwarded under this section may, whether he has or has not jurisdiction to try the case from time to time authorize the detention of the accused in such custody as such Magistrate thinks fit, for a term not exceeding fifteen days in the whole. If he has not jurisdiction to try the case or send it for trial, and considers further detention unnecessary, he may order the accused to be forwarded to a Magistrate having such jurisdiction:
Provided that no Magistrate of the third class, and no Magistrate of the second class not specially empowered in this behalf by the Government shall authorize detention in the custody of the police.

২,৪৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে ফরিয়াদি সরকারি কর্মচারী হলে,ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন?
  1. ২৪৫
  2. ২৪৭
  3. ২৪৮
  4. ২৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী-
নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবী করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন।
--------------
CrPC- Section-247.Non-appearance of complainant:
 If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
২,৪৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারা অনুসারে কে পুলিশ ডায়েরী দেখার অধিকারী হবেন না?
  1. আদালত
  2. ফরিয়াদি
  3. অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
  4. কেউই অধিকারী নয়
ব্যাখ্যা
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী নয়।

• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়,সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী।ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে,তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন-কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন,কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন,কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে,আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
২,৪৪৯.
অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তির সদাচরণের জন্য মুচলেকার মেয়াদ?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তির সদাচরণের জন্য মুচলেকা - জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তি কেন ৩ বৎসরের অধিক নয় এমন মেয়াদের জন্য জামিনদার সহ অথবা ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করবে না তার কারন দর্শাতে বলতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
২,৪৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  2. বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা (Section 561A, CrPC) হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা সংরক্ষণ করে এবং এই ধারা তিনটি উদ্দেশ্যে হাইকোর্টকে ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ দেয়:
১। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোনো আদেশ কার্যকর করা
২। কোনো আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
৩। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
কিন্তু "বিচারপ্রার্থীর ব্যয় কমানো" — এই উদ্দেশ্য ৫৬১ক ধারার উদ্দেশ্যের মধ্যে নেই।
- এটি একটি সামাজিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের বিষয় হতে পারে, কিন্তু এই ধারার অধীনে হাইকোর্টের inherent power প্রয়োগের কোনো উদ্দেশ্য নয়।

-একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)। 

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২,৪৫১.
সমন যদি আদালতের স্থানীয় সীমার বাইরে জারি করতে হয়, তবে উক্ত সমন কার কাছে পাঠানো হবে?
  1. স্থানীয় থানায়
  2. সরাসরি ব্যক্তির নিকট
  3. সেই এলাকার এখতিয়ারভুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. সমন বাতিল করা হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান- স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।

Section: 73: Service of summons outside local limits:
When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
২,৪৫২.
কোন পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যক্রম বাতিল হবে না?
  1. ভুলক্রমে অপরাধ আমলে নিলে
  2. ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে এখতিয়ারের বাহিরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে
  3. ক্ষমতাবান না হলেও সরল বিশ্বাসে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২৯- যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না:
যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
 
(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;

(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;

(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,
 
তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না। অর্থাৎ উল্লেখিত কোনো কারনে কার্যক্রম বাতিল হবে না।
২,৪৫৩.
Who has power to decide language of Courts?
  1. The Court itself
  2. The Government
  3. Presiding Officer of Court
  4. High Court Division
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।

• ধারা ৫৫৮ (আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা)-
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

Section 558- Power to decide language of Courts
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
২,৪৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট নিজের জ্ঞান বা সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো অপরাধের আমলে গ্রহণ করতে পারেন?
  1. Chief Metropolitan Magistrate
  2. Chief Judicial Magistrate
  3. Magistrate of the first class
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০(১)(গ)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ নিজের জ্ঞান বা সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো অপরাধের আমলে (cognizance) গ্রহণ করতে পারেন:
ক) Chief Metropolitan Magistrate
খ) Chief Judicial Magistrate
গ) Magistrate of the first class
এছাড়াও বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট। 
সুতরাং, উপরের সবগুলো শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটই এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। অর্থাৎ সঠিক উত্তর হল All of the above.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-190-Cognizance of offences by Magistrates:
(1) Except as hereinafter provided, any Chief Metropolitan Magistrate, Metropolitan Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Magistrate of the first class, and any other Magistrate specially empowered in this behalf under sub-section (2) or (3)], may take cognizance of any offence- 
(a) upon receiving a complaint of facts which constitute such offence; 
(b) upon a report in writing of such facts made by any police-officer; 
(c) upon information received from any person other than a police-officer, or upon his own knowledge or suspicion, that such offence has been committed.
(2) the Government may, and subject to any general or special order issued in this behalf by the High Court Division, the Chief Judicial Magistrate may empower any Magistrate of the second or third class to take cognizance under sub-section (1) clause (a) or clause (b) of offences which he may try or send for trial.
(3) The Government may empower any Magistrate of the second class to take cognizance under sub-section (1), clause (c), of offences for which he may try or send for trial. 
(4) Notwithstanding anything contained to the contrary in this section or elsewhere in this Code, the Government may, by an order specifying the reasons and period stated therein, empower any Executive Magistrate to take cognizance under clause (a), (b) or (c) or sub-section (1), of offences and the Executive Magistrate shall send it for trial to the court of competent jurisdiction.

২,৪৫৫.
আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০-৪৮৬ ধারায় আদালত অবমাননা (Contempt of Court) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে।

ধারা ৪৮০: অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

Section 480: Procedure in certain cases of contempt
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
২,৪৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী WARRANT OF ARREST বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কতদিন কার্যকর থাকবে?
  1. তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত
  2. কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত
  3. আদালত কর্তৃক বাতিল না করা পর্যন্ত
  4. খ অথবা গ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ধারা ৭৫(২) অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক জারিকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা লিখিতভাবে থাকবে এবং এটি ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না আদালত সেটি বাতিল করে বা এটি সম্পাদিত হয়। অর্থাৎ, পরোয়ানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয় না; শুধু আদালতের রদ বা গ্রেপ্তারের বাস্তবায়নের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা শেষ হয়।
----------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

২,৪৫৭.
আপিল আদালত সরাসরি আপিল খারিজ করতে পারে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ৪১৭ ধারায়
  2. ৪২০ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২১ধারার বিধান আপীল খারিজের সারবস্তুঃ (১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপীল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপীল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপীলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপীল খারিজ করা যাবে না ।
(২) এই ধারার আওতায় আপীল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না ।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal) - ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
২,৪৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪ক কোন বিষয়ে বিধান প্রদান করে?
  1. গ্রেপ্তারের পর জামিনের অধিকার
  2. গ্রেপ্তারের পর শারীরিক পরীক্ষা 
  3. গ্রেপ্তারের পর ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা
  4. ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারের সময় গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করা 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর (Act No. V of 1898) দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর মাধ্যমে ধারা ৫৪ক (Section 54A) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করার সময় গ্রেপ্তারের সময়ে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত করতে হবে। এটি গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির অধিকার রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪ক (Section 54A)-এ স্পষ্টভাবে বিধান করা হয়েছে যে, যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করলে গ্রেপ্তারের সময়েই (at the time of making arrest) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ (reasons for arrest) অবহিত করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

২,৪৫৯.
According to Section 265E under The Criminal Procedure Code, 1898 who can plead guilty? 
  1. The Public Prosecutor
  2. The Investigating Officer
  3. The Victim of the Offence
  4. The Accused of the Offence
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) The Accused of the Offence.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC 1898)-এ plea bargaining শব্দটি সরাসরি নেই, তবে Plea of Guilty সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- Section 265D → দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করবে সে অপরাধ স্বীকার করে কিনা।
- Section 265E → যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করে (pleads guilty), আদালত তা রেকর্ড করবে এবং বিবেচনার ভিত্তিতে তাকে দণ্ডিত করতে পারে।
- Section 265F → যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার না করে, তবে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করবে।
- Section 412 → অভিযুক্ত যদি অপরাধ স্বীকার করে এবং সেই ভিত্তিতে দণ্ডিত হয়, তবে সাধারণত আপিল করা যাবে না, শুধু শাস্তির মাত্রা বা বৈধতা নিয়ে আপিল করা যাবে।
 
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তি (Accused) আদালতে অপরাধ স্বীকার করতে পারে এবং সেই ভিত্তিতে আদালত তাকে দণ্ডিত করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
 If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265F.Date for prosecution evidence: 
 If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.

২,৪৬০.
'Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯২
  2. ধারা ৪৯৩
  3. ধারা ৪৯৪
  4. ধারা ৪৯৫
ব্যাখ্যা
Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.

(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

• ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:

(১) কোন মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদবিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু এটর্নি জেনারেল, সরকারী সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।

(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লেখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন এডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে, কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।
২,৪৬১.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে, মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে তাকে কত সময় পর্যন্ত আটক রাখা যাবে?
  1. ফৌজদারি কারাগারে ৩ মাস
  2. দেওয়ানী কারাগারে ৩ মাস
  3. দেওয়ানী কারাগারে ৬ মাস
  4. ফৌজদারি কারাগারে ৬ মাস
ব্যাখ্যা
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে। 

ধারা ৫১৪: জামিননামা বাজেয়াপ্তি পদ্ধতি-

(১) যে আদালত এই আইন অনুসারে জামিননামা গ্রহণ করেছেন সেই আদালত অথবা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে,অথবা জামিননামাটি কোন আদালতে হাজির হবার জন্য প্রদত্ত হলে সেই আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে যখন প্রমানীত হয় যে, জামিননামাটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে তখন আদালত এরূপ প্রমাণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এরূপ মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তিকে উহাতে উল্লেখিত অর্থ প্রদান করতে, অথবা কেন উহা প্রদান করা হবে না তার কারণ দশাতে বলতে পারবেন ।

(২) যদি পর্যাপ্ত কারণ প্রদর্শন করা না হয় এবং জরিমানার টাকা প্রদান করা না হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি বা তিনি মারা গেলে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্য হতে অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের নিমিত্তে পরোয়ানা জারী করে অর্থ আদায়ের জন্য অগ্রসর হতে পারবেন।

(৩) এরূপ পরোয়ানা যে আদালত ইস্যু করেন সেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে কার্যকর করা যাবে; এবং এই আদালত উক্ত সীমার বাইরে উক্ত ব্যক্তি অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের ক্ষমতা দিতে পারবেন; যদি উক্ত সম্পত্তি যে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত তার দ্বারা উহা পৃষ্ঠাঙ্কিত হয়।

(৪) যদি উক্ত জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হয় এবং উক্ত ক্রোক ও বিক্রয় দ্বারা যদি আদায় করা না যায়, তাহলে যে আদালত পরোয়ানা ইস্যু করেছেন সেই আদালতের আদেশক্রমে মুচেলেকাবদ্ধ ব্যক্তি দেওয়ানি জেলে ছয় মাস পর্যন্ত আবদ্ধ থাকবেন।

(৫) আদালত ইহার বিবেচনামূলক ক্ষমতার দ্বারা উল্লেখিত অর্থের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে এবং অংশ বিশেষ পরিশোধে বাধ্য করতে পারবেন।

(৬) কোন জামিননামা বাজেয়াপ্ত হবার পূর্বে উহার জামিনদার মারা গেলে তার সম্পত্তি উক্ত জরিমানা সম্পর্কিত সমস্ত দায় হতে মুক্ত হয়ে যাবে।

(৭) যে ব্যক্তি ১০৬ বা ১১৮ বা ৫৬২ ধারা অনুসারে জামানত দিয়াছে সেই ব্যক্তি যদি এমন কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় যে অপরাধ করা তার জামিননামার শর্ত লংঘন' বলে পরিগনিত হয়, অথবা তার ৫১৪খ ধারার জামিননামার শর্ত লংঘন বলে পরিগণিত হয়, তাহলে যে আদালত তাকে উক্ত অপরাধে দণ্ডিত করেছেন, সেই আদালতের রায়ের একটি সইমোহর সকল এই ধারা অনুসারে তার জামিনদার বা জামিনদারগণের বিরুদ্ধে আনীত প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে, এবং এই নকল এভাবে ব্যবহৃত হলে বিপরীত সত্য প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ধরে নিবেন যে, সে উক্ত অপরাধ করেছে।
২,৪৬২.
জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে তাকে কত সময় পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগরে আটক রাখা যাবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৪ ধারা অনুযায়ী জামিননামা বাজেয়াপ্তির ক্ষেত্রে মুচলেকাবদ্ধ ব্যক্তি কর্তৃক জরিমানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বা ক্রোক এবং বিক্রয়ের মাধ্যমে আদায় করা সম্ভব না হলে, জামিননামার অর্থ পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে ৬ মাস পর্যন্ত দেওয়া কারাগারে আটক রাখা যাবে।
২,৪৬৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ______ আদালতে হাজির করবেন।
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. যাতায়াত সময় বাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
ব্যাখ্যা
- The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

- Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
২,৪৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী, তল্লাশী কার্যক্রমে কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. এক বা ততোধিক
  2. দুই বা ততোধিক
  3. তিন বা ততোধিক
  4. পাঁচ বা ততোধিক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৩(১) অনুসারে তল্লাশী কার্যক্রমে কমপক্ষে দুই বা ততোধিক সাক্ষীর উপস্থিতি প্রয়োজন।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সার্চ-ওয়ারেন্টের অধীনে কোনো স্থানে তল্লাশি শুরু করার আগে, তল্লাশি পরিচালনাকারী কর্মকর্তা বা ব্যক্তিকে সেই এলাকার দুজন বা তার বেশি সম্মানিত বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য ডাকতে হবে। এই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি পরিচালনা করতে হবে এবং তল্লাশির সময় জব্দকৃত জিনিসপত্রের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে, যা এই সাক্ষীরা স্বাক্ষর করবেন। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো তল্লাশি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ রাখা, যাতে কোনো অনিয়ম বা অভিযোগের সুযোগ না থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

২,৪৬৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা অনুসারে, যদি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দেন, তবে কোথায় আপীল করা যাবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালতে
  4. 'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক (Section 406A) অনুযায়ী, ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা জামানত নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে নিম্নরূপ:
(c) যদি আদেশটি অন্য কোনো নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (i.e. neither Chief Metropolitan Magistrate nor Chief Judicial Magistrate nor District Magistrate) দেন,
তাহলে আপীল করা যাবে— জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট।
এখানে প্রশ্নে বলা হয়েছে আদেশটি দিয়েছেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কাজেই তিনি "any other Magistrate" হিসেবে গণ্য হবেন।
- অতএব, তিনি যদি জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান বা নাকচ করেন, তবে আপীল করা যাবে: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (Option ক) অথবা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Option খ)
- এজন্য সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' বা 'খ'।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।
২,৪৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে?
  1. উক্ত স্ত্রীলোকের পরিবারের যেকোন সদস্য
  2. শালীনতা বজায় রেখে নারী পুলিশ
  3. শালীনতা বজায় রেখে যেকোন স্ত্রীলোক
  4. শালীনতা বজায় রেখে নারী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোন মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে। 

Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
২,৪৬৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী বিনা পরোয়ানায় পুলিশ একজন ব্যক্তিকে কয়টি ক্ষেত্রে গ্রেফতার করতে পারবেন?
  1. ৮টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
(i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে।
(ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে।
(iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)।
(iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে।
(v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে।
(vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)।
(vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে।
(viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা
(ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
২,৪৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্ত(Post-mortem) এর কথা উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৭৪ (৩)
  2. ধারা ১৭৬ (২)
  3. ধারা ১৭৫ (২)
  4. ধারা ১৭৬ (১)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(৩) ধারায় ময়নাতদন্ত (Post-mortem) এর কথা বলা হয়েছে।কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
> আত্মহত্যা করেছে,অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে,অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে

অর্থ্যাৎ মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে বা অন্য কোন কারণে এই সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম সাপেক্ষে পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪(৩) অনুসারে ময়নাতদন্তের(Post mortem) জন্য লাশটি নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করবেন।তবে আবহাওয়ার অবস্থা ও দূরত্বের জন্য লাশটি রাস্তায় পঁচে যাবার আশঙ্কা থাকলে ময়নাতদন্ত করা অর্থহীন হয়ে যাবে।সেক্ষেত্রে লাশ প্রেরণের প্রয়োজন নেই।
২,৪৬৯.
আবেদন সাপেক্ষে আসামী পক্ষকে কতদিনের মধ্যে রায়ের নকল দিতে হবে?
  1. অনতিবিলম্বে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজাদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুযায়ী,
আসামি আবেদন করলে আদালত অনতিবিলম্বে রায়ের নকল খরচ ছাড়া উক্ত পক্ষকে দিতে বাধ্য থাকবে।
 
Section 371- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application
 
⇒ On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a case under Chapter XX, be given free of cost. 

⇒ When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
২,৪৭০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৩৩ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উপদ্রব অপসারণ
  2. রাজনৈতিক সন্তোষ
  3. জমির দখলজনিত বিরোধ
  4. ভূমি বিরোধ জনিত শান্তি ভংগের আশঙ্কা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারার বিধান অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোন ভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গণউপদ্রব অপসারনের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন-
i) জনসাধারনের আইনসঙ্গত ব্যবহৃত পথ, নদী, খাল, প্রকাশ্য স্থান (public place) থেকে বেআইনী বাধা বা উৎপাত অপসারণ।
ii) জনসাধারনের স্বাস্থ্য বা শারীরিক আরামের জন্য ক্ষতিকর ব্যবসা, পেশা বা পণ্যদ্রব্যকে নিষিদ্ধ, নিয়ন্ত্রন বা অপসারণ।
iii) অগ্নিকান্ড বা বিস্ফোরণের আশংকাযুক্ত দ্রব্যের নিরাপদ সংরক্ষণের আদেশ।
iv) যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে এরকম ঘর, তাবু বা গাছ প্রভৃতির অপসারণ বা ঠেস দেয়ার নির্দেশ। v) সর্বসাধারণের স্থানে (public place) পুকুর, কূপ বা গর্তের চারদিকে বেড়া দেয়ার নির্দেশ।
vi) বিপজ্জনক পশু বা প্রাণীকে আটক বা ধ্বংসের নির্দেশ।
২,৪৭১.
নিচের কোন আইনে সরাসরি Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
  2. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
ব্যাখ্যা
⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান উল্লিখিত প্রশ্নের নিম্নলিখিত আইনগুলোতে রয়েছে:
- অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ – এই আইনে মামলা নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে ADR-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
- পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ – এই আইনের ধারা ১১ ও ১৪-তে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে ADR পদ্ধতির বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ – ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী আদালতের সহায়তায় মধ্যস্থতা, সালিশ, সমঝোতার মাধ্যমে ADR বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সাধারণভাবে Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত কোনো স্পষ্ট বা সরাসরি বিধান নেই।
- কারণ এটি মূলত অপরাধ সংক্রান্ত বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনা করে। কিছু ক্ষেত্রে আপস (compounding of offences) করার সুযোগ থাকলেও তা ADR নয়, বরং আইনসিদ্ধ নির্দিষ্ট আপসযোগ্য অপরাধের একটি সীমিত ক্ষেত্র।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫-এ যেসব অপরাধ আপসযোগ্য, এটি ADR নয়, বরং ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার অংশ।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮।
২,৪৭২.
অভিযোগ গঠনের পর পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতিতে কোনো মামলা প্রত্যাহার করলে আসামীকে ________ দিতে হবে।
  1. মুক্তি
  2. দণ্ড
  3. খালাস
  4. অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
২,৪৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারা অনুসারে ফৌজদারি আদালতের অধিবেশনের স্থানকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. বন্ধ আদালত
  2. উন্মুক্ত আদালত
  3. সীমিত আদালত
  4. গোপনীয় আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারা বলছে, "কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, সেই স্থানটিকে 'উন্মুক্ত আদালত' (open court) হিসেবে বিবেচনা করা হবে, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত সেখানে স্থান সংকুলান হয়, ততক্ষণ সর্বসাধারণ সেখানে প্রবেশ করতে পারবে।"
- অর্থাৎ, ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জনগণের দৃষ্টিসীমায় রাখার জন্য আদালতের কার্যক্রম সাধারণত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- তবে, ধারা ৩৫২-এ একটি শর্ত আছে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে কোনো মামলার নির্দিষ্ট ধাপে গোপনীয়তা প্রয়োজন, তাহলে তিনি আদেশ দিতে পারেন যে সর্বসাধারণ বা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি আদালতের কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে:
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 352: Courts to be open:
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
২,৪৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, অপহরণ ইত্যাদি বিশেষ অপরাধের বিচারের স্থান সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮৮ ধারা
  2. ১৮১ ধারা
  3. ১৮২ ধারা
  4. ১৮৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮১ ধারায় বিশেষ কিছু অপরাধের বিচারের স্থান ঠগ,ডাকাতি,অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ,চুরি এবং অপহরনের ক্ষেত্রে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে

ক) ঠগ,ঠগ হয়ে খুন,ডাকাতি ও খুনসহ ডাকাতির অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারের স্থান (Being a thug or belonging to a gang of dacoits, escape from custody etc.)- ঠগ,ঠগ হয়ে খুন,ডাকাতি ইত্যাদি অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি যেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে রয়েছে,সেই আদালতে বিচার হবে।

গ) অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিচারের স্থান(Criminal misappropriation and criminal breach of trust)-
অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের ক্ষেত্রে যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির কোন অংশ রেখেছে বা যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে,সেই আদালতে বিচার হবে।

গ) চুরি বা চোরাইমাল দখল সম্পর্কিত অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারের স্থান (theft or the possession of stolen property)-
চুরি বা চোরাইমাল সম্পর্কিত অপরাধের ক্ষেত্রে যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে চুরি সংঘটিত হয়েছে বা চোরাইমাল রয়েছে,সেই আদালতে বিচার হবে।
২,৪৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২২ ধারার অনুযায়ী আদালত দণ্ডের তারিখ হতে একমাসের মধ্যে বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দিবার আদেশ দিতে পারবেন। যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখ করা হয়-
  1. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ দ্বারা
  2. শক্তি প্রদর্শন দ্বারা
  3. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২২ ধারার বিধানঃ (১) যখন কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয়, এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখ করা হয়েছে, তখন আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানের সময় বা এই দণ্ডের তারিখ হতে একমাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দিবার আদেশ দিতে পারবেন।

(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে উক্ত আদেশ দ্বারা তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

(৩) যেকোন আপীল আদালত, দণ্ড অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
২,৪৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৬ অনুসারে আপিল আদালত আপিল চলাকালীন দণ্ড স্থগিত রাখার পাশাপাশি আর কী করতে পারে?
  1. শাস্তি বাড়াতে পারে
  2. দণ্ড বাতিল করতে পারে
  3. নতুন করে বিচার করতে পারে
  4. অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৬(১) অনুসারে, আপিল আদালত আপিল চলাকালীন দুইটি কাজ করতে পারে:
১. দণ্ড বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত রাখতে পারে।
২. যদি দণ্ডিত ব্যক্তি বন্দী থাকেন, তাকে জামিনে বা স্ব-জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
অতএব, দণ্ড স্থগিত রাখার পাশাপাশি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষমতা আপিল আদালতের রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ৪২৬: আপিল চলাকালীন দণ্ড স্থগিতকরণ এবং আপিলকারীকে জামিনে মুক্তি:
(১) যখন কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করে এবং সেই আপিল বিচারাধীন থাকে, তখন আপিল আদালত, লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে, যে দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তা কার্যকর করা স্থগিত রাখতে পারে এবং যদি সেই ব্যক্তি বন্দী থাকে, তবে তাকে জামিনে বা স্ব-জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।
(২) আপিল আদালতের উপর যে ক্ষমতা এই ধারায় আরোপ করা হয়েছে, তা হাইকোর্ট বিভাগও প্রয়োগ করতে পারে, যদি আপিল তার অধীনস্থ কোনো আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক করা হয়ে থাকে।
(২ক) যদি কোনো ব্যক্তি ১ (এক) বছরের বেশি নয় এমন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকার থাকে, এবং যদি দণ্ডিত ব্যক্তি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে তিনি আপিল দায়ের করতে চান, তাহলে আদালত আদেশ দিতে পারে যে তাকে এমন একটি সময়ের জন্য জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে যা আপিল দায়ের ও আপিল আদালতের আদেশ প্রাপ্তির জন্য যথেষ্ট মনে করে, এবং যতদিন তিনি জামিনে মুক্ত থাকবেন, ততদিন তার দণ্ড স্থগিত থাকবে বলে গণ্য হবে।
(২খ) যদি হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হয় যে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রতি বিশেষ অনুমতি (special leave to appeal) পেয়েছেন, সেই দণ্ড বা আদেশের বিরুদ্ধে যা হাইকোর্ট বিভাগ প্রদান বা বহাল রেখেছে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ চাইলে আদেশ দিতে পারে যে, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দণ্ড বা আদেশ স্থগিত থাকবে, এবং যদি ঐ ব্যক্তি কারাবন্দী থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যাবে।
(৩) যদি আপিলকারী শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা পরিবহণে (transportation) দণ্ডিত হন, তাহলে তিনি যে সময় জামিনে মুক্ত ছিলেন, তা সেই দণ্ডের মেয়াদ গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না, অর্থাৎ সে সময় বাদ যাবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 426: Suspension of sentence pending appeal Release of appellant on bail:
(1) Pending any appeal by a convicted person, the Appellate Court may, for reasons to be recorded by it in writing, order that the execution of the sentence or order appealed against be suspended and, also, if he is in confinement, that he be released on bail or on his own bond.
(2) The power conferred by this section on an Appellate Court may be exercised also by the High Court Division in the case of any appeal by a convicted person to a Court subordinate thereto.
(2A) When any person is sentenced to imprisonment for a term not exceeding one year by a Court, and an appeal lies from that sentence, the Court may, if the convicted person satisfies the Court that he intends to present an appeal, order that he be released on bail for a period sufficient in the opinion of the Court to enable him to present the appeal and obtain the orders of the Appellate Court under sub-section (1) and the sentence of imprisonment shall, so long as he is so released on bail, be deemed to be suspended.
(2B) Where High Court Division is satisfied that a convicted person has been granted special leave to appeal to the 2[Appellate Division of the Supreme Court] against any sentence which it has imposed or maintained, it may if it so thinks fit order that pending the appeal the sentence or order appealed against be suspended, and also, if the said person is in confinement, that he be released on bail.
(3) When the appellant is ultimately sentenced to imprisonment, or transportation, the time during which he is so released shall be excluded in computing the term for which he is so sentenced.

২,৪৭৭.
ফৌজদারি সমনে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আদালতের কর্মচারী
  2. আদালতের বিচারক
  3. বাদির অ্যাডভোকেট
  4. সমন জারিকারক
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরমঃ (১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।

(২) সমন জারিকারকঃ এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
২,৪৭৮.
তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
২,৪৭৯.
রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের মামলার ক্ষেত্রে কার অনুমতি সাপেক্ষে মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. প্রধান বিচারপতির অনুমতিক্রমে
  2. হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের অনুমতিক্রমে
  3. সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার অনুমোদনক্রমে
  4. বিচারিক আদালতের অনুমতিক্রমে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো আদালত এমন কোনো অপরাধের বিচার কার্যক্রম শুরু করতে পারবে না, যা দণ্ডবিধির অধ্যায় VI অথবা অধ্যায় IXA এ উল্লিখিত, বা দণ্ডবিধির ধারা ১০৮ক, ১৫৩্ক, ২৯৪A, ২৯৫ক ও ৫০৫ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য, যদি না সেই অপরাধের বিষয়ে সরকার বা সরকারের কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার আদেশে কিংবা অনুমোদনে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে এই নিয়মের আওতাভুক্ত নয় দণ্ডবিধির ১২৭ ধারা।

[No Court shall take cognizance of any offence punishable under Chapter VI or IXA of the Penal Code (except section 127), or punishable under section 108A, or section 153A, or section 294A, or section 295A or section 505 of the same Code, unless upon complaint made by order of, or under authority from, the Government, or some officer empowered in this behalf by the Government].
২,৪৮০.
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারাধীন মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানীর বিধান উল্লেখ রয়েছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
  1. ২৪১
  2. ২৪৪
  3. ২৪৫
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর অধ্যায় XX এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলার বিচার প্রক্রিয়ার বিধান আছে।

ধারাসমূহ:
২৪১। মামলার কার্যবিধি;
২৪১ক। কখন আসামী খালাস পাবে;
২৪২। অভিযোগ প্রস্তুত করা;
২৪৩। অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্তকরণ;
২৪৪। যখন এমন কোনো স্বীকারোক্তি নেই তখন কার্যবিধি;
২৪৫। খালাস দেওয়া;
২৪৭। ফরিয়াদীর অনুপস্থিতি;
২৪৮। অভিযোগ প্রত্যাহার;
২৪৯। যখন কোনো ফরিয়াদী থাকে না তখন কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা।

ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারাধীন মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানীর বিধান The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আলাদা ভাবে উল্লেখ করা নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে 'ঘ) কোনোটিই নয়' নেয়া হয়েছে।
২,৪৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুসারে, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল কাদের নিকট প্রেরণ করবে না?
  1. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিকট
  2. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিকট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ অনুসারে, দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (মহানগর ক্ষেত্রে) অথবা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (জেলা ক্ষেত্রে) এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।
- তবে এই ধারায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের নিকট নকল প্রেরণের কোনো বিধান নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ- দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

২,৪৮২.
ধারা ৯৬ অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯৬- কখন তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করা যেতে পারে:

১. পরোয়ানা বা আদেশের কারণে:
যে কোনো আদালত বিশ্বাস করার কারণ পায় যে, যাকে ৯৪ ধারার অধীনে সমন বা ৯৫ ধারার (১) উপ-ধারার অধীনে রিকুইজিশন জারি করা হয়েছে বা হতে পারে, সে ব্যক্তি উক্ত সমন বা রিকুইজিশনের মাধ্যমে যে দলিল বা বস্তু দাখিল করতে হবে তা দাখিল করবে না বা সম্ভবত দাখিল করবে না।

২. অজানা দখল:
যদি আদালত জানে না যে উক্ত দলিল বা বস্তু কোনো ব্যক্তির দখলে আছে।

৩. সাধারণ অনুসন্ধান প্রয়োজন:
যদি আদালত মনে করে যে, এই কার্যবিধির অধীনে পরিচালিত কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যক্রমের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন প্রয়োজন।

এই পরিস্থিতিতে, আদালত তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবে। যাকে এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে, সে উক্ত পরোয়ানার অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবে এবং পরবর্তী বিধান অনুসরণ করবে।

সীমাবদ্ধতা:
এই ধারার অধীনে কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এটি করার অনুমতি নেই, বিশেষ করে ডাকঘর বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা দলিল, পার্সেল বা অন্য কোনো বস্তু তল্লাশির জন্য।

২,৪৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪০ মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আপিলের বিধান
  2. জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ
  3. রিভিশন শুনানির সময় পক্ষের বক্তব্য
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ 
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
২,৪৮৪.
সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত সাধারণ ফৌজদারি আদালত কয় প্রকার?
  1. ২ প্রকারের
  2. ৪ প্রকারের
  3. ৫ প্রকারের
  4. ৬ প্রকারের
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬-এ বলা হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্ট ও অন্যান্য স্পেশাল আদালত ছাড়া দেশে ফৌজদারি ২ প্রকারের আদালত থাকবে- দায়রা আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
২,৪৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬ অনুসারে, বাংলাদেশে কত প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মূলত দুই প্রকার ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে। এই দুই প্রকার আদালত হলো:
১) দায়রা আদালত (Courts of Sessions)
২) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত (Courts of Magistrates)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(ক) দায়রা আদালত; এবং
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; সুপ্রিম
(ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(ক) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

২,৪৮৬.
কোন পরিস্থিতিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ অনুযায়ী পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর তদন্ত করা আবশ্যক নয়?
  1. আত্মহত্যা
  2. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু
  3. শত্রুর আক্রমণে মৃত্যু
  4. সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪(১)-এর প্রভাইজো (Proviso)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "Provided that, শর্ত থাকে যে, সরকার ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে, শত্রুর কার্যক্রমে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে এই উপ-ধারার অধীন কোন তদন্ত করা বা কোন রিপোর্ট প্রস্তুত করা বা ইঙ্কোয়েস্ট (inquests) করার ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে কোন খবর দেওয়া প্রয়োজন হইবে না।"
- সুতরাং, শত্রুর আক্রমণে (enemy action) মৃত্যুর ক্ষেত্রে সরকার ভিন্ন নির্দেশ না দিলে, ধারা ১৭৪-এর অধীন তদন্ত করা, রিপোর্ট প্রস্তুত করা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দেওয়া আবশ্যক নয়।
- অন্য সকল ক্ষেত্রে (আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা, সন্দেহজনক মৃত্যু) এই ধারা অনুযায়ী পুলিশের তদন্ত করা বাধ্যতামূলক।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police-station or some other police-officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person-
(a) has committed suicide, or
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence,
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted:
Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests.

(2) The report shall be signed by such police-officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate.
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police-officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless.
(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.

২,৪৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী, মামলার পক্ষগণ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতকে কী প্রদান করতে পারে?
  1. সাক্ষীর তালিকা
  2. মামলার নথিপত্র
  3. লিখিত প্রশ্নমালা
  4. জামিনের আবেদন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার (১) উপ-ধারা অনুযায়ী, যেসব মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়, সেই মামলার পক্ষগণ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের নিকট মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারেন। পরবর্তীতে কমিশন কার্যকরকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা কর্মকর্তা ওই প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) লিখিত প্রশ্নমালা। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.

২,৪৮৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় 'নালিশ'-এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৪(খ)
  2. ধারা ৪(জ)
  3. ধারা ৪(ঠ)
  4. ধারা ৪(ন)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(জ)-এ "নালিশ" (Complaint) এর স্পষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। এটি ইংরেজিতে Section 4(h) হিসেবে উল্লেখিত, যা বাংলা পাঠ্যে উপ-ধারা (জ) হিসেবে সংখ্যায়িত।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)- "নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।
অর্থাৎ অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্ত অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h) "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

২,৪৮৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করতে পারেন কে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে। দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে,কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। 
অর্থাৎ,মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে। ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত,অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
২,৪৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৯ অনুযায়ী পুলিশ অফিসারের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. অপরাধের তদন্ত করা
  2. অভিযোগ নথিভুক্ত করা
  3. আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধ করা
  4. আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure, 1898) ধারা ১৪৯ অনুযায়ী, প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্ব হলো আমলযোগ্য  অপরাধ (cognizable offence) সংঘটিত হওয়া প্রতিরোধ করা।
এই ধারায় বলা হয়েছে: “Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.”
অর্থাৎ, পুলিশ কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধের জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারেন এবং তাঁর সাধ্যমতো এই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করবেন।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) অপরাধের তদন্ত করা: এটি পুলিশের দায়িত্বের অংশ হলেও ধারা ১৪৯-এর প্রধান ফোকাস নয়। অপরাধের তদন্ত অন্যান্য ধারা, যেমন ধারা ১৫৬, এর আওতায় পড়ে।
খ) অভিযোগ নথিভুক্ত করা: অভিযোগ নথিভুক্ত করা (FIR) ধারা ১৫৪-এর অধীনে পড়ে, ধারা ১৪৯-এর নয়।
ঘ) আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা: এটি পুলিশের দায়িত্ব হতে পারে, কিন্তু ধারা ১৪৯-এর সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
সুতরাং, ধারা ১৪৯ অনুযায়ী পুলিশ কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্ব হলো আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধ করা।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 149. Police to prevent cognizable offences:
- Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.

২,৪৯১.
স্ত্রী লোকের দেহ তল্লাশী কত ধারামতে করা যেতে পারে?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারা মতে
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭ ধারা মতে
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৬ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

----------------
♦ Mode of searching women:
Section 52.
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
২,৪৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) এর বিধান আছে?
  1. ৩৩
  2. ৩৬
  3. ৩৭
  4. ৩৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার (Ordinary powers of Magistrates) এর কথা বলা হয়েছে।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারা- ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা:

সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
-------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 36- Ordinary powers of Magistrates:
-All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
২,৪৯৩.
রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তির সময়সীমা গণনা শুরু হবে কোন তারিখ থেকে?
  1. রায় ঘোষণার তারিখ থেকে
  2. আবেদন দায়েরের তারিখ থেকে
  3. পক্ষগণের উপর নোটিশ জারির তারিখ থেকে
  4. বিচারকের আদেশের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান: আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.

২,৪৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী কমিশন কার্যকরীকরণের জন্য অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখা যায়?
  1. ধারা ৫১০
  2. ধারা ৫০৯
  3. ধারা ৫০৮
  4. ধারা ৫০৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫০৮-এর শিরোনামই হলো "অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ" (Adjournment of inquiry or trial)।
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫০৮ (Section 508)-এ স্পষ্টভাবে বিধান করা হয়েছে যে, ধারা ৫০৩ বা ধারা ৫০৬-এর অধীনে কমিশন জারি হলে, কমিশন কার্যকরীকরণ এবং ফেরত দেওয়ার জন্য ন্যায়সঙ্গতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়ের জন্য অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি (adjourned) রাখা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

২,৪৯৫.
'ক' দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদোহিতা অপরাধে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে তাকে আপিল করতে হবে-
  1. দায়রা জজ বরাবর
  2. হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-

(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে;
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class

Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge, Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a) When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b) When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
২,৪৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারা অনুসারে, কখন ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. রায় ঘোষণার পর
  2. রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময়
  3. মামলার তদন্ত শুরু হওয়ার আগে
  4. শুধুমাত্র জামিনের আবেদনের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ অনুযায়ী, রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় আদালত অভিযুক্ত বা সাক্ষ্যদাতার সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে শর্তসাপেক্ষ ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারী বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
২,৪৯৭.
কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য কার নিকট ফেরত দিতে হবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের নিকট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান

(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হবার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহিত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।

(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।

Section 507- Return of commission
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record. 
 
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
২,৪৯৮.
এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?
  1. নালিশটি লিখিত আকারে রূপান্তর করবেন
  2. নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  3. নালিশটি খারিজ করে দিবেন
  4. নালিশকারীকে পুনরায় আসতে বলবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case:
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect.
(2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
২,৪৯৯.
কোন ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ রিভিশনাল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪৩৮
  2. ধারা ৪৩৯
  3. ধারা ৪৩৯ক
  4. ধারা ৪৪০
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে। দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final.

(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
২,৫০০.
চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে কত ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. ধারা ২৪৩
  2. ধারা ২৪১(ক)
  3. ধারা ২৪২
  4. ধারা ২৪৫
ব্যাখ্যা
• চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে।

[ধারা-২৪১(ক)] 
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate): আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে।অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে।পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট,পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট,তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি।
আর নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ,বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার-
২৪১(ক) ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দিলে,ফরিয়াদী উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের করতে পারে।