বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ১৮ / ২৯ · ১,৭০১১,৮০০ / ২,৮৮৩

১,৭০১.
হাইকোর্ট বিভাগে দণ্ড অনুমোদন বা নতুন দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে কমপক্ষে কতজন বিচারকের স্বাক্ষর আবশ্যক?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৭- নতুন দণ্ড অনুমোদনের ক্ষেত্রে দুইজন বিচারকের স্বাক্ষর আবশ্যক:
যেসব মামলায় দণ্ড অনুমোদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করা হয়, এবং হাইকোর্ট বিভাগ যদি দুইজন বা ততোধিক বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত হয়, তাহলে সেই আদালতের প্রদত্ত দণ্ড অনুমোদন, অথবা যে কোন নতুন দণ্ড বা আদেশ অবশ্যই কমপক্ষে দুইজন বিচারক কর্তৃক প্রদান, গৃহীত ও স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges-
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
১,৭০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫(চ) ধারার অধীন দায়রা আদালত,মামলার কোন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তারিখ ধার্য করবেন?
  1. অভিযোগকারী পক্ষ
  2. অভিযুক্ত পক্ষ
  3. উভয় পক্ষ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দায়রা আদালত ২৬৫(চ) ধারা অনুসারে ফরিয়াদিপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণের জন্য একটি তারিখ ধার্য করবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫(চ)-
২৬৫ঙ ধারার অধীন অভিযুক্ত যদি দোষ স্বীকার করে তাহলে আদালত তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারবেন।আর যদি দোষ অস্বীকার করতে বা বক্তব্য পেশ না করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে দণ্ড প্রাপ্ত না হয়,তাহলে আদালত ২৬৫(চ) ধারা অনুসারে ফরিয়াদিপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণের জন্য একটি তারিখ ধার্য করবেন এবং বাদী পক্ষের আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীকে উপস্থিত হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করার জন্য প্রসেস ইস্যু করতে পারবেন ।
১,৭০৩.
According to Section 402 of the Code of Criminal Procedure, who has the power to commute punishment for a convicted person?
  1. The President
  2. The High court
  3. The Government
  4. The Trail Court
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:- death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine. 
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code. 
----------------------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোন দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে।যেমন মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে ১০ বৎসর করতে পারে বা ১০ বৎসরের দণ্ড হ্রাস করে ৭ বৎসর করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারার বিধান:-সাজা রদ বদলের ক্ষমতা:
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানাবলীকে প্রভাবিত করবে না।
১,৭০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের______ কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
  1. ২য়
  2. ৪র্থ
  3. ১ম
  4. ৩য়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 

• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ত(২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।

• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
১,৭০৫.
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে তা নির্ধারণ করেন কে?
  1. সংশ্লিষ্ট আদালত
  2. কারা কর্তৃপক্ষ
  3. সরকার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারাঃ ৫৪১ (১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন
১,৭০৬.
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কিভাবে নালিশ দায়ের করা যায়?
  1. মৌখিক ভাবে
  2. লিখিত ভাবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট যেই রকম আদেশ দেন
  4. ক বা খ 
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়ের করা হয় নালিশের মাধ্যমে এবং থানায় মামলা দায়ের করা হয় এজাহার বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণীর মাধ্যমে। নালিশ মৌখিক বা লিখিত দু'ভাবেই হতে পারে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবেনা।”

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে;

• নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে । সুতরাং নালিশ (Complaint ) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

• নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
১,৭০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দায়রা আদালতে আপিল শুনানীর পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪১০
  2. ধারা ৪০৯
  3. ধারা ৪০৮
  4. ধারা ৪০৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০৯-এ দায়রা আদালতে আপিল শুনানীর পদ্ধতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে:
- দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আপিল শুনানি করবেন
- অতিরিক্ত দায়রা জজ শুধুমাত্র সরকার বা দায়রা জজ কর্তৃক নির্দেশিত আপিলই শুনানি করতে পারবেন

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপিলের শুনানীর পদ্ধতি:-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপিল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপিলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
১,৭০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ বা ১১০ ধারা অনুসারে মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে কারাদণ্ডের প্রকৃতি হতে পারে-
  1. শুধু বিনাশ্রম
  2. সশ্রম অথবা বিনাশ্রম
  3. শুধু সশ্রম
  4. শুধু অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৫) কারাদণ্ডের প্রকারঃ শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।

(৬) সদাচরণের মুচলেকা প্রদানে অক্ষমতার জন্য কারাদণ্ড ধারা-১০৮ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া থাকলে বিনাশ্রম এবং ১০৯ বা ১১০ ধারামতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকলে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশে সশ্রম বা বিনাশ্রম হবে।

-------------------
Kind of imprisonment
Section 123(5)
Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 
 
(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
১,৭০৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 342 এর কার্যক্রমে অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়-
  1. চার্জশীটের প্রতি
  2. গঠিত চার্জের প্রতি
  3. নির্ধারিত সাজার প্রতি
  4. প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ধারা ৩৪২ এর কার্যক্রমে প্রাপ্ত সাক্ষ্যের প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused
১,৭১০.
ধারা ২৪৯ এর অধীনে বিচার কার্যক্রম বন্ধ করার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে-
  1. কারাগারে পাঠানো হবে
  2. মুক্তি দেওয়া হবে
  3. নতুন করে বিচার করা হবে
  4. জরিমানা করা হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।

উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

[In any case instituted otherwise than upon complaint,a Metropolitan Magistrate,a Magistrate of the first class or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction and may thereupon release the accused.]
১,৭১১.
অভিযুক্ত মানসিকভাবে অসুস্থ এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপারগ হলে, আদালত কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. জামিনযোগ্য মামলায় খালাস দিতে পারে
  2. জামিনঅযোগ্য বা জামিনযোগ্য মামলায় অব্যাহতি দিতে পারে
  3. জামিনযোগ্য মামলায় অব্যাহতি দিতে পারে
  4. জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য উভয় ধরনের মামলার ক্ষেত্রে মুক্তি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৬ অনুসারে-
অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক অসুস্থ ও আত্মপক্ষ সমর্থনে অপারগ হলে তিনি জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য মামলার ক্ষেত্রেও পর্যাপ্ত জামানত প্রদান সাপেক্ষে মুক্তি পাবেন। যেক্ষেত্রে উন্মাদকে জামিন প্রদান করা যায় না, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত তাকে নিরাপদ হেফাজতে আটক রাখার নির্দেশ দিবেন।

Section 466: Release of lunatic pending investigation or trial
(1) Whenever an accused person is found to be of unsound mind and incapable of making his defence, the Magistrate or Court, as the case may be, whether the case is one on which bail may be taken or not, may release him on sufficient security being given that he shall be properly taken care of and shall be prevented from doing injury to himself or to any other person, and for his appearance when required before the Magistrate or Court or such officer as the Magistrate or Court appoints in this behalf. 
 
(2) If the case is one in which, in the opinion of the Magistrate or Court, bail should not be taken, or if sufficient security is not given, the Magistrate or Court, as the case may be, shall order the accused to be detained in safe custody in such place and manner as he or it may think fit, and shall report the action taken to the Government:
১,৭১২.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্তকার্য সম্পন্ন করার বিধানটি-
  1. নির্দেশনামূলক
  2. বিচার-বিবেচনামূলক
  3. বাধ্যতামূলক
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬৭ অনুযায়ী- পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় হচ্ছে ১২০ দিন। ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য সকল অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন এবং দায়রা আদালত মৃত্যুদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধসহ সকল ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন।

♦উল্লেখ্য ফৌজদারী কার্যবিধির এ বিধানটি আদালতের প্রতি নির্দেশনামূলক, বাধ্যতামূলক নয়
১,৭১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার সময় কী রেকর্ড করতে হবে?
  1. তদন্ত প্রতিবেদন
  2. অব্যাহতির কারণ
  3. ফরিয়াদির জবানবন্দি
  4. অভিযুক্তের জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) অব্যাহতির কারণ।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে তিনি চার্জ গঠনের আগে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন। তবে, এই আদেশ দেওয়ার সময় ম্যাজিস্ট্রেটকে অব্যাহতির কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে।
- ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথিপত্র ও দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন।
- আদালত তদন্ত প্রতিবেদন, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও অন্যান্য তথ্য বিবেচনায় নিয়ে যদি দেখেন যে অভিযোগ ভিত্তিহীন, তখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
- এক্ষেত্রে অব্যাহতির কারণ লিখিত আকারে রেকর্ড করতে হয়।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো আসামিকে অব্যাহতি দেন, তাহলে তাকে অব্যাহতির কারণ স্পষ্টভাবে রেকর্ড করতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
১,৭১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারায় মামলা বা আপিল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত কে নিতে পারে?
  1. দায়রা আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারার বিধান:- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত আপিল, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল আপিল করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।

১,৭১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজ করার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নের কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন?
  1. ২০২ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট
  2. ফরিয়াদী কর্তৃক শপথপূর্বক প্রদত্ত বিবৃত্তি (যদি থাকে)
  3. ২০২ ধারার অধীন অনুসন্ধান রিপোর্ট
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করে দিতে পারেন। যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হয়েছিল বা যার নিকট নালিশটি বদলি করা হয়েছিল, শুধুমাত্র সেই ম্যাজিস্ট্রেট ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজ করতে পারেন।

নালিশ খারিজ করতে ম্যাজিস্ট্রেট যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-

ক) ২০০ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য (যদি থাকে) এবং
খ) ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করবে।

• নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য (যদি থাকে) এবং ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করার পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করে যে, মামলা পরিচালনা বা অগ্রসর হওয়ার কোন কারণ নেই তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করতে পারে। ২০০ ধারায় নালিশ খারিজ বলতে অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি বা খালাস বোঝায় না।

• প্রতিকার :
- ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজের আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। যেক্ষেত্রে ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ খারিজ করে, সেই ক্ষেত্রে দায়রা জজ বা হাইকোর্ট বিভাগ ৪৩৬ এবং ৪০৯ ধারায় অধিকতর অনুসন্ধানের [further inquiry] নির্দেশ দিতে পারে।

 - ২০৩ বা ২০৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করলেও একই বিষয়ে নতুন অভিযোগ দায়ের করা যাবে। এই ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার দোবারা সাজার (double jeoparty) নীতি প্রযোজ্য হবে না।
১,৭১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. পুলিশি তদন্ত পরিচালনা
  2. অভিযুক্তের জামিন বাতিল করা
  3. পলাতক আসামিকে সাজা দেওয়া
  4. পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১২ মূলত এমন একটি পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য যেখানে আসামি পলাতক, এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই। এই পরিস্থিতিতে, মামলার বিচারক আসামির অনুপস্থিতিতেই বাদীপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করে তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন। এই জবানবন্দি পরবর্তীকালে আসামি ধরা পড়লে বা বিচারে উপস্থাপন করলে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, যদি সাক্ষী মারা যান, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হন, অথবা বাংলাদেশের বাইরে চলে যান এবং সাক্ষ্য গ্রহণে অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হয়।
- অর্থাৎ, এই ধারার প্রধান লক্ষ্য হলো পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য সংরক্ষণ করে ভবিষ্যতের বিচারে সহায়তা করা।
- এটি আসামির বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে, যাতে প্রমাণ নষ্ট না হয় এবং সাক্ষীর মৃত্যু বা অনুপস্থিতির কারণে বিচার প্রভাবিত না হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামি পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারি বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে ।
(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারি করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দি পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.
১,৭১৭.
দায়রা আদালত আসামীকে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________ ধারায় অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন।
  1. 241A
  2. 265D
  3. 265C
  4. 241
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
 
• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
১,৭১৮.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী বলপ্রয়োগের উপায় কতটি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা-এ বলপ্রয়োগের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং বলপ্রয়োগের উপায় তিনটি উল্লেখ করা হয়েছে:
১. প্রথমত: নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
২. দ্বিতীয়ত: কোনো বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির কোনো কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
৩. তৃতীয়ত: কোনো পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ৩টি।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোনো একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
------
The Penal Code,1860: Section 349: Force:
-A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling: Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly, By his own bodily power.
Secondly, By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly, By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.

১,৭১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায় আটককারী অফিসারকে অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
 
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারা: আপত্তিকর অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা-
এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।

Section 53: Power to seize offensive weapons-
The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
১,৭২০.
যদি আদালত চার্জ পরিবর্তন করে, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার অধীন উভয়েই পক্ষের সাক্ষী পুনরায় ডাকতে পারবে?
  1. ২৩০
  2. ২৩১
  3. ২৩৩
  4. ২৩৪
ব্যাখ্যা
অভিযোগ পরিবর্তন হলে সরকার পক্ষ ও অভিযুক্ত পক্ষের যে সকল সাক্ষীর জবানবন্দি ইতঃপূর্বে গ্রহণ করা হয়েছে, এরূপ পরিবর্তন ও সংযোজনের ভিত্তিতে তাদের ধারা ২৩১ এর অধীন পুনঃতলব, পুনঃসমন এবং পুনঃজবানবন্দী গ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে এবং আদালত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করলে অতিরিক্ত সাক্ষীকেও তলবের অনুমতি দিবেন।
 
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩১: চার্জ পরিবর্তিত হলে সাক্ষী পুনরায় ডাকানো:
যখন কোনো মামলা শুরুর পর আদালত চার্জ পরিবর্তন বা সংযোজন করে, তখন প্রসিকিউটর এবং অভিযুক্তকে অনুমতি দেওয়া হবে পূর্বে জিজ্ঞাসাবাদকৃত সাক্ষীদের পুনরায় ডাকতে বা পুনরায় তলব করতে এবং সংশোধিত বা সংযোজিত চার্জের প্রেক্ষিতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে। এছাড়াও, আদালত যে কোনো অতিরিক্ত সাক্ষীকে প্রাসঙ্গিক মনে করলে তাকে ডাকতে পারবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 231. Recall of witnesses when charge altered:
Whenever a charge is altered or added to by the Court after the commencement of the trial, the prosecutor and the accused shall be allowed to re-call or re-summon, and examine with reference to such alteration or addition, any witness who may have been examined and also to call any further witness whom the Court may think to be material.
১,৭২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭৮(৩) অনুযায়ী, ভূমির মালিক বা কৃষক কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কোথায় হস্তান্তর করতে হবে?
  1. অভিযুক্তের আত্মীয়কে
  2. স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে
  3. আদালতের রেজিস্ট্রারকে
  4. নিকটস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৭৮(৩) অনুসারে ভূমির মালিক বা কৃষক কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করতে হবে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭৮(৩) অনুযায়ী- "When the person against whom such warrant is issued is arrested, he shall be made over with the warrant to the nearest police-officer, who shall cause him to be taken before a Magistrate having jurisdiction in the case, unless security is taken under section 76."
- অর্থাৎ, ভূমির মালিক, কৃষক বা ম্যানেজার কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে পরোয়ানাসহ নিকটস্থ পুলিশ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করতে হবে। সেই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে এজকেসের অধিকারী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করবেন (ধারা ৭৬ অনুযায়ী জামিন না নেওয়া ছাড়া)।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-78. Warrant may be directed to landholders, etc.
(1)Magistrate of the first class may direct a warrant to any landholder, farmer or manager of land within his 88[local Jurisdiction] for the arrest of any escaped convict, proclaimed offender or person who has been accused of a non-bailable offence, and who has eluded pursuit. 
(2) Such landholder, farmer or manager shall acknowledge in writing the receipt of the warrant, and shall execute it if the person for whose arrest it was issued, is in, or enters on, his land or farm, or the land under his charge. 
(3) When the person against whom such warrant is issued is arrested, he shall be made over with the warrant to the nearest police-officer, who shall cause him to be taken before a Magistrate having jurisdiction in the case, unless security is taken under section 76.

১,৭২২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কত প্রকার বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা:
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-6: Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 

(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class.

Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
১,৭২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় কী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি
  2. আপসযোগ্য অপরাধসমূহ
  3. দণ্ডবিধির বিশেষ বিধান
  4. জামিনযোগ্য অপরাধসমূহ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা মূলত আপসযোগ্য অপরাধসমূহ (compoundable offences) সম্পর্কে আলোচনা করে।
এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে—
- যে সকল অপরাধ আপসযোগ্য, তাদের তালিকা দেওয়া হয়েছে।
- কোন অপরাধ কোন ব্যক্তির সাথে আপসযোগ্য, সেটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- কিছু অপরাধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মতিতেই আপস করা যায়, আবার কিছু অপরাধে আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস করা যায়।
আপসযোগ্য অপরাধ বলতে বোঝায় এমন অপরাধ, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও ভুক্তভোগী পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারেন।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে কোন অপরাধ আপসযোগ্য এবং কীভাবে আপস করা যাবে। এটি সাক্ষ্য গ্রহণ বা জামিনের সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং আপসযোগ্য অপরাধ সম্পর্কেই আলোচনা করে।
১,৭২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন আদালত নিম্ন আদালতের নথি তলব করতে পারে?
  1. দায়রা জজ আদালত
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত
  3. ক্ষমতাবান মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ আদালত নিম্ন আদালতের নথি তলব করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

[চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক এ সম্পর্কে ক্ষমতাবান মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট শব্দ গুলো Section 83(a) of the Code of Criminal Procedure (Amendment) Act, 2009 দ্বারা বাতিল করা হয়।]
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 435 Power to call for records of inferior Courts-
(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record. 
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial,] shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section
 
[The words and comma “Chief Metropolitan Magistrate or District Magistrate, or any Sub-divisional Magistrate empowered by Government in this behalf” were omitted by section 83(a) of the Code of Criminal Procedure (Amendment) Act, 2009 (Act No. XXXII of 2009) (with effect from 1st November, 2007).]
১,৭২৫.
ফেনী হতে বাসযোগে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার ভ্রমণকালে একটি ফৌজদারী অপরাধ সংঘটিত হলে নিম্নের কোন জেলার আদালতের অপরাধটি বিচারের এখতিয়ার রয়েছে?
  1. ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার
  2. চট্টগ্রাম
  3. ফেনী ও কক্সবাজার
  4. ফেনী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা  ১৮৩- যাত্রার সময় সংঘটিত অপরাধ:
যখন অপরাধী কোনো যাত্রা বা সমুদ্রযাত্রার মধ্যে থাকাকালীন কোনো অপরাধ সংঘটন করে, তখন যে আদালতের এখতিয়ার সীমার মধ্য দিয়ে অপরাধী, বা যার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে, বা যে বিষয়ের ক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে, সেই যাত্রা বা সমুদ্রযাত্রার সময় অতিক্রম করেছে, সেই আদালত দ্বারা অপরাধটি তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

(CrPC) এর ধারা ১৮৩ অনুযায়ী, যদি কোনো অপরাধ ভ্রমণকালে সংঘটিত হয়, তাহলে সেই অপরাধের বিচার সেইসব এলাকার আদালত করতে পারে, যেগুলোর মধ্য দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি, ভুক্তভোগী বা অপরাধ-সম্পর্কিত বস্তুটি যাত্রাকালে অতিক্রম করেছে।

ফেনী থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত যাত্রাপথে যদি অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহলে —
- ফেনী,
- চট্টগ্রাম, এবং
- কক্সবাজার - এই তিন জেলার যেকোনো আদালতের এখতিয়ার থাকবে মামলাটি আমলে নেওয়ার ও বিচার করার জন্য।
১,৭২৬.
বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করবে –
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. অনাবিশ্যক বিলম্ব ছাড়া
  4. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।
১,৭২৭.
পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবে না?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬১ অনুসারে, কোনো পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবেন না। এই ২৪ ঘণ্টার গণনায় গ্রেপ্তারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে যাতায়াতের প্রয়োজনীয় সময় বাদ দেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘণ্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.

১,৭২৮.
When a Court wants to serve summons outside its jurisdiction, it should send the summons to:
  1. Local police station
  2. Post office of that area
  3. Magistrate of that area
  4. District Court of that area
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
-যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 73: Service of summons outside local limits:
-When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
১,৭২৯.
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।

১,৭৩০.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় পুলিশ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্র জব্দ করতে পারে?
  1. ধারা ৫৩
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫১
  4. ধারা ৪৬
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ধারা ৫৩।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে যে কোনো পুলিশ অফিসার বা ব্যক্তি যদি কাউকে গ্রেফতার করে, তাহলে তার কাছে থাকা অস্ত্র বা বিপজ্জনক জিনিস জব্দ করতে পারেন।
এবং জব্দকৃত অস্ত্রগুলো সংশ্লিষ্ট আদালত বা অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে, যার সামনে আসামিকে হাজির করা হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৩ অনুযায়ী: Power to seize offensive weapons:
“The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.”
১,৭৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনযোগ্য অপরাধে কে জামিন দিতে বাধ্য?
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. অদালত
  3. ক বা খ
  4. কেউ নয়
ব্যাখ্যা
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন

বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে যখন কাউকে গ্রেপ্তার অথবা আটক করা হয়, তখন অভিযুক্ত ব্যক্তি অধিকার বলে জামিন চাইতে পারেন। এক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা অদালত সেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিন দিতে আইনত বাধ্য থাকেন। Mia Nuruddin Vs. State and Ors. 68 DLR(AD) (2016) 290 মামলার রায়ে বলা হয় যে, জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালত কোনো ধরনের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। এটি একটি বিধিবদ্ধ অধিকার এবং আদালত এ জাতীয় অধিকারকে হ্রাস করতে পারে না। 

ধারা ৪৯৬ অনুযায়ী কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জামিন চান, তাহলে সেই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিন দিতে বাধ্য থাকবেন। Dharmu Naik vs Rabindranath Acharya 1978 CriLJ 864 মামলায় একজন ব্যক্তি জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ছিলেন, যার জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে নিয়ে নেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি পরবর্তী সময়ে জামিনের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট আবেদন করলেও তিনি জামিন প্রদান না করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন। রায়ে বলা হয়, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে বাধ্য ছিলেন, কারণ জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ধরনের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন না এবং উক্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অন্যায়ভাবে হেফাজতে রাখার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং জরিমানাও করা হয়। সুতরাং কোনো জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি জামিন চাওয়ার পরেও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে জামিন প্রদান না করেন, তাহলে উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি অন্যায়ভাবে হেফাজতে রাখার জন্য মামলা করতে পারবেন। 
১,৭৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫(২) অনুসারে, একটি অপরাধমূলকে কার্য যদি দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অধীনে পড়ে, তবে-
  1. শুধুমাত্র গুরুতর অপরাধে বিচার হবে
  2. একাধিক মামলায় বিচার করতে হবে
  3. একটি চার্জ গঠন করে একাধিক মামলায় বিচার করতে হবে
  4. একাধিক চার্জ গঠন করে একই মামলায় বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩৫: একাধিক অপরাধের বিচার (Trial more than one offence):

(১) পর পর সংঘটিত কতিপয় কার্য যদি পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কার্যগুলি একটিমাত্র কার্যের শামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত কার্য সম্পর্কিত বিষয়ে একাধিক অপরাধ সংঘটিত করে থাকলে এ ধরণের প্রত্যেক অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে একটিমাত্র মামলায় তার বিচার সম্পন্ন করা যেতে পারে।

(২) দুটি সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত অপরাধঃ
অভিযোগকৃত কার্যসমূহ যেক্ষেত্রে এরূপ একটি অপরাধ সৃষ্টি করে, যা বর্তমানে কার্যকর এরূপ কোন আইনের, যা দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা দণ্ড প্রদান করা হয় তার দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় বিচার করা যেতে পারে।

(৩) একাধিক কার্য যেক্ষেত্রে একই ধরণের অপরাধ,কিন্তু একত্রিত করা হলে ভিন্নরূপ অপরাধে পরিণত হয়ঃ
কতিপয় কার্যের মধ্যে একটি কার্য একটি কার্য এককভাবে বা একাধিক কার্য একত্রে একটি অপরাধের সৃষ্টি করলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত মিলিত কার্যাদির অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা সংযুক্ত একাধিক কার্যের অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যেতে পারে।

(৪) এই ধারায় এরূপ কিছু নেই যা দণ্ডবিধির ধারা ৭১ এর বিধানকে প্রভাবিত করে।
১,৭৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালতের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা দেয়া আছে?
  1. ৫২৬ ধারায়
  2. ৫২৬খ ধারায়
  3. ৫২৫ক ধারায়
  4. ৫২৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলা এক ফৌজদারি আদালত হতে অন্য ফৌজদারি আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারি আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারি মামলা বা আপিল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারি মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-
১. আপিল বিভাগের (ধারা- ৫২৫ক),
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা- ৫২৬),
৩. দায়রা জজের (ধারা- ৫২৬খ)।
১,৭৩৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় কিশোর অপরাধীর বিচারের এখতিয়ার বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ২৯ক ধারায়
  2. ২৯ ধারায়
  3. ২৯খ ধারায়
  4. ২৯গ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারার বিধান কিশোরদের বেলায় এখতিয়ার: কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।
-----------------------------------
⇒ CrPC-29B-Jurisdiction in the case of juveniles:
 Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
১,৭৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, এই কোড কোনো বিশেষ আইন, বিশেষ এখতিয়ার বা বিশেষ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ধারা ১(১)
  2. ধারা ১(২)
  3. ধারা ২
  4. ধারা ৩
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ধারা ১(২)
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে যে, এই কোড বাংলাদেশে সর্বত্র প্রযোজ্য হলেও এটি কোনো বিশেষ আইন (special law), বিশেষ এখতিয়ার বা ক্ষমতা (special jurisdiction or power), অথবা অন্য কোনো আইন দ্বারা নির্ধারিত বিশেষ কার্যপ্রণালী (special form of procedure) কে প্রভাবিত করবে না।
- অর্থাৎ, যদি অন্য কোনো বিশেষ আইন কার্যকর থাকে বা কোনো বিশেষ আদালত/প্রক্রিয়া নির্ধারিত থাকে, তবে ফৌজদারি কার্যবিধি সেই আইন বা প্রক্রিয়ার উপর প্রভাব বিস্তার করবে না।
- এটি মূলত একটি সাধারণ পদ্ধতিগত আইন (procedural law), যা সাধারণ ফৌজদারি মামলার জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু যেখানে বিশেষ আইন বা বিশেষ আদালতের বিধান আছে, সেখানে সেই বিশেষ বিধানই কার্যকর হবে।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: "It extends to the whole of Bangladesh; but, in the absence of any specific provision to the contrary, nothing herein contained shall affect any special law now in force, or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by any other law for the time being in force."

১,৭৩৬.
কমিশনের মাধ্যমে কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য যথাযথ ভাবে গৃহীত হওয়ার পর উক্ত কমিশন কার নিকট ফেরত দিতে হবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা আদালত
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. যে আদালত কর্তৃক কমিশন প্রদত্ত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
 
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হবার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহিত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
 
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
 
Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record. 
 
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
১,৭৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭(২) অনুযায়ী, যদি কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে খালাসের আদেশ প্রদান করা হয় এবং সেই আদেশে আইনগত ভুল থাকে, তাহলে কোন পক্ষ আপিল করতে পারবে?
  1. আসামীর পক্ষ
  2. অভিযোগকারী
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. কোনো পক্ষই পারবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭(২) (Section 417(2)) অনুযায়ী, যদি কোনো আদালত খালাসের আদেশ দেয় এবং সেই আদেশে আইনগত ভুল থাকে, তবে অভিযোগকারী আপিল করতে পারবেন।
এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য যখন খালাসের আদেশ অভিযোগের ভিত্তিতে দেওয়া হয় এবং সেই আদেশে কোনো আইনগত ভুল রয়েছে, ফলে অভিযোগকারী (যিনি মামলাটি দায়ের করেছেন) আইনগত ভুলের কারণে আপিল করার অধিকারী হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-১- হাইকোর্ট বিভাগে ২- দায়রা জজের নিকট।
খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর
২. অভিযোগকারী
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
- পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে।
- অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal.
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
১,৭৩৮.
কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রদত্ত লিখিত এজাহার স্বাক্ষর করবে
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অভিযুক্ত আসামী
  3. সংবাদ দাতা
  4. নালিশকারী
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদঃ আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

 ♦154. Information in cognizable cases: Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
১,৭৩৯.
মহানগর এলাকার বে-আইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. Police Commissioner
  2. Executive Magistrate
  3. Chief Judicial Magistrate
  4. Chief Metropolitan Magistrate
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১২৯ ধারায় সামরিক শক্তি প্রয়োগের বিধান আছে। ১২৯ ধারা মতে অন্য কোনভাবে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনার এবং মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামরিক শক্তি প্রয়োগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।
♦ তবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতেপারেন।
♦বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।
১,৭৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারার অনুযায়ী আপিল আদালত কখন আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন?
  1. আপিলকারীকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে
  2. আপিলকারীর জরিমানা পরিশোধের পর
  3. আপিলকারীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করার পর
  4. আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা অনুযায়ী, আপিল আদালত আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন, তবে শর্ত থাকে যে, আপিলকারী বা তার আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
মূল বিষয়বস্তু:
- আপিল আদালত যখন ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর অধীনে দাখিল করা আপিল পর্যালোচনা করেন, তখন যদি দেখেন যে আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তিনি সংক্ষিপ্তভাবে আপিল খারিজ করতে পারেন।
- তবে, ধারা ৪১৯ অনুযায়ী দাখিল করা আপিলের ক্ষেত্রে, আপিলকারী বা তার আইনজীবীকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
- আদালত চাইলে মামলার নথি তলব করতে পারেন, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা অনুযায়ী, আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে হলে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়ার পর।
১,৭৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার ক্ষমতা নীচের কোনটি?
  1. Power to issue order
  2. Power to issue curfew
  3. Power to issue emergency
  4. Power to issue 144
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তিভঙ্গ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারেন। এই ধারার শিরোনামে এই ক্ষমতা কে power to issue order হিসেবে লেখা হয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

-------------------------
♦ Power to issue order
Sesction 144.(1) In cases where, in the opinion of a District Magistrate, or any other Executive Magistrate specially empowered by the Government or the District Magistrate to act under this section, there is sufficient ground for proceeding under this section and immediate prevention or speedy remedy is desirable, 
such Magistrate may, by a written order stating the material facts of the case and served in manner provided by section 134, direct any person to abstain from a certain act or to take certain order with certain property in his possession or under his management, if such Magistrate considers that such direction is likely to prevent, or tends to prevent, obstruction, annoyance or injury, or risk or obstruction, annoyance or injury, to any person lawfully employed, or danger to human life, health or safety, or a disturbance of the public tranquillity, or a riot, or an affray.
১,৭৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৮ ধারায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে মামলা তুলে নেয়ার অধিকার দিতে পারে-
  1. হাইকোর্ট সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে
  2. সরকার হাইকোর্ট এর অনুমোদন সাপেক্ষে
  3. দায়রা আদালত হাইকোর্ট এর অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৮- দায়রা জজ সহকারী দায়রা জজের কাছে থেকে মোকদ্দমা তুলে নিতে পারবেন

(১) দায়রা জজ তার অধঃস্তন সহকারী দায়রা জজের কাছ থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাকে যে মামলা দিয়েছেন তা তলব করতে পারবেন।

(১ক) দায়রা জজ কোন অতিরিক্ত দায়রা জজকে যে মামলা বা আপীল দিয়েছিলেন উক্ত অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট যেকোন সময় উক্ত মামলার বিচার বা আপীলের শুনানী আরম্ভের পূর্বে তিনি তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

(১খ) যেক্ষেত্রে দায়রা জজ উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন মামলা তুলিয়ে নেন বা ফেরত নেন কিংবা উপ-ধারা (১এ) এর অধীন কোন মামলা বা আপীল ফেরত নেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিজের আদালতে উক্ত মামলার বিচার করতে বা নিজে উক্ত আপীল শ্রবণ করতে পারবেন, কিংবা এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে উহা বিচার বা শুনানীর জন্য অন্য কোন আদালতে দিতে পারবেন।

(২) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট থেকে কোন মামলা তুলিয়ে নিতে পারবেন বা তাঁকে যে মামলা দিয়েছিলেন, তা ফিরিয়ে নিতে পারবেন, এবং নিজে এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন, বা এরূপ মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারের যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর তা ইনকোয়ারী বা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারবেন।

(৩) সরকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এ মর্মে ক্ষমতা দিতে পারবেন যে, তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শ্রেণীর মামলা বা কোন বিশেষ শ্রেণীর মামলা তার অধঃস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে নিতে পারবেন।

(৪) কোন ম্যাজিট্রেট ধারা-১৯২ এর উপধারা (২) এর অধীন কোন মামলা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়েছেন উক্ত মামলা তিনি ফিরিয়ে নিতে এবং নিজে উহার ইনকোয়ারী বা বিচার করতে পারবেন।

(৫) কোন ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার অধীন কোন আদেশ দেবার সময় তার এরূপ আদেশ প্রদানের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
১,৭৪৩.
নিম্নলিখিত কে সমন জারিকারক হতে পারে?
  1. আদালতের নির্ধারিত অফিসার
  2. কোন সরকারি কর্মচারী
  3. পুলিশ অফিসার
  4. উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮(১) ধারামতে প্রত্যেকটি সমন প্রতিলিপিসহ লিখিত হতে হবে এবং আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বা সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃক নির্দেশিত অপর কোন অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং সীলমোহরকৃত হবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮(২) ধারা অনুযায়ী সমন জারি করতে পারেন  i) পুলিশ অফিসার, ii) আদালতের নির্ধারিত অফিসার, অথবা iii) অপর কোন সরকারি কর্মচারী সমন জারি করবে।
১,৭৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিন প্রদান
  2. সাক্ষ্য গ্রহণ
  3. সাক্ষীর হাজিরা নিশ্চিতকরণ
  4. আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৩৯খ ধারা মূলত আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia) সম্পর্কিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ এবং ধারা ৮৮-তে যা কিছুই থাকুক না কেন, যদি আদালতের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক অথবা নিজেকে এমনভাবে গোপন করে রেখেছে যাতে তাকে গ্রেফতার করে বিচারার্থে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না এবং তাকে দ্রুত গ্রেফতার করার সম্ভাবনা নেই, তবে অভিযোগের বিষয়ে বিচার গ্রহণকারী আদালত, জাতীয়ভাবে ব্যাপক প্রচারিত দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত এক আদেশের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেবে। এবং যদি উক্ত ব্যক্তি ওই নির্দেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

শর্তসাপেক্ষে, আদালত প্রয়োজনে আরও নির্দেশ দিতে পারে যে অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজিরার আদেশটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, প্রধান বিচারিক হাকিম আদালত, প্রধান মহানগর হাকিম আদালত, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বাংলাদেশ পুলিশ বা অন্য কোনো সরকারি ওয়েবসাইট—যার জনসাধারণের কাছে ব্যাপক প্রবেশাধিকার রয়েছে—সেখানে প্রকাশ করা হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Notwithstanding anything contained in section 87 and section 88, where the Court has reason to believe that an accused person has absconded or is concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in one national daily Bangla Newspaper having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence:
Provided that the Court may, in addition, direct that the order for appearance of the accused be published on the official website of the District and Sessions Judge Court, the Chief Judicial Magistrate Court, the Chief Metropolitan Magistrate Court, the office of the Deputy Commissioner, the Bangladesh Police, or any other government website having wide public accessibility.

(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১,৭৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার অধীনে নথি পর্যালোচনার সময় হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নের কোনটি করতে পারে?
  1. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করা
  2. আটককৃত আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া
  3. আটককৃত আসামিকে তার নিজস্ব মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫ অনুসারে, নথি তলব ও পর্যালোচনার সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ চাইলে দণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ দিতে পারে এবং যদি আসামি আটক থাকে, তবে তাকে জামিনে অথবা নিজ দায়িত্বে (মুচলেকায়) মুক্তির নির্দেশ দিতে পারে।
→ সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলোই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:-
-(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.
১,৭৪৬.
ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তকে নির্দোষ বলে মনে করেন, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী তিনি খালাসের আদেশ দেবেন?
  1. ২৪২ ধারা
  2. ২৪৩ ধারা
  3. ২৪৪ ধারা
  4. ২৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৫ ধারার বিধান - খালাস:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি ২৪৪ ধারায় উল্লেখিত সাক্ষ্যগ্রহণ করে এবং তিনি স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে যে অতিরিক্ত সাক্ষ্য (যদি থাকে) হাজির করতে বলেন তা গ্রহণ করে এবং (যদি তিনি উপযুক্ত মনে করেন) আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে আসামীকে নির্দোষ বলে সাব্যস্ত করেন, তাহলে তিনি খালাসের আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।
শাস্তি:
(২) যদি ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ৩৪৯ অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ না করেন, তবে যদি তিনি অভিযুক্তকে দোষী মনে করেন, তাহলে তিনি আইন অনুযায়ী অভিযুক্তের উপর দণ্ড আরোপ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 245. Acquittal:
(1) If the Magistrate upon taking the evidence referred to in section 244 and such further evidence (if any) as he may, of his own motion, cause to be produced, and (if he thinks fit) examining the accused, finds the accused not guilty, he shall record an order of acquittal.
Sentence:
(2) Where the Magistrate does not proceed in accordance with the provisions of section 349 , he shall, if he finds the accused guilty, pass sentence upon him according to law.
১,৭৪৭.
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা দিতে পারেন?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ২,০০,০০০ টাকা
  3. ৩,০০,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩২: ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডের ক্ষমতা:

(সংশোধনের পরে)
• মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট / প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ বছর
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা
- চাবুক মারা — বিলুপ্ত
• দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ বছর
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ টাকা
• তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ বছর
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ টাকা

(সংশোধনের পূর্বে)
• মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট / প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ বছর (আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাসসহ)
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা
- চাবুক মারা (Whipping) — (বর্তমানে বিলুপ্ত)
• দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ বছর (আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাসসহ)
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা
• তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
- কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ বছর
- জরিমানা: সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা
১,৭৪৮.
দায়রা আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি অগ্রবর্তী করতে হবে_______।
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
  4. ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৭৩ ধারা অনুযায়ী দায়রা কোন মামলার বিচারে প্রদত্ত রায়ের ও দন্ডাদেশের কপি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে প্রেরণ করবেন।
১,৭৪৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নিম্নোক্ত কোন শব্দটির প্রয়োগ নেই?
  1. Inquiry
  2. Investigation
  3. Re-investigation
  4. Further investigation
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে।
- ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই। অর্থাৎ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর মাঝে Re-investigation শব্দটির প্রয়োগ নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
১,৭৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) ফর্মটি কোন SCHEDULE-এ যুক্ত করা হয়েছে?
  1. SCHEDULE-I
  2. SCHEDULE-II
  3. SCHEDULE -IV
  4. SCHEDULE-V
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,(Act No. V of 1898)-এর SCHEDULE V-এ নতুন Form IA, যা "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) নামে পরিচিত, ধারা ৪৬ক (Section 46A)-এর অধীনে উল্লেখিত হয়েছে। এই ফর্মটি গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থানে প্রস্তুত করতে হয় এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হয়। ফর্মটির উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য (যেমন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, গ্রেপ্তারের কারণ, শারীরিক অবস্থা, পরিবারকে অবহিত করার তথ্য) রেকর্ড করা, যাতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,-এর SCHEDULE V-তে নতুন Form IA সন্নিবেশিত হয়েছে যা "MEMORANDUM OF ARREST" নামে পরিচিত এবং এটি ধারা 46A অনুসারে প্রস্তুত করতে হবে। এই ফর্মে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, স্বামীর নাম (যদি থাকে), ঠিকানা ও বয়স
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির NID/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে)
- গ্রেফতারের স্থান
- গ্রেফতারের তারিখ ও সময়
- গ্রেফতারের কারণ (সম্পর্কিত আইন ও ধারা উল্লেখসহ)
- নিশ্চয়তা প্রদানকারী/অভিযোগকারীর নাম ও ঠিকানা (যদি থাকে)
- মামলা/জিডি নম্বর
- গ্রেফতারের পরিপত্র নম্বর ও তারিখ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- গ্রেফতারের সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
- শরীরে কোন আঘাতের কারণ থাকলে তা উল্লেখ
- উপস্থিত নিবন্ধিত চিকিৎসকের নাম ও শংসাপত্র (যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাহলে এর একটি কপি সংযুক্ত করতে হবে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/বন্ধু/প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা - হ্যাঁ/না
- গ্রেফতারের তথ্য জানানো ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
- তথ্য প্রাপ্ত ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর
- সেই আদালতের নাম যেখানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তোলা হবে
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ (যদি অস্বীকার না করে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তির স্বাক্ষর (যদি না পাওয়া যায় তবে কারণ উল্লেখ করতে হবে)
- গ্রেফতার কর্মকর্তার নাম, পদবী, আইডি নম্বর ও স্বাক্ষরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নির্দেশনা:
এই মেমো গ্রেফতারের সময় ও স্থানে প্রস্তুত করা হবে এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শংসাপত্র ও মুক্তির দলিল সংযুক্ত করতে হবে। মেমো এর একটি কপি মামলার ডায়েরিতে সংরক্ষণ করতে হবে ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য।

১,৭৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪(৪) অনুসারে, ৩৬৪ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. ধারা ১৬৪ এর ক্ষেত্রে
  2. ধারা ২৬৩ এর ক্ষেত্রে
  3. ধারা ৩৬২ এর ক্ষেত্রে
  4. ধারা ৩৬৮ এর ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪(৪)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।"
- অর্থাৎ ধারা ৩৬৪-এর সম্পূর্ণ পদ্ধতি (জবানবন্দি পূর্ণাঙ্গভাবে লিপিবদ্ধকরণ, স্বাক্ষর করানো, সার্টিফিকেট প্রদান ইত্যাদি)  ধারা ২৬৩ (Summary trial-এ অভিযুক্তের পরীক্ষা)-র অধীন নেওয়া জবানবন্দির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।
(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।
(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 364. Examination of accused how recorded:
(1) Whenever the accused is examined by any Magistrate, or by any Court other than High Court Division the whole of such examination, including every question put to him and every answer given by him, shall be recorded in full, in the language in which he is examined, or, if that is not practicable, in the language of the Court or in English: and such record shall be shown or read to him, or, if he does not understand the language in which it is written, shall be interpreted to him in a language which he understands, and he shall be at liberty to explain or add to his answers.
(2) When the whole is made conformable to what he declares is the truth, the record shall be signed by the accused and the Magistrate or Judge of such Court, and such Magistrate or Judge shall certify under his own hand that the examination was taken in his presence and hearing and that the record contains a full and true account of the statement made by the accused.
(3) In cases in which the examination of the accused is not recorded by the Magistrate or Judge himself, he shall be bound, as the examination proceeds, to make a memorandum thereof in the language of the Court, or in English, if he is sufficiently acquainted with the latter language; and such memorandum shall be written and signed by the Magistrate or Judge with his own hand, and shall be annexed to the record. If the Magistrate or Judge is unable to make a memorandum as above required, he shall record the reason of such inability.
(4) Nothing in this section shall be deemed to apply to the examination of an accused person under section 263.

১,৭৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে অভিযোগ মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক, তাহলে তিনি কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আদেশ করতে পারেন?
  1. সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা
  3. সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর অভিযোগ - 
(১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অথবা পুলিশ কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হয় এবং ওই মামলা একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বিচারাধীন থাকে, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মামলাটি শুনে আসামিদের মধ্যে এক বা একাধিককে খালাস বা মুক্তি দেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তার খালাস বা মুক্তির আদেশে, যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা আদালতে উপস্থিত থাকে, তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি এমন অভিযোগে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না। এবং যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা উপস্থিত না থাকে, তবে তাকে হাজির হতে এবং কারণ দর্শানোর summon জারি করার নির্দেশ দিতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা তথ্যদাতার প্রদত্ত কারণ রেকর্ড করে এবং যদি তিনি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে তিনি রেকর্ডকৃত কারণের ভিত্তিতে এমন ক্ষতিপূরণ আদায় করার নির্দেশ দিতে পারেন, যার পরিমাণ ১,০০০ টাকা (যদি ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় শ্রেণির বা তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে ৫০০ টাকা) পর্যন্ত হতে পারে এবং সেই ক্ষতিপূরণ আসামি বা তাদের মধ্যে এক বা একাধিককে প্রদান করতে হতে পারে।
(২ক) ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়ার পর, যদি অভিযোগকারী ক্ষতিপূরণ প্রদান না করেন, তবে তিনি আরও আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি এক মাসের বেশি না হওয়া পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাবাস ভোগ করবেন।
(২খ) যখন কোনো ব্যক্তি ২(এ) উপধারার অধীনে কারাবাসে যাবেন, তখন দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা অনুযায়ী সেই ব্যক্তির ওপর প্রযোজ্য শর্তাবলী অনুসৃত হবে।
(২গ) যিনি এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য নির্দেশিত হয়েছেন, তিনি এই আদেশের কারণে তার করা অভিযোগ বা প্রদত্ত তথ্যের জন্য কোনো সিভিল বা ফৌজদারি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাবেন না। তবে, যদি এই পরিমাণ কোনো আসামিকে প্রদান করা হয়, তা পরবর্তী সিভিল মামলায় ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে গণনা করা হবে।
(৩) যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা ২(২) উপধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশিত হয়েছেন, এবং যদি ক্ষতিপূরণ ১০০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন, যেমন যদি তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
(৪) যদি এমন কোনো আদেশ থাকে যা আপিলযোগ্য, তবে ক্ষতিপূরণ তখন প্রদান করা হবে না, যতক্ষণ না আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা যদি আপিল হয়, ততক্ষণ না আপিল নিষ্পত্তি হয়। এবং যদি আপিলযোগ্য না হয়, তবে ওই আদেশের এক মাস পরে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।
(৫) এই ধারায় যা কিছু উল্লেখ করা হয়েছে, তা সত্ত্বেও ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ আদায়ের আদেশের সাথে অতিরিক্তভাবে নির্দেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ ব্যক্তি ছয় মাসের কারাবাসে দণ্ডিত হবেন অথবা তিন হাজার টাকা জরিমানা করবেন।
-------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(1) If in any case instituted upon complaint or upon information given to a police-officer or to a Magistrate, one or more persons is or are accused before a Magistrate or any offence triable by a Magistrate, and the Magistrate by whom the case is heard discharges or acquits all or any of the accused, and is or opinion that the accusation against them or any of them was false and either frivolous or vexatious, the Magistrate may, by his order of discharge or acquittal, if the person upon whose complaint or information the accusation was made is present, call upon him forthwith to show cause why he should not pay compensation to such accused or to each or any of such accused when there are more than one, or, if such person is not present direct the issue of a summons to him to appear and show cause as aforesaid. 
(2) The Magistrate shall record and consider any cause which such complainant or information may show and if he is satisfied that the accusation was false and either frivolous or vexatious may, for reasons to be recorded, direct that compensation to such amount not exceeding one thousand Taka or, if the Magistrate is a Magistrate of the third Class, not exceeding five hundred Taka, as he may determine be paid by such complainant or informant to the accused or to each or any of them. 
(2A) The Magistrate may, by the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that, in default of payment, the person ordered to pay such compensation shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days. 
(2B) When any person is imprisoned under sub-section (2A), the provisions of sections 68 and 69 of the Penal Code shall, so far as may be, apply. 
(2C) No person who has been directed to pay compensation under this section shall, by reason of such order, be exempted from any civil or criminal liability in respect of the complaint made or information given by him: 
Provided that any amount paid to an accused person under this section shall be taken into account in awarding compensation to such person in any subsequent civil suit relating to the same matter. 
(3) A complainant or informant who has been ordered under sub-section (2) by a Magistrate of the second or third class to pay compensation or has been so ordered by any other Magistrate to pay compensation exceeding one hundred taka may appeal from the order, in so far as the order relates to the payment of the compensation, as if such complainant or informant had been convicted on a trial held by such Magistrate. 
(4) When an order for payment of compensation to an accused person is made in a case which is subject to appeal under sub-section (3), the compensation shall not be paid to him before the period allowed for the presentation of the appeal has elapsed, or, if any appeal is presented, before the appeal has been decided and, where such order is made in a case which is not so subject to appeal, the compensation shall not be paid before the expiration of one month from the date of the order. 
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.]

১,৭৫৩.
When the person summoned cannot be found despite due diligence, the summons can be served on:
  1. Any neighbor
  2. Any member of the family
  3. Adult member of the family
  4. Adult male member of the family
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭০ ধারার বিধান খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তির কাছে সমন জারির পদ্ধতি:-
-যার উপর সমন জারী করা হবে, সঠিক পদ্ধতিতে চেষ্টা করেও যেক্ষেত্রে তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে সমনের দুই কপির মধ্যে একটি তার পরিবারের একজন সাবালক পুরুষ সদস্য বরাবর দিয়া সমন জারী করতে হবে এবং জারীকারী অফিসার দাবী করলে, যার নিকট সমন জারী করা হল, তিনি সমনের দুটি নকলের অপর পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর করে প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 70: Service when person summoned cannot be found:
-Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult male member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.
১,৭৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫ অনুযায়ী কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া যাবে না?
  1. যিনি তদন্তে অংশ নেননি
  2. যিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত
  3. যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন
  4. যিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে কাজ করেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(৪) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.”
 অর্থাৎ, যদি কোনো পুলিশ অফিসার অপরাধের তদন্তে অংশগ্রহণ করেন, তাহলে তাকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
- এটি পক্ষপাতমূলক পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য এবং নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়া বজায় রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

১,৭৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০-এ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়োগ, তাঁদের ক্ষমতা, এবং তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে সরকার প্রতিটি জেলার জন্য এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করবেন। এছাড়া, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (DM), অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ADM), সহকারী কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) এর সদস্যদেরও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারার বিধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।
(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।
(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।
(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।
(৫) সরকার সমীচীন প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।
(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-10. Executive Magistrates: 
(1) In every district and in every Metropolitan Area, the Government shall appoint as many persons as it thinks fit to be
Executive Magistrates and shall appoint one of them to be the District Magistrate.
(2) The Government may also appoint any Executive Magistrate to be an Additional District Magistrate, and such Additional District Magistrate shall have all or any of the powers of a District Magistrate under this Code or under any other law for the time being in force, as the Government may direct.
(3) Whenever in consequence of the office of a District Magistrate becoming vacant, any officer succeeds temporarily to the chief executive in the administration of the district, such officer shall, pending the orders of the Government, exercise all the powers and perform all the duties respectively conferred and imposed by this Code on the District Magistrate.
(4) The Government may, or subject to the control of the Government, the District Magistrate may, from time to time, by order define local areas within which the Executive Magistrate may exercise all or any of the powers with which they may be invested under this Code and, except as otherwise provided by such definition, the jurisdiction and powers of every such Executive Magistrate shall extend throughout the district.
(5) The Government may, if it thinks expedient or necessary, appoint any persons employed in the Bangladesh Civil Service (Administration) to be an Executive Magistrate and confer the powers of an Executive Magistrate on any such member.
(6) Subject to the definition of the local areas under sub-section (4) all persons appointed as Assistant Commissioners, Additional Deputy Commissioners or Upazila Nirbahi Officer in any District or Upazila shall be Executive Magistrates and may exercise the power of Executive Magistrate within their existing respective local areas.
(7) Nothing in this section shall preclude the Government from conferring, under any law for the time in force, on a Commissioner of Police, all or any of the powers of an executive Magistrate in relation to a Metropolitan area.
১,৭৫৬.
পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে না নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে?
  1. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী হলে
  2. কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হলে
  3. পিতা-মাতার সাথে ঝগড়া করলে
  4. আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable
suspicion) থাকলে;

ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে;

iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender);

iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে;

v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful
custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে;

vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter);

vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;

viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা 

ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

♦ অর্থাৎ শুধুমাত্র পিতা-মাতার সাথে ঝগড়া করলে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে না। বাকি তিন ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।
১,৭৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা সম্পূরক চার্জশিট (Supplementary Charge Sheet) দাখিল করতে পারে?
  1. ১৭৩(৪)
  2. ১৭৩(৩খ)
  3. ১৭২(৩খ)
  4. ১৭৩(৩ক)
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে অধিকতর তদন্ত [Further Investigation) এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)
⇒ অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।
- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।
-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173. Report of police-officer:
(1) Every investigation under this Chapter shall be completed without unnecessary delay, and, as soon as it is completed, the officer in charge of the police-station shall- 
(a) forward to a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report a report, in the form prescribed by the Government, setting forth the names of the parties, the nature of the information and the names of the persons who appear to be acquainted with the circumstances of the case, and stating whether the accused (if arrested) has been forwarded in custody or has been released on his bond, and, if so, whether with or without sureties, and 
(b) communicate, in such manner as may be prescribed by the Government, the action taken by him to the person, if any, by whom the information relating to the commission of the offence was first given. 
(2) Where a superior officer of police has been appointed under section 158, the report shall in any cases in which the Government by general or special order so directs, be submitted through that officer, and he may, pending the orders of the Magistrate, direct the officer-in-charge of the police-station to make further investigation. 
(3) Whenever it appears from a report forwarded under this section that the accused has been released on his bond, the Magistrate shall make such order for the discharge of such bond or otherwise as he thinks fit. 
(3A) When such report is in respect of a case to which section 170 applies, the police-officer shall forward to the Magistrate along with the report- 
(a) all documents or relevant extracts thereof on which the prosecution proposes to rely other than those already sent to the Magistrate during investigation; 
(b) the statements recorded under sub-section (3) of section 161 of all the persons whom the prosecution proposes to examine as its witnesses. 
 
(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
 
(4) a copy of any report forwarded under this section shall on application, be furnished to the accused before the commencement of the inquiry or trial: 
Provided that the same shall be paid for unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost.
১,৭৫৮.
Search to be made in presence of witness- কার্যবিধির কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০২ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার বিধান সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবেঃ (১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দু বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

-------------------------------
♦  Search to be made in presence of witnesses:
Section 103.(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do. 
 
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
১,৭৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশির সময় প্রস্তুতকৃত জবরদখলকৃত দ্রব্যের তালিকা কী করতে হবে?
  1. মিডিয়ায় প্রকাশ করা
  2. শুধুমাত্র পুলিশ রেকর্ডে রাখা
  3. সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত করা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুযায়ী, তল্লাশীর সময় বাজেয়াপ্ত করা সমস্ত জিনিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং এই তালিকায় সাক্ষীদের স্বাক্ষর থাকতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

১,৭৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে নিম্নোক্ত কোন শব্দটির প্রয়োগ নেই?
  1. Inquiry
  2. Investigation
  3. Re-investigation
  4. Further investigation
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে। [do further investigation]

- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে। তবে ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের [Re-investigation] কোন বিধান নেই।

Re-investigation (পুনঃতদন্ত): এই শব্দটির কোনো নির্দিষ্ট উল্লেখ ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই। যদিও পুনঃতদন্তের ধারণা থাকতে পারে, কিন্তু এই বিশেষ শব্দটি আইনগতভাবে ব্যবহার করা হয়নি।

১,৭৬১.
কোনো মামলায় দুই বা ততোধিক অভিযুক্তের মধ্যে এক বা একাধিক অভিযুক্ত অনুপস্থিত থাকলে, আদালত এক্ষেত্রে কোন ধরনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখার
  2. মামলা পৃথক ভাবে গ্রহণ করার
  3. মামলা পৃথক ভাবে বিচারের
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
১,৭৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৯খ অনুসারে কে সরেজমিনে পরিদর্শনের স্মারকলিপির নকল বিনা মূল্যে পেতে পারে?
  1. অভিযুক্ত
  2. ফরিয়াদি
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ(২) অনুযায়ী, যদি পাবলিক প্রসিকিউটর, ফরিয়াদি বা অভিযুক্ত অনুরোধ করেন, তবে সরেজমিনে পরিদর্শনের স্মারকলিপির একটি নকল বিনা মূল্যে তাদের সরবরাহ করতে হবে। অর্থাৎ, এই তিন পক্ষের যে কেউ চাইলে, তাঁকে বিনামূল্যে স্মারকলিপির কপি দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরবরাহ করতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

১,৭৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে কত দিনের মধ্যে বিচার নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
  1. ১২০ দিনের মধ্যে
  2. ১৮০ দিনের মধ্যে
  3. ২৭০ দিনের মধ্যে
  4. ৩৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
 ⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।
 
• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
১,৭৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুসারে, ফরিয়াদী বা সাক্ষীর ব্যয় প্রদানের জন্য কোন তহবিল ব্যবহৃত হয়?
  1. সরকারি তহবিল
  2. আদালতের নিজস্ব তহবিল
  3. অভিযুক্তের ব্যক্তিগত তহবিল
  4. ফরিয়াদীর জমাকৃত অর্থ তহবিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী: ফৌজদারি আদালত, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধির অধীনে, যদি উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে ফরিয়াদী বা সাক্ষীর আদালতে হাজিরা বাবদ যুক্তিসংগত ব্যয় সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায় এবং সাক্ষী বা ফরিয়াদীদের আর্থিক কষ্ট লাঘব হয়।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফরিয়াদী বা সাক্ষীর খরচ সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করা হয়, আদালতের আদেশ সাপেক্ষে। তাই সঠিক উত্তর: ক) সরকারি তহবিল।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:-
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
১,৭৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ মামলার FIR রেকর্ড করে?
  1. ধারা ১৫২
  2. ধারা ১৫৪
  3. ধারা ১৫৬
  4. ধারা ১৫৮
ব্যাখ্যা
এফআইআর (FIR- First Information Report)
অপরাধমূলক কোনো কিছু ঘটার পর সে বিষয়ে প্রতিকার পাওয়ার জন্য থানায় যে সংবাদ দেওয়া বা জানানো হয়, তাকে এজাহার বা এফআইআর বলে। প্রকৃতপক্ষে, এজাহারের মাধ্যমে থানায় মামলা করা হয়। এজাহারের ক্ষেত্রে পিআরবি বা পুলিশ রেগুলেশন বেঙ্গল ১৯৪৩ এর ২৪৩ প্রবিধান এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় এজাহারের বিষয়বস্তু গুলো অনুসরণ করা হয়। 

এজাহার মৌখিক এবং লিখিত উভয়ই হতে পারে। মৌখিকভাবে এজাহার দেওয়া হলেও সেটি লেখার পর এজাহারকারীর সই নিতে হবে। লেখার পর দায়িত্বরত কর্মকর্তা এজাহারকারীকে পড়ে শুনানোর পর নির্ধারিত ফরম অনুসারে রক্ষিত একটি বইতে লিপিবদ্ধ করবেন। এজাহারকে মূলত কোনো মৌলিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয় না। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে এজাহারের যথেষ্ট মূল্য আছে। এজাহার হলো জিআর মামলার মূলভিত্তি।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৪: আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ:
যখন কেউ কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সংবাদ থানায় জানায়, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেই তথ্য গ্রহণ করতে বাধ্য। যদি সেই তথ্য মৌখিকভাবে জানানো হয়, তাহলে তিনি নিজে বা তার নির্দেশে কেউ তা লিখে নেবেন। এরপর সেই লিখিত বক্তব্য সংবাদদাতাকে পড়ে শুনাতে হবে যেন সে নিশ্চিত হতে পারে, তার কথাই ঠিকভাবে লেখা হয়েছে। এরপর সেই ব্যক্তি স্বাক্ষর করবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা সরকার নির্ধারিত রেজিস্টারে ঐ বিবরণ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

⇒ এভাবেই পুলিশের কাছে কোনো গুরুতর অপরাধের প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (FIR) গ্রহণ ও রেকর্ড করা হয়। এটি মামলা শুরুর একটি আনুষ্ঠানিক ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
১,৭৬৬.
অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত ক্ষয়জাত দ্রব্য ফৌজদারী আদালতের নির্দেশে বিক্রি করার বিধান আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ________।
  1. ৫২২ ধারায়
  2. ৫২৩ ধারায়
  3. ৫২৪ ধারায়
  4. ৫২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
১,৭৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীর হাজির হবার জন্য যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের জন্য নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ২৪১ক ধারা
  2. ২৪৩ ধারা
  3. ২৪৪ ধারা
  4. ২৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।

(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোন জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।

(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।


Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence: 
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court. 

(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing. 

(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
১,৭৬৮.
ধারা ২৫০(৫) অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আর কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. সর্বোচ্চ ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ২ মাসের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ মাসের কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 –এর ধারা ২৫০(৫): মিথ্যা, তুচ্ছ বা হয়রানিমূলক অভিযোগ:
এই ধারায় অন্য যাই বলা থাকুক না কেন, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ করার পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট আরও আদেশ দিতে পারেন, যে- যে ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ভোগ করবে, অথবা তার নিকট থেকে সর্বোচ্চ এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আদায় করা হবে।

অর্থাৎ, শুধু ক্ষতিপূরণই নয়— প্রয়োজনে কারাদণ্ড বা অতিরিক্ত জরিমানাও ম্যাজিস্ট্রেট দিতে পারেন, যদি অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন বা হয়রানিমূলক (vexatious) প্রমাণিত হয়।

১,৭৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. আইনগত সহায়তা সেবা সম্প্রসারণ
  2. মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা
  3. বিচার ব্যবস্থায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানো
  4. অভিজ্ঞ আইনজীবীদের ম্যাজিস্ট্রেট করার সুযোগ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী “কোনো আইনজীবী (pleader) যদি কোনো জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্র্যাকটিস করেন, তবে তিনি ঐ জেলার ঐ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ঐ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এখতিয়ারাধীন অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না।”
- অর্থাৎ, এর উদ্দেশ্য হলো  বিচার ব্যবস্থায় পক্ষপাত বা স্বার্থের সংঘাত (conflict of interest) এড়ানো এবং বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা রক্ষা করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.

১,৭৭০.
Who can present the petition of appeal according to Section 419 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. The court
  2. The respondent
  3. A police officer
  4. The appellant or his pleader
ব্যাখ্যা
Section 419- Petition of appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.

ধারা ৪১৯:
প্রত্যেকটি আপীল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপীলের পিটিশন আপীলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে তার কপি আপীলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।
১,৭৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক Court GD করা হয়?
  1. ৪০
  2. ৪১
  3. ৪৩
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা-৪৪ মোতাবেক Court GD করা হয়।
• এই ধারা মোতাবেক জনসাধারণ নির্দিষ্ট কিছু অপরাধীদের (দণ্ডবিধির ১২১, ১২১ক, ১২২-১২৪ক, ৩০২-৩০৪ এবং অন্যান্য ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য) বা অপরাধ করার অভিপ্রায় আছে এমন কোন তথ্য জানতে পারলে অবিলম্বে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে এই সম্পর্কে তথ্য বা সংবাদ দিবেন।
১,৭৭২.
জামিননামা বাতিল এবং জামিনদার অব্যাহতি পেলে, আদালত-
  1. জামিনে মুক্ত অভিযুক্তকে হাজির করার নির্দেশ দিবেন
  2. অভিযুক্তকে শাস্তি দিবেন
  3. অভিযুক্তকে জরিমানা করবেন
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
ধারা-৫০২ জামিনদারের অব্যাহতি

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502- Discharge of sureties
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 

(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
১,৭৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান মোতাবেক পুলিশ কার বক্তব্য বা জবানবন্দি নিতে পারে?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযোগকারীর
  3. অপরাধের বিষয়ে জ্ঞান আছে এমন যে কোনো ব্যক্তির
  4. উপরের সকল কে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান মোতাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা অপরাধ তদন্তের সময় অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা এই বিষয়ে জ্ঞাত যে কোনো ব্যক্তির বক্তব্য রেকর্ড করতে পারে। অর্থাৎ সাক্ষী, অভিযুক্ত বা অভিযোগকারী সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ আছে এই ধারার অধীনে।
১,৭৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানীর যেকোন পর্যায়ে সাক্ষীকে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৩৭
  2. ৫৪০
  3. ৫৪৩
  4. ৫৪৫
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪০ মতে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্য ধারার কোন পর্যায়ে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী হিসাবে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবান বন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায় বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
১,৭৭৫.
Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898 defines-
  1. Charge
  2. Inquiry
  3. Investigation
  4. Complaint
ব্যাখ্যা
• Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898:
"inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.

ফৌজদারি প্রক্রিয়ায়, "বিচার" ব্যতীত অন্যান্য কাজগুলি ইনকোয়ারি বা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত হয়। "বিচার" হল আদালতের মূল কার্যক্রম যেখানে বিচারক সরাসরি জড়িত থাকেন এবং পক্ষদ্বয়ের যুক্তি শুনে ও প্রমাণ বিচার করে রায় দেন।

⇒ Other Options:
Section 4(c)- "charge" includes any head of charge when the charge contains more heads than one.

Section 4(H)- "complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer.

Section 4(L)- "investigation" includes all the proceedings under this Code for the Collection of evidence conducted by a police-officer or by any person (other than a Magistrate) who is authorised by Magistrate in this behalf.
১,৭৭৬.
'BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363)' মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা সংশ্লিষ্ট?
  1. ৪৪ ধারা
  2. ৫০ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
১,৭৭৭.
বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট বিচার সমাপ্ত করবেন?
  1. ১২০ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২৭০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
১,৭৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে-
  1. নিজে গ্রহণ করতে পারে না
  2. দায়রা আদালতকে গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারে
  3. পুলিশকে গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা

হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।

হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken

(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 

(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.

(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
১,৭৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারামতে পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধ তদন্তের নির্দেশ কে দিতে পারে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট 
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে- যেকোন ব্যক্তি ২ টি উপায়ে ফৌজদারী মামলা দায়ের করতে পারে । তিনি কোন অপরাধ সংঘটন বিষয়ে থানায় পুলিশের নিকট সংবাদ প্রদান করতে পারে বা তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট গিয়ে নালিশ দায়ের করতে পারে। থানায় পুলিশের নিকট আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে পুলিশ ১৫৪ ধারার পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করা হলে ১৫৫ ধারা অনুসরণ করে।

• ১৫৫(১) ধারায় বলা হয়েছে- আমলঅযোগ্য অপরাধ সংঘটনের সংবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রদান করা হলে-

i. থানায় রক্ষিত বহিতে তিনি উক্ত তথ্যের সারমর্ম লিপিবদ্ধ করবে; এবং

ii. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে

আবার  ১৫৫(২) ধারায় বলা হয়েছে, এমন মামলা বিচার করার এখতিয়ার আছে বা বিচারের জন্য প্রেরণের এখতিয়ার আছে এমন প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত কোনো পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করবে না।
১,৭৮০.
ধারা ৩৪৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ৩ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হন এবং আবার একই অপরাধে অভিযুক্ত হন, তবে সেই ব্যক্তিকে কোথায় পাঠানো হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. কোর্ট অব সেশন
  4. জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৮: মুদ্রা, স্ট্যাম্প আইন বা সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধে পূর্বে দণ্ডিত ব্যক্তির বিচার:

(১) যে ব্যক্তি পেনাল কোডের অধ্যায় ১২ বা ১৭-এর অধীনে কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন, এবং যাকে ৩ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যদি তাকে আবার একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত করা হয় যা ৩ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডের দণ্ডনীয়, তবে যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্তকে কোর্ট অব সেশন পাঠানোর যথেষ্ট কারণ রয়েছে, তবে তাকে কোর্ট অব সেশন পাঠানো হবে। তবে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, তিনি নিজেই এই মামলার যথাযথ বিচার করতে সক্ষম এবং আসামিকে যদি দোষী সাব্যস্ত করেন তবে তিনি যথাযথ শাস্তি দিতে পারেন, তবে তিনি ওই ব্যক্তিকে পাঠাবেন না।

 যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে ধারা ৩০ অনুসারে ক্ষমতা প্রদান করা হয়, তবে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এই মামলা স্থানান্তরিত করা যেতে পারে, কোর্ট অব সেশন পাঠানোর পরিবর্তে।

(২) যখন কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) অনুযায়ী কোর্ট অব সেশন পাঠানো হয়, তখন একই মামলায় একই সঙ্গে অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তি(গণ)কেও একইভাবে কোর্ট অব সেশন পাঠানো হবে, যতক্ষণ না ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বিরুদ্ধে মামলার নিষ্পত্তি করেন।
১,৭৮১.
ধারা ৫০২ অনুযায়ী মুচলেকা বাতিলের পর জামিনদারকে কী দেওয়া হয়?
  1. অর্থদণ্ড
  2. জেলশাস্তি
  3. ক্ষতিপূরণ
  4. অব্যাহতি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।

১,৭৮২.
"No Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৬৭(৫) ধারায়
  2. ৩৪৪(১) ধারায়
  3. ৩৪০(২) ধারায়
  4. ৩৪১(১) ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

Section 344: Power to postpone or adjourn proceedings
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.
Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.
১,৭৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না সাক্ষ্য আইনের-
  1. ২৪ ধারার ক্ষেত্রে
  2. ২৭ ধারায় ক্ষেত্রে
  3. ৩২(১) ধারার ক্ষেত্রে
  4. খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬২ তে দেয়া আছে-
তদন্তের সময় কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের নিকট কোন বিবৃতি দিলে তা যদি লিপিবদ্ধকৃত হয় তাহলে বিবৃতিদাতা তাতে স্বাক্ষর করবেন না এবং এরূপ কোন বিবৃতি যে অপরাধের তদন্তের সময় দেয়া হয়েছিল, সেই অপরাধের কোন অনুসন্ধান বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে না।

• কিন্তু এই নিয়মটি - সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা ২৭ ধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা হলে বা পুলিশের নিকট প্রদত্ত বক্তব্য অনুযায়ী কোন বিষয় উদঘাটন করলে সেই বক্তব্য তদন্ত বা বিচারে ব্যবহার করা যাবে।
১,৭৮৪.
বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ আদালত কীভাবে আমলে নিবে?
  1. স্ব-প্রনোদিত হয়ে
  2. যেকোনো ব্যক্তির অভিযোগে
  3. দায়রা আদালতের আদেশক্রমে
  4. সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।
 
• ১৯৬ ধারা-
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে।
 
• ১৯৭ ধারা-
বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।
 
• ১৯৮ ধারা-
দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।
১,৭৮৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭৩ক ধারার অধীনে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেন কে?
  1. আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. স্থানীয় থানার অফিসার ইন চার্জ
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।

(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

১,৭৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুসারে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা কে প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুসারে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই প্রত্যাহার করতে পারে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 41: Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
১,৭৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি আদালত:
ক) দায়রা আদালত: প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে (৩ প্রকার)-
১) দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য: 
১) মহানগর দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

অন্যদিকে,

খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

⇒ মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য:
১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
১,৭৮৮.
রিভিশন ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত কত দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন?
  1. আদালতের ইচ্ছাধীন সময়ে
  2. পক্ষগণের উপর নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
  3. রিভিশন কার্যক্রম শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে
  4. রিভিশনকৃত সিদ্ধান্তের আদেশের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়

(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।

(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision

(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
১,৭৮৯.
যুগ্ম দায়রা জজ কোন দণ্ডটি দিতে পারেন না?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১০ বছরের অধিক কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের অধিক কারাদণ্ড
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা-৩১ মোতাবেক দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন তবে মৃত্যু বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন না।
১,৭৯০.
ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড-এর ১৬১ ধারার রেকর্ডকৃত সাক্ষীর জবানবন্দিতে স্বাক্ষর করবেন-
  1. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
  2. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নিযুক্তীয় আইনজীবী
  4. সাক্ষী নিজে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ (অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা) অভিযোগের সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে/জবানবন্দি নিতে পারবে এবং পুলিশ জবানবন্দি রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করে নিবে এবং নিজে স্বাক্ষর করবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
১,৭৯১.
According to Section 523(2) of The Code of Criminal Procedure, How long does a person have to claim the property after the Magistrate issues the proclamation?
  1. Fifteen days
  2. One month
  3. Three months
  4. Six months
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে। 
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:

(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.
১,৭৯২.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনদারদের অব্যাহতির জন্য কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ৫০২ ধারা
  2. ৫০১ ধারা
  3. ৪৯৮ ধারা
  4. ৪৯৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০২ ধারা (Section 502 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী জামিনদার (Surety) যে কোনো সময় জামিননামা (Bail Bond) থেকে আংশিক বা সম্পূর্ণ অব্যাহতি পেতে পারেন। এজন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হয়।
- ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি:
(১) জামিনদার জামিননামা থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মুক্তির জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারেন।
(২) আবেদন পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন।
(৩) আসামি হাজির হলে বা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে, ম্যাজিস্ট্রেট জামিনদারকে দায়মুক্তি দিবেন এবং আসামিকে নতুন জামিনদার খুঁজে দিতে বলবেন।
যদি আসামি নতুন জামিনদার না দিতে পারে, তাহলে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
- অতএব, ৫০২ ধারা-ই জামিনদারদের অব্যাহতির জন্য প্রযোজ্য ধারা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
১,৭৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারা কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. আসামির গ্রেফতার
  2. জামিনদারের নিয়োগ
  3. জামিনদারের অব্যাহতি
  4. মামলার বিচার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০২ অনুযায়ী, জামিনদার যদি জামিন বাতিল করে নিজেকে জামিনদার হিসেবে অব্যাহতি পেতে চান, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেট তখন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে তাকে হাজির করতে বলেন এবং জামিনদারকে অব্যাহতি দেন। যদি আসামি নতুন জামিনদার দিতে ব্যর্থ হয়, তবে তাকে জেলে পাঠানো হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
১,৭৯৪.
কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হলে, তা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী কে পরোয়ানা বলবৎ করতে পারে?
  1. জেলা কালেক্টর
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. যেকোনো দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানাঃ

(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশতঃ সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।

(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবী সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রীদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
১,৭৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী কার যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদান করা যেতে পারে?
  1. ফরিয়াদীর
  2. সাক্ষীদের
  3. সরকারি আইনজীবীদের
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফৌজদারি আদালত, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধির অধীন, যদি উপযুক্ত মনে করেন, তবে তিনি ফরিয়াদী ও সাক্ষী—এই দুই পক্ষকেই আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য সরকারি তহবিল থেকে যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। এই ধারা সাক্ষ্য ও বিচার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে, যাতে সাক্ষী ও ফরিয়াদীরা আর্থিক অসুবিধার কারণে বিচার প্রক্রিয়া থেকে বিরত না থাকেন।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফরিয়াদী ও সাক্ষী উভয়ের যুক্তিসঙ্গত ব্যয় প্রদান করা যেতে পারে। সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' এবং 'খ' উভয়ই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
১,৭৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারায়, নালিশের সত্যতা নির্ধারণের জন্য অনুসন্ধান বা তদন্ত করার দায়িত্ব কার?
  1. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অন্যকোনো ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত
  4. উল্লিখিত যেকোনো একজন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীন নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
------------ 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-202:Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.

১,৭৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ফরিয়াদী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে?
  1. ৪০৭
  2. ৪১৭
  3. ৪১৭ক
  4. ৪০৭ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
------------------------------------
⇒ CrPC-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১,৭৯৮.
মফস্বলের জন্য 'Justice of the peace' নিয়োগ দেন কে?
  1. সরকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• ধারা-২২: মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস (Justice of the peace for the mafassal)-

সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাংলাদেশের যে কোন উপযুক্ত নাগরিককে কোন স্থানীয় এলাকার জন্য জাস্টিস অব দি পিস হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে।

Section 22- Justice of the peace for the mafassal:
The Government] may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.
১,৭৯৯.
'ক' এক ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়, যা দণ্ডবিধির ৪০৩ বা ৪০৬ ধারার মধ্যে পড়ে। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. মামলা স্থগিত রাখবে
  2. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী রায় দিবে
  3. বিকল্প রায় প্রদান করবে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে আদালত বিকল্প রায় প্রদান করবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ধারা ৩৬৭(৩)-
দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)-
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
১,৮০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করার পর আদালতে হাজির না হয়, তখন আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. কেবল সতর্কবার্তা দেবে
  3. নতুন সমন জারি করবে
  4. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার (অর্থাৎ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। এই পরোয়ানার মাধ্যমে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 92. Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.