বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ১৭ / ২৯ · ১,৬০১১,৭০০ / ২,৮৮৩

১,৬০১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ১৯৩ ধারায়
  2. ১৯০ ধারায়
  3. ১৯৫ ধারায়
  4. ১৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-
i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে।
১,৬০২.
ধারা ৪৯৮ অনুসারে জামিনের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কী নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধু জামিন মঞ্জুর করার
  2. শুধু জামানত হ্রাস করার
  3. জামিনের আবেদন বাতিলের
  4. জামিন মঞ্জুর করা বা জামানত হ্রাস করা
ব্যাখ্যা
• আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮):
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশের গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ;
২. দায়রা আদালত।

তাছাড়া এই ধারা অনুসারে,
হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১,৬০৩.
ধারা ৫৪০ক(৩) অনুযায়ী, তদন্ত প্রতিবেদন শুনানির তারিখ পর্যন্ত অভিযুক্তের উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে যদি-
  1. তিনি অসুস্থ হন
  2. তিনি পলাতক থাকেন
  3. তিনি আদালতে হাজির হন
  4. তিনি জামিনে থাকেন
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৪০ক: "নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে তদন্ত ও বিচার পরিচালনার বিধান":
(১) এই কোডের অধীনে তদন্ত বা বিচারের যে কোনো পর্যায়ে  যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, কারণ লিপিবদ্ধ করে সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের মধ্যে যে কেউ বা একাধিক জন আদালতে উপস্থিত থাকার জন্য অক্ষম, তবে তিনি, যদি ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি [একজন আইনজীবী] দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করেন, তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং তার অনুপস্থিতিতে ওই তদন্ত বা বিচার পরিচালনা করতে পারেন, এবং পরবর্তী যে কোনো পর্যায়ে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপস্থিতি নির্দেশ দিতে পারেন।

(২) যদি এই ধরনের কোনো মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি [একজন আইনজীবী] দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, অথবা যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে, ওই তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার আদেশ দিতে পারেন।

(৩) এই কোডের অধীনে তদন্তের পর্যায়ে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে, যে অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিনে আছেন এবং একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করছেন, তদন্ত প্রতিবেদন শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন।

১,৬০৪.
গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে, যদি উক্ত ব্যক্তি-
  1. আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  3. মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ৪৬ ধারা: গ্রেপ্তারের পদ্ধতি
৪৬(১) ধারা:
যদি কথাবার্তা বা কাজের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়, তাহলে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির দেহ স্পর্শ করতে পারবে না।

৪৬(২) ধারা:
যদি কোনো ব্যক্তি গ্রেপ্তার হতে বাধা দেন বা গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করেন, তবে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে আইনি পন্থা অবলম্বন করতে পারবে।

৪৬(৩) ধারা:
যদি ব্যক্তিটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত না হয়, তবে গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

Section 46: Arrest how made-
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
১,৬০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে?
  1. ৪১ ধারার
  2. ৪২ ধারার
  3. ৩৩ ধারার
  4. ৩৭ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান ক্ষমতাদি প্রত্যাহরকরণঃ (১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।
-------------------------------------------------------------------------
♦ section 41. Withdrawal of powers: (1) The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:

Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
১,৬০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে অনধিক কত বছরের ব্যক্তিদের কিশোর ধরা হয়?
  1. অনধিক ১৮ বছরের
  2. অনধিক ১৬ বছরের
  3. অনধিক ১৫ বছরের
  4. অনধিক ২১ বছরের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৯খ ধারা-
কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।

Section 29B: Jurisdiction in the case of juveniles-
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
১,৬০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করা হয়?
  1. ১ম কলাম
  2. ২য় কলাম
  3. ৩য় কলাম
  4. ৪র্থ কলাম
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ১ম কলাম-এ দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করা হয়।
- প্রথম কলামে পেনাল কোডের অধীন সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহ উল্লেখ করা হয়, যা অপরাধের ধরন এবং শাস্তির বিধান বর্ণনা করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে। 
দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ।
২য় কলাম- অপরাধ।
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ।
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা।
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি।
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১,৬০৮.
দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ কে নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।

ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।

⇒অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করতে পারেন।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.

(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 

 (3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.

(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct. 
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
১,৬০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৫ ধারা অনুযায়ী সমন জারির মাধ্যমে তলবকৃত ব্যক্তিগণ-
  1. সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য
  2. উপস্থিত থাকতে বাধ্য
  3. উপস্থিত থাকতে বাধ্য নন
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৫ ধারা পুলিশকে কতিপয় ব্যক্তিবর্গকে সমন করার ক্ষমতা প্রদান করেছে-

(১) ধারা-১৭৪ মতে অগ্রসর হতেছেন এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা লিখিত আদেশ দ্বারা কথিত তদন্তের প্রয়োজনে দুই বা ততোধিক ব্যক্তিকে এবং যিনি ঘটনার তথ্যাবলীর সহিত পরিচিত বলে মনে হয় এরূপ না কোন ব্যক্তিকে,সমন করতে পারেন এবং এরূপে সমনপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি হাজিরা দিতে এবং যে সব প্রশ্নের উত্তর তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী অভিযোগ আনয়ন করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা তার অধিকার হরণ করতে চাইতে পারে এরূপ প্রশ্ন ব্যতীত যাবতীয় প্রশ্নের সত্য উত্তর প্রদান করতে বাধ্য।
(২) তথ্যাদি যদি এরূপ আমলযোগ্য অপরাধ প্রকাশ না করে যাতে ধারা-১৭০ প্রযোজ্য,তাহলে পুলিশ অফিসার ঐরূপ ব্যক্তিবর্গকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে অনুরোধ করবেন না।

[Power to Summon Persons]
(1) A police-officer proceeding under section 174 may, by order in writing summon two or more persons as aforesaid for the purpose of the said investigation, and any other person who appears to be acquainted with the facts of the case. Every person so summoned shall be bound to attend and to answer truly all questions other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge, or to a penalty or forfeiture. 
(2) If the facts do not disclose a cognizable offence to which section 170 applies, such persons shall not be required by the police-officer to attend a Magistrate's Court.

অর্থাৎ সমন জারির মাধ্যমে তলবকৃত ব্যক্তিগণ হাজিরা দিতে বাধ্য কিন্তু সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়।
১,৬১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় আদালত কখন পেশ করা দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অভিযুক্তের অনুরোধে
  2. অভিযোগকারীর অনুরোধে
  3. আদালত নিজে উপযুক্ত মনে করলে
  4. তদন্তকারী কর্মকর্তার অনুরোধে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারা- পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাঃ
যেকোনো আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করলে, এই কোড অনুসারে ইহার সমক্ষে পেশ করা যে কোন দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।
 
Section 104- Power to impound document, etc, produced:
Any Court may, if it thinks fit, impound any document or thing produced before it under this Code.
১,৬১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বীকারোক্তি।
  2. বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের বিচার।
  3. আদালতের আপিল প্রক্রিয়া।
  4. সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ।
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ তে বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে।
- এই ধারা অনুসারে, যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমানার বাইরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে;অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে টা যেখানেই থাকুক না কেন, কোন অপরাধ করে ;তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেই স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধরে নিয়ে সেই মোতাবেক বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- এই সকল অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪ ধারা একত্রে মিলিয়ে পড়তে হয়। দণ্ডবিধির ৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে দণ্ডবিধির ব্যাপ্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.
১,৬১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের কোন কলামে 'আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩য়
  2. ৫ম
  3. ৭ম
  4. ৮ম
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিল আছে। তার মধ্যে ২য় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ২য় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)

১ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি,পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১,৬১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৭ অনুযায়ী, কোনো আদালত কোনো সম্পত্তি নিষ্পত্তির আদেশ দিলে, সাধারণত কত দিন পর্যন্ত সেই আদেশ কার্যকর করা যাবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৭(৩) অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো সম্পত্তি ধ্বংস, বাজেয়াপ্তি বা হস্তান্তরের আদেশ দেয়, তবে সেই আদেশ এক মাস পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না, অথবা যদি আপিল দাখিল করা হয়, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদেশ কার্যকর হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ:
(১) কোন ফৌজদারি আদালতে কোন ইনকোয়ারি বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবি করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরকম আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপিলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 517. Order for disposal of property regarding which offence committed:
(1) When an inquiry or a trial in any Criminal Court is concluded, the Court may make such order as it thinks fit for the disposal by destruction, confiscation, or delivery to any person claiming to be entitled to possession thereof or otherwise of any property or document produced before it or in its custody or regarding which any offence appears to have been committed, or which has been used for the commission of any offence. 
(2) When High Court Division or a Court of Session makes such order and cannot through its own officers conveniently deliver the property to the person entitled thereto, such Court may direct that the order be carried into effect by the Chief Metropolitan Magistrate or District Magistrate. 
(3) When an order is made under this section such order shall not, except where the property is livestock or subject to speedy and natural decay, and save as provided by sub-section (4), be carried out for one month, or, when an appeal is presented, until such appeal has been disposed of. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to prohibit any Court from delivering any property under the provisions of sub-section (1) to any person claiming to be entitled to the possession thereof, on his executing a bond with or without sureties to the satisfaction of the Court, engaging to restore such property to the Court if the order made under this section is modified or set aside on appeal.
Explanation- In this section the term "property" includes in the case of property regarding which an offence appears to have been committed, not only such property as has been originally in the possession or under the control of any party, but also any property into or for which the same may have been converted or exchanged, and anything acquired by such conversion or exchange, whether immediately or otherwise.

১,৬১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ অনুসারে, কে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. যে কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র হাইকোর্টের বিচারক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) যে কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ (Section 539B of the CrPC, 1898) অনুযায়ী যে কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যধারার যেকোনো পর্যায়ে, পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, অপরাধ সংঘটিত স্থান বা প্রাসঙ্গিক কোনো স্থান যথাযথভাবে সাক্ষ্য উপলব্ধি করার স্বার্থে পরিদর্শন করতে পারেন। তাঁরা পরিদর্শনের সময় দেখা প্রাসঙ্গিক তথ্যসমূহ স্মারকলিপি আকারে লিপিবদ্ধ করবেন, যা মামলার রেকর্ডের অংশ হয়ে যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরবরাহ করতে হবে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

১,৬১৫.
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ধারা ২৪৫ অনুসারে আসামীকে নির্দোষ সাব্যস্ত করার পর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন?
  1. দণ্ডাদেশ প্রদান করবেন
  2. জামিন প্রদান করবেন
  3. খালাস আদেশ প্রদান করবেন
  4. পুনরায় শুনানি করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪৫: খালাস (acquittal)-
ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৪ ধারার উল্লেখিত সাক্ষ্য, স্বত:প্রবৃত্ত হয়ে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ এবং আসামীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামীকে নির্দোষ বলে সাব্যস্ত করলে খালাস আদেশ প্রদান করবেন।

[If the Magistrate upon taking the evidence referred to in section 244 and such further evidence (if any) as he may, of his own motion, cause to be produced, and (if he thinks fit) examining the accused, finds the accused not guilty, he shall record an order of acquittal.]
১,৬১৬.
যদি কোনো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী গর্ভবতী হন, তবে আদালত কোন বিকল্প সাজা দিতে পারেন?
  1. অর্থদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৮২ অনুসারে,
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.

১,৬১৭.
বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে কত নং আইন?
  1. ১ নং
  2. ৫ নং
  3. ৯ নং
  4. ৪৫ নং
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের ৫ নং আইন।
-ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন। কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে।
- ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়।
-পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়।
- ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।
- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই। ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের ৫ নং আইন।

এছাড়াও,
-দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সালের ৫নং আইন)
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (১৮৭৭ সালের ১নং আইন)
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন)
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (১৮৭২ সালের ১নং আইন)
- তামাদি আইন, ১৯০৮ (১৯০৮ সালের ৯নং আইন)
১,৬১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, “bailable offence” বলতে কী বোঝায়?
  1. যে অপরাধে শুধু আদালত জামিন দেয়
  2. যে অপরাধে জামিন পাওয়া যায়
  3. যে অপরাধে সর্বোচ্চ ৭ বছর সাজা হয়
  4. যে অপরাধে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করা যায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) যে অপরাধে জামিন পাওয়া যায়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(b) অনুযায়ী—
“bailable offence” বলতে বোঝায় সেইসব অপরাধ যা:
- দ্বিতীয় তফসিলে (Second Schedule) “bailable” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে,
- অথবা অন্য কোনো প্রচলিত আইনের মাধ্যমে “bailable” হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
- (b) "bailable offence" means an offence shown as bailable in the second schedule, or which is made bailable by any other law for the time being in force; and "non-bailable offence" means any other offence:

- অর্থাৎ, bailable offence এমন অপরাধ, যেখানে আসামি আইনগতভাবে জামিন পাওয়ার অধিকার রাখে এবং পুলিশ বা আদালত জামিন দিতে বাধ্য থাকে।
১,৬১৯.
What is the maximum imprisonment term that a Joint Sessions Judge can impose?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
- অর্থাৎ  ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছররের  কারাদণ্ড দিতে পারবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 31. Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
১,৬২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের কোন কলামে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধের উল্লেখ আছে?
  1. ৩য়
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ
২য় কলাম- অপরাধ
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ।
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি 
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১,৬২১.
ফৌজদারী আইনে অন্য কিছু বলা না থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট বলতে বােঝাবে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪ক এর বিধান নির্দেশাবলীর অর্থঃ এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপঃ
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে।

-----------------------------------------------------------------------------------------

♦ Section 4A. Constuction of reference: (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference-
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
১,৬২২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ২ লাখ
  2. ৩ লাখ
  3. ৫ লাখ
  4. ১০ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(খ) অনুসারে, একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এর জরিমানা করার সর্বোচ্চ ক্ষমতা হলো ৩ লক্ষ টাকা।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হল খ) ৩ লাখ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩২ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতসমূহ নিম্নোক্ত দণ্ডাদেশসমূহ প্রদান করতে পারেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত; 
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক তিন বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক দুই বছর মেয়াদের জন্য;
জরিমানা: অনধিক দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো দণ্ডাদেশের সমন্বয়ে একটি বৈধ দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন।

১,৬২৩.
Without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a(n)
  1. Executive Magistrate
  2. Judicial Magistrate
  3. Cognizance Magistrate
  4. District Magistrate
ব্যাখ্যা
♦ Construction of references.
Section 4A. (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference- 
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারার বিধান: নির্দেশাবলীর অর্থ: এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপ:
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে;
১,৬২৪.
সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে যথাযথ চেষ্টা সত্ত্বেও খুঁজে পাওয়া না গেলে, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭০ অনুযায়ী কার কাছে সমনের কপি দেয়া হবে?
  1. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির মনোনীত প্রতিনিধির নিকট
  2. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যর নিকট
  3. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক যেকোন সদস্যর নিকট
  4. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বসবাসকৃত এলাকার স্থানীয় থানায়
ব্যাখ্যা

ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭০-এ বলা আছে,
যদি কোনো ব্যক্তিকে সমন দেয়ার সময় তাকে খুঁজে না পাওয়া যায়, তাহলে সমনের একটি কপি তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য-এর কাছে সমন দেয়া যেতে পারে।

[Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.]

১,৬২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৯ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসার কখন পুনরায় গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. যখন অপরাধ জামিনযোগ্য
  2. যখন অপরাধী ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত
  3. যখন অপরাধী পলায়নের চেষ্টা করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

১,৬২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের বেঞ্চ এর বিধান রয়েছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান বেঞ্চ: চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে যে কোন দুই বা ততোধিক মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বেঞ্চ রূপে একসাথে বসতে পারবেন।
♦ Benches
Section 19. Any two or more of Metropolitan Magistrates may, subject to the rules made by the Chief Metropolitan Magistrate, sit together as Bench.
♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের বেঞ্চ এর বিধান রয়েছে।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫ ধারার বিধান ম্যাজিষ্ট্রেটগণের বেঞ্চ: (১) সরকার দুই বা ততোধিক সংখ্যক ম্যাজিষ্ট্রেটকে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে কোন স্থানে বেঞ্চ গঠন করে একসাথে বসার নির্দেশ দিতে পারেন এবং আদেশ কর্তৃক এধরণের বেঞ্চের উপর উক্ত কোড অনুসারে প্রথম, দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর অর্পিত বা অর্পণযোগ্য ক্ষমতা ন্যস্ত করতে পারবেন এবং সরকার যেভাবে ঠিক করেন, কেবল সেভাবে সকল মোকদ্দমায় বা সেসব শ্রেণীর মোকদ্দমায় ও সেই স্থানীয় এলাকায় উক্ত বেঞ্চকে সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।

(২) বিশেষ নির্দেশ না থাকলে বেঞ্চ যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেনঃ এই ধারা অনুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ কর্তৃক অন্য কোন ধরণের কোন বিধান করা না হয়ে থাকলে বেঞ্চের বর্তমান কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মধ্যে সর্বোচ্চ শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটকে এ আইন কর্তৃক যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে, বেঞ্চের নিকট সে ক্ষমতা থাকবে এবং আইনের উদ্দেশ্যে বেঞ্চকে যথাসম্ভব উক্ত শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে অভিহিত করতে হবে।
১,৬২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুসারে কোন অবস্থায় পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা যাবে না?
  1. যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে
  2. যদি মামলা দায়রা আদালতে বিচার্য হয়
  3. যদি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য পাওয়া যায়
  4. যদি অভিযোগ পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে গৃহীত হয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীনে, পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা যাবে না যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে।
এটি বলছে যে, যখন আদালত একটি নালিশ গ্রহণ করে, তখন সেই নালিশের প্রাথমিক সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য অনুসন্ধান বা তদন্ত করা যাবে না এবং পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা যাবে না।
এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যখন মামলাটি দায়রা আদালতে বিচার্য হয়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য পাওয়া যায় বা অভিযোগ পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে গৃহীত হয়, তখন পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা সম্ভব এবং তদন্ত বা অনুসন্ধান করা যেতে পারে।
তবে, যখন আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে, তখন এই ধারা অনুযায়ী পরোয়ানা স্থগিত রাখা যাবে না এবং তদন্ত বা অনুসন্ধান করা সম্ভব নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।
আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 202.Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: 
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
১,৬২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে সরকার থেকে বিশেষ ক্ষমতা না দিলে তিনি পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার অনুমতি দিতে পারবেন না?
  1. মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
→  ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে সরকার থেকে বিশেষ ক্ষমতা না দিলে তিনি পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার অনুমতি দিতে পারবেন না।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারায় রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে:-
(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।
- মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-167: 
(2) The Magistrate to whom an accused person is forwarded under this section may, whether he has or has not jurisdiction to try the case from time to time authorize the detention of the accused in such custody as such Magistrate thinks fit, for a term not exceeding fifteen days in the whole. If he has not jurisdiction to try the case or send it for trial, and considers further detention unnecessary, he may order the accused to be forwarded to a Magistrate having such jurisdiction:
Provided that no Magistrate of the third class, and no Magistrate of the second class not specially empowered in this behalf by the Government shall authorize detention in the custody of the police.
১,৬২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪০ অনুসারে, ফৌজদারি আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির কী অধিকার রয়েছে?
  1. সাক্ষী ছাড়া মামলা পরিচালনার অধিকার
  2. মামলা বাতিলের আবেদন করার অধিকার
  3. কৌঁসুলীর মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার
  4. সরাসরি বিচারকের সাথে যোগাযোগ করার অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০(১) ধারা অনুযায়ী, ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা যার বিরুদ্ধে কার্যক্রম দায়ের করা হয়েছে, তার অধিকার রয়েছে কৌঁসুলীর (Pleader) মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থন করার।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান:- যাহার বিরুদ্ধে কার্যক্রম দায়ের করা হইয়াছে তাহার আত্মপক্ষ সমর্থন করিবার অধিকার ও সাক্ষী হইবার যোগ্যতা:
(১) ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই আইনানুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে কৌসুলীর দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার তার থাকবে।
(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ১০৭ ধারা অথবা দশম অধ্যায়, একাদশ অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায়, ষষ্ঠ বিংশ অধ্যায় বা ৫৫২ ধারা অনুসারে মামলা রুজু করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি নিম্নে উক্ত মামলার সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে পারবে।
(৩) কোন অপরাধের দায়ে ফৌজদারি আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক সাক্ষ্য দিতে পারবে:
-তবে শর্ত এই যে,
ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবেনা; অথবা
খ) সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness:
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
১,৬৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে বিচার বা অনুসন্ধান মুলতবি রাখা যেতে পারে?
  1. অভিযুক্ত অসুস্থ হলে
  2. কমিশন জারি করা হলে
  3. বিচারক অবসর নিলে
  4. সাক্ষী আদালতে হাজির না হলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) কমিশন জারি করা হলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় ধারা ৫০৩ বা ৫০৬ অনুযায়ী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে সেই কমিশন কার্যকর ও ফেরত দেওয়ার জন্য যথাযথ এবং ন্যায়সংগত সময় পর্যন্ত অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।
- এই ধারা মূলত সাক্ষীর উপস্থিতি ব্যতীত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সময়সীমা নির্ধারণে আদালতকে আইনি সুযোগ দেয়।
- এটি বিচার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত না করে প্রক্রিয়াটি ন্যায়সঙ্গতভাবে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

১,৬৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা মোতাবেক 'ব্যভিচার' এর ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির আপোসের ক্ষমতা রয়েছে।
  1. যে নারীর সাথে ব্যভিচার করা হয়েছে
  2. যে ব্যভিচার করেছে
  3. যে নারীর সাথে ব্যভিচার করা হয়েছে তার স্বামী
  4. যে ব্যক্তি ব্যভিচার করেছে তার স্ত্রী (যদি থাকে)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা মোতাবেক 'ব্যভিচার' এর ক্ষেত্রে যে নারীর সাহায্যে ব্যভিচার করা হয়েছে তার স্বামীর আপোসের ক্ষমতা রয়েছে।
১,৬৩২.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
 
⇒ কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে;
⇒ ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে;
⇒ অপরাধী ঘোষিত হলে;

⇒ চোরাই মাল পাওয়া গেলে;
⇒ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে;
⇒ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে;
 
⇒ বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;
⇒ মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে;
⇒ যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে।
১,৬৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারায় যখন অভিযুক্ত জবানবন্দি সত্য হিসেবে স্বীকার করে, তখন কে স্বাক্ষর করবে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. শুধুমাত্র অভিযুক্ত
  3. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ
  4.  অভিযুক্ত এবং আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ উভয়ে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।

১,৬৩৪.
Section 419 deals with which aspect of appeal?
  1. How appeals are heard
  2. Time limitations for appeal
  3. Powers of appellate court
  4. Petition of Appeal
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 419: Petition of Appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৯ ধারার বিধান: আপিলে দায়েরের পদ্ধতি:
প্রত্যেকটি আপিল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপিলের পিটিশন আপিলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার কপি আপিলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

১,৬৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৩ এর অধীনে, থানা ইনচার্জ কোন পরিস্থিতিতে ওয়ারেন্ট ছাড়া কোনো স্থানে প্রবেশ করতে পারেন?
  1. মাদকদ্রব্য খুঁজতে
  2. চুরি যাওয়া মাল খুঁজতে
  3. সন্দেহজনক ব্যক্তিকে খুঁজতে
  4. ভুয়া ওজন ও পরিমাপক যন্ত্র খুঁজতে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) ভুয়া ওজন ও পরিমাপক যন্ত্র খুঁজতে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৩(১) এর বিধান অনুযায়ী:
"(১) কোনো পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ যদি ন্যায্যভাবে বিশ্বাস করেন যে, তার কার্য এলাকায় কোনো স্থানে ভুয়া ওজন বা পরিমাপক যন্ত্র রাখা আছে বা ব্যবহৃত হচ্ছে, তাহলে তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই ঐ স্থানে প্রবেশ করতে পারেন তা পরিদর্শন বা অনুসন্ধানের জন্য।
(২) যদি তিনি সেখানে ভুয়া যন্ত্র খুঁজে পান, তিনি তা জব্দ করতে পারেন এবং অবিলম্বে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে বাধ্য থাকবেন।"

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৩(১) এর বিধান অনুযায়ী: থানা ইনচার্জ (ওসি) ওয়ারেন্ট ছাড়াই তার থানা এলাকার মধ্যে যে কোনো স্থানে প্রবেশ করতে পারেন, যদি: তার বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে যে সেখানে ভুয়া ওজন, পরিমাপ বা ওজন পরিমাপের যন্ত্র আছে বা ব্যবহার হচ্ছে এর উদ্দেশ্য হল এসব ভুয়া যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশি করা। ধারা ১৫৩(২) অনুসারে: যদি ভুয়া ওজন বা পরিমাপের যন্ত্র পাওয়া যায়, তা তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করতে হবে জব্দকৃত জিনিস সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতকে অবহিত করতে হবে

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-153. Inspection of weights and measures:
(1) Any officer in charge of a police-station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false. 
(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
১,৬৩৬.
ক্ষমতা প্রত্যাহারের বিষয়টি ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1.  ধারা ৩১
  2. ধারা ৩৫
  3. ধারা ৪১
  4. ধারা ৪৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১-এ ক্ষমতা প্রত্যাহারের বিষয়টি স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে। ধারা ৪১-এর শিরোনামই হল: "Withdrawal of powers" (ক্ষমতা প্রত্যাহার)।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ: 
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন, শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-41: Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.

১,৬৩৭.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর এর ২৪৮ ধারা অনুসারে Complaint প্রত্যাহৃত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ______।
  1. মুক্তি পাবে
  2. অব্যাহতি পাবে
  3. খালাস পাবে
  4. ডিসচার্জ হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-

এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস [Acquittal] দিবে।

• অপরদিকে,
৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে [Discharge] দিতে পারে এবং অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে।
১,৬৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী, অপরাধ আপস-মীমাংসা হলে তা কী হিসাবে গণ্য হবে?
  1. বিচার স্থগিত
  2. দণ্ড স্থগিত
  3. অভিযুক্তের খালাস
  4. অপরাধ স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী: "যদি কোন মামলা এই ধারার অধীন আপস-মীমাংসা করা হয়, তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি সেই মামলায় খালাস প্রাপ্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে।"
অর্থাৎ, যেসব অপরাধ আপসযোগ্য (compoundable offences) হিসেবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় তালিকাভুক্ত, সেসব অপরাধে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আপস করে নেয় এবং আইনানুযায়ী প্রয়োজনীয় অনুমতি নেয়, তাহলে আদালত সেই মামলার কার্যক্রম বন্ধ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে "acquitted" অর্থাৎ খালাস ঘোষণা করে। এটি অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার কোনো বিষয় নয় বরং আপসের ফলে মামলার নিষ্পত্তি।
-  তাই "খালাস" গণ্য হওয়া একটি আইনি ফলাফল, যা বিচারের মাধ্যমে নয়, বরং আপস-মীমাংসার মাধ্যমে ঘটে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-345(6) The composition of an offence under this section shall have the effect of an acquittal of the accused with whom the offence has been compounded.
১,৬৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির _______ অনুসারে, গ্রেফতারকারী কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহতল্লাশি করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া তাঁর নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।
  1. ৪৬ ধারা
  2. ৫১ ধারা
  3. ৫২ ধারা
  4. ৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা অনুসারে, গ্রেফতারকারী কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহতল্লাশি করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া তাঁর নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি ৫১ ধারা: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির তল্লাশি:

যখন কোনো ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার গ্রেফতার করেন এমন এক পরোয়ানায় যা জামিন দেওয়ার সুযোগ দেয় না, অথবা জামিন দেওয়ার সুযোগ থাকলেও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে অক্ষম, এবং
যখন কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার হন কোনো পরোয়ানা ছাড়া, অথবা কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি গ্রেফতার করেন পরোয়ানায়, এবং সেই ব্যক্তি আইনগতভাবে জামিন নিতে অক্ষম অথবা জামিন দিতে অক্ষম,
তাহলে গ্রেফতারকারী অফিসার বা, যদি গ্রেফতারটি কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি করে থাকে, তবে পুলিশ অফিসার, যাকে সেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সোপর্দ করেন, সেই ব্যক্তি তল্লাশি করতে পারেন এবং তার কাছ থেকে সমস্ত জিনিসপত্র, প্রয়োজনীয় পরিধেয় কাপড় ছাড়া, নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।

Section 51- Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and 
Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail, 
the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him.
১,৬৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০ অনুসারে, কোন ব্যক্তি কারাগারে থাকলে মুচলেকা (security guarantee) প্রদানের মেয়াদ কখন থেকে শুরু হবে?
  1. বন্ড স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  2. আদেশ জারির তারিখ থেকে
  3. আদালত নির্ধারিত তারিখ থেকে
  4. কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি কারাগারে থাকেন এবং তার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ জারি করা হয়, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে ধারা ১০৬ বা ধারা ১১৮ এর অধীনে মুচলেকা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, সেই সময়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন বা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে শুরু হবে। এর কারণ হলো, কারাগারে থাকা অবস্থায় ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ বা অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার সুযোগ পান না, তাই নিরাপত্তা বন্ডের প্রয়োজনীয়তা তার মুক্তির পর থেকে কার্যকর হয়।
- ধারা ১২০(২) এ আরও উল্লেখ আছে যে, যদি ব্যক্তি কারাগারে না থাকেন, তবে মুচলেকা প্রদানের মেয়াদ সাধারণত আদেশ জারির তারিখ থেকে শুরু হবে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট যথাযথ কারণে পরবর্তী কোনো তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-120.Commencement of period for which security is required:
(1) If any person, in respect of whom an order requiring security is made under section 106 or section 118, is, at the time such order is made, sentenced to, or undergoing a sentence of, imprisonment the period for which such security is required shall commence on the expiration of such sentence.
(2) In other cases such period shall commence on the date of such order unless the Magistrate, for sufficient reason, fixes a later date.

১,৬৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত কোন ধরনের সাক্ষী হতে পারে?
  1. Prosecution witness
  2. Defence witness
  3. both of above
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।

তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
১,৬৪২.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(ক) অনুসারে: প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদান করতে পারেন। এছাড়া তিনি ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ নং অপশন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩২ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতসমূহ নিম্নোক্ত দণ্ডাদেশসমূহ প্রদান করতে পারেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত; 
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক তিন বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক দুই বছর মেয়াদের জন্য;
জরিমানা: অনধিক দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো দণ্ডাদেশের সমন্বয়ে একটি বৈধ দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন।

১,৬৪৩.
অভিযোগকারী কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে?
  1. মূল মামলার খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  2. আপিলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  3. রিভিশনে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-
১- হাইকোর্ট বিভাগে
২- দায়রা জজের নিকট 

খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
১. পাবলিক প্রসিকিউটর
২. অভিযোগকারী 

• ৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর মূল মামলার এবং আপিলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র মূল মামলার খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।

ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে ৬ মাসের মধ্যে।
১,৬৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারা অনুসারে কিশোর অপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে কোন বয়স বিবেচনা করা হয়?
  1. গ্রেফতারের সময়ের বয়স
  2. অপরাধ করার সময়ের বয়স
  3. মামলা দায়েরের সময়ের বয়স
  4. আদালতে হাজির হওয়ার সময়ের বয়স
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারার বিধান কিশোরদের বেলায় এখতিয়ার:
-কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনেরো) বৎসরের নিচে হলে তার বিচার যে কোন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।
-----------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-29B:Jurisdiction in the case of juveniles:
-Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
১,৬৪৫.
এক ব্যক্তি দায়রা আদালতে একটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে এবং তাকে ২০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এই অবস্থায় তিনি কি আপিল করতে পারবেন?
  1. হ্যাঁ, কারণ কারাদণ্ড হয়েছে
  2. না, কারণ কারাদণ্ড ১ মাসের কম
  3. হ্যাঁ, কারণ এটি একটি ফৌজদারি মামলা
  4. হ্যাঁ, কারণ দণ্ডিত ব্যক্তি সবসময় আপিল করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে, যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
১,৬৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা অনুযায়ী কিশোর অপরাধীর বিচার করার ক্ষেত্রে কিশোরের বয়স কত বছরের নীচে হতে হবে?
  1. ১৪
  2. ১৫
  3. ১৮
  4. ১৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ২৯খ ধারার বিধান কিশোরদের বেলায় এখতিয়ার:
-কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।
-----------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
- Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
১,৬৪৭.
নিম্নের কোন অপরাধের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি প্রযোজ্য?
  1. গুরুতর আঘাত
  2. দণ্ডনীয় নরহত্যা
  3. বেপরোয়া যান চালানোর দ্বারা মৃত্যু
  4. সাধারণ আঘাত
ব্যাখ্যা
♦ গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

♦ নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। যথা-
i) মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ২ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ অর্থাৎ ২ বছর বা এর কম মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধের বিচার।
ii) দন্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬ ধারামতে ওজন ও পরিমান সম্পর্কিত অপরাধ, ৩২৩ ধারামতে আঘাত, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চুরি, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চোরাইমাল গ্রহণ, গোপন ও হস্তান্তর;
iii) দন্ডবিধির ২৭৭,২৭৯,২৮৫, ২৮৯, ২৯০-২৯৪, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১,৩৫২ ধারার অপরাধ ।
iv) ক্ষতি (Mischief), দন্ডবিধির ৪৪৭ ধারামতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ, ৪৪১, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৫৬ ও ৪৫৭ ধারামতে কৃত অপরাধ, অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন, ৫০৯ ও ৫১০ ধারামতে ইভটিজিং বা মাতলামি;
v) পূর্বে বর্ণিত অপরাধ সমূহে সহায়তা ও অপরাধসমূহ করার চেষ্টা (abetment and attempt to commit the foregoing offences); এবং any of
vi) ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশ আইনের ২০ ধারার অধীন অপরাধের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।
এছাড়াও মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর অধীনে সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।
মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমান আদালত সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে বিচার পরিচালনা করে থাকে।

♦অর্থাৎ যেগুলো জরিমানাযোগ্য, জরিমানাসহ বা ব্যতীত অনধিক ১ মাস মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।

♦অপশনে সাধারণ আঘাতের  ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।
১,৬৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৮ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশে কী নির্দেশ থাকতে হবে?
  1. গুলি করে হত্যা করার নির্দেশ
  2. গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুর নির্দেশ
  3. বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে মৃত্যুর নির্দেশ
  4. দণ্ডপ্রাপ্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করার নির্দেশ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুর নির্দেশ।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮(১) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়, তখন দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে "সে গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলন্ত অবস্থায় রাখা হবে।" এটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্ধারিত পদ্ধতি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৮: মৃত্যুদণ্ড ও নির্বাসন সংক্রান্ত বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ: যখন কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন সেই দণ্ডাদেশে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে যে তাকে “গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে”।
(২) নির্বাসন (Transportation) এর আদেশ: নির্বাসনের আদেশে যে স্থানে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে প্রেরণ করা হবে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 368. Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
- Sentence of transportation:
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
১,৬৪৯.
Under which section is the summary dismissal of an appeal mentioned?
  1. Section 427
  2. Section 425
  3. Section 423
  4. Section 421
ব্যাখ্যা
Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

• ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:

(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
১,৬৫০.
'Sentence of death to be submitted by Court of Session' — এই বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩৭০
  2. ৩৭২
  3. ৩৭৪
  4. ৩৭৫
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৪: দায়রা আদালত কর্তৃক দাখিলকৃত মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত বিধান:
যখন দায়রা আদালত (Court of Session) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তখন মামলার কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে উপস্থাপন করতে হবে, এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ছাড়া সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না।

Section 374- Sentence of death to be submitted by Court of Session:
When the Court of Session passes sentence of death, the proceedings shall be submitted to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
১,৬৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীনে পুলিশ কোন ধরনের রিপোর্ট দাখিল করতে পারে?
  1. First Investigation Report
  2. Further Investigation Report
  3. Final Investigation Report
  4. Complete Investigation Report
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৭৩ (৩খ) ধারা অনুসারে, পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট (১৭৩(১) ধারার অধীনে দাখিলকৃত) জমা দেওয়ার পরও অপরাধের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করতে পারে। এই অধিকতর তদন্তের সময় যদি পুলিশ নতুন মৌখিক বা দালিলিক সাক্ষ্য পায়, তবে তারা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet) দাখিল করতে পারে। এই রিপোর্টটি "Further Investigation Report" নামে পরিচিত, কারণ এটি প্রাথমিক তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে সংগৃহীত অতিরিক্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।
- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
১,৬৫২.
একজন ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী guilty plead করায় ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের হলে নিম্নের কোনটি হতে পারে?
  1. আপিলটি শুনানীর জন্য গ্রহণ করা হবে
  2. আপিলটি দায়রা জজ আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া হবে
  3. আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
  4. রিভিশশন দায়েরের জন্য ফেরত দেয়া হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]

অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 

২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে আসামী দোষ স্বীকার করেছে এবং সেই সাথে এক মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। ধারা ৪১২ এবং ৪১৩ এর অধীন দণ্ডাদেশ আপীলযোগ্য নয়, তাই আপীলটি না-মঞ্জুর হবে।
১,৬৫৩.
Section 409 of the Code of Criminal Procedure, 1898 deals with the appeal hearing procedure of which court?
  1. Court of Session
  2. Appellate Division
  3. High Court Division
  4. Chief Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge: Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.

ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

১,৬৫৪.
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করার পর ৩৬৯ ধারার অধীন কখন তা পরিবর্তন করতে পারবে?
  1. আপিলের জন্য
  2. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
  3. পুরানো রায় পুনরায় পর্যালোচনার জন্য
  4. শুধুমাত্র করণিক ভুল সংশোধনের জন্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৯ অনুসারে,
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করলে পরিবর্তন বা রিভিউ করতে পারবে না কিন্তু করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে।

Section 369: Court not to alter judgment-
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force,no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
১,৬৫৫.
প্রাচীন ভারতের বিচার ও প্রশাসনব্যবস্থায় ধননন্দের সময়ে (খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে) আদালতের ভাষা কী ছিল?
  1. পালি
  2. প্রাকৃত
  3. সংস্কৃত
  4. অপভ্রংশ
ব্যাখ্যা

⇒ ধননন্দের সময়ে (খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে) প্রাচীন ভারতের বিচারব্যবস্থায় আদালতের প্রধান ভাষা ছিল সংস্কৃত। এই সময়ে সংস্কৃত ছিল শাস্ত্রীয় ও প্রশাসনিক কাজের জন্য প্রধান ভাষা, এবং আদালতের রায় ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিক বিচারকার্য সংস্কৃতে পরিচালিত হতো। তবে, প্রমাণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সংস্কৃতের পাশাপাশি প্রাকৃত ভাষাও ব্যবহৃত হতো, কারণ প্রাকৃত ছিল সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রচলিত ভাষা। বিচারকগণ বহুভাষী ছিলেন এবং সংস্কৃত, প্রাকৃত ও জনভাষায় পারদর্শী ছিলেন, যা তাদের বিচার প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ভাষায় উপস্থাপিত প্রমাণ বুঝতে সহায়তা করত।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
ক) পালি: পালি প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ও তৎসংক্রান্ত সাহিত্যে ব্যবহৃত হতো। ধননন্দের সময়ে এটি আদালতের প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না। পালির প্রভাব পরবর্তীকালে, বিশেষ করে অশোকের সময়ে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসারের সাথে বৃদ্ধি পায়।
খ) প্রাকৃত: প্রাকৃত ছিল জনসাধারণের মুখের ভাষা এবং প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য আদালতে ব্যবহৃত হতো। তবে, আদালতের আনুষ্ঠানিক ভাষা হিসেবে সংস্কৃতই প্রাধান্য পেত।
ঘ) অপভ্রংশ: অপভ্রংশ পরবর্তীকালে (প্রায় খ্রিস্টীয় ৬ষ্ঠ শতাব্দীর পর) ভারতীয় উপমহাদেশে সাহিত্য ও স্থানীয় ভাষা হিসেবে বিকশিত হয়। ধননন্দের সময়ে এটি আদালতের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না।

প্রেক্ষাপট: ধননন্দের সময়ে বিচারব্যবস্থা ধর্মশাস্ত্র, স্মৃতি এবং সদাচারের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হতো। বিচারকগণ শাস্ত্রজ্ঞ এবং বহুভাষী হওয়ায় তারা সংস্কৃতের পাশাপাশি প্রাকৃত ভাষায় উপস্থাপিত প্রমাণ বুঝতে পারতেন। আদালতের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম, যেমন রায় ঘোষণা এবং রাজকীয় আদেশ (যা ভূর্জপত্র বা তালপত্রে লিখিত হতো), সংস্কৃত ভাষায় সম্পন্ন হতো। এই সময়ে বিচার প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল সত্য উদঘাটন, এবং সংস্কৃত ছিল এই প্রক্রিয়ার মর্যাদাপূর্ণ ও আনুষ্ঠানিক ভাষা।

অর্থাৎ ধননন্দের সময়ে আদালতের প্রধান ভাষা ছিল সংস্কৃত, যা বিচারকার্যের আনুষ্ঠানিকতা ও শাস্ত্রীয় মর্যাদা বজায় রাখত। প্রাকৃত ভাষা প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হলেও, সংস্কৃতই ছিল আদালতের মূল ভাষা।

তথ্যসূত্র: ভারতীয় বিচারব্যবস্থা ৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ, “সাহিত্য সম্রাট জার্নাল”।(লিঙ্ক)

১,৬৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. অনধিক এক বছর
  2. অনধিক দুই বছর
  3. অনধিক তিন বছর
  4. অনধিক পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।

⇒  গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং লঘু শাস্তির অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ২৬২-এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি বর্ণিত। সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের সর্বোচ্চ সীমা দুই বছর কারাদণ্ড।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 262. Procedure for summary trials: 
(1) In trials under this Chapter, the procedure prescribed in Chapter XX shall be followed except as hereinafter mentioned.
→ Limit of imprisonment:
(2) No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
১,৬৫৭.
Public nuisance এর বিধান রয়েছে কত ধারায়?
  1. ২৫৮ ধারায়
  2. ২৬০ ধারায়
  3. ২৬৮ ধারায়
  4. ২৭৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।
১,৬৫৮.
'A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.' ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৮৫ ধারার
  2. ৮০ ধারার
  3. ৮৮ ধারার
  4. ৮২ ধারার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারা- গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।
 
Section 82- Where warrant may be executed:
A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
১,৬৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর কোনো আদালতে লিখিত অনুমতি ছাড়া হাজির হতে পারেন?
  1. ৪৯৫ ধারা
  2. ৪৯৪ ধারা
  3. ৪৯৩ ধারা
  4. ৪৯২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৩ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) তাঁর দায়িত্বে থাকা মামলায় লিখিত অনুমতি ছাড়াই আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনা করতে পারেন।
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলার দায়িত্ব পাবলিক প্রসিকিউটরের ওপর থাকে, তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট যেকোনো আদালতে তদন্ত, বিচার বা আপিল চলাকালীন সময়ে স্বয়ং হাজির হয়ে মামলাটি পরিচালনা করতে পারবেন এবং কোনো রকম লিখিত অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯৩ অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারি ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন অ্যাডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 493-Public Prosecutor may plead in all Court in cases under his charge Pleaders privately instructed to be under his direction:
The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
১,৬৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শব্দ ও অভিব্যক্তি দণ্ডবিধির অর্থ বহন করবে?
  1. ধারা-১
  2. ধারা-২
  3. ধারা-৩
  4. ধারা-৪
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮-এর ধারা ৪(২)-এর শেষ অংশে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
- Words to have same meaning as in Penal Code: "all words and expressions used herein and defined in the Penal Code, and not hereinbefore defined, shall be deemed to have the meanings respectively attributed to them by that Code."
অর্থাৎ, "এই সংহিতায় ব্যবহৃত সমস্ত শব্দ ও অভিব্যক্তি, যা দণ্ডবিধিতে সংজ্ঞায়িত হয়েছে এবং এখানে পূর্বে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি, সেগুলি সেই কোড দ্বারা নির্ধারিত অর্থ বহন করবে বলে গণ্য হবে।"

সুতরাং, ফৌজদারী কার্যবিধিতে ব্যবহৃত শব্দ ও অভিব্যক্তির জন্য দণ্ডবিধির সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে তা ধারা-৪ এই নির্ধারণ করা হয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(2)Words referring to acts:
- Words which refer to acts done, extend also to illegal omissions; and

⇒ Words to have same meaning as in Penal Code:
- all words and expressions used herein and defined in the Penal Code, and not hereinbefore defined, shall be deemed to have the meanings respectively attributed to them by that Code.

১,৬৬১.
ফৌজদারি রিভিশনে দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ-
  1. চূড়ান্ত
  2. আপিলযোগ্য
  3. হাইকোর্টে রিভিশনযোগ্য
  4. দায়রা আদালতে ২য় বার রিভিশনযোগ্য
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ;
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে, দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে,
দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision-
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439.

(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final.

(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
১,৬৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬(৬) অনুযায়ী স্ব-স্ব স্থানীয় এলাকার মধ্যে কারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে?
  1. সকল সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা
  2. জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ কমিশনার
  3. সহকারী কমিশনার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ১০- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট:
(১) সরকার যে সংখ্যক উপযুক্ত মনে করবেন, প্রত্যেক জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায়, সেই সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ােগ করবে এবং তন্মধ্যে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিয়ােগ করবে।

(২) সরকার কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিয়ােগ করতে পারবে এবং এইরূপ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্দেশানুসারে এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন অনুযায়ি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর সকল ক্ষমতা অথবা যে কোন ক্ষমতা অনুশীলন করতে পারবেন।

(৩) যখনই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হওয়ার পরে কোন অফিসার অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের প্রধান নির্বাহীর স্থলাভিষিক্ত হলে সরকারের আদেশ সাপেক্ষে তিনি এই আইনের অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা প্রয়ােগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।

(৪) সরকার বা সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীনে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ দ্বারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের স্থানীয় কর্ম নির্ধারণ করে দিতে পারবেন, যে ক্ষমতা এই কার্যবিধি দ্বারা অর্পিত হয়েছে এবং যা উপরিউক্ত চিহ্নিতকরণে অন্যভাবে বর্ণিত হয়েছে তা ব্যতীত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতাসমূহ সমগ্র জেলাব্যাপী বিস্তৃত হবে।

(৫) সরকার যদি উপযুক্ত ও প্রয়ােজন মনে করেন তবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) এ নিয়ােজিত যে কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিয়ােগ দিতে পারেন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন।

(৬) উপধারা (৪) এর অধীনে স্থানীয় এলাকার সংজ্ঞা সাপেক্ষে, সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে নিযুক্ত ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গণ্য হবেন এবং তাদের স্ব-স্ব স্থানীয় এলাকার মধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়ােগ করবে।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকার কর্তৃক কোন মেট্রোপলিটন এলাকায় বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের অধীনে, কোন পুলিশ কমিশনারকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সকল বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণে বাধা প্রদান করবে না।
১,৬৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ডাদেশ বহাল রাখার আদেশ দিলে সর্বনিম্ন কত জন বিচারক তা স্বাক্ষর করবে?
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান-দণ্ডাদেশ বহাল ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে:
-৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ডাদেশ বহাল রেখে বা নতুন যে শাস্তি বা অন্য যে আদেশ দিবে তা সর্বনিম্ন ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges:
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
১,৬৬৪.
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে - এটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ধারা ৩৫৩
  2. ধারা ৩৫৫
  3. ধারা ৩৫৭
  4. ধারা ৩৫৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫৩ - সাক্ষ্য গ্রহণ অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে করা:
যদি অন্যভাবে স্পষ্টভাবে কোনো বিধান না থাকে, তাহলে প্রথম অধ্যায়, অধ্যায় XX, XXII এবং XXIII-এর অধীনে গৃহীত সকল প্রমাণ অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে। তবে, যদি আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করে, সে ক্ষেত্রে তার আইনজীবীর উপস্থিতিতে প্রমাণ গ্রহণ করা যাবে।

[Except as otherwise expressly provided, all evidence taken under Chapters XX,  XXII and XXIII shall be taken in the presence of the accused, or, when his personal attendance is dispensed with, in presence of his pleader.]
১,৬৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য অনুসন্ধান বা তদন্তের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২০০
  2. ধারা ২০২
  3. ধারা ২০৪
  4. ধারা ২০৫ক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ২০২।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুযায়ী, কোনো অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে তিনি নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য নিজে অনুসন্ধান করতে পারেন বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, তার অধীনস্থ অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
- এটি পরোয়ানা ইস্যুর পূর্ববর্তী পর্যায়ে অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষত তখন, যখন ম্যাজিস্ট্রেট নিশ্চিত হতে চান যে অভিযোগটি যথাযথ ও গ্রহণযোগ্য কিনা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
১,৬৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন স্থাবর সম্পত্তি দুই পক্ষের কারো দখলে নাই, সেক্ষেত্রে আদালত কী করবে?
  1. সমভাবে বন্টন করে দিবে
  2. যে কোন পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দিবে
  3. বাদী পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দিবে
  4. উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। 
অর্থাৎ কারো দখলে না থাকলে আদালত  সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

-ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবে:
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
১,৬৬৭.
Who are considered ex-officio Justices of the Peace for the entire country of Bangladesh?
  1. District Magistrates
  2. Sessions Judges
  3. Judges of the Supreme Court
  4. Chief Judicial Magistrates
ব্যাখ্যা
Section 25- Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.

ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস-
সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 
১,৬৬৮.
একটি অপরাধ জামিনযোগ্য কি-না তা জানা যাবে-
  1. সিডিউল ১, কলাম ৫ থেকে
  2. সিডিউল ২ কলাম ৫ থেকে
  3. সিডিউল ৩ কলাম ৭ থেকে
  4. সিডিউল ২ কলাম ৮ থেকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির সিডিউল-২ এর ৫ নং কলামে অপরাধের জামিনযোগ্যতার বিষয়ে উল্লেখ আছে।
১,৬৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ কীভাবে দেওয়া যায়?
  1. শপথপত্রের মাধ্যমে
  2. পুলিশ রিপোর্টের মাধ্যমে
  3. মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে
  4. কোনো প্রমাণ দেওয়া যায় না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫৩৯ক(১) অনুসারে, যখন কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যক্রমের সময় কোনো আদালতে কোনো আবেদন করা হয় এবং তাতে কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তখন আবেদনকারী সেই অভিযোগের তথ্যগুলো শপথপত্রের (affidavit) মাধ্যমে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন। আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, তবে এই তথ্যগুলো শপথপত্রের মাধ্যমে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে।

- এছাড়াও, এই ধারায় বলা হয়েছে যে, শপথপত্রে যে তথ্য দেওয়া হবে তা দুই ধরনের হতে পারে: (১) আবেদনকারীর নিজস্ব জ্ঞানের ভিত্তিতে প্রমাণিত তথ্য, এবং (২) যে তথ্য তিনি যুক্তিসঙ্গত কারণে সত্য বলে বিশ্বাস করেন, এবং এই ক্ষেত্রে বিশ্বাসের ভিত্তি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- ধারা ৫৩৯ক(১) অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ ছাড়া অন্য আদালতে শপথপত্র ধারা ৫৩৯-এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে বা কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে গ্রহণ করা যায়।
- ধারা ৫৩৯ক(২) অনুসারে, আদালত শপথপত্রে থাকা কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা কলঙ্কজনক বিষয় মুছে ফেলতে বা সংশোধন করতে পারে।
- এই ধারার উদ্দেশ্য হলো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া।
- অতএব, ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ শপথপত্রের মাধ্যমে দেওয়া যায়।

১,৬৭০.
অভিযুক্তের বন্ড সম্পাদনে অর্থের পরিমাণ কে নির্ধারণ করবে?
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. ক বা খ
  4. ফরিয়াদি
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৯- আসামী ও জামিনদারের বন্ড

(১) কোন ব্যক্তিকে জামিনে বা তার নিজের বন্ডে মুক্তি দেয়ার পূর্বে উক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত যেরূপ পর্যাপ্ত মনে করেন সেরূপ পরিমাণ অর্থের জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করবে এবং যেক্ষেত্রে তাকে জামিন মুক্তি দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক পর্যাপ্ত জামিনদার এ শর্তে বন্ড সম্পাদন করবে যে, উক্ত ব্যক্তি বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুরূপে হাজির হতে হবে।

(২) মামলার জন্য এরূপ প্রয়োজন হলে জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জন্য আরও শর্ত থাকবে যে, অভিযোগের জবাব দানের জন্য আহবান করা হলে হাইকোর্ট ডিভিশন, দায়রা আদালত বা অন্য কোন আদালতে তাকে হাজির হতে হবে।

Section 499- Bond of accused and sureties
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.

(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
১,৬৭১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উৎপাত
  2. রাজনৈতিক অসন্তোষ
  3. পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা
  4. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
- ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
-১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
১,৬৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে আদালত রায় দানের পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারেন?
  1. ধারা ২২১
  2. ধারা ২২৫
  3. ধারা ২২৭
  4. ধারা ২৩০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ২২৭ অনুসারে, যেকোনো আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অভিযুক্তকে পড়ে শোনাতে এবং বুঝাতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.

১,৬৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারায় কে প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারে? 
  1. পুলিশ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ফরিয়াদী
  4. জেলা জজ
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৮ – অভিযোগ প্রত্যাহার (Withdrawal of Complaint):
যদি কোনো ফরিয়াদী যে কোনো সময় মামলার চূড়ান্ত রায় দেওয়ার আগে ম্যাজিস্ট্রেটকে সন্তুষ্ট করে যে তার অভিযোগ প্রত্যাহার করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে অভিযোগ প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন, এবং সেই অনুযায়ী অভিযুক্তকে খালাস (Acquit) দিতে হবে।

[If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.]

১,৬৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. যা কেবল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারযোগ্য
  2. যা এককভাবে দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য
  3. যা পুলিশ তদন্ত ছাড়া বিচারযোগ্য নয়
  4. যা কেবল হাইকোর্টে বিচারযোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ:
যখন কোনো মামলার সূত্রপাত পুলিশ প্রতিবেদন বা অন্য কোনো উপায়ে হয়, এবং আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয় বা আনা হয়, তখন যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মনে হয় যে উক্ত অপরাধটি এককভাবে দায়রা আদালতে (Court of Session) বিচারযোগ্য, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নোক্ত কাজসমূহ করবেন:
(ক) মামলাটি দায়রা আদালতে পাঠাবেন;
(খ) এই বিধি অনুযায়ী জামিন বা রিমান্ড সংক্রান্ত বিধানসমূহ অনুসারে, আসামিকে বিচার চলাকালীন ও বিচারের সমাপ্তি পর্যন্ত হেফাজতে (custody) রাখার আদেশ দিতে পারবেন;
(গ) মামলার নথিপত্র, এবং প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য যেসব দলিল ও বস্তু রয়েছে, তা দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
(ঘ) মামলাটি দায়রা আদালতে স্থানান্তরের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিকে (Public Prosecutor) অবহিত করবেন।

১,৬৭৫.
কোনো ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ছাড়া অন্য কোথাও থেকে গ্রেফতার করা হলে, তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা মনোনীত বন্ধুকে অবহিত করার সময়সীমা কত?
  1. গ্রেফতারের ৬ ঘণ্টার মধ্যে।
  2. গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।
  3. গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
  4. গ্রেফতারের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুসারে কোনো ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ছাড়া অন্য কোথাও থেকে গ্রেফতার করা হলে, তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা মনোনীত বন্ধুকে অবহিত করতে হবে গ্রেফতারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

১,৬৭৬.
দায়রা আদালত কখন অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. পুলিশ প্রতিবেদন দিলে
  2. সরাসরি আমলে নিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলা প্রেরিত হলে
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারা- দায়রা আদালত কর্তৃক অপরাধসমূহ আমলে নেয়া:
(১) এই কার্যবিধি অথবা সমকালে কার্যকর থাকা অন্য কোন আইন দ্বারা ব্যক্তভাবে ভিন্নরূপ কোন বিধান দেওয়া থাকিলে তা ব্যতিরেকে, কোন দায়রা আদালত আদি অধিক্ষেত্রের আদালতরূপে কোন অপরাধকে আমলে নিবেন না, যদি না, এই কার্যবিধি মতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিষয়টি উহার নিকট প্রেরিত না হয়।

(২) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের নির্দেশ দিবেন অথবা কোন দায়রা বিভাগের জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের জন্য হস্তান্তর করবেন, অতিরিক্ত ও যুগ্ম দায়রা জজগণ শুধুমাত্র সেসব মামলার বিচার করবেন।
১,৬৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারা অনুসারে কোন আদালত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করতে পারে না?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫০৩ অনুসারে, সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন জারির ক্ষমতা নিম্নলিখিত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটদের রয়েছে:
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
- চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
- দায়রা আদালত (Court of Session)
- হাইকোর্ট বিভাগ
এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উপরোক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটরা যদি মনে করেন যে সাক্ষীর পরীক্ষা ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজন এবং সাক্ষীর উপস্থিতি অযৌক্তিক বিলম্ব, খরচ বা অসুবিধার কারণ হবে, তবে তারা সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া কমিশন জারি করতে পারেন।
কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (Second Class Magistrate) এর নাম এই ধারায় কমিশন জারির ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষ হিসেবে উল্লেখ নেই। তবে, ধারা ৫০৬ অনুসারে, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সহ অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটরা (যারা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ) কমিশন জারির জন্য তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) কাছে আবেদন করতে পারেন, কিন্তু তারা নিজে সরাসরি কমিশন জারি করতে পারেন না।
অতএব, ধারা ৫০৩ অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি কমিশন জারি করতে পারেন না।
------- 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ-
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোনো কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহণ করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to a Metropolitan Magistrate, a Chief Judicial Magistrate, a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate, within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness.
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette.
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, he, or any other Magistrate as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.

১,৬৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী বিচার সমাপ্তির পর রায় উন্মুক্ত আদালতে ঘোষণা করতে হবে?
  1. ধারা ৩৬৪
  2. ধারা ৩৬৫
  3. ধারা ৩৬৬
  4. ধারা ৩৬৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) এর অধ্যায় XXVI-এর ধারা ৩৬৬-এর অধীনে রায় ঘোষণার পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধান দেওয়া আছে। এই ধারার উপ-ধারা (১) অনুযায়ী, প্রত্যেক ফৌজদারি আদালতের মূল এখতিয়ারে বিচারের রায় উন্মুক্ত আদালতে ঘোষণা করতে হবে। রায়টি হয় বিচার শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঘোষণা করা হবে, অথবা পরবর্তী কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, যার নোটিশ পক্ষগুলো বা তাদের উকিলদের দেওয়া হবে। এছাড়াও, রায়টি আদালতের ভাষায় বা আসামি বা তার উকিলের বোধগম্য ভাষায় ঘোষণা করতে হবে।

অর্থাৎ ধারা ৩৬৬-এর অধীনে আরও উল্লেখ আছে যে, যদি প্রসিকিউশন বা ডিফেন্সের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়, তবে পুরো রায়টি প্রিসাইডিং জজের দ্বারা পড়ে শোনাতে হবে। এছাড়াও, আসামির উপস্থিতি সাধারণত বাধ্যতামূলক, তবে কিছু ক্ষেত্রে (যেমন, শুধুমাত্র জরিমানার শাস্তি বা খালাসের ক্ষেত্রে) তার উকিলের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৬: রায় প্রদানের পদ্ধতি:
১। মূল বিচারিক আদালতের প্রতিটি মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে, অথবা রায়ের মূল সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে—
(ক) খোলা আদালতে, হয় মামলার অবসানের সাথে সাথে অথবা পরে নির্ধারিত কোনো সময়ে, যার বিষয়ে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের পূর্বে নোটিশ দিতে হবে; এবং
(খ) আদালতের ভাষায়, অথবা এমন ভাষায় যা আসামি বা তার আইনজীবী বুঝতে পারেন। তবে যদি প্রসিকিউশন বা ডিফেন্স পক্ষের অনুরোধ থাকে, তাহলে সম্পূর্ণ রায় বিচারক নিজে পড়ে শোনাবেন।
২। যদি আসামি হেফাজতে থাকে, তাহলে তাকে আদালতে হাজির করে রায় শোনানো হবে। যদি হেফাজতে না থাকে, তবে আদালত তাকে রায় শুনতে আসার নির্দেশ দিবে, তবে যদি আসামির ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করা হয় এবং রায় শুধুমাত্র জরিমানার বা খালাসের হয়, সেক্ষেত্রে রায় তার আইনজীবীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করা যেতে পারে।
৩। রায় ঘোষণার দিনে যদি কোনো পক্ষ বা তাদের আইনজীবী অনুপস্থিত থাকেন, বা তাদের নোটিশ প্রদানে কোনো ত্রুটি বা ত্রুটিপূর্ণ সেবা হয়,
তবুও শুধু এই কারণেই রায় বাতিল হবে না।
৪। এই ধারার কোনো কিছুই ধারা ৫৩৭-এর ক্ষমতা বা প্রভাব সীমিত করে না।
----------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-366. Mode of delivering judgment:
(1) The judgment in every trial in any Criminal Court of original jurisdiction shall be pronounced, or the substance of such judgment shall be explained- 
(a) in open Court either immediately after the termination of the trial or at some subsequent time of which notice shall be given to the parties or their pleaders, and 
(b) in the language of the Court, or in some other language which the accused or his pleader understands: 
Provided that the whole judgment shall be read out by the presiding Judge, if he is requested so to do either by the prosecution or the defence. 
(2) The accused shall, if in custody, be brought up, or, if not in custody, be required by the Court to attend, to hear judgment delivered, except where his personal attendance during the trial has been dispensed with and the sentence is one of fine only or he is acquitted, in either of which cases it may be delivered in the presence of his pleader.
(3) No judgment delivered by any Criminal Court shall be deemed to be invalid by reason only of the absence of any party or his pleader on the day or from the place notified for the delivery thereof, or of any omission to serve, or defect in serving, on the parties of their pleaders, or any of them, the notice of such day and place.
(4) Nothing in this section shall be construed to limit in any way the extent of the provisions of section 537.

১,৬৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা অনুসারে তল্লাশি পরোয়ানা কখন জারি করা হয়?
  1. যখন কোনো সম্পত্তি চুরি হয়
  2. যখন কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে আটক থাকেন
  3. যখন কোনো বাড়িতে অবৈধ বস্তু পাওয়া যায়
  4. যখন কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যার হুমকি দেয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় বে-আইনীভাবে আটক ব্যক্তিকে পুনরুদ্ধারের জন্য তল্লাশী পরোয়ানা (সার্চ ওয়ারেন্ট) জারির বিধান রয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।

Section 100- Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.
১,৬৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(ঠ) অনুসারে, তদন্তের উদ্দেশ্য কী?
  1. আদালতে মামলা দাখিল করা
  2. সাক্ষ্য সংগ্রহ করা
  3. মামলার রায় প্রদান
  4. অভিযোগ গঠন করা
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪(ঠ) তে বলা আছে-
Investigation (তদন্ত) অর্থ হলো সাক্ষ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত পুলিশ অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত তার কর্তৃক পরিচালিত কোন কার্যক্রম।
১,৬৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, কোন আদালত ১ মাসের কম কারাদণ্ড দিলে আপীল করা যাবে না?
  1. দায়রা আদালত
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ (Section 413) অনুসারে বলা হয়েছে:
"যেসব মামলায় দায়রা আদালত (Court of Session) অনধিক ১ (এক) মাস কারাদণ্ড প্রদান করে, সেইসব ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না।"
এছাড়াও যদি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকা জরিমানা করে, তাহলেও আপীল করা যাবে না।

- এই বিধান শুধুমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- অর্থদণ্ড সংক্রান্ত সীমা আলাদা (৫০ টাকা) এবং অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য প্রযোজ্য।
- এই ধারা অভিযুক্তের আপীলের অধিকার সীমিত করে, যাতে তুচ্ছ মামলায় আদালতের উপর অযথা চাপ না পড়ে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
- Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate] or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.
- Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
১,৬৮২.
পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত সম্পত্তির দাবীদার যদি অজানা ব্যক্তি হয়, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. এমন সম্পত্তি আটক রাখবে
  2. ক্রোকের আদেশ দিবে
  3. কোন দাবীদার থাকলে তাকে ১ মাসের মধ্যে হাজির হয়ে তার দাবী প্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ দিবে
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৩- অনুসারে সম্পত্তি জব্দ করার পর পুলিশ যে পদ্ধতি অনুসরণ করবে

৫১ ধারা অনুসারে পুলিশ কর্তৃক জব্দকৃত সম্পত্তি বা চোরাইমাল বলে সন্দেহযুক্ত সম্পত্তি বা কোন সম্পত্তি এমন অবস্থায় পাওয়া গেছে যা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টি করে, সেই সম্পত্তির বিষয়ে পুলিশ বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করবে। এমন সম্পত্তির দাবীদার যদি পরিচিত হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি তাকে অর্পণের জন্য নির্দেশ দিবে।
যদি দাবীদার ব্যক্তি অজানা হয়, ম্যাজিস্ট্রেট এমন সম্পত্তি আটক রাখবে এবং ক্রোকের আদেশ দিবে এবং যে ব্যক্তি এমন সম্পত্তির দাবীদার তাকে উক্ত সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে হাজির হয়ে তার দাবী প্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ দিবে (ধারা ৫২৩ (২))।

Section 523- Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

Procedure where owner of property seized unknown
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within 516[one month] from the date of such proclamation.
১,৬৮৩.
অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে পাবলিক প্রসিকিউটর কোথায় আপিল দায়ের করতে পারেন?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. যেকোনো আপিল আদালতে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল

(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A- Appeal against inadequacy of sentence
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১,৬৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারা মূলত কোন বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করে?
  1. অভিযোগপত্র দাখিলের পদ্ধতি
  2. অভিযোগপত্রে ভুল বা অসম্পূর্ণতার প্রভাব
  3. অভিযোগপত্রে সাক্ষীদের নাম উল্লেখ করা
  4. অভিযোগপত্রে অপরাধের সঠিক বর্ণনা দেওয়ার গুরুত্ব
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারা অভিযোগপত্রে ভুল বা অসম্পূর্ণতা থাকলে তার প্রভাব কী হবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। এতে বলা হয়েছে, অভিযোগপত্রে কোনো ভুল বা অপরাধের বিস্তারিত উল্লেখ করতে ব্যর্থতা যদি হয়, তবে সেটি তখনই গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে যখন অভিযুক্ত ব্যক্তি এ ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারার বিধান: ভুলের প্রভাব:
 - অভিযোগপত্রে অপরাধ বা অপরাধের বিবরণ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা কোনো তথ্য উল্লেখ করতে অসমর্থতা, মামলার যে কোনো পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে না, যদি না এই ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে অভিযুক্ত প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে।
-------------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 225. Effect of errors: 
- No error in stating either the offence or the particulars required to be stated in the charge, and no omission to state the offence or those particulars, shall be regarded at any stage of the case as material, unless the accused was in fact misled by such error or omission, and it has occasioned a failure of justice.
১,৬৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট কী ভিত্তিতে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেন?
  1. পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে
  2. অভিযোগের ভিত্তিহীনতা
  3. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
  4. তদন্ত কর্মকর্তার মতামত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীনে, ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেন যদি তিনি অভিযোগকে ভিত্তিহীন মনে করেন।
- এটি নির্ধারণ করতে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার রেকর্ড, দাখিলকৃত কাগজপত্র, তদন্তের ফলাফল, এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য পর্যালোচনা করেন। ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের ভিত্তি এবং প্রমাণের ঘাটতি বা মিথ্যাপ্রতিপাদন খতিয়ে দেখেন, এবং যদি তিনি মনে করেন যে অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই, তাহলে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
অতএব, সঠিক উত্তর হবে: খ) অভিযোগের ভিত্তিহীনতা।

- এখানে পুলিশ রিপোর্ট, তদন্ত কর্মকর্তা বা অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি কোনওভাবেই ম্যাজিস্ট্রেটের অব্যাহতির সিদ্ধান্তের একমাত্র ভিত্তি নয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট সব প্রমাণ এবং তথ্য পর্যালোচনা করে অভিযোগের ভিত্তিহীনতা নির্ধারণ করেন।

-ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার বিধান: ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate): আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে।অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে।পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট,পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট,তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি।
আর নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ,বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।

উল্লেখ্য, যদি ম্যাজিস্ট্রেট ২৪১(ক) ধারায় অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেন, তাহলে ফরিয়াদি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন আবেদন করতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 241A. When accused shall be discharged:
When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.

১,৬৮৬.
'খ' কে গুরুতর আঘাতের অভিযোগে দায়রা আদালত 'ক' কে দণ্ড প্রদান করে। কিছুদিন পর 'খ' মারা যায়। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. নরহত্যার অপরাধে 'ক' কে ফাঁসি দিবে
  2. গুরুতর আঘাতের অপরাধে পুনরায় 'ক' এর বিচার করবে
  3. নরহত্যার অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারে
  4. আর কোনো অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে হবে;
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে;
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়; বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়; বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।

যেহেতু 'খ'-কে গুরুতর আঘাতের জন্য 'ক' এর একবার বিচার হয়েছে, তাই একই অপরাধে 'ক' কে পুনরায় গুরুতর আঘাতের অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না কারণ এই ক্ষেত্রে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে। তবে অন্য অপরাধে বিচার করা যাবে। এক্ষেত্রে আদালত 'খ' এর নরহত্যার অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারে।
১,৬৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা বেআইনি সমাবেশ ভাঙার সময় কার নির্দেশে দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. পুলিশ কমিশনারের
  2. দায়রা আদালতের
  3. হাইকোর্ট বিভাগের
  4. সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা মতে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।
--------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 130.Duty of officer commanding troops required by Magistrate to disperse assembly:
(1) When an Executive Magistrate or the Police Commissioner determines to disperse any such assembly by military force, he may require any commissioned or non-commissioned officer in command of any soldiers in the Bangladesh Army to disperse such assembly by military forced, and to arrest and confine such persons forming part of it as the Magistrate or the Police Commissioner may direct, or as it may be necessary to arrest and confine in order to disperse the assembly or to have them punished according to law. 
 
(2) Every such officer shall obey such requisition in such manner as he thinks fit, but in so doing he shall use as little force, and do as little injury to person and property, as may be consistent with dispersing the assembly and arresting and detaining such persons.
১,৬৮৮.
নিম্নের কোন আদালত স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ কে আমলে গ্রহণ করতে পারে না?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই পারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান-
 
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
 
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
১,৬৮৯.
জমিলা খাতুনকে খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে সে গর্ভবতী। পরবর্তীতে হাইকোর্ট বিভাগ তার সাজা হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা এই ঘটনাকে সমর্থন করে?
  1. ৩৮২
  2. ৩৮৩
  3. ৩৮৪
  4. ৩৯৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৮২ মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
১,৬৯০.
বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালত প্রধানত কত শ্রেণির?
  1. ৫ শ্রেণির
  2. ৪ শ্রেণির
  3. ৩ শ্রেণির
  4. ২ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে (Criminal Procedure Code, 1898) ধারা ৬(১) অনুযায়ী, বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালত প্রধানত দুইটি শ্রেণির: ১) দায়রা আদালত (Courts of Sessions) ২) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Courts of Magistrates)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা:
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 6: Classes of Criminal Courts:
1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
১,৬৯১.
অপরাধজনক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে আদালত দন্ড প্রদানের কত দিনের মধ্যে দখলচ্যুত ব্যক্তিকে দখল ফিরিয়ে দেয়ার আদেশ দিবেন?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২২ ধারার বিধানঃ (১) যখন কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয়, এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দ্বারা কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখ করা হয়েছে, তখন আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানের সময় বা এই দণ্ডের তারিখ হতে একমাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দিবার আদেশ দিতে পারবেন।

(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে উক্ত আদেশ দ্বারা তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।

(৩) যেকোন আপীল আদালত, দণ্ড অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
১,৬৯২.
ধারা ৪৩৫(১)-এর অধীনে নথি পর্যালোচনাকালীন সময়ে হাইকোর্ট বা দায়রা আদালত কী করতে পারে?
  1. বিচার বন্ধ করতে পারে
  2. অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারে
  3. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
  4. মামলা বাতিল করতে পারে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫(১) ধারায়-
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

১,৬৯৩.
রিমান্ডে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য নেওয়া যায়?
  1. ৭ দিনের জন্য
  2. ১৫ দিনের জন্য
  3. ১০ দিনের জন্য
  4. ৫ দিনের জন্য
ব্যাখ্যা
♦আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তাঁকে জেল খানায় না পাঠিয়ে নিজের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করাকে রিমান্ড বলা হয়। ১৬৭ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো মোকদ্দমায়  একজন আসামীকে সর্বোচ্চ ১৫ দিন রিমান্ডে রাখা যায়।
১,৬৯৪.
ধারা ১৯৬ অনুযায়ী, কোন ধরনের অপরাধের জন্য সরকার বা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী অভিযোগ আমলে নেওয়া যায়?
  1. দ্বিগামিতা
  2. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
  3. ব্যভিচার
  4. হত্যা মামলা
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে।

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।

১,৬৯৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ এর তদন্ত ও বিচার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে করতে হলে-
  1. সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) লাগবে।
  2. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অনুমতি লাগবে।
  3. তদন্ত বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে অনুমোদন নেওয়া যাবে।
  4. কোনো পূর্বানুমোদন লাগবে না।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করার জন্য সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) আবশ্যক। ধারাটি বাংলাদেশের নাগরিক কর্তৃক বিদেশে সংঘটিত অপরাধ বা বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ/বিমানে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করার বিধান দেয়।
পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা: তবে, এই বিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো প্রথম শর্তসাপেক্ষে (First Proviso) অংশে। এতে উল্লেখ আছে: "এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না।"
অনুমোদনের সময়: এই অনুমোদন তদন্ত শুরুর পূর্বেই নিতে হবে। তদন্ত বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে এটি নেওয়ার কোনো বিধান নেই।

অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করতে অবশ্যই সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) প্রয়োজন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়বদ্ধতা:
যখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বাংলাদেশের সীমা ব্যতীত বা বাইরে কোনো স্থানে কোনো অপরাধ করে, অথবা
যখন কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে, সেটি যেখানেই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ করে,
তখন সেই অপরাধের জন্য তার সাথে এমনভাবে আচরণ করা যেতে পারে যেন অপরাধটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এমন কোনো স্থানে সংঘটিত হয়েছে যেখানে তাকে পাওয়া যেতে পারে:
অভিযোগ তদন্তের উপযুক্ততা প্রত্যয়নের জন্য রাজনৈতিক এজেন্টগণ:
তবে শর্ত থাকে যে, এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গৃহীত কোনো কার্যক্রম, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে একই অপরাধের জন্য পরবর্তী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হতো, তা বাংলাদেশের সীমার বাইরের কোনো অঞ্চলে একই অপরাধের জন্য ১৯৭৪ সালের প্রত্যর্পণ আইন (Extradition Act, 1974) এর অধীনে তার বিরুদ্ধে আরও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হবে।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.

১,৬৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. চার্জ শিট
  2. ডিসচার্জ রিপোর্ট
  3. রিলিজ রিপোর্ট
  4. ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

-সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
১,৬৯৭.
ফৌজদারি আপিল আদালত কোন ধারার অধীন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৭ ধারা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীন আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা বিচারকারী আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে।

ধারা ৪২৮- আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন

(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken

(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate. 

(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal. 

(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken. 

(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
১,৬৯৮.
মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামির বিষয়ে হাইকোর্ট আরো অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. ধারা ৩৭৫
  2. ধারা ৩৭৮
  3. ধারা ৩৮৫
  4. ধারা ৩৮৮
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।

হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 

(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.

(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
১,৬৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারার অধীন তদন্তের বিবরণ সম্বলিত ডায়েরি কে চেয়ে পাঠাতে পারেন?
  1. যেকোনো আদালত 
  2. শুধুমাত্র দায়রা জজ আদালত
  3. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র তদন্তকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭২-  তদন্ত চলাকালীন ডায়েরি (Diary of Proceedings in Investigation):
১. ডায়েরি সংরক্ষণ (উপধারা ১):
প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্ত করছেন, তাকে প্রতিদিনের ভিত্তিতে ডায়েরিতে তার তদন্তের প্রক্রিয়া লিখতে হবে। ডায়েরিতে অন্তত নিম্নলিখিত তথ্য থাকবে:
১. তথ্য পাওয়ার সময়;
২. তদন্ত শুরু ও শেষের সময়;
৩. যে স্থানগুলোতে তদন্ত হয়েছে;
৪. তদন্তে প্রাপ্ত পরিস্থিতি ও ঘটনা।
 
২. আদালতের ব্যবহার (উপধারা ২):
যে কোনো ফৌজদারী আদালত তদন্ত বা বিচার চলাকালীন পুলিশ ডায়েরি চাইতে পারে। আদালত এই ডায়েরি প্রমাণ হিসেবে নয়, বরং তদন্ত বা বিচারে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
অভিযুক্ত বা তার প্রতিনিধি ডায়েরি দেখার বা চাওয়ার অধিকার পাবে না, কেবল আদালত যখন তা ব্যবহার করবে।
যদি পুলিশ কর্মকর্তা ডায়েরি ব্যবহার করে স্মৃতি তাজা করতে, বা আদালত ডায়েরি ব্যবহার করে পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য বিরোধ করতে, তখন Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৬১ বা ১৪৫ প্রযোজ্য হবে।

১,৭০০.
যখন আসামিকে কারাগারে বন্দী করা হবে, পরোয়ানাটি কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. আদালতে
  2. পুলিশ স্টেশনে
  3. সরকারি আইনজীবী
  4. কারাগারের জেলারের কাছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৫ অনুযায়ী:
যখন আসামিকে কারাগারে বন্দী করা হবে, তখন পরোয়ানাটি কারাগারের জেলারের কাছে জমা দিতে হবে।

Section 385 :Warrant with whom to be lodged:
When the prisoner is to be confined in a jail, the warrant shall be lodged with the jailor.