বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ১৫ / ২৯ · ১,৪০১১,৫০০ / ২,৮৮৩

১,৪০১.
সুরতহাল তদন্তের জন্য কে নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন?
  1. মৃত ব্যক্তির আত্মীয়
  2. স্থানীয় জনপ্রতিনিধি
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. এখতিয়ারাধীন আদালতের বিচারক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-

> আত্মহত্যা করেছে, অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে। [ধারা ১৭৪ (১)]

তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন।

• তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report).
১,৪০২.
পেনাল কোড এর অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, তা ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোডের কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ১ম তফসিল, ৮ম কলাম
  2. ২য় তফসিল, ৮ম কলাম
  3. ৩য় তফসিল, ৮ম কলাম
  4. ৪র্থ তফসিল, ৮ম কলাম
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১,৪০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ কীভাবে প্রকাশ করা যেতে পারে?
  1. সমন জারি করে
  2. সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে
  4. অভিযুক্তকে মেইল বা চিঠি পাঠিয়ে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩৩৯(খ):
(১) যদি আদালত বিশ্বাস করে যে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলায়ন করেছেন বা লুকিয়ে আছেন, যাতে তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারকের সামনে হাজির করা সম্ভব নয়, এবং তার গ্রেপ্তারের সরাসরি সম্ভাবনা নেই, তাহলে:

অভিযোগের বিষয় আদালত গ্রহণ করলে, আদালত একটি জাতীয় দৈনিকে (বাংলা সংবাদপত্র) ঘোষণা দিয়ে নির্দেশ দিতে পারে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হোক।

যদি অভিযুক্ত সেই নির্দেশ মেনে না চলে, তাহলে তাকে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার করা হবে।

শর্ত:
আদালত চাইলে, অভিযুক্তের আদালতে উপস্থিতির জন্য দেওয়া নির্দেশ ডিস্ট্রিক্ট ও সেশনস জজ কোর্ট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, ডেপুটি কমিশনার অফিস, বাংলাদেশ পুলিশ বা অন্য সরকারি ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করতে পারেন, যাতে সাধারণ জনগণ সহজে তা দেখতে পারে।

(২) অভিযুক্তকে হাজির করার পর কিংবা অভিযুক্ত হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।

১,৪০৪.
আদালত দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে কত সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. অনধিক ৬ মাস
  2. অনধিক ১ বছর
  3. অনধিক ২ বছর
  4. অনধিক ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারন রিভিশন ক্ষমতাবলেও এই ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

যে দন্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দণ্ড বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে। আদালত যে কোন পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারন করতে হবে তবে কোন ভাবেই অত্যধিক হবে না।

Section 106: Security for keeping the peach on conviction-
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of 130[a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix. 
 
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void. 
 
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.
১,৪০৫.
"Trial in absentia"-ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৩৩৮
  2. ৩৩৯(২)
  3. ৩৩৯(খ)
  4. ৩৪২
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার।গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়,তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে,অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে।উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে,উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।

Section 339B: Trial in absentia
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১,৪০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান মতে বাজেয়াপ্ত করার ঘোষণা বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনের কত জন বিচারপতি নিয়ে স্পেশাল বেঞ্চ গঠিত হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী: তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 99C: Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.  
১,৪০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'জামিনযােগ্য অপরাধ (Bailable offence)' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪(ক) ধারায়
  2. ৪(খ) ধারায়
  3. ৪(চ) ধারায়
  4. ৪(জ) ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪(খ)- জামিনযােগ্য অপরাধ (Bailable offence):
তফসিল-২ এ উল্লেখিত অপরাধ এবং বর্তমানে প্রচলিত আইনে যে সকল অপরাধগুলােকে জামিনযােগ্য করা হয়েছে, এগুলাে ছাড়া বাকি সৰ অপরাধ অজামিনযােগ্য।
"bailable offence" means an offence shown as bailable in the second schedule, or which is made bailable by any other law for the time being in force; and "non-bailable offence" means any other offence:

আইনগত হেফাজত থেকে কোন ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়াকে জামিন বলে। জামিনযােগ্য অপরাধ এমন একটি অপরাধ যেখানে অধিকার বলে (As of right) জামিন দাবি করা যায়।
১,৪০৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা অনুসারে, জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা নাকচের আদেশ যদি চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তবে কোথায় আপীল করা যাবে?
  1. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. দায়রা আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা (Section 406A of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী:
"যদি চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ১২২ অনুযায়ী জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন বা নাকচ করে দেন, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সেই আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করতে পারবেন।"

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।




১,৪০৯.
আদালত বেইল বন্ডের জন্য অধিক পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করলে উক্ত অর্থ যুক্তিসংগত হারে কমানোর জন্য আবেদন করতে হয়?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৯ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০০ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৮ মোতাবেক- প্রত্যেকটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে এবং উহা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারবেন।
১,৪১০.
At what stage can a Judge or Magistrate conduct a local inspection under Section 539B of The Code of Criminal Procedure?
  1. Only before the trial begins
  2. Only after the trial is concluded
  3. Only during the examination of witnesses
  4. At any stage of an inquiry, trial, or other proceeding
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৯খ ধারার বিধান: সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-539B: Local inspection:
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১,৪১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারায় কোন আদালতকে তার অধস্তন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. জেলা জজ আদালত
  4. ক এবং খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৫- নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা অভিযুক্তর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

Section 435- Power to call for records of inferior Courts

(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record. 

Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section
১,৪১২.
কোনো ব্যক্তিকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে, কোন আদালত বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেয়ার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. উক্ত অপরাধ বিচারকারী আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২২- স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরুপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানকালে বা উক্ত দণ্ডের তারিখ হতে ১ (এক) মাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেবার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে উক্ত আদেশ কর্তৃক তাহা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।

(৩) যেকোন আপিল, সাজা অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 522- Power to restore possession of immovable property

(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order any the person dispossessed to be restored to the possession of the same.

(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.

(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.
১,৪১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে খালাস দিতে পারে?
  1. ধারা ৩৭৫
  2. ধারা ৩৭৬
  3. ধারা ৩৭৮
  4. ধারা ৩৭৯
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামীকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামীকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপীলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপীল পেশ করা হলে উহ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
---------------------------------------
⇒CrPC-Section 376 Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:-
In any case submitted under section 374 the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
১,৪১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি (Discharge) এর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৬২
  3. ধারা ৬৩
  4. ধারা ৬৭
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৩-এ বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি (Discharge) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি কোনো পুলিশ অফিসারের দ্বারা গ্রেফতার হয়েছেন, তাকে নিজের মুচলেকা বা জামিন বা ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।
এটি মূলত এই বিষয়টি নিশ্চিত করে যে, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির প্রতি সঠিক আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে এবং গ্রেফতারের পর তার মুক্তির জন্য নির্দিষ্ট শর্ত বা আদেশ থাকতে হবে।
- এই শর্তগুলি হল: নিজের মুচলেকা বা জামিন অথবা ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ।
- তাহলে, ধারা ৬৩ সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতির বিধান প্রদান করে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 63. Discharge of person apprehended
- No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

১,৪১৫.
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক- কে ম্যাজিস্টেট আদালত ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ক উক্ত দন্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করবে-
  1. দায়রা জজ-এর আদালতে
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর আদালতে
  3. স্পেশাল জজ-এর আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় বলা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট যদি ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদোহের জন্য দন্ড দেয় এর বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট আপিল করতে পারবে।
♦যখন কোন মামলায় যুগ্ম দায়রা জজ পাঁচ বছরের বেশি সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ দেন তখন সংশ্লিষ্ট বিচারে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
♦যখন কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় (রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায়) বর্ণিত অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয় তখন হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
১,৪১৬.
A-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ- সে B-কে প্রতারণা করেছে। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়নি কোন লেনদেনের কথা বলা হচ্ছে। A ও B-এর মধ্যে বহু লেনদেন ছিল, ফলে A বুঝতে পারেনি কোন ঘটনাটি নিয়ে বিচার চলছে। এক্ষেত্রে আদালত ধরে নিতে পারে যে-
  1. অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বহীন
  2. অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ
  3. অভিযোগ বৈধ থাকবে
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা

ধারা ২২৫- অভিযোগে ভুলের প্রভাব (Effect of Errors)
অভিযোগে অপরাধের নাম বা অপরাধ সম্পর্কিত বিবরণ উল্লেখ করতে গিয়ে কোনো ভুল (error) হলে, বা কোনো তথ্য বাদ (omission) গেলে, সেই ভুল বা বাদ দেওয়া বিষয়টি মামলার কোনো পর্যায়েই গুরুত্বপূর্ণ (material) বলে গণ্য হবে না —
যতক্ষণ না এটি প্রকৃতপক্ষে অভিযুক্তকে বিভ্রান্ত করেছে (misled) এবং এর ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে।

উদাহরণ:
A-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ — সে B-কে প্রতারণা করেছে। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়নি কোন লেনদেনের কথা বলা হচ্ছে।
A ও B-এর মধ্যে বহু লেনদেন ছিল, ফলে A বুঝতে পারেনি কোন ঘটনাটি নিয়ে বিচার চলছে, এবং সে আত্মপক্ষ সমর্থনও করেনি।
→ এই অবস্থায় আদালত ধরে নিতে পারে যে, অভিযোগের এই ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ (material error), কারণ এতে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হয়েছে।

১,৪১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালত উন্মুক্ত থাকার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৫০
  2. ধারা ৩৫২
  3. ধারা ৩৫৪
  4. ধারা ৩৫৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৫২-এর অধীন, অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোনো ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, তা উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত হয় এবং সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার থাকে যতদূর সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়। তবে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ মামলার যেকোনো ধাপে সাধারণ জনগণ বা কোনো বিশেষ ব্যক্তির প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে পারেন, যদি তা সঠিক মনে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

১,৪১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী কে অতিরিক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. থানা ইনচার্জ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগই অতিরিক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে অথবা দায়রা আদালতকে তা করার নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
- হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।
 -------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken:
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.

১,৪১৯.
ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের অধীনে নিম্নের কোন আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,
  4. জেলা জজ আদালত,
ব্যাখ্যা
♦ রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক এখতিয়ার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্ন আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা থেকে ৪৪২ক ধারা পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা এবং ৪৩৫ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট ডিভিশনকে এবং ৪৩৯ক ধারা এবং ৪৩৫ ধারা মোতাবেক দায়রা আদালতকে রিভিশনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। নিম্ন আদালতের বিচারকার্যের যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়। এর কারণ হল যে, অধঃস্তন আদালতের রায় বা বিচারকার্যের নির্ভুলতা বা বৈধতা নিশ্চিত করা, কেননা বিচারকার্যের যে কোন ত্রুটি ন্যায়বিচারকে ভুল পথে চালিত করতে পারে।

♦ রিভিশন হচ্ছে আদালতের একটি স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary power)।

ফৌজদারি রিভিশনের বৈশিষ্ট্য-
i) রিভিশনে শুধুমাত্র আইনের প্রশ্ন বিবেচনা করা হয়, কিন্তু ঘটনার প্রশ্ন বিবেচ্য হয় না।
ii) আপিলের মত রিভিশন প্রকৃত বিচার কার্যক্রমের চলমান অবস্থা নয়।
iii) যেক্ষেত্রে আপিলের রায় হয়েছে সেই সকল প্রত্যেক মামলায় রিভিশনের জন্য আবেদন করা যায়।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা আছে ৪৩৯ ধারার অধীন হাইকোর্ট বিভাগের এবং ৪৩৯ক ধারার অধীন দায়রা জজ আদালতের।
১,৪২০.
২০০৭ সালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে কত প্রকার ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন?
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে ম্যাজিস্ট্রেট দুই প্রকার,
- জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 
- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, [ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা৬(২)],

• জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর বিধান ২০০৭ সালে Retrospective effect দিয়ে যুক্ত করা হয়।
১,৪২১.
ধারা ১৯১ অনুযায়ী, মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে কে?
  1. পুলিশ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অভিযুক্ত
  4. অভিযোগকারী
ব্যাখ্যা

ধারা ১৯১ – অভিযুক্তের আবেদন অনুযায়ী মামলা স্থানান্তর:
যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট আগের ধারা (১) এর উপধারা (ক) অনুযায়ী কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করেন, তখন সাক্ষ্য গ্রহণের আগে অভিযুক্তকে জানানো হবে যে, সে চাইলে মামলাটি অন্য আদালতে বিচার করাতে পারবে। যদি অভিযুক্ত (অথবা একাধিক অভিযুক্ত থাকলে তাদের কেউ) এই ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচার করানোতে আপত্তি জানায়, তবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা না চলিয়ে মামলাটি সেশন আদালতে পাঠানো বা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্থানান্তর করা হবে।

১,৪২২.
W/P&A কী?
  1. Warrant of Production and Arrest
  2. Warrant of Publication and Assessment
  3. Warrant of Proclamation and Attachment
  4. Warrant of Probation and Arrest
ব্যাখ্যা
♦ আসামী যদি আদালতে গরহাজির থাকে এবং বিচার প্রক্রিয়া হতে পালিয়ে থাকে এবং তাঁকে গ্রেফতার করার সম্ভাবনা না থাকে তখন আদালত তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার জন্য আদেশ করে হুলিয়া জারি করে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার অধীনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
♦ ফৌজদারি মামলায় আসামীর প্রতি সমন ও ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পরেও অথবা আসামী জামিনে মুক্ত হওয়ার পরে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হলে উক্ত আসামী বা আসামীদেরকে পলাতক বা ফেরারী আসামী (absconder) বলা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারামতে আদালত কর্তৃক এরূপ পলাতক বা ফেরারী আসামীকে নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ে (যা ৩০ দিনের কম নয়) হাজির হওয়ার নির্দেশ সম্বলিত ঘোষনাপত্রকে হুলিয়া বা Proclamation বলে । ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারায় পলাতক ব্যক্তির হুলিয়া (Proclamation) এবং ৮৮ ধারায় পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক  (Attachment of property) সম্পর্কে বিধান বর্ণিত হয়েছে।
♦ফৌজদারি  কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার অধীনে এই বিধান কে একসাথে W/P&A বা Warrant of Proclamation and Attachment বলে।
১,৪২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার অধীনে পরোয়ানা জারি করার জন্য কর্তৃপক্ষ কে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. যেকোন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার করেছেন
  4. যে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যেই বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন, বা তার স্থলাভিষিক্ত কোনো ব্যক্তি, তিনি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি শাস্তি প্রদান করেছেন, তারই অধিকার আছে সেই শাস্তি কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করার।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার বিধান- কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
- যে জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড দিয়াছেন তিনি বা তার স্থলাভিষিক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা ইসু করতে পারবেন।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 389: Who may issue warrant:
- Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
১,৪২৪.
ফরিয়াদী 'A' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। আদালত 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, আদালত এক্ষেত্রে 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক অনধিক ১০০০ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
১,৪২৫.
একজন আইনজীবী নিম্নে বর্ণিত কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. যে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বাস করেন
  2. যে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা করেন
  3. সকল আদালতে পারবেন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না

যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district, shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.
১,৪২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় আদালত কয়টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
১,৪২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা বা তুচ্ছ হয়, তবে আদালত অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কী পরিমাণ অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে মিথ্যা বা তুচ্ছ অভিযোগের জন্য আদালত অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে- কারো বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হবে না।
ফরিয়াদি/সংবাদদাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন,অভিযােগটি মিথ্যা,তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারা অনুসারে- এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়াও,ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 (5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.
১,৪২৮.
পরোয়ানায় লিখিত নির্দেশে কোন বিষয়টির উল্লেখ থাকবে না?
  1. অপরাধের শাস্তির পরিমাণ
  2. আদালতে হাজির হওয়ার তারিখ
  3. জামিনদারের সংখ্যা
  4. জামিনদারের আর্থিক দায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৭৬ ধারার বিধান আদালত জামানত গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
 (১) কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে পরোয়ানা প্রদানকালে কোন আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতায় পরোয়ানার উপর লিখিতভাবে এমর্মে নির্দেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত ব্যক্তি আদালত হতে অন্যরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট সময়ে ও তৎপরে আদালতে হাজির হবে বলে যদি পর্যাপ্ত জামিনদারসহ একটি মুচলেকা সম্পাদন করতে পারে, সেক্ষেত্রে পরোয়ানা প্রয়োগকারী কর্মকর্তা উক্ত জামিন গ্রহণ করবেন এবং উক্ত ব্যক্তিকে হেফাজত হতে মুক্তি দিবেন।

(২) পরোয়ানায় নিম্নে বর্ণিত বিষয়সমূহ উল্লেখ থাকতে হবে, -

(ক) জামিনদারের সংখ্যা;
(খ) যে পরিমাণ অর্থের জন্য জামিনদারগণ এবং যে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা দেয়া হয়েছে সেই ব্যক্তি যথাক্রমে দায়ী থাকবে; এবং
(গ) যে সময় তাকে আদালতে হাজির হতে হবে।

(৩) মুচলেকা প্রেরণ করতে হবেঃ এই ধারার বিধান অনুসারে যেক্ষেত্রে জামানত গ্রহণ করা হবে, সেক্ষেত্রে যে অফিসার বরাবর পরোয়ানা প্রয়োগকারী অফিসার মুচলেকাটি আদালতে প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ, পরোয়ানায় লিখিত নির্দেশে অপরাধের শাস্তির পরিমাণ উল্লেখ থাকবে না।
১,৪২৯.
কোন মামলার ক্ষেত্রে আপিল আদালতের জজগণ তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হলে, মামলাটি-
  1. উচ্চতর আদালতে পেশ করতে হবে
  2. একই আদালতের অন্য একজন জজ বরাবর পেশ করতে হবে
  3. আপিল স্থগিত রাখতে হবে
  4. আপিলকারীর ইচ্ছানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২৯- আপিল আদালতের জজগণ সম-সংখ্যায় বিভক্ত হলে তখনকার পদ্ধতি

আপিল আদালতের জজগণ যেক্ষেত্রে তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, সেক্ষেত্রে তাদের অভিমতসহ মামলাটি একই আদালতের অন্য একজন জজ বরাবর পেশ করতে হবে এবং তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শুনানীর পর (যদি থাকে) তার আদেশ প্রদান করবেন এবং রায় বা অভিমত তার অভিমত অনুসারে প্রদত্ত হবে।

Section 429- Procedure where Judges of Court of Appeal are equally divided

When the Judges composing the Court of Appeal are equally devided in opinion, the case, with their opinions thereon, shall be laid before another Judge of the same Court, and such Judge, after such hearing (if any) as he thinks fit, shall deliver his opinion, and the judgment or order shall follow such opinion.
১,৪৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারামতে আদালত কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণের নির্দেশ দিতে পারবেন?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৯ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি- কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

♦ অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
১,৪৩১.
যদি কোনো মামলা দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেট তা দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন?
  1. ২০৫খ ধারা
  2. ২০৫গ ধারা
  3. ২০৫ঘ ধারা
  4. ২০৫ ধারা
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য,সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
- মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
- জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
- সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র(যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
- পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
-------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205C. Transfer of case of Court of Session when offence is trial exclusively by it:
When in a case instituted on a police report or otherwise, the accused appears or is brought before the Magistrate and it appears to the Magistrate that the offence is triable exclusively by the Court of Session, he shall- 
(a) send the case to the Court of Session; 
(b) subject to the provisions of this Code relating to bail, remand the accused to custody during, and until the conclusion of, the trial; 
(c) send to that Court the record of the case and the documents and articles, if any, which are to be produced in evidence; 
(d) notify the Public Prosecutor of the transfer of the case to the Court of Session. 

১,৪৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন?
  1. যখন তিনি অপরাধের নালিশ গ্রহণ করেন
  2. যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন
  3. যখন মামলা দায়রা আদালতে বিচার্য হয়
  4. যখন পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার ২ক উপধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন।
এটি বিশেষভাবে নির্দেশ করে যে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, তদন্ত বা অনুসন্ধান প্রয়োজন এবং এই অনুসন্ধানে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে তিনি সেই সাক্ষীদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন।
এছাড়া, ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, যে অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতে বিচার্য, তাহলে তিনি ফরিয়াদী বা অভিযুক্তের সাক্ষীদের হাজির করতে এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন।
তবে, নালিশ গ্রহণ বা পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল হলে, ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী গ্রহণের জন্য শপথ করানোর বিধান নেই, যদি না তিনি এটি উপযুক্ত মনে করেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।
আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 202.Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: 
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
১,৪৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সরকার Special Executive Magistrate নিযুক্ত করতে পারে?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১২ অনুযায়ী, সরকার যখন প্রয়োজন মনে করে তখন Special Executive Magistrate নিয়োগ করতে পারে। এরা সাধারণত নির্দিষ্ট কাজ বা সীমিত সময়ের জন্য নিযুক্ত হন এবং তাদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সরকার নির্ধারণ করে দেয়। অর্থাৎ, ধারা ১২ এর মাধ্যমে সরকার বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের আইনগত ক্ষমতা পায়।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-12: Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.

১,৪৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন দুটি ধারার শর্ত পূরণ করা হলে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়?
  1. ৮৭ এবং ৮৮
  2. ৩৩৭ এবং ৩৩৮
  3. ৪০২ এবং ৪০৩
  4. ৫০২ এবং ৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
- আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

- অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো-
অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার।
১,৪৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান কোন সনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ১৮৯৮ সনে
  2. ১৯৯৯ সনে
  3. ২০০৭ সনে
  4. ২০০৮ সনে
ব্যাখ্যা
 ♦ মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে ২০০৭ সালের ১ম নভেম্বর বিচার বিভাগকে নিবাহী বিভাগ হতে পৃথক করা হলে ম্যাজিস্ট্রেটদের ২ ভাগে ভাগ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ২০০৯ সালে ফৌজদারী কার্যবিধিকে সংশোধন করে ম্যাজিস্ট্রেটদের ২ ভাগে যথা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটে ভাগ করা হয়। তবে এটাকে retrospective effect দিয়ে ২০০৭ সালের ১ম নভেম্বর হতে কার্যকর করা হয়। তাই বলা হয়, ২০০৭ সাল হতে ফৌজদারী কার্যবিধিতে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান যুক্ত করা হয় ।
১,৪৩৬.
দায়রা আদালতে কার আপিলের শুনানীর এখতিয়ার আছে?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি

দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge:
Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.
১,৪৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেয়?
  1. ১৪৬ ধারায়
  2. ১৪৮ ধারায়
  3. ১৪৫ ধারায়
  4. ১৪৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিস্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাওয়ার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবে
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 146. Power to attach subject of dispute:
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate]may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute.
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.
১,৪৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক অনুসারে কে মামলা বা আপিল স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা জজ
  3. দায়রা আদালত
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, আপিল বিভাগ (Supreme Court of Bangladesh-এর Appellate Division) ন্যায়বিচার বা পক্ষগণ ও সাক্ষীদের সুবিধার স্বার্থে যে কোনো মামলা বা আপিল:
১) হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে, অথবা
২) এক স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারভুক্ত ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য বেঞ্চের এখতিয়ারভুক্ত সমতুল্য বা উচ্চতর আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারার বিধান:- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত আপিল, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল আপিল করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
১,৪৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালত অব্যাহতির আদেশ দিতে পারেন?
  1. ২৪১গ
  2. ২৬৫ক
  3. ২৬৫গ
  4. ২৪১ক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।

আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
১,৪৪০.
দায়রা জজের রিভিশনাল সিদ্ধান্ত-
  1. আপিলযোগ্য
  2. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
  3. পুনঃশুনানি সাপেক্ষ
  4. দ্বিতীয় রিভিশনযোগ্য
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে,
দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
১,৪৪১.
'আমলযোগ্য অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারের কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না' - এটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৫৫(১) ধারায়
  2. ১৫৬(১) ধারায়
  3. ১৫৬(২) ধারায়
  4. ১৫৬(৩) ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ ধারা ১৫৬ – আমলযোগ্য অপরাধে তদন্ত (Investigation into cognizable cases):

ধারা ১৫৬(১):
যে কোনও পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এমন কোনও আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত শুরু করতে পারেন, যা তার অধীনস্থ এলাকা বা সীমার মধ্যে পড়ে এবং যে মামলা সেই এলাকার কোনও আদালতের বিচারাধীন হতে পারে (অধ্যায় XV অনুযায়ী যেখানে বিচার হবে বা তদন্ত হবে)।

ধারা ১৫৬(২):
এমন কোনও মামলায় পুলিশ কর্মকর্তার করা কোনও কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না এই অজুহাতে যে, তিনি এই ধারা অনুসারে তদন্ত করার ক্ষমতা রাখেন না।

ধারা ১৫৬(৩):
যে কোনও ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি ধারা ১৯০ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত, তিনি উপর্যুক্তভাবে (উল্লেখিত আমলযোগ্য মামলায়) তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।
১,৪৪২.
যদি কোনো ব্যক্তি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করার পর আদালতে হাজির না হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী আদালত কোন ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. নতুন সমন জারি করবে
  2. সতর্কবার্তা নোটিশ দেবে
  3. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে
  4. মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু নির্ধারিত সময়ে হাজির না হন, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।
- এই পরোয়ানার মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানো হয়।
- অর্থাৎ, আদালত কেবল সতর্কবার্তা বা সমন নয়, বরং সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে জামিন বন্ডে স্বাক্ষর করে আদালতে হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালতের প্রিসাইডিং অফিসার (অর্থাৎ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। এই পরোয়ানার মাধ্যমে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 92. Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.

১,৪৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ কে প্রদান করেন?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) রাষ্ট্রপতি।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯(৩) ধারার অধীনে, দায়রা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ রাষ্ট্রপতি প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজকে নিয়োগ দেন, যা সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদে নির্ধারিত রয়েছে।

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
১,৪৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি করার ক্ষমতা আপিল বিভাগের রয়েছে?
  1. সাক্ষীকে সমন জারি করা
  2. মামলা ও আপিল স্থানান্তর করা
  3. একজন বিচারককে অপসারণ করা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ গঠন করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক (Section 525A of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী আপিল বিভাগ (Appellate Division) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হলো: হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে অন্য স্থায়ী বেঞ্চে, অথবা এক বেঞ্চের এখতিয়ারাধীন ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য বেঞ্চের এখতিয়ারাধীন সমপর্যায় বা উচ্চতর ফৌজদারি আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তর করা।
- এই ক্ষমতা ব্যবহার করা হয় যদি তা ন্যায়বিচারের প্রয়োজনে বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার জন্য উপযুক্ত মনে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.
(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
১,৪৪৫.
একটি মামলা সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত ১৫০ টাকার অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে আপিল আদালত এটি _______
  1. সরাসরি খারিজ করবেন
  2. শুনানীর জন্য নোটিশ দিবেন
  3. মঞ্জুর করে খালাস দিবেন
  4. মঞ্জুর করে মামলা পুনর্বিচারে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৪ ধারামতে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে অনধিক ২০০/- টাকা জরিমানা করা হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল চলে না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আদালত মনে করলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। তবে আইনজীবীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে।
♦ বিশেষ নোট- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন যে সকল ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না, সে সব ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায়।
১,৪৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে- “Complaint” means the allegation made orally or in writing to a _________.
  1. Police officer
  2. Magistrate
  3. any authority
  4. all of above
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h)-
"complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person, whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police officer:

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)-
"নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।

অর্থাৎ, অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

১,৪৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা অনুযায়ী কোন পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার সংবাদ কার নিকট জানাবেন?
  1. জেলা পুলিশ সুপারকে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা মতে  আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার (design) সংবাদ গ্রহণকারী পুলিশ অফিসার উক্ত সংবাদ তার উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে জানাবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদঃ কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 150. Information of design to commit such offences: Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
১,৪৪৮.
পুলিশ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেন, তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তিনি-
  1. তার বিচার করবেন
  2. তাকে আটকে রাখবেন
  3. নিকটস্থ পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাবেন
  4. কোর্টে হাজির করবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এধরণের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ (১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১,৪৪৯.
কোনো ব্যক্তিকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে, কোন আদালত বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেয়ার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. উক্ত অপরাধ বিচারকারী আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২২: স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরুপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানকালে বা উক্ত দণ্ডের তারিখ হতে ১ (এক) মাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেবার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে উক্ত আদেশ কর্তৃক তাহা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।
(৩) যেকোন আপিল, সাজা অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 522: Power to restore possession of immovable property
(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order any the person dispossessed to be restored to the possession of the same.
(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.
(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.
১,৪৫০.
দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ কে দিতে পারে?
  1. বিচারিক আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনাকালে
  4. বর্ণিত সব আদালত
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ১০৬: দণ্ডিত ব্যক্তির শান্তি বজায় রাখার জন্য জামানত প্রদান:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি দণ্ডবিধির অষ্টম অধ্যায়ের অধীনে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধ (ধারা ১৪৩, ১৪৯, ১৫৩এ বা ১৫৪ ব্যতীত) বা হামলা বা অন্য কোনো শান্তি-ভঙ্গকারী অপরাধ, অথবা উক্ত অপরাধে সহায়তা করা বা অপরাধজনিত ভীতি প্রদর্শন করার জন্য অভিযুক্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়, এবং আদালত মনে করে যে উক্ত ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি জামানতনামা সম্পাদন করতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত দণ্ড প্রদানের সময় উক্ত ব্যক্তিকে তার আর্থিক সামর্থ্যের অনুপাতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের জামানত প্রদান এবং প্রয়োজনবোধে এক বা একাধিক জামিনদার প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
এই জামানতের মেয়াদ আদালতের বিবেচনামতো সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত নির্ধারণ করা যেতে পারে।

(২) যদি আপিলের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে উক্ত দোষী সাব্যস্ত করার রায় বাতিল করা হয়, তাহলে সম্পাদিত জামানত স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে।

(৩) এই আদেশ আপিল আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগের সময়ও দিতে পারে।
১,৪৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেটকে স্থানীয় তদন্তের জন্য পাঠালে, তাকে কী সরবরাহ করতে পারেন?
  1. পুলিশ রিপোর্ট
  2. মৌখিক নির্দেশনা
  3. লিখিত নির্দেশনা
  4. বিচারকাজের নির্দেশনা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত অনুসন্ধান করতে প্রেরণ করতে পারবেন।
-১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির-১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন। তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।
(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section-148: Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
১,৪৫২.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানির যে কোন পর্যায়ে সাক্ষীকে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৬০ ধারায়
  2. ৫৪০ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৫৬৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালত যে কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে সমন করতে পারবেন, বা সাক্ষী হিসেবে সমন করা না হলেও উপস্থিত যে কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন বা পূর্বে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন।
১,৪৫৩.
একজন বেসরকারি ব্যক্তি নিচে বর্ণিত কোন ক্ষেত্রে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন না?
  1. আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে 
  3. অপরাধী বলে ঘোষিত কোনো ব্যক্তিকে
  4. জামিনঅযোগ্য অপরাধ করেছেন এমন কাউকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
 
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১,৪৫৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 476 এর অধীনে Complaint দায়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেওয়ানী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যায়
  2. রিভিশন করা যায়
  3. রিট করা যায়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭৬-খ ধারার বিধান আপিল (Appeals):

যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে কোন দেওয়ানী, রাজস্ব বা ফৌজদারী আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি ১৯৫ ধারার (৩) উপধারার অর্থানুসারে উক্ত আদালতের উর্ধতন আদালতে আপীল করতে পারেন, এবং অতঃপর উর্ধতন আদালতে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়া নালিশ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিতে পারেন, অথবা ক্ষেত্ৰ বিশেষে নিজেই সেই নালিশ করতে পারেন যা অধস্তন আদালত ৪৭৬ ধারার অধীন করতে পারতেন, এবং উর্ধতন আদালতে যদি এই নালিশ করেন তাহলে উক্ত ধারার বিধানসমূহ অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।

যে ব্যক্তির আবেদনক্রমে আদালত ৪৭৬ ধারা বা ৪৭৬ক ধারার অধীন নালিশ করতে অস্বীকার করেছেন সেই ব্যক্তি বা যার বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগ করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি উক্ত আদালতের উর্ধ্বতন আদালতে আপিল করতে পারেন।
১,৪৫৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রভাব বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৩
  2. ধারা ৪৯৪
  3. ধারা ৪৯৫
  4. ধারা ৪৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৪ (Section 494 – Effect of withdrawal from prosecution) অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (সরকারি কৌঁসুলি) যদি আদালতের সম্মতিক্রমে রায় ঘোষণার আগে কোনো মামলায় অভিযোগ প্রত্যাহার করেন, তাহলে,  এতে অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রভাব ব্যাখ্যা করা হয়েছে দুইভাবে:
(ক) চার্জ গঠনের আগে অভিযোগ প্রত্যাহার করলে: আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি (Discharged) দেওয়া হয়।
(খ) চার্জ গঠনের পরে অভিযোগ প্রত্যাহার করলে:ক আসামিকে নির্দোষ ঘোষণার মাধ্যমে খালাস (Acquitted) দেওয়া হয়।

- অতএব, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৪-ই সেই ধারা, যেখানে অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রভাব (Effect of withdrawal from prosecution) স্পষ্টভাবে নির্ধারিত।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 494: Effect of withdrawal from prosecution:
- Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal,- 
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences; 
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under this Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১,৪৫৬.
মহানগর এলাকায় কত প্রকার দায়রা জজ আদালত বিদ্যমান?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি আদালত:
ক) দায়রা আদালত: প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে-
১) দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।

মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য: (৩ প্রকার)
১) মহানগর দায়রা জজ আদালত;
২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত;
৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত।

অন্যদিকে,
খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত;
৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য:
১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
১,৪৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুসারে আমলযোগ্য অপরাধের তথ্য লিখিত হলে তা কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  2. তথ্যদাতা
  3. ম্যাজিস্ট্রেট
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল:
১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন
২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে
৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে
৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
১,৪৫৮.
রাজু একজন আসামী, যার সম্পত্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা অনুযায়ী সরকারের এখতিয়ারভূক্ত হয়েছিল। এক্ষেত্রে সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য ক্রোক করার সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে তাকে আদালতে হাজির হতে হবে এবং প্রমাণ করতে হবে যে, সে পলাতক ছিল না বা সচেতনভাবে পরোয়ানা এড়িয়ে যায়নি?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সে যদি ক্রোক করার ২ বছরের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হয় এবং প্রমাণ করতে পারে যে, সে পলাতক ছিলনা বা সচেতনভাবে পরোয়ানা এড়িয়ে যায়নি, তাহলে খরচ বাদ দিয়ে তার সম্পত্তি তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এমর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
১,৪৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, অনলাইনের মাধ্যমে মুচলেকা জমা দেওয়ার সময় জামিনদারের পরিচয় যাচাই করা হয়?
  1. ধারা ৪৯৯(২)
  2. ধারা ৪৯৯(৩)
  3. ধারা ৪৯৮(২)
  4. ধারা ৪৯৭(৩)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯(৩) অনুযায়ী, মুচলেকা আদালতে অনলাইনের মাধ্যমে জমা দেওয়ার সময় জামিনদারের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই করা হয়, যা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্যান্য উপযুক্ত মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
অর্থাৎ, অনলাইনে মুচলেকা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে জামিনদারদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য উপযুক্ত মাধ্যমে পরিচয় ও যোগ্যতা যাচাই করে নিতে হবে – এই বিধান শুধুমাত্র ৪৯৯(৩)-এ আছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত এবং জামিনদারদের মুচলেকা:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দেওয়ার আগে, ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত যে পরিমাণ অর্থ যথেষ্ট মনে করেন, সেই পরিমাণ অর্থের জন্য ওই ব্যক্তি কর্তৃক একটি মুচলেকা সম্পাদিত হবে, এবং যখন তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট জামিনদার কর্তৃক এই শর্তে মুচলেকা সম্পাদিত হবে যে, ওই ব্যক্তি মুলেকায় উল্লিখিত সময় এবং স্থানে উপস্থিত থাকবেন, এবং ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত কর্তৃক অন্য কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে থাকবেন।
(২) যদি মামলার প্রয়োজন হয়, তবে মুচলেকাটি জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত বা অন্য কোনো আদালতে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য যখনই ডাকা হবে তখনই হাজির হওয়ার জন্যও বাধ্য করবে।
(৩) এই ধারায় উল্লিখিত মুচলেকাটি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে, বা তার উকিলের মাধ্যমে, অথবা আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য কোনো উপযুক্ত মাধ্যমে জামিনদারদের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই সাপেক্ষে, আদালতে জমা দিতে পারেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 499.Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.
(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
(3) The bond referred to in this section may be submitted to the Court by the accused in person, or through his pleader, or through online system, as permitted by the Court, subject to verification of the identity and eligibility of the sureties through their National Identification Number or any other appropriate means.

১,৪৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় অপরাধের আপস মীমাংসা কি বলে গণ্য হবে?
  1. অভিযুক্তের খালাস
  2. অভিযুক্তের মুক্তি
  3. অভিযুক্তের অব্যাহতি
  4. অভিযুক্তের দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 

• ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।

• দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।

৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।

• প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
১,৪৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অপরাধের আপোস (Compounding of Offences) বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা-৩৪৩ 
  2. ধারা-৩৪৫ 
  3. ধারা-৩৪৬ 
  4. ধারা-৩৪৮ 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩৪৫ (Compounding of offences)-এ অপরাধের আপোস বা সমঝোতার (compounding) সম্পূর্ণ বিধান দেওয়া আছে। এই ধারায় দুটি টেবিলের মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে:
- কোন কোন অপরাধ আদালতের অনুমতি ছাড়াই সমঝোতা করা যায় (যেমন: আঘাত, মানহানি, অপমান ইত্যাদি) এবং কে সমঝোতা করতে পারবে (সাধারণত ভুক্তভোগী ব্যক্তি)।
- কোন কোন অপরাধ আদালতের অনুমতি নিয়ে সমঝোতা করা যায় (যেমন: গুরুতর আঘাত, চুরি, প্রতারণা ইত্যাদি)।
ধারা ৩৪৫(৬) অনুসারে, সমঝোতা হলে অভিযুক্তের খালাস (acquittal) হয়। ধারা ৩৪৫(৭) বলে, এই ধারায় উল্লিখিত ছাড়া অন্য কোনো অপরাধ সমঝোতা করা যাবে না।

অর্থাৎ এই ধারা বলে যে, কিছু নির্দিষ্ট অপরাধে অভিযোগকারী (ভুক্তভোগী) এবং অভিযুক্ত পক্ষ পরস্পর সমঝোতা (আপোস) করে মামলা শেষ করতে পারেন। সমঝোতা হলে আদালত অভিযুক্তকে খালাস (acquittal) দিয়ে দেন, অর্থাৎ মামলা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় এবং একই অপরাধে আবার মামলা করা যায় না।

এছড়াও,
খালাসের প্রভাব (ধারা ৩৪৫(৬)): সমঝোতা হলে অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হয়।
১৮ বছরের কম বয়সী/অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে (ধারা ৩৪৫(৪)): অভিভাবক বা প্রতিনিধি আদালতের অনুমতি নিয়ে সমঝোতা করতে পারেন।
বিচার চলাকালীন বা আপিলে (ধারা ৩৪৫(৫)): আদালতের অনুমতি নিতে হয়।
শুধুমাত্র এই ধারায় উল্লিখিত অপরাধই সমঝোতা করা যায় (ধারা ৩৪৫(৭))। অন্য কোনো অপরাধ (যেমন: খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি) আপোস করা যায় না।
আদালতের সহায়তা (ধারা ৩৪৫(৮)): আধুনিক সংশোধনীতে আদালত নিজে থেকে আপোস প্রক্রিয়া সহজ করে দিতে পারে, লিগ্যাল এইড অফিসার বা আইনজীবীর মাধ্যমে সমঝোতা করাতে পারে এবং চুক্তি রেকর্ড করে আদেশ দিতে পারে।

১,৪৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, In every trial before a __________, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
  1. Court of Magistrate
  2. Court of Session
  3. Court of Commission
  4. all of above
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫ক অনুসারে,
দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

Section 265A- Trial to be conducted by Public Prosecutor:
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
১,৪৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে (preventive arrest) পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১৫১
  4. ধারা ১৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫১ অনুযায়ী যদি কোনো পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবগত হন এবং তার কাছে প্রতীয়মান হয় যে অপরাধটি অন্যভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা পরোয়ানা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান- আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতার:

কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 151- Arrest to prevent such offences:
A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.

১,৪৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে কী উল্লেখ আছে?
  1. দায়রা আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  3. ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা সংক্রান্ত বিধানসমূহ উল্লেখ থাকে।
অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের ক্ষমতা ও কর্তব্য পালন করবেন, তা এই তফসিলে বর্ণিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।
ii) ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।
iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
১,৪৬৫.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪ অনুসারে, নিচের কোন শর্তে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই কোনো অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. যখন অপরাধটি আমল অযোগ্য
  2. যখন অপরাধী একজন পলাতক
  3. যখন অপরাধী একজন সরকারি কর্মচারী হয়
  4. যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪ অনুসারে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই কোনো অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয়।
সুতরাং, যখন কোনো অপরাধ তার উপস্থিতিতে সংঘটিত হয় - এই শর্তে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ - ধারা ৬৪: ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সংঘটিত অপরাধ:
- যখন কোনো অপরাধ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের (হতে তিনি নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটই হোন) উপস্থিতিতে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন তিনি নিজেই অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেন বা কোনো ব্যক্তিকে অপরাধীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারেন এবং তদনুসারে, জামিন সংক্রান্ত এতদ্দ্বারা প্রণীত বিধানাবলি সাপেক্ষে, অপরাধীকে হেফাজতে প্রেরণ করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-64: Offence committed in Magistrate's presence:
- When any offence is committed in the presence of a Magistrate [whether Executive or Judicial] within the local limits of his jurisdiction, he may himself arrest or order any person to arrest the offender, and may thereupon, subject to the provisions herein contained as to bail commit the offender to custody.

১,৪৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায় কোনো স্থানে তল্লাশি করতে হলে কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশিটি করতে হবে?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সই দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
১,৪৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. অপরাধীর গ্রেপ্তার
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  3. তদন্ত প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা
  4. দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করার প্রধান উদ্দেশ্য হল দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [ Search-warrant ] ইস্যুর বিধান রয়েছে।
- ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 96. When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
১,৪৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  2. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
-------------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 96:When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate] to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
১,৪৬৯.
কোন ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না?
  1. উক্ত মামলার তদন্তে অংশগ্রহণ করে থাকলে
  2. উক্ত মামলার এফআইআর/জিডি রেকর্ড করলে
  3. ক এবং খ
  4. কোন ক্ষেত্রেই প্রদান করা যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারী বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদবিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোন ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু এটর্নি জেনারেল, সরকারী সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।

(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লেখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

(৩) বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন এডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।

(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 495- Permission to conduct prosecution
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.

(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.

(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.

(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.
১,৪৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারা কী নিয়ে আলোচনা করে?
  1. সাক্ষীর জবানবন্দি
  2. বিকল্প রায় প্রদান
  3. মৃত্যুদণ্ডের আপিল
  4. পুলিশ তদন্ত ত্বরান্বিত করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) বিকল্প রায় প্রদান:
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় আলোচনা করা হয়েছে বিকল্প রায় প্রদান সম্পর্কিত। এই ধারার অধীনে, যদি আদালত কোনও অপরাধের ক্ষেত্রে সন্দেহ করে যে, দণ্ডবিধির কোন দুটি ধারা বা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটি অভিযুক্ত অপরাধের সাথে প্রযোজ্য, তাহলে আদালত বিকল্প রায় প্রদান করবে। অর্থাৎ, আদালত এই সন্দেহের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবে এবং বিকল্পভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। এটি অপরাধের ধরন এবং সঠিক দণ্ড নিশ্চিত করতে সহায়ক।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৭(৩)- বিকল্প রায়:
- দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 367(3)- Judgment in alternative:
- When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
১,৪৭১.
What is the primary duty of a police officer under Section 149?
  1. To arrest criminals only
  2. To Assist the court in trials
  3. To prevent the commission of any cognizable offence
  4. To investigate crimes after they have been committed
ব্যাখ্যা
Section 149- Police to prevent cognizable offences:
Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.
 
ধারা ১৪৯: পুলিশ কর্তৃক আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধ:
প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা যে কোনো আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) সংঘটিত হওয়ার প্রতিরোধে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন এবং তাঁর সর্বোচ্চ ক্ষমতা অনুযায়ী, সেই অপরাধের সংঘটন প্রতিরোধ করবেন।
১,৪৭২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৯ ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে মামলাটি __________ করবেন।
  1. মুলতুবি
  2. স্থগিত
  3. বন্ধ
  4. খারিজ
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর  ২৪৯ ধারামতে নালিশি মামলা (CR Case) ব্যতীত অন্য কোনভাবে দায়েরকৃত মামলাতে ফরিয়াদি না থাকলে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতিক্রমে যেকোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালাস বা দন্ডের রায় প্রদান না করে মামলার কার্যক্রম বন্ধ রেখে আসামিকে মুক্তি (Release) দিতে পারেন।

♦ নালিশি মামলা বা CR Case-এর ক্ষেত্রে ২৪৯ ধারা প্রযোজ্য নয়।
১,৪৭৩.
কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার ক্ষেত্রে কোন বিধান মানা বাধ্যতামূলক?
  1. নারী পুলিশ সদস্য দ্বারা করতে হবে
  2. শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে
  3. পরিবারের সদস্যের উপস্থিতিতে করতে হবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী-

কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।
 
Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১,৪৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী তদন্ত রিপোর্ট (interim report) কে চাইতে পারেন?
  1. পুলিশ কমিশনার 
  2. জেলা পুলিশ সুপার
  3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট
  4. 'ক' অথবা 'খ' 
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৭৩A (১) অনুসারে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার বা সমতুল্য পদমর্যাদার অন্য কোনো কর্মকর্তা যিনি তদন্ত তদারকি করছেন, তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।
- সুতরাং, পুলিশ কমিশনার (ক) এবং জেলা পুলিশ সুপার (খ) উভয়েই এই অন্তর্বর্তী রিপোর্ট চাইতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হল ঘ) 'ক' অথবা 'খ'। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।
(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।
(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, 173A. Interim investigation report, etc.- 
(1) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) of section 173, before completion of an investigation of any case under this Chapter, the Police Commissioner or the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may require the Investigating Officer to submit an interim investigation report as to the progress of the investigation of the case.
(2) If the interim investigation report, as required, discloses that there is insufficient evidence against any accused, the Police Commissioner, the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may direct the Investigating Officer to submit the report to the Magistrate and upon receipt of such report, the Magistrate or the Tribunal, as the case may be, may, if satisfied, order to discharge such accused subject to sub-section (3), without prejudice to the continuation of investigation against the remaining accused persons.
(3) Notwithstanding the discharge of any accused under sub-section (2), if, upon completion of the investigation, it appears on the basis of sufficient and substantive evidence that such person is involved in the commission of the alleged offence, the Investigating Officer shall not be precluded from including his name in the police report under section 173.

১,৪৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক অনুযায়ী  অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য আদালতকে কী করতে হয়?
  1. সাক্ষীদের পুনরায় ডাকা হয়
  2. পুলিশকে অনুমতি নিতে হয়
  3. উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়
  4. অভিযুক্তের পরিবারকে জানাতে হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(১) অনুসারে, যদি একাধিক অভিযুক্তের মধ্যে কোনো একজন আদালতে উপস্থিত থাকতে অক্ষম হন, এবং তিনি আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব হন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যেতে পারে, শর্ত থাকে যে আদালতকে এই সিদ্ধান্তের উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হবে। এছাড়া, আদালত প্রয়োজনে পরে ওই অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির করার নির্দেশও দিতে পারে।
অর্থাৎ আদালত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যেতে পারেন শুধুমাত্র তখনই, যদি তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করেন এবং আদালত উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক - কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান:
(১) দুই বা ততোধিক আসামি হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের কোন পর্যাপ্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশত: সন্তুষ্ট হন, আসামিদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে আসামীর কৌঁসুলি হাজির থাকলে আসামিকে হাজির হতে রেহাই দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন, এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) এরূপ কোন মামলায় আসামীর কৌঁসুলি না থাকলে অথবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামীর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, অথবা উক্ত আসামীর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, -Section 540A. Provision for inquiries and trial being held in the absence of accused in certain cases
(1) At any stage of an inquiry or trial under this Code, where two or more accused are before the Court, if the Judge or Magistrate is satisfied, for reasons to be recorded, that any one or more of such accused is or are incapable of remaining before the Court, he may, if such accused is represented by an advocate, dispense with his attendance and proceed with such inquiry or trial in his absence, and may, at any subsequent stage of the proceedings, direct the personal attendance of such accused. 
(2) If the accused in any such case is not represented by an advocate, or if the Judge or Magistrate considers his personal attendance necessary, he may, if he thinks fit, and for reasons to be recorded by him, either adjourn such inquiry or trial, or order that the case of such accused be taken up or tried separately.
১,৪৭৬.
সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার পর জব্দকারী পুলিশ অফিসারের প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. জব্দকৃত মাল আদালতে নিয়ে যাওয়া
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানানো
  3. আসল মালিক খুঁজে বের করা
  4. জব্দকৃত মাল ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫০- সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা
চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধঃস্তন হলে, তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

Section 550- Powers to police to seize property suspected to be stolen
Any police- officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
১,৪৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান-অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
-কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 480: Procedure in certain cases of contempt: 
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
১,৪৭৮.
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক সর্বপ্রথম কত সালে ফৌজদারি কার্যবিধি পাশ হয়?
  1. ১৮৬১ সালে
  2. ১৮৬৩ সালে
  3. ১৮৬৬ সালে
  4. ১৮৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি পাশ করা হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
১,৪৭৯.
মৃত্যুর কারণ উদঘাটন এর জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৪
  2. ১৭৬(২)
  3. ১৭৬
  4. ১৭৫(২)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৬(২) মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ উদঘাটন এর জন্য লাশ পরীক্ষা করে দেখার প্রয়োজন মনে করেন তা হলে তিনি লাশটি কবর থেকে তোলার এবং তা পরীক্ষা করে দেখার ব্যবস্থা করতে পারেন।
১,৪৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে?
  1. ধারা ২২১
  2. ধারা ২২৮
  3. ধারা ২২৭
  4. ধারা ২২৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ২২৭-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
১,৪৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৩ অনুযায়ী, দণ্ডিত আসামী নিজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালতের কোন ক্ষমতা নেই?
  1. শাস্তি বাতিল করা
  2. শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা
  3. আসামীকে খালাস দেওয়া
  4. পুনরায় বিচারের আদেশ দেওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৩ অনুযায়ী, আপিল আদালত বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নানাবিধ আদেশ দিতে পারে। তবে যদি শুধু দণ্ডিত আসামী নিজেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে, সেক্ষেত্রে আপিল আদালত নিম্নোক্ত ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে, শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস দিতে পারে, পুনরায় বিচার করার নির্দেশ দিতে পারে, শাস্তি হ্রাস করতে পারে।
কিন্তু শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা যাবে না, যদি একজন আসামী নিজেই তার দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে, তবে আদালত সেই আপিল শুনে তার শাস্তির পরিমাণ আরও বাড়াতে পারে না, কারণ এতে তার অবস্থা আরও খারাপ হয়, যা ন্যায়পরিপন্থী। এটি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারিক নীতি।
- তবে যদি সরকার বা ফরিয়াদী দণ্ডের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল করে (ধারা ৪১৭ক অনুযায়ী), তাহলে আদালত শাস্তি বাড়াতে পারে, কিন্তু তখনও আসামীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা
২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
- খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
- অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
- অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।
৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি
৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে।
৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section- 423. Powers of Appellate Court in disposing of appeal:
(1) The Appellate Court shall then send for the record of the case, if such record is not already in Court. After perusing such record, and hearing the appellant or his pleader, if he appears, and the Public Prosecutor, if he appears, and, in case of Public Prosecutor, if he appears, and, in case of an appeal under 435[* * *] section 417, the accused, if he appears, the Court may, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, dismiss the appeal, or may-
(a) in an appeal from an order of acquittal, reverse such order and direct that further inquiry be made, or that the accused be retired or sent for trial, as the case may be, or find him guilty and pass sentence on him according to law ;
(b) in an appeal from a conviction, (1) reverse the finding and sentence, and acquit or discharge the accused, or order him to be retried by a Court of competent jurisdiction subordinate to such Appellate Court or sent for trial, or (2) alter the finding, maintaining the sentence, or, with or without altering the finding, reduce the sentence or, (3) with or without such reduction and with or without altering the finding, alter the nature of the sentence, but, subject to the provisions of section 106, sub-section (3), not so as to enhance the same; 
(bb) in an appeal for enhancement of sentence, (1) reverse the finding and sentence and acquit or discharge the accused or order him to be retired by a Court competent to try the offence, or (2) alter the finding maintaining the sentence, or (3) with or without altering the finding, alter the nature or the extent, or the nature and extent, or the sentence, so as to enhance or reduce the same;
(c) in an appeal from any other order, alter or reverse such order;
(d) make any amendment or any consequential or incidental order that may be just or proper: 
Provided that the sentence shall not be enhanced unless the accused has had an opportunity of showing cause against such enhancement: 
Provided further that the Appellate Court shall not inflict greater punishment for the offence which in its opinion the accused has committed than might have been inflicted for that offence by the Court passing the order or sentence under appeal.

১,৪৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা স্থাবর সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত বিরোধ ও শান্তিভঙ্গের আশংকা নিষ্পত্তির বিধান করে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৪
  4. ধারা ১৪৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায় এবং প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা:
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace.
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police-report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute.

১,৪৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দ্রুত ক্ষয়শীল চোরাই মাল বিক্রির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫২৩
  2. ধারা ৫২৪
  3. ধারা ৫২৫
  4. ধারা ৫২৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫-এ দ্রুত ক্ষয়শীল বা ধ্বংসশীল চোরাই মাল বিক্রির বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি মালিক অনুপস্থিত বা অপরিচিত থাকে এবং মাল দ্রুত ক্ষয়শীল হয় অথবা মাল বিক্রি করলে মালিকের জন্য কল্যাণকর হয়, ম্যাজিস্ট্রেট যে কোনো সময় সেই মাল বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
১,৪৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪১৯
  2. ধারা ৪২০
  3. ধারা ৪২১
  4. ধারা ৪২২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা-তে "আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ" (Summary Dismissal of Appeal) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারার মূল বিষয়বস্তু:
- আপিল আদালত ধারা ৪১৯ বা ৪২০ অনুযায়ী দাখিলকৃত আপিলপত্র এবং তার অনুলিপি পর্যালোচনা করার পর যদি মনে করেন যে, আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারেন।
- তবে, ধারা ৪১৯-এর অধীনে দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে শুনানির সুযোগ দিতে হবে।
- আদালত চাইলে মামলার নথি তলব করতে পারেন, কিন্তু এটি বাধ্যতামূলক নয়।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা স্পষ্টভাবে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করার বিধান উল্লেখ করে।
১,৪৮৫.
জারিকারক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরে ফৌজদারি সমন কার মাধ্যমে জারী করা হবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. এখতিয়ারধীন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. উক্ত এলাকার পুলিশ কমিশনার
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান- স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।

Section: 73: Service of summons outside local limits:
When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
১,৪৮৬.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত _________বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না।
  1. অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  2. অনধিক ৫,০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
  3. অনধিক ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  4. অনধিক ৫,০০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারার বিধান সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেইঃ এই কার্যবিধিতে ইতোপূর্বে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংক্ষিপ্তভাবে বিচারকৃত কোন মোকদ্দমায় ধারা-২৬০ অনুসারে কাজ করতে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।

- সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বিচারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু অর্থদন্ড ২০০ টাকার বেশি না হলে আপীল করা যাবে না। অর্থ দণ্ডের পরিমাণ ২০০ টাকার বেশি হলে আপীল করা যাবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
-ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

-ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

-ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate] or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 414.No appeal from certain summary convictions:
 Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding two hundred Taka only.
১,৪৮৭.
'ক' একজন মুদি দোকানদার। তার দোকানের পাশেই 'খ' এর গুদামঘর আছে। উক্ত গুদামে 'খ' নিয়মিত চোরাইমালের ব্যবসা করে বলে 'ক' জানতে পারে। সে 'খ' কে আটক করে এবং পরবর্তীতে পুলিশে সোপর্দ করে। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা 'ক' এর এই কাজকে সমর্থন করে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৬
  3. ধারা ৫৯
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী-
যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

উল্লেখিত ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিল অনুযায়ী
'খ' জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত, যার দরুণ 'ক' ৫৯ ধারা অনুযায়ী 'খ' কে আটক করতে পারে।

• ধারা ৫৯ -

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১,৪৮৮.
পুলিশের নিকট প্রদত্ত কোন বিবৃতি লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে তা সাক্ষীর কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. জেরায়
  2. জবানবন্দি
  3. পুনঃজবানবন্দি
  4. ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦১৬১ ধারায় পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর লিপিবদ্ধকৃত বক্তব্য সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় জেরায় [Cross examination] এবং পুনঃজবানবন্দিতে [re-examination] ব্যবহার করা যেতে পারে। শর্ত হলো ১৬১ ধারায় লিপিবিদ্ধকৃত বক্তব্যটি যথাযথভাবে প্রমাণিত হতে হবে।
১,৪৮৯.
স্বামী কর্তৃক স্ত্রী ধর্ষণের অপরাধ তদন্ত করার ক্ষেত্রে-
  1. আদালত কর্তৃক আদেশপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তি তদন্ত করতে পারবে
  2. পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না
  3. পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর তদন্ত করতে পারবে
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কর্তৃক আদেশপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তি তদন্ত করতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট -
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561- Special provisions with respect to offence of rape by a husband

(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
১,৪৯০.
'ক' একজন ১৪ বছরের কিশোর। চুরি করতে গিয়ে 'ক' ধরা পড়ে এবং আদালত তাকে দণ্ডাদেশ দেয়। এক্ষেত্রে 'ক' কে আদালত-
  1. ফৌজদারি কারাগারে বন্দি করার আদেশ দিবেন
  2. তার এলাকার কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  3. সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  4. দণ্ডাদেশ এর বদলে জরিমানার আদেশ দিবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৯৯: 

কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।


Section 399- Confinement of youthful offenders in reformatories

(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
১,৪৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৯(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো অপরাধ সংঘটনের যথেষ্ট কারণ না থাকে, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কী হবে?
  1. তাকে জরিমানা করা হবে
  2. তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে
  3. তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হবে
  4. তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৯(৩) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
- "If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released."
- অর্থাৎ, যদি কোনো বেসরকারি ব্যক্তি কাউকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে তদন্তে দেখা যায় যে তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ সংঘটনের যথেষ্ট কারণ নেই, তবে পুলিশ সেই ব্যক্তিকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station.
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him.
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
১,৪৯২.
ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে কোন আদালত রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. আতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
- রিভিশনের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ সকলের রয়েছে । কিন্তু ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে যুগ্ম দায়রা জজের  রিভিশনের ক্ষমতা নেই। 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্তি দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা রয়েছে। দায়রা জজ সাধারন বা বিশেষ আদেশ বলে তার নিকট দায়েরকৃত কোন রিভিশন অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করতে পারে; এক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।  
- রিভিশনে প্রদত্ত দায়রা জজের আদেশই চূড়ান্ত কেননা, ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২য় ব্রিভিশনের বিধান নাই।
- অর্থাৎ দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবেনা।
১,৪৯৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে কোন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আপীলের
  2. রিভিশনের
  3. মামলা স্থানান্তর করার
  4. কোনটাই নয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কে মামলা স্থানান্তর এর ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগ মামলা স্থানান্তর করতে পারবেন বা স্বয়ং এর বিচার করতে পারবেন (High Cour Division may transfer case or itself try it)

♦ হাইকোর্ট কোন মামলা বা আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন ফৌজদারী স্বয়ং হাইকোর্ট বা দায়রা আদালতে হস্থান্তর বা প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারে।[ধারা- ৫২৬(১)]

♦ নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ এরূপ আদেশ দিতে পারে; যথা-

১) ন্যায়সংগত ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান বা বিচার পাওয়া যাবে না, অথবা
২) কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা আছে, অথবা
৩) যে স্থানে বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। 
৪) পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগণের সাধারণভাবে সুবিধা হবে।
৫) ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে [ধারা- ৫২৬(১)]
১,৪৯৪.
সহায়ক হিসেবে কোন ক্ষেত্রে পুলিশ ডায়েরি তলব করা যায়?
  1. আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানে
  2. আদালত কর্তৃক তদন্তে
  3. আদালত কর্তৃক বিচারের ক্ষেত্রে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
•  পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী । ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

• পুলিশ ডায়েরীতে পুলিশ যে সকল বিষয় লিপিবদ্ধ করে [ধারা ১৭২(১)]:

ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় বলা হয়েছে, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবে এবং কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন,কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• কখন কিভাবে পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার করা হয়? [ধারা ১৭২(২)]

যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• এখানে উল্লেখ্য যে, আসামী বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
১,৪৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬(২) অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কী করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. মৃত্যুর কারণ গোপন রাখতে
  2. মৃতদেহ দাফন করতে বাধা দিতে
  3. পুলিশের তদন্ত বাতিল করতে
  4. সমাধি থেকে মৃতদেহ উত্তোলন করতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "যখন এইরূপ কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিবেচনায় কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য ইতিমধ্যে দাফনকৃত মৃতদেহ পরীক্ষা করা প্রয়োজনীয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত দেহ সমাধি থেকে উত্তোলন (disinter) ও পরীক্ষা করার আদেশ দিতে পারবেন।"
- সুতরাং, মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেট দাফনকৃত মৃতদেহ উত্তোলনের (exhume) আইনগত ক্ষমতা রাখেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকোয়ারি:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.

১,৪৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার আদেশে ম্যাজিস্ট্রেট কোন বিষয়টি বিবেচনা করেন না?
  1. শান্তি রক্ষা
  2. প্রকৃত দখলকারী
  3. মালিকানা নির্ধারণ
  4. দখলের বৈধতা
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

• ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা-
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace-
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police-report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute. 
১,৪৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী ১৫ বছরের কম বয়সী আসামির অপরাধ (মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন ছাড়া) বিচার করতে পারেন-
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী হন এবং তার অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে তার বিচার করতে পারেন:
১) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
২) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
৩) অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
- তাই সঠিক উত্তর ঘ)উপরোক্ত সবাই । 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ (যদি তা মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ (Section 29B, CrPC) অনুযায়ী বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী, এবং তিনি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিচার করতে পারেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM), চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি শিশু অপরাধ সংক্রান্ত আইনের অধীনে বিচার করার ক্ষমতা রাখেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate] or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law] providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.

১,৪৯৮.
'ক'-এর বিরুদ্ধে প্রতারণামূলে ২০,০০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আনা হয়। উহা কোন আদালতে বিচার্য?
  1. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. গ্রাম্য আদালত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে গ্রাম আদালত। 

গ্রাম আদালত গঠন- 
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করিয়া মোট পাঁচজন সদস্য লইয়া গ্রাম আদালত গঠিত হয়। তবে প্রত্যেক পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন সদস্যের মধ্যে একজন সদস্যকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হইতে হয়।

এখতিয়ার-
গ্রাম আদালত ‘গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬’ এর তফসিলের প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারী অপরাধসমূহের বিচার করতে পারে।
১। দন্ডবিধির ধারা ৩২৩ বা ৪২৬ বা ৪৪৭ মোতাবেক কোন অপরাধ সংঘটন করা, বে-আইনী জনসমাবেশ সাধারন উদ্দেশ্যে হইলে এবং উক্ত বে - আইনী জনসমাবেশে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা দশের অধিক না হইলে দন্ডবিধির ১৪৩ ও ১৪৭ ধারা, ১৪১ ধারা এর তৃতীয় বা চতুর্থ দফার সহিত পঠিতব্য;
২। দন্ডবিধির ধারা ১৬০, ৩৩৪, ৩৪১, ৩৪২, ৩৫২, ৩৫৮, ৫০৪, ৫০৬ (প্রথম অংশ) ৫০৮, ৫০৯ এবং ৫১০;
৩। দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ যখন সংঘটিত অপরাধটি গবাধিপশু সংক্রান্ত হয় এবং গবাদিপশুর মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৪। দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ যখন সংঘটিত অপরাধটি গবাদিপশু ছাড়া অন্য কোন সম্পত্তি সংক্রান্ত হয় এবং উক্ত সম্পত্তির মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৫। দন্ডবিধির ধারা ৪০৩, ৪০৬, ৪১৭ ও ৪২০ যখন অপরাধ সংশ্লিষ্টি অর্থের পরিমান অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৬। দন্ডবিধির ধারা ৪২৭, যখন সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৭। দন্ডবিধির ধারা  ৪২৮ ও ৪২৯ যখন গবাদিপশুর মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৮। Cattle-Trespass Act, 1871 (Act I of 1871) এর  section 24, 26, 27;
৯। উপরিউক্ত যে কোন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা বা উহা সংঘটনের সহায়তা প্রদান।

প্রশ্নে উল্লিখিত মামলা দন্ডবিধির ধারা ৪১৭ এর অধীন এবং মূল্যমান ২০,০০০ টাকা হওয়ায়, উক্ত মামলা গ্রাম্য আদালতে বিচার্য।
১,৪৯৯.
'ক' নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে রকিব আহত হয় এবং 'খ' নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে মারা যায়। রকিবের নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে?
  1. 'খ' নামক আদলতে
  2. 'ক' নামক আদালতে
  3. 'ক' এবং 'খ' নামক আদালতে
  4. 'ক' বা 'খ' নামক আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধ যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয় সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধের পরিণাম দেখা দিয়েছে সেই সেই আদালতে উক্ত অপরাধের বিচার করা যাবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ এবং ১৮৫ ধারার অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের অধিক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হলে যেকোন একটি আদালতে বিচার করা যাবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

♦ অর্থাৎ রকিবের নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে 'ক' বা 'খ' নামক আদালতে।
১,৫০০.
নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ২০২ ধারার অধীন কে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারেন?
  1. আমলে নেয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ব্যক্তি
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন ।

• ধারা ২০২:পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-

১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। 
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।