PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
জাতিসংঘ ও জাতিসংঘ বিষয়ক তথ্য
জাতিসংঘ ও জাতিসংঘ বিষয়ক তথ্য
PrepBank · পাতা ৯ / ২৫ · ৮০১–৯০০ / ২,৪৬৩
ব্যাখ্যা
UNHCR:
- জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা UNHCR.
- UNHCR এর পূর্ণরূপ United Nations High Commissioner for Refugees.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- UNHCR এর প্রধানকে বলা হয় হাইকমিশনার।
- বর্তমান হাইকমিশনার: ফিলিপ্পো গ্রান্ডি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- কার্যক্ষেত্র: ১৩৭টি দেশ।
তথ্যসূত্র - UNHCR এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদের ভিত্তিতে গঠিত হয়- জাতিসংঘ।
• আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
• আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- পরবর্তীকালে জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রে (১ জানুয়ারী, ১৯৪২) রেফারেন্সের মাধ্যমে আটলান্টিক সনদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
উৎস: UN ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ইয়াল্টা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে ক্রিমিয়ারে ইয়াল্টাতে।
- এই সম্মেলনে রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন মিলিত হন।
- জাতিসংঘের স্থায়ী ৫ সদস্যদেশকে এই সম্মেলনে ভেটো প্রদান ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
- ভেটো একটি ল্যাটিন শব্দ। ভেটো শব্দের অর্থ আমি ইহা মানি না।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিপুঞ্জের আত্মপ্রকাশ-প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য- ৪১টি।
- সদর দপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬।
বি.দ্র:
⇒ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট অনুসারে, জাতিপুঞ্জ ১৯৪৬ সালের ২০ এপ্রিল বিলুপ্ত হয়।
⇒ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা অনুসারে, ১৯৪৬ সালের ১৯ এপ্রিল বিলুপ্ত হয়।
⇒ এক্ষেত্রেও আমরা জাতিসংঘের ওয়েবসাইটের তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে সঠিক উত্তর হিসেবে ১৯৪৬ সালের ২০ এপ্রিল গ্রহণ করতে পারি।
♦ এই বিষয়ে ৩০ নং তথ্যকল্পদ্রুমে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র - United Nations ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনের প্লেনারিতে সর্বসম্মতিক্রমে প্রতি বছর ৬ জুলাইকে ‘বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে একটি রেজ্যুলেশন গৃহীত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রস্তাবিত রেজ্যুলেশনটি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পেরু, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত একটি কোর গ্রুপের পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়।
- জাতিসংঘের ৪৩টি সদস্য রাষ্ট্র রেজ্যুলেশনটি স্পন্সর করেছে এবং কোনো ভোট ছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে এটি গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য,
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের পেশকৃত প্রথম রেজ্যুলেশন; যা কার্যকর বহুপাক্ষিকতার দ্বারা সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি ও অভাব দূরীকরণের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতিরই সমার্থক।
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে খসড়া রেজ্যুলেশনের ওপর জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মাঝে আলোচনা পরিচালনা করে এবং রেজ্যুলেশনের খসড়া চূড়ান্ত করে।
⇒ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ‘সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিকের’ (সিআইআরডিএপি) সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে টেকসই পল্লী উন্নয়নে সহায়তার স্বীকৃতিস্বরূপ; সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার দিন ৬ জুলাই, ১৯৭৯ বিবেচনায়; প্রতিবছর এদিনকে ‘বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
উৎস: Ministry of Foreign Affairs, Bangladesh ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
'আলমাআতা' ঘোষণা (The Alma-Ata Declaration):
- স্থান: আলমাআতা, কাজাখস্তান।
- সময়: ১২-১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
⇒ প্রধান উদ্দেশ্য:
- Primary Health Care (PHC) বা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত করা।
- সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা নিশ্চিত করা, যাতে স্বাস্থ্য অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়।
- স্বাস্থ্যসেবা কেবল হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজভিত্তিক ও প্রতিরোধমূলক হয়ে ওঠে।
- ২০০০ সালের মধ্যে বিশ্বের সকল মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করা।
উল্লেখ্য,
- কাজাখস্তানের বৃহত্তম নগরী আলমাআতায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের ১৩৪ সদস্য দেশের মন্ত্রীরা ২০০০ সালের মধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্যের বিষয়টি ঘোষণা করেছিলেন।
উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশ ১৫ টি (স্থায়ী ৫ টি এবং অস্থায়ী ১০ টি)।
– অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- স্থায়ী সদস্য দেশ - যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন (এই ৫টি দেশের ভেটো প্রদান করার ক্ষমতা রয়েছে)।
- অস্থায়ী সদস্য দেশ - ১০ টি।
• জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ নামকরণ করেন - রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় - ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে (সানফ্রানসিস্কো শহরে)।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় - ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল - ৫১ টি
- জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর না করেও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত হয় - পোল্যান্ড (৫১ তম দেশ)।
- বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য দেশ ১৯৩ টি।
- সর্বশেষ সদস্য - দক্ষিণ সুদান।
উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (IDA)
IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association। IDA - কে বিশ্বব্যাংকের ঋণ প্রদানের প্রধান হাত বা Original Lending Arm - বলা হয়।
⤇ বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সদস্য এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলো থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণের উদ্দেশ্যে তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অসমতা দূরীকরণ এবং জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কর্মসূচীগুলোতে ঋণ ও অনুদান প্রদান করে থাকে।
ব্যাখ্যা
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৮টি। (অক্টোবর - ২০২৪)
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি। (অক্টোবর - ২০২৪)
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।
উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
WIPO:
- ১৯৬৭ সালে WIPO প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্ণরূপ World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- WIPO এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- সদর দপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
তথ্যসূত্র - WIPO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের প্রথম এশীয় সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন মিয়ানমারের উ থান্ট।
- জাতিসংঘের ২য় এশীয় সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি মুন।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন (UPU)।
- পূর্ণরূপ- Universal Postal Union.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৮৭৪ সালে।
- এটি বিশ্বব্যাপী দ্বিতীয় প্রাচীনতম আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- সদর দপ্তর: বার্ন, সুইজারল্যান্ড।
- সদস্য দেশ: ১৯২টি। (জুন, ২০২৫)
- বিশ্ব ডাক দিবস: ৯ অক্টোবর।
তথ্যসূত্র - অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (UPU)।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন:
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছে আনালেনা বায়েরবোক (Annalena Baerbock)।
- তিনি জার্মানির প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
- ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন।
- প্রধান উপদেষ্টা অধিবেশনে ১০ম বক্তা হিসেবে ভাষণ দেন।
- ড. ইউনূস তাঁর ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- ২৪ অক্টোবর- জাতিসংঘ দিবস।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব- আন্তোনিও গুতেরেস।
- প্রথম মহাসচিব- ট্রিগভেলি।
উৎস: i) বাসস ও ii) UN General Assembly ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- পূর্ণ নাম: United Nations High Commissioner for Refugees.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যক্রম শুরু: ১ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- বর্তমান হাইকমিশনার: Filippo Grandi (ইতালি)। [জুন, ২০২৫]
- ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে UNHCR নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- স্লোগান / মিশন: "The UN Refugee Agency – Protecting People Forced to Flee"
• শিশু শ্রমের বিরুদ্ধে লড়াই এটি ILO-এর মূল কাজ।
• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- UNHCR-এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী শরণার্থী, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি, রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি এবং আশ্রয়প্রার্থী জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও সহায়তা নিশ্চিত করা।
- এবং তাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন, স্থানান্তর অথবা নতুন জীবন শুরু করতে সহায়তা করা।
- UNHCR বর্তমানে ১৩০টির বেশি দেশে কাজ করছে।
উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
CEDAW:
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of Discrimination against Women.
- নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা CEDAW।
- জাতিসংঘ নারীদের অধিকার রক্ষায় ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে CEDAW কনভেনশন গ্রহণ করে।
- এই কনভেনশন গৃহ নির্যাতন, প্রজনন, আইনগত, রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- CEDAW সনদে পরিচ্ছদ আছ: -৬ টি, ধারা আছে: ৩০ টি।
- CEDAW কমিটিতে সারা বিশ্ব থেকে নারী অধিকার সংক্রান্ত ২৩ জন বিশেষজ্ঞ রয়েছে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ CEDAW অনুমোদন করে ৪ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে।
এছাড়াও,
- কনভেনশনের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষসমূহের প্রতি নারীর মৌলিক মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা; নারী পাচার ও পতিতাবৃত্তিতে নারীর শোষণ রোধ নিশ্চিত করা; রাজনৈতিক ও লোকজীবনে নারীর প্রতি বৈষম্যের অবসান; জাতীয়তা অর্জন, পরিবর্তন বা বহাল রাখার সমান অধিকার নিশ্চিত করা; শিক্ষা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক ও সমাজ জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে বৈষম্যের অবসান ঘটানোর জন্যে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
- অন্যান্য ধারায় গ্রামীণ নারীর সমস্যা, আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং বিবাহ ও পারিবারিক জীবনে নারীর প্রতি বৈষম্যের অবসান সংক্রান্ত বিষয়গুলো রয়েছে।
- কনভেনশনে নারীর নিজ নিজ দেশে রাজনৈতিক ও লোকজীবনে অংশগ্রহণ এবং সরকারের সকল পর্যায়ে সকল কাজ করার অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয়- জার্মানী।
জাতিসংঘ:
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে– ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য দেশ ১৯৩ টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশ ১৫ টি (স্থায়ী ৫ টি এবং অস্থায়ী ১০ টি)।
- অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৬টি (ইংরেজি, আরবি, চাইনিজ, রুশ, ফ্রাঞ্চ, স্প্যানিশ)।
- জাতিসংঘের আলাপ আলোচনার মূল সভা সাধারণ পরিষদ।
- অধিবেশনে একটি দেশ সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন, কিন্তু একটি দেশ শুধু একটি ভোট দিতে পারে।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের নাগারিক আন্তোনিও গুতেরেস (১ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে থেকে-বর্তমান)।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
(SDGs):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয় যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল-২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু- ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ- ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।
• এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য হলো: দারিদ্র্য নির্মূল, ক্ষুধামুক্তি, সুস্বাস্থ্য, মানসম্মত শিক্ষা, লিঙ্গ সমতা, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, সাশ্রয়ী ও দুষণমুক্ত জ্বালানি, উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, বৈষম্য হ্রাস, টেকসই শহর ও জনগণ, পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন, জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ, সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান, স্থলভাগের জীবন, শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
(তথ্যসূত্র: SDG ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গসংস্থা পাঁচটি।
- যথা- IBRD, IDA, IFC, ICSID এবং MIGA
অপরদিকে,
- (IFAD) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- International Fund for Agricultural Development জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।
উৎস: বিশ্ব ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- 'মানব উন্নয়ন সূচক' প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা UNDP।
- সর্বশেষ মার্চ, ২০২৪-এ UNDP 'Human Development Report 2023-24' প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশ: সুইজারল্যান্ড, সর্বনিম্নে রয়েছে সোমালিয়া।
- বাংলাদেশের অবস্থান: ১২৯তম।
⇒ HDI মূলত তিনটি প্রধান উপাদানের উপর ভিত্তি করে:
- আয়: এটি মাথাপিছু আয় (GNI per capita) এর ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়।
- শিক্ষা: মানুষের শিক্ষা গ্রহণের হার, যার মধ্যে গড় বিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণের বছর এবং শিক্ষার প্রসারের হার অন্তর্ভুক্ত।
- আয়ু: গড় আয়ু, যা মানুষের স্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু পরিস্থিতির ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়।
উৎস: Human Development Report 2023-24.
ব্যাখ্যা
ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
তথ্যসূত্র - ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (মে, ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (মে, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের প্রথম নারী ন্যায়পাল ছিলেন প্যাট্রিসিয়া ডুরান্ট।
- ২০০২ সালে প্যাট্রিসিয়া ডুরান্ট জাতিসংঘের প্রথম ন্যায়পাল নিযুক্ত হয়েছিলেন।
অন্যদিকে -
- বাহরাইনের হায়া রশীদ আল খলিফা প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে ২০০৬ সালে সাধারণ পরিষদের ৬১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম নারী সভাপতি ভারতের বিজয়লক্ষ্মী পন্ডিত।
উৎস: UN ওয়েবসাইট। [link]
ব্যাখ্যা
UNDP:
- পূর্ণ নাম: United Nations Development Programme.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬৫ সালে।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমানে ১৭০ দেশে ও অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- এর সর্বচ্চো পদ: প্রশাসক।
- বর্তমান প্রশাসক: Achim Steiner (জার্মানি)।[ আগস্ট, ২০২৫]
- স্লোগান / মিশন: "Empowered lives. Resilient nations."
গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম:
- Sustainable Development Goals (SDGs): ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭টি লক্ষ্য বাস্তবায়ন।
- Human Development Index (HDI): মানব উন্নয়ন পরিমাপ।
- Global Environment Facility (GEF): পরিবেশ প্রকল্পে অর্থায়ন।
- Crisis Response and Recovery: সংঘাত ও দুর্যোগে পুনর্বাসন।
- Inclusive Growth Programmes:
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ASEAN এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- ASEAN জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ: ইন্দোনেশিয়া (জাকার্তা)।
- আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ASEAN Regional Forum- ARF) এর সদস্য সংখ্যা ২৭টি।
- বাংলাদেশ ARF এর সদস্য।
অন্যদিকে,
- ILO ও WHO জাতিসংঘের সহযোগী।
উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
▪ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যেসকল ট্রাস্ট অঞ্চল স্বাধীনতা পাওয়ার যোগ্য সেসকল অঞ্চলসমূহকে স্বাধীন বা স্বায়ত্তশাসন লাভ করার উপযোগী করার উদ্দেশ্যে অছি পরিষদ কাজ করেছে।
▪ ১ নভেম্বর, ১৯৯৪ সালে এই পরিষদের কার্যক্রম স্থগিত হয়। তবে প্রয়োজন মনে হলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অথবা নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনক্রমে এটি আবার কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।
▪ জাতিসংঘ সনদের ত্রয়োদশ অধ্যায়ে (৮৬ - ৯১নং অনুচ্ছেদ) অছি পরিষদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
▪ অছি পরিষদের অধীনে ১১টি ট্রাস্ট অঞ্চল যা জাতিসংঘের ৭টি সদস্য রাষ্ট্রের অধীনস্ত ছিলো, সেগুলো স্বাধীনতা বা স্বায়ত্বশাসন লাভ করে। এই পরিষদের অধীনে সর্বশেষ স্বাধীনতা লাভকারী দেশ “পালাউ” যা যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্ত ছিলো।
▪ ১৯৯৪ সালে পালাউয়ের স্বাধীনতা প্রাপ্তির মাধ্যমে সকল অছি অঞ্চলই স্বাধীন দেশে পরিণত হয়।
▪ ১৯৯৪ সাল থেকে অছি পরিষদের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- WHO জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬১টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: জাতিসংঘের উদ্যোগে International Health Conference।
- বিশ্বব্যাপী উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই এই সংস্থার প্রধান কাজ।
- এটি জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহের জনস্বাস্থের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৪৫ সালে যখন কূটনীতিকরা জাতিসংঘ গঠনের জন্য মিলিত হন, উক্ত আলোচনা মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্থাপন ছিল অন্যতম।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সম্মেলনের সময় একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা এবং এর সংবিধান প্রণয়নের জন্য একটি সম্মেলন আহ্বানের প্রস্তাব দেন ব্রাজিল ও চীন।
- ১৯৪৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল মহাসচিবকে এই ধরনের একটি সম্মেলন আহ্বান করার নির্দেশ দেয়।
- একটি কারিগরি প্রস্তুতি কমিটি প্যারিসে ১৮ মার্চ - ৫ এপ্রিল, ১৯৪৬ সালের মধ্যে বৈঠক করে এবং সংবিধানের জন্য প্রস্তাবগুলি তৈরি করে যা ১৯ জুন - ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়েছিল।
- এই প্রস্তাবগুলির ভিত্তিতে, সম্মেলন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংবিধানের খসড়া ও গৃহীত, ২২ জুলাই ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের ৫১ জন সদস্য এবং ১০টি অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিদের দ্বারা স্বাক্ষরিত।
⤇ ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত International Health Conference -তে ৬১টি দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ স্বাক্ষর করে।
- এর ২ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে WHO এর যাত্রা শুরু হয়।
⤇ বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য সংস্থাটি সদস্য দেশ সমূহের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিষয়ক সরকারি অন্যান্য সংস্থা ও বিভাগ, এনজিও এবং জনসাধারনের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
- যে কোন রোগ-বালাই, নতুন রোগের সংক্রমণ বা জরুরি স্বাস্থ্যগত যেকোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভাবিত যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই সংস্থা সর্বদা নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে
⇒ প্রতিবছর ৭ এপ্রিল ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হয়।
উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে- UNESCO.
- UNESCO হচ্ছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা।
- UNESCO এর পূর্ণরূপ- United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এর প্রধান কাজ হলো বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৬ নভেম্বর, ১৯৪৫ সালে চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- সদস্য দেশ - ১৯৪টি।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- UNESCO থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়- ইসরাইল।
সূত্র: UNESCO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
UNFPA:
- সংস্থাটি ১৫০টি দেশে কাজ করে থাকে।
- বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করে UNFPA.
- UNFPA এর পূর্ণরূপ- United Nations Population Fund.
- UNFPA হল জাতিসংঘের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সংস্থা।
- UNFPA আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল নামে পরিচিত।
- সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর - নিউইয়র্ক।
তথ্যসূত্র - UNFPA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।
উল্লেখ্য
• CTBTO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা সনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া
- বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান যথা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, যুক্তরাজ্যের উইনস্টোন চার্চিল ও সোভিয়েত ইউনিয়নের জোসেফ স্ট্যালিন ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা প্রদেশে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে 'Yalta Conference' নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।
⇒ সম্মেলনের মূল আলোচনা বিষয়:
- জার্মানির পরাজয় ও ভবিষ্যৎ: জার্মানি পরাজিত হলে তার ভাগ-বাটোয়ারা এবং এর পরবর্তী শাসন কিভাবে হবে, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় জার্মানির বিভाजन এবং ন্যাজি নেতাদের বিচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সংস্থা গঠন করা হয়, যাতে পরবর্তী সময়ে বিশ্বের শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করা যায়। এখানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীন ও ফ্রান্সকে স্থান দেওয়া হয়।
- পোল্যান্ডের ভবিষ্যৎ: পোল্যান্ডের সীমান্ত পরিবর্তন এবং সরকারের প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়, যাতে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পশ্চিমী শক্তিগুলোর মধ্যে সমঝোতা তৈরি করা যায়।
- ইউরোপে মুক্ত নির্বাচন: পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে মুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানো হবে, এমন একটি ঘোষণা করা হয়।
উৎস: History.com
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশন:
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে।
- সদস্যপদ লাভের মাত্র এক সপ্তাহ পর, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় ভাষণ প্রদান করেন।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র।
- ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি দেশ ছিল বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ওই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছিলেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
উল্লেখ্য,
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি ছিলেন।
- বাংলাদেশ এ পর্যন্ত দুইবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়; যা বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের প্রতি বৈশ্বিক স্বীকৃতি।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম সভায় SDG গৃহীত হয়।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- UNDP এর প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে ২০৩০ সালের মধ্যে এই ১৭ টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করা হবে।
উৎস: SDG ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• ICAO:
- ICAO-এর পূর্নরূপ: International Civil Aviation Organization.
- এটি জাতিসংঘের বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি ১৯৪৪ সালে Provisional International Civil Aviation Organization (PICAO) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ৩ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা।
- প্রেসিডেন্ট: সালভাতোর সিয়াচিটানো।
- সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপদ এবং সুশৃঙ্খল রাখতে এই সংস্থা কাজ করে।
উল্লেখ্য,
- ২০২২-২০২৫ সালের জন্য ICAO-এর কাউন্সিল সদস্য ৩৬টি।
তথ্যসূত্র: ICAO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- UNIDO জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা, যা শিল্প উন্নয়নের প্রচার, সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং ত্বরান্বিত করার অনন্য ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করে।
- UNIDO-এর ম্যান্ডেট প্রতিফলিত হয় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) 9-এ:"টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্পায়নকে এগিয়ে নেওয়া, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং স্থিতিশীল অবকাঠামো নির্মাণ।"
- UNIDO-এর কার্যক্রম টেকসই উন্নয়নের সকল লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখে।
- মহাপরিচালক: গার্ড মুলার (১০ ডিসেম্বর ২০২১ থেকে)।
- সদস্য রাষ্ট্র: ৪ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত ১৭৩টি রাষ্ট্র।
- সদর দফতর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
• UNIDO তার ১৭৩ সদস্য রাষ্ট্রকে চারটি প্রধান কার্যক্রমের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করে:
- প্রযুক্তিগত সহযোগিতা।
- গবেষণা ও নীতি পরামর্শ সেবা।
- মানদণ্ড সংক্রান্ত কার্যক্রম।
- জ্ঞান ও প্রযুক্তি স্থানান্তরে অংশীদারিত্ব।
উল্লেখ্য,
- UNIDIR হল জাতিসংঘের মধ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যা নিরস্ত্রীকরণ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাধীন গবেষণা পরিচালনা করে।
- UNWTO (বর্তমানে UN Tourism) দায়িত্বশীল, টেকসই এবং সর্বজনীনভাবে অ্যাক্সেসযোগ্য পর্যটনের প্রচারের দায়িত্ব নেয়।
- UNICEF সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য এবং প্রতিটি শিশুর অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করে।
উৎস: UNIDO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা সম্মেলন হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠন করা, যা যুদ্ধ এবং সংঘাত প্রতিরোধ করবে এবং বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখবে।
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে এবং তারা জাতিসংঘের সংবিধান বা চার্টার অনুমোদন করে।
- এই সম্মেলনে প্রধানভাবে মিত্র শক্তি ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে।
- যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল: যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্র জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন করে এবং একে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- এর ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে জন্ম হয় জাতিসংঘের।
- সেজন্য ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘের জন্ম দিনকে সারা বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- জাতিসংঘ নামটি প্রথমবারের মতো সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট দ্বারা প্রস্তাবিত হয়েছিল।
তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দেশগুলিকে সংঘাত থেকে শান্তির দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করার জন্য একত্রিত হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।
- ৭৭ বছরের সেবা এবং ত্যাগের মাধ্যমে প্রতীকী "ব্লু হেলমেট" সংঘাতে আটকে পড়া লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
- ১৯৮৮ সালে নোবেল শান্তি পুরষ্কারে ভূষিত হয় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন।
- ১৯৪৮ সাল থেকে শান্তিরক্ষীরা ৭০টিরও বেশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কাজ করেছেন।
- বর্তমানে ৬৮,০০০ এরও বেশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী ১১টি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সামরিক, পুলিশ এবং বেসামরিক কর্মী হিসেবে কাজ করে।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- World Trade Organization (WTO) এর বর্তমান সপ্তম মহাপরিচালক হলেন নাইজেরিয়ার নাগরিক এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।
- তিনি সংস্থাটির প্রথম নারী ও প্রথম আফ্রিকান মহাপরিচালক।
- গত ১ মার্চ ২০২১ তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার মেয়াদ ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।
(তথ্যসূত্রঃ WTO ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ শিল্পোন্নয়ন সংস্থা হলো UNIDO (United Nations Industrial Development Organization)।
- এর সদরদপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
- ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭০টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক গার্ড মুলার (১০ ডিসেঃ ২০২১)
- WIPO -এর মহাপরিচালক ডেরেন ট্যাং।
তথ্যসূত্র- UNIDO এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাবটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নভেম্বর ১৯৫০ সালে গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদ কোনো স্থায়ী সদস্যের ভেটোর কারণে ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদকে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেয়।
- প্রস্তাব অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদ জরুরি বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করতে পারে।
- এই অধিবেশনে শান্তির জন্য সম্মিলিত পদক্ষেপের সুপারিশ করা যায়, প্রয়োজনে সশস্ত্র শক্তি ব্যবহারের কথাও বলা যেতে পারে।
- যদিও সাধারণ পরিষদের সুপারিশগুলো বাধ্যতামূলক নয়, তবে এটি নিরাপত্তা পরিষদের অচলাবস্থা কাটিয়ে জাতিসংঘকে পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেয়।
- এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সাধারণ পরিষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমিক ভূমিকা নিশ্চিত হয়।
প্রেক্ষাপট:
- শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাবটি কোরিয়ান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে গৃহীত হয়েছিল।
- ১৯৫০ সালের জুনে উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণ করে, যার ফলে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ রেজোলিউশন ৮৩ গ্রহণ করে, যা দক্ষিণ কোরিয়াকে সামরিক সহায়তার অনুমতি দেয়।
- তৎকালীন সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন নিরাপত্তা পরিষদ বয়কট করায় প্রস্তাবটি ভেটো ছাড়াই পাস হয়।
- তবে, পরবর্তীতে স্থায়ী সদস্যদের ভেটোর কারণে নিরাপত্তা পরিষদ কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়।
- এর ফলে ১৯৫০ সালের নভেম্বরে সাধারণ পরিষদ "ইউনাইটিং ফর পিস" প্রস্তাব গৃহীত করে।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদকে নিরাপত্তা পরিষদের অচলাবস্থায় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে- UNESCO.
- UNESCO হচ্ছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা।
- UNESCO এর পূর্ণরূপ- United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এর প্রধান কাজ হলো বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৬ নভেম্বর, ১৯৪৫ সালে চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- সদস্য দেশ - ১৯৪টি।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
তথ্যসূত্র - UNESCO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- UNOPS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Office for Project Services.
- এটি জাতিসংঘের প্রকল্প পরিষেবা অফিস।
- UNOPS মূলত UNDP-এর অংশ হিসাবে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে একটি স্বাধীন, স্ব-অর্থায়ন সংস্থা হয়ে ওঠে।
- সদর দপ্তর: কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
- বর্তমান মহাপরিচালক: জর্জ মোরেরা দা সিলভা। (মার্চ, ২০২৫)
- জাতিসংঘের প্রকল্প এবং চুক্তির মানকে একীভূত করার জন্য UNOPS তৈরি করা হয়েছিল।
- এটি বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে প্রকল্প সমর্থন করে।
তথ্যসূত্র - UNOPS ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
UNDP:
- UNDP এর পূর্ণরূপ: United Nations Development Programme.
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী বা UNDP জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা।
- জাতিসংঘের বহুমুখী কারিগরি ও প্রাক-বিনিয়োগ সহযোগিতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম এটি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ নভেম্বর, ১৯৬৫।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- উন্নয়নশীল দেশ সমূহে সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহার এবং সম্পদ আহরণে সাহায্য করা এই সংস্থার উদ্দেশ্য।
- প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এই সংস্থা আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
- HDI রিপোর্ট প্রকাশ করে UNDP।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের বৃহত্তম উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচি, UNDP একজন প্রশাসকের নেতৃত্বে থাকে।
- তিনি উন্নয়নশীল এবং উন্নত উভয় দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৩৬ সদস্যের নির্বাহী বোর্ডের তত্ত্বাবধান করেন।
- বর্তমান প্রশাসক: আচিম স্টেইনার।
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (United Nations Security Council বা UNSC) হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
উল্লেখ্য,
⇒ জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে,
- জাতিসংঘ সনদের ২৪ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের কাজ, দায়িত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৭ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের ভোটিং পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৮নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের কাজের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- পূর্ণ নাম: United Nations Development Programme.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬৫ সালে।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমানে ১৭০ দেশে ও অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- UNDP- এর সর্বোচ্চ কর্মকর্তাকে প্রশাসক বলা হয়।
- বর্তমান প্রশাসক: Achim Steiner (জার্মানি)।[ জুলাই, ২০২৫]
- স্লোগান / মিশন: "Empowered lives. Resilient nations."
• প্রধান কার্যক্রম:
- Human Development Reports (HDR):
- প্রতি বছর প্রকাশিত “মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন” ও Human Development Index (HDI)
- জাতিসংঘের Sustainable Development Goals (SDGs) অর্জনে সহায়তা প্রদান
- Inclusive Growth Programmes:
- নারী, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন
- নির্বাচন, নীতি প্রণয়ন, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস ও পরিবেশবান্ধব টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
প্রথম সংশোধন
১৯৬৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সনদের ২৩, ২৭ ও ৬১ নং অনুচ্ছেদগুলো (যথাক্রমে - নিরাপত্তা পরিষদ গঠন, নিরাপত্তা পরিষদের ভোটিং পদ্ধতি ও ECOSOC - এর গঠন) সংশোধন করা হয়। এই সংশোধন কার্যকর করা হয় ৩১ আগস্ট, ১৯৬৫ সাল থেকে। সংশোধন সমূহ নিচে দেওয়া হল -
▪ নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যার মধ্যে ৫টি স্থায়ী ও ১০টি ২ বছর মেয়াদে নির্বাচিত সদস্য।
▪ নিরাপত্তা পরিষদের ভোটিং পদ্ধতি সংশোধিত করে, কোন প্রস্তাব পাসের জন্য প্রয়োজনীয় ভোট সাত থেকে বাড়িয়ে নয় ভোট করা হয়।
▪ ECOSOC - এর সদস্য সংখ্যা ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২৭ করা হয়।
দ্বিতীয় সংশোধন
জাতিসংঘ সনদের দ্বিতীয়বার সংশোধন করা হয় - ২০ ডিসেম্বর, ১৯৬৫ এবং এই সংশোধন কার্যকর হয় - ১২ জুন, ১৯৬৮ সাল থেকে। এই সময় সনদের ১০৯ নং অনুচ্ছেদ যা - সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব পাশ, ভোটিং ও সাধারণ পরিষদের রিভিও সেশন সম্পর্কিত।
তৃতীয় সংশোধন
জাতিসংঘ সনদের তৃতীয় সংশোধনী আনা হয় ২০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে এবং তা কার্যকর হয় ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সাল থেকে।
▪ এই সময় আবার ৬১ নং অনুচ্ছেদ সংশোধিত করা হয় এবং ECOSOC - সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ২৭ থেকে ৫৪ করা হয়। বর্তমানে এই কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা ৫৪ এবং মেয়াদ ৩ বছর।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। বর্তমান মহাপরিচালক ব্রিটেনের গাই রাইডার।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
তথ্যসূত্র -ILO এবং নোবেল প্রাইজ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• ICC:
- ICC-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Court.
- ICC বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ (রোম সংবিধির মাধ্যমে)।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১ জুলাই, ২০০২।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর সদস্য: ১২৫টি। [ডিসেম্বর, ২০২৫]
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: তোমোকো আকানেকে (২০২৪-২০২৭ সাল)।
- প্রেসিডেন্সির সদস্যরা অবিলম্বে তিন বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন।
- যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা এবং আগ্রাসনের অপরাধ বিচার করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) তৈরি করা হয়েছিল।
- এটি সদস্য রাষ্ট্রের নাগরিকদের বা তাদের ভূখণ্ডে অন্য দেশের দ্বারা সংগঠিত অপরাধের বিচার করতে পারে।
উল্লেখ্য,
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে ইউক্রেন ICC-এর ১২৫তম দেশ হিসেবে যোগদান করছে।
তথ্যসূত্র: International Criminal Court ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
⇒ ECOSOC-এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট লোক বাহাদুর থাবা।
অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC):
- এই সংস্থাটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাজকর্মের সমন্বয় করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে।
- পরিষদের সদস্য সংখ্যা ৫৪টি।
- প্রথম দিকে এই সদস্য সংখ্যা ছিল ১৮টি।
- সদস্যরা ৩ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকে।
- প্রতিবছর ১৮টি সদস্য রাষ্ট্র তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয় এবং যে ১৮টি রাষ্ট্রের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হয়, তাদের স্থান পুরণ করে নতুন ১৮টি রাষ্ট্র।
- সংখ্যাগরিষ্ট ভোটে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তথ্যসূত্র - ECOSOC এর অফিশিয়াল সাইট।
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বিশ্বে ৪৫টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে।
LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- স্বল্পোন্নত দেশ হলো উন্নয়নশীল দেশগুলির একটি তালিকা যা জাতিসংঘের মতে, আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে জাতিসংঘ দুই শ্রেণিতে বিশ্বের সব দেশকে ভাগ করে থাকে।
- এগুলো হলো: উন্নয়নশীল ও উন্নত।
- উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে আবার যেসব দেশ তুলনামূলক দুর্বল, তাদের নিয়ে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা হয়।
- মূলত এসব দেশ যাতে নিজেদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারে, সে জন্য উন্নত দেশের পক্ষ থেকে উন্নয়নশীল দেশকে কিছু বাজার সুবিধা দেওয়া হয়।
- এর মধ্যে অন্যতম শুল্কমুক্ত পণ্য রপ্তানির সুবিধা।
- এলডিসি সম্মেলনের সূত্রপাত হয় ১৯৮১ সালে।
- প্রতি ১০ বছর অন্তর এই সম্মেলন হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৫টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে।
- সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ LDC থেকে বের হবে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• ২০২৪ সাল:
- আন্তর্জাতিক ক্যামেলিড বর্ষ (International Year of Camelids).
• ২০২৫ সাল:
- আন্তর্জাতিক শান্তি ও আস্থার বছর (International Year of Peace and Trust).
- আন্তর্জাতিক হিমবাহ সংরক্ষণ বর্ষ (International Year of Glaciers' Preservation).
- আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ (International Year of Cooperatives).
• ২০২৬ সাল:
- International Year of Rangelands and Pastoralists.
- International Year of Volunteers for Sustainable Development.
- নারী-কৃষকদের আন্তর্জাতিক বর্ষ (International Year of the Woman Farmer).
• ২০২৭ সাল:
- International Year of Sustainable and Resilient Tourism.
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
▪ সচিবালয় বা সেক্রেটারিয়েট জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক বিভাগ। জাতিসংঘের দৈনন্দিন কার্যক্রম এই অঙ্গসংস্থা থেকে পরিচালিত হয়। মহাসচিব জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা। মহাসচিবের অধীনে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচিত কর্মচারীদের নিয়ে সচিবালয় পরিচালিত হয়ে থাকে।
▪ জাতিসঘের সদর দপ্তর অবস্থিত নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
▪ নিউ ইয়র্কে সদরদপ্তরের বাইরে জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস রয়েছে — জেনেভা, নাইরোবি ও ভিয়েনাতে।
▪ জাতিসংঘ ১৫—তম অধ্যায়ে (৯৭ — ১০১ নং অনুচ্ছেদ) জাতিসংঘ সচিবালয় সম্পর্কে আলকপাত করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- WMO ১৯৫০ সালের ২৩শে মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫১ সালে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- WMO এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট গেরহার্ড আড্রিয়ান এবং মহাসচিব পেত্তেরি তালাস।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ২৪ আগস্ট WMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
(তথ্যসূত্র: WMO ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
UNIDO:
- UNIDO-এর পূর্ণরূপ- United Nations Industrial Development Organization বা জাতিসংঘের শিল্পোন্নয়ন সংস্থা।
- এটি শিল্পায়ন নিয়ে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৯৬৬ সালে।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৩টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক: গের্ড মুলার।
⇒ UNIDO জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ২১ জুন, ১৯৮৫ সালে।
উৎস: UNIDO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
IMF এর পূর্ণরূপ International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। ব্রেটন উডস্ সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের পাশাপাশি আরেকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয় যার নাম IMF।
⤇ IMF - এর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিলো - আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার (International Monetary System) একটি স্থায়ী পদ্ধতি প্রণয়ন করা এবং সেই উদ্দেশ্যে মুদ্রা বিনিময় হার নির্ধারণ এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজে প্রক্রিয়াকরণে সহায়তা করা।
⤇ বর্তমানে, এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সহায়তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করা, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উন্নয়ন এবং সদস্যদের বাণিজ্য ঘাটতি দূরীকরণে সম্পদ ও পুঁজি (resources) ব্যবহারে পরামর্শ দান ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
➣ এক নজরে IMF -
IMF - গঠনের সিদ্ধান্ত - ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা - ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
কার্যক্রম শুরু - মার্চ, ১৯৪৭ সাল
সদস্য - ১৮৯টি দেশ (সর্বশেষ সদস্য - নাউরু)
সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র
উৎসঃ Live MCQ Content (Upcoming)
ব্যাখ্যা
⇒ জার্মান জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি। যথা:
• ইংরেজি,
• চীনা,
• স্প্যানিশ,
• ফরাসি,
• রুশ ও
• আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।
এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ব্যাখ্যা
- সামুদ্রিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ কাজ করে।
• IMO:
- IMO এর পূর্ণরূপ International Maritime Organization.
- IMO হলো সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ৬ মার্চ জেনেভায় একটি কনভেনশন গৃহিত হয়।
- যা ১৭ মার্চ ১৯৫৮ কার্যকর হয়।
- শুরুতে এর নাম ছিলো Inter-governmental Maritime Consultative Organisation (IMCO)
- ১৯৫৯ সালের ১৩ জানুয়ারি এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- সদর দপ্তর : লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৬টি। (জুলাই, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
• IMO-এর উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম:
- SOLAS:- সমুদ্রযাত্রায় প্রাণ রক্ষার নিরাপত্তা,
- MARPOL: - সামুদ্রিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ,
- STCW – নাবিকদের প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা নির্ধারণ,
উৎস: IMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের তহবিল ও প্রোগ্রাম (Funds and Programmes)
জাতিসংঘের অধীনস্ত তহবিল ও প্রোগ্রামের সংখ্যা মোট ৬টি।
যথা -
১. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা United Nations Development Programme (UNDP)
২. জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী বা United Nations Environment Programme (UNEP)
৩. জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বা United Nations Population Fund (UNFPA)
৪. জাতিসংঘ মানব নিষ্পত্তি কর্মসূচী বা United Nations Human Settlements Programme (UN - Habitat)
৫. জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা United Nations Children’s Fund (UNICEF) এবং
৬. বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী বা World Food Programme (WFP)
সূত্রঃ www.un.org
ব্যাখ্যা
- ITU-এর পূর্ণরূপ: International Telecommunication Union.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ই মে, ১৮৬৫।
- এটি বর্তমানে অস্তিত্বশীল সবথেকে পুরানো সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যেখানে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও সেবার ক্ষেত্রে সরকারি ও ব্যক্তি খাতের সমন্বয় সাধিত হয়।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ১৯৪৭ সালে।
- এর সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
উল্লেখ্য,
- ITU এর প্রতিষ্ঠার তারিখ ধরে প্রতিবছর ১৭ মে 'ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন এন্ড ইনফরমেশন সোসাইটি ডে' পালিত হয়।
উৎস: ITU ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা, এবং জড়িত ব্যক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল পুরস্কার পেয়েছে।
- জাতিসংঘের মহাসচিব দুইজন, তাদের মধ্যে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (১৯৬১) এবং কফি আনান (২০০১) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- জাতিসংঘের সাথে যুক্ত অঙ্গসংস্থা যেগুলি নোবেল পুরস্কার পেয়েছে:
- UNHCR একমাত্র ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে মোট ২ বার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে।
- UNICEF → ১৯৬৫ সালে।
- ILO → ১৯৬৯ সালে।
- UN Peacekeeping Forces → ১৯৮৮ সালে।
- IAEA → ২০০৫ সালে।
- IPCC → ২০০৭ সালে।
- OPCW → ২০১৩ সালে।
- WFP → ২০২০ সালে।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং নোবেল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
UNICEF
- পূর্ণরূপ: United Nations Children's Fund (জাতিসংঘ শিশু তহবিল)।
- প্রতিষ্ঠা: ১১ ডিসেম্বর ১৯৪৬ সালে।
- সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান উদ্দেশ্য: শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং শিশু অধিকার প্রচার।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯০টি দেশে কার্যক্রম [জানুয়ারি,২০২৬]
- বর্তমান প্রধান নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল।
• প্রধান কার্যক্রম:
- স্বাস্থ্য ও পুষ্টি: টিকাদান, পুষ্টি উন্নয়ন, এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদান।
- শিক্ষা: সব শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা।
- সুরক্ষা: শিশু শ্রম, নির্যাতন, এবং শোষণ প্রতিরোধ।
- জরুরি সহায়তা: দুর্যোগ ও সংঘাতে শিশুদের জন্য ত্রাণ সরবরাহ।
• গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম:
- Child-Friendly Cities Initiative: শিশু-বান্ধব শহর পরিকল্পনা।
- Global Alliance for Vaccines and Immunization (GAVI): টিকাদান প্রচার।
- WASH (Water, Sanitation, and Hygiene): পানি, স্যানিটেশন, এবং স্বাস্থ্যবিধি প্রকল্প।
- Generation Unlimited: যুবকদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন।
উৎস: UNICEF ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- এটি সাধারণ পরিষদের অধীনে গঠিত একটি সংস্থা যা অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলো ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণে কাজ করে।
- এটির সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫।
- UNCTAD শীর্ষ সম্মেলন প্রতি চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তী ১৫তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ২০২১ সালের ৩-৭ অক্টোবর বার্বাডোসের ব্রিজটাউনে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।
- মহাসচিব - রেবেকা গ্রিন্সপান। তিনি ১১ জুন, ২০২১ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ UNCTAD ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
▪ CTBT এর পূর্ণরূপ Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
▪ এই চুক্তির উদ্দেশ্য হল সামরিক- বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ ।
▪ ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এই চুক্তি গৃহীত হয়।
▪ বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৪-তম অনুমোদনকারী দেশ।
তথ্যসূত্র:- CTBTO এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনেও জাতিসংঘ সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করেছিল।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর দেশের বিপুল সংখ্যক উদ্বাস্তর সাহায্যকল্পে ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে জাতিসংঘ মানবিক তৎপরতা শুরু করে।
- সরকারি ও বেসরকারি সাহায্য সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশে জাতিসংঘের উদ্বাস্তু কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
উৎস- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু সংকট মোকাবিলা করা:
- একটি ক্রমবর্ধমান জরুরি চ্যালেঞ্জ হলো জাহাজ চলাচল থেকে ক্ষতিকর (GHG) গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন মোকাবিলা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তন আইএমও (IMO) জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ১৩-কে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।
- এবং এর প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া যা ২০১৫-এর প্যারিস চুক্তির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা বিশ্ব উষ্ণায়ন সৃষ্টিকারী GHG নির্গমন কমানোর জন্য।
• IMO:
- IMO এর পূর্ণরূপ International Maritime Organization.
- IMO হলো সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ৬ মার্চ জেনেভায় একটি কনভেনশন গৃহিত হয়।
- যা ১৭ মার্চ ১৯৫৮ কার্যকর হয়।
- শুরুতে এর নাম ছিলো Inter-governmental Maritime Consultative Organisation (IMCO)
- ১৯৫৯ সালের ১৩ জানুয়ারি এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- সদর দপ্তর : লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৬টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
উৎস: IMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- WHO জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।
উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- The UN Preparatory Commission, in a 1945 report, stated that the department of Conference Services would include … a library with research and reference facilities.
- In 1959, the Ford Foundation gave an award of $6.2 million to the United Nations toward the construction of a new Library building in New York to replace the Library’s inadequate space.
- On 16 November 1961, shortly after the death of Secretary-General Dag Hammarskjöld, the newly-completed building was named the Dag Hammarskjöld Library in honour of his commitment to the creation of a beautiful and modern space for the Library.
Source:- UN Website.
ব্যাখ্যা
- United Nations Environment Programme (UNEP) হলো জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের ৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোম শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন United Nations Conference on the Environment এর ফলশ্রুতিতে UNEP প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এটির সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবি শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান ডিরেক্টর জেনারেল ডেনমার্কের ইনগার অ্যান্ডাসন।
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ ও এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- জাতিসংঘের ২ জন মহাসচিব নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- জাতিসংঘ মহাসচিব থাকাকালীন কঙ্গো সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও জাতিসংঘকে একটি কার্যকরী বৈশ্বিক লাভ করে।
- ১৯৬১ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নত শান্তিপূর্ণ বিশ্ব নিশ্চিৎকরণে অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘ ও কফি আনান ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক লাভ করেন - ৪২টি দেশের ১১৭ জন শান্তিরক্ষী।
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকপ্রাপ্ত দুইজন বাংলাদেশী হলেন - লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম মাহমুদুল হাসান এবং ল্যান্স কর্পোরাল মো. রবিউল মোল্লা।
The Secretary-General established the Dag Hammarskjöld medal for posthumous award to members of peacekeeping operations who lost their lives during service with a peacekpeeping operation under the operational control and author- ity of the United Nations.
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২, জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী বা World Food Programme
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) জাতিসংঘ (UN) দ্বারা বিশ্ব ক্ষুধা দূরীকরণে সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- সংস্থাটি বিশ্বের ৮৮টি দেশে প্রায় ১০ কোটি মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে।
- WFP ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির সদরদপ্তর ইতালির রোম শহরে অবস্থিত।
- ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছে WFP (World Food Programme) বা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।
- বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণে অবদানের জন্যে WFP কে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।
তথ্যসূত্র - WFP ও নোবেল পুরস্কার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা সম্মেলন হিসেবেও পরিচিত।
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল - ২৬ জুন পর্যন্ত সান ফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশক্তির মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
⇒ এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠন করা, যা যুদ্ধ এবং সংঘাত প্রতিরোধ করবে এবং বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখবে। সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে এবং তারা জাতিসংঘের সংবিধান বা চার্টার অনুমোদন করে।
- এই সম্মেলনে প্রধানভাবে মিত্র শক্তি বা Allied Powers-এর ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল: যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্র জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন করে এবং একে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে জন্ম হয় জাতিসংঘের।
- সেজন্য ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘের জন্ম দিনকে সারা বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
⇒ জাতিসংঘের নামকরণ:
- জাতিসংঘ (United Nations) নামটি প্রথমবারের মতো সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট দ্বারা প্রস্তাবিত হয়েছিল।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- IFC ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৮৫টি।
- IFC এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তিতে কাজ করে ICSID।
- MIGA বহুপাক্ষিক বিনিয়োগে গ্যারান্টি প্রদান করে থাকে।
- IDA উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে।
(তথ্যসূত্রঃ IFC ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
⇨ ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
⇨ বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ২৬টি দেশের নেতারা এতে অংশ নেন। এরা হলেন -
▪ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
▪ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন চার্চিল
▪ সোভিয়েত প্রতিনিধি ম্যাক্সিম লিটভিনভ এবং
▪ চীনের প্রধানমন্ত্রী টি.ভি সং তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
⇨ তারা এক ছোট ডকুমেন্ট স্বাক্ষর করেন যা ‘Declaration of The United Nations’ নামে পরিচিত। এতে পরে সম্মেলনে উপস্থিত ২৬ দেশের প্রধান/প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন।
⇨ এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো “জাতিসংঘ (United Nations)” - এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।
তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
[সূত্রঃ UN ওয়েবসাইট]
ব্যাখ্যা
- আবহাওয়া বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হলো WMO.
- WMO এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- World Meteorological Organization.
- WMO ১৯৫০ সালের ২৩শে মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫১ সালে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ২৪ আগস্ট WMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
===========================
অন্যদিকে,
- IMO হলো আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল বিষয়ক সংস্থা।
- WIPO হলো বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- UNWTO হলো পর্যটন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
উৎস: WMO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
UNICEF এর পূর্ণরূপ the United Nations Children's Fund. এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল।
নাম সংক্রান্ত একটু ঝামেলা আছে। UNICEF এর অফিসিয়াল লেখাটা পড়ে নিন -
UNICEF was established on 11 December 1946 by the United Nations to meet the emergency needs of children in post-war Europe and China. Its full name was the United Nations International Children's Emergency Fund.
In 1950, its mandate was broadened to address the long-term needs of children and women in developing countries everywhere. UNICEF became a permanent part of the United Nations system in 1953, when its name was shortened to the United Nations Children's Fund.
However, UNICEF retained its original acronym.
অর্থাৎ, প্রথমে নাম ছিল United Nations International Children's Emergency Fund, পরে নামকে আরো সংক্ষিপ্ত করে হয় United Nations Children's Fund.
কিন্তু নাম সংক্ষিপ্ত করলেও acronym টা ধরে রেখেছে। অর্থাৎ acronym এর কোন পরিবর্তন হয়নি।
জেনে রাখা ভালোঃ
Acronym, initialism এবং abbreviation এর মধ্যে সামান্য প্রার্থক্য আছে। নিচের সংজ্ঞা গুলো দেখুনঃ
Acronym: The word acronym refers only to terms based on the initial letters of their various elements and read as single words.
Initialism: Initialism refers to terms read as a series of letters.
AIDS is an acronym, while HIV is an initialism.
When we abbreviate a word or phrase, we shorten it. Abbreviations can be formed from the first letters of the word or phrase. In such cases, we normally say them by spelling out each letter.
Personal Computer- PC
World Health Organisation- WHO
For some written abbreviations, individual letters or sounds from the word are used, although the word is always said in full:
Doctor- Dr,
Mister- Mr etc.
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা চেয়ে তারবার্তা পাঠিয়েছিলেন তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব উথান্টের কাছে।
- সে সময়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির ঢাকাস্থ প্রতিনিধির সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠকও করেছিলেন তাঁরা।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষের উপর যে গণহত্যা সংঘঠিত হয়, তা সারা বিশ্বে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে সেদিন জাতিসংঘ মহাসচিব উথান্ট এই গণহত্যাকে নিন্দা করে একে ‘মানব ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়' বলে অভিহিত করেছিলেন।
সূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে এসডিজি বা এজেন্ডা ২০৩০ গৃহীত হয়।
- এসডিজির ১৭টি অভীষ্ট রয়েছে, যার মধ্যে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১৬৯টি।
- ১৭টি অভীষ্ট নিম্নরূপ:
১. সর্বত্র সকল ধরনের দারিদ্রের অবসান,
২. ক্ষুধা নিবারণ, খাদ্য নিরাপত্তা, সুষম পুষ্টি ও টেকসই কৃষি,
৩. সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতা,
৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. সবার জন্য স্যানিটেশন ও সুপেয় পানি,
৭. সাশ্রয়ী নির্ভরযোগ্য, টেকসই, আধুনিক ও দূষণমুক্ত জ্বালানি,
৮. স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এবং শোভন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো,
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই নগর ও সম্প্রদায়,
১২. দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন নিশ্চিতকরণ,
১৩. জলবায়ু বিষয়ক বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় জরুরী পদক্ষেপ,
১৪. জলজ জীবনমান উন্নয়ন,
১৫. স্থলে জীবনমান উন্নয়ন,
১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ,
১৭. টেকসই উন্নয়নের জন্য অংশীদারিত্ব।
উৎস: জাতিসংঘ বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের ৫টি স্থায়ী দেশের ভেটো দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে
• ভেটো ক্ষমতা:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৫টি এবং অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা ১০টি।
- স্থায়ী সদস্যগুলো হলো- যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া ও চীন।
- তাদের প্রত্যেকের আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা ইস্যুতে 'ভেটো' প্রদানের ক্ষমতা আছে।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের প্রতীক নকশা :
- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সংস্থার সম্মেলনের সময় ডিজাইনারদের একটি দল জাতিসংঘের মূল প্রতীকটি তৈরি করেছিল। - নকশা দলের নেতৃত্বে ছিলেন অলিভার লিংকন লুন্ডকুইস্ট।
⇒ জাতিসংঘের প্রতীকটি "উত্তর মেরুর উপর কেন্দ্রীভূত একটি আজিমুথাল সমদূরবর্তী প্রক্ষেপণকে প্রতিনিধিত্ব করে এমন একটি মানচিত্র হিসাবে ডিজাইন করা হয়েছিল, যা জলপাই গাছের ক্রস করা প্রচলিত শাখাগুলির সমন্বয়ে গঠিত একটি পুষ্পস্তবকের মধ্যে খোদাই করা হয়েছিল, ধোঁয়াটে নীল রঙের একটি মাঠে সোনালী রঙে এবং সমস্ত জল অঞ্চল সাদা রঙে।
- মানচিত্রের প্রক্ষেপণটি ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং পাঁচটি সমকেন্দ্রিক বৃত্ত অন্তর্ভুক্ত করে"।
- "জাতিসংঘের নীল" রঙটিও এই সময়ে বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং এটি সংস্থার চাক্ষুষ পরিচয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। নীল রঙ যুদ্ধের জন্য লালের বিপরীতে শান্তির প্রতিনিধিত্ব করে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
UN-HABITAT:
- এর পূর্ণরূপ: United Nations Human Settlements Programme.
- UN-HABITAT জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা,
- যা টেকসই নগরায়ন ও মানব বসতির উন্নয়ন এর জন্য কাজ করে।
- এর লক্ষ্য হলো সব মানুষের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, স্বাস্থ্যকর এবং স্থায়ী বসতি নিশ্চিত করা।
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৭৮ (বিশ্ব মানব বসতি সম্মেলনের পর)
- আগের নাম: UN Centre for Human Settlements (UNCHS)
- বর্তমান নাম: ২০০২ সাল থেকে UN-HABITAT নামে পরিচিত
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
• মূল লক্ষ্য ও কাজ:
- নগরায়নের টেকসই নীতি ও পরিকল্পনা তৈরি এবং বাস্তবায়ন।
- শহরগুলোর উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণ।
- সাশ্রয়ী ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা।
উৎস: UN-HABITAT ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- CEDAW-এর পূর্ণরূপ: Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women.
- নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য প্রতিরোধ কনভেনশন বা CEDAW।
- গৃহীত হয়: ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮১।
- বর্তমান চেয়ারপারসন: আনা পেলেজ নারভেজ।
⇒ CEDAW সনদে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। অনুচ্ছেদ ৩ ভাগে বিভক্ত। যথা:
- প্রথম ভাগ (১-১৬): নারী পুরুষের সমতা সর্ম্পকিত,
- দ্বিতীয় ভাগ (১৭-২২): এর কর্মপন্থা ও দায়িত্ব বিষয়ক,
- তৃতীয় ভাগ (২৩-৩০): প্রশাসনিক বিষয়।
⇒ CEDAW কমিটিতে সারা বিশ্ব থেকে নারী অধিকার সংক্রান্ত ২৩ জন বিশেষজ্ঞ রয়েছে।
- এই কনভেনশন গৃহ নির্যাতন, প্রজনন, আইনগত, রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সমমর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
এছাড়াও,
- ৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক CEDAW দিবস।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্য স্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।
এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ব্যাখ্যা
• United Nations Convention against Cyber Crime:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে নিউ ইয়র্কে Resolution 79/243- এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ সংক্রান্ত কনভেনশন গ্রহণ করে।
- কনভেনশনটি ২৫ অক্টোবর ২০২৫ সালে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে একটি আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত করা হয়।
- এটি নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত স্বাক্ষরের জন্য খোলা হয়।
উদ্দেশ্য:
- এই কনভেনশন হলো সাইবার অপরাধ নিয়ে প্রথম বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত চুক্তি, যা রাষ্ট্রগুলোকে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ প্রদান করে।
- কনভেনশনটি বিশ্বের দেশগুলোকে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
এটিকে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ বিবেচনা করা হয়। সব প্রক্রিয়া শেষে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত হলেন জাতিসংঘ মহাসচিব কর্তৃক নিযুক্ত একজন বিশেষ প্রতিনিধি।
- তিনি মিয়ানমারের রাজনৈতিক, মানবাধিকার ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করেন।
- বর্তমানে জুলি বিশপ জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। [মার্চ, ২০২৫]
- জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ৫ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে জুলি বিশপকে মিয়ানমারের জন্য তার বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য,
- জুলি বিশপ ২০১৩-২০১৮ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন ।
- তিনি ১৯৯৮-২০১৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের সদস্য ছিলেন।
সম্প্রতি,
- জুলি বিশপ বাংলাদেশ সফরে আসেন।
- মহাসচিবের বিশেষ দূত হওয়ার পর এটি বাংলাদেশে তার প্রথম সফর।
- বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট, জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। [link]
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (নভেম্বর, ২০২৪)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (নভেম্বর, ২০২৪)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
তথ্যসূত্র- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
UNDP ও OECD এর রিপোর্ট অনুসারে,
-১০০% শিক্ষার (১৫ বছরের বেশি) রয়েছে কয়েকটি দেশে।
- এস্তোনিয়া,
- কানাডা,
- অস্ট্রিয়া,
- ফিনল্যান্ড,
- জাপান,
- ইসরায়েল,
- দক্ষিণ কোরিয়া।
উৎস:-UNDP ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলি (নরওয়ে)।
- জাতিসংঘের মহাসচিব ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের বর্তমান ও নবম মহাসচিব - আন্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল) জানুয়ারি, ২০১৭ - বর্তমান।
- জাতিসংঘের দুইজন মহাসচিব নোবেল পুরস্কার পান।
- নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত মহাসচিবরা হলেন - দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (১৯৬১) ও কফি আনান (২০০১)।
- বান কি মুন জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব।
- ১৯৯৭ সালে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকান হিসেবে জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব নিযুক্ত হন কফি আনান।
অন্যদিকে,
- দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন দ্যাগ হ্যামারশোল্ড।
- ১৯৬১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আফ্রিকার জাম্বিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
- তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন মিয়ানমারের উ থান্ট।
- তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন।
- চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম।
উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
- WTO এর পূর্ণরূপ World Trade Organization.
- WTO বিশ্বের একমাত্র আন্তর্জাতিক সংস্থা যা দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যের নিয়মগুলি নিয়ে কাজ করে।
- যাত্রা শুরু করে: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি। (জুন, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: আফগানিস্তান।
- দেশটি ২০১৬ সালের ২৯ জুলাই সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৯৫ সালে।
তথ্যসূত্র - WTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬ তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে ১৯৮৮ সালে (ইউনিমগ) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদযাত্রা শুরু।
- ২০০৯ সাল থেকে সশস্ত্র বাহিনীর নারী সদস্যরা জাতিসংঘ মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছেন।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে 'জুডিশিয়াল এক্সপার্ট' হিসেবে প্রথমবারের মতো ৪জন বাংলাদেশী নারী বিচারক নিয়োগ পান।
- এই চার নারী বিচারক হলেন:
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেবুন্নাহার আয়শা,
• জামালপুরের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ লুবনা জাহান,
• আইন মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত যুগ্ম জেলা জজ আফসানা আবেদীন এবং
• টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম নওরিন মাহবুবা।
- তাদের মধ্যে তিনজন দক্ষিণ সুদানে অবস্থিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এবং অন্যজন সোমালিয়ায় অবস্থিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দেবেন।
উৎস: যুগান্তর, ০৭ মার্চ, ২০২১।
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশও ২৬ জানুয়ারি সাক্ষর করে এতে এবং ৩ আগস্ট এটা অনুমোদন করে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নে অঙ্গীকার নেয় ৩ আগস্ট।
Source: UN Treaties
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি - ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।
উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ ও এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- জাতিসংঘের ২ জন মহাসচিব কফি আনান ও দ্যাগ হ্যামারশোল্ড নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- জাতিসংঘ মহাসচিব থাকাকালীন কঙ্গো সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও জাতিসংঘকে একটি কার্যকরী বৈশ্বিক লাভ করে।
- ১৯৬১ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নত শান্তিপূর্ণ বিশ্ব নিশ্চিৎকরণে অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘ ও কফি আনান ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।