PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
জাতিসংঘ ও জাতিসংঘ বিষয়ক তথ্য
জাতিসংঘ ও জাতিসংঘ বিষয়ক তথ্য
PrepBank · পাতা ৩ / ২৫ · ২০১–৩০০ / ২,৪৬৩
ব্যাখ্যা
IOM:
- আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা IOM.
- IOM পূর্ণরূপ INTERNATIONAL ORGANIZATION FOR MIGRATION.
- সংস্থাটি ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদস্য ১৭৫টি দেশ এবং পর্যবেক্ষক - ৮টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সংস্থাটির প্রথম মহিলা মহাসচিব অ্যামি ই. পোপ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
তথ্যসূত্র - IOM অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• WMO:
- WMO-এর পূর্ণরূপ: World Meteorological Organization বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ২৩ মার্চ, ১৯৫০।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৭ মার্চ, ১৯৫১।
- WMO এর বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- সংস্থাটির মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো (আর্জেন্টিনা)।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ২৪ আগস্ট WMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
তথ্যসূত্র: WMO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: আনালেনা বায়েরবোক( জার্মানি)।( সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে।
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি — হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী।
উৎস: UN General Assembly, DW News।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও উ-থান্ট:
- মিয়ানমারের উ-থান্ট জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব।
- এশিয়া মহাদেশ থেকে নির্বাচিত জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব উ-থান্ট।
- তার সময়কাল: ১৯৬১-৭১ সাল পর্যন্ত।
- উ-থান্ট বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধচলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন।
অন্যদিকে,
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভেলি।
- জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন সুইডেনের দ্যাগ হ্যামারশোল্ড। তিনি বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান ১৯৬১ সালে।
- জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম। তার সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের বর্তমান ও নবম মহাসচিব পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেস।
- মেয়াদকাল: জানুয়ারি, ২০১৭ - বর্তমান।
- সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয় মহাসচিব নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে।
- মহাসচিবের মেয়াদ – ৫ বছর। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা এটি আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
WHO:
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।
সূত্র: WHO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয়- জার্মান ভাষা।
• জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
- ১৯৪৫ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় এগুলি জাতিসংঘ সনদের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
⇒ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি:
• আরবি,
• চীনা,
• ইংরেজি,
• ফরাসি,
• রুশ,
• স্প্যানিশ।
• জাতিসংঘের কার্যকারী ভাষা দুটি:
- ইংরেজি।
- ফরাসি।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- UNHCR এর বর্তমান ১১তম হাইকমিশনার হলেন ইতালির নাগরিক ফিলিপ্পে গ্রান্ডি।
- প্রথম হাইকমিশনার ছিলেন নেদারল্যান্ডের গেরিথ জন ভন হুভান (১৯৫১-৫৬)।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘ মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে ২০০৫-২০১৫ খ্রি. সময়ে UNHCR এর হাইকমিশনার ছিলেন।
- UNHCR (United Nations High Commissioner for Refugees) হলো জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক এজেন্সি।
- এটি ১৯৫০ সালের ১৪ অক্টোবর গঠিত হয়।
- এটির সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
- UNHCR বর্তমানে বিশ্বের ১৩২টি দেশে কাজ করছে।
- UNHCR ১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ UNHCR ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
1. Each member of the Security Council shall have one vote.
2. Decisions of the Security Council on procedural matters shall be made by an affirmative vote of nine members.
3. Decisions of the Security Council on all other matters shall be made by an affirmative vote of nine members including the concurring votes of the permanent members; provided that, in decisions under Chapter VI, and under paragraph 3 of Article 52, a party to a dispute shall abstain from voting. Source: UN.org
ব্যাখ্যা
- ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে ILO প্রতিষ্ঠিত হয়।
ILO:
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) হলো শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ International Labour Organization।
- ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে ILO প্রতিষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর এটি জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- সংস্থার সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত এবং বর্তমানে এর ১৮৭টি সদস্যরাষ্ট্র রয়েছে।
- শ্রমিকদের অধিকার ও কর্মসংস্থানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য ১৯৬৯ সালে ILO নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO-এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ২০২৪ সালের জুনে ১১২তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে:
- জেনেভা কনভেনশন (Geneva Convention) - এটি যুদ্ধবন্দী ও মানবাধিকার সংরক্ষণের জন্য স্বাক্ষরিত চুক্তি।
- মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol) - এটি পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য ওজোন স্তর রক্ষায় গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ব্রেটন উডস চুক্তি (Bretton Woods Agreement) - এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক ও IMF প্রতিষ্ঠিত হয়।
সূত্র: ILO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• UNFPA:
- সংস্থাটি ১৫০টি দেশে কাজ করে থাকে।
- UNFPA এর পূর্ণরূপ- United Nations Population Fund.
- UNFPA হল জাতিসংঘের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সংস্থা।
- UNFPA আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল নামে পরিচিত।
- সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর - নিউইয়র্ক।
তথ্যসূত্র: UNFPA ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- UNESCO-এর পূর্ণরূপ: The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এটি হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।
- ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর UNESCO এর সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর।
- সদরদপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- বর্তমান মহাপরিচালক: আদ্রে আজুলে (ফ্রান্স)।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে ইউনেস্কো।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোতে যোগ দেয়।
- বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
- বাংলাদেশের পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
League of Nations, an organization for international cooperation established on January 10, 1920, at the initiative of the victorious Allied powers at the end of World War I.
The League was formally disbanded on April 19, 1946; its powers and functions had been transferred to the nascent United Nations.
The League of Nations was headquartered in Geneva, Switzerland.
Source: Encyclopedia Britannica and history.state.gov
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ‘UNIFIL:
- জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন The United Nations Interim Force in Lebanon সংক্ষেপে ‘UNIFIL’ ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয়।
- প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল লেবানন থেকে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহার করা; যদিও ১৯৮২ এবং ২০০০ সালে মিশনের উদ্দেশ্য পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সমন্বয় করা হয়।
=======
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের বর্তমান প্রধান জ্যঁ-পিয়েরে ল্যাক্রোইক্স।
সম্প্রতি, লেবাননে শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্য ইসরায়েলের গুলিতে আহত হয়। সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসরায়েল জাতিসংঘের কাছে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে শান্তিরক্ষীদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
সূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো।
ব্যাখ্যা
⇒ জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় ২৪ অক্টোবর।
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা:
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা একত্রিত হন।
- এই সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদের খসড়া তৈরি করা হয় যা একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘ তৈরি করে।
- আশা করা হয়েছিল যে, জাতিসংঘ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ করবে।
- জাতিসংঘ সনদ ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর কার্যকর হয়।
- জাতিসংঘ দিবস ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদের কার্যকর হওয়ার বার্ষিকী উপলক্ষে ২৪ অক্টোবর পালিত হয়।
- ২৬ জুন ২০২৫ জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের ৮০তম বার্ষিকী।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিপুঞ্জের আত্মপ্রকাশ-প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য- ৪১টি।
- সদর দপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় ১৯ এপ্রিল, ১৯৪৬।
তথ্যসূত্র - United Nations ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন :
⇒ ১৯৪৪ সালের মধ্যে, অনেক দেশ একমত হয়েছিল যে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য নিবেদিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রয়োজন। পরবর্তী পদক্ষেপ ছিল এই নতুন সংস্থার কাঠামো নির্ধারণ করা। এই উদ্দেশ্যে, চীন, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা ওয়াশিংটন, ডিসির একটি ব্যক্তিগত প্রাসাদ ডাম্বার্টন ওকসে মিলিত হন।
• এ সম্মেলনে কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়।:
- ডাম্বার্টন ওকসের প্রস্তাব অনুসারে, জাতিসংঘ চারটি প্রধান সংস্থা নিয়ে গঠিত হবে:
- সকল সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত একটি GA,
- এগারো সদস্যের একটি SC সদস্য, যার মধ্যে পাঁচজন স্থায়ী হবেন এবং বাকি ছয়জন GA দ্বারা দুই বছরের মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হবেন,
- একটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত,
- জাতিসংঘ সচিবালয়ের।
উৎস:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা (UNWTO)
- UNWTO এর পূর্ণরুপ - United Nations World Tourism Organization
- উদ্দেশ্য- পর্যটনের ভূমিকা সর্ম্পকে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়- ২৭ সেপ্টেম্বর।
- বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন করে (UNWTO)
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ২ জানুয়ারি ১৯৭৫ সালে।
- সদর দপ্তর- মাদ্রিদ, স্পেন।
- জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে- ২০০৩ সালে।
- বর্তমান সদস্য- ১৬০ টি।
- সহযোগী সদস্য-৬ টি।
তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (UNWTO)
ব্যাখ্যা
• সুনীল অর্থনীতি:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদ নির্ভর অর্থনীতি।
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।
- সমুদ্র থেকে আহরণকৃত যে কোন সম্পদ দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, তাই সুনীল অর্থনীতির পর্যায়ে পড়বে।
- সমুদ্র পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুনীল অর্থনীতি হল ‘অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, উন্নত জীবিকা, এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার।’
- সুনীল অর্থনীতি আমাদের এই উপলব্ধি করতে চ্যালেঞ্জ করে যে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সীমান্ত এবং সেক্টর জুড়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হবে।
- এটি একটি লম্বা আদেশ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র (SIDS) এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলির (LDCs) জন্য যারা উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন।
তথ্যসূত্র: Blue Economy Definitions - the United Nations, un.org.
ব্যাখ্যা
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
ব্যাখ্যা
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
⇒ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷।
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
UNESCO:
- UNESCO-এর পূর্ণরূপ: The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এটি হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।
- সংস্থাটি বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে।
- UNESCO প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়: ১৬ নভেম্বর, ১৯৪৫।
- কার্যকর হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৪৬।
- সদরদপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- বর্তমান মহাপরিচালক: আদ্রে আজুলে (ফ্রান্স)।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- সহযোগী সদস্য: ১২টি।
- সর্বশেষ ১০ জুলাই, ২০২৩ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ইউনেস্কোর সদস্যপদ ফিরে পায়।
উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম সভায় SDG গৃহীত হয়।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল
২. ক্ষুধামুক্তি
৩. সুস্বাস্থ্য
৪. মানসম্মত শিক্ষা
৫. লিঙ্গ সমতা
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
১০. বৈষম্য হ্রাস
১১. টেকসই শহর ও জনগণ
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
১৫. স্থলভাগের জীবন
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
তথ্যসূত্র - SDG ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
লীগ অব নেশনস:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি প্যারিস শান্তি সম্মেলনে গঠিত হয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘লীগ অব নেশনস’।
- লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- এর সদর দপ্তর স্থাপিত হয়েছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- সদস্য রাষ্ট্র ছিল ৬৩টি।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক সীমানা অক্ষুণ্ণ রাখা, একে অপরকে আক্রমণ করতে নিরুৎসাহিত করা এবং কোনো সদস্য রাষ্ট্র অপর রাষ্ট্র কর্তৃক আক্রান্ত হলে সমবেতভাবে আক্রান্ত রাষ্ট্রকে সহায়তা করা, সংখ্যালঘু সমস্যা, ম্যান্ডেট ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা এ লীগ গঠনের উদ্দেশ্য ছিল।
⇒ জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য না হয়েও উদ্যোক্তা ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট লীগ অব নেশনসে যোগদান অনুমোদন করেনি।
- ১৯১৯ সালে লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠার জন্য ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট একে প্রত্যাখ্যান করে।
- তাদের এই সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের রাষ্ট্রগুলোর বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি, যা তাদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সংগঠনের অংশ হতে আপত্তি সৃষ্টি করেছিল। এর ফলে, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই লীগ অব নেশনস এর সদস্য হতে পারেনি।
- পরবর্তীতে, ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ (United Nations) প্রতিষ্ঠার সময় যুক্তরাষ্ট্র তখন জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসাবে যোগ দেয়।
অন্যদিকে,
- ফ্রান্স, জাপান, জার্মানি জাতিপুঞ্জের সদস্য ছিল।
[জাতিপুঞ্জের বিলুপ্তির তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। ব্রিটানিকা অনুসারে ১৯ এপ্রিল, ১৯৪৬ তারিখে জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়। কিন্তু জাতিসংঘের ওয়েবসাইট অনুসারে, ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ তারিখে জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়। তাই ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ অধিক গ্রহণযোগ্য। বিস্তারিত জানার জন্য তথ্যকল্পদ্রুপ-৩০ দেখতে পারেন।]
উৎস: i) Office of the Historian (.gov).
ii) UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জাতিপুঞ্জ:
- জাতিপুঞ্জের আত্মপ্রকাশ-প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য- ৪১টি।
- সদর দপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬।
তথ্যসূত্র - United Nations ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক নারী দিবস মূলত জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)-এর লক্ষ্যমাত্রা ৫ (SDG 5)-এর সাথে সরাসরি যুক্ত, যার মূল বিষয় হলো "লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন"।
⇔ অভীষ্ট ৫ এর লক্ষ্যমাত্রা:
- ৫.১ সর্বত্র সকল নারী ও মেয়ের বিরুদ্ধে সকল ধরনের বৈষম্যের অবসান ঘটানো,
- ৫.২ পাচার, যৌন হয়রানি ও অন্যসব ধরনের শোষণ-বঞ্চনা সহ ঘরে বাইরে সকল নারী ও মেয়ের বিরুদ্ধে সকল ধরনের সহিংসতার অবসান,
- ৫.৩ শিশুবিবাহ, বাল্যবিবাহ ও জোরপূর্বক বিবাহ এবং নারী যৌনাঙ্গচ্ছেদের মতো সকল ধরনের ক্ষতিকর প্রার অবসান,
- ৫.৪ সরকারি সেবা, অবকাঠামো ও সামাজিক সুরক্ষা নীতিমালার মাধ্যমে অবৈতনিক পরিচর্যাকার্য ও গৃহস্থালি কাজের মর্যাদা ও স্বীকৃতিদান এবং বাসা ও পরিবারের অভ্যন্তরে জাতীয়ভাবে যুক্তিযুক্ত অংশীদারিত্বমূলক দায়িত্বপালনকে উৎসাহিত করা,
- ৫.৫ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সকল পর্যায়ে নেতৃত্ব দানের জন্য নারীদের পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর অংশগ্রহণ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা,
- ৫.৬ জনসংখ্যা ও উন্নয়ন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রোগ্রাম অব অ্যাকশন ও বেইজিং প্ল্যাটফর্ম ফর অ্যাকশন এবং এদের পর্যালোচনামূলক সম্মেলনসমূহের ফলাফল-দলিলের আলোকে স্বীকৃত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং প্রজনন অধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের সার্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা,
- ৫.ক বিদ্যমান জাতীয় আইনকানুনের আলোকে, অর্থনৈতিক সম্পদ এবং ভূমিসহ সকল প্রকার সম্পত্তির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক সেবা, উত্তরাধিকার এবং প্রাকৃতিক সম্পদে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ সম্পাদন,
- ৫.খ নারীদের ক্ষমতায়নে সহায়ক প্রযুক্তি, বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো,
- ৫.গ সকল পর্যায়ে নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন এবং নারী পুরুষ সমতা আনয়নে যথাযথ নীতিমালা ও প্রয়োগযোগ্য আইনি বিধান প্রণয়ন ও শক্তিশালী করা।
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ ঘোষিত ‘নারী–কৃষকদের আন্তর্জাতিক বর্ষ’ ২০২৬ সাল।
উল্লেখ্য,
• ২০২৫ সাল:
- আন্তর্জাতিক শান্তি ও আস্থার বছর (International Year of Peace and Trust).
- আন্তর্জাতিক হিমবাহ সংরক্ষণ বর্ষ (International Year of Glaciers' Preservation).
- আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ (International Year of Cooperatives).
এছাড়াও,
• ২০২৬ সাল:
- International Year of Rangelands and Pastoralists.
- International Year of Volunteers for Sustainable Development.
- নারী-কৃষকদের আন্তর্জাতিক বর্ষ (International Year of the Woman Farmer).
• ২০২৭ সাল:
- International Year of Sustainable and Resilient Tourism.
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভেলী।
- তিনি ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ - নভেম্বর ১৯৫২ মেয়াদে জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
উ থান্ট (১৯৬১-৭১):
- জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন মিয়ানমারের উ থান্ট।
- তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন।
কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (১৯৭২-৮১):
- চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম।
- তার সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
ড. বুট্রোস বুট্রোস ঘালি (১৯৯২-৯৬):
- ড. বুট্রোস বুট্রোস ঘালি (Boutros Boutros-Ghali) জাতিসংঘের ষষ্ঠ মহাসচিব ছিলেন।
- তিনি মিশরের নাগরিক এবং আফ্রিকা মহাদেশ থেকে প্রথম জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
WIPO:
- ১৯৬৭ সালে WIPO প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্ণরূপ World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
তথ্যসূত্র - WIPO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো:
- ইউনেস্কো ২০২৬ সালের জন্য রাবাত শহরকে বিশ্ব বইয়ের রাজধানী ঘোষণা করেছে।
- ২০০১ সাল থেকে ইউনেস্কো প্রতি বছর একটি শহরকে 'ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল' হিসেবে মনোনীত করে।
- এ শহরগুলো ওই বছরজুড়ে বই, পাঠ ও জ্ঞান বিস্তারের জন্য নানা আয়োজন করে।
- সেই প্রেক্ষিতে মরক্কোর রাজধানী রাবাতকে ২০২৬ সালের 'ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- শহরটিতে রয়েছে ৫৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এবং আফ্রিকার তৃতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বই ও প্রকাশনা মেলা অনুষ্ঠিত হয় এখানে।
উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
Sustainable Development Goals (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।
⇒ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সনদ (UN Charter):
- জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা: আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ (Archibald Macleish)।
- সনদে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ ও ১৯টি অধ্যায় রয়েছে।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
উল্লেখ্য,
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে অনুষ্ঠিত সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য পোল্যান্ড সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলো না।
- ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে।
- সনদ স্বাক্ষরের পূর্বে পোল্যান্ড জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করায় পোল্যান্ডকেও জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য বিবেচনা করা হয়।
- জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংস্থার কার্যক্রম ও উদ্দেশ্য জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের ৫১টি সদস্য রাষ্ট্র ছিল।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- বর্তমান মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল)।
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন (১৯৪৫): ৫১টি দেশ জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে এবং নতুন সংস্থা গঠন করে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council) আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা।
- মোট সদস্য সংখ্যা: ১৫
- স্থায়ী সদস্য (৫টি):চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
- অস্থায়ী সদস্য (১০টি):সাধারণ পরিষদ কর্তৃক দুই বছরের জন্য নির্বাচিত।
- প্রতিটি সদস্যের একটি করে ভোটাধিকার রয়েছে।
- জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী সকল সদস্য রাষ্ট্রকে পরিষদের সিদ্ধান্ত মানতে হয়।
- সংঘাত সমাধানে শান্তিপূর্ণ সমঝোতা সুপারিশ করা।
- প্রয়োজনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন প্রদান।
- এক মাসের জন্য পালাক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হয়, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ইংরেজি নামের বর্ণানুক্রমিক ক্রম অনুসারে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (অক্টোবর, ২০২৪)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (অক্টোবর, ২০২৪)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
তথ্যসূত্র- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
১৯৮৮ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে ধরিত্রী সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।
- সম্মেলনটির পূর্ণনাম - United Nations Conference on Environment and Development।
- এটিকে “ধরিত্রী সম্মেলন” (Earth Summit) ও বলা হয়।
- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন, ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে এটি “রিও সম্মেলন” (Rio Conference) নামে পরিচিত হয়।
ধরিত্রী সম্মেলনে গৃহীত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে -
- “টেকসই উন্নয়ন কমিশন” (Commission on Sustainable Development) গঠিত হয়।
- রিও ঘোষণা (Rio Declaration) - পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ে রিও ঘোষণা হচ্ছে - রাষ্ট্রসমূহের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কিত কয়েকটি নীতিমালা। এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে - polluter pays principle।
- এজেন্ডা - ২১ (Agenda - 21) - এই সম্মেলনে গৃহীত টেকসই উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন ও উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক পরিকল্পনাকে এজেন্ডা - ২১ বলা হয়।
- বন নীতির দলিল - বিশ্বব্যাপী বন রক্ষার জন্য কয়েকটির নীতির লিখিত দলিল প্রণয়ন।
- ধরিত্রী সম্মেলনে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) ও Convention on Biological Diversity গৃহীত ও স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
উৎস: জাতিসংঘ ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন - স্টকহোম সম্মেলন নামে পরিচিত।
- টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলন - দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন - তৃতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
ব্যাখ্যা
▪ জাতিসংঘ সনদ অনুসারে বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নিরাপত্তা পরিষদ দায়িত্ব পালন করে থাকে। জাতিসংঘ সনদের পঞ্চম অধ্যায় (২৩ - ৩২ নং অনুচ্ছেদ) - এ নিরাপত্তা পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়।
▪ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে এর সদস্য সংখ্যা মোট ১৫টি। তার মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন) এবং ২ বছর মেয়াদে বাকি ১০টি সদস্য নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
▪ সব সদস্য রাষ্ট্রের একটি করে ভোট দেওয়া ক্ষমতা রয়েছে। স্থায়ী ৫ সদস্যের রয়েছে ভেটো (Veto - আমি মানি না) প্রদান করার ক্ষমতা।
▪ ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
▪ নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের নতুন সদস্য গ্রহনের জন্য, জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনের জন্য এবং কোন দেশের অবস্থা বিবেচনা করে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুপারিশ করে থাকে যা সাধারণ পরিষদে ন্যূনতম দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাশের মাধ্যমে কার্যকর হয়।
▪ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব সদস্য দেশগুলোর নামের আদ্যক্ষর অনুসারে পরিবর্তিত হয়। সভাপতিত্বের মেয়াদ - ১ মাস।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫৭ সালের ২৯ জুলাই ।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত হয়: ১৪ নভেম্বর ১৯৫৭ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৮০টি। (মার্চ ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: কুক আইল্যান্ড। (মার্চ ২০২৫)।
- বর্তমান মহা পরিচালক: Rafael Mariano Grossi.
- শান্তিতে নোবেল পায়: ২০০৫ সালে।
কার্যক্রম:
- পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড।
- পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে কার্যক্রম পরিচালনা।
- পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা ।
উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (ডিসেম্বর, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
• নিরাপত্তা পরিষদ:
- জাতিসংঘ সনদের পঞ্চম অধ্যায় (২৩ - ৩২ নং অনুচ্ছেদ) - এ নিরাপত্তা পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা মোট ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
উল্লেখ্য,
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ILO- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। [জানুয়ারি,২০২৬]
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।
এছাড়াও,
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- Global Wage Report: বৈশ্বিক মজুরি প্রবণতা পর্যালোচনা করে।
উৎস: ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
এলডিসি থেকে উত্তরণকারী অন্য পাঁচটি দেশ হলো:
- বতসোয়ানা (১৯৯৪ সালে)
- কেপভার্দে (২০০৭ সালে)
- মালদ্বীপ (২০১১ সালে)
- সামোয়া (২০১৪ সালে)
- নিরক্ষীয় গিনি (২০১৭ সালে)।
- বর্তমানে ৪৬টি দেশ এলডিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
-- জাতিসংঘের বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হল যৌথ গবেষণা এবং শিক্ষার মাধ্যমে, মানব বেঁচে থাকা, উন্নয়ন এবং কল্যাণের চাপের বৈশ্বিক সমস্যাগুলি সমাধান করার প্রচেষ্টায় অবদান রাখা
-- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৯৭২ সালে।
-- অবস্থান- টোকিও, জাপান।
-- (UNU) ক্যাম্পাসের কার্যক্রম চালু আছে বর্তমানে- ১২ টি দেশে।
তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (UNU)
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ সনদ:
- জাতিসংঘের সনদ হল জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা দলিল।
- এটি ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে আন্তর্জাতিক সংস্থা সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলনের সমাপ্তিতে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে কার্যকর হয়।
- জাতিসংঘ সনদের অধ্যায়-১৯টি।
- ধারা মোট- ১১১টি।
- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে, জাতিসংঘ সনদ ১৯৬৩, ১৯৬৫ এবং ১৯৭৩ সালে তিনবার সংশোধন করা হয়েছে।
⇒ সনদের ২৩, ২৭ ও ৬১ ধারা-সম্পর্কিত সংশোধনীগুলো সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৬৩ সালে ১৭ ডিসেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৯৬৫ সালের ৩১ আগস্ট কার্যকর হয়।
⇒ ৬১ ধারা-সংক্রান্ত অন্য একটি সংশোধনী সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৯৭৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বলবৎ হয়। ১০৯ ধারার যে সংশোধনীটি সাধারণ পরিষদে ১৯৬৫ সালের ২০ ডিসেম্বর গৃহীত হয় তা ১৯৬৮ সালের ১২ জুন বাস্তবায়িত হয়।
⇒ ২৩ ধারার সংশোধনীটি নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১১ থেকে ১৫-তে বর্ধিত করে।
- সংশোধিত ২৭ ধারা অনুযায়ী পদ্ধতিগত বিষয়াদির ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদ নয়টি (আগে সাতটি) সদস্যের ইতিবাচক ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে এবং অন্য সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বেলায় পরিষদের পাঁচটি স্থানীয় সদস্যের সমর্থনসূচক ভোট ওই নয়টি সদস্যের ইতিবাচক ভোটের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
⇒ ৬১ ধারার যে সংশোধনটি ১৯৬৫ সালের ৩১ আগস্ট থেকে কার্যকরী হয় তা অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৮ থেকে ২৭-এ উন্নীত করে। ওই ধারার পরবর্তী সংশোধনীটি ১৯৭৩ সালে ২৪ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয় এবং সে অনুযায়ী ওই পরিষদের সদস্য সংখ্যা আরও বর্ধিত করে ২৭ থেকে ৫৪-তে উন্নীত হয়।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- অধিবেশন: ২৯ তম।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
⇒ জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ (the General Assembly),
• নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council),
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council),
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice),
• অছি পরিষদ (the Trusteeship Council),
• জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।
অন্যদিকে,
- UNCTAD জাতিসংঘের মূল সংস্থার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- UNCTAD হল জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা, যা ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি ও তাদের উন্নয়নশীল দেশের পরিস্থিতি উন্নত করা।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা
- UNEP-এর পূর্ণরুপ- United Nations Environment Programme
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।
- সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি।
- UNEP পরিবেশগত মাইলফলকের ৫০ তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে- ২০২২ সালে।
-জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (UNEP) নির্বাহী পরিচালক- ইঙ্গার অ্যান্ডারসন।
- জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির নেতৃত্বে ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ জুনকে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
- ২০২২ সালে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’–এর প্রতিপাদ্য বিষয় ‘অনলি ওয়ান আর্থ’, যা বাংলা করলে দাঁড়ায় ‘শুধু একটাই পৃথিবী’।
- ২০২২ সালে এর আয়োজক সুইডেন।
- উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক স্টকহোম কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আর সেই সম্মেলনের স্লোগানও একই ছিল।
- ১৯৭২ সালের স্টকহোম সম্মেলনের ৫০ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও এই সত্য বর্তমানেও একইভাবে প্রযোজ্য বিধায় আবারও নতুন করে স্মরণ করে দেওয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়ছে—এ গ্রহই আমাদের একমাত্র বাড়ি।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: ডেনমার্ক (২০২৬), গ্রিস (২০২৬), সোমালিয়া (২০২৬), পাকিস্তান (২০২৬), পানামা (২০২৬), আলজেরিয়া (২০২৫), গায়ানা (২০২৫), কোরিয়া (২০২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৫)।
উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১টি, ৫টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী।
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
- সাধারণ পরিষদ।
- নিরাপত্তা পরিষদ।
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন।
- আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
- অছি পরিষদ ও
- জাতিসংঘ সচিবালয়।
• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সারা বিশ্বের সব দেশের নেতারা বৈঠকে বসেন এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।
- একই মঞ্চে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের নেতা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একে অপরের সাথে সাক্ষাত হয় বলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এই সভাকে 'কূটনৈতিক স্পিড ডেটিং' ইভেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন অনেক কূটনীতিক।
উল্লেখ্য,
- প্রতি বছর সাধারণ পরিষদের সভা শুরুর আগে একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
- প্রতিটি সদস্যদেশের সাধারণ পরিষদে একটি ভোট রয়েছে।
- সনদ অনযায়ী প্রতিটি রাষ্ট সাধারণ সভায় ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (অক্টোবর, ২০২৪)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (অক্টোবর, ২০২৪)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।
তথ্যসূত্র- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- United Nations Children's Fund বা জাতিসংঘ শিশু তহবিল বিশ্বব্যাপী শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করে।
- এটি ১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো United Nations International Children's Emergency Fund.
- ১৯৫৩ সালে United Nations Children Fund নামধারণ করে।
- UNICEF এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- UNICEF (United Nations Children's Fund) এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল। (আগস্ট, ২০২৪)
- ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- UNICEF বর্তমানে বিশ্বের ১৯০টি দেশ ও অঞ্চলে কাজ করছে।
তথ্যসূত্র - UNICEF এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
WHO Framework Convention on Tobacco Control:
- তামাক নিয়ন্ত্রণে WHO ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন।
- WHO ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (WHO FCTC) হল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পৃষ্ঠপোষকতায় আলোচিত প্রথম আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- গৃহীত হয়: ২১ মে, ২০০৩ (সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে অনুষ্ঠিত ৫৬তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে)।
- কার্যকর হয়: ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৮টি।
- পক্ষ: ১৮৩টি।
উল্লেখ্য,
- তামাকমুক্ত বিশ্ব গড়ে তুলতে WHO FCTC-এর ১৮৩টি দেশের নেতারা ফেব্রুয়ারি, ২০২৪-এ পানামায় সম্মিলিত হয়েছেন।
- এটি WHO FCTC-এর ১০ম কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিস (COP10)।
- WHO FCTC-এর প্রধান: ডাঃ আদ্রিয়ানা ব্লাঙ্কো মারকুইজো।
উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- UN Tourism (পূর্বে UNWTO) - জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা।
- UNWTO এর নতুন নাম: UN Tourism
- নতুন ব্র্যান্ড ঘোষণা: ২৩ জানুয়ারি ২০২৪ সাল।
- সদর দপ্তর: মাদ্রিদ, স্পেন।
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৬০টি।
- অধিভুক্ত বেসরকারি সংস্থা: শতাধিক।
- নতুন স্লোগান: “Bringing the world closer” (বিশ্বকে আরও কাছাকাছি আনা)।
- নতুন প্রতীক: মানব আকৃতির পাঞ্জিয়া (Pangea) আকৃতির প্রতীক, যা সংযুক্ত বিশ্বকে প্রতিফলিত করে।
- UN Tourism পর্যটন খাতকে বৈশ্বিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে এগিয়ে নিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
উৎস: UN Tourism ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের পক্ষ থেকে খরা ও মরুকরণের প্রতি সোচ্চার হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
- এই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৭ সালে নাইরোবিতে বিশ্ব মরুকরণ বিরোধী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানেই গঠিত হয় ‘আন্তর্জাতিক মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশন’।
- ১৯৯৫ সাল থেকে মরুকরণ ও খরা সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করে তুলতে ১৭ জুন পালন করা হয় ‘ বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস’।
এছাড়াও,
- 'বিশ্ব পর্যটন দিবস' পালিত হয় ২৭ সেপ্টেম্বর।
- 'বিশ্ব পানি দিবস' পালিত হয় ২২ মার্চ।
- 'বিশ্ব ধরিত্রী দিবস' পালিত হয় ২২ এপ্রিল।
উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয় আলজেরিয়া, সিয়েরা লিওন, দক্ষিণ কোরিয়া, স্লোভেনিয়া ও গায়ানা।
⇒ ২০২৩ ও ২০২৪ সাল দুই বছরের জন্য নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্যের দায়িত্ব পালন করে জাপান।
অর্থাৎ জাপান ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়নি, ২০২৩ ও ২০২৪ সাল জন্য নির্বাচিত হয়েছিল।
অন্যদিকে,
⇒ ১৯৫৬ সালে জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার পর এ নিয়ে ১২ বার এই ভূমিকায় নির্বাচিত হয়েছে জাপান।
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ। দেশগুলো নিরাপত্তা পরিষদেরও স্থায়ী সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
- অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু’বার নির্বাচিত হয়।
সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া, Live MCQ সালতামামি ২০২৩।
ব্যাখ্যা
▪ UNOPS - এর পূর্ণরূপ United Nations Office for Project Services বা জাতিসংঘ প্রকল্প সেবা সম্পর্কিত অফিস।
▪ সংস্থাটি সদস্য দেশ সমূহের জনসাধারণকে উন্নত জীবন গড়ে তোলার জন্য ও দেশ সমূহকে শান্তি ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনের জন্য সহোযোগীতা প্রদান করে থাকে। বর্তমানে ৮০টির বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
▪ প্রতিষ্ঠাকাল - ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সাল।
▪ সদরদপ্তর - কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
▪ UNOPS - এর বর্তমান নির্বাহী প্রধান Jens Wandel। তিনি ৯ মে, ২০২২ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ডেনমার্কের নাগরিক।
তথ্যসূত্র: UNOPS ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- গঠিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- আরব-ইসরাইল প্রথম যুদ্ধকে কেন্দ্র করে শান্তিরক্ষী মিশন গঠিত হয়। গঠনের পর প্রথম মিশন প্রেরণ করা হয় জেরুজালেমে। প্রথম মিশনের নাম ছিল: UNITED NATIONS TRUCE SUPERVISION ORGANIZATION.
- এখন পর্যন্ত শান্তিরক্ষী মিশন গঠিত হয়েছে ৭১টি এবং চলমান শান্তিরক্ষা মিশন ১২টি।
উল্লেখ্য যে,
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ১৯৮৮ সালে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রমে যোগদান করে ১৯৮৮ সালে।
- জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী প্রেরণে শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে যথাক্রমে ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা ও নেপাল।
- আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে।
উৎস: peacekeeping.un.org
ব্যাখ্যা
- UNESCO (United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization) হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- ইউনেস্কো শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিস্তৃত পরিসরের দক্ষতা প্রদান করতে চায়।
- প্রতিষ্ঠা: ১৬ নভেম্বর, ১৯৪৫, লন্ডন।
- সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- ইউনেস্কো ১২২৩টি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ঘোষণা করেছে। [৯ মার্চ, ২০২৫]
উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- IMO এর পূর্ণরূপ- International Maritime Organization.
- International Maritime Organization (IMO) হলো সমুদ্র চলাচল বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- IMO প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ৬ মার্চ জেনেভায় একটি কনভেনশন গৃহিত হয় যা ১৭ মার্চ ১৯৫৮ কার্যকর হয়।
- ১৯৫৯ সালের ১৩ জানুয়ারি এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- IMO এর সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৬টি। (আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত)
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
অন্যদিকে,
- IOM : আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা।
- WMO : বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
উৎস: IMO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- বিশ্বের সকল দেশের সকল নাগরিকের জন্য একটি অধিকতর উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের জন্য জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য প্রণয়ন করে।
- UNDP এর প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় এবং জাতিসংঘের অন্যান্য সকল অঙ্গ ও বিশেষ সংস্থার সহযোগীতায় ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্য ও টার্গেট সমূহ বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
- ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরী।
উৎস: জাতিসংঘ ও UNDP ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- তাইওয়ান জাতিসংঘের সদস্য দেশ নয়।
- ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র কর্তৃক জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩।
- জাতিসংঘ মূলত একটি রাজনৈতিক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়।
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬ তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC) টেকসই উন্নয়নের তিনটি মাত্রাকে এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
- ১৯৫৬ সালে প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।
- সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। এটির উদ্দেশ্য ছিল ওজোন-ক্ষয়কারী পদার্থের উৎপাদন ও ব্যবহার কমানো।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা UNWTO.
- UNWTO এর পূর্ণরূপ: United Nations World Tourism Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৭৫।
- ২০০৩ সালে জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- সদর দপ্তর: মাদ্রিদ, স্পেন।
- বর্তমান সদস্য: ১৬০টি।
- সহযোগী সদস্য: ৬টি।
- বর্তমান মহাসচিব: যুরাব পলোকাসভিলি।
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা দ্বায়িত্বশীল, টেকসই ও বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে থাকে।
- এই সংস্থার উদ্দেশ্য পর্যটনের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
উৎস: UNWTO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- FAO-এর পূর্ণরুপ: Food and Agriculture Organization.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে কুইবেক, কানাডায়।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (Qu Dongyu)।
- প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য: ক্ষুধা দূরীকরণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে পুষ্টি ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে।
উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP), সংস্থাটি ১৯৬১ সালে জাতিসংঘ (UN) দ্বারা বিশ্ব ক্ষুধা দূরীকরণে সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (WFP) এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে।
- ২০২০ সালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (WFP) শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (WFP) লক্ষ্য বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ১১ শতাংশকে সাহায্য করা যাদের পর্যাপ্ত খাবার নেই।
- সংস্থাটি জাতিসংঘের ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার দ্বিতীয়, জিরো হাঙ্গার অর্জনের জন্য কাজ করে, যা ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন এবং পুষ্টির উন্নতি এবং বিশ্বব্যাপী টেকসই কৃষিকে উন্নীত করার অঙ্গীকার
করে।
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উভয় ধরনের দুর্যোগের শিকার ব্যক্তিদের খাদ্য সংগ্রহ ও সংকটপূর্ণ এলাকায় পরিবহন করে সহায়তা করে। এটি যুদ্ধ এবং অন্যান্য সংঘাত, মহামারী এবং মহামারী, ফসলের ব্যর্থতা এবং বন্যা, খরা, ভূমিকম্প এবং ঝড়ের মতো বিপর্যয় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সাহায্য করে।
উৎস: WFP ওয়েবসাইট.
ব্যাখ্যা
UN-HABITAT:
- এর পূর্ণরূপ: United Nations Human Settlements Programme.
- UN-HABITAT জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা,
- যা টেকসই নগরায়ন ও মানব বসতির উন্নয়ন এর জন্য কাজ করে।
- UN-HABITAT-এর World Cities Report প্রতি দুই বছর অন্তর প্রকাশিত হয়।
- এর লক্ষ্য হলো সব মানুষের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, স্বাস্থ্যকর এবং স্থায়ী বসতি নিশ্চিত করা।
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৭৮ (বিশ্ব মানব বসতি সম্মেলনের পর)
- আগের নাম: UN Centre for Human Settlements (UNCHS)
- বর্তমান নাম: ২০০২ সাল থেকে UN-HABITAT নামে পরিচিত
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
• মূল লক্ষ্য ও কাজ:
- নগরায়নের টেকসই নীতি ও পরিকল্পনা তৈরি এবং বাস্তবায়ন।
- শহরগুলোর উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণ।
- সাশ্রয়ী ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা।
উৎস: UN-HABITAT ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- এর পূর্ণরূপ: International Fund for Agricultural Development.
- IFAD হলো জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা,
- যা গ্রামীণ দরিদ্র জনগণের জন্য টেকসই কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- প্রতিষ্ঠা : ১৯৭৭ সালে।
- প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালের বিশ্ব খাদ্য সম্মেলনের পর।
- উদ্দেশ্য: উন্নয়নশীল দেশের দরিদ্র কৃষক ও গ্রামীণ জনগণকে সহায়তা করা।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
• প্রধান কাজ ও লক্ষ্য:
- ক্ষুদ্র কৃষকদের অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণ,
- খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি উন্নয়ন,
- জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি প্রচলন,
- দারিদ্র্য হ্রাস ও জীবনমান উন্নয়ন,
- নারীদের ক্ষমতায়ন এবং যুবকদের কর্মসংস্থান।
উৎস: IFAD ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ভেটো অর্থ আমি ইহা মানি না। ভেটো ক্ষমতার জন্যে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই পাঁচটি দেশের প্রত্যেকটির সম্মতির প্রয়োজন হয়।
স্থায়ী সদস্য দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- ফ্রান্স।
নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য ও চারটি অস্থায়ী সদস্যসহ কমপক্ষে ৯টি সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইলেকট্রনিক বর্জ্য ফেলার স্থান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
- জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বের ইলেকট্রনিক বর্জ্য ৭০ শতাংশের শেষ ঠিকানা হয় চীনে।
- ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, সেলফোন, টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটরসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহারের অযোগ্য হলে তা ফেলে দেয়াটা স্বাভাবিক।
- কিন্তু ফেলে দেয়া এসব বর্জ্য চলে যায় বিশ্বের ইলেকট্রনিক বর্জ্যাগার চীনে।
উৎস: যুগান্তর পত্রিকা নিউজ।
ব্যাখ্যা
- এর পূর্ণরূপ: United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- প্রতিষ্ঠিত: ১৬ নভেম্বর ১৯৪৫ সালে।
- চুক্তি: “Constitution of UNESCO” (স্বাক্ষরিত হয়: লন্ডনে, ১৯৪৫)।
- কার্যক্রম শুরু: ৪ নভেম্বর ১৯৪৬ সালে।
- UN-এর বিশেষায়িত সংস্থা: শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং তথ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দানকারী প্রতিষ্ঠান
- সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- সদস্য: ১৯৪টি। [ জুলাই, ২০২৫]
- ১১টি সহযোগী সদস্য
- বাংলাদেশ সদস্য হয়: ২৭ অক্টোবর ১৯৭৩।
• গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম ও উদ্যোগ:
- UNESCO World Heritage Centre.
- Education for Sustainable Development (ESD).
- Man and the Biosphere (MAB).
- Memory of the World Programme.
- International Geoscience and Geoparks Programme (IGGP)
উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, UNHCR,
- এর পূর্ণরূপ হলো United Nations High Commissioner for Refugees।
- এটি ১৯৫০ সালে শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংস্থাটির সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- UNHCR এর প্রধানকে হাইকমিশনার বলা হয়।
- বর্তমানে এটি বিশ্বের ১৩২টি দেশে শরণার্থীদের সুরক্ষা, পুনর্বাসন এবং মানবিক সহায়তা প্রদানে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। (অক্টোবর - ২০২৪)
সূত্র - UNHCR ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক বর্ষ -
• ২০২৫ সাল:
- আন্তর্জাতিক শান্তি ও আস্থার বছর (International Year of Peace and Trust).
- আন্তর্জাতিক হিমবাহ সংরক্ষণ বর্ষ (International Year of Glaciers' Preservation).
- আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ (International Year of Cooperatives).
• ২০২৬ সাল:
- International Year of Rangelands and Pastoralists.
- International Year of Volunteers for Sustainable Development.
- নারী-কৃষকদের আন্তর্জাতিক বর্ষ (International Year of the Woman Farmer).
• ২০২৭ সাল:
- International Year of Sustainable and Resilient Tourism.
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
⇒ জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের নাগরিক।
জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি। এগুলো হচ্ছে:
• ইংরেজি,
• চীনা,
• স্প্যানিশ,
• ফরাসি,
• রুশ ও
• আরবি।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• সাধারণ পরিষদ (the General Assembly),
• নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council),
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council),
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice),
• অছি পরিষদ (the Trusteeship Council),
• জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।
জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার সংখ্যা ১৫টি।
এগুলো হলো:
- ILO (প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা)
- FAO
- UNIDO
- ICAO
- UNWTO
- IFAD
- UPU
- WHO
- WIPO
- IMO
- WMO
- ITU
- UNESCO
- IMF
- WB
অন্যদিকে,
- বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সদস্য ICSID এবং MIGA জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা নয়।
(তথ্যসূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
অন্যদিকে -
- ACU (Asian Clearing Union) হলো একটি আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিকারী সংস্থা।
- এটি এর সদস্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকসমুহ এবং উক্ত অঞ্চলের আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি করে থাকে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ।
- SDGS-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) রয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১) দারিদ্র্য নির্মূল।
২) ক্ষুধামুক্তি।
৩) সুস্বাস্থ্য।
৪) মানসম্মত শিক্ষা।
৫) লিঙ্গ সমতা।
৬) বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন।
৭) সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
৮) উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
৯) শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো।
১০) বৈষম্য হ্রাস।
১১) টেকসই শহর ও জনগণ।
১২) পরিমিত ভোগ ও উৎপান।
১৩) জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ।
১৪) সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান।
১৫) স্থলভাগের জীবন।
১৬) শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।
১৭) অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
তথ্যসূত্র - SDG অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
UNHCR:
- UNHCR-এর পূর্ণরূপ: United Nations High Commissioner for Refugees বা জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা।
- UNHCR শরণার্থী, আশ্রয় প্রার্থীদের এবং বিভিন্ন ধরনের বাস্তুচ্যুত মানুষের অধিকার রক্ষা ও তাদের সহায়তা প্রদানে কাজ করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইউরোপীয় শরণার্থীদের সেবার প্রেক্ষাপটে UNHCR গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজাল্যান্ড।
- বর্তমান হাইকমিশনার: ফিলিপ্পো গ্রান্ডি।
- কার্যক্রম: বিশ্বের ১৩৫টি দেশে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধ, সংঘাত, অত্যাচার, এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষের নিরাপত্তা এবং সহায়তা নিশ্চিত করা।
- সংস্থাটি ১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- UNHCR-এর মতে, বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শরণার্থী আশ্রয় দেয় ইরান।
উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি UNHCR-এর তথ্যমতে, যুদ্ধ, সহিংসতা ও নিপীড়নের কারণে বিশ্বের ১২৩.২ মিলিয়ন মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা এখন জাপানের জনসংখ্যার সমান।
⇒ UNHCR-এর মতে, শীর্ষ শরণার্থী আশ্রয় দেয়া দেশ:
১. ইরান – ৩.৫ মিলিয়ন,
২. তুরস্ক – ২.৯ মিলিয়ন,
৩. কলম্বিয়া – ২.৮ মিলিয়ন,
৪. জার্মানি – ২.৭ মিলিয়ন,
৫. উগান্ডা – ১.৮ মিলিয়ন।
উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট। [link]
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- এর প্রথম মিশন ছিল ১৯৪৮ সালে মধ্যপ্রাচ্যে ১৯৪৮ আরব-ইসরায়েলি যুদ্ধের সময় যুদ্ধবিরতি পালন ও বজায় রাখা।
⇒ ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সালে সংঘটিত ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই মিশনের নাম ছিল "United Nations Truce Supervision Organization (UNTSO)"।
- এটি ছিল জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন এবং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি সঠিকভাবে পালন হচ্ছে কিনা তা মনিটর করা।
উৎস: United Nations Peacekeeping.
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই এবং স্থিতিস্থাপক পর্যটনের আন্তর্জাতিক বর্ষ ২০২৭ সাল।
International Years:
• ২০২৪ সাল:
- International Year of Camelids.
• ২০২৫ সাল:
- International Year of Peace and Trust.
- International Year of Glaciers' Preservation.
- International Year of Cooperatives.
• ২০২৬ সাল:
- International Year of Rangelands and Pastoralists.
- International Year of Volunteers for Sustainable Development.
- International Year of the Woman Farmer.
• ২০২৭সাল:
- International Year of Sustainable and Resilient Tourism.
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- এর পূর্ণরূপ United Nations High Commissioner for Refugees।
- জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (UNHCR) শরণার্থীদের কল্যাণ ও সুরক্ষার জন্য কাজ করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপীয় শরণার্থীদের সহায়তার লক্ষ্যে ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তে UNHCR গঠিত হয়।
- সংস্থাটির প্রধানকে হাইকমিশনার বলা হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- শরণার্থীদের পুনর্বাসন, আশ্রয় ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী কাজ করে।
- এই মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য UNHCR দুইবার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে—১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে।
সূত্র: UNHCR ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ILO ভার্সাই চুক্তি চুক্তির মাধ্যমে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি।
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
উৎস: ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের প্রথম শান্তি মিশনের সূত্রপাত হয় ১৯৪৮ সালে,
-মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল তখন।
- এই মিশনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি পর্যবেক্ষণ করা।
- এই মিশনের নাম ছিল 'United Nations Truce Supervision Organization (UNTSO)'।
অন্যদিকে,
- ১৯৫৬ সালে সুয়েজ সংকটের সময় জাতিসংঘ প্রথম ‘আর্মড পিস কিপিং ফোর্স’ গঠন করে, যার নাম ছিল ইউএন ইমার্জেন্সি ফোর্স (ইউএনইএফ)।
- এটি ছিল প্রথম সত্যিকারের সশস্ত্র শান্তিরক্ষী বাহিনী।
- এরপর রুয়ান্ডা, বসনিয়া, লাইবেরিয়া, হাইতি, কঙ্গো প্রভৃতি দেশে শান্তিরক্ষী মিশন পাঠানো হয়।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ট্রিগভেলী:
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভেলী।
- তিনি ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ - নভেম্বর ১৯৫২ মেয়াদে জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
⇒ জাতিসংঘের মহাসচিববৃন্দ:
- প্রথম: ট্রিগভেলী (নরওয়ে)
- দ্বিতীয়: দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (সুইডেন)
- তৃতীয়: উ থান্ট (মিয়ানমার)
- চতুর্থ: কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (অস্ট্রিয়া)
- পঞ্চম: জাভিয়ার পেরেজ দ্য কুয়েলার (পেরু)
- ষষ্ঠ: ড. বুট্রোস ঘালি (মিশর)
- সপ্তম: কফি আনান (ঘানা)
- অষ্টম: বান কি মুন (দক্ষিণ কোরিয়া)
- নবম ও বর্তমান: অ্যান্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল)।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
UNIDO:
- UNIDO-এর পূর্ণরূপ- United Nations Industrial Development Organization বা জাতিসংঘের শিল্পোন্নয়ন সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৯৬৬ সালে।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৩টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক: গের্ড মুলার (Gerd Müller)।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ২৮ জুন UNIDO এর সদস্যপদ লাভ করে।
উৎস: UNIDO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- UNESCO- হল জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা।
- UNESCO- এর পূর্ণরুপ- United Nations Educational Scientific and Cultural Organization
- এর প্রধান কাজ হলো- বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
- প্রতিষ্ঠাকাল- ১৬ নভেম্বর, ১৯৪৫ সালে চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান- লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর- প্যারিস, ফ্রান্স।
- সদস্য সংখ্যা- ১৯৩ টি এবং সহযোগী সদস্য ১১
উৎস : Official website (UNESCO)
ব্যাখ্যা
ICAO:
- বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা হচ্ছে ICAO.
- ICAO পূর্নরূপ - International Civil Aviation Organization.
- এটি ১৯৪৪ সালে Provisional International Civil Aviation Organization (PICAO) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালে ICAO হিসাবে যাত্রা শুরু করে এবং একই বছর জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- ICAO এর সদর দপ্তর মন্ট্রিল, কানাডা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ICAO এর সদস্যপদ লাভ করে।
তথ্যসূত্র - ICAO অফসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• সম্পূর্ণ নাম: World Meteorological Organization।
• প্রতিষ্ঠা: ২৩ মার্চ, ১৯৫০ সাল।
• সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
• মূল উদ্দেশ্য:
- বিশ্বব্যাপী আবহাওয়া, জলবায়ু, এবং পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করা।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস।
• বর্তমান মহাসচিব: পেটেরি তালাস (Petteri Taalas)।
• মিশন:
- পৃথিবীজুড়ে আবহাওয়া, জলবায়ু, এবং জল সম্পর্কিত পরিষেবা উন্নত করা।
- দুর্যোগ প্রশমন এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
উৎস: বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ২৪ আগস্ট WMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন:
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছে আনালেনা বায়েরবোক (Annalena Baerbock)।
- তিনি জার্মানির প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভের এক বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় এবং ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত দু'বার অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) এর সদস্য হিসেবে কাজ করে।
- জাতিসংঘে বাংলাদেশী প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি ইসমাত জাহান।
- তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে বেলজিয়াম লুক্সেমবার্গ, এবং ইউরোপীয়ান কমিউনিটিস এ দায়িত্বপালন করেছেন।
- ২০০৭ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
অন্যদিকে -
- রাবাব ফাতিমা জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের ১৪তম স্থায়ী প্রতিনিধি এবং জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বর্তমান UNHCR-এর হাই কমিশনারের নাম বারহাম সালিহ (Barham Salih)।
UNHCR:
- UNHCR পূর্ণ নাম: United Nations High Commissioner for Refugees.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যক্রম শুরু: ১ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- বর্তমান UNHCR-এর হাই কমিশনারের নাম বারহাম সালিহ (Barham Salih)।
- তিনি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পদ গ্রহণ করেছেন এবং ৫ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।
- ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে UNHCR নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে।
উল্লেখ্য,
- প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে, দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ দুই বছরের জন্য সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত করা হয়।
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: আলবেনিয়া (২০২৩), ব্রাজিল (২০২৩), ইকুয়েডর (২০২৪), গ্যাবন (২০২৩), ঘানা (২০২৩), জাপান (২০২৪), মাল্টা (২০২৪), মোজাম্বিক (২০২৪), সুইজারল্যান্ড (২০২৪), সংযুক্ত আরব আমিরাত (২০২৩)।
উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council) আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রধান দায়িত্ব বহন করে।
- মোট সদস্য: ১৫টি দেশ।
- স্থায়ী সদস্য (P5):চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- অস্থায়ী সদস্য: ১০টি, ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
- ২০২৫ মেয়াদে: আলজেরিয়া, গায়ানা, দক্ষিণ কোরিয়া, সিয়েরা লিওন, স্লোভেনিয়া।
- ২০২৬ মেয়াদে: ডেনমার্ক, গ্রীস, পাকিস্তান, পানামা, সোমালিয়া।
- নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত সব সদস্য রাষ্ট্রের জন্য বাধ্যতামূলক, যা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
উৎস: UNSC ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৭৫ সালে।
সদর দপ্তর- কেনিয়ার নাইরোবী।
প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস (World Habitat Day )পালন করা হয়।
UN-HABITAT এর বর্তমান নিবাহী প্রধান- মাইমনা মোহাম্মদ শরীফ ( মালেশিয়ার নাগরিক)।
তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (UN-HABITAT)
ব্যাখ্যা
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট জাতিসংঘ নামটি প্রস্তাব করেন।
- ১৯৪২ সালে যখন ২৬টি দেশের প্রতিনিধিগণ জাতিসংঘের তরফ থেকে ঘোষণায় স্বাক্ষর প্রদান করেন, এই নামটি তখনই প্রথম সরকারিভাবে ব্যবহৃত হয়।
- সানফ্রানসিসকো সম্মেলনে উপস্থিত প্রতিনিধিবর্গ প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তার প্রদত্ত নামটি গ্রহণে সম্মত হন।
- রুজভেল্ট জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষরের কয়েক সপ্তাহ পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ২৮ জুন ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)।
- সংস্থাটি ২৮ জুন ২০১৯ সালে তার শততম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করে।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- ILO সহ বর্তমানে জাতিসংঘের মোট বিশেষায়িত সংস্থা ১৫টি।
তথ্যসূত্র -ILO এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দেশগুলিকে সংঘাত থেকে শান্তির দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করার জন্য একত্রিত হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।
- ৭৭ বছরের সেবা এবং ত্যাগের মাধ্যমে প্রতীকী "ব্লু হেলমেট" সংঘাতে আটকে পড়া লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
- ১৯৮৮ সালে নোবেল শান্তি পুরষ্কারে ভূষিত হয় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন।
- ১৯৪৮ সাল থেকে শান্তিরক্ষীরা ৭০টিরও বেশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কাজ করেছেন।
- জাতিসংঘ বর্তমানে ১১টি অভিযানে হাজার হাজার শান্তিরক্ষী মোতায়েন করেছে যাতে দেশগুলিকে সংঘাত থেকে শান্তির পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করা যায়।
- এটি প্রায় ৩০টি নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি গ্রহণে সহায়তা করেছে এবং ৫৫ মিলিয়নেরও বেশি ল্যান্ডমাইন ধ্বংস নিশ্চিত করেছে।
- বর্তমানে ৬৮,০০০ এরও বেশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী ১১টি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সামরিক, পুলিশ এবং বেসামরিক কর্মী হিসেবে কাজ করে।
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- ILO এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- ILO এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৭টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• UNRWA:
- পূর্ণরূপ: United Nations Relief and Works Agency
- এটি জাতিসংঘের একটি সংস্থা।
- মূল কাজ: ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুনর্বাসন ও সামাজিক সেবা প্রদান।
- প্রতিষ্ঠিত: ৮ ডিসেম্বর ১৯৪৯
- প্রেক্ষাপট: ১৯৪৮ সালের আরব–ইসরায়েল যুদ্ধের ফলে বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি জনগণের শরণার্থী হয়ে পড়া।
- আইনি ভিত্তি: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজুলুশন 302 (IV) অনুযায়ী গঠিত।
- UNRWA পাঁচটি অঞ্চলে কাজ করে: জর্ডান, লেবানন, সিরিয়া, গাজা স্ট্রিপ, ওয়েস্ট ব্যাংক (ইসরায়েল অধিকৃত)।
- একজন ফিলিস্তিনি শরণার্থী হলেন যিনি:
- ১৯৪৬ থেকে ১৯৪৮ সালের মধ্যে ফিলিস্তিনে বাস করতেন।
- এবং ১৯৪৮ সালের সংঘর্ষে ঘরছাড়া হয়েছেন।
- পরবর্তীতে UNRWA-এর কার্যক্রম এলাকাগুলোর কোনো একটিতে আশ্রয় নিয়েছেন।
- সদর দপ্তর: আম্মান, জর্ডান (প্রশাসনিক দপ্তর), গাজা (অপারেশন হেডকোয়ার্টার)।
উল্লেখ্য,
- UNHCR বিশ্বব্যাপী শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করে।
- UNRWA শুধুমাত্র ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য কাজ করে।
- UNHRC হলো জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল ।
তথ্যসূত্র: UNRWA ওয়েবসাইট।