বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা

মোট প্রশ্ন১,৪৪৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা

PrepBank · পাতা / ১৫ · ৮০১৯০০ / ১,৪৪৪

৮০১.
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
  2. ৭ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা
  3. ৭ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা
  4. ৭ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

→ চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার- ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ।

-  সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
-  ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।

• মূল বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬  ও অর্থ মন্ত্রণালয়।

৮০২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুযায়ী, প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ
  2. শ্রীকাইল
  3. তিতাস
  4. বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৬৩৬৭ বি.ঘ.ফু)।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (পরিমাণ – ৫৭৫৫ বি.ঘ.ফু), এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বি.ঘ.ফু)
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৮১৪৮.৯ বি.ঘ.ফু) এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত। 

- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা - ১০৭টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে - বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের – ২২টি। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
৮০৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে-
  1. ময়মনসিংহ জেলা 
  2. রংপুর জেলা
  3. দিনাজপুর জেলা
  4. রাজশাহী জেলা
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৭০,৩৭,৬৬৪ মে. টন)।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।
উল্লেখ্য, 
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৮০৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী,মূল্যস্ফীতির হার কত?
  1. ৮.৫০%
  2. ১০.২০%
  3. ৯.৭৪%
  4. ৯.৭২%
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮০৫.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ এর স্লোগান কী?
  1. উন্নয়নের রোল মডেল ও বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ
  2. উন্নয়নের অভিযাত্রায় দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা
  3. উন্নয়নের অভিযাত্রা পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ
  4. উন্নয়নের অভিযাত্রায় ভিশন ২০৪১
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৩-২৪:
- ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩,
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩,
-  স্লোগান: উন্নয়নের অভিযাত্রায় দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- মাথাপিছু আয়: ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেট (অনুন্নয়ন বাজেট): ৪,৩৬,২৪৭ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের তুলনায় পরিচালন খরচ বেশি হলে এই ধরণের বাজেটকে 'অনুন্নয়ন বাজেট' নামে অভিহিত করা হয়।
- জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ মূলত একটি অনুন্নয়ন বাজেট।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪। 
৮০৬.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.১৭%
  2. ৪.৩৪%
  3. ৩.৩৪%
  4. ৫.৪২%
ব্যাখ্যা

• শিল্প (Industry) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের  প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১%।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.৮৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)

- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৮০৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশে কয়টি চিনিকল রয়েছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৪টি
  3. ১৩টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- চিনিকলগুলোতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫২,৯৪৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১,৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৮০৮.
চলতি বাজেটে সার্বিকভাবে (পরিচালন ও উন্নয়ন) সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. ক) স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন
  2. খ) পরিবহন ও যোগাযোগ
  3. গ) শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  4. ঘ) জনপ্রশাসন
ব্যাখ্যা
২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট অনুসারে,
• ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে, উন্নয়ন বাজেটের আকার: ২,৫৯,৬১৭ কোটি টাকা। 
• বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ সার্বিকভাবে (পরিচালন ও উন্নয়ন) জনপ্রশাসন খাতে যা বাজেটের ১৯.৯%। যা টাকার অংকে দাঁড়ায় ১,৩৪,৬৭০ কোটি টাকা। 
• উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত হলো - পরিবহন ও যোগাযোগ। এর বরাদ্দের পরিমাণ ৭০,১৬১ কোটি টাকা যা উন্নয়ন বাজেটের ২৭.০%। 

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩।
৮০৯.
বর্তমানে বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র-
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ২৯টি
  4. ৩১টি
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। গত ৯ আগস্ট, ২০২১ নতুন এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
- ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৮১০.
রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান -
  1. ক) ৪৪.৫৩%
  2. খ) ৩৬.৭২%
  3. গ) ৭৫.২৫%
  4. ঘ) ৮১.২৫%
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
⇨ অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%
⇨ এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
⇨ রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
⇨ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
⇨ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৮১১.
বাংলাদেশে বর্তমানে বনাঞ্চলের পরিমাণ -
  1. ক) ৬৩,০০,০০০ একর
  2. খ) ৬৩,০৩,০০০ একর
  3. গ) ৬৩,৬৩,০০০ একর
  4. ঘ) ৬৩,৬০,০০০ একর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- মোট আবাদী জমি: ১,৯৯,৭২,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা: ৫টি।
• রাঙ্গামাটি: ১৩,৭৮,৫৫৫ একর,
• বান্দরবান: ৭,৯৭,৫১৬ একর,
• বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২ একর,
• খাগড়াছড়ি: ৫,৫৪,১১৬ একর,
• খুলনা: ৫,৪৬,০৮১ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
৮১২.
বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি? (এপ্রিল, ২০২৫)
  1. বান্দরবান
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৮১৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের GDP প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৬.১০%
  2. ৫.০০%
  3. ৩.৯৭%
  4. ৪.৯০%
ব্যাখ্যা

• সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%। 

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাব: :

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৮১৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির নীট হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৯২.২৫ শতাংশ
  2. খ) ৯৪.১৭ শতাংশ
  3. গ) ৯৭.৩৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৯৯.০১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির নীট হার ৯৭.৩৪ শতাংশ।
- প্রাথমিক পর্যায়ে মোট শিক্ষার্থী : ২০১.২২ লক্ষ।
এর মধ্যে,
- ছাত্রের হার : ৪৮.৯২ শতাংশ
- ছাত্রীর হার : ৫১.০৮ শতাংশ।
- প্রাথমিকে ঝড়ে পড়ার হার : ১৭.৯ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১৭৪)
৮১৫.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৩.৮%
  2. ৫.৬%
  3. ৬.৫%
  4. ৮.৭%
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
৮১৬.
প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. তিতাস
  2. বিবিয়ানা
  3. বাখরাবাদ
  4. হরিপুর
ব্যাখ্যা
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।
   - এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। 
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।

- উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।
   - এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।

উৎস : বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১।
৮১৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর তথ্য অনুযায়ী মোট মৎস্য উৎপাদনের মধ্যে চিংড়ির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৪.৭৬%
  2. ৫.৫২%
  3. ৬.৪১%
  4. ৭.৩৯%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

• মোট মৎস্য উৎপাদন: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
• ইলিশ: ১১.৬৩%।
• চিংড়ি: ৫.৫২%।
• মেজরকার্প: ২২.০৬%।
• এক্সটিককার্প: ১১.০৯%।
• অন্যান্যকার্প: ২.৯৪%।
• তেলাপিয়া: ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
• মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৮১৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে কৃষিজাত পণ্য থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়__________।
  1. ক) ৭৮০.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ১,০৩৮.৩৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৪৩০.৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৯০৫.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে
- কৃষিজাত পণ্য থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৯০৫.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- তৈরি পোশাক  থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ১৩,১৯৯.৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- পাট ও পাটজাত পণ্য  থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ১,০৮৯.৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮১৯.
দেশে এক ফসলি জমির পরিমাণ কত? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ–২০২৪)
  1. ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর
  2. ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার একর
  3. ৪৭ হাজার একর
  4. ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২-২০২৩ অনুযায়ী -
- মোট আবাদযোগ্য জমি- ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৯৬ হাজার একর।

- মোট আবাদী জমি- ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ- ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার একর।
- বনাঞ্চল- ৬৩ হাজার ৬৩ লক্ষ ০০০ একর।

তার মধ্যে--
- এক ফসলি জমি - ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর।
- দুই ফসলি জমি - ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর।
- তিন ফসলি জমি - ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার একর।
- চার ফসলি জমি ৪৭ হাজার একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)

৮২০.
ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (EGDI) ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ১০১তম
  2. খ) ১০২তম
  3. গ) ১১১তম
  4. ঘ) ১২০তম
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (EGDI) - ২০২২
• প্রকাশকাল: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ (৩১তম)।
• প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান: United Nations Economic and Social affairs (UNDESA)।
• অর্ন্তগত দেশ: ১৯৩টি। 

প্রতিবেদনে বিশ্ব 
ই-গভর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (EGDI) – ২০২২ অনুসারে,
• শীর্ষ দেশ – ডেনমার্ক।
• সর্বনিম্ন দেশ – দক্ষিণ সুদান।  

প্রতিবেদনে সার্কভূক্ত দেশ   
• সার্কভূক্ত দেশসমূহে শীর্ষে – শ্রীলংকা (৯৫তম)। 
• সার্কভূক্ত দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ১১১তম। 
• ভাতর – ১০৫ তম।
• আফগানিস্তান – ১৮৪ তম। 

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
৮২১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল কত?
  1. ৭০.৮ বছর
  2. ৭১.৪ বছর
  3. ৭২.৩ বছর
  4. ৭৩.২ বছর
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
⇒ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে,
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

এছাড়াও,
- স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' অনুসারেও, দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২.৩ বছর।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮২২.
দেশের কতটি জেলায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমি রয়েছে?
  1. ২৮টি
  2. ২৯টি
  3. ৩৪টি
  4. ৩৫টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশের ৩৫টি জেলায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমি রয়েছে।
- বন বিভাগ নিয়ন্ত্রণাধীন বনভূমির পরিমাণ ১,৮৮০,৪৯৩.৭৩ হেক্টর।
- এটি দেশের মোট বনভূমির ৭৩ শতাংশ।
- দেশের মোট বনভূমির পরিমাণ ২,৫৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ : ২০২০)
৮২৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশ একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে-
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. ভারত
  4. চীন
ব্যাখ্যা
রপ্তানি পরিসংখ্যান:
- বাংলাদেশ দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: যুক্তরাষ্ট্রে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।


উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ ও রাজস্ববোর্ড।
৮২৪.
মূল্য সংযোজন কর (VAT) থেকে বাজেটের কত শতাংশ অর্থায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে? [মার্চ, ২০২০]
  1. ক) ১০.৫%
  2. খ) ১৮.৫%
  3. গ) ২৩.৫%
  4. ঘ) ২৩.৭%
৮২৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩' অনুযায়ী জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান কত?
  1. ক) ১.২৪%
  2. খ) ১.৭০%
  3. গ) ১.৮৫%
  4. ঘ) ২.৪১%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান: ১১.২০ শতাংশ।
• শস্য ও উদ্যান খাতের অবদান ৫.৫ শতাংশ।
• প্রাণি সম্পদ খাতের অবদান ১.৮৫ শতাংশ।
• বনজ সম্পদ খাতের অবদান ১.৭০ শতাংশ।
• মৎস্য সম্পদ খাতের অবদান ২.৪১ শতাংশ।

এছাড়াও,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ৪৭.৫৯ লক্ষ মে.টন। 
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার The State of World Fisheries and Aquaculture ২০২২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ ৩য়, বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম স্থান অর্জন করেছে। 
- পাশাপাশি বিশেষ সামুদ্রিক ও উপকূলীয় ক্রাস্টাশিয়ান্স ও ফিনফিস উৎপাদনে যথাক্রমে ৮ম ও ১১তম স্থান অধিকার করেছে। 
- এছাড়া বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১ম, তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৪র্থ এবং এশিয়ার মধ্যে ৩য় স্থান অধিকার করেছে। 
- বিশ্ববাজারে আর্থিক মন্দাবস্থা থাকা সত্ত্বেও ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭৪,০৪২.৬৭ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে আয় হয়েছে ৫,১৯১.৭৫ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ২৬.৯৬ শতাংশ বেশি। 
- এছাড়াও ২০২২-২৩ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৩,১১৭.৪৯ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে ৩,২২৬.০৩ কোটি টাকা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৮২৬.
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
  2. ৪ লক্ষ টাকা
  3. ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
  4. ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা:

- ​সাধারণ করদাতা =৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা = ৪ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা = ৫ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

​উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬।

৮২৭.
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮২৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে চরম দারিদ্রের হার কত?
  1. ৫.৫%
  2. ৫.৬%
  3. ৫.৭%
  4. ৫.৮%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন। (প্রতি বর্গ কিমিতে)
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৮২৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কয়টি?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৬
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
নতুন তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদনঃ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বাংলাদেশ ব্যাংক এর ৪০২ তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় দেশের ৬০ তম তফসিলি ব্যাংক হিসেবে চুড়ান্তভাবে অনুমোদন পায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড। এর প্রধান উদ্যোক্তা হলেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন। বর্তমানে দেশে ৬০টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণীজ্যিক ব্যাংক, ৩টি সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বাকি ৫১টি বেসরকারি ব্যাংক যার মধ্য়ে ৯টি বিদেশি মালিকানাধীন।
৮৩০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৬ শতাংশ
  2. ৫ শতাংশ 
  3. ৫.৫ শতাংশ
  4. ৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা

⇒ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

-  আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়ন শুরু হবে। 

• মূল জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:

- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ এবং বাসস ।

৮৩১.
বর্তমানে দেশে কয়টি বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে?
ব্যাখ্যা
- CAAB এর অধীনে বর্তমানে দেশে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৭টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর এবং ২টি স্টলপোর্ট রয়েছে।
- এই ১২টি বিমানবন্দর ও স্টলপোর্টের মধ্যে বর্তমানে ৮টি বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে।
- যাত্রী স্বল্পতার কারণে ২টি অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর ও ২টি স্টলপোর্টে কোন ফ্লাইট যাতায়াত করছে না।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
৮৩২.
বাংলাদেশের সর্বাধিক রফতানিকৃত পণ্য - (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪)
  1. পাট ও পাটের পণ্য
  2. ঔষধ
  3. সফটওয়্যার
  4. তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৩৩.
বাংলাদেশে প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় -
  1. গম
  2. তৈলবীজ
  3. তুলা
  4. চাল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আমদানি পরিস্থিতি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৩৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত কোনটি?
  1. ক) শিল্পখাত
  2. খ) সেবাখাত
  3. গ) কৃষিখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ খাতসমূহ:

- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত - কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪৫.৩৩ শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি - নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত।
- এর প্রবৃদ্ধির হার - ৮.১৮%।
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- এর প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
৮৩৫.
মূলধন বা উন্নয়ন বাজেটের প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ
  2. আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন
  3. নগদ প্রবাহ বৃদ্ধি
  4. সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

মূলধন বাজেট বা উন্নয়ন বাজেট:
- সরকারের মূলধন আয় ও ব্যয়ের হিসাব যে বাজেটে দেখানো হয় তাকে মূলধন বা উন্নয়ন বাজেট বলে।
- এ বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ও জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা।
- এ লক্ষ্যে সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস হতে অর্থসংস্থান করে।
- অভ্যন্তরীণ আয়ের উৎস হলো-রাজস্ব উদ্বৃত্ত, বেসরকারি সঞ্চয় ব্যাংক ঋণ ও অতিরিক্ত কর ধার্য করা ইত্যাদি।
- বৈদেশিক আয়ের উৎস হলো-বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক অনুদান ইত্যাদি।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায়- কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, মহিলা ও যুব উন্নয়ন, পরিবহণ ও যোগাযোগ, পল্লি উন্নয়ন ও গৃহায়ণ ইত্যাদি খাতে সরকার ব্যয় করে থাকে।
- এ বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি অর্জন।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৮৩৬.
নিচের কোন সময়টি অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদকে নির্দেশ করে?
  1. ক) জুন, ২০২০ - জুন, ২০২৫
  2. খ) জুলাই, ২০২০ - জুলাই, ২০২৫
  3. গ) জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
  4. ঘ) জুলাই, ২০২১ - জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের “পরিকল্পনা কমিশন” এর ‘সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (General Economic Division)’ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (Fiveyear Plan) প্রণয়ন করে থাকে।
• সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতির জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ আগেই শেষ হলেও অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কার্যকর হতে দেরি হয়। 
- এর মেয়াদকাল জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫। 
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে :-
১। কর্মসংস্থান তৈরিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
২। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
৩। সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৮৩৭.
বাংলাদেশে সরকারি মেডিকেল কলেজ কয়টি?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ৩৩টি
  3. গ) ১৪টি
  4. ঘ) ৩৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বর্তমানে ৩৭ টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। 
সর্বশেষ মেডিকেল কলেজ - বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ, সুনামগঞ্জ

উৎসঃ প্রথম আলো

৮৩৮.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপন্ন হয় -  (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর 
  3. নওগাঁ
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- মোট ভুট্টা উৎপাদন- ৪৫,৯২,৫০৭.৬৩ মে. টন।
- মোট ভুট্টা আবাদ হয়েছে- ১২,২৭,২৯৯.৩৭ একর।

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপন্ন হয় - দিনাজপুর জেলা ((৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন))
- ঠাকুরগাঁও জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট  ১,৭২,৪৯৮ একর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৮৩৯.
সার্বিকভাবে বর্তমানে ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা? [ জুলাই, ২০২৫]
  1. রংপুর
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. বগুড়া
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৭০,৩৭,৬৬৪ মে. টন)।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।

এছাড়াও,
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।
৮৪০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ
  2. কুষ্টিয়া
  3. খুলনা
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৮৪১.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে?
  1. ২,৪৩,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,৪৫,০০০ কোটি টাকা
  3. ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা
  4. ২,৭০,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩
- স্লোগান - উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।
- বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকা। 
- বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ।
- ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৯০ কোটি ও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা আহরণ করা হবে।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪।
৮৪২.
চলতি বাজেটে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা কত টাকা পর্যন্ত?
  1. ২.৫ লক্ষ টাকা
  2. ৩ লক্ষ টাকা
  3. ৩.৫ লক্ষ টাকা
  4. ৪ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা
- সাধারণ করদাতা : ৩ লক্ষ টাকা
- মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতা : ৩.৫ লক্ষ টাকা
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতা : ৪.৫ লক্ষ টাকা
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা : ৪.৭৫ লক্ষ টাকা।
(সূত্র: বাজেট বক্তৃতা : ২০২০-২০২১)
৮৪৩.
জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কোন খাতে?
  1. সেবাখাতে
  2. শিল্পখাতে
  3. কৃষিখাতে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে:
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার। 
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP) ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা। 
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২%। 
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা। 
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI) ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি/মূল্যস্ফীতি ৯.৭৪%। 
- অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি। 
- জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কৃষিখাতে। 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১১.০২% নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ৪৫.০০%। 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৭.৯৫% নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ১৭.০০%। 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান ৫১.০৪% নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ – ৩৮.০০%। 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪। 
৮৪৪.
জিডিপিতে মৎস্য সম্পদের অবদান কত?
  1. ৯.৯০%
  2. ৩.৫৭%
  3. ১৩.৪৭%
  4. ৬.৭৭%
ব্যাখ্যা

বর্তমানে জিডিপিতে বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের অবদান ৩.৫৭% ।
- কৃষি ও বনজ সম্পদের অবদান ৯.৯০%।
- শস্য ও শাকসবজি অবদান ৬.৭৭% ।
- এবং সামগ্রিক ভাবে জিডিপিতে কৃষির অবদান ১৩.৪৭% ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

৮৪৫.
জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসেব অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার? (মার্চ-২০২৬)
  1. ২.৫৪%
  2. ৩.৭১%
  3. ৪.৫৩%
  4. ৫.৮%
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব: 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%। 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

উল্লেখ্য,
→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং চূড়ান্ত জিডিপি সমীক্ষা।

৮৪৬.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিখাত কোনটি?
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. হিমায়িত মৎস্য
  3. পাট ও পাটজাত দ্রব্য
  4. ঔষধ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৮৪৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ-২০২০ অনুযায়ী, কত একর জমিতে ধানের চাষাবাদ করা হয়?
  1. ক) ৩ কোটি ৮২.১৩ লক্ষ
  2. খ) ২ কোটি ৮২.১৩ লক্ষ
  3. গ) ১ কোটি ২৮.৩৩ লক্ষ
  4. ঘ) ৩ কোটি ৫০ লক্ষ
ব্যাখ্যা
 কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ-২০২০ অনুযায়ী, 
- ধানের চাষাবাদ করা হয় ২ কোটি ৮২.১৩ লক্ষ একর জমিতে।
- ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৩ কোটি ৬৬.০৪ লক্ষ মেট্রিক টন। 
- গম উৎপাদনের  লক্ষ্যমাত্রা ১০.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন। 
- গম  চাষাবাদ করা হয় ৮.২১ লক্ষ একর জমিতে।
 
৮৪৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী,  বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত মার্কিন ডলার? 
  1. ৪২.১৫ বিলিয়ন
  2. ৪৫.৬০ বিলিয়ন
  3. ৪৮.৩০ বিলিয়ন
  4. ৫০.৭০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র:  অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৮৪৯.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুসারে, নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ -
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. চট্টগ্রাম
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 
- উচ্চ দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল (২৬.৯%)।
- নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা (১৪.৮%)।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
৮৫০.
২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে নীট বিনিয়োগের পরিমাণ ২৩৭০.৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশসমমূহ:
প্রথম - ‍যুক্তরাজ্য (৪৩৫.৩৬ মি. ডলার)
দ্বিতীয় – যুক্তরাষ্ট্র (২৭৭.১৫ মি. ডলার)
তৃতীয় – নরওয়ে (২০৬.০৩মি. ডলার)
চতুর্থ – সিঙ্গাপুর (১৯৯.৯৪ মি. ডলার)
বিনিয়োগের শীর্ষ খাত সমূহ:
প্রথম - পাওয়ার
দ্বিতীয় - ব্যাংকিং
তৃতীয় – টেক্সটাইল।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৮৫১.
বাংলাদেশে জিডিপি পরিমাপের জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
  1. উৎপাদন পদ্ধতি
  2. আয় পদ্ধতি
  3. ব্যয় পদ্ধতি
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
জিডিপি পরিমাপের জন্য তিনটি প্রধান পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়:
- উৎপাদন পদ্ধতি: মোট উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মূল্যের যোগফল।
- আয় পদ্ধতি: উৎপাদনের প্রতিটি উপাদান থেকে অর্জিত আয়ের যোগফল।
- ব্যয় পদ্ধতি: চূড়ান্ত ভোক্তাদের মোট ব্যয়ের যোগফল।
- এই তিনটি পদ্ধতির মাধ্যমে জাতীয় আয়ের সঠিক পরিমাপ করা সম্ভব।

বাংলাদেশে ব্যবহৃত পদ্ধতি: 
- বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বিবিএসও জাতীয় হিসাব পরিসংখ্যান প্রাক্কলনের কাজ জাতিসংঘ কর্তৃক প্রণীত সিস্টেম অব ন্যাশনাল একাউন্টস (এসএনএ) ২০০৮ এর দিকনির্দেশনা অনুসরণপূর্বক ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইন্ডস্ট্রিয়াল ক্লাসিফিকেশন (আইএসআইসি) অনুযায়ী করা হয়।
- উক্ত এসএনএ অনুযায়ী উৎপাদন পদ্ধতি, ব্যয় পদ্ধতি এবং আয় পদ্ধতিতে জিডিপি প্রাক্কলন করা যায়।
- বিবিএস উৎপাদন এবং ব্যয় পদ্ধতিতে জিডিপি প্রাক্কলন করে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক প্রকাশিত "National Accounts Statistics 2024" ।
৮৫২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. বগুড়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী- 
• ধান - ময়মনসিংহ।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
• পাট - ফরিদপুর।
• আলু - রংপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৮৫৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান কত?
  1. ১,৮৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ২,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ১,৯৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুযায়ী -
- মোট আবাদযোগ্য জমি:
- ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৯৬ হাজার একর।
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

- মোট আবাদী জমি- ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ- ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার একর।
- বনাঞ্চল- ৬৩ হাজার ৬৩ লক্ষ ০০০ একর।

তার মধ্যে--
- এক ফসলি জমি - ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর।
- দুই ফসলি জমি - ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর।
- তিন ফসলি জমি - ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার একর।
- চার ফসলি জমি ৪৭ হাজার একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)

৮৫৪.
বাজেটের ঘাটতি মেটানোর জন্য কত টাকা বৈদেশিক ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে?
  1. ক) ৳ ৬৩,৮৪৮ কোটি
  2. খ) ৳ ৫৮,৬৯৮ কোটি
  3. গ) ৳ ৭১,২২৬ কোটি
  4. ঘ) ৳ ৭৭,৩৬৩ কোটি
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০
৮৫৫.
জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান-
  1. ক) স্থিতিশীল
  2. খ) ক্রমহ্রাসমান
  3. গ) ক্রমবর্ধমান
  4. ঘ) দ্রুতবর্ধনশীল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।
স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে : ১৪.৭৪ শতাংশ
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে : ১৪.২৩ শতাংশ
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে : ১৩.৬৫ শতাংশ
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে : ১৩.৩৫ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৮৫৬.
বাজেট বলতে কী বুঝায়?
  1. বিগত আর্থিক বছরের আয়-ব্যয়
  2. আগামী আর্থিক বছরের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়
  3. যে কোন আর্থিক বছরের আয় ও ব্যয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেট বলতে বুঝায় - আগামী আর্থিক বছরের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়।
- ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩।
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- GDP'র প্রবৃদ্ধি - ৭.৫%।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪।
৮৫৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে (Development Budget) সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে কোন খাতটি?
  1. সুদ পরিশোধ
  2. প্রতিরক্ষা
  3. পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে  সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- দেশের বড় বড় মেগা প্রকল্প এবং অবকাঠামো নির্মাণের জন্য উন্নয়ন বাজেটে এই খাতটি শীর্ষ বরাদ্দ পেয়েছে।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত পরিবহন ও যোগাযোগ খাত।
- পরিবহন ও যোগাযোগ :৫৮,৭৫১ কোটি টাকা।
- পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ সুদ: ১ লক্ষ ২২ হাজার কোটি টাকা।

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
- প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন ২৩.৫%।
- দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি ১৪.০%।
- তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

৮৫৮.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে, জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান কত?
  1. ১.৮০%
  2. ২.২০%
  3. ৭.৮০%
  4. ১১.২০%
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান:
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে, জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৮০%, প্রবৃদ্ধির হার ৩.১৫%।
- কৃষিজ জিডিপি'তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১৬.৩৩%।

এছাড়াও,
- বর্তমানে মৎস্য সেক্টরে ১৪ লক্ষ নারীসহ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।
- জিডিপিতে ইলিশের অবদান শতকরা ১% এর বেশি।
- বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য পৃথিবীর ৫২টি'র অধিক দেশে রপ্তানি করছে।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ চীনকে টপকে বিশ্বে ২য় অবস্থানে উঠে এসেছে।
- জনসংখ্যার প্রায় ২০% প্রত্যক্ষ এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।
৮৫৯.
অর্থনীতি সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, কোন খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়? 
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  2. গৃহস্থালির কাজে
  3. সার উৎপাদনে
  4. বস্ত্র উৎপাদনে
ব্যাখ্যা

- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার – ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়।]
- শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]
- ক্যাপটিভ – ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার – ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উৎস: অর্থনীতি সমীক্ষা ২০২৪।

৮৬০.
২০২৩-২৪ বাজেটের লক্ষ্য কত সালের মধ্যে 'স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ'?
  1. ২০২৬ সাল
  2. ২০৩১ সাল
  3. ২০৩৬ সাল
  4. ২০৪১ সাল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- বাজেট পেশ: ১ জুন,২০২৩।
- বাজেট পেশ করেন: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৩।
- বাংলাদেশের অর্থবছর: ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
- এ বছরের বাজেট: ৫২তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP): ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা।
- করমুক্ত আয়সীমা: সাড়ে ৩ লাখ টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতি হার: ৬ শতাংশ।
- উন্নয়ন বাজেটের পরিমাণ: ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেটের পরিমাণ: ৪,৩৬,৫৮২ কোটি টাকা।
- বাজেটের মূল দর্শন হলো ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ। 

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৮৬১.
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এর কার্যক্রম শুরু হয় কবে থেকে?
  1. ২০০১
  2. ২০২০
  3. ২০২১
  4. ২০২২
ব্যাখ্যা
- ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি পানিসম্পদ কেন্দ্রিক একটি মহাপরিকল্পনা যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রণয়ন করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরুর মাধ্যমে ডেল্টা প্ল্যানের কার্যক্রমের শুরু হয়।

(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং প্রথম আলো)
৮৬২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ইউরোপের কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. অষ্ট্রিয়া
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. জার্মানি
  4. বেলারুশ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:

⇒ একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: যুক্তরাষ্ট্রে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।

⇒ একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: জার্মানি।
- রপ্তানি হার: ১১.২১%।

⇒ একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাজ্য।
- রপ্তানি হার: ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।
- রপ্তানি হার: ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৬৩.
টাকার পরিমানের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সর্বাধিক আমদানি পণ্য হলো - [বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ভোজ্যতৈল
  2. তুলা
  3. সুতা
  4. পেট্রোলিয়াম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৬৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশে কোন খাতে সবচেয়ে বেশি শ্রমশক্তি নিয়োজিত রয়েছে?
  1. শিল্প
  2. সেবা
  3. কৃষি 
  4. পর্যটন
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
খাত ভিত্তিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%.
- শিল্প: ১৭.৩৭%.
- সেবা: ৩৭.৯৬%.
- কৃষি খাতে শ্রমশক্তি সবচেয়ে বেশি নিয়োজিত।
• ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান:

- মোট ব্যাংক : ৬১টি।
- সরকারি বাণিজ্যক ব্যাংক: ৬টি।
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যক ব্যাংক: ৪৩টি।
- বিদেশী ব্যাংক: ৯টি।
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৫টি।

উৎস:অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৮৬৫.
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াট?
  1. ক) ১,০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ১,২৪০ মেগাওয়াট
  3. গ) ১,৩২০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২,৪০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত কয়লাভিত্তিক পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১,৩২০ মেগাওয়াট।
এটি বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। মোট ব্যয় ২.৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৬ সালের অক্টোবরে এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড)
৮৬৬.
২০২৫–২৬ অর্থবছরের সম্ভাব্য বাজেট কত ধরা হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সাড়ে নয় লাখ কোটি টাকা
  2. সাড়ে আট লাখ কোটি টাকা
  3. আট লাখ কোটি টাকা
  4. সাড়ে সাত লাখ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেট পরিকল্পনা: 
- আগামী অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার সাড়ে আট লাখ কোটি টাকা।
- চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের বাজেট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- নতুন বাজেটে ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো বাড়তি বরাদ্দের পরিকল্পনা।
- দেশি-বিদেশি ঋণ এবং রাজস্ব সংগ্রহের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করা হবে।
- মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপের জন্য নতুন আইন সংশোধনের উদ্যোগ।
- স্বাস্থ্য, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
- অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বাদ দিয়ে বিদেশি অর্থায়নের ওপর জোর দেওয়া হবে।
- সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতার জন্য বাড়তি বরাদ্দ থাকবে।
- মূল্যস্ফীতি: সরকার ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি: আগামী বছরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ৫.৫ শতাংশ।
- আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে, ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনও চ্যালেঞ্জিং হবে।
- পূর্বের এডিপি আকার ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা ছিল।
- বর্তমান সরকার তা সংশোধন করে ২ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকায় নামিয়ে আনে।
- নতুন বাজেটে এডিপি আকার হতে পারে ২ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো (৫ জানুয়ারি ২০২৫)।
৮৬৭.
রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়িত হলে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে -
  1. ৯.৬%
  2. ৯.৭%
  3. ৯.৮%
  4. ৯.৯%
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯ শতাংশ।
- গড় মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪ মার্কিন ডলার।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর।
- এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৪৬.৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায়ের হার দাঁড়াবে ২৪.১শতাংশ।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- দারিদ্র্য নিরসন, আয়বৈষম্য হ্রাস, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুত ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে এই রূপকল্প প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
৮৬৮.
বিবিএস প্রকাশিত জিডিপির চূড়ান্ত হিসেব অনুসারে, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ২,৭৩৮ ডলার
  2. ২,৮৪০ ডলার
  3. ৩,৮২০ ডলার
  4. ২,৮২০ ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি' হিসাব অনুসারে:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)। 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫,১০৯ টাকা (৮২ ইউএস ডলার)।

উৎস: বিবিএস।

৮৬৯.
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়?
  1. ক) চীন
  2. খ) ভারত
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় চীন থেকে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় ভারত থেকে।
- পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানির ক্ষেত্রে ২৭.২৮ ভাগ চীন থেকে আমদানি করা হয়েছে।

আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১৪,৩৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার  (২৭.২৮%)।
- ভারত: ৬,৫৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১২.৪৮%)।
- জাপান: ১,৮৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৫২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৭৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৩%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৬২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.০৮%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৬৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.২১%)।
- দক্ষিণ কোরিয়া: ১,০৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৮৭০.
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব বোর্ডের আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) সম্পূরক শুল্ক
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) মূসক
ব্যাখ্যা

- ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটের মোট আকার ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা।
বাজেটের অর্থসংস্থান:
- এনবিআর কর রাজস্ব : ৫৪.৭ শতাংশ
- অভ্যন্তরীণ ঋণ : ১৮.৮ শতাংশ
- বৈদেশিক ঋণ : ১৬.২ শতাংশ
- কর বহির্ভূত রাজস্ব : ৭.১ শতাংশ
- এনবিআর বহির্ভূত কর রাজস্ব : ২.৬ শতাংশ
- বৈদেশিক অনুদান : ০.৬ শতাংশ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়ের উৎস সমূহ:
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।

(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)

৮৭১.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারন করা হয়েছে?
  1. ক) ৮.৯ শতাংশ
  2. খ) ৯.৫ শতাংশ
  3. গ) ৯.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ৯.৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল নির্ধারন করা হয়েছে ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত।
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
- এই সময়ে গড় প্রবৃদ্ধি হার হবে ৯.৯ শতাংশ
- ২০৪১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্য হার ০.৬৮ শতাংশে এবং উচ্চ দারিদ্র্য হার ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৮৭২.
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ কত মেট্রিক টন?
  1. ৪৩.৮৪ লক্ষ মে. টন
  2. ৪৪.১৫ লক্ষ মে. টন
  3. ৪৫.০৩ লক্ষ মে. টন
  4. ৪৬.৩২ লক্ষ মে. টন
ব্যাখ্যা
- মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ : ২০১৯-২০২০ অনুযায়ী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন:
- মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ : ৪৫.০৩ লক্ষ মে. টন
- অভ্যন্তরীণ মৎস্য : ৩৮.৩২ লক্ষ মে. টন
- সামুদ্রিক মৎস্য : ৬.৭১ লক্ষ মে. টন
- অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে আহরণ : ১২.৪৮ লক্ষ মে. টন
- অভ্যন্তরীণ বদ্ধ জলাশয়ে চাষ : ২৫.৮৪ লক্ষ মে. টন
- ইলিশ উৎপাদন : ৫.৫০ লক্ষ মে. টন
- চিংড়ি উৎপাদন : ২.৪১ লক্ষ মে. টন।
(তথ্যসূত্র: মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৮৭৩.
What is the projected GDP growth rate in nominal terms as per our National Budget 2024-25?
  1. 6%
  2. 6.5%
  3. 6.75%
  4. 7.25%
  5. None
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:

- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৪.৭% ও বাজেটের ৩৩.২%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
৮৭৪.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রধান কাজ হলো-
  1. ক) কৃষি ফসলের জাত উদ্ভাবন
  2. খ) কৃষি উপকরণ সরবরাহ
  3. গ) কৃষি ঋণ বিতরণ
  4. ঘ) কৃষি বিষয়ক সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (BADC) প্রধান কাজ হলো - কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা।
এ লক্ষ্যে BADC উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা, সেচ প্রযুক্তি উন্নয়ন, ভূ-পরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণের মাধ্যমে সেচ দক্ষতা ও সেচকৃত এলাকা বৃদ্ধি এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্পন্ন সার সারবরাহ প্রভৃতি কাজ করে থাকে।
BADC ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
(সূত্রঃ BADC ওয়েবসাইট)
৮৭৫.
ফসলের বীজ আমদানির ক্ষেত্রে 'Post-Entry Quarantine Centre'- এর কাজ কি?
  1. ক) আমদানিকৃত বীজের সংরক্ষণ
  2. খ) আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষা
  3. গ) শস্য সংগ্রহোত্তর ফসলের ক্ষতি কমানো
  4. ঘ) আমদানিকৃত বীজের বিতরণ
ব্যাখ্যা
- আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষার জন্য Post-Entry Quarantine Centre স্থাপনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
- শস্য সংগ্রহোত্তর ফসলের ক্ষতি কমানোর জন্য - ‘Post Harvest Management’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
৮৭৬.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত হবে?
  1. ক) ২৮,০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ২৬,০০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ৩০,০০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ৩৪,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা: 
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
⇒ মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%। 
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার। 
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%। 
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%। 
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%। 
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর। 
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%। 
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট। 

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৮৭৭.
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বার্ষিক এডিপিতে বরাদ্দ কত?
  1. ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি
  2. ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি
  3. ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি
  4. ২ লাখ ৭৫ হাজার কোটি
ব্যাখ্যা
২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি: 
- মোট এডিপির পরিমাণ: ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- স্থানীয় উৎস থেকে: ১,৪৪,০০০ কোটি টাকা।
- প্রকল্প সহায়তা (বিদেশি অর্থায়ন): ৮৬,০০০ কোটি টাকা।
- মোট প্রকল্প সংখ্যা: ১,১৭১টি।
- স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা/করপোরেশন প্রকল্প: ৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকা।

খাতভিত্তিক শীর্ষ বরাদ্দ: 
- সর্বোচ্চ পরিবহন ও যোগাযোগ: ৫৮,৯৭৩ কোটি টাকা ।
- দ্বিতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: ৩২,৩৯২ কোটি টাকা।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ শিক্ষা: ২৮,৫৫৭ কোটি টাকা।ৎ

উল্লেখ্য,
- মোট বাজেট পরিমান:  ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
৮৭৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৫ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা কত?
  1. ১৭০.২৮ মিলিয়ন
  2. ১৭১.২৮ মিলিয়ন
  3. ১৭২.২৮ মিলিয়ন
  4. ১৭২.৮২ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৮৭৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৮৮০.
দেশে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ কত?
  1. প্রায় ৫০ লক্ষ হেক্টর
  2. প্রায় ৫৬ লক্ষ হেক্টর
  3. প্রায় ৬২ লক্ষ হেক্টর
  4. প্রায় ৬৮ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ ৫৬.২৭ লক্ষ হেক্টর।
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সেচের লক্ষ্যমাত্রা ৫৬.৩০ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ : পৃষ্ঠা-৯৫)
৮৮১.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনার খাত কয়টি? [মে, ২০২৫]
  1. ১৫টি
  2. ১৯টি
  3. ২৪টি
  4. ২৬টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জিডিপির হিসাব প্রাক্কলনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
- আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত System of National Accounts (SNA) ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে বিভিন্ন দেশ জিডিপি প্রাক্কলন করে।
- জিডিপি নিরূপণে তিনটি পদ্ধতি: উৎপাদন (Production Aproach), আয় (Income Approach) এবং ব্যয় (Expenditure Approach) পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- তবে বাংলাদেশ উৎপাদন ও ব্যয় ভিত্তিক জিডিপি প্রণয়ন করে।
- উৎপাদন ভিত্তিতে জিডিপি প্রাক্কলনে অর্থনীতিকে ৩টি বৃহৎ খাত তথা: কৃষি, শিল্প ও সেবায় বিভক্ত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনার খাত ১৯টি। 
- বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার বিশেষ করে সেবা খাতে নতুন নতুন খাত/উপখাত অর্থনীতিতে যুক্ত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৮৮২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জ্বালানি উৎস কোনটি?
  1. ক) ফার্নেস অয়েল
  2. খ) গ্যাস
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) ডিজেল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস: 
গ্যাস - ৫১.৩৫%
ফার্নেস অয়েল - 27.86%
কয়লা - ৮.০১% 
ডিজেল – ৫.৮৫%
 বিদ্যুৎ আমদানি – ৫. 26%
জলবিদ্যুৎ – ১.০৪%
নবায়নযোগ্য জ্বালানি - ১.০৪%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৮৮৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব -
  1. ক) ১১৫৯/বর্গ কি.মি.
  2. খ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
  3. গ) ১১৬২/বর্গ কি.মি.
  4. ঘ) ১১৩৮/বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য সাময়িক হিসাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশের -

- মোট জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৮ লাখ
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৭%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১৪০/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৮ বছর

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৮৮৪.
২০২৬-২৭ সালে প্রস্তাবিত সাধারণ করদাতা করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ৩,২৫,০০০ টাকা
  2. ৩,৫০,০০০ টাকা
  3. ৩,৭৫,০০০ টাকা
  4. ৪,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয়সীমা:
২০২৫-২৬, ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের করমুক্ত আয়সীমা নিম্নরূপ
ক্যাটাগরি
করমুক্ত আয়সীমা (টাকা) (২০২৫-২৬)
• সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।

প্রস্তাবিত করমুক্ত আয়সীমা (টাকা) (২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮):
• সাধারণ করদাতা: ৩,৭৫,০০০ টাকা
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,২৫,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,২৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত 'জুলাই যোদ্ধা' - ৫,২৫,০০০ টাকা।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

৮৮৫.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
কাঁঠাল উৎপাদন:  
• মোট উৎপাদন: ১০,৪৯,৮৯০ মেট্রিক টন। 
• আবাদযোগ্য জায়গা: ৬৯,১৬১ একর। 

• বিভাগ হিসেবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় 
- প্রথম ঢাকা বিভাগ (২,৭০,২৪৯ মেট্রিক টন) ও আবাদযোগ্য জায়গা: ১৫,০২৬ একর। 
- দ্বিতীয় চট্রগ্রাম বিভাগ (১,৯০,৪৫১ মেট্রিক টন) ।

• জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় 
- প্রথম গাজীপুর জেলা (১.০১৭৫১ মেট্রিক টন) ও আবাদযোগ্য জায়গা: ৬,৬৮৪ একর।
- দ্বিতীয় কুষ্টিয়া  জেলা (৭৫,১৩৪ মেট্রিক টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২। 
৮৮৬.
চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
FAO এর তথ্যানুসারে মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- চাষকৃত মাছ উৎপাদনে : পঞ্চম।
- অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে : তৃতীয়।
- ইলিশ মাছ উৎপাদনে : প্রথম।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে চাষকৃত মাছের পরিমাণ প্রায় ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
৮৮৭.
পাট রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ-
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ভারত
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- পাট রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশ- প্রথম।
- পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ- দ্বিতীয়।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- ভারত।
- পাট রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ- বাংলাদেশ।
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস।

৮৮৮.
২০২৪ সালে প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, জিডিপি কয়টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
• কৃষি: ১১.০২%।
• শিল্প: ৩৭.৯৫%।
• সেবা: ৫১.০৪%।
- ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
• কৃষি:৪৫%।
• শিল্প: ১৭%।
• সেবা: ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৮৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে, দেশের মোট জিডিপির কত শতাংশ মৎস্য খাতের অবদান?
  1. ক) ৭.৫০ শতাংশ
  2. খ) ৫.৭৪ শতাংশ
  3. গ) ৩.৫৭ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.৫০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- মৎস্য খাতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৫.৭৪ শতাংশ।
- দেশের মোট জিডিপির ৩.৫৭ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র ২৬.৫০ শতাংশ মৎস্য খাতের অবদান।
- ২০১৯-২০ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদন হয়েছে ৪৫.০৩ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
৮৯০.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে,  উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

এছাড়াও,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৮৯১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুযায়ী দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৮.৫৬%
  2. ১১.৯১%
  3. ২১.৩০%
  4. ৫.৪৯%
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন (২০২১ - ২২)
• মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৭,৫৮,৭৩১ মে.টন।
• মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪০,৫২,৭০১ মে.টন।
• লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৭,০৬,০৩০ মে.টন।

বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ও শতকরা পরিমাণ:
• ইলিশ - ৫,৬৬,৫৯৩ মেট্রিক টন (১১.৯১%)
• চিংড়ি - ২,৬১,১৫৪ মেট্রিক টন (৫.৪৯%) 
• মেজর কার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ১০,১৩,৮১২ মেট্রিক টন (২১.৩০%) 
• এক্সটিক কার্প (সিলভার কার্প, গ্রাস কার্প, ইত্যাদি) -  ৫,২৮,৭৮৮ মেট্রিক টন (১১.১১%) 
• অন্যান্য কার্প (কালি বাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ১,৩৩,৪৬৫ মেট্রিক টন (২.৮০%) 
• তেলাপিয়া -  ৪,০৭,৩৫৯ মেট্রিক টন (৮.৫৬%) 
• পাঙ্গাস - ৪,০৬,১৮৫ (৮.৫৪%)। 

[বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় ইলিশের আহরণ বেড়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৭১ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।]

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
৮৯২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে কতটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে? 
  1. ৬টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাতের ৩টি বৃহৎ খাতে অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা,কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৮৯৩.
অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত কোনটি?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) পরিবহন খাত
  4. ঘ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত - কৃষিখাত। 
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। 
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
 
তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৮৯৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ কত?
  1. ৬৩ লক্ষ ৪১ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
  2. ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
  3. ৬২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
  4. ৬৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
ব্যাখ্যা
- মোট বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা (৫টি)
এগুলো হল - 
- রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
- বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
- বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২
৮৯৫.
জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) সপ্তম
  2. খ) অষ্টম
  3. গ) নবম
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম
- সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৩য়।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৫ম।

- জনসংখ্যা - ১৬ কোটি ৭৯ লাখ। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ০.৯%।
- নারী প্রতি প্রজনন হার - ১.৯ জন।
- গড় আয়ু : পুরুষ ৭২ বছর ও নারী ৭৫ বছর।

তথ্যসূত্র:- বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২২।
৮৯৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২১ অনুসারে মৎস্য খাতে প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৬.৭৪ শতাংশ
  2. খ) ৫.৭৪ শতাংশ
  3. গ) ৫.২৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরে মৎস্ উৎপাদন হয়েছে ৪৫.০৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
- মৎস্য খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৭৪ শতাংশ।
- দেশের মোট জিডিপির ৩.৫৭ শতাংশ আসে মৎস্য খাত থেকে।
- আবার কৃষিজ জিডিপি’র ২৬.৫০ শতাংশ মৎস্য খাতের অবদান।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
৮৯৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় আলুর উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর 
  3. ঠাকুরগাঁও 
  4. পাবনা 
ব্যাখ্যা

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৮৯৮.
বাংলাদেশের পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------- 
• পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান — ৭ টি।

• সংস্থাগুলোর নাম: 
- বাংলাদেশ সমুদ্র পরিবহন কর্পোরেশন,
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন,
- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন,
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- বাংলাদেশ স্থল-বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৮৯৯.
২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৬.৩%
  2. ৬.৮%
  3. ৮.১৫%
  4. ৭.৮৬%
ব্যাখ্যা
⇒ ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৮.৫%।

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
৯০০.
২০২২-২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হয় কত তারিখ?
  1. ক) ১ জুন, ২০২৩
  2. খ) ৬ জুন, ২০২৩
  3. গ) ২৬ জুন, ২০২৩
  4. ঘ) ১ জুলাই, ২০২৩
ব্যাখ্যা
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হয় ৬ জুন, ২০২৩।
- জিডিপির আকার ৫০,০৬,৭৮২ কোটি টাকা।
- অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.৫%।
- বাজেটের আকার ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।