বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা

মোট প্রশ্ন১,৪৪৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা

PrepBank · পাতা / ১৫ · ৪০১৫০০ / ১,৪৪৪

৪০১.
বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক কোন জেলায়?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. পিরোজপুর
  4. বরগুনা
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উল্লেখ্য, 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৪০২.
অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বেশি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. মৎস্য খাত
  2. শিল্প খাত
  3. সেবা খাত
  4. কৃষি খাত
ব্যাখ্যা
⇔ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে শিল্প খাতে কর্মসংস্থান বেশি।

খাতভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
• জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
• জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪০৩.
বাংলাদেশের জিডিপি এর প্রধান খাত কী?
  1. ক) কৃষি
  2. খ) শিল্প
  3. গ) পরিবহন
  4. ঘ) সেবা
ব্যাখ্যা
বিবিএস রিপোর্ট ২০২২-২৩:
- কৃষি, শিল্প ও সেব - এ তিনটি প্রধান খাত ধরে গণনা করা হয় GDP।
- জিডিপি এর প্রধান খাত - সেবা খাত।
- GDP এর সাময়িক হিসাব অনুযায়ি,
- কৃষি খাতের অবদান - ১১.৩৮ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান - ৩৫.৫৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার - ৮.১৮ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান - ৫৩.০৭ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার - ৫.৮৪ শতাংশ। 

→ তথ্যসূত্র: বিবিএস রিপোর্ট ২০২২-২৩
৪০৪.
বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ইউনিসেফ
  2. খ) আইএমএফ
  3. গ) বিশ্বব্যাংক
  4. ঘ) জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
• ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখা হয়।
- আগে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে ছিল, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ ডলার।
- বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী তা এখন ১ হাজার ৪৫ ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে।
- এ কারণেই নতুন তালিকায় নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হতে পেরেছে বাংলাদেশ।

• উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ,
- অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
৪০৫.
বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি সাধারণত জিডিপির কত শতাংশের মধ্যে থাকে?
  1. ৫%
  2. ৬%
  3. ৭%
  4. ৮%
ব্যাখ্যা
ঘাটতি বাজেট:
- কোনো আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত আয় অপেক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হলে তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।
- বাজেটের এ ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঋণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান নিয়ে থাকে।
- ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়।
- সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।

⇒ বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি সাধারণত জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে থাকে।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় বাজেট ঘাটতি ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতির পরিমাণ জিডিপির ৪ শতাংশের নিচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

উৎস: i) অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.
৪০৬.
২০২২ সালে দক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা কত শতাংশ?
  1. ৭৩.৬৯%
  2. ২২.২২%
  3. ৩.৭৭%
  4. ০.৩২%
ব্যাখ্যা
-  ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বাধিক রেমিটেন্স (১৭.৮%) এসেছে।
- সৌদি আরব থেকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিটেন্স এসেছে যা প্রায় ১৭.৭%।
- ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২১৩,৫৭২ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- তার মধ্যে সৌদি আরব গিয়েছে সবচেয়ে বেশি ৮৫,৩১৯ জন।
- ২০২২ সালে শ্রেণিভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা:
• স্বল্প-দক্ষ ৭৩.৬৯%
• দক্ষ ২২.২২%
• আধা-দক্ষ ৩.৭৭%
• পেশাজীবী- ০.৩২%
- পূর্বের বছরগুলোতে দেখা গিয়েছে, স্বল্প-দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে নগদ সহায়তা প্রদান: 'বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদানের নীতিমালা' রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে ২.৫ শতাংশ।
- এক্ষেত্রে রেমিটারের কাগজপত্রাদি বিদেশস্থ এক্সচেঞ্জ হাউজ হতে প্রেরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- এজন্য, কাগজপত্রাদি দাখিল/যাচাই পদ্ধতি সহজীকরণ করা হয়েছে।

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ ।  
৪০৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটের পরিমাণ কত?
  1. ৬ লাখ ৯৭ হাজার কোটি
  2. ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি
  3. ৭ লাখ ৮৯ হাজার কোটি
  4. ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। 
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
৪০৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নিচের কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করে?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

⇒ আমদানি ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%।

⇒ আমদানি ক্ষেত্রে তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ৩৬.২৭%
  2. ৩৭.৯৫%
  3. ৩৮.৪৯%
  4. ৩৯.৮১%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪১০.
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কত?
  1. ক) ১,৭৩,০০০
  2. খ) ১,৯৩,০০০
  3. গ) ২,০২,৭২১
  4. ঘ) ২,০৭,২৭১
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি- ২,০২,৭২১ কোটি টাকা।
৪১১.
বাংলাদেশের বর্তমানে উৎপাদনে শীর্ষ গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. তিতাস
  2. বিবিয়ানা
  3. জালালাবাদ
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দেশের ২০টি গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।
উৎপাদনে শীর্ষ গ্যাসক্ষেত্রসমূহ (দৈনিক):
- প্রথম : বিবিয়ানা (৩৪ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : তিতাস (১০.৫ শতাংশ)
- তৃতীয় : জালালাবাদ (৫.৬ শতাংশ)
- চতুর্থ : হবিগঞ্জ (৪.৪ শতাংশ)।
(তথ্যসূত্র: পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট)
৪১২.
বৈদেশিক বাণিজ্যে নিচের কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বিদ্যমান?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সার্বিক বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি বিদ্যমান।
- গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাণিজ্য ভারসাম্যে ঘাটতি ছিলো ১৭.৮৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- তবে কয়েকটি দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত রয়েছে।
এগুলোর মধ্যে:
- প্রথম : জার্মানি (৪.২৩ বি. ড.)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩.৭ বি. ড.)
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য (২.৯ বি. ড.)।
অন্যদিকে,
-- বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান চীনের সাথে। দ্বিতীয় সর্বাধিক ভারতের সাথে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৪১৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার-
  1. ৫.৮২%
  2. ৫.৬%
  3. ৯.৭৪%
  4. ৬.৮২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- ২য় সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।
- মোট জনসংখ্যা ১৭১ মিলিয়ন (২০২৩ শুমারি)
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৩%
- সাক্ষরতার হার (৭+ বয়স) ৭৭.৯% (পুরুষ ৮০.১ মহিলা ৭৫.৮ শতাংশ)
- দারিদ্রের হার ১৮.৭ %,চরম দারিদ্র্যের হার ৫.৬%
- জিডিপি ‘র প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২%।
- মাথাপিছু আয় ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট ব্যাংক ৬১ টি
- রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি
- বিশেষায়িত ব্যাংক ৩ টি
- বেসরকারি ব্যাংক ৪৩ টি
- বৈদেশিক ব্যাংক ৯ টি,নন ব্যাংক ফিনানসিয়াল প্রতিষ্ঠান ৩৫টি।
- মুদ্রাস্ফীতি ৯.৭৪%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪১৪.
সার্বিকভাবে বাংলাদেশের জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি 
  2. ১৯টি 
  3. ২১টি
  4. ২৩টি
ব্যাখ্যা

→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব: 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%। 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৪১৫.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের আকার কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
  2.  ৭ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  3. ৭ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা
  4. ৭ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

 • বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

৪১৬.
একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. ভোজ্যতৈল
  2. তুলা
  3. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  4. গম
ব্যাখ্যা
আমদানি ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে)  : 
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।

উল্লেখ্য,
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি;
- সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎস: অর্থনীতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৪১৭.
ADP প্রণীত হয় কত সময়ের জন্যে?
  1. ক) ১ বছর
  2. খ) ২ বছর
  3. গ) ৪ বছর
  4. ঘ) ৫ বছর
ব্যাখ্যা
ADP (Annual Development Programme) হলো বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা উন্নয়ন বাজেট যা ১ বছরের জন্যে ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে ADP এর আকার ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা।
(সূত্রঃ অর্থনীতি : নবম-দশম শ্রেণী এবং অর্থবিভাগ)
৪১৮.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. হিমায়িত খাদ্য
  2. চামড়া
  3. কৃষিজাত পণ্য
  4. নীটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%।

অন্যদিকে,
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.১১%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৮৬%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৪১৯.
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের দ্বিতীয় প্রধান খাত কোনটি?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ (২০২১-২০২২ অর্থবছর):
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
৪২০.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণ করবে?
  1. ক) ২০২০ সালে
  2. খ) ২০২১ সালে
  3. গ) ২০২৪ সালে
  4. ঘ) ২০২৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ভাবে এলডিসি তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন প্রথম ১৯৭১ বিশ্বের সর্বাধিক অনুন্নত দেশসমূহ নিয়ে LDC তালিকা প্রণয়ন করে। বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বর্তমানে এলডিসি তালিকায় ৪৭টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৫টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৪২১.
২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কোনটি?
  1. ক) খাদ্য মন্ত্রণালয়
  2. খ) স্থানীয় সরকার বিভাগ
  3. গ) অর্থ বিভাগ
  4. ঘ) কৃষি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ওয়ারি সর্বোচ্চ বরাদ্দ
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হচ্ছে - 
• অর্থ বিভাগ - ১১১,৬৯৩ কোটি টাকা।
• স্থানীয় সরকার বিভাগ - ৪১,৭০৭ কোটি টাকা।
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ - ৩৯,৯৬১ কোটি টাকা।
• স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ - ২৯,২৮১ কোটি টাকা।
• কৃষি মন্ত্রণালয় - ২৪,২২০ কোটি টাকা।
• খাদ্য মন্ত্রণালয় - ৫,৬৭১ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৪২২.
সংশোধিত জাতীয় বাজেটে (২০২৫-২৬) মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে? 
  1. ৫ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• সংশোধিত জাতীয় বাজেট (২০২৫-২৬):
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- এই বৈঠকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বাজেটটি ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
- চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমায় বাজেটের শেষ নাগাদ এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

- সংশোধিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমিয়ে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমানোর জন্য উন্নয়ন ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে।
- সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা।
- এবং দেশীয় অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা।
- সংশোধিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এছাড়া সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৩ শতাংশ।
- এই ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে ৬৩ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা 

৪২৩.
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে সার্বিক কৃষিখাতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ক) ২৯,৫১৫ কোটি টাকা
  2. খ) ৩১,৯১২ কোটি টাকা
  3. গ) ৩৪,২৪০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৩৬,১৪৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ৩১,৯১২ কোটি টাকা।
- কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৯,৫০০ কোটি টাকা।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪২৪.
২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বিধবা ভাতার পরিমাণ কত টাকা?
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
ব্যাখ্যা

বিধবা ভাতা:
- ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- ঐ অর্থ বছরে ৪ লক্ষ ৩ হাজার ১১০ জনকে এককালীন মাসিক ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রবর্তিত এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্নমেন্ট টু পারসন) সফলভাবে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ২৯ লক্ষ জনের জন্য জনপ্রতি মাসিক ৬৫০ টাকা হারে মোট ২২৭৭.৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান।
২. পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি।
৩. আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদার করা।
৪. চিকিৎসা সহায়তা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।

৪২৫.
জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে খাতভিত্তিক বিভাজনে কয়টি বৃহৎ খাত রয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
৩টি বৃহৎ খাতঃ কৃষি, শিল্প ও সেবা
৪২৬.
বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. ঔষধ
  2. ভোজ্যতৈল
  3. সার
  4. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

• শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।

আমদানি পরিস্থিতি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৪২৭.
বাংলােদেশ অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে বেশি কর্মসংস্থান হয়? 
  1. শিল্প খাতে
  2. সেবা খাতে
  3. কৃষি খাতে
  4. পর্যটন খাতে
ব্যাখ্যা

- বাংলােদেশ অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে বেশি কর্মসংস্থান হয় কৃষি খাতে ।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:

- খাত ভিত্তিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%.
- শিল্প: ১৭.৩৭%.
- সেবা: ৩৭.৯৬%.
- কৃষি খাতে শ্রমশক্তি সবচেয়ে বেশি নিয়োজিত।

অপরদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৪২৮.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৫.৬৮%
  2. ৯.৯৪%
  3. ৭.৬৬%
  4. ৬.৯৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------- 
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার ৬.৯৪%।
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
------------------------ 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪২৯.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ২৭৬৫ মার্কিন ডলার
  2. ২৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২৯০০ মার্কিন ডলার
  4. ২৬৮০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৪৩০.
২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা কত?
  1. ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার
  2. ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার
  3. ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার
  4. ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার
ব্যাখ্যা
• করমুক্ত আয়সীমা:
 - বর্তমানে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- ২০২৬-২৭ও ২০২৭-২৮ করবর্ষের জন্য স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
- গেজেটভুক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত "জুলাই যোদ্ধা” করদাতাদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
------------------------------------------------------------

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- প্রিয় দেশবাসী

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
৪৩১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. কিশোরগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
​- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

​অন্যদিকে, 
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৪৩২.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপন্ন হয়?
  1. রাজশাহী
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. ঝিনাইদহ
  4. নওগাঁ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৪৩৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় কত ধরা হয়েছে?
  1. ২,২২,০৬৩ কোটি টাকা
  2. ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা
  3. ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা
  4. ১৭,২৬১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
- ভর্তুকি, প্রণোদনা ও চলতি স্থানান্তরে খরচ ২,২২,০৬৩ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচিতে ব্যয় ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা।
- কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ১৭,২৬১ কোটি টাকা। 

উৎস: জাতীয় বাজেট (২০২৪-২৫)
৪৩৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ১.১২%
  2. ১.৩৩%
  3. ১.৩৭%
  4. ১.৩৯%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, 

• আয়তন ১,৪৭,৫৭০ (বর্গ কি. মি.) ।
• মোট জনসংখ্যা ১৭১.০০ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি।
• জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (২০২৩) ১.৩৩%। 
• জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৭১/বর্গ কি.মি.। 
• গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর। (পুরুষ – ৭০.৮, নারী – ৭৩.৮) 
• সাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৭.৯% (পুরুষ – ৮০.১%, নারী – ৭৫.৮%) 
• পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩) ৯৬.৩: ১০০ । 
• চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP) ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা । 
•  স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP) ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা । 
• স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২% । 
• চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা । 
• চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI) ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার। 
• মুদ্রাস্ফীতি/মূল্যস্ফীতি ৯.৭৪%

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
৪৩৫.
'৬৪ জেলার বায়ুদূষণ সমীক্ষা-২০২১' অনুসারে বায়ুদূষণে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. মাদারীপুর
  2. ঢাকা
  3. গাজীপুর
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
৬৪ জেলার বায়ুদূষণ সমীক্ষা-২০২১:
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) “৬৪ জেলার বায়ুদূষণ সমীক্ষা-২০২১” শিরোনামে প্রতিবিদনটি প্রকাশ করে।
বায়ু দূষণে শীর্ষ জেলা গাজীপুর (২৬৩:৫১ মাইক্রোগ্রাম)।
সবচেয়ে কম মাদারীপুর (৪৯.০৮ মাইক্রোগ্রাম)।
বায়ু দূষণে শীর্ষ শহর ঢাকা (২৫২.৯৩ মাইক্রোগ্রাম)।
সবচেয়ে কম রাজশাহী শহর (৫৬.৪১ মাইক্রোগ্রাম)।
বায়ুতে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণার দৈনিক আদর্শ মান ৬৫ মাইক্রোগ্রাম। 
অতি ক্ষুদ্রকণা বলতে ২.৫ মাইক্রন বা তার কম আকারের বস্তুকণাকে বোঝায়। 

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৩৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)। ১৯টি খাত:
১. কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২. খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩. ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫. পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬ নির্মাণ।
৭.. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮. পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯. আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০. তথ্য ও যোগাযোগ।
১১. আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২. রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩. পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪ .প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫. জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬. শিক্ষা।
১৭. মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮. শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯. অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৩৭.
বাংলাদেশের অর্থবৎসরের সময়কাল নিচের কোনটি?
  1. ১ জানুয়ারি - ৩১ ডিসেম্বর
  2. ১ জুলাই – ৩০ জুন
  3. ১ জুলাই – ৩১ জুলাই
  4. ১ জানুয়ারি - ৩০ জুন
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট:
- বাজেট (সরকারি) একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর, যা একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৪৩৮.
বাংলাদেশে উৎপাদনভিত্তিক জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সর্বাধিক? (মার্চ-২০২৬)
  1. সেবাখাত 
  2. শিল্পখাত
  3. কৃষিখাত 
  4. তথ্য প্রযুক্তি খাত
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে উৎপাদনভিত্তিক জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সর্বাধিক।

অর্থনীতি/জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান : 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

উল্লেখ্য,
→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং সমসাময়িক জিডিপি সমীক্ষা।

৪৩৯.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপন্ন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. রংপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।

৪৪০.
২০২৫-২৬ সালের বাজেটের আকার-
  1. ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
  2. ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
  3. ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
  4. ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
ব্যাখ্যা

 • বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ অর্থ মন্ত্রণালয়।

৪৪১.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় বাজেট তৈরি করে?
  1. পরিকল্পনা কমিশন
  2. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  3. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  4. অর্থ বিভাগ
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট:
- বাজেট (সরকারি) একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর, যা একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪৪২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, ধান উৎপাদনে শীর্ষজেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রংপুর
  3. বগুড়া
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)।

• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন:
- প্রথম: ফরিদপুর জেলা (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: পাবনা জেলা (৫,৬৯,১৩৭ মে. টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৪৪৩.
বাংলাদেশের জিডিপিতে বৃহৎ শিল্প খাতের নিচের কোনটির অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) নির্মাণ
  2. খ) খনিজ ও খনন
  3. গ) বিদ্যুৎ, গ্যাস নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  4. ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে বৃহৎ শিল্পখাত ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হল খনিজ ও খনন, ম্যানুফ্যাকচারিং, বিদ্যুৎ, গ্যাস বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ এবং নির্মাণ।
- এর মধ্যে জিডিপি'তে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সর্বোচ্চ।

• শিল্প খাত (বৃহৎ): ৩৭.৫৬%,
• খনিজ ও খনন: ১.৭৫%,
• ম্যানুফ্যাকচারিং: ২৪.৯৫%, 
• বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: ১.২১%, 
• পানি সরবরাহ: ০.১০%,
• নির্মাণ: ৯.৫৫%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৪৪৪.
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে সর্বোচ্চ অবদান কোন খাতের?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• সাময়িক হিসাবে ২০২১-২২ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের জিডিপিতে অবদান –   
- সেবাখাত -  ৫১.৪৪%
- শিল্পখাত - ৩৭.০৭%
- কৃষিখাত - ১১.৫০%

- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত – কৃষিখাত।
আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার: ১০.৪৪%।
অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ২.২০%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
৪৪৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয় ফরিদপুর জেলায় (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)। 

এছাড়া,
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)। 
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)।

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)। 
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)। 

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)। 
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
৪৪৬.
২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার ছিল -
  1. ২১.৫%
  2. ১৭.২%
  3. ১২.৯%
  4. ৭.৫%
ব্যাখ্যা
২০২০ সাল নাগাদ, 
প্রাথমিকে ভর্তির হার - ৯৭.৮১%  এবং ঝরে পড়ার হার - ১৭.২% .
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
৪৪৭.
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে কোন খাতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?
  1. কৃষি ও বনজ
  2. মৎস্য
  3. শিল্প
  4. স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি।

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ, কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৩০%।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ, শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৫১%। 
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ, সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৫.০৯%।

উল্লেখ্য,
- ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাবের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

⇒ চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে,
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৩০% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.২১%)।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৫১% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৬.৬৬%)।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৫.০৯% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮০%)।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৪৮.
সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় কোন জেলায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ 
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- বাংলাদেশে মোট ধানের (আউশ + আমন বোরো) উৎপাদন- ৪,০৬,৯৭,৪৬৯ মে. টন। 
- মোট ধানের আবাদ হয়েছে- ২৮,৮১,৯৮,০৮ একর।

- জেলা হিসেবে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে - ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।
- বিভাগ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে- রংপুর বিভাগে।

উল্লেখ্য,
-  লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-পাবনা জেলা।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৪৪৯.
বাংলাদেশের GDP'র সাময়িক হিসাব (২০২৪-২৫) অনুসারে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৭৯%
  2.  ১.৫৯%
  3.  ১.৭৭%
  4.  ১.৭৯%
ব্যাখ্যা

• GDP'র সাময়িক হিসাব: ২০২৪-২৫:

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৪৫০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০ অনুসারে কোন খাতে সর্বাধিক পরিমাণ শ্রমশক্তি নিয়োজিত?
  1. ক) কৃষি
  2. খ) শিল্প
  3. গ) সেবা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সার্বিকভাবে, বাংলাদেশের জিডিপি ১৫টি খাত নিয়ে গঠিত।
-জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত ও ছােট খাত - কৃষিখাত।
-কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎ খাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছােট খাত -শিল্পখাত(২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
-অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত, শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার- ৬.৪৮%। অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার- ৩.১১%।
-সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান - ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রম বর্ধমান।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০।
৪৫১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপির উৎপাদনের ভিত্তিতে বৃহৎ খাত- 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৯টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে  বৃহৎ খাত- ৩টি।

• জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান:

- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাতের ৩টি বৃহৎ খাতে অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা,
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত
- ও সেবাখাত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৪৫২.
বাংলাদেশ কোন সনে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য হয়?
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৪
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
This page gathers key information on Bangladesh's participation in the WTO. Bangladesh has been a WTO member since 1 January 1995 and a member of GATT since 16 December 1972. Source: wto.org
৪৫৩.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে মহিলা (১৫-৪৯ বছর) প্রতি উর্বরতা হার-
  1. ক) ২.৫৬
  2. খ) ২.২৮
  3. গ) ২.১৫
  4. ঘ) ২.০৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- মহিলা (১৫-৪৯ বছর) প্রতি উর্বরতা হার- ২.০৪
- গর্ভ নিরোধক ব্যবহারের হার- ৬৩.৪।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+) ৭৪.৪
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৬ বছর
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী ৯৮.১
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী ৮১.৫
- বাংলাদেশের শিশু মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে)- ২১ জন।
- দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশ।
- চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫ শতাংশ।
- স্থূল জন্ম হার (প্রতি ১০০০ জনে)- ১৮.১ জন।
- স্থূল মৃত্যু হার (প্রতি ১০০০ জনে)- ৪.৯ জন।
- মহিলা (১৫-৪৯ বছর) প্রতি উর্বরতা হার- ২.০৪।
- গর্ভ নিরোধক ব্যবহারের হার- ৬৩.৪।
- ডাক্তার ও জনসংখ্যার অনুপাত-২০১৮ = ১ঃ১৭২৪।

৪৫৪.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কত?
  1. ১৯৭২-৭৭
  2. ১৯৭৩-৭৮
  3. ১৯৭৫-৮০
  4. ১৯৭০-৭৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। 
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
• বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
• বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।

৪৫৫.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. বরিশাল
  3. পিরোজপুর
  4. নারায়নগঞ্জ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

 উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৪৫৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বনাঞ্চল রয়েছে কোন জেলায়?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
• সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা (৫টি)। 
রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৫৫ একর
বান্দরবান = ৭,৯৭,৫১৬ একর
বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২ একর
খাগড়াছড়ি = ৫,৫৪,১১৬ একর
খুলনা = ৫,৪৬,০৮১ একর

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৪৫৭.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট আবাদী জমির পরিমাণ -
  1. ৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
  2. ৮০.৮২ লক্ষ হেক্টর
  3. ৮২.৪৯ লক্ষ হেক্টর
  4. ৮২.৯৪ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
৪৫৮.
কোন দেশ বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
  1. ক) কঙ্গো
  2. খ) সিয়েরা লিওন
  3. গ) লাইবেরিয়া
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
২০০২ সালে আমাদের ভাষা আন্দোলনের সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হয়, ঠিক ওই বছরই পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা দেয়। [সূত্র: প্রথম আলো]
৪৫৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর হার কত শতাংশ?
  1. ৪৮.৪ শতাংশ
  2. ৫১.২ শতাংশ
  3. ৫৮.৭ শতাংশ
  4. ৬০.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে কর্মক্ষম মানুষের পরিমাণ মোট জনসংখ্যার ৫৮.৭ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১৭১)
৪৬০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪৬১.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় কয়টি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা

- 'সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে' ইংরেজিতে 'Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness'
স্লোগানকে সামনে রেখে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে পড়া অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে।
- গত ৩০জুন ২০২০ সপ্তম পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনা শেষ হয়েছে।
- এর পর থেকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু হয়েছে; যার মেয়াদকাল : জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫।
- কোভিট- ১৯ মহামারীর প্রভাব মূল্যায়নে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন একটি স্টাডি সম্পূর্ণ করেছে; ওই স্টাডির ফলগুলো ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হবে।
- সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের 'আমার গ্রাম, আমার শহর' অঙ্গিকার অনুযায়ী ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে গ্রামীণ রূপান্তর। 

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয় : - 
১। কর্মসংস্থান তৈরিতে প্রবৃদ্ধি বা জিডিপি গ্রোথ।
২। সবার সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা।
৩। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যসমূহ: 
১. নতুন করে ১ কোটি ১৩লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি।(৮০ লাখ ৫০ হাজার দেশে, ৩২ লাখ ৫০ হাজার বিদেশে)
২. দেশের অগ্রগতি সাধনে ৬৪.৯৫ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ। 
৩. ডেল্টা ২১০০ প্ল্যানের কার্যক্রম শুরু। 
৪. ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫১% অর্জন।
৫. বিনিয়োগের লক্ষ্য মোট জিডিপির ৩৭.৪%
৬. কর-জিডিপি অনুপার হবে ১২.৩০% 
৭. মূল্যস্ফীতি হবে ৪.৮%
৮. দারিদ্রতার হার ১৫.৬% এ নামিয়ে আনা, চরম দারিদ্র্যের হার ৭.৪% এ নামিয়ে আনা। 
৯. বিদ্যুৎ উতপাদন ৩০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীতকরন। 
১০.প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে ৭৪ বছর। 
 
- ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ম মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরন ও এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকি পরিকল্পনা জুলাই ১৯৭৩ থেকে জুন ১৯৭৮, গ্রহন করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে।

উৎস: ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা রিপোর্ট।
৪৬২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট আমদানি ব্যয় কত ছিল?
  1. ৪৪.১১ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  2. ৭৫.০৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  3. ৬৩.২৪ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  4. ৫২.১৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
আমদানি: 
- গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫.০৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার। 
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৫.৮১ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৪.১১ বিলিয়ন ইউএস ডলার। 
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৫২,১৯০.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলারে নেমে যায়।
- বিলাস জাতীয় দ্রব্য ও অপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এলসি মার্জিন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির ফলে আমদানি ব্যয় হ্রাস পেয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: যুগান্তর রিপোর্ট।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৪৬৩.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয়?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) পাবনা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ঢাকা বিভাগে ((২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)। দ্বিতীয় – খুলনা (২৪,৪৩,৫২৩ মে.টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ফরিদপুর জেলায় (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)। দ্বিতীয় – পাবনা (৫,১২,৬১৮ মে.টন)।
- পাটের মোট উৎপাদন ৭৭,২৫,০৮৩ মে.টন  যা ১৬,৮৫,৭১১ একর জমিতে চাষ হয়।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১।
৪৬৪.
সার্বিকভাবে জিডিপি কয়টি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৫টি খাত
  2. ১৯টি খাত
  3. ২১টি খাত
  4. ২৪টি খাত
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৪৬৫.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার কত?
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
- আয়কর আইনের অধীনে আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য কোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ হলো আয়কর।
- সাধারণভাবে, মোট আয়ের করহারের তফসিল অনুযায়ী করহার প্রয়োগ করে একজন করদাতার মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়করের পরিমান নিরূপণ করা হয়।

⇒ আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর ধারা ২(৬৯) এ সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিগণের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি (Indivisual), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও অংশীদারি ফার্মের ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর আয়করের হার নিম্নরূপ হবে:
• সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা ও গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৭৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য।
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%,
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১০%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ১৫%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%,
- পরবর্তী ২০,০০,০০০/- টাকার: ২৫%,
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ৩০%।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৬৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. রংপুর
  2. ঝিনাইদহ
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪৬৭.
বাজেটে প্রক্ষেপিত মূল্যস্ফীতি কত শতাংশ?
  1. ক) ৫.৬%
  2. খ) ৫.৪%
  3. গ) ৫.৫%
  4. ঘ) ৫.৩%
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০
৪৬৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বর্তমানে বিশেষায়িত ব্যাংক কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
নতুন তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদনঃ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বাংলাদেশ ব্যাংক এর ৪০২ তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় দেশের ৬০ তম তফসিলি ব্যাংক হিসেবে চুড়ান্তভাবে অনুমোদন পায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড। এর প্রধান উদ্যোক্তা হলেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন।
বর্তমানে দেশে ৬০টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণীজ্যিক ব্যাংক, ৩টি সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বাকি ৫১টি বেসরকারি ব্যাংক যার মধ্য়ে ৯টি বিদেশি মালিকানাধীন।
৪৬৯.
সার্বিকভাবে জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯ টি খাতের ৬ টি খাত আবার উপখাত নিয়ে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
- যথা: সেবা খাত, কৃষিখাত ও শিল্পখাত।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩
৪৭০.
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি কত টাকা বৃদ্ধি করা হয়?
  1. ক) ১২০০০ টাকা
  2. খ) ১০০০০ টাকা
  3. গ) ১১০০০ টাকা
  4. ঘ) ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ২০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়। অর্থাৎ ১০,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২,০০০ টাকা করা হয়।
৪৭১.
ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত কত মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে?
  1. ক) ২৪.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ১৪.৫৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ১৫.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ২২.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ২৪.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণের সংস্থান রাখা হয়েছে।
 এর বিপরীতে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত আর্থিক খাতে ৯.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন এবং ত্রাণমূলক (Non-monetised) খাতে ৪.৭১ লক্ষ মেট্রিক টন, সর্বমোট ১৪.৫৮ লক্ষ     মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
৪৭২.
বাজেটে সামগ্রিক আয় (রাজস্ব ও অনুদানসহ) -
  1. ক) ৪,১১,৯৭৮ কোটি টাকা
  2. খ) ৩,৯১,৯৭৮ কোটি টাকা
  3. গ) ৩,৪১,৯৭৮ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৩,৮১,৯৭৮ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০
৪৭৩.
তরমুজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
তরমুজ
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা বিভাগ (১,৬১,৩৩১ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা জেলা (১,৪৪,০১০ মে.টন)

আনারস
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৭৯১ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - টাঙ্গাইল জেলা (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।

লিচু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১
৪৭৪.
বাংলাদেশের জিডিপি নির্ণয়ে বৃহৎ খাত-
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জিডিপি নির্ণয়ে বৃহৎ খাত ৩টি।
• এগুলো হলোঃ
- কৃষি,
- শিল্প ও
- সেবা৷
• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.১১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৪৮ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৩২ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

৪৭৫.
প্রথম 'Poverty Reduction Strategy Papers' গ্রহণ করা হয়-
  1. ক) ২০১১ সালে
  2. খ) ২০০১ সালে
  3. গ) ২০০৫ সালে
  4. ঘ) ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

উৎস: IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

৪৭৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের অন্তর্বর্তীকালীনসহ দেশের কততম বাজেট?
  1. ৫১তম
  2. ৫৪তম
  3. ৫৩তম
  4. ৫২তম
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৪-তম)।
- আওয়ামী লীগ সরকারের বাজেট: ২৫-তম,
- বাজেটের স্লোগান/শিরোনাম: ‘‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’’,
- সংসদে বাজেট উত্থাপনের তারিখ: ৬ জুন, ২০২৪ সাল (জ্যৈষ্ঠ ২৩, ১৪৩১),
- বাজেট উত্থাপনকারী: সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী (তাঁর প্রথম বাজেট পেশ),
- সংসদে বাজেট পাশের তারিখ: ৩০ জুন, ২০২৪,
- বাজেট কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জুলাই, ২০২৪,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাসের তারিখ: ১০ জুন, ২০২৪ (৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা),
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা,
- অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫ শতাংশ (২০২৩-২৪ এর অর্জিত সাময়িক– ৫.৮২%),
- বাজেটের আকার: মোট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ১৪.২০%)।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
৪৭৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. পরিবহন ও যোগাযোগ
  3. জনপ্রশাসন
  4. চিকিৎসা
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২৩.৫%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৪.০%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।

তথ্যসূত্র- জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

৪৭৮.
বাংলাদেশে শিক্ষাবোর্ড রয়েছে কতটি? ( মার্চ ২০২৫)
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ১২ টি
  4. ৯ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে।
- দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্ব পালন করে।
- বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাবোর্ড- ঢাকা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়- ৭মে ১৯২১ সালে।
- বাংলাদেশের সর্বশেষ শিক্ষাবোর্ড - মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়- ২৪শে আগস্ট ২০১৭ ।

⇒ এই বোর্ডগুলো নিম্নরূপ:
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা,
• মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা, 
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর,
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ,
• বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড,
• বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৭৯.
এডিবি মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ? (সেপ্টেম্বর,২০২৪)
  1. ৪.১ শতাংশ
  2. ৫.১ শতাংশ
  3. ৬.১ শতাংশ
  4. ৬.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি: 
- ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) সেপ্টেম্বর ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদনে, 
- রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি পরিবেশগত বিপর্যয়ের ফলে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৫.১ শতাংশ।
- এপ্রিলের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৬ শতাংশ।

সূত্র- এডিবি ওয়েবসাইট।
৪৮০.
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করে কে?
  1. জাতীয় উন্নয়ন কাউন্সিল
  2. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
  3. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল
  4. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

৪৮১.
দেশের কোন জেলায় সর্বাধিক গম উৎপন্ন হয়?
  1. চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মোট ১০.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদিত হয়।
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ঠাকুরগাঁও (১.৭৫ লক্ষ মে.টন)
- দ্বিতীয় : চাপাইনবাবগঞ্জ (৮৯.৩৬ হাজার মে. টন)
- তৃতীয় : রাজশাহী (৮১ হাজার মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০)
৪৮২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান কত?
  1. ৩৭.৩৫ শতাংশ
  2. ৩৮.৭৫ শতাংশ
  3. ৩৭.৭৫ শতাংশ
  4. ৩৭.৯৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP:
⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৮৩.
'আখ' উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নাটোর
  2. পাবনা
  3. নওগাঁ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
 জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর জেলায় (১১,৮৪,২৩৩ মে.টন)  
-  দ্বিতীয় – রাজশাহী জেলা (৪,৭২,২২০ মে.টন)
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী বিভাগে (১৯,৮৬,৪৮৮ মে.টন)  
- দ্বিতীয় – রংপুর বিভাগ  (৫,৭০,১০৫ একর)
[সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]
৪৮৪.
জিডিপি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ভিত্তিবছর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে কোনটি?
  1. ২০০৫-২০০৬ সাল
  2. ২০১২-২০১৩ সাল
  3. ২০১৫-২০১৬ সাল
  4. ২০১৯-২০২০ সাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জিডিপি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে নতুন ভিত্তিবছর নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরকে।

নতুন ভিত্তিবছর ২০১৫-২০১৬ অনুসারে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের:
- মোট জিডিপি : ৪১৬.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- মোট জাতীয় আয় : ৪৩৮.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট জিডিপি : ৩৫,৩০১,৮৪৮ কোটি টাকা
- মোট জাতীয় আয় : ৩৭,১৫৯,৯৬৬ কেটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি : ২,৪৬২ মার্কিন ডলার
- মোট জাতীয় আয় : ২,৫৯১ মার্কিন ডলার।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৪৮৫.
বাংলাদেশ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে-
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. চতুর্থ
  4. তৃতীয়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ যে ১৩ খাতে শীর্ষ তালিকায়:
- মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়।
- বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ।
- আম উৎপাদনে বিশ্বে সপ্তম।
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়।
- প্রবাসী আয় অর্জনে বিশ্বে অষ্টম ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সপ্তম।
- বাংলাদেশ ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম।
- কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়।
- আউটসোর্সিং এ বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ।
- সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়।
- ছাগলের দুধ উৎপাদনে বিশ্বে দ্বিতীয়।
- আলু উৎপাদনে বিশ্বে সপ্তম।
- পেয়ারা উৎপাদনে বিশ্বে অষ্টম।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৪৮৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুযায়ী নারী ও পুরুষের অনুপাত কত?
  1. ৯৮:১০০
  2. ৯৫.৭:১০০
  3. ৯৬.৩:১০০
  4. ৯৮.৪:১০০
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা- ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৪৮৭.
বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা কত?
  1. ৩,৫০,০০০ টাকা
  2. ৪,০০,০০০ টাকা
  3. ৪,৭৫,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।

উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩৭৫০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

৪৮৮.
বাংলাদেশ সরকার গৃহীত প্রথম দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রের মেয়াদ ছিল কোনটি?
  1. ক) ২০০৩-২০০৬
  2. খ) ২০০৪-২০০৭
  3. গ) ২০১০-২০১৩
  4. ঘ) ২০০৫-২০০৮
ব্যাখ্যা
• 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
• আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP।
• বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
• এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
• উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র:- IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৪৮৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট দেশজ উৎপাদনে অর্থনীতির খাতসমূহের কোন অংশের অবদান সর্বাধিক?
  1. কৃষি ও বনজ
  2. শিল্প ও বাণিজ্য
  3. মৎস্য সম্পদ
  4. সেবা
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপিতে) অর্থনীতির খাতসমূহের সেবা খাতের অবদান সর্বাধিক।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে,
⇒ বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%, 
- শিল্প: ১৭.৩৭%, 
- সেবা: ৩৭.৯৬%।

⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১০.৯৪%।
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।

⇒ খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৪৯০.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কয়টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রথম কৃষিশুমারি – ১৯৭৭ সালে
দ্বিতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৮৩-৮৪ সালে
তৃতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৯৬ সালে
চতুর্থ কৃষিশুমারি – ২০০৮ সালে
সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি - ৯-২০ জুন ২০১৯।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।
৪৯১.
ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ফরিদপুর
  2. দিনাজপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯ অনুযায়ী,
ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ,
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর,
ভূট্টা ও লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
৪৯২.
বাংলাদেশ সরকারের অর্থবৎসর সময়কাল কোনটি?
  1. ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ
  2. ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন
  3. ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর
  4. ১ অক্টোবর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট:
- বাজেট (সরকারি) একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর, যা একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৪৯৩.
বাংলাদেশের বাজেট সাধারণত কার্যকর হয়-
  1. ক) ৩০ জুন
  2. খ) ৩০ জুলাই
  3. গ) ১ জুন
  4. ঘ) ১ জুলাই
ব্যাখ্যা

২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা ৩ জুন ২০২১ এবং বাজেট পাশ ৩০ জুন ২০২১।
- বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই ২০২১।
- বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল।
- বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা (জিডিপির ১৭.৫%)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জাতীয় আয় ২৪৬২ মার্কিন ডলার।
- দরিদ্র জনসংখ্যার হার ২০.৫%।
- অতি দরিদ্র জনসংখ্যার হার ১০.৫%।
- মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৩ ভাগ।

উৎস: জাতীয় বাজেট, ২০২১-২২ অর্থবছর।

৪৯৪.
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে?
  1. ছয়টি
  2. সাতটি
  3. আটটি
  4. নয়টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- ১৯৭৩-১৯৭৮ সময়ে দেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়।
- বর্তমান অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ছিলো জুলাই ২০১৫ থেকে জুন ২০২০ পর্যন্ত।
- পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট)
৪৯৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ৩৬%
  2. ৩৭%
  3. ৩৮%
  4. ৩৯%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৯৬.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. পাকিস্তান
  4. কুয়েত
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে মোট চা রপ্তানি হয় ৩.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
দেশ অনুসারে চায়ের রপ্তানি:
- প্রথম : পাকিস্তান ( ১৪.২৮ লক্ষ ডলার)
- দ্বিতীয় : সংযুক্ত আরব আমিরাত (১২.৯ লক্ষ ডলার)
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৫ লক্ষ ডলার)।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৪৯৭.
বিবিএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত?
  1. ৪৫ শতাংশ
  2. ৪১ শতাংশ
  3. ৩৭ শতাংশ
  4. ৪৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিবিএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত।

খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত এবং ছোট খাত শিল্পখাত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪৯৮.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাবদ ব্যয় কত?
  1. ২,৪০,০০০ কোটি
  2. ২,৪৫,৫০০ কোটি
  3. ২,৪৫,০০০ কোটি
  4. ৩,৪৫,০০০ কোটি
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪:
-চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়- ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যায়- ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাবদ ব্যয় - ২,৪৫,০০০ কোটি।
- উন্নয়ন ব্যয়- ২,৬০০০৭ কোটি।
- পরিচালনা ব্যয়- ৪,৫৩,২২৮ কোটি।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।
 - মাথাপিছু আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার (২০২৩-২৪)(সাময়িক)।
- মুদ্রাস্ফীতি-৯.৭৪% (

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৪৯৯.
মারমা জনগোষ্ঠীর বসবাস কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. চট্টগ্রাম
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী নৃ-গোষ্ঠীসমূহের মধ্যে জনসংখ্যায় দ্বিতীয় বৃহত্তম হলো মারমা সম্প্রদায়।
- এরা বোমাং সার্কেলের অন্তর্গত। বান্দরবান জেলায় সর্বাধিক ৭৫ হাজার মারমা জনগোষ্ঠী বসবাস করে।
- এছাড়া রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলাতেও মারমাদের বসবাস রয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
৫০০.
বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ এর হটস্পট কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ • বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ এর হটস্পট ৬টি:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।