বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা

মোট প্রশ্ন১,৪৪৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা

PrepBank · পাতা / ১৫ · ৩০১৪০০ / ১,৪৪৪

৩০১.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে-
  1. ক) ৭৫ বছর
  2. খ) ৭৪.২ বছর
  3. গ) ৭২.৬ বছর
  4. ঘ) ৭৪ বছর
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে- ৭৪ বছর।
- বর্তমান গড় আয়ু - ৭২.৬ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হবে - ১.১৮%।
- বর্তমান হার - ১.৩৭%।
- মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় হবে - ৩০৫৯ মার্কিন ডলার।
- বর্তমান মাথাপিছু আয় - ২০৬৪ মার্কিন ডলার।

উৎস: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)
৩০২.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪]
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. ফরিদপুুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় - ফরিদপুুর জেলায়।
- ফরিদপুর জেলায় ২০২৩-২৪ বছরে মোট ১৪.১৮৪ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়।
- এবং মোট পাটের আবাদ হয়- ১২,৩৭৩২০ মে.ট.

​এছাড়াও,
​- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
-গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
-চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

​​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৩০৩.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ পাশ করা হয় -
  1. ক) ১ জুন, ২০২৩
  2. খ) ৬ জুন, ২০২৩
  3. গ) ১৬ জুন, ২০২৩
  4. ঘ) ২৬ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
- এটি বাংলাদেশের ৫২তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম) বাজেট।
- বাজেট পেশ হয়: ১ জুন,২০২৩।
- বাজেট পাশ হয়: ২৬ জুন,২০২৩।
- বাজেট কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৩।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হয়: ৬ জুন, ২০২৩।
- বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP): ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেটের মূল লক্ষ্য: ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ। 

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৩০৪.
৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয় কবে?
  1. ২০২২ সালে
  2. ২০২৩ সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা
চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪:
- প্রতি ১০ বছর পর পর এই শুমারি করছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি ১০-২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
- এই শুমারিতে প্রথম ট্যাবের মাধ্যমে ক্যাপি পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, আয়-ব্যয়, কর্মী সংখ্যা, তাদের সুযোগ সুবিধা, আয়-ব্যয়, কর প্রদান ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 
- ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করে। 

শুমারি অনুযায়ী-
• অর্থনৈতিক ইউনিট- স্থায়ী: ৬২,৮৮,২১৪; অস্থায়ী: ৫,৭৬,৬২১; পারিবারিক ইউনিট: ৫০,১২,৫২৯।
• অর্থনৈতিক ইউনিটের অবস্থান- গ্রাম: ৮৩,৪৬,১৬১; শহুরে: ৩৫,৩১,২০৩।
• অর্থনীতিতে যুক্ত প্রতিষ্ঠান- উৎপাদন: ১০,৪১,৪৬৮; সেবা: ১,০৮,৩৫,৮৯৬।
• ইউনিটে যুক্ত প্রধান- পুরুষ ১,১১,০৯,০০২; মহিলা: ৭,৬৮,০৪২; হিজড়া: ৩২০।
• অঞ্চলভেদে কর্মরত জনশক্তি- গ্রাম: ১,৭৪, ৭৯,১৭০; শহুরে: ১,৩২,৮১,৮৬৪।

উল্লেখ্য,
- দেশের সর্বপ্রথম অর্থনৈতিক শুমারি ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- এরপর ২য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০০১ এবং ২০০৩ সালে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হয়, ৩য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন। [Link]
৩০৫.
জাতীয় বাজেট প্রথম কখন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে
  2. খ) ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে
  3. গ) ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে
  4. ঘ) ১৯৭৬-৭৭ অর্থবছরে
ব্যাখ্যা
 কালো টাকা সাদা:
- ১৯৭৫ সালের ৬ এপ্রিল তৎকালীন বঙ্গবন্ধু সরকার হঠাৎ এক ঘোষণায় ১০০ টাকার নোট অচল করেছিল।
- অর্থমন্ত্রী এ আর মল্লিক ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় প্রথম কখন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রদান করেন। 
- এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কালোটাকার বিরুদ্ধে একমাত্র সরকারি পদক্ষেপ।

উল্লেখ্য, 
- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘোষণা দিয়েছেন যে কেউ যদি বিদেশ থেকে অর্থ আনেন, তাহলে ৭ শতাংশ কর দিলেই হবে।
- আর বিদেশে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে না আনলে ওই সম্পদের মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ এবং বিদেশে অবস্থিত অস্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে না আনলে এর ওপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে।

উৎস: প্রথম আলো, ১১ জুন ২০২২।
৩০৬.
বাংলাদেশের জিডিপি-তে সেবাখাতের অবদান কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ১১.০২%
  2. ৩৭.৯৫%
  3. ৪৬.৪২%
  4. ৫১.০৮%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৩০৭.
বর্তমানে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার কত? [মে, ২০২৫]
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার ২৫%।

করমুক্ত আয়সীমা:

- আয়কর আইনের অধীনে আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য কোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ হলো আয়কর।
- সাধারণভাবে, মোট আয়ের করহারের তফসিল অনুযায়ী করহার প্রয়োগ করে একজন করদাতার মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়করের পরিমান নিরূপণ করা হয়।
- আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর ধারা ২(৬৯) এ সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিগণের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি (Indivisual), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও অংশীদারি ফার্মের ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর আয়করের হার নিম্নরূপ হবে:
• সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য।
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%,
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%,
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%,
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তী অর্থবছরে অর্থাৎ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সর্বোচ্চ করের হার হবে ৩০ শতাংশ।



উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
৩০৮.
সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদিত হয় কোন বিভাগে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) সিলেট
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
⇨ সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় রংপুর বিভগে (৬৩,৭৫,০০৫ মে.টন)। দ্বিতীয়– রাজশাহী বিভাগ (৬২,২৫,৯৯৪ মে.টন)। 
⇨ বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপাদন সিলেট বিভাগ (৬,১৭,২৫৬ মে.টন)।
⇨ বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদন রংপুর বিভাগ (২৯,৬৪,৪৮১ মে.টন)।
⇨ বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদন রাজশাহী বিভাগ (৩৩,৮৩,৫২১ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১।
৩০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান -
  1. ক) ৩৩টি
  2. খ) ৩৪টি
  3. গ) ৩৬টি
  4. ঘ) ৩৮টি
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯
৩১০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বিয়ানীবাজার
  2. বিবিয়ানা
  3. তিতাস
  4. বাখরাবাদ
ব্যাখ্যা
গ্যাসক্ষেত্র:
- জানুয়ারি ২০২৪ সময়ে উত্তোলনযোগ্য অবশিষ্ট মজুদের/নীট মজুদের পরিমাণ ৮.১৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাস-এর পরিমাণ ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

⇒ দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৫৮১৮.৩ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার – ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)।
- শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]
- ক্যাপটিভ – ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার – ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩১১.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষিখাতের অবদান -
  1. ক) ১১.৩৪%
  2. খ) ১১.৯৭%
  3. গ) ১১.৫০%
  4. ঘ) ১১.৬৮%
ব্যাখ্যা
অর্থনীতি/জিডিপিতে,
   - কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%
   - কৃষিখাতে শ্রমশক্তি নিয়োজিত - ৪০.৬%
   - কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%
 
   - শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%
   - শিল্পখাতে শ্রমশক্তি নিয়োজিত - ২০.৪%
   - শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%
 
   - সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%
   - সেবাখাতে শ্রমশক্তি নিয়োজিত - ৩৯.০%
   - সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৩১%
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৩১২.
চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?   (নভেম্বর-২০২৫)
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৩১৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ -
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩১৪.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলায় কত টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে?
  1. ৩,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,০০০ কোটি টাকা
  3. ৪,০০০ কোটি টাকা
  4. ১,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট:
- বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
-  উন্নয়ন ব্যয়, পরিচালন ব্যয় মিলে মোট বাজেটের আকার পাওয়া যায় (২,৪৫,৬০৯ + ৫,৪৪,৩৯১ = ৭,৯০,০০০ কোটি টাকা)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ৪০৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- নারী উদ্যোক্তা সৃস্টি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সার্বিক উন্নয়নে ১২৫ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্টার্টআপ তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- ব্লু ইকোনমি সম্পদ আহরণে গবেষণা তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলা তহবিল-এ ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের অভিঘাত মোকাবেলা তহবিলে ৮,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- পরিচালন ঋণ হিসাবে ১২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়।

৩১৫.
তৈরি পোশাক থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা কত ভাগ আসে? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪]
  1. শতকরা প্রায় ৩৭ ভাগ
  2. শতকরা প্রায় ৪৪ ভাগ
  3. শতকরা প্রায় ৩৩ ভাগ
  4. শতকরা প্রায় ৪৮ ভাগ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি পরিস্থিতি:

- পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)। 

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
⇒ সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩১৬.
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মাথাপিছু আয় (প্রক্ষেপণ) -
  1. ক) ৩,২৩৩ ডলার
  2. খ) ২,৩৭৩ ডলার
  3. গ) ২,৫৭৩ ডলার
  4. ঘ) ২,১৭৩ ডলার
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০
৩১৭.
"ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২" অনুসারে, জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) মাগুরা
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ন তথ্য:
জানশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।
জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন। পুরুষ: ৮,১৭,১২,৮২৪ জন; নারী: ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন; হিজড়া: ১২,৬২৯ জন। [১৭,৫০৭টি খানার ৮৫,৯৫৭ জনের আংশিক তথ্য পাওয়া গেছে, তাই মোট জনসংখ্যার সাথে লিঙ্গ ভিত্তিক জনসংখ্যার কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।]
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.২২%
জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে – ১,১১৯ জন।
পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০
সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৬৬%।
খানার সংখ্যা - ৪,১০,১০,০৫১ জন।
খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা – ৪.০ জন।
প্রতিবন্ধী জনসংখ্যা - ২৩,৬১,৬০৪ জন।
ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা – মুসলমান ৯১.০৪% ; হিন্দু ৭.৯৫% ; বৌদ্ধ : ০.৬১% ; খ্রিষ্টান : ০.৩০% ; অন্যান্য : ০.১২%।
শহর অঞ্চলে বসবাসকারি জনসংখ্যা - ৫,২০,০৯,০৭২ জন।
গ্রাম অঞ্চলে বসবাসকারি জনসংখ্যা - ১১,৩০,৬৩,৫৮৭ জন।
জনসংখ্যায় বৃহত্তম বিভাগ - ঢাকা; (৪,৪২,১৫,১০৭ জন)।
জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম বিভাগ - বরিশাল; (৯১,০০,১০২ জন)।
জনসংখ্যায় বৃহত্তম জেলা – ঢাকা (১,৪৭,৩৪,০২৫ জন)।
জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম জেলা – বান্দরবান (৪,৮১,১০৯ জন)।
বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি – ঢাকা বিভাগে (১.৭৪%)।
বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম - বরিশাল বিভাগে (০.৭৯%)।
 
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট
৩১৮.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল -
  1. ৭.৮৯%
  2. ৮.২৪%
  3. ৯.৭৪%
  4. ১০.৪৯%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:

- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি। 
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩১৯.
২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত গড় মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে-
  1. ৫.২ শতাংশ
  2. ৫.৪ শতাংশ
  3. ৫.৫ শতাংশ
  4. ৫.৬৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি ধরা হয়েছে ৫.৪ শতাংশ। আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি ধরা হয়েছিলো ৫.৬৫ শতাংশ।
জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.২ শতাংশ।
[সূত্রঃ অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট]
৩২০.
বাংলাদেশের নারী সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়?
  1. ক) ঝিনাইদহ
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) মাগুরা
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা

বিবিএস ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘মাল্টি ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে-২০১৯’ জরিপ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলাওয়ারি হিসাবে দেখা গেছে, নারী সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি কুষ্টিয়া জেলায়, ৯৬.৬ শতাংশ। এর পরই ঝিনাইদহ (৯৫.৬ শতাংশ), খুলনা (৯৫ শতাংশ), বরিশাল (৯৪.৯ শতাংশ), ঝালকাঠি (৯৪.৭ শতাংশ) ও মাগুরার (৯৪.৭ শতাংশ) অবস্থান।
জরিপ অনুযায়ী সব থেকে কম নারী সাক্ষরতার হার বান্দরবান জেলায়, ৬৭ শতাংশ
এর পরই কক্সবাজার (৭৫.২ শতাংশ), খাগড়াছড়ি (৭৭ শতাংশ), রাঙামাটি (৭৭.৩ শতাংশ) ও শেরপুরের (৭৮.৬ শতাংশ) অবস্থান।

৩২১.
২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ কত?
  1. ২,৫০,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,০০,০০০ কোটি টাকা
  3. ২,২৬,০০০ কোটি টাকা
  4. ২,৫৬,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
​- বাজেট ঘাটতি নির্ধারণ করা হয়েছে ২,২৬,০০০ কোটি টাকা, ।
​- এই ঘাটতি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির - ৫.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা”।

​উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

৩২২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট ঘোষণা করা হয়-
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট:
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে সার্বভৌম বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৭২ সালে প্রথম বাজেট ঘোষণা করা হয়।
- স্বাধীন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন।
- তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২ সালের ৩০ জুন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন।
- তাজউদ্দীন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট দিয়েছিলেন; সেই বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি।
৩২৩.
What is the size of the 2025-2026 fiscal year budget of Bangladesh?
  1. 7,92,999 crore Taka
  2. 7,98,999 crore Taka
  3. 7,89,999 crore Taka
  4. 7,88,999 crore Taka
  5. None of these
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ অর্থ মন্ত্রণালয়।
৩২৪.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ অনুযায়ী বাজেটের কত শতাংশ এডিপিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে?
  1. ২১.৬%
  2. ২৬.৩%
  3. ২৯.৭%
  4. ৩৩.২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:

- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- আওয়ামী লীগ সরকারের ২৫তম।
- বর্তমান সরকারের টানা ১৬তম বাজেট।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৪.৭% ও বাজেটের ৩৩.২%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৩২৫.
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা নীতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম অঙ্গীকার হলো সকল নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (১৯৭৩-১৯৭৮) জনসংখ্যা সমস্যাকে এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৭৬ সালে একটি জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়।

⇒ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট দুটি জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়েছে -
• প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- ২০০৪ সালের জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্য ছিল ২০১০ সালের মধ্যে নিট প্রজনন হার-১ অর্জন করা।
- কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় কর্মসূচিতে গতিশীলতা আনার জন্য জনসংখ্যানীতিকে হালনাগাদ করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

• ২য় ও সর্বশেষ জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- এই জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্যে ছিলো ২০১৫ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৭২ শতাংশ উন্নীত করে নিট প্রজনন হার ১ অর্জন করা।
- এর মাধ্যমে ২০৭০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার স্থিতিশীলতা অর্জন করা।

উৎস: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩২৬.
কোন পদ্ধতিতে অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ এর তথ্য সংগ্রহ করা হবে?
  1. CATI
  2. CAPI
  3. PAPI
  4. Online Surveys
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪:
- আগামী ১০ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হবে।
- অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এ তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হবে "ক্যাপি" (CAPI) পদ্ধতি।
- এতে দেশে প্রথমবারের মতো যুক্ত হচ্ছে ই-কমার্স তথ্য।
-এই অর্থনৈতিক শুমারিতে ৬৫টি প্রশ্ন উঠে আসবে।
- দেশের প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়েছিল ১৯৮৬ সালে।
- রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সম্মেলন কক্ষে শুমারির সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিতে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
- কর্মশালায় জানানো হয়, ৯৫ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী এবারের শুমারিতে তথ্য সংগ্রহ করবেন।

উল্লেখ্য,
⇒ CAPI (Computer-Assisted Personal Interviewing) হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে তথ্য সংগ্রহকারীরা সরাসরি মাঠ পর্যায়ে গিয়ে ডিজিটাল ডিভাইস, যেমন ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করে। এতে সময় বাঁচে এবং তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত হয়।
⇒ Online Surveys- অনলাইন সার্ভে একটি তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
⇒ পেন অ্যান্ড পেপার ইন্টারভিউ- Pen and Paper Interview (PAPI) পদ্ধতিতে প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়, যেখানে তথ্য সংগ্রহকারী মাঠে গিয়ে হাতে লেখা রেকর্ডে বা কাগজে তথ্য সংগ্রহ করেন।
⇒ টেলিফোন সাক্ষাৎকার-Computer Assisted Telephone Interviewing (CATI) হলো একটি তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারভিউয়াররা ফোনে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন এবং একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন

তথ্যসূত্র: কালবেলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৩২৭.
২০২৫–২৬ অর্থবছরে, উন্নয়ন ব্যয় কত ধরা হয়েছে?
  1. ২,৪৫,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,৪৬,০০০ কোটি টাকা
  3. ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা
  4. ২,৫০,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের  লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন ব্যয়- ২,৪৫,৬০৯ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষমাত্রা- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

৩২৮.
চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের মোট বাজেটের পরিমাণ জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ১৫.১ শতাংশ
  2. ১৬.৩ শতাংশ
  3. ১৭.৯ শতাংশ
  4. ১৯.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে মোট বাজেটের পরিমাণ ৫,৬৮,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ১৭.৯ শতাংশ।
বাজেটে জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৩১ লক্ষ ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। বাজেটে এডিপির পরিামাণ ২ লক্ষ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮.২ শতাংশ। মোট ঘাটতির পরিমাণ ১,৯০,০০০ কোটি টাকা।
[সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট এবং বাংলা ট্রিবিউন]
৩২৯.
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি লাখ জীবিত শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার কত?
  1. ১৫৮ জন
  2. ১৬৩ জন
  3. ১৬৬ জন
  4. ১৬৮ জন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2020 অনুসারে প্রতি এক লাখ জীবিত শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার:
- জাতীয় পর্যায়ে : ১৬৩ জন।
- গ্রামাঞ্চলে : ১৭৮ জন
- শহরাঞ্চলে : ১৩৮ জন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020)
৩৩০.
স্থিরমূল্যে জিডিপিতে পশুসম্পদ খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১.৪৩ শতাংশ
  2. ১.৬৪ শতাংশ
  3. ৩.৫২ শতাংশ
  4. ৬.৭৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা

বিবিএসের সাময়িক হিসাবে গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষির উপখাতসমূহের অবদান
পশুসম্পদ - ১.৪৩ শতাংশ
বনজসম্পদ - ১.৬৪ শতাংশ
মৎস্যখাত - ৩.৫২ শতাংশ
শস্য উৎপাদন উপখাত - ৬.৭৬ শতাংশ
সার্বিক কৃষিখাত - ১৩.৩৫ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)

৩৩১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে নিচের কোন জেলায় বনাঞ্চলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. বান্দরবান
  2. বাগেরহাট
  3. রাঙ্গামাটি
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
• রাঙ্গামাটি: ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
• বান্দরবান: ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
• বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
• খাগড়াছড়ি: ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
• খুলনা: ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৩৩২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান-
  1. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ৩,৫১,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ৩,৯২,৯৬,০০০ হেক্টর
  4. ১,৯৮,২৯,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• এক ফসলি জমি = ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
• দুই ফসলি জমি = ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
• তিন ফসলি জমি = ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
• চার ফসলি জমি = ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪।

৩৩৩.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে-
  1. ৮.৩৭%
  2. ৮.৪৩ %
  3. ৮.৭৭%
  4. ৯.৭৭%
ব্যাখ্যা

গড় মূল্যস্ফীতি:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি বিরাজমান।
- সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দিক থেকে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ শীর্ষে ছিল।
- ২০২৬ সালেও বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকবে।

- তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।।

উল্লেখ্য,
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি - ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ও প্রথম আলো।

৩৩৪.
দেশে ও বিদেশে সোনালি আঁশের প্রসার ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. জেডিপিসি
  2. বিজেএমসি
  3. বিটিএমসি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জুট মিলস্ কর্পোরেশন (বিজেএমসি):
- পাটখাত পুনরুজ্জীবিত ও আধুনিকায়ন করার পাশাপাশি শ্রমিক ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বকেয়া পরিশোধের লক্ষ্যে ১ জুলাই ২০২০ হতে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকলের শ্রমিক অবসানসহ উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- সরকার অনুমোদিত মৌলনীতি ও কর্মপরিকল্পনার আওতায় ইজারা বা লিজ পদ্ধতিতে উৎপাদন বন্ধ ঘোষিত বিজেএমসি'র মিলসমূহ আধুনিকায়ন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনঃচালুর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

• জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি):
- বাংলাদেশের সোনালি আঁশ নামে খ্যাত পাটের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে এর ব্যাপক ব্যবহার, প্রসার ও গবেষণার সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্য অর্জনই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

• বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি):
- বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহে সুতা উৎপাদন করা হয়।
- বর্তমানেও বিটিএমসির ভাড়াপদ্ধতিতে চালু মিলসমূহে উৎপাদিত সুতা স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণে স্বল্প পরিসরে হলেও ভূমিকা রাখছে।
- একসময় কাপড়ও উৎপাদন হতো। তবে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে কম্পোজিট মিলসমূহের বুনন বিভাগ বন্ধ করার পর থেকে বিটিএমসিতে কাপড় উৎপাদন হয় না।

• বাংলাদেশের তাঁত শিল্প:
- তাঁত শিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্যের ধারক।
- এ শিল্পে সারাবছর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।
- তাঁতশুমারি, ২০১৮ অনুযায়ী দেশে মোট তাঁত সংখ্যা ২,৯০,২৮২টি।
- দেশের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র চাহিদার প্রায় ২৮ শতাংশেরও বেশি তাঁত শিল্প যোগান দিয়ে আসছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩৩৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা–২০২৪ অনুসারে, প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. তিতাস
  2. বাখরাবাদ
  3. হরিপুর
  4. বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা–২০২৪ অনুসারে, প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।

গ্যাসক্ষেত্র:

- জানুয়ারি ২০২৪ সময়ে উত্তোলনযোগ্য অবশিষ্ট মজুদের/নীট মজুদের পরিমাণ ৮.১৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাস-এর পরিমাণ ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৫৮১৮.৩ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

⇒ প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

এছাড়া,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ১০৯টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানিকৃত আরএলএনজিসহ গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ মোট প্রায় ১,০০২.৬ বিলিয়ন ঘনফুট এবং গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ৯৩২.৪ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার – ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়।]
- শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]
- ক্যাপটিভ – ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার – ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৩৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.৭৫%
  2. ৫.৭৫%
  3. ৬.৭৫%
  4. ৭.৭৫%
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
৩৩৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. ভারতে
  2. চীনে
  3. পাকিস্তানে
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৩৩৮.
দেশে সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১১৪টি
  2. খ) ১২৭টি
  3. গ) ১৪৩টি
  4. ঘ) ১৬২টি
ব্যাখ্যা
- দেশে গুণগত মানসম্পন্ন মাছের পোনা উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার রয়েছে ১৪৩টি।
- এছাড়া বেসরকারি পোনা উৎপাদন খামার রয়েছে ১০৩৮টি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯১)
৩৩৯.
কোন জেলা তুলা চাষের জন্য বেশি উপযোগী?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) যশোর
ব্যাখ্যা

বর্তমানে ৪টি অঞ্চলে তুলার চাষ হচ্ছে। এ অঞ্চলগুলো হলো-যশোর, রংপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রাম। যশোর ও রংপুর অঞ্চলের অধীনস্থ যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর ও রাজশাহী এলাকায় সবচেয়ে বেশি তুলাহয়। (রেফারেন্সঃ তুলা উন্নয়ন বোর্ড)

৩৪০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. বিদ্যুৎ বিভাগ
  2. জননিরাপত্তা বিভাগ
  3. স্থানীয় সরকার বিভাগ
  4. সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
ব্যাখ্যা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ২০২৫-২৬:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পাস করা হয়েছে।
- তহবিল থেকে আসবে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ও অনুদান হিসেবে আসবে ৮৬ হাজার কোটি টাকা।
- মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
- স্থানীয় সরকার বিভাগ সর্বোচ্চ ৩৬ হাজার ৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে।
- এরপর রয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ৩২ হাজার ৩২৯ দশমিক ৫৭ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ বিভাগ ২০ হাজার ২৮৩ দশমিক ৬২ কোটি টাকা।

এছাড়া,
- নতুন এডিপিতে খাতের দিক থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতকে।
- এ খাতে মোট ৫৮ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩২ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষা খাতে। এ খাতে আগামী অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দের পরিমাণ ২৮ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাসস। [link]
৩৪১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪' অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খুলনা
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪' অনুযায়ী, 
মোট বনাঞ্চল পরিমাণ - ৬৩,৬৮,৮৫৯.১৭ একর বা ৯,৯৫১.৩৪ বর্গমাইল

• সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
- বান্দরবান= ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর।

উৎস: বিবিএস।

৩৪২.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা -
  1. ৩,০০,০০০/- টাকা
  2. ৩,২৫,০০০/- টাকা
  3. ৩,৫০,০০০/- টাকা
  4. ৩,৭৫,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের করমুক্ত আয়সীমা নিম্নরূপ:
- সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি। 

ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪। 
৩৪৩.
বাংলাদেশে বর্তমানে কি পরিমান প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ আছে?
  1. ক) ১৮ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
  2. খ) ১২ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
  3. গ) ২ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
  4. ঘ) ১৫ ট্রিলিয়ন ঘন ফুট
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, বাংলাদেশে এখন গ্যাসের মজুদ ১২ টিসিএফ আছে।
উৎসঃ বিবিসি
৩৪৪.
শিল্পজাত পণ্যসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. ক্লিংকার
  3. স্টেপল ফাইবার
  4. সুতা
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট শিল্পজাত পণ্যসমূহের আমদানি ব্যয় ১৩,৬৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্যসমূহ: 
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,৭৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সুতা: ১,৮৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সার: ৪,১৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,০৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,০০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩৪৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. বগুড়া
  2. দিনাজপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

খাদ্য শস্য:
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।

​• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।

​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

৩৪৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. খুলনা বিভাগ
  2. রাজশাহী বিভাগ
  3. রংপুর বিভাগ
  4. ময়মনসিংহ বিভাগ
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ ‍বিভাগ রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)।
- ভুট্টা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ বিভাগ ‍খুলনা বিভাগ (৯,৪২,২৯৩.৬৪ মে. টন)।

অন্যদিকে,
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর। (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)।
- ভুট্টা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা চুয়াডাঙ্গা জেলা (৫,৫৫,১১৬ মে. টন)।

এছাড়াও,
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৩৪৭.
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অর্জিত প্রবৃদ্ধি কত ছিল?
  1. ক) ৮.২৫%
  2. খ) ৭.৪০%
  3. গ) ৮.১৫%
  4. ঘ) ৭.২৫%
ব্যাখ্যা
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল- ৭.৪০%।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অর্জিত প্রবৃদ্ধি ৮.১৫%

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৩৪৮.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাকের অবদান কত?
  1. ৩৭.১০%
  2. ৩৭.৯০%
  3. ৩৯.১০%
  4. ৩৯.৯০%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৪৯.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ 'তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্য' থেকে অর্জিত?
  1. ক) ৫৩.৫৮%
  2. খ) ৮৪.৫৮%
  3. গ) ৪৬.০১%
  4. ঘ) ৩৮.৫৭%
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮% (নীটওয়্যার- ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক - ৩৮.৫৭%)। 

- এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। 
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৮৯% এবং
- ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
৩৫০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৫ এর তথ্যমতে, বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ২,৬২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৩৫১.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, একজন মানুষের মাসিক গড় আয় কত?
  1. ৬,৫১৪ টাকা
  2. ৬,৯১১ টাকা
  3. ৭,৬১৪ টাকা
  4. ৭,৭৮৪ টাকা
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২: 
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী দারিদ্র্যের হার(%), 
→ খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
→ খানাপ্রতি মাসিক ব্যয় - ৩১,৫০০ টাকা।
→ একজন মানুষের মাসিক গড় আয় - ৭,৬১৪ টাকা (শহুরে ১০,৯৫১ টাকা, গ্রামীণ ৬,০৯১ টাকা)।

তথ্যসূত্র: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
৩৫২.
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ২০১৫ সালের ১ জুন
  2. খ) ২০১৫ সালের ১ জুলাই
  3. গ) ২০১৬ সালের ১ জুন
  4. ঘ) ২০১৬ সালের ১ জুলাই
ব্যাখ্যা
•  ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখা হয়।
- আগে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে ছিল, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ ডলার।
- বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী তা এখন ১ হাজার ৪৫ ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে।
- এ কারণেই নতুন তালিকায় নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হতে পেরেছে বাংলাদেশ।

• উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
৩৫৩.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের দ্বিতীয় উৎস কোনটি?
  1. আয়,মুনাফা ও মূলধনের উপর কর
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. রপ্তানি শুল্ক
ব্যাখ্যা
• জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত করের লক্ষ্যমাত্রা ৪,৩০,০০০ কোটি টাকা যা মোট রাজস্বের ৫৬.৪%।
রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের উৎস:

• প্রথম
মূল্য সংযোজন কর - ১,৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা (৩৮.১%)
• দ্বিতীয়
আয়, মুনাফা ও মূলধনের উপর কর - ১,৫৩,২৬০ কোটি টাকা (৩৫.৬%) 
• তৃতীয়
সম্পূরক শুল্ক - ৬০,৭০৩ কোটি টাকা (১৪.১%) 
• চতুর্থ
আমদানি শুল্ক - ৪৬,০১৫ কোটি টাকা (১০.৭%) 
• পঞ্চম
আবগারি শুল্ক -  ৪,৫৭৯ কোটি টাকা
• ষষ্ঠ
রপ্তানি শুল্ক - ৬৬ কোটি টাকা
• সপ্তম
অন্যান্য -  ১,৫৪০ কোটি টাকা  (১.৪%)
• উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে কর প্রদানকারীর সংখ্যা ৮৮ লক্ষ প্রায়।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩। 
৩৫৪.
দেশের কোন জেলায় আবাদী জমির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. দিনাজপুর
  2. নওগাঁ
  3. ময়মনসিংহ
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২০ দেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ ২ কোটি ৮১ হাজার একর।
জেলা অনুযায়ী সর্বাধিক আবাদী জমির পরিমাণ:
- ময়মনসিংহ জেলা : ৭.২৫ লক্ষ একর
- দিনাজপুর জেলা : ৬.৮৪ লক্ষ একর
- নওগাঁ জেলা : ৬.২৯ লক্ষ একর।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০)
৩৫৫.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৪১ শতাংশ
  2. ৩৮ শতাংশ
  3. ৪৫ শতাংশ
  4. ৪৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
কৃষি খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৫ শতাংশ। 

উল্লেখ্য,
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৫৬.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান ব্যাংক নোট সরবরাহ করে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  3. গ) বাণিজ্যিক মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতির দপ্তর
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক নোট সরবরাহ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলী (Functions of Central Bank):
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের সর্বপ্রধান ব্যাংক।
- ইহা দেশের অর্থ বাজারের সংগঠক, অভিভাবক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যেসকল কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে তার সংক্ষিপ্ত তালিকা নিম্নরূপ:


নোট ও ধাতব মূদ্রা প্রচলন:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কাজই হলো দেশের জন্য প্রয়োজনের আলোকে কাগজী নোট ও ধাতব মুদ্রা তৈরি, মুদ্রণ ও সরবরাহ করা।
- দেশের জনগণের চাহিদা, ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ কাজ করে থাকে।

উৎস: ব্যবসা নীতি ও প্রয়োগ-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৭.
বাজেট মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  2. অর্থ বিভাগ
  3. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  4. পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট:
- বাজেট (সরকারি) একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর, যা একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩৫৮.
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন কার্যক্রমে আরো স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনয়নের জন্য কোন মোবাইল অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে?
  1. ক) লেবার ইন্সপেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন (লিমা)
  2. খ) লেবার ইন্সপেকশন অ্যাপ্লিকেশন (লিয়া)
  3. গ) শ্রমিকদের কথা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন কার্যক্রমে আরো স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনয়নের জন্য লেবার ইন্সপেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন (লিমা) নামে একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এতে সহায়তা প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএলও। ‘শ্রমিকদের স্বাস্থ্যকথা’ নামেও একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে।
৩৫৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩' অনুযায়ী কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে?
  1. ক) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

সূত্র: সময় নিউজ।
৩৬০.
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ লাভ করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  4. ঘ) ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট (BRRI)
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ পেয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল। 
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করার মাধ্যমে কৃষি গবেষণাকে মূল্যায়ন ও গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- এ  স্বীকৃতি কৃষি গবেষণা ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

[ উৎস: মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২১]
৩৬১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- 
  1. রংপুর
  2. মুন্সীগঞ্জ
  3. বগুড়া
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা

আলু উৎপাদন:
​• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।
- (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।
- (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

৩৬২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৩৮%
  2. ৩৯%
  3. ৪০%
  4. ৪১%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান: ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান: ৫১.০৮%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৬৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, নিম্নের কোন খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্যাপটিভ
  2. শিল্পখাতে
  3. গৃহস্থালির কাজে
  4. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গ্যাসক্ষেত্র:

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%) [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়]।
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]। 
- ক্যাপটিভ: ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]।
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট (১১.০০%)।

⇒ জানুয়ারি ২০২৪ সময়ে উত্তোলনযোগ্য অবশিষ্ট মজুদের/নীট মজুদের পরিমাণ ৮.১৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাস-এর পরিমাণ ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

এছাড়া,
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৬৪.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়? [মে, ২০২৫]
  1. সেবা খাত
  2. শিল্প খাত
  3. কৃষি খাত
  4. পরিবহন খাত 
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয় এবং সবচেয়ে কম কর্মসংস্থান হয় শিল্পখাতে। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৬৫.
বাংলাদেশের কোন জেলাসর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৬৬.
What is the per capital income ($ US) of Bangladesh in 2021?
  1. ক) 2254
  2. খ) 2454
  3. গ) 2554
  4. ঘ) 3054
ব্যাখ্যা
• নতুন ভিত্তি বছর (২০১৫-২০১৬) অনুযায়ী GDP'র সাময়িক হিসাবে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের,
- মাথাপিছু GDP ২,৪২৬ মার্কিন ডলার;
- মাথাপিছু আয় ২,৫৫৪ মার্কিন ডলার;
- GDP'র প্রবৃদ্ধির হার ৫.৪৩%।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৭২৩ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জাতীয় আয় ২,৮২৪ মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩৬৭.
জিডিপিতে কোন খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান?
  1. খনিজ ও খনন
  2. কৃষিখাত
  3. নির্মাণ খাত
  4. শিল্পখাত
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,


- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.১১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।

- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৪৮ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।

- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৩২ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

• বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।
• ২০১৮-২০১৯ সময়ে কৃষি ও শিল্পখাতের অবদান ছিলো যথাক্রমে ১৩.৬০ ও ৩৫.১৪।

• সুতরাং জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রম হ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।

উৎসঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।

৩৬৮.
‘Gender Equality and Women’s Empowerment at Work Place’ শীর্ষক প্রকল্পটির মেয়াদকাল কত?
  1. ক) জুলাই ২০১৯ - ডিসেম্বর ২০২০
  2. খ) জুলাই ২০১৮ - ডিসেম্বর ২০২০
  3. গ) জুলাই ২০১৭ - ডিসেম্বর ২০২০
  4. ঘ) জুলাই ২০১৬ - ডিসেম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা
‘Gender Equality and Women’s Empowerment at Work Place’ শীর্ষক প্রকল্পটির মেয়াদকাল জুলাই ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত।
৩৬৯.
দেশে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ- [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৩,৬৫,৯৬,০০০ একর
  2. ৩,৫২,৯৬,০০০ একর
  3. ৩,৯২,৯৬,০০০ একর
  4. ৪,৯২,৯৬,০০০ একর
ব্যাখ্যা

- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর।
 - পূর্বে ছিল ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর। 

অন্যদিকে,
- ​বাংলাদেশের বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর। 
- সর্বাধিক বনাঞ্চল : রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।

​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৭০.
বর্তমানে দেশে উপজেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ৪৯৩টি
  2. ৪৯৪টি
  3. ৪৯৫টি
  4. ৪৯৬টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
- গত ২৬ জুলাই ২০২১ অনুষ্ঠিত নিকারের ১১৭তম সভায় নতুন তিনটি উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়।
এগুলো হলো:
- ৪৯৫তম : ডাসার, (মাদারীপুর)
- ৪৯৪তম : মধ্যনগর, (সুনামগঞ্জ)
- ৪৯৩তম : ঈদগাঁও (কক্সবাজার)।
- গত ১০ আগস্ট ২০২১ নতুন উপজেলাগুলোর গেজেট প্রকাশ করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় ওয়েবসাইট)
৩৭১.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ফরিদপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঝিনাইদহ
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় - ঝিনাইদহ।
- ঝিনাইদহ জেলায় ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৩,৯৮২ একর জমিতে পাটের আবাদ হয় উৎপাদন হয়- ২৫,১১৮.৬০ বেল।
- এবং মোট তুলার আবাদ হয়- ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন

​এছাড়াও,
​- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
-পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

​​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৩৭২.
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. ক) ইলিশ
  2. খ) পাট
  3. গ) তৈরি পোশাক
  4. ঘ) চিংড়ি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য:
- বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় প্রায় ৪২.৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮২ শতাংশ।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মোট ৩৭,০৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জিত হয়।
- ২০২২- ২৩ অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে তৈরি পোশাক এবং নীটওয়্যার দ্রব্যাদির অবদান হচ্ছে ৮৪.৫৮ শতাংশ। 
- এর মধ্যে তৈরি পোশাক ৩৮.৫৭% এবং নীটওয়্যার ৪৬.০১%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%। 
- এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। 
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার: ২.৮৯% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছেL ‘কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩৭৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ১৭%
  2. ১৯%
  3. ২২%
  4. ২৬%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৭৪.
চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. মৌলভীবাজার 
  2. চট্টগ্রাম
  3. হবিগঞ্জ
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৭৫.
'বেপজা'র অধীনে দেশে কয়টি ইপিজেড চালু রয়েছে?
  1. ক) ৭
  2. খ) ৮
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ১০
ব্যাখ্যা
দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশের জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ দেশে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ) স্থাপন করেছে। যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।

বেপজা’র অধীনে বর্তমানে বাংলাদেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে।
এগুলো হলো:
- চট্টগ্রাম ইপিজেড (প্রথম ও বৃহত্তম)
- ঢাকা ইপিজেড (দ্বিতীয়)
- মংলা ইপিজেড
- কুমিল্লা ইপিজেড
- ঈশ্বরদী ইপিজেড
- উত্তরা ইপিজেড (কৃষিভিত্তিক)
- আদমজী ইপিজেড
- কর্ণফুলী ইপিজেড (সর্বশেষ)।

(সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট)
৩৭৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত- 
  1. সেবা খাত
  2. শিল্প খাত
  3. কৃষি খাত
  4. পর্যটন খাত
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।

অন্যদিকে,
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।

​উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৩৭৭.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ অনুযায়ী নিচের কোনটি উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট?
  1. ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ
  2. ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন
  3. ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন
  4. সবগুলো 
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে উচ্চতর পর্যায়ের ৩টি জাতীয় অভীষ্ট এবং ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট ৬টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট অভীষ্টসমূহ উচ্চতর পর্যায়ের অভীষ্ট অর্জনে অবদান রাখবে।

উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট:
- অভীষ্ট ১: ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ;
- অভীষ্ট ২: ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন; এবং
- অভীষ্ট ৩: ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০'র নির্দিষ্ট অভীষ্টসমূহ:
- অভীষ্ট ১: বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ২: পানির নিরাপত্তা এবং পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি করা;
- অভীষ্ট ৩: সমন্বিত ও টেকসই নদী অঞ্চল এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা;
- অভীষ্ট ৪: জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং তাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ৫: অন্তঃ ও আন্তঃদেশীয় পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও ন্যায়সঙ্গত সুশাসন গড়ে তোলা; এবং
- অভীষ্ট ৬: ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উৎস: বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা (সরকারি ওয়েবসাইট)।
৩৭৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. রংপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৩৭৯.
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মাথাপিছু ঘাটতি-
  1. ক) ৮,৯৯০ টাকা
  2. খ) ৭,৮৯০ টাকা
  3. গ) ৮,৭৭০ টাকা
  4. ঘ) ৮,১৮০ টাকা
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মাথাপিছু ঘাটতি- ৮,৯৯০ টাকা।
৩৮০.
সর্বশেষ প্রকাশিত কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুসারে, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৬৩,২৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৬৭,১৭,০০০ হেক্টর
  4. ১,৭২,৫৯,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

⇒ উল্লেখ্য:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৮১.
সুদ পরিশোধে চলতি বাজেটে শতকরা কত ভাগ ব্যয় হবে?
  1. ক) ৭.৫ ভাগ
  2. খ) ১০.১ ভাগ
  3. গ) ১১.৩৬ ভাগ
  4. ঘ) ১৪.৭৬ ভাগ
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধে মোট ব্যয় হবে ৬৮,৫৯০ কোটি টাকা যা মোট বাজেটের শতকরা প্রায় ১১.৩৬ ভাগ।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক কালেরকন্ঠ)
৩৮২.
বর্তমানে অর্থনীতির মোট কয়টি খাত রয়েছে (সেপ্টেম্বর, ২০২৩)?
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।
- ১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩৮৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ কত গ্রাম?
  1. ক) ৪৫.২৮ গ্রাম
  2. খ) ৫২.৪২ গ্রাম
  3. গ) ৬২.৫৮ গ্রাম
  4. ঘ) ৭২.৭৫ গ্রাম
ব্যাখ্যা
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২.৫৮ গ্রাম যা চাহিদার (৬০ গ্রাম) তুলনায় বেশি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
৩৮৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আলু উৎপন্ন হয়? (ফেব্রুয়ারি-২০২৬)
  1. রংপুর 
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. বগুড়া 
  4. ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আলুর  উৎপাদন -  রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)।

এছাড়াও
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৩৮৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদিত হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. মানিকগঞ্জ
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।

⇒ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৮৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশি পণ্যের দ্বিতীয় প্রধান আমদানীকারক দেশ -
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯
৩৮৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ? 
  1. ৩.৩৫%
  2. ৪.৩৪%
  3.  ৫.৩২%
  4. ৪.৫৪%
ব্যাখ্যা

» অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
• খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:
- কৃষি: ১.৭৯%.
- শিল্প: ৪.৩৪%.
- সেবা: ৪.৫১%.

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫

৩৮৮.
What is the tax-free income limit in Bangladesh?
  1. 3,25,000 Tk
  2. 3,50,000 Tk
  3. 3,75,000 Tk
  4. 4,00,000 Tk
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে করমুক্ত আয়সীমা:
- প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৩-২৪ অনুযায়ী, আয়ের প্রথম ৩,৫০,০০০/- টাকার ওপর কোনো কর দিতে হবে না।
- পরবর্তী ১ লাখ টাকার ওপর ৫% আয়কর দিতে হবে।
- পরবর্তী ৩ লাখ টাকায় ১০% আয়কর দিতে হবে।
- পরবর্তী ৪ লাখ টাকায় ১৫% আয়কর দিতে হবে।
- পরবর্তী ৫ লাখ টাকায় ২০% আয়কর দিতে হবে।
- বাকি টাকার আয়ের উপর ২৫% আয়কর দিতে হবে।

 উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ ।
৩৮৯.
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-এর আওতায় (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত) দেশে জাতীয় মহাসড়ক এর পরিমাণ কত?
  1. ২২,৪৭৬ কিলোমিটার
  2. ৪,৮৯৮ কিলোমিটার
  3. ৩,৯৯১ কিলোমিটার
  4. ১৩,৫৮৭ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------- 
• সড়ক যোগাযোগ:


সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ): সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-এর আওতায় দেশে বিভিন্ন ধরনের মহাসড়ক রয়েছে – ২২,৪৭৬ কিলোমিটার (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –  

• জাতীয় মহাসড়ক – ৩,৯৯১ কিলোমিটার।
• আঞ্চলিক মহাসড়ক – ৪,৮৯৮ কিলোমিটার এবং
• ফিডার/জেলা সড়ক – ১৩,৫৮৭ কিলোমিটার।

মোট – ২২,৪৭৬ কিলোমিটার।

সওজ নিয়ন্ত্রাণাধীন সড়ক নেটওয়ার্কে বিভিন্ন প্রকারের ৪,৪০৪টি সেতু এবং ১৫,০৮৪টি কালভার্ট রয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
৩৯০.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স ২০২২ অনুযায়ী, পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর ও তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭৪.৭%
  2. ৭৬.৮%
  3. ৭৭.০%
  4. ৭৯.০%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন।
সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স ২০২২:

- ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪ বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স (SVRS) ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। 
[জনশুমারি ২০২২-এর ভিত্তিতে প্রাক্কলিত]
- প্রাক্কলিত জাতীয় জনসংখ্যা - ১৭০.৮৪ মিলিয়ন (পুরুষ: ৮৪.৬৮ মিলিয়ন, মহিলা: ৮৬.১৬ মিলিয়ন)। 
[১ জানুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত]
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা: মুসলিম ৮৯.০%, অন্যান্য ১১.০%। 
- জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার (RNI): ১.৪০%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি): ১,১৬৩ জন। 
- প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৪ বছর (পুরুষ: ৭০.৮ বছর, মহিলা: ৭৪.২ বছর)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর ও তদূর্ধ্ব): ৭৬.৮% (পুরুষ: ৭৯.০%, নারী: ৭৪.৭%)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স ২০২২।
৩৯১.
বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে মোট জ্বালানির শতকরা কতভাগ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পেতে চায়?
  1. ৪১%
  2. ৪২%
  3. ৪০%
  4. ৫০%
ব্যাখ্যা
- ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য বাংলাদেশের। 
- সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মোট জ্বালানির ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার। 
- এ উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহায়তা। 
- পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ফুয়েল মিক্সে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ক্রমশ বাড়ছে। 
- ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ আসবে। 

উৎস: দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকা (২০ ‍জুন, ২০২১)।
৩৯২.
ভিশন-২০২১ এর কয়টি লক্ষ্যমাত্রা ছিল?
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
কয়েকটি স্বল্প ও মধ্য মেয়াদী উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে আটটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য একটি পদক্ষেপ প্রস্তাব করা হয়। এই আটটি লক্ষ্য ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সিভিল সোসাইটির এক বছরের কর্মকান্ড থেকে বেরিয়ে এসেছিল (সিপিডি)। এটি ছিল ২০১০-২০২১ সালের মধ্যে একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা। 

ভিশন ২০২১ এর লক্ষ্যসমূহ:
১। অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা;
২। একটি কার্যকর, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ ও বিকেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা;
৩। দারিদ্র্যমুক্ত মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া;
৪। সুস্থ্য নাগরিকদের একটি জাতি গঠন করা;
৫। একটি দক্ষ ও সৃজনশীল মানব সম্পদের বিকাশ করা;
৬। একটি বিশ্বব্যাপী সমন্বিত আঞ্চলিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক হাব তৈরি করা;
৭। পরিবেশগতভাবে টেকসই হওয়া;
৮। একটি সমবায়ী ও ন্যায়বান সমাজ গড়া।

অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৩.
মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান-
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. অপরিবর্তিত
  3. ক্রমবর্ধমান
  4. দ্রুতবর্ধনশীল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।
২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ছিলো যথাক্রমে ১৪.২৩ শতাংশ, ১৩.৬৫ শতাংশ এবং ১৩.৩৫ শতাংশ।
অন্যদিকে ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধি ছিলো যথাক্রমে ৪.১৯ শতাংশ, ৩.৯২ শতাংশ এবং ৩.১১ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৩৯৪.
বর্তমানে গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা কত? (এপ্রিল, ২০২৫)
  1. ৪৭৫০০০ টাকা
  2. ৫০০০০০ টাকা
  3. ৫৫০০০০ টাকা
  4. ৫৭৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অর্থবছর।
৩৯৫.
মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ৯.৫৫%
  2. ১০.৩২%
  3. ৮.৩৪%
  4. ১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ও শতকরা পরিমাণ:

• ইলিশ=  ৫,২৯,৪৮৭ (১০.৫৫%)।
• চিংড়ি= ২,৬০,৪৮৬ (৫.১৯%)।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল)= ১১,৩৬,০৯৫ (২২.৬৪%)।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি)= ৫,৬৭,২৪২ (১১.৩০%)।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) = ১,৫৬,৯৯৮ (৩.১৩%)।
• তেলাপিয়া= ৪,৩৯,৬৭৮ (৮.৭৬%)।
• পাঙ্গাস = ৪,১৮,৬২৯ (৮.৩৪%)।

উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।

৩৯৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের মূল্যস্ফীতির পরিমাণ কত?
  1. ৮.৪৩%
  2. ৮.৪৮%
  3. ৮.৬৩%
  4. ৮.৪৫%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৩৯৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. বগুড়া
  3. নওগাঁ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, 
আলু (মিষ্টি আলু বাদে) মোট উৎপাদন: ১০,৬০,১১,৮২ মে. টন
আবাদকৃত জমির পরিমাণ: ১১,৩৩,০০৫ একর

বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর বিভাগ (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
দ্বিতীয় – রাজশাহী বিভাগ (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)

জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
রংপুর জেলা-১,২৯,৬৭৫ একর

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৯৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোন পণ্য?
  1. তৈলবীজ
  2. ভোজ্য তেল
  3. সুতা
  4. তুলা
ব্যাখ্যা

একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়- তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তৈলবীজ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৩৯৯.
ট্যাক্স হলিডে বলতে কী বুঝায়?
  1. ট্যাক্স মেলার আয়োজন করা
  2. নতুন শিল্পে ট্যাক্স ছাড়
  3. সাময়িক ভাবে ট্যাক্স স্থগিত করা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ট্যাক্স হলিডে:
- ট্যাক্স হলিডে হলো শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে কর স্থগিত করার একটি ব্যবস্থা। এটি মূলত অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। সাধারণভাবে, কোনো প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি দেওয়াকে কর অবকাশ বলা হয়। বিশেষ করে, কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ শিল্পখাতকে নির্দিষ্ট শর্ত পালন সাপেক্ষে কর প্রদান হতে মুক্তি দেওয়াই কর অবকাশের মূল উদ্দেশ্য। সাধারণত নতুন প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠান এ ধরনের সুবিধা লাভ করে। আঞ্চলিক সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই কর অবকাশ নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। নতুন শিল্প উদ্যোক্তারা বিশেষত অনগ্রসর অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের জন্য এ সুবিধা গ্রহণে আগ্রহী হয়ে থাকেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

সূত্র - এনবিআর ওয়েবসাইট ও কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০০.
বর্তমানে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরে ভাতার পরিমাণ কত? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. ৯৫০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ১০৫০ টাকা
  4. ১১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা:

- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
- এ আইন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সংরক্ষণে অনন্য দলিল।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫, ১৭, ২০ এবং ২৯ অনুচ্ছেদে অন্যান্য নাগরিকদের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমসুযোগ ও অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ দায়-দায়িত্বের অংশ হিসেবে ২০০৫-০৬ অর্থ বছর হতে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- শুরুতে ১,০৪,১৬৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ২০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদফতর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-০৬ অর্থবছর।

⇒ কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রতি পূরণ;
- ২. অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
- ৩. দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
- ৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
- ৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অমত্মর্ভুক্তকরণ।

⇒ ২০২৪-২৫ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতা: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা: ৫৫০ টাকা।
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা: ৮৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।
- মাতৃত্বকালীন ভাতা (৩৬ মাস পর্যন্ত): ৮০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভাতার হার: ১০৫০ টাকা।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতার হার: ২০০০০ টাকা।

উৎস: i) ২০২৪-২৫ জাতীয় বাজেট।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।