ব্যাখ্যা
- বর্তমান গড় আয়ু - ৭২.৬ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হবে - ১.১৮%।
- বর্তমান হার - ১.৩৭%।
- মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় হবে - ৩০৫৯ মার্কিন ডলার।
- বর্তমান মাথাপিছু আয় - ২০৬৪ মার্কিন ডলার।
উৎস: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৪ / ১৫ · ৩০১–৪০০ / ১,৪৪৪
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় - ফরিদপুুর জেলায়।
- ফরিদপুর জেলায় ২০২৩-২৪ বছরে মোট ১৪.১৮৪ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়।
- এবং মোট পাটের আবাদ হয়- ১২,৩৭৩২০ মে.ট.
এছাড়াও,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
-গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
-চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।
মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।
শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট:
- বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- উন্নয়ন ব্যয়, পরিচালন ব্যয় মিলে মোট বাজেটের আকার পাওয়া যায় (২,৪৫,৬০৯ + ৫,৪৪,৩৯১ = ৭,৯০,০০০ কোটি টাকা)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ৪০৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- নারী উদ্যোক্তা সৃস্টি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সার্বিক উন্নয়নে ১২৫ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্টার্টআপ তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- ব্লু ইকোনমি সম্পদ আহরণে গবেষণা তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলা তহবিল-এ ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের অভিঘাত মোকাবেলা তহবিলে ৮,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- পরিচালন ঋণ হিসাবে ১২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়।
বিবিএস ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘মাল্টি ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে-২০১৯’ জরিপ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলাওয়ারি হিসাবে দেখা গেছে, নারী সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি কুষ্টিয়া জেলায়, ৯৬.৬ শতাংশ। এর পরই ঝিনাইদহ (৯৫.৬ শতাংশ), খুলনা (৯৫ শতাংশ), বরিশাল (৯৪.৯ শতাংশ), ঝালকাঠি (৯৪.৭ শতাংশ) ও মাগুরার (৯৪.৭ শতাংশ) অবস্থান।
জরিপ অনুযায়ী সব থেকে কম নারী সাক্ষরতার হার বান্দরবান জেলায়, ৬৭ শতাংশ।
এর পরই কক্সবাজার (৭৫.২ শতাংশ), খাগড়াছড়ি (৭৭ শতাংশ), রাঙামাটি (৭৭.৩ শতাংশ) ও শেরপুরের (৭৮.৬ শতাংশ) অবস্থান।
বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি নির্ধারণ করা হয়েছে ২,২৬,০০০ কোটি টাকা, ।
- এই ঘাটতি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির - ৫.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা”।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন ব্যয়- ২,৪৫,৬০৯ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষমাত্রা- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষির উপখাতসমূহের অবদান
পশুসম্পদ - ১.৪৩ শতাংশ
বনজসম্পদ - ১.৬৪ শতাংশ
মৎস্যখাত - ৩.৫২ শতাংশ
শস্য উৎপাদন উপখাত - ৬.৭৬ শতাংশ
সার্বিক কৃষিখাত - ১৩.৩৫ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।
• এক ফসলি জমি = ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
• দুই ফসলি জমি = ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
• তিন ফসলি জমি = ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
• চার ফসলি জমি = ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
উৎস: বিবিএস কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪।
গড় মূল্যস্ফীতি:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি বিরাজমান।
- সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির দিক থেকে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ শীর্ষে ছিল।
- ২০২৬ সালেও বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকবে।
- তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।।
উল্লেখ্য,
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি - ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
উৎস: বিবিএস ও প্রথম আলো।
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।
• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।
• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
বর্তমানে ৪টি অঞ্চলে তুলার চাষ হচ্ছে। এ অঞ্চলগুলো হলো-যশোর, রংপুর, ঢাকা ও চট্টগ্রাম। যশোর ও রংপুর অঞ্চলের অধীনস্থ যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর ও রাজশাহী এলাকায় সবচেয়ে বেশি তুলাহয়। (রেফারেন্সঃ তুলা উন্নয়ন বোর্ড)
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪' অনুযায়ী,
মোট বনাঞ্চল পরিমাণ - ৬৩,৬৮,৮৫৯.১৭ একর বা ৯,৯৫১.৩৪ বর্গমাইল
• সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
- বান্দরবান= ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর।
উৎস: বিবিএস।
খাদ্য শস্য:
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।
• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)।
- ভুট্টা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ বিভাগ খুলনা বিভাগ (৯,৪২,২৯৩.৬৪ মে. টন)।
অন্যদিকে,
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর। (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)।
- ভুট্টা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা চুয়াডাঙ্গা জেলা (৫,৫৫,১১৬ মে. টন)।
এছাড়াও,
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
আলু উৎপাদন:
• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।
- (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।
- (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।
সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.১১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৪৮ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৩২ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
• বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।
• ২০১৮-২০১৯ সময়ে কৃষি ও শিল্পখাতের অবদান ছিলো যথাক্রমে ১৩.৬০ ও ৩৫.১৪।
• সুতরাং জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রম হ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
উৎসঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর।
- পূর্বে ছিল ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চল : রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় - ঝিনাইদহ।
- ঝিনাইদহ জেলায় ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৩,৯৮২ একর জমিতে পাটের আবাদ হয় উৎপাদন হয়- ২৫,১১৮.৬০ বেল।
- এবং মোট তুলার আবাদ হয়- ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন
এছাড়াও,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
-পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
অন্যদিকে,
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।
⇒ উল্লেখ্য:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আলুর উৎপাদন - রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)।
এছাড়াও
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
⇒ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
» অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
• খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:
- কৃষি: ১.৭৯%.
- শিল্প: ৪.৩৪%.
- সেবা: ৪.৫১%.
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫
বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ও শতকরা পরিমাণ:
• ইলিশ= ৫,২৯,৪৮৭ (১০.৫৫%)।
• চিংড়ি= ২,৬০,৪৮৬ (৫.১৯%)।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল)= ১১,৩৬,০৯৫ (২২.৬৪%)।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি)= ৫,৬৭,২৪২ (১১.৩০%)।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) = ১,৫৬,৯৯৮ (৩.১৩%)।
• তেলাপিয়া= ৪,৩৯,৬৭৮ (৮.৭৬%)।
• পাঙ্গাস = ৪,১৮,৬২৯ (৮.৩৪%)।
উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
আলু (মিষ্টি আলু বাদে) মোট উৎপাদন: ১০,৬০,১১,৮২ মে. টন
আবাদকৃত জমির পরিমাণ: ১১,৩৩,০০৫ একর
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর বিভাগ (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
দ্বিতীয় – রাজশাহী বিভাগ (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
রংপুর জেলা-১,২৯,৬৭৫ একর
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়- তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - সুতা।
প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তৈলবীজ।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।