বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা

মোট প্রশ্ন১,৪৪৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা

PrepBank · পাতা / ১৫ · ২০১৩০০ / ১,৪৪৪

২০১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বর্তমানে বাংলাদেশে নারী স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) কত?
  1. ৭৩.৮%
  2. ৭৪.৬%
  3. ৭৫.৮%
  4. ৭৭.৯%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে,
- বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৭.৯%  
- বর্তমানে বাংলাদেশে নারী স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৫.৮%
- বর্তমানে বাংলাদেশে পুরুষ স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৮০.১%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
২০২.
কোন প্রতিষ্ঠান 'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ' প্রকাশ করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  3. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  4. আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ:
- বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক সকল রকমের তথ্য নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) প্রতিবছর কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ প্রকাশ করে থাকে।

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো- ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
• সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
• বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
• ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- 
- খরিফ ফসল বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ।
২০৩.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হয়েছে?
  1. ক) সাতটি
  2. খ) আটটি
  3. গ) নয়টি
  4. ঘ) দশটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক ও ২টি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হয়েছে। 
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয় ১৯৭৩-১৯৭৮ সময়ে।
- সর্বশেষ অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত।
অন্যদিকে,
- প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ ২০১০ থেকে ২০২১ এবং দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ : ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল।

- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী
- ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।

[উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া]
২০৪.
‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' কোন ধরনের পরিকল্পনা?
  1. ক) স্বল্পমেয়াদি
  2. খ) দীর্ঘমেয়াদি
  3. গ) মধ্যমেয়াদি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

• জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
• পানি, জলবায়ু, পরিবেশ ও ভূমির টেকসই ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
• বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
• নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

সূত্র: সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি), বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।
 
২০৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১০.৩০%
  2. ১১.০২%
  3. ১১.২০%
  4. ১১.৫০%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
২০৬.
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে ২০৩০ সালের মধ্যে নিচের কোন লক্ষ্য অর্জনের কথা বলা হয়নি?
  1. উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন
  2. চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ
  3. সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার 'বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
- নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার আলোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উত্তম চর্চা (Best Practice) অনুসরণে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস্ সরকারের সার্বিক সহায়তা গ্রহণ করা হয়েছে।
- নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

উৎস: ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০
২০৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ফরিদপুর
  2. বগুড়া
  3. ঝিনাইদহ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী,

- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - খুলনা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঝিনাইদহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ময়মনসিংহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - বগুড়া।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
২০৮.
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের দৈনিক মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ কত গ্রাম?
  1. ক) ৪৫.২৮ গ্রাম
  2. খ) ৫২.৪২ গ্রাম
  3. গ) ৬২.৫৮ গ্রাম
  4. ঘ) ৭২.৭৫ গ্রাম
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের দৈনিক মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২.৫৮ গ্রাম যা চাহিদার (৬০ গ্রাম) তুলনায় বেশি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
২০৯.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদান্তে দেশে চরম দারিদ্র্যের হার কত শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ৩.০ শতাংশের নিচে
  2. খ) ১.০ শতাংশের মধ্যে
  3. গ) ২.০ শতাংশের নিচে
  4. ঘ) ১.০ শতাংশের নিচে
ব্যাখ্যা
• ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩.০ শতাংশের নিচে এবং চরম দারিদ্র্য হার ১.০ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে।
• ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮.৮ শতাংশ।
• ২০৩১ সালে এটি দাঁড়াবে ৭.০ শতাংশে। 

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
২১০.
মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. খুলনা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম= ৮,৮০,৭৯৭ (মেট্রিকটন);
২. খুলনা= ৮,২২,৩৬১ (মেট্রিকটন);
৩. রাজশাহী= ৫,৭৬,৮৩০ (মেট্রিকটন);

• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. ময়মনসিংহ= ৩,৪৫,০০১ (মেট্রিকটন);
২. কুমিল্লা= ৩,১৫,৪৫৭ (মেট্রিকটন);
৩. যশোর= ২,৪৮,০৮৯ (মেট্রিকটন)।

উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।

২১১.
বিবিএসের হিসাবে ২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর অনুসারে জিডিপিতে স্থিরমূল্যে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১০.২৫ শতাংশ
  2. ১২.০৭ শতাংশ
  3. ১৩.০৪ শতাংশ
  4. ১৪.১৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে ২০১৫-২০১৬ ভিত্তিবছর অনুসারে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- কৃষিখাত : ১২.০৭ শতাংশ
- শিল্পখাত ৩৬.০১ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫১.৯২ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
২১২.
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পোশাক খাতে কত শতাংশ আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১%
  2. খ) ২%
  3. গ) ৩%
  4. ঘ) ৪%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পোশাক খাতে ১ শতাংশ আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়।
২১৩.
বাংলাদেশ সরকার কোন উৎস থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে?
  1. ভূমি রাজস্ব
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে ⎯ মূল্য সংযোজন কর বা মূসক থেকে।
➝ বর্তমান ২০২৩ - ২৪ অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ডের আয়ের মোট ৩৮.১% ভ্যাট থেকে আহরণ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
➝ অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
➝ দ্বিতীয় প্রধান উৎস ⎯ আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তির চিত্র:
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী ⎯
- বৈদেশিক অনুদানসহ মোট রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ⎯ ৫০৩,৯০০ কোটি টাকা।
- NBR নিয়ন্ত্রিত কর ⎯ ৪৩০,০০০ কোটি টাকা,
- NBR নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কর ⎯ ২০,০০০ কোটি টাকা,
- কর ব্যতীত অন্যান্য প্রাপ্তি ⎯ ৫০,০০০ কোটি টাকা
- বৈদেশিক অনুদান ⎯ ৩,৯০০ কোটি টাকা।

রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত কর:
NBR যেসকল খাত থেকে কর উত্তোলন করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ⎯
➝ মূল্য সংযোজন কর ⎯ ১৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা (৩৮.১%),
➝ আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর ⎯ ১৫৩,২৬০ কোটি টাকা (৩৫.৬%),
➝ সম্পূরক কর ⎯ ৬০,৭০৩ কোটি টাকা (১৪.১%),
➝ আমদানি শুল্ক ⎯ ৪৬,০১৫ কোটি টাকা,
➝ আবগারি শুল্ক ⎯ ৪,৫৭৯ কোটি টাকা।
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
মূল্য সংযোজন কর/Value Added Tax (মূসক/VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি ⎯ পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ⎯ ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়। কিছু বিশেষ সেবার ক্ষেত্রে এই হার কম/বেশি হতে পারে।

উৎস: জাতীয় বাজেট ⎯২০২৩-২৪, NBR ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২১৪.
দেশের প্রথম বাজেটের আকার থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের আকার কত গুণ বেশি?
  1. ক) ৫৯১ গুণ
  2. খ) ৫৮০ গুণ
  3. গ) ৬৬৫ গুণ
  4. ঘ) ৬৫০ গুণ
ব্যাখ্যা
বর্তমান ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের আকার - ৫,২৩,১৯০ কোটি টাকা।
দেশের প্রথম বাজেট ছিলো - দুই অর্থবছরের এক সাথে এবং আকার ছিলো - ৭৮৬ কোটি টাকা।
অর্থাৎ ১ম বাজেটের তুলনায় বর্তমান বাজেট ৬৬৫ গুণ বেশি।

স্বাধীন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন।
তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২ সালের ৩০ জুন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন।
তাজউদ্দীন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট দিয়েছিলেন; সেই বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

[দৈনিক ইত্তেফাক ও জাতীয় বাজেট - ২০১৯-২০]
২১৫.
'ষষ্ঠ আদমশুমারি'কে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) জনশুমারি ও গৃহগণনা
  2. খ) জনশুমারি
  3. গ) জনগণনা
  4. ঘ) জনগণনা ও গৃহগণনা
ব্যাখ্যা
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'
- এটি শুরু হয় ১৫ জুন যা শেষ হয় ২১ জুন,২০২২ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৫টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে।

- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়ো’র সময়।
- এই আদমশুমারি গুণগতভাবে মানসম্পন্ন ছিলো না। তবে এই আদমশুমারি থেকেই বাংলা একটি মুসলিম প্রধান রাজ্য হিসেবে প্রথম চিহ্নিত হয়।


তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
২১৬.
বাংলাদেশে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ঝিনাইদহ
  3. মৌলভীবাজার
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:

⇒ শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

⇒ শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২১৭.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, বর্তমানে মাথাপিছু আয় কত?
  1. ২,৭৩২ মার্কিন ডলার
  2. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮৯৪ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯৫১ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

২১৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানীকারক দেশ -
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯
২১৯.
যে সেক্টরে বাংলাদেশের সর্বাধিক জনশক্তি নিয়োজিত -
  1. পোশাক
  2. কৃষি
  3. পরিবহণ
  4. শিল্প
ব্যাখ্যা

যে সেক্টরে বাংলাদেশের সর্বাধিক জনশক্তি:
- বাংলাদেশের সর্বাধিক জনশক্তি কৃষি সেক্টরে নিয়োজিত।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%, 
- শিল্প: ১৭.৩৭%, 
- সেবা: ৩৭.৯৬%।

এছাড়াও,
• জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১০.৯৪%।
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

২২০.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?  (নভেম্বর-২০২৫)
  1. কুষ্টিয়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২২১.
বাংলাদেশে নিম্ন দারিদ্র্য সীমার নিচের বসবাসকারী জনসংখ্যা কত শতাংশ?
  1. ৮.৮৫ শতাংশ
  2. ৯.১৫ শতাংশ
  3. ১০.৫ শতাংশ
  4. ১২.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে অতি বা নিম্ন দারিদ্র্য হার ১০.৫ শতাংশ।
- উচ্চ দারিদ্র্য হার ২০.৫ শতাংশ।
- দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে ও কুড়িগ্রাম জেলায়।
- দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম ঢাকা বিভাগে ও নারায়ণগঞ্জ জেলায়।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
২২২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, কোন খাতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ?
  1. কৃষি খাত
  2. শিল্প খাত
  3. সেবা খাত
  4. নির্মাণ খাত
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. (সেবা খাত – ৪.৫১%)

• খাতভিত্তিক সারসংক্ষেপ (অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৫):


১. সেবা খাত:

জিডিপিতে অবদান: ৫১.৬২%;
প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%;
নিয়োজিত শ্রমশক্তি: ৩৭.৯৬%।
 
২. শিল্প খাত:
জিডিপিতে অবদান: ৩৭.৪৪%;
প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪%;
নিয়োজিত শ্রমশক্তি: ১৭.৩৭%।
 
৩. কৃষি খাত:
জিডিপিতে অবদান: ১০.৯৪%;
প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%;
নিয়োজিত শ্রমশক্তি: ৪৪.৬৭%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

২২৩.
বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় মার্কিন ডলারে (আনুমানিক) - [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ২২৫০
  2. ২৭৮৪
  3. ২২৭০
  4. ২৮২০
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:

- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২২৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৪৪৩.০২ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ৪৫৩.৪৪ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ৪৭০.২৫ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে,

আউশ ধান : ৩৪.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন

আমন ধান : ১৫০.৪৭ লক্ষ মেট্রিক টন

বোরো ধান : ২০৯.৫১ লক্ষ মেট্রিক টন

গম : ১২.২৬ লক্ষ মেট্রিক টন

ভুট্টা : ৫৮.৭৫ লক্ষ মেট্রিক টন।

(তথ্যসূত্র:বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
২২৫.
জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার: [মার্চ, ২০২০]
  1. ক) ১.৩৩%
  2. খ) ২.৩৩%
  3. গ) ১.০৩%
  4. ঘ) ১.৪৫%
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯
২২৬.
মোট শ্রমশক্তির শতকরা কতভাগ শিল্পখাতে নিয়োজিত? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ২০,০০%
  2. ১৫,৭৭%
  3. ১১,১২%
  4. ১৭.৩৭%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে:

• শ্রমশক্তি ও কর্মসংস্থান (শ্রমশক্তি জরিপ, ২০২৪ মোতাবেক)
মোট শ্রমশক্তি (১৫ বছর+) (মিলিয়ন) = ৭১.৭১%
পুরুষ = ৪৮.০২%
মহিলা = ২৩.৬৯%

মোট শ্রমশক্তির শতকরা হার হিসেবে (২০২৪)
• কৃষি = ৪৪,৬৭%
• শিল্প = ১৭.৩৭%
• সেবা= ৩৭.৯৬%
• বেকারত্বের শতকরা হার = ৩.৬৬%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫।

২২৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৯.৩১%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১১.৭৪%
  4. ১২.৪৯%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২২৮.
২০২৫-২০২৬ সালে সংশোধিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কত?
  1. ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  2. ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
  3. ২ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা
  4. ২ লাখ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংশোধিত বাজেটে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

- মূল বাজেটে এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল।
ফলে উন্নয়ন ব্যয় মূল বাজেটের তুলনায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে।

- সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা এবং দেশীয় অর্থায়ন ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা। পরিচালনসহ বাজেটের অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

উৎস: বাসস ও অর্থমন্ত্রণালয়।

২২৯.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. জনপ্রশাসন
  3. পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. চিকিৎসা
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয়: ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

২৩০.
জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ৩০ নভেম্বর
  2. খ) ১৫ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ৩০ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৫ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয়  প্রতি বছরের ৩০ নভেম্বর
- ২০০৮ সাল থেকে দেশে আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে।
- আগে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপিত হতো।  
- তবে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর।
- এদিন ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ারও শেষ দিন।

সূত্র: যুগান্তর ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৩১.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) নওগাঁ
  2. খ) নীলফামারী
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) মাগুরা
ব্যাখ্যা
- ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট তামাক উৎপাদন : ৮২,৩৯৯ মে. টন
- তামাক উৎপাদনে প্রথম : কুষ্টিয়া (৩৬,৮৬৯ মে. টন)
- দ্বিতীয় : লালমনিরহাট (১৫,৩০৫ মে. টন)
- তৃতীয় : নীলফামারী (৮,৩৫০ মে. টন)।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯)
২৩২.
বাংলাদেশের জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত- (মে ২০২৫)
  1. শিল্প
  2. কৃষি
  3. সেবা
  4. মৎস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রধান খাত ৩ টি -
 ১. সেবা ( ১৩ টি খাত নিয়ে গঠিত)
 ২. শিল্প,
 ৩. কৃষি,
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবা খাত।
- জিডিপির ছোট খাত- কৃষ খাত।
- সার্বিক ভাবে অর্থনীতিতে ক্রমবর্ধমান খাত- শিল্প খাত ।
-  সার্বিক ভাবে অর্থনীতিতে ক্রমহ্রাসমান খাত- কৃষি খাত।
- সার্বিক ভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
২৩৩.
চলতি অর্থবছরে মাথাপিছু বরাদ্দ কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ১৫,১৫৫ টাকা
  2. খ) ৪১,৯৩৩ টাকা
  3. গ) ৩৫,১৫৫ টাকা
  4. ঘ) ৫১,৯৩৩ টাকা
ব্যাখ্যা
• অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫%। 
• অনুমিত মুদ্রাস্ফিতির হার - ৫.৬%। 
• মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা (প্রাক্কলিক) - ৩,০০৭ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু আয় - ২৮২৪ মার্কিন ডলার। 
মাথাপিছু বরাদ্দ - ৪১,৯৩৩ টাকা। 
• মাথাপিছু ঘাটতি - ১৫,১৫৫ টাকা।

তথ্যসূত্র:- অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
২৩৪.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয়? [জুন, ২০২৫]
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ফরিদপুর
  3. সাতক্ষীরা
  4. ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
তুলা:
- বস্ত্র শিল্পের মূল ও প্রধান উপাদান তুলা।
- তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল এবং আন্তর্জাতিক শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি শিল্প বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলা।

⇒ তুলা থেকে আঁশ ছাড়াও ভোজ্য তেল, খৈল, জ্বালানি উপজাত হিসাবে পাওয়া যায়।
- খৈল গবাদি পশু ও মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- তুলা উৎপাদন, জিনিং, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ভোজ্য তেল এবং সাবান শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহ করে।
- তুলা বিশ্বের অন্যতম টেক্সটাইল তন্ত্র এবং তুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- বর্তমানে বস্ত্র এবং গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
২৩৫.
বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি ইপিজেড এর সংখ্যা -
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম। 
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
২৩৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৩.১২ শতাংশ
  2. ৩.২১ শতাংশ
  3. ৫.৮০ শতাংশ
  4. ৬.৬৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:

- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇒ সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে –
কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩.২১% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ২.৬১ শতাংশ।
একই সময়ে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।
সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৫.৮৪ শতাংশ।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৩৭.
বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান কত বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. ৩০ বছর
  2. ৫০ বছর
  3. ৭০ বছর
  4. ১০০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে:
• বন্যা,
• নদী ভাঙন,
• নদী ব্যবস্থাপনা,
• নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ,
• বর্জ্য ব্যবস্থাপনা,
• বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২৩৮.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ৬ (ছয়) টি
  2. ৭ (সাত) টি
  3. ৮ (আট) টি
  4. ৯ (নয়) টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------------- 
• পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
-  পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
২৩৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা -খাগড়াছড়ি
  1. বাগেরহাট

  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৪০.
চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার কত শতাংশ কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে?
  1. ৬০.৩৫ %
  2. ৭৩.৬৫%
  3. ৫৫.২৩%
  4. ৬১.৫৪%
ব্যাখ্যা

চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার ৬১.৫৪% কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
- চলতি বছর কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ২৬২৯২ কোটি টাকা।
- ইতিমধ্যে ১৬১৮০.৮২ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়ে হয়েছে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

২৪১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, খাদ্যে মূল্যস্ফীতি কত শতাংশ?
  1. ১০.২২%
  2. ৯.৮৪%
  3. ১২.২২%
  4. ১০.৫২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
[খাদ্যে – ১০.২২% ও খাদ্য বহির্ভূত খাতে – ৯.৩৪%]

- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৪২.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র (৬,৬৬৫.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশে জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির চিত্র তুলে ধরা হলো -
- জার্মানি    ৪,৯৫৪.৭৮
- যুক্তরাজ্য - ৩,১৫৪.৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- জার্মানি    ৪,৯৫৪.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ফ্রান্স - ১,৬৭৬.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- নেদারল্যান্ডস - ১,১৬৩.৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ইতালি - ১,০৫৮.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

•  এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
• রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানির ২.৬৪%।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
২৪৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ১০.৪%
  2. ১২.১%
  3. ১৪.০%
  4. ২২.১%
ব্যাখ্যা
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২২.১%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৪.০%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ১০.৪%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত পরিবহন ও যোগাযোগ ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত ভর্তুকি ও প্রণোদনা ।

তথ্যসূত্র- জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অর্থবছর।
২৪৪.
ফরিদপুর জেলায় কোন ফসলটির উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়?
  1. ক) আনারস
  2. খ) তুলা
  3. গ) পাট
  4. ঘ) লিচু
ব্যাখ্যা
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট  উৎপাদন - ফরিদপুর জেলা (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)।
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)।

অন্যদিকে, 
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয় - খুলনা বিভাগে (৬২,৩৭৩.৬৫ মে.টন)। জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঝিনাইদহ জেলা (২৮,৩৯৭.৬১ মে.টন)।

আনারস
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৭৯১ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - টাঙ্গাইল জেলা (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।

লিচু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১
২৪৫.
জনশুমারি ২০২২-এ কোন গণনা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?
  1. De-jure
  2. Classical Defecto
  3. Modified De-fecto
  4. Household Count
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

২৪৬.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ক) চা
  2. খ) পাট
  3. গ) গম
  4. ঘ) তুলা
ব্যাখ্যা
পাট:
- সোনালী আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ।
- বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ পাট থেকে উৎপাদিত সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে পরিচিত।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- সারা বিশ্বে আঁশ উৎপাদনকারী ফসল হিসেবে তুলার পরেই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসল দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন সাড়ে তিন মণ।
- বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়— ফরিদপুর জেলায় । 
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা— ১৯৭৪ সালে ।
- পাট উৎপাদনের বিশ্বে প্রথম দেশ- ভারত (২য় শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ)।
- জুটন আবিস্কার করেন— ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকউল্লাহ । 
- আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (IJO) প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৯৮৪ সালে।
- সদর দপ্তর ফার্মগেট, ঢাকা (প্রতিষ্ঠা ২৭ এপ্রিল ২০০২)। 
- বাংলাদেশে উৎপন্ন কিছু উন্নত জাতের গম— অগ্রণী, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
২৪৭.
কোন পঞ্চবার্ষিকীর সাথে 'ভিশন - ২০৪১' সম্পর্কিত?
  1. ষষ্ট পঞ্চবার্ষিকী
  2. পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী
  3. সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী
  4. অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী 
• সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতির জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ আগেই শেষ হলেও অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা কার্যকর হতে দেরি হয়। ২০২০ সালের ২৩ ডিসেম্বর এটি জাতীয় অর্থনীতিক কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) - এর সভায় উত্থাপন করা হয়। ২৯ ডিসেম্বর একনেক তা অনুমোদন করে। পরিকল্পনাটি ২০২০ সালের জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে:-
-  কর্মসংস্থান তৈরিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
- জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
- সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা নিশ্চিত করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা "ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০" বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

ভিশন - ২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে। ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরন ও এসডিসি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ১১.৩৩ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তার মধ্যে -
- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ৮.০৮ মিলিয়ন বা ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার।
- প্রবাসী বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার।

তথ্য:- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী রিপোর্ট।
২৪৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, বাংলাদেশের  চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৫.৬%
  2. ৩.৬%
  3. ৪%
  4. ৫.১%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

২৪৯.
২০২০-২০২১ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত ছিলো?
  1. ৪২.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৩.৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৪.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৪৬.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
- সদ্যসমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জুন মাস শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক ‍মুদ্রার রিজার্ভ ছিলো ৪৬.৩৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
২৫০.
বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা কত? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ৩০০০০০ টাকা
  2. ৩৫০০০০ টাকা
  3. ৪০০০০০ টাকা
  4. ৪৫০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।

উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩৭৫০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

২৫১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ৫১.০০%
  2. ৪৫.০০%
  3. ৩৮.০০%
  4. ১৭.০০%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:

• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

বিশেষ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
২৫২.
দেশের একমাত্র জাতীয় মান সংস্থা কোনটি?
  1. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন
  2. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট
  3. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন
  4. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন-বিএসটিআই (Bangladesh Standards and Testing Institution-BSTI):
- দেশের একমাত্র জাতীয় মান সংস্থা।

২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট - বিআইএম (Bangladesh Institute of Management - BIM):
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন শাখায় স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ, এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা এবং ছয় মাস মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সসহ অন্যান্য বিশেষায়িত কোর্সের আয়োজন ও পরামর্শসেবা প্রদান করে থাকে।

৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র - বিটাক (Bangladesh Industrial and Technical Assistance Center - BITAC):
দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে আসছে বিটাক। এর ফলে শিল্প ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরিসহ গবেষণার মাধ্যমে আমদানি বিকল্প যন্ত্রাংশ তৈরি করার মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে আসছে বিটাক।

৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন - এনপিও (National Productivity Organization - NPO):
এনপিও জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকারি কৃষি খাতসহ জাতীয় অর্থনীতির সকল কর্মকান্ডে অব্যাহতভাবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্প কারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর এবং বেসরকারি উদ্যোগে শিল্পায়নকে উৎসাহিত করার মানসে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতি বছর ০২ অক্টোবর দেশব্যাপী 'জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস' পালন করা হয়।

ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও), জাপান-এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উৎপাদনশীলতা, গুণগতমান, প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবনী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে 'Bangladesh National Productivity Master Plan 2021-2030' প্রণয়ন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
২৫৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. বরিশাল
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৫৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী কোন বিভাগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে?
  1. রাজশাহী
  2. বরিশাল
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।

দেশে বসবাসকার উপজাতির সংখ্যা:
• মোট উপজাতির সংখ্যা - ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
• পুরুষ - ৮,২৪,৯৩৩ জন।
• মহিলা - ৮,২৫,৫৪৫ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- দ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাস করে রাজশাহী বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ১৪.৮২)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
২৫৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, এশিয়ার কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. ভারত
  2. নেপাল
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৫৬.
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ঘাটতির (অনুদানসহ) পরিমাণ ____ কোটি টাকা।
  1. ক) ১,৪১,২১২
  2. খ) ১,৪৫,৩৮০
  3. গ) ১,৪১,৩৮০
  4. ঘ) ১,৪৪,৩৮০
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ঘাটতির (অনুদানসহ) পরিমাণ ১,৪১,২১২ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ঘাটতির (অনুদান ব্যতীত) পরিমাণ ১,৪৫,৩৮০ কোটি টাকা।
২৫৭.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০):
- ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ এ দু বছরের জন্য একটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা রচনা করা হয়।
-  বাংলাদেশের একটিমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা।
- কারণ হিসেবে বলা হয় প্রথম পরিকল্পনার অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো শেষ করা।
- প্রথম পরিকল্পনার ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, বৈদেশিক সাহায্যের সম্ভবনা যাচাই প্রভৃতির জন্য দুৎবছর মেয়াদী একটি অন্তর্বতীকালীন পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫৮.
যে বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক -
  1. ক) ঢাকা বিভাগ
  2. খ) রাজশাহী বিভাগ
  3. গ) বরিশাল বিভাগ
  4. ঘ) খুলনা বিভাগ
ব্যাখ্যা
পঞ্চম আদমশুমারি রিপোর্ট অনুসারে দেশে ৭ বছর ও তার উর্ধ্বের জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৬.০৯ শতাংশ।
এছাড়া শুধু পড়তে পারে এমন জনগোষ্ঠীর হার ৭.৮৩ শতাংশ।

বিভাগ অনুযায়ী সাক্ষরতার হার - সর্বাধিক বরিশাল বিভাগে এবং সর্বনিম্ন সিলেট বিভাগে।
বরিশাল বিভাগ - ৫৯.৫৫ শতাংশ
চট্টগ্রাম বিভাগ - ৫৯.৪৮ শতাংশ
ঢাকা বিভাগ - ৫৬.৯৮ শতাংশ
খুলনা বিভাগ - ৫৬.৮০ শতাংশ
রাজশাহী বিভাগ - ৫৩.২৫ শতাংশ
রংপুর বিভাগ - ৫১.৯৭ শতাংশ
সিলেট বিভাগ - ৪৯.৭৮ শতাংশ

তবে,
পঞ্চম আদমশুমারি পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিভাগ ভেঙ্গে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টির পর সাক্ষরতার হার ঢাকা বিভাগে ৬০.৫৭ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫.৩৮ শতাংশ
রিপোর্টে যেহেতু বরিশাল দেওয়া তাই বরিশালকেই সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হলো।
২৫৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ তথ্যনুসারে, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়ের পরিমান কত?
  1. ২,০২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮০০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৬২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- জাতীয় মহাসড়ক: ৪২৯৪ কিলোমিটার।
- আঞ্চলিক মহাসড়ক: ৫০৪০ কিলোমিটার।
- রেলপথ: ৩২৫৪ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫, বিবিএস।

২৬০.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা: 
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বর্ধিত জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
- নেদারল্যান্ডস কে অনুসরণ করে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের চাবিকাঠি হিসেবে শতবর্ষী ডেল্টা প্ল্যান তথা ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
- বন্যা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল হিসেবে ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের অনুমোদন পায়।
- এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প গ্ৰহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প।
- এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৫ বিলিয়ন টাকা
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।

উৎস: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড
২৬১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে, জিডিপিতে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে কোন খাতে?
  1. নির্মাণ
  2. স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
  3. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি
  4. ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা
-  সার্বিকভাবে ১৫টি খাতের মধ্যে অর্থনীতিতে/জিডিপিতে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি –
‘স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা’ খাতের; হার - ৯.৯৪% এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি – ‘নির্মাণ’ খাতের; হার - ৮.৬৮%।
-  সার্বিকভাবে ১৫টি খাতের মধ্যে অর্থনীতিতে/জিডিপিতে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবদান –
‘ম্যানুফ্যাকচারিং’ খাতের; ৫৫৯,৬২৭ কোটি টাকা  এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদান – ‘পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত’ খাতের; ৩৮৭,৬০৬ কোটি টাকা (১৪.০৮%)।
উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
২৬২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.০২%
  2. ১.১২%
  3. ১.২২%
  4. ১.৩২%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

২৬৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত? (মার্চ-২০২৬)
  1. ৩.৭১%
  2. ৪.৩৫%
  3. ৩.৪৯%
  4. ২.৪২%
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব: 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%। 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

উল্লেখ্য,
→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং সমসাময়িক জিডিপি সমীক্ষা।

২৬৪.
রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. রূপালী ব্যাংক
  2. বেসিক ব্যাংক
  3. পূবালী ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• পূবালী ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৬৫.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হলো—
  1. কুষ্টিয়া
  2. রাজশাহী
  3. দিনাজপুর
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

- ভুট্টা উৎপন্ন শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২৬৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ
  2. রংপুর
  3. ফরিদপুর
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
২৬৭.
বাংলাদেশে জিডিপির হিসাব নির্ণয়ে অন্তর্ভুক্ত হয় না -
  1. ক) রপ্তানি আয়
  2. খ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
  3. গ) দেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের আয়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জিডিপির হিসাব নির্ণয়ে অন্তর্ভুক্ত হয় না - প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স।

• জিডিপি: 

- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে বা ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তাদের বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বলে।
- এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মরত দেশি বিদেশি সকল নাগরিক ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- তবে বিদেশে কর্মরত সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিকের আয় ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%।
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ২.২০%।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ‌ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৩১ শতাংশ।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
২৬৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ক) ২,৬৩,৪১৪ টাকা
  2. খ) ২,৬৯,৩১৪ টাকা
  3. গ) ২,৭০,৪১৪ টাকা
  4. ঘ) ২,৭৫,৫১৪ টাকা
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
সমীক্ষা অনুযায়ী,
- প্রতি বর্গ কিমি জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৫৩ জন।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল - ৭২.৩ বছর।
- দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%
- চরম দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%
- সাক্ষরতার (৭+) হার - ৭৬.৪%
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৩%
- পুরুষ-মহিলা অনুপাত - ৯৮.১ : ১০০
- স্থির মূল্যে GDP প্রবৃদ্ধির হার - ৬.০৩%
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭০,৪১৪ টাকা (২,৭৬৫ মা.ড)।
-  চলতি মূল্যে মাথাপিছু GDP - ২,৫৯,৯১৯ টাকা।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩
২৬৯.
2019-20 সালের বাজেট অনুযায়ী, ব্যক্তি কর দাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয় কত টাকা?
  1. ক) 100,000
  2. খ) 150,000
  3. গ) 200,000
  4. ঘ) 250,000
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা চলতি অর্থবছরের মতো আড়াই লাখ টাকায় টাকায় আছে। নারী ও ৬৫ বছর ঊর্ধ্ব করদাতাদের ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত কর দিতে হবে না।
Source:nbr.gov.bd
২৭০.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ আওয়ামী লীগ সরকারের কততম বাজেট?
  1. ১৫তম
  2. ২২তম
  3. ২৪তম
  4. ১৬তম
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেটের ক্রম: ৫২তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- আওয়ামী লীগ সরকারের ২৪তম।
- বর্তমান সরকারের টানা ১৫তম বাজেট।
- বাজেট উত্থাপন: ১ জুন, ২০২৩।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ২৬ জুন, ২০২৩ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৩।
- জিডিপির আকার: ৫০,০৬,৭৮২ কোটি টাকা।
- বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,০০,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি : ২,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেট (অনুন্নয়ন বাজেট): ৪, ৩৬, ২৪৭ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
২৭১.
সর্বশেষ কৃষি শুমারি কোন সালে অনুষ্ঠিত হয়? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

 কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় - ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস ।

২৭২.
বর্তমানে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.৭%
  2. ৫.৫%
  3. ৫.৯%
  4. ৬.২%
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
২৭৩.
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত ছিল?
  1. ক) ৮.১৫%
  2. খ) ৭.৪০%
  3. গ) ৭.৮০%
  4. ঘ) ৭.২৫%
ব্যাখ্যা
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল- ৭.৪০%
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অর্জিত প্রবৃদ্ধি ৮.১৫%।   

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
২৭৪.
বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশগত অঞ্চলের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২৪টি
  4. ঘ) ৩০টি
ব্যাখ্যা
- ভূ-প্রকৃতি, পানির সহজলভ্যতা, ফসলের বিন্যাস, মৌসুম, মাটির ধরন, জোয়ার-ভাটা প্রভৃতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষি পরিবেশগত অঞ্চলে (AEZ) ভাগ করা হয়েছে।
- এই ৩০টি AEZ কে ৮৮টি উপ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- উপ-অঞ্চলগুলোকে ৫৩৫টি কৃষি পরিবেশগত একক এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- কৃষি পরিবেশগত অঞ্চলে একই পরিবেশে এবং মাটির বৈশিষ্ট্যে ফসল উৎপাদন হয়।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
২৭৫.
বাংলাদেশের কোন জেলা চা উৎপাদনে শীর্ষে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়-সিলেট এবং দ্বিতীয় বিভাগ চট্টগ্রাম
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয় - মৌলভীবাজার এবং দ্বিতীয়  জেলা – হবিগঞ্জ
অন্যদিকে,
বাংলাদেশের আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রাজশাহী। 
বাংলাদেশের আম উৎপাদনে দ্বিতীয় জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

[উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]
২৭৬.
TIN stands for -
  1. ক) Tax Index Numbers
  2. খ) Taxpayers Index Number
  3. গ) Taxpayers Information Numbers
  4. ঘ) Taxpayers Identification Numbers
ব্যাখ্যা
TIN
- TIN stands for - Taxpayers Identification Numbers.
- TIN হলো একটি শনাক্তকরণ নম্বর যা অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা (IRS) দ্বারা কর আইনের প্রশাসনে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসন (SSA) বা IRS দ্বারা জারি করা হয়।
- একটি সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর (SSN) SSA দ্বারা জারি করা হয় যেখানে অন্যান্য সমস্ত TIN IRS দ্বারা জারি করা হয়।
করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (TIN)
- সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর (SSN)।
- নিয়োগকর্তা সনাক্তকরণ নম্বর (EIN)।
- ব্যক্তিগত করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর (ITIN)।
- মুলতুবি মার্কিন দত্তকগুলির জন্য করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর (ATIN)।
- প্রস্তুতকারী করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর (PTIN)।

উৎস: Taxpayer Identification Numbers (TIN) - IRS, IRS (.gov).
২৭৭.
দেশের কোন বিভাগে আবাদী জমির পরিমাণ সবচেয়ে কম?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) সিলেট
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুযায়ী দেশে মোট আবাদী জমি : ২ কোটি ৮১ হাজার একর।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বাধিক আবাদী জমি:

- রাজশাহী বিভাগ : ৩২.৬০ লক্ষ একর
- রংপুর বিভাগ : ৩০.৪৯ লক্ষ একর
- ঢাকা বিভাগ : ২৯.৭৪ লক্ষ একর
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ২৬.৮৬ লক্ষ একর
- খুলনা বিভাগ : ২৬.৩৮ লক্ষ একর
- বরিশাল বিভাগ : ১৮.৪৮ লক্ষ একর
- ময়মনসিংহ বিভাগ : ১৮.১৬ লক্ষ একর
- সিলেট বিভাগ : ১৮.১ লক্ষ একর।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ : পৃষ্ঠা-৪২৭/৪২৮)
২৭৮.
How many government EPZs are there in Bangladesh?
  1. ক) 7
  2. খ) 8
  3. গ) 9
  4. ঘ) 10
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বেপজা এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority (BEPZA).
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি ইপিজেড রয়েছে
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
২৭৯.
'বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি' এর প্রধান কে? [ডিসেম্বর- ২০২৪]
  1. আহসান এইচ মনসুর
  2. হুসনে আরা শিখা
  3. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  4. সালেহউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি ও প্রতিবেদন: 
- দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা তুলে ধরতে গত ২৯ আগস্ট বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- কমিটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি’।
- শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রধান উপদেষ্টার কাছে ১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রতিবেদনটি জমা দেয়।

⇒ প্রস্তাবিত শ্বেতপত্রে যেসব বিষয়াদি নিয়ে আলোকপাত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো হলো-
- সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা- অভ্যন্তরীণ সম্পদ, সরকারি ব্যয় (সরকারি বিনিয়োগ, এডিপি, ভর্তুকি এবং ঋণ), বাজেট ঘাটতির অর্থায়ন।
-  মুদ্রাস্ফীতি এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা- উৎপাদন, সরকারি সংগ্রহ এবং খাদ্য বণ্টন।
 - রপ্তানি, আমদানি, রেমিটেন্স, এফডিআই, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বৈদেশিক অর্থ প্রবাহ এবং ঋণ।
-  চাহিদা, সরবরাহ, মূল্য নির্ধারণ, খরচ এবং ক্রয় চুক্তি।
 - ব্যক্তিগত বিনিয়োগ- ক্রেডিট, বিদ্যুৎ, সংযোগ এবং লজিস্টিকসে অ্যাক্সেস।
 - দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান, আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক মজুরি; যুব কর্মসংস্থান।

⇒ প্রতিবেদনটি থেকে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:
- অবৈধ অর্থ পাচার: ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ২৮ উপায়ে পাচার। প্রতিবছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার তছরূপ ও পাচার হয়েছে।
- উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয়: প্রকল্প খরচ গড়ে ৭০% বেড়েছে। প্রকল্প সম্পন্ন হতে গড়ে ৫ বছরের বেশি সময় লেগেছে। এডিপি বিনিয়োগের ১৪-২৪ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতিতে অপচয়।
- ব্যাংকিং খাতের ক্ষতি: মন্দ ঋণের কারণে ব্যাংক খাতে বিপুল আর্থিক সংকট।
- দুর্নীতির কেন্দ্র: সামরিক ও বেসামরিক আমলারা প্রধান দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত।

⇒ এছাড়াও প্রতিবেদনে সুপারিশ স্বরুপ বলা হয়েছে:
- স্বল্পমেয়াদী (২-৩ বছর) পরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তাব।
- অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক খাতে বিদেশি সাহায্যের বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ।
- বাজেটের পূর্বাভাসযোগ্যতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক জোরদার করা।

তথ্যসূত্র: শ্বেতপত্র প্রতিবেদন ও প্রথম আলো নিউজ।[লিঙ্ক]
২৮০.
২০২১-২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ২.৫৬%
  2. ৪.৫৬%
  3. ৫.৫৬%
  4. ৩.৬৬%
ব্যাখ্যা
প্রবাসী ও রেমিট্যান্স
- কোভিড-১৯ পরিস্থিতি এবং রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখতে বৈদেশিক আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস হিসাবে প্রবাস আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত প্রায় ৭,৩৪,০০০ শ্রমিক কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে বিদেশ গমন করে।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের পরিমাণ ১৪,০১৩.৩৯ মিলিয়ন ডলার বা ১৩৬১৭৪.৭৬ কোটি টাকা (জুলাই – ফেব্রুয়ারি)।
-  ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির ৪.৫৬% এবং মোট পণ্য রপ্তানির ৪২.৭১%।

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ ।  
২৮১.
ইক্ষু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. জামালপুর
  2. ফরিদপুর
  3. নাটোর
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ইক্ষু উৎপাদনে
প্রথম - নাটোর
দ্বিতীয় - জামালপুর
তৃতীয় - কুষ্টিয়া
চতুর্থ – গাইবান্ধা।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
২৮২.
What is the average life expectancy in Bangladesh?
  1. ক) 65 years
  2. খ) 72 years
  3. গ) 70 years
  4. ঘ) 68 years
ব্যাখ্যা
অথনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে-
বাংলাদেশের গড় আয়ু -৭২.৮ বছর। (প্রশ্নে দশমিকের পরের সংখ্যা নেওয়া হয়নি তাই সঠিক ‍উত্তর হবে ৭২ বছর) 
- মোট জনসংখ্যা- ১৭ কোটি ৮ লাখ
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার-১.৩৭%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব-১১৪০/বর্গ কি.মি
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল-৭২.৮ বছর (পুরুষ-৭১.২ এবং নারী-৭৪.৫) 
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক)-৭৫.২%
- প্রাথমিকে ভর্তির হার (২০২০ সাল নাগাদ)- ৯৭.৮১%
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত-১০০.২: ১০০

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
২৮৩.
বাংলাদেশের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ কোনটি?
  1. ক) ২০২১-২০৪১
  2. খ) ২০০৯-২০২১
  3. গ) ২০১০-২০২১
  4. ঘ) ২০১২-২০২১
ব্যাখ্যা
• এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ২টি দীর্ঘমেয়াদি বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
• প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিল- ২০১০-২০২১
• এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সুষম ও সমন্বিত উন্নয়ন অর্জন।
• প্রধান লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করা।
• দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল- ২০২১-২০৪১ সাল।
• উদ্দেশ্য হচ্ছে দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন আরও সুসংহত করা এবং বাংলাদেশকে আধুনিক বিশ্বের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
• প্রধান লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করানো। 

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২৮৪.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুসারে, পুরুষ ও নারীর অনুপাত কত?
  1. ক) ১০১ : ১০০
  2. খ) ৯৯ : ১০০
  3. গ) ৯৮ : ১০০
  4. ঘ) ১০০ : ১০১
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ন তথ্য:

পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০
জানশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS). 
জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।
জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন। পুরুষ: ৮,১৭,১২,৮২৪ জন; নারী: ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন; হিজড়া: ১২,৬২৯ জন। [১৭,৫০৭টি খানার ৮৫,৯৫৭ জনের আংশিক তথ্য পাওয়া গেছে, তাই মোট জনসংখ্যার সাথে লিঙ্গ ভিত্তিক জনসংখ্যার কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।]
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.২২%
জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে – ১,১১৯ জন।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর ২০২২।
২৮৫.
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ কয়টি জাতীয় জনসংখ্যা নীতি গ্রহণ করেছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা

- এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ২টি জাতীয় জনসংখ্যা নীতি গ্রহণ করেছে।
- প্রথম জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- প্রথম জনসংখ্যা নীতি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পায় ২০০৪ সালে।
- দ্বিতীয় তথা সর্বশেষ জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন হয় ২০১২ সালে।
উৎস: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

২৮৬.
বাংলাদেশের জিডিপিকে সার্বিকভাবে কতটি খাতে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জিডিপি পরিমাপ পদ্ধতি:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।  
- জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ,
২। খনিজ ও খনন,
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (শিল্প),
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,
৫। পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম,
৬। নির্মাণ,
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত,
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ,
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম,
১০। তথ্য ও যোগাযোগ,
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম,
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম,
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম,
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম,
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা;
১৬। শিক্ষা,
১৭।  মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম,
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন,
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
২৮৭.
বাংলাদেশে কোন ধরনের বাজেট প্রণয়ন করা হয়?
  1. ঘাটতি বাজেট
  2. সম্পূরক বাজেট
  3. সুষম বাজেট
  4. উদ্বৃত্ত বাজেট
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশে ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করা হয়।

ঘাটতি বাজেট:
- কোনো আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত আয় অপেক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হলে তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।
- বাজেটের এ ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঋণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান নিয়ে থাকে।
- ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়।
- সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।
- বাজেট ঘাটতি দুভাবে পূরণ করা হয়।
- বৈদেশিক উৎস: এটি মূলত বৈদেশিক ঋণ।
- সরকার বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও দেশ থেকে সহজ শর্তে ঋণ নেয়।
- অভ্যন্তরীণ উৎস: সরকার দুভাবে দেশের ভেতর থেকে ঋণ নেয়।
- যেমন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ব্যাংকবহির্ভূত ব্যবস্থা।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক।

২৮৮.
রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় -
  1. ক) তরমুজ
  2. খ) আনারস
  3. গ) পাট
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
আলু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (৩৫,৫৭,৬৯৬ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - বগুড়া জেলা (১২,৩০,৫০১ মে.টন)

আনারস
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৭৯১ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - টাঙ্গাইল জেলা (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।

লিচু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)

তরমুজ
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা বিভাগ (১,৬১,৩৩১ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা জেলা (১,৪৪,০১০ মে.টন)

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১
২৮৯.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- 
  1. ৩ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

২৯০.
জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত কোনটি?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) শিল্পখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত - কৃষিখাত। 
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। 
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
 
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
২৯১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট কার্যকর হয় কবে?
  1. ১ জুন, ২০২৫
  2. ৩০ জুন, ২০২৫
  3. ১ জুলাই, ২০২৫
  4. ৩১ জুলাই, ২০২৫
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

২৯২.
Inclusive Development Index ( IDI) - এর ভিত্তিতে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত?
  1. ক) প্রথম স্থান
  2. খ) দ্বিতীয় স্থান
  3. গ) তৃতীয় স্থান
  4. ঘ) চতুর্থ স্থান
ব্যাখ্যা
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম World Economic Forum কর্তৃক প্রকাশিত Inclisive Devolopment Index (IDI) ২০১৮ এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান দ্বিতীয় ।
- প্রথম স্থানে রয়েছে - নেপাল,
- তৃতীয় স্থানে - পাকিস্তান এবং
- চতুর্থ স্থানে রয়েছে - ভারত।
২৯৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ময়মনসিংহ
  3. দিনাজপুর
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৯৪.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস কী?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) মূল্য সংযোজন কর
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) সম্পূরক শুল্ক
ব্যাখ্যা
সরকারের রাজস্বের উৎস:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলত কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে। 
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর।
- এই খাত থেকে আসে ১,৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা।

অন্যদিকে -
- ২য় উৎস: আয়কর, এই খাত থেকে আসে ১,৫৩,২৬০ কোটি টাকা।
- ৩য় উৎস: সম্পূরক শুল্ক, এই খাত থেকে আসে ৬০,৭০৩ কোটি টাকা।
- ৪র্থ উৎস: আমদানি শুল্ক, এই খাত থেকে আসে ৪৬,০১৫ কোটি টাকা।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
২৯৫.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার-
  1. ৩.৯৭%
  2. ৩.৫৭%
  3. ৫.৯৭%
  4. ৪.২২%
ব্যাখ্যা

• সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%। 

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাব: :

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

২৯৬.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জাতীয় সঞ্চয়ের হার জিডিপির কত শতাংশ হবে?
  1. ৩০.১১ শতাংশ
  2. ৩২.২২ শতাংশ
  3. ৩৪.৪২ শতাংশ
  4. ৩৬.৫৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জাতীয় সঞ্চয়ের হার হবে জিডিপির - ৩৪.৪২%
- বর্তমান সঞ্চয়ের হার জিডিপির ৩০.১১%

- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে স্থূল বিনিয়োগের হার জিডিপির - ৩৬.৫৯%
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার হবে উচ্চমাত্রা - ১৫.৬% এবং নিম্নমাত্রা - ৭.৪%

উৎস: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
২৯৭.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৯.৯%
  2. ৭.৮%
  3. ১৮.৭%
  4. ১০.২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।

⇒ সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।

⇒  দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১১.০২%।
- শিল্প: ৩৭.৯৫%।
- সেবা: ৫১.০৪%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির হার ৫.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৯৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বর্তমানে দেশের মাথাপিছু আয় কত? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ২,৭৫৬ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮৬৯  মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• মাথাপিছু আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২,৮২০ মার্কিন ডলার 
- ২৭ মে, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

• বিবিএসের তথ্যমতে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

উল্লেখ্য,
- দেশের অভ্যন্তরের মোট আয় এবং রেমিট্যান্সসহ যত আয় হয়, তা ওই দেশের মোট জাতীয় আয়।
- ওই জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয়ের হিসাব করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

২৯৯.
বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয় -
  1. ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে
  2. ১৯৯৬-৯৭ অর্থ বছরে
  3. ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে
  4. ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে
ব্যাখ্যা
বয়স্ক ভাতা:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৩ সালে প্রণীত বাস্তবায়ন নীতিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগীকরণ, অধিক সংখ্যক মহিলাকে ভাতা কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে মহিলাদের বয়স ৬৫ বছর থেকে কমিয়ে ৬২ বছর নির্ধারণ, উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ এবং ডাটাবেইজ প্রণয়ন।

⇒ ২০২৪-২৫ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতা: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা: ৫৫০ টাকা।
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা: ৮৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।
- মাতৃত্বকালীন ভাতা (৩৬ মাস পর্যন্ত): ৮০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভাতার হার: ১০৫০ টাকা।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতার হার: ২০০০০ টাকা।

উৎস: i) ২০২৪-২৫ জাতীয় বাজেট।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৩০০.
বাংলাদেশে সর্বাধিক উৎপাদিত মাছ কোনটি?
  1. কাতল
  2. চিংড়ি
  3. ইলিশ
  4. তেলাপিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপাদিত মাছের মধ্যে পরিমাণে সর্বাধিক হলো ইলিশ মাছ।
২০১৮-২০১৯ সময়ে ইলিশ মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো ৫.৩২ লক্ষ মেট্রিক টন যা দেশের মোট উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২.১৫ ভাগ।
ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)