PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট ও অন্যান্য সমীক্ষা
PrepBank · পাতা ২ / ১৫ · ১০১–২০০ / ১,৪৪৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় : ৭২.৮ বছর
পুরুষ : ৭১.২ বছর
নারী : ৭৪.৫ বছর।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১)
ব্যাখ্যা
• নারী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ৬৫ বছরের উর্ধ্ব করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা।
তথ্যসূত্র: জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা (Economic Review):
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা হলো একটি সরকারি বার্ষিক প্রতিবেদন যেখানে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা, প্রবৃদ্ধি, উৎপাদন, বিভিন্ন খাতের বিশ্লেষণ, বাজেট বাস্তবায়ন, রাজস্ব আয়, সরকারি ব্যয় ইত্যাদি বিশদভাবে তুলে ধরা হয়। এটি অর্থবছরের আগে প্রকাশিত হয়।
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ প্রতি বছর অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রকাশ করে।
- এ সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের গৃহীত অর্থনৈতিক নীতি ও কৌশলসহ দেশের অর্থনীতির খাতওয়ারি উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা প্রদান করা।
অর্থনৈতিক সমীক্ষার উদ্দেশ্য:
- দেশের গত এক বছরের অর্থনৈতিক অবস্থা মূল্যায়ন করা;
- বাজেট প্রণয়নে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ;
- খাতভিত্তিক উন্নয়ন ও সমস্যাসমূহ বিশ্লেষণ;
- ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ভিত্তি তৈরি করা।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ব্যাখ্যা
- ২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১০.৩ শতাংশ কম।
- মোট শিল্পজাত পণ্যসমূহের আমদানি ব্যয় ১৩,৬৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,৭৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সুতা: ১,৮৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সার: ৪,১৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,০৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,০০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
ব্যাখ্যা
- শুরুতে ছয়টি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হলেও বর্তমানে ১০টি রোগের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
এগুলো হলো:
- শিশুদের যক্ষ্মা
- পোলিও মাইলাইটিস
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার
- হেপাটাইটিস-বি
- হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ
- হাম
- রুবেলা
- নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী বর্তমানে সারা দেশে সকল প্রকার টিকা গ্রহণকারী শিশুদের হার ৮৬ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ব্যাখ্যা
- বিসিআইসি’র অধীনে বর্তমানে দেশে চালু শিল্প কারখানার সংখ্যা ১০টি।
- এগুলোর মধ্যে ৬টি সার কারখানা, ১টি কাগজকল, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা এবং ১টি স্যানিটারি ও ইন্স্যুলেটর কারখানা।
এছাড়া, যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানির সংখ্যা ৯টি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১০৬)
ব্যাখ্যা
দেশে মোট জনসংখ্যা - ১৬.৮২ কোটি (১৬৮.২ মিলিয়ন)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৩৭%
জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১১৪০ জন
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম
- বাংলাদেশের স্কোর : ২৬
- শীর্ষদেশ : ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড
- সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ : সোমালিয়া ও দক্ষিণ সুদান।
(তথ্যসূত্র: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল)
ব্যাখ্যা
বাজেট:
- বাজেট হচ্ছে একটি দেশের এক বছরের সম্ভাব্য সব আয়-ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব-নিকাশের বিবরণী।
- কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে কতটুকু আয় প্রাপ্তির আশা করে এবং বিভিন্ন খাতে কী পরিমাণ ব্যয় করতে চায়, তার সুবিন্যস্ত হিসাবকে সরকারি বাজেট বলে।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে এক অর্থবছর, যা ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ধরা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে বাজেট শব্দটি ব্যবহারের পরিবর্তে সমরূপ শব্দ ‘বার্ষিক আর্থিক বিবরণী’ ব্যবহার করা হয়েছে।
⇒ আয় ও ব্যয় সমান কিনা, সেই প্রশ্নেই রাষ্ট্রের বাজেট দুই রকমের হয়ে থাকে, যেমন: সুষম বাজেট ও অসম বাজেট।
- সরকারের আয় ও ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে অসম বাজেটকে আবার দুভাগে ভাগ করা হয়, এগুলো হচ্ছে: উদ্বৃত্ত বাজেট ও ঘাটতি বাজেট।
• ঘাটতি বাজেট:
- কোনো আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত আয় অপেক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হলে তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।
- বাজেটের এ ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঋণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান নিয়ে থাকে।
- ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়।
- সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।
⇒ বাজেট ঘাটতি দুভাবে পূরণ করা হয়।
- বৈদেশিক উৎস: এটি মূলত বৈদেশিক ঋণ। সরকার বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও দেশ থেকে সহজ শর্তে ঋণ নেয়।
- অভ্যন্তরীণ উৎস: সরকার দুভাবে দেশের ভেতর থেকে ঋণ নেয়। যেমন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ব্যাংকবহির্ভূত ব্যবস্থা।
উল্লেখ্য,
- উন্নয়নশীল দেশগুলো সাধারণত ঘাটতি বাজেটই প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশও শুরু থেকেই ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করেছে।
- উন্নয়নশীল দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছুটা ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করতে হয়।
- অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে কিছুটা ঘাটতি থাকা ভালো।
- এতে অব্যবহৃত সম্পদের ব্যবহার বাড়ে, ঘাটতি পূরণের চাপ থাকে।
- তাতে অর্থনীতিতে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে,
• সম্পূরক বাজেট: কোন খাতে ব্যয়ের জন্য যে টাকা বরাদ্দ করা হয় তার চাইতে বেশি ব্যয় হলে তার অনুমোদন করতে যে বিল পাশ করা হয় তাকে সম্পূরক বাজেট বলে। যেকোন আর্থিক বছরের শেষে এই বাজেট করা হয়।
• সুষম বাজেট: যে বাজেটে আয় ও ব্যয়ের পরিমান সমান থাকে তাকে সুষম বাজেট বলে।
উৎস: i) অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে চতুর্থ স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে।
[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
ব্যাখ্যা
২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিগত আয়করের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী যাদের আয় ৩ লাখ টাকার চেয়ে বেশি তাদেরকে পরবর্তী এক লাখ টাকার জন্যে ৫ শতাংশ, পরবর্তী ৩ লাখ টাকার জন্যে ১০ শতাংশ, পরবর্তী চার লাখ টাকার জন্যে ১৫ শতাংশ, পরবর্তী পাঁচ লাখ টাকার জন্যে ২০ শতাংশ এবং এর বেশি পরিমাণ আয়ের জন্যে ২৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।
উৎসঃ দ্যা ডেইলি স্টার
ব্যাখ্যা
- ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme.
⇒ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) কোনো একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন নীতিমালা, কর্মসূচি, বিনিয়োগ এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পরিচালনা ও অর্জনের জন্য ঐ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কোন একটি নির্দিষ্ট বছরে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন খাতের প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং তাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দসহ প্রণীত কর্মসূচি।
- প্রচলিত নিয়মানুযায়ী প্রতিটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে লক্ষ্য অর্জনের সুবিধার্থে পাঁচটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিভক্ত করা হয় এবং প্রত্যেকটি প্রকল্পের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক উভয় মুদ্রায় বরাদ্দ রাখা হয়।
- প্রতি বছরের এডিপি সে বছরের জন্য জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত উন্নয়ন বাজেটের ভিত্তিতে প্রণীত হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
- রপ্তানি আয়ের পরিমাণ অনুসারে প্রধান রপ্তানি পণ্যসমূহ:
- প্রথম : তৈরি পোশাক : ৮৩ শতাংশ
- দ্বিতীয় : পাট ও পাটজাত পণ্য : ২.৬২ শতাংশ
- তৃতীয় : কৃষিজাত পণ্য : ১.৪০ শতাংশ
- চতুর্থ : হিমায়িত পণ্য : ১.৩৫ শতাংশ
- পঞ্চম : চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য : ১.১১ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা : ২০২০, পৃষ্ঠা-৭৩)
ব্যাখ্যা
- এটি দেশের ৫২তম, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৪তম ও আ হ ম মুস্তফা কামালের পঞ্চম বাজেট।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার এর আগের অর্থবছরের চেয়ে ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ বড়।
- বাজেটটি ৫০ লাখ ৬ হাজার ৬৭২ কোটি টাকার প্রাক্কলিত জিডিপির ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ।
- বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ।
- ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।
- রাজস্ব হিসেবে ৫ লাখ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
- লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সংগ্রহ করবে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যন্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে আরও ৭০ হাজার কোটি টাকা।
- প্রস্তাবির বাজেটে ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা।
• খাতভিত্তিক বরাদ্দ
- বাজেটে ১৩টি খাতে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।
- খাতভিত্তিক বরাদ্দ হলো
• জনসেবা খাতে ২ লাখ ৭০ হাজার ২৭০ কোটি টাকা,
• স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪৯ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা,
• প্রতিরক্ষা খাতে ৪২ হাজার ১৪২ কোটি টাকা,
• জন নিরাপত্তা খাতে ৩২ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা,
• শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১ লাখ ৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য খাতে ৩৮ হাজার ৫০ কোটি টাকা,
• সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৪০ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা,
• আবাসন খাতে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা,
• বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৪ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা,
• শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা খাতে ৫ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা,
• পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৮৭ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা,
• কৃষি খাতে ৪৩ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা
• এবং বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্ম খাতে ব্যয় ৫ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা।
উৎস:- জাতীয় বাজেট ২০২৩।
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- মোট বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি):
- রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- বান্দরবান: ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
- বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি: ৫৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা: ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
ব্যাখ্যা
যথা: কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
• সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।
• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো –
১. কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ
২. খনিজ ও খনন
৩. ম্যানুফ্যাকচারিং (শিল্প)
৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
৫. পানি সরবরাহ; পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম
৬. নির্মাণ
৭. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত
৮. পরিবহণ এবং সংরক্ষণ
৯. আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম
১০. তথ্য ও যোগাযোগ
১১. আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম
১২. রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম
১৩. পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম
১৪. প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম
১৫. জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা; বাধ্যতামূলক সামাজিক নিরাপত্তা
১৬. শিক্ষা
১৭. মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম
১৮. শিল্পকলা ও বিনোদন
১৯. অন্যান্য সেবা কার্যক্রম
সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
ব্যাখ্যা
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।
মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ব্যাখ্যা
- মোট শ্রমশক্তি : ৬.৩৫ কোটি
- পুরুষ শ্রমশক্তি : ৪.৩৫ কোটি
- নারী শ্রমশক্তি : ২.০০ কোটি
বিভিন্ন খাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
- শিল্পখাতে : ২০.৪ ভাগ
- কৃষিখাতে : ৪০.৬ ভাগ
- সেবাখাতে : ৩৯ ভাগ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
• জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
- কৃষি: ১১.০২%।
- শিল্প: ৩৭.৯৫%।
- সেবা: ৫১.০৮%।
• ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
- কৃষি:৪৫%।
- শিল্প: ১৭%।
- সেবা: ৩৮%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ব্যাখ্যা
----------------------------------
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।
১৯টি খাত:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।
উল্লেখ্য,
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল: ১৫টি।
উৎস:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ব্যাখ্যা
→ চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার- ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ।
- সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।
• মূল বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ ও বাসস।
ব্যাখ্যা
⇒ অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ের আয়তন: ৩৮.৬২ লক্ষ হেক্টর।
- উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: ১৪.১১ লক্ষ মেট্রিক টন।
⇒ অভ্যন্তরীণ চাষকৃত জলাশয়ের আয়তন: ৮.৪৭ লক্ষ হেক্টর।
- উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: ২৯.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
⇒ মোট অভ্যন্তরীণ উৎসের আয়তন: ৪৭.০৯ লক্ষ হেক্টর।
- উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: ৪৩.৯৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
⇒ সামুদ্রিক উৎসে উৎপাদিত মাছের পরিমাণ: ৬.৮২ লক্ষ মেট্রিক টন।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ব্যাখ্যা
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
⇨ দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
⇨ ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
⇨ ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
⇨ সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
ব্যাখ্যা
• কৃষি (Agriculture) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছেে ১.৭৯%।
উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।
এছাড়াও,
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে,
- জিডিপিতে শিল্প খাতের হার ৪.৩৪% শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের হার ৪.৫১% শতাংশ।
উৎস: বিবিএস।
ব্যাখ্যা
- দেশে মোট চিংড়ি উৎপাদিত হয় : ১,২৭,৬০১ মেট্রিক টন।
চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : সাতক্ষীরা (৩৭.০১ হাজার মে. টন)
- দ্বিতীয় : বাগেরহাট (৩৫.৯৪ হাজার মে. টন)
- তৃতীয় : খুলনা (২৭.৬ হাজার মে. টন)।
প্রজাতি অনুসারে চিংড়ি উৎপাদন:
- বাগদা : ৬৪.৬৯ হাজার মে. টন
- গলদা : ৫১ হাজার মে. টন
- হরিয়ানা : ৪,৯৭৯ মে. টন
- চাকা : ২,৫৪৫ মে. টন
- অন্যান্য : ৪,২৯৩ মে. টন।
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চায় হয়।
- দেশের মোট চিংড়ি ঘেরের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই এ অঞ্চলে অবস্থিত।
- চিংড়ি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ায় খুলনা অঞ্চলকে বাংলাদেশের ‘কুয়েত সিটি’ বলা হয়।
- রপ্তানির মাধ্যমে অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করায় বাংলাদেশে চিংড়িকে ‘হোয়াইট গোল্ড’ নামে অভিহিত করা হয়।
(তথ্যসূত্র: মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯-২০ এবং বনিকবার্তা)
ব্যাখ্যা
• ২০১৩-২০১৪ অর্থবছর থেকে স্থিরমূল্যে জিডিপি নির্ণয়ের ভিত্তি বছর হিসেবে ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
• এটি দেশের চতুর্থ ভিত্তি বছর।
• এর আগে ১৯৭২-১৯৭৩, ১৯৮৪-১৯৮৫ এবং ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থবছর ভিত্তি বছর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎসঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।
- বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ।
- ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৯০ কোটি ও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা আহরণ করা হবে।
তথ্যসূত্র - বাজেট ২০২৩-২৪।
ব্যাখ্যা
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
• কৃষি: ১১.০২%।
• শিল্প: ৩৭.৯৫%।
• সেবা: ৫১.০৮%।
- ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
• কৃষি:৪৫%।
• শিল্প: ১৭%।
• সেবা: ৩৮%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন।
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
উল্লেখ্য,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ব্যাখ্যা
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটটি হবে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- বাজেট পেশ - ১ জুন,২০২৩।
- বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল।
- বাজেট কার্যকর হবে - ১ জুলাই, ২০২৩।
- বাংলাদেশের অর্থবছর -১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
- এ বছরের বাজেট- ৫২তম ( অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- বাজেটের আকার - ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা - ৫ লাখ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি - ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ( ADP) - ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা।
- করমুক্ত আয়সীমা - সাড়ে ৩ লাখ টাকা।
- জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫ শতাংশ।
- মুদ্রাস্ফীতি হার - ৬ শতাংশ।
- বাজেটের মূল দর্শন হলো ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ।
উৎস: BBC বাংলা, ০১ জুন, ২০২৩।
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।
সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
ব্যাখ্যা
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর (৬,২৭,৮৫০ মে.টন)
গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - রাজশাহী (৪,১২,৮২৫ মে.টন)
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাও জেলা (১,৭৫,৬৬৯ মে.টন)
পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - ঢাকা বিভাগ(২৬,৩০,৪২০ মে.টন)
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-ফরিদপুর জেলা (৮,৯১,৯৩৮ মে.টন)
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০
ব্যাখ্যা
[উৎস: অর্থনতিক সমীক্ষা- ২০২১]
ব্যাখ্যা
- গ্রামাঞ্চলে : ২.৩৭
- শহরাঞ্চলে : ১.৬৭।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2019)
ব্যাখ্যা
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- বাজেটের ক্রম : ৫৪-তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫-তম)।
- বাজেটের স্লোগান/শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনের তারিখ: ২ জুন, ২০২৫ সাল।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। (অর্থ উপদেষ্টা)
- বাজেট অনুমোদন: অনুমোদন ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর - ১ জুলাই, ২০২৫।
উৎস: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট।
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর - জুলাই থেকে জুন।
- অর্থবছর শুরু হয় - ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট - ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন - অর্থমন্ত্রী।
- বর্তমান বাজেট - ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩
- আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫তম এবং মোট ২৫ তম বাজেট।
তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৩
ব্যাখ্যা
এর মধ্যে,
- পুরুষদের হার : ৭৬.৫ বছর
- মহিলাদের হার : ৭২.৩ বছর।
- ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার স্বাক্ষরতার হার ৭৪.৭ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ও বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ, উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
ব্যাখ্যা
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- এটি একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- পাটকে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে দুই ধরনের পাট দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।
⇒ পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।
উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।
উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
ব্যাখ্যা
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সম্প্রতি চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বরাদ্দ চূড়ান্ত করেছে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা।
- যেখানে মূল বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
পরিচালন ব্যয়:
- অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দেনা পরিশোধ এবং সমন্বয় বাদে সরকারের পরিচালন ব্যয় হবে মোট ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪১০ কোটি টাকা।
- মূল বাজেটে যা ছিল ৪ লাখ ৮৪ হাজার ২০২ কোটি টাকা।
- এক্ষেত্রে পরিচালন ব্যয় কমেছে ২৯ হাজার ৭৯২ কোটি টাকা।
উন্নয়ন ব্যয়:
- সংশোধিত বাজেটে মোট উন্নয়ন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ৬ কোটি টাকা।
- যেখানে মূল বাজেটে এর পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা।
- সে হিসাবে উন্নয়ন ব্যয় কমেছে ১৭ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা।
রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চলতি অর্থবছরে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল।
- যদিও এটি সংশোধন করে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এডিপি:
- সংশোধিত এডিপি বা আরএডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৯১ কোটি টাকায়।
- এর আগে মূল এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।
- যেখানে থোক বরাদ্দ ছিল ১১ হাজার ৩১৪ কোটি টাকার।
- সংশোধিত এডিপিতে থোক বরাদ্দ বাদ দেয়া হয়েছে।
উৎস: ২৬ মার্চ ২০২৪, বণিক বার্তা।
ব্যাখ্যা
• চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP) = ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
• চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি = ২,৬৭১ মার্কিন ডলার বা ৩,২১,২৫৪ টাকা।
• স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP)= ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
• স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার = ৩.৯৭%।
• চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) = ৩,৩৯,২১১ কোটি টাকা।
উৎস: অর্থনৈতি সমীক্ষা-২০২৫।
ব্যাখ্যা
- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
উল্লেখ্য,
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিল- ২০১০ থেকে ২০২১।
– এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সুষম ও সমন্বিত উন্নয়ন অর্জন।
- প্রধান লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করা।
• দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল- ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত।
- উদ্দেশ্য হচ্ছে দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন আরও সুসংহত করা এবং বাংলাদেশকে আধুনিক বিশ্বের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
- প্রধান লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- কৃষিখাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
⇒ স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।
• প্রতি অর্থবছরে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান হ্রাস পেতে থাকে, সুতরাং বলা যায়, সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ব্যাখ্যা
- ই-টিআইএন মানে ইলেকট্রনকি ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বার, ইহা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- ইহা ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর। একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।
সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
- প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন ২৩.৫%।
- দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি ১৪.০%।
- তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।
উল্লেখ্য,
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
-
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
ব্যাখ্যা
- প্রথম : ভারত (৮৩ বি.)
- দ্বিতীয় : চীন (৫৯.৫ বি.)
- তৃতীয় : মেক্সিকো (৪২.৮ বি.)
- চতুর্থ : ফিলিপাইন (৩৪.৯ বি.)
- পঞ্চম : মিশর (২৯.৬ বি.)
- ষষ্ঠ : পাকিস্তান (২৬ বি.)
- সপ্তম : ফ্রান্স (২৪.৪ বি.)
- অষ্টম : বাংলাদেশ (২১ বি.)।
(তথ্যসূত্রঃ বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট)
উল্লেখ্য, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম। এই তালিকাটিতে ফ্রান্স নেই।
ব্যাখ্যা
- মাথাপিছু আয়- ২,৮২০ ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭১ মার্কন ডলার।
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১.৮৫ মিলিয়ন।
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ব্যাখ্যা
• তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বই -
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- পরার্থপরতার অর্থনীতি, আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- পুরানো সেই দিনের কথা (আত্নজীবনী)।
তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
• খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:
- কৃষি: ১.৭৯%.
- শিল্প: ৪.৩৪%.
- সেবা: ৪.৫১%.
• স্বাক্ষরতার হার (৭ বছর+):
- মোট: ৭৭.৯%
- পুরুষ: ৮০.১%
- মহিলা: ৭৫.৮%
• প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল:
- মোট: ৭২.৩ বছর
- পুরুষ: ৭০.৮ বছর
- মহিলা: ৭৩.৮ বছর
• খাত ভিত্তিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%
- শিল্প: ১৭.৩৭%
- সেবা: ৩৭.৯৬%
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ব্যাখ্যা
- কৃষিখাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
⇒ স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।
উল্লেখ্য,
- জিডিপিতে সবচেয়ে ছোট খাত কৃষিখাত।
- আবার কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কৃষিখাত।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ব্যাখ্যা
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন - রাজশাহী জেলা (২,৪৫,৯৭২ মে.টন)।
অন্যদিকে,
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন - খুলনা বিভাগ (২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)।
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (৬২,৩৭৩.৬৫ মে.টন)।
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন - সিলেট বিভাগ (৬৮,৪৭৯.৬৯ মে.টন)।
তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১।
ব্যাখ্যা
দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র:
- দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র(পিআরএসপি) দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- মার্চ ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’।
- বাংলাদেশ সরকার সর্বশেষ দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে- ২০১৫ সালে।
- বাংলাদেশ সরকার এ পর্যন্ত মোট ৪ টি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
উৎস: IMF ওয়েবসাইট এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ব্যাখ্যা
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ব্যাখ্যা
- GDP প্রবৃদ্ধির হার: ৪.২২%।
- কৃষি: ৩.৩০%,
- শিল্প: ৩.৫১%,
- সেবা: ৫.০৯%।
• GDP তে অবদান:
- কৃষি: ১১.১৯%,
- শিল্প: ৩৭.৩৭%,
- সেবা: ৫১,৪৪%।
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ব্যাখ্যা
রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা:
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চার লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়।
- প্রায় পাঁচ মাসের মাথায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।
- নতুন লক্ষ্যমাত্রা বিদ্যমান টার্গেটের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি।
- এনবিআরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে রাজস্ব আদায়ের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ।
তথ্যসূত্র- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [link]
ব্যাখ্যা
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ (৪১,১৩,৭০৭ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ (৩৬,৪১,০৫৮ মে. টন)।
• জেলা হিসেবে:
- প্রথম: রংপুর জেলা (১১,৯৩,৭৯৬ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা (১১,৪৬,২৮৮ মে. টন)।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩।
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৬.১৭%
- বাংলাদেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৬.২২%
উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• বাজেটে মোট পরিচালন ব্যয় (সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও বিভিন্ন বিভাগের খরচ, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দেনা পরিশোধ ব্যতীত) ধরা হয়েছে- ৪,৮৪,২০৩ কোটি টাকা।
• বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে – ২,৭৭,৫৮২ কোটি।
• উল্লেখ্য, উন্নয়ন ব্যয়, পরিচালন ব্যয় মিলে মোট বাজেটের আকার পাওয়া যায় (২,৭৭,৫৮২ + ৪,৮৪,২০৩ = ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা)।
• পরিচালন ব্যয় থেকে সবচেয়ে বেশি ২০.৫% খরচ হয় ভুর্তুকি ও প্রণোদনা (মোট – ৯৯,২২৭ কোটি টাকা)।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯.৫% খরচ হয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুদ প্রদানের মাধ্যমে (৯৪,৩৭৬ কোটি টাকা)।
• কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ – ১৭,৫৩৩ কোটি টাকা।
• জনপ্রশাসন খাতে ভর্তুকি ও প্রণোদনা – ৬০,০৮৭ কোটি টাকা।
• বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের তুলনায় পরিচালন খরচ বেশি হলে এই ধরণের বাজেটকে 'অনুন্নয়ন বাজেট' নামে অভিহিত করা হয়।
উৎস- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট।
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশে রপ্তানী আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক।
♦ রপ্তানি আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৩.৮১% বা ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.৬৫%।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.৫৮%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
♦ উল্লেখ্য:
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৭৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৯২%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.৩১%)।
♦ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।
● এশিয়া:
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার পাশাপাশি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।
তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।
⇒ সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ব্যাখ্যা
- সাময়িকভাবে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী চলতি মূল্যে জিডিপির আকার ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা (৪৬২ বিলিয়ন ইউএস ডলার)।
পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৫০,০২,৬৫৪ কোটি টাকা (৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার)।
উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
রিপোর্ট অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা : ১৬.৮২ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৩৭ শতাংশ
- জনসংখ্যার ঘনত্ব : ১,১৪০ জন।
বিভিন্ন বয়সী জনসংখ্যা:
- ০-১৪ বয়সী : ২৮.১ শতাংশ
- ১৫-৪৯ বয়সী : ৫৪.৯ শতাংশ
- ৫০-৫৯ বয়সী : ৮.৭ শতাংশ
- ৬০+ বয়সী : ৮.৩ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020)
ব্যাখ্যা
• ২০২৫-২৬ অর্থবছরেরে বাজেট:
- বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে – ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ৪০৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- নারী উদ্যোক্তা সৃস্টি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সার্বিক উন্নয়নে ১২৫ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
এছাড়াও,
- স্টার্টআপ তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- ব্লু ইকোনমি সম্পদ আহরণে গবেষণা তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলা তহবিল-এ ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
উৎস: ২০২৫-২৬ অর্থবছরেরে বাজেট।
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
- মোট তুলা উৎপাদন: ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন
- আবাদকৃত জমির পরিমাণ: ২৮৪৪৩.৭৯ একর
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
- প্রথম: খুলনা বিভাগ (৫৭,০১৬.৯৩ বেল)
- দ্বিতীয়: রংপুর বিভাগ (৪,৪০৩.৬৪ বেল)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
- প্রথম: ঝিনাইদহ জেলা (২৫,১১৮.৬০ বেল)
- দ্বিতীয়- যশোর জেলা (১০,৮৭৯.৮৭ বেল)
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
ব্যাখ্যা
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- চিনিকলগুলোতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫২,৯৪৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১,৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
ব্যাখ্যা
• ধান - ময়মনসিংহ
• আউশ ধান - হবিগঞ্জ
• বোরো ধান - ময়মনসিংহ
• আমন ধান - দিনাজপুর
• গম - ঠাকুরগাঁও
• পাট - ফরিদপুর
• ভুট্টা - দিনাজপুর
• আলু - মুন্সীগঞ্জ
• চা - মৌলভীবাজার
• মসুর - ফরিদপুর
• মুগ - ভোলা
• খেসারী - বরিশাল
• পেঁয়াজ - পাবনা
• রসুন - নাটোর
• সয়াবিন - লক্ষ্মীপুর
• আম - রাজশাহী
• লিচু - দিনাজপুর
• আনারস - টাঙ্গাইল
• তুলা - বিনাইদহ
• তামাক - কুষ্টিয়া
• জাম্বুরা/বাতাবিলেবু - চট্টগ্রাম
• তিল - পাবনা
• চিনাবাদাম - পঞ্চগড়
• পেয়ারা - চট্টগ্রাম
• কাঁঠাল - গাজীপুর
• কমলা - রাঙামাটি
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
ব্যাখ্যা
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - জাপানে।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১।
ব্যাখ্যা
- এটি ৫৪-তম, (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫-তম) বাজেট।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১ম বাজেট।
- বাজেটের স্লোগান/শিরোনাম :'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'
- বাজেট উত্থাপনকারী ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)
- বাজেট অনুমোদন ও কার্যকর :অনুমোদন ২২ জুন, ২০২৫ কার্যকর ১ জুলাই, ২০২৫
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা
- অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৫ শতাংশ
- বাজেটের আকার : মোট ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- মাথাপিছু আয় -২,৮২০ মার্কিন ডলার [বিবিএস]
উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২০২৬।
ব্যাখ্যা
- ১ বছরের নিচে : ২১
- ১ মাসের কম বয়সী : ১৫।
(সূত্রঃ বিবিএস SVRS Report-2019)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।
সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
ব্যাখ্যা
বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে
আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
ব্যাখ্যা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।
মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।
শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।
শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ব্যাখ্যা
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
দেশ অনুযায়ী রেমিট্যান্স প্রবাহের শীর্ষ উৎস:
- প্রথম : সৌদি আরব (৫৭২.১৪ কোটি মা. ডলার)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩৪৬.১৬ কোটি মা. ডলার)
- তৃতীয় : সংযুক্ত আরব আমিরাত (২৪৩.৯৯ কোটি মা. ডলার)
- চতুর্থ : যুক্তরাজ্য (২০২.৩৬ কোটি মা. ডলার)
- পঞ্চম : মালয়েশিয়া (২০০.২৩ কোটি মা. ডলার)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
ব্যাখ্যা
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%।
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান।
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
ব্যাখ্যা
পাট উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : ফরিদপুর
- দ্বিতীয় : কুষ্টিয়া
- তৃতীয় : পাবনা।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯ এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ,
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ,
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
সুতরাং, কর্মসংস্থানের দিক থেকে সবচেয়ে বড় খাত - কৃষিখাত।
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বর্তমানে শুধু মাত্র কিছু হাইটেক প্রোডাক্ট (ব্লাড বায়োসিমিলার প্রোডাক্ট, এন্টিক্যান্সার ড্রাগ, ভ্যাকসিন ইত্যাদি) আমদানি করা হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মানসম্পন্ন ঔষধ সুনাম অর্জন করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৫৭টি দেশে রপ্তানি করছে এবং ঔষধ রপ্তানির পরিমাণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ব্যাখ্যা
- মোট জাতীয় সঞ্চয় জিডিপির : ৩০.১৯ শতাংশ
- মোট দেশজ সঞ্চয় জিডিপির : ২৪.১৭ শতাংশ।
মোট বিনিয়োগ জিডিপির : ২৯.৯২ শতাংশ
- সরকারি বিনিয়োগ : ৮.৬৭ শতাংশ
- বেসরকারি বিনিয়োগ : ২১.২৫ শতাংশ
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%।
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান।
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
ব্যাখ্যা
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (৯টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং
- ছোট খাত – কৃষিখাত (২টি খাত নিয়ে গঠিত)।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং
- ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ৬.১২%।
অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৪৫%।
ব্যাখ্যা
- আয়কর আইনের অধীনে আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য কোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ হলো আয়কর।
- সাধারণভাবে, মোট আয়ের করহারের তফসিল অনুযায়ী করহার প্রয়োগ করে একজন করদাতার মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়করের পরিমান নিরূপণ করা হয়।
- আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর ধারা ২(৬৯) এ সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিগণের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি (Indivisual), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও অংশীদারি ফার্মের ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর আয়করের হার নিম্নরূপ হবে:
• সাধারণ করদাতা (পুরুষ): ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।
উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ব্যাখ্যা
-বাংলাদেশে কৃষি ও শিল্প খাতের পাশাপাশি বৃহৎ আকারের সেবা খাত রয়েছে। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সেবা খাতের ভূমিকা অনেক বেশি।
-পরিবহন ও যােগাযােগ ব্যবস্থা, ডাক ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা, বিনোদন, পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ইত্যাদি সেবা খাত এর অন্তর্ভুক্ত।
উৎসঃ অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
গত ৩০ ডিসেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাড়ায় ৪৩.১৭ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিলো।
(সূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ রিপোর্ট)
ব্যাখ্যা
প্রথম কৃষিশুমারি – ১৯৭৭ সালে
দ্বিতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৮৩-৮৪ সালে
তৃতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৯৬ সালে
চতুর্থ কৃষিশুমারি – ২০০৮ সালে
সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি - ৯-২০ জুন ২০১৯।
(সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- চা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হবিগঞ্জ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.১১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৪৮ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৩২ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
• বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।
• ২০১৮-২০১৯ সময়ে কৃষি ও শিল্পখাতের অবদান ছিলো যথাক্রমে ১৩.৬০ ও ৩৫.১৪।
• সুতরাং জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রম হ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
উৎসঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
ব্যাখ্যা
জিডিপির প্রধান খাতসমূহের প্রবৃদ্ধি:
- শিল্পখাত : ৬.১২ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫.৬১ শতাংশ
- কৃষিখাত : ৩.৪৫ শতাংশ।
উপখাত সমূহের মধ্যে:
- সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি : স্বাস্থ্যখাতে (৯.৯৪ শতাংশ)।
- সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি : খনিজ ও খনন খাতে (০.২৯ শতাংশ)
- মৎস্যখাতে প্রবৃদ্ধি : ৫.৭৪ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)