ব্যাখ্যা
জাতীয় পর্যায়ে : ৬৩.৯ শতাংশ
আধুনিক জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারী : ৬২.৩ শতাংশ
গ্রামাঞ্চলে : ৬৩.১ শতাংশ
শহরাঞ্চলে : ৬৪.৭ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১২ / ১৫ · ১,১০১–১,২০০ / ১,৪৪৪
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন। (প্রতি বর্গ কিমিতে)
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- সার্বিকভাবে (পরিচালন ও উন্নয়ন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া কয়েকটি খাত:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
• বাজেটে খাতভিত্তিক বরাদ্দের বিবেচনায় মূল খাতগুলো হলো-
- শিক্ষা ও প্রযুক্তি, পরিবহন ও যোগাযোগ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, জনপ্রশাসন এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ)।
• এর মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ৩টি খাত হচ্ছে -
• ”জনপ্রশাসন” খাতে বরাদ্দের পরিমাণ- ১,৮৬,০৮৮ (২৩.৫%)।
• ”শিক্ষা ও প্রযুক্তি” খাতে বরাদ্দের পরিমাণ-১,১০,৬৫৭ (১৪%)।
• ”পরিবহন ও যোগাযোগ” খাতে বরাদ্দের পরিমাণ-৭১,৩৪৪ (৯%)।
উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়।
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
• বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা:
- চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি- ৯.৭৪%।
- জিডিপিতে কৃষির অবদান - ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পের অবদান - ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবার অবদান -৫১.০৪%।
- অর্থনীতিতে মোট খাত - ১৯ টি (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
⇒ অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
⇒ অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
⇒ অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪।
২০২৫-২৬ বাজেট:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের শিরোনাম: বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়।
- বাজেট ঘোষণা: ২ জুন, ২০২৫।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭ শতাংশ)।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৬৪,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- সামাজিক নিরাপত্তার ঝার বৃদ্ধি: ১২.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৫.৫%।
উল্লেখ্য,
- যে বাজেটে আয়ের চেয়ে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি ধরা হয় তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।
- ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়। সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছুটা ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করতে হয়।
- অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে কিছুটা ঘাটতি থাকা ভালো।
উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।
♦ বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১:
- বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১-এর মূল লক্ষ্য হলো শিল্পায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তরিত করা।
- একটি স্মার্ট, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও সমাজ গঠন করা।
- এটি মূলত প্রযুক্তি-নির্ভর, যেখানে নাগরিক, সরকার, অর্থনীতি ও সমাজে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার উপর জোর দেয়া হচ্ছে।
• এর প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- উৎপাদন ক্ষমতা ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি,
- মানবসম্পদ উন্নয়ন,
- রপ্তানি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগ কাজে লাগানো।
• “স্মার্ট বাংলাদেশ”-এর মূল চারটি স্তম্ভ আছে, তা হলো:
- স্মার্ট নাগরিক (প্রযুক্তিতে দক্ষ ও সচেতন মানুষ),
- স্মার্ট সরকার (স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক),
- স্মার্ট অর্থনীতি (উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তি-নির্ভর),
- স্মার্ট সমাজ (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও বাণিজ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার)।
উৎস:
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর;
কালবেলা;
দৈনিক যুগান্তর।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২৩.৫%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৪.০%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।
তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
- নারী উদ্যোক্তা সৃস্টি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সার্বিক উন্নয়নে ১২৫ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্টার্টআপ তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- ব্লু ইকোনমি সম্পদ আহরণে গবেষণা তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলা তহবিল-এ ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের অভিঘাত মোকাবেলা তহবিলে ৮,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- জিডিপিপ্রবৃদ্ধির - ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা”।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন ব্যয়- ২,৪৫,৬০৯ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষমাত্রা- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
বিধবা ভাতা:
- ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- ঐ অর্থ বছরে ৪ লক্ষ ৩ হাজার ১১০ জনকে এককালীন মাসিক ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রবর্তিত এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্নমেন্ট টু পারসন) সফলভাবে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ২৯ লক্ষ জনের জন্য জনপ্রতি মাসিক ৬৫০ টাকা হারে মোট ২২৭৭.৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান।
২. পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি।
৩. আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদার করা।
৪. চিকিৎসা সহায়তা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান।
তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন/বর্গকিমি
- পুরুষ:মহিলা অনুপাত: ৯৬.৩:১০০
- স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার: ১.১২%
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার: ১৯.৪ জন। (প্রতি ১০০০)
- স্থূল মৃত্যুহার: ৬.১ জন। (প্রতি ১০০০)
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
বর্তমানে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১১৪০ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭%।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬.৮২কোটি ।
উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার।
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩,৭৫,০০০ টাকা।
তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।
- বাণিজ্যিক চা চাষে ১৬৮ বছরের ইতিহাসে গেল বছর সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার চা উৎপাদন করে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ।
- ২০২১ সালে ছোট-বড় সব বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ এ চা উৎপাদনের হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ চা বোর্ড।
- ২০২০ সালের তুলনায় এক কোটি ১১ লাখ কেজি বেশি।
- এর আগে ২০১৯ সালে ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল, যা ছিল সেসময় পর্যন্ত দেশে চা শিল্পের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ।
- চা বোর্ডের তথ্য অনুসারে, ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়ায় দেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ চা বোর্ড।
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪:
• উৎপাদনের পরিমাণ (মেট্রিক টন):
- আউশ ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২৯.৭৩ লক্ষ।
- আমন ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ১৬৬.৫৬ লক্ষ।
- বোরো ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২১০.৬৮ লক্ষ।
• ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:
- আমন ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১,৪২,১০,০০০ (একর)।
- বোরো ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১২,০৫,৩০০০ (একর)।
- আউশ ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ২৫,৫৭,০০০ (একর)।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।
• জিডিপিতে অবদান:
- সেবাখাত: ৫১.০৪%।
- শিল্পখাত: ৩৭.৯৫%।
- কৃষিখাত: ১১.০২%
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:
- আমন ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১,৪২,১০,০০০ (একর)।
- বোরো ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১২,০৫,৩০০০ (একর)।
- আউশ ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ২৫,৫৭,০০০ (একর)।
• উৎপাদনের পরিমাণ (মেট্রিক টন):
- আউশ ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২৯.৭৩ লক্ষ।
- আমন ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ১৬৬.৫৬ লক্ষ।
- বোরো ধান (স্থানীয় + অন্যান্য)= ২১০.৬৮ লক্ষ।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।
• বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
• তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
• ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
• প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
• বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।
• ২০২০ সালের ২৯-৩০ জানুয়ারি ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ ইআরডি ওয়েবসাইট।
বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে,
২০২০ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ভারত (৮৩.১৫ বি. ডলার)
- দ্বিতীয় : পাকিস্তান (২৬ বি. ডলার)
- তৃতীয় : বাংলাদেশ (২১ বি. ডলার)
বিশ্বে রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ভারত
- দ্বিতীয় : চীন
- তৃতীয় : মেক্সিকো
- চতুর্থ : ফিলিপাইন
- পঞ্চম : মিশর
- ষষ্ঠ : পাকিস্তান
- সপ্তম : ফ্রান্স
- অষ্টম : বাংলাদেশ।
(তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট)
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে গৃহিত বাজেট দেশের ৫০তম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে ১টি অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটসহ এটি দেশের ৫১তম বাজেট।
- ১৯৯৬ সালের ২০ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেন।
- ৫০তম পূর্ণাঙ্গ বাজেট উত্থাপন করেন বর্তমান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।
- ১৯৭২ সালের জুন মাসে তাজউদ্দিন আহমদ দেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন৷
- এম সাইফুর রহমান ও আবুল মাল আব্দুল মুহিত সর্বাধিক ১২টি করে বাজেট পেশ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ অর্থ মন্ত্রণালয় এবং দৈনিক প্রথম আলো)
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
- সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩,০০,০০০ টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রেটকে ব্যাংক রেট বলা হয়।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংককে এই রেটে টাকা সাপ্লাই দিয়ে থাকে।
- - বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক রেট হচ্ছে ৪%।
উৎস: বাজেট, ২০২১-২২ অর্থবছর ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
• ধান - ময়মনসিংহ।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
• পাট - ফরিদপুর।
• আলু - রংপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,০০,০০০ কোটি টাকা।
- মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা: ৭%।
- জিডিপির প্রবৃদ্ধির হারের লক্ষ্যমাত্রা: ৫%।
২০২৫-২৬ বাজেট:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেৎ উত্থাপনকারী: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের শিরোনাম: বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়।
- বাজেট ঘোষণা: ২ জুন, ২০২৫।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭ শতাংশ)।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৬৪,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- সামাজিক নিরাপত্তার ঝার বৃদ্ধি: ১২.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৫.৫%।
উৎস: জাতীয় বাজেট ও সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬।
বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে উন্নয়ন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ খাত পরিবহণ ও যোগাযোগ।
- পরিবহণ ও যোগাযোগ খাত: ৫৮ হাজার ৯৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত: ৩২ হাজার ৩৯২ কোটি ২৬ লাখ টাকা ।
- শিক্ষা: ২৮ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা।
- গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধাবলী খাত: ২২ হাজার ৭৭৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
- স্বাস্থ্যে খাত: ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
উৎস: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট।
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
আলু উৎপাদন:
• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।
- (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
• আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।
- (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বাজেটের আকার মোট জিডিপির ১২.৭%
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন ব্যয়- ২,৪৫,৬০৯ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
- চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে সাধারণ গড় মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
- যা জানুয়ারিতে ছিল ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
- ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ২২ শতাংশ
- যা আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬০।
- তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।