বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

মোট প্রশ্ন৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

PrepBank · পাতা / · ৭০১৮০০ / ৮৩২

৭০১.
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী উত্তর আমেরিকার দেশ কোনটি? 
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. মেক্সিকো
  4. বার্বাডোস
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
• বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ভুটান।
- ভুটান ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ভুটানের পর একই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম উত্তর আমেরিকার দেশ হিসেবে বার্বাডোস বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
• বার্বাডোস বাংলাদেশকে ১৯৭২ সালের ২০শে জানুয়ারি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
• ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পূর্ব জার্মানি।
• মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইরাক।
• এশিয়ার অ-আরব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া; এরপর মালয়েশিয়া।
• মুসলিম ও আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে সেনেগাল।
• সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পোল্যান্ড।
• দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে কলম্বিয়া; এরপর ভেনেজুয়েলা।
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ওশেনিয়ান দেশ টোঙ্গা।
• স্বাধীন বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দান করে- ৪ এপ্রিল,১৯৭২ সালে। 

উৎস:
১. Britannica;
২. প্রথম আলো।

৭০২.
১৮ অক্টোবর ২০২৩ শেখ রাসেলের কততম জন্মদিন পালিত হয়েছে?
  1. ৬১তম
  2. ৫৮তম
  3. ৫৯তম
  4. ৬০তম
ব্যাখ্যা
- ১৮ অক্টোবর ২০২৩ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন পালিত হয়েছে। 

• শেখ রাসেল:

- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকায় ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্ম গ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রিয় লেখক খ্যাতিমান দার্শনিক ও নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিত্ব বার্ট্রান্ড রাসেলের নামানুসারে পরিবারের নতুন সদস্যের নাম রাখেন ‘রাসেল’।
- এই নামকরণে মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- শৈশব থেকেই দুরন্ত প্রাণবন্ত রাসেল ছিলেন পরিবারের সবার অতি আদরের।
- কিন্তু মাত্র দেড় বছর বয়স থেকেই প্রিয় পিতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের একমাত্র স্থান হয়ে ওঠে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট।
- তবে সাত বছর বয়সে ১৯৭১ সালে তিনি নিজেই বন্দি হয়ে যান।

- শেখ রাসেলের ভুবন ছিল তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাতা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এবং ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামালকে ঘিরে।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে পরিবারের সদস্যদের সাথে শেখ রাসেলকেও হত্যা করা হয়।
- তখন রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

সূত্র - শেখ রাসেল ওয়েবসাইট।
৭০৩.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কে?
  1. এ. এন. সাহা
  2. জয়নুল আবেদীন
  3. কামরুল হাসান
  4. রফিকুন্নবী
ব্যাখ্যা

কামরুল হাসান :
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে - 'রায়বেশে নৃত্য', ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে', ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন - জয়নুল আবেদীন।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - এ.এন. সাহা।
- বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন - রফিকুন্নবী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া ।

৭০৪.
মহিলা পুলিশ প্রথম নিয়োগ করা হয় কোন সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
• পুলিশ প্রশাসন:
- পুলিশ প্রশাসন অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা।
- মহিলাদের মধ্যে পেশাধারী প্রতারণা, দেশি ও আন্তর্জাতিক চোরাচালান, হোটেল ও বিত্তবানদের গৃহে প্রমোদবালাদের অসামাজিক তৎপরতা প্রতিরোধ সংক্রান্ত অপরাধের অনুসন্ধান ও তল্লাশীর ক্ষেত্রে পুরুষের জন্য কিছু আইনগত ও সামাজিক অসুবিধা থাকায় ১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়।

• ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী,
বাংলাদেশে নারী পুলিশের যাত্রা ১৯৭৪ সালে ৭ জন এসআই এবং ৭ জন কনস্টেবলের যোগদানের মধ্য দিয়ে।
প্রথমে সাদা পোশাকেই তারা ডিউটি করতেন। দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৬ সালে ইউনিফর্মধারী নারী পুলিশের যাত্রা হয়।

যেহেতু অপশনে ১৯৭৪ সাল নেই সে হিসেবে ১৯৭৬ সালকে উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে।  
তবে সঠিক উত্তর ১৯৭৪ সাল হবে। 
----------------- 
• গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সংস্কার:
- প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠিত হয়- ১৯৮২ সালে
- গ্রাম সরকার ব্যবস্থার' বিলুপ্তি সাধন হয়েছিল ১৯৮২ সালে।
- বাংলাদেশ সচিবালয় প্রথমে যাত্রা শুরু করে ইডেন বিল্ডিং-এ।
- সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় করা হয়- ২৮ এপ্রিল ২০১১।
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ- ২টি ।
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পূর্ব নাম- সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়- ২৩ অক্টোবর, ২০০১।
- উপজেলা পরিষদ চালু হয়- ১৯৮৫ সালে ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
৭০৫.
নিম্নের কোন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন?
  1. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  2. অ্যাঞ্জেলা গোমেজ
  3. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার:
- ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট র‍্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের নামে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- র‍্যামন ম্যাগসেসে ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
- ১৯৫৮ সাল থেকে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
- এখন পর্যন্ত ১৩ জন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ পুরস্কারপ্রাপ্ত ১৩ বাংলাদেশি:
১. ১৯৭৮ সালে প্রথম র‍্যামন ম্যাগসেসে পান: সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।
২. ১৯৮০ সালে: ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ।
৩. ১৯৮৪ সালে: গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
৪. ১৯৮৫ সালে: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
৫. ১৯৮৭ সালে: ক্যাথলিক ধর্মযাজক রিচার্ড উইলিয়াম টিম।
৬. ১৯৮৮ সালে: দিদার কমপ্রিহেন্সিভ ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ইয়াসিন।
৭. ১৯৯৯ সালে: বেসরকারি সংগঠন বাঁচতে শেখার প্রতিষ্ঠাতা অ্যাঞ্জেলা গোমেজ
৮. ২০০৪ সালে: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
৯. ২০০৫ সালে: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান।
১০. ২০১০ সালে: বেসরকারি সংগঠন সিডিডির নির্বাহী পরিচালক এ এইচ এম নোমান খান।
১১. ২০১২ সালে: বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
১২. ২০২১ সালে: প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী।
১৩. ২০২৩ সালে: জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের করভি রাখসান্দ।

উৎস: i) The Ramon Magsaysay Award Foundation ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৭০৬.
বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. সুনামগঞ্জ
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• শাহ আবদুল করিম:
- শাহ আবদুল করিম, (১৯১৬-২০০৯) লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার।
- জন্ম ১৯১৬ সালে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধলআশ্রম গ্রামে। 
- পিতা ইব্রাহিম আলী ছিলেন একজন দরিদ্র কৃষক, মাতা নাইওরজান বিবি।

- শাহ আবদুল করিম বাল্যকালে শিক্ষালাভের কোনো সুযোগ পাননি। 
- বারো বছর বয়সে তিনি নিজ গ্রামের এক নৈশবিদ্যালয়ে কিছুকাল পড়াশোনা করেন।

- সেখানেই তিনি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- পরে নিজের চেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। 
- কৈশোরকাল থেকেই গণসঙ্গীতের প্রতি শাহ আবদুল করিমের আকর্ষণ ছিল।
- সম্ভবত জীবনের বাস্তবতা তাঁকে গণসঙ্গীত রচনায় উদ্বুদ্ধ করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭০৭.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. হারুনুর রশীদ খান
  2. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  3. রুহুল আমিন
  4. আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭০৮.
জাতিসংঘে বাংলাদেশকে সদস্যপদ দেওয়া হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশ: 
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি জনাব এস এ করিম।
- ১৯৭৯-৮০ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশ সদস্য হয়েছিল।
- দ্বিতীয় মেয়াদে ২০০০ ও ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল বাংলাদেশ।
- ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের তখনকার স্থায়ী প্রতিনিধি হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

উৎস: জাতিসংঘ তথ্য কেন্দ্র ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রথম আলো (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০)
৭০৯.
'কখনও আসেনি' ছবিটি পরিচালনা করেন কে?
  1. জহির রায়হান
  2. তানভীর মোকাম্মেল
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান: 
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৭১০.
'Monpura-70; is a painting by ______
  1. Kamrul Hasan
  2. SM Sultan
  3. Zainul Abedin
  4. Murtoza Basir
  5. None
ব্যাখ্যা
মনপুরা-৭০:
- 'মনপুরা-৭০' একটি চিত্রকর্ম।
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০'।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।
- জয়নুল আবেদিনের এই ছবি শোভা পাচ্ছে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের ৩৫ নম্বর গ্যালারিতে।

উৎস: ৩০ অক্টোবর ২০১৬, প্রথম আলো।
৭১১.
ADB এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার:
- সম্প্রতি, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের সূচক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি)।
- প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ভুটানের জনগণ এবং সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে আফগানিস্তান।
- প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার আট দেশের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। 

- ২০২৩ সালের হিসাবে, দেশে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৪৪ জন ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। 

উল্লেখ্য,
- প্রতিবেদনে বলা হয়, মুঠোফোন ব্যবহারকারীদের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।
- দেশে মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৯ কোটি ৬১ লাখ।
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হিসেবে প্রথম অবস্থানে আছে ভারত। এরপরই আছে বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৭১২.
বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেছেন?
  1. ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক
  2. ড. মোবারক আহমদ খান
  3. প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম
  4. ইসমাইল হোসেন খান
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।

⇒ তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- পেশাগতভাবে ড. ইসলাম ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভাস’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত ’বই কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

অন্যদিকে,
- স্বর্ণা সারের আবিষ্কারক ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
৭১৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর কোনটি?
  1. মাতারবাড়ি
  2. চট্টগ্রাম
  3. মংলা
  4. পায়রা
ব্যাখ্যা
পায়রা বন্দর:
- পায়রা বন্দর বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর।
- এটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর।
- এটি কলাপাড়ার রাবনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর।
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৭১৪.
কোন বাঙালি বিজ্ঞানী কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) নিয়ে গবেষণা করেছেন?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. আরজ আলী মাতুব্বর
  3. কুদরত-ই-খুদা
  4. ড. জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে বাঙালি বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম গবেষণা করেছেন।

বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৭১৫.
বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তির মেয়াদ-
  1. ১০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
৭১৬.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. ভুটান
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর ভুটান প্রথম বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান।
- দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
ওই একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- প্রথম মুসলিম ও আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- প্রথম উত্তর আমেরিকান দেশ হিসেবে বার্বাডোস স্বীকৃতি দেয় ২০ জানুয়ারি ১৯৭২।

সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং নিউইর্য়ক টাইমস আর্কাইভস।

৭১৭.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
  1. ১৩০তম
  2. ১৩২তম
  3. ১৩৬তম
  4. ১৪০তম
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।  

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ: 
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- ১৯৭৬ ও ১৯৮১ সালে দুই মেয়াদে চার বছরের জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

তাছাড়াও, 
- ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে জাতিসংঘের ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ দুইবার অর্থাৎ ১৯৭৯-১৯৮০ এবং ২০০০-২০০১ মেয়াদে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশনে যোগ দেয়- ১৯৮৮ সালে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, (SSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১৮.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সামাজিক ব্যবসা তত্ত্বের মূলনীতি কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা’ (Social Business) তত্ত্ব:
- সামাজিক ব্যবসা হচ্ছে এমন ধরনের ব্যবসা যেখানে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী একটি সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত লাভের আশা ছাড়াই বিনিয়োগ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস হলেন বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ এবং সামাজিক ব্যবসা (Social Business) তত্ত্বের প্রবক্তা।
- এই ব্যবসায় বিনিয়োগকারী একটা সামাজিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিনিয়োগ করবেন, কিন্তু সেই ব্যবসা থেকে বিনিয়োগকারী কোন ধরনের মুনাফা গ্রহণ করবেন না। শুধু বিনিয়োগের অর্থ তুলে নিতে পারবেন। মুনাফার অর্থ দিয়ে নতুন কোনো সামাজিক ব্যবসা শুরু করতে পারেন অথবা বর্তমান ব্যবসার সম্প্রসারণ করতে পারবেন। অর্থ্যাৎ বিশ্বব্যাপী ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধির যে উম্মাদনা দেখা যায় তার বাইরে ব্যবসাকে সামাজিক কল্যাণের জন্য নিয়ে আসাই সামাজিক ব্যবসার মূলকথা।

⇒ ২০০৯ সালের জানুয়ারী মাসে দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরমের সম্মেলনে তিনি সামাজিক ব্যবসার ৭টি মূলনীতি ঘোষণা করেন।
১। দারিদ্র বিমোচনসহ এক বা একাধিক বিষয় যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও পরিবেশগত খাতে বিরাজমান সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিগত মুনাফাবিহীন কল্যাণকর ব্যবসা এটি।
২। সকলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জন করাই এ ব্যবসার লক্ষ্য।
৩। সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগকারীরা শধু তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থই ফেরত পাবে, এর বাহিরে কোনো প্রকার লভ্যাংশ নিতে পারবে না।
৪। বিনিয়োগকারী তার বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত নেয়ার পর বিনিয়োগকৃত অর্থের মুনাফা কোম্পানীর সম্প্রসারণ কাজে ব্যবহৃত হবে।
৫। এ ব্যবসা হবে পরিবেশ বান্ধব।
৬। এখানে যারা কাজ করবেন তারা ভালো কাজের পরিবেশ ও চলমান বাজার অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।
৭। সামাজিক ব্যবসা হবে আনন্দের সাথে ব্যবসা।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) মানব জমিন।
৭১৯.
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা কত?
  1. ২৫,০০০ টাকা
  2. ২০,০০০ টাকা
  3. ১৮,০০০ টাকা
  4. ২২,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা:
- জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনযাত্রা মানোন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
- বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ মাসিক ২০,০০০ টাকা করে সম্মানি পাচ্ছেন।
- এছাড়া, ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতাও দেয়া হচ্ছে।
- খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতাসহ ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বর্তমানে বীরশ্রেষ্ঠদের ৩৫,০০০ টাকা, বীর উত্তমদের ২৫,০০০ টাকা এবং
- বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকদের ২০,০০০ টাকা হারে মাসিক সম্মানি প্রদান করা হয়।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৭২০.
’দারিদ্রহীন বিশ্বের অভিমুখে’- বিখ্যাত বইটি কার?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. আকবর আলী খান
  3. ফজলে হাসান আবেদ
  4. ড. রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা
দারিদ্রহীন বিশ্বের অভিমুখে:
- এটি  ড.মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। 

- মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ: 
• Banker to the Poor:Micro-lending and The battle against World Poverty. 
• Three Farmers of Jobra; Department of Economics, Chittagong University.
• Creating a World Without Poverty.
দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে: আত্মজীবনী মূলক বই
• দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য,
• গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন,
• পথের বাধা সরিয়ে নিন, মানুষকে এগুতে দিন।

অপরদিকে,
ড. রেহমান সোবহান বই:
- Untranquil Recollections.
- ’পরার্থপরতার অর্থনীতি আকবর আলী খান।

উৎস: ইউনূস সেন্টার।
৭২১.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের সূত্রপাত হয় কত সালে? 
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের সূত্রপাত হয় ১৯৭৩ সালে।

- ২২শে মে, ২০০১ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর ব্রাসেলসে ইইউ এবং বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ হল বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার।
- বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ সম্পন্ন হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে।

সূত্র- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি ও বিভিন্ন সংস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২২.
'জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড-২০২৫' প্রদান করা হয় কতজন নারীকে?
  1. ২৪ জন
  2. ৩৬ জন
  3. ৭০ জন
  4. ১০০ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড:
- ১০০ জন নারীকে 'জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড-২০২৫' প্রদান করা হয়।

⇒ ৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ১০০ জন নারী এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে  'জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড-২০২৫' সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশনের সভাপতি জান্নাতুন নাঈম প্রমী।
- অনুষ্ঠানে ১০০ নির্বাচিত নারীর হাতে "জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড ২০২৫" সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
- পাশাপাশি তাদের জীবন ও কর্মভিত্তিক সাফল্যের গল্প শ্রোতাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়, যাতে অন্য নারীরা অনুপ্রাণিত হতে পারেন।

উৎস: প্রথম আলো।

৭২৩.
জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি কে?
  1. রাবাব ফাতিমা
  2. শারমিন আক্তার
  3. ইসমত জাহান
  4. নাহিদা সোবহান
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি:
- জাতিসংঘে বাংলাদেশি প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি ইসমত জাহান।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ইসমত জাহান নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
- নেদারল্যান্ডসে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের পর ইসমত জাহান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি।
- ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ইসমত জাহান বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে মিশন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০১০ সালে তিনি নারীর বিরুদ্ধে বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত জাতিসংঘ কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।
- ২০১৬ সালের জুলাইয়ে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)-এর স্থায়ী পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘ শান্তি কমিশনের প্রথম নারী সভাপতি বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৭২৪.
বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ কে? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. রাসেল ডমিঙ্গো
  2. ফিল সিমন্স
  3. হাথুরুসিংহে
  4. কার্ল হুপার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স:
- জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে ফিল সিমন্স কে নিয়োগ দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ।
- তিনি চন্ডিকা হাথুরুসিংহের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। 
- ফিল সিমন্স ইতিপূর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।

সূত্র: প্রথম আলো।
৭২৫.
২০২৪ সালে ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় বাংলাদেশের কোন উপন্যাস স্থান পেয়েছে?
  1. মতিচূর
  2. পদ্মরাগ
  3. সুলতানা’স ড্রিম
  4. অবরোধবাসিনী
ব্যাখ্যা
 সুলতানা’স ড্রিম:
- ২০২৪ সালে ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা নারীর মুক্তিপ্রত্যাশী উপন্যাস ‘সুলতানা’স ড্রিম’।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান বাটোরে ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কমিটি ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক’ বা মৌক্যাপের দশম সাধারণ সভায় ঘোষণাটি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মৌক্যাপের কাছে ‘সুলতানা’স ড্রিম’-এর নামের আবেদন জানিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

উল্লেখ্য,
- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট। [Link]
৭২৬.
দেশে প্রথমবার ‘রোবটিক এনজিওপ্লাস্টি’ হয় কোথায়?
  1. বিএসএমএমইউ
  2. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল
  3. বারডেম জেনারেল হাসপাতাল
  4. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ব্যাখ্যা
- দেশে প্রথমবার ‘রোবটিক এনজিওপ্লাস্টি’ হয় - জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে।
- হৃদরোগীর প্রধান ধমনিতে বিনা মূল্যে রোবটের মাধ্যমে রিং পরানো হয়।
- রোবোটিক সার্জারির এই অস্ত্রোপচার করেন হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রদীপ কুমার কর্মকার ও তার বিশেষায়িত টিম।
- এই চিকিৎসা পদ্ধতির উদ্বোধন করেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান মিলন ও কার্ডিলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. সালাউদ্দিন। 

উৎস- LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার (ফেব্রুয়ারি)।
৭২৭.
কোন বাঙ্গালি বিজ্ঞানী মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কাের সাথে জড়িত?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
  3. ড. কুদরাত-ই-খুদা
  4. জগদীশ চন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়: 
- আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্ম ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট, খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলি গ্রামের জমিদার পরিবারে।
- মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO₂) আবিষ্কার করেন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়।
- তিনি ১৮৯৫ সালে এই যৌগটি আবিষ্কার করেন।
- এটি দেশীয় বিজ্ঞানচর্চার পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত।
- তিনি নিজ বাসভবনে গবেষণা শুরু করে পরে বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই প্রতিষ্ঠান ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম রসায়নভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- তিনি মোট ১২টি যৌগিক লবণ ও ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

৭২৮.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি: 
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলার চর্চা ও বিকাশের উদ্দেশে ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো: চারুকলা বিভাগ, নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ, সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ, গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ, প্রশিক্ষণ বিভাগ, প্রযোজনা বিভাগ। 
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক। 
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭২৯.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:

- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৩০.
UNESCO সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতি কে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. খন্দকার এম এ মতিন
  2. খন্দকার এম তালহা
  3. রোকনুজ্জামান খান
  4. আব্দুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

• খন্দকার এম তালহা:
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর ৪৩তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ৪৩তম সাধারণ পরিষদে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি হিসেবে সভাপতিত্ব করবেন ইউনেসকোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি খন্দকার এম তালহা।
- ইউনেসকোর নির্বাহী পরিষদের ২২২তম বৈঠকে জাপানের রাষ্ট্রদূত তাকেহিরো কানোর বিপক্ষে ৩০–২৭ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন খন্দকার তালহা।

• UNESCO:
– জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO)
– UNESCO- এর পূর্ণরুপ – United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
– এর প্রধান কাজ হলো – বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
– ইউনেস্কোর সংবিধান গৃহীত হয় - ১৯৪৫ সালে।
– কার্যক্রম শুরু করে – ১৯৪৬ সালে।
– প্রতিষ্ঠার স্থান – লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
– সদর দপ্তর – প্যারিস, ফ্রান্স।
– সদস্য সংখ্যা – ১৯৪ টি  এবং সহযোগী সদস্য – ১২ টি।
– UNESCO- এর বর্তমান বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা – ১১৫৪ টি।
– বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে – ১৯৭২ সালে।
– UNESCO ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য – ৩ টি।

উৎস: UNESCO website।

৭৩১.
কোন সাময়িকী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এশিয়ার আয়রন লেডি খেতাবে ভূষিত করে?
  1. দ্য ইকোনমিস্ট
  2. নিউজ উইকস
  3. দ্য গার্ডিয়ান
  4. রয়টার্স
ব্যাখ্যা
এশিয়ার ‘আয়রন লেডি’ শেখ হাসিনা:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এশিয়ার 'আয়রন লেডি' হিসেবে উল্লেখ করেছে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা নারী সরকারপ্রধান।

অন্যদিকে,
- লেডি অব ঢাকা- যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক  প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’।
- মাদার অব হিউম্যানিটি- ব্রিটিশ মিডিয়া।
- কারিশম্যাটিক লিডার- মিশরের রাষ্টদূত মাহামুদ ইজ্জত।
- বিশ্ব মানবতার বিবেক- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সন্তোস।
- বিরল মানবতাবাদী নেতা- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

উৎস: প্রথম আলো ও যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৩২.
'তিনকন্যা' ও 'নাইওর' এ দুটি চিত্রকর্মের চিত্রকর কে?
  1. এসএম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল হাসান
  4. রফিকুন নবী
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭৩৩.
কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. লাইবেরিয়া
  2. নামিবিয়া
  3. হাইতি
  4. সিয়েরালিওন
ব্যাখ্যা
সিয়েরা লিওন:
- সম্প্রতি সিয়েরা লিওনের একটি রাস্তার নাম 'বাংলাদেশ' করা হয়েছে।
- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সেখানকার সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়।
- বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিয়ন এই সম্মান জানায়।
- সিয়েরা লিয়ন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- সিয়েরা লিওনের সাংবিধানিক নাম - সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র।
- দেশটির রাজধানী - ফ্রিটাউন।
- দেশটিতে প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা ভাষা ও রীতিনীতি।
- ইংরেজি ভাষা সিয়েরা লিওনের সরকারি ভাষা। তাছাড়া এখানে আরও প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭৩৪.
কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. লাইবেরিয়া
  2. নামিবিয়া
  3. হাইতি
  4. সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যা
• 'সিয়েরা লিওন' — বাংলা ভাষাকে  সরকারী ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। 
 
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনের অংশ হিসেবে দেশটিতে পাঁচ হাজারের বেশি বাংলাদেশি সৈন্য মোতায়েন ছিল।
- তারা সিয়েরালিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। 
- বাংলাদেশি সেনাবাহিনীর এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করে দেশটি।
 
সূত্র: UN Peace keeping Missions
৭৩৫.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন: 
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার।
- বর্তমানে অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সম্প্রচার কার্যক্রম চলছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে।
- সম্প্রচার সুবিধার জন্য রয়েছে ১৪টি উপকেন্দ্র/রিলে কেন্দ্র। 
- বিটিভির অনুষ্ঠান বর্হিবিশ্বে সম্প্রচার শুরু করার লক্ষে ১১ এপ্রিল ২০০৪ সালে বিটিভি ওয়ার্ল্ড নামে বিটিভির আরেকটি নতুন চ্যানেল চালু করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট। 
৭৩৬.
ইউনেস্কো কবে মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে?
  1. ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর
  2. ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর
  3. ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর
  4. ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজনে রাজধানীতে বাংলা নববর্ষের যে শোভাযাত্রা বের হয়, তার নতুন নামকরণ করা হয়েছে।
- এই শোভাযাত্রার নতুন নাম হবে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’।
- আগে নাম ছিল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’।
- চারুকলা ১৯৮৯ সাল থেকে পয়লা বৈশাখে শোভাযাত্রা করে আসছে।
- শুরুতে নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’।
- নব্বইয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে অমঙ্গলকে দূর করে মঙ্গলের আহ্বান জানিয়ে শোভাযাত্রার নামকরণ হয় ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’।
- জাতিসংঘের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে।

উৎস: প্রথম আলো (১১ এপ্রিল ২০২৫)
৭৩৭.
২০২৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য কয়টি?
  1. ৬০টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
ব্যাখ্যা

জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৬৪টি। (জানুয়ারি, ২০২৬)।
- বাংলাদেশের ৬৪তম জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হলো জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু।

• বিভিন্ন এলাকার জিআই পণ্য:
- মেহেরপুরের-  হিমসাগর আম।
- ফুলবাড়ীয়ার- লাল চিনি;
- নেত্রকোণার- বালিশ মিষ্টি;
- নওগাঁর- ফজলী আম;
- মুন্সীগঞ্জের- পাতক্ষীর;
- অষ্টগ্রামের- পনির;
- গোপালগঞ্জের- ব্রোঞ্জের গহনা;
- ভোলার- মহিষের দুধের কাঁচা দই;

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।

৭৩৮.
শিল্পী পটুয়া কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. ধান কাটা
  2. দুর্ভিক্ষ
  3. তিন কন্যা
  4. চর দখল
ব্যাখ্যা
পটুয়া কামরুল হাসান:
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের পরই আমাদের চিত্রশিল্পজগতে সবচেয়ে খ্যাতিমান শিল্পী কামরুল হাসান।
- ‘তিন কন্যা’, ‘গুনটানা’ কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম।
- স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে স্বপ্নভঙ্গ ও হতাশা তাঁর সৃজনকর্মে নানা প্রতীকে রূপায়িত হয়েছে, ঘুরে ঘুরে এসেছে প্যাঁচা, শেয়াল, কঙ্কালের ব্যবহার।
- ‘চন্দ্রালোকে হতভাগ্য ঘোড়া’, ‘ইমেজ’, ‘শেয়াল’, ‘গণহত্যার পরে’ প্রভৃতি চিত্রে এর উদাহরণ দেখা যেতে পারে।
- মুক্তিযুদ্ধে তাঁর আঁকা পোস্টার ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’র ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

উৎস: প্রথম আলো (২ ডিসেম্বর ২০২১)
৭৩৯.
বাংলাদেশের কোন জেলাকে ‘নিঝুম দ্বীপের দেশ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. পটুয়াখালী
  2. ভোলা
  3. নোয়াখালী
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ:
- ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের কাছে ব্যাপকভাবে পরিচিতি পেয়েছে নোয়াখালীর সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে জেগে ওঠা এই দ্বীপ।
- কয়েক বছর আগে নোয়াখালী জেলার ব্র্যান্ডিংও (পরিচিতি) করা হয়েছে নিঝুম দ্বীপের নামে।
- সেই থেকে নোয়াখালীকে ‘নিঝুম দ্বীপের দেশ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বঙ্গোপসাগরের বুকে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এই চর হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- চর ওসমান, কামলার চর, পালকির চর, চর কবিরা, মৌলভীর চরসহ ছোট–বড় ১১টি চর নিয়ে নিঝুম দ্বীপ।
- পুরো চরের আয়তন প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একর।
- ১৯৪০ সালের দিকে ধীরে ধীরে জেগে ওঠে দ্বীপটি। এরও প্রায় এক দশক পর দ্বীপে মানুষের আসা-যাওয়া শুরু হয়।
- তবে ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে দ্বীপের প্রায় সব মানুষ মারা যান। দ্বীপটি হয়ে যায় জনমানবশূন্য।
- পরবর্তী সময়ে আবার মানুষের যাতায়াত শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে মানুষের বসতি গড়ে ওঠে।
- ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।
- ২০১৩ সালে হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়ন থেকে আলাদা করে নিঝুম দ্বীপকে করা হয় স্বতন্ত্র একটি ইউনিয়ন।
- দ্বীপের নাম অনুসারেই ইউনিয়নের নামকরণ হয়।

উৎস: প্রথম আলো (২২ ডিসেম্বর ২০২৪)
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৪০.
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান কে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. মাহবুব মোর্শেদ
  2. কে এম নজরুল ইসলাম
  3. আবুল কালাম আজাদ
  4. আনোয়ার আলদীন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর বর্তমান চেয়ারম্যান সাংবাদিক আনোয়ার আলদীন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- এটি বাংলাদেশের প্রধান ও জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১ জানুয়ারী, ১৯৭২ সালে চালু হয়েছিল।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরো নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়েছিল।
- ঢাকায় এর প্রধান কার্যালয়।
- বাসস-এর এখন চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় জাতীয় সংবাদ সংস্থার সংবাদদাতা রয়েছে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ওয়েবসাইট।

৭৪১.
মিশুকের স্থপতি কে?
  1. মুস্তফা মনোয়ার
  2. হামিদুর রহমান
  3. শামীম শিকদার
  4. হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
• মিশুকের স্থপতি — মুস্তাফা মনোয়ার।
- ভাস্কর্য তৈরি করেন — হামিদুজ্জামান খান।
------------------------ 
• মিশুকের স্থপতি:
- ১৯৮৫ সালের দ্বিতীয় সাব গেমস এর মাসকট মিশুক এর স্থপতি মোস্তফা মনোয়ার।
- এটি শাহবাগের শিশু পার্কের সামনে অবস্থিত , এটি মূলত হরিণ শাবকের ভাস্কর্য।
- দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ সাফ গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ডিরেক্টর ও ভিজুয়ালাইজার-এর দায়িত্ব পালন করেন মোস্তফা মনোয়ার।
- দ্বিতীয় সাফ গেমস-এর মাসকট ‘মিশুক’, ১০ ফুট উঁচু চলমান হরিণ শিশু এবং ষষ্ঠ সাফ গেমস-এর মাসকট ‘অদম্য’ একটি বড় বাঘরূপী জীবন্ত পাপেট নির্মাণ তাঁর বড় সাফল্য। 

অন্যদিকে,
• হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি।
• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য - স্থপতি শামীম শিকদার — মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি ১৯৮৮ সালে স্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো, ইত্তেফাক আর্কাইভ।
৭৪২.
কোন পণ্যটি ২০২৬ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষিত হয়? 
  1. আসবাবপত্র
  2. পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্ট
  3. প্লাস্টিক পণ্য
  4. কৃষিজাত প্রক্রিয়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

• ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য : 
- পেপার ও প্যাকেজিংকে চলতি বছরের বর্ষপণ্য ঘোষণা করে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করা হয়েছে।
- 'পেপার ও প্যাকেজিং প্রডাক্টকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে পেপার প্যাকেজিং শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। 

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের 'বর্ষপণ্য' ছিলো আসবাবপত্র বা ফার্নিচার। 

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা। (Link) 

৭৪৩.
সম্প্রতি, ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে- [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. রাজশাহী সিল্ক বয়নশিল্প
  2. টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প
  3. মৈমনসিংহ গীতিকা
  4. ঢাকাই মসলিন শাড়ি বয়নশিল্প
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকা:
- বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প ইউনেসকোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের' তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ভারতের নয়াদিল্লিতে ইউনেস্কো ২০০৩ কনভেনশনের চলমান ২০-তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- যা এই কনভেনশনের অধীনে বাংলাদেশের জন্য ষষ্ঠ স্বীকৃতি।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বাউল গান, ২০১৩ সালে জামদানি বুনন শিল্প, ২০১৬ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রা, ২০১৭ সালে শীতলপাটি বুনন শিল্প এবং ২০২৩ সালে ‘ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র’ ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৭৪৪.
বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা বিরোধের চূড়ান্ত রায় কবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
ভারতের সাথে সমুদ্র বিজয়:
- তিন দশকের বেশি সময় ধরে আলোচনার পর মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ২০০৯ সালে সালিসি আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
- ২০১৪ সালের ৭ই জুলাই নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিসি আদালত (পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন-পিসিএ) এই বিষয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ এলাকা ছিল প্রায় ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটার।
- এ এলাকার ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা বাংলাদেশ পেয়েছে।
- এছাড়া, বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলে এবং এর বাইরে মহীসোপান অঞ্চলে বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ ও সার্বভৌম অধিকার নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলায় রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৭৪৫.
ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস পুনরায় খোলা হয় কত সালে?
  1. ২০২২ সালে
  2. ২০২৩ সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা

• ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস:
- ঢাকায় ফের উদ্বোধন করা হলো আর্জেন্টিনার দূতাবাস।
- ৪৫ বছর পর সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩) রাজধানীর বনানীতে দেশটির দূতাবাস উদ্বোধন করা হয়।

- এ সময় উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়ারো ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
- এ সফরে ৪৫ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালু ও দুই দেশের মধ্যে ফুটবল এবং কৃষিতে সহযোগিতাসহ চারটি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক সইকরা হয়েছে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো

৭৪৬.
টেলিভিশনের বাংলা কার্টুন সিরিজ 'মিনা' কোন শিল্পীর সৃষ্টি?
  1. রফিকুন্নবী
  2. হাসেম খান
  3. তানভির কবির
  4. মুস্তফা মনোয়ার
ব্যাখ্যা
শিশুতোষ জনপ্রিয় 'মিনা' কার্টুনের নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার।
- ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহন করেন।
- কবি গোলাম মোস্তফা ছিলেন তাঁর পিতা।
- তিনি কিছুকাল বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। 
- ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৪৭.
ক্রিকেট ইতিহাসে মুশফিকুর রহিম কততম ক্রিকেটার হিসেবে শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন? 
  1. ১০ তম
  2. ১১ তম
  3. ১২ তম
  4. ১৩ তম
ব্যাখ্যা

• শততম টেস্টে অভিজাত ক্লাবে মুশফিক: 
- দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একশ টেস্ট খেলছেন ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম।
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে টসের সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় উঠে গেছে মুশফিকের নাম। 
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একশ টেস্ট খেলেছেন তিনি। 
- এই ম্যাচে তিনি খেলেছেন ১০৬ রানের ইনিংস।

- শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করা ক্রিকেটারদের ছোট্ট তালিকায় নাম লিখিয়েছেন মুশফিক। 
- যেখানে তিনিসহ এখন আছেন মাত্র ১১ জন। 
- ক্রিকেট ইতিহাসের ১১ তম ক্রিকেটার হিসাবে শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। 
- আর উপমহাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে মুশফিকসহ মাত্র তিনজন নিজের শততম টেস্টে করেছেন শতরান।

তথ্যসূত্র: টি স্পোর্টস। 

৭৪৮.
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্নজীবনী মূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
  2. ছেলেবেলা
  3. বাল্যস্মৃতি
  4. আমার বাল্যকথা
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- শিক্ষা জীবনের শুরুতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার গ্রামের মহাজন ফকিরের স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন।
- মাধ্যমিক পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ তম স্থান অধিকার করেন।
- ১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন।
- স্নাতকের পর কর্মজীবনের শুরুতেই মুহাম্মদ ইউনূস ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তাঁর আত্মজীবনী মূলক বই – দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন - ০৮ আগস্ট ২০২৪।

উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আত্মজীবনী মূলক বই -ছেলেবেলা।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আত্মজীবনী মূলক বই - বাল্যস্মৃতি।
- সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর আত্মজীবনী মূলক বই -  আমার বাল্যকথা।

উৎস: ইউনুস সেন্টার ঢাকা এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৪৯.
সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে কোন দ্বীপের সাথে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে?
  1. সন্দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. ভাসানচর
  4. মনপুরা
ব্যাখ্যা
- সাগর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে সাগর দ্বীপ সন্দ্বীপকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতায় আনা হয়েছে।
- ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর সাবমেরিন ক্যাবলের সাহায্যে সন্দ্বীপে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রথম বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়।
- চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে এই সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে।
- এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এলো।
- সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- উপকূল থেকে ১৫ কিলোমিটারের ৩৩ কেভির দুইটি ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে গ্রিড সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে।
- এছাড়া সন্দ্বীপে  ১৬ ও সীতাকুণ্ডে ১০ কিলোমিটার ওভার হেড লাইন (মাটির ওপর) স্থাপন করা হয়েছে।
- প্রাথমিকভাবে একটি ক্যাবলের মাধ্যমে ১০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৭৫০.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী জেলায় অবস্থিত।

 উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড নামে যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৩ সালে রেশম বোর্ড, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং সিল্ক ফাউন্ডেশন কে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়।

সূত্রঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৭৫১.
বাংলাদেশের দাবার ইতিহাসে প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার হিসেবে পরিচিত লাভ করেন কে?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. রিফাত বিন সাত্তার
  3. নিয়াজ মোরশেদ
  4. আবদুল্লাহ আল রাকিব
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- ২০০২ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন জিয়াউর রহমান।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে এনামুল হোসেন রাজীব।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

এছাড়াও,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।

উৎস: কালের কন্ঠ ও  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট ।

৭৫২.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন শিল্পটি ইউনেস্কোর 'বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' এর তালিকায় স্থান পেয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. জামদানি বুননশিল্প 
  2. শীতলপাটি বুননশিল্প
  3. ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র'
  4. টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প
ব্যাখ্যা

• ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প (২০২৫) ।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
ii) প্রথম আলো।

৭৫৩.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. এ.এন.এ সাহা
  3. শিবনারায়ণ দাশ
  4. জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন।
- ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধীকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ - তিন কন্যা ,কামরুল হাসানের এসব চিত্রকর্মের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতা, অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে নির্ভীক প্রতিবাদী মানসিকতা, গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং সমাজসচেতনতাই প্রকাশিত হয়েছে।
- ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ.এন.এ সাহা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৫৪.
‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য নয় কোনটি?
  1. শূন্য কার্বন নিঃসরণ
  2. শূন্য বেকারত্ব
  3. শূন্য প্লাস্টিক
  4. শূন্য দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা

শূন্য প্লাস্টিক ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য নয়।

থ্রি-জিরো তত্ত্ব:
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য: শূন্য কার্বন নিঃসরণ, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য দারিদ্র্য।
- তার লক্ষ্য: দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- এই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।  
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।


উল্লেখ্য,
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাড়াজাগানো বই ‘A World of Three Zeros’।
- বইটি ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- ‘এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস’-এ তিনি পৃথিবীর তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের সমাধানের জন্য একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছিলেন। 
- বইটিতে তার আলোচনার বিষয়বস্তু তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে যথা— শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty), শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং শূন্য নিট কার্বন নির্গমন (Zero Net Carbon Emissions)। তিনি মূলত একটি উন্নত, টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত সমাজ গঠনের জন্য এই তিনটি শূন্যের লক্ষ্যকে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করেছেন।

• ‘Zero Poverty’ বা শূন্য দারিদ্র্যের আলোচনায় তিনি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য কোনো স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক অবস্থা নয়, বরং এটি একটি মানবসৃষ্ট অবস্থা, যা সম্পদের অসম বণ্টনের ফলস্বরূপ তৈরি হয়েছে। 
• তার দ্বিতীয় ধারণা Zero Unemployment বা শূন্য বেকারত্ব। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন— উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান করা সম্ভব। কেননা আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু সঠিক অর্থায়নের অভাবে অনেকেই তাদের সম্ভাবনা পূর্ণ করতে পারেন না। 
• তৃতীয়ত তিনি Zero net carbon emissions বা পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। 

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) Yunus Social Business।

৭৫৫.
জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট- ২০২৪ অনুযায়ী বাংলদেশের অবস্থান কততম? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ১২৮ তম
  2. ১৩১ তম
  3. ১৩৪ তম
  4. ১৩৯ তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট- ২০২৪:
- ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট প্রকাশ করে জাতিসংঘ।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে সুখী দেশের তালিকা করার ক্ষেত্রে মানুষের সুখের নিজস্ব মূল্যায়ন, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে শূন্য থেকে ১০ সূচকে নম্বর পরিমাপ করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি দেশের মানুষের ব্যক্তিগত সুস্থতার অনুভূতি, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, উদারতা, জিডিপি ও দুর্নীতির মাত্রা বিবেচনায় নেয়া হয়।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৪ তম।

⇒ সবচেয়ে সুখী দেশ সমূহ:
• ১ম অবস্থানে আছে - ফিনল্যান্ড।
• ২য় অবস্থানে আছে - ডেনমার্ক।
• ৩য় অবস্থানে আছে - আইসল্যান্ড।
• ৪র্থ অবস্থানে আছে - সুইডেন।
• ৫ম অবস্থানে আছে - নেদারল্যান্ডস।
• ৬ষ্ঠ অবস্থানে আছে - কোস্টারিকা।
• ৭ম অবস্থানে আছে - নরওয়ে।
• ৮ম অবস্থানে আছে - ইসরায়েল।
• ৯ম অবস্থানে আছে - লুক্সেমবার্গ।
• ১০ম অবস্থানে আছে - মেক্সিকো।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৫৬.
বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৪
  3. ১৯৯৬
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালের ৪ জুন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্টারনেট সেবা চালু হয়।
- এই দিনটিকেই বাংলাদেশের ইন্টারনেট যুগের সূচনা দিবস বলা হয়।
- শুরুতে ইন্টারনেট সংযোগ ছিল ডায়াল-আপ (Dial-up) পদ্ধতির, যা ফোন লাইন ব্যবহার করে কম গতির সংযোগ দিত।

- শুরুতে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হতো ডায়াল-আপ মডেম এর মাধ্যমে, যার গতি ছিল প্রায় ২৮.৮ - ৩৩.৬ kbps।
- সংযোগ পেতে ফোন লাইন ব্যবহার করা হতো এবং এক সময়ে একটি কম্পিউটারই যুক্ত থাকতে পারত।

- ১৯৯৬ সালে তৎকালীন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন বোর্ড (BTTB) প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট গেটওয়ে সংযোগের লাইসেন্স প্রদান করে।
- এর আগে শুধুমাত্র কিছু বিশ্ববিদ্যালয় (যেমন BUET, Dhaka University) পরীক্ষামূলকভাবে ই-মেইল সেবা ব্যবহার করত।

- ২০০০ সালের পর ইন্টারনেট সেবা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
- ২০০৮ সালে মোবাইল ইন্টারনেট (GPRS/EDGE) চালুর মাধ্যমে ইন্টারনেট আরও সহজলভ্য হয়।
- ২০১৩ সালে 3G এবং ২০১৮ সালে 4G চালুর ফলে ব্যবহার আরও বেড়ে যায়।
- বর্তমানে (২০২৫ সালে) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটির বেশি।

উৎস: Bangladesh Computer Samity.

৭৫৭.
দ্য স্পিরিট অব ইসলাম গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. অধ্যাপক ড. গোলাম মুরশিদ
  2. ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  3. মইদুল ইসলাম
  4. সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী:
- ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণে উদ্যোগী এবং ইসলামের ইতিহাস ও সমাজ বিষয়ক লেখক।
- তিনি ১৮৪৯ সালের ৬ এপ্রিল উড়িষ্যার কটকে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর রচিত গ্রন্থ - দ্য স্পিরিট অব ইসলাম।
- তাঁর রচিত প্রবন্ধগুলির মধ্যে ‘এ ক্রাই ফ্রম দি ইন্ডিয়ান মোহামেডানস’ ও ‘দি রিয়েল স্ট্যাটাস অব উইমেন ইন ইসলাম’ (১৮৯১) উল্লেখযোগ্য।

• অধ্যাপক ড. গোলাম মুরশিদ রচিত গ্রন্থ ‘হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি’।
• মূলধারা একাত্তর গ্রন্থের রচয়িতা - মইদুল ইসলাম।
• ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচয়িতা গ্রন্থ -
- বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত,
- দীওয়ানে হাফিজ,
- রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম,
- বিদ্যাপতি শতক, 

উৎস : বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা একাডেমি।
৭৫৮.
ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ব্রাহ্মসমাজ বা ব্রাহ্মসভা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্রাহ্মসমাজ হলো ঈশ্বরের সমাজ। ব্রাহ্মসমাজের সভ্যরা একে সর্বজনীন ধর্ম হিসেবে বিবেচনা করলেও এটি হিন্দু ধর্মের একটি শাখায় পরিণত হয়।
- দ্বারকানাথ ঠাকুর ও দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ ব্রাহ্মসমাজের অনুসারী ছিলেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি: পৃষ্ঠা-১১৭।
৭৫৯.
নিম্নের কোন ব্যক্তি ইলিশ মাছের জিনোম আবিষ্কারের সাথে যুক্ত ছিলেন?
  1. ড. মাকসুদুল আলম
  2. ইসমাইল হোসেন খান
  3. শামসুল আলম
  4. ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছের জিনোম:
- জিনোম হচ্ছে কোনো জীবের পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। জীবের অঙ্গসংস্থান, জন্ম, বৃদ্ধি, প্রজনন এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াসহ সব জৈবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় এর জিনোমে সংরক্ষিত নির্দেশনা থেকে। পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং হচ্ছে কোনো জীবের জিনোমে সব নিউক্লিওটাইডসমূহ (জৈবঅনু) কীভাবে বিন্যস্ত রয়েছে তা নিরূপণ করা। একটি জীবের জিনোমে সর্বমোট জিনের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং তাদের কাজ পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স থেকেই জানা যায়।
- ইলিশ মাছের জীবনরহস্য উন্মোচন (জিনোম সিকোয়েন্স) করেছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের দুটি দল। তবে তারা পৃথকভাবে গবেষণা করে এই সাফল্য পেয়েছে। এই সফলতা ইলিশ মাছের সংরক্ষণ ও উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। একই সঙ্গে তা ইলিশ মাছের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতেও সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য,
- ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচনের কৃতিত্ব অর্জন করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল আলমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চার গবেষক ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
- ২০১৫ সাল থেকে এই জিনোম সংক্রান্ত গবেষণা শুরু করেন তারা।
- এই সফলতা ইলিশ মাছের সংরক্ষণ, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- ইলিশ জিনোম সিকোয়েন্সিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বলি নামের এই গবেষণা দলটির সমন্বয়ক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ. সামছুল আলম।

অন্যদিকে,
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক স্বর্ণা সার আবিষ্কার করেন।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি।
৭৬০.
কূটনৈতিক অবদানের জন্য ২০২০ সালে প্রবর্তিত পুরস্কারের বর্তমান নাম কী?
  1. Bangabandhu Academy of Diplomacy Award
  2. Bangabandhu Medal for Diplomatic Excellence
  3. Bangabandhu Award for Exemplary Diplomatic Service
  4. Bangabandhu Award for Foreign Diplomacy
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রবর্তিত কূটনৈতিক পুরস্কার:
- কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য গত ২০২০ সালে প্রবর্তিত পুরস্কারের হচ্ছে - বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স।
- প্রথম নাম এটা হলেও পরবর্তীতে এর নামকরণ করা হয় - বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স (Bangabandhu Medal for Diplomatic Excellence)
- কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরস্কারটি প্রদান করে।
- মুজিববর্ষ উপলক্ষে ২০২০ সাল থেকেই পুরস্কারটি দেওয়া শুরু হয়েছে।
- প্রতি বছর একজন বাংলাদেশি কূটনীতিক এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কূটনীতিককে এ পদক দেয়া হবে।
- ২০২২ সালে এই পুরস্কার লাভ করেন - বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত - ইতো নাওকি।

সূত্র: mujib100.com ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৭৬১.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ জাতিসংঘের কোন পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. নিরাপত্তা পরিষদ
  2. সাধারন পরিষদ
  3. মানবাধিকার পরিষদ
  4. ট্রাস্টিশিপ পরিষদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে- বাংলাদেশ।


- মানবাধিকার কাউন্সিলের কার্যালয়ে একজন প্রেসিডেন্ট এবং চারজন ভাইস প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের পাঁচটি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেনেভায় জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মানবাধিকার কাউন্সিলের ব্যুরোতে কাজ করবেন।
- ২০০৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের এই মর্যাদাপূর্ণ মানবাধিকার সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- UNHRC জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস (UN Human Rights) মানবাধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা।
- মানবাধিকার পরিষদ ২০০৬ সালে রেজোলিউশন ৬০/২৫১ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এটি ১৯৪৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পরিচালিত প্রাক্তন মানবাধিকার কমিশনের স্থলাভিষিক্ত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস প্রতিষ্ঠা করে।

তথ্যসূত্র: UNHRC ওয়েবসাইট, প্রথম আলো নিউজ। [Link]
৭৬২.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর:
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ  ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

সূত্র: নারায়ণগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
৭৬৩.
গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে (আইসিপিপিইডি) বাংলাদেশ যুক্ত হয় -
  1. ৯ জুলাই, ২০২৪
  2. ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  4. ৩ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন:
- গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পরে ২০১০ সালে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- সামগ্রিকভাবে এই সনদের লক্ষ্য গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া। 

⇒ ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর দ্য প্রোটেকশন অব অল পারসন্স ফ্রম এনফোর্সড ডিসেপিয়ারেন্স’ (আইসিপিপিইডি) শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে সই করে বাংলাদেশের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

২৯ আগস্ট ২০২৪ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনায় উপদেষ্টামণ্ডলীর সভা চলাকালে কনভেনশনে সই করেন ড. ইউনূস।

⇒ এটি জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন, যা বলপূর্বক গুমকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে। যার লক্ষ্য হলো জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুম প্রতিরোধ করা, ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং এই গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।

উৎস: প্রথম আলো এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৭৬৪.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত নতুন রাডারের নাম কী? [জুন, ২০২৫]
  1. জিএম ৪০০ এম
  2. জিএম ৪০১ এম
  3. জিএম ৪০২ এম
  4. জিএম ৪০৩ এম
ব্যাখ্যা
‘জিএম ৪০৩ এম’ (GM 403M) রাডার:
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় যুক্ত হলো নতুন র‌াডার ‘জিএম ৪০৩ এম’।
- অত্যাধুনিক জিএম ৪০৩এম আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার সিস্টেম ফ্রান্সের থালেস গ্রুপের তৈরি।
- এটিতে মূলত একটি দীর্ঘ‑পরিসরের (৪৭০ কিমি) ৩‑ডি রাডার।
- এটি ৩০ কিমি উচ্চতায় লক্ষ্যবস্তু সনাক্ত করতে সক্ষম।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দুটি জিএম ৪০৩এম রাডার সিস্টেম মোতায়েন করেছে:
- ৭১ স্কোয়াড্রন, মিরপুর, ঢাকা: ১৬ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে উদ্বোধন করা হয়।
- রাডার ইউনিট, বগুড়া: ১৮ জুন ২০২৫ তারিখে উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৬৫.
’সংগ্রাম’ চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. হাশেম খান
  4. কালীপদ ঘোষাল
ব্যাখ্যা
- 'সংগ্রাম' চিত্রকর্মের শিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- ম্যাডোনা-৪৩,,দ্য রেবেল ক্রো, নবান্ন, মনপুরা-৭০, মইটানা, পাইন্যার মা প্রভৃতি।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে বিভিন্ন ছবি এঁকে খ্যাতি অর্জন করেন।
- দুর্ভিক্ষের উপর তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম হলো ম্যাডোনা-৪৩ এবং দ্য রেবেল ক্রো।

অন্যদিকে,
- কামরুল হাসান চিত্রকর্ম, ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’।
- হাশেম খান চিত্রকর্ম  ‘জোড়াতালির চালচিত্র’।
   
 উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৬৬.
প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় -
  1. অস্ট্রিয়া
  2. বেলজিয়াম
  3. পোল্যান্ড
  4. পূর্ব-জার্মানি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৭৬৭.
সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
সেলিম আল দীন
- সেলিম আল দীন (১৯৪৯-২০০৮)  বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- তিনি নাট্যকার পরিচয়ের বাইরে ছিলেন-একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, সংগঠক, নাট্যনির্দেশক এবং শিল্পতাত্ত্বিক।
- মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে তিনি অন্যান্যদের সঙ্গে গঠন করেন ঢাকা থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক ও নাট্যগ্রন্থ- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য নাটক, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, বাসন, তিনটি মঞ্চ নাটক: মুনতাসির, শকুন্তলা ও কিত্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, প্রাচ্য, কিত্তনখোলা, হাতহদাই, যৈবতী কন্যার মন, চাকা, হরগজ, একটি মারমা রূপকথা, বনপাংশুল, নিমজ্জন, ধাবমান, স্বর্ণবোয়াল, ঊষা উৎসব ও স্বপ্নরমণীগণ (নৃত্যনাট্য), পুত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৬৮.
নান্দনিক স্থাপনা 'সার্ক ফোয়ারা'-এর নকশাকার কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. শামীম শিকদার
  3. তানভীর কবির
  4. নিতুন কুণ্ড
ব্যাখ্যা
সার্ক ফোয়ারা:
- সপ্তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে হোটেল সোনারগাঁও-র মোড়ে নির্মিত করা হয় দৃষ্টি নন্দন সার্ক ফোয়ারা।
- পান্থপাথ, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ ও সোনারগাঁও সড়কের আন্তসংযোগস্থলে এই ফোয়ারা নির্মিত করা হয়।
- দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা ট্রাফিক সমস্যা সমাধানই ছিল এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য।

⇒ ৩২ ফুট উঁচু ফাঁপা স্টেইনলেস স্টিল এর পিলার আকৃতির সাতটি কাঠামোর প্রতিটিতে একটি করে প্রজাপতির পাখা সদৃশ সাতটি কৌণিকভাবে হেলানো প্রলম্বিত অংশ রয়েছে যা দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সাত জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতির নিদর্শন বহন করে।
- এর নকশাকার  নিতুন কুন্ডু।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের শিল্পজগতে মুক্তিযোদ্ধা, স্রষ্টা ও শিল্প-উদ্যোক্তা, বহু গুণে গুণান্বিত ও শিল্পী নিতুন কুন্ডু একজন ব্যতিক্রমধর্মী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও মরমি শিল্পী সফিউদ্দিন আহমেদের প্রিয় ছাত্র ছিলেন এবং ছিলেন সব সময় সর্বোচ্চ স্থানের অধিকারী।
- স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় তার আঁকা পোস্টার ‘সদা জাগ্রত বাংলার মুক্তিবাহিনী’ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।
- নিতুন কুন্ডু নির্মিত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে রয়েক ‘মা ও শিশু’ (১৯৭৫),‘সাবাস বাংলাদেশ’,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯২),‘সাম্পান’,চট্টগ্রাম বিমানবন্দর (২০০১)। এছাড়া রাজধানীর ‘সার্ক ফোয়ারা’ও‘কদম ফোয়ারা’ দুটি তার নির্মিত।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো। 
৭৬৯.
In which year did Bangladesh become a member of ICAO?
  1. 1974
  2. 1972
  3. 1975
  4. 1973
ব্যাখ্যা
ICAO:
- ICAO পূর্ন রূপ: International Civil Aviation Organization.
- এটি বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি ১৯৪৪ সালে Provisional International Civil Aviation Organization (PICAO) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ৪ এপ্রিল, ১৯৪৭ সালে ICAO হিসাবে যাত্রা শুরু করে।
- সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপদ এবং সুশৃঙ্খল রাখতে এই সংস্থা কাজ করে।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ৩ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা।
- প্রেসিডেন্ট: সালভাতোর সিয়াচিটানো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ICAO এর সদস্যপদ লাভ করে

উৎস: ICAO ওয়েবসাইট।
৭৭০.
বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করেছে?
  1. ১২১ তম
  2. ১২০ তম
  3. ১১৯ তম
  4. ১১৮ তম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্জন:
- বিশ্বে প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু করে মালয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করেছে জার্মান কোম্পানি Veridos GbmH.

উৎস: বণিক বার্তা নিউজ।
৭৭১.
বিশ্বব্যাংক কবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে?
  1. ১ জুন ২০১৪
  2. ১ জুন ২০১৫
  3. ১ জুলাই ২০১৫
  4. ১ জুলাই ২০১৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:
- বিশ্বব্যাংকের মতে মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১০৪৫ মা, ডলারের অধিক হওয়ায় ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৭২.
বাংলাদেশে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি:
- দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসরত পরিবারের শিশুদেরকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছর থেকে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু হয়।

অন্যদিকে -
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৭৩.
বাংলাদেশ প্রথমবার কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ অর্জন করে? 
  1. ও আই সি
  2. কমনওয়েলথ
  3. জাতিসংঘ
  4. ন্যাম
ব্যাখ্যা

• কমনওয়েলথ: 
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট। 
- এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।   [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন। 
- এর প্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। 
- এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘ: ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM): ১৯৭৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। 
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-এর সদস্যপদ লাভ করে। 

তথ্যসূত্র: কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট। 

৭৭৪.
ঢাকাই মসলিন বস্ত্র এত সূক্ষ্ম ছিল যে, ______ গজ মসলিন একটি দিয়াশলাইয়ের বাকসোতে ভরে রাখা যেত।
  1. ২ গজ
  2. ১০ গজ
  3. ২০ গজ
  4. ৫০ গজ
  5. ১০০ গজ
ব্যাখ্যা
ঢাকাই মসলিন: 
- বস্ত্র শিল্পে বাংলার অগ্রগতি ছিল সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।
- এখানকার নির্মিত বস্তুগুলো গুণ ও মানের বিচারে যথেষ্ট উন্নত ছিল।
- তাই বিদেশে এগুলোর প্রচুর চাহিদা ছিল।
- নিজেদের ব্যবহারের জন্য রঙিন কাপড় এবং বিদেশে রপ্তানি করার জন্য সাদা কাপড় এখানে তৈরি করা হতো।
- ঢাকা ছিল মসলিন নামক বিশ্বখ্যাত সূক্ষ্ম বস্ত্র শিল্পের প্রধান প্রাণকেন্দ্র।
- ইউরোপে এর প্রচুর চাহিদা ছিল।
- এ বস্ত্র এত সূক্ষ্ম ছিল যে, ২০ গজ মসলিন একটি দিয়াশলাইয়ের বাকসোতে ভরে রাখা যেত।
- পাট ও রেশমের তৈরি বস্ত্রেও বাংলার কৃতিত্ব ছিল উল্লেখযোগ্য।
- বাংলায় চিনি ও গুড় তৈরি এবং জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭৭৫.
জাতীয় প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রেস ক্লাব:
- জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকদের একটি সংঘবিশেষ।
- পেশাদার সাংবাদিকদের ক্লাব যা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- ১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান প্রেস ক্লাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় প্রেস ক্লাব।
- ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবই বাংলাদেশের প্রধান প্রেসক্লাব।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাবের প্রথম সভাপতি হন দৈনিক আজাদ-এর যুগ্ম সম্পাদক মুজীবুর রহমান খাঁ।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে কলকাতায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, প্রেসক্লাবের ওয়েবসাইট।
৭৭৬.
বাংলাদেশ কততম ন্যাম সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন: 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর একটি ছিল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হলেও নতুন দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কূটনৈতিক অঙ্গনে বিপুল তৎপরতা চালাতে হয়।
- ভুটান ও ভারত প্রথম দুটি দেশ যারা ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি ছিল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পথে প্রথম পদক্ষেপ।
- তবে এর পরেও অনেক দেশ স্বীকৃতি দিতে গড়িমসি করেছিল এবং পাকিস্তান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি করেছিল।
- পাকিস্তান বাংলাদেশের স্বীকৃতি বাধাগ্রস্ত করতে চীন ও কিছু ইসলামি দেশের সহযোগিতা নিয়ে অপপ্রচার চালায়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলনে যোগ দেয়, তবে এর পূর্বশর্ত ছিল পাকিস্তানের স্বীকৃতি।
- পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো শর্ত দিয়েছিলেন যে, বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ না হলে তারা স্বীকৃতি দেবে না।
- ১৯৭৩ সালের আলজেরিয়ার চতুর্থ ন্যাম সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রথম অংশগ্রহণ করে।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে কিছু ইসলামি দেশও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসে।

উৎস: বিবিসি বাংলা (২৬ মার্চ ২০২১)
৭৭৭.
বাংলাদেশের প্রথম মনোরেল কোথায় নির্মিত হবে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. যশোর
  2. সিলেট
  3. চট্টগ্রাম
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
প্রথম মনোরেল প্রকল্প:
- দেশের প্রথম মনোরেল নির্মিত হতে যাচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে।
- ১ জুন, ২০২৫ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে জার্মানি প্রতিষ্ঠান ওরাসকম ও মিশরের প্রতিষ্ঠান আরব কন্ট্রাক্টর গ্রুপের এ সংক্রান্ত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- নগরীর যানজট নিরসনে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
- প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার।
- এতে বিনিয়োগ হবে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা।

উল্লেখ্য,
- মনোরেল হলো এমন একটি রেলওয়ে, যেখানে ট্র্যাকটি একটি একক রেল বা বিম দিয়ে তৈরি।
- মনোরেল এক চাকার ট্রেন। এক চাকার ওপরই চলে। দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে মনোরেল স্থাপন ও চালু করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৭৭৮.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ৪১ জন
  2. ৫৮ জন
  3. ৬৮ জন
  4. ৬২ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা- 
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, 
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৭৭৯.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে কবে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশ:
- ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে। 
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- একই দিনে ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৮০.
‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে ছিলেন?
  1. ফতেহ লোহানী
  2. অজয় কর
  3. খান আতাউর রহমান
  4. আবদুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা
‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।

সূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩১ মে, ২০২৩।
৭৮১.
৭৮ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের কোন সিনেমা বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. মুক্তি
  2. গেরিলা
  3. আলী
  4. মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
৭৮ তম কান চলচ্চিত্র পুরস্কার:
- ১২-২৩ মে ২০২৫ ফ্রান্সের কান শহরে অনুষ্ঠিত হয় কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৮তম আসর।

উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার-
স্বর্ণপাম: ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাকসিডেন্ট, জাফর পানাহি।
সেরা পরিচালক: ক্রেবার মেনডোরসে ফিল (দ্য সিক্রেট এজেন্ট)।
সেরা অভিনেত্রী: নাদিয়া মেল্লিতি (লিটল সিস্টার)।
সেরা অভিনেতা: ওয়ানার মাউরা (দ্য সিক্রেট এজেন্ট)।

উল্লেখ্য,
- উৎসবে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছবি হিসেবে স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা 'আলী'।
- স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শাখার স্পেশাল মেনশন দেওয়া হয় আদনান আল রাজীব পরিচালিত সিনেমাটিকে।
- ‘আলী’ সিনেমার গল্প নারীকণ্ঠে গান গাইতে পারে এক কিশোরকে কেন্দ্র করে।
- ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের সিনেমাটি ২৩ মে কান উৎসবে প্রদর্শিত হয়।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৮২.
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে-
  1. UNICEF
  2. UNESCO
  3. UNCTAD
  4. UNDP
ব্যাখ্যা

UNESCO: 
- ইউনেস্কো (UNESCO) হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা। 
- ইউনেস্কোর সংবিধান ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান কার্যকর হয়।
- ইউনেস্কোর সদরদপ্তর প্যারিস, ফ্রান্সে অবস্থিত। 
- এই সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে থাকে। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোর সদস্যপদ অর্জন করে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- বিশ্বব্যাপী ১৯৪টি দেশ ইউনেস্কোর সদস্য। 
- ইউনেস্কোর বর্তমান মহাপরিচালক হলেন আদ্রে আজুলে। 
- মাতৃভাষা দিবস ছাড়াও, ইউনেস্কো বাংলাদেশের পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবনকেও বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।

৭৮৩.
'মজলুম জননেতা' হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ. কে. ফজলুল হক
  3. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ
ব্যাখ্যা

মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- রাজনীতিবিদ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নামের আগে বিশেষণ হল ‘মজলুম জননেতা’।
- আব্দুল হামিদ ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উদার ও আদর্শ দরিদ্র, ভদ্রলোক হাজী শরাফত আলী ছিলেন তাঁর পিতা।
- হামিদ খানের বয়স ছয় বছর হলে পিতার মৃত্যু হয়।
- হামিদের বয়স যখন এগারো বছর তখন তার মায়ের মৃত্যু হয়।
- চাচার অনুগ্রহে মাদ্রাসায় ভর্তি হলেও লাঠি খেলা, গান গাওয়া, বক্তৃতা নকল করা ইত্যাদি গুণের কারণে দ্রুত তার কিছু গুণগ্রাহী
জুটে যায়।
- ব্রিটিশ রাজত্বের বিরুদ্ধে এই যুবকের মনোভাবে শঙ্কিত জমিদারদের সম্ভাব্য অনিষ্ট হতে রক্ষার জন্য স্নেহশীল শিক্ষক মাওলানা আব্দুল বাকি তাকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পাঠিয়ে দিলেন।
- প্রাথমিকভাবে মুসলিম আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে যুক্ত ছিলেন; পরে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন।
- ১৯৫৬ সালে কাগমারী সম্মেলনে মতপার্থক্যের কারণে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।
- পদত্যাগের পর ন্যাপ (ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রগতিশীল, মানবতাবাদী ও মুক্ত চিন্তাধারার অধিকারী ছিলেন।

উৎস: এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 

৭৮৪.
দারিদ্র্য বিমোচন এবং দরিদ্রদের ক্ষমতায়নে অবদানের জন্য ব্রিটিশ ক্রাউন কর্তৃক কোন বাংলাদেশীকে নাইট উপাধি দেওয়া হয়েছিল?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  3. আনোয়ারা বেগম
  4. ড. ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস চেয়ার স্যার ফজলে হাসান আবেদ।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর মারা যান।

⇒ স্যার ফজলে হাসান আবেদ শরণার্থীদের সহায়তায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় ‘ব্র্যাক’ গড়ে তোলেন।
- দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন ঘটানো ছিল প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।

⇒ ২০১০ সালে তিনি ব্রিটেনের সম্মানজনক নাইট উপাধিতে ভূষিত হন।
- ফজলে হাসান আবেদই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে প্রথম নাইট উপাধিতে ভূষিত হন। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছ থেকে গ্রহণ করেন নাইট কমান্ডার অব দ্য মোস্ট ডিসটিঙ্গুইসড অর্ডার অব সেন্ট মাইকেল অ্যান্ড সেন্ট জর্জ।
- বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার বেশ কটি দেশে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবাধিকার ও সামাজিক উন্নয়নে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য চার দশক ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ায় তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এছাড়াও,
- সমাজসেবায় গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্যার ফজলে হাসান আবেদ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারে (মরণোত্তর) ভূষিত হয়েছেন।

উৎস: BRAC ওয়েবসাইট।
৭৮৫.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত সাধারণত কোথায় হয়ে থাকে?
  1. বায়তুল মোকাররম, ঢাকা
  2. জাতীয় ঈদগাহ, ঢাকা
  3. শোলাকিয়া, কিশোরগঞ্জ
  4. শাহ মাখদুম মসজিদ, রাজশাহী
ব্যাখ্যা
দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত:
পূর্বে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ-তে অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমানে দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
অপশনে যেহেতু গোর-এ-শহীদ, দিনাজপুর নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে শোলাকিয়া, কিশোরগঞ্জ রাখা হয়েছে। 
---------------------

গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ:
- দিনাজপুরে গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ মাঠের আয়তন ২২ একর।
- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে ছোট পরিসরে এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ২০১৫ সালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে এই ঈদগাহ মিনারটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- ২০১৭ সালে মিনার নির্মাণের কাজ শেষ হয়। ওই বছর প্রথম বড় পরিসরে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

শোলাকিয়া ঈদগাহ:
- এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদগাহ হিসেবে শোলাকিয়া ঈদগাহ সর্বজন বিদিত।
- এ ঈদগাহে ঈদের জামায়েতে প্রায় দু’লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীগণ পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করে থাকেন।
- কথিত আছে যে, বহু বছর আগে এই ঈদগাহের একটি জামাতে সোয়ালাখ মুসুল্লীর সমাগম ঘটেছিল। এ সোয়ালাখ শব্দটিই পরবর্তীতে ‘শোলাকিয়া ঈদগাহ’ নামে পরিচিত হয়ে উঠে।
- কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্বপ্রান্তে প্রায় ৬.৬১ একর জমিতে এটি অবস্থিত। 

উৎস: কিশোরগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট, প্রথম আলো, ও বাসস (৩১ মার্চ ২০২৫)।
৭৮৬.
নিম্নের কোন ব্যক্তি 'সি টু সামিট'-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরিন
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. বাবর আলী
  4. মুসা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা

ইকরামুল হাসান শাকিল সি টু সামিট'-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

৭৮৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম নির্মাণ করা হবে? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. কুমিল্লা
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম: 
- বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম (এআই পাওয়ার্ড ভিলেজ) নির্মাণ করা হচ্ছে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার কৈলাইন গ্রামে।
- প্রকল্পটি ক্ষমতায়ন, উদ্ভাবন ও প্রবৃদ্ধি—এই তিনটি মূলনীতিকে সামনে রেখে বাস্তবায়ন করা হবে।
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর আর্থিক সহায়তায় এবং যুক্তরাজ্যের ডি-রেডি ও বাংলাদেশের এআইআইটি সংস্থার প্রযুক্তিগত সহায়তায় এটি গড়ে তোলা হচ্ছে।
- এই গ্রামে দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি দল গঠন করা হবে।
- ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ২০ জন মেধাবী শিক্ষার্থী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ২০ জন সদস্য এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
- প্রকল্পটির মূল উদ্যোক্তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ ড. আলমগীর হোসেন, তিনি এই গ্রামেরই বাসিন্দা।

সূত্র: সূত্র: প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ। 

৭৮৮.
দেশের প্রথম তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. রিউমার স্ক্যানার বাংলাদেশ
  2. ফ্যাক্টওয়াচ
  3. হিউম্যান ওয়াচ
  4. ফ্যাক্ট চেকিং বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্টওয়াচ: 
- দেশের প্রথম তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে ফ্যাক্টওয়াচ। (TBS, ৯ মার্চ ২০২১)
- পয়েন্টার ইনস্টিটিউট অফ জার্নালিজমের অঙ্গ সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট-চেকিং নেটওয়ার্ক (আইএফসিএন) এই স্বীকৃতি দিয়েছে তাদের।
- ফ্যাক্টওয়াচ প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৭ সালে, ঢাকাস্থ আমেরিকান সেন্টারের প্রাথমিক অর্থায়নে।
- বর্তমানে এটি ইউল্যাবের গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ক্রিটিকাল এন্ড কোয়ালিটেটিভ স্টাডিজ থেকে পরিচালিত হচ্ছে।
- এর নেতৃত্বে আছেন ইউল্যাবের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক কবি ও লেখক সুমন রহমান।

রিউমার স্ক্যানার বাংলাদেশ: 
- ফ্যাক্ট চেকিং বা তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে রিউমার স্ক্যানার বাংলাদেশ।
- দেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা এ স্বীকৃতি পেয়েছে।
- পয়েন্টার ইনস্টিটিউট অব জার্নালিজমের অঙ্গসংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট চেকিং নেটওয়ার্ক (আইএফসিএন) ২০২১ সালের ২৮ জুলাই তাদের এ স্বীকৃতি প্রদান করেছে।

আইএফসিএন এর স্বীকৃতি: 
- বিশ্বব্যাপী স্বাধীন ও মানসম্মত তথ্য যাচাই কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে পয়েন্টার ইনস্টিটিউটের অঙ্গসংগঠন আইএফসিএন পাঁচটি মূলনীতির ভিত্তিতে কোনো তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে।
- এগুলো হচ্ছে নিরপেক্ষতা ও ন্যায্যতা, তথ্যের উৎসের গুণগতমান ও স্বচ্ছতা, অর্থায়ন ও সংস্থার স্বচ্ছতা, যাচাইপদ্ধতির মান ও স্বচ্ছতা এবং উন্মুক্ত ও সৎ সংশোধন নীতি।
- এই ৫টি মূলনীতি ও ৩১টি মানদণ্ড মেনে চললে আইএফসিএন স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: প্রথম আলো (২ আগস্ট ২০২১)
The Business Standard ( ৯ মার্চ ২০২১) ।
৭৮৯.
দেশে প্রথমবারের মতো ‘.বাংলা’ ডোমেইনে ই-মেইল ব্যবহার চালু হয়েছে কবে?
  1. ১৫ এপ্রিল, ২০২৫
  2. ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
  3. ২০ এপ্রিল, ২০২৫
  4. ২২ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা
‘.বাংলা’ ডোমেইনে ই-মেইল ব্যবহার:
- দেশে প্রথমবারের মতো ১৫ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ‘.বাংলা’ ডোমেইনে ই-মেইল ব্যবহার চালু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
- ইউনিভার্সেল অ্যাকসেপ্টেন্স (ইউএ) ডে-২০২৫ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে ‘বিটিআরসি.বাংলা’ ডোমেইনে কমিশনের ওয়েবসাইট ও ই-মেইল অ্যাপ্লিকেশন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী।
- এখন থেকে ই-মেইল ঠিকানায় ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ভাষাও ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
- যা ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও মাতৃভাষার ডিজিটাল ব্যবহারকে আরও সম্প্রসারিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
- বিটিআরসির উপপরিচালক ড. শামসুজ্জোহা জানান, ২০২৬ সাল থেকে নতুন করে টপ লেভেল ডোমেইন বরাদ্দ শুরু হবে।
- এতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বড় ধরনের সুযোগ পাবেন।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৭৯০.
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের কোন দেশটি সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. চিলি
  2. ব্রাজিল
  3. আর্জেন্টিনা
  4. ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা
স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- প্রথম আরব দেশ: ইরাক (৮ জুলাই, ১৯৭২)।
- ইরান: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য:
- প্রথম মুসলিম দেশ ও প্রথম আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশ: মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ: পূর্ব-জার্মানি (১১ জানুয়ারি, ১৯৭২)।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে প্রথম: ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ব্রাজিল: ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা: ২৫ মে ১৯৭২।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- ফ্রান্স: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৭৯১.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- স্বাধীনতার পর ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- একই অধিবেশনে একই দিন ১৩৭তম সদস্য হিসেবে গ্রানাডা এবং ১৩৮তম সদস্য হিসেবে গিনি বিসাউ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
-  জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৮ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছে।
- আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে। 

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইত্তেফাক।

৭৯২.
বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর কোনটি?
  1. ১১১
  2. ৩৩৩
  3. ৯৯৯
  4. ১২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর:
- বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর হলো ৯৯৯ ।
- যেকোনো দুর্ঘটনার মুখোমুখি হলে জরুরি সেবা পেতে দেশের যেকোনো স্থান থেকে যে কেউ এই নম্বরে ফোন করতে পারেন।
- বাংলাদেশ পুলিশের অধীন এই কল সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে।
- এই নম্বরে ফোন করে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা কিংবা এ-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।
- দিন–রাত ২৪ ঘণ্টা এ কল সেন্টার চালু থাকে।
- যেকোনো ফোন থেকে বিনা মূল্যে ৯৯৯ নম্বরে কল করা যায়।

উৎস: প্রথম আলো (১১ আগস্ট ২০২৪)
৭৯৩.
বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ছিলেন কে?
  1. মাওলানা আঁকরাম খাঁ
  2. মুহম্মদ এনামুল হক
  3. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
  4. প্রফেসর মযহারুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- মুহম্মদ এনামুল হক ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ সালে ঢাকার বর্ধমান হাউসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ছিলেন মুহম্মদ এনামুল হক,
- তিনি ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি ছিলেন মাওলানা আঁকরাম খাঁ।
- বর্তমানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৭৯৪.
Making of a Nation Bangladesh' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কামাল হোসেন
  2. এস.এ. করিম
  3. নুরুল ইসলাম
  4. আনিসুর রহমান
ব্যাখ্যা
◉ Making of a Nation Bangladesh' গ্রন্থের রচয়িতা নুরুল ইসলাম।

নুরুল ইসলাম:
- প্রফেসর নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং লেখক।
- নুরুল ইসলাম জন্মেছিলেন ১৯২৯ সনের ১লা এপ্রিল।

উল্লেখ্য,
- নুরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
- তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ক্যাম্পেইন করেন।
- এছাড়া, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ‘মুজিবনগর সরকার’ কর্তৃক গঠিত পরিকল্পনা কমিশনের তিনি অন্যতম সদস্য ছিলেন।
- স্বাধীনতার পর তিনি পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। 
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম স্থাীয়ভাবে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান।

⇒ নুরুল ইসলাম মোট ২৯টি বই লিখেছেন:
- Corruption, Its Control and Drivers of Change, India, Pakistan, Bangladesh: A Primer on Political History, Development Planning in Bangladesh: A Studz in Political Economy (UPL, 1979, reprint 1993), Development Strategy of Bangladesh (Pergamon, 1978), Foodgrain Price Stabilization in Developing Countries: Issues and Experiences in Asia (IFPRI, 1996), Exploration in Development Issues: Selected Articles of Nurul Islam (Ashgate, 2003) and Making of a Nation-Bangladesh: An Ecnomist Tale (UPD 2003) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

উৎস: i) Rokomari.com
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৭৯৫.
বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) করতে যাচ্ছে?[জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. নেপাল
  2. জাপান
  3. চীন
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

• জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (ইপিএ):
- জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (ইপিএ) খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। 
- ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সালে জাপানের সঙ্গে ইপিএ স্বাক্ষর করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান।
- অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি বা ইপিএ হলো দুই দেশের মধ্যে একটি মুক্তবাণিজ্য এলাকা বা এফটিএ তৈরির পরিকল্পনা।
- মুক্তবাণিজ্য এলাকায় বিভিন্ন বাণিজ্যে বাধা, আমদানি কোটা, শুল্ক কমাতে এবং একে অন্যের সঙ্গে পণ্য ও পরিষেবার বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য - এ ধরনের চুক্তি দুটি দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখে।

 উৎস: প্রথম আলো।

৭৯৬.
নিচের কোনটি 'নায়েম' এর কাজ?
  1. পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা
  2. শিক্ষার উৎকর্ষ সাধন
  3. প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম
  4. সম্প্রসারণ কার্যক্রম চালানো
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম):
- NAEM এর পূর্ণরূপ National Academy for Educational Management.
- জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা।
- শিক্ষাক্ষেত্রে পরিকল্পনা, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও গবেষণার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নায়েম প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৯৭.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয় কোন সংস্থার মাধ্যমে?
  1. United Nations Convention on the Law of the Sea
  2. International Court of Justice
  3. Permanent Court of Arbitration
  4. International Tribunal for the Law of the Sea
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- ২০১২ সালে সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সমুদ্রের ৮০ হাজার বর্গকিলোমিটার বিরোধপূর্ণ এলাকার মধ্যে ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার পেয়েছে বাংলাদেশ।
- সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালত বাংলাদেশকে বঙ্গোপসাগরের ৬৮৫ বর্গকিলোমিটার একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এর বাইরে মহীসোপানে প্রবেশেরও সুযোগ দেয়।
- ২০১৪ সালে জাতিসংঘের স্থায়ী সালিসি আদালতে ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটার সাগর এলাকার মধ্যে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দুটি আদালতই রায় দিয়েছেন 'ন্যায্যতার (ইকুইটি)' ভিত্তিতে।

⇒ বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (International Tribunal for the Law of the Sea- ITLOS) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও ITLOS ওয়েবসাইট।
৭৯৮.
বিখ্যাত কার্টুন ‘টোকাই’-এর চিত্রশিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. মর্তুজা বশীর
  3. রফিকুন নবী
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত কার্টুন ‘টোকাই’:
- টোকাই বলতে এখন আমরা হতদরিদ্র পথশিশুদের বুঝে থাকি। ছিন্নবস্ত্র পরিহিত অর্ধনগ্ন টোকাইরা শহর এলাকায় বাস করে।
- বিখ্যাত কার্টুনিস্ট রফিকুন নবী (রনবী) কার্টুন চরিত্র টোকাই থেকে পথশিশুদের এই টোকাই পরিচিতি গড়ে ওঠে।
- ১৯৭৮ সালে 'সাপ্তাহিক বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রথম টোকাই চরিত্রটি আত্মপ্রকাশ করে।

⇒ বিখ্যাত কার্টুনিস্ট রফিকুন নবী (রনবী) এ রকম একটি কার্টুন চরিত্র তৈরির প্রথম চিন্তা করেন ষাটের দশকে।
- ফুটপাতের ধারে, আবর্জনার স্তূপের পাশে বা পড়ে থাকা বড় পাইপের ভেতরে রনবী লুঙ্গি পরিহিত টোকাই চরিত্রটি আঁকেন।
- এই টোকাইদের মাধ্যমে তিনি সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরেন।
- এই চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয়তা অর্জন করে যে পরবর্তী সময়ে অতিদরিদ্র, বস্তি, ফুটপাত, রেলস্টেশন প্রভৃতি স্থানে বসবাসকারী শিশুদের টোকাই হিসেবে ডাকা শুরু হয়।
- এই টোকাইরা বৈষম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ফলে সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য,
- শিল্পী রফিকুন নবী চিত্রশিল্পী, কার্টুনিস্ট, শিল্পসমালোচক, ঔপন্যাসিক, শিশুসাহিত্যিক, চিত্রকলার শিক্ষক। বহুমুখী প্রতিভার এই শিল্পীর জন্ম ২৮ নভেম্বর ১৯৪৩, রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। শিল্পকলায় অনন্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বেসামরিক পুরষ্কার একুশে পদকে ভূষিত হন। এছাড়াও পেয়েছেন চারুকলায় জাতীয় সম্মাননা শিল্পকলা একাডেমি পুরষ্কার, অগ্রণী ব্যাংক সাহিত্য পুরষ্কার, বুক কভার ডিজাইনের জন্য ১৩ বার ন্যাশনাল একাডেমি পুরষ্কার অর্জন করেছেন

উৎস: i) The Business Standard.
ii) কালের কন্ঠ।
৭৯৯.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন -
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. নামজা আক্তার
  3. নিশাত মজুমদার
  4. নিগার সুলতানা
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
৮০০.
শেখ জামাল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কোন পদে কর্মরত ছিলেন?
  1. সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট
  2. মেজর জেনারেল
  3. কর্ণেল
  4. লেফটেন্যান্ট জেনারেল
ব্যাখ্যা
শেখ জামাল  
- ১৯৫৪ সালের ২৮ এপ্রিল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ জামাল।
- ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক এবং ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন করেন তিনি।
- শেখ জামাল ছিলেন লং কোর্সের প্রথম ব্যাচের কমিশন্ড অফিসার।
- ১৯৭৪ সালে শেখ জামাল যুগোস্লাভিয়ার মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে ক্যাডেট হিসেবে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন।
- এরপর ব্রিটেনের স্যান্ডহার্স্ট অ্যাকাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে ঢাকা সেনানিবাসে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে যোগদান করেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে শেখ জামালও গৃহবন্দি হন। পরে সেখান থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট রাতে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে শেখ জামালকেও হত্যা করে ঘাতকরা।

সূত্র- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।