বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

মোট প্রশ্ন৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

PrepBank · পাতা / · ৪০১৫০০ / ৮৩২

৪০১.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪০২.
কোন দেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ক্রিকেটে জয়লাভ করে?
  1. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. ভারত
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টেস্ট জয় পায়।
- এর আগে, ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা অর্জন করে এবং
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।
৪০৩.
কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গ কে জয় করেছেন?
  1. তানভীর আহমেদ
  2. বাবর আলী
  3. এম এ মুহিত
  4. তৌফিক আহমেদ তমাল
ব্যাখ্যা

মানাসলু পর্বত জয়:
- মানাসলু পর্বত পশ্চিম-মধ্য নেপালের নেপালি হিমালয়ের অংশ মানসিরি হিমালে অবস্থিত।
- উচ্চতায় ৮ম হলেও বিশ্বের প্রাণঘাতী পর্বতগুলোর মধ্যে এর অবস্থান চতুর্থ।
- এটি পৃথিবীর অষ্টম উচ্চতম পর্বত যার উচ্চতা ৮,১৬৩ মিটার/ ২৬,৭৮১ ফুট। 

⇒ কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গ জয় করেছেন বাবর আলী।  ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন বাবর। শিখরে বাবরের সঙ্গে ছিল দীর্ঘদিনের পর্বতসাথী বীরে তামাং।
- বাবর আলীর পাশপাশি এদিন ‘মানাসলু’ জয় করেছেন বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদ। বাবর আলী ও তানভীর আহমেদ দুজনই পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের সদস্য। তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম  ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’।
 - ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভোর ৪টায় তৌফিক আহমেদ তমাল মানাসলু পর্বত জয় করেন।
- ২০১১ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এ মুহিত।

উৎস: প্রথম আলো।

৪০৪.
২য় বারের মতো আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫ এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. খালেদা একরাম
  2. আহসান আলী
  3. মেরিনা তাবাশ্যুম
  4. এনামুল করিম নির্ঝর
ব্যাখ্যা

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। 
- মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫ এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
মেরিনা তাবাশ্যুম বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন এবং ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন।
- এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে।
- এ পুরস্কারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটি স্থাপনা মানুষের আর্থসামাজিক চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক জীবনে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, তা-ও গুরুত্বসহকারে দেখা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৪০৫.
Which of the following is not the artworks of Quamrul Hassan?
  1. Nabanna
  2. Bengal famine of 1943
  3. Tin Kanya
  4. These animals have to be killed
  5. Naior
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- তার কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ হলো: গুন টানা, দ্য হ্যাপি রিটার্ন, বিরল, নবান্ন, গোরুর স্নান ইত্যাদি।

⇒ চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

⇒ শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
৪০৬.
২০২৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের “World’s Greatest Places” তালিকায় বাংলাদেশের কোন স্থাপনাটি স্থান পায়?
  1. পদ্মা সেতু
  2. জেবুন নেসা মসজিদ
  3. পুঠিয়া রাজবাড়ী
  4. কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের “World’s Greatest Places” তালিকায়  স্থান পায়, বাংলাদেশের সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকার জেবুন নেসা মসজিদ।
- মসজিদটির স্থপতি সায়কা ইকবাল মেঘনা ।
-  মনোলিথিক গঠনে তৈরি এই মসজিদটিকে 'ব্রিদিং প্যাভিলিয়ন' হিসেবে নকশা করা হয়েছে।
- এতে রয়েছে প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবস্থা।

উৎস: প্রথম আলো। 

৪০৭.
নিচের কোনটি কামরুল হাসানের শিল্পকর্ম নয়?
  1. নাইওর
  2. দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা
  3. এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে
  4. রায়বেশে নৃত্য
ব্যাখ্যা
দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:

- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়াতে (বর্তমান নেত্রকোণা) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ অর্জন করেন এবং ১৯৭১ সালে সেটি বর্জন করেন।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে 'শিল্পাচার্য' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ) সম্মান লাভ করেন।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে আঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে ১৯৪৩ সালে মহামারী দুর্ভিক্ষ আঘাত হানে বাংলায়।
- এই দুর্ভিক্ষই জয়নুল আবেদিনকে প্রকৃতি আর নিসর্গ শিল্পী থেকে রূপান্তরিত করে এক বিদ্রোহী শিল্পীতে।
- বাংলার দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে তুলির টানে এঁকে গেছেন একের পর এক দুর্দান্ত ছবি।
- চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা এগুলি মানুষের দুর্দশা, কষ্ট ও প্রতিবাদকে সামনে এনে বাস্তবধর্মী চিত্র অঙ্কনে তাঁর স্বকীয়তাকে বিকশিত করে।
- ‘দুর্ভিক্ষ’ শিরোনামের সেই চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত হন এই পথকৃৎ শিল্পী।

⇔ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৪০৮.
বর্তমানে SPARRSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. পরিবেশ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
 - সাভারে অবস্থিত ১ টি আঞ্চলিক দূর অনুধাবন কেন্দ্রের (RRSC) সমন্বয়ে স্পারসোর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)।
৪০৯.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নাম কী ছিল?
  1. ঢাকা বেতার কেন্দ্র
  2. রেডিও পাকিস্তান ঢাকা
  3. বেতার ভবন ঢাকা
  4. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪১০.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ- 
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. ভুটান
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

-  পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক বলেছেন, ভুটানই বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল।
​-  ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি তারবার্তার মাধ্যমে দেশটি বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল।

​​বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দেশ:
​- ভুটান স্বীকৃতি দেয় : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।( ভারতের কয়েক ঘন্টা আগে)
- ভারত স্বীকৃতি দেয় : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম: সেনেগাল।
- সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- ইরাক স্বীকৃতি ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- ইরান স্বীকৃতি দেয় : ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- মিয়ানমার স্বীকৃতি দেয় : ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২।
- নেপাল স্বীকৃতি দেয় : ১৬ জানুয়ারি ১৯৭২।

উৎস: MOFA ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

৪১১.
বর্তমানে বিদেশে বাংলাদেশের কয়টি কূটনৈতিক মিশন আছে?[ নভেম্বর,২০২৫]
  1. ৮১টি
  2. ৫১টি
  3. ৫২টি
  4. ৬২টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বর্তমানে ৮১টি বিদেশি কূটনৈতিক মিশন পরিচালনা করছে।

• কূটনৈতিক মিশন:

- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিদেশে অবস্থান করা বাংলাদেশিরাও দেশের জন্য লড়াই করেছেন।
- নয়াদিল্লি, কলকাতা, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডন বিশ্বের এই ৫টি বড় শহরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কূটনীতিকরা দেশের পক্ষে বিদেশি জনমত গঠনে কাজ করেছিলেন।
- একাত্তরের ওই সময়ে  কূটনীতিকরাও দেশের পক্ষে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন খোলা হয়।
- ওই সময়ে কলকাতার উপ হাইকমিশনার মো. হোসেন আলী এবং তৃতীয় সচিব আনোয়ারুল করিম চৌধুরী বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে কলকাতার পাকিস্তান হাইকমিশনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং হাইকমিশনটিকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন হিসেবে ঘোষণা দেন।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৪১২.
ফ্রিডম হাউসের ইন্টারনেট স্বাধীনতা সূচক- ২০২৫ এ বাংলাদেশের স্কোর কত?
  1. ৪০
  2. ৪৫
  3. ৫৫
  4. ৬০
ব্যাখ্যা

ন্টারনেট স্বাধীনতা প্রতিবেদন- ২০২৫:
শিরোনাম: Freedom on the Net 2025.
প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর, ২০২৫। 
প্রকাশক: ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম হাউস।
অন্তর্ভুক্ত দেশ: ৭২টি। 

প্রতিবেদনে স্কোর অনুযায়ী-
- শীর্ষ দেশ: আইসল্যান্ড।
- সর্বনিম্ন দেশ: চীন ও মায়ানমার।
- বাংলাদেশের স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৪৫। 

উল্লেখ্য,
- কোনো দেশের স্কোর ৭০-১০০-এর মধ্যে থাকলে সেটিকে ইন্টারনেটে স্বাধীন, ৪০-৬৯-এর মধ্যে থাকলে সেটিকে আংশিক স্বাধীন এবং শূন্য-৩৯-এর মধ্যে থাকলে দেশটি স্বাধীন নয় বলে বিবেচনা করা হয়।
- সেই হিসেবে বাংলাদেশে ইন্টারনেটে নাগরিকদের আংশিক স্বাধীনতা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Freedom on the Net 2025. [link]

৪১৩.
২০২৪ সালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম কী?
  1. কথা
  2. বর্ণ
  3. উচ্চারণ
  4. পূর্ণ
ব্যাখ্যা
• উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্ট:
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম - পূর্ণ।
- অমর একুশের শহিদদের স্মরণে বাংলা ভাষায় নিজেদের তৈরি তিনটি সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট উন্মুক্ত করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)।
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ আগারগাঁওয়ে কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘উচ্চারণ’, ‘কথা’ ও ‘বর্ণ’ সফটওয়্যারসহ ‘পূর্ণ’ নামের বাংলা ফন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।

সূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। 
৪১৪.
২০২৫ সালের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্যারাস্যুটিং প্রদর্শনীতে কতজন প্যারাট্রুপার অংশগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ৫২ জন
  2. ৫৩ জন
  3. ৫৪ জন
  4. ৫৫ জন
ব্যাখ্যা

• সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ব রেকর্ড:
- মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে বাংলাদেশ বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।
- ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর সংলগ্ন প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই প্যারাস্যুটিং প্রদর্শনীতে টিম বাংলাদেশ-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার অংশ নেন।
- স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে তারা জাতীয় পতাকা হাতে আকাশ থেকে অবতরণ করেন।
- এটি বিশ্বের সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, যার মাধ্যমে এই বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
- এই ঐতিহাসিক আয়োজন প্রত্যক্ষ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: ইত্তেফাক প্রতিবেদন।

৪১৫.
২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে -
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় নারী কাবাডি দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ভলিবল দল
ব্যাখ্যা

 'অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫:
- ৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.

৪১৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে দাবায় কতজন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- FIDE (বিশ্ব দাবা সংস্থা) কর্তৃক নির্ধারিত কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে দাবাড়ুরা WIM খেতাব অর্জন করতে পারেন। 

বর্তমানে বাংলাদেশে দাবায় ৪ জন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার (WIM - Woman International Master) রয়েছেন। তারা হলেন:
- রাণী হামিদ;
- শামীমা সুলতানা;
- শিরিন সুলতানা;
- ওয়াদিফা আহমেদ (সর্বশেষ WIM উপাধি অর্জনকারী)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৫ সালে প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন রাণী হামিদ।
- সম্প্রতি, শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় অনুষ্ঠিত এশিয়ান জোনাল দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশের দাবাড়ু ওয়াদিফা আহমেদ। এ নিয়ে চতুর্থ মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার পেল বাংলাদেশ।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৪১৭.
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. তেল
  3. কয়লা
  4. চুনাপাথর
ব্যাখ্যা

• প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে। ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের নতুন গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম)।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং পেট্রোবাংলা।

৪১৮.
দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু' হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করেন কে?
  1. আমিনা খাতুন
  2. ফরিদা খাতুন
  3. মেরিনা খাতুন
  4. আছিয়া খাতুন
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু:
- দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু' হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করেন মেরিনা খাতুন।

উল্লেখ্য,
- সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত পচি বেগমের সন্তান মেরিনা খাতুন।
- ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মেরিনা খাতুন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ‘যুদ্ধশিশু’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চেয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন।
- তাঁর মা পচি বেওয়াকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ জুলাই বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- তাঁর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নম্বর ২০৫।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান।

এছাড়াও,
- যুদ্ধশিশু মেরিনার কোথাও পিতার নাম লেখার প্রয়োজন হবে না।
- পিতার নাম ছাড়াই তিনি রাষ্ট্রের সব সুবিধা বা অধিকার ভোগ করতে পারবেন।
- বীরাঙ্গনার সন্তানেরাই এখন থেকে যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাবেন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) ১৪ জুলাই ২০২৪, প্রথম আলো।
৪১৯.
BTRC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Telephone and Regulatory Commission
  2. Bangladesh Telecom Regulatory Commission
  3. Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  4. Bangladesh Telephone Regulatory Commission
ব্যাখ্যা

BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
- Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন।
- এটি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - BTRC ওয়েবসাইট।

৪২০.
তারেক রহমান ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?
  1. ১১তম
  2. ১৩তম
  3. ১২তম
  4. ১০ম
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান:
- তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী।
- ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) হয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার পর ছেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

• বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। এর পর একে একে শেখ মুজিবুর রহমান, মুহাম্মদ মনসুর আলী, শাহ আজিজুর রহমান, আতাউর রহমান খান, মিজানুর রহমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, কাজী জাফর আহমেদ, বেগম খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, এর মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া দু’বার এবং শেখ হাসিনা ৫ বার প্রধানমন্ত্রী হন।

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে বিজয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। 
- ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

৪২১.
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ২৮ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ৭ মে, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
⇒ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল।

বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভ:
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
৪২২.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কে 'দ্য হেগ অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেছেন?
  1. শেখ হাসিনা
  2. নাসরিন সুলতানা
  3. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া
  4. ফেরদৌসী কাদরী
ব্যাখ্যা
দ্য হেগ অ্যাওয়ার্ড:
- ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকে OPCW কনভেনশনের উদ্দেশ্যগুলোর সাথে সম্পর্কিত বিশ্বজুড়ে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাঁদের স্বতন্ত্র কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া ‘OPCW-The Hague Award’ এ ভূষিত হয়েছেন।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া  এ পুরস্কার অর্জন করেন।
- রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থার (OPCW) মহাপরিচালক, রাষ্ট্রদূত ফার্নান্দো আরিয়াস এবং ডাচ সরকারের পক্ষে রাষ্ট্রদূত হেঙ্ক ভ্যান ডার কোয়াস্ট, OPCW-এর ২৮তম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যৌথভাবে তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
- এবছর OPCW-The Hague Award এর সহ-প্রাপক ছিলেন আফ্রিকান সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির পরিচালক হুবার্ট কে ফয় এবং সুইজারল্যান্ডের স্পিজ ল্যাবরেটরি।
- ড. রাজিয়াকে বাংলাদেশে রাসায়ানিক সুরক্ষা এবং সুরক্ষার উন্নয়নে অবদান এবং এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য হিসেবে তাঁর ভূমিকার জন্য এ স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
- তিনি OPCW-এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বোর্ডে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন এবং ‘রাসায়নিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব সুরক্ষিত’ করার জন্য নতুন জ্ঞান সৃজনে অবদান রেখেছেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
৪২৩.
যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
যমুনা রেল সেতু:
- যমুনা সেতু যমুনার নদীর ওপর অবস্থিত রেল সেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যমুনা নদীত রেলসেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে।
- প্রকল্পের নকশা প্রণয়নসহ সেতুর নির্মাণ ব্যয় প্রথমে ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা। পরে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ দেশীয় অর্থায়ন এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) অর্থায়ন করছে ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ। 

উৎস:
i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৪২৪.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নওয়াব আবদুল গনি
  2. খাজা আহসানুল্লাহ
  3. নবাব গাজীউদ্দিন
  4. নবাব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গনি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি কিনে সেটিকে নিজ বাসভবনে রূপান্তর করেন।
- এরপর ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানিকে দিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর ভিত্তিতে নির্মিত হয় আহসান মঞ্জিল।

উল্লেখ্য, 
- এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- প্রাসাদটির নামকরণ করা হয় খাজা আবদুল গনির পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ-র নামে।
- এই ভবনটি ছিল ঢাকার নবাব পরিবারের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। দীর্ঘ সময় ধরে এখান থেকেই পূর্ব বাংলার মুসলমানদের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৪২৫.
সম্প্রতি, যুক্তরাজ্যে 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হন কে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. রুবিনা হামিদ
  2. আবিদা ইসলাম
  3. শারমিন চৌধুরী
  4. শাহীন আনাম
ব্যাখ্যা

উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি পুরস্কার:
- যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হন। 
- ২৯ জুলাই ২০২৫ তাকে লন্ডনে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের পেশাদারিত্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়। 
- লন্ডনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের বিশেষ ফোরাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি সেক্রেটারিয়েট' এই পুরস্কার প্রদান করে। 
- বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'চ্যাম্পিয়ন ফর উইমেন রাইটস রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুয়ালিটি' ক্যাটাগরিতে সম্মাননাটি পান।
- কূটনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি নেটওয়ার্ক গঠন করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

৪২৬.
পবিত্র কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেন?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. ফররুখ আহমদ
  3. ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফের সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন — ভাই গিরীশচন্দ্র সেন।

• গিরিশচন্দ্র সেন:
- নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ধর্মবেত্তা ও অনুবাদক।
- তিনি 'সুলভ সমাচার' ও 'বঙ্গবন্ধু' পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক এবং 'মাসিক মহিলা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর প্রভাবে ১৮৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন।
- কুরআনের বঙ্গানুবাদ বাংলা সাহিত্যে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- সকলের নিকট তিনি ‘ভাই গিরিশচন্দ্র’ নামে পরিচিত ছিলেন।

• তাঁর রচিত কিছু গ্রন্থ:

তাপসমালা:

- গিরিশচন্দ্রের বিখ্যাত গ্রন্থ তাপসমালা।
- এটি ৯৬ জন ওলি-আউলিয়ার জীবনচরিত, যা শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের ফারসি ভাষায় রচিত তায্কেরাতুল আত্তলিয়ার ভাবাদর্শে রচিত।

তত্ত্বরত্নমালা:
- গিরিশচন্দ্রের উল্লেখযোগ্য আরেকটি গ্রন্থ হলো তত্ত্বরত্নমালা।
- এটি শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের মানতেকুত্তায়েব ও মওলানা জালালউদ্দীন রূমীর মসনবী শরীফ নামক প্রখ্যাত ফারসি গ্রন্থদ্বয় থেকে সংকলিত।
- এতে নীতিকথা ও শিক্ষণীয় বিষয় ছোট ছোট গল্পের আকারে রসাত্মকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

 এছাড়াও,
তিনি হাদিস-পূর্ব বিভাগ শিরোনামে মিশ্কাত শরীফের প্রায় অর্ধাংশের অনুবাদ প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪২৭.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত? 
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
• জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত। 
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা — খুলনায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- বর্তমানে দেশে নৌপথে ছোট-বড় ১২৫০০ অধিক সংখ্যক জলযান মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- এই সকল নৌযান তৈরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও ১০০টি স্থানীয় মানের শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড রয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিপইয়ার্ডগুলো বছরে গড়ে ১০০টি জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
- দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০০০০ DWT ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের একটি দীর্ঘ উপকূলীয় সীমারেখা ছাড়াও প্রায় ৭০০টি ছোট-বড় নদী রয়েছে। 
- দেশের তিন-চতুর্থাংশ মালামাল নৌপথে পরিবহন হয়।
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানি শুরু করে। 
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে। 

উৎস: বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪২৮.
'Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment' শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. আনিসুর রহমান
  2. রেহমান সােবহান
  3. নুরুল ইসলাম
  4. রওনক জাহান
ব্যাখ্যা
রেহমান সােবহান:
- অধ্যাপক রেহমান সোবহান বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ৬০ এর দশকে বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
- তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
- তিনি ১৯৯১ সালে তত্ত্ববধায়ক সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন।
- Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment বইটি তাঁর রচিত।
- বইটি ২০১৫ সালে প্রকাশিত।
- - ১৯৬১ থেকে ১৯৭১ এই ১০ বছরে লেখা অধ্যাপক রেহমান সোবহানের নিবন্ধ, কলাম ও সম্পাদকীয় ইত্যাদি নিয়ে গ্রন্থিত বই “ফ্রম টু ইকোনমিস টু টু নেশনস: মাই জার্নি টু বাংলাদেশ”। 

উৎস: সিপিডি ওয়েবসাইট & কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট ।
৪২৯.
‘রেইডার’ শব্দটি কোন খেলার সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ব্যাডমিন্টন
  2. কাবাডি
  3. ফুটবল
  4. রাগবি
ব্যাখ্যা
• কাবাডি:
- পাক ভারত উপমহাদেশে কাবাডি খেলা অতি প্রাচীন।
- বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে হাডুডু নামে এই খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- আঞ্চলিক খেলা হওয়ার কারণে এই খেলার তেমন কোনো বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন ছিল না।
- খেলাধুলার উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে বিভিন্ন ফেডারেশন গঠিত হয়।
- কাবাডি খেলায় দম নিয়ে যে বিপক্ষ খেলোয়ার কোর্টে হানা দেয় তাকে রেইডার বলে।
- তারই প্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৩০.
শিশু কিশোর বিকাশ ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র 'নন্দন কানন' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. অতীশ দিপঙ্কর
  3. শাহ আব্দুল করিম
  4. ফকির লালন শাহ
  5. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
'নন্দন কানন' এর প্রতিষ্ঠাতা - এস এম সুলতান।

এস এম সুলতান: 
- এস এম সুলতান ১০ আগস্ট, ১৯২৩ সালে নড়াইলে জন্মগ্রহন করেন।
- 'শিশুস্বর্গ ও চারুপীঠ' এবং 'নন্দন কানন' এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
- উল্লেখযোগ্য চিত্রশিল্প: হত্যাযজ্ঞ, চর দখল, ধান কাটা।
- তিনি ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পান।
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক 'ম্যান অব দ্য ইয়ার' পদকে ভূষিত হন।
- এশিয়া উইক পত্রিকা তাকে 'ম্যান অব এশিয়া' খেতাব দেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৩১.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৭তম অধিবেশন
  2. ২৯তম অধিবেশন
  3. ৩০তম অধিবেশন
  4. ৩১তম অধিবেশন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

সূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৪৩২.
নিচের কোনটি বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র?
  1. বেঙ্গল গেজেট
  2. দিগদর্শন
  3. সমাচার দর্পণ
  4. বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা
দিগদর্শন
- দিগদর্শন বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক পত্রিকা।
- শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন কর্তৃক প্রকাশিত এবং বিখ্যাত খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক জোশুয়া মার্শম্যান এর পুত্র জন ক্লার্ক মার্শম্যান কর্তৃক সম্পাদিত এটি ছিল মাসিক পত্রিকা।
- দিগ্দর্শনের প্রথম সংখ্যাটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৩৩.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার ১৪শ শতাব্দীর মুসলিম ধর্ম প্রচারক।
- তিনি পুণ্ড্রবর্ধন এবং সন্দ্বীপ ইসলাম প্রচার করেছিলেন।
- কথিত আছে মাছের পিঠে আরোহণ করে তিনি বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন।
- তাই তাকে মাহী সওয়ার বলা হয়।
- পুত্র মানত করে গরু কোরবানি দেয়াড় অপরাধে রাজা পরশুরাম তার বলির আদেশ দেন ।
- এবং তাকে সাহায্য করতেই মাহী সওয়ারের আগমন ঘটে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৩৪.
ইউনেস্কো বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনকে World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা দেয়-
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কি.মি.।

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।

৪৩৫.
ঘাটু গান কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
  1. হাওড় অঞ্চল
  2. উপকূলীয় অঞ্চল
  3. বরেন্দ্র অঞ্চল
  4. ভাটি অঞ্চল
ব্যাখ্যা

ঘাটু গান:
- ঘাটু গান বিলুপ্তপ্রায় এক প্রকার লোকগীতি।
- ঘাটে ঘাটে নৌকা ভিড়িয়ে এ গান গাওয়া হয় বলে এর নাম হয়েছে ‘ঘাটের গান’ বা ‘ঘাটু গান’।
- রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা ও দৈনন্দিন জীবনের বিচিত্র ঘটনা ঘাটু গানের বিষয়বস্তু।
- ঘাটু দলের প্রধান অর্থাৎ মূল গায়েনকে বলে ‘সরকার’।
- ঘাটু গান মূলত ছুকরাভিত্তিক গান।
- বারো থেকে পনেরো বছরের ছেলে ছুকরাকে ঘাটু বানাবার জন্য মেয়েলি চেহারার ছেলেকে ঘাগড়ি বা শাড়ি পড়িয়ে ম্যাচিং করা ব্লাউজ, কানে দুল, দুহাতে রঙিন রুমাল বেঁধে মঞ্চে উঠানো হতো। ঘা
- একটা অল্প বয়সী ছেলেকে মেয়ে সাজিয়ে সহজ নাচের মুদ্রা শিখিয়ে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বাইজির নাচের মতো করে এই অনুষ্ঠান হতো।
- এ গানে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় ঢোল, তবলা, বেহালা, সারিন্দা, মন্দিরা, বাঁশি, করতাল, হারমোনিয়াম প্রভৃতি।
- ঘাটু গানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক গ্রামের জোতদাররা এবং এর প্রধান কর্মী সমকামী যুবকরা।
-  বৃহত্তর সিলেটের আজমিরীগঞ্জের উদয় আচার্য ছিলেন ঘাটু গানের প্রবর্তক।
- তাঁর মাধ্যমে ঘাটু গানের প্রবর্তন হয়। তখন ঘাটু গান গাওয়া হতো পূজা বা অর্চনার মতো একটি পবিত্র মাধ্যম হিসেবে।
- এ গান সুনামগঞ্জ ছাড়াও নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ এবং গোটা হাওড় অঞ্চল ছিল এই গানে আবাসভূমি।বর্তমানে শিক্ষার প্রভাবে এ গানের জনপ্রিয়তা  হ্রাস পেয়েছে।
- বিশেষত বর্ষাকালে হাওর অঞ্চলে ঘাটু গানের আসর বসতো।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) ১৯ এপ্রিল ২০১৯, প্রথম আলো। iii) bd news.

৪৩৬.
'দ্য আর্থশট প্রাইজ, ২০২৫' লাভ করে কোন বাংলাদেশি সংস্থা?
  1. ব্র্যাক
  2. ফ্রেন্ডশিপ এনজিও
  3. জাগো ফাউন্ডেশন
  4. শক্তি ফাউন্ডেশন
ব্যাখ্যা

দ্য আর্থশট প্রাইজ, ২০২৫:
- ২০২৫ সালে প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বের বৃহত্তম পরিবেশ পুরস্কার দ্য আর্থশট প্রাইজ লাভ করে 'ফ্রেন্ডশিপ'। 
- ফিক্স আওয়ার ক্লাইমেট ক্যাটাগরিতে ম্যানগ্রোভ প্রকল্পের জন্য এই পুরষ্কার অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি। 
- ফ্রেন্ডশিপের ম্যানগ্রোভ বনায়ন প্রকল্পে দক্ষিণাঞ্চলে সুন্দরবনের নিকটে ২০০ হেক্টরেরও বেশি এলাকায় ৬ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করা হয়েছে, যেখানে মোট ৬২ কিলোমিটারের বেশি বাঁধ/প্রাকৃতিক প্রতিরোধ-বেষ্টনী গড়ে উঠেছে। 
- এই ম্যানগ্রোভ বন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অভিঘাত থেকে উপকূলীয় গ্রামগুলোকে রক্ষা করছে এবং এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
- ৭ নভেম্বর, ২০২৫ ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরোতে ফ্রেন্ডশিপ-এর পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। 

উল্লেখ্য,
- ২০২০ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের প্রিন্স উইলিয়ামের পক্ষ থেকে দ্য আর্থশট প্রাইজ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৪৩৭.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি হয়েছেন কে?
  1. শিরিন আক্তার
  2. সোমা সাঈদ
  3. ফাহমিদা সুলতানা
  4. সোনিয়া আফরিন
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি:
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউইয়র্কের কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নির্বাচিত হয়েছেন সোমা এস সাঈদ।
- দেড় দশকের বেশি সময় আইন পেশায় যুক্ত থাকার পর ২০২১ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়নে কুইন্স কাউন্টি সিভিল কোর্টের বিচারক নির্বাচিত হন সোমা।
- ২০২২ সালে তাকে নিউ ইয়র্ক কাউন্টি ক্রিমিনাল কোর্টে দায়িত্ব দেওয়া হয়, যেখানে তিনি ২০২৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- এছাড়া তিনি কুইন্স কাউন্টি উইমেনস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম দক্ষিণ এশীয় ও মুসলিম নারী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তথ্যসূত্র- ইত্তেফাক। [link]

৪৩৮.
বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি: 
বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন।
এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।
একাডেমি সূচনায় ছিল একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
১৯৫৭ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমী অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৪৩৯.
ইকরামুল হাসান শাকিল কত তারিখে এভারেস্ট চূড়া জয় করেন?
  1. ১৯ মে, ২০২৫
  2. ২০ মে, ২০২৫
  3. ২২ মে, ২০২৫
  4. ২৩ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
৪৪০.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কত সালে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

৪৪১.
প্রাথমিকভাবে বিআরটি প্রকল্প উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
বিআরটি প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়: ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪।

বিআরটি প্রকল্প:
- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্পোরেশন (বিআরটিসি)র পরিচালনায় বিআরটি প্রকল্পটি নেওয়া হয় ২০১১ সালে।
- চার বছরের মধ্যে আধুনিক জোড়া লাগানো বড় বাস চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। 
- প্রাথমিকভাবে গাজীপুর শিববাড়ি বিআরটি লেনে ১০টি বিআরটিসি এসি বাস দিয়ে প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়।
- উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
- বাসগুলো শিববাড়ী টার্মিনাল থেকে বিআরটি লেনে বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০.৫ কিলোমিটার এবং বিমানবন্দর থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার পথে চলাচল করবে।
- বিআরটি নির্মাণ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাসস।
৪৪২.
পাটের আঁশ হতে পচনশীল পলিমার ব্যাগ তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন-
  1. ড. শামসুল আলম
  2. ড. শহীদুল আলম
  3. ড. শহীদুল হক খান
  4. ড. মোবারক আহমেদ খান
ব্যাখ্যা
সোনালি ব্যাগ:
- প্লাস্টিকের কোন উপকরণ ছাড়াই পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব পলিথিন ব্যাগ।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল কর্পোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি এই ব্যাগের নাম দিয়েছেন ‘সোনালি ব্যাগ’।
 
এছাড়াও,
- ২০০৯ সালে এই বিজ্ঞানী পাটের সঙ্গে পলিমারের মিশ্রণ ঘটিয়ে মজবুত, তাপ বিকিরণরোধী ও সাশ্রয়ী ঢেউটিন ‘জুটিন’ বানান।
- এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি তাঁকে ২০১৫ সালে স্বর্ণপদক দেয়।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান ড. মোবারক আহমদ খান।
 
অন্যদিকে -
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
 
উৎস: প্রথম আলো ও ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৪৩.
কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  4. সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৪৪.
কোন নারী ক্রীড়াবিদ ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪’ অর্জন করেছেন?
  1. নিগার সুলতানা
  2. শারমিন সুলতানা শিরিন
  3. সাবিনা খাতুন
  4. রানী হামিদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নারী ক্রীড়াবিদ রানী হামিদ ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪’ অর্জন করেছেন।

বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:

- ২০২৪ সালে ৪ জন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়।

⇒ সমাজ, নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চার জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
- পারভীন হাসান,
- তাসলিমা আখতার,
- রাণী হামিদ,
- শিরিন পারভিন হক।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
৪৪৫.
জাতীয় সংবাদ সংস্থা 'বাসস' যাত্রা শুরু করে - 
  1. ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে।
- পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপিপি) ঢাকা ব্যুরোকে নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- ঢাকার প্রধান কার্যালয় এবং চট্টগ্রামে একটি ব্যুরো নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিএসএসের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- জাতীয় সংবাদ সংস্থাটির প্রতিনিধিরা দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় নিয়োজিত রয়েছেন।
- সংস্থাটি প্রায় সার্বক্ষণিকভাবে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, উন্নয়নমূলক এবং অন্যান্য খবর প্রায় ৫০টি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়।
- বাসস আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে এবং ভারতের প্রেস ট্রাস্ট (পিটিআই), পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপিপি), চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া, মালয়েশিয়ার বারনামা এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সডাটা সংস্থার সঙ্গে সংবাদ বিনিময় করে।
- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের বাংলা পত্রিকার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।

৪৪৬.
দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে কোথায়? [মে, ২০২৫]
  1. সাভার, ঢাকা
  2. কাপ্তাই, রাঙামাটি
  3. সোনাগাজী, ফেনী
  4. ঘোড়াশাল, নরসিংদী
ব্যাখ্যা
সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- ফেনী জেলার সোনাগাজীতে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতে যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
- প্রায় ৭০০ একর জমিতে ২২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এ প্রকল্পে বাস্তবায়ন করবে ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ (ইজিসিবি)।
- প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা।
- এই প্রকল্পে প্রতি মেগাওয়াট স্থাপনের খরচ আনুমানিক ৯ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা ধরা হয়েছে।
- একনেকের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পটি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।

উল্লেখ্য,
- প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মূল লক্ষ্য হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের হার বাড়িয়ে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে নিশ্চিত করা।
- এছাড়াও, এই প্রকল্প জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা হ্রাস, কার্বন নিঃসরণ কমানো, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জীবনমান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৪৪৭.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন কবে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

তথ্যসূত্র - ইউনূস সেন্টার।
৪৪৮.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন ধারণার জন্য “দরিদ্রদের ব্যাংকার” হিসেবে পরিচিত?
  1. কৃষি ঋণ
  2. ক্রিপ্টোকারেন্সি
  3. ডিজিটাল ব্যাংকিং
  4. মাইক্রোক্রেডিট
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

⇒ বাংলাদেশের (মাইক্রোক্রেডিট) ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া। সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে। প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস দরিদ্র, বিশেষ করে মহিলাদের, জামানত ছাড়াই আয়-উৎপাদনমূলক কাজের জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দারিদ্র্য থেকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
৪৪৯.
কত সালে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম OIC এর শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC এর পূর্ণরূপ Organisation of Islamic Cooperation বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- ১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য ৫৭ টি।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব হিসেইন ব্রাহীম তাহা (১২ তম) ।
- অফিসিয়াল ভাষা ৩ টি: আরবি, ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

উৎস: OIC website.
৪৫০.
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার কে?
  1. সাবিনা খাতুন
  2. রানী হামিদ
  3. তানিয়া সাইদ
  4. শিরিন পারভিন হক
ব্যাখ্যা
• রানী হামিদ সম্পর্কে কিছু তথ্য:
- রানী হামিদ বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার। 
- তিনি ৩ বার ব্রিটিশ মহিলা দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন।
- রানী জাতীয় মহিলা দাবায় চ্যাম্পিয়ন হন ১৮ বার।
- ১৯৮৪ সালে আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশন থেকে 'ফিদে' খেতাব অর্জন করেন। 
- ১৯৮৫ সালে তিনি ফিদে আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।
- সর্বশেষ, কমনওয়েলথ দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১৫ তে স্বর্ণ পদক লাভ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম আবারো উজ্জ্বল করেন তিনি। 

উল্লেখ্য,
তিনি ২০২৪ সালে "বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪" লাভ করেছেন।

উৎস: The Daily Star বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০, যুগান্তর।
৪৫১.
নিম্নের কোন ব্যক্তিত্ব “নাইটহুড” উপাধি প্রাপ্ত?
  1. ড. মুহম্মদ ইউনুস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. আনিসুজ্জামান
  4. আখতার হামিদ খান
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস চেয়ার স্যার ফজলে হাসান আবেদ।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ২০১০ সালে তিনি ব্রিটেনের সম্মানজনক নাইট উপাধিতে ভূষিত হন।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর মারা যান। 

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্যের রানির দেওয়া অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মানজনক উপাধি ‘নাইট’।
- ব্রিটিশ সরকার ১৩৪৮ সাল থেকে ব্রিটিশ রাজতন্ত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য নাইট উপাধি ঘোষণা করে।
- ২০১০ সালে দ্বিতীয় বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এ গৌরবময় উপাধি অর্জন করেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ।
- বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার বেশ কটি দেশে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবাধিকার ও সামাজিক উন্নয়নে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ায় তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

এছাড়াও,
- ২০১৭ সালে ‘নাইট’ উপাধি পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আখলাকুর রহমান চৌধুরী।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি হিসেবে ‘নাইট’ খেতাব পেয়েছিলেন।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৪৫২.
কোন বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত Sears Tower-এর স্থপতি?
  1. ফয়েজ উল্লাহ
  2. এহসান খান
  3. এফ আর খান
  4. রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান একজন স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

⇒ ফজলুর রহমান খান সারা বিশ্বে খ্যাতিলাভ করেছেন পৃথিবীর উচ্চতম (১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত) ইমারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে অবস্থিত Sears Tower (পরবর্তীতে উইলিস টাওয়ার নামে পরিচিত) ডিজাইনার হিসেবে।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক ‘কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার’ মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে মন্তব্য লেখা হয় ‘ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম’।
- ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের সভাপতিও।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

উৎস: The Daily Star Bangla.
৪৫৩.
ড. মুহাম্মদ ইউনুস কোন সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

• ড. মুহাম্মদ ইউনুস : 
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। 
- তিনি ১৯৪০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের একজন শিক্ষক। 
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) এবং 'সামাজিক ব্যবসা' ধারণার প্রবর্তক।
- অধ্যাপক ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। 
- মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির দিক থেকে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয়। 

- তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে' এবং '(Banker to the Poor)।
- তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য বই :
A world of three zeros,
Creating a world unlimited potential ,
Without poverty,
Super happiness,

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

৪৫৪.
২০২৫ সালের বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ১৪৮তম
  2. ১৪৯তম
  3. ১৫০তম
  4. ১৫১তম
ব্যাখ্যা

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক:
- ২০২৫ সালে বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ ১৮০টি দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ১৪৯তম অবস্থান অধিকার করেছে।
- বাংলাদেশ গত বছরের তুলনায় ১৬ ধাপ এগিয়েছে। 
- দেশের প্রাপ্ত স্কোর ৩৩.৭১।
- সূচকটি প্রকাশ করেছে ফ্রান্সভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা Reporters Without Borders (RSF).
- প্রতি বছর ৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে সূচকটি প্রকাশিত হয়।
- এই সূচক তৈরি করা হয় পাঁচটি মূল বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে-
• রাজনীতি,
• অর্থনীতি,
• আইনি সুরক্ষা,
• সামাজিক বিষয় এবং
• নিরাপত্তা।
- ২০২৫ সালে বাংলাদেশ এই পাঁচটি বিষয়ের প্রতিটিতেই উন্নতি করেছে।

উল্লেখ্য,
- সূচকের শীর্ষে অবস্থান করছে নরওয়ে।
- আর সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে ইরিত্রিয়া।
- এই সূচক মূলত দেশের গণমাধ্যম কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তা মূল্যায়ন করে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক] ও Reporters Without Borders Website. 

৪৫৫.
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির ভূমিকা কে লিখেছেন?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
  2. শেখ হাসিনা
  3. শেখ রেহানা
  4. শেখ কামাল
ব্যাখ্যা
অসমাপ্ত আত্মজীবনী:

- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা।
- এই প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিকদের একটি দল।
- বাংলা ভাষা ছাড়াও ইংরেজি ভাষায়ও এই বইয়ের অনুবাদ হয়েছে। বাংলাদেশে এই বই প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
- এছাড়া ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ভারতে পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া থেকে এবং পাকিস্তানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস পাকিস্তান থেকে। এছাড়া পাকিস্তানে উর্দু ভাষাতেও এর অনুবাদ বের হবার কথা রয়েছে।
- ইংরেজিতে এই বইয়ের ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ফকরুল আলম।

তথ্যসূত্র - অসমাপ্ত আত্মজীবনী, দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ই আগস্ট ২০২০ এবং বিবিসি বাংলা, ১৯ জুন ২০১২।
৪৫৬.
কোন জেলায় কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ঢাকা
  2. টাঙ্গাইল
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ঐতিহাসিক সম্মেলন।

কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- কাগমারী সম্মেলন পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সম্মেলনে রূপ নেয়।
- কাগমারী সম্মেলনের মাত্র স্বল্প সময়ের মাথায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৪৫৭.
নিচের চারটি পদের মধ্যে সেনাবাহিনীতে সর্বোচ্চ কোনটি?
  1. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
  2. লেফটেন্যান্ট জেনারেল
  3. মেজর জেনারেল
  4. লেফটেন্যান্ট কর্নেল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর র‍্যাঙ্ক: 
- উল্লিখিত চারটি পদের মধ্যে সেনাবাহিনীতে সর্বোচ্চ পদ লেফটেন্যান্ট জেনারেল।

জেনারেল: 
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ হলো চার তারকা জেনারেল।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হলেন চার তারকা জেনারেল।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল: 
- একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল হলেন একজন তিন তারকা জেনারেল।
- তিনি কখনও কখনও সেনাবাহিনী প্রধানের পিএসও অথবা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পিএসও অথবা ডিজিএফআই-তে মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজেও কমান্ড্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন।

মেজর জেনারেল: 
- একজন মেজর জেনারেলকে ডিভিশন লেভেল বা ARTDOC-তে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- তিনি কিছু সময় সেনাবাহিনী প্রধানের পিএসও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পিএসও, ডিজিএফআই, এসএসএফ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং অন্যান্য কিছু সংস্থার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে কমান্ড্যান্ট এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস ইত্যাদির ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল: 
- একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- তিনি কিছু সময় সেনা সদর দপ্তরের বিভিন্ন অধিদপ্তরে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিছু ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে বিজিবিতে সেক্টর কমান্ডার হিসেবেও নিযুক্ত করা হয়।

কর্নেল: 
- একজন কর্নেলকে ভারপ্রাপ্ত ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- কিছু সময় তিনি ফর্মেশন স্তরে কর্নেল স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিছু কর্নেলকে স্টেশন কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- কিছু কর্নেলকে বিজিবিতে সেক্টর কমান্ডার এবং ডিজিএফআইতে কর্নেল জিএস হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল: 
- তিনি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার।
- কিছু সময় তিনি ফর্মেশন লেভেলে গ্রেড-১ স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি গ্রেড-১ স্টাফ অফিসার, এএ এবং কিউএমজি ইত্যাদি বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিছু অফিসার বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ, ডিজিএফআই, এসএসএফ, এনএসআই, বিটিআরসিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবেও নিযুক্ত আছেন।

উৎস: JOIN BANGLADESH ARMY ওয়েবসাইট।
৪৫৮.
স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিটে কোন ছবি ছিল?
  1. জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  2. লালবাগের কেল্লা
  3. সোনা মসজিদ
  4. শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ডাকটিকিট:
- ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই  স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একযোগে মুজিবনগর, কলকাতার বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রথমবার প্রকাশিত হওয়া ডাকটিকিটের সংখ্যা ছিল ৮টি।
- ডাকটিকিটগুলোর নকশা করেছিলেন প্রবাসী বাঙালি বিমান মল্লিক।
- মুক্তিযুদ্ধ শেষে প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২, প্রকাশিত হয়।
- প্রথম ডাকটিকিটটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত গাঢ় লাল, নীল ও বেগুনী রঙের।
- ১০ পয়সা মূল্যের এই ডাকটিকিটের বার্তা হলো আমাদের ভূখণ্ড এবং দেশের পরিচয় বিশ্বকে জানানো।
- আর ডাকটিকিটে বাংলাদেশের মাঝ বরারর যাওয়া কর্কটক্রান্তি রেখা দেয়া হয়েছে। 

- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে ছিল ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি।
- তারপর বাংলাদেশ ডাকবিভাগ অবিরাম নির্দিষ্ট স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির উপর।
- বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২৯ জুলাই জাতীয় ডাকটিকিট দিবস।  ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই থেকে বাংলাদেশে 'জাতীয় ডাকটিকিট দিবস' পালিত হয়ে আসছে।

উৎস: i) ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। [link]
         ii) জুলাই ২৯, ২০২১, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৪৫৯.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্টের শাসনামলে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. জন এফ কেনেডি
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. বিল ক্লিনটন
  4. জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতদানকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন। 

- সেক্রেটারি অব স্টেট উইলিয়াম রজার্সের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল।
- এছাড়া ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মুখ্য কর্মকর্তা হার্বার্ট স্পাইভ্যাক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের একটি বার্তা হস্তান্তর করেন এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী।
- শেখ মুজিবুর রহমান প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে ৯ এপ্রিল একটি চিঠি পাঠান যাতে তিনি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
- বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং ঢাকায় দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১৮ই মে। 

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস, বাংলাদেশ।

৪৬০.
দারিদ্র বিমোচনে অবদানের জন্য বাংলাদেশের কোন ব্যক্তি 'নাইট' উপাধি পেয়েছেন?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. জাফর উল্লাহ্‌
  4. শাইখ সিরাজ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷
- ফজলে হাসান আবেদ ব্রাক এর প্রতিষ্ঠাতা।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নাগরিক হিসেবে নাইট উপাধিতে সম্মানিত হন বেসরকারী সংগঠন ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ফজলে হাসান আবেদ৷
- দারিদ্র বিমোচন ও দরিদ্র মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য তিনি এই উপাধিতে ভূষিত হন।
- ব্রাক বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।

উৎস: ব্রাক এর ওয়েবসাইট।
৪৬১.
Recently which Bangladeshi summits Mount Everest? [October, 2024]
  1. Muhammed Aziz Khan
  2. Sajal Khaled
  3. Wasfia Nazreen
  4. Babar Ali
  5. Jahir Alam
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ সম্প্রতি বাবর আলী এভারেস্ট জয় করেছেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) ২০ মে, ২০২৪, The Business Standard.
ii) ২৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
৪৬২.
২০২৪ সালে ভারতের বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মশ্রী' পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. আনিসুজ্জামান
  2. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
  3. সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী
  4. ঝর্ণাধারা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪ সালে ভারতের বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মশ্রী' পুরস্কার লাভ করেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।


রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা:
- ভারতের মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।
- সংগীতশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুরের ধারার চেয়ারম্যান রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা রবীন্দ্র সংগীত নিয়ে কয়েকটি বইও লিখেছেন।
- সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার পান তিনি।
- এটি ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- ভারত সরকার ১৯৫৪ সালে পদ্ম পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।

এছাড়াও,
- ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ভারতরত্ন।
- এরপর রয়েছে পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ ও পদ্মশ্রী।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস সামনে রেখে প্রতি বছর পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।
- সাধারণত মার্চ বা এপ্রিলে রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠান করে পুরস্কারগুলো তুলে দেওয়া হয়।
- এর আগে ২০২১ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সন্‌জীদা খাতুন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীককে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করেছিল ভারত সরকার।
- তার আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও কূটনীতিবিদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পেয়েছিলেন। 
- ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পেয়েছিলেন প্রত্নতত্ত্ববিদ এনামুল হক ও সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরী।

উৎস: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
৪৬৩.
বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।

বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি:
- বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।
- এটি জাতীয়ভাবে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- স্বাধীনতার পরপরই এই একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ১৯৭৪ সালে এর প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮২ সালে পোস্টাল একাডেমি রাজশাহীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপে পুনর্গঠিত ও পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরু থেকে একাডেমি প্রায় ৬০০টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করেছে, যেখানে ছয় হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।
- প্রশিক্ষণগুলো পোস্টাল ব্যবস্থাপনা, মানব সম্পদ, আর্থিক ও জনসংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীভূত।

সূত্র: বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি ওয়েবসাইট।

৪৬৪.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. জাতিসংঘ
  2. কমনওয়েলথ
  3. ইসলামী সম্মেলন সংস্থা
  4. জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ই এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে, এটি ছিল কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের প্রথম যোগদান।  

কমনওয়েলথ ও বাংলাদেশ:
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করেছিলো।
- আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ৩৪তম দেশ হিসেবে কমনওয়েলথে যোগ দিয়েছিলো।

অন্যদিকে: 
- জাতিসংঘ (UN): বাংলাদেশ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দেয়।
- ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC): বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোর সম্মেলনে OIC-এ যোগ দেয়।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM): বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ন্যাম-এর সদস্য পদ লাভ করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট, স্ব স্ব ওয়েবসাইট। 

৪৬৫.
মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কার সাথে জড়িত কোন বাঙ্গালি বিজ্ঞানী?
  1. রাজেন্দ্র প্রসাদ
  2. আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
  3. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  4. জগদীশ চন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

◉ মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO₂) আবিষ্কার করেন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়। ১৮৯৫ সালে তাঁর এই আবিষ্কার বিশ্ববিজ্ঞানমহলে আলোড়ন তোলে এবং তাঁকে “মাস্টার অব নাইট্রাইটস” বলা হয়।

প্রফুল্ল চন্দ্র রায়: 

- আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্ম ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট, খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলি গ্রামের জমিদার পরিবারে।
- মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO₂) আবিষ্কার করেন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়।
- তিনি ১৮৯৫ সালে এই যৌগটি আবিষ্কার করেন।
- এটি দেশীয় বিজ্ঞানচর্চার পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত।

উল্লেখ্য, 
- তিনি নিজ বাসভবনে গবেষণা শুরু করে পরে বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই প্রতিষ্ঠান ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম রসায়নভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- তিনি মোট ১২টি যৌগিক লবণ ও ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

৪৬৬.
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয় -
  1. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  4. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
•উপাধি:
- গণআন্দোলনের মুখে আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়। 
- মুক্তির পরদিন ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবর রহমানসহ মামলায় অভিযুক্তদের এক গণসম্বর্ধনা দেয়া হয় এবং শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এরপর থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বা ‘বঙ্গবন্ধু’ নামেই জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
 
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৭.
৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে ইকরামুল হাসান শাকিল মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন কবে?
  1. ১৭ মে, ২০২৫
  2. ১৮ মে, ২০২৫
  3. ১৯ মে, ২০২৫
  4. ২০ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- সম্প্রতি ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন ১৯ মে, ২০২৫ সালে।
- সবচেয়ে কম সময়ে এভারেস্ট চূড়া জয় করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন 'সি টু সামিট', অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশি:
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। (জুন, ২০২৫)
- তাঁরা হলেন:
১ম: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
২য়: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
৩য়: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
৪র্থ: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
৫ম: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে। (সর্বশেষ, জুন, ২০২৫)

উল্লেখ্য:
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৪৬৮.
‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছেন কে?
  1. বাবর আলী
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. এম এ মুহিত 
  4. তৌফিক আহমেদ তমাল
ব্যাখ্যা

সি টু সামিট:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

৪৬৯.
সাকরাইন উৎসব কখন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. বৈশাখ মাসের প্রথম দিন
  2. পৌষ মাসের শেষ দিন
  3. কার্তিক মাসের প্রথম দিন
  4. চৈত্র মাসের শেষ দিন
ব্যাখ্যা
সাকরাইন উৎসব: 
- সাকরাইন উৎসব মূলত পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব।
- প্রতি বছর পৌষ মাসের শেষ দিন (পৌষ সংক্রান্তি) এই উৎসব পালিত হয়।
- ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব বয়সী মানুষ এতে অংশ নেয়।
- সকাল থেকেই ঘুড়ি ওড়ানো শুরু হয়, যা দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে।
- ফানুস ওড়ানো, আতশবাজি ফাটানো, গান-বাজনা ও ডিজে পার্টি আয়োজন হয়।
- অনেক বাড়িতে পিঠা-পুলি, তেহারি, পোলাওসহ নানা খাবার তৈরি হয়।
- উৎসবটি শত বছরের পুরোনো। কেউ কেউ মনে করেন, এটি মুঘল আমল থেকে চলে আসছে।
- পুরান ঢাকার অনেক বাসিন্দা উৎসবের আধুনিক রূপ পছন্দ করেন না।
- তবে অনেকে বলেন, পরিবর্তনে উৎসব আরও রঙিন ও প্রাণবন্ত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা নিউজ। [লিঙ্ক]
৪৭০.
কার প্রচেষ্টায় বিধবা পুনর্বিবাহ আইন পাস হয়?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত
  4. সতীনাথ ভাদুড়ী
ব্যাখ্যা
→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রচেষ্টায় বিধবা পুনর্বিবাহ আইন পাশ করে।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- জন্ম: ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর (১২ আশ্বিন ১২২৭ বঙ্গাব্দ),
- পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে। ​
- পিতার নাম: ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।​
→শিক্ষা জীবন:
- ১৮২৮ সালে কলকাতার পাঠশালায় ভর্তি।
- ১৮২৯ সালে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হন।
- ১৮৩৪ সালে ১৪ বছর বয়সে দীনময়ী দেবীর সঙ্গে বিয়ে।
- ১৮৩৯ সালে হিন্দু ল কমিটির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি লাভ। 
• কর্মজীবন:
- ১৮৪১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান পন্ডিত হিসেবে নিযুক্ত।
- ১৮৫০ সালে সংস্কৃত কলেজের সাহিত্যের অধ্যাপক হন এবং পরবর্তীতে অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। ​
→ সমাজ সংস্কার:
- বাল্যবিবাহের কুফল ও বিধবাদের করুণ জীবন দেখে তিনি সমাজ সংস্কারের পথে এগিয়ে যান।
- ১৮৫৬ সালে তাঁর প্রচেষ্টায় বিধবা পুনর্বিবাহ আইন পাশ করে।

উল্লেখ্য,
- রাজা রামমোহন রায় প্রচেষ্টায় সতীদাহ প্রথা বাতিল হয়।​

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া।
৪৭১.
বাংলাদেশের মেয়েদের মধ্যে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন কে? (জুলাই-২০২৫)
  1. ফারজানা হক
  2. আবিদা সুলতানা
  3. নিগার সুলতানা
  4. রিতু মনি
ব্যাখ্যা
• মেয়েদের ওয়ানডে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেছেন নিগার সুলতানা।
- লাহোরে  বিশ্বকাপ বাছাইয়ে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে  ৭৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক।
- নিগারের ৮০ বলে ১০১ রানের ইনিংস করেন।
- সিটি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন মাঠে  পাওয়া সেঞ্চুরিটি এই সংস্করণে নিগারের প্রথম ও বাংলাদেশের তৃতীয়।
- আগের দুটি সেঞ্চুরিই ফারজানা হকের।
-  ২০২৩ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে ১৫৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ফারজানা হক, সেটিই এত দিন মেয়েদের ওয়ানডে বাংলাদেশের দ্রুততম সেঞ্চুরি ছিল।
- তাঁকে পেছনে ফেলে আজ মেয়েদের ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন নিগার।

উৎস: প্রথম আলো লিংক।
৪৭২.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির কোন পেনশন স্কিমটি দরিদ্র সীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য প্রযোজ্য?
  1. সুরক্ষা
  2. প্রগতি
  3. সমতা
  4. প্রবাস
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি:
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- পেনশন কর্মসূচি চালুর আগে পাঁচটি সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) হয় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের।
- এগুলো হচ্ছে নির্বাচন কমিশন, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, সোনালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড।
- চার শ্রেণির ব্যক্তিদের নিয়ে চারটি পেনশন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

৪টি স্কিম:
• প্রবাস: 
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

• প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

• সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।
- স্কিম ভেদে সর্বনিম্ন মাসিক চাঁদা ১ হাজার টাকা, সর্বোচ্চ চাঁদা ১০ হাজার টাকা।
- সমতা স্কিমে ১ হাজার টাকার মধ্যে চাঁদাদাতা ৫০০ টাকা প্রদান করবেন এবং সরকার থেকে ৫০০ টাকা ভর্তুকি দেয়া হবে। 

উৎস: সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষ।
৪৭৩.
২০১৫ সালে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কয়টি ছিটমহল সংযুক্ত হয়?
  1. ৫১টি
  2. ৭১টি
  3. ১১১টি
  4. ১৩০টি
ব্যাখ্যা
ছিটমহল:
- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
- ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১ আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক।

অন্যদিকে,
- ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলের ৫৯টির অবস্থান ছিল লালমনিরহাটে, পঞ্চগড়ে ৩টি, কুড়িগ্রামে ১২টি ও নীলফামারীতে ৪টি।
- বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের অবস্থান ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এর ৪৭টি কোচবিহার এবং ৪টি জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৭৪.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রথমবার সভাপতিত্ব করে? 
  1. ৩১তম
  2. ৩২তম
  3. ৪১তম
  4. ৪৩তম
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি- হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হুমায়ুন রশিদ চৌধূরী ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু'বার নির্বাচিত হয়,
- প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।

তথ্যসূত্র: UN General Assembly.

৪৭৫.
যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৬.১৫ কিলোমিটার
  2. ৫.৪০ কিলোমিটার
  3. ৪.৮০ কিলোমিটার
  4. ৩.৬০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ শুরু হয়।
- তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় ট্রেনের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়। 
- এ সমস্যা সমাধানে ২০২০ সালের ৩ মার্চ যমুনা নদীর ওপর উজানে আলাদা রেল সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।
- এরই ধারাবাহিকতায় ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর রেলসেতুরটির নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- দেশের বৃহত্তম রেল সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই।
- প্রথমে প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা নির্ধারিত হলেও পরে তা ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন এসেছে দেশীয় উৎস থেকে এবং ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

উল্লেখ্য,
- পরীক্ষামূলক যাত্রা শেষে ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ যমুনা রেলওয়ে সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
- রেলসেতুতে দুটি লাইন আছে। প্রথম পর্যায়ে একটি লাইন দিয়েই উভয় দিকে ট্রেন চলাচল করবে।
- আগামী ১৮ মার্চ, ২০২৫ রেলসেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৪৭৬.
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
  1. ঝিনাইদহ
  2. যশোর
  3. সাতক্ষীরা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- মোহাম্মদ মোস্তফার জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- পারিবারিক বাধার কারণে ১৯৬৭ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে দেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে।
- প্রশিক্ষণ শেষে তাকে নিয়োগ করা হয় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কুমিল্লায়।
- ১৯৭১ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিবেশে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে অভ্যন্তরীণ গোলোযোগ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- পাকিস্তানি চক্রান্ত বুঝতে পেরে কয়েক জন বাঙ্গালি সৈনিককে সাথে নিয়ে মেজর শাফায়াত জামিল অধিনায়ক লে. কর্নেল খিজির হায়াত খান সহ সকল পাকিস্তানি অফিসার ও সেনাদের গ্রেফতার করেন।
- এরপর তারা মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এন্ডারসন খালের পাশ দিয়ে প্রতিরক্ষা অবস্থান নেন।
- ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানিরা হেলিকপ্টার গানশীপ, নেভাল গানবোট ও এফ-৮৬ বিমান যোগে ত্রিমুখী আক্রমণ চালায় মুক্তিবাহিনীর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরক্ষা অবস্থানের উপর।
- গঙ্গাসাগর প্রতিরক্ষা অবস্থানের দরুইন গ্রামে নিয়োজিত আলফা কোম্পানির ২নং প্লাটুনের একজন সেকশন কমান্ডার ছিলেন মোহাম্মদ মোস্তফা।
- পাকিস্তানি আক্রমণে প্লাটুনটির সমস্ত রেশন ধ্বংস হয়ে যায়। নতুন করে কোন রেশন না পাওয়ায় সবাই দীর্ঘ সময় ধরে অভুক্ত অবস্থায় ছিলেন।
- এমন অবস্থায় মোহাম্মদ মোস্তফা তার এল. এম. জি. সাথে নিয়ে আখাওড়া রেল ষ্টেশনে মেজর শাফায়াত জামিলকে রেশনের অনুরোধ করেন।
- মেজর শাফায়াত জামিল তাদেরকে অনতিবিলম্বে প্রতিরক্ষা অবস্থানে যেতে নির্দেশ দেন এবং সেখানে রেশনের বন্দোবস্ত করেন।
- ১৭ এপ্রিল সকাল থেকে পাকিস্তানি বাহিনী তীব্র গোলাবর্ষণ শুরু করে প্লাটুন পজিশনের উপরে। এমন সময় বৃষ্টিও শুরু হয়।
- প্রচন্ড আক্রমণের খবর পেয়ে মেজর শাফায়াত হাবিলদার মুনিরের নেতৃত্বে ডি কোম্পানির ১১ নম্বর প্লাটুন পাঠান অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করতে। সারাদিন যুদ্ধ চলে।
- ১৮ এপ্রিল সকালে বর্ষণমুখর পরিস্থিতিতে শত্রু দরুইল গ্রামের কাছে পৌছে যায়।
- মূল আক্রমণ আরম্ভ হয় দুপুর ১২ টায় অবস্থানের পশ্চিম দিক থেকে।
- শত্রুর একটি দল প্রতিরক্ষার পিছন দিক দিয়ে মুক্তিবাহিনীকে ঘিরে ফেলছিলো।
- মোহাম্মদ মোস্তফা সহযোদ্ধাদের জানান তিনি নিজে এই কাভারিং ফায়ার প্রদান করবেন এবং সবাইকে পেছনে হটতে নির্দেশ দেন।
- সহযোদ্ধারা মোস্তফাকেও পশ্চাদপসরণের অনুরোধ করেন।
- কিন্তু কর্তব্যের টানে মোস্তফা ছিলেন অবিচল।
- পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে মোস্তফার অবস্থানের উপরে মেশিনগান এবং মর্টারের গোলাবর্ষণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে মোস্তফার এল.এম.জি.-র গুলি নিঃশেষ হয় এবং তিনি মারত্মক ভাবে জখম হন।
- তখন পাকিস্তান বাহিনীর সৈনিকরা ট্রেঞ্চে এসে তাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।
- মোস্তফা তার জীবন দিয়ে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন।
- অসীম সাহসিকতার জন্য তাকে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব 'বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪৭৭.
বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের মধ্যে সমুদ্র সীমা বিরোধ কোন সংস্থার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়?
  1. Permanent Court of Justice
  2. International Tribunal for the Law of the Sea
  3. International Court of Justice
  4. Permanent Court of Arbitration
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি: 
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে, 
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট, বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট।
৪৭৮.
বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়ার সহায়তায় । 
- রূপপুর কেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ তের হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। 
- বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প।

সূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
৪৭৯.
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এম এস সুলতান
  4. হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসান
:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- ব্রতচারী আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ রায়বেঁশে নৃত্য।
- ব্রিটিশ শাসনামলে রাজার সেনাবাহিনী রায়বেঁশে পদ্ধতিতে শরীরচর্চা করত বাঙালি সংস্কৃতি, শুদ্ধ জাতীয়তাবাদ এবং প্রত্যেকে বাঙালির জীবনগঠনে স্বকীয়তা রক্ষা করতে, এ মূলনীতি কামরুল হাসান তার পরবর্তী জীবনে প্রতিফলিত করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
৪৮০.
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  2. ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  4. ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
-সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ফিলেমন ইয়াং।
- ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।
- নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভাষণ প্রদান করেন তিনি।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- এই সফরে তিনি বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সাথে বৈঠকও করেছেন।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
৪৮১.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমী কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা

Rural Development Academy (RDA): 
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
- একাডেমিটির মূল দায়িত্ব হলো প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লার কোটবাড়ীতে অবস্থিত। 

উৎস: RDA ওয়েবসাইট।

৪৮২.
এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছানোর ‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছেন কোন বাংলাদেশি?
  1. বাবর আলী
  2. শাহরিয়ার আলম
  3. ইমামুর রহমান
  4. ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন:
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস:
i) The Business Standard.

ii) প্রথম আলো।

৪৮৩.
সম্প্রতি, হজযাত্রীদের সেবা সহজীকরণে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তৈরি অ্যাপের নাম কী? [মে, ২০২৫]
  1. নূর
  2. লাব্বাইক
  3. হজ ট্র্যাকার
  4. হজভ্রমণ.কম
ব্যাখ্যা
হজযাত্রীদের অ্যাপ:
- হজযাত্রীদের জন্য সরকার ‘লাব্বাইক’ নামে একটি আধুনিক মোবাইল অ্যাপ চালু করতে যাচ্ছে।

- এটি হজযাত্রীদের জন্য বিশেষ সেবা প্রদান করবে, যাতে তারা হজ পালন আরও নির্বিঘ্ন এবং সহজভাবে করতে পারেন।
- গত ২৮ এপ্রিল মোবাইল অ্যাপ ‘লাব্বাইক’ উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথমবারের মতো নির্মিত অ‍্যাপটি উদ্বোধন করে হজযাত্রীদের এটি ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।
- অ্যাপের মাধ্যমে নামাজের সময়সূচি, আবহাওয়ার তথ্য, হজ ফ্লাইটের বিস্তারিত ও গুগল ম্যাপে হজযাত্রীদের অবস্থান সহ গুরত্বপূর্ণ তথ্য জানা যাবে।
- এছাড়া হজযাত্রীদের জন্য চালু হয়েছে হজ প্রি-পেইড কার্ড এবং মোবাইল ফোনে রোমিং সুবিধা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৪৮৪.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কোন সালে স্বীকৃত হয়?
  1. ১৯৯৮
  2. ১৯৯৯
  3. ২০০০
  4. ২০০১
ব্যাখ্যা

২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৪৮৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কার্গো ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
  2. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম
  3. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট
  4. কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
ব্যাখ্যা
কার্গো বিমানবন্দর:
- প্রথমবারের মতো সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কার্গো ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।
- এর মাধ্যমে ঢাকার বাইরে প্রথম মালবাহী ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করল সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
- ২৭ এপ্রিল রাতে কার্গো ফ্লাইট উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গালিস্টেয়ার এভিয়েশনের একটি চার্টার্ড উড়োজাহাজ ৬০ টন পণ্য নিয়ে সিলেট থেকে স্পেনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
- প্রথম ফ্লাইটে রপ্তানি হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির গার্মেন্টস সামগ্রী।
- এই উদ্বোধনী ফ্লাইটে কার্গো ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

উল্লেখ্য,
- গত ৮ এপ্রিল ভারত কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করলে সরকার বিকল্প হিসেবে ওসমানী বিমানবন্দর দিয়ে কার্গো ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেয়।
- বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহনের মানদণ্ড পূরণে বিস্ফোরক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, এক্স-রে স্ক্যানার এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
৪৮৬.
৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ স্বীকৃতপ্রাপ্ত বাংলাদেশি সিনেমার নাম কী? [মে, ২০২৫]
  1. মুক্তি
  2. আলী
  3. ছুটির ঘণ্টা
  4. মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসব:
- ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের স্পেশাল মেনশন সম্মান পেয়েছে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘আলী’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের কোনো সিনেমা প্রথমবারের মত কান চলচ্চিত্র উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে স্বীকৃতি পেল। 
- আদনান আল রাজীব পরিচালিত ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের ছবিটির গল্প এক কিশোরকে কেন্দ্র করে।
- স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটির প্রযোজনা করেছেন বাংলাদেশের তানভীর হোসেন ও ফিলিপাইনের ক্রিস্টিন ডি লিওন।
- গত বছরের নভেম্বরে সিলেটে ‘আলী’র দৃশ্যধারণ হয়।

উল্লেখ্য,
- ৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে জমা পড়েছে ৪ হাজার ৭৮১টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- এর মধ্য থেকে প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত হয় ১১টি ছবি। বাংলাদেশের ‘আলী’ সেগুলোরই একটি।
- আলী সিনেমাটি ২৩ মে কান উৎসবে প্রদর্শিত হয়।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৪৮৭.
সম্প্রতি, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কয় দফা প্রস্তাব দিয়েছেন? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ৭ দফা
  2. ৮ দফা
  3. ৯ দফা
  4. ৪ দফা
ব্যাখ্যা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রস্তাব:
- বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৩ লাখ, যা কক্সবাজারকে বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থীশিবিরে পরিণত করেছে।
- গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজারে রোহিঙ্গা অংশীজন সংলাপে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে যে সাত দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন।
- তার মধ্যে রয়েছে: 
- রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ প্রণয়ন, 
-  দাতাদের অব্যাহত সমর্থন,
-  মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও আরাকান আর্মির কাছে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও জীবিকা নিশ্চিত করার আহ্বান,
-  রোহিঙ্গাদের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা,
-  আসিয়ানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা,
-  গণহত্যার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং
-  আন্তর্জাতিক আদালতে জবাবদিহি ত্বরান্বিত করা।

সূত্র- কালের কণ্ঠ পত্রিকা প্রতিবেদন। 

৪৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন কে? 
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. সুফিয়া খাতুন
  4. ফারজানা আহমেদ
ব্যাখ্যা

এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।

৪৮৯.
Who is the author of “A World Without Poverty: Social Business and the Future of Capitalism”?
  1. Muhammad Yunus
  2. Amartya Sen
  3. Abul Maal Abdul Muhith
  4. Kaushik Basu
ব্যাখ্যা

• মুহাম্মদ ইউনূস ইউনূস:
-  প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং ক্ষুদ্রঋণের জনক—একটি অর্থনৈতিক আন্দোলন যা সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ পরিবারকে দারিদ্র্য থেকে উত্তরণে সহায়তা করেছে।
- প্রফেসর ইউনূস সামাজিক ব্যবসার উদ্ভাবকও বটে এবং ২০০৬ সাল থেকে তিনি এই ধারণার প্রচার ও বাস্তবায়নের ওপর মনোযোগ দিয়ে আসছেন। 
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসা নিয়ে কিছু বই রচনা করেছেন:
- “A World Without Poverty: Social Business and the Future of Capitalism” (2008) ;
- “Building Social Business” (2010) ;  
- “A World of Three Zeros” (2017).

তথ্যসূত্র: ইউনূস সোস্যাল বিজনেস (yunussb.com) 

৪৯০.
কোন স্থপতি 'হাতির ঝিল‘-এর নকশার পরিকল্পনা করেন?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. শামীম শিকদার
  4. এহসান খান
ব্যাখ্যা
হাতির ঝিল:
- 'হাতির ঝিল‘-এর নকশার পরিকল্পনা করেন স্থপতি এহসান খান।
- তিনি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে গ্র্যাজুয়েশন করেন।
- তিনি ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

অন্যদিকে,
- হামিদুজ্জামান খান 'সংশপ্তক' এর ভাস্কর।
- 'সাবাস বাংলাদেশ' এর ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু।
- স্বােপার্জিত স্বাধীনতার স্থপতি শামীম শিকদার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৯১.
শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসে সাফল্যের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন?
  1. সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি
  2. Planet 50-50
  3. এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০
  4. জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার
ব্যাখ্যা
• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম গুগোল শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG award 2010 লাভ করেন।

• জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

উৎস: pmo.gov.bd/(প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)
৪৯২.
থ্রি জিরো তত্ত্বের ৪ মহাশক্তি নয় কোনটি?
  1. শূন্য নিট কার্বন নির্গমন
  2. তরুণদের শক্তি এবং সৃজনশীলতাকে কাজে লাগান
  3. প্রযুক্তির শক্তি ব্যবহার
  4. ব্যবসাকে সামাজিক ব্যবসায় রূপান্তর
  5. সুশাসন নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
'থ্রি জিরো' তত্ত্ব:  
- 'থ্রি জিরো' বা 'তিন শূন্য' তত্ত্ব একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব 'মোকাবিলা করে নতুন বিশ্ব গড়তে সাহায্য করবে।
- এই তত্ত্বের মাধ্যমে ড. ইউনূস একটি সমতাভিত্তিক ও স্থিতিশীল পৃথিবীর ধারণা তুলে ধরেছেন, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাংলাদেশ এবং পরিবেশগত সুরক্ষা একসঙ্গে চলবে।
- তত্ত্বটি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সেগুলো হলো-
১. শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty),
২. শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং
৩. শূন্য নিট কার্বন নির্গমন (Zero Net Carbon Emissions)।

থ্রি জিরো তত্ত্বের ৪ মহাশক্তি: 
থ্রি জিরো পরিকল্পনা অর্জনের জন্য চারটি জিনিসের প্রয়োজন। এগুলো হলো-
- তরুণদের শক্তি এবং সৃজনশীলতাকে কাজে লাগান
- প্রযুক্তির শক্তি ব্যবহার
- ব্যবসাকে সামাজিক ব্যবসায় রূপান্তর
- সুশাসন নিশ্চিত করা।

উৎস: daily sun.
৪৯৩.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে কোন প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে?
  1. কসমস (রাশিয়া)
  2. থ্যালেস এলেনিয়া (ফ্রান্স)
  3. এয়ারবাস (ফ্রান্স)
  4. রোসাটম (রাশিয়া)
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষেপণ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭তম গর্বিত সদস্যে। 

উৎস: যুগান্তর ও প্রথম আলো।
৪৯৪.
বাংলাদেশের কোন স্থপতি সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন?
  1. হামিদুর রহমান
  2. ফজলুর রহমান খান
  3. নভেরা আহমদ
  4. জুলফিকার আলী খান
ব্যাখ্যা
ফজলুর রহমান খানসবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। 
----------------------------- 
• ফজলুর রহমান খান:
- স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অন্যতম পথিকৃৎ।
- ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকা শহরে জন্ম।
- তিনি ১৯৭২ সালে আরবানার ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যালুমনি এওয়ার্ড, ১৯৭৩ সালে নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট অব সায়েন্স এবং ১৯৮০ সালে লেহাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অব ইঞ্জিনিয়ারিং সম্মানে ভূষিত হন।

- ১৯৭৩ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিং-এ একজন ইঞ্জিনিয়ারের জন্য প্রদেয় সর্বোচ্চ সন্মানে ভূষিত হন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস-এর ‘ম্যান হু সার্ভড দি বেষ্ট ইন্টারেস্ট অব দি কন্সট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি’-তে ফজলুর রহমানের নাম পাঁচ বার এসেছে (১৯৬৫, ১৯৬৮, ১৯৭০, ১৯৭১ এবং ১৯৭৯ সালে)।

- ১৯৭২ সালে তিনি ‘কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার’-এ ভূষিত হন।
- ১৯৮৩ সালে আমেরিকান ইন্সটিটিউট অব আর্কিটেক্টস ফজলুর রহমান খানকে তাঁর অসাধারণ অবদানের জন্য এআইএ ইন্সটিটিউট সম্মাননা প্রদান করে। একই বছর মুসলিম স্থাপত্যে অসাধারণ অবদানের (জেদ্দার হাজী টার্মিনাল) জন্য তাঁকে ‘আগা খান’ সম্মানে ভূষিত করা হয়।

- ইলিনয়ের স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন ১৯৮৭ সালে ফজলুর রহমান খানকে মরণোত্তর ‘জন পারমার’ সম্মানে ভূষিত করে এবং সিয়ার্স টাওয়ারের লবিতে স্পেনীয় ভাস্কর কার্লোস ম্যারিনাস নির্মিত এফ. আর খানের ভাস্কর্য স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৪৯৫.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে কোন বিষয়ে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. অর্থনীতি
  2. শান্তি
  3. পদার্থ
  4. রসায়ন
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

৪৯৬.
‘ও কি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া রে’ কোন ধরনের গান?
  1. চট্‌কা গান
  2. ভাটিয়ালি
  3. ঝুমুর গান
  4. ভাওয়াইয়া
ব্যাখ্যা
• ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়ারে’ - ভাওয়াইয়া গানের উদাহরণ।

• ভাওয়াইয়া গান: 
- ভাওয়াইয়া  উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান সুরলালিত্যে ভরপুর এবং এর একটি নিজস্ব গীতরীতি আছে।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।
- মৈশাল, গাড়োয়ান, মাহুত প্রমুখ এই প্রণয়গীতির নায়ক।
- আধ্যাত্মিক চেতনাসমৃদ্ধ ভাওয়াইয়া গানও পরিলক্ষিত হয়।
যেমন:
‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’, ‘ছাড় রে মন ভবের খ্যালা’ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৯৭.
সর্বশেষ, এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশির নাম কী? [জুন, ২০২৫]
  1. বাবর আলী
  2. মো. খালেদ হোসেন
  3. ইকরামুল হাসান শাকিল
  4. সাইফুল হাসান মনির
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশি:
- এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। তাঁরা হলেন:
• ১ম: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
• ২য়: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
• ৩য়: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
• ৪র্থ: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
• ৫ম: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
• ৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে। (সর্বশেষ, জুন- ২০২৫)

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

উল্লেখ্য,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস:
i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
৪৯৮.
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল যুব বিশ্বকাপ জিতে কত সালে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
যুব বিশ্বকাপ ২০২০:

- ২০২০ সালে যুব বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়।
- ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে ভারতের অনুর্ধ্ব ১৯ দলকে হারিয়ে শিরোপা জিতে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব ১৯ দল।
- যে কোন স্তরের ক্রিকেটে কোন বিশ্বকাপ জেতা বাংলাদেশের জন্যে এটাই প্রথম।
- ১৯৯৭ সালের পর এই প্রথম ক্রিকেটের কোন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের ট্রফি জিতলো বাংলাদেশ।
- প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আকবর আলি।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০।
৪৯৯.
মুশফিকুর তার শততম টেস্টে কত রানে আউট হয়েছিলেন?
  1. ৯৯ 
  2. ১০১ 
  3. ১০৬ 
  4. ১১৪ 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। 
- মুশফিকুর তার শততম টেস্টে ১০৬ রানে আউট হয়েছিলেন।

⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। 
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।  
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো। [link]

৫০০.
বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে কোনটি স্বীকৃতি পায়?
  1. ইলিশ
  2. জামদানি
  3. শতরঞ্জি
  4. সাদা মাটি
ব্যাখ্যা

• জিআই (GI):
- GI এর পূর্ণরুপ হলো Geographical indication.
- WIPO জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

সূত্র: পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ও পত্রিকার রিপোর্ট।