বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

মোট প্রশ্ন৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৮৩২

৩০১.
১৯৪৩ সালে বাংলার দুর্ভিক্ষের উপর ছবি এঁকে বিখ্যাত হন কোন শিল্পী?
  1. এস, এম, সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. মোস্তফা মনোয়ার
  4. জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিন ধারাবাহিকভাবে একাধিক চিত্র স্কেচ করেন।
- এ দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। 
- সস্তা প্যাকিং পেপারে চাইনিজ ইঙ্ক ও তুলির আচরে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে পরিচিত জয়নুলের এ চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে শব-সওদাগরদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক কলুষতা, সে সাথে নিপীড়িতের অমানবিক দুর্দশা।

• জয়নুল আবেদিন:
- তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
-  ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:
- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩০২.
বর্তমানে কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ভুটানের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে।

- অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ভুটানের ১৮টি এবং ভুটানে বাংলাদেশের ৯০টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
- এছাড়া ভুটানকে আরও ১৬টি ও বাংলাদেশেকে ১০টি পণ্যকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের জন্য সম্মত হয়েছে।
- ভুটান ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের সাথে PTA স্বাক্ষরের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

সূত্র- প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ।
৩০৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বিমানবন্দর কয়টি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
বিমানবন্দর:
- বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক ও পাঁচটি অভ্যন্তরীণ মিলিয়ে মোট আটটি বিমানবন্দর চালু আছে।
- হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা; শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম; ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট; বরিশাল বিমানবন্দর, - কক্সবাজার বিমানবন্দর; যশোর বিমানবন্দর; শাহ মখদুম বিমানবন্দর, রাজশাহী; ও সৈয়দপুর বিমানবন্দর।
- এছাড়া তিনটি বিমানবন্দর অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট অপারেশনের জন্য তৈরি হয়েছে যেগুলোর একটি ঢাকার তেজগাঁও-এ অবস্থিত পুরনো বিমানবন্দর।
- এটি বর্তমানে বিশেষ কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে বিমানচালকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
- এটিসহ বগুড়া ও সিলেটের শমসেরনগরে অবস্থিত অন্য দুটি বিমানবন্দর এখন অবধি বেসামরিক বিমান পরিবহন পরিচালনার সরকারি অনুমোদন পায়নি।
- বাংলাদেশে আরও তিনটি পুরনো এয়ারস্ট্রিপ আছে।
- কুমিল্লা, পাবনার ঈশ্বরদী এবং ঠাকুরগাঁও-এর এই এয়ারস্ট্রিপগুলি নিয়মিত বিমানবন্দর হিসেবে উন্নত হতে পারে।
- বাগেরহাটে খান জাহান আলী বিমানবন্দর নামে একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণাধীন আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩০৪.
সরকার দেশে অর্থনেতিক অঞ্চল নির্মাণের উদ্দেশ্যে নিচের কোন জেলাটিতে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
  1. টেকনাফ
  2. আনোয়ারা
  3. মীরসরাই
  4. মহেশখালী
ব্যাখ্যা
সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক: 
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে টেকনাফ উপজেলার সাগর তীরে অবস্থিত।
- বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ও অন্যান্য পর্যটন স্পটসমূহের জন্য কক্সবাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকদের চিত্ত বিনোদন ও নৈসর্গিক প্রাকৃতিক শোভা দেখার জন্য অন্যতম গন্তব্যস্থল।
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের অবস্থান খুবই চমৎকার জায়গায়।
- এর একদিকে বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশি, অন্যদিকে সবুজবেষ্টিত পাহাড়।
- বেজা জানিয়েছে, ৯৫০ একরের বেশি আয়তনের সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৮২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের মাধ্যমে ট্যুরিজম পার্কের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ রয়েছে।
- সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের ভেতরে ১০০ একর জায়গায় বিদেশিদের জন্য একটি 'এক্সক্লুসিভ জোন' স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চফল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- বিদেশি পাসপোর্ট দেখিয়ে প্রবেশ করতে হবে এ জোনে।
- অন্যদিকে টেকনাফ উপজেলায় প্রায় ৩০০ একর জমিতে দেশের প্রথম দ্বীপভিত্তিক নাফ ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের কাজ করছে বেজা।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD বাংলা (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩)
প্রথম আলো (১৭ জুলাই ২০২৪)
৩০৫.
'Let There Be Light' ছবিটি কে পরিচালনা করেন?
  1. তারেক মাসুদ
  2. জহির রায়হান
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. আব্দুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান (১৯ আগস্ট ১৯৩৫ — ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- পরবর্তী সময়ে তিনি জহির রায়হান নামে পরিচিত হন।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি যে  ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন তিনি তাঁদের অন্যতম।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।
- ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর তিনি খবর পান যে, শহীদুল্লা কায়সারকে ঢাকার মিরপুরে রাখা হয়েছে। তিনি তাঁকে উদ্ধারের জন্য সেখানে যান। কিন্তু তিনি আর ফিরে আসেননি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩০৬.
নিম্নের কোন ব্যক্তি মানাসলু পর্বত জয় করেছেন? 
  1. বাবর আলী
  2. তানভীর আহমেদ
  3. তৌফিক আহমেদ
  4. বর্ণিত সবাই 
ব্যাখ্যা

মানাসলু পর্বত জয়:
- মানাসলু পর্বত পশ্চিম-মধ্য নেপালের নেপালি হিমালয়ের অংশ মানসিরি হিমালে অবস্থিত।
- উচ্চতায় ৮ম হলেও বিশ্বের প্রাণঘাতী পর্বতগুলোর মধ্যে এর অবস্থান চতুর্থ।
- এটি পৃথিবীর অষ্টম উচ্চতম পর্বত যার উচ্চতা ৮,১৬৩ মিটার/ ২৬,৭৮১ ফুট। 

⇒ সম্প্রতি বাবর আলী মানাসলু  পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছেন কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই। এটিই প্রথম কোনো বাংলাদেশির শৃঙ্গ জয় অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়াই। ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন বাবর। শিখরে বাবরের সঙ্গে ছিল দীর্ঘদিনের পর্বতসাথী বীরে তামাং।
- বাবর আলীর পাশপাশি এদিন ‘মানাসলু’ জয় করেছেন বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদ। বাবর আলী ও তানভীর আহমেদ দুজনই পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের সদস্য। তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম  ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভোর ৪টায় তৌফিক আহমেদ তমাল মানাসলু পর্বত জয় করেন।
- ২০১১ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এম মুহিত।

উৎস: প্রথম আলো।

৩০৭.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ কী ছিল?
  1. ঢাকা রেডিও সেন্টার
  2. ঢাকা ব্রডকাস্টিং
  3. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. রেডিও পাকিস্তান ঢাকা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩০৮.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে 'সেভেন সামিট' জয় করেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহিম
  2. এম এ মুহিত
  3. নিশাত মজুমদার
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা

ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১২ সালের ২৬ মে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
- আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী গ্রুপ কেয়ার (CARE) এর হয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন কাজ করেছেন।
- তিনি ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন।

• এভারেস্ট জয়ী বাংলাদেশি:
১ম: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
২য়: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
৩য়: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
৪র্থ: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
৫ম: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
উল্লেখ্য:
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৩০৯.
BTRC- কোন মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন?
  1. তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

⇒ BTRC- ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।

BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
- Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন।
- এটি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - BTRC ওয়েবসাইট।

৩১০.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের কোন পদে নির্বাচিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. চেয়ারম্যান
  2. প্রেসিডেন্ট
  3. ভাইস প্রেসিডেন্ট
  4. সেক্রেটারি জেনারেল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে- বাংলাদেশ।

- মানবাধিকার কাউন্সিলের কার্যালয়ে একজন প্রেসিডেন্ট এবং চারজন ভাইস প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের পাঁচটি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেনেভায় জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মানবাধিকার কাউন্সিলের ব্যুরোতে কাজ করবেন।
- ২০০৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের এই মর্যাদাপূর্ণ মানবাধিকার সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- UNHRC জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস (UN Human Rights) মানবাধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা।
- মানবাধিকার পরিষদ ২০০৬ সালে রেজোলিউশন ৬০/২৫১ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এটি ১৯৪৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পরিচালিত প্রাক্তন মানবাধিকার কমিশনের স্থলাভিষিক্ত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস প্রতিষ্ঠা করে।

তথ্যসূত্র: UNHRC ওয়েবসাইট, প্রথম আলো নিউজ।
৩১১.
'পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক
  2. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  3. অধ্যাপক নজরুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক যতীন সরকার
ব্যাখ্যা

অধ্যাপক যতীন সরকার:
- ​বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক যতীন সরকার ১৯৩৬ সালের ১৮ আগস্ট নেত্রকোনার কেন্দুয়ার চন্দপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
​- তিনি ৫৫টির বেশি গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন।
​- তার প্রথম গ্রন্থ 'সাহিত্যের কাছে প্রত্যাশা' প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে। 
​- ২০০৫ সালে প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনবদ্য আত্মজীবনী ‘পাকিস্তানের জন্ম মৃতু-দর্শন’ যতীন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। 
​- সমাজ অর্থনীতি ও রাষ্ট্র নামে তত্ত্বমূলক ত্রৈমাসিক একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন তিনি।
​- তিনি দুই মেয়াদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
​​- লেখক হিসেবে যতীন সরকার ২০১০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার, ২০০৭ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পদক, ২০০৫ সালে পাকিস্তানের জন্ম-মৃত্যু দর্শন গ্রন্থের জন্য প্রথম আলো বর্ষসেরা গ্রন্থ পুরস্কার পান। 
​- এ ছাড়া তিনি ড. এনামুল হক স্বর্ণপদক, খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার, মনিরুদ্দীন ইউসুফ সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।
​- গত ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

​​​তথ্যসূত্র- প্রথম আলো।

৩১২.
’সংগ্রাম’ তেল চিত্র কে এঁকেছেন?
  1. আবু সাইদ
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. শিল্পি ডাইলাম
  4. রফিকুল বারি
ব্যাখ্যা
⇒ ‘সংগ্রাম’ তেল চিত্রটি এঁকেছেন জয়নুল আবেদিন।

জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ তাঁর উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৩১৩.
অপারেশন ক্লিনহার্ট কত তারিখ শুরু হয়েছিল?
  1. ১০ জুন, ২০০২
  2. ১৫ জুলাই, ২০০২
  3. ১৭ অক্টোবর, ২০০২
  4. ১ নভেম্বর, ২০০২
ব্যাখ্যা
♦ অপারেশন ক্লিনহার্ট:
- দেশবাসীর উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে সন্ত্রাস নির্মূলে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
- এমন প্রেক্ষাপটে ২০০২ সালের ১৬ই অক্টোবর মধ্যরাত, কার্যত ১৭ই অক্টোবর থেকে সারাদেশে একযোগে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী।
- মধ্যরাতে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিয়ে অভিযান শুরু হয়।
- সেনা অভিযান শুরুর আগে পুলিশকে কিছুই জানানো হয়নি। 
-  সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছিল যে এটি সেনাবাহিনী-পুলিশ-বিডিআরের যৌথ অভিযান।
- প্রকৃতপক্ষে পুরো অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী।
- তৎকালীন বিভিন্ন সংবাদপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রথম দিনের অভিযানে প্রায় ১৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল বিএনপি নেতাকর্মী।
- ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তিনজন কমিশনারকেও আটক করা হয় এসময়।
- এছাড়া চট্টগ্রামেও দুজন ওয়ার্ড কমিশনারকে আটক করা হয়।
- বিরোধী দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন গ্রেফতারের তালিকায়।
- অভিযানের প্রথম দিনে বগুড়ায় এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে তার সমর্থকরা। এ সময় সেনাবাহিনী গুলি চালালে একজন রিকশাচালক নিহত হন।
- গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, অভিযান চালানোর সময় সেনা সদস্যরা আসবাবপত্র ভাংচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে।

উৎস: BBC News [Link]
৩১৪.
নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় কত তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ৩৩তম
  2. ৪৭তম
  3. ৫৭তম
  4. ৬৫তম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার নকশায় ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১।
- এটি ১১ মে, ২০১৮ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যায়। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।

তথ্যসূত্র: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
৩১৫.
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
• বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৯৯০ সালে প্রণীত হয়। 

• প্রাথমিক শিক্ষা আইন:
- সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিতকরণের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে বাধ্যতামূলকভাবে সকল শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষার সমান সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেয়। এ জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতা অপরিহার্য হওয়ায় জাতীয় সংসদ কর্তৃক ‘প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন ১৯৯০’ পাশ করা হয়েছে।
- অন্যদিকে এ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের জন্য প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২১/০৮/১৯৯০ইং ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীতে ৩১/১১/১৯৯২ ইং তারিখে এর নামকরণ করা হয় ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট’।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩১৬.
বাংলাদেশ কখন বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (IOC) সদস্যপদ লাভ করে? 
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা

• অলিম্পিক গেমস: 
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।

• বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- কার্যালয়: পুরানা পল্টন, ঢাকা।  
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।
- একটি বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১ জন ক্রীড়াবিদ প্রেরণ করে।
- সাইদুর রহমান ডন ছিলেন সেই প্রতিযোগী। 

তথ্যসূত্র: 
i) Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট। 
ii) Olympics.
iii) Britannica. 

৩১৭.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা: 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা — ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা অসংখ্য দর্শনার্থী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা এবং উদ্যান পরিদর্শনে আসেন।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৩১৮.
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবন রহস্য উন্মোচন করেন-
  1. ডঃ মাকসুদুল আলম
  2. ডঃ মাকসুদুর রহমান
  3. মাকসুদ আলম পাটোয়ারী
  4. মাকসুদ শাহ কোরেশী
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- মাকসুদুল আলম ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জীবনরহস্য আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।
- পাট ছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
 
উল্লেখ্য,
- ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম মারা গেছেন। 
 
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৪, প্রথম আলো।
৩১৯.
সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় কবে?
  1. ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  2. ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  3. ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  4. ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি- মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- এই সম্পূর্ণরূপে উড়াল রেলপথ উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১৭ টি স্টেশনের মধ্যে  ৯টি স্টেশন বর্তমানে চালু রয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো নিউজ, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ সালে ও একাত্তর টিভি ওয়েবসাইট, ০৫ নভেম্বর ২০২৩।
৩২০.
প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন-
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. নীহা মজুমদার
  4. মাইশা সিনথিয়া
ব্যাখ্যা
• মুসা ইব্রাহিম :
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- পেশায় তিনি একজন সাংবাদিক ও পর্বতারোহী।
- ২০১০ সালের ২৩ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন এবং লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান মুসা।
- মূলত তার হাত ধরেই পর্বতবিজয়ী দেশের তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশের নাম।

• নিশাত মজুমদার:
- ২০১২ সালের ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে পৃথিবীর শীর্ষচূড়া এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার।
- তার এ বিজয়ের মাধ্যমে নারীদের শক্তি ও অর্জন হিমালয় উচ্চতায় স্থান পায় বলে প্রতীয়মান হয়।
- এর আগে ২০০৩ সালে এভারেস্ট বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডং জয় করেন নিশাত।

• ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ওই বছরের ২৬ মে সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন তিনি।
- ওয়াসফিয়া নাজরীন বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন। 

- ষষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন বাবর আলী।

উৎস: প্রথম আলো।
৩২১.
স্বাধীনতাযুদ্ধকালে ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারের শিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. এস এম সুলতান
  3. কামরুল হাসান
  4. প্রাণেশ কুমার মণ্ডল
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
- তিনি ‘পটুয়া’ নামে পরিচিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ১৯৪৮ সালে ঢাকায় একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।
- তাঁর ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ চিত্রকর্ম অবলম্বনে যথাক্রমে যুগোস্লাভিয়া সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) দুটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।

অন্যদিকে -
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে শিল্পী প্রাণেশ কুমার মণ্ডলের আঁকা একটি পোস্টার চিত্র বাংলার মায়েরা মেয়েরা সকলেই মুক্তিযোদ্ধা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩২২.
নিম্নের কোন চিত্রকর্মটি চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন?
  1. পাইন্যার মা
  2. চাঁদের আলো
  3. সূর্যাস্ত
  4. নদীর তীরে
ব্যাখ্যা

জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলার পার্ক রোডে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করে।
- শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত যা ১৯৯৬ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।

৩২৩.
দাবা খেলায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. নিয়াজ মোর্শেদ
  2. রিয়াজ বিন সাত্তার
  3. জিয়াউর রহমান
  4. মনন রেজা
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- বর্তমানে মনন রেজা দেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয়।
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।

⇒ আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে।
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন।
- তাকে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান।

উৎস: প্রথম আলো।
৩২৪.
১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পালন করেন?
  1. অর্থ ও পরিকল্পনা
  2. আইন, বিচার ও সংসদ এবং স্থানীয় সরকার
  3. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
  4. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ এবং পানি সম্পদ
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

⇒ থ্রি জিরো তত্ত্ব:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।
- বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
৩২৫.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আপেল মাহমুদ
  3. গাজী আনোয়ার
  4. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
আলতাফ মাহমুদ:
- আলতাফ মাহমুদ একাধারে একজন সংগীতশিল্পী, সুরকার, সংস্কৃতিকর্মী, চিত্রশিল্পী, ভাষাসৈনিক ও স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ হলেও পরবর্তী সময়ে আলতাফ মাহমুদের সুরটিই গৃহীত হয়।
- এই সুরটি ১৯৬৯ সালে জহির রায়হান তাঁর চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’তে ব্যবহার করেন।
- ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তাঁর বাসায় গোপন ক্যাম্প স্থাপন করেন।
- বাংলা সংস্কৃতি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য ১৯৭৭ সালে আলতাফ মাহমুদকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বলতে বোঝানো হয়েছে যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
৩২৬.
'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' শিরোনামের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক পোস্টারের শিল্পী কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদীন
  3. কামরুল হাসান
  4. কাইয়ুম চৌধুরী
ব্যাখ্যা

কামরুল হাসান: 
- কামরুল হাসান (১৯২১-১৯৮৮) প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- দেশবিভাগের পর কামরুল হাসান  ঢাকা চলে আসেন এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ঢাকায় একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন (১৯৪৮)।
- ঢাকায় চিত্রকলার চর্চা ও প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৫০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন আর্ট গ্রুপ।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প কর্পোরেশনের নকশা কেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন এবং ১৯৭৮ সালে উক্ত পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। 
- পাকিস্তানের সামরিক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের রক্তপায়ী, হিংস্র মুখমন্ডল সম্বলিত একটি পোস্টার এঁকে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে নিরীহ বাঙালির উপর পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর নৃশংস হামলাকে কেন্দ্র করে কামরুল হাসানের ইয়াহিয়ার মুখচ্ছবি দিয়ে আঁকা পোস্টার ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ দেশেবিদেশে বিপুলভাবে সাড়া জাগায় এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে সাধারণ মানুষকেও উদ্বুদ্ধ করে।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলায় লৌকিক ও আধুনিক রীতির মিশ্রণ ঘটায় তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৩২৭.
সাংস্কৃতিক সংগঠন 'উদীচী' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. বদিউল আলম
  2. সত্যেন সেন
  3. ড. রাশেদুল ইসলাম
  4. সিরাজুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• সত্যেন সেন: 
- তিনি ছিলেন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিক।
- ১৯০৭ সালের ২৮ মে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ি উপজেলার সোনারঙ গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘের সংগঠক এবং উদীচী (১৯৬৯) সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। 
-  তাঁর রচিত গ্রন্থ সংখ্যা প্রায় চল্লিশ।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ: উপন্যাস-  ভোরের বিহঙ্গী, অভিশপ্ত নগরী, পদচিহ্ন, পাপের সন্তান, কুমারজীব, বিদ্রোহী কৈবর্ত, পুরুষমেধ, আলবেরুনী, মা, অপরাজেয় ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩২৮.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অবস্থান কোথায়?
  1. বনানী
  2. বিজয় সরণি
  3. আগারগাঁও
  4. সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি:
- এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর অধীন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৩২৯.
বাংলাদেশ থেকে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত প্রথম সিনেমা কোনটি?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. মাটির ময়না
  3.  লালন
  4. রেহানা মরিয়ম নূর
ব্যাখ্যা
• কান চলচ্চিত্র উৎসব:
- চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যতম বড় প্রদর্শনীর নাম কান চলচ্চিত্র উৎসব।
- ১৯৪৬ সালে ক্ষুদ্র পরিসরে বসে প্রথম আসর।
- আসরের সেরা পুরস্কার 'পাম দি'অর' বা 'স্বর্ণপাম' প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৫৫ সালে।
- ভূমধ্যসাগরের উপকূলে ফ্রান্সের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের শহর কানে বসে চলচ্চিত্রজগতের সবচেয়ে সম্মানজনক এ আসর।
- প্রতিবছরের মে মাসে ১২ দিনের জন্য বসে এ আসর।
- ১৯৪৬ সালে শুরুর পর থেকে প্রতিবছর সেরা চলচ্চিত্রকে পুরস্কৃত করা হয়।
- এটি বিশেষভাবে পরিচিত পাম দি'অর পুরস্কারের জন্য, যা দেওয়া হয় মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রকে।
- বাংলাদেশে থেকে ২০০২ সালে প্যারালাল বিভাগ 'ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট'-এ মনোনয়ন পেয়ে সমালোচক পুরস্কারও জিতেছিল তারেক মাসুদের 'মাটির ময়না'।
- কান চলচ্চিত্র উৎসবের অফিসিয়াল বিভাগ 'আঁ সার্তেইন রিগার্দ'-এ প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র 'রেহানা মরিয়ম নূর' (২০২১ সাল)।

এছাড়াও,
-  ২০২৪ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণ পাম জিতেছে মার্কিন নির্মাতা শন বেকারের সিনেমা 'আনোরা'। 
- কান উৎসবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার গ্রাঁ প্রিঁ জিতেছে পায়েল কাপাডিয়ার  ‘অল উই ইমাজিন অ্যাস লাইট’।

উৎস: প্রথম আলো (১৪ মে ২০২৪)।
৩৩০.
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় অংশগ্রহণকারী প্রথম বাংলাদেশির নাম কী?
  1. শহিদ ইসলাম
  2. রাশেদ আলম
  3. তৌহিদ ইসলাম
  4. শহিদুল আলম
  5. তৌকির ইসলাম
ব্যাখ্যা

শহিদুল আলম:
- গাজাগামী 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা' অংশগ্রহণকারী শহিদুল আলম পেশায় একজন আলোকচিত্রী। 

⇒ গাজায় ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধ ভাঙার বৃহত্তর নৌ-সাহায্য মিশনের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করে 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা'। 
- এই ফ্লোটিলায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহর যাত্রা শুরু করেছিল গাজার ১৭ বছরের অবরোধ ভাঙতে খাদ্য, ওষুধ আর শিশুদের খেলনা নিয়ে। 
- এর যাত্রীদের মধ্যে আছেন সুইডিশ জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও সাংবাদিকেরা।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ কোয়ালিশনের অংশ, যা ২০০৮ সাল থেকে গাজার অবরোধ ভাঙার জন্য লড়ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৩৩১.
‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটি কে আঁকেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. মুর্তাজা বশির
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা

মনপুরা ৭০:
- ‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটি আঁকেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস 'গোর্কি'তে ১০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সাগর, নদী, খাল-বিলে ভেসে ছিল অসংখ্য লাশ আর এক কোটি মৃত গবাদিপশু। ঘরবাড়ি, স্বজন হারিয়ে পথে বসেন উপকূলের লাখো মানুষ। উপকূলীয় দ্বীপচরসহ বহু এলাকার ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে বিরান জনপদে পরিণত হয়।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এই প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়বিধ্বস্ত মনপুরা ঘুরে ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসাত্মক ও ধ্বংসাত্মক প্রভাবকে ২৮ ফুট লম্বা ‘মনপুরা ৭০’ নামে একটি শিল্পকর্ম চিত্রিত করেন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়াতে (বর্তমান নেত্রকোণা) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ অর্জন করেন এবং ১৯৭১ সালে সেটি বর্জন করেন।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে 'শিল্পাচার্য' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ) সম্মান লাভ করেন।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- তাঁর আরো কিছু বিখ্যাত শিল্পকর্ম: ম্যাডোনা, দুর্ভিক্ষ, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, বিদ্রোহী, মনপুরা, নবান্ন, মহিলা ইত্যাদি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

৩৩২.
নভেরা আহমেদের পরিচয় কী হিসাবে?
  1. কবি
  2. নাট্যকার
  3. কণ্ঠশিল্পী
  4. ভাস্কর
ব্যাখ্যা
নভেরা আহমেদ (মার্চ ২৯, ১৯৩৯ –  মে ৬, ২০১৫):
- তিনি ছিলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে।
- তিনি প্রায় ৪৫ বছর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্যারিসে বসবাস করেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৬ মে, ২০২০)।
৩৩৩.
উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম চিকিৎসক কে?
  1. ডা. ফিরোজা বেগম
  2. ডা. রওশন আরা
  3. ডা. কাজী জোহরা বেগম
  4. ডা. কানিজ হাসিনা
ব্যাখ্যা

- এই প্রশ্নের ভাষাগত কিছু ত্রুটি রয়েছে।
- প্রশ্নটি হবার কথা ছিল 'উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক কে?'
- উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম চিকিৎসক সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
- কিন্তু উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক ডা. কাজী জোহরা বেগম।
- তাই অপশন বিবেচনায় ডা. কাজী জোহরা বেগম উত্তর নেওয়া হয়েছে।

• ডাঃ কাজী, জোহরা বেগম (১৯১২-২০০৭):
- ডাঃ জোহরা বেগম কাজী প্রথম আধুনিক বাঙালি মুসলিম মহিলা চিকিৎসক।
- তিনি ভারতের যুক্ত প্রদেশের রঞ্জনগাঁওয়ে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। 
- একজন রাজনীতিক হিসেবে সুপরিচিত তাঁর পিতা ডাঃ কাজী আব্দুস সাত্তার ছিলেন বর্তমান মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার গোপালপুর গ্রামের কাজী পরিবারের সদস্য।
- একজন মেধাবী ছাত্রী হিসেবে জোহরা বেগম বাল্যকাল থেকেই প্রথম স্থান অধিকার করে সকল পর্যায়ের সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতেন।
- ১৯৩৫ সালে দিল্লির হার্ডিং মহিলা মেডিক্যাল কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে শীর্ষ স্থান অধিকার করে তিনি এম.বি.বি.এস ডিগ্রি লাভ করেন এবং ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় কর্তৃক প্রদত্ত পদকে ভূষিত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
- দীর্ঘকাল মানবতার সেবায় নিঃস্তার্থ কর্মকান্ডের স্তীকৃতিস্তরূপ ডাঃ জোহরা কাজীকে তমঘা-ই-পাকিস্তান (১৯৬৪), বেগম রোকেয়া পদক (২০০২) এবং একুশে পদক (২০০৮) প্রদান করা হয়।
- ২০০৭ সালের ৭ নভেমতর জোহরা কাজীর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, অধ্যাপক ডা. জোহরা বেগম কাজী : উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক বই।।

৩৩৪.
দেশের প্রথম নারী শিক্ষাসচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে?
  1. জাকিয়া সুলতানা
  2. শাহনাজ আরেফিন
  3. রেহানা পারভীন
  4. শাহীনা বেগম
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী শিক্ষা সচিব নিয়োগ পেলেন রেহানা পারভীন।
- তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন ।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৩৩৫.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহিদ দিবসকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ইউনিসেফ
  2. ইউনেসকো
  3. ইউএন
  4. এডিবি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে '২১ ফেব্রুয়ারি'কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 

২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

সূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৩৬.
UNESCO বাংলাদেশের কোন ধরনের গানকে 'Heritage of Humanity' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে?
  1. লালনগীতি
  2. কবিগান
  3. বাউল
  4. হাসন রাজার গান
ব্যাখ্যা
বাউল সংগীত:
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কাজ করে আসছে।
- পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী বিএনসিইউ এর চেয়ারম্যান ।
 
- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
৩৩৭.
বর্তমানে দেশে কয়টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। 
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।

• এগুলো হলো:
- বাউলগান (২০০৮),
- জামদানি বুননশিল্প (২০১৩),
- মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
- শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও
- ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)। 

- ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের  পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন ও প্রথম আলো।
৩৩৮.
সম্প্রতি, বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার ‘Nation builder’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে- [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে
  3. ড. জাফর উল্লাহ্‌কে
  4. ফজলে হাসান আবেদকে
ব্যাখ্যা
নেচার সাময়িকী সেরা দশ ব্যক্তিত্ব তালিকা-২০২৪:
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে প্রখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী 'নেচার' জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখা ২০২৪ সালের সেরা দশ ব্যক্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করেছে।
- চলতি বছরের তালিকায় আবহাওয়া পূর্বাভাসের নতুন ধারণা থেকে শুরু করে একটি জাতিকে নেতৃত্ব দেয়ার বিষয় স্থান পেয়েছে।
- এ তালিকায় ৭ম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. ইউনূসকে ‘নেশন বিল্ডার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে সাময়িকীটি।

সাময়িকীটি ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে বলেছে,
বাংলাদেশে স্বৈরাচারী সরকারের পতনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরা শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দেশের নেতৃত্ব দিতে আমন্ত্রণ জানানোর দাবি জানিয়েছিলেন। এটি ছিল ড. ইউনূসের জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, ছয় দশকের পেশাজীবনে তিনি কখনও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেননি।

উল্লেখ্য,
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যুগান্তকারী উদ্ভাবন হলো ‘ক্ষুদ্র ঋণ’। এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন যে সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলে, ক্ষুদ্রঋণ সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র অংশের জীবন বদলে দিতে পারে। ক্ষুদ্র ঋণের ধারণার ওপর ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরবর্তীতে তার ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা সারা বিশ্বে মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

তথ্যসূত্র: নেচার সাময়িকী ওয়েবসাইট।
৩৩৯.
নভেরা আহমেদ কী হিসেবে পরিচিত?
  1. স্থপতি
  2. ভাস্কর
  3. নাট্যকার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

নভেরা আহমেদ:  
- নভেরা আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান ভাস্কর।
- বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর হিসেবে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নেন।
- ১৯৯৫ সালে তিনি ‘হিউমানিটি’ শিরোনামে একটি প্রশংসিত শিল্পকর্ম তৈরি করেন।
- তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি ‘নিঃসঙ্গ’—১৯৮৯ সালে নির্মিত এটি বাংলাদেশের প্রথম নগ্ন নারী অবয়ব ভাস্কর্য বলে বিবেচিত।
- ২০১২ সালে আঁকা তার অন্যান্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘আত্মা’, ‘স্নান’ এবং ‘কক্সবাজার’।
- তার অসামান্য শিল্পকর্ম ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে। 

সূত্র: প্রথম আলো ও বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট।

৩৪০.
নিচের কোন দুইটি জেলাকে পদ্মা সেতু সংযুক্ত করেছে?
  1. শরীয়তপুর ও মাদারীপুর
  2. মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর
  3. শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ
  4. মাদারীপুর ও শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার ও প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
৩৪১.
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে কোন পদকে ভূষিত করে?
  1. বিশ্ব সংহতি পুরস্কার
  2. ম্যাগসেসে পুরস্কার
  3. জুলিও কুরি পুরস্কার
  4. মাদামকুরি পুরস্কার
ব্যাখ্যা
জুলিও কুরি শান্তি পদক:
 
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।
 
তথ্যসুত্র - কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
৩৪২.
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের নতুন নাম কী রাখা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম
  2. বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী নুর মুহাম্মদ শেখ ক্রিকেট স্টেডিয়াম
  3. বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম
  4. বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ ক্রিকেট স্টেডিয়াম
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের নাম বদলে করা হয়েছে জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা।
- আরও দুটি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের নতুন নাম হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
- নারায়ণগঞ্জের খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের নাম বদলে হয়েছে শহীদ রিয়া গোপ ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ মার্চ ২০২৫)
৩৪৩.
VGF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vulnerable Group Fund
  2. Vulnerable General Fund
  3. Vulnerable Group Feeding
  4. Vulnerable General Feast
ব্যাখ্যা
VGF: 
- VGF এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Vulnerable Group Feeding.

- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি।
৩৪৪.
বাংলাদেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ করা হবে কোথায়?
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন:
- দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- চলতি বছরের ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান অনুষদে গ্রাউন্ড স্টেশনের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়।
- প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পে ৬০ কোটি টাকার কারিগরি ও যান্ত্রিক সহায়তা দিচ্ছে চীন।
- বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্রবিন্দু ধরে এই স্টেশন চীনের স্যাটেলাইটগুলোর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে।
- স্টেশনটি উপকূলীয় এলাকার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হবে।
- এটি দ্রুত নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানায় প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।
- এতে দেশের সমুদ্র ও বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থাকে তথ্য, পূর্বাভাস, সতর্কতা ও পরামর্শ দেওয়া সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৪৫.
বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী বিশ্বজুড়ে ‘জুটম্যান’ নামে পরিচিত?
  1. ড. মোবারক আহমদ খান
  2. ডক্টর আবেদ চৌধুরী
  3. মাকসুদুল আলম
  4. উপরের কেউই নয়
ব্যাখ্যা
ড. মোবারক আহমদ খান:
- প্লাস্টিকের কোন উপকরণ ছাড়াই পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব পলিথিন ব্যাগ।
- এটি বাজারে প্রচলিত পলি ব্যাগের মতোই, তবে পচনশীল।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি এই ব্যাগের নাম দিয়েছেন ‘সোনালি ব্যাগ’।

উল্লেখ্য,
- ২০ বছর ধরে মোবারক আহমদ খান পাটের বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করছেন।
- ২০০৯ সালে এই বিজ্ঞানী পাটের সঙ্গে পলিমারের মিশ্রণ ঘটিয়ে মজবুত, তাপ বিকিরণরোধী ও সাশ্রয়ী ঢেউটিন ‘জুটিন’ বানান।
- এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি তাঁকে ২০১৫ সালে স্বর্ণপদক দেয়।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি বিশ্বজুড়ে জুট্ম্যান হিসেবে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।

উৎস: i) বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন।
ii) প্রথম আলো।
৩৪৬.
ফজলুর রহমান খান (এফআর খান) পেশায় কী ছিলেন? 
  1. স্থপতি
  2. ডাক্তার 
  3. রাজনীতিবিদ
  4. সাহিত্যিক
ব্যাখ্যা

এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
-১৯৪৪ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ-এ ভর্তি হন।
-১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
-১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক 'কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার' মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে মন্তব্য লেখা হয় 'ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম'।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হৃদরোগে মারা যান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৪৭.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে স্পিরিট অব সালাম পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম
  2. অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার
  3. অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক আজিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

• অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে 'স্পিরিট অব সালাম পুরস্কার' পেয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ডেটা অ্যান্ড সায়েন্সেস, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডিন অধ্যাপক মাহবুব মজুমদার
- নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী আবদুস সালামের জন্মদিনে মাহবুবুল আলম মজুমদারের নাম প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরিটিক্যাল ফিজিকস (আইসিটিপি)।
- বিজ্ঞানসংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মান জানাতে ২০১৩-১৪ সাল থেকে স্পিরিট অব সালাম অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হলেও এবারই প্রথম কোনো বাংলাদেশি এই অনন্য সম্মানে ভূষিত হলেন।

উৎস: প্রথম আলো।

৩৪৮.
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে ভাষণ দেন? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৭৬তম
  2. ৭৭তম
  3. ৭৮তম
  4. ৭৯তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন ১০- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।  
- উক্ত অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং।
- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ দেন।

- নিউইয়র্ক স্থায়ীয় সময় ১১টা ২৪ মিনিটে তিনি ভাষণ শুরু করেন।
- প্রায় ৩৮ মিনিট দীর্ঘ ভাষণটি ১২টা ০২ মিনিটে শেষ হয়। 
- ভাষণে কী প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, রাষ্ট্র সংস্কারে তিনি কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন সেগুলো তুলে ধরেন।
- এছাড়া, ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অনতিবিলম্বে বন্ধ এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিশ্ববাসীর সহযোগিতা ও সহায়তা চান তিনি।

তথ্যসূত্র: বাসস। [LINK]
৩৪৯.
Nature Index, 2025 অনুযায়ী, গবেষণার মান ও সংখ্যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি? [জুন, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন
  2. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট
  4. আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
Nature Index, 2025:
- যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল হচ্ছে নেচার (Nature)।
- ইনডেক্সের ২০২৫ তালিকায় গবেষণার মান ও সংখ্যার ভিত্তিতে দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (ICDDRB)।
- এই তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে ২০২৪ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কালের গবেষণাকর্মের উপর ভিত্তি করে।
- ইনডেক্স অনুযায়ী, সার্বিকভাবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং একাডেমিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
- তালিকায় যথাক্রমে ৩য় এবং ৪র্থ অবস্থানে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ন।

তথ্যসূত্র: নেচার ইনডেক্স, ২০২৫ [LINK]
৩৫০.
চট্টগ্রামে নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলের কী নামকরণ করা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. চট্টগ্রাম টানেল
  2. কর্ণফুলী টানেল
  3. আনোয়ারা টানেল
  4. কর্ণফুলী অর্থনৈতিক টানেল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু সেতু ও বঙ্গবন্ধু টানেলের নাম পরিবর্তন: 
- উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী বঙ্গবন্ধু সেতুর নাম বদলে করা হয়েছে যমুনা সেতু।
- এটি দেশের প্রথম বড় সেতু এবং তা টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের মধ্যে যমুনা নদীতে নির্মিত।
- এইচ এম এরশাদের আমলে প্রকল্পটি নেওয়ার সময় এর নাম ছিল যমুনা বহুমুখী সেতু।
- খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন প্রথম বিএনপির সরকারের আমলেও একই নাম বহাল থাকে।
- উদ্বোধনের পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এটির নাম বঙ্গবন্ধু সেতু করে।
- ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নাম পরিবর্তন করে যমুনা বহুমুখী সেতু ফিরিয়ে আনা হয়।
- ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের সরকার এসে আবার বঙ্গবন্ধু সেতু নামকরণ করে।
- চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলের নামকরণ করা হয়েছে কর্ণফুলী টানেল।
- এটির নাম আগে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।
- যমুনা নদীর ওপর নতুন একটি রেলসেতু নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- বিগত সরকার এই সেতুর নাম দিয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলসেতু।
- অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটির নামকরণ করা হয়েছে যমুনা রেলসেতু।

উৎস: প্রথম আলো (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
৩৫১.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ নতুন কয়টি দেশে মিশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
মিশন স্থাপন:
- বর্তমানে বিশ্বের ৬০টি দেশে বাংলাদেশের ৮৪টি কূটনৈতিক মিশন রয়েছে।
- সম্প্রতি, বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও কূটনৈতিক সংযোগ বাড়াতে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার নতুন ৫টি দেশে মিশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।
-  নতুন মিশনগুলো যেসব শহরে স্থাপন করা হবে:
⇒ ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড;
⇒ অসলো, নরওয়ে;
⇒ বুয়েনস এইরেস, আর্জেন্টিনা;
⇒ ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি;
⇒ সাওপাওলো, ব্রাজিল।

- ক্রমপরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিবেশ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে এই মিশন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [Link]
৩৫২.
বঙ্গবন্ধু টানেলের এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩২ কিমি
  2. ৪.১৫ কিমি
  3. ৫.৩৫ কিমি
  4. ৬.২৯ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
 
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।
 
তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
৩৫৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে ইউনেস্কো স্বীকৃত অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংখ্যা কত? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

• ইউনেসকোর 'অপরিমেয়/বিমূর্ত/অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- সম্প্রতি, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫  বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প ইউনেসকোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের' (ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ) তালিকায় স্থান পেয়েছে। 

উল্লেখ্য,
 - বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
 ১) বাউলগান (২০০৮), 
২) জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), 
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
৪) শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও 
৫) ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।
৬) টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প (২০২৫)

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 

৩৫৪.
আফ্রিকার কোন দেশ বাংলাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
  1. লিবিয়া
  2. সিয়েরা লিওন
  3. লাইবেরিয়া
  4. আইভরি কোস্ট
ব্যাখ্যা
সিয়েরা লিওন:
- সম্প্রতি সিয়েরা লিওনের একটি রাস্তার নাম 'বাংলাদেশ' করা হয়েছে।
- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সেখানকার সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়।
- বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিয়ন এই সম্মান জানায়।
- সিয়েরা লিয়ন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- সিয়েরা লিওনের সাংবিধানিক নাম - সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র।
- দেশটির রাজধানী - ফ্রিটাউন।
- দেশটিতে প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা ভাষা ও রীতিনীতি।
- ইংরেজি ভাষা সিয়েরা লিওনের সরকারি ভাষা। তাছাড়া এখানে আরও প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩৫৫.
কালাজ্বর নির্মূলে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পায় -
  1. পাকিস্তান
  2. ভুটান
  3. ভারত
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• কালাজ্বর নির্মূলে বাংলাদেশ:
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কালাজ্বর নির্মূলে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। 
- ভারতের দিল্লিতে ডব্লিউএইচওর চার দিনব্যাপী চলা ৭৬তম দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কালাজ্বর:
- কালাজ্বর সাধারণত স্ত্রী বেলে মাছির কামড়ে ছড়ায়।
- বেলে মাছি ঘর এবং ঘরের আশপাশের ফাটলে বিশেষ করে স্যাঁতসেঁতে জায়গায় থাকে।  
- সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত সময়ে এ মাছি বেশি কামড়ায়।
- এর জীবাণু শরীরে প্রবেশের পর তা রক্তের লোহিত কণিকাকে আক্রান্ত করে এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি শুরু করে।
- ফলে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায় এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৩৫৬.
বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হয়?
  1. কমনওয়েলথ
  2. জাতিসংঘ
  3. ওআইসি
  4. ডাব্লিউটিও
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ প্রথম কোন বৈশ্বিক সংস্থা হিসেবে ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। 

Commonwealth: 

- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়। 
- মার্চের দ্বিতীয় সোমবার প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়। 
- এর সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য। 

উল্লেখ্য, 
- ১৯৬১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায়।
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। 

সূত্র: সংস্থাগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাই।
৩৫৭.
'কাঁচের দেয়াল' ছবিটি পরিচালনা করেন কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. তারেক মাসুদ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩৫৮.
বাংলা একাডেমি কোন ভবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. বর্ধমান হাউস
  2. বঙ্গ ভবন
  3. চামেলী হাউস
  4. বাংলা ভবন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি: 
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের  ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- ১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
- পরের বছর পূর্ববাংলা আইনসভার নির্বাচনে বিজয়ী  যুক্তফ্রন্ট পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণ করে, কিন্তু অল্পদিনেই তাদের পতন হওয়ায় সে প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
- দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন।
- এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩৫৯.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৭ তম
  2. ২৮ তম
  3. ২৯ তম
  4. ৩০ তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৬০.
সম্প্রতি সাফ নারী ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কোন দেশ?  [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. নেপাল
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

• সাফ নারী ফুটসাল: 
- প্রথমবারের মতো আয়োজিত সাফ নারী ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। 
- ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের শেষ দিনে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে শিরোপা জিতেছেন সাবিনা খাতুন-মনিকা চাকমারা।
- দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে আয়োজিত লিগ পদ্ধতির এই টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
- দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভুটানের পয়েন্ট ৫ ম্যাচে ১১।

উল্লেখ্য, 
- ফুটসাল ফুটবলের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যেখানে বল নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত খেলার ওপর জোর দেওয়া হয়।
- ছোট মাঠ এবং কম খেলোয়াড় (সাধারণত ৫ জন) নিয়ে এটি খেলা হয়।
- সর্বোচ্চ ১২ জন পর্যন্ত খেলোয়াড় ব্যবহার করা যায়। যত খুশি খেলোয়াড় বদলি করা যায়।
- ১৯৩০ সাল থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফুটসাল খেলা হয়ে আসছে।
- ফুটবলের মতো ফুটসালের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

৩৬১.
কোন নভোকাশ কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. ওয়াল্প আইল্যান্ড ফ্লাইট
  2. মোহাভে স্পেস এন্ড এয়ারপোর্ট
  3. থেলিস এলেনিয়া
  4. কেনেডি স্পেস সেন্টার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
৩৬২.
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর ২০২৫ এ প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তি-
  1. আসিফ নজরুল ইসলাম
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. নাহিদ ইসলাম
  4. বেগম খালেদা জিয়া
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
 - ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।
- ৬টি ক্যাটাগরিতে মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে মার্কিন এই সাময়িকী।
- নেতাদের তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ‘লৌহমানবী’ খ্যাত ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো, মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কসহ ২১ জন।

উৎস: প্রথম আলো লিংক।
৩৬৩.
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. ধানশালিকের দেশ
  2. উত্তরাধিকার
  3. প্রগতি
  4. বাংলা একাডেমি জার্নাল
ব্যাখ্যা
- 'প্রগতি' বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয়।

- বাংলা একাডেমি থেকে ছয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
• বাংলা একাডেমি পত্রিকা:
- গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর বিশেষ গুরুত্বসহ অন্যান্য বিষয়েও বাংলায় রচিত গবেষণামূলক প্রবন্ধ এতে প্রকাশিত হয়।

• উত্তরাধিকার:
- মাসিক পত্রিকা।
- এতে সৃজনশীল রচনা, যথা: গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, গ্রন্থ-সমালোচনা ইত্যাদি মুদ্রিত হয়।

• ধানশালিকের দেশ:
- ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা।
- কিশোরোপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া ইত্যাদি এই পত্রিকায় মুদ্রিত হয়।

• বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা:
- ষাণ্মাসিক এই পত্রিকাটি বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার সমন্বয়ে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বাংলা একাডেমি জার্নাল:
- ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ষাণ্মাসিক পত্রিকা।
- বাংলা সাহিত্যের নির্বাচিত রচনা ইংরেজির অনুবাদ এবং বাংলা সাহিত্য ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক রচনা এতে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বার্তা:
- একাডেমির কার্যক্রম ও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ এতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
- বর্তমানে এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৩৬৪.
দেশের রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত ৪৯তম জেলা হিসেবে কোনটি যুক্ত হয়েছে?
  1. নাটোর
  2. মাগুরা
  3. নওগাঁ
  4. নড়াইল
ব্যাখ্যা
রেল নেটওয়ার্ক:
- বর্তমান দেশে মোট ৪৯ জেলা রেল নেটওয়ার্কর অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে দেশের ৪৯তম জেলা হিসেবে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় নড়াইল।
- পদ্মা সেতু রেল সেতু প্রকল্পের আওতায় ২৮ কিলোমিটার রেলপথ পড়েছে নড়াইলে।
- এই দিন থেকেই খুলনা-ঢাকা এবং বেনাপোল-ঢাকা রুটে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপালী এক্সপ্রেস নামের আন্তঃনগর ট্রেন নড়াইল-লোহাগড়ার মধ্য দিয়ে চলাচল শুরু হয়েছে।
- এরই প্রেক্ষিতে, নড়াইল শহর ও লোহাগড়া উপজেলায় একটি করে রেলস্টেশনও নির্মাণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: রেলপথ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট এবং পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৬৫.
কে বর্তমানে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে আছেন? [মে, ২০২৫]
  1. বিচারপতি শামীম হাসনাইন
  2. বিচারপতি জিনাত আরা
  3. বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ
  4. বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা
ব্যাখ্যা
জিনাত আরা:
- আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া দ্বিতীয় নারী বিচারপতি হলেন বিচারপতি জিনাত আরা।
- বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর মুনসেফ (সহকারী জজ) হিসেবে বিচার বিভাগে যোগদান করেন তিনি।
- একে একে সব ধাপ পেরিয়ে ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
- ৪১ বছরের বেশি সময়ের কর্মজীবনের ইতি টেনে ২০২০ সালের ১৪ মার্চ অবসরে যান তিনি।
- বর্তমানে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে আছেন।

উল্লেখ্য,
- আপিল বিভাগে তৃতীয় নারী বিচারক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ।
- দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম নারী বিচারক হলেন নাজমুন আরা সুলতানা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
আইন কমিশন, বাংলাদেশ।
৩৬৬.
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র:
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৮ সাল।

- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র শিক্ষা ও সংস্কৃতিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান।
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন বিষয়ক জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো এর উদ্দেশ্য।
- ঢাকার কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান - 'আলোকিত মানুষ চাই' ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৬৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
  1. তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. প্রেস কাউন্সিল
  3. বিটিআরসি
  4. বাংলাদেশ টেলিভিশন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রেস কাউন্সিল।

♦ প্রেস কাউন্সিল:
→ প্রেসের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার মানোন্নয়ন ও মান সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৭৪ সালে প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল গঠিত হয়।
→ প্রেস কাউন্সিল একটি আধা-বিচারিক সংস্থা।
→ প্রেস কাউন্সিলের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং তাদের মান উন্নত ও বজায় রাখা।

♦ প্রেস কাউন্সিলের কার্যাবলী:
• সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা বজায় রাখতে সহায়তা করা।
• উচ্চ পেশাগত মান অনুযায়ী সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা এবং সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন করা।
• সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা ও সাংবাদিকদের দ্বারা জনসাধারণের উচ্চমানের রুচি বজায় রাখা এবং নাগরিকের অধিকার ও দায়িত্বের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
• সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত সকলের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও জনসেবার মনোভাব বৃদ্ধি করা।
• জনস্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সরবরাহ ও প্রচারে বাধা সৃষ্টিকারী যেকোনো উন্নয়ন পর্যালোচনা করা।
• সাংবাদিকতা পেশায় ব্যক্তিদের জন্য সঠিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুবিধা প্রদান করা।

 

তথ্যসূত্র -
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ওয়েবসাইট।
Media Landscapes

৩৬৮.
বাংলাপিডিয়ার প্রধান সম্পাদক কে?
  1. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  2. অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
  3. ড. আহমদ হাসান দানী
  4. আব্দুল হামিদ
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- প্রধান সম্পাদক: অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।

- স্যার উইলিয়াম জোন্স ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সভাপতি ছিলেন আব্দুল হামিদ।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. আহমদ হাসান দানী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৩৬৯.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিচের কোন পুরস্কার লাভ করেন?
  1. নোবেল শান্তি পুরস্কার
  2. র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার
  3. স্বাধীনতা পুরস্কার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়। 

⇒ ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- এর মধ্যে:
- র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (১৯৮৪ সাল),
- স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮৭ সাল),
- নোবেল শান্তি পুরস্কার (২০০৬ সাল)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৭০.
২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কোন সংস্থা?
  1. UNESCO
  2. UNDP
  3. UNICEF
  4. USAID
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ভাষা আন্দোলন ও ভাষাশহীদদের স্মরণে পালিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার দাবিতে ঢাকায় কয়েকজন ছাত্র-জনতা শহীদ হন।
- তাঁদের স্মরণে ২০০০ সাল থেকে এ দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রস্তাবে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। 
- এ প্রস্তাবে মাতৃভাষার উন্নয়ন ও ভাষাগত বৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
- ইউনেস্কো সদস্য দেশগুলো এ দিনে ভাষাবিষয়ক প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি পালন করে।
- এটি ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত ঐতিহ্যের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংহতি জাগ্রত করে।
- দিবসটি ১৯৫২ সালের ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি বিশ্বমানবতার শ্রদ্ধা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৭১.
নিম্নের কোনটি জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম? 
  1. জমি চাষ
  2. সাঁওতাল রমণী
  3. চরদখল
  4. হত্যাযজ্ঞ
ব্যাখ্যা

- সাঁওতাল রমণী জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম।

জয়নুল আবেদিন:

- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, 'নবান্ন', 'মনপুরা ৭০', 'মই দেয়া', 'সাঁওতাল রমণী', 'বিদ্রোহী' এবং 'কাক'। 'দুই মহিলা' (গোয়াশ, ১৯৫৩), 'পাইন্যার মা' (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও 'মহিলা' (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
 জয়নুল আবেদিন চিত্রকর্ম: ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, 'নবান্ন', 'মনপুরা ৭০', 'মই দেয়া', 'সাঁওতাল রমণী', 'বিদ্রোহী' এবং 'কাক'।

অন্যদিকে,
- এসএম সুলতানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম:  'প্রথম বৃক্ষরোপণ', 'চরদখল', 'জমি চাষ', 'হত্যাযজ্ঞ', এবং 'মাছ ধরা-৩। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৭২.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ফ্লোটিলার অভিযাত্রী হিসেবে যোগ দিয়েছেন- [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ডা. বাবর আলী
  2. ড. শহিদুল আলম 
  3. রেহমান সোবাহান
  4. জিয়াউল হক
ব্যাখ্যা

- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ফ্লোটিলার অভিযাত্রী হিসেবে যোগ দিয়েছেন- ড. শহিদুল আলম।
- গাজার ওপর ইসরায়েলের অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যে পাঠানো 'গ্লোবাল সুমুদ মিডিয়া ফ্লোটিলা'-তে অংশ নিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী, শিক্ষক ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম।
- গত ২৭ সেপ্টেম্বর দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম গাজা ফ্লোটিলায় যোগ দেয়ার ঘোষণা দেন।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ইতালির ওট্রান্টো থেকে ফ্লোটিলার বৃহত্তম জাহাজ 'কনসায়েন্স'-এ যোগ দেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

৩৭৩.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়েছিল কততম অধিবেশনে?  
  1. ২৭তম
  2. ২৮তম
  3. ২৯তম
  4. ৩২তম
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্ত হয়। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়।
- ২৩ আগস্ট বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া সমর্থিত একটি প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হয়।
- কিন্তু ২৫ তারিখে চীন ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করার ফলে ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করা সম্ভব হয়নি। 

- ১৯৭৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পুনরায় আবেদন করে।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

উল্লেখ্য, 
- জাতিসংঘ বাজেটে বাংলাদেশের চাঁদার হার .০১ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩৭৪.
বাংলাদেশের কোন অভিযাত্রী ‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছে?
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. এম এ মুহিত
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
৩৭৫.
১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের কোন ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়?
  1. শামীম সিকদার
  2. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. আবদুস সুলতান
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের হামিদুজ্জামান খান ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়। 

--------------------- 
• হামিদুজ্জামান খান:
- একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন- হামিদুজ্জামান খান।
- "His piece titled ‘Steps’ has found a permanent place in the Seoul Olympic Park in Korea."

• অলিম্পিকে বাংলাদেশ:
- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামে।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।

উৎস: Bengal Foundation, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯।
৩৭৬.
"Inside Bengal Politics: 1936-1947: Unpublished Correspondence of Partition Leaders" গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. হারুন-অর-রশিদ
  2. রেহমান সোবহান
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  4. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
হারুন-অর-রশিদ:
- হারুন-আর-রশিদ একজন জনপ্রিয় প্রাবন্ধিক, গবেষক, কলাম লেখক এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা।
- ১৯৪৭-পূর্ব ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাধীন অবিভক্ত বাংলা, পাকিস্তানি শাসনকাল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, সমসাময়িক ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতি, এর গতিধারা ও রাজনৈতিক উন্নয়ন’ তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র।
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র গঠন সব সময় তাঁর গবেষণার কেন্দ্রীয় বিষয়।
- প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এনসাইক্লোপিডিয়া’ (২০ খণ্ড) রচনা প্রকল্পের প্রধান হিসেবে গবেষণাকর্মে নিয়োজিত।
- বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখার জন্য ২০২১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন।

তাঁর গবেষণা-গ্রন্থসমূহ:
- The Foreshadowing of Bangladesh.
- Inside Bengal Politics 1936-1947 : Unpublished Correspondence of Partition Leaders.
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পুনর্পাঠ, 
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়, 
- বাংলাদেশ : রাজনীতি সরকার ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়ন (১৭৫৭-২০১৮),
- আমাদের বাঁচার দাবী’ : ৬ দফার ৫০ বছর, 
- ৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব ঐতিহ্য-সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ।

উৎস: ক্যামব্রিজ ইউনাভার্সিটি প্রেস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন লাইব্রেরি ও পত্রিকার প্রতিবেদন।
৩৭৭.
ম্রো ভাষায় বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী নিয়ে রচিত প্রথম বই 'নমমো তসেন কিয়াক মি' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. তাংচ্যাং ম্রো
  2. ইয়াংঙান ম্রো
  3. নুখিংসাই ম্রো
  4. ইয়ম্রেদেং ম্রো
ব্যাখ্যা
ইয়াংঙান ম্রো:
- ইয়াংঙান ম্রো 'ম্রো' সম্প্রদায়ের লেখক ও গবেষক।
- ম্রো ভাষার প্রথম ব্যাকরণ বই লিখেছেন ইয়াংঙান ম্রো।
- ম্রো ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বইটিও তাঁর লেখা।
- তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৫।
- ইয়াংঙান ম্রো মহান মুক্তিযুদ্ধের সাত বীরশ্রেষ্ঠের জীবনী নিয়ে ম্রো ভাষার গ্রন্থ 'নমমো তসেন কিয়াকমি'- গ্রন্থটি রচনা করেন।
- পাহাড়ের পশ্চাৎপদ ম্রো জনগোষ্ঠীর মাঝে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী তুলে ধরতে ম্রো ভাষায় রচিত হয়েছে বই।

এছাড়া,
- গ্রন্থটির সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে ক্রামাধর্মের প্রবর্তক ক্রামাদি মেনলের আঁকা ছবির অ্যালবামও।
- ম্রো ভাষার লেখক ও গবেষক ইয়াংঙান ম্রো এই জীবনী রচনা এবং ছবির অ্যালবাম সংকলন করেছেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৭৮.
নিয়াজ মোরশেদ কত সালে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।

উৎস: i) কালের কন্ঠ।
ii) প্রথম আলো।
৩৭৯.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগোর ডিজাইনার কে?
  1. আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
  2. কামরুল হাসান
  3. ইমদাদ হোসেন
  4. মোস্তফা মনোয়ার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ টেলিভিশন (BTV):
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিভিশন -এর লোগোর ডিজাইনার ইমদাদ হোসেন।  
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে রামপুরা টিভি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে।
- ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।
- ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সংবাদভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে “বিটিভি নিউজ” নামে যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো ও বিডি নিউজ ২৪ ডট কম। (Link) 

৩৮০.
'সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে কয়টি স্কিম রাখা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনতে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।
- চাঁদাদাতার বয়স ৬০ বছর হওয়ার পর তার ব্যাংক হিসাবে অথবা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে মাসিক পেনশন দেওয়া হবে।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে।
- এগুলো হলো যথাক্রমে প্রবাস স্কিম, প্রগতি স্কিম, সুরক্ষা ও সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তি ধরে ১৮ বছরে থেকে শুরু করে ৫০ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রণ করতে পারবে।
- পেনশনে থাকাকালে ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মৃত্যুবরণ করলে পেনশনারের নমিনি বাকি সময়ের (মূল পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পর্যন্ত) জন্য মাসিক পেনশন পাবেন।

উৎস: ১৭ আগস্ট, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৩৮১.
একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে দুইবার মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহিম 
  2. নিশাত মজুমদার
  3. এম এ মুহিত
  4. ওয়াসফিয়া নাজনীন
ব্যাখ্যা

এম. এ. মুহিত:
- একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে দুইবার মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন এম এ মুহিত।
- ২০১১ সালের ২১ মে এম এ মুহিত প্রথমবার এভারেস্ট জয় করেন।
- ২০১২ সালের ২০ মে তিনি আবারও এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন।
- তিনিই একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি দুবার এভারেস্ট জয় করেছেন।
- মুহিত ২০১০ সালে এভারেস্ট অভিযানে গেলেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে সে সময় ব্যর্থ হন।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
iii) The Daily Star.

৩৮২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ব্রিটেনের 'নাইট' উপাধি লাভ করেন -
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবার নাম মরহুম সিদ্দিক হাসান এবং মায়ের নাম মরহুমা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন।
- ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট'।
- দ্বিতীয় বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এ গৌরবময় উপাধি অর্জন করেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ।

অন্যদিকে -
- ২০১৭ সালে ‘নাইট’ উপাধি পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আখলাকুর রহমান চৌধুরী।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি হিসেবে ‘নাইট’ খেতাব পেয়েছিলেন।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) ৩ নভেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
৩৮৩.
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী কে? 
  1. হামিদুর রহমান
  2. মৃণাল হক
  3. শামিম শিকদার
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা
• রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী — মৃণাল হক।

তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- মতিঝিলের - ‘বলাকা’
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে - ‘রত্নদ্বীপ’,
- হোটেল শেরাটনের সামনে - ‘রাজসিক’,
- পরীবাগ মোড়ে - ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’,
- ইস্কাটনে - ‘কোতোয়াল’,
- সাতরাস্তায় - ‘ময়ূর’,
- এয়ারপোর্ট গোল চত্বরের - ভাস্কর্য,
- নৌ সদর দপ্তরের সামনে - ‘অতলান্তিকে বসতি’ ইত্যাদি।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট।
৩৮৪.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
  4. ৪ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মার্কিন স্বীকৃতি ।
- ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
​- এক প্রেস বিবৃতিতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম রজার্স ।
​- তখন  ঢাকায় নিযুক্ত প্রধান মার্কিন কর্মকর্তা হারবার্ট স্পিভ্যাক।
​-  যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সনের একটি বার্তা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে পৌঁছে দেন যেখানে তাকে জানানো হয় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। 
​- মুজিবুর রহমান ৯ এপ্রিল নিক্সনকে একটি চিঠি পাঠান যেখানে তিনি তার দেশের স্বীকৃতি স্বীকার করেন। 
​- পূর্বে যে ভূখণ্ডটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল তা ছিল পাকিস্তানের পূর্ব অংশ।

​উৎস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। [লিঙ্ক]

৩৮৫.
বঙ্গবন্ধু টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩২ কিমি
  2. ৫.৩৫ কিমি
  3. ৭.২৪ কিমি
  4. ৯.৩৯ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:

- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
৩৮৬.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোথায় অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে অংশগ্রহন করে? 
  1. টোকিও 
  2. লস এঞ্জেলেস
  3. মেক্সিকো সিটি
  4. মস্কো
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।

অলিম্পিক গেমস:

- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।
- একটি বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১ জন ক্রীড়াবিদ প্রেরণ করে।
- সাইদুর রহমান ডন ছিলেন সেই প্রতিযোগী।

উৎস: i) Olympics.
ii) Britannica.

৩৮৭.
'আমার কিছু কথা' বইটির লেখক কে?
  1. কর্নেল সিদ্দিক মালিক
  2. জহির রায়হান
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
আমার কিছু কথা:
- 'আমার কিছু কথা' বইটির লেখক শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রকাশনী: শিখা প্রকাশনী।
 
উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরো তিনটি গ্রন্থ হলো: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী', 'কারাগারের রোজনামচা’, ‘আমার দেখা নয়াচীন'।
 
অন্যদিকে -
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র  'নাইন মান্থস টু ফ্রিডম'। 
- বিখ্যাত মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কবিতার একটি লাইন Millions of babies in pain।
 
উৎস: আমার কিছু কথা -শেখ মুজিবুর রহমান।
৩৮৮.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ প্যানেলে মনোনীত হয়েছেন কে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  2. অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম
  3. অধ্যাপক মো. আহসান হাবীব
  4. অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ প্যানেলভুক্ত প্রথম বাংলাদেশি:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আহসান হাবীব প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলে পরিবেশ রসায়নবিদ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
- জাতিসংঘের এই ইনডিপেনডেন্ট সায়েন্টিফিক প্যানেল অন ইফেক্টস অব নিউক্লিয়ার এ মোট সদস্য রয়েছেন ২১ জন।
- পারমাণবিক যুদ্ধ এবং পারমাণবিক দুর্ঘটনা–পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং এর প্রতিক্রিয়ার বাস্তব চিত্র অনুধাবনে নিউইয়র্কভিত্তিক এই গবেষণা প্যানেল কাজ করবে।

উল্লেখ্য,
- অধ্যাপক আহসান হাবীব ২০২৪ সাল থেকে জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ আন্তর্জাতিক চুক্তির জন্য গঠিত প্যানেলের বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
- মৌলিক রসায়ন, পরিবেশ রসায়ন, জৈবদূষণ, জীবজগতের ওপর ভারী ধাতুসমূহের প্রভাব, ধূলিকণাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি গবেষণা করেন।
- তাঁর ৮১টি গবেষণা প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
৩৮৯.
’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’’ গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আব্দুল লতিফ
  2. প্রিন্স মাহমুদ
  3. আব্দুর জব্বার
  4. আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা

একুশে ফেব্রুয়ারি গান:
- ’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি”
- গানটির বর্তমান সুরকার- আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার,।

৩৯০.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ রানের মালিক কে? [৩১ অক্টোবর, ২০২৪]
  1. তামিম ইকবাল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
----------------- 
• আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ রানের মালিক - মুশফিকুর রহিম।

• মুশফিকুর রহিম:
- এখন পর্যন্ত (৩১ অক্টোবর, ২০২৪) দেশের হয়ে ৯৪ টেস্টে করেছেন ৬ হাজার ০৭ রান।
- ২৭১ ওয়ানডেতে করেছেন ৭ হাজার ৭৯২ রান।
- আর টি-টোয়েন্টিতে ১০২ ম্যাচে করেছিলেন ১ হাজার ৫০০ রান।
- সবমিলিয়ে মুশফিকের রান ১৫ হাজার ২৯৯।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের জার্সিতে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন তামিম ইকবাল (১৫,২৪৯ রান)।

উৎস: ক্রিকইনফো.কম।
৩৯১.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযােদ্ধাকে 'বীর বিক্রম' খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা- 
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, 
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৩৯২.
২০২১ সালে SDG's অগ্রগতি পুরস্কার পেয়েছেন-
  1. শেখ হাসিনা
  2. জেসিন্ডা আর্ডেন
  3. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
  4. জাস্টিন ট্রুডো
ব্যাখ্যা
‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’:
- ২০২১ সালে ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ পেয়েছেন শেখ হাসিনা।
- জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) পুরস্কারটি দেয়।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ, বিশ্বের সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সর্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
- টেকসই উন্নয়নের জন্য বাস্তবভিত্তিক সমাধান জোরদারে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোই এই প্লাটফর্মের লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৩৯৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে 'জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য' কয়টি?(জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

 জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য:
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে।
- ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই ঘোষণা কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

উৎস:THE BUSINESS STANDARD পত্রিকা রিপোর্ট।

৩৯৪.
'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয় কাকে?
  1. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  2. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- তিনি ছিলেন রাজনীতিক, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।
- হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯২১ থেকে ১৯৫৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভা এবং পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ছিলেন।
- তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকেছেন।

• উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ পদ-
- ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র,
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী,
- ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী,
- ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী,
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং
- ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৩৯৫.
'মনপুরা ৭০' শিল্পকর্মটি কী নিয়ে আঁকা?
  1. দুর্ভিক্ষ
  2. ঘুর্ণিঝড়
  3. গ্রামীণ সৌন্দর্য্য
  4. নদীর সৌন্দর্য্য
ব্যাখ্যা

 মনপুরা ৭০:
- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- এটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এপর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৯৬.
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. আবুল মনসুর আহমদ
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. আহমদ ছফা
  4. আব্দুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর:
- ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটির রচয়িতা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ।
- এটি মূলত তাঁর আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ।
- এখানে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ ফুটে উঠেছে।
- আবুল মনসুর আহমদের লেখা বহুল পঠিত ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করছেন রোচনা মজুমদার।

• আবুল মনসুর আহমেদ:
- আবুল মনসুর আহমদ ১৮৯৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ৮০ বছর বয়সে ১৯৭৯ সালের ১৮ মার্চ মারা যান।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’, ‘আত্মকথা’, ‘বেশী দামে কেনা কম দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা’, ‘শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু’, ‘বাংলাদেশের কালচার’, ‘গালিভারের সফরনামা’, ‘ব্যঙ্গরচনা’, ‘আয়না’, ‘ফুড কনফারেন্স’ প্রভৃতি।
- আবুল মনসুর আহমদ ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কৃষক, নবযুগ ও ইত্তেহাদ-এর সম্পাদক ছিলেন।
- তিনি শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের যুক্তফ্রন্ট সরকারে প্রাদেশিক শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫৭ সালে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সরকারে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো। 

৩৯৭.
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার করেন কে?
  1. ধর্মপাল
  2. কানিংহাম
  3. জর্জ মার্শাল
  4. রাখালদাস
ব্যাখ্যা
- স্যার কানিংহাম সোমপুর বিহার আবিষ্কার করেন।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৯৮.
সম্প্রতি থেয়ার ওয়ার্ল্ড এর 'আনলক বিগ চেঞ্জ' অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সৈয়দ মো. মাহফুজুর রহমান
  2. মেরিনা তাবাশ্যুম
  3. সৈয়দ রেজওয়ানা চৌধুরী
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

থেয়ারওয়ার্ল্ডের ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’:
- সম্প্রতি থেয়ার ওয়ার্ল্ড এর 'আনলক বিগ চেঞ্জ' অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে নিউইয়র্কের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুহাম্মদ ইউনূসকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- শিক্ষা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর পথপ্রদর্শক ভূমিকা এবং মানবকল্যাণে আজীবন প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা পেলেন তিনি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত থেয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের গ্লোবাল এডুকেশন ডিনারে নোবেল শান্তি পুরস্কারবিজয়ী এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হলো।
- মুহাম্মদ ইউনূসের পাশাপাশি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডিকেও সম্মাননা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিশুদের জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা থেয়ারওয়ার্ল্ড বিশ্বব্যাপী শিক্ষার সংকট নিরসন ও নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা বিকাশে কাজ করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৩৯৯.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৭.৪৮ কিলোমিটার
  2. ১৮.৮৭ কিলোমিটার
  3. ১৯.৭৩ কিলোমিটার
  4. ২০.৩৬ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার।
- এক্সক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।
- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
- বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য
ঠিক করেছে সরকার ।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‍্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
- প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০, বাস ও মিনিবাস ১৬০, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

তথ্যসূত্র- ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩ ও দৈনিক যুগান্তর, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৪০০.
চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান তাঁর ব্যঙ্গচিত্র 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’তে প্রতীকী হিসেবে কার ছবি আঁকেন?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. টিক্কা খান
  3. আইয়ুব খান
  4. জুলফিকার আলী ভুট্টো
ব্যাখ্যা
এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে:
- বড় বড় চোখ, রক্তলাল জিব আর বিষদাঁত।
- ছবির নিচে ক্যাপশন ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে'।
- ছবিটি পুরো দেশের মানুষকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল ইয়াহিয়া নামের এক দানবের সঙ্গে।
- বাংলাদেশের মানুষের চোখে হানাদারের প্রতিকৃতি হয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ওই পোস্টার।
- 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ শিরোনামের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক পোস্টারের শিল্পী কামরুল হাসান।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কামরুল হাসান তাঁর সহশিল্পীদের বলেছিলেন, যুদ্ধে একজন শিল্পীর হাতিয়ার তাঁর রংতুলি।
- কামরুল হাসান তাঁর হাতিয়ার দিয়ে আঁকেন ইয়াহিয়া খানের রক্তচোষা দানবমূর্তি।
- শেষে তা হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর স্বরূপ হিসেবেই সারা বিশ্বের কাছে পরিচিতি পায়।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের কাছেও এ পোস্টার হানাদারের প্রতীক।
- সেগুনবাগিচার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে রাখা আছে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ছাপা এ পোস্টার।

• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

⇒ শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ১৫ মার্চ ২০১৫, প্রথম আলো।