বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ক্লায়েন্ট সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং

মোট প্রশ্ন৪৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ক্লায়েন্ট সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৪৩৫

২০১.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. On-demand self service
  2. Own hardware ownership
  3. Rapid Elasticity
  4. Pay-as-you-go
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো— সেবা গ্রহণের জন্য অন-ডিম্যান্ড সেলফ সার্ভিস (On-demand self service), চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত রিসোর্স কমানো বা বাড়ানোর জন্য র‍্যাপিড ইলাস্টিসিটি (Rapid Elasticity) এবং শুধুমাত্র ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বিল পরিশোধের জন্য পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-as-you-go) পদ্ধতি যা খরচ সাশ্রয় করে।
- তাই Own hardware ownership ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।
- EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন।
- Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)। ব্রিটানিকা।

২০২.
কোন প্রযুক্তি ‘Pay as you go’ স্টাইলের সার্ভিস প্রদান করে?
  1. Cloud Computing
  2. Software Development
  3. Client Server System
  4. Web Hosting Services
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ক) Cloud Computing.

Cloud Computing বা ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভিস প্রদান করে, যেখানে তারা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে এবং ব্যবহারের ভিত্তিতে অর্থ প্রদান করে। এই ‘Pay as you go’ মডেল অর্থাৎ ব্যবহার অনুযায়ী পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবহারকারীদের অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে সাহায্য করে। ক্লাউড কম্পিউটিং-এ স্টোরেজ, সার্ভার, ডাটাবেস, সফটওয়্যার এবং নেটওয়ার্কিং সুবিধা অনলাইনেই প্রদান করা হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের হার্ডওয়্যার ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই প্রয়োজনীয় রিসোর্স পেতে পারে এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী সহজে স্কেল করতে পারে। অন্যান্য বিকল্প যেমন Software Development, Client Server System বা Web Hosting Services সব ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যবহার ভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থা সাধারণ নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এ নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৩.
What type of cloud storage allows to store and retrieve any amount of data, at any time, from anywhere on the Internet?
  1. ক) Object Storage
  2. খ) Block Storage
  3. গ) File Storage
  4. ঘ) Backup Storage
ব্যাখ্যা
- Object storage is a data storage architecture that is designed to store and retrieve large amounts of unstructured data, such as photos, videos, and documents.
- It is highly scalable and can store and retrieve any amount of data, at any time, from anywhere on the Internet.

Reference: microsoft.com
২০৪.
নিচের কোনটি ক্লাউড সার্ভিস এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) AWS
  2. খ) Azure
  3. গ) Google cloud
  4. ঘ) AirDrop
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: ইন্টারনেট ভিত্তিক এক ধরনের পরিসেবা যেখানে বিভিন্ন ধরনের রিসোর্স শেয়ার, সার্ভার, স্টোরেজ প্রভৃতি সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।
যেমন:
-AWS
- Microsoft Azure
- Google Cloud
- IBM Cloud- Blue Cloud
- Oracle Cloud
- Alibaba Cloud
- RedHat
- Heroku
- Digital Ocean
- Cloudflare
- Linode
- Cloudways
- Rackspace

উৎস: উচ্চ-মাধ্যমিক ICT বই।
২০৫.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বীকৃত কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন হলো-
  1. ক) ডট কম (.com)
  2. খ) ডট বিডি (.bd)
  3. গ) ডট বাংলা (.bangla)
  4. ঘ) ডট গভ (.gov)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বীকৃত কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন হলো- ডট বাংলা (.bangla)। প্রথমটি ডট বিডি (.bd)।
২০৬.
গুগলের ক্লাউড সেবা চালু হয় কত সাল থেকে?
  1. ক) ২০০৬ সাল
  2. খ) ২০০৮ সাল
  3. গ) ২০১০ সাল
  4. ঘ) ২০১১ সাল
ব্যাখ্যা
ক্লাউড সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান :

- অ্যামাজন এর AWS (৩ মার্চ, ২০০৬)।
- গুগুল এর Google Cloud Platform (৭ এপ্রিল, ২০০৮)।
- মাইক্রোসফট এর Azure (১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)।
- অ্যাপল এর iCloud (১২ অক্টোবর, ২০১১)।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।
২০৭.
সোর্স প্রোগ্রামকে অনুবাদ করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. কম্পাইলার (Compiler)
  2. এসেম্বলার (Assembler)
  3. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

সোর্স প্রোগ্রামকে অনুবাদ করার জন্য তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম আছে। যথা-
১) কম্পাইলার (Compiler)
২) এসেম্বলার (Assembler)
৩) ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)

২০৮.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে কোনটি মূলত সেবা প্রদানকারী হিসেবে কাজ করে?
  1. সার্ভার
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. ক্লায়েন্ট
ব্যাখ্যা

◉ ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে সার্ভার হলো সেই কম্পিউটার বা প্রোগ্রাম যা সেবা, ডেটা বা রিসোর্স সরবরাহ করে।

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- LAN এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।
- সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়, এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ক কেন্দ্রীক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২০৯.
Bluetooth কত ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. ক) 2.35GHz
  2. খ) 2.45GHz
  3. গ) 2.65GHz
  4. ঘ) 2.66GHz
ব্যাখ্যা
- Bluetooth 2.45GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- Wifi 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- WiMax 2-66GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

- Bluetooth এর স্টান্ডার্ড  IEEE 802.15
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- WIMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২১০.
নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
  1. ক) SaaS
  2. খ) WaaS
  3. গ) laaS
  4. ঘ) PaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।
২. Platform-as-a -Service (PaaS): এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।
৩. Software-as-a Service (SaaS): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

এখানে WaaS, Cloud Computing সেবার কোনো ধরণ নয়।
২১১.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি
  2. খ) অন-ডিমান্ড
  3. গ) পে-অ্যাজ-ইউ-গো
  4. ঘ) হাই কস্টিং
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিচের ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি : ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড : ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো : এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।
২১২.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে “স্কেলেবিলিটি” বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. চাহিদার উপর ভিত্তি করে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানো সক্ষমতা
  2. ডেটা শুধুমাত্র এক জায়গায় সংরক্ষণ করা
  3. ক্লাউড সার্ভিসে প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধ করা
  4. ব্যবহারকারীর সংখ্যা ম্যানুয়ালি বাড়ানো
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে “স্কেলেবিলিটি” বলতে বোঝানো হয় চাহিদার উপর ভিত্তি করে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানোর সক্ষমতা। এটি ক্লাউডের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, যা ব্যবহারকারীদের ব্যবসায়িক বা প্রযুক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্কিং ইত্যাদি রিসোর্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি বা হ্রাস করার সুযোগ দেয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি ওয়েবসাইটে হঠাৎ করে বেশি ব্যবহারকারী প্রবেশ করলে অতিরিক্ত সার্ভার যুক্ত করে চাপ সামাল দেওয়া যায়। আবার চাহিদা কমলে সেই অতিরিক্ত রিসোর্স সরিয়ে খরচ বাঁচানো যায়। স্কেলেবিলিটির মাধ্যমে কার্যকারিতা ও খরচের সুষম ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হয়।
- সঠিক উত্তর: ক) চাহিদার উপর ভিত্তি করে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানো সক্ষমতা।


• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে 'Physical ownership of servers' বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১৩.
World Wide Web (WWW) কোন ধরনের নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. Peer-to-Peer (P2P) Architecture
  2. Client–Server Architecture
  3. Event-driven Architecture
  4. Layered Architecture
ব্যাখ্যা

◉ WWW (World Wide Web) হলো একটি তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা, যেখানে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা মোবাইলের ওয়েব ব্রাউজার (Client) সার্ভারে রিকোয়েস্ট পাঠায়। ওয়েব সার্ভার (Server) সেই রিকোয়েস্ট অনুযায়ী ওয়েব পেজ, ইমেজ বা অন্যান্য ডেটা সরবরাহ করে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ঘটে Client–Server আর্কিটেকচার অনুসারে।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web):
- World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। একে ওয়েবও বলে।
- ওয়েব হলো এমন একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- মূলত সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলোর সংগ্রহই হলো ওয়েব।
- ১৯৮৯ সালে যুক্তরাজ্যের Sir Tim Berners Lee ও Sir Sam Walker এবং বেলজিয়ামের Robert Cailiau সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত CERN (The European Center for Nuclear Research)-এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আবিষ্কার করেন।
- তবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে Mosaic নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর।

ওয়েব যেভাবে কাজ করে:
- ওয়েব ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার অনুযায়ী গড়ে উঠেছে।
- এর অর্থ হচ্ছে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার ওয়েব ব্রাউজার এর মাধ্যমে প্রোগ্রামটি বা ওয়েবটি রান করে অনুরোধ (Request) পাঠাবে সার্ভারে।
- সার্ভার, ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের অনুরোধকৃত তথ্যটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের ব্রাউজারের কাছে পাঠিয়ে দেবে এবং ব্রাউজার তা অনুবাদ করে স্ক্রিনে প্রদর্শন করবে।
- আর এভাবেই ওয়েব ব্রাউজার তার কার্যক্রম সম্পাদিত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৪.
EC2 অবকাঠামো সেবাটি প্রদান করে-
  1. মাইক্রোসফট
  2. র‍্যাকস্প্যাস
  3. আমাজন
  4. গুগল
ব্যাখ্যা
• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস ৩ প্রকার। যথা-
১. অবকাঠামােগত সেবা:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসাের্স ভাড়া দেয়, যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়ােজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়ােজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রােগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। অ্যাপ্লিকেশ ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারে।

• EC2:
- অ্যামাজন এর ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস হলো Amazon Elastic Compute Cloud (EC2).
- EC2 এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮ টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলােই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতাে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১৫.
'Cloud Computing' এর সার্ভিস মডেলকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৪
  3. গ) ২
  4. ঘ) ৩
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service) : ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৬.
নিচের কোনটি IaaS-এর উদাহরণ?
  1. Google Docs
  2. Amazon EC2
  3. Heroku
  4. Microsoft 365
ব্যাখ্যা
Amazon EC2 হচ্ছে একটি IaaS (Infrastructure as a Service) সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service)
এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১৭.
পেশাগত যোগাযোগ মাধ্যম 'Slack' কোন ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) SaaS
  2. খ) PaaS
  3. গ) IaaS
  4. ঘ) BaaS
ব্যাখ্যা
সার্ভিস মডেল অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের শ্রেণিবিভাগ:
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে (তিন) ভাগে ভাগ করা যায়-

অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়; যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারে সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন। উদাহরণ:  Amazon Web Services, Google Cloud, IBM Cloud ইত্যাদি।

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। উদাহরণ:  AWS Elastic Beanstalk, Google App Engine ইত্যাদি।
 
সফটওয়্যার সেবা (Software/Application as a services-SaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, Slack (Collaboration and Messaging), অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫) ইত্যাদি। 

[Microsoft Azure এর ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মধ্যে IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service) সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. https://www.azure.microsoft.com/
৩. https://www.ibm.com/
২১৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) On-demand self-service
  2. খ) Broad network access
  3. গ) Unlimited customization
  4. ঘ) resource pooling
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১৯.
কোন ধরনের ক্লাউড মডেলটি শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. হাইব্রিড ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. কমিউনিটি ক্লাউড
  4. পাবলিক ক্লাউড
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরণ অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -

১. পাবলিক ক্লাউড:
- এই ধরণের সেবা জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রাধীন অফিস বা, অবস্থানের পাবলিক ক্লাউড অবস্থিত থাকে যেখানে ইউজারডের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক এপ্লিকেশন, স্টোরেজ, এবং অন্যান্য রিসোর্সসমূহ উন্মুক্ত থাকে। যেমন- এমাজন ওয়েব সার্ভিস। যেমন: Amazon Web Services.

২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোন ক্লাউড সার্ভিস যখন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মী বা, তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অথবা, বাহিরে কোথাও হোস্টিং করা হয় তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলা হয়।

৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক ক্লাউড যেমন- পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউড সম্মিলিতভাবে তাদের নিজস্বতা বজায় রেখে যখন রিসোর্স শেয়ার করে তখন তাকে মিশ্র ক্লাউড বলা হয়। যেমন- কমিউনিটি ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২০.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এর কোন উপাদানটি রিসোর্স শেয়ার করে?
  1. ক্লায়েন্ট
  2. সার্ভার
  3. নেটওয়ার্ক
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং:
- ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান বা কম্পোনেন্ট থাকে। যথা-
১। ক্লায়েন্ট,
২। সার্ভার এবং
৩। নেটওয়ার্ক।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২১.
কোন প্রযুক্তি 'রিসোর্স স্কেলেবিলিটি' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. ক) Quantum Computing
  2. খ) Cloud Computing
  3. গ) Big Data Analytics
  4. ঘ) Client–server Model
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (ঘওঝঞ)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও
বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিমোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য
থাকবে। 
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি : ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে
সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড : ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা
বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো : এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

 কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া
দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।


[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ,এইচএসসি প্রোগ্রাম]
২২২.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকার নয়?
  1. পাবলিক ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. ওয়াইড ক্লাউড
  4. হাইব্রিড ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং:
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা। আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)।

ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
পাবলিক ক্লাউড
প্রাইভেট ক্লাউড
মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড

- নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠান সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়াকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু ১৯৬০ এর দশক থেকেই।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

উৎস: Live MCQ Lecture.
২২৩.
নিচের কোনটি IaaS এর একটি উদাহরণ?
  1. Google Workspace
  2. Amazon EC2
  3. Google App Engine
  4. Dropbox
ব্যাখ্যা

• Amazon EC2 IaaS (Infrastructure as a Service) এর একটি উদাহরণ।

• সেবার ধরণ অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা:
১. IaaS (Infrastructure as a Service):
– অবকাঠামো সেবা ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়ালাইজড হার্ডওয়্যার রিসোর্স প্রদান করা হয়।
- ব্যবহারকারী নিজের সফটওয়্যার, OS, এবং অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করতে পারে।
উদাহরণ: Amazon EC2, Google Compute Engine, Microsoft Azure VM

• বৈশিষ্ট্য:
- ব্যবহারকারী হার্ডওয়্যার নিয়ে চিন্তিত নয়।
- প্রসেসর, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক সম্পদ অন-ডিমান্ড।
 
২. PaaS (Platform as a Service):
– প্ল্যাটফর্ম সেবা ব্যবহারকারীকে ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম প্রদান করা হয়।
- OS, ডাটাবেস, ডেভেলপমেন্ট টুলস ইত্যাদি প্রস্তুত থাকে।
ব্যবহারকারী শুধু অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও চালায়।
উদাহরণ: Google App Engine, Microsoft Azure App Service, Heroku

বৈশিষ্ট্য:
- হার্ডওয়্যার এবং OS নিয়ে ব্যবহারকারী চিন্তিত নয়।
- কেবল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের উপর মনোনিবেশ করা যায়।
 
৩. SaaS (Software as a Service):
 – সফটওয়্যার সেবা ব্যবহারকারী সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে, ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই।
- ক্লাউড প্রোভাইডার সফটওয়্যার হোস্ট করে এবং ব্যবহারকারী ব্রাউজার বা অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করে।
উদাহরণ: Google Workspace, Microsoft 365, Dropbox, Zoom

বৈশিষ্ট্য:
- ব্যবহারকারী কেবল সফটওয়্যার ব্যবহার করে, কোনো ডিপ্লয়মেন্ট বা মেইনটেনেন্সের প্রয়োজন নেই।
- সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক বা পে-অ্যাজ-ইউ-গো মডেল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৪.
সার্ভার-ভিত্তিক কম্পিউটিংয়ে "ক্লায়েন্ট" বলতে কী বোঝায়?
  1. ডাটা সেন্টার
  2. ব্যবহারকারীর ডিভাইস
  3. রাউটার
  4. মডেম
ব্যাখ্যা

◉ সার্ভার-ভিত্তিক কম্পিউটিংয়ে ক্লায়েন্ট বলতে সেই ডিভাইসকে বোঝায়, যা সার্ভার থেকে সেবা বা ডেটা গ্রহণ করে। এটি হতে পারে কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি।

নেটওয়ার্ক:
- নেটওয়ার্কে বিদ্যমান ডিভাইসসমূহ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে এবং সেগুলোর সার্ভিস মডেল কেমন হবে, তার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নিম্নরুপে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
২. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network)
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)

পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পৃথক সার্ভার কম্পিউটার ব্যতীত দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে রিসোর্স শেয়ার করার জন্য যে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তা হলো পিয়ার-টু- পিয়ার নেটওয়ার্ক।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network):
- একাধিক ক্লায়েন্ট/ওয়ার্কস্টেশন ও একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- এখানে সার্ভার কম্পিউটারে কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা জমা রাখা হয় এবং এসব ডেটা নেটওয়ার্কে অবস্থিত ক্লায়েন্ট কম্পিউটার কর্তৃক রিসোর্স হিসেবে ব্যবহার (শেয়ার) করা হয়।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network):
- এটি মূলত পিয়ার-টু-পিয়ার ও ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্ষেত্রে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিং-এর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য (যেমন- গ্লোবাল স্টোরেজ মিডিয়া) বিদ্যমান থাকায় কর্পোরেট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে।
- এই নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট সার্ভারের প্রাধান্য বেশি থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

২২৫.
The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে কত সালে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ।
-  ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে রিসোর্স স্কেলেবিলিটি, অন-ডিমান্ড ও পে-অ্যাজ-ইউ-গো এই ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৬.
নিম্নের কোনটি NIST নির্ধারিত ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Resource Scalability
  2. Fixed Bandwidth
  3. On-Demand Service
  4. Pay-as-you-go
ব্যাখ্যা

• Fixed Bandwidth → নির্দিষ্ট বা স্থির ব্যান্ডউইডথ ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য নয়; ক্লাউডে রিসোর্স ও সক্ষমতা পরিবর্তনযোগ্য।
- Resource Scalability → NIST অনুযায়ী ক্লাউডে চাহিদা অনুযায়ী রিসোর্স বাড়ানো–কমানো যায়; এটি একটি মূল বৈশিষ্ট্য।
- On-Demand Service → গ্রাহক যখন চাইবে তখনই সেবা নিতে পারে; এটি NIST নির্ধারিত বৈশিষ্ট্য।
- Pay-as-you-go → গ্রাহক ব্যবহৃত সেবার পরিমাণ অনুযায়ী অর্থ প্রদান করে; এটি ক্লাউডের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

• NIST অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সংজ্ঞা:

- যুক্তরাষ্ট্রের National Institute of Standards and Technology (NIST)–এর মতে, ক্লাউড কম্পিউটিং হলো এমন একটি মডেল যেখানে
গ্রাহকের তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করা হয়, এবং এই মডেলে নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ (NIST):

• ১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি (Resource Scalability):

- গ্রাহকের চাহিদা ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, সব ধরনের প্রয়োজন পূরণ করা যায়।
- গ্রাহক যত বেশি সেবা চায়, সেবাদাতা তত বেশি পরিমাণে রিসোর্স সরবরাহ করতে পারে।

• ২. অন-ডিমান্ড (On-Demand):

- গ্রাহক যখন চাইবে, তখনই সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- গ্রাহক তার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় সেবার পরিমাণ বাড়াতে বা কমাতে পারে।

• ৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-as-you-go):

- এটি একটি ব্যবহারভিত্তিক পেমেন্ট মডেল।
- গ্রাহককে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হয় না।
- গ্রাহক যতটুকু সেবা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র ততটুকুর জন্যই অর্থ প্রদান করবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৭.
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফটওয়্যার সংরক্ষিত থাকে তাকে কী বলে?
  1. ক) ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  2. খ) কম্প্যাক্ট ডিস্ক
  3. গ) বুটিং ডিস্ক
  4. ঘ) স্টার্ট আপ ডিস্ক
ব্যাখ্যা
- একটি কম্পিউটার সিস্টেমে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার জন্য একটি স্টার্টআপ ডিস্ক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারকে ব্যবহার উপযোগী করতে হলে এটিতে অবশ্যই একটি অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে হবে।
- অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে কম্পিউটারে একটি Bootable মিডিয়া প্রয়োজন। এই Bootable মিডিয়াটি ডিভিডি বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হতে পারে যার মধ্যে অপারেটিং সিস্টেমের সেটআপ ফাইল যেমন লিনাক্স, উইন্ডোজ, ম্যাক ইত্যাদি থাকবে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের ব্যবহার সহজ করে দিয়েছেন। ফলে এখন সাধারণ মানুষের পক্ষেও কম্পিউটার ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমের কারণেই তা সম্ভব হচ্ছে।
২২৮.
নিচের কোনটি পাবলিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ?
  1. ক) PAN
  2. খ) WAN
  3. গ) CAN
  4. ঘ) LAN
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের মালিকানা:
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network) এবং
২। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network)। 

পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network)
:
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে, অর্থাৎ এর একক মালিকানা থাকে না।
- এর ব্যবহারকারীকে সাধারণত ফিস্ বা মূল্য পরিশোধ করতে হয় না।
- WAN বা ইন্টারনেট এ ধরনের নেটওয়ার্কের উদাহরণ

প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network)
:
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে।
- কেউ ইচ্ছা করলেই এই নেটওয়ার্কে অ্যাকসেস করতে পারে না।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ও তত্ত্বাবধানে।
- এর সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত এবং এতে ট্রাফিক নেই বললেই চলে।
- ডেটা আদান-প্রদানে ডিলে (Delay) কম হয়।
- PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক।

উৎস
: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২২৯.
মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম কী নামে পরিচিত?
  1. Cloudera
  2. Azure
  3. Bing
  4. AWS
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মকে Azure নামে পরিচিত। এটি একটি শক্তিশালী এবং বহুমুখী ক্লাউড সার্ভিস, যা ডেভেলপার ও ব্যবসায়ীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটিং, স্টোরেজ, ডাটাবেস, এবং নেটওয়ার্কিং সুবিধা প্রদান করে। Azure ব্যবহার করে সংস্থাগুলি তাদের অ্যাপ্লিকেশন হোস্ট করতে, বড় ডেটা বিশ্লেষণ করতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রজেক্ট তৈরি করতে পারে। এটি বিভিন্ন প্রকারের ক্লাউড মডেল-পাবলিক, প্রাইভেট, এবং হাইব্রিড ক্লাউড-সাপোর্ট করে। মাইক্রোসফটের Azure বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে দ্রুত, নিরাপদ এবং স্কেলযোগ্য ক্লাউড সেবা প্রদান করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) Azure।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড প্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত)

উৎস: মাইক্রোসফট এবং তাদের নিজস্ব অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

২৩০.
ক্লাউড কম্পিউটিং - এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. On-demand
  2. Resource scalability
  3. Resource power
  4. Pay as you go
ব্যাখ্যা
Resource power ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বৈশিষ্ট্য নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩১.
নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য রিসোর্স ভাড়া দেওয়া কি ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং?
  1. ই-সার্ভিস
  2. ই-কম্পিউটিং
  3. অবকাঠামোগত সেবা
  4. অনলাইন কম্পিউটিং সেবা
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (laas: Infrastructure as a service): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। 
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Saas: Software as a service): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩২.
Which of the following is not a standard cloud computing service model?
  1. IaaS (Infrastructure as a Service)
  2. CaaS (Computing as a service)
  3. PaaS (Platform as a Service)
  4. SaaS (Software as a Service)
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়‍্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:

• laaS (Infrastructure as a Service):
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

PaaS (Platform as a Service):
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়‍্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

• SaaS (Software as a Service):
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৩৩.
পাবলিক ক্লাউড ব্যবহার করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) এমাজন
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) গুগল
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud) : জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ক্লাউডকে পাবলিক ক্লাউড বলে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত সকলের বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ এবং অন্যান্য রিসাের্স ইত্যাদির সার্ভিসযুক্ত ক্লাউড-ই পাবলিক ক্লাউড।
Amazon, Microsoft এবং Google ইত্যাদি তাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামাে স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।

২৩৪.
Dropbox is primarily an example of which cloud service model?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. FaaS
ব্যাখ্যা

• Dropbox-কে সাধারণত Software as a Service (SaaS) হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।

• ড্রপবক্স (dropbox.com):
- ড্রপবক্স একটি ফাইল হোস্টিং সার্ভিস, যা ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন নামক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- এমআইটি-এর ড্রিউ হিউস্টন (Drew Houston) ও আরাশ ফেরদৌসী (Arash Ferdowsi) ২০০৭ সালে ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- সার্ভিসটি ক্লাউড স্টোরেজ, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন ও ক্লায়েন্ট সফটওয়‍্যার সার্ভিস দিয়ে থাকে।
- ড্রপবক্স তাদের ব্যবহারকারীদের নিজস্ব কম্পিউটারে একটি নির্দিষ্ট ড্রপবক্স সিনক্রোনাইজড ফোল্ডার তৈরি করতে দেয়, যা ব্যবহারকারী পরবর্তীকালে যে কোনো কম্পিউটার থেকে হুবহু অ্যাকসেস করতে পারে।
- ড্রপবক্স মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড, ম্যাক ওএস এক্স, লিনাক্স, গুগল অ্যান্ড্রয়েড, অ্যাপল আইওএস, ব্ল‍্যাকবেরি ওএস এবং ওয়েব ব্রাউজারগুলোর জন্য ক্লায়েন্ট সফটওয়‍্যার সরবরাহ করে থাকে।

• Software as a Service (SaaS) মডেল:
- SaaS মডেলের অধীনে, ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সরাসরি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন (যেমন: ফাইল স্টোরেজ, শেয়ারিং, সিঙ্ক্রোনাইজেশন) ব্যবহার করতে দেওয়া হয়।
- যেহেতু Dropbox একটি তৈরি অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারী এটি সরাসরি ব্যবহার করে, তাই এটি SaaS মডেলের সর্বোত্তম উদাহরণ।
- এখানে Dropbox কোম্পানিই অ্যাপ্লিকেশন, ডাটা, রানটাইম, অপারেটিং সিস্টেম এবং সার্ভারসহ সম্পূর্ণ অবকাঠামো পরিচালনা করে।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২৩৫.
সর্বপ্রথম বাণিজ্যকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে-
  1. ক) অ্যাপল
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) ওরাকল
  4. ঘ) আমাজন
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই।
• তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
• ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।
• এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং জনসাধারণের মুঠোয় আসতে শুরু করে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৩৬.
সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে-
  1. মাইক্রোসফট
  2. আইবিএম
  3. আমাজন
  4. আলিবাবা
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৩৭.
নিচের কোনটি Cloud Computing এর সার্ভিস মডেল নয়?
  1. SaaS
  2. LaaS
  3. IaaS
  4. PaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Saas: Software as a service) : ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

সুত্রঃ অধ্যায়ঃ নেটয়ার্কিং, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৮.
Which cloud computing feature allows providers to supply more resources as customer demand increases?
  1. On-demand service
  2. Resource scalability
  3. Pay-as-you-go
  4. Virtualization
ব্যাখ্যা

• Resource Scalability বৈশিষ্ট্য গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী রিসোর্স বাড়ানো বা কমানোর সুবিধা দেয়।

• Resource Scalability:
- Resource Scalability হলো ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য, যেখানে গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী রিসোর্স সহজে বৃদ্ধি বা হ্রাস করা যায়।
- গ্রাহকের চাহিদা ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, ক্লাউড সেবাদাতা সেই অনুযায়ী রিসোর্স সরবরাহ করতে পারে।

• NIST অনুযায়ী Resource Scalability:
- NIST-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলে রিসোর্স elastic ও scalable হয়।
- অর্থাৎ ব্যবহারকারী যত বেশি সেবা চায়, সেবাদাতা তত বেশি পরিমাণে computing power, storage বা bandwidth দিতে পারে।

• ক্লাউড ব্যবহারে Resource Scalability-এর গুরুত্ব:
- হঠাৎ ব্যবহারকারী সংখ্যা বেড়ে গেলে সার্ভিস বন্ধ না করে দ্রুত রিসোর্স বাড়ানো সম্ভব হয়।
- আবার প্রয়োজন কমে গেলে অতিরিক্ত রিসোর্স কমিয়ে খরচ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- On-demand service গ্রাহককে যেকোনো সময় সেবা নেওয়ার সুবিধা দেয়।
- Pay-as-you-go হলো ব্যবহারভিত্তিক পেমেন্ট মডেল।
- Virtualization হলো হার্ডওয়্যার রিসোর্সকে ভার্চুয়ালি ভাগ করে ব্যবহারের প্রযুক্তি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩৯.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সফটওয়্যারভিত্তিক সেবার উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. Google Apps
  2. Dropbox
  3. Azure
  4. Hubspot
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়।

• অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।

• প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
- Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

• সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
- এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।
- Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ।

• নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service):
- এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৪০.
Key logger এক ধরনের -
  1. ফার্ম ওয়্যার
  2. এন্টিভাইরাস
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা
কি লগারকে অনেক সময় সিস্টেম মনিটর বা কি স্ট্রোক লগার বলা হয়ে থাকে। কোন ব্যবহারকারীর সিস্টেমে এটা সেট করে দিলে কী বোর্ডে যে যে বাটন প্রেস করবে সেসব তথ্যই কী লগার সেটকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এর কাছে চলে যাবে। এমনকি  অনেক সময় ব্যবহারকারী জানতেও পারবেন না যে ব্যবহারকারীর অজান্তেই তার কত মূল্যবান ও গোপনীয় তথ্য আরেকজনের কাছে চলে যাচ্ছে।
২৪১.
কোন নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে?
  1. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  2. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  3. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network),
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) এবং 
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪২.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে নেটওয়ার্কের ভূমিকা কী?
  1. ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয় 
  2. সমস্ত ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  3. সার্ভারের অনুলিপি তৈরি করা
  4. ক্লায়েন্টের হার্ডওয়্যার এনক্রিপ্ট করা
ব্যাখ্যা

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে নেটওয়ার্কের প্রধান ভূমিকা হল ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করা। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট সার্ভারের রিসোর্স বা সার্ভিসের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ করতে পারে। এটি মূলত ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেয়, যাতে ডেটা রিমোটলি অ্যাক্সেস করা যায়। নেটওয়ার্ক ডেটা সংরক্ষণ, সার্ভারের অনুলিপি তৈরি বা ক্লায়েন্ট হার্ডওয়্যার এনক্রিপশনের জন্য সরাসরি দায়ী নয়, বরং এটি শুধুমাত্র যোগাযোগ ও তথ্য পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সুতরাং, ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে নেটওয়ার্কের মূল কাজ হল ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া।

উত্তর: ক) ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়। 
 
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৪৩.
অ্যামাজন-এর ক্লাউড প্লাটফর্ম কোনটি?
  1. Azure
  2. AWS
  3. Cloudera
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- অ্যামাজন-এর ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই। 
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
 
উৎস: aws.amazon.com


অন্যদিকে,
- Azure মাইক্রোসফটের ক্লাউড সেবা দানকারী প্লাটফর্ম।
- Cloudera যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডাটা ম্যানেজম্যান্ট সেবাদানকারী  কোম্পানি।
২৪৪.
'ক্লাউড কম্পিউটিং' এ কোন ধরনের সেবা প্রদান করা হয় না?
  1. ক) UaaS
  2. খ) laaS
  3. গ) PaaS
  4. ঘ) SaaS
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

সার্ভিস মডেল অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের শ্রেণিবিভাগ: সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে (তিন) ভাগে ভাগ করা যায়-

অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়; যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারে সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন। উদাহরণ:  Amazon Web Services, Google Cloud ইত্যাদি।

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। উদাহরণ:  AWS Elastic Beanstalk, Google App Engine ইত্যাদি।
 
সফটওয়্যার সেবা (Software/Application as a services-SaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, Slack (Collaboration and Messaging), অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫) ইত্যাদি। 

[IBM Cloudএবং Microsoft Azure এর ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মধ্যে IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service) সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. https://www.azure.microsoft.com
৩. https://www.ibm.com
২৪৫.
আরপানেট টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু করে-
  1. ক) ১৯৬৯ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
আরপানেট টিসিপি/আইপি প্রটোকল ব্যবহার শুরু করে‌ ১৯৮৩ সালে। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪৬.
নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারীদের কাছে ভিডিও স্ট্রিম করার জন্য মূলত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. কেবল স্থানীয় সার্ভার
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  4. ব্লকচেইন
ব্যাখ্যা

• নেটফ্লিক্স মূলত ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহার করে ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা প্রদান করে। এটি কোনো একক স্থানীয় সার্ভারের উপর নির্ভর করে না, বরং বড় বড় ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে কাজ করে। ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহার করলে নেটফ্লিক্স প্রচুর পরিমাণের ভিডিও কন্টেন্ট সঞ্চয়, প্রসেস এবং ব্যবহারকারীর ডিভাইসে দ্রুত পৌঁছাতে পারে। এটি ব্যবহারকারীর অনুরোধ অনুযায়ী ডেটা ট্রান্সফার করে ল্যাগ বা বিরতি ছাড়াই ভিডিও স্ট্রিমিং নিশ্চিত করে। এছাড়াও ক্লাউড প্রযুক্তি নেটফ্লিক্সকে স্কেল করার সুবিধা দেয়, মানে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়লেও সহজে সার্ভিস পরিচালনা করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ক্লাউড কম্পিউটিং।
 
• নেটফ্লিক্স (Netflix): 
- নেটফ্লিক্স হলো একটি নিবন্ধনভিত্তিক (subscription-based) স্ট্রিমিং সার্ভিস।
- নেটফ্লিক্স ইউজারদের ইন্টারনেটে বিভিন্ন টিভি শো ও সিনেমা বিজ্ঞাপন ছাড়াই দেখার সুবিধা প্রদান করে। 
- প্রয়োজনে এই শো বা মুভিগুলো ডাউনলোড করে অফলাইনেও দেখা যায়। 
- এটি একটি মার্কিন বিনোদনধর্মী প্রতিষ্ঠান, যেটি ১৯৯৭ সালের ২৯ আগস্ট রিড হ্যাস্টিংস (Reed Hastings) ও মার্ক রেন্ডোল্ফ (Marc Randolph) কর্তৃক - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের স্কটস ভ্যালি শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- নামকরা সব চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিয়াল তৈরি করে বিভিন্ন দেশের দর্শকদের মন জয় করেছে নেটফ্লিক্স। 
- নেটফ্লিক্স দেখতে পারবে শুধু তাদের নিবন্ধিত গ্রাহকরা এবং এ জন্য অবশ্যই মাসিক ফি দিতে হবে। 
- বাংলাদেশসহ বহু দেশে নিজেদের জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা চালু করেছে নেটফ্লিক্স। ফলে এই দেশগুলোর নিবন্ধিত গ্রাহকরা যে কোনো স্থান থেকে টিভি শো ও মুভি উপভোগ করতে পারবেন।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৪৭.
"Google App Engine" কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. Container as a Service
  2. Infrastructure-as-a-Service - IaaS
  3. Platform-as-a-Service - PaaS
  4. Software-as-a-Service - SaaS
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. Platform-as-a-Service - PaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. Software-as-a-Service - SaaS:
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উদাহরণ: Google Docs.

• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এইাৎ এসসি প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৮.
Which of the following is Amazon's cloud platform?
  1. ক) Azure
  2. খ) AWS
  3. গ) Cloudera
  4. ঘ) GWS
ব্যাখ্যা
- অ্যামাজন-এর ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই। 
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
 
উৎস: aws.amazon.com

অন্যদিকে,
- Azure মাইক্রোসফটের ক্লাউড সেবা দানকারী প্লাটফর্ম।
- Cloudera যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডাটা ম্যানেজম্যান্ট সেবাদানকারী  কোম্পানি।
২৪৯.
Which provides cloud-based virtual machines (VMs)?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. None of these
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল ম্যাশিন:
- ভার্চুয়াল ম্যাশিনকে সংক্ষেপে 'VM'-ও বলা হয়।
- VM ল্যাপটপ, স্মার্ট ফোন, সার্ভার বা অন্য যেকোন ফিজিক্যাল কম্পিউটারের চেয়ে আলাদা নয়।
- ভার্চুয়াল ম্যাশিনে বিভিন্ন ফাইল সংরক্ষণ করার জন্য একটি CPU, মেমরি, ডিস্ক রয়েছে এবং প্রয়োজনে ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ করতে পারে।
- কোন প্রতিষ্ঠান ভার্চুয়ালাইজড হার্ডওয়্যার যেমন CPU, মেমোরি, স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কিং উপাদান সহ ইন্টারনেটে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং সেবা সরবরাহ করে।
- ব্যবহারকারীরা এই VM গুলির মধ্যে তাদের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলি স্থাপন, পরিচালনা এবং চালাতে পারে।
- ভার্চুয়াল ম্যাশিনগুলো ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন ছাড়াই ফিজিক্যাল মেশিনের মতো কাজ করতে পারে।
- তাই, Cloud-based Virtual Machines (VMs) হচ্ছে অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS).

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্ভিস মডেল:

সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS)
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service PaaS)
৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS)

১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP).

২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Heroku,
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Service.

৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS):
 - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Salesforce,
- Microsoft 365,
- Google Workspace.

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২)সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩) IBM & Virtual Machine
২৫০.
How is Dropbox typically categorized based on its end-user application?
  1. Platform as a Service (PaaS)
  2. Software as a Service (SaaS)
  3. Infrastructure as a Service (IaaS)
  4. Serverless Computing
ব্যাখ্যা

Dropbox-কে সাধারণত Software as a Service (SaaS) হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।

ড্রপবক্স (dropbox.com):
- ড্রপবক্স একটি ফাইল হোস্টিং সার্ভিস, যা ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন নামক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- এমআইটি-এর ড্রিউ হিউস্টন (Drew Houston) ও আরাশ ফেরদৌসী (Arash Ferdowsi) ২০০৭ সালে ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- সার্ভিসটি ক্লাউড স্টোরেজ, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন ও ক্লায়েন্ট সফটওয়‍্যার সার্ভিস দিয়ে থাকে।
- ড্রপবক্স তাদের ব্যবহারকারীদের নিজস্ব কম্পিউটারে একটি নির্দিষ্ট ড্রপবক্স সিনক্রোনাইজড ফোল্ডার তৈরি করতে দেয়, যা ব্যবহারকারী পরবর্তীকালে যে কোনো কম্পিউটার থেকে হুবহু অ্যাকসেস করতে পারে।
- ড্রপবক্স মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড, ম্যাক ওএস এক্স, লিনাক্স, গুগল অ্যান্ড্রয়েড, অ্যাপল আইওএস, ব্ল‍্যাকবেরি ওএস এবং ওয়েব ব্রাউজারগুলোর জন্য ক্লায়েন্ট সফটওয়‍্যার সরবরাহ করে থাকে।

Software as a Service (SaaS) মডেল:
- SaaS মডেলের অধীনে, ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সরাসরি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন (যেমন: ফাইল স্টোরেজ, শেয়ারিং, সিঙ্ক্রোনাইজেশন) ব্যবহার করতে দেওয়া হয়।
- যেহেতু Dropbox একটি তৈরি অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারী এটি সরাসরি ব্যবহার করে, তাই এটি SaaS মডেলের সর্বোত্তম উদাহরণ।
- এখানে Dropbox কোম্পানিই অ্যাপ্লিকেশন, ডাটা, রানটাইম, অপারেটিং সিস্টেম এবং সার্ভারসহ সম্পূর্ণ অবকাঠামো পরিচালনা করে।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। IBM website (link).

২৫১.
ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন কে?
  1. স্টিভ জবস
  2. জন ম্যাকার্থি
  3. ইলন মাস্ক
  4. টিম কুক
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকার্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে।
যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৫২.
নিচের তালিকায় কোনটি একটি জনপ্রিয় SaaS পণ্যের উদাহরণ?
  1. Google Drive
  2. Microsoft Word
  3. Linux
  4. Apache HTTP Server
ব্যাখ্যা
⚪ SaaS একটি ক্লাউড-বেসড সেবা, যেখানে সফটওয়্যারটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায় এবং ব্যবহারকারীকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড বা ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না।

⚪ অপশন আলোচনা:

A) Microsoft Word – এটি একটি ডেস্কটপ সফটওয়্যার, যেটি সাধারণত আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়। এটি SaaS নয়।

B) Google Drive – এটি একটি ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা, যেখানে আপনি ফাইল সংরক্ষণ এবং শেয়ার করতে পারেন। এটি একটি উদাহরণ SaaS পণ্যের।

C) Linux – এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা সাধারণত ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হয়। এটি SaaS নয়।

D) Apache HTTP Server – এটি একটি ওয়েব সার্ভার সফটওয়্যার, যা সাধারণত সিস্টেমে ইনস্টল করা হয় এবং একটি সার্ভার পরিচালনা করতে ব্যবহার হয়। এটি SaaS নয়।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. Platform-as-a-Service - PaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. Software-as-a-Service - SaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

⚪ যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৩.
V-SAT এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Very Smal Aparture Terminal
  2. খ) Very Smalls Aparture Terminal
  3. গ) Very Small Aperture Terminal
  4. ঘ) Very Small Aparture Terminal
ব্যাখ্যা
V-SAT এর পূর্ণরূপ হলো- Very Small Aperture Terminal। ভূপৃষ্ঠ হতে স্যাটেলাইটে যোগাযোগ করার জন্য V-SAT ব্যবহার করা হয়। V-SAT সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিক্রয় কেন্দ্রে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত আদান-প্রদানের জন্য।
২৫৪.
কম্পিউটার সার্ভারের ক্লায়েন্টকে কী বলা হয়?
  1. টার্মিনাল
  2. ডেস্কটপ
  3. ওয়ার্কস্টেশন
  4. হোস্ট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সার্ভারের ক্লায়েন্টকে ওয়ার্কস্টেশন বলা হয়।

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং:
- ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান বা কম্পোনেন্ট থাকে। যথা-
১. ক্লায়েন্ট,
২. সার্ভার এবং
৩. নেটওয়ার্ক।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৫.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ কয়টি উপাদান থাকে?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাঁচটি
  4. ছয়টি
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান থাকে।

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং:

- ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান বা কম্পোনেন্ট থাকে। যথা-
১. ক্লায়েন্ট,
২. সার্ভার এবং
৩. নেটওয়ার্ক।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৬.
125.101.15.124 আইপি এড্রেসটি কোন ধরনের?
  1. ক) Class A
  2. খ) Class B
  3. গ) Class C
  4. ঘ) Class D
ব্যাখ্যা

Class A = 1.0.0.1 to 126.255.255.254
Class B =  128.1.0.1 to 191.255.255.254
Class C =  192.0.1.1 to 223.255.254.254
Class D = 224.0.0.0 to 239.255.255.255

২৫৭.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবার অন্তর্গত? 
  1. Google Docs
  2. EC2
  3. Azure
  4. Dropbox
ব্যাখ্যা

◉ Azure (Microsoft Azure) মূলত Platform as a Service (PaaS) এবং Infrastructure as a Service (IaaS) উভয় সেবা প্রদান করে, তবে এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা হিসেবেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:

১. IaaS (Infrastructure as a Service): 
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Amazon EC2, Google Cloud Storage, Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service): 
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ: Google App Engine, Microsoft Azure App Services, Heroku, Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service): 
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ: Google Docs, Microsoft 365, Lotus, Yahoo! mail, Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

২৫৮.
কোন নেটওয়ার্কের কম্পিউটারগুলো সমান্তরালভাবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. পিয়ার টু পিয়ার
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• পিয়ার টু পিয়ার (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সময়েই সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। এখানে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না এবং প্রত্যেক কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান-প্রদান করে। এর ফলে প্রত্যেক ব্যবহারকারী তার নিজের রিসোর্স যেমন ফাইল, প্রিন্টার বা ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারে এবং একই সাথে অন্যদের রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে। এটি ছোট বা মাঝারি সাইজের নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী এবং সহজে সেটআপ করা যায়। তাই, পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার উভয় ভূমিকা পালন করে, অর্থাৎ সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: পিয়ার টু পিয়ার।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫৯.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে স্থাপনা মডেল (Deployment Model) এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) প্রাইভেট ক্লাউড
  2. খ) হাইব্রিড ক্লাউড
  3. গ) কনসেন্সাস ক্লাউড
  4. ঘ) পাবলিক ক্লাউড
ব্যাখ্যা
স্থাপনা মডেলসমূহ (Deployment Models):
স্থাপনা মডেলগুলো ক্লাউডের অ্যাক্সেসের ধরণটি সংজ্ঞায়িত করে, অর্থাৎ ক্লাউডটি কীভাবে অবস্থিত? ক্লাউডে চার ধরণের অ্যাক্সেস থাকতে পারে: পাবলিক, প্রাইভেট, কমিউনিটি এবং হাইব্রিড ।
২৬০.
'স্টাক্সনেট' হলো একটি -
  1. ক) এমবেডেড সিস্টেম
  2. খ) নেটওয়ার্ক প্রটোকল
  3. গ) ম্যালওয়্যার
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
- ১৫ বছর আগে ইরানের নাটাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রে হাজার হাজার মোটরের গতি বাড়াতে-কমাতে আধুনিক ম্যালওয়্যার ব্যবহার করেছিল ইসরায়েল।
- 'স্টাক্সনেট' নামের সেই ম্যালওয়্যার প্রচুর যান্ত্রিক ত্রুটি তৈরির পাশাপাশি ইরানের ইউরেনিয়াম তৈরিকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।
- অস্থিতিশীল করে দিয়েছিল ইরান সরকারকেও।
- ২০২০ সালে সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে একটি ইরানীয় বন্দরের কার্গো ও শিপিং কার্যক্রম নষ্ট করে দিয়েছিল ইসরায়েল।

উৎস: www.tbsnews.net
২৬১.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য না কোনটি?
  1. ক) Resource Flexibility
  2. খ) No network access
  3. গ) Pay as you go
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথাঃResource Flexibility,On Demand, Pay as you go.
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২৬২.
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. ক) হোস্ট
  2. খ) ওয়ার্কস্টেশন
  3. গ) পিসি
  4. ঘ) গেটওয়ে
ব্যাখ্যা
- কোনো কম্পিউটারে সংরক্ষিত রিসোর্সসমূহ যদি একসাথে এবং একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে বা শেয়ার করতে পারে তাকে সার্ভার বলে।
- সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে যে সেবা গ্রহণ করে তাকে ওয়ার্ক স্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সুপার মাইক্রোকম্পিউটার সবচেয়ে শক্তিশালী মাইক্রোকম্পিউটার। 
- ওয়ার্কস্টেশন মাইক্রোকম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মাঝে একটি সেতু বন্ধন স্বরূপ। 
-এটি দ্বারা মিনি কম্পিউটারের প্রায় সমস্ত কাজই করা যায় কিন্তু দামের দিক থেকে অত্যন্ত সস্তা ।
 
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৬৩.
EC2 কোন ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং এর উদাহরণ?
  1. পাবলিক ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. হাইব্রিড ক্লাউড
  4. কমিউনিটি ক্লাউড
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউডের অবস্থান বা বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্বতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড:
- যে টাকা দিবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড। যেমন- আমাজনের EC2।
- এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
- Amazon, Microsoft পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত।

২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- কোনো বড় সংস্থার নিজের বিভিন্নরকম সার্ভিস চালানোর জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেল হিসেবে ব্যবহার করে, তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 

৩. হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক অর্থাৎ প্রাইভেট এবং পাবলিক ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৬৪.
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় কোন ধরনের ক্লাউড সিস্টেমে?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কী ধরনের সেবা দিচ্ছে , তার ভিত্তিতে ক্লাউড কে তিন ভাগে ভাগ করা যায় :

Infrastructure-as-a Service(IaaS) - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।

Platform-as-a -Service (PaaS) - এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।

Software-as-a Service (SaaS) - সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২৬৫.
সেবা প্রদানের ভিত্তিতে ক্লাউড কম্পিউটিংকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. চার ভাগে
  2. দুই ভাগে
  3. পাঁচ ভাগে
  4. তিন ভাগে
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের মডেল:
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৬৬.
কোন প্রকারের ক্লাউড মডেলে একাধিক সংস্থা একটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ার করে?
  1. পাবলিক ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. কমিউনিটি ক্লাউড
  4. হাইব্রিড ক্লাউড
ব্যাখ্যা

◉ কমিউনিটি ক্লাউডে একই ধরনের চাহিদা বা লক্ষ্য থাকা একাধিক প্রতিষ্ঠান (যেমন: গবেষণা সংস্থা, সরকারি বিভাগ) একটি শেয়ার্ড ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবহার করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২৬৭.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে ব্যবহৃত প্রধান মডেলগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. IaaS
  2. HaaS
  3. PaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা

- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল নয়- HaaS 

ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। 
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 
অর্থাৎ, SaaS ক্লাউড সার্ভিস মডেলটি ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুযোগ দেয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৮.
মাইক্রোসফট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ওয়েব সার্ভার কোনটি?
  1. ক) MWS
  2. খ) IIS  
  3. গ) SMW
  4. ঘ) MIS  
ব্যাখ্যা
- ওয়েব সার্ভার বলতে বিশেষ ধরনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে বুঝায় যার সাহায্যে ঐ সার্ভারে রক্ষিত কোন উপাত্ত বা তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাকসেস করা যায়। 
- ওয়েব সার্ভারের প্রাথমিক কাজ হলো ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত কোন ক্লায়েন্টের অনুরোধে ওয়েব পেজ ক্লায়েন্টের কম্পিউটারে প্রদর্শন করা। 
 
নিম্নে কিছু প্রচলিত ওয়েব সার্ভারের পরিচিত তুলে ধরা হলো:
Product   ---      Vendor
Apache     --       Apache
IIS             --     Microsoft
nginx        --     Igor Sysoev
GWS         --      Google
Resin        --     Caucho Technology
 
 উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২৬৯.
নিচের কোনটি SaaS-এর উদাহরণ?
  1. Google App Engine
  2. Microsoft Azure App Services
  3. Google Docs
  4. Rackspace
ব্যাখ্যা
Google Docs হচ্ছে SaaS-এর একটি উদাহরণ।

SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service)
এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭০.
কোনটি জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস?
  1. Microsoft Excel
  2. Paint
  3. Notepad
  4. Amazon S3
ব্যাখ্যা

• জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস হলো এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের ডেটা, ফাইল, ছবি এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনা করতে পারে, এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো সময় যেকোনো স্থানে অ্যাক্সেস করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে Microsoft Excel, Paint এবং Notepad মূলত সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ডেটা তৈরি বা সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এগুলি ক্লাউড স্টোরেজ প্রদান করে না। অন্যদিকে, Amazon S3 (Simple Storage Service) একটি জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস যা বড় পরিমাণে ডেটা সংরক্ষণ, ব্যাকআপ, এবং স্কেলেবল স্টোরেজ সমাধান প্রদান করে। এটি ব্যবসা এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য বিশ্বব্যাপী ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা প্রদান করে।

উত্তর: ঘ) Amazon S3.

​ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

​ক্লাউড স্টোরেজের কিছু সুবিধা:
i) Remote Access – যে কোনো জায়গা থেকে ফাইল অ্যাক্সেস করা যায়।
ii) Automatic Backup – ডাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভ থাকে।
iii) Collaboration – একাধিক ব্যবহারকারী একই ফাইলে কাজ করতে পারে।
iv) Security & Encryption – ক্লাউডে সংরক্ষিত ডাটা সুরক্ষিত থাকে।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২৭১.
একটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে, ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য কোন ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. Client
  2. Server
  3. Router
  4. Switch
ব্যাখ্যা

• একটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য প্রধানত সার্ভার (Server) ব্যবহার করা হয়। সার্ভার হলো একটি শক্তিশালী কম্পিউটার বা ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের অন্যান্য কম্পিউটার বা ক্লায়েন্টদের জন্য ডেটা, ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যান্য সেবা সরবরাহ করে। ক্লায়েন্টরা সরাসরি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে না, তারা শুধু সার্ভারের কাছে অনুরোধ পাঠায় এবং সার্ভার থেকে তথ্য গ্রহণ করে। রাউটার এবং সুইচ মূলত নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য পরিবহন ও সংযোগের কাজ করে, কিন্তু ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য নয়। তাই, ডাটাবেস সংরক্ষণের জন্য সার্ভারই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যবহৃত ডিভাইস।

উত্তর: খ) Server.

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭২.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং- এর প্রোভাইডার নয়?
  1. Amazon Web Services
  2. Microsoft Azure
  3. iWork Numbers
  4. Google Cloud Platform
ব্যাখ্যা
• iWork Numbers ক্লাউড কম্পিউটিং- এর প্রোভাইডার নয়।
- iWork Numbers হচ্ছে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS),
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service-PaaS),
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a service-SaaS)।

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পাবলিক ক্লাউড,
২. প্রাইভেট ক্লাউড,
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

• কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার:
- Amazon Web Services (AWS),
- Microsoft Azure,
- Google Cloud Platform (GCP),
- IBM Cloud,
- Oracle Cloud, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭৩.
নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
  1. ক) laaS
  2. খ) PaaS
  3. গ) QaaS
  4. ঘ) SaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।
২. Platform-as-a -Service (PaaS): এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।
৩. Software-as-a Service (SaaS): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৭৪.
ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না
  2. তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
  3. নিজস্ব হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হয়
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা-
- যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়।
- অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
- নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হয় না।
- যে কোন ধরনের হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
- তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়োজন হয় না।
- সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা-
- ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে।
- তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২৭৫.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা কোনটি?
  1. SaaS
  2. IaaS
  3. PaaS
  4. Raas
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা হচ্ছে IaaS.

IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।

• উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

অন্যান্য অপশন
• SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

• PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

Raas ক্লাউড কম্পিউটিং এর কোনো সেবা নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭৬.
Oracle Corporation is primarily associated with:
  1. Search engines
  2. Social media
  3. Database management and cloud services
  4. E-commerce
ব্যাখ্যা
• ওরাকল কর্পোরেশন (Oracle Corporation):
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- ১৯৭৭ সালে ওরাকল যাত্রা শুরু করে।
- Headquarters: Austin, Texas, United States.
- Founders: Larry Ellison, Bob Miner, Ed Oates.
- কোম্পানিটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সিস্টেম এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার পণ্যে পারদর্শী-বিশেষভাবে নিজস্ব ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্র্যান্ড।
- Oracle Corporation, Database management and cloud services নিয়ে কাজ করে।

কয়েকটি Search engine এর নাম হল:
- google,
- bing,
- yahoo.

কয়েকটি Social media এর নাম হল:
- facebook,
- instagram,
- whatsapp.

কয়েকটি E-commerce এর নাম হল:
- amazon,
- alibaba,
- daraz.

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৭৭.
বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য কোন ক্লাউড সিস্টেম ব্যবহার করে?
  1. Public Cloud
  2. Private Cloud
  3. Hybrid Cloud
  4. Community Cloud
ব্যাখ্যা
• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud): 
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভলোপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়। 

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
যেমন: আমাজনের EC2.

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো, কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৭৮.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না?
  1. ক) Assembly Language
  2. খ) Machine Language
  3. গ) Mid- Level Language
  4. ঘ) High Level Language
ব্যাখ্যা
যে প্রোগ্রাম সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।
- অ্যাসেম্বলার শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
- অন্যদিকে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
- মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামের জন্য কোনো অনুবাদকের প্রয়োজন পড়ে না।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
২৭৯.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) মূলত কোন আর্কিটেকচারের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে?
  1. ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার
  2. ইভেন্ট-ড্রিভেন আর্কিটেকচার
  3. লেয়ার্ড আর্কিটেকচার
  4. পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) আর্কিটেকচার
ব্যাখ্যা

◉ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) Client-server architecture অনুযায়ী গড়ে উঠেছে।
এই আর্কিটেকচারে, ক্লায়েন্ট (যেমন ওয়েব ব্রাউজার) সার্ভার থেকে তথ্য বা রিসোর্স অনুরোধ করে, এবং সার্ভার সেই অনুরোধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ক্লায়েন্টকে প্রয়োজনীয় ডেটা বা ওয়েব পেজ প্রদান করে। এই মডেল ইন্টারনেট এবং ওয়েবের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web):
- World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। একে ওয়েবও বলে।
- ওয়েব হলো এমন একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- মূলত সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলোর সংগ্রহই হলো ওয়েব।
- ১৯৮৯ সালে যুক্তরাজ্যের Sir Tim Berners Lee ও Sir Sam Walker এবং বেলজিয়ামের Robert Cailiau সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত CERN (The European Center for Nuclear Research)-এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আবিষ্কার করেন।
- তবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে Mosaic নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর।

ওয়েব যেভাবে কাজ করে:
- ওয়েব ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার অনুযায়ী গড়ে উঠেছে।
- এর অর্থ হচ্ছে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার ওয়েব ব্রাউজার এর মাধ্যমে প্রোগ্রামটি বা ওয়েবটি রান করে অনুরোধ (Request) পাঠাবে সার্ভারে।
- সার্ভার, ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের অনুরোধকৃত তথ্যটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের ব্রাউজারের কাছে পাঠিয়ে দেবে এবং ব্রাউজার তা অনুবাদ করে স্ক্রিনে প্রদর্শন করবে।
- আর এভাবেই ওয়েব ব্রাউজার তার কার্যক্রম সম্পাদিত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮০.
What is a main computer called in a Centralized Network?
  1. Terminal or Node
  2. Hub or Switch
  3. Host or Server
  4. Terminal or Hub
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) Host or Server.

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার সেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- এ ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি'র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসসমূহ হলো ফাইল, প্রিন্ট মেসেজ, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

• হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা।
১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।

২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network):
- পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো নিজস্ব সফটওয়‍্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজগুলো করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২৮১.
ডেটাকে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে কি বলে?
  1. ক) ডেটা কমিউনিকেশন
  2. খ) হটস্পট
  3. গ) এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. ঘ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা
ডেটাকে একস্থান হতে অন্যস্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে ডেটা কমিউনিকেশন বলে। 

অন্য অপশনগুলো হলো- 
এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশ: 
- ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয়

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন 
- ডেটাকে প্রেরক স্টেশনে প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডেটার ক্যারেক্টারসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়। 

হটস্পট: 
- এটি এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক। 
- স্মার্ট ফোন, পিডিএ, ট্যাব, নেটবুক, নোটবুক বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে। 


সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮২.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় কোন দশকে?
  1. ১৯৪০ দশকে
  2. ১৯৬০ দশকে
  3. ১৯৯০ দশকে
  4. ২০০০ দশকে
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর শুরু করে।
- ২০১০ সালে The rackspace cloud এবং NASA মুক্ত এপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে । এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং সাধারণ জনগণের হাতের মুঠোয়  আসে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৩.
Salesforce.com প্রাধানত কোন ধরণের সেবা প্রদান করে?
  1. Platform as a Service
  2. Software as a Service
  3. Infrastructure as a Service
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে। 
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।
- Salesforce.com, provider of customer relationship management (CRM) on-demand services deployed through the Internet.
- Salesforce.com is a leading provider of software as a service (SaaS). 

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্ধাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩. ব্রিটানিকা।
২৮৪.
নিচের কোনটি Cloud Computing এর সেবার ধরন নয় -
  1. ক) Infrastructure as a Services – IaaS
  2. খ) Platform as a Service – PaaS
  3. গ) Software as a Service –SaaS
  4. ঘ) Intellectual as a service – IaaS
ব্যাখ্যা
Intellectual as a service – IaaS বাক্যটি সঠিক নয়। 

সেবার ধরন অনুযায়ী Cloud Computing কে তিন ভাগে ভাগ করা যায় –

Infrastructure as a Services – IaaS:
 
- এখানে ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড সেবাদানকারী তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজসহ মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

Platform as a Service – PaaS: 

- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার , ডেটাবেজ থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্লাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

Software as a Service –SaaS: 

- প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

সোর্স:
১. HSC Programme, Bangladesh Open University.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২৮৫.
কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে কী বলে?
  1. ই-কমার্স
  2. ই-সার্ভিস
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং
  4. ব্লকচেইন সেবা
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আ্যমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service-IaaS)
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা(Platform as a service-PaaS)
৩. সফটওয়্যার সেবা(Software/application as a service-SaaS)

- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড
২. প্রাইভেট ক্লাউড
৩. মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮৬.
বাণিজ্যিকভাবে আধুনিক ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা চালু করে কোনটি?
  1. Google Cloud Platform
  2. Microsoft Azure
  3. IBM Cloud
  4. Amazon Web Services (AWS)
ব্যাখ্যা

২০০৬ সালে Amazon তাদের ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম Amazon Web Services (AWS) বাণিজ্যিকভাবে চালু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• Amazon Web Services (AWS):
- আমাজন ২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো পাব্লিক ক্লাউড সার্ভিস হিসেবে AWS চালু করে, যা ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটিং রিসোর্স সরবরাহ করতে শুরু করে।
- এটি ছিল বিশ্বের প্রথম ইনফ্রাস্ট্রাকচার-অ্যাজ-এ-সার্ভিস (IaaS) মডেল, যেখানে ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল সার্ভার, স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্কিং রিসোর্স অন-ডিমান্ডে ভাড়া নিতে পারত।
- AWS-এর এই মডেলই আজকের আধুনিক ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ভিত্তি স্থাপন করে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

২৮৭.
'ওয়ান ড্রাইভ' ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসে বিনামূল্যে কত জিবি পর্যন্ত ফাইল রাখা যায়?
  1. ৫ জিবি
  2. ১০ জিবি
  3. ১৫ জিবি
  4. ২০ জিবি
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- 'ওয়ান ড্রাইভ' মাইক্রোসফটের একটি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস, যেখানে বিনামূল্যে ৫ জিবি পর্যন্ত ফাইল রাখা যায়।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a Service (IaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয়। যেমন- অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2)।

২. Platform-as-a- Service (PaaS):
- এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা। যেমন- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে।

৩. Software-as-a Service (SaaS):
- সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে। যেমন: গুগল ডকস।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২. [যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট]
২৮৮.
সর্বপ্রথম Cloud Computing সম্পর্কে ধারণা দেন কে?
  1. Steve Jobs
  2. Tim Berners-Lee
  3. Alan Turing
  4. John McCarthy
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। 
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকার্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন। 
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে। 
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
২৮৯.
সেবার বিস্তৃতি অনুসারে কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর শ্রেণিবিভাগ নয়?
  1. ক) পাবলিক ক্লাউড 
  2. খ) প্রাইভেট ক্লাউড
  3. গ) হাইব্রিড ক্লাউড
  4. ঘ) ডাম্ব ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS).

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

•  ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৯০.
IPv6 এর সাহায্যে কত সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়?
  1. ক) 2128
  2. খ) 232
  3. গ) 216
  4. ঘ) 264
ব্যাখ্যা
(1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 X ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলাে IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
২৯১.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা কোনটি?
  1. সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য
  2. ইন্টারনেট সংযোগ লাগে না
  3. অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়
  4. অধিকাংশ স্টোরেজের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকে
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা:
১. অপারেটিং খরচ কমানো:
- ক্লাউড ব্যবহার করে অপারেটিং খরচ (Operating cost) যথেষ্ট পরিমাণ কমানো সম্ভব।

২. সীমাহীন স্টোরেজ সুবিধা:
- ক্লাউডে স্টোরেজ নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। যখন যত দরকার, সুলভ মূল্যে কখন তত স্টোরেজ সুবিধা পাওয়া যাবে। 

৩. সহজে তথ্য প্রবেশাধিকার:
- ক্লাউডে রেজিস্ট্রিকৃত গ্রাহকরা তার ডেটাবেজে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো অবস্থান থেকে যে কোনো সময় ডেটা একসেস করতে পারে।

৪. সফটওয়্যার খরচ কম:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর গ্রাহক সফটওয়্যার সার্ভিসসহ সার্ভিস নিলে প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যারও সুলভে ব্যবহার করতে পারবে। 

৫. নিরাপত্তা: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কারিগরি দক্ষতা, ব্যাকআপ ক্যাপাসিটি অনেক বেশি। তাই কোনো ছোট প্রতিষ্ঠানের স্থাপিত নিজস্ব সেটআপের চেয়ে এগুলো বেশি নিরাপদ।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা:
১. নিরাপত্তা:
- সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না বিধায় তথ্যের নিরাপত্তা তুলনামূলকভাবে কম। 

২. ফি প্রদান:
- নির্ধারিত সময় অন্তর নির্ধারিত ফি দিতে হয়, না দিলে এ সার্ভিস বন্ধ করে দিলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। 

৩. ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ:
- প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের ওপর ব্যবহারকারীদের নিয়ন্ত্রণ কম থাকে বা থাকে না। 

৪. ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীলতা:
- যেহেতু এ পদ্ধতি সম্পূর্ণ ইন্টারনেটভিত্তিক, তাই ইন্টারনেট কানেকশনে কোনো সমস্যা হলে অথবা গতি স্লো হলে অনেক সমস্যা দেখা দেয়।

৫. স্টোরেজ লিমিট:
- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্টোরেজের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৯২.
ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা নয় -
  1. Azure
  2. Kindle
  3. EC2
  4. Google Docs
ব্যাখ্যা
- Kindle ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা নয়, এটি একটি ই-বুক রিডার।

• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-

১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৯৩.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সেবা মডেলগুলোর মধ্যে কোনটি মূলত অবকাঠামোগত সেবা হিসেবে পরিচিত?
  1. SaaS
  2. PaaS
  3. DaaS
  4. IaaS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) IaaS

ক্লাউড কম্পিউটিং:
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।

- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আমাজন কোম্পানি 'আমাজন ওয়েব সার্ভিস' (AWS) এর মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- EC2 এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮ টি ভার্চুয়াল মেশিন চলে, যা ব্যবহারকারীরা ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছামতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজ নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

সেবার ধরন অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং:
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS),
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS)। 

ক্লাউডের অবস্থান অনুযায়ী ভাগ:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড। 

ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য:
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৯৪.
যে ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা দেয় তাদের কী বলে?
  1. SaaS
  2. PaaS
  3. IaaS
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা

• Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়।
- অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

• Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

•  Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়‍্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৯৫.
হ্যাকাথন (Hackathon) কী?
  1. ক) কম্পিউটার হ্যাক করার সিস্টেম
  2. খ) এক ধরণের সাইবার অপরাধ
  3. গ) হ্যাকিং শেখার ওয়েবসাইট
  4. ঘ) কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা
ব্যাখ্যা

হ্যাকাথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা যেখানে সফটওয়্যার, কম্পিউটার কিংবা বাস্তব সমস্যা সমাধান করার উদ্দেশ্যে প্রোগ্রামারদেরকে নিয়ে দিন ব্যাপী বা সপ্তাহব্যাপী ইভেন্টের আয়োজন হয়ে থাকে।

২৯৬.
নিচের কোনটি SaaS (Software as a Service) মডেলের উদাহরণ নয়?
  1. Microsoft Azure
  2. Google Docs
  3. Salesforce
  4. Dropbox
ব্যাখ্যা

• Microsoft Azure হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম যা মূলত IaaS (Infrastructure as a Service) এবং PaaS (Platform as a Service) হিসেবে পরিচিত।
- এটি ডেভেলপারদের জন্য ভার্চুয়াল সার্ভার, স্টোরেজ এবং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।
- অন্যদিকে Google Docs, Salesforce এবং Dropbox হলো সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যার বা সার্ভিস, যা SaaS মডেলের অন্তর্ভুক্ত।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service):
এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service):
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku.

৩. SaaS (Software as a Service):
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo! mail,
- Dropbox,
- Salesforce Platform.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

২৯৭.
কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমকে কী বলে?
  1. কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং
  2. ক্লায়েন্ট-সার্ভার সিস্টেম
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং
  4. ডেটাবেজ সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ।
- ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৮.
নিচের কোনটি P2P নেটওয়ার্কের সাধারণ ব্যবহার?
  1. গান বা ভিডিওর মতো ফাইল শেয়ার করা
  2. Gmail দিয়ে ই-মেইল পাঠানো
  3. ওয়েবসাইট হোস্ট করা
  4. Microsoft Word চালানো
ব্যাখ্যা

• P2P (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্ক এমন একটি সিস্টেম যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ফাইল বা তথ্য শেয়ার করতে পারে, কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভারের ওপর নির্ভর না করে। P2P নেটওয়ার্কের সাধারণ ব্যবহার হলো বড় ফাইল, যেমন গান, ভিডিও, সফটওয়্যার ইত্যাদি শেয়ার করা। এতে প্রতিটি ব্যবহারকারী একই সময়ে ফাইল আপলোড ও ডাউনলোড করতে পারে, যা দ্রুত এবং কার্যকর হয়। অন্যদিকে Gmail দিয়ে ইমেইল পাঠানো বা ওয়েবসাইট হোস্ট করা সাধারণত সার্ভার-ভিত্তিক ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, এবং Microsoft Word চালানো সম্পূর্ণরূপে ব্যক্তিগত ডিভাইসে হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) গান বা ভিডিওর মতো ফাইল শেয়ার করা।
 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯৯.
ক্লাউড কম্পিউটিং এ IaaS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Information as a service
  2. Information as a system
  3. Infrastructure as a service
  4. Infrastructure as a system
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল:
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০০.
কোনটি পাবলিক ক্লাউডের উদাহরণ?
  1. AWS
  2. Local Data Center
  3. HPE
  4. FortinCloud
ব্যাখ্যা

AWS (Amazon Web Services) পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত। অপরদিকে, Local Data Center, HPE, FortiCloud হচ্ছে প্রাইভেট ক্লাউড।

- পাবলিক ক্লাউডের সেবা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ, ও অন্যান্য রিসোর্সসমূহ বিনাখরচে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ-
১। যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা যায়।
২। বিভিন্ন ধরণের রিসোর্স (হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যার ইত্যাদি) শেয়ার করে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির খরচ কমানো যায়।
৩। কোম্পানির অপারেটিং খরচ তুলনামুলক কম।
৪। ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় এক্সেস করা যায় এবং তথ্য কীভাবে প্রসেস বা সংরক্ষিত হয় তা জানার প্রয়োজন হয় না।
৫। সহজে কাজকর্ম মনিটরিং এর কাজ করা যায় ফলে বাজেট ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায়।
৬। অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সিস্টেম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।