বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Optional Laws

মোট প্রশ্ন৬৭০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Optional Laws

PrepBank · পাতা / · ৫০১৬০০ / ৬৭০

৫০১.
জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তি দখলের জন্য সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১০ বছর।
⇒ যদি কেউ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তবে সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং সর্বনিম্ন ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৭ – জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল:
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বছর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে৷ 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না৷
৫০২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে 'K' তার বন্ধুকে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে 'K' সর্বনিম্ন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ২ বছর।

• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ ধারা ৫- অপরাধ সংঘটনের সহায়তার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি ধারা ৪-এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

ধারা ৪ অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের শাস্তি হিসেবে দেয়া আছে-
 (১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷

অর্থাৎ, কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

৫০৩.
'শিশুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না' - এই বিধান শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৬
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৩: শিশুর ওপর নির্দিষ্ট ধরনের দণ্ড আরোপে বাধা-নিষেধ:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড প্রদান করা যাইবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশুকে যখন এইরূপ কোন মারাত্নক ধরনের অপরাধ সংঘটন করিতে দেখা যায় যে, তজ্জন্য এই আইনের অধীন প্রদানযোগ্য কোন আটকাদেশ আদালতের মতে পর্যাপ্ত নহে, অথবা আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে শিশুটি এত বেশি অবাধ্য অথবা ভ্রষ্ট চরিত্র যে তাহাকে কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা চলে না এবং অন্যান্য যে সকল আইনানুগ পন্থায় মামলাটির সুরাহা হইতে পারে উহাদের কোন একটিও তাহার জন্য উপযুক্ত নহে, তাহা হইলে শিশু-আদালত শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করিয়া কারাগারে প্রেরণের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, এইরূপে প্রদেয় কারাদণ্ডেরর মেয়াদ তাহার অপরাধের জন্য প্রদেয় দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদের অধিক হইবে না : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কারাদণ্ডে থাকাকালীন যেকোন সময়ে শিশু-আদালত উপযুক্ত মনে করিলে এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, এইরূপ কারাদণ্ডে আটক রাখিবার পরিবর্তে অভিযুক্ত শিশুকে, তাহার বয়স ১৮ (আঠারো) বৎসর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত, কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে আটক রাখিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন কোন শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করা হইলে, তাহাকে কারাগারে অবস্থানরত অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্ক আসামীর সহিত মেলামেশা করিতে দেওয়া যাইবে না।
৫০৪.
The Special Powers Act, 1974- এ চোরাচালানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৫খ: চোরাচালানের জন্য শাস্তি (Penalty for smuggling):
(১)যে কেউ- বাংলাদেশে প্রযোজ্য কোনো আইনের অধীনে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে, অথবা যে কেউ কর বা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে-
(ক) পাট, স্বর্ণ বা রূপার বুলিয়ন, স্বর্ণ বা রূপার তৈরি দ্রব্য, মুদ্রা, খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্য যেকোনো পণ্য বাংলাদেশের বাইরে নেয়, অথবা
(খ) যেকোনো পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে,

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি হবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছর ও ন্যূনতম ২ বছর মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ডে, দণ্ডিত হবেন এবং জরিমানারও অধিকারী হবেন।

(২) যে কেউ-
যেকোনো পণ্য, যার বাংলাদেশে প্রবেশ আইনত নিষিদ্ধ, তা বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাহা হইলে তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর ও ন্যূনতম ১ বছর মেয়াদে কারাদণ্ডে, এবং জরিমানায় দণ্ডিত হবেন।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, যদি এ ধরনের নিষিদ্ধ পণ্য কোনো আবাসিক উদ্দেশ্যে নয় এমন ভবনে পাওয়া যায়, তাহলে ধরা হবে- ওই ভবনের মালিক, ভাড়াটে বা দখলকারী ব্যক্তি-ই ওই পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেছেন। এই ক্ষেত্রে, এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে মালিক বা দখলকারীর উপর যে,
- তিনি উক্ত পণ্য রাখেননি, অথবা
- পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি, অথবা
- পণ্য এমন সময় আনা হয়েছিল যখন তা নিষিদ্ধ ছিল না।
৫০৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) এর অপরাধ কী ধরনের হবে?
  1. Cognizable, compoundable, and bailable
  2. Cognizable, non-compoundable, but bailable
  3. Cognizable, compoundable and non-bailable
  4. Non-cognizable, non-compoundable, and non-bailable
ব্যাখ্যা
ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

১. বিচার ও আদালত কর্তৃপক্ষের বিষয় (দফা ১)
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যকর হবার পর, ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অন্তর্ভুক্ত অপরাধ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচারযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হবে।
তবে, যারা ২০২৫ সাল আগেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ওই ধারা অনুযায়ী মামলা করেছিলেন, তাদের মামলাগুলো পুরনো নিয়মেই পরিচালিত ও নিষ্পত্তি হবে; অর্থাৎ নতুন অধ্যাদেশ বলবৎ হলেও আগের মামলা নতুন আদালতে বদলি হবে না এবং আগের নিয়মেই চলবে।

২. অপরাধের বৈশিষ্ট্য (দফা ২)
- ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অন্তর্ভুক্ত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণযোগ্য (Cognizable) অর্থাৎ পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারবে।
- এই অপরাধ আপসযোগ্য (compoundable) অর্থাৎ বিবাদীদের সম্মতিতে মামলাটি বন্ধ করা যেতে পারে।
- অপরাধ জামিন-অযোগ্য (non-bailable) অর্থাৎ আসামীকে জামিন দেওয়া হবে না।
- এই অপরাধের ক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অন্য ধারার পরিবর্তে ফৌজদারী কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) এবং সাক্ষ্য আইন (Evidence Act, 1872) এর বিধান প্রযোজ্য হবে।

৩. অপরাধের সমন্বয় (দফা ৩)
যদি ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অপরাধ যুক্ত থাকে, এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে উভয় অপরাধের বিচার একসঙ্গে বা একই মামলায় করা প্রয়োজন হয়, তাহলে উভয় অপরাধ একসঙ্গে একই ট্রাইব্যুনালে বিচার করা যাবে এই ক্ষেত্রে, ওই অপরাধটির বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিধান অনুযায়ী করা হবে।
৫০৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের সর্বনিম্ন দণ্ড-
  1. ২ বৎসর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৫ ধারার বিধান মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:

(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
৫০৭.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী নাশকতা (sabotage) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১৫ বৎসর কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):
১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ
(এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে;
(বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা;
(সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি;
(ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।

২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
----------------------
⇒ Section 15. Sabotage:
(1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- 
(a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ;
(b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; 
(c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; 
(d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; 
(e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or
(f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press.
(2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. 
(3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
৫০৮.
সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণের জন্য কোন শ্রেণির ব্যক্তি যোগ্য?
  1. শুধু নারী ও শিশু
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারী
  3. শুধুমাত্র আর্থিকভাবে অসচ্ছল
  4. তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুচ্ছেদ ৩: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি-
অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও ও যে কোন ব্যক্তি, তাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
৫০৯.
আদালত কর্তৃক একজন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইন, ২০০৪ এর অধীন অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে-
  1. শুধুমাত্র দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন আবশ্যক হবে
  2. শুধুমাত্র সরকারের অনুমোদন আবশ্যক হবে
  3. কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে
  4. কোনো অনুমোদনেরই আবশ্যকতা নেই
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন আইন, ২০০৪ এর অধীনে একজন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে। অর্থাৎ, সঠিক উত্তর গ)।

১. দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন (ধারা ৩২(১)):

"ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না।"
-অর্থাৎ এই ধারা সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রেই (সরকারি কর্মকর্তা সহ) দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করে। এটি একটি সর্বজনীন শর্ত।

২. সরকারের অনুমোদন (ধারা ৩২ক ও ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭):

- ধারা ৩২ক: "ধারা ৩২ এর বিধান সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭ এর বিধান আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করিতে হইবে।"
- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭(১): "যখন কোনো ব্যক্তি যিনি দণ্ডবিধির ধারা ১৯ এর অর্থে একজন বিচারক, অথবা যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা যখন কোনো সরকারি কর্মচারী যাকে সরকারের অনুমোদন ব্যতিরেকে তার পদ থেকে অপসারণ করা যায় না, তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয় যা তিনি তার দায়িত্ব পালনকালে বা দায়িত্ব পালনেরত থাকাকালে কথিত সময় সংঘটিত বলে অভিযোগ করা হয়, তখন কোনো আদালত সরকারের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে এই ধরনের অপরাধের আমল গ্রহণ করবে না।"

- অর্থাৎ এই দুটি বিধান অনুযায়ী, শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদন অতিরিক্তভাবে প্রয়োজন। ধারা ৩২ক ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭ কে দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে বাধ্যতামূলক করে।
 
উভয় অনুমোদনের সমন্বয় (ধারা ৩২(২)):
"এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সরকার ও কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্রের কপি মামলা দায়েরের সময় আদালতে দাখিল করিতে হইবে।"
অর্থাৎ "প্রযোজ্য ক্ষেত্রে" শব্দবন্ধটি সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। এটি উভয় অনুমোদনের সমন্বয় নিশ্চিত করে।

অতএব, বলা যায় যে,
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য দ্বৈত শর্ত:ধারা ৩২(১): সকল অভিযুক্তের জন্য কমিশনের অনুমোদন আবশ্যক।
ধারা ৩২ক + ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭(১): সরকারি কর্মচারীদের জন্য সরকারের অনুমোদন অতিরিক্তভাবে আবশ্যক।
অতএব, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা আমলে নিতে হলে কমিশন ও সরকার উভয়ের লিখিত অনুমোদন আদালতে দাখিল করতে হবে।

সুতরাং, দুর্নীতি দমন আইনের অধীন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে উভয় অনুমোদন প্রয়োজন: 
১) দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন (ধারা ৩২ অনুযায়ী)
২) সরকারের অনুমোদন (ধারা ৩২ক ও ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭ অনুযায়ী)
সঠিক উত্তর: গ) কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে।

৫১০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ভিক্ষাবৃত্তির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানী করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১২ ধারার বিধান: ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি: 
 - যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অঙ্গ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনোভাবে বিকলাঙ্গ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫১১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারায় দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ১৭ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।
 
ধারা ১৭- কমিশনের কার্যাবলী:
 
কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
 
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা; 
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা; 
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান; 
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা; 
 
(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা;
(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা; 
 
(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা এবং তদ্‌নুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং 
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা৷
৫১২.
The Special Powers Act, 1974 এর ১৩ ধারার বিধান কী?
  1. Sabotage
  2. Revocation of detention orders
  3. Temporary release of persons detained
  4. Detention orders not to be invalid or inoperative on certain grounds
ব্যাখ্যা
⇒ Section 13 of The Special Powers Act, 1974- Revocation of detention orders:
A detention order may, at any time, be revoked or modified by the Government.
-------------------------
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ১৩ ধারার বিধান: আটক আদেশ প্রত্যাহার: সরকার যেকোন সময় আটক আদেশ প্রত্যাহার বা সংশোধন করতে পারবেন।
৫১৩.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০: আপিল এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।

(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।
৫১৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ কোন আদালতে বিচারযোগ্য হবে?
  1. দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে
  2. শুধুমাত্র হাইকোর্টে
  3. যেকোন দায়রা আদালতে
  4. আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২১: মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে যেকোন জেলায় মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত, সরকার প্রত্যেক জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে উক্ত জেলার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল হিসাবে নিয়োগ (assign) বা ক্ষমতায়িত করিতে পারিবে। 

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার কেবল এই আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হইবে। 

(৪) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে কোন অপরাধ বা উহার অংশবিশেষ সংঘটিত হইয়াছে অথবা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে যে অঞ্চল হইতে উদ্ধার করা হইয়াছে বা তিনি যে অঞ্চলের অধিবাসী সেই আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে। 

(৫) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে বাংলাদেশী কোন নাগরিক বা কোম্পানী অথবা স্বভাবতঃ বাংলাদেশে আবাসী (habitually resident in Bangladesh) এমন কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, তিনি যেই ট্রাইব্যুনালে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের অধিবাসী ছিলেন অথবা কোম্পানীর ক্ষেত্রে উক্ত কোম্পানীর নিবন্ধিত অফিস (registered office) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে ছিল, সেই ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
৫১৫.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ১৪ ধারায় কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. জামিন সংক্রান্ত বিধান
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ
  3. আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার
  4. ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য:
কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
৫১৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের বিধান আছে?
  1. ২১(৪) ধারায়
  2. ২২(৪)  ধারায়
  3. ২৩(৪)  ধারায়
  4. ২৪(৪)  ধারায়
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৪: সাক্ষীর উপস্থিতি:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারের জন্য সাক্ষীর সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাক্ষীর সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত সাক্ষীকে উক্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করিবার দায়িত্ব উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সাক্ষীর সমনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সাক্ষীকে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা, ক্ষেত্রমত, পুলিশ কমিশনারকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সমেত নিবন্ধিত ডাকযোগে প্রেরণ করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত গাফিলতি করিলে ট্রাইব্যুনাল উহাকে অদক্ষতা হিসাবে চিহ্নিত করিয়া সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে যে কোন দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য, এ সম্পর্কিত বলবৎ আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রহণ করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ট্রাইব্যুনালকে তথ্যপ্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করিবে।

৫১৭.
আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের অভিজ্ঞতা ন্যূনতম কত বছর হতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ এবং আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম অভিজ্ঞতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্টভাবে:
- ধারা ১৫(১): সুপ্রিম কোর্ট কমিটি সুপ্রিম কোর্টের মামলার জন্য এবং জেলা কমিটি জেলা আদালতের মামলার জন্য আইনজীবীদের তালিকা তৈরি করবে। এই তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজদের ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিলযোগ্য।
- ধারা ১৫(২): বিশেষ কমিটি (যেমন শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতের জন্য) তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের জন্যও ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
- আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং প্রবিধানমালা, ২০১৫ এও এই শর্ত অপরিবর্তিত রয়েছে।

- তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়, যদি উপযুক্ত মহিলা আইনজীবী পাওয়া যায় (ধারা ১৫(৩))।
- আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দকেও বিবেচনা করা হয়।
- অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজদের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করা যেতে পারে, যা আইনের একটি বিশেষ বিধান।

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যা ধারা ১৫ এবং সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখিত। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ৫ বছর।

৫১৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন প্রতিরোধমূলক তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনার কত ঘন্টার মধ্যে তল্লাশির কারণ ও ফলাফল সম্বলিত বিবরণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হয়?
  1. ৪৫ ঘন্টা
  2. ৭২ ঘন্টা
  3. ৬০ ঘন্টা
  4. ১২ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২০(৪) অনুসারে: "তল্লাশী সম্পাদনের ৭২ (বাহাত্তর) ঘন্টার মধ্যে তল্লাশী কার্যে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা তল্লাশীর কারণ এবং ফলাফলের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরী করিবেন..."
অর্থাৎ, প্রতিরোধমূলক তল্লাশি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ৭২ ঘন্টার (৩ দিনের) মধ্যে তল্লাশির কারণ ও ফলাফল সম্বলিত বিবরণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হয়।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২০: প্রতিরোধমূলক তল্লাশী এবং আটক:
(১) কোন মানব পাচার অপরাধ প্রতিরোধকল্পে, উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন, এমন কোন পুলিশ কর্মকর্তা তাহার ঊর্ধ্বতন নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে বা নির্দেশে এই আইনের অধীন প্রতিরোধমূলক তল্লাশী করিবার, যে কোন আঙ্গিনায় প্রবেশ করিবার এবং এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে এমন সরঞ্জামাদি বা তথ্য-প্রমাণ বা দলিল আটক করিবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন।
(২) কোন ব্যক্তির সহিত অথবা কোন স্থানে এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের উপযোগী সরঞ্জাম বা উপাদান উপস্থিত আছে এবং তল্লাশী পরোয়ানা সংগ্রহে বিলম্বের কারণে অপরাধটি প্রকৃতই সংঘটিত হইবার বা কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্ট হইবার যুক্তিসঙ্গত কারণ বিদ্যমান থাকিলে উপ-ধারা (১) এর অধীন বিনা পরোয়ানায় তল্লাশী করা যাইবে এবং তল্লাশী চালাইবার পূর্বে তল্লাশীর জন্য প্রস্ত্তত অফিসার যেই স্থানে তল্লাশী চালাইবেন উক্ত স্থানটি যেই এলাকায় অবস্থিত সেই এলাকার দুই বা ততোধিক সম্মানিত অধিবাসীকে তল্লাশীতে হাজির থাকিতে ও উহার সাক্ষী হইতে আহবান জানাইবেন এবং উক্ত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশী চালাইতে হইবে এবং উক্ত অফিসার তল্লাশীর সময় জব্দকৃত সমস্ত সামগ্রী এবং যেই সকল স্থানে উক্ত সামগ্রীসমূহ পাওয়া গিয়াছে তাহাদের একটি তালিকা প্রস্ত্তত করিবেন এবং উহাতে সাক্ষীগণের স্বাক্ষর গ্রহণ করিবেন।
(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৩ এর বিধানের আলোকে এবং যেই ব্যক্তির শরীর বা সম্পত্তিতে তল্লাশী চালানো হইবে তাহার মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশী সম্পাদন করিতে হইবে এবং, বিশেষতঃ, কোন নারীর বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালনা করা হইলে তল্লাশী দলের সহিত অবশ্যই একজন নারী কর্মকর্তা বা নারী প্রবেশন কর্মকর্তা থাকিবেন।
(৪) তল্লাশী সম্পাদনের ৭২ (বাহাত্তর) ঘন্টার মধ্যে তল্লাশী কার্যে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা তল্লাশীর কারণ এবং ফলাফলের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরী করিবেন এবং তাহার অনুলিপি ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনো উপায়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট এবং একই সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচারের এখতিয়ারসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করিবে, যাহা ট্রাইব্যুনালের হেফাজতে রক্ষিত থাকিবে এবং উক্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং যাহার বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালিত হইয়াছে তাহাকে প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি প্রদান করিতে হইবে।

৫১৯.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৫ অনুযায়ী নারী বা শিশুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৫(৩) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো) বছরের শিশুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, রিভেঞ্জ পর্ন, সেক্সটর্শন বা শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অপরাধ সংঘটন করেন, তাহলে তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর কারাদণ্ডে, বা সর্বোচ্চ ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৫- যৌন হয়রানি, ব্ল‍্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোনো ব্যক্তিকে ব্ল‍্যাকমেইলিং, বা যৌন হয়রানি, বা রিভেঞ্জ পর্ন, বা ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান (চাইল্ড সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ ম্যাটেরিয়াল) বা সেক্সটর্শন করিবার অভিপ্রায়ে সৃষ্ট, বা প্রাপ্ত, বা সংরক্ষিত কোনো তথ্য, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো উপায়ে ধারণকৃত, এডিটকৃত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত অথবা এডিটকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এইরূপ কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন, বা প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করার হুমকি প্রদান করেন, যাহা ক্ষতিকর বা ভীতি প্রদর্শক, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ, কোনো নারী বা অনূর্ধ্ব ১৮ (আঠারো) বৎসরের কোনো শিশুর বিরুদ্ধে সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘ব্ল‍্যাকমেইলিং’ অর্থ এমন হুমকি বা ভীতি প্রদর্শনকে বুঝাইবে, যাহার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তাহার গোপনীয় তথ্য প্রকাশের বা ক্ষতি করিবার ভয় দেখাইয়া বেআইনি সুবিধা, সেবা বা চাহিত কোনো কার্য সম্পাদনে বাধ্য করে।

৫২০.
আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থে বিকল্প পন্থা (Diversion) গ্রহণ করা হলে বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন বিষয়ে লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. শিশুর মাতা-পিতা বা অভিভাবক
  2. প্রবেশন কর্মকর্তা
  3. শিশু আদালত
  4. শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) প্রবেশন কর্মকর্তা।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৮(৩) অনুসারে:
যখন শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থে কোনো আইনগত বিরোধ এড়িয়ে Diversion (বিকল্প পন্থা) গ্রহণ করা হয়, তখন সেই বিকল্প শর্তগুলো পালন হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব থাকে প্রবেশন কর্মকর্তার উপর। প্রবেশন কর্মকর্তা শিশুকে ও তার পরিবারকে পরামর্শ, তত্ত্বাবধান ও সহায়তা করে, শর্তাবলীর বাস্তবায়ন সম্পর্কে আদালতকে রিপোর্ট করে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী/সহায়তা নিশ্চিত করে।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion):
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে।

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন।

(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন।
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

৫২১.
সাইবার অপরাধ তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করলে, উক্ত ব্যক্তির সুরক্ষায় সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ এ কোন ধরনের বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা যাবে না
  2. উক্ত ব্যক্তির গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে
  3. উক্ত ব্যক্তির গোপনীয়তা লঙ্ঘন করলে কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে
  4. উল্লিখিত সকল বিধান
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩

ধারা ৪৬- তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা

(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই আইনের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫২২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনার দণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ২৮ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১- মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ইত্যাদির দণ্ড:
কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে কাহাকেও প্ররোচিত করিলে অথবা সাহায্য করিলে অথবা কাহারও সহিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইলে অথবা এতদুদ্দেশ্যে কোনো উদ্যোগ অথবা প্রচেষ্টা গ্রহণ করিলে, মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হউক অথবা না হউক, তিনি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের অনুরূপ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

Section 41: Punishment for instigation, assistance, or conspiracy to commit narcotics-related offenses:
If any person instigates, assists, conspires with anyone to commit a narcotics-related offense, or undertakes or attempts to undertake any initiative or effort for this purpose, whether or not the narcotics-related offense is ultimately committed, the person shall be punished with the penalty provided for the related offense.
৫২৩.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার নিয়োগের সুপারিশের জন্য বাছাই কমিটির সদস্য নয় কে?
  1. সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান
  2. বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  3. পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান
  4. অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে 'পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান',  দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার নিয়োগের সুপারিশের জন্য বাছাই কমিটির সদস্য নয়।

• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ : ধারা ৭- বাছাই কমিটি:

(১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; 
(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; 
(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; 
(ঘ) সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান; এবং 
(ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷ 
 
(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন।
 
(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ 
 
(৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷ 

(৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷
৫২৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যের গোপনীয়তার বিধান লঙ্ঘন করলে, তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৯: তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা:
(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর আওতায় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তের তালিকা উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।

৫২৫.
The Special Powers Act, 1974 এর কত ধারায় 'Double Jeopardy' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ২৭
  2. ২৮
  3. ৩১
  4. ৩২
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
অর্থাৎ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩১ ধারায় principle of double jeopardy এর প্রতিফলন ঘটেছে।
-----------------------
⇒ The Special Powers Act, 1974,-Section 31: Bar on trial de-novo:
- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.
৫২৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুসারে কোন গোষ্ঠী একত্রে মানব পাচার অপরাধ করলে প্রত্যেক সদস্যের জন্য সর্বনিম্ন কত অর্থদণ্ড ধার্য আছে?
  1. ১ লক্ষ টাকা
  2. ৫ লক্ষ টাকা
  3. ১০ লক্ষ টাকা
  4. ৫০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭ অনুসারে, কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী (Organized Criminal Group) যদি মানব পাচার অপরাধ সংঘটন করে, তবে সেই গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য অন্যূন ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়াও তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্যূন ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭-সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৫২৭.
আইনগত সহায়তার কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে, তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটির নিকট
  4. জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ১৬ ধারাতে বলা আছে-
'আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করতে হবে।'

উল্লেখ্য, কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে তা মঞ্জুরের জন্য সংক্ষুদ্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরুপ সিদ্ধান্তের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করবে এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
৫২৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “যৌতুক” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(গ)
  2. ধারা ২(জ)
  3. ধারা ২(ঝ)
  4. ধারা ২(ঞ)
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ঞ)- “যৌতুক” অর্থ-
(অ) কোন বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে বিবাহের কনে পক্ষের নিকট দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ; অথবা

(আ) কোন বিবাহের কনে পক্ষ কর্তৃক বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে প্রদত্ত বা প্রদানে সম্মত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ।
৫২৯.
তদন্ত সংক্রান্ত তথ্য গোপন না রাখলে, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কী দণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৯: তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা:
(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর আওতায় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তের তালিকা উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।
৫৩০.
কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ব্যক্তি সম্মতি বা অসম্মতি দিতে অক্ষম হলে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে কী অনুমান করতে পারে?
  1. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল
  2. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
  3. উক্ত কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করবে না
  4. কোনো অনুমান করতে পারে না
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৪ক (সম্মতি সংক্রান্তে অনুমান):
যেক্ষেত্রে কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে অপরাধের শিকার ব্যক্তির সম্মতি বা অসম্মতি দানের সক্ষমতা থাকে না, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ধরিয়া লইতে পারিবে যে, উক্ত কার্যে তাহার সম্মতি ছিল না
৫৩১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ আছে?
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১১ ধারা- অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
৫৩২.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  2. অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. অনূর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৫৩৩.
মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরুপ গঠন বিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তুকে কী বলে?
  1. অ্যাগনিস্ট (Agonist)
  2. অ্যালকালয়েড (Alkaloid)
  3. অ্যালকোহল (Alcohol)
  4. অ্যানালগ (Analogue)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২(২)-এ 'অ্যাগনিস্ট (Agonist)'-কে সুনির্দিষ্টভাবে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে: এইরূপ কোনো বস্তু যাহা তপশিলে উল্লিখিত কোনো মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ গঠনবিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে উক্ত বস্তুর মতো একইভাবে কার্যকর। এটি মাদকের ফার্মাকোলজিক্যাল (pharmacological) প্রভাবের অনুরূপ কিন্তু স্ট্রাকচারাল (structural) সাদৃশ্য ছাড়া।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
খ) অ্যালকালয়েড (Alkaloid): (৪)‘অ্যালকালয়েড (Alkaloid)’ অর্থ তপশিলের উল্লিখিত কোনো বস্তু বা মাদকদ্রব্য হইতে রাসায়নিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত কোনো বস্তু যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া মূল মাদকদ্রব্য বা মাদকজাতীয় বস্তুটির অনুরূপ;
গ) অ্যালকোহল (Alcohol): (৫) ‘অ্যালকোহল (Alcohol)’ অর্থ 1[হাইড্রোকার্বনজাত হাইড্রোক্সিল (OH-] মূলকসম্বলিত কোনো জৈব যৌগ অথবা তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ৩ এবং ‘গ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ১ ও ২ এ উল্লিখিত কোনো তরল পদার্থ;।
ঘ) অ্যানালগ (Analogue): (৩) ‘অ্যানালগ (Analogue)’ অর্থ তপশিলের অন্তর্ভুক্ত হয় নাই এইরূপ বস্তু, যাহার রাসায়নিক সংগঠন তপশিলের অন্তর্গত কোনো মাদকের রাসায়নিক সংগঠনের অনুরূপ এবং যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক কার্যক্রম একই রকম। 

অর্থাৎ মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তু বলতে অ্যাগনিস্ট (Agonist) বোঝায়। সুতরাং সঠিক উত্তর ক)।

৫৩৪.
দুর্নীতি দমন কমিশনারদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪" এর ধারা ৬: কমিশনারগণের নিয়োগ ও মেয়াদ-
(১) কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ধারা ৭ অনুসারে গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবেন৷ 
(২) কমিশনারগণ পূর্ণকালীন সময়ের জন্য স্ব-স্ব পদে কর্মরত থাকিবেন৷ 
(৩) কমিশনারগণ, ধারা ১০ এর বিধান সাপেক্ষে, তাঁহাদের [যোগদানের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর] মেয়াদের জন্য স্ব-স্ব পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন৷ 
(৪) উক্ত মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পর কমিশনারগণ পুনঃ নিয়োগের যোগ্য হইবেন না৷
৫৩৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের অধীন অপরাধসমূহ কোন ধরনের অপরাধ?
  1. Bailable
  2. Cognizable
  3. Non-cognizable
  4. Compoundable
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৬: অপরাধের আমলযোগ্যতা, আপোষযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা:
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য(non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।
৫৩৬.
দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার অপরাধের সাথে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কোন ধারার অপরাধের মিল রয়েছে?
  1. ২২
  2. ২৩
  3. ২৪
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার অপরাধের সাথে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২৪ ধারার অপরাধের মিল রয়েছে। এই দুই জায়গাতে পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশে প্রতারণার অপরাধের বিধান রয়েছে।
- এগুলো অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার
অপরাধ বলে বিবেচিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপধারণ পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে। যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২৪ ধারার বিধান: পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ:
 (১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়াে
(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন; বা
(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,-
(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া;
(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি;
(ই) কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা: কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৫৩৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬(৪) অনুযায়ী, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য কার আদেশক্রমে ধ্বংস করা হবে?
  1. জব্দকারী অফিসারের
  2. থানার অফিসার ইন চার্জের
  3. তদন্তকারী অফিসারের
  4. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:

(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।

৫৩৮.
নিচের কোনটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনে নিয়ন্ত্রিত বিলির অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তির কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ট্র্যাকিং ডিভাইস স্থাপন
  2. বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা ত্যাগ করতে দেওয়া
  3. বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করতে দেওয়া
  4. উপরোক্ত সব
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৫: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া; 
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া; 
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা; 
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং 
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া। 
(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
৫৩৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের অধীনে অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) এর শাস্তির বিধান কী?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. সংশ্লিষ্ট অপরাধের অর্ধেক দণ্ড
  4. সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ দণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮: অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৪০.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ডোপ টেস্ট (Dope Test) এর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২০ (৪)
  2. ধারা ২২ (৪)
  3. ধারা ২৪ (৪)
  4. ধারা ২৬ (৪)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ধারা ২৪ (৪)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৪: দেহ তল্লাশির জন্য বিশেষ পরীক্ষা:

(১) এই আইনের অধীন কোনো তদন্ত অথবা তল্লাশি পরিচালনাকালে কোনো অফিসারের যদি ইহা বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কোনো ব্যক্তি তাহার শরীরের কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গে মাদকদ্রব্য লুকাইয়া রাখিয়াছেন, তাহা হইলে, অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, তিনি তাহাকে তাহার শরীরের এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম, এন্ডোসকপি, কোলনস্কপি কিংবা রক্ত ও মলমূত্রসহ অন্য যে-কোনো প্রকার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিবার নিমিত্তে নিজেকে সমর্পণ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং উক্ত নির্দেশ অমান্য করিলে নির্দেশ প্রদানকারী অফিসার তাহাকে নির্দেশ পালনে বাধ্য করিবার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে। 

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে পরীক্ষার পর কোনো ব্যক্তির অঙ্গপ্রত্যঙ্গে যদি কোনো মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি সনাক্ত হয়, তাহা হইলে তাহাকে প্রযোজ্যক্ষেত্রে ধারা ৩৬ এর সারণির ক্রমিক নম্বর ৬ হইতে ১১ কিংবা ১৩ হইতে ২০ এর বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা যাইবে। 

(৩) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে পরীক্ষার পর যদি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো মাদকদ্রব্য গ্রহণের, সেবনের, ব্যবহারের অথবা প্রয়োগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় এবং উহা যদি ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) কিংবা উপ-ধারা (২) এর দফা (গ) কিংবা ধারা ১০ এর (চ) এর বিধান লঙ্ঘনকারী হয় তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তিকে ধারা ৩৬ এর সারণি ক্রমিক নম্বর ১৬, ২১, ২৫, ২৯ অথবা ৩১ অনুসারে শাস্তিযোগ্য মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা যাইবে। 

(৪) মাদকাসক্ত ব্যক্তি শনাক্ত করিবার প্রয়োজনে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ডোপ টেস্ট (Dope Test) করা যাইবে। ডোপ টেস্ট (Dope Test) পজেটিভ হইলে ধারা ৩৬(৪) অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।
৫৪১.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীন সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন কে দাখিল করবেন?
  1. শিশুকল্যাণ বোর্ড
  2. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
  3. প্রবেশন কর্মকর্তা
  4. সমাজসেবা কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩১: সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন-
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে শিশু-আদালতে হাজির করিবার অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে প্রবেশন কর্মকর্তা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, শিশু-আদালতে একটি সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করিবেন এবং উহার অনুলিপি নিকটস্থ বোর্ড-এ ও অধিদপ্তরে দাখিল করিবেন। 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, মনস্তাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতা, পটভূমি এবং কোন্ অবস্থায় ও এলাকায় সে বসবাস করে এবং কোন্ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, ইত্যাদির বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। 

(৩) প্রবেশন কর্মকর্তার সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনসহ শিশু সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিবেদন গোপনীয় বলিয়া গণ্য হইবে।
৫৪২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী নিচের কোনটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি
  2. গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
  3. অপিয়াম পপি গাছের বীজ
  4. কোকা গাছ ও কোকা পাতা
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী মাদকদ্রব্যগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে: 'ক', 'খ', এবং 'গ'। প্রতিটি শ্রেণির মাদকদ্রব্যের সংজ্ঞা এবং অন্তর্ভুক্ত পদার্থগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী, 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো গাঁজা গাছ, ভাং গাছ, তাদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল, এবং এগুলোর সাথে প্রস্তুতকৃত নেশা বা আসক্তি সৃষ্টিকারী পদার্থ।

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে:
ক) তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি: এটি 'গ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ: এটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
গ) অপিয়াম পপি গাছের বীজ: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) কোকা গাছ ও কোকা পাতা: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ।

৫৪৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, "শিশু" বলতে কত বছরের কম বয়সী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২(ট)-এ স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত আছে যে, “শিশু” অর্থ ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি।
এই সংজ্ঞা আইনের অধীনে শিশু-সংক্রান্ত অপরাধসমূহে (যেমন: শিশু ধর্ষণ, শিশু অপহরণ, যৌন পীড়ন ইত্যাদি) প্রযোজ্য।
- উল্লেখ্য যে, শিশু আইন, ২০১৩-এ শিশুর বয়সসীমা ১৮ বছরের কম, কিন্তু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ক্ষেত্রে এটি ১৬ বছরের কম।

৫৪৪.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর বিধান অনুসারে একতরফা ডিক্রি রদের প্রার্থনা দাখিলের পরবর্তী কত দিবসের মধ্যে ডিক্রিকৃত অর্থের কত পারসেন্টের সমপরিমাণ টাকা জামানত স্বরূপ জমাদান করার কথা বলা হয়েছে? যথাক্রমে--
  1. ৩০ দিন ও ২৫%
  2. ১৫ দিন ও ২৫%
  3. ১৫ দিন ও ১০%
  4. ৩০ দিন ও ১০%
ব্যাখ্যা
• অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯ ধারায় একতরফা ডিক্রি সম্পর্কিত বিষয়াবলী বর্ণিত আছে।

> ১৯(২) ধারা মতে, বিবাদী একতরফা ডিক্রির তারিখ বা উক্ত একতরফা ডিক্রি সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তা রদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

> ১৯(৩) ধারা মতে, একতরফা ডিক্রি রদের দরখাস্ত দাখিলের তারিখ হতে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ডিক্রিকৃত অর্থের ১০% এর সমপরিমাণ অর্থ আদালতে জামানত রূপে জমা দিতে হবে।
৫৪৫.
কোনো ব্যক্তি দুর্নীতির অপরাধের অভিযোগ দায়ের করতে থানায় গেলে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ অনুযায়ী থানার দায়িত্ব হবে-
  1. অভিযোগটি এজাহার হিসাবে রেকর্ড করে তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
  2. অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
  3. দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিয়ে অভিযোগটি অভিযোগকারীকে ফেরত দেয়া
  4. অভিযোগটি এজাহার হিসাবে রেকর্ড করে একজন এসআই কে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ৪(২) অনুসারে: থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর তা রেজিস্টারভুক্ত (সাধারণ ডায়েরিভুক্ত) করতে হবে। তারপর অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করতে হবে:
- কমিশন বহির্ভূত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে → নিকটস্থ জেলা কার্যালয়ে
- কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে → কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে
এখানে থানার দায়িত্ব হলো অভিযোগটি রেকর্ড করে কমিশনে প্রেরণ করা, নিজে তদন্ত শুরু করা নয় বা এজাহার হিসেবে রেকর্ড করা নয়।

সঠিক উত্তর: খ) অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি- ৪: থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের:
- এই বিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন আইনের তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে কোন বাধা থাকিবে না, তবে সংশ্লিষ্ট থানা উক্ত অভিযোগটি প্রাপ্তির পর উহা রেজিস্টারভুক্ত করিয়া অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে আইন অনুযায়ী তদন্তকার্য পরিচালনার জন্য উহা কমিশন বহির্ভূত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিকটস্থ জেলা কার্যালয়ে এবং কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে কমিশন বরাবরে প্রেরণ করিবে।

৫৪৬.
দ্রুত বিচার আইনে বিচার পদ্ধতির জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির কোন অধ্যায় অনুসরণ করতে বলা হয়েছে?
  1. Chapter IX
  2. Chapter XX
  3. Chapter XXI
  4. Chapter XXII
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৫৪৭.
সাবিনাকে যৌতুকের জন্য তার স্বামী মারধর করে গুরুতর জখম করে।এ ক্ষেত্রে তার স্বামীর জন্য কোন শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩ থেকে ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৫ থেকে ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫৪৮.
প্রবেশন কর্মকর্তা কত দিনের মধ্যে সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করবেন?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৩১: সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন:
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে] শিশু-আদালতে হাজির করিবার অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে প্রবেশন কর্মকর্তা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, শিশু-আদালতে একটি সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করিবেন এবং উহার অনুলিপি নিকটস্থ বোর্ড-এ ও অধিদপ্তরে দাখিল করিবেন। 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, মনস্তাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতা, পটভূমি এবং কোন্ অবস্থায় ও এলাকায় সে বসবাস করে এবং কোন্ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, ইত্যাদির বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। 

(৩) প্রবেশন কর্মকর্তার সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনসহ শিশু সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিবেদন গোপনীয় বলিয়া গণ্য হইবে।
৫৪৯.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণের জন্য অনুমোদন প্রয়োজন হবে____
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের
  3. মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ দ্বারা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের
  4. বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২৯: বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা:
- সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা ২০১৯ এর 
- বিধি ৫২ এর বিধান আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের অনুমতি প্রদানের ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ।
(১) আইনে উল্লিখিত অপরাধের তদন্ত সমাপ্ত হইবার পর আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের অনুমতি প্রদানের নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ বলিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষেত্রে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ২ এর দফা (ঙ) এ সংজ্ঞায়িত কমিশন এবং এই বিধিমালার তফসিলের 'তালিকা-১' এ উল্লিখিত অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থার ক্ষেত্রে, সংস্থার প্রধানকে বুঝাইবে।

(২) মানিলন্ডারিং অপরাধের অভিযোগ তদন্তের পর কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হইলে, বিচার সুপারিশ করিয়া উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিবার ক্ষেত্রে, আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত তদন্তকারী সংস্থার নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ আবশ্যক হইবে এবং এইরূপ অনুমোদনপত্রের একটি কপি আদালতে দাখিল করা না হইলে আদালত অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করিবে না।

(৩) মানিলন্ডারিং অপরাধ বিষয়ে কোনো অভিযোগ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সরাসরি আদালতে দায়ের করা যাইবে না:

তবে, শর্ত থাকে যে, যদি কোনো উপযুক্ত আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, অভিযোগকারী উক্ত অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত অভিযোগ কোনো তদন্তকারী সংস্থার কার্যালয়ে করিবার জন্য অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করিয়া উহা তদন্তের জন্য তদন্তকারী সংস্থাকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোনো কারণে তদন্ত প্রতিবেদনের সহিত অনুমোদন পত্রের কপি সংযুক্ত করা না হইলে, সংশ্লিষ্ট আদালত তদন্ত প্রতিবেদন পাইবার পর পরই সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানকে সম্বোধন করিয়া পত্রের মাধ্যমে অনুমোদন চাহিতে পারিবেন।
৫৫০.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ-
  1. অ-আমলযোগ্য, আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
  2. আমলযোগ্য, অ-আপোষযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  3. আমলযোগ্য, আপোষযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  4. আমলযোগ্য, অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১১ ধারার বিধান: অপরাধের আমলযোগ্যতা, অ-আপোষযোগ্যতা ও অ-জামিনযোগ্যতা:
- এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (Cognizable) , অ-আপোষযোগ্য (Non- compoundable) এবং অ-জামিনযোগ্য (Non-bailable) হইবে।
৫৫১.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১ অনুযায়ী, শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কোথায়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত 
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. শিশু আপিল আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১(১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, শিশু-আদালতের আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাবে। এটি ফৌজদারি কার্যবিধির সাধারণ বিধানকে অগ্রাহ্য করে সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপিলের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

৫৫২.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর অধীন আইনগত সহায়তার আবেদন অগ্রাহ্য হলে কত দিনের মধ্যে আপিল করা যাবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬: আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন:
(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন আবেদন বা দরখাস্ত জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে উহা মঞ্জুরীর জন্য সংতগুব্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তর তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷
৫৫৩.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এ স্পেশাল মেডিয়েটরগণের তালিকা প্রস্তুত করবে কে?
  1. আইন মন্ত্রণালয়
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. বিশেষ কমিটি
  4. জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক: স্পেশাল মেডিয়েটরগণের (Special Mediators) তালিকা:
(১) এই আইনের অধীনে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং মধ্যস্থতা বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে স্পেশাল মেডিয়েটরগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।

(২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উক্ত তালিকা হইতে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্পেশাল মেডিয়েটর নিয়োগ প্রদান করিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরগণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্মানি বা ফি প্রদান করা হইবে।
৫৫৪.
আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার_____________আইনগত প্রশ্নে মতামত দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
  1. উভয় পক্ষের মৌখিক সম্মতি ব্যতীত
  2. উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
  3. উভয় পক্ষ আপোষে সম্মত না হলে
  4. যেকোনো এক পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ১৫- আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা:
কোন বিরোধ আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সহিত জড়িত আইনী প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকিবেন।
৫৫৫.
চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলায় আপিল করতে হলে কী পরিমাণ অর্থ আদালতে জমা দিতে হয়?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ১০০%
ব্যাখ্যা
Section 138A of the Negotiable Instruments Act, 1881: Restriction in respect of appeal :
"Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence."

বাংলা অনুবাদ:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ যা-ই বলা থাকুক না কেন, ধারা ১৩৮(১)-এর অধীনে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি চেকের অমান্যকৃত অর্থের অন্তত ৫০% পরিমাণ অর্থ সেই আদালতে জমা দেন, যে আদালত দণ্ড প্রদান করেছে।
৫৫৬.
'দুর্নীতি দমন কমিশনারগণ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন'- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৪- দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা:
এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশনারগণ এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন৷
৫৫৭.
শিশু আদালতে বিশেষ কোন ধরনের সুবিধার বিধান নেই?
  1. বিচার প্রক্রিয়ায় অভিভাবকের নিকট শিশুকে বসার সুযোগ
  2. প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষ ধরনের আসন
  3. আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দূরবর্তী আসন
  4. আদালতের কোন কর্মচারী ইউনিফরম পরিধান করবেন না
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- শিশু আদালতের পরিবেশ ও সুবিধাসমূহ:

(১) আদালতকক্ষের ধরন, সাজসজ্জা ও আসন বিন্যাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(২) শিশু-আদালতের আসন বিন্যাস এমনভাবে করিতে হইবে যেন সকল শিশু বিচার প্রক্রিয়ায় তাহার মাতা-পিতা বা তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ বা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য এবং প্রবেশন কর্মকর্তা ও আইনজীবীর, যতদূর সম্ভব, সন্নিকটে বসিতে পারে। 
 
(৩) উপ-বিধি (১) এর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ করিয়া আদালতকক্ষে শিশুর জন্য উপযুক্ত আসনসহ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য, প্রয়োজনে, বিশেষ ধরনের আসন প্রদানের বিষয়টি শিশু-আদালত নিশ্চিত করিবে। 
 
(৪) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত কর্তৃক শিশুর বিচার চলাকালীন, আইনজীবী, পুলিশ বা আদালতের কোন কর্মচারী আদালতকক্ষে তাহাদের পেশাগত বা দাপ্তরিক ইউনিফরম পরিধান করিতে পারিবেন না।
৫৫৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ কখন থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ মার্চ, ২০০০
  2. ৮ এপ্রিল, ২০০০
  3. ১ জানুয়ারি, ২০০০
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৮ নং আইন) ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ তারিখে কার্যকর হয়েছে। এটি নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নির্যাতন (যেমন ধর্ষণ, অপহরণ, যৌতুক, দহন ইত্যাদি) দমনের জন্য প্রণীত, এবং কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনটির সর্বশেষ সংশোধনী ২০২৫ সালে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫) হলেও কার্যকর তারিখ পরিবর্তিত হয়নি।

৫৫৯.
শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি কিভাবে বিবেচনা করা হবে?
  1. প্রথম পন্থা
  2. অপরিহার্য পন্থা
  3. সর্বশেষ পন্থা
  4. সর্বোত্তম পন্থা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ২৬: শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা:
(১) শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি সর্বশেষ পন্থা হিসাবে বিবেচনা করিতে হইবে, যাহার মেয়াদ হইবে যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ের জন্য। 
 
(২) সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরাপদ হেফাজতে রক্ষিত শিশুকে বিকল্পপন্থায় পরিচালনার জন্য প্রেরণ করিতে হইবে। 
 
(৩) শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা একান্ত প্রয়োজন হইলে শিশু-আদালত, সংশ্লিষ্ট শিশুকে উক্ত আদালত হইতে যুক্তিসঙ্গত দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করিবার জন্য আদেশ প্রদান করিবে : 
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন কোন শিশুকে প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হইলে উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকারী অধিক বয়স্ক শিশুদের হইতে প্রেরিত শিশুকে পৃথক করিয়া রাখিতে হইবে।
৫৬০.
কয়জন বিচারকের সমন্বয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৬- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রত্যেক জেলা সদরে একটি করিয়া ট্রাইব্যুনাল থাকিবে এবং প্রয়োজনে সরকার উক্ত জেলায় একাধিক ট্রাইব্যুনালও গঠন করিতে পারিবে; এইরূপ ট্রাইব্যুনাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযু্‌ক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা জজ ও দায়রা জজ বলিতে [অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও] অন্তর্ভুক্ত।
৫৬১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল রুদ্ধ-কক্ষে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার আদেশ প্রদান করতে পারে-
  1. বিচারকার্য দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য
  2. ন্যায়বিচারের স্বার্থে
  3. নারী বা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার জন্য
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫- রুদ্ধ-কক্ষ বিচার (trial in-camera):
ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং নারী কিংবা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনাল কারণ উল্লেখ করিয়া এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারকার্য কেবল মামলার পক্ষগণ এবং তাহাদের নিযুক্ত আইনজীবীগণ বা ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে অন্যান্য প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে রুদ্ধ-কক্ষে অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

Section 25 - Trial in Camera:
In the interest of justice and for the protection of female or child victims, the tribunal may, by stating the reasons, order that the trial of any offense under this law be conducted in-camera, in the presence of only the parties to the case and their appointed lawyers, or other representatives, subject to the permission of the tribunal.
৫৬২.
সাইবার নিরাপত্তা আইনের ৪৩ ধারার বিধান মতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল তথ্য-উপাত্ত সর্ব্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারবে?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১৮০
  4. ৩৬০
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৪৩ ধারার বিধান তথ্য সংরক্ষণ:
(১) মহাপরিচালক, স্বীয় বিবেচনায়, বা তদন্তকারী অফিসারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, যদি এইরূপে বিশ্বাস করেন যে, কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত এই আইনের অধীন তদন্তের স্বার্থে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এইরূপ তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন অথবা দুষ্প্রাপ্য করিয়া দেওয়ার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০ (নব্বই) দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
 
(২) ট্রাইব্যুনাল, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০ (একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।
৫৬৩.
বিশেষ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী নাশকতার সর্বনিম্ন শাস্তি কত?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):

১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ
(এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে;
(বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা;
(সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি;
(ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।
 
২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।
 
৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

Section 15. Sabotage:
(1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- 
(a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ;
(b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; 
(c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; 
(d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; 
(e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or
(f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press.

(2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. 

(3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
৫৬৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন মিথ্যা মামলাকারীর সর্বনিম্ন কারাদণ্ড কত বছর হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৫: মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
৫৬৫.
মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে নিম্নের কোন আইনের অপরাধ জড়িত?
  1. মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
  2. এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২
  3. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অপরাধ সরাসরি জড়িত। অতএব, সঠিক উত্তর ক)।

মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ এবং মাদক অপরাধের সম্পর্ক:
- মানি লন্ডারিং হলো অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থকে বৈধ আয় হিসেবে প্রদর্শনের প্রক্রিয়া।
- মাদক অপরাধ (যেমন মাদক পাচার, বিক্রি, উৎপাদন) থেকে প্রাপ্ত অর্থ সাধারণত অবৈধ এবং এই অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়।
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(২) অনুযায়ী, মাদক দ্রব্য পাচার একটি "পূর্বশর্ত অপরাধ" (Predicate Offence) হিসেবে স্বীকৃত। অর্থাৎ, মাদক পাচারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পাচার করা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধ।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি মাদক বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ব্যাংকে জমা রেখে বা সম্পত্তি ক্রয় করে তা বৈধ করলে, তা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয় (UNODC) এবং ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) মাদক অপরাধকে মানি লন্ডারিংয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
 
অন্যান্য অপশনগুলির ব্যাখ্যা:
খ) এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২: এই আইনটি এসিড নিক্ষেপ, এসিড বহন বা এসিড সংক্রান্ত অন্যান্য অপরাধ (যেমন হত্যা, শারীরিক আঘাত) নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। এসিড অপরাধ সাধারণত ব্যক্তিগত শত্রুতা, সন্ত্রাস বা সামাজিক দ্বন্দ্বের সাথে জড়িত।
গ) ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫: এই আইনটি খাদ্যদ্রব্য, ফলমূল বা অন্যান্য পণ্যে ফরমালিন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। ফরমালিন একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ যা খাদ্য সংরক্ষণে অবৈধভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি মাদক অপরাধের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না। ফরমালিন মাদক তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না এবং এই আইন শুধুমাত্র খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত।
ঘ) উপরের কোনটিই নয়: এই অপশনটি ভুল, কারণ মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি জড়িত।

সুতরাং, মাদক অপরাধ থেকে প্রাপ্ত অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়, যা মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অধীনে দণ্ডনীয়।
এসিড অপরাধ দমন আইন এবং ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন মাদক অপরাধের সাথে সম্পর্কিত নয়।
তাই সঠিক উত্তর: ক) মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২।

৫৬৬.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ দাখিলকৃত জারীর বিরুদ্ধে ৩য় পক্ষের আপত্তি দাখিলের ক্ষেত্রে ডিক্রিকৃত অর্থের কত ভাগের সমপরিমাণ জামানত দাখিল করতে হয়?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- জারীর বিরুদ্ধে আপত্তি:

(১) অর্থ ঋণ আদালতের ডিক্রী বা আদেশ হইতে উদ্ভুত জারী মামলায় কোন তৃতীয় পক্ষ দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের বিধানমতে দাবী পেশ করিলে, আদালত প্রাথমিক বিবেচনায় উক্ত দাবী সরাসরি খারিজ না করিলে, ডিক্রীদার অনূর্ধ্ব ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহার বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি দায়ের করিয়া শুনানী দাবী করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপরোক্ত মতে দাবী পেশ করিবার ক্ষেত্রে, দরখাস্তকারী, ডিক্রীকৃত অর্থের, অথবা ডিক্রীকৃত অর্থের আংশিক ইতিমধ্যে আদায় হইয়া থাকিলে অনাদায়ী অংশের, ১০% এর সমপরিমাণ জামানত বা বন্ড দাখিল করিবে, এবং অনুরূপ জামানত বা বন্ড দাখিল না করিলে উক্ত দাবী অগ্রাহ্য হইবে।
 
(৩) অর্থ ঋণ আদালত, উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন দাবী বিবেচনার্থ গ্রহণ করিলে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে লিখিত আপত্তি দাখিল হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিবে এবং কোন কারণে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে, কারণ লিপিবদ্ধ করতঃ, উক্ত সময়সীমা অনূর্ধ্ব আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করিতে পারিবে। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন দাখিলকৃত লিখিত আপত্তি নিষ্পন্ন করিয়া আদালত যদি অবধারণ করিতে পারে যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন দাবী সম্বলিত দরখাস্তটি ডিক্রীদারের পাওনা বিলম্বিত বা প্রতিহত করিবার অসাধু উদ্দেশ্যে দায়ের করা হইয়াছিল, তাহা হইলে আদালত উক্ত দরখাস্ত খারিজ করিবার সময় একই আদেশ দ্বারা উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত জামানত বা বন্ড বাজেয়াপ্ত করিবে এবং ডিক্রীকৃত টাকা যে পদ্ধতিতে আদায় করা হয়, বাজেয়াপ্ত জামানত বা বন্ডের অধীন টাকা একই পদ্ধতিতে আদালত আদায় করিবে এবং আদায়কৃত অর্থ ডিক্রীদারকে প্রদান করিবে।
৫৬৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ এপ্রিল ২০০২
  2. ১০ এপ্রিল ২০০২
  3. ১৫ এপ্রিল ২০০২
  4. ১ জানুয়ারি ২০০৩
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আইন ১০ এপ্রিল, ২০০২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে। এটি আইনটি প্রণয়নের তারিখ বা সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির তারিখ হিসাবে বিবেচ্য।
- আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ বাংলাদেশের একটি বিশেষ আইন, যা ১০ এপ্রিল ২০০২ তারিখে কার্যকর হয়।
- আইনটি প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (যেমন: চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাচলে বাধা, সম্পত্তি ধ্বংস, ছিনতাই, সন্ত্রাসী তৎপরতা ইত্যাদি) দ্রুত বিচার করার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা।
আইনের ধারা ১(১) এ আইনের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং ধারা ১(২) এ কার্যকর হওয়ার তারিখ দেওয়া আছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ১০ এপ্রিল ২০০২।

৫৬৮.
No appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than ______ per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
  1. 5
  2. 10
  3. 30
  4. 50
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881

Section 138A- Restriction in respect of appeal:

Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

অর্থাৎ ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
৫৬৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের কোন ধারানুযায়ী Additional Special Tribunal গঠন করা হয়?
  1. ২৫গ
  2. ২৬
  3. ২৭
  4. ২৮
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান:  এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে:
-এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।

-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।

- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।
----------------------------------------
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:

(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2). 

(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:

Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
 
(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.
৫৭০.
কোনো কোম্পানি Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারার অধীনে অপরাধ করলে, কারা দায়ী বলে গণ্য হবে?
  1. শুধুমাত্র কোম্পানি
  2. শুধুমাত্র ব্যবস্থাপক
  3. শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডাররা
  4. কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই।

Negotiable Instruments Act, 1881– ধারা ১৪০ (কোম্পানির দ্বারা সংঘটিত অপরাধ)-
(১) যদি ধারা ১৩৮ অনুযায়ী কোনো কোম্পানি অপরাধ করে, তবে যিনি ওই সময় কোম্পানির ব্যবসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি এবং কোম্পানিটি উভয়ই অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে:
- তিনি অপরাধ সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন, অথবা
- তিনি যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন, তাহলে তিনি দণ্ড থেকে অব্যাহতি পাবেন।

(২) যদি প্রমাণিত হয় যে কোম্পানির কোনো পরিচালক/ম্যানেজার/সেক্রেটারি/কর্মকর্তা জানিয়ে সম্মতি দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, বা অবহেলা করেছেন, তাহলে তিনিও অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
- “কোম্পানি” বলতে বোঝায়: বডি কর্পোরেট, ফার্ম, বা বিভিন্ন ব্যক্তির সমিতি।
- ফার্মের ক্ষেত্রে “ডিরেক্টর” বলতে বোঝায় অংশীদার।
৫৭১.
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি' বিধানটি কোন আইনে উল্লেখ রয়েছে?
  1. বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪
  2. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
  4. শিশু আইন,২০১৩
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-

‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
৫৭২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০- এ ডিএনএ পরীক্ষার ক্ষেত্রে কার অনুমতি আবশ্যক?
  1. ট্রাইব্যুনালের
  2. চিকিৎসকের
  3. পরীক্ষিত ব্যক্তির
  4. তদন্তকারী কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ক অনুযায়ী,
এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং ভুক্তভোগীর ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) পরীক্ষা করা যেতে পারে। এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো- তদন্তে বৈজ্ঞানিকভাবে সত্যতা যাচাই এবং অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি থাক বা না থাক, তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি মামলার ঘটনা ও প্রেক্ষাপট বিচার করে মনে করেন যে ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন, তাহলে তিনি ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সনের ১০ নং আইন) এবং উক্ত আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা এর বিধান অনুযায়ী তা করতে পারেন।

তবে, এই পরীক্ষার আগে ট্রাইব্যুনাল বা এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নিতে হবে। যদি তদন্তকারী কর্মকর্তা অনুমোদন নিয়েও ডিএনএ পরীক্ষা না করেন, তবে তাকে কেন পরীক্ষা করা হয়নি, সেই কারণ এবং অনুমোদনের বিস্তারিত তথ্য তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে।

ধারা ৩২ক-এর উপধারা (২) অনুসারে, যদি এই আইনের অধীনে সংঘটিত ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা ডিএনএ ল্যাবে পাঠানো হয়, তাহলে সেই পরীক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল যত দ্রুত সম্ভব তদন্তকারী কর্মকর্তা, ট্রাইব্যুনাল, অথবা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫৭৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ অনুসারে আসামির নিকট হতে ২৫টি ক্যানাবিস গাছ উদ্ধার হলে শাস্তির বিধান-
  1. অন্যূন ৩ বছর এবং অনুর্ধ্ব ১৫ বছর
  2. অন্যূন ২ বছর এবং অনুর্ধ্ব ১০ বছর
  3. অন্যূন ৬ মাস এবং অনুর্ধ্ব ৩ বছর
  4. কোনটিই সঠিক নয়
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ অনুসারে- ২৫টি ক্যানাবিস (গাঁজা) গাছ উদ্ধার হলে শাস্তির বিধান ছিল অন্যূন ৬ মাস এবং অনূর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড।

• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ রহিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ প্রণীত হয়। বর্তমানে মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে বিধান এই আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।

বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুসারে,
গাছের সংখ্যা অনূর্ধ্ব ৫০টি হইলে অন্যূন ১ বৎসর অনূর্ধ্ব  ৫ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হবে।
৫৭৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী ধর্ষণের ফলে জন্মলাভকারী শিশুর ভরণপোষণের ব্যয় কে বহন করবে?
  1. ধর্ষণকারী পিতা
  2. আদালত
  3. রাষ্ট্র
  4. মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজন
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৩ ধারার বিধান: ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-
(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;
(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;
(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;
(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।
 
(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।
 
(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।
৫৭৫.
জেলা কমিটি বিচার প্রার্থীর বরাবর প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করতে পারবে-
  1. স্বীয় উদ্যোগে
  2. অভিযোগের ভিত্তিতে
  3. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ১৫- আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার:
(১) কমিটি স্বীয় উদ্যোগে অথবা কোন অভিযোগের ভিত্তিতে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোন বিচার প্রার্থীর বরাবর প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) আইনগত সহায়তার আবেদন মঞ্জুর হইবার পর বিচারপ্রার্থীর পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য রহিয়াছে বলিয়া সংশ্লিষ্ট কমিটির নিকট যদি প্রতীয়মান হয়;
(খ) বিচারপ্রার্থী মিথ্যা তথ্য বা প্রতারণার মাধ্যমে যদি আইনগত সহায়তা গ্রহণ করেন;
(গ) সংশ্লিষ্ট কমিটি কিংবা নিযুক্ত আইনজীবীকে বিচারপ্রার্থী যদি অসহযোগিতা করেন; অথবা
(ঘ) বিচারপ্রার্থী যদি আইনগত প্রক্রিয়া কিংবা আইনগত সহায়তার অপপ্রয়োগ করেন।

(২) উপ-প্রবিধান (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিচারপ্রার্থীকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান না করিয়া তাহাকে প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করা যাইবে না।

⇒ এখানে, "কমিটি" অর্থ সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা ক্ষেত্রমত, বিশেষ কমিটিকে বোঝানো হয়েছে।
৫৭৬.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতির সর্বোচ্চ-
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারার বিধান: ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি:
 (১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি” অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বিনা অধিকারে বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কার্য, তথ্য সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা।
৫৭৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কোন ধারায় 'Trial in Absentia' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ১৩ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে 'Trial in absentia' বলে।

ধারা ১১: আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার-

যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই-

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
৫৭৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুসারে নির্ধারিত কারাদণ্ড থেকে মুক্তি অথবা অর্থ দণ্ডের টাকা আদায়ের পর কত সময় অতিবাহিত না হলে কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স অথবা পারমিট প্রাপ্তির যোগ্য হবেন না?
  1. ৬ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৪ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি প্রদানের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ: এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স অথবা পারমিট প্রাপ্তির যোগ্য হইবেন না, যদি-
(ক) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন ৩ (তিন) মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাহার মুক্তি লাভের পর ৫ (পাঁচ) বৎসর কাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে, অথবা ৫০০ (পাঁচশত) টাকার অধিক অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হন এবং দণ্ডের টাকা আদায় করিবার পর ৫ (পাঁচ) বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(খ) তিনি কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন; এবং
(গ) তিনি লাইসেন্স অথবা পারমিটের কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন এবং সেইজন্য তাহার উক্ত লাইসেন্স অথবা পারমিট বাতিল হইয়া যায়।
৫৭৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় 'Double Jeopardy' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ২৯
  2. ৩০ক
  3. ৩১
  4. ৩২
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
অর্থাৎ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩১ ধারায় principle of double jeopardy এর প্রতিফলন ঘটেছে।
------------
Section 31. Bar on trial de-novo:

- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.
৫৮০.
'ক' একজন দুর্নীতি দমন কমিশনার। 'ক' দুর্নীতি সম্পর্কিত এক অভিযোগের তদন্তের ক্ষেত্রে 'খ' কে সাক্ষী হিসেবে তলব করলে, 'খ' সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এক্ষেত্রে 'খ' কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. অনূর্ধ্ব ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
  2. অনূর্ধ্ব ৭ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
  3. অনূর্ধ্ব ৫ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
  4. অনূর্ধ্ব ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৯- অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা

(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৫৮১.
সাইবার স্পেসে জুয়া সংক্রান্ত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০ লক্ষ টাকা
  2. ৭৫ লক্ষ টাকা
  3. ১ কোটি টাকা
  4. ১.৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০: সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৮২.
আইনগত সহায়তার অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. আইনগত পরামর্শ প্রদান
  2. মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. সালিশকারী নিয়োগ প্রদান
  4. মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানী প্রদান
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০, ধারা ২(ক): "আইনগত সহায়তা" অর্থ-
(অ) আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(১) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;

(২) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ বা মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা এই আইনের অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে সম্মানি প্রদান;

(৩) মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান;
(আ) যে কোন আবেদনকারীকে আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান;
(ই) মামলাপূর্ব যেকোন বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
(ঈ) যেকোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রেরিত মামলা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;

⇒ আইনগত সহায়তার আওতায় পড়ে না: গ) সালিশকারী নিয়োগ প্রদান।
৫৮৩.
আইনগত সহায়তার অধীন সুপ্রীমকোর্টে মামলা পরিচালনার আইনজীবী তালিকায় কত জন মহিলা আইনজীবী রাখার বিধান রয়েছে?
  1. অন্যূন অর্ধেক সংখ্যক
  2. অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ
  3. অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ
  4. অন্যূন এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০

ধারা ১৫- আইনজীবীগণের তালিকা

(১) সুপ্রীমকোর্ট কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্টের মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫(পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।

(২) প্রত্যেক জেলা কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে জেলার কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য জেলা আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(২ক) বিশেষ কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত প্রত্যেক তালিকায় অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী, যদি উপযুক্ত পাওয়া যায়, রাখা হইবে।
 
(৪) কোন বিচারপ্রার্থীর আবেদন বা দরখাস্ত বিবেচনাক্রমে যদি কোন ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নিযুক্তির ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দ, যতদূর সম্ভব, বিবেচনা করা হইবে।
৫৮৪.
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ এর ৩৬ ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল কয় ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. তিন ধরণের
  2. দুই ধরণের
  3. চার ধরণের
  4. পাঁচ ধরণের
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ এর ৩৬ ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল ৩ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে, অপরাধী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে:

১) ডিজিটাল জালিয়াতি;
২) ডিজিটাল প্রতারণা;
৩) পরিচয় প্রতারণা।
 
• ধারা ৩৬- ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা-
 
কোনো ব্যক্তি ধারা ২২ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি, ধারা ২৩ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক প্রতারণা বা ধারা ২৪ এর অধীন পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণের মাধ্যমে অপর কোনো ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে, ট্রাইব্যুনাল, সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারিবে।
৫৮৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনানুসারে, অনূর্ধ্ব কত দিনের শিশুকে 'নবজাতক' বলা হবে?
  1. ৭ দিনের
  2. ১৪ দিনের
  3. ৩০ দিনের
  4. ৪০ দিনের
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(চ) অনুযায়ী,

“নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশুকে বোঝাবে।
৫৮৬.
K & L কোম্পানীর এম.ডি. ও জি.এম. যথাক্রমে M ও N একটি চেক ইস্যু করলে তা অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিসঅনার হয়। এক্ষেত্রে কার বিরদ্ধে মামলা করা যাবে?
  1. 'K & L'
  2. 'M' ও 'N'
  3. 'K & L', 'M' ও 'N'
  4. 'K & L ' ও 'M'
ব্যাখ্যা
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৪০ ধারার বিধান কোম্পানীর অপরাধসমূহ (Offences of Companies) ধারা ১৩৮ এর আওতায় অপরাধকারী কোম্পানী হলে বর্ণিত কোম্পানীসহ উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় কোম্পানীর ব্যবসায় পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং আইনত দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এর জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

- যদি দায়ী ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে উক্ত অপরাধ তার জ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়নি অথবা উক্ত অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধের জন্য তিনি সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তাহলে তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন না।

- এই আইনের আওতায় কোম্পানী কর্তৃক কোন অপরাধ সংঘটিত হলে এবং উক্ত কোম্পানির কোন পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তার সম্মতিতে বা পরোক্ষ সমর্থনে বা কোন অবহেলার কারণে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হয়েছে মর্মে প্রমাণিত হলে, কোম্পানির উক্ত পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তা ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এটির জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

- কোনো কোম্পানি Cheque Dishonour মামলায় দোষী হলে, কোম্পানিসহ পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ দায়ী (liable) হবেন। 
--------------
The Negotiable Instruments Act, 1881 Section 140. Offences of Companies:
(1) If the person committing an offence under section 138 is a company, every person who, at the time the offence was committed, was in charge of, and was responsible to, the company for the conduct of the business of the company, as well as the company, shall be deemed to be guilty of the offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly:

Provided that nothing contained in this sub-section shall render any person liable to punishment if he proves that the offence was committed without his knowledge, or that he had exercised all due diligence to prevent the commission of such offence.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), where any offence under this Act has been committed by a company and it is proved that the offence has been committed with the consent or connivance of, or is attributable to, any neglect on the part of any director, manager, secretary or other officer of the company, such director, manager, secretary or other officer shall also be deemed to be guilty of that offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly.

Explanation. - For the purposes of this section-
(a) “company” means any body corporate and includes a firm or other association of individuals; and
(b) “director” in relation to a firm, means a partner in the firm.
৫৮৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন ক্ষতিপূরণের অর্থ __________ হিসাবে আদায়যোগ্য হবে।
  1. রাজস্ব
  2. সরকারী দাবী
  3. ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের দাবী
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪ ধারার বিধান অপরাধের শাস্তি: 
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে
৫৮৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সঙ্গে যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তা-
  1. মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না
  2. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  3. ফেরত দেওয়া হবে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া বাজেয়াপ্ত করা যাবে না
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:
(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।

৫৮৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে, কত কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন পাঠাবে?
  1. ৫ কার্যদিবস
  2. ৭ কার্যদিবস
  3. ১০ কার্যদিবস
  4. ১৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।
৫৯০.
মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩১: আপিল:
ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে রায় প্রদান অথবা আদেশ বা দণ্ড ঘোষণার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে।
৫৯১.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর অধীনে মামলার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ
  2. একই দাবীতে দেওয়ানী মামলা করা যাবে
  3. একই দাবীতে ফৌজদারী মামলা করা যাবে
  4. সর্বোচ্চ কারাদণ্ড এক বৎসর
ব্যাখ্যা
⇒ অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।  
- হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
- চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা দেওয়ানী এবং কিছুটা ফৌজদারী প্রকৃতির। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী আদালতেও মামলা দায়ের করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১-৭ বিধিতে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে এরকম বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেওয়ানী মামলার ন্যায় সাধারণ পদ্ধতিতে মামলা পরিচালিত হলে অনেক সময়ের অপচয় হবে। তাই চেক ডিজঅনারের মামলা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মামলা পরিচালনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, বিবাদীকে এক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয় না।  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, হস্তান্তরযোগ্য দলিল বিষয়ে মামলা কেবলমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতে দায়ের করা যাবে। আমরা জানি “চেক (cheque)” একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা করা যায়।
-এছাড়া, ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার শুরুতে ” Notwithstanding anything contained in” শব্দগুলোর অনুপস্থিতি প্রমাণ করে উক্ত ধারায় কোনো “Non-obstante clause” নেই। তাই ১৩৮ ধারার অপরাধের কারণে বাদী শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের অধীনেই মামলা করতে পারবে-এই কথাটা ঠিক নয়। দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ধারার অধীনে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রেও বাদীর কোন বাধা নেই।

অর্থাৎ The Negotiable Instruments Act, 1881 এর অধীনে চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ বিধানটি সঠিক নয়।
৫৯২.
The Special Powers Act, 1974 এর বিধান অনুযায়ী স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিলে তা কার্যকর করার শর্ত কী?
  1. রাষ্ট্রপতির অনুমোদন
  2. প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন
  3. আইনমন্ত্রীর অনুমোদন
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974-এর অধীনে, যদি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তবে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত ওই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না। ধারা ৩০(২) অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডের কার্যক্রম অনতিবিলম্বে হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না।

- The Special Powers Act, 1974-এর ধারা ৩০(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।"

- উদ্ধৃতি (ধারা ৩০(২)):
"the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division."
৫৯৩.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১ক(১) অনুযায়ী চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং লিগ্যাল এইড অফিসার কাদের মধ্য থেকে নিয়োগ করা হবে?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবীদের মধ্য থেকে
  2. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে
  3. জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে
  4. বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১ক(১) অনুযায়ী, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং লিগ্যাল এইড অফিসার বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ করা হবে। এই নিয়োগ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং সরকার কর্তৃক সম্পন্ন হবে।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১ক - চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার, লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ, দায়িত্ব, ইত্যাদি:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য হইতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ ও পদায়ন করিবে এবং তাহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সংস্থা, সময় সময়, আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিবে।
(১ক) উপ-ধারা (১) এর অধীন চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার পদায়ন না হওয়া পর্যন্ত সংস্থা আদেশ দ্বারা লিগ্যাল এইড অফিসারকে, ক্ষেত্রমত, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসারের দায়িত্ব প্রদান করিতে পারিবে।
(২) চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা লিগ্যাল এইড অফিসার আইনগত সহায়তা প্রার্থীকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আইনি পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবে, মামলাপূর্ব মধ্যস্থতার (Pre-case Mediation) উদ্যোগ গ্রহণ করিতে পারিবে এবং প্রচলিত আইনের অধীন আপসযোগ্য যে কোন বিষয় কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রমের জন্য প্রেরণ করিলে উহা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট অফিসারের থাকিবে।

৫৯৪.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কোন ধারায় “নতুন করে বিচার (trial de-novo)” এর উপর বাধা আরোপ করা হয়েছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৮
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ৩১
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩১ "নতুন বিচারে বাধা" (Bar on trial de-novo) এর বিধান দেয়। এটি ট্রাইব্যুনালকে এই ক্ষমতা দেয় যে, যদি কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য ইতোমধ্যে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে বা কোনো কার্যক্রম হয়ে থাকে, তবে ট্রাইব্যুনাল সেগুলো পুনরায় শুনানি বা পুনরায় শুরু করতে বাধ্য নয়। ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করে মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেখান থেকে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে। এটি দ্বিবার সাজা নীতি (Principle of double jeopardy)-এর প্রতিফলন হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি একই বিষয়ে বারবার বিচারের সম্ভাবনা সীমিত করে।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
--------------
⇒ The Special Powers Act, 1974, - Section 31: Bar on trial de-novo:
- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.

৫৯৫.
মাদকদ্রব্যের উৎস হতে গন্তব্য পর্যন্ত অপরাধী শনাক্ত করতে কোন বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
  1. ডোপ টেস্ট
  2. বিশেষ তল্লাশি
  3. নিয়ন্ত্রিত বিলি
  4. গোপন অভিযান
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৫ অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রিত বিলি (Controlled Delivery) হলো একটি বিশেষ তদন্ত কৌশল। এই পদ্ধতিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদকদ্রব্যকে তার উৎস থেকে গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছাতে দেয়, যাতে করে চোরাচালান কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকল অপরাধী (যেমন: সরবরাহকারী, পরিবহনকারী, গ্রাহক) শনাক্ত ও গ্রেফতার করা যায়।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ২(১৫) ধারার বিধান:
- ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৫ ধারার বিধান: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(১) উপ-ধারা (২) এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সহিত বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত চুক্তি অথবা সমঝোতা সাপেক্ষে, সরকার, এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন সংঘটিত কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কে বাংলাদেশে অথবা অন্য কোথাও প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে, নিয়ন্ত্রিত বিলির লিখিত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদন প্রদান করা হইবে না, যদি না সরকার-
(ক) কোনো ব্যক্তিকে, যাহার পরিচিতি জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত যাহাই হউক না কেন, এই বলিয়া সন্দেহ করে যে, তিনি এইরূপ কোনো কার্যে লিপ্ত ছিলেন অথবা রহিয়াছেন অথবা হইবার উদ্যোগ গ্রহণ করিয়াছেন যাহা এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধ বলিয়া পরিগণিত; এবং
(খ) এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, নিয়ন্ত্রিত বিলির ব্যবস্থা এইরূপ নির্ধারিত করা হইয়াছে যে, উহাতে উক্ত ব্যক্তির কার্য প্রকাশিত হইবার অথবা উক্ত কার্যসংক্রান্ত অন্য কোনো প্রমাণ লাভের সুযোগ রহিয়াছে।
(৩) সরকার অনধিক ৩ (তিন) মাসের জন্য, সময়ে সময়ে, উক্ত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া;
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া;
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা;
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া।
(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।

৫৯৬.
নিম্নের কোন ধরনের ব্যক্তি 'মাদকাসক্ত' এর সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত?
  1. মানসিকভাবে নির্ভরশীল
  2. অভ্যাসবশে মাদক সেবনকারী
  3. শারীরিকভাবে মাদকের উপর নির্ভরশীল
  4. উল্লিখিত সবাই
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২(৩১):
‘মাদকাসক্ত’ অর্থ শারীরিক অথবা মানসিকভাবে মাদকদ্রব্যের উপর নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তি অথবা অভ্যাসবশে মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারী অথবা সেবনকারী কোনো ব্যক্তি।

এই সংজ্ঞাটির মাধ্যমে “মাদকাসক্ত” বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে তা পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে মূলত তিন শ্রেণির ব্যক্তিকে “মাদকাসক্ত” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে:

শারীরিকভাবে নির্ভরশীল ব্যক্তি:
এমন ব্যক্তি যিনি মাদকদ্রব্য না পেলে শরীরিকভাবে অস্বস্তি অনুভব করেন।

মানসিকভাবে নির্ভরশীল ব্যক্তি:
এখানে বোঝানো হয়েছে এমন ব্যক্তি, যিনি মানসিকভাবে মনে করেন মাদক না পেলে তিনি স্বাভাবিক চিন্তা বা কাজ করতে পারবেন না। এটি মানসিক অভ্যাস বা আসক্তি।

অভ্যাসবশে ব্যবহারকারী বা সেবনকারী ব্যক্তি:
এমন ব্যক্তি যিনি হয়তো শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্ভরশীল নন, কিন্তু নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করে মাদক সেবন করেন। এটি সামাজিক বা ব্যক্তিগত অভ্যাসের কারণে হতে পারে।
৫৯৭.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর কোন ধারা অনুযায়ী বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত সিস্টেমে অপরাধ করলে তা বাংলাদেশে সংঘটিত বলে গণ্য হবে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪ এর অধীনে অধ্যাদেশের অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত হয়েছে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে:
বিদেশ থেকে অপরাধ: যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটন করে, তবে তা বাংলাদেশে সংঘটিত বলে গণ্য হবে।
- এই ধারার মাধ্যমে সাইবার অপরাধের আন্তর্জাতিক মাত্রা বিবেচনা করে বাংলাদেশের এখতিয়ার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি সাইবার স্পেসে সীমান্তের সীমাবদ্ধতা দূর করে বাংলাদেশের নাগরিক বা সিস্টেমের বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

- অর্থাৎ ধারা ৪-এর বিধান অনুযায়ী, বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত সিস্টেম ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটন করলে তা বাংলাদেশে সংঘটিত বলে বিবেচিত হবে। এটি সাইবার অপরাধের আন্তর্জাতিক প্রকৃতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করে।

৫৯৮.
কোন নবজাতক শিশুকে পিতা-মাতার হেফাজত হতে অপহরণ করার অপরাধের জন্য মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এ প্রদত্ত সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাবাস
  3. ১২ বৎসর কারাবাস
  4. ৭ বৎসর কারাবাস
ব্যাখ্যা
ধারা ১০: মানব পাচার অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, চুরি এবং আটক করার দণ্ড: 

১. কোন ব্যক্তি মানব পাচারের অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়ে বা যৌন শোষণ বা নিপীড়নসহ এই আইনের ধারা ২(১৫) এ বর্ণিত অন্য কোন শোষণের উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপহরণ, গোপন অথবা আটক করে রাখলে তিনি অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ১০ বৎসর এবং অন্যূন ৫ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

২. মানব পাচারের অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়ে কোন ব্যক্তি কোন নবজাত শিশুকে কোন হাসপাতাল, সেবা- সদন, মাতৃ-সদন, শিশু-সদন, বা উক্ত নবজাত শিশুর পিতা-মাতার হেফাজত হতে চুরি করলে বা অপহরণ করলে তিনি অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে এবং উত্তরুপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৫৯৯.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী সাইবার সুরক্ষা ট্রাইব্যুনালকে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে কত কার্যদিবসের মধ্যে?
  1. ৯০ কার্যদিবস
  2. ১২০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ৩৬৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুসারে: ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
সুতরাং, সাইবার সুরক্ষা ট্রাইব্যুনালকে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ৪৫: মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

৬০০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) এর অপরাধ কোন ধরণের হবে?
  1. আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  2. আমলঅযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য
  3. আমলযোগ্য ও আপসঅযোগ্য
  4. আপসযোগ্য ও জামিনঅযোগ্য
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৩৫: ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই আইনে যাহা কিছু থাকুক না কেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বলবৎ হওয়ার তারিখ হইতে ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারার্থ গ্রহণীয় ও বিচারযোগ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বলবৎ হওয়ার পূর্বে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অধীন দায়েরকৃত অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ এখতিয়ারসম্পন্ন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বদলি হইবে না এবং উক্ত অধ্যাদেশ বলবৎ হইবার পূর্বে এই আইনের অধীন অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ তদন্তকারী কর্মকর্তা, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত, ট্রাইব্যুনাল এবং আপীল-সংশ্লিষ্ট আদালতে এমনভাবে পরিচালিত ও নিষ্পত্তি হইবে যেন উক্ত অধ্যাদেশ বলবৎ হয় নাই।

(২) ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ আমলযোগ্য (Cognizable), আপসযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের অভিযোগ দায়ের, তদন্ত, বিচার, আপিল ও নিষ্পত্তিসহ পদ্ধতিগত সকল ক্ষেত্রে এই আইনের অন্যান্য ধারার বিশেষ বিধানাবলির পরিবর্তে ফৌজদারী কার্যবিধি ও Evidence Act, 1872 (Act I of 1872)-এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

(৩) যদি ট্রাইব্যুনালে বিচার্য কোন অপরাধের সহিত ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ এমনভাবে জড়িত থাকে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উভয় অপরাধের বিচার একই সংগে বা একই মামলায় করা প্রয়োজন, তাহা হইলে উক্ত ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধটির বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার্য অপরাধের সহিত এই আইনের বিধান অনুসরণে একই সংগে বা একই ট্রাইব্যুনালে করা যাইবে।]