বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ডাটাবেজ সিস্টেম

মোট প্রশ্ন৬৭৮এই পাতা৭৬প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডাটাবেজ সিস্টেম

PrepBank · পাতা / · ৬০১৬৭৬ / ৬৭৮

৬০১.
MICR এ C এর অর্থ কী?
  1. ক) Code
  2. খ) Communication
  3. গ) Character
  4. ঘ) Computer
ব্যাখ্যা
MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition। MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী। মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
৬০২.
3A সংখ্যাটির বাইনারি কত?
  1. ক) 111010
  2. খ) 101010
  3. গ) 111011
  4. ঘ) 101111
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৬০৩.
ডাটাবেজে অপ্রয়োজনীয় ডাটা কমানোর জন্য কোন বৈশিষ্ট্য ব্যবহার হয়? 
  1. Redundancy
  2. Normalization
  3. Encryption
  4. Backup
ব্যাখ্যা

- Normalization হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ডাটাবেজে অপ্রয়োজনীয় বা পুনরাবৃত্ত ডাটা দূর করা হয়।
- এতে ডাটা টেবিলগুলো এমনভাবে ভাগ করা হয় যাতে প্রতিটি তথ্য একবারই সংরক্ষিত থাকে এবং সম্পর্ক বজায় থাকে।

Normalization-এর প্রধান উদ্দেশ্য:
- একই তথ্য একাধিক জায়গায় না রাখা (redundancy কমানো)।
- ডাটার সঠিকতা (integrity) ও সংগতি (consistency) বজায় রাখা।
- ডাটাবেজ আপডেট বা পরিবর্তনের সময় ভুল বা বিভ্রান্তি রোধ করা।

Normalization এর স্তর (Normal Forms):
- 1NF (First Normal Form): প্রতিটি সেলে কেবল একক মান থাকবে।
- 2NF (Second Normal Form): সমস্ত নন-কী অ্যাট্রিবিউট সম্পূর্ণভাবে প্রাইমারি কী-এর উপর নির্ভর করবে।
- 3NF (Third Normal Form): নন-কী অ্যাট্রিবিউটের মধ্যে কোনো ট্রান্সিটিভ নির্ভরতা থাকবে না।

- Encryption হলো তথ্যকে কোড বা সংকেতে রূপান্তর করা যাতে অননুমোদিত ব্যক্তি তা পড়তে না পারে।
- Backup হলো ডাটার একটি কপি রাখা যাতে মূল তথ্য হারিয়ে গেলে পুনরুদ্ধার করা যায়।

উৎস: Database System Concepts: Silberschatz, Korth & Sudarshan. 

৬০৪.
এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. Plain text
  2. Cipher text
  3. Cryptography
  4. Decrypted text
ব্যাখ্যা

এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে সাইফার টেক্সট বলা হয়।

​• ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)

- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- যেসব অনুমোদিত ব্যক্তির কাছে এই ডেটা পড়ার কী রয়েছে, কেবল তারাই এটি পড়তে পারবেন।
- এটি হলো কোনো তথ্যে অবাঞ্ছিত প্রবেশ থেকে রক্ষা পাবার জন্য এনকোডিং-এর প্রক্রিয়া।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিন্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plain text) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Cipher text)। 
​- এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৬০৫.
একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করলে তাকে কী বলে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. সেকেন্ডারি কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ফরেন কী
ব্যাখ্যা
 কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়।
যথা-
. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৬০৬.
DDL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Description Language
  2. Data Distribution Language
  3. Data Development Language
  4. Data Definition Language
ব্যাখ্যা
• DDL এর পূর্ণরূপ হলো Data Definition Language.

• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য সংরক্ষণ ও তথ্য অ্যাক্সেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য যোগ (ইনসার্ট), মুছে ফেলা (ডিলিট), আপডেট এবং পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য DML ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৭.
যে রেকর্ডটি একটি ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য বা তথ্য বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়, তাকে কী বলে?
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি
  3. ফিল্ড
  4. ভ্যালু
ব্যাখ্যা
এনটিটি (Entity):
- কোনো ডেটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডেটার এনটিটি। যেমন: একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়।



এট্রিবিউট (Attribute):
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোনো এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে।
- অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে। 

ভ্যালু (Value):
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু। 

ফিল্ড:
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৮.
মাইক্রোপ্রসেসরের কোন অংশটি ডাটা প্রসেসিং -এ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Control Unit
  2. খ) Register Array
  3. গ) Accumulator
  4. ঘ) ALU
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসরের ALU ( Arithmetic Logic Unit ) অংশটি ডাটা প্রসেসিং এ ব্যবহৃত হয়। ALU কে কম্পিউটারের গণনা শাখা বলা হয়। মূলত কম্পিউটারের প্রসেসর নামে একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ থাকে, যার একটি অংশ ALU ।
৬০৯.
সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকে বলে-
  1. হোস্ট স্টেশন
  2. চ্যানেল
  3. ওয়ার্ক স্টেশন
  4. গেটওয়ে
ব্যাখ্যা

• কোনো কম্পিউটারে সংরক্ষিত রিসোর্সসমূহ যদি একসাথে এবং একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে বা শেয়ার করতে পারে তাকে সার্ভার বলে।
• সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে যে সেবা গ্রহণ করে তাকে ওয়ার্ক স্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।

৬১০.
মাইক্রোসফট এক্সেস হলো একটি জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত-
  1. ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
  2. স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম
  3. প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম
  4. ওয়ার্ড প্রোসেসিং প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট এক্সেস:
- মাইক্রোসফট  অফিস এর একটি উল্লেখযোগ্য প্রোগ্রাম হচ্ছে মাইক্রোসফট এক্সেস।
- এটি একটি জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত ডাটাবেজ প্রোগ্রাম।
- এটি আকারের দিক থেকে ছোট হলেও কাজের ক্ষমতার ক্ষেত্রে শক্তিশালী একটি প্রোগ্রাম।
- ব্যাংক, বীমা, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, বড় হাসপাতাল ইত্যাদিতে ডাটাবেজ সংরক্ষণ, এনালাইসিস, হিসাবরক্ষণ করার জন্য এক্সেস সত্যি জনপ্রিয়, শক্তিশালী ও সংরক্ষিত একটি প্রোগ্রাম।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম যেমন-ফক্সপ্রো, ফক্সবেজ, ওরাকল ইত্যাদি ডাটাবেজ প্রোগ্রামের তুলনায় এক্সেস এখন অনেক জনপ্রিয়। 

• মাইক্রোসফট এক্সেসের বৈশিষ্ট্য:
- সহজে টেবিল তৈরি করা যায়। 
- ডাটা টেবিল এর সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিল এর মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে বের করা যায়। 
- ডাটা ভ্যালিডেশনের সাহায্যে ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
- আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
- সহজে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস: তথ্য ওযোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১১.
ইনডেক্সিং করার উদ্দেশ্য কী?
  1. ফাইলের আকার বড় করা
  2. ডেটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া
  3. ফাইলের নাম পরিবর্তন করা
  4. ফাইলের ডেটা মুছে ফেলা
ব্যাখ্যা
ইনডেক্সিং করার উদ্দেশ্য হচ্ছে ডেটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া।

• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর। সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১২.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশীট সফটওয়্যার
  3. মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার
  4. ডেটাবেইজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

• বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজতে ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- এখানে মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা যা তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান এবং ব্যবস্থাপনা সহজ করে।  
- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: মূলত লেখালেখি, সম্পাদনা ও প্রিন্টিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি তথ্য সংরক্ষণ বা অনুসন্ধানের জন্য উপযুক্ত নয়।  

- স্প্রেডশীট সফটওয়্যার: হিসাব-নিকাশ, চার্ট তৈরি বা ডাটা বিশ্লেষণে সাহায্য করে, কিন্তু বড় পরিমাণ তথ্য থেকে দ্রুত অনুসন্ধান করার জন্য নয়।  
- মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার: ছবি, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি তৈরী বা সম্পাদনার কাজে ব্যবহৃত হয়, তথ্য অনুসন্ধানের কাজে নয়।  

- ডেটাবেইজ সফটওয়্যার: বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণ, সাজানো, অনুসন্ধান ও পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে তৈরি।  
- এটি সহজে তথ্য ফিল্টার করা, নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করা এবং রিপোর্ট তৈরি করতে সাহায্য করে।  

- তাই বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজতে সবচেয়ে উপযুক্ত সফটওয়্যার হলো - ডেটাবেইজ সফটওয়্যার।  

- সঠিক উত্তর: ঘ) ডেটাবেইজ সফটওয়্যার। 

DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৬১৩.
একটি রেকর্ড গঠনের মূল উপাদান কী?
  1. একাধিক ফিল্ড
  2. একাধিক ফাইল
  3. একাধিক বিট
  4. একাধিক বাইট
ব্যাখ্যা
একটি রেকর্ড গঠনের মূল উপাদান একাধিক ফিল্ড।

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৬১৪.
নিচের কোনটি DML কমান্ড নয়?
  1. Insert
  2. Delete
  3. Alter
  4. Update
ব্যাখ্যা

• 'Alter', DML কমান্ড নয়।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১৫.
নিচের কোন প্রবাহটি সঠিক?
  1. ক) ফিল্ড → টেবিল → রেকর্ড
  2. খ) রেকর্ড → টেবিল → ফিল্ড
  3. গ) টেবিল → ফিল্ড → রেকর্ড
  4. ঘ) ফিল্ড → রেকর্ড → টেবিল
ব্যাখ্যা
ফিল্ড: ফিল্ড হচ্ছে ডাটাবেজের ভিত্তি। অন্যভাবে বলা যায় যে, ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।

রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।

টেবিল: এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

সুতরাং বলা যায়, প্রথমে ফিল্ড তারপর রেকর্ড এবং তারপর টেবিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬১৬.
কম্পিউটারের পরিভাষায় তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
  1. ক) bit
  2. খ) byte
  3. গ) pixel
  4. ঘ) data
ব্যাখ্যা
ডাটা:
Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum -এর বহুবচন । Datum অর্থ হচ্ছে তথ্যের উপাদান । তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতর অংশসমূহ হচ্ছে ডাটা বা উপাত্ত।
- ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি তাই ডাটা। 

বিট:
(Bit) এর পূর্ণরুপ হল "বাইনারী ডিজিট (Binary Digit) "।  এটি ডেটার ক্ষুদ্রতম এককের নাম।
- আধুনিক কম্পিউটার ০ এবং ১ দিয়ে তৈরি একটি বাইনারি সিস্টেম ব্যবহার করে তার যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করে।কম্পিউটারের পরিভাষায় bit (Binary Digit) হল তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক। এটি কেবল দুটি মান গ্রহণ করতে পারে: 0 বা 1।

বাইট:
৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। কম্পিউটারের মেমােরিকে বাইট দ্বারা পরিমাপ করা হয়।

পিক্সেল: 
কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হলো পিক্সেল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১৭.
নিচের কোন মেমোরির ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) রেজিস্টার
  2. খ) ক্যাশ মেমোরি
  3. গ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. ঘ) র‍্যাম
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টর, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামুলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।


উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৬১৮.
একটি ডাটাবেজ টেবিলের সারিগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. কুয়েরি
  4. মডিউল
ব্যাখ্যা
ডাটা: 
- ডাটা শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datumn এর বহুবচন, Datumn শব্দটির অর্থ হল তথ্যের উপাদান। 
- প্রক্রিয়াকরণ করে তথ্যে পরিণত করার জন্য কম্পিউটারে ডাটা ইনপুট নেয়া হয়, তাই প্রাথমিকভাবে সংগৃহীত অগোছালো তথ্যকে ডাটা বলা হয়। 
যেমন- কোন একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নাম, পদবি, মুলবেতন ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ডাটা। 

ডাটাবেজ: 
- ডাটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ সমাবেশ। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হলো ডাটাবেজ। 
- একটি ডাটাবেজের এক বা একাধিক টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট মডিউল ইত্যাদি ফাইল থাকতে পারে। 
- ডাটাবেজকে তথ্যভাণ্ডার বলা হয়, চারপাশে অজস্র তথ্য ও উপাত্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- তবে এ সমস্ত তথ্যের সমাবেশকে ডাটাবেজ বলা যাবে না, কারণ ডাটাবেজ হল সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক আছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি। 

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
- ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। 
যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি। 
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। 
- একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে। 
- প্রত্যেটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। 
- শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত। 
- আর পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। 
- প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড। 

ডাটাবেজ ব্যবহারের সুবিধা: 
- ডাটাবেজ ব্যবহারের সুবিধা অনেক। 
যেমন: 
১। অতি দ্রুত ডাটা উপস্থাপন করা যায়। 
২। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়। 
৩। সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়। 
৪। অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস করা যায়। 
৫। বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১৯.
কী-ফিল্ড সাধারণত কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
- কী-ফিল্ড সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

 • কী-ফিল্ড:
- সাধারনত কোনো ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে রেকর্ড সনাক্তকরণ, ,অনুসন্ধান ,সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়।
- ডেটাবেজের কোনো ঘটনা/ অবস্থান বর্ণনা করারব জন্যে কী ফিল্ড ব্যবহৃত হয়।

• কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা-
১/ প্রাইমারি কী,
২/ কম্পোজিট কী এবং
৩/ ফরেন কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬২০.
কোনটি Oracle ডাটাবেসের মূল ইন্টারঅ্যাকশন ভাষা?
  1. HTML
  2. Java
  3. SQL
  4. Python
ব্যাখ্যা

• Oracle ডাটাবেসের মূল ইন্টারঅ্যাকশন ভাষা হলো SQL (Structured Query Language)। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা যা ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান, পরিবর্তন এবং মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারী SQL কমান্ডের মাধ্যমে ডাটাবেসের টেবিল, রেকর্ড এবং অন্যান্য ডাটাবেস অবজেক্টের সঙ্গে কাজ করতে পারে। HTML এবং Python সাধারণত ওয়েব বা প্রোগ্রামিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, Java ডাটাবেস অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে সহায়ক হলেও সরাসরি ডাটাবেসের মূল ভাষা নয়। Oracle ডাটাবেসে তথ্য পরিচালনার জন্য SQL সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী ভাষা। এটি ডাটাবেস প্রশাসক ও ডেভেলপারদের জন্য অপরিহার্য।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬২১.
কোন সফটওয়্যারটি সাধারণত রিলেশনাল ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Oracle Database
  2. Elasticsearch
  3. Firebase
  4. Cassandra
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডেটাবেস বলতে বোঝায় এমন ডেটাবেস যেটি টেবিল ভিত্তিক এবং SQL ব্যবহার করে পরিচালনা করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি হলো Oracle Database। অন্য অপশনগুলো মূলত NoSQL বা সার্চ ইঞ্জিন টাইপের, তাই তারা এখানে সঠিক নয়।

• অপশন আলোচনা:
• Oracle Database:
- Oracle Database একটি শক্তিশালী এবং বহুল ব্যবহৃত রিলেশনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)।
- এটি টেবিল আকারে ডেটা সংরক্ষণ করে।
- SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে ডেটা কুয়েরি ও ম্যানিপুলেট করা যায়।
- বড় বড় কোম্পানি ও ব্যাংকিং সেক্টরে এটি বহুল ব্যবহৃত।

• Elasticsearch:
- Elasticsearch মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন যা নন-রিলেশনাল ডেটা ম্যানেজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি JSON ডেটা ফরম্যাটে কাজ করে।
- ফাস্ট সার্চ এবং লগ অ্যানালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি রিলেশনাল ডেটাবেস নয়।

• Firebase:
- Firebase হলো একটি BAAS (Backend-as-a-Service) প্ল্যাটফর্ম, যা গুগলের।
- এটি NoSQL ডেটাবেস (যেমন Firestore) ব্যবহার করে।
- মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপের জন্য সহজ ইন্টিগ্রেশন দেয়।
- এটি রিলেশনাল নয়।

• Cassandra:
- Apache Cassandra একটি ডিস্ট্রিবিউটেড NoSQL ডেটাবেস।
- এটি স্কেলেবল এবং হাই পারফরম্যান্স ডেটা হ্যান্ডল করতে পারে।
- ডেটা টেবিল আকারে থাকে, কিন্তু এটি রিলেশনাল নয়।
- এটি RDBMS নয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬২২.
ডেটা টেবিলের ডেটাগুলােকে ছােট থেকে বড় বা বড় থেকে ছােট আকারে সাজানােকে বলে-
  1. ক) সর্টিং
  2. খ) সার্চিং
  3. গ) ইনডেক্সিং
  4. ঘ) এনক্রিপ্টিং
ব্যাখ্যা
সার্চিংঃ যে প্রক্রিয়ায় ডেটাবেজ থেকে প্রয়ােজনীয় রেকর্ড বা তথ্য খুঁজে বের করা হয় তাকে সার্চিং বলে।
সর্টিংঃ ডেটা টেবিলের ডেটাগুলােকে ছােট থেকে বড় বা বড় থেকে ছােট আকারে সাজানাে যায়। এই সাজানাের প্রক্রিয়াকে বলা হয় সর্টিং।
ইনডেক্সিংঃ আবার ডেটাবেজ থেকে ব্যবহারকারী যাতে তাড়াতাড়ি ডাটা খুঁজে বের করতে পারে সেজন্য ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজিয়ে রাখা হয়। ডেটাবেজের টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকেই ইনডেক্সিং বলে।
[উৎসঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রােগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৬২৩.
নিচের কোন মেমােরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম?
  1. ক) Registers
  2. খ) SSD
  3. গ) RAM
  4. ঘ) Cache memory
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস  সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)

৬২৪.
নিচের কোনটি RDBMS এর উদাহরণ?
  1. MySQL
  2. MongoDB
  3. Cassandra
  4. Redis
ব্যাখ্যা

• MySQL হলো একটি জনপ্রিয় রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS), যা ডাটা সংরক্ষণের জন্য টেবিল ভিত্তিক কাঠামো ব্যবহার করে। এটি SQL ব্যবহার করে ডাটা কুয়েরি ও পরিচালনা করে এবং ডাটার মধ্যে লজিক্যাল রিলেশন বজায় রাখে।
- অন্যদিকে, MongoDB, Cassandra এবং Redis হলো NoSQL ডাটাবেজ।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়‍্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে ই এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি RDMS সফটওয়্যার হলো- Microsoft Access, Oracle, MySQL, SQL Server, PostgreSQL, MariaDB ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

৬২৫.
টেবিলের মধ্যে ডেটা সন্নিবেশ করতে কোন DML কমান্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. UPDATE
  2. INSERT
  3. DELETE
  4. SELECT
ব্যাখ্যা
• টেবিলের মধ্যে ডেটা সন্নিবেশ করতে INSERT - DML কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

• ডাটাবেজ ভাষা:

- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML)

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement,
- Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৬.
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কোনটি?
  1. ওরাকল
  2. ইনফরমিক্স
  3. এসকিউএল
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলেরম মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে।
যথা:- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাই এস কিউ এল(MySQL), এস কিউ এল(SQL) সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৬২৭.
ফরেন কী কোন ধরনের ইন্টিগ্রিটি কনস্ট্রেইন্ট বাস্তবায়ন করে?
  1. ডোমেইন ইন্টিগ্রিটি
  2. রেফারেনশিয়াল ইন্টিগ্রিটি
  3. এনটিটি ইন্টিগ্রিটি
  4. ইউজার-ডিফাইন্ড ইন্টিগ্রিটি
ব্যাখ্যা

◉ ফরেন কী রেফারেনশিয়াল ইন্টিগ্রিটি বাস্তবায়ন করে, যা ডাটাবেজ টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক বজায় রাখার একটি মৌলিক নীতি।
- এটি নিশ্চিত করে যে একটি টেবিলের (চাইল্ড টেবিল) ফরেন কী কলামের মানগুলো অন্য টেবিলের (প্যারেন্ট টেবিল) প্রাইমারি কী বা ইউনিক কীতে অবশ্যই বিদ্যমান থাকবে।

কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

প্রাইমারি কী (Primary Key): 
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key): 
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

ফরেন কী (Foreign Key): 
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২৮.
নিচের কোনটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম?
  1. FAT8
  2. FAT32
  3. FAT64
  4. HTFS
ব্যাখ্যা
• FAT32 একটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ফাইল ম্যানেজমেন্ট:

- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো কম্পিউটার ফাইল এবং তাদের ডেটার সংগঠন ও সংরক্ষণের পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম প্রধানত ফাইল তৈরি, অ্যাক্সেস, কপি, মুছা ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা এবং সেগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করা, পাশাপাশি ফাইল ও নথির সঠিক ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে, কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের ফাইল সিস্টেমের মধ্যে থেকে যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারে।

• ফাইল সিস্টেমগুলো হলো:
• FAT16.
• FAT32.
• HPFS.
• NTFS.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৯.
যখন একাধিক কলাম মিলে প্রাইমারি কী তৈরি হয়, তখন তাকে বলা হয়-
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. কম্পোজিট কী
  4. সিরিজ কী
ব্যাখ্যা
• কম্পোজিট কী:
- যখন একাধিক কলাম মিলে প্রাইমারি কী তৈরি হয়, তখন তাকে বলা হয় কম্পোজিট কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID, Phone No. হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না৷

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, এনসিটিবি।
৬৩০.
Remark, History, Reference ফিল্ডে সাধারণত কোন ধরণের ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়?
  1. Currency
  2. OLE object
  3. Hyperlink
  4. Memo
ব্যাখ্যা

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৩১.
ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত "সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure"-কে কী বলা হয়?
  1. Instance
  2. Record
  3. Data table
  4. Schema
ব্যাখ্যা
• স্কিমা:
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
- ডাটাবেজের স্কিমা নিয়মিত পরিবর্তনশীল।
- কোনো ডাটাবেজের স্কিমা মূলত চলকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ডিক্লারেশনের সাথে জড়িত।

• ডাটাবেজের স্কিমা সাধারণত তিন ধরনের। যথা:
- physical schema,
- logical schema,
- subschemas.

• ডাটাবেজ:

- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে।

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. রেকর্ড (Record),
৩. ফিল্ড (Field) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর সফটওয়্যার হলো:
- Microsoft Access,
- Microsoft SQL server,
- Corel paradox,
- lotus approach,
- Corel paradox,
- filemaker pro,
- Oracle,
- Fox pro ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Britannica.
৬৩২.
মুদ্রা জাতীয় ডেটা টাইপের আকার কত?
  1. ২ বাইট
  2. ৪ বাইট
  3. ৮ বাইট
  4. ১৬ বাইট
ব্যাখ্যা
- Short Text/Text ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত।
- সাধারণত বর্ণভিত্তিক ডেটার ক্ষেত্রে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়।
- এই ফিল্ডে বর্ণের সাথে সাথে সংখ্যাও লেখা যায়।

- Long Text/Memo ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৬৪০০০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত, কিন্তু ১ গিগা বাইট পর্যন্ত লেখা যায়। এটি একটি Conditional Data টাইপ।
- এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।

- তারিখ/সময় ডেটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- মুদ্রা জাতীয় ডেটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- লজিকাল/বুলিয়ান ডেটা টাইপের আকার/সাইজ ১ বিট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৩৩.
সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) RAM
  2. খ) চৌম্বক টেপ মেমোরি
  3. গ) ডিস্ক মেমোরি
  4. ঘ) চৌম্বক ড্রাম মেমোরি 
ব্যাখ্যা

চৌম্বক টেপ মেমোরি হল সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরির উদাহরণ।

যে ধরনের উপাত্ত বা তথ্য পঠন লিখনের পর পর সংযোগ সৃষ্টি করতে হয় তাকে সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ মেমোরি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৬৩৪.
ওপেন সোর্স DBMS নয় কোনটি?
  1. Maria DB
  2. MS SQL Server
  3. PostgreSQL
  4. SQLite
ব্যাখ্যা
• MS SQL Server হলো একটি বাণিজ্যিক পণ্য যেখানে বিভিন্ন ধরনের লাইসেন্স-এর দরকার হয়।

• DBMS:

- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase,
- MySQL,
- PostgreSQL,
- Maria DB,
- MongoDB,
- Cassandra,
- SQLite,
- Cubrid.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৩৫.
১ জিবি = কত?
  1. ক) ৫১২ কেবি
  2. খ) ১০২৪ এমবি
  3. গ) ১০২৪ কেবি
  4. ঘ) ৫১২ এমবি
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৬৩৬.
কোনটি ডাটাবেজের উপাদান নয়?
  1. ফিল্ড
  2. ডাটা টেবিল
  3. ডিস্ক ফরমেট
  4. তথ্য
ব্যাখ্যা
ডিস্ক ফরমেট ডাটাবেজের উপাদান নয়।

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৬৩৭.
কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. HPFS
  2. NTFS
  3. NIC
  4. FAT32
ব্যাখ্যা
• ফাইল ম্যানেজমেন্ট: 
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।
 
- ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
• FAT16.
• FAT32.
• HPFS.
• NTFS.

- NIC হলো Network Interference Card.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৮.
প্রয়োজনে তথ্য পরিবর্তনের জন্য কোন ধরনের কোয়েরি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) প্যারামিটার।
  2. খ) ক্রশট্যাব।
  3. গ) সিলেক্ট।
  4. ঘ) অ্যাকশন।
ব্যাখ্যা

প্রয়োজনে ডেটাবেজের তথ্য পরিবর্তনের জন্য অ্যাকশন কোয়েরি ব্যবহৃত হয়।
যেমন-
- Append Query- নতুন রেকর্ড যুক্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Update Query -কোনো ডেটার পরির্বতনের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Delete Query- টেবিল থেকে ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Make Table Query- কুয়েরিকৃত ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৬৩৯.
যখন একাধিক ফিল্ড একত্রে মিলে একটি রেকর্ডকে শনাক্ত করে, তখন তাকে কী বলা হয়?
  1. Super Key
  2. Alternate Key
  3. Foreign Key
  4. Composite Primary Key
ব্যাখ্যা

• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড প্রধানত ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।
- এটি মূলত একটি প্রাইমারি কী, তাই এর সম্মিলিত মান কখনো 'Null' বা ফাঁকা হতে পারে না।
- রিলেশনাল ডাটাবেজে জটিল ডেটা স্ট্রাকচার (যেমন: Many-to-Many Relationship) হ্যান্ডেল করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।

৬৪০.
নিচের কোনটি DBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. ORACLE
  2. Microsoft Access
  3. MS Excel
  4. MySQL
ব্যাখ্যা

• MS Excel মূলত একটি স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন যা গাণিতিক হিসাব-নিকাশ এবং ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS নয়।
- অন্যদিকে, DBMS হলো এমন একটি সিস্টেম যা বিশাল পরিমাণ তথ্য বা ডেটাবেস সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।

DBMS: 
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- Microsoft Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৬৪১.
একটি ডাটাবেজ ইনডেক্স তৈরি করার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডাটা সংরক্ষণে জায়গা কমানো
  2. অনুসন্ধান প্রক্রিয়া দ্রুত করা
  3. ডাটাবেজকে বাইরের আক্রমণ থেকে রক্ষা করা
  4. ডাটা এনক্রিপশন প্রদান করা
ব্যাখ্যা

◉ ডাটাবেজ ইনডেক্স তৈরি করার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে অনুসন্ধান প্রক্রিয়া দ্রুত করা। 

ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- এটি মূলত B-Tree, B+ Tree, Hash Indexing ইত্যাদি ব্যবহার করে কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো:
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে।
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়।
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
৪। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬৪২.
কত মেগা বাইটে ১ গিগাবাইট?
  1. ক) 29
  2. খ) 210
  3. গ) 211
  4. ঘ) 212
ব্যাখ্যা

১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৬৪৩.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. উপাত্ত পুরোপুরি কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
  2. তথ্যকে প্রসেস করে উপাত্তে রূপান্তর করা হয়।
  3. তথ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
  4. তথ্য উপাত্তের উপর নির্ভর করে।
ব্যাখ্যা

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৪৪.
ফিল্ড নেম এর আকার নির্ধারণের জন্য কোনটি ব্যবহার করতে হবে?
  1. ক্রিয়েট
  2. ফিল্ড নেম
  3. ফিল্ড সাইজ
  4. ডিজাইন ভিউ
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — গ) ফিল্ড সাইজ। 
- ডেটাবেসে ফিল্ড নেমের আকার বা ফিল্ডে সংরক্ষিত ডেটার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করার জন্য ফিল্ড সাইজ (Field Size) ব্যবহার করা হয়।

- উদাহরণ: একটি টেক্সট ফিল্ডের জন্য ৫০ অক্ষরের সীমা নির্ধারণ করা।
- এটি ডেটার স্টোরেজ অপটিমাইজ করতে ও ডেটা ইনপুট নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

অপশন আলোচনা:
- ক্রিয়েট (Create): নতুন টেবিল বা ডেটাবেস তৈরি করা।
- ফিল্ড নেম (Field Name): ফিল্ডের নাম নির্ধারণ করে, আকার নয়।
- ডিজাইন ভিউ (Design View): টেবিলের কাঠামো ডিজাইন ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহার হয়, তবে ফিল্ড সাইজ সেট করতে “ফিল্ড সাইজ” অপশন ব্যবহার করতে হয়।
-  সুতরাং ফিল্ড নেমের আকার নির্ধারণ করতে ব্যবহার করতে হবে ফিল্ড সাইজ (গ)।

সূত্র: [link]

৬৪৫.
প্রক্রিয়াকরণের আগে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে দেওয়া কাঁচা তথ্যকে কী বলা হয়?
  1. তথ্য
  2. ডাটা
  3. রেকর্ড
  4. ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

• ডাটা(Data): প্রক্রিয়াকরণের আগে ইনপুট হিসেবে দেওয়া কাঁচা তথ্য।

• ডাটা(Data):
- ডাটা শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Datum থেকে।
- Datum শব্দের অর্থ হলো তথ্যের উপাদান।
- প্রক্রিয়াকরণের আগে কম্পিউটারে যে কাঁচা তথ্য ইনপুট হিসেবে দেওয়া হয়, তাকে ডাটা বলা হয়।
- উদাহরণ: কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর নাম, বয়স, মূলবেতন ইত্যাদি প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা ডাটা।
 
• ডাটাবেজ(Database):
- ডাটাবেজ শব্দটি Data + Base থেকে এসেছে, যার অর্থ তথ্যের ভাণ্ডার।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটার সুশৃঙ্খল সংগ্রহকে ডাটাবেজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ সাধারণত টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে।
- একটি ডাটাবেজে এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম ও রিপোর্ট থাকতে পারে।
- ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যকে সাধারণভাবে অভ্যন্তরীণ ডাটা বলা হয়।
- সব তথ্য ডাটাবেজে থাকে না; যেসব তথ্যের সাথে পরস্পর সম্পর্ক ও সংগঠন থাকে, সেগুলোই ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- উদাহরণ: ভোটার তালিকা, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের ব্যক্তিগত তথ্য।
 
• ডাটাবেজের উপাদানসমূহ:
- ডাটা টেবিল: ডাটাবেজের মূল কাঠামো, যেখানে ডাটা সারি ও কলামে সংরক্ষিত থাকে।
- রেকর্ড: টেবিলের একটি পূর্ণ সারি, যা একটি নির্দিষ্ট সত্তার সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে।
- ফিল্ড: টেবিলের প্রতিটি কলাম, যা ডাটার নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- তথ্য(Information): প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত অর্থবহ ফলাফল।
- ডাটাবেজ(Database): পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটার সুশৃঙ্খল ভাণ্ডার।
- রেকর্ড(Record): টেবিলের একটি সম্পূর্ণ সারি যা নির্দিষ্ট সত্তার তথ্য বহন করে।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪৬.
ডাটাবেজ সিস্টেমে কোনটি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) প্রাইমারি কী
  2. খ) ফরেন কী
  3. গ) কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ টেবিলের কলামকে বলা হয় ফিল্ড। যে সকল ফিল্ড অদ্বিতীয় তাদের কী ফিল্ড বলা হয়। সাধারণত কী ফিল্ডের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়৷ কী ফিল্ড তিন প্রকারঃ প্রাইমারি কী, কম্পোজিট প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী।
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৬৪৭.
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. PostgreSQL
  2. Oracle
  3. MongoDB
  4. MySQL
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাকে টেবিল আকারে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করে এবং টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। এর মাধ্যমে সহজেই ডেটা ম্যানিপুলেশন, অনুসন্ধান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। PostgreSQL, Oracle, এবং MySQL হলো RDBMS-এর জনপ্রিয় উদাহরণ, কারণ এগুলো ডেটাকে রিলেশনাল টেবিল ফরম্যাটে সংরক্ষণ করে।
- অন্যদিকে, MongoDB একটি NoSQL ডেটাবেজ, যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক ডেটা স্টোর করে এবং টেবিলের পরিবর্তে JSON-এর মত ফরম্যাট ব্যবহার করে।
- তাই MongoDB রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদাহরণ নয়।


• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৮.
রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  3. ফরেন কী
  4. ইউনিক কী
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে। 

• কী ফিল্ড:

- সাধারণত কোন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় । এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে ।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- অনেক ক্ষেত্রে দু'টি ফিল্ডের সমন্বয়ে প্রাইমারি কী গঠন করা হয়ে থাকে যার সাহায্যে ঐ টেবিলের যে কোন রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করা যায়। এ ধরনের প্রাইমারি কী কম্পোজিট প্রাইমারি কী নামে পরিচিত।

৩. ফরেন কী:
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৯.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  3. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  4. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
•অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫০.
Last In First Out (LIFO) নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) Array
  2. খ) Stack
  3. গ) Queue
  4. ঘ) Testa
ব্যাখ্যা
Stack- কে বলা হয় LIFO ডেটা স্ট্রাকচার। Stack এ দুই ধরনের Operation হয়; যথা- Push এবং Pop .

Queue এর বাংলা লাইনে দাঁড়ানো। Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে। একে বলা হয় First In First Out (FIFO)।

অ্যারে  (Array) - একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

উৎস: geeksforgeeks.org [Link]
৬৫১.
নিচের কোনটিতে পাঠ (Read) করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না?
  1. রম
  2. চৌম্বক টেপ
  3. ডিস্ক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধ্বংসাত্মক মেমমারি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিক তথ্য মুছে যায় তাকে ধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- চৌম্বক কোর ।
অধ্বাংসাত্মক মেমােরি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না তাকে অধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- রম, চৌম্বক টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৬৫২.
ডাটাবেজে 'Many-to-Many' রিলেশন বাস্তবায়নে কোনটির প্রয়োজন হয়?
  1. Composite Primary Key
  2. Junction Table
  3. Self-referencing Table
  4. Foreign Key
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে দুটি টেবিলের মধ্যে সরাসরি 'Many-to-Many' রিলেশন তৈরি করা সম্ভব নয়। এই সম্পর্কটি বাস্তবায়নের জন্য মাঝখানে একটি তৃতীয় টেবিলের প্রয়োজন হয়, যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়। এটি মূল দুটি টেবিলের প্রাইমারি কি-গুলোকে ফরেন কি হিসেবে ধারণ করে দুটি 'One-to-Many' রিলেশন তৈরির মাধ্যমে many-to-many সম্পর্ক স্থাপন করে।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়। যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫৩.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বাইনারি রিলেশনশিপে কয়টি টেবিল/এনটিটি অংশগ্রহন করে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
রিলেশনশিপ (Relationship)
- ডেটাবেজের মধ্যে একটি ডেটা টেবিলের ডেটার সাথে অন্য এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের ডেটার সম্পর্কই হলো রিলেশনশিপ।

- রিলেশনশিপের ডিগ্রি (Degree of Relationship) ডেটাবেজে রিলেশনশিপ তৈরি করার জন্য যে কয়টি এনটিটি বা টেবিল অংশগ্রহন করে তার সংখ্যাকেই রিলেশনশিপের ডিগ্রি বলা হয়। রিলেশনশিপের ডিগ্রি সাধারণত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

- ডিগ্রি ১ বা ইউনারি (Unary) রিলেশনশিপ: ইউনারি রিলেশনশিপে শুধুমাত্র একটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- মানুষ একটি এনটিটি। 

- ডিগ্রি ২ বা বাইনারি (Binary) রিলেশনশিপ: বাইনারি রিলেশনশিপে দু'টি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- ছাত্র ও শিক্ষক দু'টি পৃথক এনটিটি বা টেবিল।

- ডিগ্রি ৩ বা টারনারি (Ternary) রিলেশনশিপ: টারনারি রিলেশনশিপে তিনটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- বিক্রেতা, পণ্য ও ওয়্যারহাউজ তিনটি পৃথক এনটিটি বা টেবিল।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৫৪.
কত বিট বিশিষ্ট শব্দকে এক বাইট বলা হয়?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১৬
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৬৪
ব্যাখ্যা

৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে এক বাইট বলা হয়।

এছাড়াও কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক-
৮ বিট= ১ বাইট
১০২৪ কিলোবাইট= ১ মেগাবাইট
১০২৪ মেগাবাইট= ১ গিগাবাইট
১০২৪ গিগাবাইট= ১ টেরাবাইট
১০২৪ টেরাবাইট= ১ এক্সাবাইট
১০২৪ এক্সাবাইট= ১ পেটাবাইট
বাইনারি পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ কে বিট বলা হয় অথবা বলা যায় যে বাইনারি ডিজিট কথাটার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো বিট।
বাইট হল তথ্য পরিমাপের একটি একক। প্রতিটি বাইনারি অঙ্ককে বিট বলা হয় এবং ৮টি বিটকে এক বাইট বলা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৬৫৫.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) DQL - Data Query Language
  2. খ) DDL - Data Definition Language
  3. গ) DML - Data Management Language
  4. ঘ) DCL - Data Control Language
ব্যাখ্যা
DML হলো Data Manipulation Language. ডেটা মুছে ফেলা, প্রবেশ করানো, আপডেট করা ইত্যাদিকে ডেটা ম্যানিপিউলেশন বলে। SQL ব্যবহার করে ডেটাকে পুনরুদ্ধার বা কুয়েরি, সংজ্ঞায়ন বা ডেফিনেশন, ম্যানিপুলেশন এবং ডেটা কন্ট্রোল ইত্যাদি করা যায়। (সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৬৫৬.
ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (DBMS), ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজের মধ্যে একটি ___ হিসাবে কাজ করে।
  1. ক) কুয়েরি
  2. খ) ইলাস্ট্রেটর
  3. গ) ইন্টারফেস
  4. ঘ) অ্যাংকর
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (DBMS):
DBMS - হচ্ছে কয়েকটি বিষয়ের সমন্বিত রূপ। একইভাবে, কয়েকটি কম্পিউটার প্রোগ্রামের সমন্বয়ে ডেটাবেজ সিস্টেম গঠিত হয়।
মূলত ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম (DBMS) ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজের মধ্যে একটি ইন্টারফেস (উভয়দিকে সংযোগ রক্ষাকারী) হিসাবে কাজ করে।

ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন - ডেটা মুছে ফেলা, উত্তোলন, প্রবেশ ইত্যাদি সম্পন্ন করতে অনুরোধ করে। ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রদত্ত অনুরোধগুলো DBMS এর মাধ্যমে ডেটাবেজের উপর কার্যকরী করে ব্যবহারকারীকে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রদান করে থাকে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, নবম-দশম শ্রেনি।

৬৫৭.
ডিবিএমএস (DBMS) কে তৈরী করেন?
  1. ক) চার্লস ব্যাবেজ
  2. খ) চার্লস বাকম্যান
  3. গ) বিল গেইটস
  4. ঘ) এলান টিউরিং
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ডিবিএমএস হলো এমন একটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রাম যা একই সাথে ডাটাবেজ তৈরী, ব্যবস্থাপনা, তত্ত্ববধান এবং ডাটা প্রসেসের কাজ করে।
সর্বপ্রথম ১৯৬০ সালে, বিখ্যাত কম্পিউটার বিজ্ঞানী চার্লস বাকম্যান ডিবিএমএস তৈরী করেন। তিনি তখন জেনারেল ইলেট্রিকে কর্মরত ছিলেন। সেই ডিবিএমএসটির নাম দেয়া হয়েছিলো ইন্টিগ্রেটেড ডাটা স্টোর(আইডিএস)।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম

৬৫৮.
CPU এবং Computer Device এর মধ্যে যোগাযোগে ব্যবহৃত হয় -
  1. Data bus
  2. Address bus
  3. Control bus
  4. Input reader bus
ব্যাখ্যা
A control bus is what a computer’s central processing unit (CPU) uses to communicate with other devices inside the machine over a set of physical connections like cables or printed circuits. It is a diverse collection of signals, including read, write, and interrupt, that allow the CPU to direct and monitor what the different parts of the computer are doing. This is one of three types of buses that make up the system or computer bus. Its exact composition varies among processors.

source - quora.com
৬৫৯.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ language?
  1. Oracle
  2. C
  3. MS-Word
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- ডাটাবেজ হচ্ছে তথ্যভান্ডার।
- কম্পিউটার আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত ফাইলের স্তুপে জমা থাকতো তথ্য, এখন তথ্য সংরক্ষণ করা হয় ডাটাবেজে।
কয়েকটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজের উদাহরণ হচ্ছে-
• Data Definition Language
- এটি এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যেটি ডেটার প্রকার ও উহাদের মাঝে সম্পর্ক নির্ণয় করে।
• Data Manipulation Language
- ইহা এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যার সাহায্যে ডেটা হালনাগাদ করা হয়।
• Query Language
- ইহা এমন এক ধরণের ল্যাংগুয়েজ যেটি তথ্য খোঁজা, তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়।
- QUEL, QBE, SQL ইত্যাদিও ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজের উদাহরণ।

• C হলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
• MS-Word হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
•  Oracle হলো ডাটাবেজ সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৬০.
ডাটাবেজে রেকর্ডের সবচেয়ে ছোট উপাদানটি কী নামে পরিচিত?
  1. ফিল্ড
  2. ফাইল
  3. টেবিল
  4. রেকর্ড
ব্যাখ্যা

•  ডাটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ ও সংগঠনের বিভিন্ন স্তর থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট উপাদান হলো ফিল্ড। একটি ফিল্ড হলো একটি নির্দিষ্ট ধরনের তথ্য ধারণকারী একক ঘর, যেমন নাম, বয়স বা ঠিকানা। একাধিক ফিল্ড একত্রিত হয়ে একটি রেকর্ড তৈরি করে, যা একটি সম্পূর্ণ তথ্যের ইউনিট হিসেবে কাজ করে। রেকর্ডগুলো একত্রিত হয়ে টেবিল তৈরি করে, যা একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সব তথ্য ধারণ করে। আবার অনেকগুলো টেবিল মিলিত হয়ে পুরো ফাইল বা ডাটাবেজ তৈরি করে। তাই ডাটাবেজের সবচেয়ে ছোট উপাদান হিসেবে যেটিকে ধরা হয়, সেটি হলো ফিল্ড।

- সঠিক উত্তর: ক) ফিল্ড।

ফিল্ড: 
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড।
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬১.
What are the basic components of a database?
  1. Table, Graph, Image
  2. Font, Color, Page
  3. Record, Field, Sound
  4. Data, Record, Field
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো: Data, Record, Field, Data Table.

• ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।

• ডাটাবেজ এর ব্যবহার:
- অতি দ্রুত ডাটা উপস্থাপন করা যায়।
- অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়।
- সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়।
- অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস ঘটানো যায়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মের জন্য এবং পরবর্তীতে ফলাফল বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ ও অন্যান্য আরো অনেক কাজে ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ডাটা (Data),
২. রেকর্ড (Record),
৩. ফিল্ড (Field),
৪. ডাটা টেবিল (Data Table).

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬২.
ACID properties-এ A দ্বারা কোন ধারণাটি প্রকাশ পায়?
  1. Authentication
  2. Accuracy
  3. Availability
  4. Atomicity
ব্যাখ্যা

• ACID properties-এ A দ্বারা যে ধারণাটি প্রকাশ পায় তা হলো Atomicity (ঘ)। Atomicity মানে হল যে একটি ডাটাবেস ট্রানজ্যাকশন পুরোপুরি সম্পন্ন হবে বা একেবারেই সম্পন্ন হবে না। অর্থাৎ, যদি ট্রানজ্যাকশনের কোন অংশ ব্যর্থ হয়, তবে পুরো ট্রানজ্যাকশনটি বাতিল হয়ে যাবে এবং ডাটাবেস তার পূর্বের অবস্থা ফিরিয়ে নেবে। এটি ডাটার অখণ্ডতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ব্যাংক ট্রানজ্যাকশনে একজনের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হয় কিন্তু অন্য অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া ব্যর্থ হয়, তবে ট্রানজ্যাকশনটি পুরোপুরি বাতিল হবে এবং কোনো টাকা ক্ষতি হবে না। তাই, A = Atomicity.

ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

৬৬৩.
নিচের DBMS গুলোর মধ্যে কোনটি প্রোপ্রাইটারি?
  1. Firebird
  2. CouchDB
  3. Redis
  4. IBM Db2
ব্যাখ্যা
• অপশনের DBMS গুলোর মধ্যে IBM Db2 একটি প্রোপ্রাইটারি (স্বত্বাধিকারী) - (ওপেন সোর্স নয়) ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এটি IBM কোম্পানি দ্বারা উন্নত ও ব্যবস্থাপিত হয় এবং সাধারণত লাইসেন্স ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
- অন্যদিকে, Firebird, CouchDB এবং Redis হলো ওপেন সোর্স ডাটাবেস, অর্থাৎ এগুলোকে বিনামূল্যে ব্যবহার, পরিবর্তন ও বিতরণ করা যায়। প্রোপ্রাইটারি DBMS গুলো সাধারণত উন্নত সাপোর্ট, নিরাপত্তা ও ফিচার দিয়ে থাকে, যা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে উপযোগী। তাই, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রোপ্রাইটারি DBMS ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) IBM Db2

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase,
- MySQL,
- PostgreSQL,
- Maria DB,
- MongoDB,
- Cassandra,
- SQLite,
- Cubrid.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৬৪.
উদ্বায়ী মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ROM
  2. খ) TAPE
  3. গ) RAM
  4. ঘ) DISK
ব্যাখ্যা

RAM একটি উদ্বায়ী মেমোরি, কারণ বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়।
ভৌত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মেমোরিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- পরিবর্তনযোগ্য, অপরিবর্তনযোগ্য, উদ্বায়ী, অনুদ্বায়ী, ধ্বংসাত্মক এবং অধ্বংসাত্মক।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৬৬৫.
ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. সিজার কোড
  2. প্লেইন কোড
  3. টেলি কোড
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড হলো সিজার কোড।

• ডাটা এনক্রিপশন:

- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬৬.
ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে বলে -
  1. Sorting
  2. Connecting
  3. Networking
  4. Compiling
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে Sorting বলা হয়। যখন ডাটাবেজে অনেক তথ্য থাকে, তখন সেগুলোকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। Sorting-এর মাধ্যমে ডাটাকে বড় থেকে ছোট বা ছোট থেকে বড়, অক্ষর অনুযায়ী বা তারিখ অনুযায়ী সহজভাবে বিন্যস্ত করা যায়। এটি তথ্য খুঁজে বের করা, রিপোর্ট তৈরি করা এবং বিশ্লেষণ করার ক্ষেত্রে সময় এবং শ্রম কমায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছাত্রদের তালিকা যদি নাম অনুসারে সাজানো হয়, তাহলে নির্দিষ্ট একজন ছাত্রকে দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। Sorting ছাড়া ডাটাবেজ অগোছালো থাকে এবং কার্যকরভাবে ব্যবহার করা কঠিন হয়ে যায়। তাই ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতি Sorting.

• ডাটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬৭.
'SNMP' এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Simple Mail Network Protocol
  2. খ) System Network Management Protocol
  3. গ) Simple Network Management Protocol
  4. ঘ) Secure Network Management Protocol
ব্যাখ্যা
- SNMP হচ্ছে এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রোটোকল।
- SNMP এর পূর্ণরুপ Simple Network Management Protocol.
- এটি LAN বা WAN নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলোকে ( কন্ট্রোলার, সার্ভার, প্রিন্টার, রাউটার, মডেম ইত্যাদি) পর্যবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন-লেয়ার প্রোটোকল।
৬৬৮.
নিম্নের কোনটি ডাটাবেজ অপারেশন নয়?
  1. SELECT
  2. INSERT
  3. UPDATE
  4. COMPILE
ব্যাখ্যা

COMPILE — প্রোগ্রামিং-এ কোডকে মেশিন কোডে রূপান্তরের প্রক্রিয়া, ডাটাবেজ অপারেশন নয়।

SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
- ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
- Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।

SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে। যেমন-
১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language - DQL):
- ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা কুয়েরি করে ব্যবহার করা হয়।
- SELECT স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটা পুনরুদ্ধার করা হয়।

২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Defination Language - DDL):
- DDL এর সাহায্যে টেবিলের গঠন পরিবর্তন যেমন- টেবিল তৈরি, টেবিল আপডেট, টেবিল মুছে ফেলা ইত্যাদি পরিবর্তনগুলি করা হয়।
- CREATE স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজে নতুন টেবিল তৈরি করা হয়
- ALTER স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজের স্ট্রাকচার পরিবর্তন যেমন- টেবিলে নতুন কোন ফিল্ড যোগ করা বা ডিলিট করা ইত্যাদি কাজ করা হয়।
- ডেটাবেজের টেবিল মুছে ফেলতে DROP স্টেটমেন্টেটি ব্যবহৃত হয়।

৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language - DML):
- এক বা একাধিক রেকর্ড মুছে ফেলার জন্য DELETE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড এন্ট্রি করার জন্য INSERT কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড হালনাগাদ বা আপডেট করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language - DCL):
- DCL এর সাহায্যে ডেটাবেস ব্যবহারকারীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬৯.
‘MIPS’ এককটি ___ এর গতি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
  1. Disk drive
  2. Tape drive
  3. Processor
  4. Printer
ব্যাখ্যা

‘MIPS’ (Million Instructions Per Second) প্রতি সেকেন্ডে লক্ষ লক্ষ নির্দেশকে বোঝায় এবং প্রসেসরের গতি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

৬৭০.
নিচের কোনটি DBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. Oracle
  2. MySQL
  3. SPSS
  4. Microsoft Access
ব্যাখ্যা

SPSS (Statistical Package for the Social Sciences) একটি স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস সফটওয়্যার, ডেটা ম্যানেজমেন্ট ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি DBMS নয়।

DBMS: 
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৬৭১.
OCR দ্বারা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ কয়টি ক্যারেক্টার পড়া যায়?
  1. ১২৮
  2. ২৫৬
  3. ২৪০০
  4. ৫৬০০
ব্যাখ্যা
OCR এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition
OCR দ্বারা সর্বোচ্চ ২৪০০ টি ক্যারেক্টার পড়া যায়।
ব্যাংক, ইনস্যুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে OCR  ব্যবহৃত হয়। 
Optical Character Recognition or OCR- একটি প্রযুক্তি যা আপনাকে বিভিন্ন ধরণের ডকুমেন্ট যেমন স্ক্যান করা কাগজ নথি, পিডিএফ ফাইল বা ডিজিটাল ক্যামেরায় বন্দী চিত্রগুলি সম্পাদনযোগ্য এবং অনুসন্ধানযোগ্য ডেটাতে রূপান্তর করে।

সূত্র - কম্পিউটার ও ICT - 2, ভোকেশনাল, বোর্ড বই ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট
৬৭২.
ওয়েবপেজের ভিজ্যুয়াল এবং স্টাইলিংয়ের জন্য প্রধানত কোন ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. SQL
  2. CSS
  3. C++
  4. PHP
ব্যাখ্যা
• ওয়েবপেজের ভিজ্যুয়াল এবং স্টাইলিংয়ের জন্য প্রধানত CSS (Cascading Style Sheets) ভাষা ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়েবসাইটের রঙ, ফন্ট, মার্জিন, বর্ডার, লেআউট এবং অ্যানিমেশনসহ বিভিন্ন দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। HTML একটি ওয়েবপেজের মূল কাঠামো তৈরি করে, আর CSS সেই কাঠামোকে দৃষ্টিনন্দন ও ব্যবহারবান্ধব রূপে উপস্থাপন করে। CSS-এর সাহায্যে একাধিক ওয়েবপেজে একই রকম স্টাইল সহজেই প্রয়োগ করা যায়, ফলে ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনাও সহজ হয়। অন্যদিকে, SQL ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনায়, PHP সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিংয়ে এবং C++ সাধারণ প্রোগ্রামিংয়ে ব্যবহৃত হয়, তাই এরা ওয়েবস্টাইলিংয়ের জন্য উপযুক্ত নয়।

• HTML এবং CSS:
- ব্রাউজারে যেই ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় HTML CSS I
- HTML এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hyper Text Markup Language।
- এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়।
- এর কাজ হচ্ছে কোনো তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযোগী করা।
- এখানে যেসব ট্যাগ (tag) ব্যবহার করা হয়, ব্রাউজার সেগুলো বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী ওয়েবসাইটে ডেটা প্রদর্শন করে।
- শুধু এইচটিএমএল ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা গেলেও, ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় CSS।
- যার পুর্ণরূপ হচ্ছে- Cascading Style Sheet। 
- আধুনিক সব ওয়েবসাইটেই HTML এর সঙ্গে CSS ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৬৭৩.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)-এর প্রধান কাজের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ডেটাবেজ তৈরি
  2. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  3. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
  4. ডেটা কম্প্রেশন অ্যালগরিদম ডিজাইন
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান কাজ হলো ডেটাবেজ তৈরি, ইন্টারোগেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ; ডেটা কম্প্রেশন অ্যালগরিদম ডিজাইন এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ:
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন:
- ডেটাবেজ তৈরি → নতুন ডেটাবেজ কাঠামো নির্মাণের প্রক্রিয়া।
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন → সংরক্ষিত ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য অনুসন্ধান ও ব্যবহার।
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ → ডেটার হালনাগাদ, সুরক্ষা ও ত্রুটি সংশোধন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৬৭৪.
নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড রিটার্ন করা প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. সেভিং
  2. সর্টিং
  3. কুয়েরি
  4. আপডেট
ব্যাখ্যা

• নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড রিটার্ন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি (Query) বলা হয়। কুয়েরি হলো একটি কমান্ড বা অনুরোধ যা ব্যবহারকারী ডেটাবেজে পাঠায়, যাতে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী তথ্য বা রেকর্ড পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যবহারকারী একটি টেবিল থেকে নির্দিষ্ট নামের ছাত্রদের তথ্য দেখতে চায়, সে একটি কুয়েরি ব্যবহার করে তা পেতে পারে। কুয়েরি শুধুমাত্র ডেটা রিটার্ন করতেই ব্যবহৃত হয়; এটি ডেটা পরিবর্তন করে না। অন্যদিকে, সেভিং হলো ডেটা সংরক্ষণ, সর্টিং হলো ডেটা সাজানো, এবং আপডেট হলো ডেটা পরিবর্তন করা। সুতরাং, রেকর্ড রিটার্ন করার প্রক্রিয়া হলো কুয়েরি।

• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৬৭৫.
RDBMS এর প্রবর্তক কে?
  1. হেনরি এফ কড
  2. রে টমলিনসন
  3. এডগার আইস
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়‍্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।
৬৭৬.
কোন সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ সহজে সর্ট করা যায়?
  1. Excel
  2. WordPad
  3. Paint
  4. FoxPro
ব্যাখ্যা
FoxPro এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট করা যায়।

• ডাটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।