বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ডাটাবেজ সিস্টেম

মোট প্রশ্ন৬৭৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডাটাবেজ সিস্টেম

PrepBank · পাতা / · ৪০১৫০০ / ৬৭৮

৪০১.
কোনো ফিল্ডে NOT NULL থাকার অর্থ?
  1. ঐ ফিল্ডে ভ্যালু ফাঁকা থাকবে
  2. ঐ ফিল্ডে কোনো ভ্যালু ফাঁকা রাখা যাবে না
  3. ঐ ফিল্ডটি প্রাইমারি কী হতে পারবে না
  4. ঐ ফিল্ডের প্রত্যেকটি ভ্যালু ইউনিক
ব্যাখ্যা
• NOT NULL:
- NULL বলতে বোঝায় ফাঁকা।
- NOT NULL বলতে বোঝায় ফাঁকা না।
- অর্থাৎ, কোনো ফিল্ডে NOT NULL থাকার অর্থ হলো ঐ ফিল্ডে কোনো ভ্যালু ফাঁকা রাখা যাবে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪০২.
কোনো বিষয়ের অর্থ উদ্ধার করাকে কি বলে?
  1. ক) এনক্রিপ্ট
  2. খ) ডিক্রিপ্ট
  3. গ) ক্রিপ্টোগ্রাফি
  4. ঘ) ডেটা সিকিউরিটি
ব্যাখ্যা
- কোনো বিষয়ের অর্থ উদ্ধার করাকে ডিক্রিপ্ট বোঝায়।

এছাড়াও,
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে বলা হয় ক্রিপ্টোগ্রাফি।
- ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা করাকে এনক্রিপ্ট বোঝায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৪০৩.
ডাটাবেজে তথ্য সংযোজন, পরিবর্তন বা মুছে ফেলার কাজটি কোন পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়?
  1. এনক্রিপশন
  2. ইনডেক্সিং
  3. কুয়েরি
  4. সর্টিং
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজে ডেটা এন্ট্রি, মডিফাই ও ডিলিট করার পদ্ধতিকে কুয়েরি (Query) বলা হয়।

কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ - করে দিতে হয়।

•কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন:
Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
Parameter Query:
প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
Crosstab Query:
-ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
Action Query:
-কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

ইনডেক্সিং:
- ইনডেক্সিং হচ্ছে ডাটাবেজের মধ্যে ক্রম সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি। - ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে ডেটা দ্রুত সময়ে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। -

সর্টিং:
- এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

এনক্রিপশন:
-
এনক্রিপশন ডেটাকে নিরাপদ করার একটি প্রক্রিয়া যাতে কেবল অনুমোদিত ব্যক্তি তা পড়তে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪০৪.
ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর একটি পদ্ধতি হচ্ছে-
  1. Connecting
  2. Sorting
  3. Networking
  4. Compiling
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে সর্টিং বলে।

• ডাটাবেজ সর্টিং:

- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৫.
ডাটাবেজ এ কোনো টেবিল মুছে ফেলতে কোন কুয়েরি ব্যবহৃত হয়?
  1. DELETE TABLE
  2. DROP TABLE
  3. MERGE TABLE
  4. ERAGE TABLE
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ এ কোনো টেবিল মুছে ফেলতে DROP TABLE কুয়েরি ব্যবহৃত হয়।
DROP TABLE [টেবিলের নাম] ;

সূত্র - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, ICT, বোর্ড বই
৪০৬.
নিচের কোন হার্ডডিস্ক এর ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বাধিক?
  1. ক) পাটা ড্রাইভ
  2. খ) আইডিই ড্রাইভ
  3. গ) স্ক্যাজি ড্রাইভ
  4. ঘ) সাটা ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলাে হলাে :
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
২. সাটা (SATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ

IDE/PATA ড্রাইভগুলো 133 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
SCSI ড্রাইভগুলো সাধারণত 640 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল ২০২১ সংস্করণ)
৪০৭.
নিচের কোনটি ইমেজ ফাইলের এক্সটেনশন নয়?
  1. .jpeg
  2. .asp
  3. .gif
  4. .psd
ব্যাখ্যা
- .jpeg, .gif, .bmp ও .psd হলো বিভিন্ন ধরনের ইমেইজ ফাইল এক্সটেনশন। 
- অন্যদিকে .asp বা এক্টিভ সার্ভার পেইজ হলো ওয়েব ফাইল এক্সটেনশন।
৪০৮.
ফিল্ডের অপর নাম হল-
  1. ক) সারি
  2. খ) কলাম
  3. গ) এনটিটি
  4. ঘ) রেকর্ড
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৪০৯.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ সিস্টেমের কী নয়?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. মাস্টার কী
  4. কম্পোজিট কী
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা- প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।
 
প্রাইমারি কী:
যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে। প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয় ।

ফরেন কী:
কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে। ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 

কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১০.
মেমোরির ধারণক্ষমতার ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
  1. ক) টেরাবাইট
  2. খ) এক্সাবাইট
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) মেগাবাইট 
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমোরির ধারণ ক্ষমতার ক্ষুদ্রতম একক হল কিলোবাইট (সংক্ষেপে KB)।
১০২৪ বাইটে ১ কিলোবাইট হয়।
কম্পিউটার মেমোরিতে বাইনারি ডিজিট, শব্দ ধারনের ক্ষমতাকে মেমোরির ধারণ ক্ষমতা বলা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪১১.
Data সংগ্রহেরর পদ্বতি নয়-
  1. ক) সাক্ষাৎকার
  2. খ) টেবিল
  3. গ) প্রশ্নমালা
  4. ঘ) পর্যবেক্ষণ
ব্যাখ্যা
Data সংগ্রহের পদ্ধতি হলোঃ সাক্ষাৎকার পদ্ধতি, প্রশ্নমালা পদ্ধতি, জরিপ পদ্ধতি, পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ইত্যাদি।
৪১২.
নিচের কোনটি ওপেন-সোর্স ডকুমেন্ট ডাটাবেজ?
  1. ক) Oracle
  2. খ) MongoDB
  3. গ) MS SQL
  4. ঘ) MS Access
ব্যাখ্যা
- MongoDB হল একটি ওপেন-সোর্স ডকুমেন্ট ডাটাবেজ যা একটি অনুভূমিক স্কেল-আউট আর্কিটেকচারে নির্মিত।
- MongoDB ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ।

উৎস : MongoDB Website
৪১৩.
SQL-এ নিচের কোন কমান্ডটি DDL (Data Definition Language)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. CREATE TABLE
  2. ALTER TABLE
  3. SELECT
  4. DROP INDEX
ব্যাখ্যা

SELECT হলো DQL (Data Query Language) কমান্ড, এটি DDL-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
- ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
- Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।

SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে। যেমন-
১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language - DQL):
- ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা কুয়েরি করে ব্যবহার করা হয়।
- SELECT স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটা পুনরুদ্ধার করা হয়।

২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Definition Language - DDL):
- DDL এর সাহায্যে টেবিলের গঠন পরিবর্তন যেমন- টেবিল তৈরি, টেবিল আপডেট, টেবিল মুছে ফেলা ইত্যাদি পরিবর্তনগুলি করা হয়।
- CREATE স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজে নতুন টেবিল তৈরি করা হয়
- ALTER স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজের স্ট্রাকচার পরিবর্তন যেমন- টেবিলে নতুন কোন ফিল্ড যোগ করা বা ডিলিট করা ইত্যাদি কাজ করা হয়।
- ডেটাবেজের টেবিল মুছে ফেলতে DROP স্টেটমেন্টেটি ব্যবহৃত হয়।

৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language - DML):
- এক বা একাধিক রেকর্ড মুছে ফেলার জন্য DELETE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড এন্ট্রি করার জন্য INSERT কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড হালনাগাদ বা আপডেট করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language - DCL):
- DCL এর সাহায্যে ডেটাবেস ব্যবহারকারীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১৪.
SQL একটি _______ ল্যাংগুয়েজ।
  1. প্রোগ্রামিং
  2. মার্কআপ
  3. নন-প্রসিডিউরাল
  4. স্ক্রিপ্টিং
ব্যাখ্যা

◉ SQL (Structured Query Language) হলো একটি নন-প্রসিডিউরাল ল্যাংগুয়েজ। 

SQL: 
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language। এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

SQL ফিচার সুবিধা: 
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ডসেট তৈরি করা হয়েছে।
- SQL একটি non-procedural ল্যাংগুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কিভাবে কুয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না।
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে।

SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়। যেমন: 
- ডাটা কুয়েরি করা।
- ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট এ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ।
- ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ: C, C++, Java ইত্যাদি। 
খ) মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ: HTML, XML, Markdown ইত্যাদি। 
গ) স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ: Python, JavaScript, PHP ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১৫.
ER (Entity-Relationship) Diagram-এ Entity বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. SQL command
  2. Database table এর নাম
  3. Real-world object
  4. Database software
ব্যাখ্যা

Entity হলো বাস্তব জগতের এমন কোনো Object বা ধারণা, যার Data ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। 

এনটিটি: 
- কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাকে ডাটার এনটিটি বলে।
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউটের যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১৬.
কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়?
  1. MS Word
  2. Oracle
  3. SQLite
  4. Postgre SQL
ব্যাখ্যা
MS Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান
৪১৭.
পারস্পরিক সম্পর্কের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে ই-কমার্সের প্রধান ধরণ নয় কোনটি?
  1. ক) B2B
  2. খ) C2B
  3. গ) C2C
  4. ঘ) D2B
ব্যাখ্যা
কে কাকে পণ্য বা সেবা বিক্রয় করবে বাজারের এই পারস্পরিক সম্পর্কের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে ই-কমার্সকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে - B2B, B2C, C2B, C2C।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
৪১৮.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা সংরক্ষণ ও ডেটা এ্যাকসেস করার জন্য ব্যবহার করা হয় -
  1. ক) Data Query Language
  2. খ) Data Definition Language
  3. গ) Data Manipulation Language
  4. ঘ) Structured Query Language
ব্যাখ্যা
একটি ডেটাবেজে পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলাে বর্ণনার মাধ্যমে। এ বর্ণনাগুলাে লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার হয়, যাকে ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা সংরক্ষণ ও ডেটা এ্যাকসেস করার জন্য ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- যে ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডেটাবেজ টেবিলে ডেটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
[উৎসঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রােগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৪১৯.
রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলের ধারণা প্রথম কে উপস্থাপন করেন?
  1. ডেনিস রিচি
  2. ল্যারি এলিসন
  3. ই. এফ. কড
  4. কেন থম্পসন
ব্যাখ্যা

◉ ১৯৭০ সালে এডগার ফ্র্যাঙ্ক কড (Edgar F. Codd) আইবিএম গবেষণাগারে রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল প্রস্তাব করেন। তাঁর গবেষণাপত্র "A Relational Model of Data for Large Shared Data Banks" ডাটাবেজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে এডগার এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪২০.
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কী বলে?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) হার্ডওয়্যার
  4. ঘ) সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অন্যদিকে DRAM (Dynamic RAM) এবং SRAM (Static RAM) এর তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এরা ভোলাটাইল মেমোরি।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা – এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪২১.
কোনটি Database Transaction Property- এর অন্তর্গত?
  1. Atomicity
  2. Durability
  3. Isolation
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লেখিত সবগুলোই Database Transaction Property- এর অন্তর্গত।

• ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।
- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID।
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

• ACID এর acronym হল:

- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

উৎস: techtarget.com
৪২২.
Which key is used to establish a relationship between two tables?
  1. Super key
  2. Candidate key
  3. Primary key
  4. Primary key and foreign key
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজে দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য Primary Key ও Foreign Key ব্যবহৃত হয়।

• Primary Key:
- Primary Key হলো এমন একটি কী, যা একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে স্বতন্ত্রভাবে শনাক্ত করে।
- একটি টেবিলে Primary Key একটিই থাকে এবং এর মান কখনো পুনরাবৃত্ত হয় না।

• Foreign Key:
- Foreign Key হলো একটি টেবিলের এমন একটি ফিল্ড, যা অন্য টেবিলের Primary Key–এর সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকে।
- এটি দুটি টেবিলের মধ্যে লজিক্যাল সম্পর্ক তৈরি করে।

• টেবিলের মধ্যে রিলেশন কীভাবে গড়ে ওঠে:
- একটি টেবিলের Primary Key যখন অন্য টেবিলে Foreign Key হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাদের মধ্যে রিলেশন তৈরি হয়।
- বিশেষ করে One to Many Relation এই পদ্ধতিতেই গঠিত হয়।

• ডেটাবেজ ডিজাইনে এর গুরুত্ব:
- Primary Key ও Foreign Key ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা সুশৃঙ্খল ও নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- এতে ডেটার পুনরাবৃত্তি কমে এবং ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Super Key একটি রেকর্ড শনাক্ত করতে পারে, তবে রিলেশন তৈরিতে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
- Candidate Key সম্ভাব্য Primary Key হলেও একা রিলেশন স্থাপন করে না।
- শুধু Primary Key ব্যবহার করে দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক গঠন সম্ভব নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২৩.
কোনটি ওপেন সোর্স DBMS নয়?
  1. Oracle Database
  2. Cubrid
  3. MongoDB
  4. Altibase
ব্যাখ্যা
• "Oracle Database" ওপেন সোর্স DBMS নয়।

• DBMS:

- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Cassandra
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cubrid
- SQLite

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪২৪.
কম্পিউটার ও প্রিন্টারের এর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে data transmission হয়?
  1. ক) হাফ-ডুপ্লেক্স
  2. খ) সিমপ্লেক্স
  3. গ) ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. ঘ) ট্রিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৪২৫.
Data সংগ্রহেরর পদ্বতি-
  1. ক) সাক্ষাৎকার
  2. খ) টেবিল (Table)
  3. গ) Bar Diagram
  4. ঘ) Map Diagram
ব্যাখ্যা
Data সংগ্রহের পদ্ধতি হলোঃ সাক্ষাৎকার পদ্ধতি, প্রশ্নমালা পদ্ধতি, জরিপ পদ্ধতি, পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ইত্যাদি।
৪২৬.
এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. সর্টিং
  2. ইনডেক্সিং
  3. ক্রিপটোগ্রাফি
  4. কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

• সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না।
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- অর্থাৎ, এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
• কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।

• কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে।

• ডাটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪২৭.
ডেটাবেজে এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে গঠিত হয় -
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) টেবিল
  3. গ) ডাটা
  4. ঘ) কী
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজে এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল গঠিত হয়। 

টেবিল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে গঠিত।
- সাধারণত টেবিলের একটি নির্দিষ্ট নাম থাকে।

ফিল্ড: 
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি। 
- কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় এক একটি ফিল্ড। 
- ফিল্ড হচ্ছে ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট। 
- যেমন: নাম হলো টেক্সট ফিল্ড, বেতন হলো সংখ্যা ফিল্ড ইত্যাদি। 

রেকর্ড: 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত এক একটি রেকর্ড।

ডাটা: 
- ডাটা শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datumn এর বহুবচন।
- Datumn শব্দটির অর্থ হল তথ্যের উপাদান।
- প্রাথমিকভাবে সংগৃহীত অগোছালো তথ্যকে ডাটা বলা হয়। 
- যেমন-কোন একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নাম, পদবি, মুলবেতন ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ডাটা। 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশল মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৪২৮.
Which key uniquely identifies each record in a database table?
  1. Foreign Key
  2. Composite Key
  3. Primary Key
  4. Attribute
ব্যাখ্যা

• Primary Key এমন একটি Key field যা একটি Table-এর প্রতিটি Record-কে অনন্যভাবে (uniquely) শনাক্ত করে।

• ডাটাবেজে Key (কী):
- সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট Field-এর ভিত্তিতে Table-এর Record শনাক্ত, অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
- এই ধরনের Field-কে Key field বলা হয়।
- Database-এ সাধারণত তিন ধরনের Key ব্যবহৃত হয়: Primary Key, Composite Primary Key, Foreign Key।

• Primary Key:
- যে Field একটি Table-এর প্রতিটি Record-কে অনন্যভাবে শনাক্ত করে তাকে Primary Key বলা হয়।
- Primary Key field-এর প্রতিটি Data অবশ্যই ভিন্ন (unique) হতে হবে।
- একটি Table-এ সাধারণত একটি Primary Key থাকে।
- উদাহরণ: কোনো শ্রেণির শিক্ষার্থীদের Roll Number।
- কারণ প্রতিটি শিক্ষার্থীর Roll Number আলাদা, তাই এটি Primary Key হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- Primary Key ব্যবহার করে একাধিক Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে Relational Database তৈরি করা যায়।

• Composite Primary Key:
- যখন একটি Table-এ কোনো একটি Field দিয়ে Record uniquely শনাক্ত করা সম্ভব হয় না, তখন একাধিক Field একত্রে Primary Key হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের Key-কে Composite Primary Key বলা হয়।
- উদাহরণ: Student Name ও Father Name একত্রে ব্যবহার করে কোনো Record uniquely শনাক্ত করা।

• Foreign Key:
- যখন একটি Table-এর Primary Key অন্য একটি Table-এ ব্যবহার করা হয়, তখন সেটিকে Foreign Key বলা হয়।
- Foreign Key-এর মাধ্যমে দুই বা ততোধিক Table-এর মধ্যে Relationship তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- Foreign Key → অন্য Table-এর Primary Key যা দুই Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- Composite Key → একাধিক Field একত্রে ব্যবহৃত Primary Key।
- Attribute → Entity-এর বৈশিষ্ট্য বা Field, যেমন Name, Address, Age।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২৯.
এনক্রিপশন কী?
  1. ডেটাকে কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া
  2. সফটওয়্যার আপডেট করার পদ্ধতি
  3. ডেটা ফাইলের আকার ছোট করার একটি পদ্ধতি
  4. ডেটা ফাইল শেয়ার করার নিয়ম
ব্যাখ্যা

এনক্রিপশন হচ্ছে ডেটাকে কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।

• এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে।
- কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে।
- প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে।
- এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৩০.
ফ্রি ও ওপেন সোর্স ডাটাবেজ কোনটি?
  1. PostgreSQL
  2. SQLite
  3. MySQL
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
PostgreSQL, SQLite, MySQL, MS Access, Oracle এগুলো রিলেশনাল ডাটাবেজ। 
এদের মধ্যে PostgreSQL, SQLite ও MySQL ফ্রি ও ওপেন সোর্স ডাটাবেজ। 


সূত্র - ICT, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, বোর্ড বই
৪৩১.
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে -
  1. ক) Tuple
  2. খ) Field
  3. গ) Record
  4. ঘ) Attribute
ব্যাখ্যা
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিন্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।সাধারণভাবে পুরো একটি রো বা সারিকে রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
[উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)]
৪৩২.
একটি হাসপাতালের ডাটাবেজে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি অনন্য চিকিৎসা রেকর্ড নম্বর নির্ধারিত থাকে। এটি নিচের কোনটির উদাহরণ?
  1. Many-to-Many
  2. One-to-Many
  3. Many-to-One
  4. One-to-One
ব্যাখ্যা

• একটি হাসপাতালের ডাটাবেজে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি অনন্য চিকিৎসা রেকর্ড নম্বর (Medical Record Number) নির্ধারিত থাকে। অর্থাৎ, প্রতিটি রোগীর সঙ্গে একটিমাত্র রেকর্ড নম্বর যুক্ত থাকে এবং প্রতিটি রেকর্ড নম্বর শুধুমাত্র এক রোগীর জন্য প্রযোজ্য। এটি হলো “One-to-One” সম্পর্কের উদাহরণ, কারণ এক রোগীর জন্য এক রেকর্ড এবং এক রেকর্ড শুধুমাত্র এক রোগীর সাথে সম্পর্কিত। এখানে কোন রোগীর একাধিক রেকর্ড নেই এবং কোন রেকর্ডও একাধিক রোগীর সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয় না। তাই ডাটাবেজে রোগী এবং চিকিৎসা রেকর্ড নম্বরের সম্পর্ক এক-থেকে-এক (One-to-One) ধরণের।

- সঠিক উত্তর: ঘ) One-to-One.

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩৩.
ফরেন কী'র কাজ কী?
  1. ডাটাবেজে নতুন রেকর্ড সংযোজন করা
  2. দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা
  3. একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা
  4. ইনডেক্স তৈরি করা
ব্যাখ্যা
ফরেন কী'র কাজ হচ্ছে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা।

• ফরেন কী (Foreign Key)
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৪.
যদি একাধিক ফিল্ড একত্রে প্রাইমারি কী গঠন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. অল্টারনেট কী
  2. ফরেন কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হলে তাকে "কম্পোজিট প্রাইমারি কী" বলে।
 
• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩৫.
কী ফিল্ড প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
কী
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- যেমন: ক্লাশে ছাত্রদের রোল নম্বরের ভিত্তিতে শনাক্তকরণ, ফলাফল ঘোষণা ও স্কলারশীপ বিতরণ করা হয়, তাই রোল নম্বরকে কী ফিল্ড বলা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্রাইমারি কী 
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী ও
৩. ফরেন কী

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৬.
রিলেশনাল ডাটাবেজে কোন সম্পর্কের মাধ্যমে একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে অনেকগুলো চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত হতে পারে?
  1. Self-referencing
  2. One-to-many
  3. Many-to-many
  4. One-to-one
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে যখন একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, তখন এটি One-to-many (এক থেকে বহু) সম্পর্ক হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্যারেন্ট টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড একাধিক চাইল্ড টেবিলের রেকর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে, কিন্তু চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি “বিভাগ” টেবিলের প্রতিটি বিভাগে অনেক “কর্মচারী” থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কর্মচারী শুধুমাত্র একটি বিভাগে থাকে। এই সম্পর্ক তৈরি করতে সাধারণত চাইল্ড টেবিলে প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যবহার করে ফরেন কী কলাম সংযুক্ত করা হয়। তাই, প্যারেন্ট-চাইল্ড সম্পর্ক বোঝাতে One-to-many সবচেয়ে উপযুক্ত।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩৭.
"ACID principle"- এ 'C' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Confirmation
  2. Continuity
  3. Consistency
  4. Consultancy
ব্যাখ্যা
ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID।
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

উৎস: techtarget.com
৪৩৮.
গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. প্লেইন টেক্সট
  2. এনক্রিপশন এলগরিদম
  3. সাইফার টেক্সট
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৯.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Ms-Excel
  2. খ) Word Star
  3. গ) Windows
  4. ঘ) Foxpro
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন
প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। কম্পিউটারের
আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তন্মধ্যে
DOS, Windows, Xenix/Unix বহুলবাবে ব্যবহৃত। Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও
সিস্টেম সফট্ওয়্যারের অন্তর্গত।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত
বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা
সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়।যেমনঃ
1| Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
2| Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3| Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪৪০.
ACID-এর কোন বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে একটি লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা মোটেও হবে না?
  1.  Atomicity 
  2. Consistency
  3. Isolation
  4. Durability
ব্যাখ্যা

• ACID হলো ডাটাবেস লেনদেনের চারটি মূল বৈশিষ্ট্যের সংক্ষিপ্ত রূপ। এর মধ্যে Atomicity বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে একটি লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা মোটেও হবে না। অর্থাৎ, যদি লেনদেনের কোন ধাপ ব্যর্থ হয়, তাহলে সম্পূর্ণ লেনদেনটি পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে এবং আংশিক পরিবর্তন ডাটাবেসে থাকে না। এটি ডাটার অখণ্ডতা এবং নির্ভরযোগ্যতা রক্ষা করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি ব্যাংক ট্রান্সফার লেনদেনে টাকা উত্তোলন হয় কিন্তু জমা হয় না, তাহলে Atomicity নিশ্চিত করে যে লেনদেনটি পুরোপুরি বাতিল হবে এবং কোনো অর্ধেক পরিবর্তন ডাটাবেসে প্রয়োগ হবে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Atomicity।

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট। [

৪৪১.
রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (RDBMS) কুয়েরি করার জন্য কোন ভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. HTML
  2. C++
  3. Java
  4. SQL
ব্যাখ্যা

• SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language। এটি একটি ডিক্লারেটিভ ভাষা যা রিলেশনাল ডাটাবেস (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডেটাবেসে টেবিল তৈরি করা, ডেটা ইনসার্ট করা এবং কুয়েরির মাধ্যমে নির্দিষ্ট তথ্য বের করে আনা হয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):

- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়‍্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

• SQL:
- ১৯৭৪ সালে।BM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
- Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।
- SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে।
যেমন-
১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language DQL),
২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Defination Language DDL),
৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language -DML),
৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language DCL) I

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৪২.
ভিডিও ফাইল এক্সটেনশন ফরম্যাট কোনটি?
  1. .jpg
  2. .bmp
  3. .mpg
  4. .exe
ব্যাখ্যা
- .jpg, .jpeg, .bmp এগুলো image file।
- .exe হল windows platform এর executable file format।
- .mpg, .mpeg হচ্ছে ভিডিও ফাইল ফরমেটের এক্সটেনশন।
৪৪৩.
মাইক্রোসফট অ্যাকসেস এর লং টেক্সট ডেটা টাইপে কত ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়?
  1. ক) ২৫৫
  2. খ) ৪০০০
  3. গ) ৬৪০০০
  4. ঘ) ৬৫৫৩৬
ব্যাখ্যা
ডেটা টাইপ
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রচুর ডেটা নিয়ে কাজ করতে হয়। এই ডেটার টাইপ বা প্রকৃতি আবার বিভিন্ন প্রকার হতে পারে ।
- যথা: শর্ট টেক্টট, লং টেক্সটি, নাম্বার বা নিউমেরিক, ইয়েস/নো বা যুক্তিমুলক, তারিখ/সময়, কারেন্সী, হাইপারলিঙ্ক এবং এটাচমেন্ট ইত্যাদি।

মাইক্রোসফট অ্যাকসেস ডেটাবেজে নিম্নলিখিত ডেটা টাইপগুলো রয়েছে। যথা-

শর্ট টেক্সট (Short Text):
- ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এই টেক্সট ফিল্ডের রেঞ্জ ১ থেকে ২৫৫ ক্যারেক্টারের মধ্যে। এর অধিক টেক্সট ফিল্ডের জন্য লং টেক্সট ডেটা টাইপ ব্যবহার করতে হবে। আলফানিউমেরিক ডেটা যেমন- নাম, টাইটেল ইত্যাদি ।

লং টেক্সট (Long Text):
প্রায় ১ গিগা বাইট পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু একটি দীর্ঘ টেক্সট প্রদর্শন করার জন্য এটি প্রথম ৬৪,০০০ ক্যারেক্টারে সীমাবদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ, জ্ঞাত দৈর্ঘ্যের কোন পোস্টাল কোড সংরক্ষণ করতে হলে, ফিল্ড সাইজের দৈর্ঘ্য সুনির্দিষ্ট করা থাকতে হবে।

---------------------------
Text fields in desktop databases (.accdb)
Long Text

In .accdb files, the Long Text field works the same as the Memo field of old. That is, it can store up to about a gigabyte of text, even though controls on forms and reports can only display the first 64,000 characters. You can set Long Text fields to display Rich Text, which includes formatting like bold and underline.

Short Text
In .accdb files, the Short Text field works the same as the Text field in earlier versions. It stores up to 255 characters.

Text fields in Access web apps
Long Text
In Access web apps, the Long Text field can store up to 2^30-1 bytes, and is equivalent to the SQL Server data type of nvarchar(max). If you want, you can set a character limit to prevent your users from using the full capacity of the field. You can’t store Rich Text in Access web apps.

Short Text
In Access web apps the Short Text field is set to store 255 characters by default, but you can adjust the Character Limit property all the way up to 4000 characters. Its SQL Server equivalent is nvarchar, with length from 1 to 4000.

Source:
১. miocrosoft.com
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪৪৪.
মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) মাইক্রোসফট এক্সিস
  2. খ) মাইক্রোসফট এক্সেল
  3. গ) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  4. ঘ) ভিজোয়েল বেসিক
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট এক্সিস হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের একটি জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম।
১৯৯৩ সলের গোড়ার দিকে মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন এই সফটওয়্যারটি বাজারজাত করার অল্প দিনের মধ্যে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
এক্সিস উইন্ডোজ ভিত্তিক একটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যার সাহায্যে ডাটাবেজের বিভিন্ন টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রির জন্য সহজবোধ্য ও আকর্ষণীয় ফর্ম ডিজাইন করা যায়।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪৪৫.
নিচের কোনটি ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই ও ডিলিট করার পদ্ধতি?
  1. কুয়েরি
  2. ইনডেক্সিং
  3. ক্রিপটোগ্রাফি
  4. সর্টিং
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।

 কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
২. Parameter Query:
- প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৩. Crosstab Query:
- ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৩. Action Query:
- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:

- ইনডেক্সিং হচ্ছে ডাটাবেজের মধ্যে ক্রম সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি এবং ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে ডেটা দ্রুত সময়ে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে।
- এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৪৬.
ডেটাবেজে কুয়েরি হলো-
  1. ডেটাবেজ শেয়ার করা
  2. ডেটাবেজ ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. ডেটাবেজ আপডেট রাখা
  4. ডেটাবেজে শর্তসাপেক্ষে ডেটা অনুসন্ধান করা
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- ডেটাবেজে ব্যাপক তথ্য সংগৃহীত থাকতে পারে। এই ব্যাপক আয়তনের তথ্যের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় রেকর্ড বা রেকর্ডসমূহ কোন শর্ত বা বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে খুঁজে বের করাকে কুয়েরি বলা হয়
- কুয়েরিতে Expression, Operator, Filter ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
- কোনো ডেটা কুয়েরি করার জন্য যুক্তিমূলক এক্সপ্রেশন (Logical Expression) দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- যে সকল রেকর্ড শর্ত পূরণ করে সে রেকর্ডগুলোই কুয়েরির ফলাফল হিসেবে পাওয়া যাবে। যেমন: কোনো ডেটা টেবিলে City নামক একটি ফিল্ডে বিভিন্ন শহরের নাম আছে। এক্ষেত্রে যে সকল রেকর্ডের City ফিল্ডের মান "Dhaka" আছে, সে রেকর্ডগুলো কুয়েরি করার জন্য City = "Dhaka" এ রকম এক্সপ্রেশন তৈরি করা যায়। 
- কুয়েরিতে এক্সপ্রেশন তৈরি করার জন্য বিভিন্ন অপারেটর ব্যবহার করতে হয়।
- Query বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।
যথা:
১. Select Query,
২. Parameter Query,
৩. Crosstab Query, 
৪. Action Query ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৭.
ডেটাবেজে কোন তথ্য খোঁজার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. XML
  2. SQL
  3. HTML
  4. HTP
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে কোন তথ্য খোঁজার জন্য SQL ব্যবহার করা হয়। 

- SQL এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Structured Query Language. 
- SQL এর ব্যবহার:
১. ডেটাবেজে কুয়েরি সম্পাদন করা যায় ।
২. নতুন ডেটাবেজ তৈরি করা যায় ।
৩. ডেটাবেজে নতুন টেবিল তৈরি করা যায় ।
৪. ডেটাবেজ থেকে তথ্য পুনরূদ্ধার করা যায় ।
৫. ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষন করা যায় ।
৬. ডেটাবেজে তথ্য হালনাগাদ করা যায় ।
৭. ডেটাবেজ থেকে তথ্য মুছে ফেলা(delete) যায় ।
৮. ডেটাবেজের মধ্যে তথ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি তৈরি করা যায় ।
৯. ডেটাবেজের ভিউ(view) তৈরি করা যায় ।
১০. ডেটাবেজে টেবিল, কার্যপ্রনালী এবং ভিউ এর উপর পারমিশন সেট করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৪৮.
ইউনিকোডের মাধ্যমে সম্ভাব্য কতগুলো চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ২৫৬টি
  2. ৬৫৬৩৬টি
  3. ৫১২ টি
  4. ৬৫৫৩৬টি
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোড ভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ২১৬ বা ৬৫৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৪৯.
আমাজন ডাইনামোডিবি (Amazon DynamoDB) কোন ধরনের ডাটাবেজ?
  1. রিলেশনাল ডাটাবেজ
  2. NoSQL ডাটাবেজ
  3. গ্রাফ ডাটাবেজ
  4. হাইব্রিড ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

◉ Amazon DynamoDB হলো একটি ফুলি ম্যানেজড NoSQL ডাটাবেজ সেবা, যা উচ্চ পারফরম্যান্স এবং স্কেলেবিলিটি প্রদান করে।

ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

৪৫০.
নিচের কোন ডেটা টাইপটি সকল ধরনের ডেটাবেজেই বিদ্যমান?
  1. টেক্সট (text)
  2. পূর্ণসংখ্যা (integer)
  3. তারিখ (date)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- টেক্সট (text), পূর্ণসংখ্যা (integer) , তারিখ (date) ও দশমিক সংখ্যা (decimal number) এই ডেটা টাইপগুলো সব ডেটাবেজেই পাওয়া যায়।
[উৎস - ICT, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২০২]
৪৫১.
ইনডেক্সিং এ কোন ক্রমে ডাটা সাজানো হয়?
  1. আরোহী বা অবরোহী আকারে
  2. র‍্যান্ডমলি
  3. গ্রাফ আকারে
  4. এলোমেলোভাবে
ব্যাখ্যা
কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।

• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর। সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।

• ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো:
- ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
-একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়।

• ইনডেক্সিং-এর অসুবিধা:
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়।
- ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫২.
নিচের কোনটি ডেটার গোপনীয়তা রক্ষায় গৃহীত ব্যবস্থা?
  1. এনক্রিপশন
  2. ডিক্রিপশন
  3. মডুলেশন
  4. ইনফরমেটিক্স
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
- প্লেইন টেক্সট: যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
- সাইফার টেক্সট: মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
- এনক্রিপশন এলগরিদম: গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
- কী: গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৩.
Data শব্দটি কোন শব্দের বহুবচন?
  1. Datum
  2. Data
  3. Datam
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ডাটা (Data):
- Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum -এর বহুবচন।
- Datum অর্থ হচ্ছে তথ্যের উপাদান।
- তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতর অংশসমূহ হচ্ছে ডাটা বা উপাত্ত।
- ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি তাই ডাটা।
- ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডের অধীনে এন্ট্রিকৃত সব তথ্যই হলো ডাটা।
- উদাহরণ: কোন একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নাম, পদবি, মুলবেতন ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ডাটা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৪.
এক্সেলের কলাম ও সারির প্রত্যেকটি উপাদানকে বলে ______।
  1. ক) রো কলাম
  2. খ) স্প্রেডশিট
  3. গ) সেল
  4. ঘ) খ ও গ উভয়ই
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
Microsoft Excel একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার। স্প্রেডশীট প্রােগ্রামের রাে ও কলামের সাহায্যে গঠিত পেইজ বা শীটকে ওয়ার্কশীট বলে। আর ওয়ার্কশীটের প্রতিটি আয়তাকার অংশকে সেল (Cell) বলা হয়।
৪৫৫.
ডেটাবেজের উপাদান নয় কোনটি?
  1. ফিল্ড
  2. টেবিল
  3. চার্ট
  4. রেকর্ড
ব্যাখ্যা
চার্ট ডাটা বেজের উপাদান নয়।

ডেটাবেজ
ডেটাবেজ হচ্ছে ডেটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি, যা সহজে ব্যবহার, ব্যবস্থাপনা ও আধুনিকীকরণ করা যায়।

ডেটাবেজের উপাদানসমূহ:
- ডেটা (Data):
ডেটা হলো তথ্যের একক। এটি টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে সংরক্ষিত থাকে। 
- ফিল্ড (Field):
ফিল্ড হলো ডেটাবেজ টেবিলের কলাম বা গুণের নাম।
- রেকর্ড (Record):
একটি রেকর্ড হলো একটি সারি বা রো, যা একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত।
- ডেটা টেবিল (Data Table):
সমজাতীয় রেকর্ডের সমষ্টিকে বলা হয় ডেটা টেবিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৪৫৬.
তথ্য ব্যবস্থাপনায় বহুল ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) এমএস এক্সেল
  2. খ) এমএস ওয়ার্ড
  3. গ) পাইথন
  4. ঘ) এসএম একসেস
ব্যাখ্যা
তথ্য বা উপাত্ত ব্যবস্থাপনার জনপ্রিয় সফটওয়্যার হলো এমএস একসেস। এটির নির্মাতা মাইক্রোসফট । এছাড়াও আরো কিছু তথ্য ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার হলো ডিবেইজ, ফক্সপ্রো, ওরাকল, ফোর্থ ডাইমেনশন, প্যারাডক্স ইত্যাদি। এমএস এক্সেল হিসাবের কাজে এবং এমএস ওয়ার্ড লেখালেখির কাজে ব্যবহৃত হয়। পাইথন হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। (সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৪৫৭.
ডাটাবেজের রেকর্ডের মৌলিক একক কী নামে পরিচিত?
  1. ফাইল
  2. ফিল্ড
  3. টেবিল
  4. রেকর্ড
ব্যাখ্যা

ফিল্ড: 
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড।
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫৮.
ডাটা রেকর্ড এর ক্ষুদ্রতম অংশকে কি বলে?
  1. ক) এনটিটি
  2. খ) ফিন্ড
  3. গ) এট্রিবিউট
  4. ঘ) কী
ব্যাখ্যা
ফিল্ড: ডাটাবেজ এর একটি রেকর্ড এর ক্ষুদ্রতম অংশকে ফিল্ড বলে। যেমন:  
Name    Age     City
Joy         27      Dhaka

এখানে Joy এর রেকর্ড এ তার নাম বয়স এবং শহর আছে । অর্থাৎ তিনটি আলাদা আলাদা ফিল্ড। এই তিনটি আলাদা আলাদা ফিল্ড মিলেই Joy এর রেকর্ড গঠিত।

- প্রতিটা কলামের হেডিং হলো এনটিটি।
- কলামের ডাটাগুলো হলো ওই এনটিটির এট্রিবিউট।
- ডাটাবেজ থেকে কোনো ইনফরমেশন খুজে বের করার জন্য যে বিশেষ এনটিটি ব্যবহার করা হয় তাকে কী বলা হয়।

৪৫৯.
রিলেশনাল ডাটাবেজের মূল ধারণা প্রদান করেন-
  1. বিল গেটস
  2. ডেনিস রিচি
  3. ই.এফ. কড
  4. ল্যারি এলিসন
ব্যাখ্যা

◉ ১৯৭০ সালে এডগার ফ্র্যাঙ্ক কড (Edgar F. Codd) আইবিএম গবেষণাগারে রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল প্রস্তাব করেন। তাঁর গবেষণাপত্র "A Relational Model of Data for Large Shared Data Banks" ডাটাবেজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে এডগার এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৬০.
ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ কয়টি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি।

• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড।

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি।
যথা:
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬১.
নিচের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ?
  1. ক) QUEL
  2. খ) SQL
  3. গ) QBE
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Query Language)
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
- ডেটা ম্যানিপুলেশনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ তৈরি হয়েছে।
- তবে নিম্ন লিখিত ৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যথা-
(ক) QUEL - QUEery Language
(খ) QBE - Query By Example
(গ) SQL - Structured Query Language

- উপরের তিনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে SQL সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
- ANSI (American National Standard Institution) এর Standard ডেফিনেশন অনুসারে SQL রিলেশনাল ডেটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৬২.
ট্রানজ্যাকশন প্রসেসিং সিস্টেমের ACID বৈশিষ্ট্যে 'I' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Isolation
  2. Integration
  3. Integrity
  4. Inheritance
ব্যাখ্যা

◉ ট্রানজ্যাকশন প্রোসেসিং সিস্টেমের ACID বৈশিষ্ট্যে 'I' দ্বারা Isolation (আইসোলেশন) বোঝায়।

ACID বৈশিষ্ট্য: 
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৪৬৩.
'Bridge' OSI Model-এর কোন স্তরে কাজ করে?
  1. Data-Link
  2. Transport
  3. Physical
  4. Application
ব্যাখ্যা
• 'Bridge' OSI Model-এর Data-Link স্তরে কাজ করে।

• OSI Model:
- OSI এর পূর্ণরূপ হলো Open Systems Interconnection Model.
- OSI মডেলের লেয়ার সংখ্যা ৭টি।
- উপরের তিনটি লেয়ারকে বলা হয় Upper Layer.
- নিচের চারটি লেয়ারকে বলা হয় Lower Layer.

The 7 layers of the OSI model:
• Layer 7 - Application layer.
• Layer 6 - Presentation layer.
• Layer 5 - Session layer.
• Layer 4 - Transport layer.
• Layer 3 - Network layer.
• Layer 2 - Data Link layer.
• Layer 1 - Physical layer.

উৎস: amazon website.
৪৬৪.
Which one is not an example of a relational database management system (RDBMS)?
  1. PostgreSQL
  2. MongoDB
  3. Oracle
  4. Microsoft Access
ব্যাখ্যা

MongoDB হলো NoSQL ডেটাবেজ, যা ডকুমেন্ট ভিত্তিক (JSON/BSON) ফরম্যাটে ডেটা সংরক্ষণ করে। 
- এটি RDBMS-এর উদাহরণ নয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):

- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি।

উৎস:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon ওয়েবসাইট।

৪৬৫.
নিম্নের কোন মেমােরিতে একসেস টাইম সবচেয়ে কম?
  1. ক) ক্যাশ মেমোরি
  2. খ) এসএসডি
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) র‌্যাম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরির একসেস টাইম সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
 
 
৪৬৬.
নিচের কোনটি DBMS-এর উদাহরণ?
  1. Linux
  2. Chrome
  3. Oracle
  4. Windows
ব্যাখ্যা

• Oracle একটি জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:

- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- DBMS ডাটাবেজ তৈরি, এক্সেস করা এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে থাকে।
- DBMS ব্যবহারকারী এবং ডাটাবেজের মধ্যে মাধ্যম বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো— ওরাকল (Oracle), মাইএসকিউএল (MySQL), মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Access).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬৭.
FileMaker is used for -
  1. Word processing
  2. Graphics designing
  3. Database management
  4. Video editing
ব্যাখ্যা
FileMaker is used for database management.
- এটি একটি কর্পোরেট ডাটাবেজ।

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, বীমা, মোবাইল কোম্পানি, সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবস্থায় বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের কেন্দ্রিয় অফিসের সাথে শাখা অফিসসমূহের সমন্বয়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং ডাটা আদান প্রদানের জন্য যে বিশেষ ডাটাবেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করে তাকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access,
- Informix, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৮.
Data Mining can be used in the banking sector for ______
  1. Risk Management
  2. Credit Card Fraud Detection
  3. Customer Segmentation
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

• ব্যাংকিং সেক্টরে ডেটা মাইনিং (Data Mining) একটি অত্যন্ত শক্তিশালী হাতিয়ার। এটি বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে এমন সব প্যাটার্ন বা তথ্য খুঁজে বের করে যা ব্যাংকের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে সহজ করে। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা (Risk Management), ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি শনাক্তকরণ (Fraud Detection) এবং গ্রাহকদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা (Segmentation)—এই প্রতিটি ক্ষেত্রেই ডেটা মাইনিং প্রযুক্তি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

• ডেটা মাইনিং (Data Mining): 
- ডেটা মাইনিং মূলত বিজনেস ইন্টেলিজেন্স এবং প্রেডিক্টিভ অ্যানালিটিক্সে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ক্লাস্টারিং, ক্লাসিফিকেশন এবং অ্যাসোসিয়েশন রুল লার্নিংয়ের মতো কৌশল ব্যবহার করে।
- এর মাধ্যমে বড় ডেটাসেট থেকে অসংলগ্ন তথ্য বাদ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছেঁকে তোলা হয়।
- ডেটা মাইনিংয়ে মেশিন লার্নিং, পরিসংখ্যান এবং ডাটাবেস সিস্টেমের সমন্বয় ঘটানো হয়।
- বিপণন, ব্যাংকিং এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রগুলোতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• ব্যাংকিংয়ে ডেটা মাইনিং-এর প্রধান প্রয়োগসমূহ:
- Risk Management: গ্রাহকের ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা এবং ক্রেডিট স্কোর বিশ্লেষণ করে লোন প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- Fraud Detection: অস্বাভাবিক লেনদেনের প্যাটার্ন শনাক্ত করে ক্রেডিট কার্ড বা অনলাইন ব্যাংকিং জালিয়াতি দ্রুত ধরা সম্ভব হয়।
- Customer Segmentation: গ্রাহকদের আয়, খরচ এবং অভ্যাসের ওপর ভিত্তি করে তাদের বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট গ্রাহকের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংকিং প্রোডাক্ট অফার করা যায়।
- Direct Marketing: কোন গ্রাহক কোন অফারে সাড়া দিতে পারেন, তা ডেটা মাইনিং-এর মাধ্যমে আগেভাগেই অনুমান করা যায়।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা। [link]
২। Application of Data Mining Techniques in the Banking Sector [ResearchGate]

৪৬৯.
ইউনিকোডের সাহায্যে কতটি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ১৬
  2. ২৫৬
  3. ৬৫,৫৩৬
ব্যাখ্যা

১৯৯১ সালে এপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং জেরক্স কর্পোরেশনের একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন। বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে এই কোডের মাধ্যমে কম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
ইউনিকোড ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড এর সাহায্যে ৬৫,৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি

৪৭০.
ডাটাবেজের কোন এনটিটি এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে সমস্ত ফিল্ড ব্যবহার করা হয় তাকে কি বলে?
  1. এট্রিবিউট
  2. ভ্যালু
  3. ইন্সট্যান্স
  4. স্কিমা
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজের গুরুত্বপূর্ণ টার্মসমূহ হলো এনটিটি, এনটিটি সেট, এট্রিবিউট, ভ্যালু, কী ইত্যাদি। 
কোন ডাটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে। 
একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়। 
আবার একটি এনটিটি এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশের যে সমস্ত ফিল্ড বা আইটেম বা উপাদান ব্যবহার করা হয় তাকে বলা হয় এট্রিবিউট। 
প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
 
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৪৭১.
নিচের কোনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার?
  1. Mozilla Firefox
  2. Safari
  3. Brave
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• Oracle হলো রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:

রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়
আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন
হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:

- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Safari, Brave, Mozilla Firefox হলো ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৭২.
DBMS-এর কোন বৈশিষ্ট্য ডাটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করে?
  1. Security
  2. Integrity
  3. Usability
  4. Redundancy
ব্যাখ্যা

- Integrity হলো ডাটার অখণ্ডতা বা সঠিকতা বজায় রাখার নীতি।
- অর্থাৎ, ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্য সবসময় সঠিক, পূর্ণাঙ্গ এবং বিশ্বাসযোগ্য থাকে।

Integrity-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- Entity Integrity: প্রতিটি রেকর্ড বা সারির একটি ইউনিক পরিচয় থাকতে হবে।
- Referential Integrity: Foreign key এর মাধ্যমে টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক সঠিক থাকতে হবে। ভুল বা অকার্যকর রেফারেন্স থাকতে পারবে না।
- Domain Integrity: একটি নির্দিষ্ট কলামে কী ধরনের ডাটা রাখা যাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা।
যেমন: Age কলামে কেবল সংখ্যা থাকবে, নাম থাকবে না।

অপরদিকে,
- Security ডাটাকে অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করে।
- Usability হলো ব্যবহারকারীর জন্য ডাটাবেস ব্যবহারের সহজতা নিশ্চিত করা।
- Redundancy হলো ডাটার পুনরাবৃত্তি কমানো।

উৎস: Encyclopedia Britannica. [লিংক]।

৪৭৩.
Which one of the following is an example of a commercial DBMS?
  1. ক) Oracle
  2. খ) IBM
  3. গ) Sybase
  4. ঘ) All of these
ব্যাখ্যা
• Oracle, IBM, Sybase are the example of a commercial DBMS.
• ডেটাবেজ (Database): 
ডেটা (Data) শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ (base) শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘাঁটি বা সমাবেশ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডেটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হচ্ছে ডেটাবেজ।
• Commercial DBMS: Commercial DBMS বা বাণিজ্যিক ডেটাবেজ শুধুমাত্র বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়, যা সাধারণত গ্রাহকদের জন্য লাইসেন্সিং সাবস্ক্রিপশন ফি দ্বারা বা বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ থাকে।
- উদাহরণ: Oracle DBMS, PostgreSQL, MongoDB, Redis, IBM DB2 ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Computerhope Website.
৪৭৪.
'Datum' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) রাশিয়ান
  2. খ) ইংরেজী
  3. গ) ফরাসি
  4. ঘ) স্প্যানিশ
  5. ঙ) ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
Data শব্দটি বহুবচন।এর একবচন হলো Datum যা একটি ল্যাটিন শব্দ।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৪৭৫.
কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতার একক কোনটি?
  1. ক) বিট
  2. খ) বাইট
  3. গ) মেগাবাইট
  4. ঘ) গিগাবাইট
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমোরির ধারণ ক্ষমতার একক হল বাইট।
কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরির ধারণক্ষমতা বলে।
আট বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট।

বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪৭৬.
গুগল ডকুমেন্টের ফাইল এক্সটেনশন কোনটি?
  1. .docx
  2. .gdoc
  3. .doc
  4. .pdf
ব্যাখ্যা
গুগল ড্রাইভের ডকুমেন্টের ফাইল এক্সটেনশন = .gdoc
গুগল ড্রাইভের কিছু ফাইলের এক্সেটেনশন নিচে দেওয়া হলো:


উল্লেখ্য,
MS-Word ডকুমেন্টের ফাইল এক্সটেনশন = .docx (doc - older version)
পিডিএফ ডকুমেন্টের ফাইল এক্সটেনশন = .pdf
৪৭৭.
একাধিক ফিল্ড প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহৃত হলে তাকে কী বলা হয়?
  1. ফরেন কী
  2. সেকেন্ডারি কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. অল্টারনেট কী
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজ টেবিলের কোনো রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য যখন একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে একটি কী গঠন করা হয়, তখন তাকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) বলা হয়।
 
• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উল্লেখ্য:
- সেকেন্ডারি কী: ডাটাবেজে রেকর্ড খোঁজার বা সার্চ করার কাজ সহজ করার জন্য যে ফিল্ড ব্যবহার করা হয় তাকে সেকেন্ডারি কী বলে।
- অল্টারনেট কী: ক্যান্ডিডেট কীগুলোর মধ্যে থেকে প্রাইমারি কী নির্বাচন করার পর বাকি কীগুলোকে অল্টারনেট কী বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭৮.
MongoDB কোন শ্রেণীর ডাটাবেজের অন্তর্ভুক্ত?
  1. Time-series ভিত্তিক ডাটাবেজ
  2. Graph ভিত্তিক ডাটাবেজ
  3. Relational বা টেবিল-ভিত্তিক ডাটাবেজ
  4. NoSQL ভিত্তিক ডকুমেন্ট ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

• MongoDB হলো একটি NoSQL Document-Oriented Database.

ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

৪৭৯.
ডেটাবেজ সিস্টেমে কলামের হেডিংকে বলা হয় -
  1. ক) সারি
  2. খ) রেকর্ড
  3. গ) ফিল্ড
  4. ঘ) টেবিল
ব্যাখ্যা
- ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো কতগুলো কলাম এবং সারির সমন্বয়।
- প্রতিটি কলামের উপরে একটি হেডিং বা শিরোনাম থাকে যাকে ফিল্ড বলা হয়।
- কয়েকটি ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড বা সারি।
- আর একাধিক রেকর্ডের সমন্বয়ে গঠিত একটি টেবিল।
- এক বা একাধিক টেবিলের সমন্বয়কে বলা হয় ডেটাবেজ।

(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম শ্রেণী)
৪৮০.
ডেটাবেজের ওয়ার্কশিটে কোন কমান্ড ব্যবহার করে ছবি যুক্ত করা যায়?
  1. ক) Table
  2. খ) Illustration
  3. গ) Chart
  4. ঘ) Link
ব্যাখ্যা

Illustration কমান্ড গ্রুপ দ্বারা ওয়ার্কশিটে Picture, Clipart, Shapes, ও SmartArt সংযুক্ত করা যাবে।

Chart কমান্ড গ্রুপ দ্বারা বিভিন্ন ধরনের চার্ট এনে চার্ট ফরম্যাটিং করা যায়।
Insert রিবনে Links গ্রুপ থেকে যে কোন ধরনের Hyperlink তৈরি করা যায়।
Table কমান্ড গ্রুপে Table, Pivot Table, Pivot Chart কমান্ডগুলো থাকে। এ কমান্ডগুলো দিয়ে Pivot Table, Pivot Chart তৈরি করে তথ্য উপস্থাপন করা যায়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪৮১.
পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক ফিল্ড এর সমন্বয়ে কী গঠিত?
  1. রেকর্ড
  2. ফাইল
  3. টেবিল
  4. ইনফরমেশন
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজে সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।

ডেটাবেজ (Database):
ডেটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘাঁটি বা সমাবেশ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডেটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হচ্ছে ডেটাবেজ।
- ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদান হলো ডেটা, ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল ইত্যাদি।

ডেটা:
ডেটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি, তাই ডেটা।

ফিল্ড:
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

রেকর্ড:
সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।
- অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

ডেটা টেবিল:
সমজাতীয় সকল ডেটাকে একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৮২.
ডাটাবেজ সাজানোর প্রক্রিয়া হলো-
  1. ক) সর্টিং
  2. খ) ইন্ডেক্সিং
  3. গ) কুয়েরি
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ইন্ডেক্সিং এবং সর্টিং হলো ডাটাবেজ সাজানোর প্রক্রিয়া। সর্টিং করা যায় দুইভাবে। যথাঃ উর্ধ্বক্রম ও অধঃক্রম।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
৪৮৩.
শর্তসাপেক্ষে বা কোন বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ডেটা অনুসন্ধান করাকে কী বলে?
  1. কুয়েরি
  2. সর্টিং
  3. ইনডেক্সিং
  4. মডিউল
ব্যাখ্যা
কুয়েরি হলো ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান ও উপস্থাপন৷
ডেটাবেজের অন্তর্গত টেবিলের বিপুল সংখ্যক ডেটার মধ্য থেকে কোন শর্ত বা বৈশিষ্ট্যের আলোকে নির্দিষ্ট কোন ডেটা বা রেকর্ড আলাদা করে প্রদর্শন করা বা ছাপানোকে কুয়েরি বলা হয়৷
QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৪৮৪.
ইউনিকোডে মোট কতগুলো ভিন্ন অক্ষরকে কোডের অন্তর্ভুক্ত করা যায়?
  1. 22
  2. 24
  3. 28
  4. 216
ব্যাখ্যা

ইউনিকোডে প্রতিটি ভাষার জন্য চারটি বাইট পর্যন্ত 216 বা ৬৫৫৩৬ স্থান সংরক্ষণ করা আছে।

৪৮৫.
নিচের কোনটি কী ফিল্ডের ধরন নয়?
  1. প্রাইমারি কী
  2. সেকেন্ডারি কী
  3. ফরেন কী
  4. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) সেকেন্ডারি কী।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৬.
কোন ফিল্ডটি ডাটাবেজে রেকর্ড সনাক্তকরণ ও সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. টেবিল ফিল্ড
  2. রিলেশন ফিল্ড
  3. কী ফিল্ড 
  4. ডাটা ফিল্ড
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে রেকর্ড সনাক্তকরণ ও বিভিন্ন টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কী ফিল্ড (Key Field) ব্যবহার করা হয়। কী ফিল্ড হলো একটি বিশেষ ধরনের ফিল্ড যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে, যাতে একই টেবিলে কোনো রেকর্ড পুনরাবৃত্তি না হয়। এছাড়া, কী ফিল্ড ব্যবহার করে এক টেবিলকে অন্য টেবিলের সাথে যুক্ত করা যায়, যা রিলেশনাল ডাটাবেজের মূল ভিত্তি। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ছাত্রদের টেবিল এবং তাদের রেজিস্ট্রেশন তথ্যের টেবিল থাকে, তাহলে ছাত্রদের ইউনিক আইডি ফিল্ডকে কী হিসেবে ব্যবহার করে দুইটি টেবিলের রেকর্ড সংযোগ করা যায়। তাই রেকর্ড সনাক্তকরণ এবং টেবিলের মধ্যে সম্পর্কের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) কী ফিল্ড।
 
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key)।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮৭.
নিচের কোনটি ডেটা এনক্রিপশনের অংশ নয়?
  1. এনক্রিপশন এলগরিদম
  2. সাইফার টেক্সট
  3. প্যারিটি বিট
  4. প্লেইন টেক্সট
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৮.
WMA কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) Video
  2. খ) Audio
  3. গ) Flash
  4. ঘ) Image
ব্যাখ্যা
WMA হচ্ছে Audio ধরনের ফাইল এক্সটেনশন। 

- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে ফাইলের ফরম্যাট নির্দেশকারী একটি সুচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে।

- আরও কিছু ফাইল এক্সটেনশন এর উদাহরণসমূহ- 
Picture files- 
.bmp
.gif
.jpg
.png

Music and sound files- 
.mp3
.wav
Operating system files
.dll
.exe

Text and word processing documents- 
.doc
.docx
.rtf
.txt

Spreadsheet files- 
.xls
.xlsx
.xlr
.csv

Web Page files- 
.htm
.html

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
৪৮৯.
ডাটাবেজে একাধিক রেকর্ডকে একটি রেকর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াটি কী?
  1. Many to One
  2. Many to Many
  3. One to Many
  4. One to One
ব্যাখ্যা

⚪ ডাটাবেজ রিলেশন:

- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

⚪ রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

⚪ Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

⚪ One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

⚪ One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

⚪ Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯০.
DDL কমান্ড কোনটি?
  1. Select
  2. Alter
  3. Internet
  4. Update
ব্যাখ্যা
- DDL-এর পূর্ণরূপ Data Definition Language ।
- প্রয়োজনীয় তথ্যের সাহায্যে ডেটাবেজ তৈরি, সংশোধন, বাতিল ইত্যাদি ডেটাবেজ ব্যবস্থামূলক কাজে ব্যবহৃত ভাষাকে DDL বা ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- DDL এর কয়েকটি কমান্ড-
• CREATE- নতুন ডেটাবেজ তৈরি করা।
• ALTER- ডেটাবেজ স্ট্রাকচারকে পরিবর্তন করা।
• DROP- ডেটাবেজ ডিলিট করা।
• TRUNCATE- টেবিল থেকে সব রেকর্ডসমূহ মুছে দেয়া।
• RENAME- ডেটাবেজ নাম পরিবর্তন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৯১.
ডেটাবেজে একটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহণ করলে তা -
  1. ক) ইউনারি রিলেশনশিপ
  2. খ) বাইনারি রিলেশনশিপ
  3. গ) টারনারি রিলেশনশিপ
  4. ঘ) মাল্টিনারি রিলেশনশিপ
ব্যাখ্যা
রিলেশনশিপ (Relationship)
- ডেটাবেজের মধ্যে একটি ডেটা টেবিলের ডেটার সাথে অন্য এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের ডেটার সম্পর্কই হলো রিলেশনশিপ।
- রিলেশনশিপের ডিগ্রি (Degree of Relationship) ডেটাবেজে রিলেশনশিপ তৈরি করার জন্য যে কয়টি এনটিটি বা টেবিল অংশগ্রহন করে তার সংখ্যাকেই রিলেশনশিপের ডিগ্রি বলা হয়। রিলেশনশিপের ডিগ্রি সাধারণত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

- ডিগ্রি ১ বা ইউনারি (Unary) রিলেশনশিপ: ইউনারি রিলেশনশিপে শুধুমাত্র একটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- মানুষ একটি এনটিটি। 

- ডিগ্রি ২ বা বাইনারি (Binary) রিলেশনশিপ: বাইনারি রিলেশনশিপে দু'টি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- ছাত্র ও শিক্ষক দু'টি পৃথক এনটিটি বা টেবিল।

- ডিগ্রি ৩ বা টারনারি (Ternary) রিলেশনশিপ: টারনারি রিলেশনশিপে তিনটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- বিক্রেতা, পণ্য ও ওয়্যারহাউজ তিনটি পৃথক এনটিটি বা টেবিল।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৯২.
স্ট্যাটাস রেজিস্টার অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. মেমোরি ডেটা রেজিস্টার
  2. ইন্সট্রাকশন রেজিস্টার
  3. ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
  4. মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
ফ্ল্যাগ রেজিস্টার (Flag Register): 
- ফ্ল্যাগ রেজিস্টারকে কন্ডিশন কোড বা স্ট্যাটাস রেজিস্টারও বলা হয়। 
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের সময় বিভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারকে ফ্ল্যাগ রেজিস্টার বলা হয়। 
- যেমন: শূন্য Flag. গাণিতিক বা যুক্তিমূলক অংশের কোনো অপারেশনের ফলাফল শূন্য হলে শূন্য Flag এ ‘এক’ হয়। আর তা না হলে '০' হয়। 
- অন্যান্য Flag bit গুলো হলো Carry Flag, Parity Flag, Sign Flag, Overflow Flag ইত্যাদি। 

মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার (Memory Address Register): 
- প্রধান মেমোরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে। 
অর্থাৎ, মাইক্রোপ্রসেসর মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমোরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে। 

ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার (Instruction Register): 
- Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। 
- নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমোরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়। 

মেমোরি ডেটা রেজিস্টার (Memory Data Register): 
- এ ধরনের রেজিস্টারকে মেমোরি বাফার রেজিস্টারও বলা হয়। 
- মূল ডেটা এ ধরনের রেজিস্টারে জমা থাকে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৩.
একজন নাগরিক ও ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে কোন ধরনের রিলেশন বিদ্যমান?
  1. One-to-One
  2. One-to-Many
  3. Many-to-Many
  4. Many-to-One
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য একটি টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে, তখন তাকে ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশনশিপ বলে। একজন নাগরিকের বিপরীতে কেবল একটি ভোটার আইডি কার্ড থাকা সম্ভব, তাই এটি One to One রিলেশনের উদাহরণ।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়। যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়।

সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

৪৯৪.
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ -
  1. ফিল্ড
  2. ডাটা টেবিল
  3. কলাম
  4. তথ্য
ব্যাখ্যা
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হচ্ছে - ক) ফিল্ড।

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৪৯৫.
কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়?
  1. Oracle
  2. Redis
  3. FoxPro
  4. DataQl
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৬.
নিচের কোনটি ৮বিট বিশিষ্ট?
  1. একটি Word
  2. একটি Letter
  3. একটি Sentence
  4. একটি Content
ব্যাখ্যা
একটি বর্ণ বা Letter বা ক্যারেক্টর সর্বদা ৮বিট বিশিষ্ট হয়।
একটি শব্দে কয়েকটি বর্ণ থাকে তাই এক্ষেত্রে ৮ বিটের চেয়ে বেশি বিট এর প্রয়োজন হয়।
৪৯৭.
নিচের কোনটি ডিডিএল (DDL) কমান্ডের উদাহরণ?
  1. Delete
  2. Drop
  3. Update
  4. Insert
ব্যাখ্যা

• DDL বা Data Definition Language কমান্ডগুলো ডাটাবেস বা টেবিলের কাঠামো (Structure) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Drop কমান্ডটি ডাটাবেস থেকে একটি সম্পূর্ণ টেবিল, ইনডেক্স বা ভিউ মুছে ফেলতে ব্যবহৃত হয়। 

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML): 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯৮.
SQL Server একটি—
  1. প্রেজেন্টেশন টুল
  2. RDBMS সফটওয়্যার
  3. গ্রাফিক্স সফটওয়্যার
  4. ওয়ার্ড প্রসেসর
ব্যাখ্যা

SQL Server একটি RDBMS সফটওয়্যার।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯৯.
DBMS-এ ACID-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Access, Consistency, Isolation, Durability
  2. Atomicity, Control, Integrity, Data
  3. Access, Control, Integrity, Data
  4. Atomicity, Consistency, Isolation, Durability
ব্যাখ্যা

• DBMS-এ ACID হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ডেটাবেস ট্রানজেকশনগুলোর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। ACID-এর পূর্ণরূপ হলো Atomicity, Consistency, Isolation, Durability, যা এখানে দেওয়া অপশন ঘ) এর সঙ্গে মিলে।
- Atomicity মানে একটি ট্রানজেকশন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা একেবারেই হবে না।
- Consistency নিশ্চিত করে যে ট্রানজেকশন শেষ হওয়ার পর ডেটাবেস সবসময় বৈধ অবস্থায় থাকবে।
- Isolation নির্দেশ করে যে একাধিক ট্রানজেকশন একসাথে চললেও তারা একে অপরের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারবে না।
- Durability মানে একটি ট্রানজেকশন সফলভাবে সম্পন্ন হলে তার পরিবর্তন স্থায়ী এবং ক্ষয়শীল হবে না।
- ACID নীতি ডেটাবেসের বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
- geeksforgeeks [link]

৫০০.
অসংখ্য তথ্য থেকে সহজে কোনো তথ্য খুঁজে পেতে কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হয়?
  1. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  2. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  3. রিলেশনাল ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।