ব্যাখ্যা
- NULL বলতে বোঝায় ফাঁকা।
- NOT NULL বলতে বোঝায় ফাঁকা না।
- অর্থাৎ, কোনো ফিল্ডে NOT NULL থাকার অর্থ হলো ঐ ফিল্ডে কোনো ভ্যালু ফাঁকা রাখা যাবে না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫ / ৭ · ৪০১–৫০০ / ৬৭৮
• ডেটাবেজে ডেটা এন্ট্রি, মডিফাই ও ডিলিট করার পদ্ধতিকে কুয়েরি (Query) বলা হয়।
• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ - করে দিতে হয়।
•কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন:
• Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Parameter Query:
প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Crosstab Query:
-ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Action Query:
-কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• ইনডেক্সিং:
- ইনডেক্সিং হচ্ছে ডাটাবেজের মধ্যে ক্রম সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি। - ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে ডেটা দ্রুত সময়ে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। -
• সর্টিং:
- এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।
• এনক্রিপশন:
- এনক্রিপশন ডেটাকে নিরাপদ করার একটি প্রক্রিয়া যাতে কেবল অনুমোদিত ব্যক্তি তা পড়তে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
কম্পিউটারের মেমোরির ধারণ ক্ষমতার ক্ষুদ্রতম একক হল কিলোবাইট (সংক্ষেপে KB)।
১০২৪ বাইটে ১ কিলোবাইট হয়।
কম্পিউটার মেমোরিতে বাইনারি ডিজিট, শব্দ ধারনের ক্ষমতাকে মেমোরির ধারণ ক্ষমতা বলা হয়।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
◉ SELECT হলো DQL (Data Query Language) কমান্ড, এটি DDL-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
- ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
- Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।
SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে। যেমন-
১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language - DQL):
- ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা কুয়েরি করে ব্যবহার করা হয়।
- SELECT স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটা পুনরুদ্ধার করা হয়।
২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Definition Language - DDL):
- DDL এর সাহায্যে টেবিলের গঠন পরিবর্তন যেমন- টেবিল তৈরি, টেবিল আপডেট, টেবিল মুছে ফেলা ইত্যাদি পরিবর্তনগুলি করা হয়।
- CREATE স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজে নতুন টেবিল তৈরি করা হয়
- ALTER স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজের স্ট্রাকচার পরিবর্তন যেমন- টেবিলে নতুন কোন ফিল্ড যোগ করা বা ডিলিট করা ইত্যাদি কাজ করা হয়।
- ডেটাবেজের টেবিল মুছে ফেলতে DROP স্টেটমেন্টেটি ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language - DML):
- এক বা একাধিক রেকর্ড মুছে ফেলার জন্য DELETE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড এন্ট্রি করার জন্য INSERT কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড হালনাগাদ বা আপডেট করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language - DCL):
- DCL এর সাহায্যে ডেটাবেস ব্যবহারকারীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ SQL (Structured Query Language) হলো একটি নন-প্রসিডিউরাল ল্যাংগুয়েজ।
SQL:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language। এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
SQL ফিচার সুবিধা:
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ডসেট তৈরি করা হয়েছে।
- SQL একটি non-procedural ল্যাংগুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কিভাবে কুয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না।
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে।
SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়। যেমন:
- ডাটা কুয়েরি করা।
- ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট এ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ।
- ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ: C, C++, Java ইত্যাদি।
খ) মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ: HTML, XML, Markdown ইত্যাদি।
গ) স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ: Python, JavaScript, PHP ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Entity হলো বাস্তব জগতের এমন কোনো Object বা ধারণা, যার Data ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
এনটিটি:
- কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাকে ডাটার এনটিটি বলে।
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউটের যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ ১৯৭০ সালে এডগার ফ্র্যাঙ্ক কড (Edgar F. Codd) আইবিএম গবেষণাগারে রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল প্রস্তাব করেন। তাঁর গবেষণাপত্র "A Relational Model of Data for Large Shared Data Banks" ডাটাবেজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে এডগার এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• ডেটাবেজে দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য Primary Key ও Foreign Key ব্যবহৃত হয়।
• Primary Key:
- Primary Key হলো এমন একটি কী, যা একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে স্বতন্ত্রভাবে শনাক্ত করে।
- একটি টেবিলে Primary Key একটিই থাকে এবং এর মান কখনো পুনরাবৃত্ত হয় না।
• Foreign Key:
- Foreign Key হলো একটি টেবিলের এমন একটি ফিল্ড, যা অন্য টেবিলের Primary Key–এর সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকে।
- এটি দুটি টেবিলের মধ্যে লজিক্যাল সম্পর্ক তৈরি করে।
• টেবিলের মধ্যে রিলেশন কীভাবে গড়ে ওঠে:
- একটি টেবিলের Primary Key যখন অন্য টেবিলে Foreign Key হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাদের মধ্যে রিলেশন তৈরি হয়।
- বিশেষ করে One to Many Relation এই পদ্ধতিতেই গঠিত হয়।
• ডেটাবেজ ডিজাইনে এর গুরুত্ব:
- Primary Key ও Foreign Key ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা সুশৃঙ্খল ও নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- এতে ডেটার পুনরাবৃত্তি কমে এবং ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- Super Key একটি রেকর্ড শনাক্ত করতে পারে, তবে রিলেশন তৈরিতে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
- Candidate Key সম্ভাব্য Primary Key হলেও একা রিলেশন স্থাপন করে না।
- শুধু Primary Key ব্যবহার করে দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক গঠন সম্ভব নয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Primary Key এমন একটি Key field যা একটি Table-এর প্রতিটি Record-কে অনন্যভাবে (uniquely) শনাক্ত করে।
• ডাটাবেজে Key (কী):
- সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট Field-এর ভিত্তিতে Table-এর Record শনাক্ত, অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
- এই ধরনের Field-কে Key field বলা হয়।
- Database-এ সাধারণত তিন ধরনের Key ব্যবহৃত হয়: Primary Key, Composite Primary Key, Foreign Key।
• Primary Key:
- যে Field একটি Table-এর প্রতিটি Record-কে অনন্যভাবে শনাক্ত করে তাকে Primary Key বলা হয়।
- Primary Key field-এর প্রতিটি Data অবশ্যই ভিন্ন (unique) হতে হবে।
- একটি Table-এ সাধারণত একটি Primary Key থাকে।
- উদাহরণ: কোনো শ্রেণির শিক্ষার্থীদের Roll Number।
- কারণ প্রতিটি শিক্ষার্থীর Roll Number আলাদা, তাই এটি Primary Key হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- Primary Key ব্যবহার করে একাধিক Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে Relational Database তৈরি করা যায়।
• Composite Primary Key:
- যখন একটি Table-এ কোনো একটি Field দিয়ে Record uniquely শনাক্ত করা সম্ভব হয় না, তখন একাধিক Field একত্রে Primary Key হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের Key-কে Composite Primary Key বলা হয়।
- উদাহরণ: Student Name ও Father Name একত্রে ব্যবহার করে কোনো Record uniquely শনাক্ত করা।
• Foreign Key:
- যখন একটি Table-এর Primary Key অন্য একটি Table-এ ব্যবহার করা হয়, তখন সেটিকে Foreign Key বলা হয়।
- Foreign Key-এর মাধ্যমে দুই বা ততোধিক Table-এর মধ্যে Relationship তৈরি করা যায়।
• অন্যান্য অপশন:
- Foreign Key → অন্য Table-এর Primary Key যা দুই Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- Composite Key → একাধিক Field একত্রে ব্যবহৃত Primary Key।
- Attribute → Entity-এর বৈশিষ্ট্য বা Field, যেমন Name, Address, Age।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
এনক্রিপশন হচ্ছে ডেটাকে কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।
• এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে।
- কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে।
- প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে।
- এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• একটি হাসপাতালের ডাটাবেজে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি অনন্য চিকিৎসা রেকর্ড নম্বর (Medical Record Number) নির্ধারিত থাকে। অর্থাৎ, প্রতিটি রোগীর সঙ্গে একটিমাত্র রেকর্ড নম্বর যুক্ত থাকে এবং প্রতিটি রেকর্ড নম্বর শুধুমাত্র এক রোগীর জন্য প্রযোজ্য। এটি হলো “One-to-One” সম্পর্কের উদাহরণ, কারণ এক রোগীর জন্য এক রেকর্ড এবং এক রেকর্ড শুধুমাত্র এক রোগীর সাথে সম্পর্কিত। এখানে কোন রোগীর একাধিক রেকর্ড নেই এবং কোন রেকর্ডও একাধিক রোগীর সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয় না। তাই ডাটাবেজে রোগী এবং চিকিৎসা রেকর্ড নম্বরের সম্পর্ক এক-থেকে-এক (One-to-One) ধরণের।
- সঠিক উত্তর: ঘ) One-to-One.
• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।
• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।
• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হলে তাকে "কম্পোজিট প্রাইমারি কী" বলে।
• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।
১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।
২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• রিলেশনাল ডাটাবেজে যখন একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, তখন এটি One-to-many (এক থেকে বহু) সম্পর্ক হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্যারেন্ট টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড একাধিক চাইল্ড টেবিলের রেকর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে, কিন্তু চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি “বিভাগ” টেবিলের প্রতিটি বিভাগে অনেক “কর্মচারী” থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কর্মচারী শুধুমাত্র একটি বিভাগে থাকে। এই সম্পর্ক তৈরি করতে সাধারণত চাইল্ড টেবিলে প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যবহার করে ফরেন কী কলাম সংযুক্ত করা হয়। তাই, প্যারেন্ট-চাইল্ড সম্পর্ক বোঝাতে One-to-many সবচেয়ে উপযুক্ত।
• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।
• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।
• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ACID হলো ডাটাবেস লেনদেনের চারটি মূল বৈশিষ্ট্যের সংক্ষিপ্ত রূপ। এর মধ্যে Atomicity বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে একটি লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা মোটেও হবে না। অর্থাৎ, যদি লেনদেনের কোন ধাপ ব্যর্থ হয়, তাহলে সম্পূর্ণ লেনদেনটি পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে এবং আংশিক পরিবর্তন ডাটাবেসে থাকে না। এটি ডাটার অখণ্ডতা এবং নির্ভরযোগ্যতা রক্ষা করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি ব্যাংক ট্রান্সফার লেনদেনে টাকা উত্তোলন হয় কিন্তু জমা হয় না, তাহলে Atomicity নিশ্চিত করে যে লেনদেনটি পুরোপুরি বাতিল হবে এবং কোনো অর্ধেক পরিবর্তন ডাটাবেসে প্রয়োগ হবে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Atomicity।
A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।
উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট। [
• SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language। এটি একটি ডিক্লারেটিভ ভাষা যা রিলেশনাল ডাটাবেস (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডেটাবেসে টেবিল তৈরি করা, ডেটা ইনসার্ট করা এবং কুয়েরির মাধ্যমে নির্দিষ্ট তথ্য বের করে আনা হয়।
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।
• SQL:
- ১৯৭৪ সালে।BM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
- Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।
- SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে।
যেমন-
১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language DQL),
২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Defination Language DDL),
৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language -DML),
৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language DCL) I
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোড ভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ২১৬ বা ৬৫৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
◉ Amazon DynamoDB হলো একটি ফুলি ম্যানেজড NoSQL ডাটাবেজ সেবা, যা উচ্চ পারফরম্যান্স এবং স্কেলেবিলিটি প্রদান করে।
ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।
NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি।
উৎস:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon ওয়েবসাইট।
ফিল্ড:
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড।
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা।
রেকর্ড:
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি।
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড।
ফাইল:
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়।
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ ১৯৭০ সালে এডগার ফ্র্যাঙ্ক কড (Edgar F. Codd) আইবিএম গবেষণাগারে রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল প্রস্তাব করেন। তাঁর গবেষণাপত্র "A Relational Model of Data for Large Shared Data Banks" ডাটাবেজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে এডগার এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
◉ ট্রানজ্যাকশন প্রোসেসিং সিস্টেমের ACID বৈশিষ্ট্যে 'I' দ্বারা Isolation (আইসোলেশন) বোঝায়।
ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:
A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।
উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট। [লিংক]
• MongoDB হলো NoSQL ডেটাবেজ, যা ডকুমেন্ট ভিত্তিক (JSON/BSON) ফরম্যাটে ডেটা সংরক্ষণ করে।
- এটি RDBMS-এর উদাহরণ নয়।
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.
• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি।
উৎস:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon ওয়েবসাইট।
• Oracle একটি জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- DBMS ডাটাবেজ তৈরি, এক্সেস করা এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে থাকে।
- DBMS ব্যবহারকারী এবং ডাটাবেজের মধ্যে মাধ্যম বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো— ওরাকল (Oracle), মাইএসকিউএল (MySQL), মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Access).
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ব্যাংকিং সেক্টরে ডেটা মাইনিং (Data Mining) একটি অত্যন্ত শক্তিশালী হাতিয়ার। এটি বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ করে এমন সব প্যাটার্ন বা তথ্য খুঁজে বের করে যা ব্যাংকের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে সহজ করে। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা (Risk Management), ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি শনাক্তকরণ (Fraud Detection) এবং গ্রাহকদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা (Segmentation)—এই প্রতিটি ক্ষেত্রেই ডেটা মাইনিং প্রযুক্তি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
• ডেটা মাইনিং (Data Mining):
- ডেটা মাইনিং মূলত বিজনেস ইন্টেলিজেন্স এবং প্রেডিক্টিভ অ্যানালিটিক্সে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ক্লাস্টারিং, ক্লাসিফিকেশন এবং অ্যাসোসিয়েশন রুল লার্নিংয়ের মতো কৌশল ব্যবহার করে।
- এর মাধ্যমে বড় ডেটাসেট থেকে অসংলগ্ন তথ্য বাদ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছেঁকে তোলা হয়।
- ডেটা মাইনিংয়ে মেশিন লার্নিং, পরিসংখ্যান এবং ডাটাবেস সিস্টেমের সমন্বয় ঘটানো হয়।
- বিপণন, ব্যাংকিং এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রগুলোতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
• ব্যাংকিংয়ে ডেটা মাইনিং-এর প্রধান প্রয়োগসমূহ:
- Risk Management: গ্রাহকের ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা এবং ক্রেডিট স্কোর বিশ্লেষণ করে লোন প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- Fraud Detection: অস্বাভাবিক লেনদেনের প্যাটার্ন শনাক্ত করে ক্রেডিট কার্ড বা অনলাইন ব্যাংকিং জালিয়াতি দ্রুত ধরা সম্ভব হয়।
- Customer Segmentation: গ্রাহকদের আয়, খরচ এবং অভ্যাসের ওপর ভিত্তি করে তাদের বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট গ্রাহকের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংকিং প্রোডাক্ট অফার করা যায়।
- Direct Marketing: কোন গ্রাহক কোন অফারে সাড়া দিতে পারেন, তা ডেটা মাইনিং-এর মাধ্যমে আগেভাগেই অনুমান করা যায়।
উৎস:
১। ব্রিটানিকা। [link]
২। Application of Data Mining Techniques in the Banking Sector [ResearchGate]
১৯৯১ সালে এপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং জেরক্স কর্পোরেশনের একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন। বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে এই কোডের মাধ্যমে কম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
ইউনিকোড ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড এর সাহায্যে ৬৫,৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি
- Integrity হলো ডাটার অখণ্ডতা বা সঠিকতা বজায় রাখার নীতি।
- অর্থাৎ, ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্য সবসময় সঠিক, পূর্ণাঙ্গ এবং বিশ্বাসযোগ্য থাকে।
Integrity-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- Entity Integrity: প্রতিটি রেকর্ড বা সারির একটি ইউনিক পরিচয় থাকতে হবে।
- Referential Integrity: Foreign key এর মাধ্যমে টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক সঠিক থাকতে হবে। ভুল বা অকার্যকর রেফারেন্স থাকতে পারবে না।
- Domain Integrity: একটি নির্দিষ্ট কলামে কী ধরনের ডাটা রাখা যাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা।
যেমন: Age কলামে কেবল সংখ্যা থাকবে, নাম থাকবে না।
অপরদিকে,
- Security ডাটাকে অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করে।
- Usability হলো ব্যবহারকারীর জন্য ডাটাবেস ব্যবহারের সহজতা নিশ্চিত করা।
- Redundancy হলো ডাটার পুনরাবৃত্তি কমানো।
উৎস: Encyclopedia Britannica. [লিংক]।
কম্পিউটার মেমোরির ধারণ ক্ষমতার একক হল বাইট।
কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরির ধারণক্ষমতা বলে।
আট বিট নিয়ে গঠিত শব্দকে বলা হয় বাইট।
বাইনারি গণনা পদ্ধতির ০ এবং ১ এই দুইটি মৌলিক অঙ্ককে বলা হয় বিট।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
• ডাটাবেজ টেবিলের কোনো রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য যখন একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে একটি কী গঠন করা হয়, তখন তাকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) বলা হয়।
• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।
১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।
২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।
উল্লেখ্য:
- সেকেন্ডারি কী: ডাটাবেজে রেকর্ড খোঁজার বা সার্চ করার কাজ সহজ করার জন্য যে ফিল্ড ব্যবহার করা হয় তাকে সেকেন্ডারি কী বলে।
- অল্টারনেট কী: ক্যান্ডিডেট কীগুলোর মধ্যে থেকে প্রাইমারি কী নির্বাচন করার পর বাকি কীগুলোকে অল্টারনেট কী বলা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• MongoDB হলো একটি NoSQL Document-Oriented Database.
ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।
NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি।
উৎস:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon ওয়েবসাইট।
Illustration কমান্ড গ্রুপ দ্বারা ওয়ার্কশিটে Picture, Clipart, Shapes, ও SmartArt সংযুক্ত করা যাবে।
Chart কমান্ড গ্রুপ দ্বারা বিভিন্ন ধরনের চার্ট এনে চার্ট ফরম্যাটিং করা যায়।
Insert রিবনে Links গ্রুপ থেকে যে কোন ধরনের Hyperlink তৈরি করা যায়।
Table কমান্ড গ্রুপে Table, Pivot Table, Pivot Chart কমান্ডগুলো থাকে। এ কমান্ডগুলো দিয়ে Pivot Table, Pivot Chart তৈরি করে তথ্য উপস্থাপন করা যায়।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
ইউনিকোডে প্রতিটি ভাষার জন্য চারটি বাইট পর্যন্ত 216 বা ৬৫৫৩৬ স্থান সংরক্ষণ করা আছে।
• ডাটাবেজে রেকর্ড সনাক্তকরণ ও বিভিন্ন টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কী ফিল্ড (Key Field) ব্যবহার করা হয়। কী ফিল্ড হলো একটি বিশেষ ধরনের ফিল্ড যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে, যাতে একই টেবিলে কোনো রেকর্ড পুনরাবৃত্তি না হয়। এছাড়া, কী ফিল্ড ব্যবহার করে এক টেবিলকে অন্য টেবিলের সাথে যুক্ত করা যায়, যা রিলেশনাল ডাটাবেজের মূল ভিত্তি। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ছাত্রদের টেবিল এবং তাদের রেজিস্ট্রেশন তথ্যের টেবিল থাকে, তাহলে ছাত্রদের ইউনিক আইডি ফিল্ডকে কী হিসেবে ব্যবহার করে দুইটি টেবিলের রেকর্ড সংযোগ করা যায়। তাই রেকর্ড সনাক্তকরণ এবং টেবিলের মধ্যে সম্পর্কের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) কী ফিল্ড।
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key)।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
⚪ ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।• ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য একটি টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে, তখন তাকে ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশনশিপ বলে। একজন নাগরিকের বিপরীতে কেবল একটি ভোটার আইডি কার্ড থাকা সম্ভব, তাই এটি One to One রিলেশনের উদাহরণ।
• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।
• রিলেশনের প্রকারভেদ:
One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়। যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়।
সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।
• DDL বা Data Definition Language কমান্ডগুলো ডাটাবেস বা টেবিলের কাঠামো (Structure) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Drop কমান্ডটি ডাটাবেস থেকে একটি সম্পূর্ণ টেবিল, ইনডেক্স বা ভিউ মুছে ফেলতে ব্যবহৃত হয়।
• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).
১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.
২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML):
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
SQL Server একটি RDBMS সফটওয়্যার।
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• DBMS-এ ACID হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা যা ডেটাবেস ট্রানজেকশনগুলোর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। ACID-এর পূর্ণরূপ হলো Atomicity, Consistency, Isolation, Durability, যা এখানে দেওয়া অপশন ঘ) এর সঙ্গে মিলে।
- Atomicity মানে একটি ট্রানজেকশন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা একেবারেই হবে না।
- Consistency নিশ্চিত করে যে ট্রানজেকশন শেষ হওয়ার পর ডেটাবেস সবসময় বৈধ অবস্থায় থাকবে।
- Isolation নির্দেশ করে যে একাধিক ট্রানজেকশন একসাথে চললেও তারা একে অপরের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারবে না।
- Durability মানে একটি ট্রানজেকশন সফলভাবে সম্পন্ন হলে তার পরিবর্তন স্থায়ী এবং ক্ষয়শীল হবে না।
- ACID নীতি ডেটাবেসের বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।
কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
- geeksforgeeks [link]