ব্যাখ্যা
• 'ঈষৎ হাস্য' এর এক কথায় প্রকাশ - স্মিত।
অন্যদিকে,
ঈষৎ কম্পিত - আধুত।
ঈষৎ উষ্ণ - কবোষ্ণ।
ঈষৎ রক্তবর্ণ - আরক্ত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩ / ১৩ · ২০১–৩০০ / ১,২১৫
• 'ঈষৎ হাস্য' এর এক কথায় প্রকাশ - স্মিত।
অন্যদিকে,
ঈষৎ কম্পিত - আধুত।
ঈষৎ উষ্ণ - কবোষ্ণ।
ঈষৎ রক্তবর্ণ - আরক্ত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'আত্মাকে অধিকার করে' এর এক কথায় প্রকাশ - অধ্যাত্ম।
অন্যদিকে,
• 'আধ্যান' অর্থ - স্মরণ, ধ্যান, চিন্তন।
• আত্মা থেকে জাত - আধ্যাত্মিক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - দিদৃক্ষা।
অন্যদিকে,
'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা।
'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।
'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - লিপ্সা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।
অন্যদিকে,
• 'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা।
• 'বলা হয়েছে যা' এর এক কথায় প্রকাশ - উক্ত।
• 'বলা হবে যা' এর এক কথায় প্রকাশ - বক্তব্য।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• "একসারিতে বসার অযোগ্য" এর এক কথায় প্রকাশ - অপাঙ্ক্তেয়।
অন্যদিকে,
মাটির মত রং যার - মেটে।
পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল - পৌষালি।
মোটাও নয়, রোগাও নয় - দোহারা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'বপন করা হয়েছে যা' এর এক কথায় প্রকাশ= উপ্ত।
গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- বলা হয়েছে যা = উক্ত
- বোনের বর = বোনাই
- বীজ বপনের উপযুক্ত সময় = জো
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'জয় করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিগীষা।
অন্যদিকে,
- জানবার ইচ্ছা এর এক কথায় প্রকাশ - জিজ্ঞাসা।
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - 'দিদৃক্ষা'।
- 'বাস করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবৎসা।
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'গোপন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জুগুপ্সা।
অন্যদিকে,
ক্ষমা করতে ইচ্ছুক - তিতিক্ষু।
ক্ষমা করার ইচ্ছা = তিতিক্ষা।
ক্ষমার যোগ্য = ক্ষমার্হ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ‘যা আঘাত পায় নি’ এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহত।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
• ‘যা আহুত (ডাকা) হয় নি’ এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহুত।
• ‘যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে’ এক কথায বলে - প্রত্যুৎপন্নমতি ৷
• ‘যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই’ এক কথায বলে - অকুতোভয় ৷
• ‘কথায় প্রকাশ করার অযোগ্য’ এক কথায় প্রকাশ - অবক্তব্য।
• ’যা পূর্বে শোনা যায় নি এমন’ এক কথায় প্রকাশ - অশ্রুতপূর্ব।
• ‘যা কখনো নষ্ট হয় না এমন’ এক কথায় প্রকাশ - অবিনশ্বর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'হনন (হত্যা) করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিঘাংসা।
অন্যদিকে,
বেঁচে থাকার ইচ্ছা - জিজীবিষা।
জয়ের ইচ্ছা - জিগীষা।
শ্রবণ (শোনার) করার ইচ্ছা - শ্রবণেচ্ছা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা একাডেমি অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
• 'ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড' এর এক কথায় প্রকাশ - 'নুড়ি'।
অন্যদিকে,
• 'ক্ষুদ্র বিন্দু' এর এক কথায় প্রকাশ- 'ফুটকি'।
• 'ক্ষুদ্র ফোঁড়া' এর এক কথায় প্রকাশ- 'ফুসকুড়ি'।
• 'ক্ষুদ্র নালা' এর এক কথায় প্রকাশ- 'নালি'।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
ক্ষয়মান - এরকম কোন শব্দ বাংলা একাডেমী অভিধানে নেই।
পাশপাশি, বাংলা একাডেমী অনুসারে - বিলীয়মান [বিলিয়োমান্] (বিশেষণ) ১ বিলীন হয়ে যাচ্ছে এমন।
এবং, বিলুপ্ত - বিলীন।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
নিরীহ (বিশেষণ):
[নিঃ+ঈহ]
নেই ঈহ যার = নিরীহ [বহুব্রীহি সমাস]।
'নিরীহ' শব্দের অন্যান্য অর্থঃ
নিঃস্পৃহ; নির্লোভ; শান্ত; গোবেচারা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
- 'যা দমন করা কষ্টকর' এর এক কথায় হবে - দুর্দমনীয়।
অন্যদিকে,
- 'কোন ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না' এর এক কথায় হবে - অনিবার্য।
- 'যা নিবারণ করা কষ্টকর' এর এক কথায় হবে- দুর্নিবার।
- 'যা দমন করা যায় না' এর এক কথায় হবে- অদম্য।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'যা বলা হয়নি' এক কথায় প্রকাশ - অনুক্ত।
অন্যদিকে,
'অবহিত' শব্দের অর্থ - জ্ঞাত, বিদিত, নিবিষ্ট, সতর্ক।
'অব্যক্ত' শব্দের অর্থ - অপ্রকাশিত, গুপ্ত, অস্পষ্ট।
'অনুরোধ' শব্দের অর্থ - মিনতিপূর্ণ যাচ্ঞা; প্রার্থনা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
যে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে থাকে তাকে বলে প্রোষিতপত্নীক।
উল্লেখ্য,
- প্রোষিত অর্থ:বিদেশগত, প্রবাসী। স্ত্রী. প্রোষিতা/প্রোশিতা।।
- প্রোষিতপত্নী অর্থ: যে ব্যক্তির পত্নী প্রবাসে থাকে।
- প্রোষিতভর্তৃকা অর্থ: যে নারীর স্বামী প্রবাসে থাকে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে'- এর বাক্য সংকোচন- কাকবন্ধ্যা।
-------------------
অন্যদিকে,
- যে পুরুষ বিয়ে করেছে— কৃতদার ।
- যে মেয়ের বিয়ে হয়নি— অনূড়া।
- যে নারীর স্বামীও নেই সন্তানও নেই— অবীরা।
-------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন-
যে রমণীর হাসি পবিত্র — শুচিস্মিতা।
যে রমণীর হাসি সুন্দর — সুহাসিনী।
যে গাছ অন্য গাছকে আঘাত করে বাঁচে— পরগাছা।
যে ভবিষ্যৎ চিন্তা করে না বা দেখে না— অপরিণামদর্শী।
যে সকল অত্যাচারই সহ্য করে— সর্বংসহা।
যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে— বীরপ্রসূ।
যে নারীর কোনো সন্তান নেই— বন্ধ্যা।
যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে— কাকবন্ধ্যা।
যিনি বহুগুণ দানে পটু— বাগ্মী।
যে অঘটন ঘটাতে পটু— অঘটনঘটনপটিয়সী।
যুবতী জায়া যার— যুবজানি।
যার যশ আছে— যশস্বী।
যিনি যুদ্ধে স্থির থাকেন— যুধিষ্ঠির।
যিনি কষ্ট সহ্য করতে পারেন— কষ্টসহিষ্ণু।
যিনি প্রথমে পথ দেখান— পথিকৃৎ।
যে বুকে হেঁটে চলে— সরীসৃপ।
যে সব হারিয়েছে— সর্বহারা।
যে নারীর হিংসা নেই— অনসূয়া।
যে নারীর স্বামী বর্তমান— সধবা।
যে সম্পত্তি স্থানান্তর করা যায় না— স্থাবর।
যার সর্বস্ব খোয়া গেছে— সর্বস্বান্ত।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'যা আহুত হয় নি' - এর এক কথায় প্রকাশ = অনাহুত।
------------------------
অন্যদিকে,
- যা আঘাত পায়নি - অনাহত।
- যা বলা হয়নি - অনুক্ত।
---------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- যা পূর্বে শোনা যায় নি — অশ্রুতপূর্ব।
- যা পূর্বে দেখা যায় নি — অদৃষ্টপূর্ব।
- যা বলা হয় নি — অনুক্ত।
- যা বলার যোগ্য নয় — অকথ্য।
- যার অন্য উপায় নেই — অনন্যোপায়।
- যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে — প্রত্যুৎপন্নমতি।
- যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না — অজ্ঞাতকুলশীল।
- যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে — সর্বহারা, হতসর্বস্ব।
- যিনি বহুভূতা দানে পটু — বাগ্মী।
- যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে — বীরপ্রসূ
- যে নারীর সন্তান বাঁচে না — মৃতবৎসা।
- যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ — শাপদসংকুল
- যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক (বা বিরোধবাদ) নেই — অবিসংবাদিত।
- যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি — অচিন্তিতপূর্ব।
- যা গমন করে না — নগ।
- যার স্পৃহা দূর হয়েছে — বীতস্পৃহ।
- যে রমণীর হাসি পবিত্র — শুচিস্মিতা।
- যে রমণীর হাসি সুন্দর — সুহাসিনী।
উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• 'যার বাসস্থান নেই' এর এককথায় প্রকাশ - অনিকেত।
অন্যদিকে:
নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার - নশ্বর।
যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে - উদ্বাস্তু।
যা স্থায়ী নয় - অস্থায়ী।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ইহলোকে যা সামান্য নয়' এর এক কথায়- 'অলোকসামান্য'।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- অনন্যমতি - অন্যদিকে মন নেই এমন।
- ‘যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায়না এমন’ - অনন্যসাধারণ।
- 'ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে' - 'জিতেন্দ্রিয়'।
- 'অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা' - 'প্রত্যুদ্গমন'।
- 'উপস্থিত বুদ্ধি আছে যার' - 'প্রত্যুৎপন্নমতি'।
উৎস: ভাষাশিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'যা বলার যোগ্য নয়' এক কথায় বলে- অকথ্য।
এরূপ-
- যা উচ্চারণ করা যায় না - অনুচ্চার্য।
- যা প্রকাশ করা হয় নি- অব্যক্ত।
- যা চিন্তা করা যায় না - অচিন্ত্য।
- যা বলা হয় নি - অনুক্ত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'নিন্দা করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জুগুপ্সা।
এরূপ আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ-
- 'হনন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিঘাংসা।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।
- 'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - লিপ্সা।
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - দিদৃক্ষা।
- 'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'অধিক ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করেন যিনি' এর বাক্য সংকোচন - ব্যয়কুণ্ঠ।
অর্থ্যাৎ,
'ব্যয়কুণ্ঠ' বলতে বোঝায় — অধিক ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করেন যিনি।
উল্লেখ্য,
• ঋণশোধে অসমর্থ - দেউলিয়া।
এমন কিছু বাক্য সংকোচন:
• ঋষির ন্যায় - ঋষিকল্প,
• ঋণ নেয় যে - অধমর্ণ,
• ঋণ দেয় যে' এর এক কথায় প্রকাশ- 'উত্তমর্ণ'।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'অপরিণামদর্শী' বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝায় যে — যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না/পরিণাম ভাবে না।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
• 'কী করতে হবে ভেবে পায় না' - কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
• 'যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ' - শ্বাপদসংকুল।
• 'যা পূর্বে ছিল এখন নেই এমন' - ভূতপূর্ব।
• 'যা পূর্বে শোনা যায় নি এমন' - অশ্রুতপূর্ব।
• 'যা বলার যোগ্য নয় এমন' - অকথ্য।
• 'যা পূর্বে দেখা যায় নি এমন' - অদৃষ্টপূর্ব।
• 'যা অধ্যয়ন করা হয়েছে এমন' - অধীত।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ‘সংসারের বন্ধ থেকে মুক্তি’- এককথায় বলে - মোক্ষ।
অন্যদিকে,
মোক্ষম - প্রবল;
অনির্বাণ - সর্বদা প্রজ্বলিত রাখা হয় এমন;
অনির্বেদ- গ্লানিহীন।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ’যা বলা হয় নি এমন’ বাক্য সংকোচন - অনুক্ত।
অন্যদিকে,
• ‘যা আহুত (ডাকা) হয় নি’ এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহুত।
• ‘যা আঘাত পায় নি’ এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহত।
• ‘যা অধ্যয়ন করা হয়েছে এমন’ এক কথায় প্রকাশ - অধীত।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
• ‘যা প্রকাশ করা হয় নি’ - অব্যক্ত।
• ‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই এমন’ - ভূতপূর্ব।
• ‘যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে’ - প্রত্যুৎপন্নমতি ৷
• ‘যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই’ - অকুতোভয় ৷
• ‘কথায় প্রকাশ করার অযোগ্য’ - অবক্তব্য।
• ’যা পূর্বে শোনা যায় নি এমন’ - অশ্রুতপূর্ব।
• ‘যা কখনো নষ্ট হয় না এমন’ - অবিনশ্বর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'ধীরে যে গমন করে' এক কথায় বলে- ধীরগামী, মন্দগামী।
উল্লেখ্য, 'ধীগামী' বানানটি অশুদ্ধ।
এরূপ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো-
• ধার করতে ইচ্ছুক- ঋণপ্রার্থী।
• ধ্যান করেন যিনি - ধ্যানী।
• ধী আছে যার- ধীমান্।
• ধোঁয়ার ন্যায় বর্ণযুক্ত- ধোঁয়াটে।
• ধুলায় পরিণত- ধূলিসাৎ।
• ধ্যানে যিনি মগ্ন- ধ্যান।
• ধারা ধরে যা চলে - ধারাবাহিক।
• ধুলার মতো যার রং- পাংশুল।
• ধী-শক্তির অধিকারী- ধীমান্।
• ধনের দেবতা— কুবের।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ‘জিজীবিষা’ শব্দটির সঠিক অর্থ - বেঁচে থাকার ইচ্ছা।
উল্লেখ্য,
জিগীষা (বিশেষ্য) - জয়লাভ করার ইচ্ছা।
জিজ্ঞাসা (বিশেষ্য) - জানার ইচ্ছা/কৌতুহল।
জিঘাংসা (বিশেষ্য) - বধ/হনন করার ইচ্ছা।
যুযুৎসা (বিশেষ্য) - যুদ্ধ করার অভিলাষ/ইচ্ছা।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘বেঁচে থাকার ইচ্ছা’ এর এক কথায় প্রকাশ - জিজীবিষা।
অন্যদিকে,
- 'গমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিগমিষা।
- 'বিজয় লাভের ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিজিগীষা।
- 'জয় করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিগীষা।
এরূপ আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ-
- 'হনন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিঘাংসা।
- 'নিন্দা করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জুগুপ্সা ।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।
- 'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - লিপ্সা।
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - দিদৃক্ষা।
- 'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'হনন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিঘাংসা।
এরূপ আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ-
- জয় করার ইচ্ছা' - জিগীষা।
- গমন করার ইচ্ছা - জিগমিষা।
- বিজয় লাভের ইচ্ছা - বিজিগীষা।
- নিন্দা করার ইচ্ছা - জুগুপ্সা ।
- ভোজন করার ইচ্ছা - বুভুক্ষা।
- লাভ করার ইচ্ছা - লিপ্সা।
- দেখবার ইচ্ছা - দিদৃক্ষা।
- বলবার ইচ্ছা - বিবক্ষা।
- বাঁচতে ইচ্ছা - জিজীবিষা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ধুলার মতো যার রং' এর এক কথায় প্রকাশ - পাংশুল।
অন্যদিকে,
নীলবর্ণ বানর - উল্লুক।
ধনের দেবতা - কুবের।
তুলা থেকে তৈরি - তুলট।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ‘যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন’ এক কথায় বলে - অধিবিন্না।
অন্যদিকে,
- ‘যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না’ এক কথায় বলে - অঙ্গনা।
- ‘যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল’ এক কথায় বলে - অন্যপূর্বা।
- 'যে নারীর হিংসা নেই' এক কথায় প্রকাশ - অনসূয়া।
• নারী সম্পর্কিত কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- ‘যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে’ এক কথায় বলে - বীরপ্রসূ।
- ‘যে নারী বীর’ এক কথায় বলে - বীরাঙ্গনা।
- ‘যে নারী কখনো সূর্যকে দেখে নাই’ এক কথায় বলে - অসূর্যম্পশ্যা ।
- 'যে নারীর হাসি পবিত্র' এক কথায় প্রকাশ - শুচিস্মিতা।
- ‘যে নারীর হাসি সুন্দর’ এর এক কথায় প্রকাশ - সুস্মিতা/ সুহাসিনী।
- ‘যে নারী প্রিয় বাক্য বলে’ এক কথায় বলে - প্রিয়ংবদা।
- ‘যে নারীর নতুন বিয়ে হয়েছে’ এক কথায় বলে - নবোঢ়া।
- ‘যে মেয়ের বিয়ে হয়নি’ এক কথায় বলে - অনূঢ়া।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
'তিনটি নদীর মিলন যেখানে' = তেমোহনা।
উল্লেখ্য,
- তেমাথা - তিনটি পথের সংযোগ-স্থল।
- তেমেটে- তিনবার মাটির প্রলেপ দেওয়া হয়েছে এমন।
- তেফলা- (যে জমিতে) বছরে তিনবার ফসল উৎপন্ন হয় এমন।
- তেভাগা - (উৎপাদিত ফসলের)তিন ভাগের এক ভাগ।
- তেরাত্রি - ১) দুই দিন ও তিন রাত, পরপর তিন রাত। ২) দুইদিন ও তিনরাতব্যাপী উপবাস।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘প্রোষিতভর্তৃকা’ শব্দটি সেই নারীর জন্য ব্যবহৃত হয় যার স্বামী বিদেশে অবস্থান করছেন।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- যে নারী নিয়ন্ত্রণ করে = নিয়ন্তা;
- যে নারীর হিংসা নেই = অনসূয়া;
- যে নারীর স্বামী ও সন্তান নেই = অবীরা;
- যে নারীর স্বামী বর্তমান = সধবা;
- যা পূর্বে শোনা যায় নি=অশ্রুতপূর্ব;
- হিরণ্য (স্বর্ণ) দ্বারা নির্মিত =হিরন্ময়;
- বাতাসে চরে যে=কপোত;
- পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার=জাতিস্বর;
- সরোবরে জন্মায় যাহা =সরোজ;
- যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে =জাজ্বল্যমান;
- সকলের জন্য প্রযোজ্য =সর্বজনীন;
- সকলের জন্য অনুষ্ঠিত = সার্বজনীন;
- রাত্রির মধ্যভাগ = মহানিশা;
- স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ;
- স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি = শাস্ত্রকার;
- এখনও শত্রু জন্মায় নাই যার = অজাতশত্রু;
- এখনও গোঁফ-দাড়ি গজায় নাই যাহার = অজাতশ্মশ্রু;
- যে বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই = অবিসংবাদী;
- স্ত্রীর বশীভূত = স্ত্রৈণ;
- যে নারীর হাসি সুন্দর = সুহাসিনী;
- যে নারীর হাসি পবিত্র = শুচিস্মিতা;
- যে নারীর স্বামী বর্তমান = সধবা।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।