বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা / ৫১ · ৭০১৮০০ / ৫,০২৮

৭০১.
ফায়ারওয়াল কী কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা রক্ষায়
  2. ফাইল সংরক্ষণে
  3. ইন্টারনেট গতি বাড়াতে
  4. সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল: 
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়। 
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gatekeeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করে একইসাথে অবৈধ ব্যক্তির প্রবেশ রোধ করা যায় এবং ডেটা বা অন্যান্য সিস্টেমের সিকিউরিটি নিশ্চিত করা যায়। 
- ফায়ারওয়াল অথোরাইজ অ্যাক্সেসকে যাচাইয়ের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করার অনুমোদন দেয়। 

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০২.
কোনটির কারণে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সহজলভ্য হতে শুরু করেছে?
  1. ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক
  2. মোবাইল নেটওয়ার্ক
  3. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  4. ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক  দ্রুতগতির ইন্টারনেট সহজলভ্যতা বানানোর জন্য একটি প্রধান কারণ।
ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক
- উচ্চ ব্যান্ডউইথসম্পন্ন। 
- দ্রুতগতি সংযোগ সরবরাহ করতে সক্ষম একটি প্রযুক্তি। 
- এটি লার্জ ভলিউমের ডেটা ট্রান্সমিশন সাপোর্ট করে।

অন্যদিকে, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক  উচ্চ মোবিলিটি এবং সহজ ইন্টারনেট এক্সেস সরবরাহ করে, তবে এদের স্পিড এবং ব্যান্ডউইথ ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের সমান নয়।

এছাড়া, লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক  প্রথমক্ষেত্রে স্থানীয় নেটওয়ার্ক কানেকশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭০৩.
বায়োনিক চিপসেটটি তৈরী করেছে-
  1. ক) এপল
  2. খ) টেসলা
  3. গ) গুগল
  4. ঘ) ইন্টেল
ব্যাখ্যা
এপলের তৈরী নিজস্ব প্রযুক্তির চিপসেট হচ্ছে বায়োনিক চিপসেট। এর সর্বশেষ মডেল হচ্ছে এপল এ 13 চিপসেট।
source: apple
৭০৪.
ব্লুটুথ কোন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে?
  1. ৫ গিগাহার্টজ
  2. ২.৪ গিগাহার্টজ
  3. ২.৮ গিগাহার্টজ
  4. ৪.৮ গিগাহার্টজ
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ (Bluetooth) প্রযুক্তি ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।

• ব্‌লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্‌লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্‌লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ফ্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভব্যবহার করে।
ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10 থেকে 100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
-ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০৫.
মাইক্রোসফটের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিকারী অ্যাপসগুলির স্যুটের নাম কী?
  1. Office 365
  2. Google Workspace
  3. LibreOffice
  4. iWork
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফটের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিকারী অ্যাপসগুলির স্যুটের নাম হলো Office 365। এটি একটি ক্লাউড-ভিত্তিক সাবস্ক্রিপশন সেবা, যা বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন ও সার্ভিস একত্রিত করে ব্যবহারকারীর কাজকে আরও সহজ ও দ্রুত করার উদ্দেশ্যে তৈরি। Office 365-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে পরিচিত অ্যাপ যেমন Word, Excel, PowerPoint, Outlook, OneNote এবং Teams। এগুলো দিয়ে ডকুমেন্ট তৈরি, তথ্য বিশ্লেষণ, উপস্থাপনা তৈরি এবং ইমেইল ও যোগাযোগের কাজ করা সম্ভব। এছাড়া, এটি ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা প্রদান করে, যাতে ব্যবহারকারী যেকোনো সময় এবং যেকোনো ডিভাইস থেকে ডকুমেন্টে কাজ করতে পারে। তাই Office 365 ব্যবসা ও ব্যক্তিগত উভয় ক্ষেত্রে কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক।

- সঠিক উত্তর: ক) Office 365.

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (জানুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত)

• মাইক্রোসফটের পরিষেবা:
- বিং, ওয়ান ড্রাইভ, আউটলুক.কম ইত্যাদি।

উৎস: Microsoft.

৭০৬.
চ্যাটজিপিটি কোন সংস্থার উদ্ভাবন?
  1. IBM
  2. Google
  3. OpenAI
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• চ্যাটজিপিটি হলো OpenAI সংস্থার উদ্ভাবন। এটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভাষা মডেল, যা মানুষের মতো ভাষা বোঝা, লেখা তৈরি করা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং আলোচনা চালানো সক্ষম। OpenAI ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং চ্যাটজিপিটি তাদের GPT (Generative Pre-trained Transformer) সিরিজের অংশ। এটি বিশেষভাবে বিশাল পরিমাণে টেক্সট ডেটা বিশ্লেষণ করে শেখে, যাতে ব্যবহারকারীর জিজ্ঞাসার প্রাসঙ্গিক ও সঠিক উত্তর দিতে পারে। যদিও Microsoft চ্যাটজিপিটির সাথে অংশীদারিত্ব করেছে এবং তাদের প্ল্যাটফর্মে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে, তবে মূল উদ্ভাবক সংস্থা OpenAI। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) OpenAI.

• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

• এটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।
- যে কোনো গাণিতিক সমস্যা সহজেই সমাধান করতে পারে।
- যে কোনো টপিকের উপর কন্টেন্ট তৈরি করতে পারে।
- অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি আপনার জন্য গানও লিখে দিতে পারে।

উৎস: Britannica.

৭০৭.
Wi-Fi এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া কত?
  1. ৫০-২০০ মিটার
  2. ৩০০-৫০০ মিটার
  3. ৫০০-১০০০ মিটার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
Wi-Fi এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া ৫০-২০০ মিটার।

• Wi-Fi
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭০৮.
উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. বিল গেটস এবং স্টিভ জবস
  2. কেভিন সাইস্ট্রম এবং ল্যারি পেইজ
  3. ল্যারি স্যাঙ্গার এবং জিমি ওয়েলস
  4. টিম বার্নার্স-লি এবং রিচার্ড স্টলম্যান
ব্যাখ্যা

• উইকিপিডিয়া:
- উইকিপিডিয়া হলো ইন্টারনেট বিশ্বকোষ।
- “Wikipedia” (উইকিপিডিয়া) শব্দটি এসেছে “Wiki” (উইকি), যার অর্থ সহায়তামূলক কাজের দ্বারা তৈরি ওয়েবসাইট এবং “Encyclopedia” (বিশ্বকোষ) শব্দ দুটি থেকে।
- উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা হলেন ল্যারি স্যাঙ্গার এবং জিমি ওয়েলস।
- Owner: Wikimedia Foundation.
- Launch date: January 15, 2001.
- Available in: 326 languages.

উৎস: উইকিপিডিয়া।

৭০৯.
ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে কয়টি উপাদান থাকে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশন: 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্যবিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়।
- ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়।
- পরবর্তীতে টার্মিনালের পরিবর্তে কম্পিউটার ব্যবহার করার মাধ্যমেই শুরু হয় ডাটা স্থানান্তরের প্রচলন।

ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান: 
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬ টি উপাদান থাকে। যথা-
১। ডাটা বা তথ্য (Information)
২। ডাটার উৎস (Source)
৩। প্রেরক (Sender)
৪। মাধ্যম (Medium)
৫। প্রাপক (Receiver) ও
৬। গন্তব্য (Destination)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১০.
What term describes integrating digital information with the user's environment in real time, enhancing their perception of the physical world?
  1. Artificial Intelligence
  2. Virtual Reality
  3. Augmented Reality
  4. Mixed Reality
ব্যাখ্যা
Augmented Reality:
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি হলো হলগ্রাফিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল ভিজ্যুয়াল উপাদান, শব্দ এবং অন্যান্য সংবেদনশীল উদ্দীপনার মাধ্যমে অর্জিত বাস্তব-বিশ্বের পরিবেশের একটি বর্ধিত, ইন্টারেক্টিভ সংস্করণ।
- AR তিনটি বৈশিষ্ট্য অন্তর্ভুক্ত করে:
- ডিজিটাল এবং শারীরিক জগতের সংমিশ্রণ রিয়েল টাইমে তৈরি মিথস্ক্রিয়া এবং ভার্চুয়াল এবং বাস্তব বস্তুর সঠিক 3D সনাক্তকরণ।
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি বাস্তব-বিশ্বের কাজের পরিবেশে ডিজিটাল বিষয়বস্তুকে আচ্ছাদন বা উপরিপাতন করার মাধ্যমে ডিজাইন, কিউরেট এবং উপভোগযোগ্য নির্দেশাবলী সরবরাহ করার একটি ভাল উপায় অফার করে।
- যখন একটি ব্যবসায়ী বুঝতে পারে AR কী এবং কীভাবে এটি সফলভাবে ব্যবহার করা যায়, তখন প্রত্যেকে দক্ষতার সাথে সহযোগিতা করার সময় দূর থেকে কাজ করতে পারে।

উৎস: Microsoft.com
৭১১.
সর্বপ্রথম কোন প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোন ডিজাইন করে?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. আইবিএম
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম আইবিএম স্মার্টফোন ডিজাইন করে।

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭১২.
'মেটা' এর অধীন নয় কোনটি?
  1. Facebook
  2. Workplace
  3. LinkedIn
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
- ফেসবুক ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।
- ফেসবুক কোম্পানির নতুন নাম মেটা (Meta)
- মেটা নামকরণ হয় ২০২১ সালের ২৮ অক্টোবর।
- মেটা এর অধীন সার্ভিসগুলো হলো - Facebook, Messenger, Instagram, WhatsApp, Workplace.

উৎস - মেটা ওয়েবসাইট।
৭১৩.
Fiber-optic connection এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. ক) IEEE 802.15.2
  2. খ) IEEE 802.8
  3. গ) IEEE 803.02
  4. ঘ) IEEE 802.17
ব্যাখ্যা

IEEE, pronounced "Eye-triple-E," stands for the Institute of Electrical and Electronics Engineers. The organization is chartered under this name and it is the full legal name.

কিছু গুরুত্বপূর্ণ IEEE Standard
IEEE 802.8 = Fiber-optic connection
IEEE 802.11 = Wireless Networking - WiFi
IEEE 802.15 = Bluetooth Standard
IEEE 802.15.2 = Bluetooth and Wi-Fi coexistence mechanism
IEEE 802.16 = Wireless Networking - WiMAX

Source: IEEE এর ওয়েবসাইট

৭১৪.
Which statement about email is not true?
  1. Can be sent simultaneously to multiple users
  2. Recipients can view, print, save, and edit messages
  3. Electronic mailboxes that store messages
  4. Messages are limited to plain text only
ব্যাখ্যা

ই-মেইল সাধারণ টেক্সক্টের পাশাপাশি অন্যান্য ধরনের ডেটা যেমন, গ্রাফিক্স, সাউন্ড, এনিমেটেড ছবি ইত্যাদিও বহন করতে পারে।

ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।- abc@def.com এ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- ব্যবহারকারীরা তাদের বার্তায় বিভিন্ন ধরনের ফাইল যেমন ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও, এবং ভিডিও সংযুক্ত করতে পারে।
- ই-মেইল একসাথে একজন ব্যবহারকারী বা একাধিক ব্যবহারকারীর কাছে পাঠানো যায়। 
- প্রতিটি ব্যবহারকারীর একটি নিজস্ব ইলেকট্রনিক মেইলবক্স থাকে যেখানে ইনকামিং বার্তাগুলো জমা হয়।
- প্রাপকরা তাদের প্রাপ্ত ই-মেইলগুলো দেখতে, প্রিন্ট করতে, সংরক্ষণ করতে, প্রয়োজনে সম্পাদনা করতে, এবং উত্তর বা ফরওয়ার্ড করতে পারেন।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।

৭১৫.
Google Apps, Dropbox, HubSpot are examples of—
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. NaaS
ব্যাখ্যা

• Google Apps, Dropbox এবং HubSpot হলো Software as a Service (SaaS)–এর উদাহরণ।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক অবকাঠামো তৈরি না করেও বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটিং সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- এই সুবিধাগুলো সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট কিছু সার্ভিস মডেলের মাধ্যমে প্রদান করে।

• Infrastructure as a Service (IaaS):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভার, স্টোরেজ ও অন্যান্য অবকাঠামো ভাড়া নিতে পারে।
- নিজস্ব হার্ডওয়্যার কেনার প্রয়োজন হয় না।
- অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সার্ভিসদাতার উপর থাকে।
- উদাহরণ: Amazon Elastic Compute Cloud (EC2).
 
• Platform as a Service (PaaS):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীদের জন্য প্রস্তুত কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।
- এতে অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ ও ওয়েব সার্ভার অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- ব্যবহারকারীরা সহজে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও পরিচালনা করতে পারে।
- উদাহরণ: Microsoft Azure, Google App Engine.
 
• Software as a Service (SaaS):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি ক্লাউডে থাকা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজ ব্যবহার করতে পারে।
- সফটওয়্যার ইনস্টলেশন, কনফিগারেশন বা আপডেট নিয়ে ভাবতে হয় না।
- উদাহরণ: Google Apps, Dropbox, HubSpot.

• Network as a Service (NaaS):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো তৈরি না করেও নেটওয়ার্ক সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- WAN ও Secure Virtual Private Network (SVPN)–এর মতো সেবা পাওয়া যায়।
- উদাহরণ: Aryaka, Pertino।
 
• সামগ্রিক সুবিধা:
- খরচ কমে।
- সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
- রক্ষণাবেক্ষণের ঝামেলা কমে।
- প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা গ্রহণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি।

৭১৬.
FoxPro কোন ধরণের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. Word Processing
  2. Spreadsheet
  3. Database
  4. Graphics
ব্যাখ্যা
FoxPro একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৭.
ওয়েব এ্যাড্রেসকে সংক্ষেপে কী বলা হয়?
  1. ক) HTTP
  2. খ) HTTP
  3. গ) HTML
  4. ঘ) URL
ব্যাখ্যা
ওয়েব এ্যাড্রেসকে সংক্ষেপে URL বলা হয়। 
 
কোন ডকুমেন্ট বা ওয়েব পেজ ওয়েব সাইটে স্থাপন করতে হলে কোন সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। প্রতিটি সার্ভারের একটি ওয়েব লোকেশন বা এ্যাড্রেস থাকে। এই এ্যাড্রেসকে Uniform Resource Locator বা সংক্ষেপে URL বলা হয়। URL -এ অন্তর্ভূক্ত থাকে প্রটোকল, নির্দেশনা, হোস্টনেম, ফোল্ডার নেম এবং ফাইল নেম ।
 
উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭১৮.
সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইনকারী প্রতিষ্ঠান-
  1. স্যামসাং
  2. মাইক্রোসফট
  3. নোকেয়া
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা
• স্মার্টফোন: 
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান। 
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন। 
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। 
- স্মার্টফোন (Smartphone) হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত। 

• স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্য: 
- ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন। 
- মডেম সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। 
- মেমোরি বেশি থাকে। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৭১৯.
বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. ব্র্যাক ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- টেলি ব্যাংকিং কথাটির অর্থ হলো টেলিফোন ব্যাংকিং।
- টেলিফোনের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে টেলিফোন ব্যাংকিং বা টেলি ব্যাংকিং বলা হয়।
- এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক সীমিত পরিসরে একাউন্ট ব্যালেন্স ট্রানজেকশন, ইলেকট্রনিক বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
- এটি এমন একটি সেবা যেখানে গ্রাহকরা সশরীরে ব্যাংকে না গিয়ে টেলিফোনের মাধ্যমে কল করে লেনদেন করতে পারতেন।
- টেলিফোন ব্যংকিং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করে ১৯৮০-এর দশকে।
- প্রথম টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে, যুক্তরাজ্যের গিরোব্যাংক-এর হাত ধরে।
- ১৯৮০ এবং ৯০ এর দশকের শুরুতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও, ২০১০ সালের দিকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আবির্ভাব টেলিফোন ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার কমিয়ে দেয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু থাকলেও, বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক প্রথম এই সেবা চালু করে ১৯৯৭ সালের পহেলা মার্চ।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট এবং সময় নিউজ রিপোর্ট। [Link]
৭২০.
Instagram কী ধরনের প্ল্যাটফর্ম?
  1. ভিডিও গেম প্ল্যাটফর্ম
  2. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
  3. অনলাইন ব্যাংকিং সেবা
  4. ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা
Instagram হলো একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম।

• Instagram:
- Instagram হলো একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম, যা ছবি ও ভিডিও শেয়ারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ২০১০ সালে চালু করা হয়।
- Instagram-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতারা হলেন কেভিন সিস্ট্রম (Kevin Systrom) এবং মাইক ক্রিগার (Mike Krieger)।
- বর্তমানে Instagram-এর মালিক প্রতিষ্ঠান Meta Platforms Inc., যা Facebook-এর মূল কোম্পানি।
- ২০২২ সালে, Instagram-এর মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় দুই বিলিয়ন (২০০ কোটি)।
- Instagram-এর সদর দপ্তর অবস্থিত মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭২১.
In which network does each computer act as both client and server?
  1. Peer-to-peer network
  2. Client-server network
  3. Hybrid network
  4. Wide area network
ব্যাখ্যা

• Peer-to-Peer Network-এ প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে client এবং server হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ সবাই সমানভাবে রিসোর্স শেয়ার করে।

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কের শ্রেণিবিভাগ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ও সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো Client Server Network, Peer-to-Peer Network এবং Hybrid Network.
 
• Peer-to-Peer Network:
- Peer-to-Peer Network এমন একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে প্রতিটি কম্পিউটার সরাসরি একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।
- এই নেটওয়ার্কে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে client ও server হিসেবে কাজ করে।
 
• Peer-to-Peer Network-এর বৈশিষ্ট্য:
- প্রত্যেক কম্পিউটার থেকে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- সব কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভূমিকা পালন করে।
- ছোট পরিসরের নেটওয়ার্কে এটি বেশি উপযোগী।

• Peer-to-Peer Network-এর ব্যবহারিক দিক:
- ফাইল শেয়ারিং।
- ছোট অফিস বা বাসার নেটওয়ার্ক।
- কম খরচে সহজ নেটওয়ার্ক স্থাপন।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Client-server network → এখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে।
- Hybrid network → এটি client-server ও peer-to-peer-এর সমন্বয়।
- Wide area network → এটি নেটওয়ার্কের বিস্তৃতির ধরন।
 

৭২২.
Spam ইমেইল বলতে কী বোঝায়?
  1. গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল
  2. বিজ্ঞাপনমূলক ইমেইল
  3. ভাইরাসমুক্ত ইমেইল
  4. অফিসিয়াল ইমেইল
ব্যাখ্যা

◉ Spam Email হলো এমন ই-মেইল, যা সাধারণত অননুমোদিতভাবে (bulk) পাঠানো হয়। এগুলোর মধ্যে থাকে—
• অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন,
• প্রতারণামূলক অফার (phishing),
• কখনও কখনও ক্ষতিকর লিংক বা ম্যালওয়্যার। 

ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

৭২৩.
মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের নাম কী?
  1. মাইক্রোসফট ওয়েব সার্ভিসেস
  2. মাইক্রোসফট ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম
  3. মাইক্রোসফট অ্যাজুর
  4. মাইক্রোসফট ক্লাউড
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের নাম মাইক্রোসফট অ্যাজুর (Microsoft Azure)। এটি একটি শক্তিশালী এবং বহুমাত্রিক ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ধরণের ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা প্রদান করে, যেমন ভার্চুয়াল মেশিন, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিং, এআই এবং মেশিন লার্নিং পরিষেবা। অ্যাজুর ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশন ক্লাউডে সংরক্ষণ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্কেল করতে পারে। এটি Public, Private ও Hybrid- তিন ধরনের ক্লাউড পরিবেশই সমর্থন করে। নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টারের সুবিধার জন্য অ্যাজুর বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫। 
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা (তথ্য: জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত)।

• কিছু বিখ্যাত ক্লাউড প্লাটফর্মের উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS) – Parent Company: Amazon,
- Microsoft Azure – Parent Company: Microsoft,
- Google Cloud Platform (GCP) – Parent Company: Google,
- IBM Cloud – Parent Company: IBM,

- Oracle Cloud – Parent Company: Oracle,
- Salesforce – Parent Company: Salesforce,
- Alibaba Cloud – Parent Company: Alibaba Group,

- DigitalOcean – Parent Company: DigitalOcean,
- VMware Cloud – Parent Company: VMware,
- Huawei Cloud – Parent Company: Huawei.

উৎস: মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭২৪.
কোনটি প্রাইভেট ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Dell
  2. AWS
  3. VMware
  4. HPE
ব্যাখ্যা
• Amazon Web Services বা, AWS পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত। অপরদিকে, Vmare, HPE, Dell হচ্ছে প্রাইভেট ক্লাউড।

- পাবলিক ক্লাউডের সেবা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ, ও অন্যান্য রিসোর্সসমূহ বিনাখরচে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ-
১। যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা যায়।
২। বিভিন্ন ধরণের রিসোর্স (হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইত্যাদি) শেয়ার করে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির খরচ কমানো যায়।
৩। কোম্পানির অপারেটিং খরচ তুলনামুলক কম।
৪। ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় এক্সেস করা যায় এবং তথ্য কীভাবে প্রসেস বা সংরক্ষিত হয় তা জানার প্রয়োজন হয় না।
৫। সহজে কাজকর্ম মনিটরিং এর কাজ করা যায় ফলে বাজেট ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায়।
৬। অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সিস্টেম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭২৫.
রাউটার কী?
  1. প্রসেসর
  2. নেটওয়ার্ক ডিভাইস
  3. সিকিউরিটি ডিভাইস
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
রাউটার একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস।

রাউটার:
- রাউটার একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি একটি বুদ্ধিমান ডিভাইস যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে (LAN, MAN,WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- রাউটার রাউটিং টেবিল ব্যবহার করে উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা স্থানান্তরের জন্য সহজ, নিরাপদ ও কম দূরত্বের পথটি বেছে নেয়।
- রাউটার ডেটা আদান-প্রদানের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাউটিং টেবিল তৈরি করে, যেখানে নেটওয়ার্কের সকল নোডের অ্যাড্রেস এবং পাথ থাকে।
- রাউটিং টেবিলটি রাউটারের মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে।
- এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে রাউটিং বলে।
- এটি একাধিক LAN, MAN, WAN কে যুক্ত করে WAN গঠন করতে পারে।

• রাউটারের সুবিধা:
- ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে বাধার সম্ভাবনা কমায়।
- ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব হয়।
- বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন-ইথারনেট, টোকেন, রিও ইত্যাদিকে সংযুক্ত করতে পারে।

• রাউটারের অসুবিধা:
- রাউটারের দাম বেশি।
- রাউটার ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে পারে না।
- কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৬.
সনি কর্পোরেশনের তৈরি রোবট কোনটি?
  1. ক) আসিমো
  2. খ) সোফিয়া
  3. গ) মুরাতা বয়
  4. ঘ) আইবো
ব্যাখ্যা
জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয়', হোন্ডা কোম্পানির 'আসিমো' এবং সনি কর্পোরেশনের 'আইবো' ইত্যাদি রোবট প্রায় মানুষের মতোই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭২৭.
টেলিটক কত সালে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ক) ২০০২
  2. খ) ২০০৪
  3. গ) ২০০৬
  4. ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
টেলিটক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধনকৃত টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর হিসেবে যাত্রা শুরু করে ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর।
সূত্রঃ টেলিটক ওয়েবসাইট।
৭২৮.
ইলেকট্রনিক বিনিময় প্রথার মাধ্যমে বাণিজ্য করাকে কি বলে?
  1. ই-সার্ভিস
  2. ই-গভর্ন্যান্স
  3. ই-লার্নিং
  4. ই-কমার্স
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স। ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়-বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকেই বলা হয় ই-কমার্স (E-commerce)। ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন সম্পূর্ণ হয়ে থাকে। আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক কাজ পরিচালনা করে। এছাড়াও মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও অন্যান্য আরো কিছু মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। 

ই-লার্নিং এক ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা যেখানে ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে ক্লাসে অংশগ্রহণ করে। 

ই-সার্ভিস হচ্ছে অনলাইনে বিভিন্ন সার্ভিস প্রদান

ই-সরকারের ধারণার একটি জনপ্রিয় উপায় হল প্রযুক্তিগতভাবে মধ্যস্থতামূলক মিথস্ক্রিয়াগুলির তিনটি ক্ষেত্রের মধ্যে পার্থক্য করা। সরকার-থেকে-সরকার মিথস্ক্রিয়া সরকারী আমলাতন্ত্রের অভ্যন্তরীণ দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত, উদাহরণস্বরূপ, রুটিন কাজগুলির স্বয়ংক্রিয়করণ এবং বিভাগ এবং সংস্থাগুলির মধ্যে তথ্য দ্রুত ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে। সরকার-থেকে-ব্যবসায়িক মিথস্ক্রিয়া সাধারণত ফার্মগুলি থেকে পণ্য এবং পরিষেবাগুলি কেনা এবং বিক্রি করার জন্য সরকারের খরচ কমাতে ইন্টারনেট ব্যবহারকে জড়িত করে। সরকার-থেকে-নাগরিক মিথস্ক্রিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পাবলিক পরিষেবা এবং অনলাইনে লেনদেন এবং দ্রুত ইলেকট্রনিক ফিডব্যাক মেকানিজম, যেমন তাত্ক্ষণিক ভোট, ওয়েব সমীক্ষা এবং ই-মেইল অন্তর্ভুক্ত করে পরিষেবাগুলির নকশা এবং বিতরণ উন্নত করা জড়িত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রস্তুতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
৭২৯.
প্রতিটি ওয়েব পেজকে শনাক্ত করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Web Protocol
  2. URL
  3. HTML Tag
  4. IP Address
ব্যাখ্যা

• URL হলো ওয়েব পেজ বা ওয়েবসাইটের ইউনিক ঠিকানা।

• ওয়েব ডিজাইনের ধারণা:

- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সার্ভারে সংরক্ষিত ফাইলসমূহকে ওয়েব পেজ (Web Page) বলা হয়, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দেখার উপযোগী।

- ওয়েব পেজ সাধারণত HTML (Hyper Text Markup Language) দিয়ে তৈরি করা হয়। তবে বর্তমানে ওয়েব পেজ তৈরিতে XML, DHTML, STML ইত্যাদিও ব্যবহৃত হচ্ছে।

- প্রতিটি ওয়েব পেজের একটি ওয়েব অ্যাড্রেস (URL) থাকে।

 
• ওয়েব পেজের বৈশিষ্ট্য:

- ওয়েব পেজে লেখা (Text), অডিও, ভিডিও, ছবি, অ্যানিমেশন, ডাটা ইত্যাদি যুক্ত থাকতে পারে।
- একাধিক ওয়েব পেজ একত্রে যুক্ত হয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত সার্ভারে ওয়েব সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়েবসাইট সংরক্ষণ করে।
- প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি ইউনিক ওয়েব অ্যাড্রেস (URL) থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩০.
কোন প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়?
  1. Space
  2. Blue Origin
  3. SpaceX
  4. NASA
ব্যাখ্যা
• স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে প্রতিষ্ঠান হলো SpaceX. SpaceX একটি আমেরিকান মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি, যা এলন মাস্ক প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই কোম্পানি বিশ্বব্যাপী দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে স্টারলিংক প্রকল্প শুরু করে। স্টারলিংক একটি উপগ্রহ নেটওয়ার্ক যা হাজার হাজার ছোট স্যাটেলাইটকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করে, যাদের মাধ্যমে বিশ্বের দূরবর্তী এবং কম পরিষেবা প্রাপ্ত এলাকায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া হয়। এই স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা গ্রাহকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, বিশেষ করে যেখানে প্রচলিত ব্রডব্যান্ড সহজলভ্য নয়। তাই স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবার মূল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হল SpaceX.

• স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা:
- প্রথম উপগ্রহটি ২০১৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
- ২০২০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল।
- এবং এরপর থেকে এটি ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে আসছে।
- স্টারলিংক একটি উপগ্রহ-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা যা স্পেসএক্স দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্টারলিংক সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ১৫০ মেগাবিট পর্যন্ত ডাউনলোড গতি।

উৎস: Britannica.
৭৩১.
ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. রেন্ট-এ-কম্পিউটার
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং
  3. ওশান কম্পিউটিং
  4. লোন কম্পিউটিং
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা। - আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)।

- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
পাবলিক ক্লাউড,
প্রাইভেট ক্লাউড ও
মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৩২.
LinkedIn এর সদর দপ্তর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
LinkedIn:

- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ৯৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।
- সদর দপ্তর: Sunnyvale, California, United States
- Parent organization: Microsoft Corporation
- CEO: Ryan Roslansky
- Founders: Reid Hoffman, Jean-Luc Vaillant, Eric Ly, Konstantin Guericke, Allen Blue

তথ্যসূত্র - linkedin
৭৩৩.

নিচের কোনটি চিত্রের ন্যায় ডেটা ট্রান্সমিট করে?
  1. টেলিফোন
  2. রেডিও
  3. মোবাইল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) এবং 
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)। 

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- চিত্রে, A হতে B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করা যাবে। কিন্তু B হতে A এর দিক ডাটা প্রেরণ সম্ভব নয়।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি।
 
• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- চিত্রে, হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। A এর প্রেরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে B ডাটা প্রেরণ করতে পারবে।
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- চিত্রে, ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, A যখন B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করবে B ও তখন A এর দিকে ডাটা প্রেরণ করতে পারবে। 
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩৪.
LLM-এর কনটেক্সট উইন্ডো (Context Window) কী নির্দেশ করে?
  1. গ্রাফিক্স কার্ডের মেমরি সাইজ
  2. মডেলের মোট প্যারামিটার সংখ্যা
  3. মডেলের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত GPU-এর সংখ্যা
  4. মডেলটি একসঙ্গে কতগুলো টোকেন মনে রাখতে পারে
ব্যাখ্যা

• LLM বা Large Language Model-এর কনটেক্সট উইন্ডো বলতে বোঝায় মডেলটি একটি নির্দিষ্ট সময়ে ইনপুট হিসেবে সর্বোচ্চ কতটুকু ডেটা বা টোকেন একসঙ্গে গ্রহণ এবং মনে রাখতে পারে।
- এটি মূলত মডেলের কার্যকর মেমরি সীমা বা টোকেন ধারণক্ষমতা। যখন কোনো ইনপুট এই সীমা অতিক্রম করে, তখন মডেলটি আলোচনার শুরুর অংশগুলো ভুলে যেতে থাকে।

• LLM-এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- বিশাল জ্ঞানভাণ্ডার: এটি কোটি কোটি বই, আর্টিকেল এবং ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মানুষের মতো জ্ঞান আহরণ করে।
- বহুমুখী ব্যবহার: এটি শুধুমাত্র চ্যাট করার জন্য নয়, বরং অনুবাদ করা, সারাংশ তৈরি করা (Summarization), এবং প্রোগ্রামিং কোড লেখার কাজেও ব্যবহৃত হয়।
- টেক্সট জেনারেশন: এটি একটি শব্দের পর পরবর্তী শব্দটি কী হতে পারে তার গাণিতিক সম্ভাবনা (Probability) হিসাব করে নতুন বাক্য তৈরি করতে পারে।
- নির্ভরযোগ্যতা ও সীমাবদ্ধতা: এটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান হলেও মাঝে মাঝে ভুল বা বানোয়াট তথ্য দিতে পারে, যাকে এআই-এর ভাষায় 'হ্যালুসিনেশন' বলা হয়।

• কনটেক্সট উইন্ডো-র বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি মডেলের শর্ট-টার্ম মেমরির মতো কাজ করে যা দীর্ঘ কথোপকথন মনে রাখতে সাহায্য করে।
- এর পরিমাপ সাধারণত টোকেন (Tokens) সংখ্যায় করা হয় (যেমন: ৮কে, ৩২কে বা ১২৮কে টোকেন)।
- কনটেক্সট উইন্ডো যত বড় হয়, মডেলটি তত বড় বই বা কোড ফাইল একবারে বিশ্লেষণ করতে পারে।
- এটি ট্রান্সফর্মার আর্কিটেকচারের সেলফ-অ্যাটেনশন মেকানিজমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

উৎস: IBM website [link].

৭৩৫.
ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় কোন সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিট এর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা হয় -
  1. বিট অ্যাসিনক্রোনাস
  2. বিট সিনক্রোনাইজেশন
  3. বিট আইসোক্রোনাস
  4. সিনক্রোনাজিং
ব্যাখ্যা
- সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা হয় বিট সিনক্রোনাইজেশন (Bit-synchronization)।
- বিট সিনক্রোনাইজেশনের মাধ্যমে গ্রাহক কম্পিউটার যথার্থভাবে ডাটাকে পুনরুদ্ধার করতে পারে।

- যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা সমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতি বার ১টি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে ।
- যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকদের ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট করা হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ- দ্বাদশ( প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৭৩৬.
যোগাযোগের জন্য ওয়াকিটকি কোন মোড ব্যবহার করে?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- 
১. সিমপ্লেক্স
২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।

সিমপ্লেক্স মোড: 
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স মোড: 
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩৭.
IPv6 ঠিকানায় একাধিক ধারাবাহিক শূন্যকে কিভাবে সংক্ষেপে লেখা যায়?
  1. ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে
  2. শূন্য হিসেবে রাখা
  3. দুইটি ডট (..) ব্যবহার করে
  4. ড্যাশ (-) ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা

• IPv6 ঠিকানায় একাধিক ধারাবাহিক শূন্যকে সংক্ষেপে লেখার জন্য ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করা হয়। এটি ঠিকানার মধ্যে এক বা একাধিক ধারাবাহিক শূন্য ব্লককে প্রতিস্থাপন করে, ফলে ঠিকানাটি ছোট এবং পাঠযোগ্য হয়। উদাহরণস্বরূপ, 2001:0db8:0000:0000:0000:ff00:0042:8329 ঠিকানাটি সংক্ষেপে লেখা যায় 2001:db8::ff00:42:8329 হিসেবে। এখানে ধারাবাহিক শূন্য ব্লকগুলো :: দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। তবে একাধিক :: এক ঠিকানায় ব্যবহার করা যায় না, কারণ এটি ঠিকানার দৈর্ঘ্য নির্ধারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে।

IP Address: 
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। IPv4 (Internet Protocol Version 4) ও
২। IPv6 (Internet Protocol Version 6)

IPv4: 
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

IPv6: 
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭৩৮.
সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. তৃতীয় প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. প্রথম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয় তৃতীয় প্রজন্মে।

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৭৩৯.
কোনটি তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী?
  1. ক) ওয়াইম্যাক্স
  2. খ) সি-মস
  3. গ) ব্লু-টুথ
  4. ঘ) ব্রডব্যান্ড
ব্যাখ্যা
WiMax is a communication technology for wirelessly delivering high-speed Internet service to large geographical areas.
Source: britannica.com
৭৪০.
ফ্যাক্স মেশিন কে আবিষ্কার করেছিলেন?
  1. আলেকজান্ডার বেইন
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ্রাহাম বেল
  4. টমাস এডিসন
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স মেশিন ১৮৪৩ সালে বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পূর্ণরূপ হলো ফ্যাক্সিমিল।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- PSTN (Public Switched Telephone Network) হলো ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
- ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয় কোনো ডকুমেন্টের হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য।
- প্রেরক যেকোনো ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান, তিনি ফ্যাক্স মেশিনের মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ সেই ডকুমেন্টের হুবহু কপি প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭৪১.
A CD-ROM drive is labeled with 52X. Here 52X is a measurement of-
  1. Time required reading
  2. Revolution per minute
  3. Capacity of the CD
  4. Data transfer rate
ব্যাখ্যা
- একটি CD-ROM ড্রাইভে "52X" লেবেলটি এর Data transfer rate কে নির্দেশ করে।
- 1X এর ক্ষেত্রে ডেটা স্থানান্তর হার 150 KB/s।

সুতরাং, "52X" হিসাবে লেবেলযুক্ত একটি CD-ROM ড্রাইভের ক্ষেত্রে এর অর্থ হল যে ড্রাইভটি একটি সিডি থেকে সর্বাধিক গতিতে ডেটা পড়তে পারে যা মূল 1X স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে 52 গুণ দ্রুত। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭৪২.
নিচের কোনটি কনজিউমার টু বিজনেস ইকমার্স সাইট?
  1. ক) amazon.com
  2. খ) ebay.com
  3. গ) monster.com 
  4. ঘ) alibaba.com
ব্যাখ্যা
কিছু কিছু ব্যবসা আছে যা সরাসরি ভোক্তা শ্রেণির কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা গ্রহণ করে। এ জাতীয় লেনদেন ভোক্তা থেকে ব্যবসায় ই-কমার্সের আওতাভুক্ত। অর্থাৎ যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসা বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
উদাহরণ : monster.com 
৭৪৩.
ই-কমার্স হল _________
  1. ক) অনলাইনে বই পড়া
  2. খ) ওয়েব ব্রাইজ করা
  3. গ) মোবাইলে কথা বলা
  4. ঘ) ইন্টারনেটের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করা
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য অথবা, সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ভিত্তি করে আর্থিক লেনদেন করবার পদ্ধতিকে ই-কমার্স বলে। 

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B)
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C)
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B)
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৭৪৪.
মোবাইল ফোনে কোন নম্বরে ডায়াল করে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা যায়?
  1. ৯৯৯
  2. ১৬২৬৩
  3. ৩৩৩
  4. ২৪৭
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে।
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।
- স্বাস্থ্য বাতায়ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রনালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি সেবা।
- সিনেসিস আইটি লিমিটেড নামে একটি মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য বাতায়ন সেবাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
- এই স্বাস্থ্য বাতায়নের হেল্পলাইন নম্বর 16263 (এক বাষট্টি তেষট্টি)-তে কল করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ পাওয়া যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. স্বাস্থ্য বাতায়ন। [Link]
৭৪৫.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি কী ছিল?
  1. FDMA
  2. CDMA
  3. EDGE
  4. TDMA
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের (1G) মোবাইল ফোন সিস্টেমে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি হিসেবে FDMA (Frequency Division Multiple Access) ব্যবহার করা হতো। FDMA পদ্ধতিতে, প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য নির্দিষ্ট একটি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড আলাদা করে রাখা হয়, যার মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে আলাদা আলাদা ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে। এর ফলে সিগন্যালের মধ্যে পারস্পরিক হস্তক্ষেপ কমে যায় এবং স্পষ্ট কণ্ঠস্বর সরবরাহ সম্ভব হয়। প্রথম প্রজন্মের সিস্টেমগুলো শুধুমাত্র ভয়েস কলের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল এবং ডাটা ট্রান্সমিশনের ক্ষমতা ছিল সীমিত। অন্য পদ্ধতিগুলো যেমন CDMA, EDGE, বা TDMA মূলত পরবর্তী প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। তাই, 1G মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি ছিল FDMA.

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো এফডিএমএ(Frequency Division Multiple Acces - FDMA)।
- সমসাময়িক কালের সাধারণ টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোনসমূহ আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
- সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
- কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এতে মাইক্রোপ্রসেসর এবং সেমি কন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- একই এলাকায় অন্য মোবাইল ট্রান্সমিটারের দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স নেই।
- উদাহরণ: এডভান্সড মোবাইল ফোন সিস্টেম (Advanced Mobile Phone System-AMPS), নর্ডিক মোবাইল টেলিফোন (Nordic Mobile Telephone), টোটাল একসেস কমিউনিকেশন সিস্টেম (Total Access Communication System-TACS) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৪৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কিত নিচের কোন উক্তিটি মিথ্যা?
  1. আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
  2. সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
  3. মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়।
  4. ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের প্রধান বৈশিষ্ট্য তিনটি।
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৪৭.
ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান নিচের কোনটি?
  1. প্রেরক
  2. গন্তব্য
  3. মাধ্যম
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশনের ধারণা: 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্যবিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়।
- ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়।

⇒ ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান:
- Action ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদান নয়।
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬টি উপাদান থাকে। যথা-
১। ডাটা বা তথ্য (Information),
২। ডাটার উৎস (Source),
৩। প্রেরক (Sender),
৪। মাধ্যম (Medium),
৫। প্রাপক (Receiver) ও
৬। গন্তব্য (Destination)।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪৮.
Google-এর প্রতিষ্ঠা সাল হলো-
  1. ১৯৯২
  2. ১৯৯৮
  3. ১৯৯৫
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। (জুলাই, ২০২৪ পর্যন্ত)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৪৯.
কোন প্রযুক্তি 'On Demand' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. ক) Big Data Analytics
  2. খ) Client Server System
  3. গ) Internet of things
  4. ঘ) Cloud Computing
ব্যাখ্যা
Cloud Computing প্রযুক্তি 'On Demand' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫০.
'Microsoft Azure' যে ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত-
  1. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  2. সফটওয়্যার সেবা
  3. অবকাঠামোগত সেবা
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• 'Microsoft Azure' এর ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মধ্যে IaaS, PaaS এবং SaaS সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫১.
Bitcoin relies on which cryptography?
  1. Public key
  2. Private key
  3. Symmetric key
  4. Caesar cipher
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Public key

বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি, যেখানে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়।
- এটি একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা ২০০৯ সালে একজন নামহীন প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল তৈরি করেন।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটিকে অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সি বা বাস্তব মুদ্রায় (যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরো) রূপান্তর করতে পারেন।
- বিটকয়েন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনা সম্ভব।
- বিটকয়েন পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি-র ওপর নির্ভরশীল, যেখানে ব্যবহারকারীদের একটি পাবলিক কী থাকে যা সবাই দেখতে পারে এবং একটি প্রাইভেট কী থাকে যা শুধুমাত্র তাদের নিজের কম্পিউটারে থাকে।
- বিটকয়েন লেনদেনে, গ্রাহকরা তাদের পাবলিক কী প্রেরণ করে প্রেরণকারীর কাছে।
- প্রেরণকারীরা তাদের প্রাইভেট কী দিয়ে লেনদেনে সাইন করে এবং লেনদেনটি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে পাঠানো হয়।
- একই বিটকয়েন একাধিকবার খরচ না করতে, প্রতিটি লেনদেনের সময় ও পরিমাণ একটি লেজার ফাইলে সংরক্ষিত থাকে, যা নেটওয়ার্কের প্রতিটি নোডে থাকে।
- ব্যবহারকারীদের পরিচয় আপেক্ষিকভাবে গোপন থাকে, তবে সবাই দেখতে পারে কোন বিটকয়েন কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা

৭৫২.
স্মার্ট হোমে যন্ত্রপাতি ইন্টারনেট দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে যে আরডুইনো ব্যবহৃত হয় তা- কোন ধরনের উদাহরণ?
  1. Data mining
  2. Artificial Intelligence
  3. Cloud computing
  4. Internet of Things (IoT)
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোমে যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে আরডুইনো ব্যবহার করা হয় মূলত Internet of Things (IoT) এর উদাহরণ হিসেবে। IoT হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে দৈনন্দিন যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আরডুইনো মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করে লাইট, ফ্যান, দরজা, বা সেন্সর যুক্ত যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা যায়। ব্যবহারকারী মোবাইল বা কম্পিউটারের অ্যাপের মাধ্যমে এসব যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং ডেটা সংগ্রহ করে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তাই স্মার্ট হোমে আরডুইনো ব্যবহারের উদাহরণ স্পষ্টভাবে IoT-র আওতায় পড়ে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Internet of Things (IoT).

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- geeksforgeeks.

৭৫৩.
Digital Wallet এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Credit card
  2. Google Pay
  3. Cash on delivery
  4. Bank transfer
ব্যাখ্যা

◉ Digital Wallet (ই-ওয়ালেট) হলো একটি সফটওয়্যারভিত্তিক সিস্টেম, যেখানে ব্যবহারকারী তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা মোবাইল পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে সহজে অনলাইন বা অফলাইন লেনদেন করতে পারে। উদাহরণ: Google Pay, Apple Pay, PayPal, bKash, Nagad ইত্যাদি।

ডিজিটাল ওয়ালেট: 
- ডিজিটাল ওয়ালেট (E-wallet) হলো একটি সফটওয়্যার বা অনলাইন সেবা, যা ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ইলেকট্রনিক লেনদেন করার সুযোগ দেয়।
- সাধারণত স্মার্টফোন অ্যাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে ডেস্কটপ সংস্করণও থাকতে পারে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে। 
- কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রচলিত ওয়ালেটের চেয়ে নিরাপদ, কারণ এতে ডেটা এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড/বায়োমেট্রিক সিকিউরিটি থাকে।
- উদাহরণ: PayPal, Google Pay, বিকাশ ইত্যাদি। 

উৎস: কর্পোরেট ফিন্যান্স ইন্সটিটিউশন। 

৭৫৪.
MS Word is an example of -
  1. ক) Package Program
  2. খ) System Program
  3. গ) Utility Program
  4. ঘ) Customize Program
ব্যাখ্যা
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার মূলত দুই ধরনের। যথাঃ
১. প্যাকেজ প্রোগ্রাম ও
২. কাস্টমাইজ প্রোগ্রাম।

প্যাকেজ প্রােগ্রাম
: ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানাের জন্য বেশ কিছু প্রােগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রােগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রােগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রােগ্রামকে প্যাকেজ প্রােগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রােগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলাে। যেমন
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার।
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার।
৭। ইউটিলিটিস সফটওয়্যার।
৮। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।

MS Word হলো একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা প্যাকেজ প্রােগ্রামের অন্তর্ভুক্ত। 

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৭৫৫.
ইমেইল ক্লায়েন্টে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল গ্রহণ করতে কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. SFTP
  2. HTTP
  3. SMTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• POP3 প্রোটোকল ইমেইল ক্লায়েন্টে মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল গ্রহণ করতে ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
 
• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.
- POP3 প্রোটোকলের মূল কাজ হলো সার্ভার থেকে ইমেইলগুলো ডিভাইসে ডাউনলোড করে নেওয়া এবং সাধারণত ডাউনলোড করার পর সার্ভার থেকে সেগুলোকে মুছে ফেলা।
- এই প্রোটোকলের একটি বড় সুবিধা হলো, একবার ইমেইল ডাউনলোড হয়ে গেলে অফলাইনেও তা পড়া যায়।

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- SMTP হলো ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর কাজ করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়েব ব্রাউজারে ওয়েব পেজ দেখার জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল।
- এটি ওয়েব সার্ভার থেকে ডেটা (যেমন- HTML, ছবি, ভিডিও) পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়।

• SFTP:
- SFTP (SSH File Transfer Protocol) হলো একটি নিরাপদ ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল।
- এটি SSH (Secure Shell) প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইমেইলের জন্য নয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৭৫৬.
কোন প্রযুক্তি Speech Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?
  1. ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি
  2. ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT)
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  4. প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
♦ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৭.
ইন্টেল কর্তৃক উদ্ভাবিত AI accelerator এর নাম কী?
  1. ক) Xeon
  2. খ) Core i9
  3. গ) Nervana
  4. ঘ) Itanium
ব্যাখ্যা
- Nervana হল ইন্টেল কর্তৃক উদ্ভাবিত ডিপ লার্নিং অ্যাক্সিলারেটর।
- এটিকে বিশেষভাবে এ আই এর অন্তর্ভুক্ত ডিপ লার্নিংকে  ত্বরান্বিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। 

তথ্যসূত্ৰ :
"Intel's Nervana: Inside the deep learning accelerator" (https://www.zdnet.com/article/intels-nervana-inside-the-deep-learning-accelerator/)
"Intel's Nervana Platform: A deep dive" (https://www.nextplatform.com/2017/08/28/intels-nervana-platform-deep-dive/)
৭৫৮.
নিচের কোনটি বৈধ IPv4 ঠিকানা নয়?
  1. 172.16.0.5
  2. 192.168.255.256
  3. 255.255.255.255
  4. 10.0.0.1
ব্যাখ্যা

◉ একটি IPv4 ঠিকানা চারটি অক্টেট নিয়ে গঠিত (যেমন: A.B.C.D), এবং প্রতিটি অক্টেটের মান হতে পারে 0 থেকে 255 এর মধ্যে। 
​192.168.255.256 → ভুল, কারণ এখানে শেষ অক্টেটের মান 256, যা 0–255 এর বাইরে।


​আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫৯.
তথ্য প্রযুক্তির অন্যতম প্রতিষ্ঠান 'ইয়াহু' (Yahoo) - এর প্রতিষ্ঠাতা কে ?
  1. ডেনিস রিচি ও কেন থম্পসন
  2. ডেবিড ফিলো এবং জেরি ইয়ং
  3. ভিন্ট কার্ফ ও জেফ বেজোস
  4. স্টিভ কেস ও রবার্টস
ব্যাখ্যা
- ইয়াহু একটি বৃহৎ ইন্টারনেটভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান । 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সানিভেল শহরে প্রধান কার্যালয় ।
- ১৯৯৪ সালে ডেবিড ফিলো এবং জেরি ইয়ং ইয়াহু প্রতিষ্ঠা করেন ।
 - ইয়াহু ওয়েবসাইট ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম যেমন সার্চ ইঞ্জিন,  ইয়াহু মেইল,  ইয়াহু ভিডিও ইত্যাদি রয়েছে ।

সূত্র: Yahoo.com
৭৬০.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সফটওয়্যারের মধ্যে কোনটি উল্লেখযোগ্য নয়?
  1. Vizard
  2. VRToolkit
  3. Maya
  4. Adobe Illustrator
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- Adobe Illustrator হলো একটি পেশাদার গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার, যা ভেক্টর গ্রাফিক্স ডিজাইন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭৬১.
Wi-MAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. 802.15
  2. 802.18
  3. 802.11
  4. 802.16
ব্যাখ্যা
• Wi-MAX:
 WiMAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN) প্রটোকল যা ফিক্সড এবং মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।

• WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি।
যথা:
১. বেস স্টেশন এবং
২. অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

• Wi-MAX-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN)
২. নেটওয়ার্ক সংস্থাপন ক্যাবলিংয়ের তুলনায় সহজ এবং সুবিধাজনক।
৩. ব্যান্ডউইথ বা ডেটা ট্রান্সফার রেইট ওয়্যারেড নেটওয়ার্ক বা ক্যাবলিংয়ের তুলনায় বেশি।
৪. একইসাথে ওয়্যারেড এবং ওয়ালেস উভয়ই নেটওয়ার্কের সুবিধা প্রদান করে।
৫. কভারেজ এরিয়া সাধারণত ১০ কি.মি. থেকে শুরু করে ৬০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৬. ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন উভয়ই হতে পারে।
৭. অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডের জন্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হয়।
৮. সংস্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৬২.
URL- এর তৃতীয় অংশের নাম কী?
  1. ক) প্রোটোকল
  2. খ) পাথ
  3. গ) প্যারামিটার
  4. ঘ) হোস্টনেম
ব্যাখ্যা
• URL- এর তৃতীয় অংশের নাম পাথ বা ডিরেক্টরি নাম।
ইউআরএল (URL): কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা। প্রতিটি URL এ থাকে-
১. ওয়েব প্রোটোকল
২. ওয়েব সার্ভারের নাম
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ
৪. HTML ফাইলের নাম
• ওয়েব প্রোটোকল: http (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
• ওয়েব সার্ভার: সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।
• সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ: সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।
• HTML ফাইল নাম: html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।  
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭৬৩.
আইপি এড্রেসের অংশগুলোকে ডট দ্বারা ভাগ করা প্রতিটি অংশকে কী বলে?
  1. ক) সেল
  2. খ) অকটেট
  3. গ) সেক্টর
  4. ঘ) হোল
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারে একটি আইডিন্টিটি থাকে, যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
আইপি হল একধরনের প্রটোকল। বিশ্বে যেমন মানুষকে আলাদা করার জন্য নাম আছে, তেমনি প্রতিটি কম্পিউটার কে শনাক্ত করার জন্য থাকে আইপি এড্রেস।
আইপি এড্রেস ৪ টি অংশে ভাগ থাকে, যা ডট দিয়ে ভাগ করা থাকে, প্রতিটি অংশকে বলা হয় অকটেট। 

আইপি এড্রেসকে তিনভাবে প্রকাশ করা যায়।
১. ডটেড ডেসিমল নোটেশন -  যেমন: 192.165.68.5
২. হেক্সাডেসিমল নোটেশন-যেমন: C0.A8.0F.05
৩. বাইনারি নোটেশন - যেমন: 11000000.10101000.00001111.00000101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭৬৪.
নিচের কোনটি স্মার্ট ওয়াচে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম ?
  1. Linux Mint
  2. macOS
  3. Wear OS
  4. DOS
ব্যাখ্যা

Wear OS by Google স্মার্ট ওয়াচে ব্যবহৃত একটি অপারেটিং সিস্টেম।

• স্মার্টফোন:
-স্মার্ট ওয়াচ হলো বিশেষ এক ধরনের ঘড়ি, যা মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের মত নানা স্মার্ট ফিচার সাপোর্ট করে।
- এটি ইন্টারনেট সংযোগ, সেন্সর, অ্যাপ এবং স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এর মতো সুবিধা প্রদান করে।
- Android Wear ছিল গুগল-এর স্মার্ট ওয়াচ অপারেটিং সিস্টেম, যা পরে Wear OS by Google নামে পরিচিত হয়।
- এটি স্মার্ট ওয়াচের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা Android ফোনের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করে।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী নোটিফিকেশন, হেলথ ট্র্যাকিং, ভয়েস কমান্ড (Google Assistant) ইত্যাদি সুবিধা পান।

উৎস: গুগল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিংক]

৭৬৫.
Google এর App Engine কোন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে?
  1. অবকাঠামােগত সেবা
  2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  3. সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Paas: Platform as a service) : এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Microsoft -এর Azure এবং Google এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।
৭৬৬.
নিচের কোনটি স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. iOS
  2. DOS
  3. UNIX
  4. Solaris
ব্যাখ্যা

• iOS → অ্যাপলের স্মার্টফোন (iPhone) এবং ট্যাবলেট (iPad)-এর জন্য তৈরি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম।

• Smartphone:

- স্মার্টফোন হলো একটি উন্নত মোবাইল ফোন, যা মোবাইল ফোনের সাথে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একত্রে ধারণ করে।
- স্মার্টফোনে সাধারণত টাচস্ক্রিন, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা এবং মাল্টিমিডিয়া সাপোর্ট থাকে।
- এটি ভয়েস কল ও এসএমএসের পাশাপাশি ই-মেইল, ভিডিও কল, সামাজিক যোগাযোগ, অনলাইন সেবা ইত্যাদি ব্যবহারে সক্ষম।
 
• Smartphone-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ (Applications) ইনস্টল ও ব্যবহার করা যায়।
- উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা, GPS, Bluetooth, Wi-Fi সুবিধা থাকে।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান ও অনলাইন সেবা গ্রহণ করা যায়।
 
• Smartphone-এ ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম:
- Android,
- iOS,
- (পূর্বে ব্যবহৃত) Windows Phone, BlackBerry OS, ইত্যাদি।
 
• Smartphone-এর ব্যবহারক্ষেত্র:
- যোগাযোগ (ভয়েস কল, ভিডিও কল, মেসেজিং)।
- ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ই-মেইল।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার।
- শিক্ষা, ব্যবসা, ব্যাংকিং ও অনলাইন সেবা।
- বিনোদন (গান, ভিডিও, গেম)।
 
• Smartphone ও সাধারণ মোবাইল ফোনের পার্থক্য:
- সাধারণ মোবাইল ফোনে সীমিত সুবিধা থাকে।
- স্মার্টফোনে পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকে।
- স্মার্টফোনকে একটি হ্যান্ডহেল্ড কম্পিউটার হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।
 
উৎস: Britannica [Link].

৭৬৭.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান বিগ ব্লু নামে পরিচিত?
  1. Microsoft
  2. IBM
  3. Amazon
  4. Intel
ব্যাখ্যা

আইবিএম (IBM): 
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation. 
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- প্রথমে নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR),পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয়। 
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়। 
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ। 
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150. 
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc. 
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম। 
- হাইপারলেজার হল একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি। 

তথ্যসূত্র - IBM Website

৭৬৮.
Oracle Corporation is primarily associated with:
  1. Search engines
  2. Social media
  3. Database management and cloud services
  4. E-commerce
ব্যাখ্যা
• ওরাকল কর্পোরেশন (Oracle Corporation):
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- ১৯৭৭ সালের ওরাকল যাত্রা শুরু করে।
- Headquarters: Austin, Texas, United States.
- Founders: Larry Ellison, Bob Miner, Ed Oates.
- কোম্পানিটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সিস্টেম এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার পণ্যে পারদর্শী-বিশেষভাবে নিজস্ব ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্র্যান্ড।
- Oracle Corporation, Database management and cloud services নিয়ে কাজ করে।

কয়েকটি Search engine এর নাম হল:
- google,
- bing,
- yahoo.

কয়েকটি Social media এর নাম হল:
- facebook,
- instagram,
- whatsapp.

কয়েকটি E-commerce এর নাম হল:
- amazon,
- alibaba,
- daraz.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৬৯.
পিএসটু পোর্ট (PS/2) কত পিনবিশিষ্ট হয়?
  1. ২৫
  2. ১৫
  3. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়‍্যার সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে।
- এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট। কম্পিউটারে বিভিন্ন পোর্ট ব্যবহৃত হয়। যেমন-

• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি- বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়‍্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

• পিএসটু পোর্ট (PS/2):
- সাধারণত PS/2 পোর্টে কি-বোর্ড ও মাউস পোর্ট সংযুক্ত করা হয়।
- পোর্ট ৬ পিনবিশিষ্ট হয়।
- পূর্বে মাউস ও কি-বোর্ড PS/2 পোর্টে সংযুক্ত হতো।
- বর্তমানে ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে মাউস ও কি-বোর্ড সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭০.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে কী বলা হয়? 
  1. ই-হেলথ 
  2. ই-মেডিসিন 
  3. মেডিক্যাল সার্ভিস 
  4. টেলিমেডিসিন 
ব্যাখ্যা

• টেলিমেডিসিন:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭৭১.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কোম্পানি ডিপসিক (DeepSeek) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. এলন মাস্ক
  2. সান্দ্রা পিচাই
  3. জেফ বেজোস
  4. লিয়াং ওয়েনফেং
ব্যাখ্যা
ডিপসিক (DeepSeek):
- ডিপসিক (DeepSeek) একটি চীনা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কোম্পানি।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব চীনের হাংঝু শহরে অবস্থিত।
- কোম্পানিটি জুলাই ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন লিয়াং ওয়েনফেং, একজন চীনা উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী।
- লিয়াং কোয়ান্টিটেটিভ হেজ ফান্ড হাই-ফ্লায়ারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি A-100 চিপের বড় মজুত সংগ্রহ করেছিলেন, যা ডিপসিক প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়েছে।
- আনুমানিক ৫০,০০০ চিপ সংগ্রহ তাকে এই কোম্পানি গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

ডিপসিকের লক্ষ্য ও অর্জন:
- ডিপসিকের মূল লক্ষ্য হলো কম খরচে কার্যকর AI মডেল তৈরি করা।
- এর R-1 মডেলটি মাত্র ৬ মিলিয়ন ডলার খরচে তৈরি করা হয়েছে, যা অন্যান্য AI মডেলের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।
- এই মডেলটি চ্যাটজিপিটির সমকক্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি ডিপসিক তাদের প্রথম বিনামূল্যের চ্যাটবট অ্যাপ প্রকাশ করে।
- অ্যাপটি মুক্তির কিছুদিনের মধ্যেই অ্যাপল স্টোরে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড করা ফ্রি অ্যাপের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে।

প্রতিক্রিয়া ও স্বীকৃতি:
- সিলিকন ভ্যালির উদ্যোক্তা মার্ক আন্দ্রিসেন ডিপসিককে AI জগতের 'অন্যতম যুগান্তকারী আবিষ্কার' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তথ্যসূত্র:- DeepSeek AI ও বিবিসি বাংলা নিউজ।
৭৭২.
ব্লু টুথ এর মাধ্যমে কোন ধরনের Wireless নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতি অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক:
১. Personal Area Network (PAN)
২. Local Area Network (LAN)
৩. Metropolitan Area Network (MAN)
৪. Wide Area Network (WAN)

⇒ PAN:
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে নেটওয়ার্ক (ব্লু-টুথ এর মাধ্যমে) তৈরি করা হয় তা হলো PAN।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৭৭৩.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কোন সেবাগুলো চালু হয়? 
  1. ক্লাউড কম্পিউটিং এবং IoT
  2. প্রি-পেইড, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা
  3. ভয়েস কল এবং ফ্যাক্স
  4. ভিডিও কল এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 

দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G: 1991-2000): 
- অ্যানালগ ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ডিজিটাল ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু হয়, তাই Second Generation-2G-কে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়। 
- এ সময়ের মোবাইল ফোনের টেকনোলজির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো GSM (Global System for Mobile Communication) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) সুবিধা। 
- এসব সুবিধা নিয়ে এবং ভয়েসকে নয়েজমুক্ত করার মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের সূচনা হয়, এজন্য সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইলকে জিএসএম বা সিডিএমএ স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়। 
- সময়ের পরিক্রমায় মোবাইল হ্যান্ডসেটের আকৃতি ও ওজন উল্লেখযোগ্য হারে কমতে থাকে। 
- ক্রমান্বয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রি-পেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। 
- এ সময়ে আন্তর্জাতিক রোমিং সিস্টেম চালু হয়। 
- যখন কোনো মোবাইল ফোন তার সার্ভিস অপারেটরের কভারেজ এরিয়ার বাইরে থেকেও সর্বদা ডেটা সার্ভিস দিতে পারে তখন তাকে রোমিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৭৭৪.
পাবলিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. WAN
  2. PAN
  3. LAN
  4. CAN
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের মালিকানা: 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network) এবং 
২। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network)। 

পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে, অর্থাৎ এর একক মালিকানা থাকে না। 
- এর ব্যবহারকারীকে সাধারণত ফিস্ বা মূল্য পরিশোধ করতে হয় না। 
- WAN বা ইন্টারনেট হলো পাবলিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 

প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে। 
- কেউ ইচ্ছা করলেই এই নেটওয়ার্কে অ্যাকসেস করতে পারে না। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ও তত্ত্বাবধানে। 
- এর সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত এবং এতে ট্রাফিক নেই বললেই চলে। 
- ডেটা আদান-প্রদানে ডিলে (Delay) কম হয়। 
- PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৭৭৫.
WCDMA মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মের সেবা প্রদান করে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 

তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে। 
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার। 
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম। 
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়, এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে। 
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)। 
- মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়- 
1. HSPA (High speed package Access), 
2. WCDMA (Wide band code division multiple access)
3. 3GPP (3rd Gen Partnership Project) এবং 
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) I  
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৭৭৬.
সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবহারের কারণঃ
  1. ক) নৌচলাচলের বিপদ সংকেত
  2. খ) জাহাজ চলাচলের সুবিধা
  3. গ) ইন্টারনেট সংযোগ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাবমেরিন কেবল হলো সাগরের তলদেশের স্থাপিত এক ধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল। এটি টেলিকমিউনিকেশনে এবং ইন্টারনেট সংযোগে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবলে যোগ দেয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
৭৭৭.
Which protocol is most widely used for data exchange on the Internet?
  1. TCP/IP
  2. FTP
  3. HTTP 
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) TCP/IP

• ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট পৃথিবী বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- এটি অসংখ্য ছোট বা বড় নেটওয়ার্কের সংযোগে তৈরি একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।
- ভিনটন গ্রে সার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- ARPANET দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

• ARPANET:
- ARPANET হল একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো 'Advanced Research Projects Agency Network'.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।


উৎস: 1. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।

৭৭৮.
HTTP 404 কি ধরনের সতর্ক বার্তা?
  1. ক) সার্ভার বন্ধ
  2. খ) সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন হয়ে গেসে
  3. গ) পেইজ পাওয়া যাচ্ছে না
  4. ঘ) সার্ভার পাওয়া যাচ্ছে না
ব্যাখ্যা

100 Continue
101 Switching Protocols
102 Processing
200 OK
201 Created
202 Accepted
203 Non-authoritative Information
204 No Content
300 Multiple Choices
301 Moved Permanently
302 Found
303 See Other
304 Not Modified
305 Use Proxy
307 Temporary Redirect
308 Permanent Redirect
400 Bad Request
401 Unauthorized
402 Payment Required
403 Forbidden
404 Not Found
405 Method Not Allowed
406 Not Acceptable
407 Proxy Authentication Required
408 Request Timeout
409 Conflict
410 Gone
411 Length Required
412 Precondition Failed
413 Payload Too Large
414 Request-URI Too Long
415 Unsupported Media Type
416 Requested Range Not Satisfiable
417 Expectation Failed
418 I'm a teapot
421 Misdirected Request
422 Unprocessable Entity
423 Locked
500 Internal Server Error
501 Not Implemented
502 Bad Gateway
503 Service Unavailable
504 Gateway Timeout
505 HTTP Version Not Supported
506 Variant Also Negotiates
507 Insufficient Storage
508 Loop Detected
510 Not Extended
511 Network Authentication Required
599 Network Connect Timeout Error

৭৭৯.
ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. ন্যানো টেকনোলজি
  3. বায়ো ইনফরমেটিক্স
  4. বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — ক) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং

- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ডিএনএ (DNA) পরিবর্তন, সংশোধন বা নতুন সিকোয়েন্স তৈরি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়ায় জীবের জিন (gene) কেটে, জোড়া লাগিয়ে বা পরিবর্তন করে নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: জিন ক্লোনিং, রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি ইত্যাদি।

অপশন আলোচনা:
- ন্যানো টেকনোলজি: অণু বা পরমাণু স্তরে পদার্থ নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি।
- বায়ো ইনফরমেটিক্স: জীববৈজ্ঞানিক তথ্য (বিশেষত জেনোম ডেটা) বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ব্যবহারের পদ্ধতি।
- বায়োমেট্রিক্স: মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য দিয়ে পরিচয় নির্ধারণের পদ্ধতি (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস রিকগনিশন)।
- তাই ডিএনএ-এর নতুন সিকোয়েন্স তৈরিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং:
- কোনো জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গবেষণার মাধ্যমে যখন একটি জিন পরিবর্তন করে সেখানে অন্য জিন লাগানো হয়, তখন তাদেরকে একত্রে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ বা RDNA প্রযুক্তি বলে।
- এ প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে DNA সূত্রের কাঙ্ক্ষিত খণ্ড বা অংশ ক্ষুদ্র এককোষী আবাদি জীব তথা ব্যাকটেরিয়া থেকে মানবদেহে, উদ্ভিদকোষ থেকে প্রাণীদেহে এবং প্রাণীকোষ থেকে উদ্ভিদদেহে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএ-এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- ১৯৭৩ সালে Ecoli ব্যাকটেরিয়ার প্লাসমিডের মধ্যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট জিন প্রবেশ করানোর মাধ্যমে Herbert Boyer এবং Stanley Cohen সর্বপ্রথম ট্রান্সজেনিক জীব তৈরী করেন।
- RDNA সমৃদ্ধ জীবকোষকে বলা হয় Genetically Modified Organism (GMO)।
- উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ঔষধ কোম্পানি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি সফলভাবে প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক সুবিধাদি গ্রহণ করছে।
- উদাহরণস্বরূপ মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিনকে ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবিষ্ট করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করা হচ্ছে।
- তাছাড়া রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিজাত ফসল এবং উদ্ভিদের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৮০.
যে বইগুলো অনলাইন পড়া যায় সেগুলো কোন ফরম্যাটে থাকে?
  1. pdf
  2. html
  3. jpg
  4. doc
ব্যাখ্যা
• ই-বুক:
- ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক বা ই-বই হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ।
- যেহেতু, এটি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয় সে কারণে এতে শব্দ, অ্যানিমেশন ইত্যাদিও জুড়ে দেওয়া যায়।
- ই-বুক কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা বিশেষ ধরনের রিডার (ই-বুক রিডার) ব্যবহার করে পড়া যায়। প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের (amazon.com) কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- মুদ্রিত বইয়ের হুবহু প্রতিলিপি ই-বুকগুলো মূলত মুদ্রিত বইয়ের মতই হয়ে থাকে। সচরাচর এগুলো পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট) ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়ে থাকে।
- যে ই-বুকগুলো কেবল অনলাইনে তথা ইন্টারনেটে পড়া যায়, এগুলো সচরাচর এইচটিএমএল-এ প্রকাশিত হয়। এগুলোকে বই-এর ওয়েবসাইট বলা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
৭৮১.
কোনটি সাইবার ক্রাইম নয়?
  1. Debugging
  2. Trojan Horse
  3. Denial of Service (DoS) Attack
  4. Data diddling
ব্যাখ্যা

• চারটি অপশনের মধ্যে Debugging সাইবার ক্রাইম নয়।
- Debugging হলো সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মধ্যে থাকা ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং তা ঠিক করার প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত নিরাপদ এবং বৈধ একটি কার্যক্রম। অন্যদিকে, Trojan Horse হলো একটি ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই সিস্টেমে প্রবেশ করে ক্ষতি করে। Denial of Service (DoS) Attack হলো সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অকার্যকর করার জন্য করা একটি সাইবার আক্রমণ। আর Data diddling হলো ডেটা চুরি বা পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্ষতি করা। তাই Debugging স্বাভাবিকভাবে সাইবার ক্রাইমের আওতায় পড়ে না।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৮২.
জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ফ্রিকোয়েন্সি হপিং সুবিধা
  2. উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন
  3. বিদ্যুৎ খরচ অনেক কম
  4. GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে
ব্যাখ্যা

জিএসএম প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলক বেশি, গড়ে প্রায় ২ ওয়াট। যেখানে সিডিএমএ টেকনোলজির ক্ষেত্রে গড়ে মাত্র ২০০ মাইক্রোওয়াট।

• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৮৩.
দেশ জুড়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তা -
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক বিস্তৃতি অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক:
১. Personal Area Network (PAN)
২. Local Area Network (LAN)
৩. Metropolitan Area Network (MAN)
৪. Wide Area Network (WAN)

PAN:
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে নেটওয়ার্ক (ব্লু-টুথ এর মাধ্যমে) তৈরি করা হয় তা হলো PAN।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

LAN:
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে সকল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে দেখা যায়, এগুলো সবই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN। 

MAN:
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

WAN:
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। 
- দেশ জুড়ে বা পৃথিবী জুড়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তা হলো WAN।

উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৭৮৪.
ইউটিউব প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত নয় কে?
  1. স্টিভ চেন
  2. চ্যাড হারলি
  3. জাবেদ করিম
  4. রেইড হফম্যান
ব্যাখ্যা
• ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। 
- গুগল ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ইউটিউব কিনে নেয়। 
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google
- CEO: Neal Mohan

- রেইড হফম্যান লিংকডইন এর প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৮৫.
ChatGPT মূলত কোন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. Computer Vision
  2. Machine Translation
  3. Natural Language Processing (NLP)
  4. Data Mining
ব্যাখ্যা

• চ্যাটজিপিটি Natural Language Processing (NLP) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে।

• OpenAI :
- OpenAI একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OpenAI–এর প্রধান লক্ষ্য হলো—মানবকল্যাণে নিরাপদ ও উপকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) তৈরি করা।
- OpenAI শুরুতে একটি নন-প্রফিট (Non-profit) প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে OpenAI একটি হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করে, যেখানে গবেষণা ও বাণিজ্যিক উভয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- OpenAI–এর সদর দপ্তর সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
 
• ChatGPT :
- ChatGPT হলো OpenAI কর্তৃক উন্নত একটি AI–ভিত্তিক ভাষা মডেল (Language Model)।
- ChatGPT মূলত GPT (Generative Pre-trained Transformer) আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি মানুষের মতো স্বাভাবিক ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, লেখা তৈরি, ব্যাখ্যা দেওয়া ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে সক্ষম।
- ChatGPT–এর প্রথম সংস্করণ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে।
- এটি Natural Language Processing (NLP) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে।
- শিক্ষা, গবেষণা, কনটেন্ট তৈরি, প্রোগ্রামিং সহায়তা ও গ্রাহকসেবা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ChatGPT ব্যবহৃত হচ্ছে।
 
• ChatGPT–এর কার্যপদ্ধতির মূল ধারণা :
- ChatGPT বিপুল পরিমাণ টেক্সট ডেটা ব্যবহার করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
- এটি পূর্ববর্তী শব্দের ধারাবাহিকতার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী শব্দ অনুমান করে উত্তর তৈরি করে।
- এটি নিজে চিন্তা করে না, বরং শেখানো ডেটা ও অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া প্রদান করে।
 
 উৎস: OpenAI & Britannica [Link].

৭৮৬.
অ্যাপলের বর্তমান (জুলাই, ২০২৪) সিইও কে?
  1. সুন্দর পিচাই
  2. অরবিন্দ কৃষ্ণ
  3. টিম কুক
  4. স্টিভ ওজনিয়া
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।
- অ্যাপলের বর্তমান (জুলাই, ২০২৪) সিইও হলেন টিম কুক

উৎস: Britannica.
৭৮৭.
ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. LAN
  2. MAN
  3. PAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network-LAN):
- সাধারণত 1km বা তার কম জায়গার মধ্যে কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) বলে।
- এটি সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাসে, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোন ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত এবং ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে বাবহৃত হয়।
 
• নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথে-
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক এবং
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৮৮.
"সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক" - হিসেবে কোন নেটওয়ার্কটি পরিচিত?
  1. Personal Network Area
  2. Hybride Network
  3. Client-Server Network
  4. Peer to Peer Network
ব্যাখ্যা
• Client-Server Network নেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৯.
LAN এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়?
  1. ১ কিলোমিটার
  2. ৩ কিলোমিটার
  3. ৫ কিলোমিটার
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• LAN:
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৯০.
HTTP কোন প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. FTP
  2. TCP/IP
  3. SMTP
  4. IMAP/IP
ব্যাখ্যা
HTTP 'TCP/IP' প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯১.
Wi-Fi-এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া কত?
  1. ৫০০ মিটার–১ কিমি
  2. ৫–১০ মিটার
  3. ৫০–২০০ মিটার
  4. ১ কিমি
ব্যাখ্যা
Wi-Fi-এর সাধারণ কভারেজ এরিয়া ৫০–২০০ মিটার পর্যন্ত।

Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ডিজিটাল যন্ত্রপাতি (যেমন: ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি) বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়।
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.11।
- এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত।
- এর ব্যান্ডউইথ: ১০ Mbps – ৫০ Mbps.
- Ad-hoc Mode এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ সম্ভব।
- এটি LAN-এর তুলনায় সস্তা ও সহজলভ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৭৯২.
GPS এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Great Positioning System
  2. খ) Global Pointing System
  3. গ) Global Positioning System
  4. ঘ) Global Publication System
ব্যাখ্যা
GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System
৭৯৩.
একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কোন ডিভাইস কাজ করে?
  1. হাব
  2. রাউটার
  3. ব্রিজ
  4. সুইচ
ব্যাখ্যা

• একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে রাউটার কাজ করে। রাউটার হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে ডেটা প্যাকেটকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নির্দেশনা দেয়। এটি মূলত আইপি ঠিকানার ভিত্তিতে ডেটা ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ করে এবং যে কোন নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে তথ্য প্রেরণ করতে সক্ষম। অন্য ডিভাইস যেমন হাব বা সুইচ সাধারণত একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্রেরণ করে এবং ব্রিজ ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে, কিন্তু বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে কার্যকরভাবে যোগাযোগ নিশ্চিত করতে রাউটার অপরিহার্য। তাই একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের মূল মাধ্যম হলো রাউটার।

- উত্তর: খ) রাউটার। 
 
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।

• কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা-
১. সক্রিয় হাব (Active HUB ):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে
প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে ।

২. নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে ।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।

• ব্রিজ (Bridge):
- এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- তবে এর সাহায্যে ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায় না।

- ব্রিজকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. লোকাল ব্রিজ (Local Bridge):
- এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।

২. রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge):
- ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দু'টি অবস্থানের দু'টি ল্যান সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে।

৩. ওয়‍্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge):
- একাধিক LAN যুক্ত করা অথবা LAN এর দূরবর্তী স্টেশনকে সংযুক্ত করার জন্য ওয়ারলেস ব্রিজ ব্যবহৃত হতে পারে।

এছাড়াও, 
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯৪.
অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Spamming
  2. Sniffing
  3. Phishing
  4. Sneaking
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।


• স্নিফিং (Sniffing):

- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):

- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্নিকিং (Sneaking):

- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৯৫.
দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিস্কৃত বাংলায় প্রথম সফটওয়্যার এর নাম কী?
  1. ক) আইলিপ
  2. খ) আইসাইট
  3. গ) আইডট
  4. ঘ) আইলাইট
ব্যাখ্যা
• বাংলা বিজয় কী-বোর্ডের উদ্ভাবক হলেন- মোস্তফা জব্বার।
• দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিষ্কৃত বাংলা প্রথম সফটওয়্যার হল- আই সাইট।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর
৭৯৬.
ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয় কোন প্রজন্মের ফোনে?
  1. ক) 2G
  2. খ) 3G
  3. গ) 4G
  4. ঘ) 5G
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০)
১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়। ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
১। দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়।
২। GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
৩। সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৪। পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৫। SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
৬। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭৯৭.
IEEE 802.11 কোন সাধারণ ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. NFC
  2. Zigbee
  3. Wi-Fi
  4. Bluetooth
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.11 একটি সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি মানদণ্ড যা মূলত Wi-Fi এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) তৈরি ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং ব্যবহারকারীদেরকে তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ও ডেটা সংযোগের সুবিধা দেয়। IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) এই মানটি নির্ধারণ করে, যা বিভিন্ন সংস্করণে (যেমন 802.11a/b/g/n/ac/ax) আপডেট হয়েছে উচ্চ গতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। NFC, Zigbee এবং Bluetooth ওয়্যারলেস প্রযুক্তি হলেও, এদের নিজস্ব আলাদা মান রয়েছে, এবং IEEE 802.11 এর আওতাভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর: গ) Wi-Fi.

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।

- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯৮.
কম্পিউটারে বুদ্ধির প্রচলন করতে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
  3. রোবটিক্স
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কিভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।
- তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:

১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১০। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯৯.
মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভরশীল বায়োমেট্রিক পদ্ধতি কোনটি?
  1. ফেইস রিকোগনিশন
  2. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  3. টাইপিং কীস্ট্রোক
  4. ভয়েস রিকোগনিশন
ব্যাখ্যা

• মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভরশীল বায়োমেট্রিক পদ্ধতি হলো ফেইস রিকোগনিশন। এটি মানুষের মুখের আকার, চোখ, নাক, ঠোঁট এবং মুখের অন্যান্য ভৌত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে পরিচয় নির্ধারণ করে। ফেইস রিকোগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ফোন আনলক করা, ব্যাংক লেনদেন যাচাই ইত্যাদি কাজ করা সম্ভব। অন্যদিকে সিগনেচার ভেরিফিকেশন, টাইপিং কীস্ট্রোক এবং ভয়েস রিকোগনিশন মূলত মানুষের আচরণ বা ক্রিয়াকলাপের ওপর নির্ভরশীল, যা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নয়। তাই শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কাজ করা একমাত্র পদ্ধতি ফেইস রিকোগনিশন।

- উত্তর: ক) ফেইস রিকোগনিশন।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।

• বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায় বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই ধরনের। যথা-

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ (ফিঙ্গার প্রিন্ট),
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ (হ্যান্ড জিওমিট্রি), 
- আইরিশ এবং রেটিনা শনাক্তকরণ, 
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ (ফেইস রিকোগনিশন), 
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ (সিগনেচার ভেরিফিকেশন),
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (ভয়েস রিকোগনিশন)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৮০০.
অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL এর ভূমিকা কী?
  1. ডেটা এনক্রিপশন
  2. পেমেন্ট প্রসেসিং
  3. পণ্য প্রদর্শন
  4. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

SSL (Secure Sockets Layer) অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে মূলত ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (যেমন কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডেটা) নিরাপদে ব্রাউজার থেকে সার্ভারে পৌঁছায়।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.