বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা / ৫১ · ৫০১৬০০ / ৫,০২৮

৫০১.
What is Plagiarism?
  1. Entering a system secretly
  2. Misleading a network using false information
  3. Sending large numbers of emails to crash a system
  4. Copying someone's writing and presenting it as one’s own
ব্যাখ্যা
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে। 

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম: অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং: গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫০২.
নিচের কোনটি ই-কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) Shopify
  2. খ) Glassdoor
  3. গ) Wikipedia
  4. ঘ) Microsoft
ব্যাখ্যা
Shopify একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।

- ইলেক্ট্রনিক নেটওয়ার্ক, বিশেষ করে, ইন্টারেনট ব্যবহার করে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, অর্থ লেনদেন ও ডাটা আদান-প্রদানই হচ্ছে ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য। 
- ইলেকট্রনিক-কমার্স কে সাধারণত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে পণ্য, লেনদেনের প্রকৃতি ও ধরণ অনুযায়ী।
যথা:
১. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Customer – B2C)
২. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business – B2B)
৩. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Customer to Customer – C2C)
৪. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Customer to Business – C2B)

- ই-কমার্স এর সুবিধাসমূহ- 
১. দ্রুত পণ্য ক্রয় বিক্রয় পদ্ধতি, সহজ পণ্য পাওয়া যায় এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন করে।
২. বিভিন্ন সময়ে লাভজনক অফার পাওয়া যায়, যার ফলে বিভিন্ন জিনিস অনেক কম দামে কিনতে পারবেন ক্রেতারা।
৩. ই-কমার্সের ফলের ব্যবসা পরিচালনা করতে খরচ অনেক কম হয় এবং এক জনরে পক্ষে ব্যবসা পরিচালনা সম্ভব।
৪. সহজে ব্যবসা শুরু করা যায় এবং সহজেই ব্যবস্থাপনা করা বা এগিয়ে নেওয়া যায়।
৫. কম খরচে উন্নত মানের সেবা পাওয়া যায় এবং ক্রেতা সরাসরি না দিয়ে প্রোডাক্ট নির্বাচন করতে পারে।
৬. ভূগোলিক এর সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে সহজেই ক্রেতার কাছে পৌছানো যায় বা পণ্য বিক্রি করা সম্ভব।
৬. প্রডাক্ট রিভিউ এর মাধ্যমে ক্রেতা কে পণ্যের মান সম্পর্কে জানানো এবং খুব কম খরচে ই-কমার্স বিজনেস এর মার্কেটিং করা যায়।

সূত্র- Shopify Website [লিঙ্ক]
৫০৩.
ই-মেইল ঠিকানায় '@' চিহ্নের পূর্ববর্তী অংশকে কী বলা হয়?
  1. ডোমেইন নেম
  2. সার্ভার নেম
  3. প্রোটোকল নেম
  4. ইউজারনেম
ব্যাখ্যা

◉ ই-মেইল ঠিকানা দুই অংশে বিভক্ত — ইউজারনেম এবং ডোমেইন নেম, যা '@' চিহ্ন দ্বারা আলাদা হয়।
- '@' এর আগে থাকা অংশটি হলো ইউজারনেম, যা ই-মেইল অ্যাকাউন্টের মালিককে চিহ্নিত করে।
- '@' এর পরে থাকা অংশটি হলো ডোমেইন নেম, যা ই-মেইল সার্ভারের ঠিকানা নির্দেশ করে।

ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫০৪.
FTP stands for?
  1. File Text Protocol
  2. File Transfer Protocol
  3. Folder Transfer Protocol
  4. File Transfer Process
ব্যাখ্যা
♣ FTP:
• পূর্ণরূপ: File Transfer Protocol.  


• FTP একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়।
• ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে FTP এর সাহায্যে এক ধরনের কম্পিউটার অন্য আরেক ধরনের কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৫০৫.
কোনটি সোশ্যাল মিডিয়ার নেটওয়ার্কিং সাইট নয়? 
  1. Instagram
  2. Facebook
  3. Linkedin
  4. Baidu
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগের সাইট: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিক যোগাযোগকে দ্রুত, আকর্ষণীয়, এবং কার্যকরী করে তুলেছে।
- ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে বেশকিছু সামাজিক যোগাযোগের সম্পূর্ণ সাইট।
- নিজের ভালো-লাগা মন্দলাগা, অনুষ্ঠানাদি, চাকরিতে প্রমোশন, সন্তানাদির বিয়ে ইত্যাদি নানা বিষয়ের তথ্য, ছবি কিংবা ভিডিও বিনিময় করা যায় এগুলোর যে কোনো একটি থেকে।
- বর্তমানে প্রায় শতাধিক এরকম ওয়েবসাইট রয়েছে।
- বিখ্যাত কিছু জনপ্রিয় সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট হচ্ছে- 
1. Facebook, 
2. Whatsapp, 
3. Twitter/X, 
4. Linkedin
5. Instagram এবং 
6. Telegram ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- Baidu একটি সার্চ ইঞ্জিন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৫০৬.
Direct to Home (DTH) প্রযুক্তি হলো-
  1. ক) সরাসরি তথ্যের আদান-প্রদান প্রযুক্তি
  2. খ) বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ প্রযুক্তি
  3. গ) স্যাটেলাইট টিভি প্রযুক্তি
  4. ঘ) হোম থিয়েটার প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
কেবল লাইনের সংযোগ ছাড়াই স্যাটেলাইট টিভি দেখার উন্নত প্রযুক্তি হচ্ছে ডিটিএইচ। সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে সংকেত গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখা যায় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে। সূত্রঃ প্রথম আলো।
৫০৭.
উচ্চতর ভাষা কোন প্রজন্মের ভাষা?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন প্রকার প্রােগ্রামিং ভাষা ১৯৪৫ সাল থেকে শুরু করে এ যাবত বহু প্রােগ্রামিং ভাষার উদ্ভব হয়েছে। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই সকল ভাষাকে পাঁচটি স্তরে বা প্রজন্মে ভাগ করা যেতে পারে । যথা
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (1945) : মেশিন ভাষা (Machine Language)
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (1950) : অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (1960) : উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (1970) : অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (1980) : স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)

৫০৮.
আন্তর্জাতিক সংস্থার ক্ষেত্রে কোন ডোমেইন ব্যবহার করা হয়?
  1. .int
  2. .mil
  3. .net
  4. .com
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক সংস্থার ক্ষেত্রে .int ডোমেইন ব্যবহার করা হয় ।
যেমন: Wipo.int,m un.int

.mil ডোমেইনটি ব্যবহার করা হয় মিলিটারি /সেনাবাহিনীর জন্য ।
যেমন: usarmy.mil

.net ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রোভাইডার ।
যেমন:bangla.net

.com ব্যবহার করে কমার্শিয়াল অর্থ-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠিত ।
যেমন:microsoft.com

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৫০৯.
'Turnitin' সফটওয়্যারের মাধ্যমে কোন কাজটি সম্পাদান করা যায়?
  1. ক) প্রেজেন্টেশন তৈরি
  2. খ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট
  3. গ) ভাইরাস প্রতিরোধ
  4. ঘ) প্লেজিয়ারিজম সনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা
লেখাচুরি (Plagiarism):
- গবেষণাকেন্দ্রিক পরিমণ্ডলে Plagiarism অতি প্রচলিত একটি শব্দ।
- মেধাসত্ব বা সৃষ্টিশীল কাজ চুরি করাকে Plagiarism বলে।
- ভিন্ন ব্যক্তির লেখা বা যে কোন কিছু সজ্ঞানে চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াই Plagiarism ।
- অন্য ব্যক্তির আইডিয়া ধার করে নিজের কাজে ব্যবহার করতে হলে তার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া কিংবা নাম জানা না থাকলে অন্তত ‘সংগৃহীত’ উল্লেখ করে দেওয়াই বাঞ্ছনীয় এবং ন্যূনতম ভদ্রতার পরিচায়ক।
- ছবি, গানের কথা, কবিতা, গবেষণাপত্র, প্রবন্ধ, প্রতিবেদন যে কোন গঠনমূলক রচনার ক্ষেত্রে অন্য উৎস মারফত সরাসরি বা হুবহু তথ্য ব্যবহারের প্রয়োজন হলে
মূল লেখকের নাম উল্লেখ না করা অশোভন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Plagiarism প্রতিরোধে Paraphrasing চর্চা করা যেতে পারে।
- মূল লেখার বিষয়টিকে অপরিবর্তিত রেখে জুতসই প্রতিশব্দ সহযোগে নিজের ভাষায় সারমর্ম আকারে উপস্থাপন করাকে Paraphrasing বলে।
- তবে সেক্ষেত্রেও মূল লেখকের নাম, সম্ভব হলে সন উল্লেখপূর্বক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা আবশ্যক।
- এছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে কোন লেখায় Plagiarism হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা সম্ভব।
- Turnitin তেমনি একটি জনপ্রিয় সফ্টওয়্যার যা অনলাইনে ক্রয় করে নিজস্ব অ্যাকাউন্ট খুলে যে কেউ এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

সূত্র: তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১০.
ই-মেইল ঠিকানায় কোন চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হবে?
  1. &
  2. @
  3. #
  4. $
ব্যাখ্যা
ই-মেইল: 
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৫১১.
IP এর পূর্ণ রূপ কি?
  1. ক) Inheritance Protocol
  2. খ) Integrate Protocol
  3. গ) Ingress Protocol
  4. ঘ) Internet Protocol
ব্যাখ্যা
• IP এর পূর্ণ রূপ Internet Protocol
-  ইন্টারনেট যুক্ত কম্পিউটারে একটি আইডেনটিটি থাকে তাকে IP Address বলে। 
- IP হল এক ধরনের Network Protocol.
- IP Address চার অংশে বিভক্ত। প্রতিটি অংশ ডট (.) দ্বারা বিভক্ত।
- চারটি অংশে গঠিত IP Address IPv4 নামে পরিচিত।
- IPv4 Address ৩২বিট দিয়ে প্রকাশ করা হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
৫১২.
আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতু নির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ হোল-
  1. ক) কম্পিউটার
  2. খ) অফসেট পদ্ধতি
  3. গ) ফটো লিথোগ্রাফী
  4. ঘ) প্রসেস ক্যামেরা
ব্যাখ্যা
- Lithography/Lithographic and offset printing, or litho printing for short, is where the image of the content you want to produce is placed on a plate which is then covered in ink and used for printing.
- This process can be used to print on paper, cardboard, and many other materials.
- The material receiving the image or words you want to print is placed against the plate and the inks are absorbed accordingly. It takes great skill to make sure the inks are mixed correctly and placed in the right order.

Source: sciencedirect.com
৫১৩.
কোন সিস্টেমে উভয় দিক থেকে যুগপৎ ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে?
  1. Simplex Mode
  2. Full­-duplex Mode
  3. Half­-duplex Mode
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স:
হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সংযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স:
ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, A যখন B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করবে B ও তখন A এর দিকে ডাটা প্রেরণ কতে পারবে। উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৫১৪.
স্প্যামার কোন ধরনের সাইবার অপরাধের সাথে জড়িত?
  1. ক) ফেক ওয়েব সাইট দিয়ে তথ্য চুরি করা
  2. খ) অবাঞ্ছিত ই-মেইল পাঠানো
  3. গ) কোন নেটওয়ার্কে অনধিকার প্রবেশ করা
  4. ঘ) অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেয়া
ব্যাখ্যা
হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিত ভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা ।

ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয় ৷

স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৫১৫.
স্মার্ট ফোনে ফুল-ডুপ্লেক্স কমিউনিকেশন বলতে কী বুঝায়?
  1. এক সময়ে শুধুমাত্র একজনই কথা বলতে পারে
  2. এক সময়ে শুধুমাত্র একজনই শুনতে পারে
  3. উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে
  4. যোগাযোগ শুধুমাত্র একদিক থেকে হয়
ব্যাখ্যা
• স্মার্টফোনে ফুল-ডুপ্লেক্স কমিউনিকেশন বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে। এটি আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। উদাহরণস্বরূপ, একজন কথা বলার সময় অন্যজন থেমে না থেকে সাথে সাথে উত্তর দিতে পারে, যেমনটি ফোনে আলাপ করার সময় দেখা যায়। এর মাধ্যমে যোগাযোগ আরো দ্রুত, কার্যকর ও স্বাভাবিক হয়। ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডেটা বা শব্দ উভয় দিকেই একসাথে প্রবাহিত হয়, যা হাফ-ডুপ্লেক্স বা একমুখী যোগাযোগের তুলনায় অনেক উন্নত।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে।


• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

- সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

- হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
- যেমন- ওয়াকি টকি।

- ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেমন: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৫১৬.
বর্তমানে কোনটি ব্যবহার করে অল্প সময়ে পণ্যের চমৎকার সব ডিজাইন তৈরি করা যায়?
  1. ক) CSS
  2. খ) CAD
  3. গ) SED
  4. ঘ) TQM
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান
- বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- পণ্য ডিজাইন থেকে শুরু করে ঝুঁকিপূর্ণ কার্যাদি সম্পাদনের জন্য কল-কারখানায় দক্ষতা ও সফলতার সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- আজকের পৃথিবীতে শিল্পোৎপাদনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- লাভজনক কারখানার পূর্বশর্ত উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয়যোগ্যতা।
- বিক্রয়যোগ্যতার শর্ত ভাল ডিজাইন।
- বর্তমানকালে CAD (Computer Aided Design) ব্যবহার করে অল্প সময়ে পণ্যের চমৎকার সব ডিজাইন তৈরি করা যায়
- আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং বাজার ঠিক রাখা ও বাজার বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থাপনা উৎপাদন ক্ষেত্রে Total Quality Management (TQM) প্রয়োগ করছে।
- TQM প্রয়োগের বড় সহায়ক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- যন্ত্রপাতির সঠিক কার্যক্রম ও প্রয়োগেই কেবল মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৭.
মেটার অধীনস্ত কোম্পানি নয় কোনটি?
  1. ইনস্টাগ্রাম
  2. ম্যাসেঞ্জার
  3. ইউটিউব
  4. হোয়াটস্ অ্যাপ
ব্যাখ্যা
• মেটা প্ল্যাটফর্মস, ইনকর্পোরেটেড:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি।

♦ ইউটিউব হলো গুগলের প্রতিষ্ঠান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫১৮.
যে ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কভুক্ত কোনো প্রেরক কম্পিউটার হতে ডেটা ট্রান্সমিট হলে ওই নেটওয়ার্কভুক্ত সকল নোডই তা গ্রহণ করতে পারে, তাকে কী বলে?
  1. Unicast
  2. Multicast
  3. Broadcast
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ডাটা কমিউনিকেশন:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডাটা পাঠানো হয়।
- প্রাপকের সংখ্যা ও ডাটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১. ইউনিকাস্ট (Unicast)
- এ পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডাটা গ্রহণ করতে পারে না, এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়।

২. ব্রডকাস্ট (Broadcast) 
- ব্রডকাস্ট মোডে কোন একটি যন্ত্র (কম্পিউটার, বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল যন্ত্র গ্রহণ করতে পারে। যেমন- টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ কতে পারে।

৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast)
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের একটি নোড থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে। যেমন- ভিডিও কনফারেসিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৯.
ইন্টারনেট সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. প্রাথমিক পর্যায়: ARPANET
  2. জনক: ভিনটন জি কার্ফ
  3. সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল: TCP/IP
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’ 
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
৫২০.
কোনটি ই-মেইল ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নয়?
  1. আউটলুক এক্সপ্রেস
  2. নেটস্কেপ কমিউনিকেটর
  3. পেইন্ট ব্রাশ
  4. ইউডোরা প্রো
ব্যাখ্যা
পেইন্ট ব্রাশ ই-মেইল ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নয়।

ই-মেইল ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সফট্ওয়্যার:
-আউটলুক এক্সপ্রেস,
- ইউডোরা প্রো,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইন্টারনেট মেইল ইত্যাদি।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২১.
অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম কী?
  1. অ্যাপল ভ্যালি
  2. অ্যাপল হাউজ
  3. অ্যাপল পার্ক
  4. অ্যাপল প্লেক্স
ব্যাখ্যা
• অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:

- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- স্লোগান: Think Different.
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫২২.
Which protocol is used to receive E-mail?
  1. SMTP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• POP3 (Post Office Protocol) ই-মেইল গ্রহণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• E-mail (Electronic Mail):
- E-mail–এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইলের মাধ্যমে ডকুমেন্ট ও বিভিন্ন ধরনের তথ্য দ্রুত আদান–প্রদান করা যায়।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson প্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- এই কারণে Ray Tomlinson–কে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- প্রেরিত ও প্রাপ্ত ই-মেইল সাধারণত Mail Server–এ সংরক্ষিত থাকে।
 
• E-mail Address (ই-মেইল ঠিকানা):
- একটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই @ (at) চিহ্ন থাকে।
- @ চিহ্নের আগের অংশকে User Name বলা হয়।
- @ চিহ্নের পরের অংশকে Domain Name বলা হয়।
- ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে প্রেরক ও প্রাপকের পরিচয় নির্ধারণ করা হয়।

• E-mail–এ ব্যবহৃত প্রোটোকল:
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol):
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- POP3 (Post Office Protocol):
- মেইল সার্ভার থেকে ই-মেইল গ্রহণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- IMAP (Internet Message Access Protocol):
- সার্ভারে থাকা ই-মেইল অ্যাকসেস ও ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- FTP ফাইল আদান–প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- HTTP ওয়েব পেজ আদান–প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২৩.
মঙ্গল গ্রহে নাসার পাঠানো রোবটযান কোনটি?
  1. ক) নাসাসিটি
  2. খ) কিউরিওনাসা
  3. গ) কিউরিওসিটি
  4. ঘ) মার্সমেলো
ব্যাখ্যা

From NASA:
Part of NASA's Mars Science Laboratory mission, Curiosity is the largest and most capable rover ever sent to Mars. It launched on November 26, 2011 and landed on Mars on Aug. 5, 2012.

Curiosity set out to answer the question:
Did Mars ever have the right environmental conditions to support small life forms called microbes?
Early in its mission, Curiosity's scientific tools found chemical and mineral evidence of past habitable environments on Mars. It continues to explore the rock record from a time when Mars could have been home to microbial life.

Key Facts about NASA's Curiosity Rover:

Launch:
7:02 a.m. PST, Nov. 26, 2011 (10:02 a.m. EST)

Launch Vehicle:
Atlas V-451 Landing: 10:32 p.m. PDT, Aug. 5, 2012 (1:32 a.m. EDT, Aug. 6, 2012)

Landing Site:
Gale Crater

৫২৪.
কোন প্রোটোকল ই-মেইল ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. IMAP
  3. TCP/IP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল ট্রান্সমিশনের জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারগুলোর মধ্যে ই-মেইল পাঠানোর কাজ করে। যখন একজন ব্যবহারকারী ই-মেইল লিখে পাঠান, তখন SMTP সার্ভার ই-মেইলটিকে প্রাপকের সার্ভারের কাছে ট্রান্সমিট করে। অন্যদিকে, IMAP এবং POP3 মূলত ই-মেইল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। IMAP ব্যবহারকারীর মেইলবক্স সার্ভারে রেখে ই-মেইল অ্যাক্সেস করতে দেয়, আর POP3 ই-মেইলগুলো লোকাল ডিভাইসে ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে। TCP/IP হলো ইন্টারনেটের মূল কমিউনিকেশন প্রোটোকল, যা ই-মেইলসহ সব ধরনের ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সরাসরি ই-মেইল ট্রান্সমিশনের জন্য প্রোটোকল নয়। সুতরাং, ই-মেইল পাঠানোর জন্য সঠিক উত্তর হলো SMTP.
 
 • SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে ই-মেইল ক্লায়েন্ট থেকে আউটগোয়িং সার্ভারে এবং পরবর্তীতে সেই সার্ভার থেকে প্রাপকের সার্ভারে ই-মেইল পাঠানো হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- IMAP:
- এটি এমন একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারে থাকা অবস্থাতেই ই-মেইল দেখতে ও পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এটি একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক।

- TCP/IP:
- কোনো একক প্রোটোকল নয়, বরং প্রোটোকলের একটি সেট যা ইন্টারনেটের মূল কাঠামো তৈরি করে। এটি ডেটা আদান-প্রদানকে সহজ করে, তবে এটি সরাসরি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না।

- POP3:
- একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে বার্তা ডাউনলোড করে ডিভাইসে সংরক্ষণ করে। একবার ডাউনলোড হয়ে গেলে এটি সাধারণত সার্ভার থেকে বার্তাটি মুছে ফেলে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৫২৫.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. প্রিন্টার
  2. প্রজেক্টর
  3. জয়স্টিক
  4. হেডফোন
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের স্ক্যানার হলো ইনপুট ডিভাইস।
- যে সকল ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে তথ্য সরবরাহ করা হয় বা কমান্ড দেয়া হয় তাদেরকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- বহুল ব্যবহৃত কিছু ইনপুট ডিভাইস হলো- কী-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওয়েবক্যাম ইত্যাদি।

ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:  
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

তথ্যসূত্র - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
৫২৬.
WWW কত সালে উদ্ভাবিত হয়?
  1. ১৯৮৯
  2. ২০০১
  3. ১৯৮০
  4. ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
টিম বার্নাস লী ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।

• WWW:
- WWW পূর্ণরূপ হচ্ছে World Wide Web.
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার নিয়ে গঠিত।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২৭.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রসঙ্গে “edge computing” বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. এটি একটি ক্লাউড নিরাপত্তা ফায়ারওয়াল
  2. পুরনো ক্লাউড সার্ভার ব্যবহার করা
  3. ডেটার কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  4. এটি ক্লাউড বিল নির্ধারণের একটি টুল
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রসঙ্গে “এজ কম্পিউটিং (Edge Computing)” বলতে বোঝানো হয় ডেটা সেন্টারের পরিবর্তে ব্যবহারকারীর বা ডিভাইসের কাছাকাছি স্থানে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ। সাধারণত ক্লাউড কম্পিউটিং-এ সব ডেটা দূরবর্তী সার্ভারে পাঠিয়ে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, যা অনেক সময় নেটওয়ার্ক লেটেন্সি বা বিলম্ব সৃষ্টি করে। এজ কম্পিউটিং এই সমস্যা কমায়, কারণ ডেটা উত্সের নিকটে প্রক্রিয়াকরণ হয়, ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিক্স সম্ভব হয়। এটি ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), স্বয়ংচালিত যানবাহন, স্মার্ট সিটি ইত্যাদিতে বিশেষভাবে কার্যকর। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটার কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেকনোলজি (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-

১.রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• এজ কম্পিউটিং (Edge Computing):
- এজ কম্পিউটিং হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্লাউড সার্ভারে নয়, বরং ব্যবহারকারী বা ডেটা উৎসের কাছাকাছি স্থানে সম্পন্ন করা হয়।  
- এটি ডেটা ট্রান্সফারের সময় কমায় এবং দ্রুত রেসপন্স প্রদান করে।  
- সাধারণত সেন্সর, আইওটি (IoT) ডিভাইস বা লোকাল সার্ভারের মাধ্যমে ডেটা প্রক্রিয়া করা হয়।  
- এই প্রযুক্তি ক্লাউডের উপর নির্ভরতা কমিয়ে দক্ষতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে।  
- উদাহরণস্বরূপ, স্বয়ংচালিত গাড়ি, স্মার্ট সিটি বা রিয়েল-টাইম মনিটরিং সিস্টেমে এজ কম্পিউটিং ব্যবহৃত হয়।  
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, প্রতিস্থাপন নয়।  

সুতরাং, এজ কম্পিউটিং বলতে বোঝায় ডেটা উৎস বা ব্যবহারকারীর কাছাকাছি স্থানে গণনা সম্পন্ন করা।  

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IBM [link]

৫২৮.
''https://www.abcd.com/collection/latest'' এখানে হোস্ট নেইম কোনটি?
  1. https
  2. abcd
  3. /collection/latest
  4. .com
ব্যাখ্যা
''https://www.abcd.com/collection/latest''

- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও টেলিকমিউনিকেশনে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত নিয়ম-নীতিকে প্রোটোকল বলে।
- এখানে https: হল ইন্টারনেট প্রোটোকল। 
- ডোমেইনের আওতাভুক্ত কোন কম্পিউটারকে নির্দেশ করার জন্য যে নাম ব্যবহার করা হয় তা হোস্ট নেইম হিসেবে পরিচিত।
- এখানে abcd হলো হোস্ট।
- হোস্ট কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ফাইলের পাথকে ডিরেক্টরী পাথ বলে।
- এখানে /collection/latest হলো ডিরেক্টরী পাথ যা সরাসরি abcd এর latest পেইজে নিয়ে যাবে।
- ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয় আলফানিউমেরিক ঠিকানাকে ডোমেইন নেইম বলে।
- এখানে .com হলো ডোমেইন নেইম যা দ্বারা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বুঝায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫২৯.
সর্বশেষ WiFi প্রযুক্তি কোনটি?
  1. Wi-Fi 6 
  2. Wi-Fi 6E
  3. Wi-Fi 7
  4. Wi-Fi 8
ব্যাখ্যা

• Wi‑Fi 7 হলো বর্তমান সর্বশেষ ফাইনালাইজড WiFi প্রযুক্তি। 

Wi‑Fi স্ট্যান্ডার্ডগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- Wi-Fi 1 (802.11b): ধীর গতি (11 Mbps), 2.4 GHz ব্যান্ডে কাজ করে, মূলত প্রাথমিক ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জন্য।
- Wi-Fi 2 (802.11a): দ্রুত গতি (54 Mbps), 5 GHz ব্যান্ডে কাজ করে, কম interference সহ ছোট indoor coverage।
- Wi-Fi 3 (802.11g): 2.4 GHz ব্যান্ডে 54 Mbps গতি, backward compatible এবং বাড়ি ও অফিসে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।
- Wi‑Fi 4 (802.11n): উচ্চ গতি (উচ্চ Mbps), MIMO (একাধিক অ্যান্টেনা) সমর্থন আর 2.4 + 5 GHz ব্যান্ড ব্যবহার।
- Wi‑Fi 5 (802.11ac): আরও বেশি ব্যান্ডউইথ, 5 GHz ব্যান্ডের ওপর ফোকাস, দ্রুত গতি ও আধুনিক উপযোগিতা।
- Wi‑Fi 6 / 6E (802.11ax): efficiency বৃদ্ধি, জনবহুল স্থানে কাজের জন্য উন্নত, 6 GHz ব্যান্ডের জন্য Wi‑Fi 6E।
- Wi‑Fi 7 (802.11be): গতি ও ব্যান্ডউইথে বড় লাফ, latency কমানো, multi‑link ও উন্নত modulation.
- Wi‑Fi 8 (802.11bn): ভবিষ্যৎ: প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী Ultra‑High Reliability ও অত্যন্ত দ্রুত গতি, কিন্তু এখনও final নয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৫৩০.
নিম্নের কোনটির Memory Capacity সর্বোচ্চ?
  1. ক) Kilobyte
  2. খ) Megabyte
  3. গ) Terabyte
  4. ঘ) None of them
ব্যাখ্যা

The units of Computer Memory Measurements are:
- 1 Bit = Binary Digit.
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

৫৩১.
LASER এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
  2. খ) Light Amplitude by Simultaneous Emission of Radiation
  3. গ) Light Amplification by Simultaneous Emission of Radiation
  4. ঘ) Light Anode by Series Emission of Radioactivity
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation. অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক।
- ১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন।
- কাটা, ড্রিলিং/খনন, ঝালাই, উপগ্রহ ট্র্যাকিং, চিকিৎসা ও জীববিজ্ঞান গবেষণা, কমপ্যাক্ট ডিস্ক ও বার কোড পঠন, সার্জারি ইত্যাদি কর্মকান্ডে লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- লেজারের সবচেয়ে ব্যাপক ব্যবহার তথ্য সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারকরণ কাজে।
- উদাহরণস্বরূপ সিডি (কমপ্যাক্ট ডিস্ক) রাইটার-এর মাধ্যমে সিডি-তে (আলোক সংবেদনশীল রং সম্পন্ন একটি ডিস্ক) ডাটা লিখতে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লেজার ব্যবহার করা হয়।

Source: Britannica, বাংলাপিডিয়া
৫৩২.
মোবাইল ফোনে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহার করা হয়?
  1. হাফ ডুপ্লেক্স
  2. সিমপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) - তে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পিউটার-সৃষ্ট ত্রিমাত্রিক (3D) পরিবেশ
  2. কম্পিউটার-সৃষ্ট দ্বিমাত্রিক (2D) পরিবেশ
  3. হ্যান্ড জিওমেট্রি
  4. ইঞ্জিনিয়ারিং ডাটা
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) - তে কম্পিউটার-সৃষ্ট ত্রিমাত্রিক (3D) পরিবেশ ব্যবহৃত হয়। 

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি বাস্তব নয়, তবে কৃত্রিমভাবে বাস্তব জগৎ অনুভূতি প্রদান করে।
মূল ভিত্তি: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

প্রধান উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD): ব্যবহারকারীর চোখের সামনে পরিধানযোগ্য ডিসপ্লে যা ত্রিমাত্রিক দৃশ্য উপস্থাপন করে।
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove): হাতের গ্লোভস যা ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত করে এবং ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বডি স্যুইট (Body Suit): পূর্ণাঙ্গ পোশাক যা শরীরের বিভিন্ন অংশে সেন্সরযুক্ত, যা স্পর্শ ও গতির অনুভূতি প্রদান করে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: চিকিৎসা, সামরিক প্রশিক্ষণ, বিমানচালনা ইত্যাদিতে বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়াই প্রশিক্ষণ প্রদান।
- বিনোদন: গেমিং ও সিনেমায় বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা।
- গবেষণা ও উন্নয়ন: নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩৪.
Which type of e-commerce model involves transactions directly between businesses?
  1. Business to Consumer (B2C)
  2. Consumer to Consumer (C2C)
  3. Business to Business (B2B)
  4. Consumer to Business (C2B)
ব্যাখ্যা

• Business to Business (B2B) হলো এমন ই-কমার্স মডেল যেখানে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অন্য একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন করে।

• ই-কমার্স (E-commerce):
- Electronic commerce বা E-commerce হলো ইন্টারনেট বা ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয় এবং আর্থিক লেনদেন পরিচালনার প্রক্রিয়া।
- এতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এবং ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহক উভয়েই অনলাইনে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে।
- আধুনিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে ই-কমার্স একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ব্যবস্থা।

• ই-কমার্সের প্রধান ধরন:
- ই-কমার্স সাধারণত বিভিন্ন মডেলে বিভক্ত।

• Business to Business (B2B):
- এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার অনলাইন লেনদেনকে B2B বলা হয়।
- উদাহরণ: পাইকারি ব্যবসা বা কোম্পানিগুলোর মধ্যে অনলাইন লেনদেন।

• Business to Consumer (B2C):
- ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরাসরি ভোক্তার কাছে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রি করে।

• Consumer to Consumer (C2C):
- একজন ভোক্তা অন্য ভোক্তার কাছে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে, সাধারণত কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।

• Consumer to Business (C2B):
- এই মডেলে ভোক্তা কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বা সেবা প্রদান করে।

• অন্যান্য অপশন:
- Business to Consumer (B2C) → ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরাসরি গ্রাহকের কাছে অনলাইনে পণ্য বা সেবা বিক্রি করে।
- Consumer to Consumer (C2C) → একজন ভোক্তা অন্য ভোক্তার কাছে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে।
- Consumer to Business (C2B) → ভোক্তা কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে পণ্য বা সেবা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৫৩৫.
Fancy Bear একটি -
  1. দামি পানীয়
  2. নদী
  3. রাশিয়ান হ্যাকার গ্রুপ
  4. স্কটল্যান্ড এর জায়গার নাম
ব্যাখ্যা
Fancy Bear একটি রাশিয়ান হ্যাকার গ্রুপ।
Dmitri Alperovitch, a cyber security expert and co-founder of CrowdStrike, was the first to name the cyber espionage group "Fancy Bear." 
Broken down as follows:
Fancy referring to "Sofacy," weirdly enough, a word in Fancy Bear's malware reminded the analyst who discovered it of Iggy Azalea's song "Fancy."
Bear being the codename for Russian hackers.

Source: www.cnbc.com/
৫৩৬.
কত কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে MAN ভাল কাজ করে?
  1. ১০ কিলোমিটার
  2. ৩০ কিলোমিটার
  3. ৫০ কিলোমিটার
  4. ৭০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• ১০ কিলোমিটারের মধ্যে MAN ভাল কাজ করে।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network (মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক)।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
- শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের উদাহরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫৩৭.
3G সিস্টেমে মূলত কোন চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. TDMA
  2. CDMA 
  3. FDMA
  4. OFDMA
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থায় মূলত CDMA (Code Division Multiple Access) এবং এর উন্নত সংস্করণ WCDMA (Wideband CDMA) ব্যবহৃত হয়।
- এটি একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে অনেক গ্রাহককে পৃথক কোডের মাধ্যমে সেবা দিতে সক্ষম।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

অন্যান্য অপশন:
- TDMA: দ্বিতীয় প্রজন্মের বা ২জি নেটওয়ার্কের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- FDMA: প্রথম প্রজন্মের বা ১জি মোবাইল সিস্টেমে অ্যানালগ সিগন্যাল আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হতো।
- OFDMA: চতুর্থ প্রজন্মের বা ৪জি নেটওয়ার্কের মূল প্রযুক্তি যা অত্যন্ত উচ্চ গতির ডেটা নিশ্চিত করে।

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

৫৩৮.
SaaS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Server as a service
  2. খ) Storage as a service
  3. গ) Software as a service
  4. ঘ) Server as a storage
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: 

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service - laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার (Software/application as a service - SaaS):
-  ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৯.
Bluetooth-এ কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. Nano Frequency Technology
  2. Radio Frequency Technology
  3. Broadband Frequency Technology
  4. Optical Frequency Technology
ব্যাখ্যা
• Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):

- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪০.
ফায়ারওয়াল নিচের কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. কম্পিউটার এর গতি বৃদ্ধি করতে
  2. রিড-রাইট অপারেশনের জন্য
  3. কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি হিসেবে
  4. ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল: 
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। 
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়। 
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়। 
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। 
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং ব্রিটানিকা।
৫৪১.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় সার্ভারের মূল ভূমিকা কোনটি?
  1. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা
  2. ডেটা সরবরাহ করা
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার ইনস্টল করা
  4. ডিভাইসের হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা
ব্যাখ্যা

• সার্ভার ক্লায়েন্টের অনুরোধ অনুযায়ী ডেটা, রিসোর্স বা সেবা সরবরাহ করে। যেমন— ওয়েব সার্ভার ওয়েবপেজ দেয়, ডাটাবেজ সার্ভার তথ্য সরবরাহ করে।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৪২.
কত সালে আরপানেটের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়?
  1. ক) ১৯৫৭
  2. খ) ১৯৬২
  3. গ) ১৯৬৫
  4. ঘ) ১৯৬৯
ব্যাখ্যা

১৯৫৭ সালে তৎকালীন সােভিয়েত রাশিয়া স্পুটনিক উক্ষেপন করার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করে। এজন্য তারা প্রতিরক্ষা দপ্তরের অভ্যন্তরে গড়ে তােলে একটি প্রজেক্ট।
এই প্রজেক্টের নাম রাখা হয় আরপা (ARPA = Advanced Research Projects Agency)। ১৯৬২ সালে ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনােলােজির লিক লিডার (J C R Lick Lider) প্রথম তার গ্যালাকটিক নেটওয়ার্ক কনসেপ্ট বর্ণনা করেন। তাতে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে প্রােগ্রাম ও তথ্যের আদান প্রদানের কথা বলা হয়। তার এই ধারণাই অনেকটা আজকে ইন্টারনেটে রূপলাভ করেছে।
১৯৬৫ সালে থমাস মেরিল (Thomas Merill) এবং লরেন্স রবার্ট (Lorence Robert) প্রথম MIT এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্যে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৮ সালে বােল্ট (Bolt), বেরানাক (Beranak), নিউম্যান (Newman) (সংক্ষেপে BBN) আরপা-এর সাথে যুক্ত হয়ে প্যাকেট-সুইচিং নেটওয়ার্কের উদ্ভাবন করেন। তখন থেকে এর নাম হয় আরপানেট (ARPAnet)।
১৯৬৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর আরপানেট নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা চুড়ান্ত হয়। প্রাথমিক অবস্থায় এক্ষেত্রে চারটি সংযােগের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেটের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়।
১৯৭২ সালের মার্চ মাসে রে টোমলিনশন (Ray Tomlinson) কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ই-মেইল প্রেরণের জন্য প্রথম সফটওয়্যার তৈরি করেন।
১৯৭৩ সালে Transmission Control Protocol/Internet protocol (TCP/IP) এর উন্নয়ন শুরু হয়।
১৯৭৬ সালে দুইটি নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের উন্নয়ন ঘটে। এর একটি হল জেরক্সের ড. রবার্ট ও জে মেটকালফে ইথারনেট। এই ইথারনেটই পরে লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক উন্নয়নের পথ খুলে দিয়েছিল। অপর সিস্টেসটি ছিল স্যাটনেট (SATNET)।
১৯৮২ সালের দিকে ইন্টারনেট শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই সময় ইন্টারনেটের সংজ্ঞা নিরুপন করে বলা হয় - “ইন্টারনেট হল টিসিপি/আইপি ব্যবহার করে একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করার পদ্ধতি বিশেষ”।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৫৪৩.
Cloud Computing-এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Google Drive
  2. Pendrive
  3. Hard Disk
  4. CD-ROM
ব্যাখ্যা

Cloud Computing-এর উদাহরণ Google Drive.

Cloud Computing:
- Cloud Computing হলো এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন কম্পিউটিং সেবা, যেমন ডেটা সংরক্ষণ (Storage), ডেটা প্রক্রিয়াকরণ (Processing), সফটওয়্যার ব্যবহার (Software as a Service) এবং নেটওয়ার্কিং সুবিধা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
- এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে নিজস্ব শক্তিশালী কম্পিউটার বা সার্ভার ব্যবহার করতে হয় না, বরং ক্লাউড সার্ভারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যায়।
- Cloud Computing-এর উদাহরণ: Google Drive, Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Dropbox.

⇒ Cloud Computing-এর জনপ্রিয়তা:
- ব্যবহারকারী যেকোনো ডিভাইস দিয়ে যেকোনো স্থান থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।
- সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ ও অবকাঠামো নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।
- খরচ কম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা বাড়ানো বা কমানো যায়।

⇒ Cloud Computing-এর মূল তিনটি সেবা মডেল:
- IaaS (Infrastructure as a Service): সার্ভার ও স্টোরেজ প্রদান।
- Paas (Platform as a Service): অ্যাপস ডেভেলপমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্ম প্রদান।
- SaaS (Software as a Service): অ্যাপ/সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করা যায় (যেমন: Gmail)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৪৪.
ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরিকে কী বলা হয়?
  1. স্নিফিং
  2. স্প্যামিং
  3. ফিশিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৪৫.
Firewall এমন একটি সিস্টেম -
  1. যা কম্পিউটার থেকে ভাইরাস স্ক্যান করে এবং অপসারণ করে।
  2. যা একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেসকে বাধা দেয়।
  3. যা নিরাপদ অনলাইন অর্থ স্থানান্তর করতে সহযোগিতা করে।
  4. যেখানে একাধিক কম্পিউটার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল হল এমন একটি সিস্টেম যা একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেসকে বাধা দেয়।
- এটি এক ধরনের সাইবারসিকিউরিটি টুল যা নেটওয়ার্কে ট্রাফিক ফিল্টার করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল একটি সুরক্ষিত অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক এবং একটি অনিরাপদ বহিরাগত নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি বাধা তৈরি করে থাকে।
৫৪৬.
URL-এ ব্যবহৃত https-এর ‘s’ কী নির্দেশনা দেয়?
  1. Structure
  2. Secure
  3. Service
  4. Standard
ব্যাখ্যা

• URL-এ ব্যবহৃত HTTPS-এর ‘S’ নির্দেশ করে Secure, অর্থাৎ নিরাপদ। এটি HTTP (HyperText Transfer Protocol)-এর একটি নিরাপদ সংস্করণ, যা ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে এনক্রিপ্ট করে সংরক্ষণ করে। HTTPS ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটের সার্ভার এবং ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের মধ্যে পাঠানো তথ্য তৃতীয় পক্ষ দ্বারা সহজে পড়া বা পরিবর্তন করা যায় না। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন আমরা অনলাইনে ব্যাংকিং, শপিং বা ব্যক্তিগত তথ্য পাঠাই। তাই HTTPS থাকলে ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পান এবং তথ্য চুরি বা হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি কমে।

সঠিক উত্তর: খ) Secure.

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হলো Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান 
২. ব্রিটানিকা।

৫৪৭.
রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে কোনটি?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) Wi-fi
  3. গ) Wi-Max
  4. ঘ) Microphone
ব্যাখ্যা
Bluetooth:
- Bluetooth রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে।  
- এটি একটি পারসোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। 
- ১৯৪৫ সালে Ericsson (এরিকসন) এই প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। 
- রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করে
- Bluetooth নেটওয়ার্ককে বলা হয় Piconet (পিকোনেট)।
- এছাড়া দুটি Piconet (পিকোনেট) একসাথে Scatternet (স্ক্যাটারনেট) বলা হয়।

উৎস
: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
 
৫৪৮.
কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
  1. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  3. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  4. পিয়ার টু সার্ভার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৯.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) হ্যান্ডঅফ সুবিধা না থাকা
  2. খ) কম ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকুয়েন্সির ব্যাবহার
  3. গ) সিম কার্ড ব্যাবহারের সুবিধা না থাকা
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকা
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা ছিলো না।এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে থেকে চালু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
৫৫০.
সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে-
  1. ক) ট্রান্সফরমার
  2. খ) জেনারেটর
  3. গ) স্টোরেজ ব্যাটারি
  4. ঘ) ক্যাপাসিটার
ব্যাখ্যা
Solar panels work hard all day producing electricity from the sun. You can continue benefiting from their energy production after sunset through net metering and solar battery storage.
অর্থাৎ, স্টোরেজ ব্যাটারি সংযুক্ত থাকলে সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব।
৫৫১.
Which of the following is used in e-commerce?
  1. Mobile commerce (M-commerce)
  2. Electronic Fund Transfer (EFT)
  3. Digital transaction systems
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

• E-commerce পরিচালনার জন্য একাধিক ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করা হয়, যেমন M-commerce, EFT ও অন্যান্য ডিজিটাল সিস্টেম।

• E-commerce পরিচালনার প্রধান মাধ্যম:
- আধুনিক ই-কমার্স মূলত World Wide Web (WWW)–এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- ইন্টারনেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে পণ্য ও সেবার লেনদেন সম্পন্ন হয়।

• M-commerce (Mobile Commerce):
- M-commerce হলো মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেট ব্যবহার করে ই-কমার্স কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- স্মার্টফোন অ্যাপ ও মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে।

• Electronic Fund Transfer (EFT):
- EFT হলো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর।
- অনলাইন পেমেন্ট ও ব্যাংকিং লেনদেনে EFT গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা:
- বিভিন্ন ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে ও অনলাইন ট্রান্স্যাকশন সিস্টেম ই-কমার্সকে সহজ করেছে।
- এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপদ ও দ্রুত লেনদেন সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫২.
IOT (Internet of Things) কী?
  1. একটি মোবাইল অ্যাপ
  2. একটি প্রযুক্তি
  3. একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  4. একটি ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
IOT (Internet of Things) একটি প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যন্ত্রগুলিকে সংযুক্ত করে।
 
• IOT (Internet of Things):
- IOT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৫৫৩.
স্মার্ট হোমে বিভিন্ন ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতির নাম কী?
  1. সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম
  2. কমিউনিকেশন কন্ট্রোল সিস্টেম
  3. হোম অটোমেশন সিস্টেম
  4. ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান
৫৫৪.
বাংলাদেশকে প্রথম VOLTE প্রযুক্তি চালু করতে?
  1. ক) রবি
  2. খ) গ্রামীণফোন
  3. গ) বাংলালিংক
  4. ঘ) টেলিটক
ব্যাখ্যা

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সালে রবি প্রথম 4G প্রযুক্তি ভিত্তিক সেবা Voice Over LTE বা VOLTE চালু করে। এর মাধ্যমে কল কানেক্ট হতে আগের চেয়ে কম সময় লাগবে এবং ভয়েস কোয়ালিটি উন্নত হবে। গ্রামীণফোন VOLTE চালু করে ২০ জুন ২০২০ সালে। সুত্রঃ রবি ও গ্রামীণফোনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫৫৫.
ডিলেটেড ইমেইল সংরক্ষণ করতে নিচের কোন ফোল্ডারটি ব্যবহৃত হয়?
  1. trash
  2. Junk
  3. Draft
  4. Sent
ব্যাখ্যা
- Gmail এর ইনবক্স হতে কোনো মেইল ডিলিট করলে Trash এ খুঁজে পাওয়ার যায়।
- ইনবক্স থেকে মুছে ফেলা যেকোন ইমেইল Trash নামের ফোল্ডারে পাওয়ার যায়।
- তবে সেটা অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য।
- এরপর Automatically সেই মুছে দেয়া মেইলগুলো স্থায়ীভাবে মুছে যায় যা আর ফিরে পাওয়া যায় না।
 
উৎস: Computerhope Website.
৫৫৬.
আধুনিক ই-মেইলের জনক বা উদ্ভাবক কে?
  1. ক) নোরিও ওহগা (জাপান)
  2. খ) থমসন (ইংল্যান্ড)
  3. গ) রে টমলিনসন (যুক্তরাষ্ট্র)
  4. ঘ) জি. মার্কনি (ইতালি)
ব্যাখ্যা
Ray Tomlinson, (Raymond Samuel Tomlinson), American computer engineer (born April 23, 1941, Amsterdam, N.Y.—died March 5, 2016, Lincoln, Mass.), devised (1971) a way to send electronic messages from one computer to another (rather than only between different users of a single machine) and chose the symbol @ to separate the name of the recipient from the destination address because the emblem was used neither in names nor in the programming language used for time-sharing computers. [source: britannica]
৫৫৭.
IoT অ্যাপগুলিতে লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত কমিউনিকেশন প্রোটোকল কোনটি?
  1. MQTT 
  2. HTTP
  3. SMTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• IoT অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত কমিউনিকেশন প্রোটোকল হলো MQTT। এটি “Message Queuing Telemetry Transport” নামে পরিচিত এবং কম ব্যান্ডউইথ ও কম পাওয়ার খরচে ডিভাইসগুলির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সহজ করে। MQTT হালকা ও দ্রুত, তাই সেন্সর বা স্মার্ট ডিভাইসের মতো রিসোর্স সীমিত ডিভাইসের জন্য আদর্শ। অন্যদিকে, HTTP তুলনামূলকভাবে ভারী এবং স্থায়ী সংযোগের জন্য বেশি উপযুক্ত, SMTP ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য। তাই IoT-এর ক্ষেত্রে রিয়েল-টাইম ও লাইটওয়েট মেসেজিংয়ের জন্য MQTT সবচেয়ে উপযুক্ত।

সঠিক উত্তর: ক) MQTT.

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- aws.amazon [link]
- Britannica.

৫৫৮.
What is the "Internet of Things (IoT)"?
  1. Social media platform integration
  2. Interconnected devices using internet protocols
  3. Virtual private network configuration
  4. Email server management
ব্যাখ্যা

"ইন্টারনেট অফ থিংস" (IoT) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন: গাড়ি, বাড়ির সরঞ্জাম, স্মার্ট সেন্সর ইত্যাদি) ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং ডেটা আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি করে।

IoT (Internet of Things):
- IoT হলো ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৫৫৯.
IEEE 802.16 এর মূল প্রয়োগ কী?
  1. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  2. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  3. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  4. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কিং
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.16 এর মূল প্রয়োগ হলো ঘ) মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কিং (MAN)। এটি সাধারণত "WiMAX" (Worldwide Interoperability for Microwave Access) নামে পরিচিত। IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডটি শহর বা বড় এলাকায় উচ্চ-গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের জন্য তৈরি। এটি তারবিহীন প্রযুক্তি, যা তারের বিকল্প হিসেবে দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে। WiMAX এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে ইন্টারনেট সুবিধা পেতে পারে, যা বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল বা যেখানে ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছানো কঠিন, সেখানে কার্যকর। তাই IEEE 802.16 মূলত শহর ভিত্তিক বৃহৎ এলাকা কাভারেজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Wi-Max:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- একটি WiMAX বেস স্টেশন যা ইনডোর ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। অন্যটি এন্টেনাসহ WiMAX রিসিভার, যা কোনো কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সংযুক্ত থাকে।

• Wi-MAX-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN).
- নেটওয়ার্ক সংস্থাপন ক্যাবলিংয়ের তুলনায় সহজ এবং সুবিধাজনক।
- ব্যান্ডউইথ বা ডেটা ট্রান্সফার রেইট ওয়্যারেড নেটওয়ার্ক বা ক্যাবলিংয়ের তুলনায় বেশি।
- একইসাথে ওয়্যারেড এবং ওয়ালেস উভয়ই নেটওয়ার্কের সুবিধা প্রদান করে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়।
- ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন উভয়ই হতে পারে।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডের জন্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হয়।
- সংস্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
- নেটওয়ার্কের জন্য পর্যাপ্ত ইলেকট্রিক্যাল সাপোর্ট থাকতে হয়।
- বিদ্যুৎ ব্যয় তুলনামূলক বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৬০.
কোন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি বটনেট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Rootkits
  2. Adware
  3. Spyware
  4. Worms
ব্যাখ্যা

• বটনেট তৈরি করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার হলো Worms. Worms নিজে-নিজেই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়াতে সক্ষম, তাই ব্যবহারকারীর মধ্যস্থতা ছাড়াই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে দ্রুত প্রবেশ করতে পারে। একবার সিস্টেমে প্রবেশ করলে Worms নেটওয়ার্কের অন্যান্য দুর্বল কম্পিউটারগুলোকে সংক্রমিত করে এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য কম্পিউটারগুলোর একটি নেটওয়ার্ক বা “বটনেট” তৈরি করতে পারে। Rootkits, Adware, এবং Spyware সাধারণত নির্দিষ্ট তথ্য চুরির জন্য বা বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা বটনেট তৈরির জন্য Worms-এর তুলনায় কার্যকর নয়। তাই, দ্রুত ছড়ানোর ক্ষমতার কারণে Worms বটনেট আক্রমণে সবচেয়ে কার্যকর।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Worms.
 
• বটনেট তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার (Botnet Malware):
- বটনেট হলো একটি নেটওয়ার্ক যা হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণাধীন কম্পিউটার বা ডিভাইস নিয়ে তৈরি হয়।
- হ্যাকার এই কম্পিউটারগুলো ব্যবহার করে স্প্যাম ইমেইল, DDoS আক্রমণ বা অন্যান্য সাইবার অপরাধ করে।
- বটনেট তৈরি করতে যে ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় তা হলো ওয়ার্ম (Worms)।

• Rootkits:
- রুটকিট হলো ম্যালওয়্যারের একটি ধরনের যা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে নিজের অস্তিত্ব লুকায়।
- এটি মূলত সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সাধারণত বটনেট তৈরিতে প্রধানভাবে ব্যবহার করা হয় না।

• Adware:
- অ্যাডওয়্যার হলো সেই ধরনের সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন দেখায়।
- এটি প্রাথমিকভাবে আয়ের জন্য তৈরি হয় এবং বটনেট তৈরিতে খুব কম ব্যবহৃত হয়।

• Spyware:
- স্পাইওয়্যার হলো ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে সংগ্রহ করে।
- এটি ব্যক্তিগত তথ্য চুরির জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বড় আকারের বটনেট তৈরি করার জন্য প্রায়ই ব্যবহৃত হয় না।

• Worms:
- ওয়ার্ম হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ম্যালওয়্যার যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য কম্পিউটারে প্রবেশ করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে পুনরায় প্রতিলিপি করে এবং দ্রুত বড় বটনেট তৈরি করতে পারে।
- বটনেট আক্রমণে ওয়ার্ম সবচেয়ে কার্যকর এবং সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার।

সূত্র: kaspersky. [link]

৫৬১.
অ্যামাজন ই-কমার্স ছাড়া অন্য কোন সেবা দিয়ে পরিচিত?
  1. ব্যাংকিং
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং
  3. টেলিভিশন সম্প্রচার
  4. অটোমোবাইল উৎপাদন
ব্যাখ্যা
• অ্যামাজন ই-কমার্সের বাইরে প্রধানত ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার জন্য খ্যাত। তাদের ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম “অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস” (AWS) বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানকারী। AWS বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক সংস্থাগুলিকে ডেটা স্টোরেজ, সার্ভার হোস্টিং, মেশিন লার্নিং, এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সেবা দিয়ে থাকে। এর ফলে, অ্যামাজন শুধু একটি ই-কমার্স জায়ান্ট না হয়ে প্রযুক্তি খাতে এক গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তাই অ্যামাজনের সবচেয়ে বড় ও পরিচিত সেবা ই-কমার্সের বাইরে ক্লাউড কম্পিউটিং।
সঠিক উত্তর: খ) ক্লাউড কম্পিউটিং।

• আমাজন:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হলো আমাজন।
- আমাজন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কর্মার্স সাইট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস (Jeff Bezos)। (জুন, ২০২৫)
- আমাজনের বর্তমান সিইও Andy Jassy ।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে না, তবে তারা Fire OS নামে একটি কাস্টমাইজড Android ভার্সন ব্যবহার করে (কিন্তু এটি মূলত Android-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি, সম্পূর্ণ নতুন OS নয়)।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা। 
২। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৫৬২.
মোবাইল নেটওয়ার্কে মূলত কোন ধরনের টপোলজি ব্যবহৃত হয়?
  1. বাস টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. লাইন টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।

• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. বিবিসি নিউজ। [Link]

৫৬৩.
কোন কোম্পানির সাথে Steve Jobs, Steve Wozniak ও Ronald Wayne নামসমুহ জড়িত ?
  1. Microsoft Corporation ও Amazon
  2. Apple ও Microsoft Corporation
  3. Apple ও Amazon
  4. Apple
ব্যাখ্যা
Apple কোম্পানির সাথে Steve Jobs, Steve Wozniak ও Ronald Wayne নামসমুহ জড়িত। 
Apple Inc. is an American multinational technology company that specializes in consumer electronics, software and online services
CEO: Tim Cook (Aug 24, 2011–) Trending
Stock price: AAPL (NASDAQ) $174.83 +3.17 (+1.85%)
Feb 8, 4:00 PM EST - Disclaimer
Founded: April 1, 1976, Los Altos, California, United States
Headquarters: Cupertino, California, United States
Founders: Steve Jobs, Steve Wozniak, Ronald Wayne
Subsidiaries: Beats Electronics, NextVR, Inc., Beddit, Apple Store, MORE
Products: iPhone, Apple Watch, iPad, Apple TV, AirTag, macOS, MORE
৫৬৪.
" www.example.gov.bd " - এখানে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন কোনটি?
  1. .bd
  2. .gov
  3. .example
  4. .example.gov.bd
ব্যাখ্যা
- একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য দুইটি জিনিসের ধারণা থাকতে হবে, প্রথমটি হলো ডোমেইন নাম এবং দ্বিতীয়টি ওয়েব হোস্টিং।
- ডোমেইন নাম হলো একটি ওয়েবসাইটের নাম যেমন- youtube.com, google. com, Wikipedia.org ইত্যাদি।
-  ডোমেইন নাম ক্লায়েন্ট কম্পিউটারকে ওয়েবসার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।
- প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) অ্যাড্রেস (যেমন- 180.102.434.8) থাকে।
- কিন্তু এধরনের সংখ্যা বা নিউমেরিক ভ্যালু মনে রাখা মানুষের জন্য কষ্টকর বিধায় এই আইপি অ্যাড্রেসকে নির্দিষ্ট ডোমেইন নাম বা ক্যারেক্টার দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডোমেইন নাম এর দুইটি অংশ থাকে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং টপ লেভেল ডোমেইন, যেমন- youtube.com-এর youtube হচ্ছে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং .com হচ্ছে টপ লেভেল ডোমেইন।
- একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের অংশ যে কয়টি থাকতে পারে সেভাবে লেভেল হবে। যেমন- টপ লেভেল, সেকেন্ড লেভেল, থার্ড লেভেল ইত্যাদি।
- www.example.gov.bd এখানে টপ লেভেল ডোমেইন .bd-এর আওতায় সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন হচ্ছে .gov এবং.gov.bd-এর আওতায় থার্ড লেভেল ডোমেইন হলো example.

উৎস: ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
৫৬৫.
মহাকাশে মানুষবাহী রকেট পাঠানো প্রতিষ্ঠান ‘ব্লু অরিজিন’–এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ইলন মাস্ক
  2. জেফ বেজোস
  3. মার্ক জাকারবার্গ
  4. স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা
জেফ বেজোস:
- মার্কিন ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমের স্বত্বাধিকারী ও বিনিয়োগকারী জেফরি প্রেসটন জেফ বেজোস।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই–কমার্স সাইট ও ক্লাউড কম্পিউটিং প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
- জেফ বেজোস বর্তমানে অ্যামাজনের নির্বাহী চেয়ারম্যান।
- তিনি ব্লু অরিজিন, বেজোস এক্সপেডিশনস ও বেজোস একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা।
- এ ছাড়াও জেফ বেজোস সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট–এর স্বত্বাধিকারী ও বেজোস আর্থ ফান্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য,
- বেজোস ২০০০ সালে মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিন প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রতিষ্ঠানটি কক্ষপথে মহাকাশযানে ভ্রমণের সেবাও দিয়ে থাকে।
- ব্লু অরিজিনের নতুন শেপার্ড ভেহিকল ২০১৫ সালে মহাকাশযাত্রা করে এবং পরে সফলভাবে পৃথিবীতে অবতরণ করে।
- জেফ বেজোস ব্লু অরিজিনের এনএস–১৬ নভোযানে ২০২১ সালে মহাকাশ ভ্রমণ করেন।

অন্যদিকে -
- টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।
- Apple Inc. কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস।

উৎস: ৫ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৫৬৬.
সর্বপ্রথম কোন হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করা হয়?
  1. Samsung Galaxy
  2. Nokia 1100
  3. Motorola Dyna TAC
  4. Sony
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৫৬৭.
MMS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Multiple Message Service
  2. Multimedia Message Service
  3. Mobile Message Service
  4. Media Message Service
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস চালু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৮.
GSM পদ্ধতিতে সেল কভারেজ এরিয়া সর্বোচ্চ কত?
  1. ক) ৩৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ১০০ কি.মি.
  4. ঘ) ৪৭ কি.মি.
ব্যাখ্যা
জিএসএম (GSM) এর বৈশিষ্ট্য -

১) সেল কভারেজ এরিয়া সর্বোচ্চ ৩৫ কি.মি.
২) বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি (২ ওয়াট)।
৩) ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক কম (56kbps)।
৪) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।
৫) ব্যবহৃত SIM কার্ড সহজলভ্য এবং যেকোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহারের করা যায়।
৫৬৯.
ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. সিমপ্লেক্স:
- সিমপ্লেক্স মেথড কেবল একদিকে ডাটা প্রেরণ করতে পারে। যেমন রেডিও, টিভি ইত্যাদি।

২. হাফ ডুপ্লেক্স:
-  হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি-টকি, এস.এম.এস, ফ্যাক্স।

৩. ফুল ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৭০.
টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) মার্ক জাকারবার্গ
  2. খ) রেইড হকম্যান
  3. গ) জাওয়াদুল করিম
  4. ঘ) জ্যাক ডর্সি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
টুইটার সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট। ২০০৬ সালের মার্চ মাসে টুইটারের যাত্রা শুরু হলেও জুলাই মাসে জ্যাক ডর্সি আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন। উৎসঃ আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি
৫৭১.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত ‘SMTP’ এর অর্থ কী?
  1. Simple Mail Transfer Protocol
  2. Standard Message Transmission Path
  3. Secure Mail Transport Program
  4. Service Message Transfer Protocol
ব্যাখ্যা

• SMTP:
- STMP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ইমেইল প্রেরণের অন্যান্য প্রোটোকলসমূহ: POP, IMAP এবং SMTP

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৫৭২.
হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে কী বলে?
  1. ট্রানসিয়েন্ট
  2. ব্রাউন আউট
  3. ব্লাক আউট
  4. নয়েজ
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-
১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।
 
২. ব্লাকআউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।
 
৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।
 
৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৩.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহকাশে উৎক্ষেপণ করা হয় -
  1. ক) ১১ মে ২০১৮
  2. খ) ১৭ জুন ২০১৮
  3. গ) ১৫ আগস্ট ২০১৮
  4. ঘ) ১৭ মার্চ ২০১৯
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
উৎক্ষেপণ সময়ঃ
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিট
স্থানঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকালঃ ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত
প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা
সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
নির্মাণ সংস্থাঃ বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্যঃ ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা

সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন

৫৭৪.
নিচের কোনটি তৈরিতে ওয়াইম্যাক্স ব্যবহৃত হয়?
  1. WPAN
  2. WMAN
  3. WLAN
  4. All above
ব্যাখ্যা
• ওয়াইম্যাক্স:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা-  বেস স্টেশন ও অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার
- ওয়াইম্যাক্স WMAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- ব্লুটুথ WPAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইফাই WLAN তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৭৫.
Zigbee মূলত কিসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. স্যাটেলাইট যোগাযোগ
  2. উচ্চ-সংজ্ঞার ভিডিও স্ট্রিমিং
  3. IoT ডিভাইসের জন্য স্বল্প-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগ
  4. উচ্চ-গতির ইন্টারনেট অ্যাক্সেস
ব্যাখ্যা

• Zigbee মূলত IoT ডিভাইসের জন্য স্বল্প-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি শক্তি-দক্ষ, কম ব্যান্ডউইডথের প্রযুক্তি, যা সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইস, লাইটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য ছোট ডেটা ট্রান্সফার ডিভাইসগুলির মধ্যে নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করে। Zigbee উচ্চ-গতির ভিডিও স্ট্রিমিং বা স্যাটেলাইট যোগাযোগের মতো ডেটা-ভারী কাজের জন্য নয়, বরং এটি এমন পরিবেশে কার্যকর যেখানে কম শক্তি ব্যবহার করে ডিভাইসগুলিকে দীর্ঘ সময় ধরে সংযুক্ত রাখা দরকার। ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক এবং হালকা ডেটা আদান-প্রদানের জন্য এটি আদর্শ, যা স্মার্ট হোম, স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং শিল্প অটোমেশন প্রয়োগে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) IoT ডিভাইসের জন্য স্বল্প-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগ।
 
• Zigbee:
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৭৬.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক
  4. ক্লাউড-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

◉ সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক (Server-Based Network) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক স্থাপনা যেখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার (Central Server) বিভিন্ন ক্লায়েন্ট ডিভাইসকে পরিষেবা প্রদান করে।
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক একটি সার্ভার-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক, কারণ—
১। একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, যা ডাটা সংরক্ষণ, ম্যানেজমেন্ট, এবং সিকিউরিটি নিয়ন্ত্রণ করে।
২। ক্লায়েন্ট ডিভাইসগুলো (যেমন কম্পিউটার, মোবাইল) সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে তথ্য ও সেবা গ্রহণ করে।

নেটওয়ার্ক:
- নেটওয়ার্কে বিদ্যমান ডিভাইসসমূহ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে এবং সেগুলোর সার্ভিস মডেল কেমন হবে, তার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নিম্নরুপে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
২. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network)
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)

পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পৃথক সার্ভার কম্পিউটার ব্যতীত দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে রিসোর্স শেয়ার করার জন্য যে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তা হলো পিয়ার-টু- পিয়ার নেটওয়ার্ক।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network):
- একাধিক ক্লায়েন্ট/ওয়ার্কস্টেশন ও একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- এখানে সার্ভার কম্পিউটারে কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা জমা রাখা হয় এবং এসব ডেটা নেটওয়ার্কে অবস্থিত ক্লায়েন্ট কম্পিউটার কর্তৃক রিসোর্স হিসেবে ব্যবহার (শেয়ার) করা হয়।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network):
- এটি মূলত পিয়ার-টু-পিয়ার ও ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্ষেত্রে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিং-এর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য (যেমন- গ্লোবাল স্টোরেজ মিডিয়া) বিদ্যমান থাকায় কর্পোরেট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে।
- এই নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট সার্ভারের প্রাধান্য বেশি থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৫৭৭.
ইএমটিএস পদ্ধতিতে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়?
  1. ৪০ হাজার
  2. ৫০ হাজার
  3. ৬০ হাজার
  4. ৭০ হাজার
ব্যাখ্যা
♦ ইএমটিএস: 
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।  
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস (ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস/সিস্টেম)।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়। 
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।

 উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৮.
ই-মেইল ঠিকানায় '@' চিহ্নের পরবর্তী অংশকে কী বলা হয়?
  1. ডোমেইন নেম
  2. প্রোটোকল নেম
  3. সার্ভার নেম
  4. ইউজারনেম
ব্যাখ্যা

- ই-মেইল ঠিকানা দুই অংশে বিভক্ত- ইউজারনেম এবং ডোমেইন নেম, যা '@' চিহ্ন দ্বারা আলাদা হয়।
- '@' এর আগে থাকা অংশটি হলো ইউজারনেম, যা ই-মেইল অ্যাকাউন্টের মালিককে চিহ্নিত করে।
- '@' এর পরে থাকা অংশটি হলো ডোমেইন নেম, যা ই-মেইল সার্ভারের ঠিকানা নির্দেশ করে।

• ইমেইল:
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা - দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫৭৯.
কোন ধরনের নেটওয়ার্ক টপোলজিতে “হাব” কেন্দ্রীয় সংযোগ হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. মেশ টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• “হাব” কেন্দ্রীয় সংযোগ হিসাবে ব্যবহৃত হয় স্টার টপোলজি-তে। স্টার টপোলজিতে প্রতিটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস বা নোড সরাসরি একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা সাধারণত একটি হাব, সুইচ বা রাউটার হতে পারে। এই কেন্দ্রীয় হাব নোডগুলোর মধ্যে ডেটা আদানপ্রদানের জন্য মধ্যস্থতা করে। স্টার টপোলজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কোনো একক নোডে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় না; সমস্যা কেবল সেই নোড বা তার সংযোগে সীমাবদ্ধ থাকে। এছাড়া নতুন নোড সংযুক্ত করা সহজ এবং নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টও তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। এর কারণে হাবকে কেন্দ্রীয় সংযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) স্টার টপোলজি।

​হাব: 
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা। 
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে। 
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়। 

- কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। 
যথা- 
১। সক্রিয় হাব (Active HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে, আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে। 
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে। 

২। নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে। 
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র। এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮০.
SWIFT code is usually paired with an -
  1. ক) ESBIC
  2. খ) ISBN
  3. গ) IBIC
  4. ঘ) IBAN
ব্যাখ্যা
- An IBAN, or international bank account number, is a standard international numbering system developed to identify an overseas bank account. - The number starts with a two-digit country code, then two numbers, followed by several more alphanumeric characters.
- SWIFT code is usually paired with an IBAN (International Bank Account Number).
- Once the transfer is completed, the bank that receives the money issues a ‘SWIFT message’, a confirmation that funds were received that contains the full information about the transfer.

Source: investopedia.com
৫৮১.
ডিজিটাল কন্টেন্ট হতে পারে-
i. এ্যানিমেশন
ii. ইমেজ
iii. অডিও
  1. i ও ii
  2. i ও iii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
♦ ডিজিটাল  কনটেন্ট:
- ডিজিটাল ডাটা আকারে বিদ্যমান যে কোন কনটেন্টকে ডিজিটাল কন্টেন্ট বলা হয়।
- এটা ডিজিটাল মিডিয়া নামেও পরিচিত।
- টেক্সট যেমন ডিজিটাল কন্টেন্ট এর আওতায় পড়ে তেমনি অডিও-ভিডিও ফাইল, গ্রাফিক্স, এমনকি ইমেজও এর আওতায় পড়ে।
- কন্টেন্ট শিল্পে নিয়োজিত অনেক বিশেষজ্ঞ এই সংজ্ঞার সাথে কিছুটা দ্বিমত পোষণ করেন।
- তাঁরা মনে করেন, যেকোন তথ্যই ডিজিটাল কন্টেন্ট যদি সেটা ডিজিটাল আকারে পাবলিশ করার পর ডাউনলোড ও বিতরণযোগ্য হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উনুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮২.
নিচের কোন ডিভাইসে একই সময়ে ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করা যায়? 
  1. টিভি
  2. ওয়াকিটকি
  3. রেডিও
  4. মোবাইল ফোন
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স: 
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স: 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স: 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৩.
সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন কে?
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. পল বছিট
  3. টিম বার্নাস লি
  4. রে টমলিনসন
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

 উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৪.
নিচের কোন পদ্ধতিটি দিয়ে আপনি IMEI চেক করতে পারবেন?
  1. ক্যামেরা অ্যাপ ওপেন করা
  2. ফোনে কল করা
  3. *#06# ডায়াল করা
  4. মেসেজ পাঠানো
ব্যাখ্যা

• IMEI চেক করার জন্য সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো *#06# ডায়াল করা।
IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি ইউনিক নম্বর, যা ডিভাইস শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ফোনের ডায়ালার ওপেন করে *#06# কোডটি ডায়াল করলে সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনে IMEI নম্বর প্রদর্শিত হয়। এই পদ্ধতিতে ইন্টারনেট, ক্যামেরা বা মেসেজের কোনো প্রয়োজন হয় না এবং এটি সব ধরনের মোবাইল ফোনে কাজ করে। ক্যামেরা অ্যাপ ওপেন করা, সাধারণ কল করা বা মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে সরাসরি IMEI জানা যায় না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) *#06# ডায়াল করা।

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৮৫.
কোনটির মাধ্যমে ডেটা একই সময় দুইদিকে যেতে পারে?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স
  3. টেলিকাস্ট
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৫৮৬.
অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে কোন ধরনের সিগন্যাল পাঠানো হয়?
  1. বৈদ্যুতিক সিগন্যাল
  2. তড়িৎ সিগন্যাল
  3. আলোক সিগন্যাল
  4. যান্ত্রিক সিগন্যাল
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু এক ধরনের প্লাস্টিক কাচের তন্ত্র।
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলোক সিগন্যাল পাঠানো হয়।
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোক সিগন্যাল অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে প্রথমে আলোক সিগন্যালে পরিণত করা হয়।
- এরপর আলোক সিগন্যালকে অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- অপরপ্রান্তে আলোক সিগন্যালকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে পরিণত করা হয়।
- এভাবেই অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে সিগন্যাল পাঠানো সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫৮৭.
কোন ডিভাইসের মাধ্যমে অ্যানালগ সংকেত ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত হয়?
  1. স্যুইচ
  2. রিপিটার
  3. মডেম
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
• মডেম (Modem):
- মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC-Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (ADC-Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে ।
- প্রেরক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট ডেটা ও তথ্য প্রেরণ করে।
- এভাবে টেলিফোন লাইনের উপযোগী করে ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন (Modulation) বলে।
- গ্রাহক কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত মডেম সেই অ্যানালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে তা কম্পিউটারের ব্যবহারোপযোগী করে।
- এভাবে টেলিফোন লাইন থেকে প্রাপ্ত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন (Demodulation) বলে ।
- কাজেই প্রেরক বা প্রাপক হিসাবে ব্যবহৃত যে ডিভাইস বা যন্ত্র ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মডুলেশন ও ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্যে উৎস ও গন্তব্যের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে মডেম বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৫৮৮.
একটি IPv6 ঠিকানায় কতগুলো বিট ব্যবহার করা হয়?
  1. 64 বিট
  2. 96 বিট
  3. 256 বিট
  4. 128 বিট
ব্যাখ্যা

• IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন ৬, যা IPv4-এর তুলনায় অনেক বড় ঠিকানার স্থান সরবরাহ করে। একটি IPv6 ঠিকানা মোট ১২৮ বিট লম্বা হয়, যা ৮টি হেক্সাডেসিমাল ব্লক আকারে লেখা হয়। প্রতিটি ব্লকে ১৬ বিট থাকে, ফলে ৮ × ১৬ = ১২৮ বিট হয়। এই দীর্ঘ ঠিকানার কারণে IPv6 ইন্টারনেটে কোটি কোটি ডিভাইসকে স্বতন্ত্রভাবে ঠিকানা দেওয়ার সুযোগ দেয়। IPv4 কেবল ৩২ বিট ব্যবহার করেছিল, তাই ঠিকানার ঘাটতি থাকত, কিন্তু IPv6 ১২৮ বিট ব্যবহার করে এই সমস্যা দূর করেছে।
- সুতরাং, IPv6 ঠিকানায় ১২৮ বিট ব্যবহার করা হয়। উত্তর: ঘ) 128 বিট।

আইপি এড্রেস:
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৮৯.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবার ধরন নয়?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. HaaS
ব্যাখ্যা

HaaS ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবার ধরন নয়।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।

• উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।

• উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।

• উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৯০.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুফল কোনটি?
  1. ক) সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য
  2. খ) ইন্টারনেট সংযোগ লাগে না
  3. গ) এ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়
  4. ঘ) তথ্যের গোপনীয়তা বজায় থাকে
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিচের ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি : ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড : ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো : এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

৫৯১.
ই-কমার্স সাইট amazon.com কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৯৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট আমাজন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
৫৯২.
মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কোন প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. WAP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

• WAP → Wireless Application Protocol; মোবাইল ফোনে তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP → ফাইল আদান-প্রদানের প্রোটোকল; মোবাইল ইন্টারনেট অ্যাকসেস প্রযুক্তি নয়।
- HTTP → ওয়েব পেজ ট্রান্সফারের প্রোটোকল; মোবাইল নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের প্রযুক্তি নয়।
- SMTP → ই-মেইল প্রেরণের প্রোটোকল; ইন্টারনেট সংযোগ প্রযুক্তি নয়।

• মোবাইল ইন্টারনেট (Mobile Internet):

- GPRS ও EDGE প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যবস্থাকেই মোবাইল ইন্টারনেট বলা হয়।
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য WAP (Wireless Application Protocol) প্রযুক্তিও ব্যবহৃত হয়।
- এ কারণে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য কোনো ধরনের ক্যাবল বা মডেমের প্রয়োজন হয় না।
- WAP প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা সম্ভব।
- এর সাহায্যে ই-মেইল আদান-প্রদান, ই-ব্যাংকিং, ই-কমার্সসহ বিভিন্ন অনলাইন কার্যাবলি সহজে সম্পাদন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯৩.
সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য কোন শর্টকাট কী ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + B
  2. Ctrl + C
  3. Ctrl + D
  4. Ctrl + E
ব্যাখ্যা

এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
- Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
- Ctrl + D: কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E: টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
- Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
- Ctrl + I: সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

তথ্যসূত্র - Computer Hope.

৫৯৪.
ফিশিং বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি কম্পিউটার ভাইরাস
  2. কম্পিউটারকে দ্রুত করার উপায়
  3. ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের ধরন
  4. ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে চুরি করার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• ফিশিং হল একটি অনলাইন প্রতারণার পদ্ধতি, যা মূলত ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। হ্যাকাররা ইমেইল, মেসেজ বা নকল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে বিশ্বাসযোগ্য বার্তা পাঠায়। এই বার্তাগুলিতে প্রায়ই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, পাসওয়ার্ড বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য চাইতে পারে। ব্যবহারকারী যদি এসব বার্তায় থাকা লিঙ্কে ক্লিক করে তথ্য প্রদান করে, তবে হ্যাকাররা তা চুরি করতে সক্ষম হয়। ফিশিং সাধারণত ব্যাংকিং, অনলাইন শপিং বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটে এবং এটি কম্পিউটার ভাইরাস বা সফটওয়্যারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং, ফিশিং হলো ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে চুরি করার পদ্ধতি। 

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
ফিশিং (Phishing): ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা ইন্টারনেট কোন নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড এর মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির প্রচেষ্টাকে ফিশিং (phishing) বলে।

স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): র‍্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার। র‍্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

স্নিফিং (Sniffing): ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৫৯৫.
Which wireless communication technology creates a Personal Area Network (PAN)?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. WiMAX
  4. Satellite Communication
ব্যাখ্যা

• Bluetooth একটি স্বল্প দূরত্বের wireless প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে Personal Area Network (PAN) তৈরি করে।

• ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি:
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন বলতে এমন যোগাযোগ ব্যবস্থা বোঝায় যেখানে ডিভাইসগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের তার বা কেবল ছাড়াই ডাটা আদান-প্রদান করা হয়।
- এই ব্যবস্থায় সাধারণত রেডিও তরঙ্গ বা অন্যান্য ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়।
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, প্রিন্টার ইত্যাদি ডিভাইস একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

• Bluetooth:
- Bluetooth হলো স্বল্প দূরত্বের একটি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড যা বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডাটা বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Bluetooth প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি Personal Area Network (PAN) তৈরি করা যায়।
- এই প্রযুক্তি 2.4 GHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
- সাধারণত 10–100 মিটার দূরত্বের মধ্যে থাকা ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, হেডসেট, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রে Bluetooth ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Wi-Fi → একটি জনপ্রিয় wireless networking প্রযুক্তি যা IEEE 802.11 standard ব্যবহার করে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
- WiMAX → Worldwide Interoperability for Microwave Access; এটি বৃহৎ এলাকা জুড়ে উচ্চগতির broadband internet access প্রদানকারী wireless প্রযুক্তি।
- Satellite Communication → কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের মধ্যে দূরপাল্লার তথ্য বা সংকেত আদান-প্রদানের পদ্ধতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল (PaaS) এর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. Dell Servers
  2. Microsoft Windows OS
  3. Amazon S3
  4. Google App Engine
ব্যাখ্যা

•একটি PaaS (Platform as a Service) প্রদানকারী এমন একটি ক্লাউড পরিষেবা, যা ডেভেলপারদের অ্যাপ তৈরি, চালানো ও ডিপ্লয় করার জন্য সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। এতে হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ডাটাবেস, রানটাইম এবং ডেভেলপমেন্ট টুলসহ সবকিছু প্রস্তুত থাকে, ফলে ব্যবহারকারীকে অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভাবতে হয় না।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Google App Engine হলো একটি প্রকৃত PaaS পরিষেবা, কারণ এটি কোড আপলোড করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্কেলিং, লোড ব্যালান্সিং এবং রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট করে। অন্যদিকে Dell Servers হার্ডওয়্যার, Microsoft Windows OS একটি অপারেটিং সিস্টেম এবং Amazon S3 স্টোরেজ পরিষেবা। তাই সঠিক উত্তর ঘ) Google App Engine.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।

৫৯৭.
ফ্যাক্স এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনে কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. PSTN
  2. PSTNN
  3. PIST
  4. FAXTN
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স (Fax):
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪৩ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৫৯৮.
সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে কী বোঝায়?
  1. অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার কপি বা ব্যবহার করা
  2. সফটওয়্যার আপডেট করা
  3. সফটওয়্যার বিক্রি করা
  4. সফটওয়্যার উন্নয়ন করা
ব্যাখ্যা

• অনুমতি ছাড়া কোনো সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা বা ব্যবহার করাকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলা হয়।

• সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy):
- সফটওয়্যার পাইরেসি হলো সফটওয়্যার নির্মাতার অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার কপি, বিতরণ বা ব্যবহার করার অবৈধ প্রক্রিয়া।
- এটি মেধাস্বত্ব আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়।
- পাইরেসির মাধ্যমে সফটওয়্যার কোম্পানি ও নির্মাতারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
- সফটওয়্যার পাইরেসি সাইবার অপরাধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

• সফটওয়্যার পাইরেসির ধরন:
- অবৈধভাবে সফটওয়্যার কপি করা।
- অনুমতি ছাড়া সফটওয়্যার বিতরণ করা।
- লাইসেন্স ছাড়া সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
- ইন্টারনেট থেকে অবৈধভাবে সফটওয়্যার ডাউনলোড করা।

• সফটওয়্যার পাইরেসির প্রভাব:
- সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- প্রযুক্তি উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি হয়।
- অনেক ক্ষেত্রে অবৈধ সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার প্রবেশ করতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- সফটওয়্যার আপডেট করা → সফটওয়্যারের নতুন সংস্করণ বা উন্নত সংস্করণ স্থাপন করার প্রক্রিয়া।
- সফটওয়্যার বিক্রি করা → বৈধভাবে সফটওয়্যার বাজারজাত করার কার্যক্রম।
- সফটওয়্যার উন্নয়ন করা → নতুন সফটওয়্যার তৈরি বা বিদ্যমান সফটওয়্যার উন্নত করার প্রক্রিয়া।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৫৯৯.
নিচের কোনটি FDMA এবং TDMA এর সম্মিলিত চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি?
  1. GSM
  2. UPTS
  3. GPS
  4. HSPA
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (GSM-Global System for Mobile communication):
- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক ও এয়ারটেল জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- FDMA এর সর্বমোট চ্যানেল সংখ্যা হচ্ছে ১২৪ এবং প্রতিটি চ্যানেল হচ্ছে ২০০ KHz।
- ৯৩৫-৯৬০ MHz আপলিংক (Uplink) এবং ৯৩৫-৯৬০ MHz ডাউনলিংক (Downlink) উভয়ের জন্যই ২৫ MHz বরাদ্দ থাকে।
- দ্বৈত পৃথকীকরণ (Duplex separation) হচ্ছে ৪৫ MHz।
- যদি ২০০ KHz চ্যানেলের মধ্যে TDMA ব্যবহৃত হয় তবে একটি ফ্রেমে (Frame) পরিণত হতে ৮ টাইম স্লট (Time Slot) দরকার।
- ফ্রেম সময়কাল হচ্ছে ৪.৬১৫ মিলিসেকেন্ড।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬০০.
WiMAX is based on which IEEE standard?
  1. 802.15
  2. 802.11
  3. 802.16
  4. 802.20
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 802.16

WiMAX
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- এটি একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০–৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান করে।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি ৮০ - ১০০০ Mbps।
- এর ব্যান্ডউইথ ৩০ - ৭৫ Mbps।
- এর কভারেজ এরিয়া ১০ - ৫০ কিলোমিটার।
- WiMAX-এর প্রধান অংশ দুটি, যথা – বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

অন্যান্য IEEE স্ট্যান্ডার্ড
- 802.15 - ব্লুটুথ এবং Personal Area Network (PAN) প্রযুক্তির জন্য।
- 802.11 - Wi Fi এর জন্য ব্যবহৃত।
- 802.20 - Mobile Broadband Wireless Access (MBWA) এর জন্য।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, 
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।