বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা / ৫১ · ৪০১৫০০ / ৫,০২৮

৪০১.
বিশ্বগ্রাম ধারণার প্রবক্তা কে?
  1. ফ্রেড কোহেন
  2. মার্শাল ম্যাকলুহান
  3. স্টিভ জবস
  4. উইলিয়াম শকলে
ব্যাখ্যা

বিশ্বগ্রাম:
- কানাডিয়ান দার্শনিক মার্শাল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম "বিশ্বগ্রাম" কথাটি ব্যবহার করেন
- এটি এমন একটি পরিবেশ ও সমাজ যেখানে পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে যুক্ত হওয়া যায়।
- এছাড়াও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
- মার্শাল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম ১৯৬২ সালে তার রচিত 'The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic' গ্রন্থে বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে 'Understanding Media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪০২.
স্মার্ট কার্ডের উদ্ভাবক কে?
  1. ক) Martin Cooper
  2. খ) Marc Benioff
  3. গ) Lirio Marcelo
  4. ঘ) Roland Moreno
ব্যাখ্যা
Roland Moreno হলেন স্মার্ট কার্ডের জনক।
Source: nytimes.com
৪০৩.
Who is the CEO of Alphabet Inc.?
  1. Satya Nadella
  2. Tim Cook
  3. Andy Jassy
  4. Sundar Pichai
ব্যাখ্যা
Google (Alphabet Inc.) এর CEO হচ্ছেন - Sundar Pichai.

- Microsoft এর CEO হচ্ছেন - Satya Nadella.
- Apple Inc. এর CEO হচ্ছেন - Tim Cook.
- Amazon এর CEO হচ্ছেন - Andy Jassy.

এছাড়াও,
- Facebook (Meta) এর CEO হচ্ছেন - Mark Zuckerberg.
- Tesla, SpaceX এর CEO হচ্ছেন - Elon Musk.
- X (Twitter) এর CEO হচ্ছেন - Linda Yaccarino.
- IBM এর CEO হচ্ছেন - Arvind Krishna.
- Intel এর CEO হচ্ছেন - Patrick Pat Gelsinger.
- Oracle এর CEO হচ্ছেন - Safra Catz.
- Cisco Systems এর CEO হচ্ছেন - Chuck Robbins.
- NVIDIA এর CEO হচ্ছেন - Jensen Huang.

উৎস: Websites of Google, Microsoft, Apple Inc., Amazon, Facebook (Meta), Tesla, SpaceX, X (Twitter), IBM, Intel, Oracle, Cisco Systems, NVIDIA.  
৪০৪.
ওয়েবসাইটের বিকল্প লিঙ্ক হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) URL
  2. খ) Hyperlink
  3. গ) Text link
  4. ঘ) Shorten Link
ব্যাখ্যা
ওয়েবসাইটের বিকল্প লিঙ্ক হিসেবে Hyperlink ব্যবহৃত হয়। 


কোন ওয়েব পেজের ভিতরে লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও, ডকুমেন্ট অন্য ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইটের সাথে সংযোগ স্থাপন করাকে হাইপারলিঙ্ক বলে। 

হাইপারলিংকের সুবিধাসমূহ- 
১. অতিদ্রুত যেকোন  ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজ দেখা যায়।
২. ব্যবহারকারীর কম সময় লাগে। 
৩. দ্রুত এক পেজ বা ডকুমেন্ট হতে অন্য পেজ বা ডকুমেন্টে যাওয়া যায়।

সূত্র: Computerhope.com Website [লিঙ্ক]
৪০৫.
কোন প্রযুক্তি ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করে?
  1. ক) FDMA
  2. খ) CDMA
  3. গ) TDMA
  4. ঘ) Both A & B
ব্যাখ্যা
ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করার জন্য FDMA ( Frequency Division Multiple Access) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছিলো৷ TDMA, PDMA এ এক সেল থেকে অন্য সেলে সিগনাল আলাদা করা যায় না৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৪০৬.
কোনটি মিডিয়া?
  1. রাউটার
  2. অপটিক্যাল ফাইবার
  3. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
  4. প্রটোকল
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম (Media): 

- প্রেরণ প্রাপ্ত এবং দূরবর্তী গ্রহণ প্রান্তের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উভয় প্রান্তের মধ্যে সংযোগ স্থাপন।
- এই সংযোগকে সাধারণত চ্যানেল (Channel) বলা হয়।
- ডেটা বিনিময় করার জন্য চ্যানেলের সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা থাকে যাকে ব্যান্ডউইডথ্ বা বিট রেট বা ডেটা পার সেকেন্ড বলা হয়।
- এই চ্যানেল বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রকার মাধ্যম (Medium) ব্যবহার করা হয়।
- ডেটা চলাচলের এই মাধ্যমগুলোকেই কমিউনিকেশন মাধ্যম বলা হয় । একে ট্রান্সমিশন মিডিয়াও বলা হয়।

- ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম দুই ধরনের দেখা যায় । যথা-
১। গাইডেড (Guided) মিডিয়া বা তার মাধ্যম (Wired): সাধারণ টেলিফোন ক্যাবল বা তার, ফাইবার অপটিক লাইন ক্যাবল ইত্যাদি মাধ্যম।
২। আনগাইডেড (Unguided) মিডিয়া বা তারবিহীন বা বেতার মাধ্যম: বেতার তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, ভূ-উপগ্রহ ব্যবস্থা, ইনফ্রারেড ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪০৭.
Amazon (https://www.amazon.com/) যুক্তরাষ্ট্রের খুব নামকরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। কোন ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে Amazon এর ওয়েব সাইটের মত করে একটি ওয়েব সাইট তৈরি করেছেন; যেটি দেখতে হুবহু Amazon এর সাইটের মত তবে ওয়েব এড্রেস https://www.amazon.cam
এটি কোন ধরণের প্রতারণার উদাহরণ ?
  1. ক) Spam
  2. খ) Spoofing
  3. গ) Phishing
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্যবস্থায় কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট সেজে প্রতারণার মাধ্যমে কারো কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন ব্যবহারকারী নাম ও পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে ফিশিং (Phishing) বলে।
- ইমেইল ও ইন্সট্যান্ট মেসেজের মাধ্যমে সাধারণত ফিশিং করা হয়ে থাকে। প্রতারকেরা তাদের শিকারকে কোনোভাবে ধোঁকা দিয়ে তাদের ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়।
- ঐ ওয়েবসাইটটি সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীর ইমেইল, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডের আসল ওয়েবসাইটের চেহারা নকল করে থাকে।
- ব্যবহারকারীরা সেটাকে আসল ওয়েবসাইট ভেবে নিজের তথ্য প্রদান করলে সেই তথ্য প্রতারকদের হাতে চলে যায়। 
৪০৮.
সম্প্রতি বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম কী?
  1. পূর্ণ
  2. বর্ণ
  3. উচ্চারণ
  4. কথা
ব্যাখ্যা
- অমর একুশের শহীদদের স্মরণে বাংলা ভাষায় তৈরি তিনটি সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট উন্মুক্ত করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। 
- আগারগাঁওয়ে কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘উচ্চারণ’, ‘কথা’ ও ‘বর্ণ’ সফটওয়্যারসহ ‘পূর্ণ’ নামের বাংলা ফন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ। 
- ‘পূর্ণ’ ফন্টটি মূলত ইউনিকোডভিত্তিক ফন্ট। 
- স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ, বিরাম চিহ্ন, ইংরেজি বর্ণ, গাণিতিক চিহ্নসহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের পাশাপাশি মুদ্রণ কাজেও ব্যবহার করা যাবে ফন্টটিতে। 

অন্যদিকে, 
- ‘উচ্চারণ’ নামের টেক্সট টু স্পিচ সফটওয়্যারটি ওয়েবসাইট বা যন্ত্রের পর্দায় থাকা সব তথ্য পড়ে শোনাতে পারে। 
- মুখের কথাকে লেখায় রূপান্তর করতে পারে ‘কথা’ সফটওয়্যারটি। 
- ‘বর্ণ’ হলো বাংলা ওসিআর সফটওয়্যার।
- পিডিএফ বা ছবিতে থাকা বার্তা লেখায় রূপান্তরের সুযোগ থাকায় সফটওয়্যারটির মাধ্যমে সহজেই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তির তথ্য লিখিত আকারে সংরক্ষণ করা যাবে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (প্রকাশ: ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪)।
৪০৯.
নিচের কোনটি সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম?
  1. ব্যাংকিং সফটওয়্যার
  2. পেজ মেকার
  3. পেরোল সিস্টেম
  4. ই-কমার্স সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
পেজ মেকার একটি সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম।

• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম।

• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়‍্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়‍্যার পাওয়া যায় তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়।
- যেমন- এমএসওয়ার্ড প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেল প্রোগ্রামের সাহায্যে হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করা যায় ইত্যাদি।
- মূলত কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্যে প্রাত্যহিক সমস্যার সমাধান করে থাকেন।

• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো
- এমএস অফিস,
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- নেটস্কেপ নেভিগেটর,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল,
- পেজ মেকার,
- ফটোশপ,
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।

• উল্লেখযোগ্য অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম 
- ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়‍্যার,
- ইলেকট্রনিস কমার্স,
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।

• কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১০.
তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোন কিছু করতে বাধ্য করাকে কী বলে?
  1. সাইবার ফোর্সিং
  2. সাইবার বুলিং
  3. ফোর্সিং এক্ট
  4. সাইবার ব্ল্যাকিং
ব্যাখ্যা
সাইবার সন্ত্রাস/ উৎপীড়ক বা সাইবার বুলি:
তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোন কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার সন্ত্রাস বা সাইবার বুলিং বলা হয়।

কাউকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, হুমকি প্রদান করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করা
কারো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা
সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রকাশ করা বা গুজব ছড়ানো
সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ ছড়ানো এসব কিছুই সাইবার সন্ত্রাসের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪১১.
ক্যাশ মেমরির কর্মক্ষমতা কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Baud Rate
  2. Hit ratio
  3. Bit Rate
  4. Miss ratio
ব্যাখ্যা
ক্যাশে মেমরির কর্মক্ষমতা Hit ratio এককে পরিমাপ করা হয়।

ক্যাশে মেমরির কর্মক্ষমতা নিম্নোক্তভাবে বৃদ্ধি করা যায়:
- higher cache block size,
- higher associativity,
- reduce miss rate,
- reduce miss penalty, and
- reduce the time to hit in the cache.
৪১২.
বাস টপোলজির মূল ক্যাবল বা তারটিকে কী বলা হয়?
  1. ডুডল
  2. ব্যাকবোন
  3. নোড
  4. ব্যাকরাব
ব্যাখ্যা
♦ বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪১৩.
কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• এনালগ কম্পিউটার।
• ডিজিটাল কম্পিউটার।
• হাইব্রিড কম্পিউটার।

• এনালগ কম্পিউটার:
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে।
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- এই ধরনের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ ও অংক ব্যবহার করা হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে প্রস্তুত করা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হল বাইনারী সংখ্যা (০ এবং ১)।
- এনালগ কম্পিউটারের চেয়ে ডিজিটাল কম্পিউটার প্রদত্ত ফলাফল অনেক বেশি নির্ভূল ও নির্ভরশীল। এর কাজের গতিও বেশ দ্রুত।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে লেখালেখি, হিসাব নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজ একইসংগে করা যায়।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার।
- সাধারণত বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৪.
কোন প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব?
  1. প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  2. দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  3. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  4. চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
ব্যাখ্যা
মোবাইলের দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০): 
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়। 
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- 
১। দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়। 
২। GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব। 
৩। সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। 
8। পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। 
৫। SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়। 
৬। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৫.
HTML এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Hyper Text Message Link
  2. Hyper Text Markup Language
  3. Hyper Test Markup Language
  4. Hyper Text Markup Link
ব্যাখ্যা

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
HTML - Hyper Text Markup Language.
ATM - Automated Teller Machine.
WAN - Wide Area Network.
MIMD - Multiple Instruction Multiple Data.
DBMS - Database Management System.
CPU - Central Processing Unit.
RAM - Random Access Memory.
ROM - Read Only Memory.
OMR - Optical Mark Recognition.

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।

৪১৬.
নিচের কোনটি Google DeepMind কর্তৃক উদ্ভাবিত মাল্টিমোডাল AI মডেল?
  1. Gemini
  2. GPT- 4
  3. Claude
  4. ImageBind
ব্যাখ্যা

Gemini হলো Google DeepMind কর্তৃক উদ্ভাবিত মাল্টিমোডাল AI মডেল।

মাল্টিমোডাল AI মডেল:
- মাল্টিমোডাল মডেল হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। মানুষের মস্তিষ্ক যেমন একই সঙ্গে শোনা, দেখা এবং স্পর্শ করার মাধ্যমে চারপাশের জগতকে বুঝতে পারে, এই মডেলগুলিও ঠিক তেমনই বিভিন্ন ধরনের ডেটা (যাকে "মোডালিটি" বলা হয়) একসাথে প্রক্রিয়া করতে পারে।
- মাল্টিমোডাল AI (Multimodal AI) হলো এমন ML মডেল যা একাধিক মোডালিটি (Types of Data) থেকে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং একীভূত (Integrate) করতে পারে।
- মোডালিটি বলতে তথ্যের বিভিন্ন রূপকে বোঝায়, যেমন- টেক্সট (Text), ছবি (Images), অডিও (Audio), ভিডিও (Video), কোড (Code), সেন্সর ডেটা (Sensor Data)।

মাল্টিমোডাল মডেলের গুরুত্ব ও সুবিধা:
- এই মডেলগুলি মানুষের মতো বিভিন্ন সংবেদনশীল ইনপুট (যেমন—কথা ও মুখের অভিব্যক্তি) একসাথে বুঝতে পারে, যা মানব-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশনকে আরও স্বাভাবিক ও দক্ষ করে তোলে।
- একাধিক উৎস থেকে ডেটা গ্রহণ করার ফলে মডেলটির তথ্য বোঝার ক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ এবং সঠিক হয়। উদাহরণস্বরূপ, শুধুমাত্র রোগীর বর্ণনা না শুনে তার মেডিক্যাল ইমেজ ও ল্যাব রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে আরও সঠিক রোগ নির্ণয় করা যায়।
-  যখন একটি মডেলের কাছে ক্রস-রেফারেন্সের জন্য একাধিক মোডালিটির তথ্য থাকে, তখন এটি ভুল বা মনগড়া (Hallucinated) তথ্য দেওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
- শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ, স্বায়ত্তশাসিত ড্রাইভিং এবং বিপণনের মতো বিস্তৃত ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ সম্ভব।

বিখ্যাত মাল্টিমোডাল AI মডেলসমূহ:
- Gemini, Claude, GPT- 4, DALL-E 3, Sora, ViT (Vision Transformer), ImageBind, Flamingo ইত্যাদি।

অপশন আলোচনা:
- GPT-4: এটি OpenAI কর্তৃক উদ্ভাবিত।
- Claude: এটি Anthropic কর্তৃক উদ্ভাবিত।
- ImageBind: এটি Meta কর্তৃক উদ্ভাবিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪১৭.
'লামা এআই' কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে?
  1. অ্যাপল
  2. মেটা
  3. ওপেন এআই
  4. আলিবাবা
ব্যাখ্যা
লামা এআই: 
- ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্মসূচির নাম লামা (Llama - Large Language Model Meta AI) এআই।
- লামা এআইয়ের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইন ভাঙার অভিযোগ করা হচ্ছে। 
- লামা এআইকে প্রশিক্ষণের সময় ৮২ টেরাবাইট বইপত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করে পাইরেসির অভিযোগ করা হচ্ছে। এ জন্য মেটার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
- মেটা টরেন্টের মাধ্যমে প্রায় ৮১ দশমিক ৭ টেরাবাইট ডেটা ডাউনলোড করেছে বলে মামলার নথিপথে দেখা যায়।
- কপিরাইট আইন এড়িয়ে চলার জন্য মেটা নিজের সম্পৃক্ততা গোপন করেছে বলে জানা গেছে।

উৎস: প্রথম আলো (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
৪১৮.
Ctrl + A এর কাজ কী?
  1. টেক্সট খুঁজে বের করা
  2. টেক্সট বোল্ড করা
  3. টেক্সট কপি করা
  4. সব টেক্সট সিলেক্ট করা
ব্যাখ্যা

এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
- Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
- Ctrl + D কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
- Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
- Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

তথ্যসূত্র - Computer Hope.

৪১৯.
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী UMTS স্ট্যান্ডার্ড কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
♦ তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G):
- ২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করেন।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের স্ট্যান্ডার্ড CDMA টেকনোলজির এর পরিবর্তে W-CDMA (Wideband Code Division Multiple Access) টেকনোলজির ব্যবহার দিয়ে তৃতীয় প্রজন্মের সূচনা হয়।
- W-CDMA পদ্ধতি বর্তমানে UMTS ( Universal Mobile Telecommunication System) নামে পরিচিত।
- তৃতীয় প্রজন্মে উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফার ও মাল্টিমিডিয়া ডেটা ব্যবহারসহ CDMA ও GPRS (General Packet Radio Service) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- ফলে সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE(Enhanced Data rates for GSM Evolution) চালু হয়।
- এই প্রজন্মেই আধুনিক মোবাইল টেকনোলজি HSPA (High Speed Packet Access) এর বাস্তবায়ন করা হয়।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য রয়েছে-
- ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়। 
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। 
- ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতি সম্পন্ন। ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয় ।
- এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী W-CDMA বা UMTS স্ট্যান্ডার্ড।
- চ্যানেল অ্যাকসেস বা সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-CDMA ।
- উচ্চ স্পেকট্রাম কর্মদক্ষতা।
- আর্ন্তজাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।
- উদাহরণ: UMTS (Universal Mobile Telecommunication System), IMT (International Mobile Telecommunication)-2000, MC-CDMA, TD-SCDMA, EDGE, HSPA ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪২০.
What is a bus topology?
  1. A computer hardware
  2. A LAN configuration
  3. A type of memory
  4. An internet browser
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) A LAN configuration

বাস টপোলজি
- বাস টপোলজি হলো একটি LAN (Local Area Network) কনফিগারেশন যেখানে একটি মূল চ্যানেল (main channel) বিভিন্ন নোড বা সেকেন্ডারি চ্যানেলকে শাখার মতো সংযুক্ত করে।
- এই সেটআপে, প্রতিটি কম্পিউটার পরোক্ষভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।
- অন্যান্য কনফিগারেশন থাকলেও, বাস কনফিগারেশন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত।

বাস-সংযুক্ত ইথারনেট
- ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে, বাস-সংযুক্ত ইথারনেট LAN-এর সবচেয়ে সাধারণ ডিজাইন।
- প্রতিটি ডিভাইসের একটি 48-বিটের ইউনিক অ্যাড্রেস থাকে।
- যেকোনো কম্পিউটার ডেটা পাঠাতে চাইলে প্রথমে ক্যারিয়ার সিগন্যালের জন্য শুনে।
- যদি কোনো সিগন্যাল না থাকে, তখন কম্পিউটার ট্রান্সমিট করে এবং প্রাপকের অ্যাড্রেস ট্রান্সমিশনের শুরুতে যুক্ত করে।
- প্রতিটি সিস্টেম প্রতিটি বার্তা গ্রহণ করে, কিন্তু শুধুমাত্র তাদের ঠিকানার বার্তা গ্রহণ করে; অন্য বার্তা উপেক্ষা করে।
- সিস্টেম ট্রান্সমিশন চলাকালীনও শোনে এবং যদি একসাথে ট্রান্সমিশন (collision) সনাক্ত করে, তাহলে একটি random সময় পর পুনরায় চেষ্টা করে।
- এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Carrier Sense Multiple Access with Collision Detection (CSMA/CD)।
- এটি ঠিকঠাক কাজ করে যতক্ষণ পর্যন্ত নেটওয়ার্ক কম ব্যস্ত থাকে; নেটওয়ার্ক ভারী হলে collision বেশি হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪২১.
ফেসবুকের মূল কোম্পানির বর্তমান নাম কী?
  1. Facebook, Inc.
  2. Meta Platforms, Inc.
  3. Social Media Corp.
  4. Zuckerberg Holdings
ব্যাখ্যা

◉ ​ফেসবুকের মূল কোম্পানির বর্তমান নাম হলো Meta Platforms, Inc.
২০২১ সালের ২৮ অক্টোবর, ফেসবুক তাদের কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে 'মেটা' রাখে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বাইরে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দেয়।

মেটা (Meta):
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - Instagram, Threads, WhatsApp, Messenger ইত্যাদি।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Meta Official Website.

৪২২.
ইউটিউব সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
  2. সানফ্রান্সিসকোতে সদরদপ্তর অবস্থিত।
  3. একটি জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট।
  4. Parent organization: Google.
ব্যাখ্যা
• Youtube:
- ইউটিউব হলো একটি জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট।
- ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- Parent organization: Google.
- Founders: Jawed Karim, Chad Hurley, Steve Chen.
- Headquarters: San Bruno, California, United States.
- CEO: Neal Mohan (Feb 16, 2023 - present).

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪২৩.
বিশ্বগ্রাম শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন?
  1. জন অটোহ্যান
  2. মার্শাল ম্যাকলুহান
  3. ই এফ কড
  4. টিম বার্ণারস লী
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম: 
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক “মার্শাল ম্যাকলুহান” সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন
- তিনি “দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ” (the medium is the message) এবং “গ্লোবাল ভিলেজ” (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন।
- তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “The Gutenberg: The Making of Typographic Man” এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “Understanding Media” এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন।

- তাঁর সময়ে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে সময় ও দূরত্ব সংকুচিত হয়ে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। 
- তিনি এ প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে “ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম” (Electronic Nervous System) নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- পৃথিবী এ সিস্টেমের সাহায্যে সংযুক্ত হয়ে বিশ্বগ্রাম (Global village) এ রূপান্তরিত হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪২৪.
কোনটি তারহীন মাধ্যম নয়?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. ইনফ্রারেড
  3. অপটিক্যাল ফাইবার
  4. রেডিও ওয়েভ
ব্যাখ্যা
তার মাধ্যম:
ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল তার মাধ্যম। ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরী এই মাধ্যম ডাটাকে গাইড করে প্রেরক যন্ত্র থেকে গ্রাহক যন্ত্রে নিয়ে যায় বলে এ মাধ্যমকে গাইডেড মাধ্যম বলা হয়। তার মাধ্যম মিডিয়াকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়-
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল,
- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল,
- অপটিকাল ফাইবার। 

তারহীন মাধ্যম:
ওয়্যারলেস কথাটির অর্থ তার বিহীন বা তারহীন। তার বিহীন যোগাযোগ বা ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন হলো এমন ধরণের যোগাযোগ যেখানে কোন তার বা ক্যাবলের প্রয়োজন হয় না। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে সাধারণত রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করা হয়। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের মিডিয়াকে কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- রেডিও ওয়েভ (Radio wave),
- মাইক্রো ওয়েভ (Micro wave),
- ইনফ্রারেড (Infrared)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২৫.
নিজের কোনটি ক্লাউড স্টোরেজ নয়?
  1. গুগল ড্রাইভ
  2. ওয়ান ড্রাইভ
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. ড্রপবক্স
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা- Resource Scalability, On Demand এবং Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪২৬.
সম্প্রতি কোন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা পানির তলদেশের ছবি তোলার জন্য স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা তৈরি করেন?
  1. ক) ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) মাস্যাচুসেট্স ইন্সটিটিউত অফ টেকনোলজি
  4. ঘ) ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি মাস্যাচুসেট্স ইন্সটিটিউত অফ টেকনোলজির গবেষকরা পানির তলদেশের ছবি তোলার জন্য স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা তৈরি করেন। 

বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন যে পৃথিবীর সমুদ্রের প্রায় ৯৫ শতাংশের বেশি কখনও পর্যবেক্ষণ করা হয়নি এবং  এখনো অজানা রয়ে গিয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে মাস্যাচুসেট্স ইন্সটিটিউত অফ টেকনোলজির গবেষকেরা একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যাটারিবিহীন ক্যামেরা তৈরি করেন, যা সমুদ্রের অন্ধকার তলদেশের ছবি পর্যন্ত তুলা  সম্ভব। এই স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরাটি শব্দ দ্বারা চালিত হয় এবং শব্দ তরঙ্গ এর মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে। 

সূত্র: Massachusetts Institute of Technology Website [লিঙ্ক]
৪২৭.
WiFi 6 নামে পরিচিত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. ক) IEEE 802.11B
  2. খ) IEEE 802.11G
  3. গ) IEEE 802.11ax
  4. ঘ) IEEE 802.11x
ব্যাখ্যা
- WiFi এর প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড ছিলো IEEE 802.11B.
- এরপরের দ্রুততর সংস্করণের নাম ছিলো IEEE 802.11G এবং
- সর্বশেষ WiFi 6 নামে পরিচিত স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11ax ।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান এবং tp-link.com
৪২৮.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে হাব (Hub) ব্যবহার করা হয়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. ​ট্রি টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজি:
-​ যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।
এক্ষেত্রে সংযুক্ত নোডগুলো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা হাব বা সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রাদান করে থাকে।
- এ সংগঠনের কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলে বাকি নেটওয়ার্কে তার প্রভাব পড়েনা।

​• ​ট্রি টপোলজি: 
​-যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪২৯.
মাল্টিমিডিয়া কতটি প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়ে গঠিত?
ব্যাখ্যা

মাল্টিমিডিয়া: 
- মাল্টিমিডিয়া হলো মানুষের বিভিন্ন প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়।
- আমরা অন্তত বর্ণ, চিত্র এবং শব্দ (সাউন্ড) এই তিনটি মাধ্যম বা মিডিয়া ব্যবহার করে নিজেদেরকে প্রকাশ করে থাকি। 
-  এই তিনটি মাধ্যম তাদের বিভিন্ন রূপ নিয়ে কখনো আলাদাভাবে, কখনো একসাথে আমাদের সামনে আবির্ভূত হয়।
- এসব মাধ্যমের প্রকাশকে আমরা কাগজের প্রকাশনা, রেডিও, টেলিভিশন, ভিডিও, সিনেমা, ভিডিও গেমস, শিক্ষামূলক সফটওয়‍্যার, ওয়েবপেজ ইত্যাদি নানা নামে চিনে থাকি।
- মাল্টিমিডিয়া সচরাচর ডিজিটাল যন্ত্রের সহায়তায় ধারণ বা পরিচালনা করা যায়। 
- এটি সরাসরি মঞ্চে প্রদর্শিত হতে পারে বা অন্যরূপে সরাসরি সম্প্রচারিতও হতে পারে। 
- মাল্টিমিডিয়া বিষয়বস্তু ধারণ ও পরিচালনা করার ইলেকট্রনিক যন্ত্রকেও মাল্টিমিডিয়া নামে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। 
- কোনো একটি কর্মকাণ্ডে তিনটি মাধ্যমকেই একসাথে ব্যবহার করাকে মাল্টিমিডিয়া বলে। 
- উনিশ শতকের শেষ প্রান্তে ১৮৯৫ সালে সিনেমা বা চলচ্চিত্র উদ্ভব হবার পর তাতে বর্ণ (Text), চিত্র (Graphics), শব্দ (Sound) এবং চলমানতা (Animation) যুক্ত হওয়ায় বিভিন্ন মাধ্যমের পরস্পর সংলগ্ন হবার ব্যাপারটি ঘটতে থাকে যা মাল্টিমিডিয়ার একটি রূপ। 
- আজকের দিনের মাল্টিমিডিয়ার পূর্বপুরুষ বলতে তাই সিনেমাকে স্মরণ করতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৩০.
ডাটা কমিউনিকেশনের প্রথম উপাদান কী? 
  1. তথ্য
  2. মাধ্যম
  3. প্রাপক
  4. গন্তব্য
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশন: 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্য বিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়। 
- ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়। 
- পরবর্তীতে টার্মিনালের পরিবর্তে কম্পিউটার ব্যবহার করার মাধ্যমেই শুরু হয় ডাটা স্থানান্তরের প্রচলন। 

ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান: 
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬ টি উপাদান থাকে। 
যথা- 
১। ডাটা বা তথ্য (Information): 
- ডাটা কমিউনিকেশনের প্রথম উপাদান হচ্ছে ডাটা বা তথ্য। কমিউনিকেশনের জন্য ডাটা হতে পারে শব্দ, অক্ষর, সংখ্যা, ছবি ইত্যাদি। 

২। ডাটার উৎস (Source): 
- যে ডিভাইস থেকে ডাটা সংগ্রহ করা হয় তাকে উৎস বলা হয়। উৎস ডাটা বা তথ্য তৈরি করে। ডাটার উৎসের উদাহরণ হলো কম্পিউটার, টেলিফোন। 

৩। প্রেরক (Sender): 
- প্রেরক 'উৎস' হতে ডাটা নিয়ে কমিউনিকেশনের বাহককে বা মাধ্যমকে পাঠায়। প্রেরক নির্দিষ্ট একটি যন্ত্র ব্যবহার করে ডাটাকে ট্রান্সফরম এবং এনকোড করে প্রেরণ উপযোগী সিগন্যাল তৈরী করে। যেমন-মডেম। 

৪। মাধ্যম (Medium): 
- যার মাধ্যমে ডাটাসমূহ একস্থান থেকে অন্যস্থানে অথবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয় তাকে ডাটা প্রবাহের বাহক বা মাধ্যম বলা হয়। যেমন- ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, অপটিক্যাল ফাইবার, টেলিফোন লাইন, মডেম ইত্যাদি। 

৫। প্রাপক (Receiver): 
- যে ডিভাইস ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম থেকে ডাটা গ্রহণ করে তাকে প্রাপক বলে। 

৬। গন্তব্য (Destination): 
- উপাত্তের উৎস বা প্রেরক ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম ব্যবহার করে যার নিকট বা যে ডিভাইস ডাটা গ্রহণ করে তাকে উপাত্তের গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। যেমন- কম্পিউটার, সার্ভার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩১.
রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি?
  1. FANUC
  2. iRobot
  3. Yaskawa
  4. Roboray
ব্যাখ্যা
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান হলো -
- FANUC (ফানুক),
- Yaskawa (ইয়াসকাওয়া),
- iRobot (আইরোবট),
- Boston Dynamics (বোস্টন ডাইনামিকস)।

• মানব-সদৃশ রোবট বা হিউমেনওয়েড (Humanoid) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো–
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয় (Murata)'।
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও (QRIO) এবং আইবো।
- হোন্ডা কোম্পানির আসিমো (ASIMO)।
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray)।
- হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩২.
স্মার্টফোন ডিজাইন করার ক্ষেত্রে প্রথম উদ্যোগ কোন প্রতিষ্ঠানের?
  1. BlackBerry
  2. Nokia
  3. IBM
  4. Samsung
ব্যাখ্যা

• স্মার্টফোন ডিজাইন করার ক্ষেত্রে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া প্রতিষ্ঠান হলো IBM. IBM তাদের Simon Personal Communicator (SPC) নামে একটি ডিভাইস বাজারে আনে, যা আধুনিক স্মার্টফোনের প্রাথমিক রূপ হিসেবে বিবেচিত। এটি শুধু কল করার জন্য নয়, ইমেইল, ক্যালেন্ডার, ক্যালকুলেটর, টাচস্ক্রিন এবং নোট নেওয়ার সুবিধা প্রদান করত। যদিও পরবর্তীতে BlackBerry এবং Nokia স্মার্টফোনকে জনপ্রিয়তা এনে দেয়, IBM ছিল প্রথম যে কার্যকরভাবে মোবাইল কমিউনিকেশন এবং কম্পিউটিংকে একত্রিত করে। তাই স্মার্টফোনের উদ্ভাবনী যাত্রার সূচনা IBM-এর Simon ডিভাইসের মাধ্যমে হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) IBM.

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো একটি বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৯৩ সালে বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে আসে।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এটি উচ্চ গতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর নিশ্চিত করে।
- ব্ল্যাকবেরি স্মার্টফোনের প্রথম নির্মাতা হচ্ছে - BlackBerry Limited এবং Research In Motion.

• স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।
- মডেম সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- মেমোরি বেশি থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৩৩.
X-এ সর্বোচ্চ কত অক্ষরের টুইট লেখা সম্ভব?
  1. ১৪০ অক্ষর
  2. ২৮০ অক্ষর
  3. ১৮০ অক্ষর
  4. ২২০ অক্ষর
ব্যাখ্যা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম: 
- আইসিটিতে সামাজিক যোগাযোগ বলতে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকেই বোঝায়। 
অর্থাৎ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষ যোগাযোগ ও ভাব প্রকাশের জন্য যা কিছু সৃষ্টি, বিনিময় কিংবা আদান-প্রদান করে তাই সামাজিক যোগাযোগ। 
- ইন্টারনেটের ব্যবহার, ই-মেইল, মোবাইল ফোন ও মেসেজিং সিস্টেম, ব্লগিং এবং সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মসমূহ ব্যবহার করে বর্তমানে আইসিটিভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ অনেকাংশে সহজ। 
- ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে অনেক প্ল্যাটফর্ম, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। 
যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন ও ইনস্টাগ্রাম, এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি মাধ্যম হলো- ফেসবুক ও টুইটার। 

টুইটার (www.twitter.com) বা X: 
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম 'X'. 
- 'X' (টুইটার) হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট। 
- টুইটারের বর্তমান সিইও Linda Yaccarino ২০২৩ সালের ৫ জুন সিইও'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস। 
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে, তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে। 
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন। 
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়। 
- 'X' (টুইটার ) এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর যা পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল। 

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং টুইটারের ওয়েবসাইট।
৪৩৪.
ডেটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন করার নিয়ম কোনটি? 
  1. ক্রিপ্টোগ্রাফি 
  2. স্টেগানোগ্রাফি
  3. ইনফরমেট্রিক্স
  4. ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা

- ডেটা বা তথ্যের এনক্রিপশন (encryption) এবং ডিক্রিপশন (decryption) হলো তথ্যকে নিরাপদ রাখার পদ্ধতি।
- এনক্রিপশন: মূল তথ্যকে একটি কোড বা সিক্রেট ফরম্যাটে রূপান্তর করা, যাতে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি এটি পড়তে না পারে।
- ডিক্রিপশন: এনক্রিপ্ট করা তথ্যকে পুনরায় মূল বা পাঠযোগ্য ফরম্যাটে রূপান্তর করা।
- এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে Cryptography বলা হয়। Cryptography মূলত তথ্য নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- স্টেগানোগ্রাফি (Steganography): তথ্যকে অন্য কোনো মিডিয়ার মধ্যে লুকানো, যেমন ছবি, অডিও বা ভিডিও।
- ইনফরমেট্রিক্স (Informetrics): তথ্যের পরিমাণ, প্রবাহ ও ব্যবহারের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ।
- ইনডেক্সিং (Indexing): ডাটাবেস বা তথ্য থেকে দ্রুত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ইনডেক্স তৈরি করা।

উৎস: Kurose, James F., and Keith W. Ross: Computer Networking.

৪৩৫.
ওয়াই-ম্যাক্স (WiMAX) কোন ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. 1 থেকে 12 GHz
  2. 1.4 থেকে 5 GHz
  3. 5 থেকে 100 GHz
  4. 2 থেকে 66 GHz
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ম্যাক্স (WiMAX): 
- এটি দ্রুতগতির একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি, যেটি প্রচলিত DSL (Digital Subscriber Line) এবং তারযুক্ত ইন্টারনেটের পরিবর্তে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা দিয়ে থাকে। 
- Worldwide Interoperability for Microwave Access-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে WiMAX  I 
- এটি সাধারণত 2 থেকে 66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে এবং 80 Mbps থেকে 1Gbps পর্যন্ত গতিতে ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রদানে সক্ষম। 
- WiMAX এর প্রধান অংশ দুটি হচ্ছে- 
১. বেস স্টেশন, যেটি ইনডোর ডিভাইস এবং আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। প্রতিটি বেস স্টেশনের কভারেজ এরিয়া 10 থেকে 50 km পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
২. অ্যান্টেনাযুক্ত WiMAX রিসিভার, যা কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয় যেটি ওয়‍্যারলেস নির্ভর হওয়ায় পরিবহনযোগ্য। 

- এই প্রযুক্তিতে একটি একক বেস স্টেশনের মাধ্যমে বিশাল ভৌগোলিক এলাকায় হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে ওয়‍্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া যায়।
- ওয়্যারলেস হওয়ায় পোর্টেবিলিটির সুবিধা পাওয়া যায় এবং এর রিসিভার সহজে বহনযোগ্য।
- বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের মাধ্যমে শহর এবং গ্রামে পোর্টেবল ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদান করে।
- WiMAX নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।
- অনেক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক হওয়ায় অন্যান্য নেটওয়ার্কের তুলনায় এটি ব্যয়বহল এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
- Bluetooth, Wi-Fi এবং WIMAX- এই তিনটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তির তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য নিম্নে দেওয়া হলো- 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪৩৬.
ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৮৬৯
  2. ১৯৮২
  3. ১৯৮৭
  4. ১৯৯২
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়।
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৩৭.
কোন সার্চ ইঞ্জিনটি তার প্রাইভেসি-কেন্দ্রিক নীতির জন্য পরিচিত?
  1. Yahoo
  2. Ask Jeeves
  3. DuckDuckGo
  4. Bing
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) DuckDuckGo.
- DuckDuckGo একটি প্রাইভেসি-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর অনলাইনে তথ্য গোপন রাখার উপর জোর দেয়। এটি ব্যবহারকারীর সার্চ ইতিহাস ট্র্যাক করে না এবং ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ বা শেয়ার করে না। অন্যান্য জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যেমন Google, Yahoo বা Bing প্রায়ই ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে বিজ্ঞাপন বা কাস্টমাইজড সার্চ ফলাফলের জন্য। DuckDuckGo ব্যবহারকারীদেরকে গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্য করে, যেমন IP ঠিকানা লুকানো এবং কুকি ট্র্যাকিং সীমিত করা। ফলে যারা অনলাইনে নিরাপদ ও ব্যক্তিগতভাবে অনুসন্ধান করতে চান, তাদের জন্য DuckDuckGo একটি নিরাপদ এবং প্রাইভেসি-সচেতন অপশন।
 
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৪৩৮.
নিচের কোনটি AI-তে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা নয়? 
  1. MATLAB
  2. HTML
  3. LISP
  4. PROLOG
ব্যাখ্যা
- AI-তে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা নয়- HTML । 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence): 

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়। 
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে। 
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন। 
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে। 
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়। 
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, CLISP, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৩৯.
কোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘Big Blue’ নামটি ব্যবহৃত হয়?
  1. IBM
  2. Yahoo
  3. Intel
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• ‘Big Blue’ নামটি প্রযুক্তি জগতে আইবিএম বা IBM কোম্পানির জন্য ব্যবহৃত হয়। IBM দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ক্লাউড সার্ভিস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। এই সংস্থার নামের সাথে ‘Big Blue’ উপাধি জড়িয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো তাদের লোগোতে ব্যবহার করা নীল রঙ এবং কোম্পানির কর্পোরেট ভাবমূর্তির গুরুত্ব। ১৯৩০-এর দশক থেকে IBM বড় বড় মেইনফ্রেম কম্পিউটার তৈরি করে এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান করে আসছে। তাই প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং বিশ্বস্ততার প্রতীক হিসেবে IBM-কে ‘Big Blue’ হিসেবে সম্বোধন করা হয়।

- সঠিক উত্তর: ক) IBM.

আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৪০.
সর্ববৃহৎ এলাকা জুড়ে কোন নেটওয়ার্কটি তৈরি হয়?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
ব্যাখ্যা
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network.
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন- একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য আদান- প্রদানের জন্যে এই ধরনের নেটওয়ার্ক বেশি ব্যবহৃত হয়।

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- সাধারণত ১০ মিটার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো ব্যক্তির বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি নেটওয়ার্ককে PAN বলা হয়। 

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ, বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN  বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪১.
wwww কোন প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য?
  1. পঞ্চম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম বা 5G হলো মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির সর্বশেষ উন্নত স্তর, যা দ্রুত ডাটা ট্রান্সমিশন, কম লেটেন্সি এবং বৃহত্তর ব্যান্ডউইথ প্রদান করে। 5G প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেটের গতি এত দ্রুত যে, বড় আকারের ফাইল দ্রুত ডাউনলোড ও আপলোড করা যায়। এটি আইওটি (IoT) ডিভাইসের জন্য উন্নত যোগাযোগ সুবিধা দেয় এবং স্বয়ংচালিত যানবাহন, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও স্মার্ট শহরের মতো উন্নত প্রযুক্তি সমর্থন করে। 5G এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কের ধারণ ক্ষমতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পায়, ফলে একসঙ্গে অনেক ডিভাইস কানেক্ট থাকতে পারে। ফলে এটি আগের প্রজন্মের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর এবং দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

- সঠিক উত্তর: ক)পঞ্চম প্রজন্ম।

• পঞ্চম প্রজন্ম (5th Generation-5G: 2020-Present):

- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে wwww নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
- এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও (4000 × 2000 পিক্সেল) উপভোগ করা যায়।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
- নকিয়ার মতে, 5G প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 100 মেগাবিট পর্যন্ত গতি পাওয়া যেতে পারে, যা 4G এর সর্বোচ্চ গতির চেয়ে চার গুণ দ্রুত।
- এতে দ্রুত ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ভিডিও বার্তা লোড ও আদান-প্রদান করা যাবে।
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে।
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা এজি চালু হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৪৪২.
'X' (টুইটার) এর বর্তমান সিইও কে? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. Mark Zuckerberg
  2. Linda Yaccarino
  3. Ryan Roslansky
  4. Arvind Krishna
ব্যাখ্যা
• 'X' (টুইটার) এর বর্তমান সিইও Linda Yaccarino.

• 'X' (টুইটার):
- টুইটারের পরিবর্তিত নাম 'X'.
- 'X' (টুইটার) হচ্ছে সামাজিক আন্ত:যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- টুইটারের বর্তমান সিইও Linda Yaccarino. তিনি ২০২৩ সালের ৫ জুন সিইও'র দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- টুইটারের অপর নাম ইন্টারনেটের এসএমএস।
- টুইটার চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- টুইটারের সদর দপ্তর সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- জ্যাক ডরসি, নোয়ান গ্লাস, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন।
- টুইটারে ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- 'X' (টুইটার ) এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Ryan Roslansky হচ্ছে LinkedIn এর বর্তমান সিইও (Jun 1, 2020 - present)।
- Mark Zuckerberg ফেসবুকের বর্তমান নাম ‘মেটা' এর প্রতিষ্ঠাতা।
- IBM এর বর্তমান CEO Arvind Krishna।

উৎস: টুইটারের ওয়েবসাইট।
৪৪৩.
যে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে তাকে বলে -
  1. ক) পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
  2. খ) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)
  3. গ) ডোমেইন নেটওয়ার্ক (Domain Network)
  4. ঘ) ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
ব্যাখ্যা
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে নেটওয়ার্কভুক্ত সকল কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
এই ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট এবং এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
এখানে সাধারণত কোন ডেডিকেটেড সার্ভার থাকে না।

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে অর্থাৎ এটি সার্ভার হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটার ক্লায়েন্ট হিসেবে এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।

আর হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
৪৪৪.
নিচের কোন ডিভাইসটিতে ডেটা ফিল্টারিং সম্ভব?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. এনআইসি
  4. রিপিটার
ব্যাখ্যা

• ডেটা ফিল্টারিং (Filtering Device):  
- হাব (Hub), সুইচ (Switch), এনআইসি (NIC), এবং রিপিটার (Repeater) — এগুলো সবই নেটওয়ার্ক ডিভাইস।  

- হাব: শুধু সিগন্যালকে সব পোর্টে পাঠায়, কোনো ডেটা ফিল্টার করে না।  
- রিপিটার: কেবল সিগন্যালকে পুনরায় শক্তিশালী করে পাঠায়, ফিল্টারিং করে না।  
- এনআইসি (Network Interface Card): ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করে, কিন্তু ফিল্টারিং করে না।  

- সুইচ (Switch) ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে কারণ এটি ডেটা প্যাকেটের MAC ঠিকানা দেখে সিদ্ধান্ত নেয় কোন পোর্টে পাঠাতে হবে।  
- অর্থাৎ, সুইচ নির্দিষ্ট গন্তব্যে ডেটা পাঠায়, সব পোর্টে নয় — এটাই ফিল্টারিং।  

- তাই সুইচ নেটওয়ার্কের দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং অপ্রয়োজনীয় ডেটা ট্রান্সমিশন কমায়।  

- সঠিক উত্তর: খ) সুইচ। 

সূত্র: sciencedirect [link]

৪৪৫.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়?
  1. ফেসবুক
  2. এক্স
  3. বিং
  4. ইনস্টাগ্রাম
ব্যাখ্যা
• জনপ্রিয় কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো:
- ফেসবুক,
- এক্স,
- ইনস্টাগ্রাম,
- স্ন্যাপচ্যাট,
- টেলিগ্রাম ইত্যাদি

- Bing হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশন নির্মিত সার্চ ইঞ্জিন।
- এটি ২০০৯ সালে বাজারে আসে।
- বর্তমানে কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট।
- ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তাঁর বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহরের রেডমন্ডে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪৪৬.
কাকে ইমেইলের জনক বলা হয়?
  1. ক) Shiva Ayyadurai
  2. খ) Raymond Tolimlinson
  3. গ) Ada Lovelace
  4. ঘ) Vinton Cerf 
ব্যাখ্যা

Raymond Tolimlinson কে ইমেইলের জনক বলা হয়।

- তিনি ১৯৭২ সালে প্রথম আরপানেট ব্যবহার করে পরীক্ষামূলকভাবে ইমেইল প্রেরণ করেন। 
- ইমেইলের পূর্ণরূপ- Electronic mail. 
- ইমেইলের মাধ্যমে আমরা তাৎক্ষণিক উপায়ে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারি এবং যে কোন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আমরা আদান-প্রদান করতে পারি। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৪৪৭.
হাইব্রিড ওয়েবসাইট কাঠামো কোন কোন কাঠামোর সমন্বয়ে গঠিত করা যায়?
  1. ক) নেটওয়ার্ক এবং ট্রি স্ট্রাকচার
  2. খ) লিনিয়ার এবং নেটওয়ার্ক কাঠামো
  3. গ) লিনিয়ার এবং হায়ারারকিক্যাল কাঠামো
  4. ঘ) হায়ারারকিক্যাল এবং নেটওয়ার্ক কাঠামো
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড বা কম্বিনেশন কাঠামো (Hybrid or Combination structure):
- একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটকে হাইব্রিড বা কম্বিনেশন বা মিক্সড স্ট্রাকচার বলা হয়।
- সাধারণভাবে লিনিয়ার এবং হায়ারারকিক্যাল কাঠামোর মাধ্যমে হাইব্রিড কাঠামো তৈরি করা যায়।
- এ ধরনের কাঠামোতে অনেক দিক থেকে লিংক করা থাকে। ফলে তথ্য খুঁজে পেতে সহজ হয়।
- এ ধরনের কাঠামো ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- মেমোরি স্পেস কমানোর জন্য এ কাঠামো ব্যবহৃত হয়।
- ভিজিটরদের জন্য ভিজিট করা সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৪৮.
নিচের কোনটি VR হেডসেট নয়?
  1. Raspberry Pi
  2. Oculus Quest
  3. HTC Vive
  4. Sony PlayStation VR
ব্যাখ্যা
• Raspberry Pi একটি ক্ষুদ্র কম্পিউটার যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক প্রকল্প ও প্রোগ্রামিং শেখার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ও কোডিং শিখতে পারে। অন্যদিকে, Oculus Quest, HTC Vive, এবং Sony PlayStation VR - এ তিনটি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হেডসেট, যা ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়াল পরিবেশে নিয়ে যেতে সক্ষম। এই হেডসেটগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা গেম খেলা, ভিডিও দেখা বা ভার্চুয়াল জগতে কাজ করতে পারেন। কিন্তু Raspberry Pi সরাসরি কোনো VR অভিজ্ঞতা দেয় না, তাই এটি VR হেডসেট নয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি বাস্তব নয়, তবে কৃত্রিমভাবে বাস্তব জগৎ অনুভূতি প্রদান করে।

• মূল ভিত্তি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

• প্রধান উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD): পরিধানযোগ্য ডিসপ্লে যা ত্রিমাত্রিক দৃশ্য উপস্থাপন করে।
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove): ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত এবং ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বডি স্যুইট (Body Suit): স্পর্শ ও গতির অনুভূতি প্রদান করে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, বিনোদন, গেমিং, গবেষণা ও উন্নয়ন, নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৪৯.
Yahoo-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. David Filo
  2. Jim Lanzone
  3. Guru Gowrappan
  4. Marissa Mayer
ব্যাখ্যা
• Yahoo:
- আমেরিকার একটি বৃহৎ ইন্টারনেট ভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের Jerry Yang, David Filo ১৯৯৪ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সদরদপ্তর: Sunnyvale, California, United States.
- ২০১৭ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি Verizon Communications এর মালিকানাধীন।
- Yahoo এর পূর্ণরূপ Yet Another Hierarchical Officious Oracle.
- বর্তমান CEO: Jim Lanzone.

উৎস: ব্রিটানিকা [[Link]
৪৫০.
ই-মেইল বম্বিং বলতে বোঝায় -
  1. গোপনে ই-মেইলে প্রবেশ
  2. ভিডিও পাঠানো
  3. প্রচুর ইমেইল পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা
  4. ইমেইল ডিলিট করা
ব্যাখ্যা
ই-মেইল বম্বিং হচ্ছে প্রচুর ইমেইল পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৫১.
DeepSeek AI এর প্রতিষ্ঠা কে?
  1. এলনমাস্ক
  2. লি ওয়েন
  3. লিয়াং ওয়েনফেং
  4. হুয়াং মিং
ব্যাখ্যা
DeepSeek AI:
- DeepSeek AI একটি চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান।
- ২০২৩ সালে লিয়াং ওয়েনফেং প্রতিষ্ঠা করেছেন। 
- এটি চীনের হাংঝু শহরে অবস্থিত।
- তিনি ‍A-100 চিপের বড় মজুত সংগ্রহ করেছেন যা ডিপসিক প্রতিষ্ঠায় সহায়তা হয়েছে।

Deep Seek এর লক্ষ্য ও অর্জন:

- ডিপসিকের লক্ষ্যে হলো কম খরচে কার্যকর এআই মডেল তৈরি করা।
-  ডিপসিক এর আর-১ মডেলটি মাত্র ৬ মিলিয়ন ডলার খরচে তৈরি করা হয়েছে  যা অন্যান্য AI মডেলের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।
- এটি Chatgpt সমকক্ষ হিসেবে বিবেচিত। 
- ২০২৫ সালে ১০ জানুয়ারি ডিপসিক তাদের প্রথম বিনামূল্যের চ্যাটবট আ্যাপ প্রকাশ করে। 
- এই অ্যাপটি মুক্তির কিছুদিনের মধ্যে  অ্যাপল স্টোরে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড করা ফ্রি অ্যাপের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে। 

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ & DeepSeek AI.
৪৫২.
নিচের কোনটি রোবটের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে পারে না
  2. খ) বিরতিহীন কাজ করতে পারে
  3. গ) ঘুরতে ও স্থানান্তরিত হতে পারে
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
Robot (রোবট)
New Collegiate Dictionary এর মতে, রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি যন্ত্র; যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা কোন ব্যক্তি কর্তৃক নির্দেশিত হয়ে কাজ করতে পারে। 

রোবট এর বৈশিষ্ট্য: 
- রোবট সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রিত, যা সুনির্দিষ্ট কোন কাজ অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে পারে।
-  ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে পারে এবং ২৪ ঘণ্টা বিরতিহীন কাজ করতে পারে। 
- রোবট কখনো বিরক্ত হয় না। 
- ঘুরতে ও স্থানান্তরিত হতে পারে।
- দূর থেকে লেজার রশ্মি বা রেডিও সিগন্যালের সাহায্যেও রোবট নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 
- রোবট পূর্ব থেকে দেওয়া নির্দেশ মতো কাজ করে।

অর্থাৎ অপশনে রোবট ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে পারে না এটি ভুল। বাকি দুটো অপশন রোবটের বৈশিষ্ট্য। 
৪৫৩.
Azure কী?
  1. ক) Google Cloud
  2. খ) Microsoft Cloud Platform
  3. গ) Amazon Web Services
  4. ঘ) Oracle Cloud
ব্যাখ্যা
• Azure হলো Microsoft Cloud Platform.
- এটিকে Microsoft Azure বলা হয়।

Microsoft Azure:
- Microsoft-এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম Microsoft Azure.
- ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ সালে Microsoft Azure বণিজ্যিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- Microsoft Azure ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেলের Platform-as-a-Service (PaaS) এর অন্তর্ভুক্ত।

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft Azure website.
৪৫৪.
WhatsApp নিচের কোন কোম্পানির আওতাধীন?
  1. ক) গুগল
  2. খ) অ্যামাজন
  3. গ) টেসলা
  4. ঘ) ফেইসবুক
ব্যাখ্যা
WhatApp ২০০৯ সালে প্রথম রিলিজ করা হয়। এটি ফ্রেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৪ সালে ফেইসবুক কোম্পানি ১৯ বিলিয়ন ডলার দিয়ে WhatsApp কিনে নেয়।
৪৫৫.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের "Hypervisor" কোনটির জন্য দায়ী?
  1. ভার্চুয়াল মেশিন ম্যানেজমেন্ট
  2. ক্লাউড নেটওয়ার্ক ট্র্যাকিং
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. কানেকশন লোড ব্যালেন্সিং
ব্যাখ্যা

◉ Hypervisor হল একটি সফটওয়্যার, যা একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন (VM) তৈরি ও পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার ও ভার্চুয়াল মেশিনগুলোর মধ্যে একটি স্তর হিসেবে কাজ করে, যাতে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম একই হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্মে চালানো যায়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Amazon Web Services ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৪৫৬.
PaaS দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Platform as a Services
  2. Program as a Services
  3. Pay as a Services
  4. Private Services
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল বা সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

1. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS) 
2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS)
3. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS)

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
 
৪৫৭.
ওয়াই-ফাই হলো _______ স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
  1. IEEE 802.02
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.11
  4. IEEE 802.14
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৮.
ই-মেইল পাঠানোর প্রথম ধাপ-
  1. ই-মেইল কম্পোজ করা
  2. সেন্ড করা
  3. আউটবক্সে রাখা
  4. ইন্টারনেট কানেকশন
ব্যাখ্যা
ই-মেইল পাঠানোর প্রথম ধাপ হচ্ছে ই-মেইল কম্পোজ করা।

ই-মেইল পাঠানো নিয়ম:
ই-মেইল পাঠাতে হলে আমাদেরকে মোটামুটি তিনটি ধাপে কাজ করতে হবে। 
১। ই-মেইলটি কম্পোজ করা,
২। ইন্টারনেটে কানেকশন দেয়া,
৩। ই-মেইল সেন্ড করা।

• ই-মেইল কম্পোজ করা:
ই-মেইল সফটওয়্যার ওপেন করতে হবে (যেমন: Outlook Express)
Message → New Message বা To Mail এ ক্লিক করতে হবে।

নিচের ঘরগুলো পূরণ করতে হয়:
- To: প্রাপকের ঠিকানা
- From: প্রেরকের ঠিকানা
- CC, BCC: অতিরিক্ত প্রাপক (প্রয়োজনে)
- Subject: মেইলের বিষয়
- Attach: ফাইল সংযুক্তির জন্য
- Body: মেসেজ লেখার জায়গা
- মেইল সেভ করে Outbox-এ রাখা যায়।
- এভাবে একইসাথে অনেকগুলো ই-মেইল কম্পোজ করে রাখা যায়।

• ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন:
ডায়াল আপ নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হয়।

• ই-মেইল সেন্ড করা:
ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার পর:
File → Send Queued Message অথবা Send and Receive বাটনে ক্লিক করে মেইল পাঠানো হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৯.
Which of the following is an example of a social engineering attack?
  1. Using encryption to protect data
  2. Phishing emails designed to steal login credentials
  3. Implementing access controls based on job roles
  4. Running antivirus scans on a system
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (খ) Phishing emails designed to steal login credentials.
• সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (Social Engineering) হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ পদ্ধতি যেখানে প্রযুক্তিগত কৌশলের পরিবর্তে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতাকে কাজে লাগানো হয়।
আক্রমণকারী এখানে বিশ্বাসযোগ্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যবহারকারীকে এমন কোনো কাজ করতে প্ররোচিত করে যা তাদের গোপন তথ্য ফাঁসে সাহায্য করে। ফিশিং (Phishing) হলো এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ, যেখানে ইমেলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে ধোঁকা দিয়ে ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড বা ব্যাংকিং তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়।

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৬০.
নিচের কোন নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়?
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
- WAN নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়।

• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।

• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

• PAN:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৬১.
Brave কী?
  1. ওয়েব ব্রাউজার
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. কম্পিউটার এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
• Brave হলো একটি বিনামূল্যের এবং ওপেন সোর্স ওয়েব ব্রাউজার।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- ইন্টারনেট হতে তথ্য পাওয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় তাকে ব্রাউজার বলে।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা হয়।
- অর্থাৎ সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য যেমন টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি সরবরাহ করতে পারে।
- এসব তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যাকে বলে ওয়েব ব্রাউজার।

• বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer), 
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Fire Fox), 
- সাফারি (Safari), 
- অপেরা (Opera), 
- গুগল ক্রম (Google Chrome), 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৪৬২.
In e-commerce, what does the acronym "UX" stand for?
  1. Universal Exchange
  2. User Experience
  3. User Expansion
  4. Ultimate Expression
ব্যাখ্যা
• In e-commerce, the acronym "UX" stands for User Experience.

UX (User Experience):
- E-commerce এ UX (User Experience) হল একটি অনলাইন স্টোরে নির্বিঘ্ন, আনন্দদায়ক কেনাকাটার অভিজ্ঞতা তৈরি করার অভ্যাস।
- এটিতে একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করা, নেভিগেশন এবং অনুসন্ধান সহ অন্যান্য কার্যাবলি ভালোভাবে করা যাতে গ্রাহকের চাহিদাগুলি পূরণ হয় এবং গ্রাহক আরো ভালো কিছু প্রত্যাশা করতে পারে।

ই-কমার্স:
- ই- কমার্স হল ইলেকট্রনিক কমার্স যা এমন একটি মাধ্যম যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/বিক্রয় হয়ে থাকে। অর্থাৎ ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে ই-কমার্স বলে।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-

(i) ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B).
(ii) ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C).
(iii) ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B).
(iv) ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C).

ই-কমার্সের সুবিধাসমূহ:
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়৷
২. ই-কমার্সের সাহায্যে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসাকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে করানো যায়৷
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়৷
৪. ব্যবসায়িক কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক তৈরি করে।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২) merriam-webster
৪৬৩.
Quick Response কোড কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. লিংক শেয়ার করার জন্য
  2. ডকুমেন্ট আদান-প্রদান করার জন্য
  3. ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য
  4. শুধু মানি ট্রান্সফার করার জন্য
ব্যাখ্যা

◉ QR কোড হলো একটি দ্বি-মাত্রিক বারকোড, যা দ্রুত পড়া যায় এবং ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ করে। এটি টেক্সট, URL, যোগাযোগের তথ্য, পেমেন্ট ডিটেইলস ইত্যাদি সংরক্ষণ করতে পারে। QR কোড স্ক্যান করে ব্যবহারকারীরা সহজেই সংরক্ষিত তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে।

QR Code:
- QR Code এর পূর্ণরূপ Quick Response Code.
- QR কোডকে বারকোড এর একটি সম্প্রসারণ হিসাবে ভাবা যায় যেখানে কালো বিন্দুগুলির উল্লম্ব এবং অনুভূমিক অবস্থান উভয়কে একটি অপটিক্যাল স্ক্যানার দ্বারা পড়া যায়৷
- বারকোড যেখানে অনুভূমিকভাবে তথ্য ধারণ করে, QR কোড অনুভূমিকভাবে ও উল্লম্বভাবে তথ্য ধারণ করতে পারে। ফলে QR কোড বারকোডের তুলনায় শত গুণ বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে।
- এর মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়।
- QR কোডে তথ্য কেবল পড়া যায়।
- এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: ৭,০৮৯টি ক্যারেক্টার।

অন্য অপশনগুলো QR কোডের আংশিক ব্যবহার মাত্র, কিন্তু মূল উদ্দেশ্য হলো যেকোনো ধরনের ডিজিটাল তথ্য কম্প্যাক্ট আকারে সংরক্ষণ করা যা স্মার্টফোন বা অন্যান্য ডিভাইস দিয়ে সহজেই স্ক্যান করে পড়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৬৪.
একটি IP ঠিকানার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. নেটওয়ার্কে ডিভাইস শনাক্ত করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. যোগাযোগ এনক্রিপ্ট করা
  4. অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• একটি IP ঠিকানার প্রধান উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্কে ডিভাইস শনাক্ত করা। প্রতিটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল বা যেকোনো নেটওয়ার্ক ডিভাইসকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে IP ঠিকানা ব্যবহৃত হয়। এটি ঠিক এমনভাবে কাজ করে যেমন বাড়ির ঠিকানা ডাকের মাধ্যমে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ডিভাইস ইন্টারনেটে বা স্থানীয় নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠায় বা গ্রহণ করে, তখন IP ঠিকানা নিশ্চিত করে যে তথ্যটি সঠিক গন্তব্যে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ডেটা সংরক্ষণ, যোগাযোগ এনক্রিপশন বা অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনার কাজ IP ঠিকানার উদ্দেশ্য নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) নেটওয়ার্কে ডিভাইস শনাক্ত করা।
 
 • আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬৫.
High Voltage সিগন্যাল কোন প্রতীক দ্বারা বুঝানো হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) ০
  3. গ) ২
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

ইংরেজী Binary শব্দের প্রথম দুটি অক্ষর এবং Digit শব্দের শেষ অক্ষরটি নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়েছে। ০ এবং ১ বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটিকে এক একটি Bit বলা হয়। এই Bit দুটি সহজে ইলেকট্রনিক উপায়ে নির্দেশ করা যায়। এ কারণে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে (কম্পিউটার) এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় বৈদ্যুতিক Wave কে বাইনারী পদ্ধতির সাথে সংযুক্ত করা হয়।
শূন্য অর্থ Low ভোল্টেজ এবং ১ হচ্ছে High ভোল্টেজ সিগনালকে কাজে লাগানো হয়। এ ধরনের প্রবাহকে অভিকযুক্ত সংকেত বা Digital Signal বলে। মূলত এই সিগনাল দিয়েই কম্পিউটারের মেশিন ল্যাংগুয়েজের কাজ নিয়ন্ত্রিত হয়।

৪৬৬.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে কোন নেটওয়ার্ক চালু করে?
  1. NSFNET
  2. BITNET
  3. MILNET
  4. ARPANET
ব্যাখ্যা

 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে Advanced Research Projects Agency Network (ARPANET) চালু করে, যা ইন্টারনেটের সূচনা হিসেবে বিবেচিত।

• ইন্টারনেট (Internet):
- টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান–প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলা হয়।
ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯০ সাল থেকে, তবে এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
 
• ইন্টারনেটের উদ্ভব ও ইতিহাস:
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর Advanced Research Projects Agency Network (ARPANET) চালু করে।
- ১৯৯০ সালে ইন্টারনেট কার্যক্রম শুরু হলেও,
- ১৯৯৪ সালের আগে এই প্রযুক্তিকে “ইন্টারনেট” নামে ডাকা হতো না।
- ১৯৯৪ সাল থেকে “Internet” শব্দটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
 
• ইন্টারনেটের গুরুত্ব:
- বর্তমান বিশ্বের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থায় ইন্টারনেট সবচেয়ে প্রভাবশালী মাধ্যম।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা একই নেটওয়ার্ক বলয়ে যুক্ত হতে পেরেছে।
- এ কারণে ইন্টারনেটকে অনেক সময় “Network of Networks” বলা হয়।
 
• ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ:
- কম্পিউটার,
- মডেম,
- টেলিফোন লাইন বা অন্য কোনো যোগাযোগ লাইন,
- সফটওয়্যার,
- আইএসপি (ISP – Internet Service Provider)।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬৭.
নিচের কোনটি ওয়াই-ফাই এর দ্রুততর সংস্করণ?
  1. আইইইই ৮০৩.১১জি
  2. আইইইই ৮০২.১১বি
  3. আইইইই ৮০২.১১জি
  4. আইইইই ৮০৩.১১বি
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ফাই হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
এটি প্রযুক্তিগতভাবে আইইইই ৮০২.১১বি নামে পরিচিত।
এর একটি দ্রুততর সংস্করণ হলো আইইইই ৮০২.১১জি  যার গতি ৫৪ এমবিপিএস। 
বর্তমানে এই প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৬৮.
কোনটির মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বেশিরভাগ সময় যোগাযোগ করা হয়েছিলো?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) টিভি
  3. গ) কম্পিউটার
  4. ঘ) ল্যান্ডফোন
ব্যাখ্যা


সূত্র - অষ্টম শ্রেণি, ICT, বোর্ড বই 
৪৬৯.
নিচের কোনটি হ্যাকার গ্রুপ?
  1. Cozy Bear
  2. Fancy Bear
  3. Morpho
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• infamous hacker groups to look for [1981 to 2024]
1. Chaos Computer Club
2. Legion of Doom
3. Lazarus Group
4. Tailored Access Operations
5. Dragonfly 
6. LulzSec
7. Morpho
8. REvil
9. Lizard Squad
10. Conti
11. LockBit
12. DarkSide
13. Hafnium
14. Lapsus$
15. Cozy Bear
16. Fancy Bear

উৎস:
১. [Norton]
২. বিবিসি
৪৭০.
Which one is the modifier key of the keyboard?
  1. Shift
  2. Esc
  3. F4
  4. Backspace
ব্যাখ্যা
Modifire Key:
- কী-বোর্ডের যে সমস্ত কী (Key) এর সাহায্যে অক্ষর বিন্যাস ছাড়া অন্যান্য কাজ করা হয় তাদেরকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifire Key)।
- যেমন কন্ট্রোল, অল্টার, শিফট ইত্যাদি।
- On an IBM compatible computer, modifier keys include Alt, Ctrl, Shift, and the Windows key.
- On the Apple Macintosh computer, the Control, Option, Command, and Shift keys are modifier keys.

উৎস: Computerhope.com
৪৭১.
টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তায় কোনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি?
  1. ক) ফেইস রেকোগনিশন
  2. খ) হ্যান্ড জিওমিট্রি
  3. গ) ভয়েস রিকোগনিশন
  4. ঘ) রেটিনা স্ক্যান
ব্যাখ্যা
টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তায় ভয়েস রিকোগনিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। তবে অসুস্থতা জনিত কারণে, যেমন- ঠান্ডা, সর্দি, কাশি ইত্যাদি হলে কোন ব্যবহারকারীর কন্ঠ পরিবর্তন হলে সে ক্ষেত্রে অনেক সময় সঠিক ফলাফল পাওয়া যায় না। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৭২.
ভিডিও কনফারেন্সিং কী?
  1. অডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা
  2. ভিডিও রেকর্ডিং পদ্ধতি
  3. কেবল লিখিত বার্তা আদান-প্রদান পদ্ধতি
  4. অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে রিয়েল-টাইম যোগাযোগ ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

• অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে রিয়েল-টাইম যোগাযোগ ব্যবস্থা—ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে একই সময়ে দেখা ও কথা বলা সম্ভব হয়।
 
• ভিডিও কনফারেন্সিং(Video Conferencing):
- ভিডিও কনফারেন্সিং হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানকারী ব্যক্তিরা একই সময়ে অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে কথোপকথন করতে পারে।
- এটি একটি আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
 
• ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের কার্যপদ্ধতি:
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে থাকা ব্যক্তিরা—
- একে অপরকে দেখতে পারে,
- কথা বলতে পারে,
- আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারে।
- এতে রিয়েল-টাইম (Real-time) যোগাযোগ সম্ভব হয়।
 
• ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ব্যবহার:
- অফিস মিটিং ও ব্যবসায়িক আলোচনা।
- অনলাইন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ।
- দূরবর্তী চিকিৎসা সেবা (Telemedicine).
- সামাজিক ও পারিবারিক যোগাযোগ।
 
• ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ:
- ইন্টারনেট সংযোগ।
- ক্যামেরা (Webcam বা মোবাইল ক্যামেরা)।
- মাইক্রোফোন ও স্পিকার/হেডফোন।
- উপযোগী সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

৪৭৩.
LAN ব্যবহার করে সর্বোচ্চ কত দূরত্ব পর্যন্ত ডিভাইসগুলিকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করা যায়?
  1. ১০০ মিটার
  2. ৫০০ মিটার
  3. ১ কিলোমিটার
  4. ৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

◉ LAN (লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে সাধারণত সর্বোচ্চ ১ কিলোমিটার দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়।

LAN:
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৭৪.
কোন টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন সংযুক্ত থাকে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• বাস টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন সংযুক্ত থাকে। 

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্টার টপোলজি:

- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে।-
- কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়।
- এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়।

• রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।

• মেশ টপোলজি:
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৫.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস এর উদ্বোধন করেন কত সালে?
  1. ২০১০
  2. ২০১৪
  3. ২০১৮
  4. ২০১৯
ব্যাখ্যা
• ইএমটিএস: 
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।  
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করেন।
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award  ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস সেবাটি  ভারতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার mBillionth Award ২০১২ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হয়। 
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস (ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম)।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়। 
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।

 উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৬.
OpenAI প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ২০০৮
  2. ২০১৫
  3. ২০১৯
  4. ২০২৩
ব্যাখ্যা

• OpenAI প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• OpenAI :
- OpenAI একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OpenAI–এর প্রধান লক্ষ্য হলো—মানবকল্যাণে নিরাপদ ও উপকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) তৈরি করা।
- OpenAI শুরুতে একটি নন-প্রফিট (Non-profit) প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে OpenAI একটি হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করে, যেখানে গবেষণা ও বাণিজ্যিক উভয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- OpenAI–এর সদর দপ্তর সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
 
• ChatGPT :
- ChatGPT হলো OpenAI কর্তৃক উন্নত একটি AI–ভিত্তিক ভাষা মডেল (Language Model)।
- ChatGPT মূলত GPT (Generative Pre-trained Transformer) আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি মানুষের মতো স্বাভাবিক ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, লেখা তৈরি, ব্যাখ্যা দেওয়া ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে সক্ষম।
- ChatGPT–এর প্রথম সংস্করণ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে।
- এটি Natural Language Processing (NLP) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করে।
- শিক্ষা, গবেষণা, কনটেন্ট তৈরি, প্রোগ্রামিং সহায়তা ও গ্রাহকসেবা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ChatGPT ব্যবহৃত হচ্ছে।
 
• ChatGPT–এর কার্যপদ্ধতির মূল ধারণা :
- ChatGPT বিপুল পরিমাণ টেক্সট ডেটা ব্যবহার করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
- এটি পূর্ববর্তী শব্দের ধারাবাহিকতার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী শব্দ অনুমান করে উত্তর তৈরি করে।
- এটি নিজে চিন্তা করে না, বরং শেখানো ডেটা ও অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া প্রদান করে।
 
 উৎস: OpenAI & Britannica [Link].

৪৭৭.
মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম কি? 
  1. Yahoo
  2. Bing
  3. Google
  4. DuckDuckGo
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে, 
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure, 
- মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing, 
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen,
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫, 
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS, 
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত),
- ২০০৫ সালে ইবে (eBay) স্কাইপ অধিগ্রহণ করে। এরপর ২০১১ সালে মাইক্রোসফট ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপ কিনে নেয়, যা তাদের জন্য একটি বড় ধরনের বিনিয়োগ ছিল। সেই সময় স্কাইপকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- বর্তমানে (জুন, ২০২৫) Skype এর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

উৎস:  Microsoft ওয়েবসাইট।

৪৭৮.
DDoS আক্রমণের পূর্ণরূপ কী?
  1. Distributed Denial of Service
  2. Direct Denial of Service
  3. Data Denial of Service
  4. Digital Denial of Service
ব্যাখ্যা

◉ DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে একসাথে বিপুল পরিমাণ অনুরোধ পাঠানো হয়।

DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৭৯.
Starlink is a satellite network developed by which company?
  1. NASA
  2. ISRO
  3. SpaceX 
  4. Blue Origin
ব্যাখ্যা

Starlink is a satellite network developed by SpaceX.

Starlink (স্টারলিংক)
- Starlink হলো SpaceX-এর তৈরি স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক, যা ইন্টারনেট সেবা দেয়।
- ২০২৫ সালে প্রায় ৭,০০০ স্যাটেলাইট কক্ষপথে আছে, যা সক্রিয় স্যাটেলাইটের অর্ধেকের বেশি।
- ২০২৫ সালে গ্রাহক সংখ্যা ৫০ লাখেরও বেশি।
- Starlink-কে বলা হয় megaconstellation বা satellite Internet constellation।
- গ্রাহকরা একটি আয়তাকার পোর্টেবল ডিশ ব্যবহার করে নেটওয়ার্কে যুক্ত হন।
- বিশেষ করে যেখানে প্রচলিত ইন্টারনেট নেই বা দুর্বল, সেখানে সেবা দেয়।
- SpaceX তৈরি করেছে সামরিক সংস্করণ Starshield।
- এটি মার্কিন সরকারের জন্য সামরিক যোগাযোগ স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক তৈরি করছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৪৮০.
জাপানের হোন্ডা কোম্পানির রোবট কোনটি?
  1. ক) সোফিয়া
  2. খ) মুরাতা বয়
  3. গ) আইবো
  4. ঘ) আসিমো
ব্যাখ্যা
জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয়', হোন্ডা কোম্পানির 'আসিমো' এবং সনি কর্পোরেশনের 'আইবো' ইত্যাদি রোবট প্রায় মানুষের মতোই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে। আর সোফিয়া হচ্ছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৮১.
WiMAX প্রযুক্তি সর্বোচ্চ কত কিলোমিটার পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে?
  1. ২০ কি.মি.
  2. ২০০ কি.মি.
  3. ৫০ কি.মি.
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা
WiMAX প্রযুক্তি সর্বোচ্চ  ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে।

WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ - Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- WiMAX হলো একটি তারবিহীন বিস্তৃত এলাকার নেটওয়ার্ক (Wireless Broadband Network) প্রযুক্তি, যা দীর্ঘ দূরত্বে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে।
- এটি তে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- এর গতি অনেক বেশি। দুরত্বের উপর ভিত্তি করে ১০-১০০ মেগাবিট/সেকেন্ড হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান
৪৮২.
ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্কসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. গেটওয়ে
  4. রিপিটার
ব্যাখ্যা

• ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকল বা আর্কিটেকচার বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে একে অপরের সাথে যুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ডেটা প্যাকেটের প্রোটোকল রূপান্তর করে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠানোর প্রবেশপথ হিসেবে কাজ করে।

• গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এটি ওএসআই (OSI) মডেলের সকল লেয়ারে (১-৭ লেয়ার) কাজ করতে সক্ষম।
- বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার (যেমন: TCP/IP এবং IPX/SPX) এর মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

এছাড়াও,
রাউটার:
-রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
-ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

অন্যান্য অপশন:
- হাব: একই নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে যুক্ত করে এবং কোনো প্রোটোকল বুঝতে পারে না।
- সুইচ: একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ম্যাক (MAC) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে, ভিন্ন প্রোটোকলে কাজ করে না।
- রিপিটার: এটি শুধুমাত্র দুর্বল সিগন্যালকে শক্তিশালী করে, ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা নেই।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।

৪৮৩.
গুগল নির্মিত AI মডেলটির নাম কী?
  1. Gemini
  2. ChatGPT 5
  3. Claude
  4. Llama 
ব্যাখ্যা

• গুগল নির্মিত AI মডেলটির নাম হলো Gemini . 

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• AI এর বৈশিষ্ট্য:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
- অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।

•  গুগলের নির্মিত AI মডেলটির নাম জেমিনি।
- এটি একটি ভাষাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট, যা মানুষের মতো করে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে এবং বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। 


অন্যদিকে,
• Anthropic নির্মিত AI মডেলটির নাম Claude।
• Meta AI নির্মিত AI মডেলটির নাম Llama ।
• OpenAI নির্মিত AI মডেলটির নাম ChatGPT 5 ।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Meta AI
- Claude AI
- Open AI

৪৮৪.
নিম্নের কোনটি আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি?
  1. ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  2. আইরিস স্ক্যান
  3. ভয়েস রিকগনিশন
  4. ডিএনএ টেস্ট
ব্যাখ্যা

• ভয়েস রিকগনিশন — এটি আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি, যেখানে ব্যক্তির কণ্ঠস্বর বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
 
• বায়োমেট্রিকস:
- ‘Metron’ অর্থ পরিমাপ এবং ‘Bio’ অর্থ জীবন; এ দুটি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিকস হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচয় নির্ধারণ করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুযায়ী এটি ব্যক্তির সনাক্তকরণ ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের কৌশল।
- দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

• শারীরিক বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint),
- হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand geometry),
- আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
- ফেস রিকগনিশন (Face recognition),
- ডিএনএ টেস্ট (DNA test)।

• আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification),
- কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন (Keystroke verification)।

• বায়োমেট্রিক ডিভাইসের কার্যপ্রণালি:
- ডিভাইস ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য ডিজিটাল কোডে রূপান্তর করে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোডের সাথে তুলনা করে।
- মিল পেলে ব্যবহারকারীকে প্রবেশের অনুমতি দেয়, না মিললে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

• ব্যবহারক্ষেত্র:
- অফিস, আদালত, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়।
- গাড়ি, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র, সিম নিবন্ধন, উপস্থিতি নির্ধারণে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• অন্যান্য অপশন:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট → আঙুলের ছাপভিত্তিক শারীরিক শনাক্তকরণ পদ্ধতি।
- আইরিস স্ক্যান → চোখের আইরিসের নকশা বিশ্লেষণভিত্তিক পদ্ধতি।
- ডিএনএ টেস্ট → জিনগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক শনাক্তকরণ পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮৫.
২০১১ সালে Skype কে কোন প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করেছিল?
  1. Microsoft
  2. Facebook
  3. Apple
  4. Google
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ক) Microsoft

২০১১ সালে প্রযুক্তি জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে, যখন Microsoft জনপ্রিয় ভিডিও ও ভয়েস কলিং সার্ভিস Skype কে অধিগ্রহণ করে। এই অধিগ্রহণের মূল্য ছিল প্রায় ৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ছিল সে সময়ে Microsoft-এর সবচেয়ে বড় কেনাকাটার একটি। এই চুক্তির মাধ্যমে Microsoft চেয়েছিল তাদের যোগাযোগ এবং ব্যবসায়িক সেবাগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে, বিশেষ করে Windows ও Office প্ল্যাটফর্মে Skype সংযুক্ত করে। এই পদক্ষেপটি তাদের Google ও Apple-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার কৌশলের একটি অংশ ছিল। অধিগ্রহণের পর, Skype ধীরে ধীরে MSN Messenger-এর জায়গা নেয় এবং Microsoft Teams ও Outlook-এর সাথেও সংযুক্ত হয়।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত)।
- ২০০৫ সালে ইবে (eBay) স্কাইপ অধিগ্রহণ করে। এরপর ২০১১ সালে মাইক্রোসফট ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপ কিনে নেয়, যা তাদের জন্য একটি বড় ধরনের বিনিয়োগ ছিল। সেই সময় স্কাইপকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- বর্তমানে (মে, ২০২৫ থেকে) Skype এর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

উৎস: Microsoft এর ওয়েবসাইট।
৪৮৬.
তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারে কোন সমস্যাটি বৃদ্ধি পায়?
  1. কৃষি উৎপাদন
  2. সাইবার অপরাধ
  3. প্রাকৃতিক সম্পদ
  4. যোগাযোগ দক্ষতা
ব্যাখ্যা

• তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পায়।

• তথ্য প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাবের মূল দিক:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণহীন বা অনৈতিক ব্যবহারে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- ইন্টারনেট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার সাইবার অপরাধের প্রধান কারণ।

• সাইবার অপরাধের ধারণা:
- সাইবার অপরাধ হলো কম্পিউটার, ইন্টারনেট বা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ।
- এর মাধ্যমে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

• তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার ও সাইবার অপরাধ:
- ব্যক্তিগত তথ্য চুরি,
- অনলাইন প্রতারণা,
- হ্যাকিং,
- ভুয়া আইডি ব্যবহার,
- অনৈতিক ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া,
- ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল।

• সমাজে এর প্রভাব:
- মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে।
- সামাজিক অস্থিরতা ও অবিশ্বাস সৃষ্টি হয়।
- কিশোর ও তরুণ সমাজ সহজেই সাইবার অপরাধের শিকার হয়।

• সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা:
- তথ্য প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ও সচেতন ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা।
- আইন ও নৈতিকতার প্রতি সচেতন থাকা।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৪৮৭.
নিচের কোনটি ই-কমার্সের ধরন হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. M2B
  2. B2C
  3. C2C
  4. B2B
ব্যাখ্যা

• ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স হলো পণ্য ও সেবা অনলাইনে কেনাবেচার প্রক্রিয়া। এর প্রধান ধরনগুলো হলো B2C (Business to Consumer), যেখানে ব্যবসা সরাসরি গ্রাহকের কাছে পণ্য বিক্রি করে; C2C (Consumer to Consumer), যেখানে সাধারণ মানুষ একে অপরের সঙ্গে পণ্য বা সেবা লেনদেন করে; এবং B2B (Business to Business), যেখানে ব্যবসাগুলো একে অপরের সঙ্গে বাণিজ্য করে। কিন্তু M2B (Manufacturer to Business) সাধারণত ই-কমার্সের পরিচিত কোনো ধরন হিসেবে স্বীকৃত নয়। এটি প্রথাগত বা বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে ই-কমার্সের মূল ধরনগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।
- সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে M2B ই-কমার্সের ধরন হিসেবে গণ্য হয় না।


• ই-কমার্স:
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
- ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B) ও
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)।

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।

৪৮৮.
গুগলের সার্ভিস কোনটি?
  1. Youtube
  2. Facebook
  3. Twitter
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৮৯.
যোগাযোগ ব্যবস্থার অবর্ণনীয় পরিবর্তনের একটি মাইল ফলক হচ্ছে-
  1. ক) বাস
  2. খ) ট্রেন
  3. গ) বিশ্বগ্রাম
  4. ঘ) ফোন
ব্যাখ্যা
বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি ধারণা যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজের ন্যায় বসবাস করবে এবং  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ ও সেবা প্রদান করবে। অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বকে বিশ্বগ্রাম বলা হয়।
৪৯০.
IaaS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Infrastructure as a Server
  2. Information as a Server
  3. Information as a Service
  4. Infrastructure as a Service
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে। 
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৯১.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা হয়-
  1. ক) সেন্টমার্টিনে
  2. খ) বরিশালে
  3. গ) পটুয়াখালীতে
  4. ঘ) কক্সবাজারে
ব্যাখ্যা

- সাবমেরিন কেবল হলো সাগরের তলদেশের স্থাপিত এক ধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল।
- এটি টেলিকমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবলে যোগ দেয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা হয় কক্সবাজারে।
- দ্বিতীয়টি স্থাপন করা হয় পটুয়াখালীতে।
- SE-ME-WE ১৩ টি দেশের ১৯ ল্যান্ডিং স্টেশন এর সাথে যুক্ত থাকবে।
- বাংলাদেশের স্টেশন হবে কালাপাড়া, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
- এর দৈর্ঘ্য ২০ হাজার কিলোমিটার।

৪৯২.
SpaceX-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. টেক্সাস
  2. ক্যালিফোর্নিয়া
  3. হেগ
  4. ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
• SpaceX:
- ২০০২ সালে ইলন মাস্ক SpaceX প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্পেস এক্সের প্রধান কার্যালয় রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার হোথর্নে।
- SpaceX এর পূর্ণরূপ Space Exploration Technologies Corporation.
- এটি একটি আমেরিকান এয়ার স্পেস কোম্পানি যা বাণিজ্যিক মহাকাশ ভ্রমণের যুগের উদ্বোধনে সহায়তা করেছিল।
- এটি প্রথম বেসরকারি কোম্পানি যা সফলভাবে একটি মহাকাশ যানবাহন উৎক্ষেপণ নিয়ে কাজ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৯৩.
ইমেইল সেবা সংক্রান্ত প্রোটোকল নয় কোনটি?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. POP
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
• HTTP ইমেইল সেবা সংক্রান্ত প্রোটোকল নয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:

- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

• অপশন আলোচনা:
• HTTP:

- HTTP পূর্ণরূপ Hyper Text Transfer Protocol.
- এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি এবং একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:

১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।
৪৯৪.
কোন ধরনের হ্যাকার অননুমোদিতভাবে কোনো সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করে অর্থ উপার্জন করে?
  1. পার্পল হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা অননুমোদিতভাবে কোনো সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করে অর্থ উপার্জন করে।
- গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা এমন এক ধরনের হ্যাকার, যারা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করে।
- তারা সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়াই তাদের সিস্টেমে দুর্বলতা খুঁজে বের করে। এরপর তারা সেই দুর্বলতাগুলো প্রকাশ করে অথবা তা ঠিক করে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি করে।

হ্যাকিং:
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার।

হ্যাকারদের শ্রেণিবিভাগ:
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার,
২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার,
৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি।

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের কর।
- এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়।
- এরা সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না বরং সিকিউরিটি বৃদ্ধি করে।

ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরণের হ্যাকাররা অবৈধ কাজ করে এবং ইনফরমেশন চুরি করে সাইবার অপরাধ করে।
- এদের ক্রেকারও বলে।

গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার।
- এরা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায়।
- দুর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৯৫.
নিচের কোনটি একটি ভুল IPv4 ঠিকানা?
  1. 256.1.1.1
  2. 100.64.0.1
  3. 198.51.100.23
  4. 172.31.255.255
ব্যাখ্যা

• IPv4 ঠিকানা হলো ৩২-বিটের একটি সংখ্যা, যা সাধারণত চারটি অক্টেটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যেমন 0 থেকে 255 এর মধ্যে চারটি সংখ্যার বিন্যাস। প্রতিটি অক্টেট ৮-বিটের সমান। IPv4 ঠিকানার ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টেটের মান সর্বোচ্চ 255 হতে পারে। তাই যদি কোনো অক্টেটে 255-এর বেশি সংখ্যা থাকে, তবে সেটি একটি অবৈধ ঠিকানা হিসেবে গণ্য হয়। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে, “ক) 256.1.1.1” একটি ভুল IPv4 ঠিকানা, কারণ প্রথম অক্টেটের মান 256, যা 0–255 সীমার বাইরে। অন্য ঠিকানাগুলো—100.64.0.1, 198.51.100.23 এবং 172.31.255.255 - সঠিক সীমার মধ্যে আছে এবং বৈধ IPv4 ঠিকানা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) 256.1.1.1

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯৬.
কোন প্রযুক্তি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করতে সক্ষম করে?
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. মেশিন লার্নিং
  3. ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
  4. ব্লকচেইন
ব্যাখ্যা

"ইন্টারনেট অফ থিংস" (IoT) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন: গাড়ি, বাড়ির সরঞ্জাম, স্মার্ট সেন্সর ইত্যাদি) ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং ডেটা আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি করে।

IoT (Internet of Things):
- IoT হলো ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৪৯৭.
ডেটার গোপনীয়তা রক্ষার জন্য কী করা হয়?
  1. ম্যানিপুলেশন
  2. ভ্যালিডেশন
  3. এনক্রিপশন
  4. ডিক্রিপশন
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — গ) এনক্রিপশন। 
- ডেটার গোপনীয়তা (Data Confidentiality) রক্ষার জন্য এনক্রিপশন (Encryption) ব্যবহার করা হয়।
- এনক্রিপশন হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ডেটাকে এমনভাবে রূপান্তর করা হয় যাতে শুধু অনুমোদিত ব্যক্তি বা সিস্টেমই তা পড়তে পারে।
- উদাহরণ: ইমেইল, ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত ডেটা ইত্যাদির নিরাপত্তা।

• অপশন আলোচনা:
- ম্যানিপুলেশন: ডেটা পরিবর্তন বা প্রক্রিয়া করা।
- ভ্যালিডেশন: ডেটার সঠিকতা যাচাই করা।
- ডিক্রিপশন: এনক্রিপ্ট করা ডেটাকে আবার মূল রূপে ফিরিয়ে আনা।
- তাই গোপনীয়তা রক্ষার জন্য ব্যবহার হয় এনক্রিপশন।

• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
- প্লেইন টেক্সট: যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
- সাইফার টেক্সট: মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
- এনক্রিপশন এলগরিদম: গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
- কী: গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯৮.
ই-কমার্সে পেমেন্ট করার জন্য নিচের কোন মাধ্যমগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড
  2. মোবাইল ব্যাংকিং
  3. অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ ই-কমার্স (E-commerce) হলো অনলাইন মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া। এখানে পেমেন্ট করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক্রেডিট কার্ড (Credit Card), ডেবিট কার্ড (Debit Card), মোবাইল ব্যাংকিং (Bkash, Nagad, PayPal, etc.), এবং অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার ই-কমার্স পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম।

ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪৯৯.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ কোনটির মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে?
  1. SCSI ইন্টারফেস
  2. USB ইন্টারফেস
  3. Parallel ইন্টারফেস
  4. WAN ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
- একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ একটি SCSI ইন্টারফেসের মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে।
- SCSI এর পূর্ণ্রুপ Small Computer System Interface।
- SCSI হল প্রোটোকলের একটি গ্রুপ যা কম্পিউটার এবং বাহ্যিক ডিভাইসগুলির মধ্যে একটি শারীরিক পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়।
-  SCSI মূলত একটি প্রোটোকল এবং একটি সমান্তরাল পিজিক্যাল ইন্টারফেস হিসাবে বিকশিত হয়েছিল।
- SCSI প্রোটোকল একটি সিরিয়াল সংযুক্ত SCSI বাসে (SAS এবং SPL ব্যবহার করে), ফাইবার চ্যানেল পরিবেশে (FCP ব্যবহার করে), এবং IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কে (LAN/WAN, iSCSI ব্যবহার করে) পরিবহন করা হয়।
- ACSI (Atari Computer Systems Interface) পেরিফেরাল বাসটি ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড SCSI (Small Computer Systems Interface) বাসের মতোই।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫০০.
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলে সাধারণত প্রতি জোড়া তারের মধ্যে কোন রংয়ের একটি কমন তার থাকে?
  1. সাদা
  2. কালো
  3. লাল
  4. হলুদ
ব্যাখ্যা
• টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল:
- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়।
- প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপর তারগুলো হয় ভিন্ন রংয়ের। তার সমূহ সংযোজনের সময় 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 নম্বরের ভিত্তিতে সংযোগ দিতে হয়।
- জোড়ার তার দুটির এক একটির পুরুত্ব হয় 0.4 মিঃ মিঃ থেকে 0.9 মিঃ মিঃ।
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুই প্রকার। যথা:

১। ইউটিপি (UTP-Unshielded Twisted pair):
- ইউটিপি ক্যাবল মূলত একাধিক জোড়া টুইস্টেড পেয়ার সমষ্টি যা প্লাস্টিক আবরনে মোড়ানো থাকে।
- তারের মধ্য দিয়ে যখন সিগন্যাল অতিক্রম করতে থাকে তখন এর শক্তি বা মান ক্রমান্বয়ে লোপ পেতে থাকে।

২। এসটিপি (STP-Shield Twisted pair):
- এসটিপি ক্যাবলের বাইরে জ্যাকেট বা ফেসিং থাকে এবং তারের মধ্যে একটি শিল্ড (Shield) বা শক্ত আবরণ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।