বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন৫,০২৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৪৯ / ৫১ · ৪,৮০১৪,৯০০ / ৫,০২৮

৪,৮০১.
Which organization developed the open-source AI model "Llama"?
  1. Microsoft
  2. Meta
  3. OpenAI
  4. Anthropic 
ব্যাখ্যা

• মেটা (Meta) তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার অংশ হিসেবে 'Llama' (Large Language Model Meta AI) তৈরি করেছে। এটি একটি ওপেন-সোর্স লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ,যা বর্তমানে AI জগতে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী।

• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• LLama (Large Language Model Meta AI):
- LLama হলো একটি বড় ভাষা মডেল যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত ভাষার বোঝাপড়া, টেক্সট জেনারেশন এবং ভাষা সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- LLama মডেলটি Meta কোম্পানি দ্বারা ডেভেলপ করা হয়েছে।
- Meta তাদের এই মডেলে "Responsible AI" ফ্রেমওয়ার্ক যুক্ত করেছে যা ক্ষতিকর উত্তর প্রদান প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- LLama বিভিন্ন NLP (Natural Language Processing) কাজের জন্য গবেষণা এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Microsoft: মাইক্রোসফট মূলত OpenAI-এর প্রধান অংশীদার এবং তারা 'Copilot' সেবা প্রদান করে। তবে তাদের নিজস্ব ছোট এআই মডেলের নাম 'Phi' ।
- OpenAI: এটি 'ChatGPT' এবং 'GPT-4' এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এটি একটি ক্লোজড-সোর্স মডেল (অর্থাৎ এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত নয়)।
- Anthropic: এটি 'Claude' নামক এআই মডেল তৈরি করেছে।

উৎস: 
- LLama [link]

৪,৮০২.
ক্রিপ্টোলকার কম্পিউটার ভাইরাস কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯৯৭
  2. খ) ২০০৩
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০০৭
ব্যাখ্যা
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে আবিষ্কার হওয়া এই ট্রোজান হর্স ভাইরাস কোনো কম্পিউটারে ঢোকার পর তার হার্ডড্রাইভের ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করে তার ডিক্রিপশন কি ভাইরাস প্রোগ্রামারের কাছে পাঠিয়ে দিত। এরপর ওই প্রোগ্রামার এনক্রিপ্ট করা ফাইলের ডিক্রিপশন কির বদলে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ‘মুক্তিপন’ আদায় করতো।
[সূত্রঃ bangla.bdnews24.com]
৪,৮০৩.
কোনটি ইন্টারনেট প্রোটোকলের উদাহরণ?
  1. HTTP
  2. BIOS
  3. RAM
  4. ASCII
ব্যাখ্যা

HTTP (Hypertext Transfer Protocol) হল একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল, যা ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ওয়েবসাইট লোড, ওয়েব পেজ রিকোয়েস্ট এবং রেসপন্স পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

• HTTP (Hyper Text Transfer Protocol): 
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- ইন্টারনেটের বিকাশকালে ১৯৮৯ সালে একজন ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
- সেই থেকে স্যার টিমোথি জন 'টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee) (জন্ম জুন ৮, ১৯৫৫) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত।
- নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট বিস্তৃত হয়।
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং বিকশিত হয় বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) BIOS (Basic Input/Output System) - এটি কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, যা অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে হার্ডওয়্যার ইনিশিয়ালাইজ করে।
গ) RAM (Random Access Memory) - এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি, যা দ্রুত ডেটা এক্সেস করতে সাহায্য করে। 
ঘ) ASCII (American Standard Code for Information Interchange) - এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৪,৮০৪.
নিচের কোন সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহক নিজ Computer System ব্যবহার করতে পারেন না এবং Computer System-কে ব্যবহার উপযোগী করতে অর্থ দাবি করা হয়?
  1. Phishing
  2. Denial of Service
  3. Ransomware
  4. Man-in-the-Middle
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার: ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা। 

র‍্যানসমওয়্যার: ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়। 
কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে। যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়। 
ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে। যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।
 
- DoS (Denial of Service): ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে। কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
Man-in-the-Middle: দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
 
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
৪,৮০৫.
স্টার টপোলজিতে নেটওয়ার্কের সমস্ত ডিভাইস একত্রিত হতে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ব্রিজ
  2. গেটওয়ে
  3. হাব
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজিতে কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ একটি হাব বা সুইচের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
- হাব বা সুইচের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইস সমূহ যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- হাব অচল হয়ে হয়ে গেলে সম্পূর্ন নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে যায়।
- যেকোন মুহূর্তে নতুন কম্পিউটার যুক্ত করা যায়।
- এই সিস্টেমে সমস্যা নির্ণয় করা তুলনামূলক সহজ।

- কোন একটি কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে ডেটা ট্রান্সফারে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়না।
- এই নেটওয়ার্ক সিস্টেমে খুব সহজেই সমস্যায় আক্রান্ত কম্পিউটারটিকে সরিয়ে নেওয়া যায়।
- এই সিস্টেমে অনেক বেশি ক্যাবল ব্যবহৃত হয় বলে খরচের পরিমান বেশি।
- কম্পিউটারে সংখ্যা খুব বেশি বৃদ্ধি করলে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড কমে যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৪,৮০৬.
ইন্টারনেট শব্দের পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Internal Network
  2. Inter Connected Networks
  3. International Network
  4. Integrated Network
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট হলো বহু নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি ব্যবস্থা, তাই এর পূর্ণরূপ Inter Connected Networks.

• ইন্টারনেট:

- ইন্টারনেট শব্দের পূর্ণরূপ হলো ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্ক (Inter Connected Networks)।
- অন্য কথায়, নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্কই হলো ইন্টারনেট।
- বিশ্বের বিভিন্ন কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে একত্রে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে যুক্ত করার বৈশ্বিক মাধ্যমকে ইন্টারনেট (Internet) বলা হয়।

• ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রাপ্ত প্রধান সুবিধাসমূহ:

- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো স্থানে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ই-মেইল পাঠানো ও গ্রহণ করা যায়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্যাক্স সুবিধা পাওয়া যায়।
- VOIP-এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে খুব কম খরচে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে কথা বলা যায়।
- ইন্টারনেট টিভি ও ইন্টারনেট রেডিও চালু থাকায় ঘরে বসেই কম্পিউটারের মাধ্যমে বিভিন্ন টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেল উপভোগ করা যায়।
- বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সফটওয়্যার, ফ্রিওয়্যার ও বিভিন্ন উপকরণ ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়।
- ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রিকা পড়া সম্ভব।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-কমার্সের মাধ্যমে ঘরে বসেই পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮০৭.
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps
  2. মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার
  3. ত্রি-মাত্রিক ছবির প্রদর্শনের ব্যবস্থা চালু
  4. ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

• অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- ত্রি-মাত্রিক ছবির প্রদর্শনের ব্যবস্থা চালু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার শুরু হয় প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে।
- ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা চালু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৮০৮.
LLM চালানোর জন্য নিম্নোক্ত কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাংশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
  1. RAM
  2. Processor
  3. Graphics Card
  4. Storage Device
ব্যাখ্যা

• LLM বা Large Language Model চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ হলো Graphics Card (GPU)। কারণ LLM-এর প্রশিক্ষণ ও ব্যবহার উভয় ক্ষেত্রেই বিপুল পরিমাণ ম্যাট্রিক্স গণনা ও প্যারালাল প্রসেসিং প্রয়োজন হয়, যা সাধারণ Processor (CPU) দিয়ে ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়। শক্তিশালী GPU একসঙ্গে লক্ষাধিক অপারেশন দ্রুত সম্পাদন করতে সক্ষম, ফলে মডেল কার্যকরভাবে চালানো যায়। RAM, Storage Device এবং Processor অবশ্যই সহায়ক ভূমিকা রাখে, তবে মূলত GPU-এর ক্ষমতাই নির্ধারণ করে মডেল কতটা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করবে। তাই LLM চালানোর ক্ষেত্রে Graphics Card-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• Graphics Card (GPU):
- GPU বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে পারে।  
- LLM মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ ও কার্যকরভাবে চালানোর জন্য হাজার হাজার কোর বিশিষ্ট GPU ব্যবহৃত হয়।  
- CPU এর তুলনায় GPU অনেক দ্রুতগতিতে ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন করতে সক্ষম।  
- LLM ট্রেনিং ও ইনফারেন্স—দুটোর ক্ষেত্রেই GPU অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।  
- বর্তমান সময়ে NVIDIA A100, H100 এর মতো GPU LLM এর জন্য সবচেয়ে ব্যবহৃত।  
- GPU এর ক্ষমতা যত বেশি হবে, তত দ্রুত ও কার্যকরভাবে LLM চালানো সম্ভব হবে।  

অন্য যন্ত্রাংশগুলোর ভূমিকা:  
- RAM: ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে এবং GPU/CPU তে সরবরাহ করে।  
- Processor (CPU): সাধারণ কাজ, সিস্টেম কন্ট্রোল ও ডেটা হ্যান্ডলিং এ সহায়তা করে।  
- Storage Device: ডেটাসেট, মডেল ফাইল ও চেকপয়েন্ট সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।  

- যদিও RAM, Processor এবং Storage Device জরুরি, কিন্তু LLM চালানোর জন্য - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল Graphics Card (GPU).

সূত্র: 
- ASUS [link]
- geeksforgeeks [link]

৪,৮০৯.
ব্লুটুথ নামকরণ কার নাম অনুসারে করা হয় ?
  1. বৃটেনের রানী
  2. সুইজারল্যান্ড রাজকুমার
  3. লন্ডনের মেয়র
  4. ডেনমার্কের রাজা
ব্যাখ্যা

৯০০ খ্রীস্টাব্দের পরবর্তী সময়ের ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে।
Bluetooth (IEEE 802.15) ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রোটোকল।
- এটি ১-১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। ব্লুটুথ-এর কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ব্লুটুথ ২.৪৫ গিগাহার্টজ-এ কাজ করে।
- ব্লুটুথ ১.০-এর তথ্য আদান-প্রদান-এর সর্বোচ্চ গতি ছিল সেকেন্ডে ১ মেগাবিট। বর্তমানে ব্লুটুথ ৫.০-এর সর্বোচ্চ গতি হল সেকেন্ডে ২ মেগাবাইট। এটা পারসোনাল এরিয়া নেটও্যার্কের উদাহরণ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান)

৪,৮১০.
‘কন্ট্রোল ট্যাবুলেটিং রেকর্ডিং কোম্পানি (সিটিআর)’ থেকে 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস (আইবিএম) করপোরেশন' নামকরণ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯১১
  2. ১৯২৪
  3. ১৯৩৩
  4. ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
• ১৯১১ সালের ১৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের অ্যান্ডিকটে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘কন্ট্রোল ট্যাবুলেটিং রেকর্ডিং কোম্পানি বা সিটিআর’। ১৯২৪ সালে এর নামকরণ হয় ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস (আইবিএম) করপোরেশন। এর ডাকনাম ‘বিগ ব্লু’।

♦ চার্লস ফ্লিন্ট ইন্টারন্যাশনাল টাইম রেকর্ডিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। যুক্তরাষ্ট্রে ঘড়ি ও কম্পিউটিং স্কেলের বাজারে এই কোম্পানির তখন রমরমা অবস্থা। ফ্লিন্ট তখন কিনে নেন হলেরিথ ট্যাবুলেটিং মেশিন কোম্পানি। পরে আরও একটি সহ মোট তিনটি প্রতিষ্ঠান একীভূত করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন কন্ট্রোল ট্যাবুলেটিং রেকর্ডিং কোম্পানি। নতুন সিটিআর কোম্পানি সব রকমের প্রযুক্তি পণ্য তৈরি শুরু করে। কয়েক বছর পর সিটিআরের নাম বদলে রাখা হয় আইবিএম।

-  আইবিএম কম্পিউটারের যন্ত্র (হার্ডওয়্যার), সহযোগী যন্ত্র (মিডিলওয়্যার), সফটওয়্যার পণ্যের জন্য বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে ওয়েব হোস্টিং সেবাদাতা এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার থেকে শুরু করে হালের ন্যানোপ্রযুক্তি পরামর্শক হিসেবেও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

- আইবিএম পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গবেষণা সংস্থা হিসেবেও স্বীকৃত। ১২টির বেশি দেশজুড়ে ১৯টি গবেষণাকেন্দ্র রয়েছে আইবিএমের।

- বিশ্বের অন্যতম পুরোনো ও বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইবিএম বেশ কিছু যুগান্তকারী উদ্ভাবনে জড়িত। এগুলোর মধ্যে আছে:
অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম), ডায়ানমিক র‌্যানডম-অ্যাকসেস মেমোরি (ডির‌্যাম), ফ্লপি ডিস্ক, হার্ডডিস্ক ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ কার্ড, রিলেশনাল ডেটাবেজ, এসকিউএল প্রোগ্রামিং ভাষা ও ইউপিসি বারকোড।

- অত্যাধুনিক কম্পিউটার চিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা অবকাঠামোর নতুন উদ্ভাবনের কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

- আইবিএমের কর্মী বা সাবেক কর্মীদের গবেষণা ও উদ্ভাবন ছয়টি নোবেল পুরস্কার ও ছয়টি টুরিং অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

উৎস: www.prothomalo.com.
৪,৮১১.
WiMAX এর কাভারেজ এরিয়া কত?
  1. প্রায় ৫০ কিলোমিটার
  2. প্রায় ৯০ কিলোমিটার
  3. প্রায় ১২০ কিলোমিটার
  4. প্রায় ২০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার।

• WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪,৮১২.
কোনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়?
  1. ক) ইমো
  2. খ) ইনস্টাগ্রাম
  3. গ) স্ন্যাপচ্যাট
  4. ঘ) ইয়াহু
ব্যাখ্যা

ইয়াহু একটি Search Engine।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মাহবুবুর রহমান)

৪,৮১৩.
ইউটিউবের বর্তমান (২০২৪) সিইও কে?
  1. র‍্যামন সিনাগ
  2. সুসান ওয়াজসিকি
  3. জাভেদ করিম
  4. নীল মোহন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• ইউটিউব (YouTube):

- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। 
- গুগল ২০০৬ সালের ৯ অক্টোবর ইউটিউব কিনে নেয়। 
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google;
- CEO: নীল মোহন ।

ক্যালিফোর্নিতে আরো কিছু সদরদপ্তর: 
ক্যালিফোর্নিয়ার সানফ্রান্সিসকোতে এক্স (টুইটার) এর সদর দপ্তর অবস্থিত। 
ক্যালিফোর্নিয়ার ম্যানলো পার্কে ফেসবুকের সদর দপ্তর অবস্থিত। 
ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেইন ভিউতে লিঙ্কডইন এর সদর দপ্তর অবস্থিত। 

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৮১৪.
WiMAX এর ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
  2. ডেটা ট্রান্সমিশনে হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে। 
  3. ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz
  4. কাভারেজ এড়িয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার।
ব্যাখ্যা
• WiMAX: 
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো  Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়। 
- WiMax  এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে। 
- WiMax  এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax  এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।ন

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,৮১৫.
স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস কিংবা বড় অফিস বিল্ডিংয়ে কোন ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়?
  1. Local Area Network
  2. Personal Area Network
  3. Metropolitan Area Network
  4. Wide Area Network
ব্যাখ্যা
• সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসে Local Area Network নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

• Local Area Network (LAN):
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায় ।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- যেমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• অন্যন্য অপশনগুলো:
• Personal Area Network (PAN):
- ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- PAN এর ব্যাপ্তি বা পরিসীমা ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ।
- যেমন: ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ওয়েব ক্যামেরা, সাউন্ড সিস্টেম, পিডিএ, মোবাইল স্ক্যানার ও প্রিন্টার ইত্যাদি।

• Metropolitan Area Network (MAN):
- একটি শহর বা ছোট অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এলাকাকে বুঝায়।
- এটির নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি LAN এর চেয়ে বড় কিন্তু WAN এর চেয়ে ছোট।
- যেমন: ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক, ফ্যাক্টরি, ওয়্যারহাউজ, বিক্রয়কেন্দ্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

• Wide Area Network (WAN):
- বড় এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই WAN নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN এর উদাহরণ হলো – Internet.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (বোর্ড বই) এবং
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৮১৬.
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) ব্যবস্থায় সাধারণত কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসেবে কোন ধরনের মাধ্যম ব্যবহার করা হয়?
  1. রেডিও ওয়েভ
  2. মাইক্রো ওয়েভ
  3. কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ Local Area Network (LAN) এ কমিউনিকেশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল (Coaxial Cable) ব্যবহার করা হয়। 

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণনাম হচ্ছে Local Area Network।
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল (কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল) ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮১৭.
LAN কার্ড এর অপর নাম কী?
  1. Network Identifier Card
  2. Local Area Interface card
  3. Network Interface Card
  4. Local Interface card
ব্যাখ্যা
 NIC (Network Interface Card):
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য যে ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয় তাকে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বলে।
- এ কার্ডকে ল্যান কার্ডও বলা হয়।
- এ কার্ড মাদারবোর্ডের বিভিন্ন আকৃতির স্লটের মধ্যে বসানো থাকে। অধিকাংশ NIC কার্ড কম্পিউটারের সাথে বিল্ট-ইন থাকে।
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড পিসি এবং ডেটা কেবলের মধ্যে সিগন্যাল আদান-প্রদানের কাজটি সমন্বয় করে থাকে।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- যথা-ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক, পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী।
৪,৮১৮.
জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেস 'freelancer.com' যাত্রা শুরু করে কত সালে?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৫
  3. ২০০৭
  4. ২০০৯
ব্যাখ্যা
• ফ্রিল্যান্সার ডট কম:
- freelancer.com হলো আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য নির্ভরযোগ্য একটি ওয়েব সাইট তথা ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেস।
- ২০০৯ সালে সাইটটি যাত্রা শুরু করে।
- এখানে যে কেউ তার নিজের যোগ্যতা অনুসারে প্রোফাইল তৈরি করে অনলাইনের বায়ারদের পোস্টকৃত বিভিন্ন কাজের জন্য বিডের মাধ্যমে বিভিন্ন আউটসোর্সিং এর কাজ পেতে পারে।
- এখানে কাজের জন্য অসংখ্য ক্যাটাগরি রয়েছে এবং এর পেমেন্ট সিস্টেমও যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য।
- বাংলাদেশের আউটসোর্সিং-এর কাজে নিয়োজিতদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেট প্লেস।
- এই কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা হলেন ম্যাট ব্যারি এবং এর কার্যালয় বর্তমানে ম্যানিলা, সিডনি, ভানকোভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা, বুয়েন্স আয়ার্স, লন্ডন ও জাকার্তায় রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,৮১৯.
ফ্যাক্স(Fax)–এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Facsimile
  2. Fast Exchange
  3. File Access System
  4. Fixed Access Machine
ব্যাখ্যা

• Fax এর পূর্ণরূপ হলো Facsimile, যার অর্থ হুবহু অনুলিপি।

• ফ্যাক্স(Fax):
- ফ্যাক্স(Fax)–এর পূর্ণরূপ হলো Facsimile.
- ১৮৪২ সালে বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন (Alexander Bain) ফ্যাক্স মেশিন আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে দূরবর্তী স্থানে পাঠানো যায়।
- দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি ডকুমেন্ট ফ্যাক্সের মাধ্যমে পাঠানো সম্ভব।
- প্রেরকের ফ্যাক্স মেশিন থেকে ডকুমেন্ট পাঠানো হলে প্রাপক তার ফ্যাক্স মেশিন থেকে প্রিন্ট কপি গ্রহণ করতে পারে।
 
• ফ্যাক্সের মূলনীতি(Principle of Fax):
- ফ্যাক্স মেশিন মূলত টেলিফোন, স্ক্যানার, প্রিন্টার ও মোডেমের সমন্বয়ে গঠিত একটি যন্ত্র।
- প্রেরক প্রথমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- প্রেরকের ডকুমেন্টটি স্ক্যানারের মাধ্যমে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তরিত হয়।
- মোডেম সেই ডিজিটাল ছবিকে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে পাঠায়।
- প্রাপকের মোডেম প্রাপ্ত এনালগ সংকেতকে পুনরায় ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- শেষে প্রিন্টারের মাধ্যমে প্রাপক প্রেরিত ডকুমেন্টের হুবহু কপি পেয়ে যায়।

 উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮২০.
What does CMS stand for in the context of E-commerce?
  1. Customer Management System.
  2. Content Marketing Strategy.
  3. Customer Messaging Service.
  4. Content Management System.
ব্যাখ্যা
CMS (Content Management System):
-  Content Management System (CMS), ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি, পরিবর্তন এবং পরিচালনার জন্য সহযোগী সফটওয়্যার।
- CMS একটি ওয়েবসাইট সেট আপ করার একটি খুব সহজ উপায়, যা একসময় একটি কঠিন এবং ব্যয়বহুল সম্ভাবনা ছিল।

একটি CMS দুটি অংশ নিয়ে গঠিত:
(1) Content Management Application (CMA),
(2) Content Delivery Application (CDA).

ই-কমার্স:
- ই- কমার্স হল ইলেকট্রনিক কমার্স যা এমন একটি মাধ্যম যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/বিক্রয় হয়ে থাকে। অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে, ই-কমার্স বলে।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
(i) ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
(ii) ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
(iii) ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B),
(iv) ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C).

ই-কমার্সের সুবিধাসমূহ:
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়৷
২. ই-কমার্সের সাহায্যে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসাকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে করানো যায়৷
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়৷
৪. ব্যবসায়িক কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক তৈরি করে।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২) Link ⇒ Britannica
৪,৮২১.
WiMAX বলতে কী বোঝায়?
  1. Worldwide Interprovincial for Microwave Excess
  2. Worldwide Interchangeable for Microwave Excess
  3. Worldwide Interpenetration for Microwave Access
  4. Worldwide Interoperability for Microwave Access
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) Worldwide Interoperability for Microwave Access.

WiMAX হলো একটি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে, বিশেষ করে যেখানে ব্রডব্যান্ড কেবল বা ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছায় না। এটি “Worldwide Interoperability for Microwave Access” এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা মূলত দূরদূরান্তের এলাকায় ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস এক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়। WiMAX প্রযুক্তি ব্যবহারে বড় এলাকার জন্য ইন্টারনেট সংযোগ তৈরি করা যায়, এবং এটি সেলুলার নেটওয়ার্কের মতো মোবাইল ব্যবহারকেও সমর্থন করে। এটি প্রধানত ৩০০ মিটার থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, ফলে শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চলে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে।

• WiMAX: 
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো - Worldwide Interoperability for Microwave Access. 
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়। 
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে। 
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৮২২.
Front-end processor is a _____ designed specifically to handle the communications processing task.
  1. ক) ALU
  2. খ) Control unit
  3. গ) CPU
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
A central processing unit (CPU), also called a central processor, main processor or just processor, is the electronic circuitry within a computer that executes instructions that make up a computer program. The CPU performs basic arithmetic, logic, controlling, and input/output (I/O) operations specified by the instructions in the program.
৪,৮২৩.
নিচের কোন রোগের জন্য ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না?
  1. ছানি
  2. লিভার ক্যান্সার
  3. প্লাস্টিক সার্জারি
  4. প্রোস্টেট ক্যান্সার
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান,
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮২৪.
Apple's virtual assistant is named:
  1. Siri
  2. Cortana
  3. Alexa
  4. Google Assistant
ব্যাখ্যা
Virtual Assistant (VA):
- Virtual Assistant, AI সহকারী বা ডিজিটাল সহকারীও বলা হয়।
- এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম যা প্রাকৃতিক ভাষা (Natural Language)- এর Voice Command বোঝে এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ দেয়া কাজ সম্পূর্ণ করে।

অপশন আলোচনা:
- Siri হলো Apple কর্তৃক উদ্ভাবিত Virtual Assistant Software.
- Cortana হলো Microsoft কর্তৃক উদ্ভাবিত Virtual Assistant Software.
- Google Assistant হলো Google উদ্ভাবিত Virtual Assistant Software.
- Alexa হলো Amazon উদ্ভাবিত Virtual Assistant Software.

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪,৮২৫.
ই-মেইল বা এসএমএসের মাধ্যমে ভুয়া লিঙ্ক পাঠিয়ে সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ার নাম কী?
  1. Plagiarism
  2. Debugging
  3. Phishing
  4. Sneaking 
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল বা এসএমএসের মাধ্যমে ভুয়া লিঙ্ক পাঠিয়ে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য বা ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে ফিশিং (Phishing) বলা হয়। এটি একটি ধরণের সাইবার অপরাধ, যেখানে অপরাধীরা বিশ্বাসযোগ্য সংস্থা বা ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের প্রতারণা করে। তারা সাধারণত দেখতে সুন্দর ও প্রকৃত লগিন পেজের মতো ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে এবং ব্যবহারকারীকে সেখানে তার তথ্য দেওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করে। ফিশিংয়ের লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারীর আর্থিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা লঙ্ঘন করা। সচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বন করলেই ফিশিং থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

- সঠিক উত্তর: গ) Phishing.

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৮২৬.
কোন সার্চ ইঞ্জিনটি প্রাইভেসি রক্ষা করে এবং ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি ট্র্যাক করে না?
  1. Yahoo
  2. Bing
  3. DuckDuckGo
  4. Google
ব্যাখ্যা

• প্রাইভেসি রক্ষা এবং ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি ট্র্যাক না করার ক্ষেত্রে DuckDuckGo অন্যতম জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। এটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে না এবং কোনো প্রকার আইপি অ্যাড্রেস বা কুকি ট্র্যাকিং করে না। DuckDuckGo ব্যবহার করলে সার্চ ইতিহাস গোপন থাকে এবং ব্যবহারকারীর অনলাইন কার্যক্রম অনুসরণ করা হয় না। অন্যদিকে, Google, Yahoo, এবং Bing ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি এবং অন্যান্য ডেটা সংগ্রহ করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য। ফলে যারা প্রাইভেসি গুরুত্ব দেন এবং নিজের সার্চ কার্যক্রম লুকাতে চান, তাদের জন্য DuckDuckGo একটি নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য বিকল্প। এটি ব্যবহার করা সহজ এবং সাধারণ সার্চ ইঞ্জিনের মতো কার্যকর।

উত্তর: গ) DuckDuckGo.

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।
 
উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৪,৮২৭.
প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে-
  1. NTTC
  2. Motorola
  3. TACS
  4. Nokia
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

•  মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা
- প্রথম প্রজন্ম,
- দ্বিতীয় প্রজন্ম,
- তৃতীয় প্রজন্ম,
- চতুর্থ প্রজন্ম এবং
- পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,৮২৮.
গুগল টক একটি -
  1. ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং অ্যাপ্লিকেশন
  2. ইমেইল সেবা
  3. সার্চ ইঞ্জিন
  4. ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা
• গুগল টক হলো একটি ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজিং অ্যাপ্লিকেশন। এটি text এবং voice communication সেবা প্রদান করে।

• গুগল (Google):

- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায়, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমেটরি থেকে ব্যাকরাব নামে গুগল প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। 
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৪,৮২৯.
বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (VSAT) স্থাপন করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৯
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৭১
  4. ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয়।

• বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার:
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ।
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৮৩০.
অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) কী ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে?
  1. ক) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  2. খ) অবকাঠামােগত সেবা
  3. গ) সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

অবকাঠামােগত সেবা (laas: Infrastructure as a service) : এই মডেলে অবকাঠামাে ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন -এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2 -এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলােই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতাে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি

৪,৮৩১.
H.323 Protocol সাধারণত কি কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) File transfer
  2. খ) VoIP
  3. গ) Data security
  4. ঘ) File download
ব্যাখ্যা
H.323 is widely used in IP-based videoconferencing, Voice over Internet Protocol (VoIP), and Internet telephony. Users can communicate through the Internet and make use of a variety of products that are H.323 standard compatible.
[source: techopedia.com]
৪,৮৩২.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কত মাত্রার ইমেজ ব্যবহার করা হয়?
  1. একমাত্রিক
  2. ত্রি-মাত্রিক
  3. বহুমাত্রিক
  4. দ্বি-মাত্রিক
ব্যাখ্যা

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক মাত্রার ইমেজ ব্যবহার করা হয়

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি: 

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা,
- স্পর্শ, শোনা কিংবা দেখা থেকে মানুষের মস্তিষ্কে একটি অনুভূতির সৃষ্টি হয় যেটাকে আমরা বাস্তবতা বলে থাকি।
- কতকগুলো যন্ত্রের সাহায্যে যদি আমরা এই অনুভূতিগুলো সৃষ্টি করতে পারি তাহলে অবস্থাটি মানুষের কাছে পুরোপুরি বাস্তব মনে হতে পারে। এটি নানাভাবে করা সম্ভব।
- অনেক সময় বিশেষ ধরনের চশমা বা হেলমেট পরা হয়, যেখানে দুই চোখে দুটি ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি সৃষ্টি করা হয়।
- অনেক সময় একটি ক্ষিনে ভিন্ন ভিন্ন প্রজেক্টর দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে সেই অনুভূতি সৃষ্টি করা হয়।
- এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পাদন করার জন্য মূলত কম্পিউটারের সাহায্য নিয়ে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কোনো একটি পরিবেশ বা ঘটনার বাস্তবভিত্তিক ত্রি-মাত্রিক চিত্রায়ণ করা হয়।
- তাই বলা যায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন এক ধরনের কৃত্রিম পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৩৩.
প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম কি?
  1. Unimate
  2. Roomba
  3. Atlas
  4. Sophia
ব্যাখ্যা

১৯৬১ সালে জেনারেল মোটর্সে ব্যবহৃত Unimate ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট।

রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

• Unimate রোবট:
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল  মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- এটি ১৯৬১ সালে জেনারেল মোটরসের নিউ জার্সির কারখানায় প্রথম ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি গাড়ি উৎপাদনে গরম ধাতু ঢালাই ও সমাবেশের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- Unimation Inc. নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয় রোবটটি উৎপাদনের জন্য।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৪,৮৩৪.
ChatGPT কীভাবে উত্তর দেয়:
  1. ডেভেলপাররা লিখে রাখা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে
  2. প্রশিক্ষণের ডেটা থেকে প্যাটার্ন চিনে
  3. ইন্টারনেট থেকে ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে
  4. যেকোনো শব্দ বাছাই করে
ব্যাখ্যা

• ChatGPT উত্তর দেয় প্রশিক্ষণের ডেটা থেকে প্যাটার্ন চিনে। এটি কোন নির্দিষ্ট স্ক্রিপ্ট অনুসরণ করে না, বরং কোটি কোটি লেখার উদাহরণ থেকে ভাষার গঠন, শব্দের ব্যবহার, এবং বাক্যের প্রাসঙ্গিকতা শেখে। ব্যবহারকারীর প্রশ্ন পাওয়ার পর, মডেলটি তার শেখা প্যাটার্নের ভিত্তিতে সবচেয়ে সম্ভাব্য এবং প্রাসঙ্গিক উত্তর তৈরি করে। এটি ইন্টারনেট থেকে লাইভ তথ্য নেয় না এবং স্বতঃসিদ্ধভাবে যেকোনো শব্দও নির্বাচন করে না; বরং প্রশিক্ষিত ডেটার জ্ঞান ও সম্ভাব্যতা বিশ্লেষণ করে সঠিক বাক্য সাজায়। তাই ChatGPT মূলত প্যাটার্ন চিনে উত্তর তৈরি করে, যা ব্যবহারকারীর প্রশ্নের সাথে মানানসই হয়।

উত্তর: খ) প্রশিক্ষণের ডেটা থেকে প্যাটার্ন চিনে।

​​• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- বর্তমানে GPT- 5 ভার্শন চলছে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

• চ্যাটজিপিটির বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।

উৎস: www.openai.com.

৪,৮৩৫.
সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানে কোন ঠিকানা ব্যবহৃত হয়? 
  1. URL Address
  2. MAC Address
  3. IP Address
  4. Gateway Address
ব্যাখ্যা
সুইচ (Switch): 
- এটিও হাবের মতো একটি ক্ষুদ্র আইসিটি যন্ত্র। 
- বর্তমানে যেকোনো নেটওয়ার্ক তৈরি করতে বেশিরভাগ সময় সুইচ ব্যবহার করা হয়। 
- হাবের সাথে সুইচের প্রধান পার্থক্য হলো সুইচ তারের সাথে যুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে কিন্তু হাব তা পারে না। 
- ফলে সুইচ দিয়ে তৈরি নেটওয়ার্কের যেকোনো আইসিটি যন্ত্র (node) সরাসরি অন্য যন্ত্রের সাথে যোগযোগ করতে পারে। 
- সুইচের সাথে যুক্ত যন্ত্রগুলো শুধু যাকে ডেটা বা উপাত্ত পাঠাতে চায় তাকেই উপাত্ত পাঠায়। 
- সুইচ তার সাথে সংযুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রের একটি করে ঠিকানা বরাদ্দ করে এবং ঐ ঠিকানা অনুযায়ী তথ্যের আদান-প্রদান করে। 
অর্থাৎ, কোনো একটি ঠিকানা থেকে অন্য কোনো ঠিকানায় উপাত্ত বা ডেটা পাঠাতে চাইলে সুইচ এক ঠিকানার তথ্য অন্য ঠিকানায় পৌঁছে দেয়। এ বরাদ্দকৃত ঠিকানাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভাষায় MAC (Media Access Control) address নামে ডাকা হয়। 
- আলাদা আলাদা ঠিকানা ব্যবহারের কারণে সুইচ হাবের চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে কাজ করতে পারে, এজন্য নেটওয়ার্ক তৈরিতে সুইচই এখন সবার পছন্দের হয়ে উঠেছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৪,৮৩৬.
ই-কমার্স বলতে কী বোঝায়?
  1. কেবল দোকানে গিয়ে পণ্য কেনা
  2. ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে পণ্য ও সেবার লেনদেন
  3. শুধুমাত্র মোবাইল ফোনে কেনাকাটা
  4. কাগজভিত্তিক বাণিজ্য
ব্যাখ্যা

 ই-কমার্স বলতে ইন্টারনেট ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্যের ক্রয়–বিক্রয় বা বিনিময়কে বোঝায়।

• ই-কমার্স (E-commerce):
- ই-কমার্স শব্দটির পূর্ণরূপ Electronic Commerce।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হলো ই-কমার্সের বিকাশ।
 
• ই-কমার্সের সংজ্ঞা:
- ইন্টারনেট প্রযুক্তি, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্যের ক্রয়–বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যক্রমকে ই-কমার্স বলা হয়।
- এটি এমন একটি বাণিজ্য ব্যবস্থা, যেখানে ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পূর্ণ লেনদেন সম্পন্ন হয়।
 
• ই-কমার্স পরিচালনার মাধ্যম:
- আধুনিক ই-কমার্স প্রধানত World Wide Web (WWW)–এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- এছাড়াও—মোবাইল কমার্স (M-commerce), ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT), অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
 
• ই-কমার্সের সুবিধাসমূহ:
- ব্যবসার মান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
- জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে সহায়তা করে।
- তথ্য তৈরি, বিতরণ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের খরচ কমায়।
- ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে।
- সময় সাশ্রয় করে এবং দ্রুত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে।
- যোগাযোগ ব্যয় হ্রাস করে।
- পণ্য ও সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক।
 
• বাংলাদেশে ই-কমার্সের অবস্থা:
- ২০১১–১২ সাল থেকে বাংলাদেশে ধীরে ধীরে ই-কমার্সের প্রসার শুরু হয়।
- বর্তমানে বই, পোশাক, খাবার, সৌখিন সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যের অনলাইন বেচাকেনা হচ্ছে।
- ভবিষ্যতে অধিকাংশ ব্যবসা-বাণিজ্য ই-কমার্সভিত্তিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৩৭.
eSIM এর 'e' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. ক) Electronic
  2. খ) Electric
  3. গ) Embedded
  4. ঘ) Extended
ব্যাখ্যা
• ই-সিমের পূর্ণ রূপ হলো Embedded Subscriber Identity Module।
• প্রচলিত প্লাস্টিকের সিমকার্ডের মতো এই সিম সহজে খোলা ও পরিবর্তনের সুযোগ থাকার পরিবর্তে সরাসরি মাদারবোর্ডে যুক্ত থাকে।
• শুধু আগে থেকে ইনস্টল করা ডিভাইসগুলোতেই ই-সিম কাজ করে।
• বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্রামীণফোন ই-সিম চালু করে।

উৎস: thedailystar.net
৪,৮৩৮.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ধারণা কোন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত?
  1. অভিবাসন তত্ত্ব
  2. শিক্ষণ তত্ত্ব
  3. কানেকটিভিটি তত্ত্ব
  4. সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) ধারণা মূলত সিমুলেশন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত। সিমুলেশন তত্ত্ব অনুযায়ী, বাস্তব বিশ্বের অভিজ্ঞতা এবং পরিস্থিতি কৃত্রিমভাবে নকল বা পুনর্গঠন করা যায় যাতে ব্যবহারকারী একটি বাস্তবসম্মত পরিবেশে নিজেকে উপস্থিত মনে করতে পারে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এই তত্ত্বকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে বাস্তবায়ন করে, যেখানে কম্পিউটার জেনারেটেড পরিবেশ ব্যবহারকারীকে দর্শন, শ্রবণ, স্পর্শ বা অন্যান্য ইন্দ্রিয় অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী বাস্তব বা কল্পিত দৃশ্যের সঙ্গে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকশন করতে পারে। শিক্ষণ, অভিবাসন বা কানেকটিভিটি তত্ত্বের তুলনায় সিমুলেশন তত্ত্ব VR-এর মূল ধারণার সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৩৯.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তি কী নামে পরিচিত?
  1. ইন্টারসীড
  2. ই-মেইল
  3. ইন্টারনেট
  4. ইন্টারকম
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলা হয়। 

• ইন্টারনেট: 
- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। 
- আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আর্পানেট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

৪,৮৪০.
What is the full form of IBAN?
  1. International Banking Account Number
  2. International Bank Account Number
  3. Internal Bank Account Number
  4. Integrated Bank Access Number
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) International Bank Account Number

IBAN (International Bank Account Number)
- IBAN হলো আন্তর্জাতিক ব্যাংক একাউন্ট নম্বর।
- এটি ব্যবহার করা হয় দেশের বাইরে লেনদেন (cross-border transactions) সহজ এবং নিরাপদ করার জন্য।
- এই সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যাংক ও সরকারগুলোর মধ্যে দ্রুত এবং নিরাপদ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সম্ভব হয়।
- IBAN প্রধানত ইউরোপে ব্যবহৃত, তবে কিছু অ-ইউরোপীয় দেশেও এটি ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাংকগুলো প্রায়ই বিদেশে টাকা পাঠানোর জন্য SWIFT এবং IBAN উভয় নম্বরই চায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৪,৮৪১.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি হোম রোবট তৈরি করে?
  1. ক) FANUC
  2. খ) YASKAWA
  3. গ) BOSTON DYNAMICS
  4. ঘ) iROBOT
ব্যাখ্যা

১৯৯০ সালে এমআইটি কতৃক প্রতিষ্ঠিত iRobot নামক প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের হোম রোবট তৈরি করে।

এই প্রতিষ্ঠানের তৈরি Roomba নামক রোবটটি বাসার কাজে অত্যন্ত দক্ষ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৪,৮৪২.
'2FA' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. ক) Two-Factor Authorization
  2. খ) Two-Factor Administration
  3. গ) Two-Factor Authentication
  4. ঘ) Two-Factor Acknowledgement
ব্যাখ্যা
2FA
- '2FA' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Two-Factor Authentication.
- গুগল, ফেসবুকসহ বিভিন্ন একাউন্টের বাড়তি নিরাপত্তার জন্য '2FA' ব্যবহার করা হয়।
- '2FA' চালু থাকলে কেউ অযাচিতভাবে একাউন্টে প্রবেশ করতে গেলে গ্রাহকের মোবাইল অথবা ইমেইলে OTP কোড প্রেরণ করা হয়।
৪,৮৪৩.
ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশের মধ্যে কোন চিহ্ন দ্বারা বিভাজন করা হয়?
  1. #
  2. $
  3. @
  4. &
ব্যাখ্যা
ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশের মধ্যে '@' চিহ্ন দ্বারা বিভাজন করা হয়।

• E-mail:
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

• একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে:
- যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং
- শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।
যেমন: mitu123@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার mitu123@ অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং
এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪,৮৪৪.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. ওয়েবক্যাম
  2. প্রিন্টার
  3. স্পিকার
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- অপটিকাল রিডার,
- জয়স্টিক,
- মাইক্রোফোন,
- স্ক্যানার,
- গ্রাফিক্স প্যাড,
- লাইট পেন,
- ওয়েবক্যাম,
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

তথ্যসূত্র - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
৪,৮৪৫.
হারমনি অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) আইবিএম
  3. গ) হুয়াওয়ে
  4. ঘ) অ্যাপল
ব্যাখ্যা
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত নতুন অপারেটিং সিস্টেম হলো হারমনি। এটি ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট প্রথম অবমুক্ত করা হয়। এটি মাইক্রোকার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়। ইন্টারনেট অব থিংস বা সকল স্মার্ট ডিভাইসে এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার উপযোগী। (সূত্রঃ হুয়াওয়ে)
৪,৮৪৬.
Which transmission mode is generally used in video conferencing?
  1. Broadcast
  2. Multicast 
  3. Unicast
  4. Half-duplex
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) Multicast 

• মাল্টিকাস্ট (Multicast)
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না। 
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে। 
- যেমন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠানো হয়। প্রাপকের সংখ্যা ও ডেটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। ইউনিকাস্ট (Unicast)
২। ব্রডকাস্ট (Broadcast) এবং
৩। মাল্টিকাস্ট (Multicast) |

• ইউনিকাস্ট (Unicast)
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে। 
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না। 
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।

• ব্রডকাস্ট (Broadcast)
- ব্রডকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোড-ই গ্রহণ করে। 
- যেমন টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারেন। 
- এক্ষেত্রে একটি প্রেরক থেকে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৮৪৭.
ক্লাউড ভিত্তিক স্টোরেজ সার্ভিস নয় কোনটি?
  1. ক) গুগল ড্রাইভ
  2. খ) ড্রপবক্স
  3. গ) ওয়ান ড্রাইভ
  4. ঘ) পোস্টবক্স
ব্যাখ্যা
ক্লাউড ভিত্তিক স্টোরেজ সার্ভিসগুলো হলঃগুগল ড্রাইভ, ওয়ান ড্রাইভ, ড্রপবক্স ইত্যাদি।
ই-মেইল ক্লায়েন্ট প্রোগ্রামগুলো হলঃ আউটলুক, জিমব্রা, ইনকি, পোস্টবক্স ইত্যাদি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৪,৮৪৮.
'Cyberstalking' এক ধরনের -
  1. ভাইরাস
  2. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. সাইবার সিকিউরিটি
  4. সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
♦ সাইবার অপরাধ:
• ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
• বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার বুলি,
- স্পুফিং,
- ফিশিং,
- স্নিকিং,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
৪,৮৪৯.
নিচের কোনটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট?
  1. ক) Amazon.com
  2. খ) Cellbazaar 
  3. গ) E-selling 
  4. ঘ) E-business 
ব্যাখ্যা
E-Commerce (ই-কমার্স) জগতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট  হিসেবে বিশ্বখ্যাত হল অ্যামাজন (Amazon) ডট কম। 

ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা কেনা-বেচা করাকে ই-কমার্স(E-Commerce) বলে। এখানে ‘E’ দ্বারা ‘ Electronic’ শব্দটিকে বুঝানো হয়েছে। 

Amazon.com: 
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ইন্টারনেট ভিত্তিক খুচরা বিক্রেতা।
- প্রতিষ্ঠাতা –জেফ বেজোস (Jeff Bezos). 
- ৫ জুলাই,১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন রাজ্যের সিয়াটলে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।


এছাড়াও সারা বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট হলো – alibaba.com, ebay.com, walmart.com, flipkart.com 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৮৫০.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. On-demand self service
  2. Broad network access
  3. Limited customization
  4. Physical ownership of servers
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য: 
- On-demand self service, 
- Broad network access, 
- Limited customization, 
- resource pooling, 
- rapid elasticity, 
- measured service. 

- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে 'Physical ownership of servers' বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় না। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৮৫১.
কোন কম্পিউটার ডিভাইসটি সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স মোডের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. NIC
  2. Printer
  3. Monitor
  4. Mouse
ব্যাখ্যা

• ফুল ডুপ্লেক্স মোডে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ একই সময়ে সম্ভব হয়, যা উচ্চ গতির নেটওয়ার্ক যোগাযোগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের সংযোগের জন্য সাধারণত NIC (Network Interface Card) ব্যবহার করা হয়। NIC কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক কার্ড, যা ডিভাইসটিকে LAN বা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করে এবং দুই দিকেই ডেটা আদান-প্রদানের সুবিধা দেয়। অন্যদিকে, Printer, Monitor বা Mouse সাধারণত এক দিকের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো ফুল ডুপ্লেক্স সমর্থন করে না। তাই, দ্রুত ও সঠিক নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য NIC হল সবচেয়ে উপযুক্ত ডিভাইস, যা ফুল ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করতে সক্ষম।

উত্তর: ক) NIC.

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা - শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Microsoft [link]

৪,৮৫২.
এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধু ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
  2. শুধু অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR)
  3. VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
  4. শুধু 3D ভিডিও গেম
ব্যাখ্যা

• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো এমন একটি প্রযুক্তি ক্ষেত্র যা বাস্তব এবং ভার্চুয়াল জগতের অভিজ্ঞতাকে একত্রিত করে। এটি কেবল ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) বা অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) নয়, বরং উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR) এর মতো আরও উন্নত ফর্মগুলিও এতে আসে। VR ব্যবহারকারীকে সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল পরিবেশে নিয়ে যায়, AR বাস্তব জগতের সঙ্গে ভার্চুয়াল উপাদান overlay করে, আর MR বাস্তব এবং ভার্চুয়াল উপাদানকে মিলিয়ে ইন্টারেক্টিভ অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
- তাই XR হলো VR, AR এবং MR এর সমন্বয়, যা প্রযুক্তি ও ইন্টারঅ্যাকশনের নতুন মাত্রা উন্মোচন করে। সঠিক উত্তর: গ) VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)।


• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR):
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব ও ভার্চুয়াল পরিবেশের মধ্যে ইন্টারঅ্যাকশনকে একত্রিত করে।
- এটি শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং VR, AR এবং MR-কে একসাথে অন্তর্ভুক্ত করে।
- XR ব্যবহারকারীদের বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানের সাথে মিলিয়ে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন- শিক্ষা, গেমিং, চিকিৎসা এবং শিল্পক্ষেত্রে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- VR হলো একটি কম্পিউটার-জেনারেটেড পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে।
- ব্যবহারকারী সাধারণত হেডসেট বা VR গিয়ার ব্যবহার করে ভার্চুয়াল পরিবেশের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে।

• অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR):
- AR হলো প্রযুক্তি যা বাস্তব জগতে ভার্চুয়াল উপাদানগুলো সংযুক্ত করে।
- এটি বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানকে একসাথে প্রদর্শন করে, যেমন- মোবাইল স্ক্রিন বা AR চশমার মাধ্যমে।

• মিক্সড রিয়েলিটি (MR):
- MR হলো এমন প্রযুক্তি যা ভার্চুয়াল এবং বাস্তব উপাদানকে একত্রিত করে এবং ব্যবহারকারীকে উভয়ের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এটি VR এবং AR এর মিশ্রণ হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: University of California, Los Angeles - Advanced Research Computing [link]

৪,৮৫৩.
নিচের কোনটি 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) Wifi
  3. গ) WiMax
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Bluetooth 2.45GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
Wifi 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
WiMax 2-66GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

 
৪,৮৫৪.
স্মার্টওয়াচ সাধারণত কোন ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে?
  1. প্রজেক্টর
  2. রাউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
স্মার্টওয়াচ সাধারণত স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।

স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- সময় বলার পাশাপাশি স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন। প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে এবং যা পরিধানকারীর স্মার্টফোনের ক্ষমতা তাঁর ঘড়িতে প্রসারিত করতে সক্ষম।
- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতেও পারে। তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- ১৯৭৫ সালে Calcron নামে প্রথম ক্যালকুলেটর ঘড়ি তৈরি হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে, Seiko কোম্পানি কম্পিউটিং সুবিধাসম্পন্ন ঘড়ি বাজারে আনে।
- ২০১৪ সালে, Google স্মার্টওয়াচের জন্য Android Wear অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে।

• স্মার্টওয়াচের কাজ (Functions of Smartwatch):
- কল, এসএমএস, ইমেইল ও অ্যাপ নোটিফিকেশন দেখায়।
- কিছু স্মার্টওয়াচ থেকে সরাসরি ফোন কল করা যায়।
- স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে পেডোমিটার ও হার্ট রেট মনিটর থাকে।
- টাচস্ক্রিন বা বোতামের মাধ্যমে চালানো যায়।
- স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযোগ করে বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করে।
- রঙিন বা সাদা-কালো ই-পেপার ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়।

সোর্স: ব্রিটানিকা।
৪,৮৫৫.
EC2 কোন কোম্পানির ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস?
  1. Amazon
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Apple
ব্যাখ্যা
• EC2:
- অ্যামাজন এর ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস হলো Amazon Elastic Compute Cloud (EC2).
- EC2 এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮ টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলােই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতাে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৮৫৬.
Linkedin অফিশিয়ালি চালু হয় কত সালে?
  1. ২০০১ সাল
  2. ২০০২ সাল
  3. ২০০৩ সাল
  4. ২০০৪ সাল
ব্যাখ্যা
• LinkedIn:
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ৷
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- ২০০৩ সালে LinkedIn অফিসিয়ালি চালু হয়।
- বর্তমান CEO  Ryan Roslansky.
- সদর দপ্তর  Sunnyvale, California, United States.
- ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক ছিল এবং বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ১ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।

উৎস: লিংকডইনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৮৫৭.
বিটকয়েন আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) অ্যাডওয়্যার্ড স্নোডেন
  2. খ) সাতোশি নাকামোতো
  3. গ) রিচার্ড নক
  4. ঘ) বিল গেটস
ব্যাখ্যা
- বিটকয়েন একধরনের ক্রিপ্টো-কারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এই মুদ্রার লেনদেন হয়ে থাকে।
- ২০০৮ সালের শেষের দিকে জাপানের একজন নাগরিক সাতোশি নাকামোতো নামের কেউ বা একদল সফটওয়্যার বিজ্ঞানী এই ‘ক্রিপ্টোকারেন্সির’ উদ্ভাবন করেন। যদিও এই ব্যক্তির আসল নাম বা পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

উৎস: বিবিসি ওয়েবসাইট 
৪,৮৫৮.
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা - কোনটির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ই-সার্ভিস
  2. খ) ই-লার্নিং
  3. গ) ই-গভর্ন্যান্স
  4. ঘ) ই-কমার্স
ব্যাখ্যা

শাসন ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স।
ই-গভর্ন্যান্সের ফলে নাগরিকের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটে।
ই-গভর্ন্যান্সের একটি উদাহরণ হলো মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা। এর ফলে ফলাফল জানার যে বিলম্ব এবং বিড়ম্বনা, তার অবসান ঘটে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৪,৮৫৯.
_____ are credited with inventing the Internet communication protocols we use today and the system referred to as the Internet.
  1. ক) Vinton Cerf and Bob Kahn
  2. খ) Claude Shannon and Paul Baran
  3. গ) Paul Mockapetris and John Postel
  4. ঘ) Sir Tim Berners-Lee and Barry Shein
ব্যাখ্যা
Vinton Cerf  and Bob Kahn are credited with inventing the Internet communication protocols we use today and the system referred to as the Internet.
 
Source: Britannica
৪,৮৬০.
DHCP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Dynamic Host Communication Protocol
  2. Dynamic Host Computer Protocol
  3. Dynamic Host Configuration Protocol
  4. Dynamic Hosting Cable Protocol
ব্যাখ্যা
- DHCP এর পূর্ণরূপ Dynamic Host Configuration Protocol.
- ডায়নামিক হোস্ট কনফিগারেশন প্রোটোকল (DHCP) হল একটি ক্লায়েন্ট/সার্ভার প্রোটোকল যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) হোস্টকে তার IP ঠিকানা এবং অন্যান্য সম্পর্কিত কনফিগারেশন তথ্য যেমন সাবনেট মাস্ক এবং ডিফল্ট গেটওয়ে প্রদান করে।
- DHCP কনফিগার করা হয় যেখানে ম্যানুয়ালি আইপি এসাইন করা কঠিন অর্থাৎ যেখানে নেটওয়ার্ক টি অনেক বড়।
- একটি TCP/IP-ভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইসের নেটওয়ার্ক এবং এর সংস্থানগুলি অ্যাক্সেস করার জন্য একটি ইউনিক ইউনিকাস্ট IP ঠিকানা থাকতে হবে।
- DHCP ব্যতীত, নতুন কম্পিউটার বা কম্পিউটারের আইপি ঠিকানা যা এক সাবনেট থেকে অন্য সাবনেটে স্থানান্তরিত হয় সেগুলি ম্যানুয়ালি কনফিগার করা আবশ্যক, নেটওয়ার্ক থেকে সরানো কম্পিউটারগুলির জন্য IP অ্যাড্রেসগুলি ম্যানুয়ালি পুনরুদ্ধার করা আবশ্যক৷

উৎস: [Microsoft]
৪,৮৬১.
নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের সংযোগস্থলকে কী বলা হয়? 
  1. Dot
  2. Mode
  3. Node
  4. Connector
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- একটি নেটওয়ার্কের ফিজিক্যাল ডিভাইস (যেমন- ক্যাবল, পিসি, রাউটার ইত্যাদি) যেভাবে নেটওয়ার্কে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে টপোলজি বলা হয়। 
- নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের সংযোগস্থলকে নোড (Node) বলা হয়। 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে মূলত ছয় ধরণের টপোলজি থাকে। 
যথা: 
১) বাস নেটওয়ার্ক টপোলজি (Bus Network Topology), 
২) রিং নেটওয়ার্ক টপোলজি (Ring Network Topology), 
৩) স্টার নেটওয়ার্ক টপোলজি (Star Network Topology), 
৪) ট্রি নেটওয়ার্ক টপোলজি (Tree Network Topology), 
৫) মেশ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Mesh Network Topology) এবং 
৬) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক টপোলজি (Hybrid Network Topology)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ  শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪,৮৬২.
সার্চ ইঞ্জিন নয় কোনটি?
  1. ক) Google.com
  2. খ) Amazon.com
  3. গ) Yahoo.com
  4. ঘ) Bing.com
ব্যাখ্যা
সার্চ ইঞ্জিন:
- সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ওয়েব সার্চ (তথ্য সার্চ) করার জন্য মূলত এটি ডিজাইন করা হয়েছে।
- Google.com, Yahoo.com, Bing.com হল জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। 
- এছাড়াও আরও জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যেমন- Baidu, Duck Duck Go, Yandex ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
- Amazon.com হল কেনাবেচার জন্য ওয়েবসাইট।
- ekanei.com, Olx.com এই ওয়েবসাইটগুলো ই-কমার্স সাইট। এগুলোর সাহায্যে অনলাইনে কেনাবেচা করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৮৬৩.
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কের প্রধান কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. ওয়ার্কস্টেশন
  2. টার্মিনাল
  3. হোস্ট
  4. ক্লায়েন্ট
ব্যাখ্যা

সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কের প্রধান কম্পিউটারকে হোস্ট বলা হয়। 

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার সেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- এ ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি'র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসসমূহ হলো ফাইল, প্রিন্ট মেসেজ, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। 
• সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।
 
২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network):
- পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো নিজস্ব সফটওয়‍্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজগুলো করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৪,৮৬৪.
মেধাসত্ব বা সৃষ্টিশীল কাজ চুরি করাকে কী বলে?
  1. ক) Hacking
  2. খ) Spamming
  3. গ) Plagiarism
  4. ঘ) Vishing
ব্যাখ্যা
লেখাচুরি (Plagiarism):
- গবেষণাকেন্দ্রিক পরিমণ্ডলে Plagiarism অতি প্রচলিত একটি শব্দ।
- মেধাসত্ব বা সৃষ্টিশীল কাজ চুরি করাকে Plagiarism বলে।
- ভিন্ন ব্যক্তির লেখা বা যে কোন কিছু সজ্ঞানে চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াই Plagiarism ।
- অন্য ব্যক্তির আইডিয়া ধার করে নিজের কাজে ব্যবহার করতে হলে তার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া কিংবা নাম জানা না থাকলে অন্তত ‘সংগৃহীত’ উল্লেখ করে দেওয়াই বাঞ্ছনীয় এবং ন্যূনতম ভদ্রতার পরিচায়ক।
- ছবি, গানের কথা, কবিতা, গবেষণাপত্র, প্রবন্ধ, প্রতিবেদন যে কোন গঠনমূলক রচনার ক্ষেত্রে অন্য উৎস মারফত সরাসরি বা হুবহু তথ্য ব্যবহারের প্রয়োজন হলে
মূল লেখকের নাম উল্লেখ না করা অশোভন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Plagiarism প্রতিরোধে Paraphrasing চর্চা করা যেতে পারে।
- মূল লেখার বিষয়টিকে অপরিবর্তিত রেখে জুতসই প্রতিশব্দ সহযোগে নিজের ভাষায় সারমর্ম আকারে উপস্থাপন করাকে Paraphrasing বলে।
- তবে সেক্ষেত্রেও মূল লেখকের নাম, সম্ভব হলে সন উল্লেখপূর্বক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা আবশ্যক।
- এছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে কোন লেখায় Plagiarism হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা সম্ভব।
- Turnitin তেমনি একটি জনপ্রিয় সফ্টওয়্যার যা অনলাইনে ক্রয় করে নিজস্ব অ্যাকাউন্ট খুলে যে কেউ এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

সূত্র: তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৪,৮৬৫.
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. হার্ডওয়ার রিসোর্স শেয়ার করা
  2. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা
  3. তথ্য সংরক্ষণ করা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে বুঝায় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ। যে বিশেষ ব্যবস্থায় মডেম, ক্যাবল বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এক কম্পিউটারের সাথে অন্য এক বা একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তাদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করাই হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ।

কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ফলে একটি কম্পিউটারের যাবতীয় তথ্য একাধিক ব্যবহারকারীর স্ব স্ব কম্পিউটারের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে । কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ, তথ্যের আদান প্রদান, ই-কমার্স, ইলেক্ট্রনিক মেইল, ইলেকট্রনিক লাইব্রেরি, বুলেটিন বোর্ড ইত্যাদির প্রচলন ও প্রসার ক্রমেই বেড়েই চলেছে।

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরূপ :
- ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা।
- হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করা।
- সফটওয়্যার রিসোর্স শোয়ার করা।
- তথ্য সংরক্ষণ করা ।
- ই-কমার্স ব্যবহার করা ।
- তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
- মেসেস বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৬৬.
বাংলাদেশে কত সালে 4G সেবা চালু হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
4G:
- 4G হল ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ফোরজি নেটওয়ার্কে যেসব সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে সংশোধিত মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোনি, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি, হাই-ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্স, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উল্লেখযোগ্য।
- যুক্তরাষ্ট্রে স্প্রিন্ট নেক্সটেল ২০০৮ সালে মোবাইল ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক স্থাপন করে এবং মেট্রোপিসিএস ২০১০ সালে প্রথম এলটিই সেবা চালু করে।
- বাংলাদেশে ২০১৮ সালে মোবাইল ফোনে ৪জি (এলটিই) সেবা প্রদান শুরু হয়। ১৯ ফেব্রুযারী, ২০১৮ সালে প্রথমবারের মত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু করে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক।
- ৩জি এবং ৪জি উভয়ই এক বিশেষ মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা তার বিহীন কথা বলা, মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার, ভিডিও কল করা, মোবাইল টিভি ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে। 
- তবে ৪জি তে যে বিশেষ সুবিধা অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে তা হলো মোবাইল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। 
- IP based Network হল - 4G এর বৈশিষ্ট্য।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৬৭.
CDMA সিস্টেমে একাধিক ব্যবহারকারীকে কীভাবে পৃথক করা হয়?
  1. সময়ের স্লটে
  2. ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে
  3. ইউনিক কোডের মাধ্যমে
  4. ভৌগোলিক অবস্থানের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• CDMA (Code Division Multiple Access) সিস্টেমে একাধিক ব্যবহারকারীকে পৃথক করার জন্য ইউনিক কোড ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি ব্যবহারকারীর ডেটা একটি বিশেষ ক্রিপ্টোগ্রাফিক কোড দিয়ে সংকেতিত হয়, যা অন্যদের থেকে আলাদা। এই কোডের মাধ্যমে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এবং একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী একসঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, কারণ প্রত্যেক ব্যবহারকারীর সংকেত তাদের নির্দিষ্ট কোড দ্বারা পৃথক করা হয়। ফলে, CDMA সিস্টেমে ব্যবহারকারীরা একই ফ্রিকোয়েন্সি এবং একই সময় ভাগাভাগি না করে, ইউনিক কোডের মাধ্যমে আলাদা হয়। তাই CDMA-তে ব্যবহারকারী পৃথককরণ হয় গ) ইউনিক কোডের মাধ্যমে।

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. GSM (Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
৪,৮৬৮.
লিংকড ইন এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া
  2. নিউইয়র্ক
  3. জর্জিয়া
  4. টেক্সাস
ব্যাখ্যা
LinkedIn:

- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ৯৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।
- সদর দপ্তর: Sunnyvale, California, United States.
- Parent organization: Microsoft Corporation.
- CEO: Ryan Roslansky.
- Founders: Reid Hoffman, Jean-Luc Vaillant, Eric Ly, Konstantin Guericke, Allen Blue.

তথ্যসূত্র - লিংকড ইন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৮৬৯.
ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. PSTNN
  2. FAXTN
  3. PIST
  4. PSTN
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.

- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪৩ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৮৭০.
ভিডিও কনফারেন্সিং প্রক্রিয়াটি একটি ___ প্রক্রিয়া।
  1. ক) একমুখী
  2. খ) উভমুখী
  3. গ) বহুমুখী
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং।
বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন- পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স এবং অনলি কনফারেন্স।
টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৮৭১.
নিচের কোনটি ক্লাউড সার্ভিস মডেল নয়?
  1. Software as a Service (SaaS)
  2. Platform as a Service (PaaS)
  3. Infrastructure as a Service (IaaS)
  4. Wesite as a Service (WaaS)
ব্যাখ্যা

◉ Wesite as a Service (WaaS) ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের কোনো সার্ভিস মডেল নয়। 

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৭২.
বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন চালু হয় কবে?
  1. ২০০৮
  2. ২০০৯
  3. ২০১০
  4. ২০১১
ব্যাখ্যা

তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন মানুষের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করে।
২০০৯ সালে 'বাংলাদেশে তথ্য অধিকার ২০০৯' নামে একটি আইন চালু হয়েছে।
এই আইনের আওতায় কর্তৃপক্ষের নিকট হতে প্রত্যেক নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকার রয়েছে এবং কোনাে নাগরিকের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবেন। এই আইনের মূল প্রতিপাদ্য হলাে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হলে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারী ও বিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, দুর্নীতি হ্রাস ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৮৭৩.
ইন্টারনেট প্রোটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার- কোন মোবাইল প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) প্রথম
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট প্রোটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার হচ্ছে চতুর্থ মোবাইল প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য। 

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. IP (Internet Protocol) নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ Gbps।
৩. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু।
৪. Bluetooth, WLAN, GPS (Global Positioning System), WCDMA, GPRS (General Packet Radio Service) প্রভৃতি ওয়্যারলেস সিস্টেম সাপোর্টের জন্য নেটওয়ার্কে SDR (Software Defined Radio) প্রযুক্তির ব্যবহার।
৫. ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি। 
৬. 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৪,৮৭৪.
Peer-to-Peer Network এর বৈশিষ্ট্য নয় -
  1. ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক
  2. ইউজাররা তাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। 
  3. ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয় না।
  4. পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা
Peer-to-Peer Network:
প্রত্যেক ইউজার তাদের রিসোর্স অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে এবং প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার ও ওয়ার্কস্টেশনে ভূমিকা পালন করে।

বৈশিষ্ট্য: 
- ইউজাররা তাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। 
- ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক।
- ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয় না।
- বিশেষ কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন নেই।
- পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব নয়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৪,৮৭৫.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন?
  1. Google
  2. Hotbot
  3. Opera
  4. Safari
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেট: 
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়। 
- ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেখা বা খুঁজাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং বলা হয়। 
- ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট, ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা। 
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু স্পেশাল চিহ্ন ও ক্যারেক্টার ব্যবহার করলে স্বল্প সময়ে সর্বোৎকৃষ্ট সদ্ধান পাওয়া যায়। 
- ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন করে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ের ওয়েবপেজের তালিকা পাওয়া যায়। 
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে। বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। 
যেমন: 
• Yahoo, 
• Google, 
• Mamma, 
• Bing, 
• Go ইত্যাদি। 
- পিপীলিকা (Pipilica) বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন। 

ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 
-জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো- 
• Google Chrome, 
• Mozilla Firefox, 
• Safari, 
• Opera, 
• Microsoft Edge, 
• Maxthon, 
• Brave, 
• UC Browser. 

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বি এড এবং ব্রিটানিকা।

৪,৮৭৬.
ওরাকল কর্পোরেশন-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. Cupertino, California
  2. Menlo park, California
  3. Washington, D.C.
  4. Austin, Texas
ব্যাখ্যা
• ওরাকল কর্পোরেশন:
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- ১৯৭৭ সালের ১৬ জুন ওরাকল যাত্রা শুরু করে।
- কোম্পানিটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সিস্টেম এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার পণ্যে পারদর্শী-বিশেষভাবে নিজস্ব ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্রান্ডে।
- Headquarters: Austin, Texas, United States
- Founders: Larry Ellison, Bob Miner, Ed Oates
- বর্তমান (জুন, ২০২৪) CEO: Safra Catz [Sep 2014 – present]

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৮৭৭.
কম্পিউটারের মেমরি পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
  1. কিলোবাইট
  2. বাইট
  3. মেগাবাইট
  4. বিট
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) : বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট। মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।

বাইট (Byte) :
৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট। বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।

মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরুপঃ

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (1 KB)
২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (1 MB)
৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (1 GB)
৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (1 TB)
৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (1 PB)

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৮৭৮.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয় কত সাল থেকে?
  1. ক) ১৯৯০ সাল
  2. খ) ২০০১ সাল
  3. গ) ২০০৯ সাল
  4. ঘ) ২০১০ সাল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন
মোবাইল ফোন প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে মোবাইল ফোনের আবিষ্কারের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্তকে পাঁচ প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১। প্রথম প্রজন্ম (১৯৫০ - ১৯৮৯) (First Generation -1G)
২। দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০ - ২০০০) (Second Generation -2G)
৩। তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১ - ২০০৮) (Third Generation -3G)

৪। চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯ - বর্তমান) (Forth Generation - 4G)

৫। পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation -5G) ২০১৮ সাল থেকে আলোচনা শুরু হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture. এবং (BBC News বাংলা, ২৯ জুলাই ২০১৮)
৪,৮৭৯.
কোন প্রযুক্তি কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট কার্ডে ব্যবহার করা হয়?
  1. RFID
  2. Optical fiber communications link
  3. Bluetooth
  4. GPS
ব্যাখ্যা

◉ কন্টাক্টলেস পেমেন্ট কার্ড (যেমন: ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ওয়ালেট) RFID বা NFC টেকনোলজি ব্যবহার করে।
এটি রেডিও ওয়েভ-এর মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বে ডাটা ট্রান্সফার করে (সাধারণত ৪ সেন্টিমিটার বা কম)।

RFID:
- RFID এর পূর্ণরূপ Radio Frequency Identification.
- রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা RFID একটি বেতার যোগাযোগ পদ্ধতি।
- এটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ ব্যবহার করে বস্তু, মানুষ বা প্রাণীর সাথে যুক্ত ট্যাগ শনাক্ত ও ট্র্যাক করে।
- এই ট্যাগগুলিকে RFID ট্যাগ বলা হয়।
- RFID ট্যাগে ডিজিটালি সংরক্ষিত তথ্য থাকে, যা RFID রিডার দ্বারা পড়া যায়।
- বারকোড রিডারের মতো সরাসরি দৃষ্টিসীমায় না থাকলেও RFID রিডার কয়েক মিটার দূর থেকে ট্যাগ পড়তে পারে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
Bluetooth → ব্লুটুথ একটি ওয়্যারলেস টেকনোলজি যা স্বল্প দূরত্বে (সাধারণত ১০ মিটার পর্যন্ত) ডিভাইসগুলির মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার বা কানেকশন তৈরি করে।
GPS → লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের জন্য (কার্ড পেমেন্টে ব্যবহৃত হয় না)।
অপটিক্যাল ফাইবার → ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, কার্ডে নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৮৮০.
HTTPS কোন বৈশিষ্ট্য HTTP-এর সাথে যোগ করে?
  1. Security
  2. Standardization
  3. Software
  4. Sense
ব্যাখ্যা

• HTTPS মূলত HTTP-এর উপর একটি নিরাপত্তা স্তর যোগ করে। এটি ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় তথ্যকে এনক্রিপ্ট করে, যাতে তৃতীয় পক্ষ তা পড়তে বা পরিবর্তন করতে না পারে। অর্থাৎ, ব্যবহারকারীর ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সময় সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। HTTPS সাধারণত SSL বা TLS প্রটোকলের মাধ্যমে কাজ করে। এর ফলে ব্যাংকিং, অনলাইন শপিং বা যেকোনো সংবেদনশীল তথ্যের লেনদেন নিরাপদ থাকে। এটি শুধুমাত্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তাই HTTP-এর সাথে যোগ হওয়া মূল বৈশিষ্ট্য হলো Security.

- সঠিক উত্তর: ক) Security.
 
• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪,৮৮১.
TCP/IP মডেল এর লেয়ার সংখ্যা কতটি?
ব্যাখ্যা

- ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় TCP/IP
- ARPANETএ TCP/IP প্রথম চালু হয় ১৯৮৩ সালে।

TCP/IP মডেলের লেয়ার গুলো হচ্ছে -
- Application layer,
- Transport layer,
- Internet layer, ও
- Network layer.

৪,৮৮২.
নিচের কোনটি DBMS-এর উদাহরণ?
  1. ক) MICROSOFT Access
  2. খ) ORACLE
  3. গ) MySQL
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
DBMS
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৮৮৩.
ব্লুটুথ প্রযুক্তি নিচের কোন ধরনের নেটওয়ার্ক হিসেবে বিবেচিত?
  1. LAN
  2. MAN
  3. WAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা

◉ Bluetooth প্রযুক্তি সাধারণত একটি ছোট অঞ্চল জুড়ে ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত রাখতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি ব্যক্তিগত অঞ্চলভিত্তিক নেটওয়ার্ক হিসেবে বিবেচিত হয়, যাকে PAN (Personal Area Network) বলে।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৮৮৪.
নিচের কোনটি ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. প্রিন্টার
  2. গ্রাফিক্স প্যাড
  3. অপটিকাল রিডার
  4. পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
⇒ ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
• পেনড্রাইভ,
• টাচ স্ক্রিন,
• মডেম।

⇒ ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
• কি-বোর্ড,
• গ্রাফিক্স প্যাড,
• লাইট পেন,
• ওয়েবক্যাম,
• মাউস,
• অপটিকাল রিডার,
• জয়স্টিক,
• মাইক্রোফোন,
• স্ক্যানার,
• ওসিআর ইত্যাদি।

⇒ আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
• স্পিকার,
• প্লটার,
• হেডফোন,
• মনিটর,
• প্রিন্টার,
• প্রজেক্টর,

তথ্যসূত্র - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
৪,৮৮৫.
Time-shared OS এর জন্য কোন scheduling policy সবচেয়ে ভাল?
  1. ক) Shortest Job First
  2. খ) First Come First Serve
  3. গ) Round Robin
  4. ঘ) Last Come First Serve
ব্যাখ্যা
• Time-shared OS এর জন্য Round Robin scheduling policy সবচেয়ে ভাল।
• Time-shared OS:
টাইম শেয়ারিং হলো একটি অপারেটিং সিস্টেমের নাম যার দ্বারা একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত কয়েকটি কম্পিউটার ব্যবহারকারী একই সাথে কাজ করতে পারে।
• Round Robin scheduling policy: Round Robin scheduling policy হলো অনেকগুলো সংযোগের সমন্বয়ে গঠিত, যা তথ্য বিতরণ করে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইস।
- যেমন: একটি কোম্পানির মাল্টিপল সার্ভার আছে। যখন কোনো ১ম ইউজার সার্ভার থেকে তথ্য পেতে চেষ্টা করে তখন তাকে রেফার করা হয় সার্ভার ১ এ। আবার ২য় ইউজার তথ্য সংগ্রহ করে সার্ভার ২ থেকে। 

উৎস: Computerhope website.
৪,৮৮৬.
5G এর প্রধান সীমাবদ্ধতা কী?
  1. সীমিত ব্যান্ডউইথ
  2. ছোট কভারেজ এলাকা
  3. ধীর ডেটা গতি
  4. কম সংযোগযোগ্যতা
ব্যাখ্যা

• 5G এর প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো ছোট কভারেজ এলাকা, যা উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল ব্যবহার ও অবকাঠামোর খরচের কারণে হয়।
- 5G সাধারণত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি (millimeter wave) ব্যবহার করে।
- উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল দূরত্বে কম শক্তি রাখে এবং দৃঢ় বাধা (দেওয়াল, ভবন) অতিক্রম করতে পারে না।
- তাই প্রতি সেল টাওয়ারের কভারেজ এলাকা ছোট হয়।
- ছোট কভারেজ এলাকায় সার্ভিস দিতে অধিক সংখ্যক টাওয়ার এবং বেস স্টেশন প্রয়োজন।
- ফলে স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাড়ে।
- উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করলে সংযোগ স্থিতিশীল রাখতে হয়।
- শহর বা গ্রামীণ অঞ্চলে বাধার কারণে সিগন্যাল হ্রাস পেতে পারে।

• সুবিধাসমূহ:
- 5G নেটওয়ার্কে ডাউনলোড এবং আপলোডের গতি ১০ গিগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারে।
- এটি HD/4K ভিডিও স্ট্রিমিং, গেমিং এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত।
- 5G এ ল্যাটেন্সি মাত্র ১ মিলিসেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারে।
- রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশন যেমন অটোনোমাস গাড়ি, রিমোট সার্জারি এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- 5G নেটওয়ার্ক একসাথে মিলিয়ন ডিভাইস সংযোগ রাখতে সক্ষম।
- এটি IoT (Internet of Things) ডিভাইস, স্মার্ট সিটি এবং সেন্সর নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী।
- 5G উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে বেশি ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- ব্যান্ডউইথের ব্যবহার আরও কার্যকরী হয়।
- বিশেষ করে জরুরি পরিষেবা এবং কৌশলগত অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৪,৮৮৭.
কোন প্রযুক্তি IoT ডিভাইসগুলোকে সমস্ত ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর পরিবর্তে স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণ করতে সাহায্য করে?
  1. Edge computing
  2. Blockchain
  3. 5G network
  4. Cloud storage
ব্যাখ্যা

• IoT ডিভাইসগুলো সাধারণত বড় পরিমাণে ডেটা উৎপন্ন করে, যা সরাসরি ক্লাউডে পাঠালে ব্যান্ডউইথ সমস্যা ও সময় বিলম্ব ঘটতে পারে। এই সমস্যা কমাতে Edge Computing প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এটি IoT ডিভাইসের কাছাকাছি বা স্থানীয় সার্ভারে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম, ফলে ডেটার রিয়েল-টাইম বিশ্লেষণ সম্ভব হয় এবং লেটেন্সি কমে। এছাড়া, ডেটা স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণের কারণে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে Blockchain ডেটার নিরাপত্তা বাড়ায়, 5G দ্রুত সংযোগ দেয় এবং Cloud Storage ডেটা সংরক্ষণে সাহায্য করে, কিন্তু এগুলো স্থানীয় প্রক্রিয়াকরণ সরাসরি করে না। সুতরাং সঠিক উত্তর ক) Edge computing.

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু বা ডিভাইস ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যমে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই কাজ সম্পাদন করা। এর ফলে, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং সিস্টেম আরও স্মার্ট এবং দক্ষ হয়ে ওঠে।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অথবা একটি স্মার্ট লাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে ও নিভে যেতে পারে।
- IoT ডিভাইসগুলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যা ব্যবহারকারীকে যেকোনো স্থান থেকে তাদের যন্ত্রপাতি পরিচালনা করার সুবিধা দেয়।
- এই প্রযুক্তিতে সেন্সরের মাধ্যমে ডেটা সংগ্রহ করে AI বা মেশিন লার্নিং দিয়ে বিশ্লেষণ করা যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও সহজ হয়।

• Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা। এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। এর ফলে:
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।
- Cloud storage খরচ কমলেও, এটা প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়, বরং একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

উৎস:
1) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
2) IBM [link]

৪,৮৮৮.
ওয়েবসাইট কোন দুটি অংশ নিয়ে গঠিত?
  1. ক) Client, Server
  2. খ) ISP, Host
  3. গ) User ID, ISP
  4. ঘ) User ID, Domain
ব্যাখ্যা
একটি ওয়েবসাইটের দুটি অংশ থাকে- সার্ভার ও ক্লায়েন্ট।
ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর ইনপুট নিয়ে সার্ভারের কাছে ডেটা পাঠায় যাকে বলা হয় রিকোয়েস্ট (request)।
সার্ভার সেই ডেটা অনুসারে ক্লায়েন্টের কাছে জবাব বা রেসপন্স (response) পাঠায়।
যেমন- একটি ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে চাইলে ব্রাউজারে বিভিন্ন তথ্য লিখে ব্যবহারকারী একটি বাটনে ক্লিক করেন, তখন সেই ডেটা সার্ভারের কাছে যায় এবং সার্ভার ডেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি কোনাে সমস্যা না পায় (যেমন- ইতিমধ্যে এই নামে একাউন্ট তৈরি করা আছে), তখন সার্ভার ব্যবহারকারীর একাউন্ট তৈরি করে এবং ক্লায়েন্টের কাছে রেসপন্স পাঠায়।
আবার কোনাে কারণে একাউন্ট তৈরি করা না গেলেও ক্লায়েন্টের কাছে রেসপন্স পাঠায়।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৪,৮৮৯.
কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. ক) Facebook
  2. খ) WhatsApp
  3. গ) Instagram
  4. ঘ) Viber
ব্যাখ্যা
মালিকানা ভিত্তিতে ভাইবার ব্যাতিক্রম। কারণ বাকি তিনটি সেবার মালিক ফেসবুক।
৪,৮৯০.
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের জন্য ইন্টারনেট কখন চালু হয়েছিল?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হয় ১৯৯৬ সালে। এর আগে ইন্টারনেট মূলত গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সংস্থার জন্য সীমিতভাবে ব্যবহৃত হতো। ১৯৯৬ সালে দেশে বাণিজ্যিক ইন্টারনেট পরিষেবা প্রবর্তনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে শুরু করে। এটি বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হয়। ইন্টারনেটের আগমনের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, ব্যবসা ও তথ্যপ্রাপ্তি সহজ হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষ এখন ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অনলাইন শপিং এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবায় যুক্ত হতে পারে। সুতরাং, ১৯৯৬ সালে ইন্টারনেট চালু হওয়াই দেশের জনগণের জন্য এই প্রযুক্তির প্রবেশদ্বার।

• বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার:

- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ।
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৮৯১.
বাংলাদেশ প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে কত সালে?
  1. ক) ২০১৭
  2. খ) ২০১৮
  3. গ) ২০১৯
  4. ঘ) ২০২০
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ : বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ

উৎক্ষেপণ সময়:
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪ : ১৪ মিনিট 
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২ : ১৪ মিনিট

স্থান:
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।

মন্ত্রণালয়/বিভাগ: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকাল: ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত

নির্মাণ সংস্থা: বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্য: ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা।

সূত্র: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
৪,৮৯২.
জিএসএম এর পূর্ণরূপ কী ?
  1. General Signal Modulation
  2. Global Satellite Mobile
  3. General System for Messaging
  4. Global System for Mobile communications
ব্যাখ্যা

• জিএসএম (GSM) এর পূর্ণরূপ হলো Global System for Mobile communications। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রযুক্তি যা মোবাইল ফোনে ভয়েস কল এবং ডেটা ট্রান্সমিশন পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। GSM প্রযুক্তি সেলুলার নেটওয়ার্ক ভিত্তিক, যেখানে এলাকা ভাগ করা হয় সেল বা সেল টাওয়ার হিসেবে। প্রতিটি সেলে নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কমিউনিকেশন করা হয়, যা একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারীকে সেবা প্রদান করতে সক্ষম। GSM নেটওয়ার্ক নিরাপদ, এবং এটি সিম কার্ড ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষিত রাখে। এটি বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক ব্যবহৃত মোবাইল কমিউনিকেশন স্ট্যান্ডার্ড। সঠিক উত্তর হলো ঘ) Global System for Mobile communications।

• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৮৯৩.
IMEI নম্বরের প্রথম অংশ কী নির্দেশ করে?
  1. ম্যানুফেকচারিং কোড
  2. ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর
  3. সফটওয়্যার সংস্করণ
  4. তৈরি হওয়ার তারিখ
ব্যাখ্যা
• IMEI নম্বরের প্রথম অংশ ম্যানুফেকচারিং কোড নির্দেশ করে। এটি সাধারণত TAC (Type Allocation Code) নামে পরিচিত, যা কোনো মোবাইল ডিভাইসের ব্র্যান্ড ও মডেল শনাক্ত করতে সাহায্য করে। TAC কোড ডিভাইসটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছে এবং এটি কোন নির্দিষ্ট মডেলের অন্তর্গত, তা স্পষ্ট করে। এটি ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর, সফটওয়্যার সংস্করণ বা তৈরি হওয়ার তারিখ নির্দেশ করে না। তাই, IMEI নম্বরের প্রথম অংশ ম্যানুফেকচারিং কোড বা ব্র্যান্ড ও মডেলের তথ্য প্রকাশ করে, যা মোবাইল ফোন বা যেকোনো সেলুলার ডিভাইসের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৮৯৪.
চাঁদ কত দিনে পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে একবার আবর্তন করে?
  1. ২৬ দিন
  2. ২৭ দিন
  3. ২৮ দিন
  4. ২৯ দিন
ব্যাখ্যা

চাঁদ (Moon):
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে ২৯ দিন ১২ ঘন্টায় একবার আর্বতন করে।
- চাঁদের ব্যাস ৩,৪৭৫ কিলোমিটার।
- ১৯৬৯ সালের ২১ শে জুলাই সর্বপ্রথম মানুষ চাঁদে অবতরণ করেন।
- চাঁদে পানি, বায়ু, উদ্ভিদ বা প্রাণী নেই। চাঁদে বহু সমতলভূমি, পাহাড় পর্বত ও বৃহদাকার গর্তের উপরিভাগ দেখা যায়। চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম ক্লেভিউস।
- চাঁদের আকাশ দিনে-রাতে একই রকম কালো। চাঁদের নিজস্ব আলো নেই।
- সূর্যের আলোতে চাঁদ আলোকিত হয়।
- চাঁদের যে পৃষ্ঠে সূর্যালোক পড়ে সে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০° সেলসিয়াস এর ওপরে এবং অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৫০° সেলসিয়াসের নীচে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৯৫.
ই-মেইল অ্যাড্রেসে ‘.com’ ডোমেইন দ্বারা বোঝায়—
  1. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  2. সামরিক প্রতিষ্ঠান
  3. সরকারি প্রতিষ্ঠান
  4. ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
ই-মেইল অ্যাড্রেসে ‘.com’ দ্বারা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:

.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৯৬.
Which of these is the correct format of Email address?
  1. ক) abcd.bdlink.com.bd
  2. খ) abcd.bdlink@com.bd
  3. গ) abcd@bdlink.com.bd
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
- ‘abcd@bdlink.com.bd’ email address টি সঠিক নিয়মে গঠিত।
- ই-মেইলের মাধ্যমে কোন তথ্য আদান-প্রদান করতে E-mail Address থাকা আবশ্যক। 

E-mail: 

- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Electronic Mail.
- Email দুইটি অংশে বিভক্ত। প্রথম ভাগে User name এবং দ্বিতীয় ভাগে Domain name বসে। 
- Email address এ User name ও Domain name এর মাঝখানে @ (at sign) ব্যবহৃত হয়।
- at sign (@) সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালে ব্যবহৃত হয়। 

অর্থাৎ ‘abcd@bdlink.com.bd’ ঠিকানায়-
- @ (at sign) এর আগে User name ' karimjannat' বসেছে।
- @ এর পরে  Domain name 'bdlink' বসেছে ।

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৮৯৭.
RTGS is often utilized for transactions that require:
  1. Delayed processing
  2. Immediate settlement
  3. Batch processing
  4. Manual authorization
ব্যাখ্যা
• RTGS:
→ RTGS is the Payment System.
→ RTGS এর পূর্ণরূপ - Real Time Gross Settlement.
→ রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আর টি জি এস – RTGS) একটি ফান্ড ট্রান্সফার সিস্টেমকে বোঝায় যা তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
→ নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমকে সহজতর করার জন্য, বাংলাদেশ ব্যাংক তার ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে ২৯ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করেছে।
→ RTGS হল একটি ইলেকট্রনিক সেটেলমেন্ট সিস্টেম যেখানে একটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাঙ্কে রিয়েল-টাইমে তহবিল স্থানান্তর করা হয়।
→ দুটি পদ্ধতি আছে যার মাধ্যমে গ্রাহকরা RTGS পরিষেবা পেতে পারেন:
১. অনলাইন, মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে।
২. RTGS সক্ষম শাখায় নগদ টাকা জমা দিয়ে অফলাইন।
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
৪,৮৯৮.
অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৩
  3. ১৯৯৫
  4. ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার:
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ।
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৮৯৯.
MAC অ্যাড্রেস কত বাইটের?
  1. ক) ৪৮
  2. খ) ৩৬
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারকে নেটওয়্যার্ক এর সাথে সংযুক্ত করার জন্য NIC বা নেটওয়্যার্ক ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয়।
এ কার্ডকে ল্যান কার্ড বা নেটওয়্যার্ক অ্যাডাপ্টার বলে।

ল্যান কার্ডে ৪৮ বিট বা ৬ বাইটের একটি অদ্বিতীয় কোড থাকে একে ম্যাক অ্যাড্রেস বলে।

MAC - Media Access Control

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৪,৯০০.
মেইল সার্ভার থেকে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. FTP
  4. POP
ব্যাখ্যা

POP (Post Office Protocol) সরাসরি মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল বার্তা ডাউনলোড করে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে সংরক্ষণ করে।
- POP3 সংস্করণটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- ইনবক্সে থাকা ইমেইল ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ডাউনলোড করে।
 - মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল। 
- এটি ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

FTP:
- FTP এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol.
- ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।