ব্যাখ্যা
• দুটি ব্লুটুথ ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সংযোগ করার প্রক্রিয়াকে প্যায়ারিং (Pairing) বলা হয়। যখন দুটি ডিভাইস প্রথমবার একে অপরকে চিনে নেয়, তখন তারা এক ধরনের নিরাপদ চ্যানেল তৈরি করে ডেটা আদানপ্রদান করতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি পাসকোড বা পিন ব্যবহার করা হয়, যা নিশ্চিত করে যে সংযোগটি অনুমোদিত এবং নিরাপদ। একবার প্যায়ারিং সম্পন্ন হলে, ডিভাইসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভবিষ্যতে সংযুক্ত হতে পারে, ফলে বারবার অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। প্যায়ারিং ব্লুটুথ ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য, ফাইল বা অডিও ট্রান্সমিশনের জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) প্যায়ারিং।
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।